Tag: helth

  • থাইরয়েডের জন্য ওজন কমছে না? এই উপায়ে নিয়ন্ত্রণের রাখুন থাইরয়েড। ওজন কমবে দ্রুত

    থাইরয়েডের জন্য ওজন কমছে না? এই উপায়ে নিয়ন্ত্রণের রাখুন থাইরয়েড। ওজন কমবে দ্রুত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    থাইরয়েডের সমস্যার জন্য ওজন কমছে না? কোন উপায়ে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন থাইরয়েড কে? থাইরয়েডে ভুগলে ওজন কমানো কঠিন হয়ে পড়ে ঠিকই, কিন্তু তা একেবারে যে অসম্ভব তাও নয়। কয়েকটি উপায় মেনে চললে নিয়ন্ত্রনে থাকবে থাইরয়েড। সেই সাথে ওজনও কমবে দ্রুত। থাইরয়েড হলে বিপাকীয় হার কিছুটা কমে যায়। ফলে হজমের গন্ডগোলের মতো কিছু কারণে ওজন বাড়তে থাকে। আর তাই ওজনও বাড়তে থাকে। কি করবেন ওজন কমানোর জন্য ? ওজন কমানোর পথ উপোস করে থাকা হতে পারে না। থাইরয়েড থাকলে তো পেট খালি রাখা একেবারেই উচিত নয়। তা হলে ওজন কমার বদলে বেড়ে যেতে পারে দ্বিগুণ। বেশি ক্ষণ খালিপেটে থাকলে চলবে না। একসঙ্গে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খান। তা হলে দু’দিকই রক্ষা করা যাবে।

    থাইরয়েড রোগীদের ওজন কমাতে চাইলে শরীরচর্চা করা বাধ্যতামূলক। রোগা হওয়ার জন্য শরীরচর্চার কোনও বিকল্প নেই। জিমে কিংবা বাড়িতে— শারীরিক কসরত বজায় রাখা জরুরি। কার্ডিয়ো করতে পারেন। পুল আপ কিংবা পুশ আপও করতে পারেন

    থাইরয়েডের সমস্যায় মিষ্টি খাওয়া অসুবিধার নয়। তবে ওজন কমাতে চাইলে মিষ্টি যত কম খাওয়া যায়, ততই ভাল। মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাসে রাশ টানা প্রয়োজন। নয়তো চেষ্টা করেও রোগা হওয়া সম্ভব নয়।

    কোল্ডড্রিংকস জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।খেতে ভাল লাগলেও এই ধরনের পানীয় যত কম খাবেন, ততই ভাল। এতে যে পরিমাণ ক্যালোরি থাকে, তা অল্প সময়েই ওজন বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট। থাইরয়েড থাকলে আরও বেশি করে এই পানীয় এড়িয়ে চলুন।

    ওজন কমাতে চাইলে পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। বেশ কিছু গবেষণা বলছে, ঘুমের অভাব স্থূলতার কারণ হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে কি না, সে দিকে নজর রাখা জরুরি। ঘুম কম হলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    এই নিয়ম গুলি মানার পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়ার দিকেও বিশেষ নজর দিতে হবে। বেশ কিছু খাবার হয়েছে যেগুলি খেলেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন থাইরয়েড কে। শরীরে আয়োডিনের পরিমাণ বাড়লে ওজন তাড়াতাড়ি ঝরে। তাই আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার খান। যেমন, আয়োডাইজড নুন, সামুদ্রিক খাবার, দুগ্ধজাত দ্রব্য ও ডিম। ওজন কমানোর জন্য ভালো পরিপাক জরুরি। খাবারে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকলে, পরিপাক ভালো হয়। পাশাপাশি, ফাইবার শরীরে ক্যালোরির গ্রহণের পরিমাণও কমিয়ে দেয়।

    শরীরে থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভীষণ জরুরি ভিটামিন-ডি। তাই শরীরে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি মেটাতে ডিম, চর্বিযুক্ত মাছ, অর্গ্যান মিট ও মাশরুম খান। আর রোদে বের হন।

    থাইরয়েড গ্রন্থির সঠিক কার্যকারিতার জন্য দরকার কপার বা তামা। আমন্ড, সিসেম সিডস এর মধ্যে খুব ভালো পরিমাণে তামা থাকে। তাই চেষ্টা করুণ এই জাতীয় খাবার খাওয়ার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Benefits of Sitting on the Floor while Eating: মেঝেতে বসে খাবার খাওয়ার উপকারিতা জানলে চমকে যাবেন!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Benefits of Sitting on the Floor while Eating: মেঝেতে বসে খাবার খাওয়ার উপকারিতা জানলে চেয়ার টেবিলে বসেই খাওয়া দাওয়া করছেন? ভুল করছেন না তো? মেঝেতে বসে খাওয়ার উপকারিতা জানেন? পুষ্টিবিদরা কেন বার বার মেঝেতে বসে খাওয়ার কথা বলছে? এই একটি অভ্যেস আপনার জীবনে বদলে দিতে পারে! কিভাবে? সবটা জানাবো আমাদের এই প্রতিবেদনে। মাটিতে বসে খাবার খাওয়ার ঐতিহ্য ভারতবর্ষে অনেকদিন থেকেই চলে আসছে। তখন অবশ্য টেবিল চেয়ারের ব্যবস্থা ছিল না। মাটিতে বসে খাওয়াই ছিল বাঙালির আদি অভ্যাস, সে বাড়িতে হোক বা যে কোনও অনুষ্ঠানে।

    এখন অবশ্য সে সব অভ্যাস আর নেই। চেয়ার টেবলে বসেই খেতে এখন মানুষ স্বাছন্দ বোধ করে। মেঝেতে বসে খাওয়ার রীতি এখন উঠে গেছে বললেই চলে। তবে, এ কথা সত্যি মাটিতে বসে পাত পেড়ে খাবার খাওয়ার উপকারিতা অস্বীকার করা যায় না। দক্ষিণ ভারত, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, আসাম, ঝাড়খণ্ড এবং পঞ্জাবের মতো অনেক রাজ্যে এখনও কিছু কিছু পরিবারে খাবার খাওয়া হয় মাটিতে বসেই।

    মাটিতে বাবু হয়ে বসে খাবার খাওয়ার সময়ে প্রতি গ্রাসেই ঝুঁকতে হয়। এর ফলে পেটের পেশির সঙ্কোচন-প্রসারণ ভাল হয়। এতে পাচন রসের ক্ষরণও যায় বেড়ে। ফলে হজম হয় দ্রুত। বিশেষ করে যাঁদের গ্যাস, অম্বলের মতো সমস্যা রয়েছে, তাঁরা এ ভাবে খাবার খেলে উপকৃত হতে পারেন। তা ছাড়া, রক্তসঞ্চালনও ভাল হয় মেঝেতে বসে খেলে।

    মেঝেতে বসে খাবার খেলে অনেক বেশি ঝরঝরে থাকে শরীর। বিশেষ করে যাঁরা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের জন্য নীচে বসে খাবার খাওয়া খুবই উপকারী হতে পারে। এর নেপথ্যেও রয়েছে বিজ্ঞান। হাঁটু মুড়ে মেঝেতে খেতে বসলে পেটের পেশিতে এমনিতেই চাপ পড়ে। পেটের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগাযোগ বজায় রাখে ভেগাস নামের একটি স্নায়ু। পেটের উপর চাপ পড়লে এই স্নায়ু জানান দেয় যে, উদরপূর্তি হয়ে গিয়েছে। আর খাওয়ার দরকার নেই। ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার সমস্যা কমে। নিয়ন্ত্রণে থাকে ভুঁড়িও।

    মাটিতে বসে খাবার খেলে আমাদের অজান্তেই সুখাসন, স্বস্তিকাসন কিংবা সিদ্ধাসনের মতো কয়েকটি যোগাসন করা হয়ে যায়। সুখাসনে হজমের ক্ষমতা বাড়ে। মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বাড়ে। শরীরে রক্ত চলাচল ভাল হয়। স্বস্তিকাসন হৃদ্‌যন্ত্রের উপকার করে। মানসিক চাপ কমাতেও সহায়তা করে। আর সিদ্ধাসন কমায় হাঁটুর ব্যথা। প্রস্টেট গ্রন্থির নানা সমস্যা কমে এই আসন করলে। কাজেই একই সঙ্গে এতগুলি উপকার মিলতে পারে মাঝেতে বাবু হয়ে বসে খেলে।

    এখন মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক। চেয়ারে বসে খেলে কি শরীরের বিশাল কোনও ক্ষতি হয়? না তেমন টা না। তবে মনে রাখবেন, মাটিতে বসে খেলে যেমন অজান্তেই পেটের ব্যায়াম হয়, সেটা এখানে হয় না। এইটুকুই যা তফাত। মাটিতে বসে খেলে হাজার উপকারিতা পাবেন। শরীর থাকবে সুস্থ।

    তবে মাথায় রাখতে হবে, নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার কারণে অনেকেই চেয়ারে বসে খেতে বাধ্য হন। চিকিৎসকরা তাঁদের সেই পরামর্শ দেন। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অমান্য করা ঠিক নয়। কোনও পূর্ববর্তী অসুবিধা না থাকলে মাটিতে বসে খেতেই পারেন। রোজ সম্ভব না হলেও, সপ্তাহে এক বা দু’দিন মাটিতে বসে খেলেও লাভ হয় শরীরের।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • দুধ না লিকার চায়ে ওজন কমবে ? এই ভুলগুলো বন্ধ করুন, রোগা হবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চা খেয়েও কমানো যায় ওজন! শুধু জানতে হবে খাওয়ার সঠিক কায়দা, সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই লিকার চায়ে চুমুক না দিলে সকালটা যেন শুরু হয় না‌। অনেকে দুধ চা ছাড়া আর কিছু পছন্দ করেন না! কেউ গ্রিন টি বেশি ভালবাসেন। দ্রুত ওজন কমানোর হলে চা সাহায্য করবে আপনাকে। গ্রিন টি এর গুণ অনেকেই জানেন!
    কিন্তু দুধ বা লিকার চা খেয়ে আবার রোগা হওয়া যায় নাকি! আমরাই চা খাওয়ার সময় কিছু বড় ভুল করে বসি। যার ফলে ওজন তরতরিয়ে বেড়ে যায়। আপনি যদি একটু সাবধান হয়ে এইভাবে চা খান। ওই চাই আপনার ওজন কমাবে।

    হার্টের সমস্যা দূরে রাখবে লিকার চা। লিকার চায়ে রয়েছে থিওফাইলিনের মতো উপকারী উপাদান যা কিনা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ওজন কমাবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে লাকার চা বেশি পছন্দ করলে চিনি দেবেন না একেবারেই এক চা চামচ চিনিতে ১৯ ক্যালোরি। এক টেবিল চামচে ৪৮ ক্যালোরি থাকে
    চিনিই আপনার ওজন বাড়িয়ে দেয়। তাই শুধু লিকার চা পান করার অভ্যেস করুন। লিকার চায়ে মজুত রয়েছে কিছুটা পরিমাণে ক্যাফিন যা কিনা মুড বুস্ট করার কাজে একাই একশো। তাই মন ও শরীরের খেয়াল রাখতে নিয়মিত এই চা পান করুন বলছেন বিশেষজ্ঞরাও। অনেকের তো লিকার চা দেখলেই মুখ বেকান। দুধ চা না হলে ঠিক যেন জমে না। আচ্ছা দুধ চা আপনার শরীরে কোনও উপকারে আসছে?

    আবার আপনি নিশ্চই শুধু চা খেতেই পারে না চায়ের সঙ্গে চপ, পকোড়া, বিস্কুট কিন্তু এতেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে শরীরের। চায়ের সঙ্গে চানাচুর, নিমকি খেলে ওজন তরতরিয়ে বেড়ে যায়। তাই দুধ চা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। বরং এর বদলে লিকার চা খান সকাল-বিকেল এছাড়া যাঁরা একদমই দুধ চা না খেয়ে
    থাকতে পারেন না তাঁরা ফ্যাট লেস দুধের চা পান করুন।
    কিন্তু সবথেকে কাজে দেবে যিদি আপনি নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পারেন। আসলে গ্রিন টি-তে রয়েছে এপিগ্যালেটো ক্যাটেচিন গ্যালেট নামের একটি উপাদান
    আর এই উপাদান কিন্তু শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। ফলে নিয়মিত গ্রিন টি খেলেই ডায়াবিটিস, ব্লাড প্রেশার থেকে একাধিক জটিল রোগ কন্ট্রোলে রাখা যায়।

    এখানেই শেষ নয়, গ্রিন টি-তে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা বিপাকের হার বাড়িয়ে দেয়। তাই নিয়মিত গ্রিন টি-এর কাপে চুমুক দিলে ওজন কমবে দ্রুত গতিতে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এক কাপ ধূমায়িত চায়ের কাপে চুমুক না দিলে যেন দিনটাই শুরু হতে চায় না! কেউ বলেন গ্রিন টি উপকারী আবার গুণের নিরিখে লিকার চা ও কিছু কম যায় না। তবে দুধ চা যতটা পাড়বেন এড়িয়ে চলুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শীতকাল মানেই বুকে কফ জমে থাকার অস্বস্তি, কিভাবে দূর করবেন ? রইল ঘরোয়া উপায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    শীতকাল মানে ঠান্ডা লাগতেই থাকে। এই এত ঠান্ডা লাগাই বুকের মধ্যে জমে থাকা কফকে সাধারণ উপায়ে কিভাবে দূর করবেন? আপনার জন্য রইল একদম ঘরোয়া কার্যকরী উপায়। একটু একটু করে জাঁকিয়ে বসছে শীত। আর শীতের শুরুতেই যত সর্দি-কাশি, বুকে কফ বা শ্লেষ্মা জমার সমস্যা দেখা যায়। সর্দি-কাশি, বুকে কফ বা শ্লেষ্মা জমার সমস্যা আপাত দৃষ্টিতে সাধারণ একটি সমস্যা বলে মনে হলেও সময় মতো এর চিকিৎসা করা না গেলে এটি শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে শ্বাসযন্ত্রে। তাই এই সমস্যায় শুরু থেকেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা দূর করতে পারেন। এর জন্য ইউক্যালিপটাস তেলের সাহায্য নিতে পারেন। ইউক্যালিপটাস পণ্যগুলি বছরের পর বছর ধরে কাশি কমাতে এবং কফ দূর করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলি সাধারণত বুকে সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস তেলও নাক ও বুকে জমে থাকা কফ দূর করতে পারে। এজন্য গরম জলে তেল মিশিয়ে স্নান করুন।

    কাঁচা হলুদও উপকারী। কিছু কাঁচা হলুদের রস নিন এবং কয়েক ফোঁটা গলায় দিন, তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আপনি চাইলে হালকা গরম জলে হলুদের রস মিশিয়েও গার্গেল করতে পারেন। হলুদে কার্কিউমিন নামক একটি সক্রিয় যৌগ রয়েছে, যা কফ দ্রবীভূত করতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য কাশি এবং সর্দি নিরাময়ে সহায়তা করে।

    গরম তরল জাতীয় খাবার পান করুন। ফুসফুসে জমে থাকা কফ থেকে মুক্তি পেতে আপনার প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার পান করা উচিত। তরল কফকে পাতলা করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে উষ্ণ তরল বুকে এবং নাকের কফ আলগা করতে সাহায্য করতে পারে। আপনি গরম জল, চিকেন স্যুপ, গরম আপেলের রস এবং গ্রিন টি খেতে পারেন।

    গরম ভেপার নিন। একটি বড় পাত্রে জল গরম করুন। তারপর আপনার মুখের চারপাশে বাষ্প আটকাতে সাহায্য করার জন্য আপনার মাথায় একটি হাত তোয়ালে রাখুন। কতক্ষণ বাষ্প শ্বাস নিতে হবে তার জন্য কোনও নির্দিষ্ট নির্দেশিকা নেই, তাই যতক্ষণ না আপনি স্বস্তি পান ততক্ষণ ভেপার নিতে পারেন। তাপ বেশি হলে তোয়ালে সরিয়ে দিন।

    গার্গে‌ল করুন। বুকে ও নাকে জমে থাকা কফ থেকে মুক্তি পেতে এই চিকিৎসা সর্বোত্তম বলে মনে করা হয়। বুকে জমে থাকা কফ দূর করতে লবণ জল দিয়ে গার্গেল করুন। গার্গলিং গলা ব্যথা, কাশি এবং জ্বরের লক্ষণগুলি থেকে মুক্তি দিতেও সাহায্য করতে পারে।

    মধু ও গরম জলও কফ দূর করতে দারুন কার্যকরী। মধু কাশি উপশমের জন্য ঐতিহ্যগত ওষুধের চেয়ে বেশি কার্যকরী হতে পারে। ফুসফুসে জমে থাকা কাশি এবং কফ থেকে মুক্তি পেতে আপনি ঈষদুষ্ণ জলে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন বা আদা ও মধুর মিশ্রণ ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

    এছাড়াও রোজ সকালে, তুলসী পাতা, আদা কুচি, লবঙ্গ, গোলমরিচ থেঁতো করে জলে ফুটিয়ে চায়ের মতো করে খেতে পারেন। সাথে এক চামচ মধু মেশাতেও পারেন এতে স্বাদ বাড়বে। আর এর উপকারিতাও দারুন।

    এই সমস্ত ঘরোয়া উপায়ে গোটা শীতকালই আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন। জমে থাকা কফ দূর হবে সহজেই আর। আর এই টোটকা গুলি ফলো করতে থাকলে গোটা শীতেই আপনাকে ঠান্ডা জ্বর ছুঁতেও পারবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Best Time To Eat Fish: দিনের কোন সময় খাবেন মাছ? জানুন কী বলছে গবেষনা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Best Time To Eat Fish: কথাতেই আছে মাছে ভাতে বাঙালি। বাঙালির ঝালে ঝোলে অম্বলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মাছ।মাছ ছাড়া বাঙালীর খাওয়া একেবারেই অসম্পূর্ণ।সে রুই কাতলাই হোক কিংবা পাবদা বাটা। চিংড়ি ইলিশ হলে তো কোনও কথা হবে না। এই সব লোভনীয় সব মাছ দেখলে নিজেকে সামলে রাখা বেশ কঠিন ব্যাপার। তবে শুধু স্বাদে নয়, মাছ স্বাস্থ্যের পক্ষেও বেশ ভালো। আপনি নিশ্চয়ই জানেন, মাছের খাদ্যগুণ নিয়ে চলছে নানান গবেষণা। তাতে উঠে আসছে নিত্য নতুন তথ্য। উপকার পেতে মাছ কতটা খেতে হবে তা জানেন কি? দুপুরে না রাতে – মাছ কখন খাবেন আপনি?জানেন,কিভাবে তা রান্না করতে হবে? মিষ্টি জল নাকি সামুদ্রিক – কোন মাছে বেশি আস্থা রাখবেন?চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

    বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় মাছের ঝোল ভাত। তার পাশাপাশি রুই পোস্ত, কাতলা মাছের কালিয়া, চিংড়ি মাছের মালাইকারি, ইলিশ পাতুরি তো রইলোই। গবেষণা বলছে, সপ্তাহে তিন দিন বা তার বেশি মাছ খেতে হবে। তাতে অনেকটাই বাড়বে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা। তৈলাক্ত মাছে থাকে ওমেগা থ্রি ,ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন,আয়োডিন, ভিটামিন ডি, ফসফরাস সহ নানান খনিজ। তা আমাদের মস্তিষ্ককে উজ্জীবিত করার পাশাপাশি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আমেরিকার গবেষকরা এক সমীক্ষায় জানিয়েছেন, যেসব ৬০ পেরনো মানুষ সপ্তাহে দুদিন বা তার বেশিদিন মাছ খান তাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। মাছ খেলে বয়স্ক পুরুষদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকিও কিন্তু কমে যায়। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের পরামর্শ সপ্তাহে ৪০০ গ্রাম মাছ খেতে পারলে অনেক অসুখ দূরে সরিয়ে রাখা যাবে। ছোট থেকেই মাছ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে ভালো হয়। মে কোনো ধরনের মাছ পাতে রাখুন এক টুকরো।

    মাছে প্রচুর উপকার একথা সকলেরই জানা। তবু আমাদের মনে মাছ নিয়ে একাধিক প্রশ্নও রয়েছে।অনেকেই জানতে চান, দিনের ঠিক কোন সময় মাছ খেলে উপকার মিলবে। ডায়াটেশিয়ানরা বলছেন, মাছ একটি সহজপাচ্য খাবার। তাই দিনে যেকোনো সময় মাছ খেতে পারেন। এমনকি ব্রেকফাস্টেও মাছ রাখতে পারেন। তবে এটাও মনে রাখবেন, বেশি রাত করে মাছ খেলে খুব একটা লাভ মিলবে না। রাত দশটা এগারোটার পর মাছ সহ যে কোনো হাই প্রোটিন খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। নচেৎ এসিডিটি হতে পারে। গ্যাস হতে পারে। তাই সাবধান হন।

    এবার আসা যাক নদী না সামুদ্রিক কোন মাছ খাবেন? আপনাকে জানাই, দুই ধরনের মাছের মধ্যে নদীর মাছ নিরাপদ। গভীর সমুদ্রের মাছে বেশ কিছু ভারী ধাতু মজুদ থাকে। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।তাই মাঝেমধ্যে দু একদিন সমুদ্রের মাছ খেতে পারেন। তার বেশি নয়। তার চেয়ে বছর ভর আস্থা রাখুন রুই কাতলায়। তাতেই আপনারা সুস্থ সবল জীবন যাপন করতে পারবেন। কই বাটা মৌরলার মতো ছোট মাছ পেলে তো কথাই নেই। এইসব মাছ খুবই উপকারী। তবে রান্নার ক্ষেত্রেও কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা কিন্তু প্রয়োজন। বাঙালিরা মাছ ভালো করে ভেজে নেন। তারপর তা দিয়ে ঝোল ঝাল হয়। এভাবে মাছ ভেজে নিলে কিন্তু কোন উপকার মেলে না। চেষ্টা করুন অল্প তেলেই সেদ্ধ করে মাছের পদ রান্না করার। তাহলে মাছে মজুত ভিটামিন খনিজ এবং অন্যান্য উপকারী উপাদান অক্ষত থাকবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মুরগির পায়ের পাতা খেয়েছেন ? ঘেন্না করলেই বড় লস, হাঁটুর ব্যথা Bye Bye

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    তেল-ঝাল মশলা দিয়ে কষিয়ে মুরগির মাংস তো খেয়েছেন কিন্তু মুরগির পায়ের পাতা কেউ আবার খায় নাকি! এমন ধারণা থাকলে এখনই বদলে ফেলুন! রোজ গাদাগাদা ওষুধ খেতে হবে না। হার্ট অ্যাটাক থেকে হাঁটুর ব্যাথা ঘায়েল করতে মুরগির পায়ের পাতাই মোক্ষম অস্ত্র। পায়ের আঙ্গুলগুলোই যে পুষ্টিগুণে ভরপুর শরীর নয়! পায়ের ডার্ক মিটে এমন কী আছে? যা দিয়ে নতুন জীবন পেতে পারেন শুধু পোষ্যর খাবার ভেবে ভুল করছেন মুরগীর শরীরের এই অংশ উচ্চবিত্ত বহু বাংলাদেশী নিয়মিত খান। আগুনে ঝলসে নাকি সেদ্ধ? পায়ের পাতা রান্না করতে গেলে এটা মনে না রাখলে কিন্তু বড় লস।

    ভয়াবহ আর্থিক সঙ্কট! হাহাকার! মাংস কিনে খাওয়ার কারোর ক্ষমতা নেই। শরীরে পুষ্টি জোগাতে মুরগির পা রান্না করে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল মিশর সরকার। এমন কী গুণ রয়েছে ? বেশিরভাগ লোকজনই মুরগির পা খায় না, ফেলে দেন কিন্তু আপনার পুরনো হাড়ে প্রাণ আনতে পারে মুরগীর পায়ের পাতা, আঙ্গুল পায়ে মাংসেরৎপরিমাণ কম ও চামড়া বেশি থাকে। তাই এই অংশটাকেই বলা হচ্ছে ডার্ক মিট। এর মধ্যে থাকা কোলাজেন আপনার হাড়ের সব সমস্যা কমিয়ে দিতে পারে। অস্টিওআর্থারাইটিস থাকলে মুরগির পায়ের পাতাই ওষুধ। টিস্যুকে নতুন প্রাণ দেয়। কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে। ৩০ -র পর থেকেই মহিলারা কমবেশি হাড়ের সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য ওষুধের চেয়ে কম কিছু নয়।

    গবেষণা দ্বারা প্রমাণিত ১০২ জন মহিলার উপর ১ বছর লক্ষ করে দেখা গিয়েছে কোলাজেন হাড়ের ক্ষয় রোধ করে দিচ্ছে। অনেকেই ভাবছেন এই চামড়া সমত মুরগীর পায়ের পাতা কীভাবে খাবেন! কীভাবেই বা এটিকে রান্না করে? পায়ের নখগুলোকে কী করবেন? চামড়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন তবে রেখে দিতে খেতে হবে এমন নয় চাইলে ফেলেও দিতে পারেন। যেভাবে মাংস রান্না করা পেঁয়াজ রসুন দিয়ে সেভাবেই রান্না করা যায় মুরগীর পায়ের এই অংশ। আবার বেসন দিয়ে পকোরা করে ভেজেও খেতে পারেন। তবে তেল-ঝাল মশলা দিয়ে কষিয়ে এই মাংস খেলে কোনও লাভ নেই। সেদ্ধ করে খেলেই আসল উপকার। তবে রান্নার আগে আপনাকে এটা মাথায় রাখতে হবে যে ভালোভাবে পরিস্কার করে তবেই খাবেনৎকারণ পায়ের পাতায় রোগ জীবাণু থাকতে পারে।

    গত মার্চ মাসে বাংলাদেশে মুরগীর মাংসের দাম আকাশ ছুঁয়েছিল। সেসময় মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত মানুষরাও নিয়মিত মুরগীর পায়ের পাতা কিনে খেতেন। সব মাংস বিক্রেতাদের কাছেই গিয়ে বললে আপনাকে অনেক কমদামে দিয়ে দেবে এই অংশ। মন চাইলে তবেই খাবেন। নাহলে কোনও কাজেই লাগবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মুখের অতিরিক্ত মেদ নিয়ে নাজেহাল ? ডাবল চিন কমিয়ে ফেলুন এই উপায়ে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মুখের অতিরিক্ত মেদ নিয়ে নাজেহাল হয়ে উঠেছেন? ভাবছেন কিভাবে কমানো যায় এই বাড়তি মেদ? তাহলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য। খুব সহজেই ডাবল চিন কমবে, পাবেন টানটান মুখ। আপনাকে ফলো করতে হবে কয়েকটি নিয়ম কানুন। মুখে এবং থুতনির নিচে অতিরিক্ত চর্বি জমা হয়ে মুখের স্বাভাবিক গড়নটাই নষ্ট করে দেয়। মুখে মেদ জমলে অনেকেই অস্বস্তিতে ভোগেন। সারা শরীরের চেয়ে মুখে মেদ জমলে তা বেশি দৃশ্যমানও হয়। এই মেদ উধাও করতে আপনাকে করতে হবে কিছু ফেসিয়াল এক্সারসাইজ। পাশাপাশি মেনে চলতে হবে সামান্য কিছু নিয়ম কানুন।

    যেমন ধরুন, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে সারাদিন। সমগ্র শরীর চাঙ্গা রাখার জন্য জল পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ টোটকা। শরীর থেকে টক্সিন বেরতে সাহায্য করে বলে মুখের ফোলাভাবও কমায়।

    খাওয়াদাওয়ার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে খাওয়াদাওয়া। সুষম আহার প্রয়োজন। অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে, তাতেই ভাল থাকবে স্বাস্থ্য। জমবে না ফ্যাট।

    মুখে ফোলাভাব বাড়তে পারে অতিরিক্ত নুন খেলে। রান্নায় বা পাতে বেশি নুন খাওয়া ছেড়ে দিন আজই। এতে মুখের ফোলাভাব কমতে সাহায্য করে।

    রোজ নিয়ম করে মুখে মাসাজ করলে উপকার দেবে। এতে রক্ত চলাচল বাড়ে মুখে। পেশি টানটান হয়। আর এর ফলে মুখে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদও ঝরতে সাহায্য করবে।

    এতো গেলো বেসিক কিছু রুটিন। এছাড়াও আপনাকে বিশেষ কিছু ফেসিয়াল এক্সারসাইজের দিকে নজড় দিতে হবে। প্রথম যে এক্সারসাইজটার কথা বলবো সেটা কিভাবে করবেন, জেনে নিন পদ্ধতি টি, মুখ যতটা সম্ভব খোলার চেষ্টা করুন যতক্ষণ না গালে, ঠোঁটে এবং থুতনিতে চাপ অনুভব করছেন। এ বার ১০-১৫ সেকেন্ড একটু রিল্যাক্স করুন। দিনে ৫ মিনিট এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করুন। এর ফলে মুখের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় যা অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

    দ্বিতীয়টি হলো, ধীরে ধীরে মাথা পেছন দিকে হেলান যতক্ষণ না ঘাড়ে চাপ অনুভব করছেন। এ বার চোয়াল ডান দিক থেকে বাঁ দিক এবং বাঁ দিক থেকে ডান দিকে নড়াবার চেষ্টা করুন। দিনে ২-৩ মিনিট করে অন্তত ৫ বার এই ব্যায়াম করতে পারলে ঘাড় এবং গলার মাসল টোন হবে, অতিরিক্ত মেদও কমে যাবে।

    তৃতীটি হলো, চোখ বন্ধ করে চোখের পাতায় আঙুল রাখুন। এ বার চোখের পাতা নিচের দিকে নামানোর সঙ্গে ভুরু ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন ৫ মিনিটের জন্য এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করুন। এবার চোখ বন্ধ অবস্থায় চোখের মণি ওপরে তুলুন এবং নিচে নামান। মনে করুন আপনি কিছু দেখার চেষ্টা করছেন। ১৫ মিনিট ধরে এই ব্যায়াম করতে হবে। এবার চোখ বন্ধ অবস্থাতে যতটা সম্ভব ভুরু ওপরের দিকে তোলার চেষ্টা করুন। চোখ খুলে ফেলবেন না। ওভাবে ১০ গুনে রিল্যাক্স করুন। প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট এই ব্যায়ামটি করুন।

    আরও একটি পদ্ধতি শিখে নিন। প্রথমে মুখ দিয়ে শ্বাস নিন। এবার মুখ ফুলিয়ে রাখুন। দুই হাত দিয়ে ধীরে ধীরে গালের উপর চাপ দিন। তাই বলে মুখ থেকে হাওয়া বের করে দেবেন না। মুখ ফুলিয়ে রেখেই চাপ দিতে হবে। ১০ সেকেন্ড ধরে করুন। নিয়মিত করলেই ফল পাবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Insomnia: হাজার চেষ্টা করেও রাতে ঘুম আসে না? রইল সমাধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Insomnia: হাজার চেষ্টা করেও রাতে ঘুম আসে না? ঘুম না আসার কারণ গুলি কি কি হতে পারে জানেন ? সহজ উপায়ে এই সমস্যার সমাধান রইল আপনার জন্য। সুস্থ থাকতে হলে সব মানুষেরই নির্দিষ্ট ঘুমের প্রয়োজন। একটা সময় নিজের শরীরকেও বিশ্রাম নিতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, একমাত্র ঘুমই আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীরকে পূর্ণ বিশ্রাম দিতে সাহায্য করে। তাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৬-৭ ঘণ্টার ঘুম গুরুত্বপূর্ণ। আজকালকার দিনে অবশ্য বেশিরভাগ মানুষই ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। আর তার থেকেই শুরু হয় উদ্বেগ বা বিষণ্ণতা। এই ঘুম না আসার একাধিক কারণ হতে পারে।

    রাতে ঘুম না আসা বা আসলেও বারবার ভেঙ্গে যাওয়াকে বলা হয় ইনসমনিয়া বা অনিদ্রা রোগ। যার ফলে দিনের বেলা ঘুমোনো, সারাদিন ঝিমুনি ভাব, কাজে মনোযোগ না দিতে পারা, সারাদিন মেজাজ খিটখিটে ও বিষণ্ণ হয়ে থাকার মত ঘটনা ঘটতে পারে। বর্তমানে মানুষ রাতের শোয়ার পর দীর্ঘক্ষণ ফোন ঘাটাই অভ্যস্ত। এই অভ্যাসের জন্য কিন্তু ঘুমের ব্যাঘাত হয়। এছাড়াও অত্যাধিক স্ট্রেসের কারণেও ঘুম না আসার সমস্যা হতে পারে। আবার শরীরের ভেতর লুকিয়ে থাকা বিভিন্ন রোগের কারণেও এই সমস্যা হতে পারে। ঠিক হজম না হলেও রাতে ঘুম আসতে চায়না। এই সমস্যা প্রতিকারের জন্য কয়েকটি কাজ করতে পারেন।

    প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম আপনার জন্য ওষুধ হিসেবে কাজ করতে পারে। নির্দিষ্ট ঘুমের সময় আপনার শরীরও তার স্বাভাবিক ছন্দে সঙ্গে সামঞ্জস্য করতে সাহায্য করবে। এর পাশাপাশি এটি হজমশক্তির উন্নতি এবং রোগ, বার্ধক্য প্রতিরোধেও কাজ করে।

    স্নানের সময় গরম জলে নিম পাতাজায়ফল মিশিয়ে নিন। এতেও দারুন উপকার পাওয়া যায়। নিম সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং অনাক্রম্যতা বজায় রাখতে পরিচিত। জায়ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই দুই উপাদান একসঙ্গে একটি স্নানের জলে মিশিয়ে দিন। উষ্ণ জলে রাতে স্নান করলে মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে, এর ফলে ঘুমের মানও উন্নত করবে। এছাড়াও কিছু খাবার রয়েছে যেগুলি খেলে আপনার ঘুম সহজেই আসবে।

    অনিদ্রার সমস্যা কাটাতে রোজ রাতে ঘুমোনোর আগে এক গ্লাস করে গরম দুধ খেতে পারেন। দুধে থাকা মস্তিষ্কে ট্রিপটোফ্যান ও সেরোটোনিন নামক অ্যামাইনো অ্যাসিড ঘুম আনতে সাহায্য করে।

    নিয়মিত আখরোট খেলেও ঘুম ভাল আসে।

    হালকা খিদে পেলে শুকনো তাওয়ায় ভাজা কুমড়োর বীজ খেতে পারেন। কর্নফ্লেক্স কিংবা ওট্‌স খাওয়ার সময়েও এই বীজ মিশিয়ে খেতে পারেন। এই বীজ ট্রিপটোফ্যানের ভাল উৎস।
    রোজের ডায়েটে কলা রাখলেও উপকার পাবেন। এতে থাকা ভিটামিন বি ৬, ট্রিপটোফ্যান, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ঘুম আনতে সাহায্য করে।

    জলে ভেজানো চিয়া বীজ নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন। এতেও ট্রিপটোফ্যান থাকে, যা ঘুম আনতে সাহায্য করে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইমিটেশন গয়নায় অ্যালার্জি নিয়ে নাজেহাল! এই টোটকায় অ্যালার্জি উধাও হবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আজকাল সোনার গয়না বিয়েবাড়িতে কেউ পরে না! কিন্তু ইমিটেশন গয়না পরলেই আপনার চুলকানি ও র‍্যাশ বের হয়? আবার অনেক সময় ফুসকুড়িও হয়। সোনার গয়না তো আর সব জায়গায় পড়া যায় না। তাহলে কি গোটা জীবনে সুন্দর সুন্দর ইমিটেশন গয়না পরাই হবে না আপনার? গয়নার অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় যদি এই কাজগুলো আপনি করতে পারেন। বেশি দামি গয়না মানেই যে তার থেকে ক্ষতির সম্ভাবনা নেই, সে কথা মনে করার কোনও কার ণনেই। আসলে সেই গয়নায় থাকা কেমিক্যালে আপনার অ্যালার্জি রয়েছে।

    ইমিটেশন কানের দুল বা হাতের চুরি কিংবা গলার হার পরলে সেই জায়গায় লাল হয়ে র‍্যাশ বের হয় একেবারে লাল হয়ে যায়। সে এক কেলেঙ্কারি কাণ্ড।আপনি বিয়েবাড়িতে দুটো কথা বলবেন না গা চুলকোবেন! বলুনতো! হাতে অ্যালার্জি বেরোয় তাহলে দেরি না করে তাড়াতাড়ি সেই জায়গায় বরফ লাগান। বরফ লাগালে বা ঠাণ্ডা জল দিলে অনেক আরাম পাবেন। গরমে ঘেমে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। কেননা ঘাম ও নিকেল মিলে তখন নিকেল লবণ তৈরি করে যা আরও অ্যালার্জি বাড়াতে পারে। তাই গরম লাগলে আরও সাবধান হন। যাঁদের এমন সমস্যা রয়েছে, তাদের অবশ্যই নিকেল-মুক্ত গয়না বেছে নেওয়া উচিত। বলছেন বিশেষজ্ঞরাও। কিন্তু কোন গয়নায় নিকেল রয়েছে বুঝবেন কীভাবে?

    গয়নায় নিকেলের উপস্থিতি সনাক্ত করতে বাজারে পাওয়া নিকেল টেস্ট কিটের সাহায্য নিতে পারেন। নিকেল ছাড়া অন্য ধাতু দিয়ে তৈরি গহনা যেমন স্টেইনলেস স্টিল টাইটানিয়াম, সিলভারের গয়না পরুন। ইমিটেশনের গয়না পরলেও তা যেন হয় খুব অল্প সময়ের জন্য বাড়িতে এসেই খুলে ফেলুন। খুব আঁটোসাঁটো গয়না পরবেন না। গয়নার নিচে খানিকটা ট্যালকম পাউডার দিয়ে নিলে উপকার মেলে। কখনো অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ওষুধও খেয়ে নিতে পারেন। তবে তা করবেন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে।

    যেকোন গয়না পরার আগে অবশ্যই গয়না পরীক্ষা ভালো ভাবে করে নেবেন। হাতে পরে আগে দেখে নেবেন কোনও সমস্যা হচ্ছে কিনা তবে সেটা কিনবেন। ঠিক কী ধরনের অ্যালার্জি, আর কী থেকে সেই অ্যালার্জি হয়েছে সেটা বোঝা। তার পর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অবশই্যই জরুরি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Gym Fatigue: জিম থেকে ফিরে খুব ক্লান্ত লাগে? এই খাবার গুলি খান, শরীর থাকবে চাঙ্গা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Gym Fatigue: জিম থেকে ফিরে খুব ক্লান্ত লাগে? শরীর চাঙ্গা করতে কি কি খাওয়া প্রয়োজন জানা আছে? দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করে হাঁপিয়ে ওঠেন অনেকেই। তাই ফিটনেস বজায় রাখার জন্য জিম বা শরীর চর্চা যেমন দরকার, তেমনই দরকার ঠিকঠাক খাবার খাওয়া। তা না হলে কিন্তু দুর্বল হয়ে যাবে আপনার শরীর। জিম করার পর কি কি খাওয়া উচিত সেই নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন সেটাই আপনাদের জানাবো।

    তরমুজ খাওয়া মাস্ট​। জিমের পরে দেহে জলের ঘাটতি মেটাতে তরমুজ খেতে পারেন। এই ফলে রয়েছে অনেকটা পরিমাণে জল। এছাড়া এতে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড দেহে ব্লাড সাকুর্লেশন বাড়িয়ে দেয়। এই কারণে কোষে কোষে শক্তির সঞ্চার ঘটে। মিটে যায় শারীরিক ক্লান্তি। প্রসঙ্গত, তরমুজের জুস খেলেও এক্ষেত্রে উপকার মিলবে। এই জুস খাওয়ার পরপরই পেশিতে দ্রুত শক্তি ফেরে। মাসল রিকভারি হতে সময় লাগে না। তাই জিমের পর তরমুজ খাওয়া চাই।

    ফ্যাটি ফিশেও ভরসা রাখতে পারেন। জিম করার পর বিদেশি সামুদ্রিক মাছ খেতেও পারেন। এক্ষেত্রে স্যালমন, টুনা, সার্ডিনের মতো মাছ কিনে আনুন। তারপর অল্প তেলে ভাঁপে ভাঁপে রান্না করতে হবে। মনে রাখবেন, এই ধরনের মাছে রয়েছে প্রোটিনের ভাণ্ডার। তাই এই ধরনের মাছ খেলে দ্রুত পেশির জোর বাড়ে। এছাড়া এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের প্রদাহ কমায় এবং পেশির বিকাশে সাহায্য করে।

    বেদানার রসও কিন্তু দারুণ কার্যকরী।বেদানার মিষ্টি স্বাদ মন মোহিত করে তোলে। তবে শুধু এর স্বাদ নয়, এর গুণও কিন্তু অনন্য। এই ফলে রয়েছে পলিফেনলসের ভাণ্ডার। এই উপকারী উপাদানটি মাসল রিকভারিতে সাহায্য করে। তাই জিম শেষে একটা গোটা বেদানা খাওয়ার চেষ্টা করুন। এছাড়া মন চাইলে বেদানার জুস করেও খেতে পারেন। এই জুস খেলে দেহে জলের ঘাটতিও মেটে, পাশাপাশি মেলে পুষ্টির ভাণ্ডার। তবে বেদানার জুসে আলাদা করে চিনি মেশানোর ভুল করবেন না।

    হাতের সামনে থাকা একটি অত্যন্ত উপকারী সবজি হল বিট। এতে রয়েছে ডায়েটরি নাইট্রেটস। এই ডায়েটরি নাইট্রেটস কিন্তু পেশির সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়াতে পারে। এমনকী দ্রুত কেটে যায় দৈহিক ক্লান্তি। এছাড়া এই সবজিতে আছে ভিটামিন-এর ভাণ্ডার। তাই দেহে এই ভিটামিনের ঘাটতি মেটাতেও এর জুড়ি মেলা ভার। প্রসঙ্গত, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে চোখের একাধিক সমস্যা এড়াতে বিটের কোনও জুড়ি নেই।

    জিম থেকে এসে ডিম খেতে পারেন। ডিমে রয়েছে ফাস্ট ক্লাস প্রোটিন। এই প্রোটিন দেহ সহজেই গ্রহণ করে নিতে পারে। ফলে দ্রুত মাসল রিকভারি হয়। তবে এক্ষেত্রে গোটা ডিমের বদলে ডিমের সাদা অংশ খেতে হবে। আপনার শরীরে চাহিদা অনুযায়ী জিমের পর ২টি থেকে ৪টি ডিম খেতে পারেন। তবে আপনার জন্য কতগুলি ডিম খাওয়া ঠিক হবে সেটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    জিনের পর এই খাবারগুলি খেলে আপনার শরীরে আর ক্লান্তি ভাব আসবে না। শরীর থাকবে একদম সুস্থ সবল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version