Tag: Vastu Tips

  • Vastu Tips : গলায় বা হাতে ঝুলিয়েছেন দেব-দেবীর লকেট-রুদ্রাক্ষ ? বাস্তু অনুসারে এর প্রভাব জানুন

    Vastu Tips : গলায় বা হাতে ঝুলিয়েছেন দেব-দেবীর লকেট-রুদ্রাক্ষ ? বাস্তু অনুসারে এর প্রভাব জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips : এমন অনেকেই রয়েছেন যারা কোন কারণ ছাড়াই হাতে কিংবা গলায় দেব-দেবীর লকেট পরে থাকেন। রুদ্রাক্ষের মালাও অনেকে ফ্যাশনের (Fashion) জন্য গলায় ধারন করে থাকেন। কিন্তু এই গুলি করা কি আদৌ ঠিক ? এর কি কোন ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক প্রভাব মানুষের জীবনে পড়তে পারে ? বাস্তুশাস্ত্র এর উত্তর জানিয়েছে। বাস্তু অনুসারে, একজন মানুষ যে যে কর্ম গুলি করেন সেই গুলির ইতিবাচক এবং নেতিবাচক প্রভাব তার জীবনে অবশ্যই পড়ে। অনেকেই দেব-দেবীর লকেট (Locket Of God) কিংবা রুদ্রাক্ষের (Rudraksha) মালা পরাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখেন না। হাল ফ্যাশন কিংবা পছন্দের উপর ভিত্তি করে এগুলি পরে নেন।

    তবে এমনটা করা একেবারেই উচিত নয়, বলছে বাস্তুশাস্ত্র। এতে একটু উনিশ-বিশ হলে সমস্যা দেখা দিতে পারে ব্যক্তিগত জীবনে। এছাড়াও সংসারে নেমে আসতে পারে দুর্যোগ । তাই দেব দেবীর লকেট হাতে কিংবা গলায় পরিধান করার আগে অবশ্যই এই বিষয়গুলি সম্পর্কে জেনে নিন।

    * কেন কোন দেবতার লকেট পরা উচিত নয় ?

    যেকোনো দেবদেবী মানেই আমাদের কাছে পূজ্য। তাদেরকে শুদ্ধবস্ত্রে শুদ্ধ মনে আরাধনা করা হয়। জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে, আমরা যখন কোন দেব-দেবী কিংবা তাদের নকশা করা লকেট গলায় বা হাতে পরিধান করি সেটা আমাদের উপরেই নেতিবাচক শক্তির আধিপত্য বাড়াতে পারে। কারণ সব সময় কোন মানুষের পক্ষে একেবারে পরিষ্কার জামা কাপড়ে পরিষ্কার ভাবে থাকা সম্ভব নয়। দিনের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হয় আমাদের। কাজেই সেই লকেটে সেই সময় ময়লা লাগতে পারে। এছাড়াও কোন বজ্র পদার্থ ধরার পর একেবারেই অন্যমনস্কভাবে অনেকে নিজের লকেট ধরতে পারেন। যা ঈশ্বর অবমাননা সমান। এতে ঈশ্বর যেমন রুষ্ট হতে পারেন সেই ব্যক্তির উপরে তেমনি তার জীবনে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে । তাই যে কোন ধরনের দেবদেবীর লকেট না পরাই ভালো।

    * ফ্যাশনের জন্য রুদ্রাক্ষের মালা নয়

    রুদ্রাক্ষের একটি বীজে ১ থেকে ২১ টি পর্যন্ত মুখ থাকতে পারে। আর এইগুলি বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাই শুধুমাত্র দোকান থেকে যেকোনো রুদ্রাক্ষের মালা কিংবা একটি রুদ্রাক্ষ কিনে নিয়ে সেটি শরীরে ধারণ করা একেবারেই অনুচিত। সঠিক রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে যেমন জীবন মসৃণ হতে পারে ঠিক তেমন ভুল রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে একজন ব্যক্তির জীবনে সমস্যার কালো ছায়া নেমে আসতে পারে। তাই রুদ্রাক্ষের মালা ধারণ কিংবা যেকোনো একটি রুদ্রাক্ষ ধারণ করার আগে অবশ্যই জ্যোতিষবিদদের (Astrologer) কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    যদি দেব দেবীর কোন লকেট পরতেই হয়, তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি ধাতুর লকেট পরা শুভ বলে মনে করা হয়। আর সেই তালিকায় রয়েছে রূপো ও পিতল এবং তামার নাম
    কোন ধাতু সম্পর্কে বিস্তারিত না জেনে সেটা পরিধান করা উচিত নয়। সব থেকে ভালো হয় অন্ততপক্ষে সাজসজ্জার জন্য দেব দেবীর লকেট কিংবা রুদ্রাক্ষ না পরা। এটি আপনার জীবনের সমস্যা বাড়ানোর বদলে কমাবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu tips: বাস্তুমতে বাড়ির আনন্দ সুখ বাড়াতে আয়নার জুড়ি নেই, কোথায় কিভাবে তা রাখবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu tips: আয়না ছাড়া ঘর ভাবাই যায় না। বাস্তুশাস্ত্রেও আয়নার (Mirror) গুরুত্ব অপরিসীম। বাস্তু শাস্ত্র (Vastu shastra) অনুযায়ী আয়না ঘরের মধ্যে পজিটিভ এনার্জি বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমনকি আয়না বাড়িতে ধন ও আনন্দের আগমন বহু গুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। আয়নার (Mirror) সাহায্যে বাড়িতে উপস্থিত নেগেটিভ এনার্জি দূর করে সহজেই বাস্তু দোষের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তবে আয়নার আকার এবং কোন দিকে এটি লাগানো হয়েছে তা দেখা জরুরি। ভুল দিকে, ভুল আকারের আয়না লাগালে বিপরীত ফল হতে পারে। আয়না যেমন আপনার মঙ্গল করতে পারে, তেমনই ঘরে ঠিক ভাবে আয়না না রাখলে হতে পারে সর্বনাশ। জেনে নিন কোথায় কীভাবে আয়না (Mirror) রাখবেন।

    বাড়ির যে ঘরটিতে আপনি থাকেন বা অফিসের যে ঘরে বসে কাজ করেন, সব সময় সেই ঘরের উত্তর-পূর্ব দিকে আয়না লাগান। এতে আপনার যেমন শ্রীবৃদ্ধি হবে তেমনি উপার্জনের পথের বাধাও দূর হবে। উত্তর দিকের আয়না আপনার অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটায়। আবার উত্তর, ঈশাণ কোণ এবং পূর্ব দিকে আয়না লাগালে বাড়ির সদস্যদের উন্নতির পাশাপাশি সমাজে ব্যক্তির মান-সম্মান ও যশ বৃদ্ধি পায়।

    আয়না এমনভাবে টাঙাবেন যাতে আয়নায় কোনও শুভ বস্তুর প্রতিবিম্ব প্রতিফলিত হয়। যেমন ধরুন ঠাকুরের আসন বা আপনি যে জিনিসটিকে নিজের জন্য শুভ মনে করেন। এতে আপনারই ভাগ্যের উন্নতি ঘটবে।

    শোওয়ার ঘরে আয়না লাগানো অশুভ। শয়ন কক্ষে আয়না লাগালে দাম্পত্য জীবনে বিশ্বাসের ঘাটতি হয়। পারস্পরিক বিবাদ বাড়ে। স্বামী-স্ত্রীকে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগতে হয়। সারাদিন ক্লান্তি এবং আলস্য অনুভব করতে হতে পারে।

    ড্রেসিং টেবিল রাখা অত্যন্ত জরুরি হলে তা এমন ভাবে রাখা উচিত যাতে ঘুমন্ত ব্যক্তির প্রতিবিম্ব তার ওপর না-পড়ে। ঘুমোতে যাওয়ার আগে একে ঢেকে রাখা যেতে পারে। মনে রাখবেন যেখানে আয়না থাকবে সেখানে যাতে অশুভ প্রভাব বৃদ্ধিকারী বস্তুর প্রতিবিম্ব দেখা না যায়।

    ঘরের চার কোণে কখনোই আয়না আটকাবেন না। এতে আপনার পরিবারে অশান্তি পিছু ছাড়বে না। ঘরের কোনও কোণ সবসময় অন্ধকার হয়ে থাকে? সেখানে চটপট একটা গোলাকার আয়না লাগিয়ে ফেলুন। আয়না ওই স্থানে জমে থাকা সমস্ত নেগেটিভ এনার্জি দূর করে দেবে। শোওয়ার ঘরের খাটের সামনে কোনও আয়না সাজিয়েছেন নাকি? শিগগিরি সরিয়ে ফেলুন। না হলে কোনওদিন দাম্পত্যজীবনে সুখ আসবে না।

    আয়না যত বড়ো আর হালকা হবে ততই ভালো। ঘরে যত খুশি আয়না রাখুন কিন্তু টুকরা টুকরো আয়না এক জায়গায় জড়ো করে টাঙাবেন না। এতে আয়নায় আপনার খণ্ডিত ছায়া পড়বে। যা মোটেই শুভ নয়। বাস্তু মতে, আয়না সব সময় ঢেকে রাখাই ভালো। এর জন্য আয়না-ঢাকা ব্যবহার করতে পারেন। না হলে, আলমারি বা ড্রেসিংটেবলের ভিতরের পাল্লায় আয়না লাগান। যাতে পাল্লা খুললে তবেই আয়না দেখা যাবে।

    বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী শৌচাগারের দরজার ঠিক সামনে আয়না লাগানো উচিত নয়। বাথরুমে প্রবেশ করার সময় পজিটিভ ও নেগেটিভ এনার্জি উভয়ই আমাদের সঙ্গে প্রবেশ করে। ঘুম থেকে ওঠার সময় নেগেটিভ এনার্জির আধিক্য থাকে। তখন বাথরুমের দরজার সামনে আয়না থাকলে সেই নেগেটিভ এনার্জি বাথরুমে প্রবেশ করে এবং আয়নার মাধ্যমে রিফ্লেক্ট হয়ে পুনরায় বাড়িতেই ফিরে আসে। এই প্রভাব দূর করার জন্য এমন ভাবে আয়না লাগান যাতে এর রিফ্লেকশান বাথরুমের বাইরে বেরোতে না-পারে।

    দেওয়ালের অনেক ওপরে বা বেশ খানিকটা নীচে আয়না লাগাবেন না। এতে বাড়ির লোকজন বারে বারে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। মনে রাখবেন, ঘরের আয়নার কাচ যেন কখনোই ঝাপসা, মলিন বা ভাঙাচোরা না হয়। এমন আয়না ব্যবহার করলে আপনার ভিতরে নেগেটিভ এনার্জি তৈরি হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu tips: বাড়িতে আছে অ্যালোভেরা গাছ? এভাবে রাখলে কিন্তু মহা বিপদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu tips: বাস্তুমতে বাড়িতে অ্যালোভেরা গাছ থাকলে তার গুন অনেক। অ্যালোভেরা গাছ ঘরে শুধু প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন এনে দেয় তা নয়, অ্যালোভেরা গাছ নতুন করে জীবনও দান করে। তবে যেখানে সেখানে অ্যালোভেরা গাছ লাগিয়ে দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এই গাছে খুব বেশি যত্ন করতে হয় না। যেখানে হালকা রোদ আসে সেই স্থানে এই গাছ রেখে দিন। মাঝেমধ্যে মাটি শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে দিন। দেখবেন খুব সুন্দর করে বেড়ে উঠবে এই অ্যালোভেরা গাছ।

    বাস্তু মতে, এই গাছ বাড়িতে কোথায় কিভাবে রাখবেন দেখে নিন।

    বাস্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিষ্কার জায়গায় এই গাছ আপনাকে লাগাতে হবে। নোংরা, অপরিষ্কার জায়গায় এই গাছ লাগালে মহা বিপদ হতে পারে।

    ঘরের ভেতরে লাগাতে পারেন অ্যালোভেরা গাছ। একটি পাত্রের মধ্যে অ্যালোভেরা গাছ দিয়ে ঘর সাজালে আপনার মন ভালো থাকবে। ঘরের ভেতরে ভালো অক্সিজেন থাকবে। যার ফলে ঘরে একটা পজিটিভ এনার্জি তৈরি হবে।

    প্রবেশদ্বারের সামনে অ্যালোভেরা গাছ লাগালে সমস্ত পজিটিভ এনার্জি আপনার গৃহে প্রবেশ করবে। নেগেটিভ এনার্জি গৃহ থেকে চলে যাবে।

    বাস্তু বিশেষজ্ঞদের কথায়, আর আপনি যদি আপনার গৃহের উত্তর-পূর্বদিকে অ্যালোভেরা গাছ লাগাতে পারেন তাহলে দেখবেন আপনার জীবন কতটা পাল্টে

    বাস্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি যদি আপনার ঘরে অ্যালোভেরা গাছ লাগান, তাহলে আপনি মানসিক শান্তি পাবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips For Rental House: ভাড়া বাড়িতে থাকতে চলেছেন? বাস্তু নিয়মের দিকে অবশ্যই নজর রাখবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips For Rental House: নিজের একটা বাড়ির স্বপ্ন সকলেই দেখে থাকেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন কারও পূরণ হতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়। তাই তখন একমাত্র উপায় হল ভাড়া বাড়ি। এমনও দেখা যায়, কাজের সূত্রে নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্য শহরে অন্য রাজ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। সে ক্ষেত্রেও চোখ বন্ধ করে আস্থা রাখতে হয় ভাড়াবাড়ির উপরেই। নিজের বাড়ি তৈরি করার সময় যেমন প্রত্যেকটি কোণার সাজসজ্জা বাস্তুশাস্ত্র (Vastu Shastra) মেনে করে থাকেন, তেমনি ভাড়া বাড়ির (Rental House) ক্ষেত্রেও কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা কিন্তু খুব জরুরী।

    কারণ সেই বাড়িটিতে আপনি কয়েক দিন বসবাস করলেও সেটা আপনারই সংসার। কাজেই ওই ভাড়া বাড়িতে যদি কোন রকম বাস্তু দোষ থাকে তাহলে আপনার জীবনে টাকা পয়সা সংক্রান্ত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। কর্মজীবন এবং পারিবারিক জীবন তলানিতে এসে ঠেকতে পারে। আর এইসব ঘটলে মানসিক শান্তি (Mental Peace) বজায় থাকা কখনও সম্ভব নয়। এই কারণে বাড়ি ভাড়া নেওয়ার আগে অবশ্যই কিছু বাস্তু সংক্রান্ত বিষয় মাথায় রাখবেন। আজকের প্রতিবেদনে সেই সংক্রান্ত কিছু বাস্তু টিপস (Vastu Tips) রইল।

    * বাড়ির মূল দরজা : আপনি যেই বাড়ি ভাড়া নিন না কেন তার সদর দরজার অবস্থানে অবশ্যই দেখে নিতে হবে। যদি দেখেন ওই বাড়ির সদর দরজা উত্তর-পূর্ব দিকে কিংবা উত্তর পশ্চিম দিকে রয়েছে তাহলে নির্দ্বিধায় বাড়িটি ভাড়া নিয়ে নিতে পারেন। কারণ উত্তর-পূর্ব দিকে সদর তরজা থাকা খুব শুভ বলে মনে করা হয়।

    * রান্নাঘরের অবস্থান : বাড়ির মধ্যে রান্না ঘরের সঠিক অবস্থান দারুন গুরুত্বপূর্ণ । কারণ ওই রান্নাঘরে দেবী লক্ষ্মী এবং অগ্নিদেবের অস্তিত্ব থাকে, এমনটাই মনে করা হয় হিন্দু শাস্ত্রে। তাই বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী যেই বাড়ির রান্নাঘর উত্তর-পশ্চিম দিকে কিংবা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রয়েছে সেই বাড়ি চোখ বন্ধ করে ভাড়া নেওয়া যায়। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুটি দিকে রান্নাঘর থাকলে সেই সমস্ত বাড়িতে কোন সময় বাস্তু দোষ দেখা দিতে পারে না।

    * বাড়ির মুখ যেদিকে : আপনি যে বাড়িটি ভাড়া নিতে চলেছেন সেই বাড়ির মুখ যদি দক্ষিণ-পশ্চিম , দক্ষিণ-পূর্ব কিংবা দক্ষিণ দিকে থাকে তাহলে সেখানেই থেমে যান। বাস্তুশাস্ত্র বলছে যে সকল বাড়ির মুখগুলি এই তিনটি দিকে থাকে তাকে একেবারেই শুভ বলে গণ্য করা হয় না। এই ধরনের বাড়িতে বসবাস করলে বিভিন্ন বিপদ ঘিরে ধরতে পারে আপনাকে । তাই আগেভাগেই সতর্ক হওয়া ভালো।

    * ব্যালকনির অবস্থান : বাস্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন যেই বাড়ির ব্যালকনি দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে রয়েছে সেই বাড়িতে বাস্তুদোষ দেখা দেয়। তাই এই ধরনের বাড়িতে বসবাসকারীর জীবনে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    * ঠাকুরের অবস্থান : যে সকল বাড়িতে আলাদা করে ঠাকুর ঘর রয়েছে এবং সেই ঠাকুরঘর যদি উত্তর-পূর্ব কোণে থাকে তাহলে ওই বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে একেবারে যথাযোগ্য । তবে বাড়ি পছন্দ হয়েছে কিন্তু ঠাকুর ঘর উত্তর-পূর্ব কোণে নেই এই কারণ দেখিয়ে বাড়ি ভাড়া নেওয়া থেকে পিছিয়ে আসবেন না। সেই ঠাকুর ঘরকে অন্য কাজে ব্যবহার করুন এবং আপনার ঠাকুর রাখুন উত্তর-পূর্ব দিকে । এতেই সমস্যার সমাধান হবে।

    * সিঁড়ির অবস্থান : যাদের পরিবারের লোক সংখ্যা বেশি তাঁরা সাধারণত অনেকগুলি ঘর ভাড়া নেওয়ার জন্য খোঁজেন। সেক্ষেত্রে এমন অনেক ভাড়াটিয়া দেখা যায় যারা দুতলা বাড়ি ভাড়া নেন। তাই তাদেরকে বাড়ির পাশাপাশি সিঁড়ির দিকেও নজর দিতে হবে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী , উত্তর-পূর্ব দিকে সিঁড়ি রাখা উচিত নয়। এই কোণে যদি বাড়িতে সিঁড়ি থাকে তাহলে নেগেটিভ এনার্জির আগমন বাড়তে থাকে। যা নানান বিপদ ডেকে আনতে পারে সেই বাড়িতে বসবাসকারীর জীবনে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখিত প্রত্যেকটি তথ্য কেবলমাত্র সাধারণ জ্ঞানের জন্য। কোন বাড়ি ভাড়া নেওয়ার আগে যদি বাস্তু দোষ আছে কিনা দেখে নিতে চান তাহলে অবশ্যই বাস্তু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। তাদের দেওয়া পরামর্শ মেনেই ভাড়া নিন বাড়ি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu tips: বাড়িতে নিত্য অশান্তি? শান্তি ফেরাতে বাড়িতে শঙ্খ রাখুন এই দিকে

    ।।প্রথম কলকাতা।।

    Vastu tips: শঙ্খ ছাড়া বাঙালি বাড়ি ভাবা যায় না। এখনো অনেক বাড়িতে তুলসী মঞ্চে সন্ধেবেলার শঙ্খধ্বনি না পড়লে সান্ধ্য আয়োজন শুরুই হয়না! শঙ্খধ্বনি না হল সেই পুজো পূর্ণতা পায়না।বলা হয়, ভগবান শ্রীবিষ্ণুর প্রতীক হল শঙ্খ(conch shell)। শঙ্খধ্বনিতে বিষ্ণু,শ্রীকৃষ্ণ বিশ্বের নানান বিবাদ দূর করে দিয়েছেন। ফলে সেই মত অনুযায়ী, বাড়িতেও শঙ্খ রাখলে ও তা বাজালে বিভিন্ন বিপদ দূর হতে পারে। তবে বাস্তুশাস্ত্র মতে বাড়ির নির্দিষ্ট দিকে শঙ্খ রাখলে তা সুফল বয়ে আনে।

    বাড়িতে অন্তত ২টি শাঁখ রাখবেন। এই দুটি শাঁখ পরস্পরের থেকে আলাদা রাখবেন।যে শাঁখ বাজানো হয় তা জল(water) দিয়ে পুজোর কাজে ব্যবহার করা যাবে না। এই ধরনের শাঁখ হলুদ কাপড়ের ওপর রাখা উচিত।যে শাঁখটিকে বাজানো হয় তার থেকে পুজোর কাজে ব্যবহৃত শাঁখটিকে কিছু ওপরে স্থাপন করতে হবে। একই কাজে ব্যবহৃত দুটি শঙ্খ কখনোই এক ঘরে রাখবেন না।

    জলশঙ্খ নিয়মিত গঙ্গাজল দিয়ে পরিষ্কার করে সাদা( white)কাপড়ে মুড়ে রাখতে হবে।শাঁখ কখনোই শিবলিঙ্গের চেয়ে উঁচুতে রাখবেন না। পুজোর সময় শাঁখের সঙ্গে শিবলিঙ্গের যেন স্পর্শ না হয়।মহাদেব বা সূর্যদেবের পুজোয় শাঁখ দিয়ে জল অর্পণ করবেন না। অশান্তি দূর করতে হলে শঙ্খ রেখে দিন উত্তর পশ্চিম দিকে। সংসারের সমস্ত জটিলতা কেটে যেতে পারে এই দিকে শঙ্খ রাখলে।

    শঙ্খ যেন মাটিতে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভাঙা বা ফাটল ধরা শঙ্খ গৃহস্থের পক্ষে অমঙ্গলজনক। অনেকেই দক্ষিণাবর্ত শঙ্খকে লক্ষ্মী শঙ্খ বলেন। বাস্তুশাস্ত্র মতে, দক্ষিণাবর্ত শঙ্খের ডান দিক খোলা থাকে। মনে করা হয় ধনলক্ষ্মী শাঁখে ফুঁ দিলে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, তা অশুভ শক্তিকে দূর করে। তাই হিন্দুধর্মের সকল পুজা-অর্চনায় শাঁখ বাজানো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে বিবেচিত।এই শঙ্খকে বেদীতে রেখে রোজ একটি সাদা ফুল দিয়ে পুজো করুন। এতে সংসারে অর্থের অভাব হয়না ও অর্থাগম হয় বলে বিশ্বাস। যে শঙ্খ মুক্তার মতো উজ্জ্বল ও তা দুর্লভ তাকে বলা হয় মোতি শঙ্খ। এই শঙ্খ গৃহস্থে থাকলে আসে সমৃদ্ধি। আসে মানসিক শান্তি। সমস্ত কাজে মেলে সাফল্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu tips: বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকছে? শান্তি ফেরাতে এগুলি মেনে চলুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu tips: ঝামেলা, অশান্তি বাড়িতে লেগেই থাকে অনেক সময়। কি করে শান্তি ফিরবে তা ভেবে অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন। বাস্তুশাস্ত্র মেনে চললে তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বাড়িতে নিয়মিত ঝগড়া অশান্তি লেগে থাকলে বাড়ির মূল দরজায় গণেশের সাদা মূর্তি রাখুন। এতে ঘরের নেগেটিক এনার্জি (Negative energy) দূর হবে।

    বাড়িতে কোনও অশুভ শক্তির ছায়া থাকলে প্রতিদিন ঘরে ঠাকুর পুজো দেওয়ার আগে গঙ্গাজল ও গরুর দুধ (cow milk) মিশিয়ে তার ছিটা দিন। এতে ঘরের বাস্তু উন্নত হয়।

    মাটির প্রদীপ তৈরি করে তাতে তেল দিয় প্রতিদিন সন্ধেবেলায় বাড়ির মূল দরজার সামনে জ্বালান। এতে অনেক উপকার পাবেন।

    সকালে পুজোর সময় ইষ্ট দেবতাকে স্মরণ করে যাবতীয় সমস্যার কথা জানিয়ে একটি বা দুটি নারকেলের ছোবড়া কালো সুতো জড়িয়ে পুজোর স্থানে রেখে দিন। সন্ধ্যেবেলা তা পুড়িয়ে দিন। টানা ৯ দিন এই টোটকা মেনে চললে উপকার পাবেন।

    বাড়িতে তুলসী (tulsi) গাছ লাগান। সকাল সন্ধে তার পুজো করুন।গাছের যত্নও নিন। নিয়মিত তার সামনে প্রদীপ জ্বালান উপকার পাবেন।

    বাস্তু (Vastu) অনুসারে, বাড়ির মন্দিরে দেবতার ছবি বা মূর্তি কখনই মুখোমুখি রাখা উচিত নয়। এটি করলে বাড়ির সদস্যদের মধ্যে বিভেদ বাড়ে। সেই সঙ্গে দেবতার একাধিক ছবি রাখা উচিত নয়। এটা করলে চরম অশান্তির সম্ভাবনা থাকে।

    মঙ্গলবার হনুমানজির সামনে পঞ্চমুখী প্রদীপ জ্বালান। ঘরে ইতিবাচক শক্তি আসবে।

    বাস্তু মতে বাড়িতে ফিউজ বাল্ব (bulb) জমিয়ে রেখে দেওয়া অশুভ বলে মনে করা হয়। ঘরের কোণে অন্ধকার থাকাও অশুভ। খারাপ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ঘরে রাখলে ঘরে উত্তেজনা বাড়তে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu tips: সৌন্দর্য বাড়াতে বাড়িতে রং করবেন? সুখ শান্তির জন্য এই নিয়ম মেনে চলুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu tips: ভাবছেন সৌন্দর্য বাড়াতে বাড়িতে রং করবেন। তবে কি রং করবেন সেটা এখনো ভেবে উঠতে পারছেন না। বাড়ির রং শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, ইতিবাচক শক্তিও দেয়। বাস্তুশাস্ত্র মতে, ঠিক রং নির্বাচন যেমন বাড়িতে শান্তি সুখ সমৃদ্ধি এনে দেয়, তেমনই ভুল রঙ নির্বাচনের খারাপ দিকও অনেক আছে। সব মিলিয়ে বাড়ির ঘরের দেওয়ালে করা রং গৃহস্থকেও প্রভাবিত করে। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, বাড়ি তৈরির পরে সঠিক রং করে সাজাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাস্তু অনুসারে রং বেছে নিলে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধির পাশাপাশি ইতিবাচক অনেক প্রভাব পড়ে।

    বাস্তুমতে, ঘরে রং করার জন্য অপেক্ষাকৃত হালকা রং বেছে নিতে হবে। আকাশি, হালকা সবুজ ও সাদা রং ঘরের বাস্তু দোষ দূর করে। বাড়ির বাইরের দেওয়ালে সাদা, হালকা হলুদ এবং ক্রিম রঙ ব্যবহার করা উচিত।বেডরুমে গোলাপি, আকাশী বা হালকা সবুজ রং করা উচিত। এতে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায়। সম্পর্কের মাধুর্য আনতেও এগুলোকে শুভ বলে মনে করা হয়।

    স্টাডি রুমে সবসময় হালকা রং বেছে নেওয়া উচিত। এতে মানসিক একাগ্রতা বাড়ে।বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, বাড়ির মন্দিরের দেওয়ালে হলুদ, সবুজ বা হালকা গোলাপি রঙ শুভ বলে মনে করা হয়। তবে মনে রাখবেন মন্দিরের সব দেয়ালের রং যেন একই রকম হয়।

    বাস্তু মতে, খাবার ঘরে আকাশি, হালকা সবুজ ও গোলাপি রং থাকলে ভালো। টয়লেট ও ​​বাথরুমে সাদা বা হালকা নীল রং থাকা ভালো বলে মনে করা হয়। কমলা এবং আকাশী রং রান্নাঘরের জন্য শুভ বলে মনে করা হয়।বাড়ির সব ঘরের ছাদ সাদা রং করতে হবে। এতে সংসারে মঙ্গল হবে। সেই সঙ্গে সংসারেও সুখ বজায় থাকবে। বাড়িতে করা সঠিক রং-ই সংসারে শান্তির বাতাবরণ বজায় রাখে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips : সর্বদা বজায় থাকবে মা লক্ষ্মীর কৃপাদৃষ্টি, এই গাছগুলি বাড়িতে রেখেছেন তো?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips : প্রতিটি গৃহস্থ বাড়িতেই ধন সম্পদের দেবী মা লক্ষ্মীকে সন্তুষ্ট করার জন্য সারা বছর ধরে কোনো না কোনো আচার নিয়ম পুজো চলতেই থাকে। অবশ্য সকলেই চান যাতে দেবে লক্ষ্মীর আশীর্বাদে পরিপূর্ণ হয়ে উঠুক তাদের পরিবার। প্রতিটি মানুষের মনে অন্তত একবারের জন্যও এই ভাবনার উদয় হয়েছে যে, দেবী লক্ষ্মী যেন তাদের বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। যার কারণে প্রতি বৃহস্পতিবার বিশেষভাবে লক্ষ্মী দেবীর পুজো করা হয়। এছাড়াও সারা বছর ধরে কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো সহ আরও বিভিন্ন দিনে লক্ষ্মী পুজো করে থাকেন ভক্তবৃন্দ।

    তবে শাস্ত্র বলছে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখলে ধনদেবী তুষ্ট হন ভক্তের উপর। দেবীর কৃপা দৃষ্টি সর্বদা বজায় থাকে তাদের উপর। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, আপনার বাড়িতে যদি কয়েকটি বিশেষ গাছ থাকে তবে দেবী লক্ষ্মীর আশীর্বাদে আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভ করতে পারবেন আপনিও। কোন কোন গাছ বাড়িতে থাকলে আকৃষ্ট হন মা লক্ষ্মী ? জেনে নিন বাড়িতে কোন কোন গাছ লাগানো খুবই শুভ বলে মনে করা হয় বাস্তুশাস্ত্রে।

    * শিউলি গাছ : শিউলি ফুলের যে মনমোহক সুগন্ধটি রয়েছে তাতে যে কোন মানুষের মন ভালো হয়ে যেতে বাধ্য। এই সুগন্ধ কিন্তু শুধু সাধারণ মানুষ নয়, মা লক্ষ্মীরও ভীষণ পছন্দের। তাই বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী যেই বাড়িতে শিউলি গাছ রয়েছে সেই বাড়িতে বসবাস করেন মা লক্ষ্মী। এছাড়াও শিউলি ফুলের গাছ বাড়িতে থাকলে ইতিবাচক শক্তির আগমন বাড়ে বাড়িতে। পরিবারে সর্বদা বজায় থাকে শান্তির পরিবেশ।

    শিউলি গাছ বাড়ির যে কোন জায়গায় যে কোন দিন লাগালে হিতে বিপরীত হতে পারে । তাই বাস্তুশাস্ত্র মতে শুধুমাত্র সোমবার এবং বৃহস্পতিবার বাড়িতে শিউলি গাছ লাগানো অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। তবে নিজের ইচ্ছেমতো বাড়ির যেখানে সেখানে এই গাছ আপনি লাগাতে পারবেন না। শিউলি গাছ লাগানোর জন্য বাড়ির উত্তর বা পূর্ব দিকের কোন জায়গা বেছে নিন । এতে সুফল মিলবে , এমনটাই পরামর্শ দিচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র।

    * ক্রাসুলা গাছ : অনেকের বাড়িতেই রয়েছে জেড ট্রি বা লাকি ট্রি। এই গাছটিকে ক্রাশুলা গাছ বলা হয়ে থাকে। অধিকাংশ মানুষই হয়তো জানবেন না যে বাড়িতে ক্রাসুলা গাছ শুধুমাত্র ঘর সাজানোর জন্য নয়, অর্থাভাব দূর করতেও ভীষণভাবে উপযোগী। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, এই গাছ যদি আপনার বাড়িতে থাকে তবে অর্থ লাভের পথ সুগম হয়। ইতিবাচক শক্তি প্রভাব বিস্তার করবে আপনার বাড়িতে। প্রসন্ন থাকবে বাড়ির সদস্যদের মন।

    * লক্ষ্মণা গাছ : বাস্তুশাস্ত্রে লক্ষ্মী দেবীর পছন্দের গাছ হিসেবে লক্ষ্মণা গাছের উল্লেখ রয়েছে। এই গাছটির পাতা গুলি দেখতে অনেকটা পান পাতা কিংবা অশ্বত্থ পাতার মতো হয়। বাস্তুশাস্ত্রমতে যেই বাড়িতে লক্ষ্মণা গাছ থাকে সেই বাড়িতে বসত করেন লক্ষ্মী। তাঁর আশীর্বাদ সবসময় বজায় থাকে পরিবারের সদস্যদের উপরে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips: যাত্রাপথে চোখে পড়ছে এই জিনিসগুলি! যে কোন কাজে সাফল্য নিশ্চিত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips: শুভ-অশুভ সঙ্কেত সম্পর্কে অনেকের মনেই বহু প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে। বেশ কিছু প্রাকৃতিক জিনিসকে শুভ বলে মনে করেন অনেকে। আবার বেশ কিছু প্রাকৃতিক জিনিসকে অশুভ বলেও মনে করা হয়। কোন কাজে যাওয়ার আগে স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যেকে চাইবেন তাঁর দিনের শুরুটা যেন ভাল হয়। প্রতিযোগিতার বাজারে সাফল্য নিজে থেকে আসে না। রীতিমত সাফল্য ছিনিয়ে আনতে হয়। সেই জায়গায় আপনার কর্মস্থলে যাওয়ার পথে কিংবা বাড়ি থেকে বেরোনোর পর এমন কিছু দৃশ্য যা আপনি শুভ বলে মনে করেন তা দেখতে পেলে অন্ততপক্ষে মন ভালো হয়ে ওঠে।

    তবে আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই রয়েছেন যারা কোনটা শুভ সঙ্কেত এবং কোনটা অশুভ সঙ্কেত তা সঠিকভাবে বুঝতে পারেন না। এমন বহু প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে শুভ-অশুভকে নিয়ে। তাই আপনার যাত্রা পথে কোন কোন দৃশ্য চোখে পড়লে সেগুলিকে শুভ সঙ্কেত বলে ধরে নেবেন তা জানানো হল এই প্রতিবেদনে। দিনের শুরুতে শুভ সঙ্কেতের দর্শন হয়তো আপনার দিনটিকেও সাফল্যমণ্ডিত করতে পারে।

    জেনে নিন কিছু বহুল প্রচলিত শুভ সঙ্কেত :

    * একদম সকালে যদি কোন সাধু কিংবা ভিক্ষুক আপনার বাড়ির দরজায় আসে তবে তা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। মনে রাখবেন কখনই তাদেরকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না। আপনার সামর্থ্যমত যতটুকু তাদের দান করবেন সেই কর্মফলে আপনার আটকে থাকা বহু সমস্যার সমাধান হতে পারে। সাফল্য আসতে পারে ব্যবসা এবং কর্মক্ষেত্রে।

    * বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় কিংবা বেরোনোর পর চোখের সামনে যদি গোদুগ্ধ দেখতে পান তাহলে বুঝবেন আপনার দিনটি বেশ ভালোই যেতে চলেছে।

    * যাত্রাপথে কোন মৃতদেহ দর্শন। মৃত্যু কখনই সুখবর হতে পারে না কিন্তু প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী শ্মশানের উদ্দেশ্যে কোন মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন দৃশ্য দেখা অত্যন্ত শুভ।

    * রাস্তায় যদি কখনও দেখেন পাখিরা ভাগ করে খাবার খাচ্ছে, তাহলে বুঝবেন সেদিন যে কাজ নিয়ে আপনি বেরিয়েছেন তা সফল হবেই।

    * বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় জল ভর্তি পাত্র দেখা সৌভাগ্যের সঙ্কেত নিয়ে আসে।

    * সকালের দিকে গুড় দর্শন এবং মধু দর্শন যে কোন মানুষের জন্য সুখবর নিয়ে আসতে পারে।

    * আপনি কোন শুভ কাজে বেরোনোর জন্য তৈরি আর সেই সময় আপনার কানে আসল মন্দিরের ঘন্টার শব্দ। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, একপ্রকার ভগবানের আশীর্বাদ মেলে এইভাবে।

    * সকালের দিকে আপনি কোন কাজে বেরোচ্ছেন এবং সেই সময় আপনার বাগানের ফুল ফুটল। আর তা চোখে পড়ল আপনার। এই দৃশ্য অত্যন্ত পবিত্র।

    উপরে উল্লেখিত সমস্ত শুভ সঙ্কেত গুলি বহুদিন ধরে বিশ্বাস করে আসছেন মানুষ। এই প্রচলিত বিশ্বাস বা তথ্য নিশ্চিত করে না প্রথম কলকাতা। এই ধরনের তথ্য কিংবা বিশ্বাস মানতে হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ জরুরী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips: শুধু মানিপ্ল্যান্ট নয়, অর্থকষ্ট দূর করতে পারে দূর্বাও! তালিকায় আছে আর কী?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips: প্রত্যেকেই চাইবেন যাতে নিজের বাড়িতে সব সময় সুখ শান্তি বজায় থাকুক। অর্থের অভাব যেন দেখা না দেয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী আমরা প্রায় সকলেই জানি বাড়িতে মানিপ্ল্যান্ট থাকলে সেখানে কখনও অর্থের অভাব দেখা দেয় না। অর্থকষ্টে ভুগতে হয় না সেই পরিবারের সদস্যদের। ভারতীয় বাস্তুশাস্ত্র এমনটাই বলে। তবে জানেন কি ফেং শুই (চিনা ভূ-শাস্ত্র বা বাস্তুশাস্ত্র) অনুসারে আরও পাঁচটি গাছ রয়েছে যারা মানিপ্ল্যান্ট এর থেকেও বেশি শুভ। অর্থাৎ সেই পাঁচটি গাছ কোন গৃহস্থ বাড়িতে থাকলে সমস্যা থাকবে বাড়ির বাইরে । অর্থনৈতিক দিক থেকে ফুলেফেঁপে উঠবেন তাঁরা।

    * কী সেই পাঁচটি গাছ ? বিস্তারিত তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে

    ১) দূর্বা ঘাস : দূর্বা ঘাস আমরা সবাই চিনি। পুজোতেও এই দূর্বা ঘাস ব্যবহার করা হয় । কিন্তু জানেন কি বাড়িতে দূর্বা ঘাস লাগালে তার কী কী উপকারিতা পাবেন আপনি? বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে বাড়ির বাগানে কিংবা বারান্দায় যদি দূর্বা ঘাস লাগানো যায়, তবে সেই বাড়িতে অর্থ এবং খাদ্যের ভান্ডার কখনও সম্পূর্ণ শেষ হয় না। এমনকি মনে করা হয় বাড়ির সামনে যদি দূর্বা ঘাস লাগানো সন্তান লাভের জন্য অত্যন্ত শুভ। আপনার বাড়িতে সব সময় বিরাজ করবে সুখময় পরিবেশ।

    ২) শ্বেত আকন্দ : ভারতীয়দের কাছে আকন্দ গাছ ভীষণভাবে পরিচিত। আকন্দ ফুল শিব পুজোয় প্রয়োজন হয়। নিশ্চয়ই দেখে থাকবেন আকন্দের পাতা কিংবা ডাল ভাঙলে সাদা দুধের মতো তরল পদার্থ বের হতে থাকে। এই গাছটিকে কিন্তু গণেশের প্রতীক বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্রে বলে, শ্বেত আকন্দ গাছ আপনার বাড়িতে থাকলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে। ব্যবসায় হবে অগ্রগতি। এছাড়াও বাড়িতে সব সময় সুখ স্বাচ্ছন্দ্য শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) কাঠ করবী : এই গাছটি মূলত তিনটি প্রজাতির হয়। সাদা, লাল এবং হলুদ ফুল আসে তিন ধরনের গাছে। তবে কাঠ করবীর ওই সাদা ফুল দেবী লক্ষ্মীর অত্যন্ত পছন্দের। কথিত রয়েছে, যে বাড়িতে কাঠ করবি ফুলের সুগন্ধ ছড়িয়ে থাকে সেই বাড়ির দুঃখ-দরিদ্র দূর করেন দেবী লক্ষ্মী। ওই পরিবারের উপর মা লক্ষ্মীর কৃপাদৃষ্টি সর্বদা বজায় থাকে।

    ৪) তুলসী গাছ : বহু প্রাচীন কাল থেকেই প্রত্যেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের বাড়িতে তুলসী গাছ দেখতে পাওয়া যায় । এই তুলসী গাছকে একপ্রকার দেবী লক্ষ্মীর রূপ হিসেবেই পুজো করা হয় । প্রচলিত রয়েছে যেই বাড়িতে তুলসী অর্থাৎ দেবী লক্ষ্মীর অবস্থান থাকে সেখানে ভগবান বিষ্ণুর কৃপা দৃষ্টি সব সময় থাকে। বাড়িতে তুলসী গাছ থাকলে যেমন সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে ঠিক তেমন সম্পদের ভাণ্ডার কখনও ফুরায় না।

    ৫) জেড প্লান্ট : বহু ভারতীয় বাড়িতেই আপনি জেড প্ল্যান্ট দেখতে পাবেন। হয়তো অনেকেই এই গাছের নাম জানেন না কিন্তু কম বেশি চেনেন সকলেই। ছোট গুল্ম জাতীয় গাছ, পাতাগুলি গোল এবং মোটা মোটা। এই গাছটি বেশিরভাগ ভারতীয় বাড়িতে ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে রেখে থাকেন। তবে ফেং শুইতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, এই গাছের রয়েছে অলৌকিক শক্তি। যা অর্থ আকর্ষণ করতে পারে। এছাড়াও ঘরের মধ্যে থাকার নেগেটিভিটিকে দূর করার মত শক্তি রয়েছে এই ছোট্ট গাছটির।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version