Weather Update: ফের তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বাংলা অসহ্য গরম থেকে কবে মিলবে মুক্তি? বাংলায় বর্ষা কবে আসছে? দিনক্ষণ জানাল আবহাওয়া দফতর। এদিকে বিপর্যয়ের মহাতাণ্ডব শুরু। ঘণ্টায় ১৯৫ কিমি বেগে প্রলয় দেখাবে প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। গত কয়েকদিন ধরেই গুমোট গরমে রীতিমতো অস্বস্তিতে শহরবাসী। তাপমাত্রাও বাড়ছে হু হু করে। গরমের জ্বালা জুড়িয়ে উত্তরবঙ্গে বর্ষার বৃষ্টি শুরু। কিন্তু এদিকে দক্ষিণবঙ্গে একদম উল্টো পরিস্থিতি, তবে এবার খবর জানালো আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।
রবিবারের আগে বর্ষা নয় দক্ষিণবঙ্গে। বাংলায় বর্ষার প্রবেশ করলেও থমকে আছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। আপাতত মালদহের উপরে তার অবস্থান। ১৮ থেকে ২১ তারিখের মধ্যে ফের সক্রিয় হতে পারে মৌসুমী বায়ু এমনটাই অনুমান আবহাওয়াবিদদের। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। যদিও তাপপ্রবাহের কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি কলকাতায়। এদিকে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বৃহস্পতি ও শুক্রবার উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। পার্বত্য এলাকায় ধস আর নিচু এলাকায় প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।
বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে ১৭ জুন শনিবার পর্যন্ত আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে হতে পারে অতি ভারী বৃষ্টি। নীচের দুই জেলা উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর মালদাতে রয়েছে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। এদিকে ১৫ জুন বিপর্যয় ল্যান্ডফল হওয়ার কথা ৷ জানতে পারা গিয়েছে ঘণ্টায় ১৯৫ কিমি বেগে ঝড় বইতে পারে ঝড়। তীব্র গতিতে এগিয়ে আসছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। এর প্রভাবে গুজরাট ও পাকিস্তানের
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিন্ধের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা। আপাতত অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়েছে সাইক্লোন বিপর্যয়। ইতিমধ্যেই গুজরাত উপকূলের গ্রামগুলি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বহু মানুষকে। প্রায় ৭৪ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
Cyclone Biparjoy: প্রবল গরমে বিপর্যয়ই কি বয়ে আনবে স্বস্তির বর্ষা? ফুঁসছে আরব সাগর, শক্তি বাড়াচ্ছে ‘বিপর্যয়’। কতটা বিধ্বংসী হবে এই ঘূর্ণিঝড়? এগোচ্ছে কোনদিকে? তাণ্ডব চালাবে কোথায়? টার্গেট কি ভারত, নাকি তছনছ হবে পাকিস্তান? ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়ে’ বাংলার কপালেও চিন্তার ভাঁজ। রিস্ক কতটা? ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে সতর্কতা জারি। ৮ থেকে ১০ই জুন, ভাইটাল টাইম। ভয় নয় সচেতন হন, বিপর্যয়ের আপডেট রাখুন। মোকার ক্ষতে প্রলেপ পড়তে না পড়তেই টেনশন বাড়াচ্ছে বিপর্যয়। আর এই বিপর্যয়ের কারণেই আগামী রবিবার থেকে রাজ্যের আবহাওয়া আমূল বদলে যেতে চলেছে। গরমে জেরবার পশ্চিমবঙ্গের জন্য রয়েছে সুখবর। তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তির খবর শুনিয়েছে হাওয়া অফিস। বিপর্যয়ের কল্যাণে আগামী ১০ জুন থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা পশ্চিমবঙ্গে। বৃষ্টিতে ভিজবে অসম, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, সিকিম ও
কবে ঢুকবে বর্ষা?
আরব সাগরের বুকে ঘূর্ণিঝড়ের জেরে আরও বিলম্বিত হবে বর্ষার আগমন। আগামী দুদিন এর মধ্যে মধ্যেই কেরলে বর্ষা প্রবেশ করার সম্ভাবনা থাকলেও, ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের কারণে তার শক্তি অত্যন্ত কম থাকতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর পথে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আগামী কয়েকদিন আরব সাগরেই আটকে থাকবে মৌসুমি বায়ু। এর ফলে বাংলায় বর্ষা পৌঁছতে দেরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূল হতে আরও ১-২ দিন সময় লাগতে পারে বলেই জানিয়েছে মৌসম ভবন। আপাতত শনিবার পর্যন্ত, এই হাঁসফাঁসে গরম চলবে, দহন জ্বালা অব্যাহত থাকবে।
৫ই জুন আরব সাগরে তৈরি হয়েছিল গভীর নিম্নচাপ। যা শক্তি সঞ্চয় করে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আবহবিদদের আশঙ্কা, বিপর্যয় আরও তীব্রতর হবে, আরও শক্তি বাড়াবে। মোদ্দা কথা, সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম হবে বিপর্যয়, হবে বিধ্বংসী। কোথায় পড়বে প্রভাব? আবহাওয়া দফতর কি বলছে? আরব সাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর দিকে এগোলে ধ্বংসলীলা বাড়ার চান্স থাকছে। জানা যাচ্ছে ভারতের পশ্চিম উপকূল ঘেঁষেই সমান্তরাল ভাবে উত্তরে গুজরাটের দিকে এগিয়ে যাবে বিপর্যয়। অতএব, গুজরাট রিস্ক জোনে রয়েছে। বিপর্যয়ের সর্বোচ্চ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা গুজরাতের উপকূলবর্তী শহরগুলোতেই। তবে আইএমডি বলছে বিপর্যয় কর্ণাটক, গোয়া, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে সরে যাচ্ছে। যদিও উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টিপাত হবে। তবে, এই ঘূর্ণিঝড়টা পাকিস্তানের স্থলভাগে আছড়ে পড়ার একটা বড় সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে গভীর প্রভাব পড়তে পারে পাকিস্তানের করাচিতে।
বিপর্যয়ের জন্য অলরেডি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্র উপকূলে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গুজরাতের সমস্ত বন্দরে সতর্কতা সংকেত দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় যত ঘনিয়ে আসবে সেই অনুযায়ী সতর্কতা সংকেত বাড়ানো হবে। ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় গুজরাট সরকার জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। উপকূলীয় শহরগুলোতে প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে। সাগরে উঁচু ঢেউ ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বন্যা পরিস্থিতি এবং অন্যান্য এফেক্টের বিষয়ে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উপকূলবর্তী এলাকার মানুষদের।
আবহাওয়াবিদদের একাংশের অনুমান ৮-১০ জুন, ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের জেরে ক্রমেই ঝোড়ো হাওয়ার গতি বাড়তে থাকবে। ১০ জুন ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি ১৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা পার করে যেতে পারে। এর গতিবেগ ঘূর্ণিঝড় মোকার গতিকে হার মানাতে পারে। এমনকি, আমফান, ফণীর থেকেও বেশি গতিসম্পন্ন হতে পারে। অলরেডি বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে কেরল, কর্নাটক, গোয়া উপকূলে। এই কদিন দক্ষিণ-পশ্চিম ভারতের উপকূলীয় রাজ্যগুলোতে থাকবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া।
Weather Update: গরমে পুড়ছে কলকাতা। তবে আর বেশিক্ষণের অপেক্ষা নয় বর্ষা কবে ঢুকছে জানিয়ে দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। রাজ্যে স্বস্তির বৃষ্টি নামবে কবে থেকে? ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়! ২৪ ঘণ্টায় অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস। বাংলার কপালে চিন্তার ভাঁজ। গরমে এককথায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। অনেকেরই এসি কেনার সামার্থ্য নেই। কিন্তু সকলের একটাই প্রশ্ন বৃষ্টি আসতে আর কতদিন? শরীর, মন ঠাণ্ডা করতে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি দরকার রাজ্যবাসীর। তাদেরকে বলছি আর একটু কষ্ট করুন। বর্ষা নিয়ে সুখবর দিল আবহাওয়া দফতর।
আরব সাগরের তীব্র ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের জেরে পশ্চিম উপকূলে দুর্বল মৌসুমি বায়ু। বর্ষা আসেনি উত্তর-পূর্ব ভারতেও। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস বলছে কেরলে বর্ষা ঢুকতে আরও ৪৮ ঘণ্টা লাগতে পারে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকবে। তবে বাংলায় কবে বর্ষা ঢুকছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। যে সাইক্লোনের জন্য বাংলার আবহাওয়ার এই দুরাবস্থা। তার গতিপথ কোনদিকে জানেন? এর গতিবেগ হার মানাতে পারে ঘূর্ণিঝড় মোকার গতিকেও। আমফান কিংবা ফণীর থেকেও বেশি গতি হতে পারে বিপর্যয়। এখন তার অবস্থান সম্পর্কে কী জানাচ্ছে IMD?
গত তিন ঘণ্টায় শক্তিশালী হয়েছে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। এটি পূর্ব মধ্য এবং দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে অবস্থান করছে। বুধবার সকালের বুলেটিন অনুযায়ী কেবলমাত্র ভারতই নয় এই সাইক্লোনের জোরাল প্রভাব পড়তে পারে পাকিস্তানের করাচিতেও। বুধবার রাতের পর থেকে হাওয়ার গতিবেগ বাড়তে শুরু করবে বলে জানাচ্ছে IMD। ১১৫ থেকে ১২৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উত্তর কেরাল, কর্নাটক, গোয়া উপকূলে মূলত তাণ্ডব চালাবে এই বিপর্যয় ঘূর্ণিঝড়। বিপর্যয় নামটি বাংলাদেশের দেওয়া। তবে কোথায় ল্যান্ডফল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার আগে দক্ষিণ ভারতের পাশাপাশি উত্তরপূর্ব ভারতেও আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। যদিও উত্তরপূর্ব ভারতে বিক্ষিপ্ত ভাবে হবে এই ভারী বৃষ্টিপাত এমনটাই পূর্বাভাস।
এমনিতেই মে মাসে মৌসম ভবন জানিয়েছিল যে এবারে ১ জুনের বদলে বর্ষা ঢুকতে পারে ৪ জুন। তবে ৪ জুন চলে গেলেও বর্ষাৎআসার নাম নেই। আগামী ১০ জুন পর্যন্ত কেরলে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। যতক্ষণ না পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড়ের ফাঁড়া কাটছে, ততক্ষণ কেরালায় বর্ষা প্রবেশ করবে না বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এদিকে গাঙ্গেও পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গেও তাপপ্রবাহ জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আইএমডি। বিশেষ করে পশ্চিমের জেলাগুলি এবং দক্ষিণবঙ্গে তীব্র দাবদাহ জারি থাকবে। ১০ তারিখ পর্যন্ত হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া সহ বেশ কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
Weather Update: ফের গুমোট গরমে যখন অতিষ্ঠ রাজ্যবাসী। তখনই আবহাওয়ার অশনি সংকেত। দুই সাগরে দুই ঘূর্ণিঝড়ের হানা। মোকাতে রেহাই পেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ। এবার কি টার্গেট বাংলা? ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান কোথায় হতে পারে? সাইক্লোন দুটির নাম কী? বর্ষার আগেই বিপদের আশঙ্কা বাড়ছে। আবহবিদরা কী বলছেন জানুন। বর্ষার আগে বাংলার একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা। তার মধ্যেই আবার দুটো ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা বাড়ছে।
মোকার পর আবারও চিন্তায় পড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। শেষ ঘূর্ণিঝড়টি কান ঘেঁষে বেরিয়ে গেলেও। কয়েকদিনের মাথাতে ফের নতুন আশঙ্কা বাড়ছে। মোকার পর ধেয়ে আসবে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের নামকরণ করেছে বাংলাদেশ। আর বিপর্যয়ের পরেই যে ঝড় আসবে তার নাম হবে তেজ। এই নাম ভারতের দেওয়া। ১০০ কিমি প্রতি ঘন্টা বেগে আগামী ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে কোথায় আছড়ে পড়বে?
এই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী আগামী ৩ জুন মায়ানমারের অন্যতম বড় শহর ইয়াঙ্গনের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। এরপর এটি ক্রমশ উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে ৮ জুন সেটি পৌঁছবে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। ঘূর্ণিঝড়ের লক্ষ্য হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ বা ওড়িশা উপকূল। ঘূর্ণিঝড়টি কবে ভূভাগে প্রবেশ করবে সেই পূর্বাভাসের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকটা দিন। এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে এখনই কিছু বলা মুশকিল। কারণ ওই একই সময় আরব সাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে। কোন ঝড়টি আগে তৈরি হচ্ছে তার ওপর তাদের শক্তি ও গতিপথ অনেকটা নির্ভর করছে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুসারে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রে হাওয়ার সর্বোচ্চ গতি ছাড়াতে পারে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের তালিকা অনুসারে যে ঝড়টি আগে তৈরি হবে তার নাম হবে বিপর্যয়। অন্যটির নাম হবে তেজ। এমনটাই ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা নিয়ে জানিয়েছে এক বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা।
বর্ষা কবে ঢুকছে বঙ্গে?
প্রচন্ড গরমে পুড়ছে বাংলা। ১ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এরপর ২ জুন শুক্রবার তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে দক্ষিণবঙ্গের বেশকটি জেলায়। এদিকে ৩ জুন আরও বেশি সংখ্যক জেলায় পারদ স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ধাপ ওপরে চড়তে পারে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার সঙ্গেই রাজ্যে বর্ষা ঢুকতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। পশ্চিমবঙ্গের হাওয়া অফিস ও ভারতের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর এখনই এ ব্যাপারে পূর্বাভাস দেননি।
সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় মোকা বাসা বেঁধেছিল বঙ্গোপসাগরে। তা সুপার সাইক্লোনের রূপ নিয়ে আছড়ে পড়ে মায়ানমার ও বাংলাদেশ উপকূলে। এবার একইসঙ্গে এক জোড়া ঘূর্ণিঝড় বাসা বাঁধতে চলেছে ভারতীয় উপকূল সংলগ্ন সাগরে। এক ঝড় যখন বঙ্গোপসাগরে বাসা বাঁধার সম্ভাবনা, তখন অন্য একটি ঝড় হানা দিতে পারে আরব সাগরে এখন কোন ঝড়টি আগে তৈরি হবে, তাদের শক্তি ও গতিপথ কী হবে তা নিশ্চিত নয়। ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি ও গতিপথের উপর নির্ভর করবে কোন ঘূর্ণিঝড় আগে তৈরি হবে।
Cyclone Mocha: ভেরি সিভিয়ার সাইক্লোন স্টর্ম মোকা কতটা ভয়ঙ্কর? মোকার আঘাতে তছনছ হতে পারে বাংলাদেশের এই দ্বীপ, সেফ নয় পায়রা সমুদ্র বন্দরও। রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে পাহাড় ধ্বসের বিরাট রিস্ক। আর কোথায় কোথায় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখানোর নির্দেশ? কোন কোন উপজেলা রিস্ক জোনে? মোকা মোকাবিলায় কিভাবে তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ? বাংলাদেশের সব উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা প্রকাশ আবহবিদদের। ফুঁসছে সাগর।
ঘূর্ণিঝড় মোকা সুপার সাইক্লোনে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আমেরিকার নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার। হাওয়ার গতিবেগ হতে পারে ঘন্টায় ২২১ কিলোমিটার এরও বেশি, ইতিমধ্যেই সোশ্যাল সাইটের পোস্টে এ কথা জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ। হ্যাঁ, আরও ভয়ঙ্কর, আরও শক্তি বাড়াচ্ছে “মোকা”। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর রীতিমতো ফুঁসছে। এর প্রভাব হতে পারে মারাত্মক। মোকার প্রভাবে বাংলাদেশের দেশের সব উপকূলীয় এলাকায় ১০ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। কক্সবাজারের টেকনাফ এবং মিয়ানমারের উপকূলে “মোকা” আঘাত হানবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে দু নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। কক্সবাজারের চারটে উপজেলা টেকনাফ, উখিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী রয়েছে রিস্কজোনে।
মোকা মোকাবিলায় তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যেই, দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা কক্সবাজারে দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিলেও সেন্টমার্টিন দ্বীপের ক্ষেত্রে ছবিটা ব্যতিক্রমী। ওই দ্বীপে প্রচার বা মাইকিং হয় না। স্থানীয়রা নিজ দায়িত্বে প্রস্তুতি নেয়। সেই মতো, সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষ স্পিড বোট, মাছ ধরার নৌকায় করে টেকনাফের দিকে সরে যেতে শুরু করেছেন। বয়স্ক মানুষ বা যারা কাঁচা ঘরে থাকেন তাঁরা রিসর্টের বারান্দায় আশ্রয় নেন। পরিস্থিতির কথা জেনে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। ওই দ্বীপের মানুষগুলোর জন্য কি করা উচিৎ ছিল, প্রধানমন্ত্রী পদে থাকলে তিনি কি করতেন তা সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করে জানিয়েছেন
অন্যদিকে, স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাস্টারের নির্দেশ অনুযায়ী জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, জল উন্নয়ন বোর্ড, রেড ক্রিসেন্ট সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সব কর্মকর্তাদের ছুটিতে যেতে বারণ করেছে। কক্সবাজার জেলা জুড়ে ৫৭৬টি সাইক্লোন সেন্টার খোলা হয়েছে। সময় মতো সবাইকে এসব আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। থাকছে জল, শুকনো ও রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা। আর, যারা ভিটেবাড়ি ছেড়ে সাইক্লোন সেন্টারে যেতে চায় না সেইসব রিস্কি এলাকায় থাকবে স্বেচ্ছাসেবক। উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় যারা থাকেন, তাদের জন্য কোনো আশ্রয়কেন্দ্র নেই। তাদের ঘরবাড়ি বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলারও উপযোগী নয়। এই পরিস্থিতিতে তারা কোথায় আশ্রয় নেবে? রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ইন চার্জের অফিস, হাসপাতাল, মসজিদ, ও সরকারি দফতরগুলোতে সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হতে পারে বলে খবর।
এরপরও ভূমিধসপ্রবণ এলাকাগুলোর জন্য দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। সেখানকার লোকজনকে আগেভাগে সরিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে। কারণ, রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে পাহাড় ধ্বসের বিরাট রিস্ক রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তায় প্রতিটা ক্যাম্পে ১০০ জন করে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে, যারা রোহিঙ্গাদের বাড়িগুলোকে সাময়িকভাবে মজবুত করার কাজ করবে। একইসাথে, ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে কনক্রিটের কাঠামোয় রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নিতে এই স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করবেন। পাশাপাশি, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কক্সবাজারের প্রতিটি উপজেলায় রেড ক্রিসেন্টের আলাদা আলাদা দল গঠন করা হয়েছে। থাকছে কন্ট্রোল টিম যারা সার্বিক তত্ত্বাবধানে কাজ করবে। মোবাইল মাইকিং টিম, যারা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় প্রচার চালাবে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে উদ্ধারকাজ চালাতে মাঠে থাকবে-ইউনিয়ন ডিজাস্টার রেসকিউ টিম। আশ্রয় কেন্দ্রে আহত কেউ থাকলে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য কাজ করবে ফাস্ট এইড টিম।
ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপকূলবর্তী জেলাগুলোর প্রায় ১৫০ ফায়ার স্টেশন প্রস্তুত রয়েছে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি, আনসার, কোস্টগার্ডও প্রস্তুত রয়েছে। তৈরি থাকছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মেডিকেল টিম। খাবার স্যালাইন, জল বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট, প্রয়োজনীয় ওষুধ, সাপে কাপড় দেওয়া রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক অ্যান্টিভেনম, প্রয়োজনীয় জ্বালানি সহ অ্যাম্বুলেন্স এবং ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা থাকছে। এককথায়, ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ার পর থেকে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ শূন্য পর্যায়ে রাখতে তৎপরতার সাথে একের পর এক পদক্ষেপ করে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। বিভিন্ন গ্লোবাল মডেল বিশ্লেষণ করে আবহবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন “ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রভাগ ১৪ই মে রবিবার সকাল ৬ টার পর থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলে আঘাত করার আশঙ্কা থাকছে, ঘুর্ণিঝড় কেন্দ্র দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আর পিছনের অংশ সন্ধ্যা থেকে ১৫ই মে সোমবার ভোর পর্যন্ত উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে”।
Weather Update: আর বেশিক্ষণ গরম সহ্য করতে হবে না। আর কয়েক ঘন্টাতেই আসছে স্বস্তির বৃষ্টি। বৃষ্টি নামতে পারে দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলায়। আপনার এলাকায় কবে ঝেঁপে বৃষ্টি হবে? আলিপুর আবহাওয়া দফতর কী বলছে জানুন। তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোকা। ভারতের থেকে আশঙ্কা বাড়ছে বাংলাদেশের। প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে উপকূলে। কতটা প্রসতুত ওপার বাংলা? আতঙ্ক নয় সাবধান হন।
বঙ্গোপসাগরের তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোকা৷ ধীরে ধীরে তা পরিণত হচ্ছে আরও শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় মোকা আছড়ে পড়ার আগেই দক্ষিণবঙ্গের ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা৷ গরম কমবে কবে? বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ভিজতে চলেছে দক্ষিণবঙ্গের তিনটি জেলা দক্ষিণবঙ্গের গত দুদিনের অসহ্য গরম কিছুটা কমবে। দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আর বেশিক্ষণের অপেক্ষা নয়। কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মিলতে চলেছে স্বস্তির বৃষ্টি।
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ভিজতে চলেছে বাংলা। মোকা-র প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টি শুরু হবে আগামী শনিবার থেকে। যা চলতে পারে রবিবার পর্যন্ত। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং
পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টি হতে পারে বৃষ্টি। না হলেও শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের ৯টি জেলায় আর তাপপ্রবাহের সতর্কতা থাকছে না। কলকাতাতে চড়চড়িয়ে বাড়ছে পারদ। আপাতত কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।
কোথায় আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মোকা?
১২ মে পর্যন্ত মোকা আরও শক্তি সঞ্চয় করতে চলেছে। ১৪ মে তা স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। সে সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের উপকূলবর্তী অঞ্চলে তা আঘাত হানতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এর আগেও বহু বিধ্বসী ঘূর্ণিঝড় দেখেছে বাংলাদেশ। এবার আগে থেকেই দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম সহ অন্যান্য উপকূলীয় এলাকায় সব আশ্রয়কেন্দ্র এবং ত্রাণশিবির প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কক্সবাজার জেলার ৫৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা। প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকদের বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে ১৪ টন ড্রাই কেকসহ শুকনা খাবার, ২০০ মেট্রিক টন চালও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কক্সবাজার জেলায় সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সেনা এবং পুলিশ ওই এলাকার বাসিন্দাদের ত্রাণশিবিরে আসার জন্য সাহায্য করা হবে। সেখানে ঘূর্ণিঝড় নিয়ে আগাম সতর্কবার্তা প্রচার করাও হচ্ছে। তথ্য পাওয়া গিয়েছে বাংলাদেশের গণমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদনে।
ভারতে আপাতত ঘূর্ণিঝড় নিয়ে চিন্তার কারণ নেই বলছেন আবহবিদরা। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা। শুক্র-রবিবার পর্যন্ত বাংলার মৎস্যজীবীদের সমুদ্র যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
Weather Update: দুই বাংলায় তাণ্ডব দেখাতে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। কবে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মোচা? সর্বনাশা মে মাস। আমফানের সঙ্গে মোচা ঘূর্ণিঝড়ের মিল কোথায় জানেন? অমাবস্যায় অশনি সংকেত দুই বাংলায়। পশ্চিমবঙ্গ -বাংলাদেশের কোথায় কোথায় আছড়ে পড়তে পারে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়টি? আতঙ্কিত হবেন না! আবহবিদরা কী বলছেন জানুন।
আমফানের সঙ্গে এই ঘূর্ণিঝড়ের মিল পাচ্ছেন আবহবিদরা। দুই বাংলার সুন্দরবন কতটা রিস্কে? ২০২০ সালের ১৬ মে তাণ্ডব দেখিয়েছিল আমফান ঘূর্ণিঝড়।
এবার মোচা ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রহর গোনা শুরু! ঝড়ের সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ঘন্টায় ১৪০ থেকে ১৭০ কিলোমিটার। কত থেকে কত তারিখের মধ্যে আছড়ে পড়তে পারে মোচা? ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে নোনা জল ঢুকে নষ্ট হয়ে গিয়েছে সুন্দরবনের হাজার হাজার একর চাষজমি। তছনছ হয়েছে ম্যানগ্রোভ অরণ্য। এবার বাংলা কতটা রিস্কে রয়েছে? অমাবস্যার রাতে কোন প্রলয় হতে চলেছে দুই বাংলার উপকূলে?
নানা আন্তর্জাতিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস মডেল অনুযায়ী, চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বাংলাদেশ সীমান্তে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় বঙ্গোপসাগরের যে অংশ বাসা বাঁধবে সেখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা প্রবল। এই আশঙ্কার বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ। বঙ্গোপসাগরে ৯ থেকে ১১ মে এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোচা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝড় সৃষ্টি হলে তা ১৩ থেকে ১৬ মে-এর মধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তে আঘাত হানতে পারে। অমাবস্যায় যেন দুই বাংলার কপালে শনি নাচছে।
বিশেষজ্ঞদের কোন আশঙ্কা বাড়ছে? তারা বলছেন ঘূর্ণিঝড়টির সৃষ্টি এবং স্থলভাগে আঘাত করার সময় যদি আরও তিন দিন পিছিয়ে ১৭-১৮ তারিখ হয় তা হলে অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে। কারণ ১৮ মে অমাবস্যার রাত ঘূর্ণিঝড় আরও শক্তিশালী হবে। আর সে কারণে জলোচ্ছ্বাসেরও শক্তি বেড়ে হবে ১৫ ফুট। যা শুধু প্লাবিত নয়, ভয়ংকর তাণ্ডব দেখাতে পারে। বরিশাল ও চট্টগ্রাম সহ উপকূলীয় এলাকাগুলোতে।
ঘূর্ণিঝড় মোখার এই প্রাথমিক পূর্বাভাসে নিশ্চিন্ত নন। আবহাওয়াবিদ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা। তার মতে, ২০২০ সালের ঘূর্ণিঝড় আমফানের সঙ্গে এই ঝড়ের অনেক মিল রয়েছে। ১৩ মে ২০২০ সালে যে ঘূর্ণাবর্তটি তৈরি হয়েছিল তা পরে আমফানের চেহারা নেয়। আরও চিন্তার কারণ আছে বইকি। যেখানে আমফানের ঘূর্ণাবর্তটি তৈরি হয়েছিল প্রায় সেখানেই তৈরি হতে পারে আগামী ঘূর্ণাবর্তটি। আমফানের প্রাথমিক পূর্বাভাসেও ঝড়টি বাংলাদেশ বা মায়ানমারে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু পরে সেটি পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আঘাত হানে।
আমফানের তাণ্ডবলীলা সহ্য করতে পারেনি দুই বাংলার সুন্দরবন। একরাতের ঝড়ে সে ক্ষতি মনে রয়েছে সকলের। তবে আন্তর্জাতিক আবহবিদরা বলছেন এত আগে থেকে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না। তবে উপকূলবর্তী এলাকার মানুষের ঝড়ের প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
Weather Update: বাংলা থেকে ৬ হাজার কিলোমিটার দূরে তেজ বাড়াচ্ছে কোন অদৃশ্য শক্তি? সপ্তাহের প্রথম দিনই ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী। মাঝ বৈশাখে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার তাণ্ডব কেন? ভোল বদলাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া। শিলাবৃষ্টির পাশাপাশি ধুলোর ঝড় কোথায় ? এই জেলাগুলিতে বাড়বে দুর্যোগ, জারি হলুদ সতর্কতা আপনার জেলার পরিস্থিতি আজ কেমন? বিস্তারিত জানুন প্রতিবেদনে।
চোখের নিমেষে পাল্টে যাচ্ছে আবহাওয়া! ভরা বৈশাখে ঠিক কোন কারণে অকাল বর্ষা? সাগরে এই অচেনা শক্তিই কি হতে পারে বড়সড় চিন্তার কারণ? আবহাওয়া দফতর কী বলছে জানুন। বাংলা থেকে অন্তত ৬ হাজার কিলোমিটার দূরে। ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান তারপর জম্মু-কাশ্মীর হয়ে ভারতে ঢুকছে সে যে কারণেই বৈশাখে বাংলার জেলায় জেলায় ঝড়-বৃষ্টির কমলা-হলুদ সতর্কতা!
কোন কোন জেলাকে অ্যালার্ট থাকতে হবে জানুন
কলকাতায় কালবৈশাখী হতে পারে আজও। আগামী ২৪ ঘন্টায় রয়েছে শিলা বৃষ্টির সতর্কতাও। রাজ্যজুড়েই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় হতে পারে। সোমবার কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুরে কমলা সতর্কতা জারি। বাদ নেই পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াও। মঙ্গলবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত। এই জেলাগুলিতে জারি হলুদ সতর্কতা।
৬ হাজার কিলোমিটার দূরে ফুঁসতে থাকা অচেনা শক্তি আর্শিবাদ না অভিশাপ? আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে বাংলায় পশ্চিমী ঝঞ্ঝাই গ্রীষ্মে ত্রাতার ভূমিকায় ঝঞ্ঝার জন্ম হয় ভূমধ্যসাগরে। ঝঞ্ঝা শক্তিশালী হলে নিম্নচাপ বা ঘূর্ণাবর্তও সৃষ্টি হয়। এখন যেমন উত্তর প্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত সৃষ্টি হয়েছে, এদের প্রভাবে, বঙ্গোপসাগর থেকে হু হু করে দখিনা ও দখিনা-পুবালি বাতাস ঢুকছে। সাগরের বাতাস মানেই প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প। সেই জলীয় বাষ্প নির্দিষ্ট উচ্চতা পর্যন্ত উঠেই বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হচ্ছে।
বৈশাখের গরম থেকে বাঁচতে যারা পাহাড়ে যাওয়ার প্ল্যানিং করেছিলেন, তাদের এবার ভাবতে হবে বইকি। উত্তরবঙ্গে হাওয়ার মতিগতি ভালো নয়। সোমবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতে। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হবে। ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টিরও সতর্কতা রয়েছে।
৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে চলতি সপ্তাহে।
পশ্চিমী ঝঞ্জার জেরে দেশজুড়েই দুর্যোগ চলবে। সোম এবং মঙ্গলবার শিলাবৃষ্টি চলতে পারে পঞ্জাব হরিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং দিল্লিতে। বুধবার শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা আছে মরুরাজ্য রাজস্থানেও। পাশাপাশি পশ্চিম রাজস্থানের জন্য রয়েছে ধূলিঝড়ের পূর্বাভাসও। বৈশাখেও রাতে গায়ে চাদর চাপিয়ে ঘুমোতে হচ্ছে। ২৭ এপ্রিল বৃষ্টির হাত ধরে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পারদ পতনের সাক্ষী হয়েছিল কলকাতা। দুপুর তিনটে নাগাদ ৩৭ ডিগ্রির ঘরে ছিল পারদ, বিকাল সাড়ে ৫টায় তা নেমে আসে ২৩ ডিগ্রিতে। তবে তাপমাত্রা কম থাকায় স্বস্তিতে অনেকেই। এরকম বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি চলবে সপ্তাহ ভর। ফলে মে মাসের শুরুটা এবার জ্বালাপোড়া গরমে হাসফাঁস করতে হল না রাজ্যবাসীকে, এমনটাই পূর্বাভাস।
Weather Update: অবশেষে স্বস্তি, তীব্র গরম থেকে মুক্তি পেতে চলেছে বঙ্গবাসী। ২১শে এপ্রিল শুক্রবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলার আকাশে মেঘের আনাগোনা, কোথাও আংশিক মেঘলা আবার কোথাও রোদ। দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভোরের দিকে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি হয়েছে। এক কথায় বলা যায়, বঙ্গবাসীর জন্য স্বস্তির আবহাওয়া আসতে চলেছে।
বেশ কয়েক দিন তীব্র গরম আর তাপপ্রবাহের কারণে বঙ্গে বিরাজ করছিল এক অস্বস্তিকর পরিবেশ। যদিও বঙ্গের সব জেলায় আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার বিক্ষিপ্ত কিংবা হালকাভাবে বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে। অন্যান্য জেলায় বইবে তীব্র তাপপ্রবাহ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও জারি থাকবে তাপপ্রবাহ। একইভাবে তাপপ্রবাহ সহ্য করতে হবে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং ঝাড়গ্রামকে।
শনিবার ও রবিবার কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং বাঁকুড়ায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতি ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইবে। উত্তরবঙ্গের দুই দিনাজপুর এবং মালদহে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। এছাড়া বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং এবং কোচবিহারে।
কলকাতায় আপাতত সেভাবে তুমুল বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৯ ডিগ্রির কাছে। আকাশে আংশিক মেঘলা থাকলেও আদ্রতা জনিত কারণে অস্বস্তি ভাব বজায় থাকবে। শুক্রবার সন্ধ্যের দিকে কলকাতা সহ দুই ২৪ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সাথে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। এক্ষেত্রে অসহ্য গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পাবে বঙ্গবাসী, তবে ভ্যাপসা গরম থেকে আপাতত রেহাই নেই। দক্ষিণবঙ্গে জেলাগুলিতে রবিবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলিতে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে মেঘালয়, আসাম এবং অরুণাচল প্রদেশে।
Weather Update: তীব্র গরমে বঙ্গবাসীর হাঁসফাঁস অবস্থা। এখন সবাই চাতক পাখির জন্য একটু বৃষ্টির (Rain) জন্য অপেক্ষা করছে। এই অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যেই রয়েছে মন ভালো করা খবর। শুক্রবার (Friday) থেকেই আবহাওয়ার পরিবর্তন (Weather Change) ঘটতে পারে। শনিবার থেকে বৃষ্টিতে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলা। যদিও বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে। অপরদিকে তৈরি হয়েছে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা।
আগামী দু-একদিন তাপপ্রবাহ জারি থাকলেও শুক্রবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে। শনিবার থেকে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের আট জেলায়। সেই তালিকায় রয়েছে দুই চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং নদিয়া। এছাড়াও অন্যান্য জেলা গুলিতে বৃষ্টি না হলেও কোথাও মেঘ আবার কোথাও আংশিক মেঘলা থাকবে। উত্তরবঙ্গে বুধবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই মোটামুটি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাপপ্রবাহ বইবে। কলকাতায় ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উপরন্তু বেলা বাড়তেই বইছে লু। এই ভ্যাপসা গরমের কারণে সব থেকে বেশি ভুগতে হচ্ছে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমকে।
কলকাতাবাসীর জন্য এই মুহূর্তে কোন সুখবর নেই। তীব্র গরমে মহানগরবাসীকে এখনো ভুগতে হতে পারে। অপরদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তাপপ্রবাহ জারি থাকবে মালদহ এবং দুই দিনাজপুরে। বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়ে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে শুক্রবারও এই জেলাগুলি বৃষ্টিতে ভিজবে। মালদহ এবং দুই দিনাজপুরে রবিবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে।