Tag: India

  • পুতিনের মোক্ষম অস্ত্রের ফর্মূলা এল দিল্লির হাতে! মোদী আচমকা তেজস চালালেন কেন ? পাকিস্তান চুপ

    পুতিনের মোক্ষম অস্ত্রের ফর্মূলা এল দিল্লির হাতে! মোদী আচমকা তেজস চালালেন কেন ? পাকিস্তান চুপ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত আর রাশিয়া মিলে পাকিস্তানকে খেলা দেখাবে। মোদী কেন তেজস চালালেন হঠাৎ? পুতিনের বড় অফার লুফে নিলেন নরেন্দ্র মোদী। ভারত শুধু হাতিয়ার কিনবেই না, প্ল্যান অনেক বড়। অনেক পর দুনিয়াকে চমকে দিয়ে বড় খবর দিল দিল্লি ও মস্কো। এই খবর যেমন পাকিস্তানের জন্য ব্যাড নিউজ। সেরকমই চীনও অবাক হয়ে যাচ্ছে রাশিয়াকে এই ভূমিকায় দেখে। মোদীকে এইরূপে দেখে পাকিস্তান থরথর করে কাঁপছে। ভারতে তৈরি তেজস বিমানে চড়ে সওয়ার নমো। এই ছবি শত্রুদের বুকে ভয় ধরাচ্ছে। সেই সঙ্গে কোন একটা নয় দু দুটো খতরনাক অস্ত্রের ডিল আর সেটা কোনও ছোটখাটো ডিল নয়, মোদী সরকার এর থেকে তুলতে চলেছে অন্য ফায়দা। বিশ্বে যুদ্ধবিমান তৈরিতে রাশিয়ার দাপটের কথা কে না জানে। এরই মধ্যে তারা বহুবার তাদের শক্তির পরিচয়ও দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-থার্টি ফাইভ মডেলের যুদ্ধবিমানকে টেক্কা দিতে এবার পঞ্চম প্রজন্মের প্রটোটাইপ সুখোই। ২০২১ সালেই এই যুদ্ধবিমানের পরিচয় বিশ্বের সঙ্গে করিয়ে দিয়েছিলেন পুতিন।

    এবার ভারত কিনছে সেই ফাইটার জেটই রাশিয়া থেকে।শুধু ফিফথ জেনারেশনের সুখোই নয় সঙ্গে রয়েছে স্বল্পপাল্লার বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ইগলা এস। Sukhoi Su-57 রাশিয়ার প্রথম স্টিলথ বিমান একজন পাইলট এটি ওড়ান। এই ফাইটার জেটের দৈর্ঘ্য ৬৫.১১ ফুট। ডানার বিস্তার ৪৬.৩ ফুট এবং উচ্চতা ১৫.১ ফুট, সর্বোচ্চ গতি ২১৩৫ কিমি/ঘণ্টা। সুপারসনিক রেঞ্জ ১৫০০ কিমি।রাশিয়া এখনও পর্যন্ত ৩২টি Su-57 যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে। Su-57 ফাইটার জেটে দুটি Saturn L-41F1। আফটারবার্নিং টার্বোফ্যান ইঞ্জিন রয়েছে যা এটিকে ৮৮ থেকে ১৪৭ কিলোনিউটন শক্তি দেয়। তাদের সাহায্যে এটি সর্বোচ্চ ৬৬ হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছতে পারে। এর পরিসীমা ৩৫০০ কিলোমিটার। যদি দুটি আউটবোর্ড ফুয়েল ট্যাঙ্কের ব্যবস্থা করা হয় তবে এটি ৪৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে।

    এটা যেমন চমক তার থেকে বড় চমক হল ভারত শুধু এই দুর্ধর্ষ হাতিয়ার কিনবেই এবার ভারতেও শুরু হতে চলেছে এর প্রোডাকশন। দিল্লি এখন যে দেশ থেকে যে যুদ্ধাস্ত্রই কেনে সেটাকে মেক ইন ইন্ডিয়া ইনিসিয়েটিভের আন্ডারেই নেয় ভারত। এর মানে হাতিয়ারের প্রোডাকশন তো ভারতে হবে। হাতিয়ারের টেকনলজিও থাকবে ভারতেই হাতে। ভারত তার দেশের জলবায়ু ও ভূগোল অনুযায়ী পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট তৈরি করবে। এর মানে ভারত কিনবেও ভারত বেচবেও। রাশিয়ার সঙ্গে হল না মোদী সরকারের এক ঢিলে দু পাখি মারা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের পরাজয়ে উল্লাস বাংলাদেশে, ট্রোলিং বিতর্কে ফিকে বন্ধুত্ব!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ২০২৩ এর আইসিসি বিশ্বকাপ হয়ে গেছে। ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়েছে অস্ট্রেলিয়া আর ভারত। পরপর ১০ টা ম্যাচ জেতার পরে ফাইনালে গিয়ে পরাজয় ঘটেছে ভারতের। কিন্তু বিষয়টা মিটে গেলেও এখনো রেশ কাটেনি ভারত আর বাংলাদেশে। খেলার মাঠে ভারতের পরাজয়কে কেন্দ্র করে উল্লাসে ফেটে পড়ে বাংলাদেশের কিছু ভক্ত। কেউ কেউ সেলিব্রেট করেছে, আবার কেউ বা মেতেছে ‘পৈশাচিক উল্লাস’ এ। তারপর থেকেই শুরু হয় তীব্র গুঞ্জন। যা পরিণত হয়েছে তুমুল বিতর্কে। বাংলাদেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর কনটেন্ট বানাচ্ছে, আবার তারই জবাব দিচ্ছেন ভারতের কিছু কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার আবার পাল্টা জবাব আসছে ওপার বাংলা থেকে। এরকম পাল্টাপাল্টি জবাব চলতেই থাকছে। ট্রোলিংয়ের ঝড়ে ছড়াচ্ছে প্রচুর গুজব।

    বাংলাদেশিদের জন্য নাকি ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে ভারত, আবার কেউবা বলছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের ব্যান করেছে ভারত। আগুনের স্ফুলিঙ্গের মতই গুজব এখন ছড়িয়ে পড়েছে দুই দেশে। যা তিক্ত করে তুলছে দুই দেশের শত শত বছরের ঐতিহ্যগত সম্পর্ককে। ইতিহাস কে না জানে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল ভারত। বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিবছর চিকিৎসার জন্য ভারতে আসেন। দুই দেশ একদম কাছাকাছি থাকায়, স্থলবন্দরের মাধ্যমে কম সময়ে কাঁচা মাল থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কাছে ফার্স্ট চয়েজ ভারত। ওদিকে বাংলাদেশও ভারতকে নিজেদের বন্দর ব্যবহার করার সুযোগ দিয়েছে। যার কারণে বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের বাণিজ্য। এক কথায়, দুই দেশ একে অপরের সমস্যায় বারংবার পাশে দাঁড়িয়েছে। দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীদের সফরে, বারংবার উঠে এসেছে দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতার কথা।

    সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিতর্ক কিংবা ট্রোলিংয়ে কেউ মজা নিচ্ছেন, আবার কেউ বিরক্ত হচ্ছেন। আঘাত লাগছে ভাবাবেগে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের একের পর এক হারে এমনি থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রেমীদের মন একটু খারাপ ছিল। তারপর ভারতের মাটিতে বাংলাদেশি কয়েকজন ক্রিকেটপ্রেমীদের সঙ্গে নাকি দুর্ব্যবহার হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ ওঠে। বিশ্বকাপের ফাইনালের পরেই আমুল বদলে যায় গোটা চিত্র। সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই ভারতকে নিয়ে ট্রোলিং ভিডিও। যার জেরে, দার্জিলিংয়ের কিছু হোটেল বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে তাদের দরজা। বেশ ক্ষুব্ধ ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরাও।

    খেলায় হারজিত থাকবেই। দর্শক বিভক্ত হবে দুটো পক্ষে। এটা কিন্তু একেবারে অস্বাভাবিক বিষয় নয়। কিন্তু খটকাটা অন্য জায়গায়। ফাইনালের দিন মনে হয়েছিল, খেলার কৌশল নয়, বাংলাদেশের কিছু মানুষ অস্ট্রেলিয়াকে সাপোর্ট করেছে শুধুমাত্র ভারতের বিপক্ষে খেলেছে বলে। বাংলাদেশের কিছু ক্রিকেটপ্রেমীদের উল্লাসে এপার বাংলায় কেউ কেউ ডাক তুলেছে ‘বয়কট বাংলাদেশ’ এর। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশের সমস্ত মানুষের যে একই ধারণ এমনটা কিন্তু নয়। তবে এই সমালোচনা বিতর্ক ট্রোলিং কোনভাবেই কাম্য নয়। ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে ক্রিকেট আবেগ এবং ভালোবাসা জায়গায়। খেলায় হার জিৎ তো থাকবেই, কিন্তু সেটা নিয়ে এবার অন্তত ট্রোলিং বন্ধ হওয়া দরকার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কাশ্মীরে রহস্যে ঘেরা জঙ্গিঘাঁটি! বড় সিক্রেট ফাঁস, লস্করের কমান্ডো কারা জানেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান সেনা জওয়ানরাই লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গি। কাশ্মীরে রহস্যময় গুহার হদিশ, কী করা হত সেখানে?
    রাজৌরিকাণ্ডের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করল ইন্ডিয়ান আর্মি। রাজৌরিতে মৃত জঙ্গি কুয়ারি আসলে কে ছিল জানেন? যারা কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় এখনও ঘাপটি মেরে রয়েছে সেসব জঙ্গিদের দুর্বল ভাবলে বড় ভুল। নতুন প্যাটার্ন নতুন স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কাশ্মীরের বুকে সন্ত্রাসের বীজ বোনার বড় চেষ্টা। এর এখানেই পাকিস্তানের গোটা প্ল্যান, গোটা পরিকল্পনা ভেসতে দিতে চলেছে ইন্ডিয়ান আর্মি। পাকিস্তান তাদের আর্মি অবসরপ্রাপ্ত সেনাদের যুক্ত করছে লস্কর ই তৈবায়। রাজৌরিকাণ্ডের পর এমনই তথ্য তুলে ধরেছেন ভারতীয় আর্মির নর্দান কমান্ডার চিফ উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

    তাঁর দাবি কাশ্মীরের স্থানীয়দের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আর কোনওভাবে যুক্ত করতে পারছে না পাকিস্তান। উপত্যকার স্থানীয় বাসিন্দারা এখন অন্য কাজে মন দিয়েছেন। তাই এবার পাকিস্তানের আর্মির প্রাক্তনদের সন্ত্রাসবাদী দলে ঢোকানো হচ্ছে। সেসব অবসরপ্রাপ্ত সেনা জওয়ান জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত তারাই উপত‌্যকায় জঙ্গি সংগঠনের হয়ে কাজ করছে। সীমান্তের ওপার থেকে ভারতে প্রবেশ করছে। টানা কয়েকমাস ধরে জঙ্গি কার্যকলাপে নজরদারি করতেই সামনে এসেছে এই  তথ‌্য। রাজৌরিতে কুয়ারি নামে যে জঙ্গিকে নিকেশ করেছে ভারতীয় সেনা সে যেমন বোমা বিশেষজ্ঞ ছিল তেমনই ছিল দুর্ধর্ষ স্নাইপার। কারা ট্রেন করেছিল এই কুয়ারিকে? প্রশ্ন উঠছে। বৃহস্পতিবার রাজৌরি জেলায় লস্কর-ই তৈবার শীর্ষ সেনা কমান্ডার-সহ দুই জঙ্গি নিহত হওয়ার পরে নিরাপত্তা আধিকারিকরা একটি গুহার সন্ধান পান সেই ছবি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সেনা। জানা গিয়েছে, ওই গোপন ডেরা দীর্ঘদিন ধরেই ব‌্যবহার করছিল সন্ত্রাসবাদীরা। নিরাপত্তা আধিকারিকদের মতে এই ধরনের আস্তানা শনাক্ত করা এবং তা ভাঙা যথেষ্টই কঠিন।

    নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে পাহাড়ি ওই এলাকা এবং নিয়ন্ত্রণরেখার নিকটবর্তী হওয়ার জন‌্যই রাজৌরি এবং পুঞ্চকে নিজেদের সুবিধার জন‌্য ব‌্যবহার করছে জঙ্গিরা। কারণ, রাজৌরি হল কাশ্মীরের ট্রানজিট রুট। শীতকালে পাহাড়ি পথ যখন বন্ধ হয়ে যায় তখন এই অঞ্চল দিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপ বাড়াতে চেষ্টা করে। লস্কর-ই-তৈবার মতো সংগঠনই এই কার্যকলাপ বাঢড়ায়। সেনা আধিকারিকদের মতে এখনও ২০ থেকে ২৫ জন সন্ত্রাসবাদী এই এলাকায় তৎপর রয়েছে। স্থানীয়দের সহায়তায় তাদেরও নির্মূল করার চেষ্টা করছে নিরাপত্তা বাহিনী। গত একবছরের মধ্যে যেহেতু কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে তাই ক্রমশ প্রেসার বাড়ছে পাকিস্তানের উপর। আর এবার লস্করের কুখ‌্যাত কুয়ারি নামের যে জঙ্গি খতম হয়েছে তাতেই চাপ বেড়েছে এই জঙ্গি সংগঠনের। কারণ, রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের মাস্টারমাইন্ড ছিল কুয়ারি। গোটা জম্মু কাশ্মীরকে তাই এখন আর বাড়তি নজরে রাখছে কেন্দ্র এবং ইন্ডিয়ান আর্মি এখানে অ্যালার্ট প্রতিটা মূহুর্তে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কানাডাকে চরম ওয়ার্নিং দিল্লির! ব্লাড প্রেসার বাড়ছে ট্রুডোর, কী বলা হল ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কানাডাকে তুলোধনা ভারতের। ট্রুডো মুখ লোকাবেন কোথায়? দিল্লি প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে ব্লাড প্রেসার বাড়ছে ওটাওয়ার। পান্নুনকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্নিং! ভারত দিল উচিত শিক্ষা। ভিসা পরিষেবা চালু মানে দ্বন্দ্ব মিটে গেছে ভাববেন না। দিল্লিকে টেকেন ফর গ্রান্ডেড নেওয়া যাবে না। ঢিল ছুঁড়লে পাল্টা উচিত জবাবই দেবে ভারত। প্রমাণিত হয়ে গেল প্রকাশ্যে। নিজ্জরকাণ্ডে কানাডার বারবার দোষারোপ। খেলা পুরো ঘুরিয়ে দিল নয়া দিল্লি। আর এই কড়া জবাবের পর ওটাওয়া কি উত্তর দেবে সেটাই তো দেখার বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কানাডার খালিস্তানি নেতা গুরপতবন্ত সিং পান্নুনকে নাকি হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। আর তা নিয়ে ভারতকে সতর্ক করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র সে দেশে পান্নুনকে হত্যার ছক বানচাল করেছে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে যুক্তরাজ্যের ‘দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’(এফটি) পত্রিকায়। কিন্তু এ নিয়ে ভারতকে সতর্কতা কেন? প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল।

    যুক্তরাজ্যের সংবাদপত্রের খবর অনুযায়ী, হত্যা ষড়যন্ত্র ফাঁসের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছে। এই পাঁচ দেশই গোয়েন্দা তথ্যাদি আদান–প্রদান সম্পর্কিত ‘ফাইভ আইস’ জোটের সঙ্গী। তাদের সবার ধারণা, নিজ্জর হত্যা ও পান্নুন হত্যা চক্রান্তের মধ্যে ‘আচরণগত সাজুয্য’ রয়েছে। এই পান্নুনই যখন বিভিন্নভাবে ভারতকে হুমকি দেয় তখন যেন মুখে কুলুপ আটে। ফাইভ আইস এবার ভারত যেন একযোগে জবাব দিল কানাডা ও আমেরিকাকে। তদন্তের রিপোর্ট বের হওয়ার আগেই দোষারোপ কেন ভারতকে?’ খলিস্তানি নেতা খুনের ঘটনায় এবার কানাডাকে তুলোধোনা ভারতের। সম্প্রতি একটি টিভি চ্যানেলের সাক্ষাতকারে ভারতের হাই কমিশনার সঞ্জয় কুমার ভার্মা বলেন কোনও কারণ ছাড়াই ভারতকে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছে, এটা কি আদৌ আইনের শাসন? ভারতকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে তদন্তে যদি প্রথাগত ক্রিমিনাল টার্মিনোলজি দেখা যায় তাহলে বলতে হবে যে, কাউকে যদি সহযোগীতা করতে বলা হয় এক্ষেত্রে তখন ধরে নেওয়া হয় সেই অপরাধী। তদন্তে সহযোগিতা করলে অভিযুক্তের উপকারই হবে।

    কানাডার আচরণকে কটাক্ষ করে ভারতের হাই কমিশনার আরও বলেন, এই প্রসঙ্গে দুটি বিষয় রয়েছে। প্রথমত, তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার আগেই ভারতকে দোষারোপ করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, এটি আইনের শাসন নয়। আইনের উপর ভরসা রাখা হচ্ছে না। তিনি জানান, নিজ্জরের হত্যার প্রসঙ্গে যদি কোনও নির্দিষ্ট ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় নিশ্চয়ই ভারত বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। এদিকে কানাডার ভিসা পরিষেবা শুরু হতেই বড় বার্তা দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শংকর। জয়শংকর জানান আমরা এর আগে সাময়িক ভাবে ভিসা পরিষেবা স্থগিত রেখেছিলাম কানাডায়। কারণ সেখানে যা পরিস্থিতি ছিল তাতে আমাদের হাইকমিশন কর্মীদের অফিসে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছিল। এই আবহে তারা অফিসে গিয়ে ভিসা প্রক্রিাকরণের কাজ করতেই পারছিলেন না। তবে সাম্প্রতিককালে সেখানে ভারতীয় হাইকমিশন কর্মীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পেয়েছে। কূটনৈতিক মহলের ধারণা তারমানে এই নয় যে কানাডা ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়েছে। এই দ্বন্দ্ব যে অনেকদূর গড়াতে পারে এমনটাই মত তাদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশিদের ভারত বিদ্বেষ বাড়ছে! কেন ভারত হারলে এত আনন্দ-উল্লাস ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশের মানুষের ভারতের প্রতি বিদ্বেষ বাড়ছে? কিন্তু কেন? বাংলাদেশের মানুষের এই বিদ্বেষ শুধু কি ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ? কারা ছড়াচ্ছে বিদ্বেষ? সোশ্যাল মিডিয়াই ঘি-তে আগুন ঢালছে ভারত কি সত্যিই ‘বয়কট বাংলাদেশের’ দিকে এগোচ্ছে? বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ভারতের হার আর তা ঘিরে বাংলাদেশীদের ব্যাপক রকম উচ্ছ্বাস। সমস্ত বাংলাদেশি বলা যায় কি? নাকি বাংলাদেশের নাগরিকগের বিশেষ কোনও অংশ? ভারতের থেকে বয়কট বাংলাদেশ ডাক উঠছে। সম্পর্ক বিগড়ে যেতে পারে দুটো দেশের মধ্যে? বৈরিতা টানতে দুদেশের ধর্মই কি দায়ী? আপনি এই ভিডিও কোথা থেকে দেখছেন জানান?
    ভারত ও বাংলাদেশ একে অপরের ওপর কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, বা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কতটা নির্ভরশীল বা বলা ভালো বাংলাদেশ স্পেশালি ভারতের ওপর চিকিৎসাক্ষেত্রে, খাদ্যসামগ্রী সহ অনান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্ষেত্রে কতটা নির্ভর করে সেটা বোধহয় সব ভারতীয়রা না জানলেও কম বেশি সকল বাংলাদেশিই জানেন।

    ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য তারা আমদানি করেন। ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা তারা ব্যবহার করেন। কলকাতায় এসে মার্কেটিং করেন। আবার সেই ভারতকেই সবসময়ে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা। তাহলে বিদ্বেষ, ঘৃণা বা ভারতের হারে আনন্দ উচ্ছাস আসছে কোথা থেকে? বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের হার নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে উচ্ছ্বাস এবং ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের প্রতিবাদ জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের শৈল শহর দার্জিলিংয়ের একটি হোটেল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তাদের হোটেলে বাংলাদেশের পর্যটকদের এমূহুর্তে আর থাকার অনুমতি দিচ্ছেন না। শুধু তাই নয় ভারতীয় বাঙালীদের একাংশ এই বিদ্বেষের পাল্টা বাংলাদেশকে নানা ক্ষেত্রে বয়কট করার ডাক দিচ্ছেন। কেউ বাংলাদেশিদের ভিসা না দেওয়ার কথা বলছেন। যাতে বাংলাদেশিরা এদেশে চিকিৎসা করাতে না আসতে পারেন। কেউ বলছেন কলকাতা বই মেলায় বাংলাদেশী প্রকাশকদের যেন স্টল দিতে না দেওয়া হয়। আসল সত্যিটা কি? কারা ছড়াচ্ছে বৈরিতা? কী বলছেন দুদেশের সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা?

    বাংলাদেশেরও আশা ছিল যে বাংলাদেশ সেমি ফাইনাল বা ফাইনালে খেলবে কিন্তু তারা চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে। তাই বলে ভারতের হারে উল্লাস! বিবিসিকে একটি সাক্ষাতকারে বাংলা সংবাদ পোর্টাল ‘দ্য নিউজ বাংলা’র প্রধান মানব গুহ বলছেন “এই বৈরিতাটা কিন্তু পুরো ভারত আর বাংলাদেশের সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয় নি শুধুমাত্র ভারতীয় বাঙালি আর বাংলাদেশের তরুণ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে চলছে এটা”। অনেকের দাবি এটা কিন্তু শুধু বিশ্বকাপ ফাইনাল নয় ২০১৯ সালেও বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে ভারতের হারের পর বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা গেছিল বাংলাদেশের সমর্থকদের। প্রশ্ন তখনও উঠেছিল আজও উঠছে। এই বিদ্বেষ কি শুধু ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোবায়েদা নাসরিন বেশ কয়েকবছর আগে বিবিসিকে বলেছিলেন ভারত বাংলাদেশের সমস্ত ইমারজেন্সিতে প্রয়োজন হওয়া সত্ত্বেও দ্বিজাতিতত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হওয়ার কারণে এখনও উপমহাদেশের দেশগুলোতে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থাকার কারণে বাংলাদেশের মানুষের এই জাতীয়তাবাদী চেতনার বহি:প্রকাশটা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক তীব্র

    বাংলাদেশ এবং ভারতের ক্রিকেট সমর্থকদের মধ্যে এই বৈরিতা অবশ্য একদিনে তৈরি হয়নি। বিভিন্ন টুর্নামেন্ট ঘিরে মূলধারার গণমাধ্যমের বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে সামাজিক মাধ্যমে তৈরি মিম এই আগুনে ঘি ঢেলেছে নানা সময়। এদের একটা অংশ রাজনৈতিক ভাবে ভারত-বিরোধী। যারা বাংলাদেশের যে কোনও সমস্যায় ভারতের দোষ খোঁজেন। আবার কেউ কেউ মনে করেন যে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসাবে ভারত বাড়তি সুবিধা আদায় করে ম্যাচগুলোতে জিতেছে। বহু ক্রিড়াবিদদের এটাও দাবি তারা বিশ্বাস করেন না বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ ভারতের পরাজয়ে এভাবে উল্লসিত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে বহু মানুষ আছেন যারা ভারতীয় ক্রিকেট আর ক্রিকেটারদের ভক্ত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • সমুদ্রের নীচে তেলের স্রোত! কৃষ্ণা গোদাবরী বেসিনে লুকোনো ভারতের গুপ্তধন! রাশিয়া সৌদি ডাহা ফেইল ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সমুদ্রের অতল গহ্বরে তেলের স্রোত বইছে। হু হু করে এতো দামী সম্পদটা ছড়িয়ে পড়বে ভারতে। রাশিয়া সৌদি ডাহা ফেইল? কৃষ্ণা গোদাবরী বেসিনে লুকোনো কোন গুপ্তধন? শুধু বাংলাদেশ নয়, বঙ্গোপসাগরের বেনিফিট পাবে আমাদের দেশও? ডিপ সি প্রজেক্ট কিভাবে টাকায় ভরাবে ভারতকে। ওএনজিসি’র হাতে এলো আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ। সাগরের নীচের এই খনিই বড় রহস্যের আধার। ভরসা করা ছেড়ে দিলো? গভীর সমুদ্রের তেল খনি কৃষ্ণা-গোদাবরী বেসিন থেকে ডিরেক্ট লাইন ভারতের কোণায় কোণায়। অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে বড়সড় পদক্ষেপ। এবার ONGC র কামাল দেখবে। তেল উৎপাদনকারীদের জোট ওপেক। তাহলে কি এই চালেই ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি, ভেনেজুয়েলা, রাশিয়াকে টেক্কা দেবে ভারত?

    কৃষ্ণা গোদাবরী বেসিন থেকে তেল উৎপাদন শুরু হলে ভারতের বছরে দশ হাজার কোটি টাকারও বেশি আমদানি খরচ বেঁচে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, ভারত প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের অন্তত ৮৫ শতাংশ এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় অর্ধেক আমদানি করে। ফলে, এই ডিপ সি প্রজেক্টের মাধ্যমে তেল উৎপাদন ভারতের জন্য অনেকটাই স্বস্তির হতে চলেছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই গভীর সমুদ্রের তৈলখনি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আর এবার সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পালা। কৃষ্ণা-গোদাবরী বেসিন থেকে তেল উত্তোলনের গোটা প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। এখান থেকে উৎপাদন শুরু হলে তা ONGC-এর জন্য ভালো হবে। কারণ বেশ কিছু সময় ধরেই এই সংস্থা কম উৎপাদনের কারণে সমস্যায় পড়েছে। কাজ শুরু হলে দেশের পূর্ব উপকূলে ওএনজিসির প্রথম গুরুত্বপূর্ণ তৈলখনি হবে কেজি বেসিন।

    সবথেকে বেশি গুরুত্ব অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে KG-DWN-98/2 ব্লকের। অনেকগুলি সঞ্চয় মিলেছে যেগুলি জড়িয়ে এক একটি ক্লাস্টার তৈরি করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর এই এলাকায় জলের গভীরতা ৩২০০ মিটারের মতো। এই ব্লকটিকে মোট ৩ টি ক্লাস্টারের ভাগ করা হয়েছে! তার মধ্যে ২ নম্বর ক্লাস্টার থেকে সবার আগে উৎপাদন শুরু হবে। শুধু অপরিশোধিত তেল নয়, ভারতের বেনিফিট হবে অনেক। কারণ এখান থেকেই প্রাকৃতিক গ্যাস ও উৎপাদন হবে। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়, তখনই এই বেসিন থেকে বেশ কিছু পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাসও মিলবে বলে জানানো হয়েছে।ফলে তেল গ্যাস আমদানিতে ভারতের নির্ভরতা কমবে।২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের মধ্যেই প্রতিদিন অন্তত ৪৫০০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আর এর উপর ভিত্তি করেই ২০২৩ অর্থবর্ষের তুলনায় ২০২৫ অর্থবর্ষে ONGC-এর উৎপাদনের পরিমাণ একলাফে অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    রাশিয়া থেকে প্রচুর পরিমাণ তেল কেনে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভারত রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে তেল কেনা চালিয়ে গেছে। এদিকে সম্প্রতি রুশ তেলের উপর ডিসকাউন্ট কমে যাওয়াতেই মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল কেনা বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তাহলে কি এরপর থেকে মস্কো, সৌদির উপর ভারত আর নির্ভর করবে না? কেজি বেসিন সব হিসেব ঘুরিয়ে দেবে?এটা ফ্যাক্ট, অধিকাংশ তেলক্ষেত্র পুরনো হয়ে যাওয়ায় উৎপাদনে ধাক্কা খেয়েছে ONGC। কিন্তু, কেজি বেসিন থেকে তেল গ্যাস উত্তোলনের কারণে মোট উত্তোলনের পরিমাণ আরও বাড়বে, পুরোনো ঘাটতি মিটে যাবে।তাছাড়া আগেও জানিয়েছিলাম তেল রপ্তানি কারো দেশ হিসেবে ভারত ও পিছিয়ে নেই। ভারতের পরিষদিত তেল ও হুহু করে ছড়িয়ে যাচ্ছে গোটা বিশ্বে। গুছিয়ে তেল এক্সপোর্ট করছে ভারত। সেক্ষেত্রে কেজি বেসিন এর জন্য অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশেও সেই তেল রপ্তানি করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে নয়া দিল্লি।

    বলতেই হচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতে ভারত একেবারে দুর্দান্ত খেলোয়াড় হিসেবে ফ্রন্ট লাইনে এসে দাঁড়াচ্ছে। আর তেল এক্সপোতে কম্পিটিশন চালাচ্ছে বড় বড় তেল উৎপাদক দেশের সাথে। এটাই তো ভারতের মাহাত্ম্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মায়ানমার ক্যাপচার করবে চীনের PLA! বড় ডিল করল জুন্টা, ভারত কীভাবে বিপদ খন্ডাবে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    গোটা মায়ানমার চীনের কবজায়। পিএলএ আর্মি ঢুকে যাবে। বঙ্গোপসাগরে পড়তে পারে বেজিংয়ের থাবা।
    মায়ানমারে লালফৌজ ঢুকলেই ভারতের কেন প্রেসার বাড়বে? জুন্টার সঙ্গে জিনপিংয়ের কোন ডিলটা হয়ে গেল? হ্যাঁ যে ডিল হয়েছে মায়ানমার ও চীনের মধ্যে তাতে একটা বড় এফেক্ট যে পড়তে পারে ভারতে। এমনই অনুমান করছেন কূটনৈতিক মহলের অনেকেই। ঠিক যে আশঙ্কাটা করা হয়ছিল বা চীন যে সময়টার জন্য অপেক্ষা করছিল সেই সময়টা চলেই এল। মায়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির আতঙ্কে এবার চীনের দ্বারস্থ হয়েছে জুন্টা সরকার। সে দেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত চেন হাইয়ের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতে বৈঠক করেছেন জুন্টা সরকারের বিদেশমন্ত্রী। খান শোয়ে-সহ কয়েক জন সামরিক শীর্ষকর্তা। তাহলে কি এবার পিএলএ আর্মিকে পুরো মায়ানমারের অ্যাক্সেস দিয়ে দেবে জুন্টা? পিএলএ আর্মিই কি মায়ানমারের বিদ্রোহীদের সায়েস্তা করবে? সবথেকে বড় খবর গোটা পরিস্থিতির ওপর ভারতের কড়া নজর রয়েছে কিন্তু কেন? মায়ানমারের পিএলএ ঢুকলে ভারতের কোথায় কোথায় হুমকি?

    চীনের সঙ্গে চীনের জিনপিংয়ের প্রতিনিধির সঙ্গে ঠিক কী চুক্তি হল তাহলে মায়ানমারের জুন্টার? তার আগে একটু পরিস্থিতিটা বলে দি চলতি মাসে মায়ানমারের ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের সহযোগী হয়েছে পশ্চিম মায়ানমারে সক্রিয় বিদ্রোহী বাহিনী ‘চিন ন্যাশনাল আর্মি’ (CNA), চায়নাল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স (CDF), ‘কাচিন লিবারেশন ডিফেন্স ফোর্স’ (KLDF), পিপল’স ডিফেন্স ফোর্স (PDF)। মায়ানমারের সরকারি টিভি চ্যানেল ‘গ্লোবাল নিউজ লাইট অব মায়ানমার’-এ প্রচারিত খবরে বলা হয়েছে চীন-মায়ানমার বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, দু’দেশের জন্য লাভজনক যৌথ প্রকল্প বাস্তবায়ন, সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং আইনের শাসন বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বৈঠকের বিষয়ে চীনা দূতাবাস বা সে দেশের সরকারি সংবাদ সংস্থার তরফে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

    এখানেই তো সন্দেহের গন্ধ পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন এই পরিস্থিতিতে ‘স্থিতিশীলতা’ ফেরানোর অছিলায় মায়ানমারে চিনা পিললস লিবারেশন আর্মি (PLA) ঢুকতে পারে। তাঁদের মতে চাপে থাকা জুন্টা সরকারের উপর প্রভাব খাটিয়ে মায়ানমারকে ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড ইনিশিয়েটিভ’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে বাধ্য করতে পারে শি জিনপিং সরকার। যা নয়াদিল্লির পক্ষে ব্যাপক অস্বস্তির কারণ হবে কারণ, ভবিষ্যতে ওই প্রকল্পের মাধ্যমে চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) এর ধাঁচে রাখাইন প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ কিয়াউকফিউ বন্দর মারফত বঙ্গোপসাগরেরর ‘নাগাল’ পেয়ে যাবে লালফৌজ। এছাড়াও পিএলএ মায়ানমারে ঢোকা মানে সেখান থেকে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে অশান্তির আশঙ্কা একইসঙ্গে সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে নজরদারিও চালাতে পারে লালফৌজ। সবমিলিয়ে এই খবর কোনওভাবেই নয়াদিল্লির জন্য ভালো নয়

    এদিকে গৃহযুদ্ধের জেরে পাঁচ হাজারেরও বেশি মায়ানমারের নাগরিক আশ্রয় নিয়েছেন মিজ়োরামে। মায়ানমারের অন্তত পাঁচটি প্রদেশ দখল করেছে বিদ্রোহী জোট। এবার দেখার ভারত এক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নিতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ডিটো ? একের পর এক বিমান গায়েব মাঝ আকাশে! মধ্যপ্রাচ্যে রহস্যের মায়াজাল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ডিটো বারমুডা ট্রায়াঙ্গল? মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ঘনাচ্ছে কোন রহস্যের মায়াজাল? ভারতের একের পর এক বিমান কি এই পয়েন্টেই হারিয়ে যাচ্ছে? সত্যিই কি এখানে কোন সুপারন্যাচারাল পাওয়ার কাজ করছে? টেনশন বাড়ছে। মাঝ আকাশে কি ঘটছে বিমানগুলোর সাথে? ভারত ভাঙবে এই মিস্ট্রি। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এ কি ঘটে সেটা আপনারা জানেন। কিন্তু সেই একই ঘটনা এবার মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে? কোন অদৃশ্য চক্রব্যূহে হারিয়ে যাচ্ছে ভারতের বিমানগুলো? এ এক আশ্চর্য রহস্য কিন্তু ফ্যাক্টটা জানতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ওড়ার সময় অনেক ক্ষেত্রেই জিপিএস সিগন্যাল হারিয়ে ফেলছে ভারতীয় বিমানগুলো। গত দু মাস ধরে অভিযোগ আসছে, ভারতীয় যাত্রীবাহী বিমানগুলিকে এই ধরনের অভিজ্ঞতার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

    পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। ক্রমাগত ঘটে চলা এই ধরনের ঘটনার ফলে যে কোনও সময় যে কোনও বিমান বড় দুর্ঘটনার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এটাকে বড় ‘নিরাপত্তা-বিপত্তি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। DGCA মানে Directorate General of Civil Aviation ডিজিসিএ এই ধরনের বিপদের প্রকৃতি এবং কীভাবে এর মোকাবিলা করতে হবে সেই সম্পর্কে সতর্ক করেছে উড়ান সংস্থাগুলোকে। ভারতের সমস্ত উড়ান সংস্থাগুলোর কাছে একটা নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। সত্যিই কি সেকেন্ড বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে? ডিজিসিএ-র নোটিশে বলা হয়েছে, বিশেষ জিপিএস সিগন্যাল স্পুফিং ওৎগ্লোবাল নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম জিএনএসএস এ জ্যামিং সমস্যা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আগে জানতে হবে স্পুফিং ব্যাপারটা ঠিক কী? মধ্যপ্রাচ্যের কোনও কোনও অংশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানগুলো বিশেষ জিপিএস সংকেত পায়।য়এগুলো আসলে ‘প্রতারণা’-জিপিএস সিগন্যাল। যেটাকে বলা যায় একটা বড়সড় ট্র্যাপ।

    বিমান চালককে বিভ্রান্ত করার লক্ষ্য থাকে যে সিগন্যালগুলোর। তাঁকে বোঝাতে থাকে, তিনি নিজের কাঙ্ক্ষিত যাত্রাপথ থেকে বহু দূরে রয়েছেন। যার ফলে অরিজিনাল জিপিএস সিগনাল থেকে হারিয়ে যায় বিমানগুলো। এই পুরো পরিস্থিতির জন্য বিমান চলাচল অনিশ্চয়তায় ভুগছে। যখন তখন বিপদের মুখে পড়তে পারে ভারতীয় বিমানগুলি। ফলে আগাম সতর্কতা হিসাবে নেভিগেশন সিস্টেমের জ্যামিং মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে একটি নেটওয়ার্ক কমিটি তৈরির কথাও বলা হয়েছে। এর কাছেই কি সেই ভয়ানক চক্রব্যূহ?

    সেপ্টেম্বর থেকেই বিশেষত, ইরানের কাছাকাছি বেশ কয়েকটি বিমানের নেভিগেশন সিস্টেম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে! ইরানের কাছাকাছি একটি বিমান স্পুফিংয়ের কবলেও পড়েছিল। ফলে বিনা অনুমতিতে ইরানের আকাশসীমায় ঢুকে যায় সেটি। এরপরই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্র। ভারত সরকার এখন পুরো বিষয়টার দিকে কড়া নজর রাখছে। এই ধরনের ঘটনা কেন ঘটছে, জ্যামিং ও স্পুফিংয়ের পিছনে কে রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গোটা বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ডিজিসিএ। এরপরেও সমস্ত দিক থেকে আঁটঘাট বেঁধে বিমানগুলোকে পাঠানোর পরেও মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে কি ঘটবে সেদিকেই নজর গোটা ভারতের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানে হিন্দু মন্দির দখলের চেষ্ঠা! সারদাপীঠ আগলালো মুসলিমরা, ১৮ শক্তিপীঠের ১ পীঠ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তান দখল করে নিচ্ছে সারদাপীঠ হিন্দু মন্দিরের জমি। হিন্দু মন্দির সারদাপীঠকে কি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে? মুসলিমরা বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন ১৮ মহাশক্তিপীঠের এক পীঠ সারদামন্দির পাকিস্তানে কেন? পিওকে-তে মন্দির বাঁচাতে স্থানীয়দের সঙ্গে ধুন্ধুমার পাকিস্তান সেনার। পাকিস্তানে একের পর এক মন্দির ধ্বংসের খবর তো প্রায়শই শুনে থাকেন কিন্তু এবার এমন এক মন্দিরকে টার্গেট করেছে পাক সেনা যে মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে ভারতীয়দের শ্রদ্ধা, অপার করুণা, আবেগ আর আরাধনা। পাকিস্তান সেনা গুঁড়িয়ে দিতে চাইছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা হিন্দুদের ১৮ মহাশক্তিপীঠের এক পীঠ সারদাপীঠকে।

    ভারতীয় মিডিয়ার রিপোর্ট বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নীলম নদীর তীরে পাহাড়ি গ্রাম সারদা। এখানেই আছে সুপ্রাচীন তীর্থক্ষেত্র সারদা পীঠ। সেই সারদাপীঠের জমি দখল করতে উঠেপড়ে লেগেছে পাক আর্মি কিন্তু পাকিস্তানের সেনাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠা পিওকের স্থানীয়রাই সেনাদেরকে খেদিয়ে বের করে দিচ্ছে এলাকা থেকে। এর মানে মহিমা বুঝুন মুসলিমরা বুক দিয়ে আগলাচ্ছে হিন্দু মন্দিরকে একসময় এই মন্দিরে মা দুর্গার এক রূপ সারদা দেবীর মূর্তি ছিল। কাশ্মীরী পণ্ডিতরা এখন আর এই পীঠ দর্শন করতে পারেন না। তাই সারদা পীঠ সংলগ্ন গ্রামের মুসলিম অধিবাসীরা ২০১৮ সালে এই মন্দির চত্বরের মাটি সংগ্রহ করে পাঠিয়ে ছিলেন কাশ্মীরী পণ্ডিতদের কাছে। হিন্দু বিশ্বাস মতে ১৮টি মহাশক্তিপীঠের অন্যতম এই মন্দির। হিন্দু ধর্ম মতে এখানে সতীর ডান হাত পড়েছিল। শুধু হিন্দু ধর্ম নয় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত এই সারদা পীঠ হয়ে উঠেছিল বৌদ্ধধর্মের অন্যতম জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র। জানলে অবাক লাগবে উপমহাদেশে জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র এই সারদা পীঠে এক সময় অধ্যয়ন ও অধ্যাপনা করেছিলেন।

    কলহন, আদি শঙ্করাচার্য্য, কুমারজীবের মতো পণ্ডিতেরা পাণিনি সহ আরও অনেক ভারতীয় পণ্ডিতের লেখা দীর্ঘদিন এই মন্দিরে রাখা ছিল বলে বিশ্বাস ঐতিহাসিকদের। তবে হ্যাঁ পাক অধিকৃত কাশ্মীর যবে থেকে পাকিস্তানের অংশ হয়েছে। তারপর থেকে ধ্বংসাবশেষ ছাড়া এই মন্দিরের এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। যদিও এর আগেও মন্দিরের বাইরের দেওয়াল ভেঙে সেখানে কফি শপ বানিয়ে ছিল পাকিস্তান সেনা। এবার জোর করে জমি দখলের চেষ্টা। প্রাচীন ইতিহাসে অনেক সময়ই কাশ্মীরের উল্লেখ আছে শারদা-দেশ নামে শারদা পীঠের কারণেই এই নাম বলে মনে করেন ঐতিহাসিকেরা। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাজধানী মুজফফরাবাদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই পীঠ।

    এর ঐতিহাসিক গুরুত্বও চরম। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে দু’বছরের জন্য এই মন্দিরে ছিলেন চীনা পর্যটক এবং বৌদ্ধ পণ্ডিত হিউয়েন সাং। ১১৪৮ খ্রিস্টাব্দে কলহনের লেখা রাজতরঙ্গিনীতে শারদা পীঠকে হিন্দু ধর্মের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আবুল ফজলের কথা অনুযায়ী এই মন্দির চত্বর পুরোটাই ছিল সোনার মোড়া। প্রতি মাসে পূর্ণিমার আট দিন পর এই মন্দিরে অলৌলিক ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন তিনি। মধুমতী নদীর তীরে এই মন্দির বলে উল্লেখ করেছেন তিনি এই মধুমতী নদীকেই এখন ডাকা হয় নীলম নামে। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের সময় পাশতুন উপজাতিদের দখলে আসে এই এলাকা। ফের বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যায় শারদা পীঠ। এখন এই মন্দির সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত কোনও বিগ্রহ নেই কিন্তু ভারতের হিন্দুরা এখনও স্বপ্ন দেখেন কোনওদিনও পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের দখলে এলে এই সারদাপীঠ দর্শন করতে পারবে হিন্দুরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত বাংলাদেশ কতটা রিস্কে! আন্টার্কটিকায় বড় সর্বনাশ, ২৪ এই পৃথিবীতে মহাপ্রলয় ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ধেয়ে আসছে এ কোন মহাপ্রলয়? ভারত বাংলাদেশ কী করবে? ২০২৪ এই ঘটে যাবে এতো বড় সর্বনাশ? কোটি কোটি টন বরফ হারাচ্ছে আন্টার্কটিকা। এত এত পেঙ্গুইন মরছে। হু হু করে বাড়ছে জলস্তর, সমুদ্রে ডুবে যাবে নাকি এতোগুলো দেশ? হিমবাহের নীচে জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি। তাহলে কি ভেঙে দু টুকরো হবে পৃথিবী? কেদারনাথ এর সেই ভয়ংকর রাতের কথা মনে আছে তো? রুখতে পারবে না কোনো বিজ্ঞান-প্রযুক্তি। কিভাবে কুমেরুর গায়ে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়াছে পৃথিবীর অভিশাপ। বাংলাদেশের ১০ গুণ বেশি আয়তনের বরফ গলে গেছে অ্যান্টার্কটিকায়।বিশাল উঁচু বরফের দেওয়াল এক ঝটকায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ছে। বিস্তৃীর্ণ এলাকা জুড়ে হিমবাহে ফাটল। নেমে আসছে বরফের প্রকাণ্ড চাঁই। হিমবাহের সাম্রাজ্যে ঘোর বিপদ। প্রতিনিয়ত সমুদ্রে ভেসে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলছেন বিজ্ঞানীরা।

    হাড়হিম করা স্যাটেলাইট ইমেজ বাংলাদেশের টেনশন বাড়াচ্ছে। বিশ্বজুড়ে যেভাবে একের পর এক হিমবাহ অস্বাভাবিক হারে গলতে শুরু করেছে তাতে শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারত, চীন সহ একগুচ্ছ দেশ রিস্কে আছে। কোথা থেকে কি ঘটছে আপনি টের পাচ্ছেন না।জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। গত ৪০ বছর ধরে গবেষণার পর পরিবে শবিজ্ঞানীরা বলছেন, আন্টার্কটিকায় ঘোর দুর্দিন আসছে। বরফের রাজ্যের প্রাণীদের মৃত্যু হচ্ছে, সমুদ্রে ভাসমান বরফের চাঁই উধাও হয়ে যাচ্ছে।ম্যাজেস্টিক প্রজাতির পেঙ্গুইনরা বিলুপ্তপ্রায়। পেঙ্গুইনদের এক একটা কলোনি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আর এবার পৃথিবীর কুমেরুর বাস্তুতন্ত্রই বদলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন আন্টার্কটিকা থেকে ২৫০ ট্রিলিয়ান টনের মতো ঠান্ডা, অক্সিজেন সমৃদ্ধ জলের প্রবাহ বা Ocean Current ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক সাগরের দিকে প্রবাহিত হয়। আন্টার্কটিকার তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও হিমবাহ গলে যাওয়ার কারণে এই অক্সিজেন সমৃদ্ধ জলের স্রোতের পরিমাণ কমছে। ওই জলের প্রবাহ অন্য সাগর-মহাসাগর অবধি পৌঁছতেই পারছে না। এরকম চলতে থাকলে, একটা সময় আসবে যখন পৃথিবীর সমস্ত সাগর-মহাসাগরের ব্যালান্সটাই বদলে যাবে।

    তখনই কি ঘটবে সেই ভয়ংকর বিপর্যয়? পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়বে মহাপ্রলয়? দেখুন কিভাবে আন্টার্কটিকার ‘নর্থ রিফ্ট বিজ্ঞানীদের টেনশনের পরিমাণকে কয়েকগুন বাড়াচ্ছে। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর তাপ বাড়ছে, মেরুপ্রদেশে বরফ গলছে, সমুদ্রের জল বাড়ছে, জলবায়ুর বদল সর্বনাশের খাঁড়া ঝুলিয়েই রেখেছে। তার মধ্যেই নর্থ রিফ্টের ওই পাহাড়প্রমাণ বিশাল বরফের চাঁই ভেঙে পড়াকে মোটেই ভাল চোখে দেখছেন না পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। অলরেডি চিড় ধরতে শুরু করেছে আন্টার্কটিকার বিশাল বিশাল গ্লেসিয়ারগুলিতেও। পরিবেশবিদরা বলছেন সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয়টা এই মুহূর্তে ঘটছে আন্টার্কটিকায়। পরিণতি ভয়ানক। হিমবাহ যেহারে গলছে তাতে অন্তত ১০ ফুট উঠে আসতে পারে সমুদ্রের জল-স্তর। বহু দেশের বহু শহর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকছে। তাহলে কি ঠান্ডার দেশে গরম হওয়া বইছে? এর আগে আলাস্কা ও গ্রিনল্যান্ডে এত দ্রুত বরফ গলে গেলেও, আন্টার্কটিকা সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। আর সবটাই ঘটছে বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে পৃথিবীর জলবায়ু ধ্বংস হয়ে গেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যা ঘটছে সেটা নজিরবিহীন।

    আশঙ্কা করা হচ্ছে ২০২৪ সালেই নানান ধরনের দুর্যোগের মুখোমুখি হবে গোটা বিশ্ব। এটা ঠিক বিরাট রিস্কে আছে গোটা পৃথিবী। তবে, বিজ্ঞানীদের আরেকাংশের মতে পৃথিবীকে মানুষের বেঁচে থাকার উপযোগী করে তোলার সময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি। তার জন্য অবিলম্বে বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমিয়ে আনা প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেটা করতে হলে বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস কমানোর লক্ষ্যে সকলকে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। হাতে সময় খুব বেশি নেই। সতর্ক হতে হবে, সচেতন হতে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version