Tag: India

  • India-Bangladesh Relationship: পারস্পরিক সহযোগিতা হবে আরো গভীর, ভারত-বাংলাদেশের এফওসিতে তিস্তা জলের প্রসঙ্গ

    India-Bangladesh Relationship: পারস্পরিক সহযোগিতা হবে আরো গভীর, ভারত-বাংলাদেশের এফওসিতে তিস্তা জলের প্রসঙ্গ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-Bangladesh Relationship: সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ডামাডোলের শেষ নেই। যার সঙ্গে বারংবার জড়িয়েছে ভারতের প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে পরাশক্তিগুলো কি ভাবছে, কি ভাবছে না তা নিয়ে তোলপাড় বিশ্ব রাজনীতি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক আলোচনায় বারংবার এসেছে বাংলাদেশের নাম। যদিও ভারত প্রথম থেকেই বলে এসেছে, দেশটার নির্বাচন এক্কেবারে অভ্যন্তরীণ বিষয়। দুই দেশ একে অপরের সঙ্গে বন্ধুত্বের নীতিতে চলে। এবার পরস্পরের সহযোগিতা আরো গভীর করার উপর জোর দিল দুই দেশ। আলোচনায় উঠে এল তিস্তার জল বণ্টনের প্রসঙ্গ।

    ২৪ শে নভেম্বর শুক্রবার নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ভারত ফরেন অফিস কনসাল্টেশন (এফওসি)। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রা এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক হায়দ্রাবাদ হাউসে অনুষ্ঠিত ফরেন অফিস কনসালটেশনে (এফওসি) নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব ভারতের জি২০ প্রেসিডেন্সির অধীনে একমাত্র দক্ষিণ এশিয়ার নেতা হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে “জি২০ লিডারস সামিটে” আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এফওসি মূলত বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় পর্যালোচনা করার লক্ষ্যে একটি বিস্তৃত আলোচনার জন্য একটি মূল প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে এবং দুই দেশের জনগণের বৃহত্তর সুবিধার জন্য পারস্পরিক স্বার্থের নতুন উপায়গুলি অন্বেষণ করে থাকে।

    উভয় পররাষ্ট্র সচিব বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং ২০২৩ সালের অগ্রগতির বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দুই প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা সংযোগ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য সম্প্রতি কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধনের কথা উল্লেখ করে তারা বলেন যে, এই ধরণের সহযোগিতা শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বাস্তব ফলাফল প্রতিফলিত করে। দুই পররাষ্ট্র সচিব উন্নয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য, আঞ্চলিক সংযোগ, আঞ্চলিক পাওয়ার গ্রিড সংযোগ, নিরাপত্তা ও জল সংক্রান্ত সমস্যা, কনস্যুলার ও সাংস্কৃতিক বিষয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের ওপর জোর দিয়েছেন। উভয় পক্ষ পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, দুই সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একটি শান্তিপূর্ণ সীমান্তে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা উচিত।

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব রাষ্ট্রদূত মাসুদ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম বিষয় গুলি হল, তিস্তা চুক্তি এবং অভিন্ন নদীর জল বণ্টন চুক্তির প্রাথমিক সমাপ্তি, বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্য থেকে বাণিজ্য বাধা দূর করা এবং দুই দেশের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি যোগাযোগ সম্প্রসারণের জন্য ভিসা প্রদান প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য তার প্রতিপক্ষকে অনুরোধ করেছেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ভারতের সহায়তাও চেয়েছেন।

    অপরদিকে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় কোয়াত্রা বাংলাদেশকে বিশ্বস্ত প্রতিবেশী হিসেবে অভিহিত করে, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গ্লোবাল সাউথ এবং জি-২০ এর ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে নেতৃত্বের অঙ্গীকারের আশ্বাস দিয়েছেন এবং অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপর জোর দিয়েছেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতকে ভিলেন বানাল তালিবান! আফগান দূতাবাস বন্ধে দো’ষের ভাগীদার দিল্লি, সত্য়িটা কি ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আফগানিস্তান ভারতের ওপর চড়াও হচ্ছে। দিল্লি কাঁধে সব দোষ চীনের কথাতেই কি দিল্লির বিরুদ্ধে চরম স্টেপ নিল আফগানিস্তান? ভারতে বন্ধ করে দেওয়া হল আফগান দূতাবাস কিন্তু কেন? দিল্লিকে শুধু দায়ী করলে হবে না আসল সত্যিটা জানা দরকার। আফগানিস্তানের চরম সিদ্ধান্ত ভারতের মাটিতে। কাবুলকে প্রশ্ন করলেই দিল্লির দিকে আঙুল তুলবে তালিবান সরকার। ভারতই কি আফগানিস্তানকে বাধ্য করেছিল দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়ার জন্য? তাহলে এতবড় সিদ্ধান্ত হঠাৎ কেন নিল তালিবান সরকার? কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন কোনও দেশে থাকা অন্য দেশের দূতাবাসই ইঙ্গিত দেয় দুদেশের মধ্যে আসলে সম্পর্ক কেমন চলছে। যেমন কানাডার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে উত্তেজনা বাড়তেই কানাডা ভারতের কিছু কূটনীতিককে বরখাস্তা করে ভারতও পাল্টা কানাডার কূটনীতিকদের দেশ ছাড়তে বলে কিন্তু আফগানিস্তানের সঙ্গে হঠাত করে ভারতের হলটা কী?

    আফগান দূতাবাস কর্তৃপক্ষের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে ভারত সরকারের ধারাবাহিক অসহযোগিতার কারণে ২৩ নভেম্বর থেকে দূতাবাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে দূতাবাসের স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ করার পরে এ বার এই পদক্ষেপ করা হল। আশা করছি, এর ফলে দূতাবাসকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত সরকারের অবস্থানের ইতিবাচক পরিবর্তন হবে। এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে ভারত কেন অসহযোগীতা করতে যাবে আফগানিস্তানকে? এক্ষেত্রেই দিল্লির অবস্থান জানা প্রয়োজন। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারকে নিয়ে। আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা সরাতেই আফগানিস্তানের ওপর কার্যত কবজা করে তালিবান। এরপর কাবুলে তালিবান সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই তালিবান সরকারকে এখনও স্বীকৃতি দেয়নি ভারত। শুধু ভারতই নয় বহু পশ্চিমী দেশ এখনও তালিবানকে শাসক বলে মনে করে না। দিল্লির তরফ থেকে কিন্তু বলেই দিয়েছিল এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপুঞ্জ যে ধরণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারত সেটাই মানবে। তা সত্ত্বেও আফগানিস্তানে মানবিক, বাণিজ্যিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্য চালু রাখার জন্য কাবুলে ভারতীয় দূতাবাস বন্ধ করেনি দিল্লি।

    এবার দেখুন আফগানিস্তানের এই দূতাবাসে সমস্ত কূটনৈতিকরাই ছিলেন। আফগানিস্তানের পূর্ব প্রশাসক আশরফ ঘানি সরকারের নিযুক্ত। এখন সমস্যা এটাই আফগানিস্তানের বর্তমান তালিবান সরকার এই কূটনৈতিকদের ওপর থেকে হাত তুলে নিয়েছে। বরং তারা প্রত্যেক দেশে তালিবানের নিজস্ব কূটনীতিক পাঠাচ্ছে। যারা দূতাবাসের আন্ডারে আধিকারিক পদে কাজ করেও না। এক্ষেত্রে ভারতে থাকা আশরফ ঘানি সরকারের দূতাবাসের আধিকারিকদের মনে হয় তারা এখানে থেকে কাজ করবে তো করবে কীভাবে তাদের দেশের সরকারের সমর্থনই তো নেই। তাহলে এক্ষেত্রে কি ভারতের এক্ষেত্রে কোনও দোষ নেই? বিশেষজ্ঞরা বলছেন একে ঠিক দোষ বলা যায় না কারণ আফগানিস্তানের এমন পরিস্থিতিতে ভারতের বিশেষ আগ্রহ নেই তাদের দূতাবাস নিয়ে। একাংশের মত আফগান কূটনীতিকদের ভিসা পুনর্নবীকরণ-সহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে নরেন্দ্র মোদী সরকারের তরফ থেকে প্রত্যাশিত সাহায্য না মেলার কারণেই এই পদক্ষেপ।

    বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একেবারেই এই অসহযোগিতার অভিযোগ খারিজ করা হয়েছে। বরং আফগান দূতাবাসের কর্তারাই একে একে ভারত ছেড়ে অন্যান্য দেশে আশ্রয় নিয়েছেন বলে বিদেশ মন্ত্রকের এক কর্তা জানিয়েছেন। পাশাপাশি গত দু’বছরে একাধিক বার দূতাবাসের অন্দরে তালিবান সমর্থক এবং বিরোধী কর্মীদের মধ্যে সংঘাতের পরিস্থিতি ঘটেছে বলেও তাঁর দাবি। এর মানে তালিবানের নিজের অবস্থারই ঠিক নেই তারওপর তারা ভারতের কাঁধে সমস্ত দোষ চাপাচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে দিল্লির দূতাবাস বন্ধ হলেও মুম্বই এবং হায়দরাবাদের আফগান কনস্যুলেটের কী পরিণতি হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিন যুদ্ধ থামিয়ে শান্তি চান! মোদীর কাছে স্বীকারোক্তি, মিটে গেল সমস্যা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিন যুদ্ধ থামিয়ে শান্তি আলোচনা করবেন ইউক্রেনের সঙ্গে। মোদীর সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট। যুদ্ধ কি আর টানতে পারছে না রাশিয়া। জি২০ সম্মেলনে পুতিনে মন্তব্যে হতবাক বিশ্ব। পুতিনকে কি চাপে পড়ে এমন কথা বলতে হল? নাকি আসলে এবার সত্যি যুদ্ধ থামাতে চাইছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। জি২০র মঞ্চে মোদী এমন কি বললেন পুতিনকে? যে সোজা যুদ্ধ থামিয়ে শান্তির বার্তা দিতে শুরু করলেন রাশিয়ার বাদশা। ইজরায়েল এবং হামাসের সংঘাত যেন আঞ্চলিক যুদ্ধের চেহারা না নেয় সেটা সুনিশ্চিত করার জন্য একযোগে যা করার করতে হবে। জি২০ বৈঠকে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রনেতাদের উদ্দেশে ঠিক এই বার্তা দেন নমো। তাতেই যেন রাশিয়ার টনক নড়ে গেল।

    ভারতকে বিশেষ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকেই সত্যিটা বলে দিল মস্কো, নাকি এটা শুধুমাত্র পুতিনের বিশ্বের দরবারে সাধু সাজার চেষ্টা? ভ্লাদিমীর পুতিন সকলের সামনে বললেন ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনা করতে তারা রাজি। শুধু তাই নয় এই পুতিনের কথা শুনলে আপনার মনে হবেই না যে ইনি ইউক্রেনে এত ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চাইলে যাচ্ছেন। কারণ পুতিন এদিন বলেন কিয়েভে চলা রাশিয়ার “স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন” আসলেই ট্র্যাজেডি। আসলেই দুঃখজনক ঘটনা রাশিয়া তো কোনওদিনও শান্তি আলোচনা থেকে মুখ ফেরায়নি। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নির্বাহী আদেশ জারি করে রাশিয়ার সঙ্গে সব ধরনের শান্তি আলোচনার উদ্যোগকে নিষিদ্ধ করেছেন ঠিক এমনটাই দাবি ভ্লাদিমীর পুতিনের। জি২০তে পুতিনের এমন দাবি শুনে অনেকেই বলছেন তাহলে কি ভারতের নেতৃত্বে এবার একটু সুর নরম হচ্ছে পুতিনের? যুদ্ধ প্রায় সাড়ে ছশ দিনের কাছকাছি হতে চলছে এবার। জানা গিয়েছে জি২০ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি ১৭ মিনিট ছিলেন পুতিন। সেখানে ভারত ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর ও স্পেনের কথা শোনেন তিনি। পুতিনের সেগমেন্টে আমেরিকা ও চীনের এন্ট্রি ছিল না।

    এবার ফিরে আসি শান্তি চুক্তির কথায়। তাহলে সত্যিই কি পুতিন চাইছেন যুদ্ধ থামাতে। বিশেষজ্ঞদের দাবি পুতিনের মন্তব্যে সেই রেশ পাওয়া গেলেও যুদ্ধের মাঠে একেবারেই শান্তির কোনও নামগন্ধ নেই। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা হয়ে গেছে কিছুদিন আগেই। এদিকে ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অস্টিন লয়েড আকস্মিক সফরে গিয়ে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জেলেনস্কিকে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তার একটি প্যাকেজ দেওয়ার ঘোষণা করে দিয়ে গিয়েছেন। সেখানে মনে হয় রাশিয়া যুদ্ধ থামাবে? পুতিন যে শান্তির কথা বলেছেন তা কিছুটা এরকম যে এ সময় বিশ্বনেতাদের প্রতি এই সংকটের সমাধান খোঁজার আহ্বান জানিয়ে পুতিন বলেন নিরপেক্ষভাবে আমাদের সবাইকে ভাবতে হবে কীভাবে এই ট্র্যাজেডির ইতি টানা যায়। যদিও এর পাল্টা দিতে থামেননি জেলেনস্কি। তার দাবি যদি ইউক্রেন দোনবাস ও ক্রিমিয়ার ওপর অধিকার ছেড়ে দেয় তা হলে হয়তো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই বিশেষজ্ঞদের দাবি সব মিলিয়ে পুতিন যে বক্তব্য রাখলেন তাতে বাস্তবতার সঙ্গে বিশেষ কোনও মিল নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মণিপুরে আকাশে চীনা গুপ্তচর বেলুন! মায়ানমার অশান্তির ফায়দা তোলার চেষ্টা ? দিল্লি অ্যালার্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মণিপুরের আকাশে চীনের গুপ্তচর বেলুন? UFO নাম দিয়ে আসল সত্যি লোকানোর চেষ্টা। মায়ানমারের অশান্তির মধ্যে মণিপুরে সন্দেহজনক মুভমেন্ট। চীন কি ভারতে অশান্তি লাগাতে চায়? সুযোগের সতব্যবহার যদি ভারতের মাটিতে করতে চায় বেজিং। তাহলে চাপের ব্যাপার কারণ মণিপুর নিয়ে মারাত্মক প্রটেকটিভ দিল্লি। কয়েকদিন আগেই মণিপুরের আকাশে দেখা মিলেছিল অজ্ঞাত পরিচয় উড়ন্ত যানের (UFO)। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। মূলত তোলপাড় হয় ইম্ফল বিমান বন্দরে। কারণ ২০ নভেম্বর দুপুর আড়াইটে নাগাদ কেউ কেউ উড়ন্ত চাকি বা UFO দেখতে পান ইম্ফল বিমানবন্দরের উপরে। যার জেরে বাতিল করে দেওয়া হল বেশ কয়েকটি উড়ান। এই খবর পেতেই সতর্ক হয়ে যায় ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। কারণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র মায়ানমারের পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ দিকে যাচ্ছে। তার মাঝে মণিপুর থেকে এমন খবর বেশ সন্দেহজনক ও উদ্বেগের। ঠিক কি উড়ছে মণিপুরের ওপর সেই রহস্যভেদ করতে কাজে লাগানো হয় বায়ুসেনার দুটো রাফালে যুদ্ধবিমানকেও।

    সেই রাফালেই কি নিয়ে এল উদ্বেগের খবর? প্রকাশ্যে আসছে নতুন তথ্য। নজরদারি চালানো ওই উড়ন্ত যানটি আসলে চিনের ‘গুপ্তচর’ বেলুন নাকি? তাহলে কি এবার আমেরিকার মতই ভারতে নজরদারি চালাচ্ছে বেজিং? মনে আছে গত ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকার আকাশে হানা দিয়েছিল চীনা বেলুন। সমুদ্রের ধারে সেটিকে গুলি করে নামায় মার্কিন প্রশাসন। চীনের বিরুদ্ধে আনা হয় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ। তার পরই একটি রিপোর্ট পেশ করে ওয়াশিংটন জানিয়েছিল চীনের নিশানায় রয়েছে ৪০টি দেশ যার মধ্যে আছে ভারতও। অনেকেই বলছেন মায়ানমারের অশান্তিতে একেই সীমান্ত লাগোয়া রাজ্য মণিপুর নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ভারত। কারণ সীমান্ত দিয়ে শরণার্থীদের প্রবেশের আশঙ্কা বাড়ছে। মণিপুরের পরিস্থিতিও এখনও অনেক বেশি স্পর্শকাতর। তার মধ্যেই কি বেজিং নজরদারি চালাচ্ছে ভারতের এই রাজ্যে। রবিবার দুপুরে ইম্ফল বীর টিকেন্দ্রজিৎ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সন্দেহজনক উড়ন্ত যানটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। নাশকতার আশঙ্কায় বিমানবন্দরটিতে পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    অজ্ঞাত উড়ন্ত যানটিকে ক্যামেরাবন্দি করেন অনেকেই। ভিডিওয় উড়ন্ত ওই বস্তুটিকে সাদা বেলুনের মতো মনে হয়েছিল। যার সঙ্গে মিল রয়েছে আমেরিকার আকাশে দেখা সেই চীনা বেলুনের। এখানেই দানা বাঁধছে বিতর্ক। যদিও বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে ওই অঞ্চল থেকে কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি কিন্তু অনেকেই সন্দেহ করছেন এই ঘটনায় হাত রয়েছে চীনের। ওই যানটি পাঠিয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়া ও প্রস্তুতি যাচাই করতে চেয়েছিল লালফৌজ। হয়ত নিরাপত্তার স্বার্থে নয়া দিল্লিও এখন প্রকাশ্যে আনতে চাইছে না কোনওখবর। মায়ানমারে যতদিন অশান্তি না মিটছে ততদিনে যে মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল এসব সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বাড়তি সতর্কতা থাকবে তা বেশ স্পষ্ট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিনকে মোদী চরম ওয়ার্নিং দেবেন! বাড়াবাড়ি হচ্ছে পাকিস্তানকে নিয়ে, ব্রিকসে এন্ট্রি নাকি ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনকে ওয়ার্নিং দেবেন নরেন্দ্র মোদী! বাড়বাড়ি হচ্ছে এবার। পাকিস্তান ঢুকছে ব্রিকসে ভারত কি আটকাতে পারবে? চীনের বড়সড় লাভ। রাশিয়ার হঠাৎ ভারতবিরোধী এমন স্টেপ নিল কেন? পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকলে ভারতের কোন ক্ষতি হবে? পাকিস্তান ব্রিকসের জন্য অ্যাপ্লাই করে দিয়েছে ভারত কি এই গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাবে তাহলে? আর্জেন্টিনা আচমকা কেন বলে দিল তারা ব্রিকসে ঢুকতে চায় না। ভারতের পরম বন্ধু রাশিয়াই খাল কেটে কুমির ঢোকাতে পারে। মস্কোর পিছনে ইউক্রেনকে এতটা সাহায্য করার পরও কিছুতেই পাকিস্তান প্রীতি কমছে না রাশিয়ার। এবার রাশিয়া চাইলেই পাকিস্তান হয়ে যেতে পারে ব্রিকসের মেম্বার। রিপোর্ট বলছে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে ব্রিকসের মেম্বারশিপ পাওয়ার জন্য পাকিস্তান খাতায় কলমে কাজ সেরে নিয়েছে। এবার ব্রিকসের সদস্যদের অনুমতি দেওয়া পালা। ব্রিকসের সদস্যদের মধ্যে চীন তো দুহাত খুলে আমন্ত্রণ জানিয়েই রেখেছে পাকিস্তানকে। কিন্তু ভারত? ভারতের স্ট্যান্ড কী হবে এক্ষেত্রে? ২০২৪ রাশিয়ার কাজানে এবার ব্রিকসের প্রতিনিধিত্ব করবে মস্কো।

    আর পাকিস্তান এই সুযোগকে কোনওমতেই হারাতে চায় না। চলতি বছরই অগাস্ট মাসে এই একই খবর হয়েছিল যে পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে সেইসঙ্গে ইরান, সৌদির মতো আরও বিভিন্ন দেশ। তখন নয়া দিল্লি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিল ব্রিকসের সম্প্রসারণে কোনও আপত্তি নেই ভারতের কিন্তু পাকিস্তানকে নিয়েই নীরবই ছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। তাতেই বোঝা গিয়েছিল ভারত এখনই ইসলামাবাদের এন্ট্রি নিয়ে ভাবতে রাজি নয়। কিন্তু এবার দিল্লি রাশিয়াকে কি ভাবে আটকাবে?
    কারণ বিশেষজ্ঞদের বেশিরভাগি মনে করছেন রাশিয়া ব্রিকসের পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে খুব একটা আপত্তি করবে না। তাহলে মোদী কি ওয়ার্নিং দিতে পারেন পুতিনকে। নাকি ভারত নিজেই ব্রিকস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাববে। কূটনৈতিক মহল বলছে না এই কথাটা বলাটা যতটা সহজ ব্রিকস থেকে হুট করে বেরিয়ে যাওয়ার ভারতের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ ভারতের ম্যাসিভ বিনিয়োগ রয়েছে ব্রিকসে। ব্রিকসের বহু উদ্যোগে নয়াদিল্লির বড় ভূমিকা রয়েছে। আর সবথেকে বড় কথা ভারত কি ভিতু নাকি যে কাঙাল পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকলে সেখান থেকে বেরিয়ে যাবে ভারত।

    বরং কূটনৈতিকভাবে নয়াদিল্লি অন্যপথে চাপ তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে বলে রাখি আর্জেন্টিনা ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে না কারণ সেদেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার মিলেই কার্যত প্রো-আমেরিকান বলেই পরিচিত। সম্ভবত সেই প্রভাবেই প্রভাবিত হয়ে আর্জেন্টিনা ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে না। এদিকে পাকিস্তান ব্রিকসে অ্যাপ্লাই করার খবরেও ভারতের তরফ থেকে কিন্তু কোনও ধরণের প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। তাই ভারত কি স্টেপ নেবে কি নিতে পারে এ নিয়ে এখনও কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। অনেকেই বলছেন ২০২৪ সাল অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং হতে পারে। এই বছরকে মেক অ্যান্ড ব্রেক ইয়ারও বলা হচ্ছে কারণ এবছরে অনেক কিছুই ভাঙতে পারে, অনেক কিছুই গড়তে পারে। এবার দেখার পাকিস্তান ব্রিকসে ঢোকার টিকিট পেলে ভারত ঠিক কি স্টেপ নেয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাজপাখির মতো উড়বে ট্যাক্সি, রহস্যময় এই জিনিস ছুঁলেই নিঃস্ব ? ভারতের অজুবা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাজপাখির মতো এই খতরনাক প্রাণী, উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে মানুষকে? ভারতের মাটিতে এ কোন অজুবা? রাত জাগা পাখি “মিডনাইট”? কী আছে এর ভেতর? ফাইভ স্টার ফেইল? আকাশ চিরে ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে যাচ্ছে উড়ন্ত প্রহরী। এই মন্ত্রেই দুবাইকে পেছনে ফেলবে ভারত। ছুঁতে গেলে হতে হবে নিঃশ্ব? উড়ন্ত প্রহরীর কামাল, প্রতিবেশী দেশও হাঁ করে দেখবে ভারত কে। আলাদিনের ট্যাক্সি ভারতের ঘরে ঘরে? মাটি থেকে ঝাঁপ ডিরেক্ট জলে? উড়ে উড়ে চলবে আপনাকে নিয়ে। মারাত্মক ক্ষমতা উড়ন্ত ট্যাক্সির। দুবাইয়ের ডিটো এবার ভারতে। যে গন্তব্যে যেতে ১ ঘন্টা থেকে ৩ ঘন্টা সময় লাগে, সেখানে এই উড়ন্ত ট্যাক্সি পৌঁছে দেবে মাত্র ৭ মিনিটে। দূষণ নেমে আসবে একেবারে জিরো তে? শুনে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়? ভারতের পরিবহন ব্যবস্থায় ঝড় তুলবে এই বৈদ্যুতিক উড়ন্ত ট্যাক্সি বা ফ্লাইং-ক্রাফট ‘মিডনাইট’।ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আকাশ পথে পরিবহণ কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোমর বেঁধে মাঠে নামছে শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা ইন্ডিগো এবং যুক্তরাষ্ট্রের আর্চার এভিয়েশনের পৃষ্ঠপোষয়ক ইন্টারগ্লোব এন্টারপ্রাইস।

    জানা গিয়েছে, একজন পাইলট এবং ৪ জন যাত্রীকে নিয়ে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রা করতে পারবে এই উড়ন্ত ট্যাক্সি বা মিডনাইট ই-এয়ারক্র্যাফ্ট। যে ফ্লাইং ট্যাক্সি যাত্রীদের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দেবে তার নামই ‘মিডনাইট ই-এয়ারক্রাফট’। প্রাথমিক পর্যায়ে দিল্লি, মুম্বই এবং বেঙ্গালুরু শহরে এই পরিষেবা শুরু করতে পারে ইন্টারগ্লোব এন্টারপ্রাইস। এই নিয়ে অলরেডি গ্র্যান্ড প্ল্যানিং হয়ে গেছে। সবথেকে বড় বিষয়, এই উড়ন্ত ট্যাক্সি যানজটের তীব্র যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে যাত্রীদের।যানজটের সমস্যা বর্তমানে বড় রকমের মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষের কাছে। সেক্ষেত্রে বিমান ও হেলিকপ্টারের নাম নেওয়াই যায়, কিন্তু কাছের জায়গাগুলোতে যাতায়াতের জন্য এগুলো মোটেও আদর্শ উপায় নয়। মানুষের সেই প্রয়োজন মেটানোর খোঁজ করতে গিয়েই আবিষ্কার হয়েছে ফ্লাইং ট্যাক্সি, এয়ার ট্যাক্সি বা ইভিটিওএল মানে ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেক-অব অ্যান্ড ল্যান্ডিং।

    আকাশ পথে এমন ট্যাক্সি পরিষেবা এক নতুন যুগের সূচনা করতে পারে ভারতে। জমকালো দুবাই এয়ার শোতে আর্চার অ্যাভিয়েশনের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিলি গোয়েল বলেছেন, এতদিন আমরা বৈজ্ঞানিক গল্প-কাহিনি হিসেবে যা জানতাম তা এখন বৈজ্ঞানিক সত্যতে পরিণত হয়েছে। সত্যিই এটা ঘটছে! এটাই এখন বাস্তবতা। ২০২৫ সালের ভেতরে বাজারে আসছে এটি। সিনেমা, কমিক্স, কল্পকাহিনীর উড়ন্ত ট্যাক্সি এবার বাস্তবের মাটিতে। যেটাতে চড়ার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিমানের মতো হলেও বিমানে যাতায়াত সাধারণত বেশ খরচ সাপেক্ষ।সেই ক্ষেত্রে নিয়মিত এই ট্যাক্সি পরিষেবার খরচ আদৌ সামাল দিতে পারবে মধ্যবিত্ত? ভারতে এই ফ্লাইং ট্যাক্সিতে চড়তে গেলে কতটাকা ভাড়া গুনতে হবে? এটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন। এবিষয়ে California-based electric air taxi company, Archer Aviation বলছে উড়ন্ত ট্যাক্সিতে চড়তে মাইল প্রতি একজন যাত্রীকে চার থেকে পাঁচ থেকে ডলার গুনতে হতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন, ফ্লাইং ট্যাক্সিতে তে চড়ার জন্য প্রতিযোগিতামূলক খরচই রাখা হবে।

    যে উড়ন্ত ট্যাক্সি ভারতের মাটিতে পা রাখলে পাশাপাশি গণ-পরিবহন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগোবে ভারত। কারণ এটা তো ফ্যাক্ট এর আগে, এশিয়ার কোনও দেশে এখনও সফল ভাবে উড়ন্ত ট্যাক্সি পরিষেবা চালু হয়নি। সেই জায়গায় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে একটি বড় মাইলস্টোন স্পর্শ করবে ভারত। ভারত ছাড়াও, দুবাইভিত্তিক প্রাইভেট অ্যাভিয়েশন অপারেটর এয়ার সেতু যুক্তরাষ্ট্রের আর্চার অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে ১০০টি উড়ন্ত ট্যাক্সি কেনার চুক্তি করেছে। এর দাম পড়বে প্রায় ৫০০মিলিয়ন ডলার। ২০২৫ এ বাজারে এলেও আর্চার অ্যাভিয়েশনের প্রধান বলছেন, ২০২৬ সাল নাগাদ সংযুক্ত আরব আমিরাতে উড়ন্ত ট্যাক্সি চালু হবে। প্রাথমিকভাবে দুইটি রুটে এটি চলবে। এর একটি হলো- দুবাই এয়ারপোর্ট থেকে পাল্ম ডেভেলপমেন্ট এবং অপরটি হলো- আবুধাবি এয়ারপোর্ট থেকে সিটি সেন্টার। আসতে আসতে এর চাহিদা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। অতিসত্ত্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে শতশত উড়ন্ত ট্যাক্সি চালু করার আশা আর্চার অ্যাভিয়েশনের। যা সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এবং হেলিকপ্টারের থেকে ১০০ গুণ কম শব্দ তৈরি হয় এই এয়ার ট্যাক্সিতে। সব মিলিয়ে দুর্দান্ত বেনিফিট দেবে ফ্লাইং ট্যাক্সি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের মিশাইলে চীনের জাহাজ ধ্বংস ! ইন্ডিয়ান নেভির মাস্টারস্ট্রোক, জ্যামারও হবে ফেল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কপ্টার থেকে মিশাইল ছুঁড়ে চীনের জাহাজ ধ্বংস! ইন্ডিয়ান নেভি নয়া ব্রহ্মাস্ত্র নামিয়ে দিল সাগরে। ফেল হয়ে গেল বেজিংয়ের অত্যাধুনিক জ্যামার। ডিআরডিও যা বানিয়ে ফেলেছে সেটা অবিশ্বাস্য। ভারত কোথায় এমন হামলা করল চীনের ওপর? পাল্টা বেজিং ফুঁসছে নাকি পিএলএর নৌবাহিনীর শক্তি কতটা ভারত হারে হারে জানে, এবার কি যুদ্ধে লেগে যেতে পারে যখন তখন। যুদ্ধে যাতে না লাগে আর চীনের চালাকি যাতে মুহ তোড় জবাব দেওয়া যায় এবার তারই বড় প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে ইন্ডিয়ান নেভি। সিকিং ৪২বি হেলিকপ্টার থেকে প্রথমবার ছোড়া হল। একেবারে দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। এর মানে হেলিকপ্টার থেকে শত্রুর জাহাজকে তাক করে এই মিশাইল ছুড়লে কারোর ক্ষমতা নেই একে আটকাবে। ভারতীয় নেভি টেস্ট করল এনএএসএম-এসআর (NASM-SR) বা নাভাল অ্যান্টি-শিপ মিসাইল-শর্ট রেঞ্জ। আর এই একটা অ্যাকশনেই সাবধান ভারতের শত্রুরা। মাত্র ৮ সেকেন্ডের একটা তাতে একে সাধারণ মিশাইল মনে হলেও এর এফেক্ট জানলে অবাক হবেন।

    ভারতীয় নৌসেনার এই মিশাইলকে প্রতিরক্ষা মহল বলছে গেমচেঞ্জার কিন্তু কেন? খেলা বদলে দেওয়ার মতো এমন কি গুণ আছে এতে? NASM-SR মিসাইলের পাল্লা ৫৫ কিলোমিটার। এর মানে ৫৫ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তু পর্যন্ত আঘাত করতে পারে। গতি মাক ০.৮ অর্থাত্‍, আলোর গতিবেগের ০.৮ গুণ বেশি। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ইনফ্রা-রেড ইমেজিং প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে জ্যামার ব্যবহার করেও এই মিসাইল প্রতিরোধ করা যায় না। প্রাথমিকভাবে হেলিকপ্টার থেকে ছোড়ার জন্য তৈরি করা হলেও সহজেই মিসাইলটি জাহাজ এবং স্থলযান থেকেও ছোড়া যায়। এর মানে সাগরের বুকে ভারতকে এবার হুমকি দিতে গেলে চীন-পাকিস্তানকে ভাবতে হবে দুবার। তবে আগে কি ভারতের কাছে এমন কোনও অস্ত্র ছিল না?
    কত খরচ পড়ল এই নয়া অস্ত্র তৈরি করতে? প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন অবশ্যই ছিল কিন্তু তার এফেক্ট ছিল কম। ১৯৮০ সাল থেকেই সমুদ্র-ঈগল জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল ব্যবহার করে ভারতীয় নৌসেনা। নৌসেনার ওয়েস্টল্যান্ড সি কিং এমকে৪২বি মাল্টিপারপাস কপ্টারগুলি থেকে এই মিসাইল ছোড়া হয়। তবে এবার সমুদ্র-ঈগল মিসাইলগুলির জায়গাই নিতে চলেছে এনএএসএম-এসআর। পাল্লা কম, টেকঅফের ওজন বেশি এই রকম বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল সমুদ্র-ঈগল মিসাইলগুলির। এবার NASM-SR মিসাইলগুলি সেই ফারাকগুলি ভরাট করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সঙ্গে তারা এটাও বলছেন ভারতের হাতে ৫,০০০ কিলোমিটার পাল্লার পরমাণু অস্ত্র বহনযোগ্য। ‘ভূমি থেকে ভূমি’ ক্ষেপণাস্ত্র থাকলেও শত্রুপক্ষের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজের মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নেই। ডিআরডিও প্রস্তাবিত নয়া ক্ষেপণাস্ত্র সেই চাহিদা পূরণ করতে পারে বলে মনে ্ক রছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ। ২০১৮ সালে তত্‍কালীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এনএএসএম-এসআর তৈরির প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন। এর জন্য, ৪৩৪.০৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি (ডিএসি) সবুজ সংকেত মিললেই ক্ষেপণাস্ত্রের বাণিজ্যিক নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: ধেয়ে আসছে মিগজাউম! টগবগিয়ে ফুটবে সাগর। ভারত- বাংলাদেশে তুমুল দুর্যোগ ? কতটা রিস্কে দুই বাংলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: তছনছ করতে ধেয়ে আসছে মিগজাউম! ভারত-বাংলাদেশ কতটা রিস্কে? টগবগিয়ে ফুটবে বঙ্গোপসাগর। বাংলাতেও সাঙ্ঘাতিক এফেক্ট? কোন কোন জেলা চলে যাচ্ছে রেড অ্যালার্টে? মোকার ডিটো? জলবন্দী ১৪০ কোটির ভারত? সামনের ৪৮ ঘন্টায় কী ঘটতে যাচ্ছে? ঝড় বৃষ্টির মাঝেই হুহু করে নামবে তাপমাত্রা?  ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত। মিধিলি ভুলে যান। ভারত কাঁপাবে মিগজাউম?শীতের মাঝেই ছুটে আসছে কোন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ? পূর্বাভাস বলছে, মিগজাউম এর বড়সড় এফেক্ট পড়ার চান্স দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণের জেলাগুলোতে ও উত্তরবঙ্গের একাংশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো দমকা হাওয়া। টেনশন বাড়ার যথেষ্ট কারণ আছে। ঘূর্ণিঝড়টি যথেষ্ট শক্তিশালী হতে পারে বলে প্রাথমিক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে মিগজ়াউম। এখন কতটা ভয়ঙ্কর রুপ ওই ঘূর্ণিঝড়ের? এটা কিন্তু আপনার জেনে রাখা দরকার।

    ২৭ নভেম্বর থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে একটি পাওয়ারফুল সিস্টেম বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করবে। সেই শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্তটা ক্রমশ উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করবে। ২৯ নভেম্বর শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণাবর্তটি। এর পর সেটি ক্রমশ উত্তর দিকে এগোতে থাকবে। ২ রা ডিসেম্বর সেটি পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া ওড়িশা উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। আর বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে পূর্বাভাস মিলে গেলে মিগজাউম এর জন্য রাজ্যে শীতকালীন চাষে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যার জেরে বাড়তে পারে কাঁচা সবজির দাম। ঘূর্ণিঝড় মিধিলির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বাংলা৷ কিন্তু মিগজাউম? তৈরী হলে এটা কিন্তু সাঙ্ঘাতিক শক্তিশালী হবে। শুধু মিগজাউম নয়, তার আগে বাংলার মানুষকে ফেস করতে হবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা।নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে বৃহস্পতিবার। এই মুহূর্তে দুটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। সঙ্গে রয়েছে একটি অক্ষরেখা। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তামিলনাডু উপকূল এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং অন্য ঘূর্ণাবর্তটি রয়েছে পুরোপুরি কোমোরিন এলাকায়। শ্রীলংকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় পর্যন্ত একটি পুবালি অক্ষরেখাও রয়েছে।

    সাধারণত বর্ষা বিদায়ের পর থেকেই ধীরে ধীরে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় দখিনা বাতাসের পরিবর্তে শুষ্ক, ঠান্ডা উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করে। তার জেরেই তাপমাত্রা নামে। তবে বঙ্গোপসাগরে আচমকা কোনও ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ তৈরি হলে উত্তুরে হাওয়া বাধা পায়। তাতে তাপমাত্রার পতনও থমকে যায়। যদিও আপাতত তেমন কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। তাহলে কী এরমধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পড়ার দিনক্ষণ ঠিক? অলরেডি ২০ ডিগ্রির নিচে গেছে পশ্চিমের জেলাগুলোর তাপমাত্রা। সপ্তাহের শেষ দিকে যা ১৫ ডিগ্রিতে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে।আগামী চার পাঁচ দিনে পশ্চিমবঙ্গের কম-বেশি জেলাগুলোতেই দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমবে। তবে রাজ্যে শীতের অনুকূল পরিস্থিতি থাকলেও পাকাপাকিভাবে এখনই শীত নয়, বলছেন আবহবিদরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতকে চরম খোঁচা ইজরায়েলের! পাকিস্তান তুরুপের তাস? দিল্লি টলবে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তানকে ইজরায়েলের বড় ঝটকা। সাহায্য করেও ধোকা! ইসলামবাদ বোকা বনে যাচ্ছে। দিল্লিকে আসলে এটাই ছিল নেতানইয়াহুর খোঁচা? নাকি গুপ্ত কোনও বার্তা! কিন্তু ভারত কি ইজরায়েলের ফাঁদে পা দেবে? কী সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। পাকিস্তান ভাবতেও পারেনি প্রথমবার ইজরায়েলর ভালো করতে গিয়ে এবার পর্যুদস্তু হতে হবে তাদের। ভারতের ২৬/১১ মুম্বই হামলার ১৫ বছর হতে চলেছে। তার ঠিক আগেই বড়সড় ঘোষণা করে দিল ইজরায়েল। দিল্লি কি তেল আভিভের এই ঘোষণায় কোনওধরণের প্রতিক্রিয়া দেবে? লস্কর-ই-তইবাকে নিষিদ্ধ করল ইজরায়েল। মঙ্গলবার বিবৃতি জারি করে সেদেশের তরফে বলা হয় শয়ে শয়ে ভারতীয়কে হত্যার নেপথ্যে রয়েছে এই মারাত্মক জঙ্গি সংগঠন। তাই লস্করকে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর তালিকাভুক্ত করা হল। অনেকেই বলছেন পাকিস্তান অস্ত্র বেচেও তাহলে ইজরায়েলের সুনজরে আসতে পারল না।

    অবশ্য এমন এক ঘোষণা করেছে তেল আভিভ যার বিরুদ্ধে পাকিস্তান কোনও ধরণের অ্যাকশন নিতে পারবে না। এমনকি মুখ ফুটে প্রতিবাদ করারও জায়গা নেই, কিন্তু ইজরায়েল আসলে দিল্লিকে কোন বার্তা দিতে চাইল?ভারতের ইজরায়েলি দূতাবাস থেকে বিবৃতি দিয়ে লস্করকে নিষিদ্ধ করার খবর জানানো হয়। মুম্বইতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ১৫তম বর্ষপূর্তির আগেই এই পদক্ষেপ ভারতের ‘বন্ধু’ ইজরায়েলের। বিবৃতিতে বলা হয় ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ও বিদেশ মন্ত্রীরা যৌথভাবে কাজ করেছেন যেন দ্রুত লস্করকে নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করা যায়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে সকলের একজোট হওয়া দরকার। এই বিষয়টিও তুলে ধরতে চায় ইজরায়েল। কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন মনে রাখতে হবে ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত আবেদন করেছিলেন হামাসকে নিষিদ্ধ সংগঠন ঘোষণা করুক নয়াদিল্লি, কিন্তু ভারতের তরফ থেকে হামাসের ইজরায়েলে হামলার নিন্দা করা হলেও হামাসকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার কোনও স্টেপ নেওয়া হয়নি। তার পরেই বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রশাসনের এই পদক্ষেপ।

    এক্ষেত্রে কূটনৈতিক মহলের দাবি ভারতকে একপ্রকার আগ বাড়িয়ে ইজরায়েলর এটাই হয়ত বোঝাতে চাইল যে হামাসকে নিয়ে বৃহত্তর স্টেপ নিক ভারত তেমনটাই চায় তেল আভিভ গাজায় ইজরায়েল-হামাস সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পরেই ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত আবেদন জানান। এবার হামাসকে নিষিদ্ধ তকমা দিক নয়াদিল্লি। তাহলে এবার লস্করকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর কি ভারত ভেবে দেখবে এই বিষয় নিয়ে? বিশেষজ্ঞদের দাবি একটা রয়েছে জটিল অঙ্ক ইজরায়েল পাকিস্তান প্রথম থেকেই একে অপরের শত্রু কিন্তু ভারত স্বাধীন প্যালেস্টাইনে পক্ষে তাতে হামাসের হামলাকে দিল্লি সমর্থন না করলেও হুট করে হামাসকে যে নিষিদ্ধও ঘোষণা তারা করবে না এটা আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এবার দেখার ভারত ইজরায়েলের এই পদক্ষেপের পর কোন প্রতিক্রিয়া দেয় কিনা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Chandrayaan-4: চাঁদে থেকে অমূল্য রত্ন আনবে চন্দ্রযান-৪! বড় ঘোষণা ইসরোর, মহাকাশ ফুঁড়ে রহস্যভেদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Chandrayaan-4: চন্দ্রযান ৪ ভারতের নতুন ঘোষণা অবাক বিশ্ব। চাঁদের মাটি থেকে অমূল্য রত্ন পৃথিবীতে আনবে ইসরো। চন্দ্রপৃষ্ঠী এমন কোন রহস্যের সন্ধান পেয়েছিল ইসরো? যা আর কেউ জানে না। মহাকাশ ফুঁড়ে রহস্যভেদ করবে ইসরো। চন্দ্রযান ৩ ইসরোকে খোঁজ দিয়েছে চাঁদের মাটিতে থাকা এমন কিছুর যা এবার সরাসরি পৃথিবীতে আনার জন্যই ইসরোর নয়া অপারেশন শুরু। বিজ্ঞানীরা বলছেন ভবিষ্যত বদলে দিতে পারে চন্দ্রযান ৪। চন্দ্রযান ৩ মিশন সম্পূর্ণ হতে না হতেই চাঁদে নতুন মিশনের ঘোষণা ভারতের। ভারত একাই নামবে এই মিশনে নাকি চাঁদের নতুন অভিযানে এবার থাকবে আমেরিকা-জাপান- রাশিয়ার মতো কোনও দেশ? ইসরো যা তৈরি করে ফেলেছে তা জানলে চমকে যাবেন। এর মানে চাঁদ থেকে সেই মহামূল্যবান বস্তু পৃথিবীর মাটিতে এলে তা দেখতে পাবে ভারতবাসী গোটা বিশ্ব। স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের প্রধান নীলেশ দেশাই ঘোষণা করে দিয়েছেন ইসরোর চতুর্থ চন্দ্রাভিযানের লক্ষ্য ঠিক কী হবে? অনেকেরই মনে প্রশ্ন রয়েছে এই অভিযানেই কি চাঁদের মাটিতে মানুষ পাঠাতে চলেছে ভারত?

    তাহলে বলে রাখি না এই অভিযানে হতে চলেছে অনন্য কিছু। তৃতীয় চন্দ্রাভিযানে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে ঘুরে দেখেছিল ইসরোর রোভার। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পর চন্দ্রযান ৩ এর ল্যান্ডার ও রোভার বিক্রম ও প্রজ্ঞান ঘুমিয়ে পড়ে। তারা যেই স্থানে ঘুমিয়ে পড়েছিল সেই জায়গার নাম নমো দিয়েছিলেন শিবশক্তি পয়েন্ট। এবার শিবশক্তি পয়েন্টের আশ পাশ থেকে চাঁদের মাটি-পাথর পৃথিবীতে বয়ে আনবে চন্দ্রযান-৪। এর মানে চাঁদের নমুনা সরাসরি আসবে পৃথিবীর মাটিতে। কি এমন অমূল্য মিনারেল রয়েছে চাঁদের মাটি-পাথরে সেটাই এবার পরীক্ষা করবে ভারত। প্রজেক্টের নাম রাখা হয়েছে লুনার স্যাম্পল রিটার্ন মিশন। আপনাদের মনে আছে সেই খবরটা চাঁদের মাটিতে লাফ দিল ল্যান্ডার বিক্রম। মাটি থেকে ৪০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত উঠে বেশ কিছু দূরে অবতরণ করেছিল সেটি। ইসরোর নিয়ন্ত্রণে থেকেই এই কাজ করে দেখিয়েছে ল্যান্ডার কিন্তু এর মানে কি ছিল? এর মানে এটাই ছিল চাঁদের মাটিতে থেকে উঠে পৃথিবীতে ফেরাও সম্ভব আর সেই ফেরার কাজটাই এবার করবে চন্দ্রযান ৪।

    সঙ্গে এই জানা গিয়েছে চন্দ্রাভিযান ৩ মাত্র ১৪ দিনের মতো পরিচালিত হয়েছিল, তবে চতুর্থ চন্দ্রাভিযান প্রায় ১০০ দিনের জন্য পরিচালনা করার পরিকল্পনা চলছে। এর মানে নতুন চন্দ্রযানটি এমন ভাবে তৈরি করা হবে যাতে চাঁদে অন্ধকার নেমে নতুন করে সূর্য উঠলে আবার সেটি জেগে ওঠে। রিপোর্ট অনুযায়ী, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ৯০ ডিগ্রি খাড়া হয়ে যাতে চন্দ্রযান ৪ অবতরণ করে সেভাবেই তৈরি করা হবে মহাকাশযানটিকে। এদিকে যে নতুন রোভার এবার পাঠানো হবে তা যেন ১ বর্গ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ অতিক্রম করতে পারে সেদিকে নজর রাখা হবে। চন্দ্রযান ৩ এর রোভার প্রজ্ঞানের ওজন ছিল ৩০ কেজি ৫০০ বর্গমিটার এলাকায় তার ঘোরাফেরার ক্ষমতা ছিল। যতটুকু জানা যাচ্ছে কিন্তু এবার রোভারের ওজন হবে সাড়ে ৩০০ কেজি। চাঁদ থেকে পৃথিবীতে হবে তার রিটার্ন জার্নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এসব কারণে এবার ভারতের মিশন হবে আরও কঠিন-জটিল ও আরও ব্যায়বহুল।

    আর যদি এই মিশন সাকসেসফুল হয়ে যায় তাহলে মহাকাশ গবেষণায় আরও উচ্চতায় পৌঁছে যাবে আমাদের দেশ।  এখানেই শেষ নয় গগনযানে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। এই মিশনে তিনজন মহাকাশচারী অ্যাটমসফিয়ারের বাইরে আর্থ অরবিটে পৌঁছে যাবে। এরপর যদি চাঁদে মানুষ পাঠানোর কথা ভাবে ভারত। তাহলে সেখান থেকে ফেরাও সম্ভব কিনা হাতেকলমে সেটাই দেখে নিচ্ছে ইসরো। এর মানে চন্দ্রযান ৪ সাকসেস হলে সত্যি বদলে যাবে অনেককিছুই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version