Tag: Weather

  • Weather Update: বাংলা জুড়ে আবহাওয়ার ভোলবদল! জানুন আপনার জেলার আপডেট!

    Weather Update: বাংলা জুড়ে আবহাওয়ার ভোলবদল! জানুন আপনার জেলার আপডেট!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: বাংলা জুড়ে আবহাওয়ার ভোলবদল! বাংলাদেশের হামুনের প্রভাব কি ভারতে আর থাকবে ? আবার কি বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য? নাকি শীতকাল পড়ে যাবে এখনই?রাজ্যজুড়ে বিরাট পরিবর্তন আবহাওয়ার। থাকছে আপনার জেলার আপডেটও। ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাব ভারতের বেশ কিছু এলাকায় পড়েছে। তামিলনাড়ু, ওড়িশা উপকূলে মাঝারি বৃষ্টি ও পারাদ্বীপে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে। পূর্ব ভারতের উপকূলে তেমন প্রভাব পড়েনি হামুনের।কলকাতায় হাওয়া অফিস আগেই জানিয়ে দিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে হামুনের প্রভাব পড়বে না। অন্যদিকে মিজোরামে ভারী বৃষ্টি চলছে। ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাংলার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আগামী কয়েকদিন হাল্কা হিমেল আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বরং চলতি সপ্তাহেই জেলায় জেলায় শীতের আমেজ শুরু হয়ে যাচ্ছে। আলিপুরের হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, চলতি সপ্তাহে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে তাপমাত্রা।

    আবহাওয়া দফতর এও জানিয়েছে যে, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। অন্যদিকে উত্তর কেরল এবং সংলগ্ন এলাকার ওপরেও একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাব মূলত পড়বে দক্ষিণ ওড়িশা এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশে। বাংলায় এর কোন প্রভাব পড়বে না পড়েই জানা যাচ্ছে। সুতরাং, আপাতত বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আগামী কয়েকদিন হাল্কা হিমেল আবহাওয়া থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতি এবং শুক্রবার উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির আবহাওয়া শুকনো থাকবে। কোনও জেলাতেই বৃষ্টির তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রেও একই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গেরও সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের কোথাও বৃষ্টির তেমন কোনও পূর্বাভাস নেই। উত্তরবঙ্গের মতো দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আগামী ২৪ ঘন্টায় কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩১ ও ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে।এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বুধবার যা ছিল ২৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯৬ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় কোনও বৃষ্টি হয়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: দুর্গাপুজোর মধ্যেই ঘূর্ণাবর্তের আশংঙ্কা! ষষ্ঠী থেকে দশমী কেমন থাকবে ওয়েদার?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: ষষ্ঠী থেকে দশমী কেমন থাকবে ওয়েদার? বৃষ্টিতে ভাসবে? নাকি রোদঝলমলে আবহাওয়া থাকবে? দুর্গাপুজোর মধ্যেই ঘূর্ণাবর্তের আশংঙ্কা! জেনেনিন আপনার জেলায় বৃষ্টি হচ্ছে কিনা! আবহাওয়া সব আপডেট পেয়ে যাবেন এই প্রতিবেদনে। দেখতে থাকুন শেষ পর্যন্ত। পুজোর ক’টা দিন কেমন আবহাওয়া থাকবে। এই প্রশ্নই এখন সবার মনে ৷ যদি বৃষ্টি হয় তাহলে তো পুজো মাটি হয়ে যাবে। প্রত্যেকেই এখন মুকিয়ে রয়েছে পুজোর কটা দিন বৃষ্টি হবে কিনা তা জানার জন্য। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পুজো এবার ভালোই কাটবে। আবহাওয়ার বড়সড় কোনও পরিবর্তন থাকবে না। তবে কিছু কিছু দিন কয়েকটি জায়গায় বৃষ্টির দেখা মিলবে।

    তৃতীয়ার দিন রাজ্যে আবহাওয়ার তেমন হেরফের হবে না। শুধুমাত্র দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হবে না। আদ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। রোদ ঝলমলে আবহাওয়া থাকবে।ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত সম্পূর্ণ নির্বিঘ্নে কাটবে পুজো। কিন্তু, আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা যাবে নবমী থেকে। নবমী ও দশমীর দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে সমুদ্র উপকূল জেলাগুলিতে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টি হতে পারে। তার পরিমাণ হতে পারে সামান্য। তবে আরবসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। তা শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের রাজ্যে এই নিম্নচাপ প্রভাব ফেলতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে এর কোনও প্রভাব পড়াবে না তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

    মৌসম ভবনের আরও পূর্বাভাস, আগামী দু-তিন দিনে বাংলার বাকি অংশ থেকে বর্ষা বিদায় নেবে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে বর্ষা বিদায় নিয়েছে৷ উত্তরবঙ্গেরও কিছু এলাকায় বর্ষা ইতিমধ্যেই বিদায় নিয়েছে। তবে নবমী ও দশমীর দিন কলকাতা হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যাবে। হতে পারে হালকা বৃষ্টিও। আর পুজোর কয়েকটা দিন তাপমাত্রা থাকবে অনেকটাই কম। অর্থাৎ, পুজোর মধ্যে আবহাওয়া নিয়ে তেমন কোনও সমস্যা হবে না বলেই আশা করা যায়। পুজো কাটান দারুন আনন্দ করে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: দুর্গাপুজো মাটি, ভাইটাল দুটো দিন বৃষ্টি? জেনে নিন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: ঘূর্ণাবর্তের চক্রব্যূহে আটকে বাংলা। দুর্গাপুজো পুরোই মাটি? ভাইটাল দুটো দিনে কোন কোন জেলায় জারি রেড অ্যালার্ট? বড় খবর! সুপার এল নিনোর এফেক্ট, আর শীত পড়বে না? মারাত্মক জলবায়ু প্যাটার্ন, আশঙ্কায় আবহবিদরা। ঝেঁপে বৃষ্টি বাংলায়? আশঙ্কাই তাহলে সত্যি হয়ে গেল? ষষ্ঠী সপ্তমী অষ্টমী যেমন তেমন, নবমী দশমী টা সেফ তো? পুজোর শুরুতেই বড় ঝটকা। ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরে গেল আবহাওয়া। দক্ষিণেই বৃষ্টি। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত ঝলমলে আবহাওয়াই থাকবে। নবমী থেকে খেল দেখাবে বৃষ্টি।সোমবার রাতে অর্থাৎ নবমীর রাতে এবং দশমীর দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। বৃষ্টিতে ভিজতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর।

    মানে সাজানো পুজো প্ল্যানিং ভেস্তে দেওয়ার জন্য নবমী দশমীর বৃষ্টি যথেষ্ট। মূলত, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন আন্দামান সাগরে থাকা ঘূর্ণাবর্ত ২০ অক্টোবর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।তার জেরেই পজোয় বৃষ্টি দেখবে দঃবঙ্গ। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও সতকর্তা জারি করেনি হাওয়া অফিস। আর ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে? ষষ্ঠীতে দার্জিলিং এবং কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমীতে উত্তরবঙ্গের কোনও জেলায় বৃষ্টি হবে না বলে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমছে৷ আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও ধীরে ধীরে কমবে। ষষ্ঠী থেকে আবহাওয়ার আরও একটু পরিবর্তন হবে৷ দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। তাহলে কি শীত ঢুকছে?

    বিজ্ঞানীরা বলছেন, চরম দুঃসময় আসছে। ‘সুপার এল নিনো’র এফেক্টে ভুগবে ভারত। শীতে চড়তে পারে তাপমাত্রার পারদ। মহরাষ্ট্র সহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত উপভোগ করার সম্ভাবনা একেবারেই কম। তাহলে কি এবার শীত উধাও হয়ে গেল? আবহবিদদের মতে, এবার শীতের আমেজ থেকে বঞ্চিত হতে পারে দেশবাসী। যে আশঙ্কায় রীতিমতো ঘুম উড়ে যাওয়ার জোগাড় কী ঘটবে? এল নিনোর প্রভাবে মূলত তাপমাত্রা বৃদ্ধি হয়। দেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। আর শীতকালে তাপমাত্রা বাড়লে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন চাষী রারবি শস্য চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এই কারণে এছাড়াও জোয়ার, গম, ছোলা বা ছোলার ফলন শীতকালেই ভালো হয়। সেক্ষেত্রে কী ঘুরতে যাচ্ছে অনুমান করতে পারছেন তো? যদিও এল নিনোর কতটা এফেক্ট শীতকালে পড়বে সেটা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবুও অনেক জায়গাতেই বাড়বে তাপমাত্রা, এটা জানিয়ে দিয়েছেন আবহবিদরা। ফাইনাল খবরটা জানতে পারবেন আরো কিছুদিন পর।

    জানিয়ে রাখি সমুদ্র ও মহাসাগরের উপরিভাগের তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে গোলার্ধের আবহাওয়া পরিবর্তন হয়। নভেম্বরের শেষের দিকের জানা যাবে এল নিনোর দাপটে আগামী বছরে ২০২৪ সালে ভারতে কী পরিস্থিতি তৈরি হবে? সাফ জানিয়েছে ন্যাশনাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। তাই, বিপদ কতটা ঘনাচ্ছে সেটা জানতে আরো কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতেই হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুজোর ৩ দিন ভারী বৃষ্টি! IMD র লেটেস্ট নিউজ চমকে দেবে, ৭ জেলা সাবধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    দুর্গা পুজোয় ভারী বৃষ্টি টানা ৩ দিন। এ কী খবর শোনালো আবহাওয়া দফতর। আইএমডির লেটেস্ট বুলেটিনে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার খবর  বাংলা ৭ জেলায় ভোগান্তি শুরু হবে? এই তো খবর ছিল কোনও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাহলে আবহাওয়ার খামখেয়ালীপনা কোন খবর নিয়ে এল এবার? পুজোর কোন ৩ দিন ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে? আইএমডির লেটেস্ট বুলেটিনে কী পূর্বাভাস দেওয়া হল জেনে নিন। আরবসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূনাবর্ত। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে শক্তি বাড়িয়ে তা নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের রাজ্যে কতটা প্রভাব পড়তে পারে তা সিস্টেমের গঠন সম্পূর্ন হলে জানা যাবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন।

    তবে শুধু তাই নয় আইএমডি জানাচ্ছে ইতিমধ্যেই দেশে হাজির হয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা যার ফলে আমূল পালটে যাচ্ছে দেশের আবহাওয়া। সোমবার থেকে প্রভাব ফেলতে শুরু করবে এই ঝঞ্ঝা। উত্তর পশ্চিম এবং মধ্য ভারত সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে তীব্র পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই উত্তর পার্বত্য রাজ্যগুলিতে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হবে। এমনকি চলবে তুষারপাতও। বাংলায় এর কতটা প্রভাব? পুজোয় বৃষ্টি ভাসাবে নাকি? রাজ্যের কোথাও ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী রোদ ঝলমলে আবহাওয়াই থাকবে এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই তবে জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পশ্চিম উত্তর প্রদেশ, পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি এবং রাজস্থানের কিছু অংশে ঝড় বৃষ্টি ও বজ্রপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এমনকি রয়েছে তুষারপাতের সম্ভাবনাও। হিমালয় থেকে শুষ্ক উত্তর-পশ্চিমী বাতাস পশ্চিমী ঝঞ্ঝা অতিক্রম করার পরে
    নিম্ন ট্রপোস্ফিয়ারিক স্তরে উত্তর-পশ্চিম ভারতে অবস্থান করবে।

    একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গে পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তরাই ডুয়ার্স ও সমতলে বৃষ্টির তেমন আর কোনও সম্ভাবনা নেই ।দার্জিলিং, কার্সিয়ং ও কালিম্পং ছাড়া বাকি উত্তরবঙ্গে সোমবার রাতের পর থেকেই জলীয় বাষ্প কমতে শুরু করবে। তৃতীয়া থেকেই ভোরের দিকে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব অল্প অল্প করে পাওয়া যাবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে তৃতীয়া পর্যন্ত জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি কিছুটা থাকবে ধীরে ধীরে জলীয় বাষ্প কমবে। শুষ্ক হবে আবহাও য়াপশ্চিমাঞ্চলের কিছু জেলায় চতুর্থী থেকে ভোরের দিকে সামান্য শিরশিরানি ভাব থাকবে আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের কোথাও তাই বঙ্গবাসীদের টেনশন করার কোনও কারণ নেই। মৌসম বিভাগ জানিয়েছে, মরশুমের এটা প্রথম তীব্র ক্ষমতাসম্পন্ন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এর ফলে কেবলমাত্র উত্তর ভারতই নয় তামিলনাড়, কেরালা এবং লাক্ষাদ্বীপেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিরপাত শুরু হয়ে গিয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: পুজোয় কোনদিন বৃষ্টি অষ্টমী না দশমী? আবহাওয়া আপডেট জানুন এখনই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: পুজোয় হবে বাংলায় বৃষ্টি কোন দিন ভিজবে বাংলা? অষ্টমী না দশমী ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নাকি কি বলছে হাওয়া অফিস? খামখেয়ালি আবহাওয়ায় দুর্যোগ বাড়াবে নাকি? ফাইনালী পুজোয় আবহাওয়ার আপডেট দিয়ে দিল আবহাওয়া দফতর। পুজোর চারটে দিন চুটিয়ে আনন্দ করেন সকলে। বয়স যাই হোক, সামর্থ্য যেমনই হোক, নিজেদের মতো করে চারটে দিন সব খারাপ ভুলে থাকার চেষ্টা। তাই পুজোর আকাশে কালো মেঘ দেখা দিলে পুজোতে বৃষ্টি হবে শুনলে মন কাঁদে উৎসবমুখর বাঙালির। এবার সেরকমই তো খবর দিচ্ছে হাওয়া অফিস পুজোর মাঝে কি এবার শীতের হাওয়ার ঝলকানি? তবে এতে আপনার মন খারাপ হবে না কথা দিলাম। অনেকদিন পর আবহাওয়া নিয়ে সুখবর শোনাল হাওয়া অফিস। আগামী ১০-১২ দিন বাংলায় কোনও দুর্যোগের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে তারা। দক্ষিণবঙ্গ-উত্তরবঙ্গে থাকবে ঝলমলে আকাশ।

    ২২ তারিখ অর্থাৎ মহা অষ্টমীর দিন আবহাওয়ার তেমন পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টি হওয়ারও এদিন কোনও সম্ভাবনা আপতত নেই। ২৩ তারিখ কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনাকে একটু বেগ পেতে হতে পারে। কারণ নবমীর দিন কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া এবং হুগলিতে খুবই হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে। ২৪ তারিখ অর্থাৎ দশমীর দিনও হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে। ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আপাতত কোথাও নেই। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পুজোয় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই, তবে ২৩ তারিখের পর থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনেকটাই নামতে পারে।

    শুধু তাই নয়, পুজোয় মিলবে বোনাসও হাওয়া অফিস সে বার্তাও শুনিয়েছে। তীব্র গরম, স্বাভাবিকের থেকে উপরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সেটাও অনেকটাই কমবে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন এই সুখবর তাঁরা দিতে পারছেন কারণ বঙ্গোপসাগর এখনও শান্ত। সেখানে নিম্নচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। উল্টে উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা শুকনো হাওয়া ঢুকবে। উত্তর ভারত থেকে হাওয়া ঢুকবে ফলে বঙ্গোপসাগর থেকে হাওয়া প্রবেশের পরিমাণও কমবে। যার জেরে ভ্যাপসা গরম যেমন কমবে বৃষ্টির সম্ভাবনাও একেবারেই নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • এত নিম্নচাপ কেন ? কলকাতার আবহাওয়া ভয়ানক খারাপ হবে, সুপার সাইক্লোন আর বন্যা খুব কাছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    এতো নিম্নচাপ কেনো হচ্ছে? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে চিন্তা করার মত যথেষ্ট কারণ আছে। কলকাতার আবহাওয়া যত দিন যাবে খারাপ হবে। সুপার সাইক্লোন, বন্যায় ডুববে কলকাতা। অপরিশোধিত বর্জ্য ফেলার ফলে নদীর তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় পরোক্ষভাবে ম্যানগ্রোভ। বর্জ্য সুন্দরবনের নদী দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পড়ছে। এতে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ছে। ফলে আঞ্চলিকভাবে নিম্নচাপের সৃষ্টি হচ্ছে। কলকাতায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। ২১১ কিমি প্রতি ঘন্টা বা তারও বেশি বেগের ঝড় বাড়বে। সুন্দরবনকে বাঁচাতে না পারলে কলকাতা বাঁচবে না। এই শতকের শেষেই সুন্দরবনের জলস্তর পারবে প্রায় ৬০ সেমি। ২০২৩ এর তাপমাত্রার বৃদ্ধি রেকর্ড ছুঁয়েছে।

    সুন্দরবনের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে। সুন্দরবন লাগোয়া দুই ২৪ পরগনার পাঁচটি ব্লকের খুব কম করেও কুড়িটি গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষ্যাধিক মানুষের জীবন জমির জীবিকা সবই প্রশ্নের মুখে। সুন্দরবন এলাকায় প্রতিবছর তিন থেকে ৭ মিলিমিটার পর্যন্ত জলস্তর বাড়ছে। এই জল বাড়ার পরিমাপ দেশের অন্যান্য উপকূলের তুলনায় অনেকটা বেশি। তাইতো আয়লা ইয়াশ আম্ফানের র মত ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে সুন্দরবন এলাকার নদী বা সমুদ্রের জল স্থলভাগে ঢুকে এসেছিল। সুন্দর ব নের মত দ্বীপের নিয়মই হল তা একসময় ভাঙতে শুরু করবে। সুন্দরবন গড়ে উঠেছে গঙ্গা পদ্মার বদ্বীপ এলাকায়। দুই বিশাল নদী ও তাদের শাখা নদী গুলো সাগরে মেশার আগে প্রতিমুহূর্তে যে বিশাল পরিমাণ পলি জমা করছে কার্যত তার ওপরেই সুন্দরবন গড়ে উঠেছে।

    সুন্দরবনের নদীগুলোতে চড়া পড়ছে নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় জলস্তরের উচ্চতা বাড়ছে সুন্দর বনে। কলকাতার আশঙ্কা বাড়ছে। দিনে দিনে কলকাতার আবহাওয়া বদলে যাচ্ছে। এই দুদিন আগে যে বৃষ্টি হলো তাতে কলকাতা রীতিমত ভেসেছে। বন্যার আশঙ্কা পর্যন্ত করা হচ্ছিল। আবার গত ৫০ বছরের মধ্যে উষ্ণতম জুন দেখেছে কলকাতা। জুন মাসে 50 ডিগ্রির আশেপাশেও চলে যায় কলকাতার উষ্ণতা।। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রতি ১৫০ দিন অন্তর ৩৫ ডিগ্রির উপরে তাপমাত্রা হবে কলকাতার। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়বে বৃষ্টির পরিমান। হানা দিবে বড় বড় সুপার সাইক্লোন।

    গবেষণা বলছে ২০৩০ সালের মধ্যেই জলের তলায় চলে যেতে পারে পশ্চিমবঙ্গ মহারাষ্ট্র কেরালা গুজরাটের উপকূলবর্তী এলাকা গুলো। এক মার্কিন সংস্থার গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। মাত্র ৯ বছরের মধ্যেই কলকাতার খুব কাছ দিয়ে বইতে পারে সমুদ্রের জল।। পরিস্থিতি যে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর তা বলাবাহুল্য। আম্ফান ইয়াস পরবর্তী পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের ঘোড়ামারা মৌসুনি দ্বীপ কার্যতল জলের তলায় চলে গিয়েছিল। ওই এলাকার বাসিন্দাদের কাছে বৃষ্টিই আতঙ্কের অন্য নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    টান পড়তে শুরু করেছে মহানগরের ভূগর্ভস্থ জলের ভাড়ারে। নগরায়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমছে মাটির নিচের জলের স্তর। ভূমিকম্পে মাটি ধ্বসে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে কলকাতায়। ভয়াবহ জল সংকটের দিকে এগোচ্ছে মহানগর।। প্রতিবছর গড়ে প্রায় দু ফুট করে কমছে কলকাতার নিচে থাকা জলের স্তর। সামনের এক দশকে ভূগর্ভস্থ জলের স্ত র নেমে যাবে প্রায় কুড়ি ফুট।। কলকাতা কর্পোরেশন থেকে প্রতিদিন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় 400 মিলিয়ন গ্যালন জলের যোগান দেওয়া হয়।। মাইলের পর মাইল এলাকায় গাছ কেটে সাফ করে ফেলা হচ্ছে। ম্যানগ্রোভ অরণ্য নষ্ট হচ্ছে। কলকাতায়  নগরায়ন হচ্ছে যথেচ্ছ ভাবে। সুন্দরবন এলাকা দুর্যোগের মধ্যে পড়ছে। কলকাতার পাশাপাশি ফল ভুগতে হবে বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চল কেও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: পুজোয় বাংলায় নামবে দুর্যোগ! সাগরে ঘনাচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত, কোন কোন জেলা রিস্কে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: পুজোর আগে বাংলায় দুর্যোগের আশঙ্কা। সাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত তার পরিণতি কী? আচমকাই বদলে যেতে পারে আবহাওয়া কোন কোন জেলা ভিজবে এবারের পুজোয়? পুজোর হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন এখন এভাবে আবহাওয়া বদলালে কে জানে কী হবে? কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস দিচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর? ঝড়বৃষ্টির রেশ কাটিয়ে অনেকটাই উন্নতি হয়েছে আবহাওয়ার। দুর্যোগের মেঘ অনেকটাই কেটে গিয়েছিল দক্ষিণবঙ্গে। প্রবল ঝড় বৃষ্টি সম্ভাবনা সেইভাবে নেই বলেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। কিন্তু পুনরায় আবহাওয়া পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। এক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই এবার দেখা দিচ্ছে আরেক ঘূর্ণাবর্তের আশঙ্কা। বৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরে ফের তৈরি হবে একটি ঘূনাবর্ত। কোন দিকে এগোবে সেটা? বাংলাদেশ সংলগ্ন সুন্দরবন নাকি অন্য এলাকা দক্ষিণবঙ্গ আর উত্তরবঙ্গে তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে?

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ বা নদিয়ার কোথাও তেমন কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। কোনও কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি অবশ্য হতে পারে। আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। উত্তরবঙ্গের জন্য বোধহয় খুব একটা সুখের খবর নয়। কারণ উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে বহাল থাকছে ঝড় বৃষ্টির পরিমাণ। উত্তরের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়িতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। এই মুহূর্তে স্বস্তি পাবে না উত্তরবঙ্গের মানুষেরা।

    পুজোর সকালে তাহলে ঝলমলে রোদ নাকি বৃষ্টিভেজা সকাল দেখবে বাংলার মানুষ? হাওয়া অফিস সূত্রে খবর বঙ্গোপসাগরে যে ঘূর্ণাবর্তের আভাস পাওয়া যাচ্ছে সেটা কোন দিকে এগোবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে পূর্বভাস অনুযায়ী, মায়ানমার উপকূলের কাছে ঘূর্ণাবর্তটি তৈরি হবে। পুজোয় বৃষ্টি হবে কি না তা এখনই বলা যাবে না বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ইতিমধ্যেই এবারের মতো বর্ষা বিদায় নিতে শুরু করেছে। বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশার কিছু অংশ থেকে এরপর কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলা থেকেও বর্ষা পুরোপুরি বিদায় নেবে। জানা যাচ্ছে উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। বিক্ষিপ্তভাবে হালকা মাঝারি বৃষ্টি চলবে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি। উপরের দিকের এই ৫ জেলাতে বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এবার পুজোয় বৃষ্টি হবে কিনা সেটা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আর কয়েকটা দিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: হাওড়ার বড় অংশ জলের তলায়, নদী গিলে খাচ্ছে গ্রাম, কলকাতায় বৃষ্টি আর কতদিন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: জলে ভাসছে হাওড়া! বৃষ্টির সাথে ডিভিসির ছাড়া জলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে চলেছে? বাঁধ উপচে উদয়নারায়ণপুরে হু হু করে ঢুকছে জল। গ্রামের পর গ্রাম ভেসে যাচ্ছে আরেকটু বৃষ্টি হলেই এবার কি পার্শ্ববর্তী কলকাতা ডুববে? বৃষ্টি আর কতদিন চলবে! কী বলছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর? ডিভিসি থেকে জল ছাড়ায় বন্যার আশঙ্কা কলকাতার পার্শ্ববর্তী জেলায়। আমতা এবং উদয়নারায়ণপুরের পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। দফায় দফায় বৃষ্টিতে মুণ্ডেশ্বরী, রূপনারায়ণ এবং দামোদরের জলস্তর বাড়ছে।

    কোথাও ভেসে যাচ্ছে বাড়ি কোথাও হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ছে। কিন্তু হাওড়ার পরিস্থিতি চিন্তা বাড়াচ্ছে প্রশাসনের। মুণ্ডেশ্বরী, রূপনারায়ণ এবং দামোদরের জলস্তর বাড়ছে তার মধ্যে মঙ্গলবার সকালেই ডিভিসি থেকে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এর ফলে নদীর ধারে বেশ কিছু নিচু কৃষিজমি জলে ভেসে গিয়েছে। দামোদর নদের জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় উদয়নারায়ণপুরের হরালি, দাসপুর, সীতাপুর, সুলতানপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় জল ঢুকছে। উদয়নারায়ণপুরের কুরচি ও টোকাপাড়া এলাকায় দামোদরের বাঁধ উপছে জলমগ্ন প্রায় ৮ টি গ্রাম। উদয়নারায়ণপুর ডিহিভুরসুট রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে ব‌ইছে জল হাওড়ার ঠিক পার্শ্ববর্তী কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনার কী পরিস্থিতি?

    মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের জেরে এই বৃষ্টি যা বৃহস্পতিবার অবধি চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীগুলোর জলস্তর এর ফলে কলকাতার নিচু এলাকা গুলো জল জমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার থেকে দফায় দফায় ডিভিসির জল ছাড়ার ফলে নদীতে জলের চাপ বেড়েছে, বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে নদীগুলি। এদিকে ডিভিসি টানা জল ছাড়তে থাকায় চাষের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। বিপদ বেড়েছে নদীর পাড়ে বসবাসকারীদের। এর মধ্যে আবারও কি ভারী বৃষ্টি হতে পারে? কী বলছে হাওয়া অফিস?

    এই মুহূর্তে ঝড় বৃষ্টির কমার সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে দক্ষিণের বেশ কিছু জেলা যেমন উত্তর ২৪ পরগনা , দক্ষিণ ২৪ পরগনা , নদিয়া , পূর্ব বর্ধমান , পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বাঁকুড়া ষ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। পরিস্থিতির দিকে ক্রমাগত নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। আরো বৃষ্টি হলে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের কপালে বড় ভোগান্তি অপেক্ষা করছে। চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছে নিচু এলাকার মানুষদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুজোয় কলকাতা ভাসাবে তেজ ঘূর্ণিঝড়! সপ্তমী – দশমীর আবহাওয়ার আপডেট জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    একনাগাড়ে টানা বৃষ্টি চলছে! ভাবতে পারছেন? সপ্তমী -অষ্টমী বা নবমীর রাতে যদি এরকম ঢেলে বৃষ্টি হয়! কোথায় রাস্তায় ধস, কোথায় নদীর জল ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সবৎআবহাওয়া দফতর মোটেও ভালো খবর শোনাচ্ছে না। পুজোর চারটে দিনেও কি তাহলে রেহাই নেই? দুর্গাপুজোয় এবার চরম ভোগাবে ঘূর্ণিঝড়? মা দুর্গার সাথে সাইক্লোন তেজ সত্যিই কি আসছে? দফায় দফায় ভারী বৃষ্টি । পুজোর আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন। এদিকে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস সত্যিই চিন্তা বাড়াচ্ছে।

    আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর নাগাদ উত্তর আন্দামান সাগর এবং লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ দানা বাধতে চলেছে। সেটি তার পর উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে আসবে বঙ্গোপসাগরে এসে নিম্নচাপটি শক্তি বাড়াতে পারে। তা থেকেই কি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে? এদিকে লাগাতার বৃষ্টিতে সিকিমগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস। শ্বেতিঝোরায় রাস্তার একটা অংশ তলিযে গিয়েছে।বন্ধ যান চলাচল। অন্যদিকে ময়ূরাক্ষী নদীতে জল বাড়ায় সাঁইথিয়ায় ফেরিঘাট ভেঙে বিপত্তি। ফুলে ফেঁপে উঠেছে নদী। এরমধ্যে পুজোতে তাণ্ডব দেখাতে আসছে ঘূর্ণিঝড়?

    কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলাতেই দিঘার ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখা তার জেরেই আশ্বিনের শুরুতেও বৃষ্টির দাপট। কিন্তু তা বলে কি দুর্গাপুজো রেহাই পেল না? আগামী ২৯ শে সেপ্টেম্বর যে নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে তা থেকে ঘূর্ণিঝড় আদৌ তৈরি হবে কি না এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। হাওয়া অফিস তার জন্য আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলেও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে তার কী প্রভাব পড়বে, কোন অভিমুখে তা এগোবে এখনও কিছুই স্পষ্ট নয় তবে আন্দামান সাগরের ঘূর্ণাবর্ত থেকে নিম্নচাপ এবং তা থেকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্ম হলে পুজোর আগে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। এই নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে তেজ।

    আজও উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। বেশি বৃষ্টি হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার,আলিপুরদুয়ার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং মালদায়। রবিবার পর্যন্ত চলবে ভারী বৃষ্টি। তবে পুজোয় কী পরিস্থিতি থাকবে তা এখনই বলতে পারছে না হাওয়া অফিস।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: বাংলা ভাসবে বৃষ্টিতে, তরতরিয়ে এগোচ্ছে সাইক্লোনিক সার্কুলেশন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: তরতরিয়ে এগোচ্ছে সাইক্লোনিক সার্কুলেশন, জালে আটকে বাংলা। ভেসে যাবে বৃষ্টিতে? বড় আপডেট মৌসম ভবনের। দেশের কোথায় কোথায় রেড অ্যালার্ট জারি? হুড়মুড়িয়ে তাপমাত্রা নামবে কত নীচে? ১৫ তারিখের মধ্যেই হবে তোলপাড়, ঘাটতি মেটাতে এ কোন ভয়ঙ্কর রুপ বর্ষার? এল নিনো, মৌসুমী বায়ু, হঠাৎ বৃষ্টি, ভ্যাপসা গরম এসব কিছুকে পেছনে ফেলে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বর্ষা? সপ্তাহের মাঝেই আবহাওয়ার বড়সড় বদল। শনিবারের মধ্যে আরও একটি বৃষ্টির স্পেল দক্ষিণবঙ্গে।

    বৃহস্পতি-শুক্রবার কী হবে দক্ষিণবঙ্গে?

    আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির চান্স। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টি। বাকি সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবিবার পর্যন্ত একই পরিস্থিতি থাকতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। তাছাড়া, উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির চান্স রয়েছে। সবটাই কী ঘূর্ণাবর্তের এফেক্ট? হ্যাঁ উথালপাথাল বঙ্গোপসাগরে। পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগরে মায়ানমার উপকূলে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি। যা মধ্য বঙ্গোপসাগরে বিস্তৃতি লাভ করবে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোবে। নিম্নচাপে পরিণত হবে। শক্তি বাড়িয়ে ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে নিম্নচাপ।

    আর সেই নিম্নচাপের প্রভাবেই বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণবঙ্গ।ওড়িশা সংলগ্ন জেলাগুলোতেও বেশি বৃষ্টি হতে পারে। এর বাইরে আন্দামান সাগরে সমুদ্র থাকবে উত্তাল। আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। বাংলার পাশাপাশি তুমুল বৃষ্টিতে ভাসবে অন্যান্য রাজ্য ও। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকা, ঝাড়খণ্ড, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশে তুমুল বৃষ্টিপাতের সতর্কতা আবহাওয়া দফতরের। উত্তর-পূর্ব ভারতের অসম, মেঘালয়, মনিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল প্রদেশ, ত্রিপুরাতে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে আগামী চার-পাঁচ দিন। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি আগামী তিন-চার দিন। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা অন্ধ্রপ্রদেশ, ইয়ানাম, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, কেরল, মাহে, মধ্যপ্রদেশে।

    মোদ্দা কথা আগামী কয়েক দিন ১৫ টা রাজ্যে বাড়ি থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তাহলে কী শেষদিকে এসে ঘাটতি মিটিয়ে দেবে বর্ষা? জানিয়ে রাখি ১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গোটা দেশে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি ১১ শতাংশ। আট বছর পর এই প্রথম দেশে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। যদি গড় বৃষ্টিপাতের থেকে ১০ শতাংশ বৃষ্টি কম হয় তখন তা ‘ঘাটতি’ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে আইএমডি বলছে পূর্বাভাস মোতাবেক সেপ্টেম্বর মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হবে। অগাস্টে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি কিছুটা মেটাতে পারে সেপ্টেম্বর। কিন্তু, পুরোটা মেটানো সম্ভব নয় কিন্তু, কেন কম বৃষ্টি হচ্ছে? উঠছে প্রশ্ন। তবে আবহাওয়াবিদদের একাংশ এর জন্য দায়ী করেছেন এল নিনোর চোখ রাঙানিকে। যদিও শেষমেশ গড় বৃষ্টিপাত খুব একটা খারাপ জায়গায় দাঁড়াবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার, শেষমেশ কি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে বর্ষা? নাকি ঘাটতিতেই শেষ এবারের ইনিংস?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version