Tag: helth

  • Ear Health Tips: কানের যত্ন নিন! আপনার কিছু অভ্যাস কানের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে

    Ear Health Tips: কানের যত্ন নিন! আপনার কিছু অভ্যাস কানের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ear Health Tips: কানের যত্ন নিন! আপনার করা কিছু ভুল কানের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।কিছু অভ্যাস এড়িয়ে না গেলে বার্ধক্যের আগেই কম শোনার সমস্যা দেখা দেবে। বয়স বাড়লে শ্রবণশক্তি কমতে থাকে। খেয়াল রাখলে দেখা যাবে বাড়ির বয়স্ক সদস্যেদের অনেক সময় কানে শুনতে সমস্যা হয়। একই কথা বার বার বলতে হয়। প্রয়োজনে একটু চেঁচাতেও হয়। বয়সের চাকা যত সামনের দিকে এগোতে থাকে, শরীরের প্রতিটি অঙ্গেরও কার্যক্ষমতা কমতে থাকে।

    মূলত ৬০ থেকে ৬৯ বছর বয়সি মানুষদের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ মানুষ শ্রবণ সংক্রান্ত সমস্যায় ভোগেন। তবে ইয়ারফোন, মোবাইলের অত্যধিক ব্যবহারে অবশ্য ইদানীং কম বয়সিদের মধ্যেও শ্রবণজনিত বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাই কান ভাল রাখতে কয়েকটি অভ্যাস এড়িয়ে চলা জরুরি। স্নানের পরে কান ভালো করে টাওয়াল দিয়ে শুকিয়ে নিন। কানের ভিতরে যেন জল না থাকে। কানের ওয়াক্স বা ময়লা এমনিই বেরিয়ে আসে। আলাদা করে ইয়ারবাড ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। সেফটিপিন বা কাঠি দিয়ে খোঁচাখুঁচিও করতে হয় না। বরং এই ধরনের জিনিস ব্যবহার করতে গিয়ে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কানের ক্ষত তৈরি হতে পারে। সেখান থেকে হতে পারে সংক্রমণ।

    কানে ওয়াক্স জমে পাথর হয়ে গেলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে তিনি কানে দেওয়ার জন্য ড্রপ দেবেন। সেই ড্রপ কয়েকদিন ব্যবহারে কানের ওয়াক্স নরম হয়ে যায়। এরপর ইএনটি চিকিৎসক সহজেই সেই ওয়াক্স বের করে দেন।
    কান ভাল রাখতে গেলে সব চেয়ে আগে যা করতে হবে তা হল পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। নিজের ইয়ারফোন নিজেই ব্যবহার করবেন। অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দিলে অবশ্যই তুলোয় জীবাণুনাশক দিয়ে ইয়ারফোন পরিষ্কার করুন ও তারপর ব্যবহার করুন।

    কানে তেল দেওয়া ভাল, অনেকেই তা বিশ্বাস করেন। কিন্তু চিকিত্‍সকদের মতে, এই অভ্যাসের ফলে শ্রবণযন্ত্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ঠান্ডায় কানের প্রচণ্ড ক্ষতি হতে পারে। এই বিষয়টির দিকে নজর দিতেই হবে। তাই ঠান্ডায় কান ঢেকে রাখাটাই সঠিক কাজ। যাঁরা এটি করেন না, তাঁরা ভুল করেন। ট্রেন বা যেকোন গাড়ির জানলা ধারে বসলেও কানে প্রবল জোরে হাওয়া লাগে। এতেও কিন্তু কানের ক্ষতি হয়। তাই চেষ্টা করবেন সেই সময় ও কান ঢেকে রাখার।

    সারা ক্ষণ কানে হেডফোন দিয়ে গান শোনার অভ্যাসও কিন্তু কানের ক্ষতি করে। এমনিতে যে কোনও আওয়াজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬৪ ডেসিবেলের মাত্রা বেঁধে দেওয়া থাকলেও হেডফোনের তেমন কোনও বিধি-নিষেধ নেই। কিন্তু তীক্ষ্ম যে কোনও আওয়াজই যে কানের ক্ষতি করে, তেমনটাই মত চিকিত্‍সকেদের। আর কানে যে কোনো রকমের ব্যথা বা সংক্রমণ বুঝলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। নিজে ডাক্তারি করতে যাবেন না একেবারেই। তাহলেই আপনি আপনার কানকে সুস্থ রাখতে পারবেন।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Raw vs cooked vegetables: সবজি কাঁচা খাবেন নাকি রান্না করে? সবজি খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Raw vs cooked vegetables: সবজি মাত্রই স্বাস্থ্যকর, তবে কাঁচা খাবেন নাকি রান্না করে? আচ্ছা, কোন কোন সবজি একদম কাঁচা খাওয়া উচিত জানেন? সবজি ঠিক কী ভাবে খেলে বেশি সুফল মিলবে? জাকিয়ে ঠান্ডা পড়ার আগে থেকেই বাজারে শীতকালীন সব্জি ভিড় করতে শুরু করেছে। শিম, গাজর, পেঁয়াজকলি, পালংশাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি— মরসুমি সব্জির তালিকা বেশ দীর্ঘ। বাজারে ব্যাগে মাছ, মাংসের সঙ্গে রকমারি সব্জিও থাকছে। সব্জির স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার দরকার নেই। ওজন কমানো থেকে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, এমনকি কঠিন রোগের ঝুঁকি কমাতেও সব্জির জুড়ি মেলা ভার।

    সব্জি স্বাদ এবং স্বাস্থ্য, দুইয়েরই যত্ন নিতে পারদর্শী।কিন্তু সব্জি খাওয়া নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, সমস্ত স্বাস্থ্যগুণ পেতে গেলে কাঁচা সব্জি খাওয়া জরুরি। আবার কারও মতে, রান্না করা সব্জিই সবচেয়ে ভাল দেখাশোনা করে শরীরের। কোন দিকে পাল্লা ভারী? পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, সব্জি দু’ভাবেই খাওয়া যেতে পারে। তবে নির্ভর করছে, কোন সব্জি কী ভাবে খাচ্ছেন তাঁর ওপর। কাঁচা সব্জিতে জলের পরিমাণ অনেক বেশি। এ ছাড়া ভিটামিন, মিনারেলস, ফাইবারের পরিমাণও বেশি থাকে। কাঁচা খেলে সেই উপাদান শরীরে সরাসরি প্রবেশ করে। সমস্ত সবজি খাবারই সঠিক নিয়ম রয়েছে। জেনে নিন সেই নিয়ম গুলি।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চতাপ বা চড়া আঁচে খাবার তৈরি করলে পুষ্টিগুণ কমে যায়। তবে শাক, টমেটো হাইফেমে সিদ্ধ করে জল ঝরিয়ে ফেললে পুষ্টি রঙ ও বুনন ঠিক থাকে। নরম সবজি যেমন-ব্রোকলি, ফুলকপি, গাজর ও শতমূলী সিদ্ধ করার চেয়ে ভাপে রান্না করা ভালো। স্বাদের সঙ্গে বজায় থাকে পুষ্টিও। মাইক্রোওয়েভ এবং ফুটানো ব্রকলি সবজি থেকে ক্লোরোফিল, দ্রবণীয় প্রোটিন, শর্করা এবং ভিটামিন সি-এর মাত্রা হ্রাস করেছে। হাই ফেমে রান্না করলে সবজি পুষ্টিগুণ হারিয়ে যায় আবার রোস্ট করা, বারবিকিউ করা বা গ্রিল করলে শাকসবজির গুণ কমে না। আজকাল এয়ার ফ্রায়ারে ডিপ ফ্রাই করা হয় যা ভালো বলে মনে করা হয়।

    বলা হয়, কাঁচা সবজির চেয়ে রান্না করা শাকসবজির পুষ্টির পরিমাণ ও গুণমান আলাদা। মজার বিষয় হল, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রনের মতো খনিজ অনেক কাঁচা সবজিতে পাওয়া যায়। রান্না করার সময় সেই পুষ্টি, বিশেষ করে ভিটামিন, রান্নার প্রক্রিয়ার সময় হারিয়ে যায়। কাঁচা ফল এবং শাকসবজিতে ভিটামিন সি এবং বি ভিটামিনের মতো আরও পুষ্টি থাকে। এই কারণেই পুষ্টিযুক্ত কাঁচা শাকসবজি রান্নার পর পুষ্টিগুণ হারিয়ে যায়। বেল পেপার, ব্রোকলি, রসুন, পেঁয়াজ কাঁচা বা রান্না দুভাবেই খেতে পারেন গুন একই থাকবে। সবসময় অল্প তেলে আর অল্প আঁচে।

    কাঁচা শাকসবজি খাওয়ার উপকারিতা থাকলেও তা সবার জন্য নাও হতে পারে। কিছু মানুষ, বিশেষ করে যাদের গ্যাসের সমস্যা রয়েছে। তাঁরা বাঁধাকপি, ব্রকলি, ফুলকপি এবং ব্রাসেল স্প্রাউটের মতো শাকসবজি কাঁচা খাবেন না। গ্যাস বা পেট ফোলার সমস্যায় ভুগতে পারেন। তবে, কিছু খাবার কাঁচা খাওয়ার চেয়ে রান্না করা ভালো। যেমন গাজর এর মধ্যে বেশি জৈব উপলভ্য বিটা-ক্যারোটিন রয়েছে, যা ভিটামিন A-এর উৎস।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mouth Ulcer: মুখের ঘা নিয়ে অস্বস্তি! রেহাই পেতে কি করবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mouth Ulcer: আমাদের অনেকেরই মাঝে মধ্যেই মুখে ঘা হয়। আর ঘা হলে খাওয়াদাওয়া করতে বা কথা বলার সময়ে বেশ বিপাকে পড়তে হয়। এই সমস্যা দীর্ঘ দিন উপেক্ষা না করাই ভাল। সামান্য ঘা ভেবে অবহেলা করলে কিন্তু বিপদ হতে পারে। আপনি কি জানেন ঠিক কি কি কারণে হয় এরকম ঘা? এই সমস্যা কিন্তু মুখে আলসারের লক্ষণও হতে পারে।কোন ঘরোয়া টোটকা আপনি কাজে লাগাতে পারেন এই ঘা দূর করার জন্য?

    মুখের ঘা নিয়ে মানুষের সমস্যার শেষ নেই। বহু মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। আর যাঁদের এই সমস্যা রয়েছে তাঁরা জানেন সমস্যাটা কতটা গভীর। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই রোগটি নিয়ে সতর্ক হয়ে যেতে হবে। এই রোগের পিছনে অনেক কারণ থাকে। তাই এই রোগটি নিয়ে সতর্ক হতে হবে।এই রোগ সব ধরনের মানুষের মধ্যেই দেখা যায়। এমনকী সব বয়সেই এই সমস্যা তৈরি হয়ে যায়।ভিটামিন বি১২ ও জিঙ্কের ঘাটতির কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে শুধু ভিটামিনের অভাবেই এই সমস্যা হয় না। এর পাশাপাশি সিগারেট, জরদা সহ সব ধরনের তামাক, মুখের ইনফেকশনের কারণে হয়। এছাড়া দাঁত ভাঙা থাকলে তার খোঁচা গালে লেগে ক্ষত তৈরি হয়।এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য, বা হরমোনের সমস্যার কারণে মুখের ভিতরে আলসার হতে পারে। অনেকে আবার ব্রেসেস পড়েন, তাঁদেরও মাঝেমাঝে এই সমস্যা হয়।

    কি করবেন এমন সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে?

    মুখে ঘা হলে ক’দিনের জন্য টক, ঝাল জাতীয় খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। না হলে মুখে জ্বালা অনুভূত হবে। মুখ সব সময়ে পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। আর কী কী করলে আলসারের বা মুখের যেকোনো ঘা এর তীব্র যন্ত্রণা থেকে চটজলদি রেহাই পাবেন, রইল হদিস।

    আলসার বা ঘা কমাতে ঈষদুষ্ণ জলে সামান্য নুন মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এতে আরাম পাবেন। দিনে তিন থেকে চার বার করলে ব্যথা ও ঘা দুই-ই কমে আসবে।

    ঘায়ের জায়গায় সামান্য মধু লাগিয়ে রাখতে পারেন, বেশ উপকার পাবেন। কয়েক ঘণ্টা অন্তর অন্তর মধু লাগালে তবেই সুফল পাবেন।

    ঘায়ের জায়গায় বিশুদ্ধ নারকেল তেল লাগিয়ে রাখলেও বেশ আরাম পাওয়া যায়।

    যে কোনও ঘায়ের মোক্ষম দাওয়াই হতে পারে হলুদ। মুখে যে জায়গায় ঘা হয়েছে, সেই স্থানে হলুদ বাটা লাগিয়ে রাখতে পারেন। কিছু দিন ব্যবহার করলেই ঘায়ের তীব্র জ্বালা-যন্ত্রণা করবে।

    বেকিং সোডা ঘা সারাতে দারুণ উপকারী। এক কাপ জলে এক চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে কুলকুচি করলে ঘা কমে যাবে। তাছাড়া বেকিং সোডার সঙ্গে সামান্য জল মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে পারেন। সেই পেস্ট ক্ষতস্থানে লাগিয়ে রাখলেও বেশ উপকার পেতে পারেন।

    পাশাপাশি ভিটামিনের অভাব মেটাতে চাইলে খেতে হবে সবুজ শাক, সবজি। এই খাদ্যে ভালো পরিমাণে থাকে ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। এছাড়া খেতে পারেন ভালো পরিমাণে ফল। ফলের মধ্যেও রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • COVID in WB: রাজ্যে করোনা আতঙ্ক, নজরদারি বাড়াতেই মিলল সংক্রমণের হদিশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    COVID in WB: স্বস্তি নেই। নজরদারি বাড়াতেই রাজ্যে ধরা পড়ল ৫ করোনা সংক্রমিতের হদিশ। শুরুটা হয়েছিল সেই ২০১৯ সালে। তারপর মাঝে কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা বছর। গোটা পৃথিবী কাটিয়েছে হরর মুভির দৃশ্যের মতো। অভিশপ্ত লকডাউনের কারণে ধ্বস নেমেছিল অর্থনীতিতে। করোনা সংক্রমণের ঢেউ সামলে গোটা পৃথিবী যখন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে, অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, ঠিক তখনই আবার নতুন আশঙ্কা। অযথা আতঙ্কিত হবে না। সাবধানে থাকুন। একটু সতর্কে চলাফেরা করুন। কারণ আবার নতুন করে করোনা সংক্রমণ শুরু হয়েছে।

    আপাতত পাওয়া আপডেট অনুযায়ী, রাজ্যে বর্তমানে কোভিড পজিটিভের সংখ্যা ৫। যার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনজন। আর বাকি দুজন রয়েছেন হোম আইসোলেশনে। জানলে খারাপ লাগবে, এই যে তিনজন হাসপাতালে রয়েছেন তার মধ্যে একজনের বয়স মাত্র ৬ মাস। বিশ্বজুড়ে এখন নতুন উদ্বেগের নাম করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট জেএন.১।

    ৬ মাসেই ওই শিশু বিহারের বাসিন্দা। এখন ভর্তি রয়েছে কলকাতার মেডিকেল কলেজে। অপর দুজন করোনা সংক্রমিত ভর্তি রয়েছেন বেসরকারি হাসপাতালে। সম্প্রতি নতুন করে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে করোনা। ভারতের মধ্যে কেরালায় গ্রাফ্রউর্ধ্বমুখী। বিষয়টা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই সমস্ত রাজ্য থেকে শুরু করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গুলোকে পাঠানো হয়েছে কোভিড গাইডলাইন। সংক্রমণ হার এবং পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে হয়েছে জরুরি বৈঠক। যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তারা। রাজ্য জুড়ে আরো জোরদার করা হয়েছে নজরদারি। এই সময়টা আতঙ্কিত না হয়ে, একটু সতর্ক এবং সাবধানে থাকুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: কক্সবাজারের ফিশ ফ্রাইয়ে বিষ ? সুগন্ধা পয়েন্টে জীবন্ত ফাঁদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্ট! এতো এতো দাম দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে বিষ পরিবেশন করা হচ্ছে?সাগরের বুক চিরে কিভাবে জীবন্ত ফাঁদ পেতে বসে আছে বাংলাদেশ? এত এত ফিস ফ্রাই এর দোকান।বিক্রি হচ্ছে প্রন, লবস্টার, কাঁকড়া, বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ। সবটাই কি নকল? পচা? মৃত্যুও কি ঘটেছে?তারপরেও তো হু হু করে উড়ে যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত লোভ কাজ করছে। ভেতরে ক্যান্সার জাঁকিয়ে বসতে পারে কিন্তু দেখুন কিভাবে ব্যবসার নামে জীবন নিয়ে খেলছে কক্সবাজার। সমুদ্র সৈকতে যাবেন, আর সন্ধ্যার ফিস ফ্রাই মার্কেট আপনাকে কাছে টানবে না এটা অসম্ভব। ঠিক যেমনটা ঘটে বাংলাদেশের কক্সবাজারে। সুগন্ধা পয়েন্টের আকর্ষণে আপনি লোভে পড়তে বাধ্য। এখানেই তো বড়সড় ট্র্যাপ। জানুন কি ঘটছে।

    আপনি অর্ডার করছেন, গরমা গরম সী ফুড সাজানো প্লেট আসছে, অদ্ভুত স্বাদ। কিন্তু কি খাচ্ছেন? সেই খোঁজটা কি রাখছেন? কক্সবাজারে ফিশ ফ্রাই বলে পর্যটকদের আসলে কী খাওয়ানো হচ্ছে? জানেন এই মাছ কতটুকু স্বাস্থ্যকর বা যে তেলটা ফ্রাইয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা কতটা মানসম্মত? পুরোটাই কি নকলের খেলা? প্রশ্নগুলো উঠছে কারণ, এই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায়শই উঠে আসে পচা বা বাসি মাছ বিক্রির পাশাপাশি জোরজুলুম করে এক্সট্রা টাকা আদায়ের অভিযোগ। ব্যবসার নামে ভয়ানক খেলা। সময়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু পর্যটক বলছেন এখানে বিক্রি করা হয় পচা বা বাসি মাছ। যেটা অনেকেই জানতেন না। মাছগুলো দেখে মনে হবে একদম তাজা, কিন্তু তার আড়ালে পচা-বাসি সি ফুড খাওয়ানো হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই উচিত নয়। না, আমরা কোনো গুজব ছড়াচ্ছিনা।

    সম্প্রতি, কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ফিশ ফ্রাইয়ের দোকানে অভিযান চালিয়েছিল জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনিক আধিকারিকদের দেখে কয়েকজন ব্যবসায়ী দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান। সেইসময় পচা বা বাসি মাছ বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি করা হয় কয়েক হাজার টাকা জরিমানা। ফিশ ফ্রাইয়ের সব দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রায় সব দোকানেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে খাবার। বাজার থেকে কম দামে পচা মাছ কিনে এনে ব্যবসায়ীরা সেগুলোই দুর্দান্ত ভাবে পরিবেশন করে খাওয়ানো হচ্ছে পর্যটকদের। ওই দোকানগুলোর সবচেয়ে বেশি অস্বাস্থ্যকর ভোজ্য তেল সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হচ্ছে, পোড়া তেলেই ভাজা হচ্ছে একের পর এক সি ফুড। দাঁড়ানোর অবস্থাও নেই। এমনকি দামও নেওয়া হচ্ছে বেশি।

    তাই, যখন মান বা খাবারের কোয়ালিটি ঠিক করে প্রমাণ করতে পারবে দোকানগুলো তখন আবার চালু করার সুযোগ পাবে। তা জানিয়ে দিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। এইসব দেখে শুনে পর্যটকদের মনে বাসা বাঁধছে ভয়। পর্যটকরা বলছেন, সৈকত এলাকায় সামুদ্রিক মাছ ফ্রাই খুবই পছন্দের খাবার কিন্তু তা নিয়ে নয়-ছয় করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে, ধুলো বালি সমেত, পোড়া তেলে ফ্রাই খাবারগুলো খাওয়ার ফলে মানবদেহে গ্যাস্ট্রক সহ ক্যান্সারের মতো রোগ ও বাসা বাঁধতে পারে। মনে করিয়ে দিই, কক্সবাজারে এমনও ঘটনা ঘটেছে। ওই মাছের দোকানগুলোথেকে ফিশ ফ্রাই খেয়ে পর্যটকের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। তারপর প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে। জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কি আদৌ হয়েছে?

    পরিস্থিতি যে এতটুকু বদলাইনি, সেটা আরো একবার প্রমাণিত। তাই, পর্যটন নগরী কক্সবাজারে সন্ধ্যা নামলেই পর্যটকদের জন্য প্লেট ভর্তি লোভনীয় টুনা, স্যালমন, রুপচাঁদা, কোরাল, রেড স্নাইপার, সুরমা, স্কুড, অক্টোপাস খাওয়া কতটা সেফ সেটা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। যে কক্সবাজারের প্রতি পর্যটকদের তীব্র আকর্ষণ, যেখানে পর্যটকদের জীবনের প্রশ্ন জড়িয়ে, সেই সমুদ্র সৈকতের উপর আরো বেশি কড়া নজরদারি কি উচিৎ নয় স্থানীয় প্রশাসনের! এই প্রশ্নগুলো থেকেই যাচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Covid-19: ভয় ধরাচ্ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট, কী খবর বাংলার ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Covid-19: ফের ভয় ধরাতে শুরু করেছে করোনা। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিতর সংখ্যা অনেকটা বেড়েছে। এক দিনে করোনায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৬১৪ জন। গত ৭ মাসে দেশে যা সর্বোচ্চ। গত ২১ মে’র পর এই প্রথমে এক দিনে দেশে এত সংখ্যক মানুষ করোনায় সংক্রমিত হলেন। দেশে হঠাৎ করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্রীয় তৎপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পর্যালোচনা বৈঠক করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় ছিলেন বৈঠকের নেতৃত্বে। করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য সতর্ক করা হয়েছে সব রাজ্যকে। সর্বক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে করোনা পরিস্থিতির দিকে। সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, যারা করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তাদের নমুনা সার্স কোভ ২ জিনোমিক্স কনসর্টিয়ামের পরীক্ষাগারে পাঠাতে।

    স্বাস্থ্য দফতরের একজন সিনিয়র আধিকারিক জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং রাজ্য যে কোনও জরুরি অবস্থা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। ভারতে JN.1 ভ্যারিয়েন্টের প্রথম কেস সনাক্ত হওয়ার পরে, কেন্দ্র রাজ্যগুলিকে অবিরাম নজরদারি বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করার পরে, রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর ২৪ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে এখানে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির একটি পর্যালোচনা বৈঠক করেছে।

    কী খবর বাংলার ?

    আসন্ন ক্রিসমাস এবং বর্ষবরণ, তাই এই মুহূর্তে জনসমাগম নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছে রাজ্য। ইতিমধ্যেই কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়েছে সতর্কবার্তা। সেই কারণে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার। গতকাল নবান্নে স্বাস্থ্যসচিব বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিবের সঙ্গে। রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে মুখ্যসচিবের কাছে। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, আজ মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে হবে বৃহত্তর বৈঠক।জরুরি ভিত্তিতে এই নিয়ে বৈঠক ডাকে কলকাতা পুরসভাও। সব মিলিয়ে কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্টের ওপর কড়া নজর রাখছে রাজ্য সরকারও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cauliflower: এই কারণটা জানলে ফুলকপি দেখলে নাক সিটকোবেন না! মারণরোগের ওষুধ, কী কী গুণ জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cauliflower: শীতকাল মানেই ফুলকপি! সকালের রুটির তরকারির সাথে হোক বা মাছের ঝোলে ফুলকপি খেতে খেতে মুখ পচে গেল বলুন? যতই হেলাফেলা করুন শীতের এই সবজি কত কাজের জানেন! ওজন কমাবে ফুলকপি! অবাক হচ্ছেন? আরো কত গুণ! হার্টের অসুখ থাকলে পাতে রাখুন রোজ এবার থেকে ফুলকপি দেখলে নাক সিঁটকানো বন্ধ করে দেবেন যদি এই উপকারিতাগুলো জানতে পারেন। তবে একটা রোগ থাকলে ফুলকপি না খাওয়াই ভালো। আচ্ছা ওজন নিয়ে আপনি খুব চিন্তিত?তাহলে ফুলকপি আপনার জন্য বেস্ট। রোগা হবেন এবার শীতের এই সব্জি খেয়ে। আরও কী কী গুণ জানাবো।

    ফুলকপিতে প্রচুর ফাইবার আছে! যা শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন হৃদরোগের রোগীদের জন্য ফুলকপি বেশ ভাল। ফুলকপিতে সালফোরাপেন আছেতা হৃদরোগে বিরুদ্ধে লড়তে পারে ক্যানসার কোষকে ধ্বংস করে। স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যানসারের জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ার ক্ষমতাও আছে ফুলকপির মধ্যে। টিউমার বাড়তে দেয় না বুঝতেই পারছেন ফুলকপি কত গুণে ভরা। একটা সবজির মধ্যে এতো গুণ রয়েছে। আগে জানতেন ?

    শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রয়োজন এবার দেখা গিয়েছে যে ফুলকপির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে শরীরে বিভিন্ন ক্ষতি থেকে আমাদের বাঁচাতে পারে ওজন বাড়তে থাকলে অনেক সমস্যাই দেখা দিতে পারে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে সুগার, প্রেশার ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে ফুলকপি নিয়মিত খেতে শুরু করলে অনেক সমস্যাই দূর করে দেওয়া সম্ভব। কারণ এই খাবারে কম ক্যালোরি থাকে তাই ওজনও কমতে থাকে। ভিটামিন বি, সি এবং কে রয়েছে ফুলকপিতে এই তিনটি উপাদানই শরীরের প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন এ রয়েছে এই সব্জিতে তার প্রভাবে বাড়ে দৃষ্টিশক্তি। চোখ সুস্থ রাখতে তাই নিয়মিত ফুলকপি খাওয়া জরুরি। ফুলকপিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং ফ্লোরাইড যা দাঁত ও মাড়ির যত্ন নিতে সাহায্য করে। এই উপাদানগুলো শরীরের হাড়ও দাত শক্ত করে।

    একটা রোগের ক্ষেত্রে ফুলকপি উল্টে ক্ষতি করতে পারে।মনে রাখতে হবে এত গুণে ভরা ফুলকপি কিন্তু সকলে খেতে পারে না।  যাদের গ্যাস, অম্বল বা পেট ফাঁপার সমস্যা রয়েছে তাঁরা ফুলকপি একদম খাবেন না।থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ফুলকপি না খাওয়াই ভাল। কারণ ফুলকপি শরীরে টি-থ্রি টি-ফোর হরমোনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে পারে। এখন সারা বছর ফুলকপি পাওয়া যায়। তাজা ফুলকপি খেতে হলে শীতই সেরা সময়। তাই যত খুশি খেয়ে নিন উপকার হবে আপনারই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Home Remedies of Sinus Pain: সাইনাসের তীব্র যন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছেন? ঘরোয়া উপায়ে করুন সমাধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Home Remedies of Sinus Pain: শীত পড়তেই সাইনাসের সমস্যা হানা দিয়েছে? কোন উপায়ে দূর করবেন এই অসহ্য যন্ত্রনা? দেখুন কিছু ঘরোয়া টিপস! সর্দি-কাশি, জ্বর, হাঁচি তো আছেই, সেই সঙ্গে সাইনাসও জাঁকিয়ে বসে শীত পড়লেই। মাথাযন্ত্রণা, সারা ক্ষণ নাক-মাথা ভারী হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন জ্বর আসা— এগুলিই প্রধানত সাইনাসের উপসর্গগুলি। শুধু শীতে নয়, বর্ষাতেও এই সমস্যা বেড়ে যায়। সাইনাস হল মাথায় থাকা কয়েকটি কুঠুরি। এই কুঠরি মাথাকে হালকা রাখে। এবার কোনও ইনফেকশনের কারণে বা অ্যালার্জির কারণে এই অংশে কফ জমে। তখন বলা হয় সাইনুসাইটিস। এই সময় প্রচন্ড মাথা ব্যথা করে। জ্বর আসতে পারে। আপনাকে সতর্ক হতে হবে। এই সমস্যার সমাধান আপনি নিজেই করে ফেলতে পারবেন। কোন কোন উপায়ে?

    বেশি করে জল পান করুন। আসলে জলের কোনও বিকল্প নেই। আপনি পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করতে পারলে কফ তরল হতে পারে। তা শরীর থেকে সহজে বেরিয়ে যায়। এমনকী সাইনাস হাইড্রেটেড থাকে। তাই জলপান আপনাকে করতেই হবে। এভাবেই ভালো থাকতে পারবেন।

    স্টিম নিতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি গরম জল করুন। তারপর সেই জলের উপর মাথা কাপড় দিয়ে ঢেকে নিন। এবার নাক দিয়ে টানুন গরম বাষ্প। এই বাষ্প সরাসরি সাইনাসে পৌঁছাবে। গলবে কফ। এতে সাইনাসের যন্ত্রণা কমে দ্রুত।

    গরম জলে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে ভাল করে নিংড়ে নিন। এ বার এই তোয়ালে মুখের উপর দিয়ে কিছু ক্ষণ শুয়ে থাকুন। এতে অনেকটা আরাম পাওয়া যায়।

    সিগারেটের ধোঁয়া, বডি স্প্রে, ধুলোবালি ইত্যাদিথেকে দূরে থাকুন। এ সব নাসিকাপথে প্রবেশ করে সাইনোসাইটিসের সমস্যা বাড়ায়।

    আমাদের হাতের কাছেই এই সমস্যা মেটানোর দারুণ অস্ত্র হলো মধু আর তুলসী। সেক্ষেত্রে তুলসীতে মধু মাখিয়ে আপনি খেতে পারেন। এরমধ্যে প্রদাহনাশক ক্ষমতা রয়েছে।এর ফলে সমস্যা দ্রুত মিটিয়ে ফেলা যাবে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই বললেই চলে।

    সাইনোসাইটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রতিদিন ডায়েটে রাখুন এক কোয়া রসুন ও মধু। এই দুই উপাদানেই একাধিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রয়েছে। বিশেষ করে শ্লেষ্মাজনিত অসুখ ঠেকাতে এদের জুড়ি নেই। এক কোয়া রসুনের সঙ্গে দু’চামচ মধু মিশিয়ে খেলে সাইনাসের আক্রমণ ঠেকাতে পারবেন অনেকটাই। কম জলীয় বাষ্পযুক্ত স্থান এড়িয়ে চলুন। সাইনোসাইটিসের ক্ষেত্রে স্যাঁতসেঁতে বা অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়াও ক্ষতিকারক। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে, এমন জায়গায় থাকুন। শ্লেষ্মাজনিত সমস্যাকে দূরে রাখলেই সাইনাসের সমস্যা অনেকটা দূরে থাকে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • অন্ধকারে ভীতি, কোন ফোবিয়া ? এই ফোবিয়া কাটিয়ে উঠবেন কিভাবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হটাৎ অন্ধকার হয়ে গেলো, আর আপনি ভয়ে চিৎকার করে উঠলেন। মনে হচ্ছে যেন কেও জোড় করে নাক মুখ বন্ধ করে দিয়েছে, শ্বাস নিতে পারছেনা না। বা কোথায় যেন তলিয়ে যাচ্ছেন। এমন অনুভূতি হয়েছে আপনার?? আচ্ছা এটি কোন ফবিয়া জানেন? কাদের হয়? কেনই বা হয় এমনটা? এই ভয়ঙ্কর ফবিয়া কাটিয়ে উঠতে চাইছেন?

    আলো না থাকলে ভয় করে অনেকের। রাতেও আলো জ্বালিয়ে ঘুমোন কেউ কেউ। কিন্তু এত ভয় কেন অন্ধকারে? মানুষ অনেক কিছুতেই ভয় পায়। তার মধ্যে কিছু বুদ্ধি দিয়ে বিবেচনা করে তাড়ানো সম্ভব হয়। কিছু ভয় মনের মধ্যে থেকেই যায়। কোনও বুদ্ধি-বিবেচনা কাজে লাগে না। তেমনই একটি হল অন্ধকারের ভয়। নিজের ঘরে বসেও অনেকে এই ভয় থেকে মুক্ত থাকতে পারেন না। অন্ধকারে আতঙ্কিত হয়ে পড়ার এই সমস্যার একটি বৈজ্ঞানীক নাম রয়েছে, নিক্টোফোবিয়া। অনেকে বলে থাকেন অন্ধকারে ভয় পাওয়া স্বাভাবিক বিষয়। কারণ আলো না থাকলে কিছু দেখা যায় না। কিন্তু কারও কারও এই ভয় থাকে অতিরিক্ত মাত্রায়। অন্ধকার হওয়া মাত্রই অস্থির হয়ে ওঠে মন। এক মুহূর্তও একা থাকতে পারেন না অন্ধকারে। তাঁদের এই অস্বস্তিকে নিক্টোফোবিয়া হিসাবে ব্যাখ্যা করে থাকেন চিকিৎসকরা। রোজের জীবনে অনেক অসুবিধায় পড়তে হয় এর কারণে।

    অন্ধকারে কেন ভয় হয়?

    এ নিয়ে নানা জায়গায় গবেষণা হয়েছে। একটি কথা প্রায় সব জায়গার গবেষকরাই মানেন। তা হল, এই নিক্টোফোবিয়ার পিছনে রয়েছে মানুষের সাংস্কৃতিক ইতিহাস। প্রাচীন যুগে যখন শহর বা গ্রামে থাকার ব্যবস্থা হয়নি, এর উৎস সে সময়ে। জঙ্গল বা গুহায় বসবাসকারীরা রাতে জন্তুর ভয় পেত। কখন বাঘ-ভাল্লুক এসে আক্রমণ করবে রাতের অন্ধকারে, তা নিয়ে আতঙ্ক থাকত। সেই উদ্বেগ জিনের সঙ্গে মিশে গিয়েছে। কারও বেশি সমস্যা হয়, কারও বা কম। কিন্তু মোটের উপর বেশির ভাগ মানুষই অস্বস্তি বোধ করে অন্ধকারের মধ্যে। অন্ধকারে বেশি অস্বস্তি হলে বলা হয় সেই মানুষটি নিক্টোফোবিয়ায় আক্রান্ত। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, আমেরিকায় প্রায় ১১ শতাংশ মানুষ নিক্টোফোবিয়ায় ভোগে।

    যে কোনও ফোবিয়ার মতো নিক্টোফোবিয়ায় উপসর্গ ব্যক্তি বিশেষে বদলে বদলে যায়। তবে অন্ধকারে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লে সতর্ক হওয়া জরুরি। হাতের তালু ঘেমে যাওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, কাঁপুনিও নিক্টোফোবিয়ার উপসর্গ। অনেকের আবার অন্ধকার ঘরে ঢুকলে মাথা ঘোরার মতো সমস্যাও দেখা দেয় নিক্টোফোবিয়া থাকলে।

    কিভাবে বেরিয়ে আসবেন এই ফোবিয়া থেকে?

    এই রোগেরও চিকিৎসা হয়। এর জন্য কাউনসিলিং করাতে পারেন। বেশ কিছু থেরাপি রয়েছে সেগুলি অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে করুন। এছাড়াও আপনাকে নিজেকে পজিটিভ মাইন্ড তৈরি করতে হবে। যার জন্য ইয়োগা করুন, মেডিটেশন করুন। আর সব থেকে ভালো উপায় হল, কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা। মানে অন্ধকারেই অন্ধকারের ভয় দূর করতে হবে। ভয় পাওয়া সত্বেও অন্ধকার রুমেই বেশী সময় থাকুন। চোখে যখন অন্ধকার সয়ে যাবে, তখন এই ভীতি পালাবে। তবে হাতের কাছে কোনো আলো রাখবেন, একান্তই যদি না থাকতে পারেন তখন আলোটি জ্বালিয়ে দেবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • খেজুর গুড়ের ভেজাল মারাত্বক ক্ষতিকর! কিভাবে সাবধান হবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    খেজুর গুড়, এই শীতে বাঙ্গালীর অন্যতম আবেগ! পিঠেপুলি হোক বা পায়েস, সন্দেশ হোক বা নাড়ু— সবেতেই এই গুড়ের অবাধ যাতায়াত। শীতের জলখাবারে রুটি, লুচি বা পরোটার সঙ্গেও খেজুর গুড়ের সঙ্গ মন্দ লাগে না। তাই শীত পড়লেই বাজারে বাজারে গুড়ের দরদাম শুরু করে ভোজনরসিক বাঙালি। কিন্তু যে গুড়টি আপনি বাজার থেকে নিয়ে আসছেন, সেটি খাঁটি তো? ভেবে দেখেছেন খেজুর গুরের নামে কতটা ভেজাল আপনার শরীরে প্রবেশ করছে? কি টাইপের ভেজাল খেজুর গুড়ে থাকতে পারে আন্দাজ আছে? সেগুলি পেটে গেলে হতে পারে নানান রোগ! কিভাবে চিনবেন?

    এমনিতে তো খেজুর গুর যদি খাঁটি হয়, তবে সেটি শরীরের পক্ষে ভীষণ উপকারী। কিন্তু এই গুড়ে আজকাল মিশছে ভেজাল। বেশি মিষ্টি করার জন্য মেশানো হচ্ছে কৃত্রিম চিনি, কখনও বা রং আকর্ষণীয় করতে মেশানো হচ্ছে কৃত্রিম রং। এছাড়াও হাইড্রোজ, ফিটকারি, সোডা, চুন, ডালডা সহ একাধিক রাসায়নিক উপাদান মেশানো হচ্ছে গুড়ে। কেনার সময় সে সব ভেজাল মেশানো গুড়ই কিনে আনছেন হয়তো! সেগুলো মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আপনার শরীরে একাধিক জটিল রোগ সৃষ্টি করতে পারে। অন্ত্রে বিভিন্ন জীবাণু সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। এই জীবাণু সংক্রমণ থেকে স্বাস্থ্যহানি কিংবা শারীরিক জটিলতা হতেও পারে। ভেজালযুক্ত এসব গুড় খেলে মানুষ বদ হজম, ডায়রিয়া, ডায়াবেটিস বৃদ্ধিসহ নানা ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। হতে পারে হৃদরোগও। এমনকি ক্যান্সার হওয়ারও ঝুঁকি রয়েছে এই ভেজাল খেজুর গুরে।

    কিভাবে সতর্ক হবেন?

    কেনার সময় একটু গুড় ভেঙে নিয়ে চেখে দেখুন। জিভে নোনতা স্বাদ ঠেকলে বুঝবেন এই গুড় খাঁটি নয়। গুড় কেনার সময় গুড়ের ধারটা দুই আঙুল দিয়ে চেপে দেখবেন। যদি নরম লাগে, বুঝবেন গুড়টি বেশ ভাল মানের। ধার কঠিন হলে সেওই গুড় না কেনাই বুদ্ধিমানের কাজ। গুড় যদি স্ফটিকের মতো তকতকে দেখতে হয়, তবে বুঝবেন, গুড়টি যে খেজুর রস দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল তার স্বাদ খুব একটা মিষ্টি ছিল না। তাই গুড়টিকে মিষ্টি করে তুলতে এতে প্রচুর পরিমাণে কৃত্রিম চিনি মেশানো হয়েছে। অনেক সময় গুড় খেতে গিয়েও চিনির সেই স্বাদ জিভে ঠেকে। সাধারণত গুড়ের রং গাঢ় বাদামি হয়। হলদেটে রঙের গুড় দেখলেই বুঝতে হবে তাতে অতিরিক্ত রাসায়নিক মেশানো হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version