Tag: India

  • Indian Railway: ভারতের লাইফলাইন রেলপথ, মোটা প্রফিট, বাংলাদেশের লস ?

    Indian Railway: ভারতের লাইফলাইন রেলপথ, মোটা প্রফিট, বাংলাদেশের লস ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Indian Railway: ভারতের “লাইফলাইন” রেলপথ! অন্যান্য দেশ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারেনি। কেন? ভারতের প্রফিট, বাংলাদেশের লস। দুর্দান্ত পরিষেবা, জল জঙ্গল না মেনে রেল ট্র্যাক পাতা, তাক লাগানো ইনফ্রাস্ট্রাকচার। ইন্ডিয়ান রেলওয়ের ব্যাপারটাই আলাদা। তাই এতো বেশি হাইপ, এতো বেশি ইন্টারেস্টিং। যাত্রী পরিবহনই শেষ কথা নয়, ট্রিক্স জানে ভারত। টাকা ঢালছে, লাভের ফসল ও তুলছে। আর বাংলাদেশ? ভারতের মতো জনবহুল দেশে মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে রেলপথ। তাই রেলকে ‘দেশের লাইফলাইন’ বলা হয়।

    আর ভারত সেই লাইফ লাইন সেই মেরুদণ্ডকে যথাযথ কাজে লাগিয়েছে। বাকি অনেক দেশ যা পারেনি ভারত তা করে দেখিয়েছে। ভারতের পণ্য এবং যাত্রী পরিবহণের ক্ষেত্রে রেলের গুরুত্ব কোনও অংশেই সড়ক পরিবহণের চেয়ে কম নয়। সুতরাং, ভারতীয় রেল পরিকাঠামোয় উন্নতি এবং আধুনিকীকরণ খাতে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ থাকে বাজেটে। এই পয়েন্টকে বিশেষজ্ঞরা ফুল মার্কস দিচ্ছেন। কারণ, পণ্য এবং যাত্রী পরিবহণে কাঙ্খিত উন্নতির জন্য বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির প্রয়োজন অনস্বীকার্য, ভারত সেদিক থেকে অনেক এগিয়ে। তাই রেলে ভর করেই বিশ্বের বুকে তাক লাগাচ্ছে ভারত। ভারতীয় রেলপথ এশিয়ার বৃহত্তম এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রেলপথ ব্যবস্থা। ভারতীয় রেল জাতীয় অর্থনীতির ধমনী। ভারতীয় অর্থনীতিতে রেলপথের গুরুত্ব বলে শেষ করার নয়।

    যেমন কম খরচে পরিবহন রেলগাড়ি দ্রুত গতিতে চলে এবং এর পরিবহন খরচটাও কম। সেইজন্য দূরে যাওয়ার জন্য, ভারী জিনিসপত্র পাঠানোর জন্য রেলপথ শ্রেষ্ঠ পরিবহন ব্যবস্থা। যে সুযোগকে ভারতে সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেছে।

    কৃষির উন্নতি

    ভারত কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষির উন্নতিতেও রেলপথের অবদান মারাত্মক। কৃষির জন্য প্রয়োজনীয় সার, বীজ, কীটনাশক, ওষুধ ভিনরাজ্য থেকে অন্যান্য পরিবহন-মাধ্যমের চেয়ে কম ব্যয়ে রেলপথে আনা যায়। শুধু তাই নয়, উদ্বৃত্ত কৃষিজাত দ্রব্য রেলপথের মাধ্যমে ঘাটতি আছে এরকম এলাকায় পাঠানো হয়।

    শিল্পের উন্নতি

    ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেছে তার পিছনেও রেলপথের যথেষ্ট অবদান আছে। শিল্পাঞ্চলগুলিতে শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি এবং উৎপাদিত শিল্পদ্রব্য রেলপথের মাধ্যমেই পাঠানো হয়।

    খনিজ উত্তোলন

    বিভিন্ন খনিজ দ্রব্য উত্তোলনও রেল-পরিবহনের ওপর নির্ভরশীল। কয়লা, আকরিক লোহা প্রভৃতি ভারী খনিজ দ্রব্য রেলপথেই পরিবাহিত হয়।

    তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন

    ভারতে বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনের জন্য যে কয়লার প্রয়োজন, তা রেল-পরিবহনের মাধ্যমেই তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলিতে পাঠানো হয়।

    দেশ রক্ষা

    দেশ রক্ষার ব্যাপারে রেলপথের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত বেশি। দেশের অভ্যন্তরে কোনো স্থানে বিদ্রোহ দমনের জন্য বা বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দ্রুত সেনা বা যুদ্ধের সরঞ্জাম পাঠানোর ব্যাপারে রেল-পরিবহনের ওপরই বেশি নির্ভর করা হয়। রেলপথ ভারতীয়দের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

    ১৮৫৩ সালের ১৬ এপ্রিল বরিন্দর থেকে থানে পর্যন্ত ২১ মাইল ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে ভারতে প্রথম যাত্রীবাহী রেল চলাচল শুরু হয়। আর আজ সেই ভারতীয় রেল গোটা বিশ্বের বুকে সুনাম কুড়োচ্ছে। ভারতের মতো বিশাল দেশে রেলপথ নির্মাণ এবং সম্প্রসারণ মোটেই সহজ কাজ ছিল না। নদী-নালা, পাহাড়, গভীর জঙ্গল, মুরুভূমিকে মোকাবিলা করে অসংখ্য ছোট বড় ব্রিজ আর টানেল নির্মাণ করে রেলের সম্প্রসারণ ও অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। এখন সেই ভারতেই ছুটছে পাতাল‌ রেল। পাহাড় কেটে সুড়ঙ্গ তৈরি করে কিংবা সমুদ্রের তলায় টানেল বানিয়ে বুলেট ট্রেন ছোটানোর কাজ এগোচ্ছে তরতরিয়ে।

    যাত্রীদের সুবিধায় বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে এসেছে ভারতীয় রেল। কখনও একাধিক স্টেশনকে চিহ্নিত করে তার সংস্কার, উন্নয়ন এবং সৌন্দর্যানের উদ্যোগ, আবার কখনও সেভেন স্টার ফেল রাজকীয় ট্রেনে চড়ে পুরনো ভারতকে ঘুরে দেখা। কখনো প্রযুক্তিগতভাবে, কখনো পরিষেবায় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় রেলের উন্নতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, চাইলে একটা দেশের পক্ষে এটাও সম্ভব। সাধেই কি ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ভারতের লাইফলাইন? অথচ, বাংলাদেশে দুঃখের বিষয় যে প্রতি বছর রেল খাতে লোকসানের পরিমাণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। পুরোটাই অলাভজনক।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের রেল খাতে যথেষ্ট অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। নতুন ট্র্যাক হয়েছে, নতুন ট্রেনও যোগ করা হয়েছে। কিন্তু, যাত্রী সেবার মান এবং সময়ানুবর্তিতার কোনো উন্নতি ঘটেনি। তাছাড়া
    জরাজীর্ণ ও বারবার মেরামতের প্রয়োজন হওয়া মেয়াদোত্তীর্ণ ইঞ্জিন ও কোচের ওপর নির্ভর করে যে পরিবহন সেবা চলে, সেই পরিবহন সেবা আর যাই হোক, মানসম্মত নয়। সঙ্গে পুরোনো ও জীর্ণ রেললাইন, ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, ধীরগতি আর চাহিদা অনুযায়ী টিকিট না পাওয়ার অভিযোগের মধ্যেই লোকসান গুনে চলেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বাংলাদেশ চাহিদা ও জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও সেই অনুসারে রেলের আয় বাড়ছে না। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে রেলের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার মনে রাখা উচিত, রেলপথ শুধু দেশের অভ্যন্তরে যোগাযোগের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়, এটি সমন্বিত আঞ্চলিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    মানুষের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ, সস্তা ও পরিবেশবান্ধব বাহন হিসেবে রেলওয়েকে সব সময় লাভজনক হতেই হবে, এমন হয়তো কোনো কথা নেই। কিন্তু জনগণকে দুর্দান্ত পরিসেবা দিয়েও যে রেলওয়ে লাভজনক হতে পারে, রেলওয়ে অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, দেশের ছবি বদলাতে পারে, একটা দেশের মেরুদণ্ড হয়ে উঠতে পারে সেই দৃষ্টান্তই দেখা যায় ভারতে। বাংলাদেশের মতো অন্যান্য অনেক দেশেই তা সম্ভব, যদি রেলওয়ে খাতের অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ করা হয়, যদি রেলওয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত বিনিয়োগ করা হয়। আর, পরিকল্পনা মাফিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Congress: বঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে আসন সমঝোতায় নয়া ফর্মুলা কংগ্রেসের, ফলপ্রসূ হলে আখেরে লাভ কার ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Congress: ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকের পরে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড তড়িঘড়ি দিল্লিতে তলব করে বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বকে। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতা করে আসছে কংগ্রেস। তবে জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপিকে হারাতে ফের পাশাপাশি এসেছে কংগ্রেস এবং তৃণমূল। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে আদেও কি তৃণমূলের সঙ্গে জোট করতে চলেছে কংগ্রেস ? এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, বঙ্গ কংগ্রেসের অধিকাংশ নেতারই মত, রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে জোটে যাওয়া উচিত নয় দলের। অবশ্য বাংলায় কংগ্রেসকে তৃণমূল কীভাবে ভেঙেছে, তা নিয়ে অবগত রাহুল গান্ধীও। এমনটা নিজের মুখেই জানিয়েছেন তিনি।

    দেশের ৫৪৩ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩০০ টি কেন্দ্রে চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করবে কংগ্রেস। বাকি যে আসন অবশিষ্ট রয়েছে অর্থাৎ ২৪৩ টি আসন। সেই আসনগুলোতে লড়বে জোটের শরিক দলগুলি। কিন্তু আসন সমঝোতা ঠিক কতগুলিতে হবে , কি ভাবে হবে তা এখনো সম্পূর্ণ রূপে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে তাঁদের কি অভিমত সেটা জানার জন্যই বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বকে তলব করে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট করতে নারাজ একাংশ , বদলে বামেদের সাথেই তারা জোটে যেতে চান।

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর এবং দক্ষিণ মালদা আসনে জয়লাভ করে কংগ্রেস। আর সেই দুটি আসনই কংগ্রেসের জন্য বাংলায় ছাড়তে চায় তৃণমূল কংগ্রেস, এমনটা আগেই জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু সূত্র যেটা বলছে ২ টো নয় ৬ টা আসনের জন্য কথা বলবে কংগ্রেস। কিন্তু আদেও এই সমঝোতা কতটা কাজে দেবে সেটাই এখন দেখার।

    বৈঠকে প্রায় সব নেতাই জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত হাইকমান্ড যে সিদ্ধান্ত নেবে, তাই তাঁরা মাথা পেতে মেনে নেবেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে নাকি রাহুল গান্ধী অধীরদের জানান, এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি হাইকমান্ড। রাজ্য নেতৃত্বের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রাহুল।

    উল্লেখ্য, তৃণমূলের সঙ্গে ২০১১ সালের পর কংগ্রেসের কোনও নির্বাচনী সমঝোতা পশ্চিমবঙ্গে হয়নি। কংগ্রেস-বামেরা জোট করেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে জোট না-হলেও সিপিএম অধীর চৌধুরী ও আবু হাশেম খান চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দেয়নি। কংগ্রেসের সঙ্গে বাম ও আইএসএফ জোট করেছিল আবার ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India China: ১৬ জুন চীনের বিপদ! জিনপিং ভুলতে পারবেন না, সিক্রেট ফাঁস ইন্ডিয়ান আর্মির

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India China: ১৬ জুন চীন কোনওদিনও ভুলতে পারবে না। ইন্ডিয়ান আর্মি ও পিএলএ আর্মির মধ্যে এমন কী ঘটেছিল এদিন? পিএলএর গো হারা হার আর কী কী ঘটেছিল? গোপন তথ্য এতদিন ফাঁস করলেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান। ফোর স্টারস অফ ডেসটিনি-তে আরও সিক্রেট উঠে আসবে।এসব কথা প্রকাশ্যে বলতে নেই চীনে। চীনা সরকার এসব কথা মুখেও আনে না, তবে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার নিয়ে গলাবাজি করতে হলে চীন একেবারে একপায়ে খাড়া।মোদী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে দিয়েছেন কোনও শক্তির ক্ষমতা নেই ৩৭০ ধারাকে ফেরত এনে দেখাবে। ১৬ জুন না ভুলতে পারবে ভারত না ভুলতে পারবে চীন। লাদাখের বুকে এই একটা দিনে এমন কিছু ঘটেছিল যা দুদেশের মানুষ কেউই বিশেষ জানেন না। কারণ কোনওদিন ফোকাসে আনা হয়নি। এবার প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারাভানে ফাঁস করতে চলেছেন এমন অনেক তথ্য যা শুনলে সত্যিই অবাক হতে হয়।

    নারভানে তার স্মৃতিকথা ‘ফোর স্টারস অফ ডেসটিনি’-তে গালওয়ান উপত্যকায় ভয়াবহ সংঘর্ষের কথা বলেছেন তাঁর দাবি চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ১৬ জুনের কথা কখনই ভুলবেন না। কারণ দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) প্রথমবারের মতো দক্ষিণ লাদাখে পরাজিত হয়েছিল ভারতের কাছে। ইন্ডিয়ান আর্মির কাছে বহু পিএলএ আর্মিকে খতম করেছিল ভারতীয় সেনা। কীভাবে? পিএলএ কী সেই হার স্বীকার করেছিল? ২০২০ সালের জুনে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষে ২০ জন সৈন্যের ক্ষতির কথা স্মরণ করে। নারাভানে বলেছেন এটি আমার পুরো ক্যারিয়ারের সবচেয়ে দুঃখজনক দিনগুলির মধ্যে একটি ছিল। ১৬ জুন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের জন্মদিন এটা এমন কোনো দিন নয় যেটা সে শীঘ্রই ভুলে যাবে। দুই দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো এদিনেই চিন ও পিএলএকে মারাত্মক পাল্টা আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

    নারাভানের দাবি চিন সাহসের সাথে আগ্রাসী কূটনীতি উসকানিমূলক কৌশল ব্যবহার করছে নেপাল এবং ভুটানের মতো ছোট প্রতিবেশীদের ভয় দেখানোর জন্য, কিন্তু এই ঘটনার সময়, ভারত এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী বিশ্বকে দেখিয়েছিল যে যথেষ্ট হয়েছে এনাফ ইজ এনাফ। প্রতিশোধ নেওয়ার মাধ্যমে ভারত দেখিয়েছে যে তারা প্রতিবেশীর উত্পীড়নের জবাব দিতে পারে। নারভানে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ থেকে ৩০ এপ্রিল, ২০২২ পর্যন্ত সেনাপ্রধান ছিলেন। তার কার্যকালের বেশিরভাগ সময়ই বিতর্কিত। সীমান্তে চিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং বাহিনীর যুদ্ধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার পদক্ষেপ বাস্তবে রূপায়নের জন্য কাজ করেছেন। নারাভানে তাহলে কেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) করা হল না নারাভানে-কে?

    উত্তরে এই বইতেই তিনি বলেছেন আমাকে যখন সেনাপ্রধান করা হয়েছিল তখনও আমি সরকারের বুদ্ধিমত্তা নিয়ে প্রশ্ন করিনি তাহলে এই বিষয়ে কেন এমন করতাম? এতদিন কিন্তু ১৬ জুনের গুরুত্ব সেভাবে জানতেন না দেশবাসী।তাই ধরে নেওয়া যায় প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল নারাভানের এই বই বের হলে জানা যাবে আরও অনেক গোপন তথ্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • রমরমিয়ে চুলের স্মাগলিং, আসছে কারি কারি সোনার মোহর, ভারত বাংলাদেশ বর্ডারে ভয়ানক খেলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    রমরমিয়ে চলছে চুলের স্মাগলিং। ভারত বাংলাদেশ বর্ডারে ঠায় দাঁড়িয়ে লাইনম্যান? সুড়ঙ্গপথে মুঠো মুঠো সোনার মোহর পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ? গোছা গোছা চুল কিনছে ফেরিওয়ালা, তারপর আপনার অলক্ষ্যে চলছে কোন ভয়ানক খেলা? ভারত বাংলাদেশকে জড়িয়ে বড় চক্র। চুলের বদলে এতো এতো সোনা? কোথাকার জল কোথায় গড়াচ্ছে? তল খুঁজছে বিএসএফ, জাল বিছাচ্ছে দুঁদে গোয়েন্দারাও। ঘুণাক্ষরেও আপনি টের পাচ্ছেননা। অথচ, আপনার জমানো বা কাটা চুল বর্ডার ক্রস করে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশে। কখনও ঘাসের বস্তায়, কখনও আবার প্যাকেটে করে কাঁটাতারবিহীন এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে মানুষের মাথার চুল। তার বদলে পড়শি দেশ থেকে এই পারে ঢুকছে গুচ্ছ গুচ্ছ সোনার বিস্কুট।সাঙ্ঘাতিক, তাহলে ডিরেক্ট পয়েন্টে আসা যাক কিভাবে আপনার চুল এতোগুলো হাত পেরিয়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে অন্য দেশে? কোন কাজেই বা লাগছে?

    মাথা আঁচড়ানোর সময় উঠে আসা চুল অনেকেই জমিয়ে রেখে দেন। হয়তো আপনিও ফেরিওয়ালারা সেই সব চুল কিনে নেন অল্প দামে। স্যাঁলোতে কাটা চুলও সংগ্রহ করেন ফেরিওয়ালারা। পরে সেই চুলই পাড়ি দেয় বিদেশে। আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা কেজি দরে কেনা চুল বর্ডার পেরোলেই ২০-২৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়। ইদানিং সময়ে বিশ্ব জুড়ে উইগ বা পরচুলার মারাত্মক ডিমান্ড। গত এক দশকে বাংলাদেশেও তার বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। সব মিলিয়ে সেখানে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ ওই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। শুধু বাংলাদেশ বললে ভুল হবে, ভারত থেকে পাচার হওয়া মানুষের চুল বাংলাদেশ হয়ে পৌঁছে যাচ্ছে চীন, ইন্দোনেশিয়া, এমনকি মালয়েশিয়াতেও। বর্ডার পেরোনো সেই চুলের দাম মেটানো হচ্ছে সোনার বিস্কুট দিয়ে।

    কয়েক বছর আগেও এই ব্যবসার দারুণ রমরমা ছিল।কোভিডের সময় এই ব্যবসা একটু ডাউন চললেও, সম্প্রতি এই চুল পাচার চক্র আবার সক্রিয় হতে শুরু করেছে। গরু, জাল টাকা, নারী পাচার নয়, এবার  চুল পাচার আটকানোই বিএসএফের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু চুল পাচারের লেনদেন সোনার বিস্কুট দিয়ে কেন হয়? জানা যাচ্ছে মিয়ানমার হয়ে চোরাপথে যে সোনা ঢোকে বাংলাদেশে, তার দাম স্বাভাবিক ভাবেই কম। অন্তত ভারতের বাজারের সোনার দামের থেকে ৩০-৩৫ শতাংশ কম। ফলে, এই পারের কারাবারিরা মানুষের চুলের বিনিময়ে সোনা পেলে তাঁদের মুনাফার অঙ্ক অনেক বেশিই হয়। নদিয়ার চাপড়া এবং আন্দুলিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত জুড়ে এই ‘বিনিময় প্রথা’তেই চুল পাচারের রমরমা কারবার চলছে। বিএসএফের তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    এই কারবারের সঙ্গে জড়িত স্থানীয়দের অনেকেই প্রথম দিকে এই ব্যবসাকে খারাপ চোখে দেখতেন। পরে যখন তাঁরা দেখলেন, প্রচুর টাকা রোজগার করা যায়, তাঁরাও এই চুলের ব্যবসায় এলেন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ থেকে সোনার আমদানিও শুরু হল। তবে ওপার থেকে সোনা নিয়ে এইপারে ঢোকায় যথেষ্ট ঝুঁকি থাকে। তারপরেও কারবার চলছে। হাতিশালা ১ এবং ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আদিলিয়া এবং চাপড়া ব্লকে চুলের কারবার বেশি সক্রিয়।কম করে ১২ হাজার পরিবার এই কারবারের সঙ্গে জড়িত। তবে, বাহিনীর তৎপরতায় সাম্প্রতিক সময়ে চুল পাচারের কারবার অনেকটাই কন্ট্রোল করা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে ফের এই চক্রের সক্রিয়তা শুরু হলে কড়া অ্যাকশন নিতে যে দ্বিধা করবে না ভারত সেটা একেবারে পরিষ্কার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Akash missile defense system: ভারতের ওপর এয়ারস্ট্রাইক! চুপিসারে কাম তামাম করল রাক্ষস, ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স জিন্দাবাদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Akash missile defense system: ভারতের ওপর এয়াকস্ট্রাইক! চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস। একের পর এক মিশাইল আকাশ পথে আছড়ে পড়েছে। ইন্ডিয়ান আর্মির একটা অস্ত্রই রুখে দিল অ্যাটাক। জানতেও পারল না ভারতবাসী। কে চুপিসারে হামলা করল ভারতের ওপর? কোনও চিতকার চেঁচামেচি না করে মোদী নিলেন মোক্ষম সিদ্ধান্ত। আকাশের বুকেই ছিন্নভিন্ন করা হল শত্রুদেশের মিশাইল। চীন নাকি পাকিস্তান? শত্রুদের স্ট্র্যাটেজি পালটাতে হবে। কারণ ডিআরডিও ভারতের সীমান্তে রাক্ষসকে মোতায়েন করে রেখেছে। যা গিলে ফেলতে পারে শত্রুদের সব রকেট-ড্রোন-বোমাকে।

    ভারত প্রথমবার করে দেখালো অসাধ্য সাধন। রাশিয়া-আমেরিকার মতো সুপারপাওয়ারেরা খাতায় কলমে প্রমাণ করলেও ভারত দেখালো বাস্তবে প্রমাণ দিয়ে যা আপনি আমি সকলেই দেখতে পাবো। একটি মাত্র ফায়ারিং ইউনিট ব্যবহার করে চার চারটে টার্গেটকে খতম করে দিতে পারে একসঙ্গে। ভারতের হাতে ভয়ঙ্কর অস্ত্র এবার দেখছে গোটা দুনিয়া। মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম আকাশ কীভাবে খেলা ঘোরাচ্ছে দেখুন। ‘অস্ত্রশক্তি ২০২৩’ কর্মসূচিতে অন্ধ্রপ্রদেশের সূর্যলঙ্কা এয়াফোর্স স্টেশন থেকে ওই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের সফল পরীক্ষা করে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একসঙ্গে কীভাবে ৪টি লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁত নিশানায় ধ্বংস করল আকাশ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম।

    ডিআরডিও বলছে ভারত এমন দেশ যা প্রথম বার এই কাজ করে দেখালো। এর পাল্লা ৩০ কিলোমিটার কোনও টার্গেট মিস হবে না। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন অনেকসময় এমনটা হয় যে বেশি পাল্লা রেঞ্জের কারণে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমটি সব টার্গেটকে ধ্বংস করতে সক্ষম হয় না। আকাশ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমে রয়েছে একটি ফায়ারিং লেভেল রেডার, একটি ফায়ারিং কন্ট্রোল সেন্টার, দুটি আকাশ এয়ার ফোর্স লঞ্চার ফায়ারিং লেভেল রেডার লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করে এরপর ওই চার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে দুটি লক্ষ্যবস্তুকে বেছে নিয়ে আঘাত করে আকাশ মিসাইল। এরপর আরও দুটি লক্ষ্যবস্তুর দিকে ছুটে যায় আরও দুটি মিসাইল। অনেকেই বলছেন এটা ভারতের কাছে বড় সাফল্য সেটা তো বোঝা গেল কিন্তু এর ভিডিও দেখিয়ে শত্রুকে তো সাবধান করে দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে বিশ্লেষকদের দাবি, দেখুন ভারত এখন শুধু দেশকে রক্ষা করতেই সম্পূর্ণ দেশীয় অস্ত্র করছে এমনটা কিন্তু নয়। ভারতের আরেকটা লক্ষ্য হল মেক ইন ইন্ডিয়ার অস্ত্র গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া। যেসব দেশের প্রতিরক্ষা মহল, সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার লোকেদের চোখে এই ভিডিও পড়বে তারা কিন্তু ভারতের থেকে এই মিশাইল সিস্টেম কিনতে আগ্রহী হবে রীতিমত।

    ধীরে ধীরে সময়ে সঙ্গে সঙ্গে আপগ্রেড হয়েছে আকাশ মিশাইল সিস্টেম একেবারেই এর পাল্টা ৩০ কিমি হয়নি ২০ থেকে বেড়ে ২৫ তারপর ৩০ হয়েছে। ২০২০ সালেই ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়ে দিয়েছিলেন এই আকাশ মিসাইল সিস্টেম আরও আধুনিক হচ্ছে। তখনই জানা গেছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকা মিলিয়ে প্রায় দশটি দেশ এই সিস্টেম কিনতে আগ্রহী। ভারতীয় বিমান বাহিনী নরেন্দ্র মোদী সরকারের হাত ধরে স্বনির্ভরতার দিকে কাজ করছে বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা। এবার দেখার ডিআরডিও এই ভিডিও দেখার পর আকাশ কেনার জন্য কোন কোন দেশ আগ্রহী হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কংগ্রেসকে গিলে খাবে ২ দলই! ইন্ডিয়া জোটের ভিতরে গোপন জোট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সর্ষের মধ্যেই ভূত, জোটের ভিতরেই গোপন জোট! শাহের প্রেডিকশন অক্ষরে অক্ষরে মিলছে। কংগ্রেসকে গিলে খেতে পারে কোন কোন দল? রাহুল-সনিয়া যা ভাবতে পারছেন না সেটাও হতে পারে। কংগ্রেস এবার আর ছড়ি ঘোরাতে পারবে না সব প্ল্যান ঘেঁটে ঘ মাথা নীচু করে শুনতে হবে যা বলবে বাকীরা। ১৯ ডিসেম্বরের আগেই প্যারালালি তৈরি হচ্ছে কংগ্রেস বাদের বাকী বিরোধীদের বড় প্ল্যান। এর মানে জোটের ভিতরে থাকছে আরেক জোট? পুরোনো প্রেডিকশন মিলে যাচ্ছে ১০০য় ১০০। ২০১৯ সালের আগে থেকেই যখন বিভিন্ন রাজ্য থেকে অকংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রীরা জোট গড়ার ডাক দিচ্ছিলেন তখনই অনেকে বলছিলেন বিজেপি নাকি কংগ্রেস? কাকে আসলে রুখতে চাইছে বাকী বিরোধীরা?

    দিল্লির সূত্র বলছে ১৯ ডিসেম্বর ইন্ডিয়া জোটের বড় বৈঠকের আগে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আপ নেতা কেজরিওয়ালের মধ্যে বৈঠক হতে পারে দিল্লির বুকেই কিন্তু কেন? ঠিক কোন প্রয়োজনে এই বৈঠক? অমিত শাহর যুক্তি কিছুদিন আগেই বলেছিলেন ‘দয়া করে বুঝুন, বিরোধী ঐক্য হলো শুধুই দৃষ্টিবিভ্রম (ইলিউশন)’। শাহের প্রশ্ন ছিল তেলঙ্গানা ও কেরালায় বিরোধী ঐক্য কি সম্ভব? এটা কোনওদিনই সম্ভব নয়। তাহলে কোন একতার কথা বলা হচ্ছে? বিরোধী শিবিরের প্রভাবশালী নেতাদের কথার সঙ্গে বাস্তবের ফারাক প্রবল’ তাহলে শাহ যেটা বুঝেছিলেন বা বলেছিলেন সেটাই সত্যি হওয়ার পথে। একেবারে নয়াদিল্লির সাউথ আভেনিউতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার কথা আছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। মঙ্গলবার ১৯ ডিসেম্বরের আগে আসন বন্টন নিয়ে আলোচনা শুরুর আগে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন ইন্ডিয়া জোটের মধ্যে একে ‘প্রেসার গ্রুপ’ বলে মনে করা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান তৃণমূল ও আম আদমি পার্টি এদের দুজনেরই লক্ষ্য হল কংগ্রেসকে নামমাত্র আসন ছেড়ে বাকি সব আসনে প্রার্থী দেওয়া। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসকে যেমন বহরমপুর ও মালদহ (দক্ষিণ) ছাড়া আর কোনও আসন ছাড়তে রাজি নয় তৃণমূল। তেমনই আম আদমি পার্টি পাঞ্জাবে একটি ও দিল্লিতে দুটির বেশি আসন ছাড়তে প্রস্তুত নয় কংগ্রেসকে। লোকসভা নির্বাচনে আর সম্ভবত ১৯ ডিসেম্বরের বৈঠকে এই প্রস্তাবটা তুলে ধরতে পারে এই দুই দল। এর মানে জোটের মধ্যেই তৈরি হচ্ছে প্রেসার গ্রুপ। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে বৈঠকটা কেন দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যেই হচ্ছে শুধু বাকী অকংগ্রেসী দলগুলো কি আগ্রহী নয় এক্ষেত্রে? এটা জানতে হলে কয়েক মাস পিছিয়ে যেতে হবে। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগেই তৃণমূল ও আম আদমি পার্টি কংগ্রেসের সঙ্গে এই আসন সমঝোতা চাইছিল তারা চাইছিল, অক্টোবরের মধ্যে আসন রফা ফাইনাল হয়ে যাক কিন্তু কংগ্রেস তখন রাজি হয়নি কারণ, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেদের ধারণা ছিল হিন্দিবলয়ে অন্তত দুটি রাজ্যে তো তারা জিতবেনই জিতবেন আর সেটা হলেই আসন রফার ক্ষেত্রে কংগ্রেস দরকষাকষির ক্ষমতা বাড়বে, কিন্তু পোড়া কপাল এমন হলটা কৈ? হিন্দিবলয়ের তিন রাজ্যেই হেরে এখন উল্টো চাপের মুখে কংগ্রেস।

    রাজনৈতিক মহলের দাবি কংগ্রেসকে বাস্তবতাটাও মানতে হবে। যে প্রতিটা শরিক দল যতবেশি সম্ভব আসনে লড়তে চাইবে বিশেষ করে আঞ্চলিক দলগুলি কারণ, জোট করেও নরেন্দ্র মোদীকে হারানো যাবে কিনা তা নিশ্চিত নয় তাই আঞ্চলিক দলগুলি চাইবে তারা যতবেশি সম্ভব আসনে লড়ুক যাতে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থেকে গেলেও রাজ্যস্তরে তাদের শক্তি যেন অটুট থাকে, কিন্তু কংগ্রেস তাদের অহংকার অটুট রাখতে পারবে তো এরপরও একটা সু্ক্ষ্ম চির কিন্তু ভেঙে খানখান করে দিতে পারে গোটা জোটকে‌। শরিক দলগুলির মধ্যে থেকে কংগ্রেসের উপর যে চাপ আসবে তা নিশ্চয় সনিয়া-রাহুলও আন্দাজ করতে পারছেন এবার দেখার সমঝোতা কোন পথে হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: ‘বাংলায় কি কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের পথে হাঁটবে তৃণমূল?’ স্পষ্ট জবাব দিলেন মমতা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: প্রায় সাড়ে তিন মাস পর আগামীকাল বৈঠকে বসতে চলেছে বিরোধীদের মঞ্চ ‘ইন্ডিয়া’। বৈঠকে আলোচনা হতে পারে কোন পথে আসন ভাগাভাগি হবে তা নিয়েই। ‘যে রাজ্যে যে দল শক্তিশালী, আসন সমঝোতার ক্ষেত্রে সেই দলই সেই রাজ্যে শেষ কথা বলবে।’ এটাই ছিল বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের আগের সূত্র। তাদের আগের সূত্রেই স্থির থাকতে চায় তারা। কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে কংগ্রেস কী আদেও ঘাসফুল শিবিরের এই সূত্র মেনে নেবে? কারণ এমনটা হলে পশ্চিমবঙ্গ সহ অন্য অনেক রাজ্যে নামমাত্র আসনে প্রার্থী দিতে পারবে রাহুল-খাড়গের দল। এক্ষেত্রে অনেকটাই আশাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের কথায় , পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে তেলাঙ্গানা ছাড়া বাকি রাজ্যগুলিতে যে ভাবে কংগ্রেসের ভরাডুবি হয়েছে। তাতে অনেকটাই ব্যকফুটে রয়েছে তার। তাই এই ক্ষেত্রে মেনে নেওয়া ছাড়া তাদের কাছে কোনো উপায় নেই।

    এর আগে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝতা চেয়েছিল তৃণমূল ও আপ সরকার। তবে তখন তাতে রাজি হয়নি কংগ্রেস। কংগ্রেস ভেবেছিল পাঁচ রাজ্যের মধ্যে দু’টি রাজ্যে অন্তত জিতবে তারা । কিন্তু সেগুড়ে বালি , সেই আসায় কার্যত জল ঢেলে দিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের নিজেদের ঘাঁটি রাজস্থান, ছত্তিশগড় থেকেও জয় ছিনিয়ে নিতে দেখা গিয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। হিন্দি বলয়ের তিন রাজ্যে হেরে এখন উল্টো চাপের মুখে কংগ্রেস।

    তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় আসন সমবোঝাতার প্রশ্নে কোন নীতি অনুসরণ করতে পারেন? এখন সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের। রাজধানীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, ‘বাংলায় কি কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের পথে হাঁটবে তৃণমূল’? তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, ‘বেড়ালের গলায় কাউকে তো ঘণ্টা বাঁধতে হবে। আমার কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝতা করতে সমস্যা নেই। বাংলায় কংগ্রেস মাত্র দুইটি আসন থেকে জিতেছিল। আমি আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা করতে রাজি।’

    শুধু তাই নয় বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে আসতে হলে কি বামেদের সঙ্গ ছাড়তে হবে কংগ্রেসকে? এমন কোনও শর্ত কি দেওয়া হবে? মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায় জানান , “এটা তাদের সিদ্ধান্ত। অন্য রাজনৈতিক দলের বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে পারি না।”

    উল্লেখ্য, ইন্ডিয়া জোটের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে রয়েছে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও। বাংলায় তারা কীভাবে লড়বে? সেই নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা এসবের মধ্যেই সোমবার দিল্লি থেকে বাংলার আসন সমঝোতা নিয়ে বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চীনের তান্ডবে ডুববে মালদ্বীপ! মজা দেখবে ভারত, সাহায্য করা যাবে না কেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মালদ্বীপকে ভারত ওপর থেকে নীচ স্ক্যান করছে। চীন আহ্লাদে আটখানা হলেও দিল্লি দিল কড়া বার্তা। মালদ্বীপ-শ্রীলঙ্কায় বড় কিছু ঘটবে ভারত সতর্ক। এমনি এমনি ভারতের সঙ্গে চুক্তি ভাঙলেন না মইজ্জু, জানতে হবে আসল কারণটা। ভারত মহাসাগর লাগোয়া দ্বীপরাষ্ট্রকে গুলোয় চীনের রক্তচক্ষু। ঘাঁটি গেড়ে তবেই শান্তি পিএলএ আর্মি। ভারতের সহ্যের সীমা পেরিয়ে যাচ্ছে এবার ফের চীনের গুপ্তচর জাহাজ ওত পাতবে ভারত মহাসাগরে। দিল্লির করণীয় কী? হুট করে বড় কোনও অ্যাকশন নেওয়াটাই শেষ কথা নয় তার ওপর মালদ্বীপ যেন নিজের পায়েই মারল কুড়ুল। ভারতকে মাত্র কয়েকটা মাসের মধ্যে মালদ্বীপ ভিলেন বানিয়ে দিল। সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়ার পর এবার দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বাতিল করল সেদেশের সরকার। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরেই স্বাক্ষরিত হয়েছিল হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে চুক্তি।ক্ষমতায় এসেই চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলেন নতুন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজু কী ছিল এই হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে চুক্তি?

    এই চুক্তি বাতিলের ঠিক আগের খবরটাই মারাত্মক। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কার্যত হুমকি আর সেটা হল চীনা গুপ্তচর জাহাজ ‘শিয়াং ইয়াং হং-৩। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ চীন সাগর থেকে ভারত মহাসাগরে ঢোকার জন্য মলাক্কা প্রণালীর দিকে যাত্রা শুরু করেছে। শ্রীলঙ্কা ঘুরে ওই জাহাজটি ভারতের পড়শি আর এক দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপেও নোঙর করবে বলে সরকারি সূত্রের খবর। আর এখানেই আসলে গন্ডগোল ভারতের তরফ থেকে কী অ্যাকশন নেওয়া হল? নয়াদিল্লির তরফে শ্রীলঙ্কা এবং মলদ্বীপকে চীনা চর জাহাজকে তাদের বন্দরে ভিড়তে না দেওয়ার ‘বার্তা’ পাঠানো হয়েছে বলে বিদেশ মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে। তাতে ‘কাজ’ হবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে কূটনৈতিক এবং পর্যবেক্ষকদের একাংশের মনে। এবার আসি মালদ্বীপের এই সংক্রান্ত চুক্তি বাতিলের প্রসঙ্গে হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে চুক্তি দুই দেশের এই চুক্তি অনুযায়ী মালদ্বীপের জলসীমায় পরীক্ষামূলক কাজকর্ম চালাবে ভার‍তীয় নৌসেনা। তার ফলে নৌপরিবহন, আর্থিক উন্নতি, পরিবেশরক্ষার মতো নানা ক্ষেত্রে একে অপরকে সাহায্য করবে দুই দেশ।

    এছাড়াও জলসীমায় নিরাপত্তা বাড়াতেও কার্যকরী ভূমিকা থাকবে ভারতীয় নৌসেনার। চুক্তি অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত তিনবার মালদ্বীপে কাজ করেছে ভারতীয় নৌসেনা কিন্তু চুক্তির শর্তাবলি তুলে ধরেই বৃহস্পতিবার এটি বাতিল করেছে মালদ্বীপ সেদেশের প্রশাসনের তরফে জানানো হয় আগামী দিনে মালদ্বীপের জলসীমায় কেবল দেশের সংস্থাগুলোই কাজ চালাবে জলসীমা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য মালদ্বীপের বাইরে বেরবে না। আরও বলা হয়, পূর্ববর্তী সরকার বেশ কিছু চুক্তি করেছিল যেগুলো দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার পরিপন্থী সেগুলো খুঁজে বের করে পর্যালোচনা করে দেখা হবে। মালদ্বীপের একের পর এক সিদ্ধান্ত ভারতের জন্য অবশ্য কৌশলগত ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ধাক্কা, কিন্তু এখনও পর্যন্ত দিল্লি ঠান্ডা মাথাতেই গোটা পরিস্থিতি সামলাতে দেখা গিয়েছে। এবার দেখার ভারতের এক্ষেত্রে আগামী স্টেপ কি হয়।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পিওকের পর কী নেক্সট টার্গেটই হবে আকসাই চীন? ‘সহ্যের সীমা পেরিয়েছে’ বোঝালেন অমিত শাহ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আকসাই চীন নিয়ে অমিত শাহের চাঞ্চল্যকর দাবি চীন আতঙ্কে আগেভাগেই বিবৃতি জারি করে দিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে সেটার গুরুত্ব অনেক। পিওকের পর কী নেক্সট টার্গেটই হবে আকসাই চীন? অনেকেই বলছেন এত সহজ নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোন ট্র্যাকে নিয়ে যাচ্ছে বিষয়টা জানতে হবে। কাশ্মীরের কোনওদিনও ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার হবে এই কল্পনাটাও যারা করতে পারেনি ২০১৯ সালে ৫ অগাস্ট মোদী সরকার তাদের চমকে দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের কাশ্মীর নিয়ে ঐতিহাসিক রায়ের পর এবার হট কেক POK সেইসঙ্গে আকসাই চীন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে
    সুর চড়িয়েছেন বহুবার। আপনারা অনেকেই সেই বক্তব্য শুনেওছেন। প্রকাশ্যে দৃপ্তকণ্ঠে শাহ বলছেন পিওকে ভারতেরই অংশ কিন্তু কীভাবে? ভারত কীভাবে দখল করবে পিওকে? শাহের সেই স্ট্র্যাটেজি কিন্তু এখনও পর্যন্ত সামনে আনা হয়নি। ভারতবাসীর কাছে এখনও সেই উত্তর অধরাই। এবার এনিয়েই মুখ খুললেন অমিত শাহ। পরিস্কার বলে দিলেন তিনি কী করতে চলেছেন পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে। এখানেই শেষ নয় আকসাই চীন নিয়েও এমন কিছু কথা শেয়ার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তা দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ করে কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দিল এটা বলাই বাহুল্য।

    চীন কি আন্দাজ করতে পারছে ভারত এবার আকসাই চীনের দিকে ঝুঁকবে? নাকি পাকিস্তান চুপি চুপি চীনের মনে ভয় ঢোকাচ্ছে যে পিওকে নিয়ে তো দিল্লি এত হইচই করছে এবার বোধহয় নেক্সট টার্গেট আকসাই চীন। আর ঠিক সেই কারণেই হয়ত আগেভাগেই ভারতকে কড়া বার্তা বেজিংয়ের। ইন্ডিয়া টুডের একটি সাক্ষাতকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পিওকে-কে ভারতের দখলের করার কী ভাবনা রয়েছে তা নিয়ে খোলাখুলি প্রশ্ন করেন সাংবাদিক। যার উত্তরে শাহ বলেন, ‘আমি মানছি ভারতের এই অংশের ওপর পাকিস্তান কবজা করে রয়েছে তবে এধরণের প্রোগ্রামে খোলাখুলি আমি কি আপনাকে বলে দেব পিওকে দখল নিয়ে ভারতের কী প্ল্যান রয়েছে?’

    এরপরই প্রশ্ন ঘুরে যায় আকসাই চীনের দিকে। কারণ সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শাহকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন ডেপসাং, নিমচকে ঘাঁটি বানাচ্ছে পিএলএ আর্মি। মোদী সরকার পারলে আকসাই চীনকে ভারতে ফিরিয়ে আনুক। এ প্রশ্নের জবরদস্ত উত্তর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এ প্রশ্ন অন্য করে রাজনৈতিক দল করলেও মেনে নেব কিন্তু রাহুল গান্ধী করতে পারেন না। কারণ দেশের ইতিহাস বলছে ভারতের সবথেকে বড় অংশ যদি কোনওসময় দেশ হারিয়ে থাকে তাহলে তা নেহেরুর সময় হারিয়েছিল এবং কংগ্রেসের পলিসির জন্য হারিয়েছিল।’ একইসঙ্গে শাহের কড়া বার্তা কংগ্রেস পার্টি কোনওভাবে ভারতীয় জনতা পার্টি ও মোদী সরকারকে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও পরামর্শ দেওয়ার অবস্থাতেই নেই।

    এদিকে চীনের সম্প্রতি আগ বাড়িয়ে লাদাখ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেন,
    ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোনও কিছুর বদল হবে না। ভারত-চীন সীমান্তের পশ্চিমাংশ চীনেরই থাকবে  ভারত একতরফা ও বেআইনিভাবে লাদাখকে পৃথক করেছে। চীন কখনও তথাকথিত কেন্দ্রশাসিত লাদাখ অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেয় না। অনেকেই মনে করছেন কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর লাদাখ ও আকসাই চীন নিয়ে বেজিং অনেক বেশি প্রটেকটিভ। এবার এটাই অপেক্ষার যে সত্যি ভারত কবে অ্যাকশন নেয়।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Maldives Hydrography Survey India: চীনের ত্রাসে মালদ্বীপ, শত্রুতা করছে ভারতের সাথে! ভাঙল বড় চুক্তি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Maldives Hydrography Survey India: এর আগেই বলেছিল ভারতের সেনা প্রত্যাহার করে নিতে। এবার মালদ্বীপ নিল আরো একটা বড় সিদ্ধান্ত। তাতে বোঝাই যাচ্ছে দেশটাকে ধীরে ধীরে গ্রাস করছে চীনের ত্রাস। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বদল হতেই বদলে যাচ্ছে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ। দেশটা আরো ঘনিষ্ঠ হচ্ছে ড্রাগনের দেশের সঙ্গে। ভারতের সঙ্গে হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা চুক্তি বাতিল করেছে মালদ্বীপ। জলবিদ্যার ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও গবেষণার জন্য দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সম্প্রতি মালদ্বীপের মোহাম্মদ মইজ্জুর সরকার, ক্রমাগত ভারত বিরোধী অবস্থান দেখাচ্ছে।

    সম্প্রতি মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মইজ্জু ভারতকে মালদ্বীপে উপস্থিত সেনা প্রত্যাহারের জন্য বলেছিলেন। এর পরে, এখন তিনি ভারত সরকারের সাথে ইতিমধ্যে চলমান হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মইজ্জুকে চীনের ঘনিষ্ঠ মনে করা হয় এবং তিনি ক্রমাগত ভারত-বিরোধী অবস্থান প্রকাশ করে আসছেন। মনে করা হচ্ছে, এ সিদ্ধান্তের পেছনে চীনের মস্তিষ্ক রয়েছে। ২০১৯ সালের জুন মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মালদ্বীপের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সালেহের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির অধীনে, ভারতকে মালদ্বীপের আঞ্চলিক জলের হাইড্রোগ্রাফিক সমীক্ষা চালানোর পাশাপাশি প্রাচীর, উপহ্রদ, উপকূলরেখা, জোয়ারের স্তরগুলি অধ্যয়ন এবং চার্ট করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এই চুক্তি ছিল পাঁচ বছরের জন্য। এমতাবস্থায়, এটি চলতি বছরের জুনে শেষ হওয়ার কথা এবং এটি আবার নবায়ন করতে হবে। কিন্তু মইজ্জু এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তিকে এগিয়ে না নিয়ে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। চুক্তি শেষ হবে জুনে।

    এ বিষয়ে তথ্য দিয়ে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফিরোজুল আবদুল খলিল বলেন, আমাদের সরকার ভারতের সঙ্গে হাইড্রোগ্রাফি চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যেটির মেয়াদ ২০২৪ এর ৭ই জুন শেষ হতে চলেছে। এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কোনো পক্ষ এর থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে ছয় মাস আগে অন্য পক্ষকে জানাতে হবে। যদি কোনো পক্ষই এর থেকে বেরিয়ে আসার তথ্য না দেয়, তাহলে শর্ত অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ৫ বছরের জন্য বাড়ানো হবে। ফিরোজুল বলেন, মালদ্বীপ চুক্তিতে এগোতে চায় না। এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় হাইকমিশনকে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে মালদ্বীপ সরকার। এখন এই চুক্তি শেষ হবে আগামী বছরের জুনে।

    সাম্প্রতিক সময়ে ভারত সম্পর্কে রাষ্ট্রপতি মোইজ্জুর এটি দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এই মাসের শুরুর দিকে, মইজ্জু বলেছিলেন যে ভারত সরকার মালদ্বীপ থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়েছে। যা নির্বাচনী প্রচারণার পর থেকেই তার জন্য একটি ইস্যু ছিল। দুবাইয়ে সিওপি সম্মেলনের ফাঁকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। যেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন মইজ্জু।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version