Tag: Vastu Tips

  • গণেশ পুজোর দিন বাড়িতে সিদ্ধিদাতার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করবেন? তাহলে মূর্তি কেনার আগে এই বিষয়গুলি অবশ্যই জেনে নিন

    গণেশ পুজোর দিন বাড়িতে সিদ্ধিদাতার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করবেন? তাহলে মূর্তি কেনার আগে এই বিষয়গুলি অবশ্যই জেনে নিন

    Ganesh Idol Vastu: গণেশ চতুর্থীতে বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও বাস্তুমতের কিছু বিষয় গুরুত্ব পায়। শুঁড়ের দিক, মূর্তির ভঙ্গি এবং গণেশের অবস্থান—কোন কোন বিষয়কে শুভ বলে মনে করা হয়, তা জানুন এই প্রতিবেদনে। লিখেছেন সোমা মাইতি

    বাজারে নানা রকমের গণেশমূর্তি পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তুমতে, বাড়ির পুজোর জন্য সব ধরনের মূর্তি সমানভাবে শুভ বলে মনে করা হয় না। গণেশের শুঁড় কোন দিকে বাঁকানো, তিনি বসে আছেন নাকি দাঁড়িয়ে—মূর্তি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার ধুমধাম করে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী। এই দিন বহু বাড়িতে সিদ্ধিদাতা গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। তবে মূর্তি স্থাপনের আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সঠিক গণেশমূর্তি নির্বাচন করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন অনেকে।

    বাড়ির মন্দিরের জন্য সাধারণত বাঁ দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশমূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই ধরনের গণেশের সঙ্গে চন্দ্র নাড়ির সম্পর্ক রয়েছে। যোগশাস্ত্র ও তন্ত্রসাধনার ধারণায় চন্দ্র নাড়ি শরীরের একটি প্রধান সূক্ষ্ম শক্তিপ্রবাহ এবং মানসিক শক্তির সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, বামমুখী গণেশ পরিবারে শান্তি, ভালোবাসা ও সমৃদ্ধির পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক। এই ধরনের গণেশমূর্তির পুজোর নিয়মও তুলনামূলকভাবে সহজ বলে প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে। গৃহস্থ বাড়ির দৈনন্দিন ব্যস্ততার মধ্যে পুজোয় কোনও ছোটখাটো ভুল হলে তা বড় দোষ হিসেবে গণ্য হয় না বলেও অনেকে মনে করেন।

    ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, তাঁর সঙ্গে সূর্য নাড়ির সম্পর্ক রয়েছে। সূর্য নাড়িকে সক্রিয়তা, উষ্ণতা ও প্রাণশক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। এই ধরনের গণেশমূর্তিকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী রূপ বলে মনে করা হয়। তাই দক্ষিণমুখী গণেশমূর্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পুজোর নিয়ম, শুদ্ধতা এবং নির্দিষ্ট মন্ত্রপাঠের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে বিশ্বাস। এই কারণেই বাড়ির সাধারণ পুজোর পরিবর্তে মন্দিরে এই ধরনের গণেশমূর্তি প্রতিষ্ঠার প্রচলন বেশি দেখা যায়।

    বসে থাকা গণেশমূর্তি কি শুভ?

    শুধু শুঁড়ের দিক নয়, গণেশমূর্তির ভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুমতে, বাড়ির জন্য সাধারণত বসে থাকা গণেশমূর্তি শুভ। বিশেষ করে আশীর্বাদ করছেন এমন ভঙ্গির গণেশ পরিবারে স্থিরতা, শান্তি ও ইতিবাচকতার প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।অন্যদিকে, দাঁড়ানো গণেশমূর্তি দোকান, অফিস বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য বেশি উপযুক্ত বলে অনেকে মনে করেন।

    গণেশমূর্তি কেনার সময় তাঁর হাতে মোদক বা লাড্ডু রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নিতে পারেন। গণেশের হাতে থাকা মোদককে শুভ ফল, আনন্দ ও সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। পাশাপাশি মূর্তির পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুর রয়েছে কি না, তাও দেখে নেওয়া উচিত। গণেশের বাহন তাঁর মূর্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে বিবেচিত হয়। গণেশমূর্তি কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির মধ্যে একটি হল মূর্তিটি সম্পূর্ণ ও অক্ষত কি না দেখা। মূর্তির চারদিক ভালো করে দেখে নিন। কোথাও ফাটল, ভাঙা অংশ বা কোনও ধরনের ক্ষতি রয়েছে কি না পরীক্ষা করে তবেই মূর্তি কিনুন।

    #ganeshidolvastu #ganeshchaturthi #ganeshidol #lordganesha #ganeshapuja #ganeshchaturthi2026 #vastutips #ganeshpujaathome #vastushastra #ganeshaidolselection #hindufestival #ganeshpujarituals #homepuja

  • Vastu Tips: দরজার কোণে খাটের নিচে কোথায় রাখেন ঝাঁটা ? ছোট্ট ভুলেই ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে টাকা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Vastu Tips: বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, কোনও জিনিস কী ভাবে কোথায় রাখা হচ্ছে, তার উপরে আমাদের সংসারের সার্বিক শান্তির অনেকটাই নির্ভর করে থাকে। সেই মতোই বাড়িতে ঝাড়ু রাখারও নির্দিষ্ট দিক ও নিয়ম রয়েছে। নির্দিষ্ট দিকে ঝাড়ু রাখলে সংসারে অর্থাগম হয়। অন্যদিকে, ভুল জায়গায় ঝাড়ু রাখলে অর্থ শূন্য হয়ে যায় মানুষ। প্রতিটি গৃহস্থ বাড়িতেই ঝাড়ু থাকে।

     

    খুব স্বাভাবিকভাবেই এই সমস্ত ঝাড়ুর বিষয়ে আমরা বিশেষ নজর দিই না। কোথায় রাখছি, কী ভাবে রাখছি, কখন ব্যবহার করছি, এ বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখা হয় না। তবে, বাস্তু বিশারদেরা জানাচ্ছেন, এই সমস্ত বিষয়ই একটি সুখী ও সমৃদ্ধশীল গৃহস্থ পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মীয় বিশ্বাস যদি বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে কিছু নিয়ম অনুসরণ না করা হয়, তবে একজনকে তার পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে বাড়ির কোন দিকে ঝাড়ু ও মপ রাখা উচিত?

     

    প্রকৃতপক্ষে, হিন্দু ধর্মে, তার সঠিক উপায় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যেমন, ঝাড়ু ও মপ সঠিক দিকে না রাখলে ঘর থেকে শান্তি নষ্ট হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, জেনে নেওয়া যাক বাড়ির কোন দিকে এবং কেন ঝাড়ু ও মপ রাখা উচিত। হিন্দু ধর্মে ঝাড়ুর গুরুত্ব অপরিসীম। আসলে, ঝাড়ু কেবল ঘর পরিষ্কার করে না, এটি নেতিবাচকতা দূর করতে এবং সুখ ও সমৃদ্ধি আনতেও কাজ করে। ঝাড়ু রাখার মূল নিয়ম যদি না মানা হয়, তাহলে এটা এক ধরনের ঝামেলার আমন্ত্রণ। শুধু তাই নয়, এর ফলে বাড়ির সমস্ত সমৃদ্ধিও নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং ব্যক্তিকে দারিদ্র্যের সম্মুখীন হতে হতে পারে।

     

    ঝাড়ু হল দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক- হিন্দু ধর্মে ঝাড়ুকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই ধনতেরাসের সময় প্রতিটি হিন্দু বাড়িতে একটি নতুন ঝাড়ু আনার ব্যবস্থা রয়েছে। এর কারণ হল দেবী লক্ষ্মী ঝাড়ুতে বাস করেন বলে মনে করা হয়। এই কারণেই একটি বিশ্বাস রয়েছে যে ঝাড়ুতে পা রাখা উচিত নয় এবং এমনকি যদি কেউ এটির উপর পা রাখে তবে অবিলম্বে ঝাড়ুর কাছে প্রণাম করা উচিত এবং তার ক্ষমা চাওয়া উচিত। ছাড়া ঝাড়ু কখনওই উল্টো বা উল্লম্ব অবস্থায় রাখা উচিত নয়।

     

    ঝাড়ু সবসময় শুইয়ে রাখুন। না হলে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হতে পারেন। যদিও কখনও সূর্যাস্তের পর ঘরে ঝাড়ু দেন তাহলে সেই আবর্জনা কখনোই রাতে বা সন্ধ্যেবেলা বাইরে ফেলবেন না। সেটা পরের দিন সকাল বেলা বাইরে ফেলবেন। বাস্তুশাস্ত্র মতে, সূর্যোদয়ের পর ঘরে ঝাড়ু দিলে মা লক্ষ্মী প্রসন্ন হন। সূর্যাস্তের পরে যদি ঝাড়ু দেওয়া হয় তাহলে মা লক্ষ্মী রাগ করেন। আপনার আর্থিক অভাব মুছবে, ঘরে আসবে টাকা।

    https://fb.watch/sPBeDHpnIa/

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Relationship Tips: বরের সাথে রোজ ঝগড়া ? এগুলো ফলো করুন, সংসারে শান্তি আসবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Relationship Tips: সংসারে নিত্য ঝগড়া-অশান্তি, বরের সাথে ঝামেলা লেগেই আছে? আপনাকে সারাক্ষণ ভুল বোঝে। চেষ্টা করেও ফেরাতে পারছেন না সংসারের হাল? এই ভুলগুলো করছেন না তো? ভাবছেন তো, এত চেষ্টা করেও লাভ হচ্ছে না! তাহলে এবার উপায়টা কী? কী করলে স্বামী, সংসার সব থাকবে আপনার হাতের মুঠোয়?

     

    মঙ্গলবার দিন হনুমানজির ছবির সামনে একটি তেলের প্রদীপ জ্বালান। এতে পরিবারের ওপর থেকে কু-নজর কেটে যায়। সংসারে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে যদি ঝগড়া চরম আকার নেয়, তাহলে একজোড়া লাভ বার্ডের ছবি বা মূর্তি বেডরুমে রাখুন। খাটের পাশের টেবিলে লাভ বার্ড রাখতে পারেন। বাস্তু অনুসারে বেডরুমে লাভবার্ড রাখা অত্যন্ত শুভ। কাঁচ, পোর্সেলিন বা টেরাকোটার তৈরি লাভ বার্ড রাখতে পারেন। এর ফলে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা বাড়বে এবং তাঁর একে অন্যের খেয়াল রাখা শুরু করবেন।

     

    আপনার সঙ্গী কী বলছেন, সেই কথাগুলি মন দিয়ে শুনুন। তাঁর দুটো কথা শুনেই নিজের মতামত দিতে শুরু করবেন না। এতে আপনাদের মধ্যে সমস্যা বাড়বে বৈ কমবে না।
    আমরা সবাই নিজের কথা বলতে ভালোবাসি, কিন্তু বিপরীতের মানুষটির বক্তব্য শোনার কোনও ইচ্ছেই আমাদের মধ্য়ে থাকে না। তাই ঝগড়া-অশান্তিও বাড়ে। এবার থেকে শোনার অভ্যাসও গড়ে তুলুন। সঙ্গীর কথাগুলো মন দিয়ে শুনুন।

     

    এদিকে বাস্তু বলছে বাড়ির উত্তর-পশ্চিম দিকে অধিপতি হল চন্দ্র। এই দিকে বাস্তুদোষ থাকলে বাড়ির সদস্যদের মন কোনও না কোনও কারণে দুঃখে ভরে থাকে। বিয়েতে বাধা দেখা দেয়। প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝামেলা বাধে। অনেক বাড়িতেই খাটের নীচে বাতিল ও অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঢুকিয়ে রাখা হয়। বাতিল ও অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র
    বাড়িতে অকারণ জমিয়ে না রেখে ফেলে দিন বা কাউকে দিয়ে দিন। খাটের নীচের বেকার সামগ্রী জমিয়ে রাখলে তা আপনাদের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

     

    নিজের মতামত সঙ্গীর উপর চাপিয়ে দেবেন না। তিনিও একজন প্রাপ্তবয়স্ক স্বতন্ত্র মানুষ, তাঁর অবশ্য়ই নিজস্ব কিছু মতামত রয়েছে। আর সেই মতামতকে সম্মান করার দায়িত্ব আপনার।তাই এবার থেকে নিজের মতামত চাপিয়ে না দিয়ে তাঁর মতকে সম্মান করুন। দেখবেন, ঝগড়া অনেকটাই কমে গিয়েছে।

     

    https://fb.watch/sGtnMnJwZp/

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

     

     

  • Bajrangbali photo: জানেন বাড়ির কোন দিকে রাখবেন বজরংবলীর ছবি? না মানলে বড় বিপদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Bajrangbali photo: জানেন বাড়ির কোন দিকে রাখবেন বজরংবলীর ছবি? যেখানে সেখানে রাখলে আপনার জীবনে সর্বনাশ নেমে আসতে পারে। বজরংবলীকে ঘরে রাখতে চাইলে মানতে হবে বিশেষ কিছু নিয়ম। মূর্তি থাকলে ঘরের এই দিকে রাখুন। বাড়িতে ছবি রাখা ঠিক না ভুল ?ছোট ছোট ঘটনা ভুল করতে করতেই বড় বিপদ হয়ে যাবে। বজরংবলীকে তুষ্ট করা সহজ কথা নয়। আপনার সুখের দিন আসবে যদি এই নিয়মগুলো মেনে চলেন।

     

    দিন ভীষণ খারাপ যাচ্ছে? ব্যবসায় লাভের মুখ দেখছেন না? বজরংবলীর মূর্তি ভুলেও বাড়ির বেডরুমে রাখবেন না। যে ঘরে শোবেন, সেই ঘরে যেন এই দেবমূর্তি না রাখা হয়।
    এতে বহু বাস্তুদোষ তৈরি হয়। প্রবেশদ্বারের ওপর ছবি লাগাতে পারেন। এ ছাড়া এমন জায়গায় এই ছবি লাগাতে পারেন যেখানে সকলের নজর পড়ে। এমন করলে পরিবারে কোনও খারাপ শক্তি প্রবেশ করবে না। উন্নতির পথে সমস্ত বাধাদূর হয় এবং ধন, সম্পত্তি বাড়তেই থাকে।

     

    বাড়ির বৈঠকখানায় রাম দরবারের ছবি লাগান। যেখানে হনুমান রামের পাদদেশে বসে রয়েছেন। এ ছাড়া বৈঠক খানায় পঞ্চমুখী হনুমান বা পর্বত তুলে রাখা বজরংবলীর ছবি লাগাতে পারেন। ছবি বা মূর্তি স্থাপন করবেন সেখানে যেন এক ফোঁটাও নোংরা না থাকে। বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, হনুমানজির ছবি বা মূর্তি কখনও ভুলে সিঁড়ির নীচে
    রান্নাঘরে বা অন্য কোনও অপবিত্র জায়গায় রাখা উচিত নয়।

     

    বজরঙ্গবলীকে স্মরণ করলেই সকল প্রকার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু পণ্ডিতরা বলছেন গৃহস্থের কল্যাণে ঘরে রাখা দরকার হনুমানের পঞ্চমুখী ছবি। ভুলেও বাড়িতে হনুমানজির লঙ্কা দহনের ছবি রাখবেন না। এমন ছবিতে বাড়ুতে শুভ প্রভাব পড়ে না বলে মনে করা হয়।

     

    শ্রীরামের পরম ভক্ত হলেন হনুমান। বলা হয়ে থাকে বাল্মীকি রামায়ন রচনা করার আগেই রামায়ন রচনা করেছিলেন হনুমান। একে বলা হয় হনুমাদ রামায়ন। বলা হয়ে থাকে লংকায় রাবণ বধের পরে রাম সীতা লক্ষ্মণ যখন অযোধ্যায় ফিরে আসেন, তখন হনুমান হিমালয়ে চলে যান। সেখানে পাহাড়ের গায়ে নিজের নখ দিয়ে হনুমান রামায়ন রচনা করেন তিনি।

     

    রামভক্ত তিনি। তাঁর ভক্তদের প্রতি দয়ায় তিনি জীবনকে সুখে ভরিয়ে দিতে পারেন। যেখানে বজরঙ্গবলী যদি সদয় হন, সেখানে সম্পদের ভাণ্ডার কখনো শূন্য হয় না। কিন্তু তাঁর পুজোয় সামান্য ভুল বড় ঝামেলা ডেকে আনতে পারে। যাদের ভক্তিবোধ আছে তাদের কোনও বিশেষ দিনের প্রয়োজন হয় না। প্রকৃত ভক্তরা প্রতিদিন ও প্রতি মুহূর্তে তাঁর আরাধ্য দেবতার প্রতি নিবেদিত থাকেন।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

  • Lucky Girl Signs: কোন মেয়েরা অত্যন্ত সৌভাগ্যবতী হন ? কন্যার পায়ের পাতা এরকম হলে উথলে ওঠে সম্পদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Lucky Girl Signs: পায়ে এই চিহ্নগুলি থাকলেই বুঝবেন, স্বয়ং মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ আছে আপনার উপর। মহিলাদের পায়ে পাতাই বলে দেয় তার ভাগ্য সম্পর্কে। আপনার স্ত্রীয়ের পায়ের পাতাও এরকম হলে বুঝবেন তিনিই আপনার সংসারের লক্ষ্মী। তাহলে চিনে নিন পায়ের পাতার শুভ চিহ্ন কোনগুলি। দেখুন আপনার স্ত্রীয়ের উপরেও মা লক্ষ্মীর আশির্বাদ রয়েছে কি না?

     

    বলা হয় একটা সুখী পরিবারের ভিত মজবুত করতে পারেন মহিলারাই। বাড়ির মহিলাদের কারণেই পরিবারে আসে সুখ, সমৃদ্ধি। তাদের বিচক্ষণতায় আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে ঘর। কারণ, সনাতন ধর্মে বিশ্বাস করা হয়, বাড়ির মহিলারা হলেন স্বয়ং মা লক্ষ্মীর প্রতীক। তাদের উপরেই মা লক্ষ্মী নিজের কৃপা বজায় রাখেন। যার প্রভাবে সংসারে আসে অর্থ, শান্তি, প্রতিপত্তি। তবে বুঝবেন কীভাবে যে, আপনিই সেই মেয়ে? যার উপর রয়েছে খোদ মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ?

     

    সমুদ্র শাস্ত্র অনুযায়ী, মহিলাদের পায়ের পাতাই বলে দিতে পারে আপনার তার সম্পর্কে। পায়ের পাতায় এই কয়েকটি চিহ্নের একটি থাকলেই বুঝতে হবে যে, আপনার উপর রয়েছে স্বয়ং মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ।

     

    জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, মহিলাদের পায়ে পদ্ম, শঙ্খ, চক্র অথবা স্বস্তিকার মত চিহ্ন থাকা অত্যন্ত শুভ। তাদের পায়ে এই চিহ্ন থাকে তারা অত্যন্ত সৌভাগ্যবতী হন। তাদের সৌভাগ্যেগুণে উন্নতি হয় স্বামীরও। এই চিহ্ন যুক্ত মেয়েরা যে ঘরে পা রাখে সেই ঘরই ভরে ওঠে সুখ সমৃদ্ধিতে।

     

    এছাড়াও শাস্ত্র বলছে যেসব মহিলার পায়ের পাতা নরম ও গোলাপি হয় তারা স্বামী সোহাগী হন। এদের দাম্পত্য জীবন অত্যন্ত সুখের হয়। এদের অন্ন বস্ত্রের অভাব তো হয়ইনা উল্টে যে পরিবারে এনারা বিয়ে করেন সেখানেও উথলে ওঠে ধন সম্পদের ভাঁড়ার।

     

    শাস্ত্র মতে, যে মহিলাদের পায়ের বুড়ো আঙুল গোল, চওড়া ও লালচে আভা যুক্ত হন তারা বাড়িতে সৌভাগ্য বয়ে আনেন। এমন কন্যার কারণে পিতার আর্থিক কষ্ট দূর হয়। এছাড়াও এনারা যে কাজ করেন, তাতেই প্রচুর সাফল্য পান। কর্মজীবনেও অত্যন্ত মান সম্মান পেয়ে থাকেন এই মহিলারা।

     

    এছাড়াও যাদের গোড়ালি ও আঙুল যদি একটু উঁচু হয় এবং মাঝের অংশ যদি একটু চাপা হয় তাহলে তাদের উপর দেবী লক্ষ্মীর আশির্বাদ বজায় থাকে সবসময়। এই মহিলারা তাদের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সবার যত্ন নেন। কোনও পরিস্থিতিতেই প্রিয়জনের হাত ছাড়েন না তারা। স্বামীর ভাগ্য ফেরাতে বদ্ধ পরিকর হন তারা। ব্যবসায়ী পরিবার হলে, তাদের ভাগ্যেই ব্যবসা তরতরিয়ে এগিয়ে চলে।

     

    যেসব মহিলার পায়ের পাতায় বুড়ো আঙুলের থেকে তর্জনী বেশি লম্বা হয় তারা অত্যন্ত ভাগ্যশীলা হন। সমুদ্রশাস্ত্র অনুসারে এইরকম আঙুলের গঠন অত্যন্ত শুভ। যেসব মহিলার পায়ের পাতা এরকম হয় তারা অত্যন্ত পরিশ্রমী হন এবং কেরিয়ারে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে থাকেন।

     

    https://fb.watch/saJ2PRcXGX/

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips: হুনুমানজির মূর্তি কীভাবে রাখতে হয় ? ভুল চুক একেবারে করা যায় না ভীষণ অমঙ্গল হতে পারে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Vastu Tips: বাড়িতে কিছু একটা অশুভ শক্তি টের পাচ্ছেন? বজরংবলীর ছবি রাখলেই মিলবে সুরাহা। অশুভ শক্তি তো দূর হবেই সেই সাথে সংসারে ফিরবে সুখ সমৃদ্ধি। তবে হনুমানজির মূর্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে রয়েছে একাধিক বিধি। হনুমানজিকে কোন দিকে প্রতিষ্ঠা করা উচিত জানেন? কীভাবেই বা স্থাপন করবেন বজরঙ্গবলীর মূর্তি? পুজোই বা করবেন কীভাবে?

     

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, একাগ্র চিত্তে হনুমানজিকে স্মরণ করলে জীবনের সব বাধা দূর হয়। বিশেষ করে মঙ্গলবার এবং শনিবার দিনটি বজরংবলীর পুজোর জন্য অত্যন্ত শুভ বলে মানেন হিন্দুরা। যে কারণে অনেকেই এইদিন গুলিতে বাড়িতেও হনুমানজির পুজো করে থাকেন। বজরংবলীর কৃপায় ঘরে সুখ শান্তি তো বজায় থাকেই সেই সাথে শনিদোষ, ভূত, পিশাচের ভয়টাও থাকেনা।

     

    তবে জানেন কি বাড়িতে হনুমানজির মূর্তি রাখারও বেশকিছু নিয়ম রয়েছে। আপনি যেখানে সেখানে হনুমানজির ছবি বা মূর্তি রাখতে পারেন না। কারণ ভুল জায়গায় রাখলে তা সংসারে শান্তি আনার পরিবর্তে অমঙ্গল ডেকে আনে। সেই সাথে জানতে হয় যে কোন ধরনের হনুমান মূর্তির পুজো করা উচিত। বজরঙ্গবলী মূর্তি স্থাপন করার পদ্ধতিটাই বা কী? কীভাবেই বা পুজো করতে হয়? সংসারে সুখ স্বাচ্ছন্দ্য ফিরিয়ে আনতে এই সবটাই জেনে রাখতে হবে আপনাকে।

     

    প্রথমেই বলি বজরংবলীকে ঘিরে একাধিক বাস্তুটিপস রয়েছে। তাঁর পুজো নিয়েও রয়েছে একাধিক বিধি। সঠিকভাবে সেই বিধি মেনে পুজো করলে তবেই পাওয়া যায় হনুমানজির আশীর্বাদ। তারমধ্যে সবার আগে জানা দরকার যে, কোনদিকে বজরংবলীর মূর্তি বা ছবি রাখলে ভালো ফল দেবে‌।

     

    শাস্ত্র বলছে, বাড়ির দক্ষিণ দিকে যদি হনুমানজির বসা অবস্থায় মূর্তি বা ছবি রাখা হয় তাহলে তা শুভ হয়।‌ এছাড়াও খেয়াল রাখতে হবে যে, মূর্তি বা ছবিটির মুখ যেন থাকে সর্বদা উত্তরের দিকে।

     

    এখন প্রশ্ন হল, কোথায় হনুমানজির ছবি বা মূর্তি রাখবেন না। শাস্ত্র বলছে, বেডরুমে কখনোই হনুমানজির ছবি বা মূর্তি রাখা উচিত নয়। এতে বাস্তু দোষ ক্রমশ বাড়ে বই কমেনা। এছাড়াও বাস্তুশাস্ত্রের পরামর্শ অনুযায়ী, রান্নাঘরে, সিঁড়ির নিচে হনুমানজির ছবি একেবারেই রাখবেন না। এতে ঘরে অশান্তি প্রবেশ করে। একই সাথে মাথায় রাখবেন যে জায়গায় হনুমানজিকে রাখা হয়েছে সেই জায়গা যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়।

     

    তবে বাড়ির প্রবেশদ্বারে পঞ্চমুখী হনুমানের ছবি লাগাতেই পারেন। গুরুজনদের বিশ্বাস, এতে ভূত-প্রেত ঘরে ঢুকতে পারেনা। বাড়ি থেকে দূর হয় সমস্ত নেগেটিভ এনার্জি। তবে বজরংবলীর মকরি বধের ছবি একটু এড়িয়েই চলুন। বাড়িতে এই ছবি থাকলে অশুভ শক্তি প্রবেশ করে বলে মত শাস্ত্রজ্ঞানীদের। এছাড়াও হনুমানজির লঙ্কা দহনের ছবি নিয়েও রয়েছে একাধিক নিষেধাজ্ঞা। তবে হনুমানজি শ্রীরামের ভজন করছেন এমন মূর্তি বাড়িতে রাখা শুভ। এছাড়াও রাখতে পারেন হনুমানজির ধ্যান রত মূর্তি।

     

    এখন প্রশ্ন হল প্রতি মঙ্গল এবং শনিবার ঠিক কীভাবে হনুমানজির পুজো করবেন? মঙ্গল বা শনিবার স্নান সেরে শুদ্ধ হয়ে পুজোয় বসতে হবে। শুদ্ধবস্ত্রে একটি চৌকির উপর একটি লাল কাপড় পাতবেন। এরপর সেই আসনের উপর রাখুন পঞ্চমুখী হনুমানজির মূর্তি। নজরে রাখবেন হনুমানজির মুখ যেন উত্তর দিকে থাকে। নৈবেদ্যের থালায় রাখুন লাড্ডু, ধুপ, ফুল, ইত্যাদি। এরপর একমনে হনুমান চল্লিশা পাঠ করুন। দেখবেন বজরংবলীর কৃপা বজায় থাকবে আপনার পরিবারের উপর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips: ঘর মোছার জলে এক চিমটি লবণ, কেটে যাবে অর্থাভাব, তবে মনে রাখতেই হবে এই বিষয়গুলি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips: বাস্তুর এমন অনেক নিয়ম আছে যা মানলে সংসারে সুখ সমৃদ্ধি আসে এবং অর্থ সংকট দূর হয়। বাস্তুমতে সংসারে অর্থের অনটন কাটাতে  লবণের প্রচুর গুণাগুণ রয়েছে। জানলে অবাক হবেন যে লবণ দিয়ে ঘর মোছা বাস্তুমতে অত্যন্ত ভালো। এর ফলে ঘরে ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায় পরিবারের সদস্যদের সমস্যা দূর হতে সাহায্য করে। ঘরে লবণ জলের ঘর মোছার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা খুবই জরুরী। চলুন জেনে নেওয়া যাক লবণ জলে মোছার সময় কি কি বিষয় মাথায় রাখা উচিত।

    লবন আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোনো দিন খাবারে লবন কম থাকলে তার খাবারের স্বাদ ঠিক হয় না। আমাদের খাবারে যেভাবে লবনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তেমনই বাস্তুশাস্ত্রে লবনের প্রতিকারের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাস্তু শাস্ত্রে লবণ সংক্রান্ত অনেক প্রতিকারের কথা বলা হয়েছে। তবে সবচেয়ে সহজ সমাধান হলো লবণ জল দিয়ে মুছে ফেলা। আপনি যদি প্রতিদিন নোনা জল মুছতে না পারেন তবে অবশ্যই সপ্তাহে একবার বা দুবার করবেন। যাতে আপনার ঘরের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি দূর হবে। তবে এবার দেখে নেওয়া যাক কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

    বাস্তু মতে দুপুর ১২ টার পরে ঘর মোছা একেবারেই ঠিক নয় এবং ঘর মোছার জলে সামান্য লবণ দিতে হবে। এছাড়া সন্ধের সময়তে লবণ দিয়ে ঘর মোছা যাবে না। বাস্তু শাস্ত্র মতে লবণ সম্পদ বাড়াতে সাহায্য করে। লবণের জল দিয়ে ঘর মুছলে ঘরের নেতিবাচক শক্তি দূর হয়। এর পাশাপাশি বাড়ির সদস্যরা মানসিক শান্তি পায় এবং ঝামেলা থেকে মুক্তি পায়। ঘরে নুন জল দিয়ে মুছলে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি বাড়ে। লবণ দিয়ে ঘর মুছতে বালতিতে জল ভরতে হবে তারপর এই জলে দুই-তিন টেবিল চামচ গুঁড়ো লবণ মিশিয়ে নিতে হবে। এবার এই জল দিয়ে পুরও ঘর মুছতে হবে। লবণ দিয়ে ঘর মোছার সময়ে মনে রাখতে হবে যে জলে লবণ মেশানোর সময় কোনও বাইরের লোক যেন তা দেখতে না পায়। এমনকি ঘর পরিষ্কারের জন্য যদি আপনার কোন হেলপার থাকে তাহলে মোছার জলেতে লবন মেশানোর সময় সে যেন না দেখে তাহলে অধিক উপকার পাওয়া যায়। আসলে এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এ কাজটি করার সময় যদি বাইরের কাউকে দেখা যায় তবে এই প্রতিকারের কোনো প্রভাব নেই।

    অন্যদিকে মনে রাখতে হবে লবণ দিয়ে ঘর মোছার পর ভুলেও অবশিষ্ট জল ঘরে ফেলে দেবেন না। মোছার জল সব সময় বাড়ির বাইরের ড্রেনে ফেলতে হবে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে সেই জল ঘরে ফেলে দিলে নেতিবাচক শক্তি ঘরেই থাকে। একটা কথা মনে রাখতে হবে যে বৃহস্পতিবার বাড়িতে নোনা জল দিয়ে একেবারেই মোছা উচিত নয়। অন্যদিকে মঙ্গলবার এবং রবিবার জলে লবন দিয়ে মোছা উচিত নয়। এছাড়া অনেক সময় বাড়িতে বাস্তু ত্রুটির কারণে মানুষ সমস্যায় পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে আপনি চাইলে আপনার বাথরুমের একটি শিশিতে লবণ রাখুন। কথিত আছে যে এটি করলে আপনার বাড়ির ভেতরের বাস্তুদোষ দূর হয়ে যাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips: পশ্চিমে শুভ দক্ষিণে অশুভ, দিকগুলি প্রভাব পড়তে পারে আপনার স্বাস্থ্যের ওপরেও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips: হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের বিশ্বাস বাস্তু তাদের জীবনে একটা বিরাট প্রভাব ফেলতে পারে । বাস্তু মতে, যদি প্রত্যেকটি জিনিস নিয়ম মেনে করা যায় তাহলে তার সুফল হাতেনাতে মেলে। আর বাস্তুর (Vastu) বিপরীতে গিয়ে কোন কাজ করলে জীবন হয়ে উঠতে পারে সমস্যায় ভরপুর। কাজেই আমাদের প্রতিদিনের চলার পথে এমন বহু জিনিস রয়েছে যা আমরা বাস্তু মেনে করে থাকি। তেমনই বাস্তুশাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে বিভিন্ন দিকের (Directions) খারাপ এবং ভালো বৈশিষ্ট্য গুলি। পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ এই দিক গুলি ব্যক্তি জীবনকে প্রভাবিত করে।

    অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন, বাস্তু মতে উত্তর-পূর্ব কোণে যে কোন কাজ করা শুভ বলে বিবেচিত হয়। আবার বাড়িতে যদি কোন আগুনের কাজ করতে হয় তাহলে বেছে নেওয়া হয় পূর্ব দিককে। তেমনি বাড়ির কোন দিকে মুখ করে খেতে বসা হবে সেটাও কিন্তু বাস্তুতে উল্লেখ রয়েছে। কারণ এমন কিছু দিক রয়েছে যেদিকে খেতে বসলে স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে। আর এমনও কিছু দিক রয়েছে যে দিকে মুখ করে খেতে বসলে স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে । কারণ বাস্তুশাস্ত্রমতে যতগুলি দিক রয়েছে সবগুলি কোন না কোন শক্তির সাথে সম্পর্কিত। জানুন বাস্তু অনুসারে কোন দিকে বসে খাওয়া উচিত।

    * পূর্ব দিক: কোন ব্যক্তি যদি পূর্ব (East) দিকে মুখ করে খেতে বসেন তাহলে তাঁর মানসিক চাপ কমে। মস্তিষ্ক আরও বেশি সক্রিয় হয়। খাবার হজম করার শক্তি বৃদ্ধি পায়। আর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

    * পশ্চিম দিক: যারা ব্যবসায়ী তাদের জন্য পশ্চিম (West) দিকে বসে খাওয়া বেশ শুভ ,এমনটাই বলে বাস্তুশাস্ত্র।

    * উত্তর দিক: অল্প বয়সী ছাত্র-ছাত্রী অথবা যুবক যুবতী যারা ভবিষ্যতে উন্নতির সিঁড়ি চড়তে চাইছেন তাঁরা অবশ্যই উত্তর ( North) দিকে মুখ করে খেতে বসতে পারেন। কারণ এতে ভবিষ্যতে উন্নতি করার পথ প্রশস্ত হয়। জ্ঞান এবং চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটে।

    * দক্ষিণ দিক: কারও জন্যেই দক্ষিণ (South) দিকে মুখ করে খাওয়া একদমই উচিত নয়। যাদের পিতা মাতা জীবিত রয়েছেন তাঁরা কখনই দক্ষিণ দিকে মুখ করে খেতে বসবেন না। কারণ এই দিকটিকে যমের দিক হিসেবে মনে করা হয় । কাজেই দক্ষিণমুখী খাদ্য গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।

    আজকের প্রতিবেদনে উল্লেখিত প্রত্যেকটি তথ্য একেবারেই সাধারণ বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। বাস্তুশাস্ত্রে এই সম্পর্কিত আর কী কী তথ্য বলা হয়েছে এবং সেগুলি কতটা বিশ্বাস উপযোগী তা জানতে কোন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips: বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী ঘরে রাখুন এই বিশেষ গাছ, সংসারে অভাবের ছায়া থাকবে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips: অনেকেই মনে করেন ঘরের মধ্যে মানিপ্ল্যান্ট (Money plant) রাখলে সংসারের সমস্ত অশান্তির ছায়া দূর হয়। সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে সংসার। পাশাপাশি কর্মজীবন কিংবা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করা যায়। প্রচলিত বিশ্বাস আর ধ্যান-ধারণার উপর গড়ে ওঠা কিছু নিয়ম বহু মানুষ মেনে চলেন। অনেকেই শখ করে বাড়ির মধ্যে রেখে দেন নানান ধরনের গাছ। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, কিছু কিছু গাছ রয়েছে যা ঘরের মধ্যে রাখলে বিশেষ উপকার মেলে। আবার কিছু কিছু গাছ ঘরের মধ্যে রাখা উচিত নয়। বাড়িতে রাখা যাবে এমন ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে বহুল পরিচিত হল মানিপ্ল্যান্ট (Money plant)। বাস্তুশাস্ত্র (Vastu Shastra) অনুযায়ী, মানিপ্ল্যান্ট ছাড়াও এমন কিছু গাছ রয়েছে যা বাড়িতে রাখা মঙ্গলজনক। আসুন দেখে নেওয়া যাক সেই বিশেষ গাছগুলি, যেগুলিকে বাস্তু অনুসারে শুভ বলে মনে করা হয়।

    (১)অপরাজিতা গাছ
    অপরাজিতা ফুলকে লক্ষ্মীর রূপ মনে করা হয়। এই গাছটি বাড়ির অর্থনৈতিক অবস্থাকেও শক্তিশালী করে। বাড়িতে থাকা অশান্তি দূর হয়।

    (২) হলুদ গাছ
    এই গাছটি ঘরকে নেতিবাচক শক্তি থেকে দূরে রাখে। যাদের উঠোনে হলুদের চারা আছে তারা মানসিক ও শারীরিক ভাবে খুব শক্তিশালী হয়। এছাড়াও হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

    (৩) ডালিম গাছ
    বাস্তু মতে যে বাড়িতে ডালিম গাছ থাকে তার অর্থনৈতিক অবস্থা সব সময় মজবুত থাকে। ঘরে একটি ডালিম গাছ লাগালে ঘরে সমৃদ্ধি আসে, সমাজে সম্মান বৃদ্ধি পায়।

    (৪) গাঁদা ফুল গাছ
    জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, বাড়িতে একটি গাঁদা ফুল গাছ লাগালে বৃহস্পতিকে শক্তিশালী করে, যা আপনার বিবাহিত জীবনকে আরও সুখী করতে সাহায্য করে।

    (৫) নারিকেল গাছ
    বাস্তু শাস্ত্র অনুসারে, নারকেল গাছ আপনার সম্মান ও সম্মান বৃদ্ধি করে। যে বাড়িতে নারকেল গাছ থাকে তারাও কাজে সফলতা পায়। তবে সব সময় বাড়ির ছাদ থেকে একটু দূরে নারকেল গাছ পোঁতা উচিত।

    (৬) আমলকী গাছ
    আমলকী গাছকে হিন্দু ধর্মে শুদ্ধ ও বিশুদ্ধ বলে মনে করা হয়। কথিত আছে যে আমলকী গাছ বাড়িতে রাখলে মানুষের স্বাস্থ্য সবসময় ভালো থাকে এবং ইতিবাচক শক্তিও নিয়ে আসে।

    (৭) অশোক গাছ
    এই গাছটি শিশুদের জন্য খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়িতে অশোক গাছ থাকে সেখানে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ খুব ভালো হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vastu Tips: বাড়িতে ভুলেও রাখবেন না এই গাছ! নিত্য অশান্তি পিছু ছাড়বে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vastu Tips: ঘর সাজাতে কে না পছন্দ করেন। ঘর সাজানোর পদ্ধতিও বিভিন্ন হয়। অনেকেই আছেন যারা ঘরের মধ্যে বিভিন্ন গাছ রাখেন। যাতে ঘরের পরিবেশ সুস্থ থাকে। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এমন কিছু গাছ রয়েছে যা সংসারের নেতিবাচক শক্তি নষ্ট করতে সক্ষম। এই গাছ গুলি দেখতেও সুন্দর, আবার মনকেও শান্তি দেয়। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এমন কিছু গাছ রয়েছে যা নেতিবাচক শক্তির প্রবাহ বাড়ায় এবং ঘরের শান্তি নষ্ট করে। যদিও এর সঙ্গে কোন বৈজ্ঞানিক যুক্তি নেই। মূলত প্রচলিত ধ্যান ধারণা আর বিশ্বাসের উপর গড়ে ওঠা এই নিয়ম বহু মানুষ মেনে চলেন। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, এমন কিছু গাছ রয়েছে যা বাড়িতে লাগানো অশুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে নাকি আর্থিক সংকট বৃদ্ধি পায়। দেখা দেয় সাংসারিক নিত্য ঝামেলা।

    •বাবলা গাছ
    বাড়িতে বাবলা গাছ লাগানো অশুভ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়িতে এই গাছ রাখলে নেতিবাচক শক্তি প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। যেহেতু এই গাছে কাঁটা আছে তাই তা নেতিবাচক শক্তি সৃষ্টি করে। এছাড়াও বাড়ির সদস্যদের স্বাস্থ্যের উপর এই গাছের খারাপ প্রভাব পড়ে।

    • বনসাই উদ্ভিদ

    প্রায়শই মানুষ ঘর সাজাতে বনসাই গাছ ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বাস্তু মতে, বাড়িতে এই গাছ রাখার পর বাড়ির সমস্যা বাড়ে। এমনকি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মারামারি ও ঝগড়া পর্যন্ত হয়। কর্ম এবং শিক্ষাক্ষেত্রে নানান সমস্যা দেখা দেয়। বাড়িতে থাকা শিশুরা পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়ে। সামান্য সমস্যা থেকে শুরু হওয়া বিবাদ বড় আকারে পরিণত হয়, যার ফলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

    • কুল গাছ

    বাড়িতে কুল গাছ লাগানো ঠিক নয়। বাড়িতে এই গাছ লাগালে নেতিবাচকতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে জন্ম দেয় সব ধরনের সমস্যা। এর সাথে এটাও বলা হয়, যে বাড়িতে কুল গাছ থাকে সেখানে লক্ষ্মী থাকে না। দেবী লক্ষ্মীর নাকি এতে অত্যন্ত রুষ্ট হন। সাংসারিক জীবনে দেখা যায় একের পর এক বাধা-বিপত্তি। স্বাভাবিক জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

    • তাল গাছ

    বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে, বাড়িতে খেঁজুর গাছ লাগাতে ভুলবেন না। তবে তাল গাছ লাগালে ঘরে দারিদ্র্য আসে। আপনার আর্থিক সমস্যা ঘরে রয়ে গেছে। বাড়ির সদস্যদের স্বাস্থ্যেও এর প্রভাব দেখা যায়। একের পর এক দেখা দেয় নানা অসুখ। চিকিৎসা খাতে সংসারের বেশি ব্যয় হয়। স্বাভাবিকভাবেই কমে যায় সঞ্চয়ের পরিমাণ।

    • তেঁতুল গাছ

    বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে , বাড়িতে তেঁতুল গাছ লাগালে পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততার সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি তেঁতুল গাছ ঘরের অগ্রগতি বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যের ওপরও এর খারাপ প্রভাব পড়ে। সর্বদা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সামান্য জিনিস নিয়ে বিবাদ তৈরি হয়। এমনকি মাঝে মাঝে এই বিবাদ নাকি বিচ্ছেদের পরিণত হতে বেশি সময় লাগে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version