Tag: India

  • Mounted Howitzers: ইন্ডিয়ান আর্মির রেঞ্জে গোটা পৃথিবী ? এবার হবে অ্যাকশন

    Mounted Howitzers: ইন্ডিয়ান আর্মির রেঞ্জে গোটা পৃথিবী ? এবার হবে অ্যাকশন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mounted Howitzers: ভারত দেবে ইলেকট্রিক শক, পাক-চীনের পাতাল ফুঁড়ে খুঁজে আনবে শত্রুকে? ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল ঘিরে ধরে করবে অ্যাটাক। ইন্ডিয়ান আর্মির কোন অস্ত্রে কুপোকাত হবে গোটা বিশ্ব? বর্ডারে লালফৌজের হার্টবিট বাড়াবে আগুনের গোলা? এটাই মেক ইন ইন্ডিয়ার কেরামতি। ১০ সেকেন্ডেই অ্যাকশন। ভারত পাতাল ফুঁড়ে বের করছে এ কোন গোপন অস্ত্র? এটাই সেই সুপার উইপন? শত্রুদেশের যম, এবার ইন্ডিয়ান আর্মির হাতে মাউন্টেড হাউইৎজার। ক্ষমতা জানেন? চীন সীমান্তে আরও জোরদার নিরাপত্তা। ইন্ডিয়ান আর্মির পাওয়ার বাড়াবে ২০০ মাউন্টেড হাউইৎজার‌।

    মাউন্টেড হাউইৎজারে ১০৫ মিমি ৩৭ ক্যালিবার বন্দুক রয়েছে। এই কামান দিয়ে শুধু গোলা ছোড়াই যাবে না, নির্ভুল ফায়ারিং এর পাশাপাশি উড়বে রকেট, ড্রোনও। এর সঙ্গে ৪০০ টাওয়াড আর্টিলারি গান সিস্টেম ভারতের ফায়ার পাওয়ারকে আরও বেশি বুস্ট আপ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। কোথায় বসানো হবে মাউন্টেড হাউইটজারগুলো? এলএসি সহ বর্ডারের উঁচু এলাকায় এগুলো মোতায়েন করা হতে পারে। জানিয়ে রাখি, গত এক দশকে, ইন্ডিয়ান আর্মি ১৫৫ মিমি হাউইটজারের জন্য চারটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এই গান সিস্টেমগুলো অলরেডি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি রেজিমেন্টকে ধনুশ, শারাং, আল্ট্রা লাইট হাউৎজার এবং কে-৯ বজ্র দিয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে।

    ধনুশ বন্দুক হল বফর্স কামানের একটি ইলেকট্রনিক আপগ্রেড, যেখানে শারাং বন্দুকগুলো ১৩০ মিমি থেকে ১৫৫ মিমি ক্যালিবার পর্যন্ত আপ-গান করা হয়েছে। সাতটি রেজিমেন্ট ইতিমধ্যেই আল্ট্রা লাইট হাউৎজার দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে আর পাঁচটি রেজিমেন্ট সেল্ফ প্রপেলজ গান দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। এগুলো কেনার জন্য ‘মেক ইন‌ ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের অধীনে ভারতীয় সংস্থাগুলোর জন্য টেন্ডার জারি করা হবে। এই প্রথম ভারতীয় আর্টিলারিতে এই ধরনের ১০৫ মিমি মাউন্টেড হাইইৎজার থাকবে। এর সঙ্গেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রক শীঘ্রই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র অধীনে ৪০০টি নতুন টাওয়াড গান সংগ্রহের বিষয়টাও গ্রহণ করেছে।

    ৪০০ টাওয়াড আর্টিলারি বন্দুক সিস্টেম সংগ্রহের প্রস্তাব ৩০ নভেম্বরের বৈঠকে নির্ধারিত হলেই এগোবে কাজ। ভারতের দিকে চোখ তুলে তাকালেই হবে অ্যাকশন। চীন পাকিস্তান সীমান্তে এইসব অস্ত্র প্রয়োজনী অনুযায়ী ব্যবহার করা হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তান টাকা দিচ্ছে না ভারতকে! ভবিষ্যৎ অন্ধকার, দিল্লি নেবে স্টেপ ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতকে টাকা দিচ্ছে না পাকিস্তান। আটকে যাচ্ছে অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, ভবিষ্যত নষ্ট। পাকিস্তানের থেকে টাকা ভারতের কেন দরকার? ইসলামাবাদের দেখাদেখি একইপথে বাংলাদেশ-নেপাল পাকিস্তান বারবার নিজের রূপ দেখিয়েই দেয়। আর এবার পাকিস্তানের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভারতের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সেইসময় ৭০০ ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার পথে। ভাবছেন তো পাকিস্তানকে কী কাজে এত দরকার পড়ল ভারতের? ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট বলছে ভারতের প্রথম আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন কীভাবে থমকে গেল? নেপথ্যে শুধু পাকিস্তান নয়, রয়েছে বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কার মতো দেশও। সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর জন্য টাকা বন্ধ করে দিয়েছে ইসলামাবাদ। আর তাদের দেখাদেখি শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশের মতো দেশও একই পথে  চলছে। বর্তমানে প্রায় ঠান্ডাঘরে চলে যাওয়া সার্কের কথা তো অনেকেই শুনেছেন কিন্তু সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় কী? এটাই ভাবছেন তো?

    SAARC এর পুরো কথা হলো South Asian Association for Regional Cooperation। এটি দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক একটি সংস্থা। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান নিয়ে এই SAARC সংস্থাটি তৈরি হয়েছিল হয়েছিল। আফগানিস্তান অষ্টম সদস্য হিসেবে ২০০৭ সালে যোগদান করে। ২০০৫ সালে মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রস্তাব করেন সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় বানানোর, যা তৈরি হয় দিল্লিতে। সার্ক দেশের পড়ুয়াদের পড়ার সুযোগ হয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ভারত কাজ শুরু করেছিল মেজরিটি মানি দিয়ে। ভারতের তরফ থেকে বরাদ্দ করা হয় ২৩৯ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি টাকা। কথা হয় ৫৮ শতাংশ ভারত টাকা দেবে। ১২ শতাংশ পাকিস্তান, ৮ শতাংশ বাংলাদেশ। ভুটান, আফগানিস্তান, মালদ্বীপ ৩ শতাংশ টাকা দেবে।

    ৭০০ পড়ুয়ারা দক্ষিণ এশিয়ার থেকে রয়েছেন এখনে কিন্তু সার্ক এখন কার্যত মৃতপ্রায় হলেও সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় ঠান্ডাঘরে যায়নি। ২০১৯ সালের পর থেকে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। সম্ভবত কাশ্মীরে ৩৭১ ধারা বাতিলের বদলাই ছিল এটা। পাকিস্তানের দেখাদেখি বাংলাদেশ, নেপাল তারাও টাকা দেওয়া বন্দ করে দেয়। যার জেরে এখন চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ। এখন স্যালারিও আটকে গিয়েছে। এর ভবিষ্যত নিয়ে রীতিমত প্রশ্ম উঠছে এখন। পাকিস্তানে শেষ সার্কের সামিট হওয়ার কথা ছিল তবে উরি টেরর অ্যাটাকের পর সার্কের কোনও সামিট হয়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের ওপর রেগে গেল ইজরায়েল! কড়া চিঠি জয়শঙ্করকে, একটা পোস্টে বড় অশান্তি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইজরায়েল রেগে গিয়ে চিঠি পাঠাল ভারতকে। যুদ্ধের মাঝে ভারতের অবস্থান নিয়ে বড় আপডেট। মুছে দেওয়া হল আগের সব পোস্ট, কী ঘটে গেল এমন? নয়াদিল্লি তরফ থেকে নেওয়া হল বড় স্টেপ। ইজরায়েল হামাস যুদ্ধে অতি সাবধানে পা রেখে এগোচ্ছিল ভারত। তাহলে কার বোকামিতে ঘটে গেল এত বড় ঘটনা। যুদ্ধবিরতি নিয়ে কি কোনও ধরণের বেহিসেবি মন্তব্য? যে সোজা ইজরায়েল থেকে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের কাছে এল একেবারে কড়া ভাষাতে চিঠি। ভারতের স্বাধীন প্যালেস্টাইনকে সমর্থন নিয়ে কী গন্ডগোল?

    তাহলে এতদিন পর কেন প্রতিক্রিয়া দিল ইজরায়েল না আসল খবর সেটা নয়। ভারতের প্রো প্যালেস্টাইন অবস্থান এখানে কোনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। জানা যাচ্ছে ইজরায়েলের তরফ থেকে একটা চিঠি গেছে ভারতের। বিদেশমন্ত্রকে ও অন্য চিঠি গিয়েছে ভারতের পার্লামেন্টের স্পিকার ওম বিড়লার কাছে। নেপথ্যে শিবসেনার সাংসদ সঞ্জয় রাউত। এক্স হ্যান্ডেলে করা তার একটা পোস্টের জেরেই তেল আভিভ রীতমত ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। আর এই চিঠির পরই নিজের পোস্ট মুছে ফেলেন শিবসেনা সাংসদ। আপনারা জানেন গাজার আল শিফা হাসপাতালে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। কারণ তাদের দাবি ছিল এই হাসপাতালের ঠিক নিচেই রয়েছে হামাসের গুপ্ত সুড়ঙ্গ। যদিও এরপরও হাসাপাতালের ওপর হামলা করায় বিশ্বজুড়ে ইজরায়েলের সমালোচনা করা হয়েছে।

    এর পরই ভারতের সঞ্জয় রাউত এ বিষয়ে একটি টুইট করেন যেখান তিনি লেখেন এবার মানুষ বুঝতে পারবেয়কেন হিটলার ইহুদিদেরকে এত ঘৃণা করত। আর এই টুইটই আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে। কারণ হিটলার যেভাবে ইহুদিদের ওপর অত্যাচার করেছিল তা ইহুদিদের জীবনের কালো অধ্যায় এবং এই বিষয়টি তাদের জন্য মারাত্মক স্পর্শকাতর। অবশ্য এই নিয়ে বিতর্কিত টুইট করেছিলেন ইলন মাস্কও। যার প্রায়শ্চিত্ত করতেই বোধহয় ইজরায়েল যান ইলন মাস্ক, সেখানে দেখা করেন বেঞ্জামিন নেতানইয়াহুর সঙ্গে। প্রশ্ন উঠছে ইজরায়েলের তরফ থেকে চিঠি আসার পর ভারত এর কী প্রতিক্রিয়া দিল?

    যদি বিতর্ক বাড়তেই সঞ্জয় রাউত নিজের ওই পোস্ট ডিলিট করে বলেন যেটা হয়েছে সেটা অমানবিক হয়েছে এটাই বলতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইজরায়েলকে আঘাত করার কোনও তাঁর অভিপ্রায় ছিল না। অনেকেই মনে করছেন এধরণের বক্তব্য রাখার আগে ভারতের বিরোধী নেতাদের একটু বিবেচনা করা উচিত। কারণ যুদ্ধের আবহে ভারত সেভাবে কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে তাতে ভারতের কোনও ক্ষতি হবে বলে মনে করেন না বিশ্লেষকেরা। আর সেই কৌশলি অবস্থানটাকে টিকিয়ে রাখাটা দেশাবাসীরই কর্তব্য বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশকে বয়কট করছে ভারত ? নাটের গুরু কারা, আসল ফ্যাক্টটা জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশিদের ‘বয়কট’ করছে ভারত? কিন্তু কেন? বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতে আসছেন, তাদেরকে কি আদৌ কোনো বিদ্বেষের মুখোমুখি হতে হচ্ছে? বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারতের হার, একটা ম্যাচ দুটো দেশের সম্পর্ককে ঘুরিয়ে রেখে দিল? সোশ্যাল মিডিয়াই নাটের গুরু, আগুনে ঘি ঢালছে কারা? বাংলাদেশের মানুষের ক্রিকেট নিয়ে ভারতের প্রতি যে বিদ্বেষ, সেটাও কিন্তু চোখে পড়েছে। তার জবাব দিতেই কি ভারত এতো বড় স্টেপ নিয়ে নিল? বাংলাদেশি পর্যটক, বাংলাদেশের পণ্য, ক্রিকেটার সবকিছুই ব্যান করা হলো ভারতে? ভুল ভেঙে যাবে, আসল ফ্যাক্টটা আগে জানুন। ভারত থেকে “বয়কট বাংলাদেশ” ডাক উঠছে? সম্পর্ক বিগড়ে গেল দুটো দেশের মধ্যে? বিভিন্ন প্রয়োজনে বাংলাদেশীদের ভারতে আসতে হয়, সেক্ষেত্রে তাঁদের গায়ে লাগছে বয়কটের আঁচ?

    ভারত বাংলাদেশ কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, চিকিৎসাক্ষেত্র, খাদ্যসামগ্রী সহ অনান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী, প্রায় সবক্ষেত্রেই একে অপরের উপর কতটা নির্ভরশীল সেটা নতুন করে বলে বোঝানোর দরকার নেই। বিশেষ করে বাংলাদেশ ভারতের ওপর কতটা নির্ভর করে সেটা জানে গোটা বাংলাদেশ। কিন্তু, কথায় কথায় সেই ভারতকেই ছোট করে দেখা, বিদ্বেষ, ঘৃণা বা ভারতের হারে আনন্দ উচ্ছাস, এগুলো আসছে কোথা থেকে? শুরুটা বাংলাদেশ থেকে হলেও একটা সময় বিষয়টা রীতিমতো কাদা ছোড়াছুড়ির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। যখন এতে সামিল হয়ে যায় ভারতের কিছু ব্লগার, এবং কিছু অতি-উৎসাহী নেটিজেন। দুই দেশের বেশ কয়েকজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রীতিমত এই ইস্যুতে নিজের দেশের পক্ষে অবস্থান নিতে গিয়ে অন্য দেশের প্রতি চরম অনাস্থা, ঘৃণা এবং বিদ্বেষমূলক মন্তব্য চালিয়ে গেছেন। আর তারপর সেখান থেকেই বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন মাধ্যমে রটে যায় বাংলাদেশী ক্রিকেটার, বাংলাদেশের পণ্য, এবং বাংলাদেশি পর্যটককে ভারতীয়রা বয়কট করছে।

    আসল সত্যিটা কি? বাংলাদেশিরা ভারতে এসে থাকতে পারছেননা? ঠিক কোন ব্যবহার পাচ্ছেন তারা ভারতীয়দের থেকে? সময়ের রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ের একটা আবাসিক হোটেলে প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি-ভারতীয় পর্যটক থাকতেন কিন্তু মাস দেড়েক আগে দুই দেশের দুজন পর্যটকের সঙ্গে বিবাদের জেরে সেখানে আপাতত বিদেশি কোনো পর্যটক না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। ওই হোটেল ছাড়া আর কোথাও এমন ঘটনা ঘটেনি। কলকাতার বাংলাদেশি অধ্যুষিত হোটেল পাড়া এলাকা থেকেও এই ধরনের কোনো ঘটনার কথা জানা যায়নি। এটা ফ্যাক্ট, বাংলাদেশ এবং ভারতের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যে যে বৈরিতা তা একদিনে তৈরি হয়নি। আর ভারতের প্রতি যে বিদ্বেষের কথা বলা হচ্ছে সেটাতেও কি সব বাংলাদেশি সামিল? বুঝতে হবে এদের একটা অংশ রাজনৈতিক ভাবে ভারত-বিরোধী। যারা বাংলাদেশের যে কোনও সমস্যায় ভারতের দোষ খোঁজেন। আবার কেউ কেউ মনে করেন যে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসাবে ভারত বাড়তি সুবিধা আদায় করে ম্যাচগুলোতে জিতেছে।

    ভারতীয়রা বাংলাদেশ কে পরম বন্ধু মনে করে। বাংলাদেশের সঙ্গে এদেশের সম্পর্ক এতটাই ভালো যে বাংলাদেশি পর্যটকদের বিদেশি হিসেবে দেখেনা। সুসম্পর্ক বজায় রাখার পক্ষেই ভারত। বলতেই হচ্ছে ভারতে বেড়াতে আসা বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পর বাংলাদেশি পর্যটকদের অবস্থান। এই খাতে ভারতের অর্থনীতির বড় একটি অংশ নির্ভর করে পদ্মা পারের মানুষের ওপর। বিশেষ করে মধ্য কলকাতার কয়েক লাখ মানুষ সরাসরি বাংলাদেশি পর্যটকদের আসা-যাওয়ার ওপর নির্ভর করে সংসার চালান কিন্তু, তারপরেও সোশ্যাল মিডিয়া আগুনে ঘি ঢেলেছে। কমেন্টের পাল্টা কমেন্ট পড়েছে। কিন্তু একটি খেলার ফলকে কেন্দ্র করে যে ধরনের গুজব কিংবা বিদ্বেষমূলক কমেন্ট এসেছে একটার পৃষ্ঠে আরেকটা। সেটা একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয় বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    দিন শেষে, এটা ভুলে গেলে চলবে না ভারত বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দুই বাংলার সম্পর্কে বয়কটের কোনও জায়গা নেই। আবেগ থাকতে পারে, কিন্তু এক দেশের প্রতি আরেকটা দেশের সৌজন্যতাও থাকতে হবে বৈকি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতে দ্বিতীয় রামমন্দির শুরু! কারা গাঁথছেন ইঁট ? গায়ে কাঁটা দেওয়া কাহিনী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভাঙাচোরা লোহা দিয়ে তৈরি হচ্ছে রামমন্দির। মুসলিম কারিগরদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তৈরি হচ্ছে মন্দির। এটা কি অযোধ্যার সেই রামমন্দির নাকি অন্য কিছু! আশ্চর্য হতে হয় এই মন্দিরের তৈরির কারণ জানলে। হ্যাঁ এমন এক রামের মন্দির যা পাথর দিয়ে নয় তৈরি হচ্ছে ২১ কেজি বর্জ্য দিয়ে। রামজন্মভূমিতে নয় দেশের আরেক প্রান্তে তৈরি হয়েছে সেই মন্দির। যা দেখতে অবিকল অযোধ্যার রামমন্দিরের মতোই। বিহার, ওড়িশা, বাংলা নাকি রাজস্থান কোন রাজ্যে তৈরি হচ্ছে এমন অবাক করা স্থাপত্য? কোনও মূল্যবান উপকরণ নয় আর তা দিয়েই নাকি গড়ে উঠল আস্ত রামমন্দির। হ্যাঁ, স্রেফ ঝড়তিপড়তি লোহালক্কড় দিয়েই বানানো হয়েছে রামমন্দির। আর তাতে হাত লাগিয়েছেন মুসলিম কারিগরেরাও।

    রামজন্মভূমিতে রামমন্দির প্রতিষ্ঠার দিকে নজর গোটা দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের। লোকসভা নির্বাচনের আগেই খুলে দেওয়া হবে মন্দিরের দরজা। অযোধ্যার রামমন্দিরের সৌন্দর্যের সঙ্গে কোনোরকম আপস করা হয়নি। দেশের বিভিন্ন  অঞ্চল থেকে এসেছে বিভিন্ন উপকরণ। এমনকি সীতার জন্মভূমি বলে কথিত নেপাল থেকেও এসেছে বিশেষ শিলা। এই মন্দিরের গড়ে ওঠার গল্পও অবাক করে। মধ্যপ্রদেশে তৈরি হচ্ছে দ্বিতীয় রামমন্দিরটি। কেবল ধর্মপ্রচারের কথা ভেবেই যে এমনটা করা হয়েছে তা কিন্তু নয়। এই রামমন্দির নির্মাণের নেপথ্যে রয়েছে পরিবেশরক্ষার ভাবনা। ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বা বর্জ্য পদার্থের ব্যবহারের সূত্রেই বর্জ্য লোহালক্কড়কে এভাবে কাজে লাগিয়েছে ইন্দোর শহরের প্রশাসন। একটু বলে রাখি জাতীয় স্তরে পরিচ্ছন্নতা নিয়ে যে সমীক্ষা চালানো হয়, সেখানে টানা ছয় বছর প্রথম সারিতেই থেকেছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর।

    এবার মন্দিরের কথায় আসি, মন্দিরটি লম্বায় ৪০ ফুট, চওড়ায় ২৭ ফুট, আর ২৪ ফুট উঁচু। আর তা গড়ে তুলতে ব্যবহার করা হয়েছে ২১ কেজি বর্জ্য পদার্থ। ইলেকট্রিক পোল, গাড়ি, এমন বিভিন্ন কিছুর ভাঙাচোরা অংশ ব্যবহার করেই মাত্র তিন মাসে ওই মন্দিরের নির্মাণ শেষ করে ফেলেছেন কারিগরেরা। এই কারিগরদের মধ্যে হিন্দুরা যেমন ছিলেন, তেমন ছিলেন মুসলিমরাও। এই মন্দিরটি যে হুবহু অযোধ্যার রামমন্দিরেরই নকল সে কথা একবাক্যেই মেনে নিচ্ছেন সকলে। ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের তিন মূল নীতি- রিডিউস, রিইউজ এবং রিসাইকল, অর্থাৎ বর্জ্যের পরিমাণ কমানো, বর্জ্যকে ফের ব্যবহার করা অথবা পুনর্নবীকরণ করা। আর এই তিন নীতি মেনেই এই মন্দির গড়ে তোলা হয়েছে এমনটাই জানিয়েছেন শহরের মেয়র। তাই রামমন্দিরের এই প্রতিলিপি একদিকে রামের মাহাত্ম্য প্রচার করবে, অন্যদিকে ইন্দোরের পরিচ্ছন্নতার কথাও তুলে ধরবে বলেই আশা তাঁর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বিয়ের টোটকা মোদীর মুখে! বিবাহেই চাঙ্গা হবে ভারতের ইকোনমি, কীভাবে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    নরেন্দ্র মোদী দিচ্ছেন বিয়ের টিপস! ভারতের অর্থনীতি এই টিপসেই মালামাল হবে বিশ্বাস করুন। বিদেশে গিয়ে নয় দেশে বিয়ে করুন কেন বললেন মোদী? বিয়ের সঙ্গে ভারতের অর্থনীতির সম্পর্ক কী? ভারতীয়রা চাইলেই বিয়ে করে আরও চাঙ্গা করতে পারেন ভারতের অর্থনীতি। অনেকের এটা শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। আর সেই বিয়ে বিদেশে নয় করতে হবে দেশেই। এর মানে বিদেশে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং নয়, দেশের মাটিতেই হোক বিগ ফ্যাট ওয়েডিং। এবার মন কী বাত-এ দেশবাসীকে এমন টিপসই দিয়েছেন নমো। আর এই টিপসে হালকা ভাবে নেবেন না কারণ এতে রয়েছে বড়সড় লেভেলের ফায়দার অঙ্ক, সেটা কেরকম জানুন। এই বিয়ের মরশুমে ভারতে প্রায় ৫ লক্ষ কোটি টাকা ব্যবসার সম্ভাবনা আছে। দেশের ৩০টি বড় শহরের হিসেব বলছে অন্তত ৩৮ লক্ষ বিয়ে হবে আগামী কয়দিনে। যার জন্য কম করে বাজেট চার লক্ষ ৭৪ হাজার কোটি রুপি। আর এটাই সোজা জুড়ে যাচ্ছে ভারতের অর্থনীতির সঙ্গে।

    মোদি বলেন ইদানিং কিছু কিছু পরিবারে দেখছি বিদেশে গিয়ে বিয়ের প্রবণতা বাড়ছে। একটা নতুন ট্রেন্ড তৈরি হচ্ছে এটা কি খুব জরুরি? ভারতের মানুষের মধ্যে বিয়ে করলে সমস্যাটা কী? ভারতের মাটিতে বিয়ে করুন দেশের টাকা দেশে থাকবে তাতে ভারতবাসীই কিছু কিছু রোজগারের সুযোগ পাবে। এবার সেটা কীভাবে বিস্তারিত বলছি। অনেকেই মনে করেন বিরাট কোহলি ও অনুস্কার শর্মার ইতালিতে গিয়ে বিয়ে করার পরই যেন বিদেশে ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের ক্রেজ আরও বেড়েছে। রণবীর-দীপিকাও ইতালির লেক কোমোতে বিয়ে করেছেন। আর সেই জাঁকজমক অনুষ্ঠানে ভারতের টাকা চলে যাচ্ছে বিদেশে। তাতেই আপত্তি প্রধানমন্ত্রীর। মোদি সোজা বলে দিচ্ছেন অন্য সব ক্ষেত্রে আমরা যেমন লোকাল পণ্য ব্যবহার করার কথা বলি বিয়ের ক্ষেত্রে কেন নয়?

    বরাবরই নমো লোকাল পণ্যের জন্য ভোকাল ভারতে তৈরি পণ্যের বাজার যাতে নষ্ট না হয় সেজন্যই তিনি দেশের মাটিতে বিয়ে করার জন্য দেশবাসীকে আহ্বান জানালেন। ব্যবসায়ীদের একটি সর্বভারতীয় সংগঠন বলছে কয়েকদিনে শুধু দিল্লিতেই চার লক্ষ বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। যাতে মোট সওয়া এক লাখ কোটি রুপি ব্যয় হবে। তারা দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা সহ ভারতের ৩০টি শহরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে। বিয়ের কেনাকাটার মধ্যে শাড়ি, লেহেঙ্গা ইত্যাদির জন্য মোট ব্যয়ের ১০% খরচ করেন ভারতীয়রা।

    আর গয়নাগাঁটিতে ১৫%, বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের পিছনে পাঁচ শতাংশ ব্যয় হয়। এর বাইরে ডেকোরেশনের জন্য ১৫%, ছবি আর ভিডিও তোলার জন্য ১০% খরচ হয়। সাত শতাংশ অ্যালকোহলে যায়। পাঁচ শতাংশ বিনোদন, তিন শতাংশ কনে আর আত্মীয়দের মেকআপ। আর ১০ % অন্যান্য বিভিন্ন পরিষেবার পেছনে খরচ করা হয়। যার মধ্যে আমাদের মতো ওয়েডিং প্ল্যানারদের ফি-ও থাকে। এজন্যই তো ভারতের বিয়েকে বলে বিগ ফ্যাট ওয়েডিং। আর এর সবটা যদি দেশের মাটিতেই হয় তাহলে দেশেরই তো লাভ আরো ফুলেফেঁপে উঠছে দেশের অর্থনীতিই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bullet Train In India: সমুদ্রের নীচে ভারতের গোপন খাজানা! সোনায় মোড়ানো ব্রিজে লুকিয়ে কোন রহস্য, শূণ্যে ভাসবে বুলেট ট্রেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bullet Train In India: সমুদ্রের বুক চিরে কংক্রিটের ট্র্যাক? ভারত বানাচ্ছে গোপন খাজানা। সাগরের কত তলায় বুলেট ট্রেনের এলিভেটেড করিডর? সোনায় মোড়ানো এই ব্রিজেই লুকিয়ে আসল রহস্য? হাঁ করে তাকিয়ে দেখছে গোটা বিশ্ব। ২ মিনিটেই মুম্বাই টু গুজরাট? সত্যিই কি ৬ টা নদী সেঁধিয়ে যাবে বুলেট ট্রেনের গায়ে? আরও একবার প্রমাণিত মোদী জমানায় সব অসম্ভবই সম্ভব ভারতে।সাগরের ভেতর দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন। জানেন কিভাবে জলের তলায় রেল লাইন বিছিয়ে দিচ্ছে ভারত? বিশেষভাবে তৈরি ওই পথের নাম মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডোর। কবে থেকে সমুদ্রের ভেতর টানেল এর মধ্য দিয়ে ছুটবে হাই স্পিড বুলেট ট্রেন? ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড বলছে, এই প্রজেক্টের জন্য ১০০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট ব্রিজ তৈরির কাজ কমপ্লিট। যে ভায়াডাক্ট ব্রিজ নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে গেছে। এই নির্মীয়মাণ ভায়াডাক্ট গুজরাটের ছয়টি নদীর ওপরে শোয়ানো রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ভালসাদ জেলার পার এবং আওরঙ্গা, নভসারি জেলার পূর্ণা, মিন্ধোলা, অম্বিকা এবং ভেঙ্গানিয়া।

    ৪০ মিটার দীর্ঘ “ফুল স্প্যান বক্স গার্ডার” এবং “সেগমেন্টাল গার্ডার” টেকনিক ব্যবহারের মাধ্যমেই ১০ গুণ দ্রুত গতিতে ১০০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট তৈরির মাইলফলক অর্জন করেছে ভারত। ১০০ কিলোমিটারের ভায়াডাক্টটি মাত্র ৬ মাসে শেষ হয়েছে। একইসঙ্গে ২৩০ কিলোমিটার পিয়ারের কাজও শেষ। পিয়ার হলো থামের মতো একটি অংশ, যেটি ব্রিজের দু’টো দিক ধরে রাখে। শুধু তাই নয়, জাপানি শিনকানসেন টেকনোলজিতে ব্যবহৃত রিইনফোর্সড কংক্রিট মানে আরসি থেকে মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোর ট্র্যাক সিস্টেমের জন্য ট্র্যাক বেড স্থাপনের কাজও শুরু হয়ে গেছে সুরাটে এর বিশেষত্ব কি? ১৯৬৪ সাল থেকে এই প্রযুক্তিতে কাজ হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই শিনকানসেন প্রযুক্তিতে যত প্রকল্প হয়েছে, সেগুলোতে দুর্ঘটনায় কারও মৃত্যু হয়নি। আন্দাজ করতে পারছেন তো সাগরের তলা দিয়ে বুলেট ট্রেন চলার টেকনোলজি টা কিন্তু মারাত্মক। মুম্বই টু আহমেদাবাদ, এরমধ্যে থাকছে তিনটি স্টপেজ। একটি মহারাষ্ট্রে এবং দুটি গুজরাটে। গুজরাতের একটি হবে সুরাতে এবং অন্যটি সবরমতীতে। ভিরারের দিকে থানে খাঁড়ির কাছে তৈরি হচ্ছে লম্বা টানেল। ২১ কিমি দীর্ঘ জলের নীচ দিয়ে যাওয়া সুড়ঙ্গে সিঙ্গল-টিউব টুইন-ট্র্যাক কাঠামো থাকবে।

    সমুদ্রের নোনতা জল এই পাইপ লাইনে কোনভাবেই এফেক্ট করতে পারবে না এমন ভাবে তৈরি করা হবে টানেল। হাই-স্পিড বুলেট ট্রেনটি মাত্র ৩ ঘণ্টায় মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ পৌঁছে যাবে। প্রতি ঘণ্টায় এই ট্রেনের গতি থাকবে ৩২০-৩৫০ কিলোমিটার। ভুজ এসি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসে যে পথ যেতে সময় লাগে প্রায় ৭ ঘন্টা বলতেই হচ্ছে, মুম্বাই টু আহমেদাবাদ আন্ডার ওয়াটার রেললাইনে মডার্ন টেকনোলজির ব্যবহার দেবে এক্সট্রা মাইলেজ। জানিয়ে রাখি মুম্বই-আমেদাবাদ হাই স্পিড রেল প্রকল্পের এলিভেটেড করিডোরের ২০ শতংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মোট ১০০টি এলিভেটেড করিডোর এখনও পর্যন্ত তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে সবমিলিয়ে জোরকদমে চলছে কাজ।

    প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালেই মুম্বই থেকে আমেদাবাদ রুটে বুলেট ট্রেন চালানোর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখার পর শেষ পর্যন্ত অনুমোদন দেওয়া হয় তাতে। প্রকল্পের আনুমানিক খরচ তখন ধার্য করা হয়েছিল ১ লক্ষ ৮ হাজার কোটি টাকা। ৮ বছরে শেষ হওয়ার কথা ছিল সেই প্রকল্পের কাজ। অর্থাৎ, এই বছরই চাকা গড়ানোর কথা ছিল বুলেট ট্রেনের। তবে এখনো পুরো কাজ শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যে বুলেট ট্রেন চালু হলে নতুন এক অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকবে ভারত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশী পর্যটকদের ভোগান্তি শেষ ? বড় বদল কলকাতায়, দেরীতে হলেও বোধদয়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশী পর্যটকদের জন্য কতো বড় সেফ জোন কলকাতা! তাহলে কি এবার আর ঠকতে হবে না বাংলাদেশীদের? পড়তে হবে না দালালদের খপ্পরে? ট্রান্সসিট রুট হিসেবে বাংলাদেশীদের কাছে কলকাতার গুরুত্ব আরো বাড়বে? এতো এতো কড়া পাহারা, পর্যটকবান্ধব কাকে বলে! মধ্য কলকাতা নমুনা হয়ে উঠছে। উদ্যোগ ভালো, কিন্তু আদৌ এই প্ল্যানিং এর বাস্তবায়ন হবে কি? বাংলাদেশিরা মুখ ফেরালে, কী ঘটবে? আন্দাজ আছে? গুড সাইন, ওপার বাংলার কথা ভেবেই আমূল বদল মহানগরীর বুকে। অবশেষে বাংলাদেশী পর্যটকদের অভিযোগ আমল পেল? কম ভোগান্তি তো হয় না বাংলাদেশীদের। কলকাতার বুকে বাংলাদেশীদেরকে কি কি না ফেস করতে হয়। যেমন বাস থেকে নামার পরেই আবাসিক হোটেলগুলোতে যাওয়ার আগে দালালদের মুখোমুখি হতে হতো। একই রুম কোথাও মিলছে ১৫০০ তে, আবার কোথাও ২২০০ টাকায়। সঙ্গে দালালকেও টাকা দিতে হতো।

    রিক্সা ভাড়া থেকে শুরু করে খাবারের দোকানগুলোতেও একেক জায়গায় একেক রকম রেট নেওয়া হতো বাংলাদেশীদের কাছ থেকে। চায়ের দোকানগুলোতেও সঠিকভাবে বসা বা দাঁড়ানোর মতো জায়গা নেই। একইসঙ্গে মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র নিয়েও নানান রকমের অভিযোগ। সব মিলিয়ে যাকে বলে চরম অব্যবস্থাপনা। সবচেয়ে বড় অভিযোগ, স্থানীয়রা যারা পরিষেবা দিয়ে থাকেন তাঁদের আচরণে নেই সৌজন্যতা। নেই পর্যটকদের জন্য নির্দিষ্ট জবাবদিহিদার জায়গাও। কলকাতায় এখনো সেটা হয়ে ওঠেনি। আর সেটা হলেই এই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হয়ে উঠেবে প্রকৃত পর্যটক-বান্ধব মনে করতেন বাংলাদেশী পর্যটকরা। কলকাতায় বাংলাদেশী পর্যটকদের সংখ্যা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। বিশেষ করে বাংলাদেশী মেডিকেল টুরিস্ট এর সংখ্যা আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক হারে বেড়েছে।

    তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে চেন্নাই বা দিল্লী যাওয়ার ক্ষেত্রেও ট্রান্সিট রুট হিসেবে কলকাতাকে ব্যবহার করতেই হতো। বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কারণে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অন্তত ১৫ শতাংশ বাংলাদেশীকে একটা রাতের জন্য হলেও কলকাতায় কাটাতে হতো। আর সেই সময়ই নানান বিরম্বনার মুখোমুখি হতে হয়েছে বাংলাদেশী পর্যটকদের। উপযুক্ত নজরদারির অভাব, কলকাতা কর্পোরেশনের উদাসীনতাও, অনেক ক্ষেত্রে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ এইসব মিলিয়েই বাংলাদেশী পর্যটকদের বিভিন্ন খারাপ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এখন পরিস্থিতি অন্যরকম, ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইট হয়ে যাওয়ার কারণে ধীরে ধীরে কলকাতায় বাংলাদেশীদের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে। অথচ, এখনই কিছু ভালো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যদিও এখনের বদল বা তৎপরতা দেখে অনেকেরই বক্তব্য দেরিতে হলেও বোধোদয় হয়েছে।

    না কলকাতায় নিরাপত্তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। এই কথা বলে খোদ বাংলাদেশীরাই, কিন্তু পর্যটকদের আসা যাওয়ার ব্যস্ততা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছোটখাটো বিড়ম্বনাগুলো কাটাতে এবার স্থানীয় প্রশাসন তৎপর হচ্ছে। কলকাতার নিউমার্কেট এলাকাকে বাংলাদেশী পর্যটকদের জন্য নিরাপদ করতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা, স্থাপন করা হয়েছে সার্বক্ষণিক অভিযোগ কেন্দ্র। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি খুশি বাংলাদেশ থেকে আসা পর্যটকরাও। পার্সপোর্ট, আইফোন হারিয়ে গেলেও সেটা খুঁজে পাওয়া সহজ হচ্ছে। তবে, মধ্য কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাস্তায় অসংখ্য আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট দোকানপাট যেগুলো গড়ে উঠেছে কেবল বাংলাদেশী পর্যটকদের আসা-যাওয়ার কারণে, সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র সেগুলোতেও বিশেষভাবে নজরদারি চালানোর দরকার আছে। দেখতে হবে যাতে কোথাও কোন ভাবে বাংলাদেশী পর্যটকরা, প্রতারিত না হন। প্রতিমাসে ফিডব্যাক নেওয়ার প্রয়োজন আছে।

    ব্যবসায়ীদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগের ফলে অনেকেই আবার আসা-যাওয়ার কথা ভাববেন। মাথায় রাখতে হবে বাংলাদেশী পর্যটকরা মুখ ঘুরিয়ে নিলে কলকাতার ওই অঞ্চলের অর্থনীতির ভিত অনেকটাই নড়ে যাবে। তাই, শুধু নিরাপত্তা নয় ব্যবহার-আচরণ, সেটা যদি ঠিক করা যায় তবে নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য আরও চাঙ্গা হয়ে উঠবে। মনে করিয়ে দিই গত বছর যে পরিমাণ বিদেশী পর্যটক ভারতে এসেছে তার মধ্যে সবথেকে বেশি ছিল আমেরিকান পর্যটক। তার পরেই ছিল বাংলাদেশী পর্যটকদের সংখ্যা। অতএব বুঝতে হবে পর্যটন খাতে বড় অঙ্কের একটা রেভিনিউ আসে বাংলাদেশি পর্যটকদের থেকে। তাই এক্ষেত্রে বাংলাদেশী পর্যটকদের দিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে উপলব্ধি হওয়ার প্রয়োজন ছিল আরো আগেই। তবু, দেরীতে হলেও কলকাতা মেনে চলুক ভারতের পর্যটনের মূলমন্ত্র “অতিথি দেব ভব”।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের এয়ার ফোর্স বদলে যাচ্ছে! আমেরিকার আদলে নয়া রূপ, কীভাবে নিরাপত্তা বাড়াচ্ছে দিল্লি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স বদলে যাবে, আমেরিকার আদলে আকাশ থেকে সোজা মহাকাশের পাড়ি। জল, স্থল আকাশ নয় দেশের বাহিনী মহাকাশেও। ভারতকে কীভাবে প্রটেক্ট করবেন অন্তরীক্ষের সৈনিকেরা? শত্রুদেশের স্যাটেলাইট হবে নিমেষে ধ্বংস নাকি মহাকাশ থেকে অ্যাটাক? ইন্ডিয়ান মিলিটারিতে তাহলে এবার চার বাহিনী। এর মানে আরও কয়েক হাজারগুণ শক্তিশালী ইন্ডিয়ান আর্মি। শক্রুদের চোখে চোখ রাখতে নয়া টেকনলজি আমেরিকা যখন আপন করে ফেলেছে তাহলে ভারতের করতে ক্ষতি কোথায়? ভারতের প্রতিরক্ষা যে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে অনেক দেশই এবার পিছনে পড়ে যাবে।

    মূলত চীনকে মোক্ষম শিক্ষা দিতেই কি এয়ার ফোর্সে খোলনলচে বদলাচ্ছে ভারত? আমেরিকার সেনাবাহিনীতে স্থল, জল এবং বিমান বাহিনীর পাশাপাশি রয়েছে মহাকাশ বাহিনী। মহাকাশের জন্য স্বতন্ত্র বাহিনী প্রস্তুত করেছে আমেরিকা। এবার ভারতও হাঁটতে পারে ঠিক সেই পথেই কিন্তু এই মহাকাশ বাহিনীর আসলে কাজটা কি হবে? কী করবে সেনাকে সাহায্য করবে মহাকাশ বাহিনী? মহাকাশে স্যাটেলাইটের দ্বারা কোনও নজরদারি চললে কি সেটাই প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকবে তাদের?

    দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল, কনকনে ঠান্ডায় কিংবা ধু ধু মরু প্রান্তরে সেনা জওয়ানেরা ২৪x৭ অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। উত্তাল সমুদ্রে কাটে তাঁদের বিনিদ্র রাত। শত্রুর আক্রমণেও প্রাণ দিতে হয় তাঁদেরই। তাহলে ভারতের সেই জল, স্থল এবং আকাশের সেনাবাহিনীর সঙ্গে এ বার নতুন এক ‘হাত’ জুড়তে পারে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক? ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার চিফ মার্শাল আরকেএস ভাদৌরিয়ার মুখে শোনা গিয়েছে মহাকাশ বাহিনী নিয়ে নয়া ভাবনার কথা। মূলত বায়ুসেনার সঙ্গে সমন্বয় রেখেই এগিয়ে চলেন মহাকাশ সৈনিকেরা। আমেরিকার মহাকাশ বাহিনীর অন্যতম প্রধান কাজ মহাকাশ অভিযানে সাহায্য করা। আমেরিকার বিভিন্ন মহাকাশযানের উৎক্ষেপণে ্অগ্রণী ভূমিকা পালন করে মহাকাশ বাহিনী। এ ছাড়া, প্রয়োজন অনুযায়ী বায়ুসেনার কাজ ভাগ করে নেওয়াও তাদের কাজ। মহাকাশে আমেরিকা এবং তার বন্ধু দেশগুলির আগ্রহ অনুযায়ী কাজ করেন ।আমেরিকান মহাকাশ বাহিনীর সদস্যেরা সেই মতোই তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

    ভারতও কি তবে সেনাসজ্জার ক্ষেত্রে আমেরিকার পথেই পা বাড়াবে? আমেরিকান বাহিনীর ধাঁচেই কি ভারতে তৈরি হবে আলাদা মহাকাশ বাহিনী? নাকি দুটো কনসেপ্ট হবে আলাদা? এয়ার চিফ মার্শাল ইঙ্গিত দিয়েছেন শুধু আমেরিকা নয় ফ্রান্সের বাহিনীর সঙ্গে এই পরিকল্পনার মিল রয়েছে। ফরাসি সেনাবাহিনীর বায়ুসেনার নাম বিমান এবং মহাকাশ বাহিনী। সেক্ষেত্রে ভারতের ক্ষেত্রেও তেমনই কিছু হতে পারে। এক্ষেত্রে মনে করা হচ্ছে ভারতের ভাবনা খানিকটা আলাদা মহাকাশ বাহিনী হিসাবে আলাদা করে কোনও বাহিনী গড়ার পরিকল্পনা নেই ভারতের। বরং ভারতীয় বায়ুসেনারই একটি অঙ্গ হিসাবে কাজ করার কথা মহাকাশ বাহিনীর বায়ুসেনার তরফে তেমন একটি প্রস্তাব কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাখা হয়েছে। ভারতের মহাকাশ বাহিনী যদি তৈরি করা হয় তাদের কাজ এগজ্যাক্টলি কী হবে সেটা জানা যায়নি। এ বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই খবর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের পরাজয়ে উল্লাসের কারণেই কী বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের ছাড়ল ফ্রাঞ্চাইজিগুলি! নাকি অন্য কোন কারণ ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সম্প্রতি বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারতের হারের পর উল্লাসে মেতেছিল বাংলাদেশ সমর্থকরা। যা মোটেও ভালোভাবে নেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকরা। তারপর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আইপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বয়কট করার দাবি তোলেন ভারতীয় সমর্থকরা। এরপরই আইপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের আর কোনও জায়গা দেওয়া হবে কিনা? এমন প্রশ্নে উত্তাল হয় গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। সেই জল্পনায় ঘি ঢালল আইপিএলের দুই ফ্রাঞ্চাইজি দিল্লি ক্যাপিটালস ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএলে খেলা বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটারকেই ছেড়ে দেওয়া হল।

    গত আইপিএলে বাংলাদেশের দুই তারকা সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসকে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। অন্যদিকে, দিল্লি ক্যাপিটালস দলের পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। আসন্ন আইপিএল মরসুমের জন্য এই তিন বাংলাদেশ ক্রিকেটারকেই দলে রাখার কোনও আগ্রহ দেখায়নি সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজি। তাই নিলামের আগে আইপিএলে নেই বাংলাদেশের কোনও ক্রিকেটারই। তবে আসন্ন মিনি নিলামে তিন ক্রিকেটারের নাম তোলা হবে। অন্য কোন ফ্রাঞ্চাইজি তাদের দলে নেবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। যদি বাংলাদেশের কোনও ক্রিকেটারকে নিলামে কেনা না হয়, তাহলে আসন্ন আইপিএল টুর্নামেন্টে সেদেশের কোন ক্রিকেটারকে খেলতে দেখা যাবে না।

    গত বারের নিলামে সাকিবকে দেড় কোটি টাকার বিনিময়ে দলে নিয়েছিল কেকেআর। অন্যদিকে লিটনকে কিনতে নাইট শিবির খরচ করেছিল ৫০ লক্ষ টাকা। কিন্তু বাংলাদেশ অধিনায়ক গতবার আইপিএল খেলতেই আসেননি। দেশের হয়ে খেলতে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। মাঝের কিছু সময়ে ব্যক্তিগত কারণে আইপিএল খেলতে আসেননি সাকিব। সাকিবের এই সিদ্ধান্তে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মিডল অর্ডার কিছুটা বিপাকে পড়লেও, বাংলাদেশ ক্রিকেট অধিনায়কের এই সিদ্ধান্ত নাইট ম্যানেজমেন্ট একেবারে মেনে নিতে পারেনি। তাঁর বদলে ইংল্যান্ড ওপেনার জেসন রয়কে দলে নেয় কেকেআর।

    লিটনও আইপিএলে প্রথম দিকে খেলতে আসেননি, পরে এলেও এক মাসও থাকেননি। তার মধ্যে একটি ম্যাচ খেলেছিলেন, সেই ম্যাচে তিনি ব্যাট হাতে মাত্র ৪ রান করেছিলেন। আর ফিল্ডিং করার সময় দুটো গুরুত্বপূর্ণ স্টাম্প আউট মিস করেন। তাঁর বদলে জনসন চার্লসকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটারের এমন ব্যবহার গত আইপিএলেই প্রশ্ন তুলেছিল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, আইপিএলে খেলতে না আসা দেখেই কী ফ্রাঞ্চাইজিগুলি বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ছেড়ে দিল? বাংলাদেশের বাকী ক্রিকেটারদের সামনেও কি একইভাবে আইপিএলের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে? সেই প্রশ্নই আপাতত ঘুরপাক খাচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version