Tag: helth

  • Panic Attack: প্যানিক অ্যাটাক আসলে কি? কি করবেন এর হাত থেকে বাঁচতে

    Panic Attack: প্যানিক অ্যাটাক আসলে কি? কি করবেন এর হাত থেকে বাঁচতে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Panic Attack: প্যানিক অ্যাটাক! শব্দটা হয়তো অনেকেই চেনেন কিন্তু আসলে প্যানিক অ্যাটাক কি জানেন? বলে কয়ে আসেনা এই রোগ! কি কি কারণে হতে পারে? প্যানিক অ্যাটাক থেকে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকতে পারে। আচ্ছা আপনিও এই রোগে আক্রান্ত নন তো? কিভাবে বেরিয়ে আসবেন এই পরিস্থিতি থেকে? প্যানিক অ্যাটাক হওয়ার অনেক কারণ হতে পারে। খুব কাছের মানুষ যদি অতিরিক্ত কষ্ট দেয় বা কোনও কারণে যদি শোকাগ্রস্ত হয়ে পড়েন সেই মুহূর্তে আপনার হতে পারে প্যানিক অ্যাটাক। মূলত আমরা যখন মানসিক ভাবে কোনও কারণে বিপর্যস্ত থাকি তখন এই প্যানিক অ্যাটাক হওয়ার চান্স বেশি। আবার আপনি যদি হঠাৎ ভয় পেয়ে যান তখনো কিন্তু প্যানিকে এটাকে আপনি আক্রান্ত হতে পারেন। কিন্তু কি করে বুঝবেন আপনি এক্সাক্টলি এই রোগটাতেই আক্রান্ত?

    সেই সময় বেশ কিছু লক্ষণ শরীর ও মনে স্পষ্ট হয়ে যায়। প্রচন্ড উত্তেজিত হয়ে যাবেন আপনি। হট বিট বেড়ে যাবে কয়েক গুণ, অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে, হাত পা কাঁপতে থাকবে, মনে হবে আপনার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত অনুভূতি হবে। আপনার শরীরে স্টোর করতে পারে টানা দশ মিনিট পর্যন্ত। এমন সমস্যা আপনার থেকে থাকলে সাবধান হয়ে যান। এড়িয়ে যাবেন না একেবারেই। এই সমস্যা বাঁধতে থাকলে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই অবহেলা নয়। এর ও চিকিৎসা রয়েছে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। কিন্তু আচমকা প্যানিক অ্যাটাক হলে, নিজেকে সামলানোর জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে আপনি কী কী করতে পারেন? সেটা একনজরে দেখে নেওয়া যাক।

    • প্রথমেই নিজেকে শান্ত করতে জোরে জোরে শ্বাস প্রশ্বাস নিন। এতে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।
    • একটি চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। পায়ের পাতা মাটিতে চেপে রাখুন। এভাবে পাঁচ মিনিট বসুন।
    • যে মুহূর্তে এই ধরনের ভয় ধাওয়া করবে, তখনই নিজের যে কাজটা সবচেয়ে ভালো লাগে সেটাই করা উচিত। হতে পারে সেটা গান গাওয়া বা স্রেফ টিভি দেখা ইত্যাদি।
    • দিনে কিছু সময় নিয়মিত মেডিটেশন করুন। এতে উপকার পাবেন।
    • নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। শরীরচর্চা মানসিক স্ট্রেস কমাতে অনেকটাই সাহায্য করে।
    • যাঁর সঙ্গে কথা বলে আরাম পান তাঁর সঙ্গেই কথা বলুন। চারপাশে এমন কিছু মানুষ থাকেই যাঁদের কথা বলার কোনও মাপকাঠি নেই। ভালো না লাগলে তাদের এড়িয়ে চলুন।
    • নিজেকে ভালো করে হাইড্রেটেড রাখুন। জল খাওয়া বন্ধ করবেন না।, তবে বেশি ক্যাফিন জাতীয় খাবার খাবেন না।
    • প্যানিক অ্যাটাক হলে তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নিয়মিত কাউন্সেলিং করা প্রয়োজন। তাহলে সঠিক সময়ে উপকার পাবেন আপনি।
    • যে বিষয় নিয়ে প্যানিক অ্যাটাক আপনার হচ্ছে সেই প্রসঙ্গে কাউন্সেলরের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন। তাহলে সমস্যার সমাধান সম্ভব।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Corona Virus: রেহাই নেই, ২ বছর পর ফিরে আসবে করোনা! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Corona Virus: বিগত তিন বছর করোনা ঝড় বয়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বের উপর দিয়ে। সেই আতঙ্কের রেশ এখনো কাটেনি। তারপরেই প্রকাশ্যে এল এমন এক হকচকিয়ে দেওয়ার তথ্য, যা শুনলে আপনি অবাক হবেন। গবেষণা বলছে, করোনার ভাইরাস মানুষ শরীরে বেঁচে থাকতে পারে প্রায় দু’বছর পর্যন্ত। অর্থাৎ একবার কোন ব্যক্তি করোনা সংক্রমিত হলে দু বছর পর আবার সেই ভাইরাস ফিরে আসতে পারে। স্বাভাবিক ভাবেই, এখন গোটা বিশ্বজুড়ে এই গবেষণা নিয়ে উঠেছে আলোচনার ঝড়।

    ‘অমর উজালা”য় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির ফুসফুসে প্রায় দুই বছর থাকতে পারে। নেচার ইমিউনোলজি জার্নালে প্রকাশিত একটি চিকিৎসা গবেষণায় এই দাবি উঠে এসেছে। সমীক্ষা অনুসারে, SARS CoV-2, ভাইরাস যা করোনা (COVID-19) সংক্রমণ ঘটায়। সংক্রমণের পরে ১৮ থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত কিছু ব্যক্তির ফুসফুসে থাকতে পারে। SARS CoV-2 ভাইরাস সাধারণত সংক্রমণের এক থেকে দুই সপ্তাহ পরে উপরের শ্বাস নালীর মধ্যে সনাক্ত করা যায় না, তবে কিছু ভাইরাস সংক্রমণ ঘটার পর শরীরে সুপ্ত এবং অজানা থেকে যায়। এটি উপরের শ্বাস নালী।বা রক্তে সনাক্ত করা যায় না। এটি এইচআইভির মতো, যা নির্দিষ্ট ইমিউন কোষে সুপ্ত থাকে এবং যে কোনো সময় পুনরায় সক্রিয় হতে পারে।

    অধ্যাপক মুলার-ট্রুটওয়েন বলেছেন যে, SARS CoV2 সংক্রমণে সহজাত অনাক্রম্যতার সেলুলার প্রতিক্রিয়া খুব কম। কিন্তু ভাইরাল সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনকে (NK) কোষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাণীর মডেল থেকে জৈবিক নমুনাগুলির বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, ফুসফুসে টিকে থাকা ভাইরাসের পরিমাণ মূল SARS CoV2 স্ট্রেনের তুলনায় ওমিক্রন স্ট্রেনের জন্য কম ছিল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bloating Problem: শীতকালে বাড়ছে অম্বলের ঝুঁকি? মুক্তি পেতে মেনে চলুন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের পরামর্শ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bloating Problem: অনুষ্ঠান বাড়ি হোক বা পিকনিক ঘুরতে যাওয়া সব কিছুই বেশি বেশি হয়ে থাকে এই শীতকালে। আসলে শীতেই তো মশলাদার মুখেরচোক খাবার খাওয়া বেশি হয়। আর তাতেই বেঁকে বসে পেট। গ্যাস অম্বল বদ হজমের মতো সমস্যা শীতকালে প্রায়শই হয়। শীতে উৎসব, পার্টি তো বন্ধ হবে না খাওয়া-দাওয়া চলবে তাহলে উপায়? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এমন কিছু খাবার রয়েছে এই সময়টা নিয়মিত খেলে পেটের সমস্যা থেকে অনেকটা সুরাহা মিলতে পারে। গ্যাস অম্বলের জন্য অনেকের এমন সমস্যা তৈরি হয়, ছুটতে হয় হাসপাতালে। শীতকালে গ্যাস এসিডিটির সমস্যা বাড়ে। ভেতরে চাপা অম্বল হয়ে থাকলেও অনেকে বুঝতে পারেন না।

    এছাড়া শীতে অনেকেই গরম জলে স্নান করেন গায়ে জামা কাপড় বেশি থাকে, শাক ফুলকপি বাঁধাকপি সিম এসব বেশি খাওয়া হয়। আর তাই অ্যাসিড রিফ্লাক্স এর সমস্যা থাকলে কিছু জিনিস মেনে চলতেই হবে। আবার বর্তমান জীবনের ব্যস্ততা, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অবাধে তেল মসলাদার খাবার খাবার প্রবণতা জল কম খাওয়া গ্যাস অম্বল হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন কারণে এখন অধিকাংশ বাড়ি বাইরের খাবারের প্রতি বেশি নির্ভরশীল। কাজের চাপে সবসময় রান্না ঘরে ঢোকা হয় না। বাইরের খাবার খাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।প্রতিনিয়ত গ্যাসের সমস্যায় ভোগার এটিও একটি কারণ।আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলো যদি আপনারা শীতকালে মেনে চলেন গ্যাস অম্বলের সমস্যা অনেকটাই কাটবে।

    • খাবার খেয়েই শুয়ে পড়বেন না। শীতকালে এসিডিটির সমস্যা বাড়ার অন্যতম কারণ এটি। খাবার খেয়ে শুয়ে পড়ো এবং পেটে গরম চাপা দেওয়ার কারণে এসিডের সমস্যা বাড়ে।
    • অতিরিক্ত তেল মশলা ভাজা ভুজি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন‌। শীতে এগুলি খেতে দারুন লাগে কিন্তু এসিডিটির আশঙ্কা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।
    • একবারে বেশি খাবেন না। অল্প অল্প করে বারবার খান। আর খালি পেটে লেবু বা বেরি জাতীয় ফল খাবেন না এই সময়।
    • খালি পেটে থাকবেন না। অল্প অল্প করে বারে বারে খান।খালি পেটে বেশি থাকলে এসিড তৈরি হতে শুরু করবে‌।তাতে আলসার হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাবে।
    • ধূমপান মদ্যপান কমান। সম্ভব হলে বন্ধ করে দিন। কারণ এটি এসিডিটি সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।
    • ইচ্ছে হলেই গ্যাস অম্বলের ওষুধ মুঠো মুঠো খাবেন না।আর যারা নিয়মিত ওষুধ খেও গ্যাস অম্বলের সমস্যায় ভুগছেন। তারা চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ বদলে নিতে পারেন।

    এবার আসা যাক কি কি উপায়ে সমস্যা কমাতে পারেন

    • সকাল ও বিকেলে খালি পেটে কিছুটা এলোভেরা রস পান করতে পারেন।
    • ঘুমোতে যাওয়ার আগে হালকা গরম দুধে ঘি মিশিয়ে নিন। সেটি খেলে অম্বল কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।
    • ধনে গুঁড়ো ভিজানো জল খেতে পারেন। অম্বলের সমস্যা কমবে। মৌরি ভিজিয়ে রেখে সেই জল খেতে পারেন।
    • খালি পেটে ডাবের জল খেতে পারেন । রাতে কিছুটা কিসমিস জলে ভিজিয়ে রেখে দিন ‌। সকালে খালি পেটে সেই জল খেয়ে নিন। অনেকটাই কমছে গ্যাস অম্বলের সমস্যা।

    পাশাপাশি মনে রাখবেন শীতকালে সালাদ খেতে বারণ করছেন পুষ্টিবিদেরা। সবজি শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর হলে শীতকালে কাঁচা খাওয়া ঠিক হবে না। শীতে দুগ্ধজাত খাবার অস্বাস্থ্যকর নয় কিন্তু বিকেলের পর দুগ্ধজাত খাবার খেতে বারণ করছেন পুষ্টিবিদরা। শীতকাল হলো উৎসবের মরশুম। উৎসব মানেই মিষ্টি মুখ ‌অত্যাধিক মিষ্টি খেলে প্রদাহ জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Constant Headache: অফিস ফেরত মাথা যন্ত্রণায় ক্লান্ত! এই টিপসগুলো মানলে ভ্যানিশ হবে ব্যথা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Constant Headache: অফিস শেষে রোজ মাথা ব্যথা! মাথা যন্ত্রণা শুরু হলে সহজে কমতে চায় না? চিন্তা শুরু হয়ে গিয়েছে তো আর কত কফি খেয়ে কমাবেন ? সাবধান না হলে বড়সড় রোগ বাঁধাতে পারেন! কীভাবে কন্ট্রোলে আনবেন? প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হলে এই টিপসগুলো মানুন, আরাম পাবেন আপনি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন অত্যধিক মানসিক চাপ পড়লে মাথা যন্ত্রণা শুরু হয়। মাথা দপদপ করা, রগের দুপাশে অসহ্য যন্ত্রণা। কখনও কখনও মাথা এবং ঘাড় জুড়ে সেই ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে। রোজ রোজ এক যন্ত্রণা হতে থাকলে ভয় পেয়ে যাবেন না। এই টিপসগুলো ফলো করুন।

    আপনার মাথাব্যথার সমস্যা থাকলে স্বস্তি পেতে আইস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। রুটিন মেনে যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন করতে পারেন। স্ট্রেচিং এবং যোগব্যায়াম করা বা নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনার মাথা ব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন বলছেন বিশেষজ্ঞরাই। যাঁদের মাথা ব্যথার সমস্যা রয়েছে তাঁদের একটানা হেডফোনে গান না শোনাই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল!

    আর কী কী খেয়াল রাখবেন ?

    • অন্ধকার ঘরে মোবাইল বা কম্পিউটার ঘাঁটবেন না। স্ক্রিনের আলোয় চোখে প্রভাব পড়ে এর থেকে মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। চোখের সমস্যা থাকলেও অনেক সময় মাথা ব্যথা বাড়তে পারে।
    • অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকবেন না। জোরে আওয়াজের মধ্যে থাকলেও মাথার যন্ত্রণা হতে পারে। বরফ সেঁক দিলে মাথা যন্ত্রণা রসময় আরাম পেতে পারেন। যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত রয়েছে তাঁরা সতর্ক থাকুন।
    • আদা দিয়ে চা করে খেলে মাথা যন্ত্রণা কমে যায়। শুধু তাই নয় কাঁচা আদা চিবিয়েও খেতে পারেন। আদার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান সাহায্য করে।
    • প্রতিদিন ২ লিটার জল খেলে মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আপনার যদি মাথা ব্যথা হয় তবে আপনি সঠিক পরিমাণে জল পান করুন। আপনি কেবল আধা ঘন্টার মধ্যে স্বস্তি পেতে পারেন।

    যাঁদের মাইগ্রেন কিংবা সাইনাসের সমস্যা রয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে মাথা ব্যথার ধরনটাও একটু আলাদা। কারও মাথার একটা অংশে যন্ত্রণা হয়। কারও বা তীব্র মাথা ব্যথা হয় সমস্ত অংশেই। আচমকা মাথায় যন্ত্রণা শুরু হলে অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে একগাদা ওষুধ খাওয়া। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মুঠো মুঠো ওষুধ খাওয়া মোটেই ভাল কাজ নয়। ওষুধ না খেয়েও সাময়িক ভাবে মাথা যন্ত্রণা কমানো সম্ভব। তবে বাড়াবাড়ি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weight Gain Tips: একটু মোটা হতে চাইছেন? খাদ্যতালিকা বানান এভাবে, সাথে এই কাজ গুলি করুণ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weight Gain Tips: আপনি কি একটু বেশিই রোগা? চাইছেন একটু মোটা হতে? তাহলে খাদ্যতালিকা টা ঠিক কিরকম হবে? কি কি করবেন আর কি করবেন না? সবটা জেনে নিন! আশ্চর্য হলেও সত্যি যে সমাজে মোটা হলে যেমন কটু কথা আর বক্র চাহনির মুখোমুখি হতে হয়, তেমনি ওজন একটু কম হলেও একই ধরণের পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়। ‘ফুঁ দিলে উড়ে যাবে’, ‘বাড়িতে খেতে দেয় না’, ‘অপুষ্টিতে ভুগছে’, – এমন নানা তির্যক মন্তব্য আর নেতিবাচক ঠাট্টা মস্করায় জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যায় কারো কারো।

    ফলে স্বাভাবিকভাবেই সমাজে অনেককে যেমন বাড়তি ওজন ঝরিয়ে ফেলার জন্য কসরত করতে হয়, তেমনি কিভাবে একটু ওজন বাড়বে তা নিয়েও উন্মুখ থাকেন কেউ কেউ। ওজন বাড়াতে গিয়ে নানারকম ভুল করে বসেন, যার ফলে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যা মুখে পড়তে হয়। মোটা হবার জন্য কার্বোহাইড্রেট বা চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খান অনেকে। তাতে শরীরের ক্ষতি হয়। বরং সব খাদ্য উপাদান রয়েছে এমন খাবার খেতে হবে। কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন, চর্বি, দুধ ও দুধজাতীয় খাবার এবং খনিজ উপাদান-সমৃদ্ধ ফলমূল রাখুন খাদ্য তালিকায়। সাথে প্রচুর জলপান করতে হবে।

    ব্রেকফাস্টে অবশ্যই নিয়মিত এক গ্লাস দুধ মাস্ট। সঙ্গে একটা কলা খান। পাঁউরুটিতে মাখন বা চিজের পরিমাণ একটু বাড়িয়ে দিন। খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। প্রতি ৪ ঘণ্টা পর পর কিছু না কিছু খেয়ে নিন। ডায়েটে রাখুন সঠিক পরিমাণে প্রোটিন শেক। এছাড়াও সহজে মোটা হওয়ার কিছু টিপস রয়েছে। যেমন, ভাতের সঙ্গে দই খেতে বলা হয়েছে আয়ুর্বেদে। মিষ্টি দই দিয়ে খেতে পারেন আবার টকদই এর সঙ্গে সামান্য নুন-চিনি মিশিয়েও ভাত খেতে পারেন। দই প্রোবায়োটিক আর তা শরীরে পুষ্টিরও যোগান দেয়।

    তরমুজের সঙ্গে একটু করে গুড় নিয়মিত খেলে ওজন বাড়ে। তরমুজের মধ্যে ফাইবার, প্রোটিন, চর্বি, কার্বোহাইড্রেট, পটাসিয়াম, ভিটামিন বি সবই থাকে প্রচুর পরিমাণে। তরমুজ খেলে শরীরে জলের চাহিদা পূরণ হয়। গুড়ের মধ্যে থাকে আয়রন, ম্যাগনেশয়াম ফলে শরীরে জোর বাড়ে, ক্লান্তি কমে। খেজুর আর দুধ একসঙ্গে খেলেও পেশীর শক্তি বাড়তে বাধ্য। খেজুরের মধ্যে খনিজ, ভিটামিন থাকে। দুধে থাকে ক্যালশিয়াম ফলে তা পেশীর শক্তি বাড়ায়। তাই রোজ রাতে দুধের সাথে খেজুর খান।

    ওজন বাড়াতে রোজ ছাতু, গুড় একটা কলা আর মুড়ি খেতে পারেন। সাথে ব্যায়ামও করতে হবে। তাহলে ভুঁড়ি হবে না আর খিদেও বাড়বে। শারীরিক কসরতের সাথে মানসিক প্রশান্তির জন্য ইয়োগা করতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • HIV: সামান্য হাঁচি কাশি অবহেলা করছেন! HIV নয় তো? কীভাবে বুঝবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    HIV: মাঝেমধ্যেই শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে? কিংবা জ্বর সর্দি কাশি লেগেই রয়েছে? হয়ত বিষয়টা হালকা ছলে নিচ্ছেন। গুরুত্বই দিচ্ছেন না। জানেন এই লক্ষণ গুলো এইচআইভিরও হতে পারে। এই রোগ সম্পর্কে গোটা বিশ্বজুড়ে এত সচেতনতা কেন? কীভাবে বুঝবেন কোন ব্যক্তির শরীরে এইচআইভির ভাইরাস রয়েছে? পরীক্ষা করবেনই বা কীভাবে? অবশ্যই জেনে রাখুন।

    এইচআইভি সংক্রমণ সাধারণত বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়, যা ভাইরাস বা এর প্রতিক্রিয়ায় তৈরি অ্যান্টিবডির উপস্থিতি সনাক্ত করে। সবচেয়ে সাধারণ পরীক্ষা হল এইচআইভি অ্যান্টিবডি পরীক্ষা, যা এইচআইভির প্রতিক্রিয়ায় শরীর দ্বারা তৈরি অ্যান্টিবডি সনাক্ত করে। আরেকটি বহুল ব্যবহৃত পরীক্ষা হল অ্যান্টিজেন/অ্যান্টিবডি পরীক্ষা, যা এইচআইভি অ্যান্টিবডি এবং অ্যান্টিজেনের জন্য।

    •লক্ষণ
    এইচআইভি সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণগুলি পরিবর্তিত হয় এবং তা অবিলম্বে দৃশ্যমান নাও হতে পারে৷ প্রাথমিক লক্ষণগুলি, প্রায়শই ফ্লু-এর মতো। এই ধরুন জ্বর, ক্লান্তি এবং ফোলা লিম্ফ নোড প্রভৃতি। সংক্রমণের অগ্রগতির সাথে সাথে লক্ষণগুলি আরও গুরুতর এবং স্থায়ী হতে পারে। যেমন ওজন হ্রাস, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি এবং ঘন ঘন সংক্রমণ। মনে রাখবেন, এইচআইভি সংক্রামিত লোকেরা বছরের পর বছর ধরে উপসর্গহীন থাকতে পারে।

    •এইচআইভি চিকিৎসা

    এইচআইভির চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি), যা ওষুধের সংমিশ্রণ। এটি ভাইরাসের জীবনচক্রের বিভিন্ন স্তরকে লক্ষ্য করে এবং ভাইরাল প্রতিলিপিকে দমন করে ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। অন্যদের মধ্যে ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি কমায়। ভাল ফলাফলের জন্য ART-এর প্রাথমিক সূচনা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি রোগের অগ্রগতি ধীর করে দিতে পারে সক্ষম। পাশাপাশি সুবিধাবাদী সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে।

    •চিকিৎসার কার্যকারিতা

    চিকিৎসার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করার জন্য ভাইরাল লোড এবং CD4 কোষের সংখ্যা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। এছাড়া সফল ব্যবস্থাপনার জন্য নির্ধারিত ওষুধের নিয়ম অনুসরণ করা জরুরি। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, এইচআইভি চিকিৎসার অগ্রগতি সংক্রামিত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করেছে। উপরন্তু, এখন সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য প্রি-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস (PrEP) উপলব্ধ।

    যদিও এই অগ্রগতিগুলি এইচআইভিকে এক সময়ের দুর্বল রোগ থেকে একটি পরিচালনাযোগ্য দীর্ঘস্থায়ী অবস্থায় রূপান্তরিত করেছে। সব শেষে মনে রাখতে হবে সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং চিকিৎসার অ্যাক্সেস এইচআইভির বিস্তার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিদের যত্ন প্রদানের জন্য অপরিহার্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cinnamon for Health: সুগারে ভুগছেন, সাথে ওজনও বাড়ছে? এই মশলার জলে চুমুক দিয়ে দেখুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cinnamon for Health: সুগারে ভুগছেন, সাথে ওজনও বাড়ছে ? এই মশলার জলে চুমুক দিয়ে দেখুন। সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার নিঞ্জা টেকনিক। কমবে ভুঁড়িও। সাথে হাজার হাজার উপকার! জানেন কোন পানীয়র কথা বলছি? কখন খেলো উপকার পাবেন? ঝট পট জেনে নিন! দৈনিক রুটিনের অনিয়ম, স্ট্রেস, উদ্বেগ, খাওয়া-দাওয়ার ধরন-সব মিলিয়েই প্রভাব পড়ে শরীরের উপর। বেড়ে যায় ওজন, আর ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণেই থাবা বসায় নানান রোগ। সুগার থেকে শুরু করে সব কিছুই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

    ওজন কমানোর জন্য শরীরচর্চা করা ডায়েট এরকম নানা পদক্ষেপ করা হয়। পাশাপাশি কিছু টোটকাও ব্যবহার করা যায়। যা সহজেই ওজন কমাতে সাহায্য করে। এমনই একটি টোটকা হল দারচিনি। বিভিন্ন রান্নার কাজে গোটা দারচিনি বা গুঁড়ো দারচিনি ব্যবহার করা হয়। এই মশলা কাজে লাগবে ওজন কমানোর জন্য। কীভাবে? ওজন কমানোর জন্য অনেকেই সকালবেলা খালি পেটে উষ্ণ জলে লেবুর রস মিশিয়ে পান করেন। আপনি লেবুর জলের বদলে দারুচিনির জল পান করলে বেশি উপকার পাবেন। কি করতে হবে জানুন?

    এক কাপ জলে গোটা দারচিনির কয়েকটি টুকরো দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপরে সেটিকে অল্প ঠান্ডা করে খাওয়া যেতে পারে। সকালে উঠে এই দারচিনি জল খাওয়া সবচেয়ে উপকারী হতে পারে। গোটা দারচিনি না থাকলে গরম জলে দারচিনি গুঁড়ো দিয়েও খাওয়া যায়।যদি জলে ফুটিয়ে খেতে ইচ্ছে না করে। সেক্ষেত্রে একটি গ্লাসে কয়েকটি দারচিনি রাতভর ভিজিয়ে রাখা যায়। এক্ষেত্রে জলের রং ততটা ঘন হবে না।সকালে সেটি খাওয়া যেতে পারে।

    দারুচিনির মধ্যে থার্মো‌জেনিক উপাদান রয়েছে, যা দেহের মেটাবলিক রেট বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এই মশলার মধ্যে থাকা উপাদান দেহে তাপ উত্‍পন্ন করে এবং হজম হওয়া খাবার থেকে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে। এটি মেটাবলিজমের উপর প্রভাব ফেলে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।

    দারুচিনি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তে সুগার লেভেল বশে থাকলে মিষ্টি ও ক্যালোরি যুক্ত খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমে। আর এতে ওজনও বশে থাকে। এটি ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য বেশ উপযোগী। ব্যয়ামের আগেও এটি খাওয়া যায়, দীর্ঘক্ষণ এনার্জি পাওয়া যায়। রক্তে শর্করা বৃদ্ধি মাত্রাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এই পানীয়। উচ্চ রক্তচাপ, এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।দারচিনিতে ভরপুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে, যা প্রদাহ রুখতে এবং আরও একাধিক কাজে প্রয়োজনীয়। ভাল থাকে ত্বকের স্বাস্থ্যও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Allergic Rhinitis: সকালের হাঁচি বন্ধ হবে এই উপায়ে! নিয়ম মানলে অ্যালার্জি ভ্যানিশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Allergic Rhinitis: ঘুম থেকে উঠতেই রোজ শখানেক হাঁচি! উফ! হাঁচতে হাঁচতেই হাফিয়ে উঠছেন তো অন্য কাজ করবেন কীভাবে? আপনি জানেন আপনার অ্যালার্জি রয়েছে কিন্তু ওধুধ খেয়েও তো কোনও লাভ হচ্ছে না। ঘুম থেকে উঠে হাঁচি হতে থাকলে কীভাবে থামাবেন? ঘরে এঅ সহজ কিছু টিপসগুলো মেনে চলুন দেখবেন আরাম পাবেন আপনি।। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে হাঁচি শুরু হয়ে যায় থামতেই চায় না। অ্যালার্জির কারণে এই সমস্যা হয়। আচ্ছা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস কী হয় জানেন?

    ঘুম থেকে উঠেই খালি পায়ে হাঁটবেন না ঠান্ডা ও হাঁচির মতো সমস্যা থেকে সেই মুহুর্তে আরাম পেতে ভাপ নিন। হাঁচির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে জল ফুটিয়ে তাতে কর্পূর মিশিয়ে ভাপ নেবেন এভাবে হাঁচি থেমে যাবে আপনার। ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম জল খাবেন। আরাম পাবেন অনেকটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরাও। আপনার এই সমস্যাকে চিকিৎসকেরা বলে থাকেন অ্যালার্জিক রাইনিটিস। নাকের মধ্যে যদি ধুলো, ময়লা, বালিশের রোঁয়া ঢুকে যায় তাহলেই হাঁচি চলে আসে। আবার বডি স্প্রে, উগ্র কোনও গন্ধ এই সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। সেজন্যই আপনি নাগাড়ে হাঁচতে থাকেন। ধুলো, বালিতে এলার্জি থাকলে বাইরে যাওয়ার আগে মুখে রুমাল বা স্কার্ফ বেঁধে নিন। ধুলো, বালির সঙ্গে রোদ থেকেও সহজেই বাঁচা যায়। অ্যালার্জির সমস্যা যাঁদের আছে তাঁরা দুদিন ছাড়া বালিশের কভার, চাদর পরিষ্কার করুন।

    বদ্ধ রুমে বডি স্প্রে একদমই লাগাবে না, যাতে আপনার শ্বাস নিতে কোনও সমস্যা না হয়। আমাদের নাক শ্বাসের সঙ্গে প্রবেশ করা ধূলিকণা এবং ক্ষতিকারক পদার্থকে সরাসরি শরীরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। কিন্তু যখন এই কণা বা ক্ষতিকারক পদার্থগুলো কোনও ভাবে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তখন শরীর তাদের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখায়। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া আসে হাঁচির আকারে। তাপমাত্রার ওপর নিচ হলেও অনেকের ঘুম থেকে উঠে হাঁচি হয়। কারণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন আমরা ঘুমোই তখন আমরা একটি উষ্ণ এবং আরামদায়ক অবস্থার মধ্যে থাকি। তারপর সকালে ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই কিছুটা ঠান্ডা পরিবেশের সম্মুখীন হতে হয়। যার ফলে অনেকের ক্ষেত্রে হাঁচির সমস্যা হয়।

    যাঁরা সকালে হাঁটতে বেরোন কিংবা অন্যান্য কাজে সকালে বেরোতে হয় শীতের মরশুমে তাঁরা সাবধানে থাকবেন।
    অবশ্যই ভালো করে গরম জামাকাপড় পরে তারপর বাইরে বেরোবেন। ধোঁয়া এবং ধুলো থেকে দূরে থাকাই ভালো। দূষণ এড়াতে প্রয়োজনে মাস্ক পড়ুন। বাড়াবাড়ি হলে এবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Alum Health Benefits: একাধিক রোগ থেকে দূরে রাখে ফিটকিরি, জানেন সঠিক ব্যবহার?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Alum Health Benefits: একটি ফিটকিরি আপনার ভাগ্য বদলে দিতে পারে, কীভাবে জানেন? একাধিক রোগ থেকে দূরে রাখে ফিটকিরি, জানেন ফিটকিরির সঠিক ব্যবহার? আমাদের অনেকের বাড়িতেই এই সাদা রঙের পাথর রাখা থাকে। এই শ্বেতপাথরকে আমরা ফিটকিরি নামেই চিনি।ফিটকিরির ব্যবহার আজকের নয়, প্রাচীনকাল থেকেই। সাদা এই পাথরের অনেক উপকারিতা রয়েছে। বিশেষ করে এর অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে যা আমাদের রোগ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও অনেকেরই বিশ্বাস, ফিটকিরি বাড়িতে থাকলে নেগেটিভ এনার্জি আসতে পারে না।

    অনেকে ফার্স্ট এইড বক্সেও ফিটকিরি রাখেন। কারণ যখনই পরিবারের শিশু বা বৃদ্ধরা আঘাত পান বা কেটে-ছড়ে যায়, সেই অংশ ফিটকিরি দিয়ে পরিষ্কার করেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ফিটকিরির একাধিক উপকারিতার কথা! আর ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি গুলি।

    ফিটকিরি ইউরিন ইনফেকশন দূর করে। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল গুণাগুণ ফিটকিরিতে পাওয়া যায়, যা ইউরিন ইনফেকশন দূর করতে সহায়ক। গোপনাঙ্গ ফিটকিরির জল দিয়ে পরিষ্কার করা হয়, যা সংক্রমণ কমায়।

    ছোট খাটো চোটেও কাজে দেয়। প্রায়শই ছোট শিশু এবং বৃদ্ধরা অনেক সময় আঘাত পায় যার কারণে তাদের রক্ত ​​বের হতে থাকে। আঘাতের স্থান ফিটকিরির জল দিয়ে পরিষ্কার করলে রক্তপাত বন্ধ হয়। এছাড়াও, এটিতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। বাড়িতে মায়েরা সন্তান আঘাত পেলে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

    ত্বকের জন্যও উপকারী দারুন উপকারী। ফিটকিরির জল দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করলে মুখ পরিষ্কার হয়। একইভাবে, এটি মুখের জন্য ন্যাচরাল ক্লিনজারের কাজ করে এবং ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।

    ফিটকিরি ওরাল হেল্থের জন্যও ভাল। দাঁতের জন্য প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ হিসেবে কাজ করে ফিটকিরি। জলেতে রেখে গার্গল করলে দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এর সাথে মুখের দুর্গন্ধের সমস্যাও দূর হয়।

    অনেক সময় শ্যাম্পু মাথার ত্বকের ময়লা দূর করতে পারে না যার কারণে মাথায় উকুন দেখা দিতে শুরু করে। ফিটকিরির জল দিয়ে মাথা ধুলে তা মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় গিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে। মাথায় উপস্থিত উকুনও এর জলে মারে যায়।

    ব্রণর সমস্যাও দূর করতে পারেন ফিটকিরি দিয়ে। মুখে ব্রণ হলে ব্রণের ওপরে জাস্ট ফিটকিরি ঘষে নিন৷ ব্রণ দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Sleep Rules: রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যায়? বিপদ হতে পারে, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Sleep Rules: রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যায়? বা ঘুম সহজেই আসতে না চাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন? আচ্ছা ভেবে দেখেছেন কি কেন এমনটা হচ্ছে? এর পিছনে রয়েছে একগুছ কারণ। যা শরীরের পক্ষে একদমই ভালো নয়। কি কি ক্ষতি হতে পারে জানা আছে ? আর এই সমস্যা এড়াতে কি করবেন? বিশেষজ্ঞদের মতে এভাবে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়াটা স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ মারাত্মক। প্রধানত শ্বাস প্রঃশ্বাসে বাধা পাওয়ার কারণেই ঘুম ভেঙে যায়। সারাদিন ঘরে বাইরে হাড় ভাঙা খাটুনির পর বিছানায় শুলেই যে ঘুম চলে আসবে এটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি সহজে ঘুম না আসে? তখন কি করবেন? আর ঘুমিয়ে গেলেও মাঝরাতে হঠাৎ যদি ঘুম ভেঙে যায়?

    ডাক্তারি ভাষায় একেই বলে ‘আনকনশাস ওয়েকফুলনেস’। এটি সাধারণত মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি হয়। হঠাৎ করে কোনও শব্দ শুনে বা অস্বস্তির কারণে মহিলাদের ঘুম ভেঙে যায়। কখনও কখনও ঘুমের মধ্যে বুকের ভিতরটা ধক করে উঠেও ঘুম ভেঙে যায়। কারও কারও আবার একটা নির্দিষ্ট সময়েই ঘুম ভাঙে। আর ঘুম ভেঙে দেখে রাজ্যের চিন্তা মাথায় এসে ভিড় করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে এভাবে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়াটা স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ মারাত্মক। প্রধানত শ্বাস প্রঃশ্বাসে বাধা পাওয়ার কারণেই ঘুম ভেঙে যায়। এর ফলে ব্যথা, অঙ্গ প্রত্যঙ্গের অস্বস্তি, ট্রমা, গা গরম অথবা খুব ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে। ঘুম ভাঙার এই সমস্যা বাড়তে শুরু করায় রক্ত চলাচলের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। মনোবিদরা বলেন রাতের ঘুমে ব্যাঘাত না ঘটানোর কয়েকটি কৌশল রয়েছে সেগুলি একটু মেনে চললেই সমস্যার সমাধান করা যায়।

    শ্বাস বন্ধ হয়ে ঘুম প্রায়ই ভেঙে যায়। সেই সমস্যা মেটাতে গেলে শোওয়ার পোজিশন ঠিক করুন। দম বন্ধ হয়ে গেলে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। শ্বাস নিতে সুবিধে হবে। চেষ্টা করুন শব্দহীন ঘরে ঘুমোতে। ঘুমোবার আগে ডিপ ব্রিদিং করলে খুব তাড়াতাড়ি এবং গাঢ় খুব আসে। প্রতিদিন শরীরচর্চা করলে রাতে ভালো ঘুম হয়। প্রয়োজন নিয়মিত মেডিটেশন করাও। সমস্যা অতিরিক্ত হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। রাতে কফি বা কোনও নেশা করবেন না।

    এই সমস্যায় প্রধানত হার্টের রোগই ধরা পড়ে। তাই রাতে শব্দহীন ঘরে ঘুমোন। আয়ুর্বেদিক ম্যাসাজ, যোগাসন ইত্যাদির সাহায্যেও ঘুম আনা যায়। তবে সবচেয়ে আগে প্রয়োজন মানসিক শান্তি। উদ্বেগ, অবসাদ, চিন্তা ইত্যাদি থাকলে মনোবিদের সাহায্য নিন। যোগ ব্যায়াম করুন। মনের অসুখের কারণে দেহের অসুখ শুরু হলে কিন্তু আখেরে ক্ষতি আপনারই। তাই এই কাজ গুলি করলে রাতে ঘুম ভালো হবে। আর শরীরও থাকবে সুস্থ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version