Tag: India

  • Jessore Road History: একটা রাস্তা আগলে রেখেছে ভারত-বাংলাদেশকে, বাঙালির যন্ত্রণার সাক্ষী

    Jessore Road History: একটা রাস্তা আগলে রেখেছে ভারত-বাংলাদেশকে, বাঙালির যন্ত্রণার সাক্ষী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Jessore Road History: এই পথ পরম মমতায় আগলে রেখেছে ভারত-বাংলাদেশকে। কাঁটাতারের বেড়া এর কাছে অতি তুচ্ছ। রাস্তার দুপাশে থাকা শতবর্ষী গাছগুলো জানান দেয়, সময়েরও দৌড় ঝাঁপে ইতিহাস কখনো মুছে যেতে পারে না। বলে দেয়, বাঙালির যন্ত্রণার কথা। নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে এই পথ ধরে দেশ ছাড়তে হয়েছিল বহু বাঙালিকে। এটা যশোর রোড। নামটা আপনি নিশ্চই শুনেছেন।

    এ পথের শতবর্ষী গাছগুলোর সঙ্গে জুড়ে রয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। এই পথ ধরে পূর্ব বাংলার প্রায় এক কোটি বাঙালি আশ্রয় নিয়েছিল কলকাতার শরণার্থী শিবিরে। পথে যেতে যেতে ক্লান্ত শরণার্থীরা গাছ গুলোর ছায়াতে কেউবা পেয়েছিলেন একটু মনের জোর, আবার কেউবা এই পথেই হারিয়েছেন পরিবার-পরিজনকে। যশোর রোডের প্রতিটি ইঞ্চি বলে ইতিহাসের কথা। কিন্তু আফসোসের বিষয়টা কি বলুন তো, এই পথ নিয়ে খুব একটা উচ্চবাচ্য হয় না। শুধুমাত্র ইতিহাস ধারণ করে আছে, বর্তমান প্রজন্মের মনে কি পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে? এটা একটা বড় প্রশ্ন।

    বাংলাদেশ আর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বুক চিরে চলে গিয়েছে এই ঐতিহাসিক পথ। এ পথের শুরুটা হয়েছে বাংলাদেশের যশোর জেলা থেকে, মিশেছে বেনাপোল-পেট্রাপোল পেরিয়ে কলকাতায় এসে। প্রায় ১২৫ কিলোমিটার। যার মধ্যে ৩৫ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে। আর বাকিটা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এই পথকে চেনে যশোর-বেনাপোল রোড নামে। যদিও ভারতের অংশে মানুষ এই পথকে চেনে যশোর রোড হিসেবেই।

    এই শহরেই ছিল একটা আস্ত বিমান ঘাঁটি। কলকাতার সঙ্গে এই বিমান ঘাঁটির যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি করার জন্য আধুনিকভাবে নির্মাণ করা হয় যশোর রোড। এটা গেল একদিকের কথা। ইতিহাসের আর একটি কথা অনুযায়ী, এখনকার তৎকালীন জমিদার ছিলেন কালীপ্রসাদ পোদ্দার। শুধু কলকাতাতেই নয় বহু জায়গায় ছিল তার ব্যবসা বাণিজ্যের পসার। একবার নাকি জমিদারের মা নৌকার মাঝিদের অসহযোগিতার কারণে গঙ্গা স্নানে যেতে পারেননি। এই ঘটনায় ভীষণ অপমানিত বোধ করে রীতিমত ঘরের দরজা বন্ধ করে বৃদ্ধা অনশনে বসেন। ঠিক করেন, গঙ্গা স্নানের জন্য যশোর থেকে রাস্তা নির্মাণ করলে তবেই তিনি অনশন প্রত্যাহার করবেন। সেদিন মায়ের কথা ফেলতে পারেনি ছেলে, জমিদার বাবু নিজেই এই রাস্তা নির্মাণ করেন। তাই অনেকে এই পথকে বলেন কালী বাবুর সড়ক। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই পথই হয়ে ওঠেছিল বেঁচে থাকার স্বপ্ন পূরণের পথ। এই পথের প্রত্যেকটা ধূলিকণা বলে, হাজারো শরণার্থীদের ক্লান্তি আর দুর্ভোগের কথা। জমিদার রাস্তার দু’ধারে রেইনট্রি গুলো রোপন করেছিলেন। যাতে তীর্থস্থানে যাওয়ার পথে তার মা কিংবা অন্যান্য পুণ্যার্থীরা গাছের ছায়ায় একটু বসে দু’দণ্ড আরাম করতে পারেন। এখন সব থেকে বেশি বয়সী গাছগুলো দেখা যায় পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে বারাসাত পর্যন্ত রাস্তায়। তার পর বড় গাছের সংখ্যাটা একটু কম।

    https://www.facebook.com/100069378195160/posts/731898009132799/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় ভারতের সেনাবাহিনী এই পথে সংস্কারের কাজ করে। যখন এই পথ দিয়ে লক্ষ লক্ষ শরণার্থী ওপার বাংলা থেকে ভারতে এসে আশ্রয় নেয়, গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল সেই দৃশ্য। শরণার্থীদের সেই ঢল নিয়ে রয়েছে বিখ্যাত মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গের ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’ নামক কবিতা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি হয়ে উঠেছিল একটা জীবন্ত ইতিহাস। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসার জন্য বাঙালির কাছে অন্যতম পথ হয়েছিল এই পথ। যশোর রোডের ইতিহাসই বলুন, আর সৌন্দর্য, দু-পাশে থাকা শতবর্ষের গাছগুলো বড্ড দামি। সোজা কথায়, ইতিহাসের একটা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এই যশোর রোড। কিন্তু বেশিরভাগ ইতিহাস বইতেই এই রাস্তার কথা আপনি পাবেন না। কবিতার মাধ্যমে যশোর রোড বিশ্বখ্যাত হলেও, নতুন প্রজন্মের কজন জানেন এই পথের কথা?

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Under Water Metro in World: মাথার উপর নদী, নিচে লম্বা রাস্তা! বিশ্বে জলের তলায় তাজ্জব জায়গা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Under Water Metro in World: মাথার উপর বইছে গঙ্গা, আর জলের নিচ দিয়ে দৌড়াচ্ছে মেট্রো। নজির গড়ল কলকাতা। গোটা ভারতে এই প্রথম চালু হলো আন্ডারওয়াটার মেট্রো। নদীর নিচে দিয়ে চলে গিয়েছে মেট্রোর রাস্তা। ভারতে এই প্রথম নয়, গোটা বিশ্বে কিন্তু বহু জায়গাতেই জলের নিচে এমন রাস্তা রয়েছে। কোন টেকনিকে নদীর নিচে কলকাতা এত বড় কাজ করে দেখালো? বাংলাদেশেও রয়েছে আন্ডারওয়াটার টানেল, যেখানে নদীর বুক চিরে চলে বড় বড় গাড়ি। জল ঢুকে যায় না? হুগলি নদীর নিচে যা হল, দেখে হাঁ গোটা দেশ।

    কলকাতায় জলের নিচে জলরোধী টানেল তৈরির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে ফ্লাই অ্যাশ আর মাইক্রো সিলিকা দিয়ে। পুরো প্রকল্পে খরচ হয়েছে ৮৬০০ কোটি টাকা। মাটির তিরিশ মিটার নিচে খনন করে তৈরি করা হয়েছে মেট্রো স্টেশন। টানেলের ভেতরে দেয়াল তৈরি হয়েছে উচ্চমানের সিমেন্ট দিয়ে। প্রতিটি অংশের পুরুত্ব প্রায় ২৭৫ মিলিমিটার। টানেলের ভিতরেই যাতে জলে জল ঢুকতে না পারে, রয়েছে জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কলকাতার এই মেট্রো হুগলি নদীর নিচ দিয়ে হাওড়া ময়দান থেকে যাবে সটলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত। মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬.৫ কিলোমিটার, যার মধ্যে ১০.৮ কিলোমিটার মাটির তলায়। গঙ্গার উপরের জল স্তর থেকে প্রায় ৩৩ মিনিটের নীচে তৈরি হয়েছে এই মেট্রোর জোড়া সুরঙ্গ। নদীর তলদেশ থেকে আরও ১৩ মিটার গভীরে পলি মাটির ভিতর দিয়ে গিয়েছে রাস্তা। জল নয়, সুরঙ্গ গিয়েছে নদী খাতের পলি মাটির মধ্য দিয়ে। এসপ্ল্যানেড থেকে হাওড়া ময়দান পথের মধ্যে রয়েছে ৫২০ মিটার দীর্ঘ গঙ্গা। এটি পেরোতে এখন সময় লাগছে মাত্র ৪৬ সেকেন্ড। আরেকটা ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্ট হল, যখনই মেট্রো গঙ্গার বুকে প্রবেশ করবে তখনই তা বোঝানোর জন্য একটা নীল আলোর ব্যবস্থা রয়েছে অর্থাৎ বুঝতে পারবেন, আপনি গঙ্গার নিচে রয়েছেন। নেটওয়ার্ক নিয়েও চিন্তা নেই। ফোনের নেটওয়ার্ক থাকবে। জলের নিচে দেয়ালে আঁকা হয়েছে জলজ প্রাণী আর জলজ উদ্ভিদের ছবি।

     

    জলের নিচে এই ধরনের টানেল প্রথম তৈরি হয়েছিল ব্রিটেনে। লন্ডনে ১৯২১ সালে জলের নিচে রেল নেটওয়ার্ক তৈরি হয়। বাংলাদেশের চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশেও রয়েছে কিন্তু একটা বহু লেনের সড়ক টানেল। এটি বঙ্গবন্ধু টানেলও বলা হয়। এটাই নাকি, দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল। দৈর্ঘ্য প্রায় ৯.৩৯ কিলোমিটার। বাংলাদেশে এই টানেল নির্মাণের অন্যতম উদ্দেশ্য, চট্টগ্রাম শহরকে চীনের সাংঘাই শহরের আদলে ওয়ান সিটি টু টাউন বা এক নগর দুই শহরের মডেলে গড়ে তোলা। আর সত্যি, বঙ্গবন্ধু টানেল চালু হওয়ার পর, একটু একটু করে বদলে যাচ্ছে দেশটার চট্টগ্রাম শহর। টানেলের যুগে প্রবেশ করা মাত্রই, বাংলাদেশের মানুষ দেশকে সাংঘাইয়ের স্বপ্ন। এই একটা টানেল এক ধাক্কায় বাড়িয়ে দিতে পারে দেশটার জিডিপি। ভূমিকম্প থেকে বাঁচতে পুরো টানেলটাই মুড়ে ফেলা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে। টানেলটি রয়েছে নদীর প্রায় ৪০ মিটার গভীরে।

    https://www.facebook.com/100069378195160/posts/719929696996297/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    বিশ্বের বহু দেশে নদীর তলদেশে রয়েছে এমন সুরঙ্গ পথ। যেমন নরওয়েতে রয়েছে বোমলাফোর্ড টানেল। ৭.৮ কিলোমিটারের এই টানেল দিয়ে গাড়ি চলাচল করে। নরওয়েতে রয়েছে ইকসুন্দ নামক আর একটা টানেল। দৈর্ঘ্য প্রায় ৭.৭ কিলোমিটার। মূল ভূখণ্ডকে যুক্ত করেছে ইকার হাড়েইডল্যান্ডের সঙ্গে। এছাড়াও নরওয়ের নর্থকেপ টানেল মূল ভূখণ্ডকে যুক্ত করেছে হনিংসভ্যাগের সঙ্গে। জলের নিচে যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৬.৮ কিলোমিটার। অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছে ২.৮কিলোমিটারের বিখ্যাত সিডনি হারবার টানেল। এটি একটি টুইন টিউব সুড়ঙ্গপথ। যুক্তরাজ্যে রয়েছে ৩.৬২ কিলোমিটারের সেভার্ন টানেল। গ্লাউসেস্টারশায়ারের সঙ্গে রেলপথের মাধ্যমেই যুক্ত হয়েছে মনমাউথশায়ার। ফ্রান্সে জলের তলায় রয়েছে ৩৭.৯ কিলোমিটারের দীর্ঘ চ্যানেল টানেল। এটি ব্রিটিশ শহর ফোকস্টোনকে যুক্ত করেছে উত্তর ফ্রান্সের পাস ডি ক্লাইসকে। আর একটা ভালো খবর দিয়ে রাখি, ইতিমধ্যেই দুবাইয়ের সঙ্গে ভারতের মুম্বাইকে সংযুক্ত করার জন্য জলের তলায় ট্রেন লাইনের কাজ চলছে। প্রায় দু হাজার কিলোমিটারের এই পথ দুবাই আর মুম্বাইকে সংযুক্ত করবে আন্ডার ওয়াটার টানেলের মাধ্যমে। ওদিকে আবার ডেনমার্ক আর জার্মানির মধ্যে জলের নিচ দিয়ে তৈরি হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা সুরঙ্গ। দুই দেশকে সমুদ্রের নিচ দিয়ে কানেক্ট করা যাবে। মাত্র ৭ মিনিটে পৌঁছানো যাবে এক দেশ থেকে আরেক  দেশে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Wig: ভারত থেকেই চুল যাচ্ছে বাংলাদেশ, চীনাদের মাথায় কাদের চুল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Wig: ভারত থেকে পরচুল চলে যাচ্ছে বাংলাদেশে! সেখানে রমরমিয়ে চলছে ব্যবসা। দুই দেশই কামাচ্ছে মোটা মুনাফা। কীভাবে তৈরি হচ্ছে পরচুল? কেমন ভাবেই বা এই হব ব্যবসায় আয় হয়? মাথার ঝড়ে যাওয়া চুল ফেলে দেওয়ার আগে দুবার ভাবুন।

    গোটা বিশ্বে সর্বত্র চুলের যোগানের ক্ষেত্রে একদম শীর্ষস্থানে রয়েছে ভারত। ভারতের বহু জায়গায় তৈরি হয় পরচুল। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ নদীয়ার বহু গ্রামে নকল চুল বা পরচুল তৈরির বড় বড় ব্যবসা রয়েছে। আর কলকাতার নিউ মার্কেটে গেলেই তো পেয়ে যাবেন, এই পর চুলের বিশাল সম্ভার। যেখানে আপনার মন পছন্দের পরচুল কিনে নিতে পারবেন। মাথায় চুল কম থাকলে কিংবা না থাকলেই যে পরচুল পরতে হবে এমনটাও নয়। সময়ের হাওয়ায় অনেক কিছুই বদলেছে। বহু মানুষ আছেন যারা ফ্যাশনের জন্য পরচুল ব্যবহার করেন। বিভিন্ন আকারের, বিভিন্ন ধরনের, বিভিন্ন কাটিং, স্টাইল এবং বিভিন্ন রঙের পরচুল পাওয়া যায়। আপনি আপনার মুখের সাথে মানানসই এবং পছন্দ মতো দামে পরচুল কিনতে পারেন।

    পর চুল কিন্তু একদমই পুরোটা আর্টিফিশিয়াল জিনিস দিয়ে তৈরি হয় না। মূলত মেয়েদের মাথার ফেলে দেওয়ার চুল দিয়েই তৈরি হয়। যা পরে চেহারায় আসে নতুনত্বের ছোঁয়া। ২০২১ সালে গোটা বিশ্বে পরচুলের ব্যবসা হয়েছিল প্রায় ৫৮০ কোটি ডলারের। এক্ষেত্রে বহু কৃত্রিম জিনিস ব্যবহার করা হলেও এক তৃতীয়াংশ তৈরি হয় শুধুমাত্র আসল চুল দিয়ে। যার অধিকাংশটাই যায় ভারত থেকে। ভারতে দিনের পর দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে পরচুলের ব্যবসা। ২০২১ সালে ৭৭ কোটি আমেরিকান ডলারের চুল ভারত থেকে গিয়েছিল বিদেশে। যা ছিল ২০২০ সালের তুলনায় দ্বিগুণ। ভারত থেকে এই চুল চলে যায় কানাডা ফ্রান্স ডেনমার্ক আমেরিকা সহ বহু ফ্যাশন শোতে। এছাড়াও তো ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত রয়েইছে। এই ধরুন মুম্বই, দিল্লি, কানপুর মত বড় বড় শহরে যায় পশ্চিম বাংলার পরচুল।

    আমাদের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও, পরচুলের ব্যবসা উত্তোরোত্তর বাড়ছে। স্বাভাবিক ভাবেই, চাহিদা বাড়ায় ভারত থেকে দেশটা আমদানি করছে চুলের কাঁচামাল। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে উঠেছে হেয়ার ক্যাপের কারখানা। যেখানে চুল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপ তৈরি করা হয়। যা বাংলাদেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানি হয় অন্যান্য দেশে। বাংলাদেশের কারখানা গুলোতে প্রথমে ফেলে দেয়া চুলের জট ছাড়িয়ে নেয়া হয়। তারপর শ্যাম্পু এবং বিভিন্ন মেডিসিন ব্যবহার করে ধুয়ে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এরপর সেই চুল সুন্দর করে কাটিং করে তৈরি করা হয় হেয়ার ক্যাপ।

    https://www.facebook.com/100069378195160/posts/716258987363368/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    আরেকটা তথ্য জানলে আশ্চর্য হবেন,ভারতীয়দের চুল রয়েছে চীনাদের মাথায়। ভারত থেকে চুলের একটা বড় অংশ চলে যাচ্ছে চীনে। শোনা যায়, চীন গোটা বিশ্ব থেকে যত পরিমাণ চুল আমদানি করে থাকে তার ৬০ শতাংশ যায় শুধুমাত্র ভারত থেকে। যার মধ্যে সবথেকে দামি চুল রেমি চুল। তো আজকের এই চুলের গল্প আপনার কেমন লাগলো? আপনি কি পরচুল নিয়ে ইন্টারেস্টটেড? ব্যবহার করতে চান? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Stingray Fish: আশ্চর্য মাছ শাপলা, বাচ্চার জন্ম দেয় যেভাবে, দেখলে অবাক হবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Stingray Fish: সমুদ্রের তলদেশে তো আপনি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর কথা শুনেছেন। কেউ হয় খুব শান্ত প্রকৃতির, আবার কেউ আক্রমণাত্মক। পুরো সমুদ্র জুড়ে চালায় রাজত্ব। এই যে মাছটিকে দেখছেন শাপলা পাতার মতো দেখতে, একে বলা হয় শাপলা পাতা মাছ আবার কেউবা বলেন শংকর মাছ। আপনি কি নামে চেনেন? বা আপনার এলাকায় এই মাছকে কি বলে? সেটা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। হিংস্রতা, ক্ষিপ্রতা বলুন কিংবা শিকার কৌশলে, বহু ডাঙার প্রানীকেও এরা টেক্কা দিতে পারে। সরাসরি এদের পেট থেকে বেরিয়ে আসে ছোট শাপলা পাতা মাছ। এরা ভীষণ অলস। এতটাই অলস যে মাঝে মাঝে সাঁতার পর্যন্ত কাটতে চায় না।

    ইংরেজি নাম স্টিংরে। বেঁচে থাকতে পারে প্রায় ১৫ থেকে ২৫ বছর। এক একটার ওজন কয়েক মন পর্যন্ত হতে পারে। সর্বোচ্চ ওজন হতে পারে ৭৯০ পাউন্ড পর্যন্ত। রীতিমত দৈত্যাকার মাছ। সাগরের বুকে এত বড় মাছ খুব বেশি নেই। দেখতে কিন্তু আশ্চর্য। চোখ রয়েছে শরীরের সামনের দিকে। আর মুখ, নাকের ছিদ্র আর ফুলকা রয়েছে পেটের নিচে। চোখ এদের তীক্ষ্ণ। রয়েছে এক ধরনের বৈদ্যুতিক সেন্সর, যার ফলে শিকার কাছে এলেই খুব দ্রুত শিকারকে ঘায়েল করতে পারে। দাঁতও বেশ ধারালো, ছোট ছোট প্রাণীর খোলস, ঝিনুক ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া এদের কাছে কোন ব্যাপারই নয়। চাবুকের মতো রয়েছে লেজ। যা সাঁতার কাটতে সাহায্য করে। এই লেজই তাদের সুরক্ষা দেয়, কিন্তু বিষাক্ত। শাপলাপাতা মাছ লেজ দিয়ে কোন মানুষকে আঘাত করলে, বড় ক্ষত তৈরি হতে পারে। বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০০ প্রজাতির শাপলা পাতা মাছ রয়েছে। ভারত বাংলাদেশে তো প্রায়ই চোখে পড়ে। বাংলাদেশে প্রায় ৫৬ প্রজাতির শাপলা পাতা মাছের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।

    ডিম নয়, এদের পেট থেকেই সরাসরি বেরিয়ে আসছে বাচ্চা মাছ। দেখে স্তন্যপায়ী প্রাণী মনে হলেও, মা শাপলা পাতা মাছ তার শরীরের মধ্যেই ডিম পাড়ে এবং সেখানে বাচ্চা বড় করে। যতদিন না বাইরের পরিবেশের সঙ্গে বাচ্চা মাছগুলো মানিয়ে নেওয়ার উপযুক্ত হয়, ততদিন পর্যন্ত মায়ের পেট এদের নিরাপদ আশ্রয়। এদের বসবাস নাতিশীতোষ্ণ সমুদ্রের অগভীর জলে। সেখানেই তলদেশ ঘেঁষে ঘুরে বেড়ায়। দেখতে বিশাল আকার হলেও ভীষণ অলস। সমুদ্রের বালুর ক্ষুদ্র কণা গায়ে জমলেও চুপ করে থাকে। জোয়ারের সময় জোয়ারের সঙ্গে ভেসে বেড়ায়। বুঝতেই পারছেন এরা ঠিক কতটা কুঁড়ে।

    https://www.facebook.com/100069378195160/posts/715743497414917/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    বাজারে শাপলা পাতা মাছের চামড়া অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। এর চামড়া দিয়ে তৈরি হয় জুতো ব্যাগ সহ বহু জিনিস। মাছটা যেমন খেতে সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। বর্তমানে এই মাছ প্রায় বিলুপ্তের পথে। শাপলা পাতা মাছ সাগরের গভীরে ঘুরে বেড়ালেও, বংশবিস্তারের সময় তীরের কাছাকাছি চলে আসে। তারপর আটকে পড়ে জেলেদের লোভের জালে। অথচ সমুদ্রের জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার এই মাছকে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। বাংলাদেশে তো বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, এই মাছ ধরা এবং বিক্রি নিষিদ্ধ।

  • India-Bangladesh Relationship: ভারত-বাংলাদেশ আগামী ৫ বছর, কী পাবে? কী হারাবে ঢাকা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-Bangladesh Relationship: ঢাকা দিল্লি সম্পর্ক আগামী ৫ বছরে ঠিক কি কি বিষয়ের উপর নির্ভর করবে? তিস্তা জট কাটবে? দুটো দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের মাঝে থার্ড পার্টি চীন একটা বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সেক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের যে টেমপ্লেট বা কাঠামো, সেটা পরিবর্তনের চান্স কতটা? মাতারবাড়ি প্রজেক্ট কিভাবে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কে এফেক্ট ফেলবে? আর কোন কোন ইস্যু এই দুটো দেশের কাছে গুরুত্ব পেতে পারে?

    দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদী ও ঢাকায় শেখ হাসিনার সরকার বিগত এক দশকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের যে টেমপ্লেট বা কাঠামো গড়ে তুলেছেন, একটা দেশের আরেকটা দেশের প্রতি যে নীতি, সেইসব কিছু আরও অন্তত পাঁচ বছর যে অক্ষুণ্ণ থাকবে সেটা জোর গলায় বলতে দ্বিধা করছেননা বিশ্লেষকরা। কিন্তু, টেমপ্লেট অপরিবর্তিত থাকলেও দু’দেশের আলোচনার এজেন্ডায় যে পরিবর্তন আসবে সেটাই এক্সপেক্টেড।

    সেদিক থেকে দেখতে গেলে দুটো দেশের মধ্যে এখনো কিছু জট রয়েছে। যার সবথেকে বড় উদাহরণ তিস্তা চুক্তি। এবং কিছু নতুন ইস্যু তৈরি হচ্ছে বা হয়েছে যেগুলো ভারত বাংলাদেশকে কাছাকাছি আনতে বড়সড় ভূমিকা পালন করবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য গঙ্গা চুক্তির নবায়ন। না-হওয়া তিস্তা চুক্তিকে ছাপিয়ে পরবর্তী অন্তত তিন বছর যে নদীটাকে ঘিরে আলোচনা ঘুরপাক খেতে পারে, সেটা গঙ্গা।

    কারণ, ভারত বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নিয়ে যে ডিল হয়েছিল তার ডেডলাইন শেষ হচ্ছে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে। তবে সমস্যাটা তৈরি হতে যাচ্ছে অন্য জায়গায়। নতুন করে যে চুক্তি সই হবে, তাতে জল ভাগাভাগির ফর্মুলা একই থাকবে না কি সেটাতে পরিবর্তন আনা হবে তা নিয়ে ভেতরে ভেতরে মৃদু দর কষাকষিও চলছে, বলছে বিবিসির রিপোর্ট।

     

    যদিও এখনও হাতে আড়াই বছর সময় রয়েছে। রাজনীতিতে যেটা দীর্ঘ সময়। এরমধ্যে ভারতে লোকসভা নির্বাচন আছে। ২০২৬র মে মাসে, চুক্তি নবায়নের আগেই পশ্চিমবঙ্গে পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলায় কিনা, পশ্চিমবঙ্গ সরকারই বা বাংলাদেশকে নিয়ে ঠিক কি নীতি নেয়? সেগুলো এক্ষেত্রে ভাববার বিষয়। ১৯৯৬ সালের ১২ই ডিসেম্বর যখন দুই দেশের মধ্যে এই চুক্তি হয়েছিল, তখন আর এখনকার বাংলাদেশের মধ্যে বিস্তর ফারাক। এই বিষয়টা বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন নতুন গঙ্গা চুক্তিতে বাংলাদেশ যে অতিরিক্ত কিছু ফায়দার দাবি জানাবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু তার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত কতটুকু কি মানতে রাজি হয়? কোন ফর্মুলায় শেষ পর্যন্ত ঐকমত্য হয়? সেটা দুটো দেশের জন্যই খুব ইম্পরট্যান্ট ফ্যাক্টর।

    আবার মাতারবাড়ি প্রজেক্ট এই দুটো দেশের সম্পর্ককে একেবারে একটা অন্য মাত্রায় পৌঁছে দেবে বলেই আশা রাখছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, দীর্ঘ দশ বছর ধরে প্রধানত জাপানের ঋণে মাতারবাড়ি প্রজেক্ট গড়ে তোলা হলেও ভারতেরও এখানে বিরাট ‘স্টেক’ আছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। যেখানে চীন কিন্তু বিশেষ জায়গা করতে পারেনি। বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, বাংলাদেশের সোনাদিয়াতে গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ার ব্যাপারে চীন অত্যন্ত উৎসাহী থাকলেও বাংলাদেশ সরকার যে শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব নাকচ করে জাপানের পেশ করা মাতারবাড়ি প্রকল্পেই সায় দিয়েছে, তার নেপথ্যে ভারতের একটা বড় ভূমিকা আছে। কিন্তু কিভাবে মাতারবাড়ি হয়ে উঠতে পারে গেমচেঞ্জার? দেখুন মাতারবাড়ি থেকে সড়কপথে ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তের দূরত্ব ১০০ কিলোমিটারেরও কম। সেক্ষেত্রে ত্রিপুরা রুট দিয়ে বাণিজ্য ভারত বাংলাদেশের মধ্যে বড় পজিটিভ প্রভাব ফেলবে। আগামী দিনে মাতারবাড়িই হয়তো হয়ে উঠবে প্রধান বাণিজ্যিক হাব। আর ঠিক সেই কারণেই পরবর্তী পাঁচ বছরে ভারত বাংলাদেশের যাবতীয় দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এই প্রজেক্টটা ঘুরেফিরে আসবে। যেটা অস্বীকারের কোনো জায়গা নেই।

    আরেকটা বিষয়কে দুটো দেশ এড়িয়ে যেতে পারবেনা। ভারত বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে একটা ‘এলিফ্যান্ট ইন দ্য রুম’ আছে। এই ফ্রেজটা কেন ব্যবহার করলাম? বলছি। একটা জটিল সমস্যা বা কঠিন পরিস্থিতির কথা সবাই জানে, অথচ চট করে বা প্রকাশ্যে সেটা নিয়ে কেউ কথা বলতে চায় না। ভারত বাংলাদেশের মাঝে এরকম একটা পজিশনে বসে আছে চীন। যে চীনা ফ্যাক্টর নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন হবে এটাই স্বাভাবিক। ঘরের পাশে বাংলাদেশে চীন কতটা আর কীভাবে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে, অথবা বেইজিং কীভাবে ঢাকাকে কাছে টানার চেষ্টা করছে সে দিকে ভারত সব সময় সতর্ক নজর রাখে রাখবেও। হ্যাঁ হয়তো সেটা নিয়ে প্রকাশ্যে কখনোই মন্তব্য করা হয় না। কারণ, ভারত বেসিক্যালি বন্ধু বাংলাদেশের আপদে-বিপদে পাশে থাকে। কিন্তু কোনো আভ্যন্তরীণ বিষয়ে জোর খাটায় না। এটাই ভারত।

    এমনকি বাংলাদেশকে যে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেই চলতে হবে এটা ভারত খুব ভালভাবেই উপলব্ধি করে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো করে ভাবেনা দিল্লি। কিন্তু বাংলাদেশে যদি চীন এমন কিছু করতে যায় যেটা ভারতের স্ট্র্যাটেজিক বা অর্থনৈতিক স্বার্থকে সরাসরি হুমকিতে ফেলবে, ভারত অবশ্যই সেটা অ্যাড্রেস করতে চাইবে, তেমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    আবার যেহেতু বাংলাদেশ ভারতের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাই সম্প্রতি ভারত মহাসাগরের মালদ্বীপে যেভাবে ভারত-বিরোধী সেন্টিমেন্টে ভর করে একটি চীন-পন্থী সরকার ক্ষমতায় এসেছে, ভারত কিছুতেই চাইবে না বাংলাদেশেও তার পুনরাবৃত্তি হোক। ফলে বাংলাদেশের মাটিতে চীনের রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক প্রভাব খর্ব করার একটা চেষ্টা ভারতের দিক থেকে থাকবেই।

    একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রও যদি বাংলাদেশের দিকে কোনো ক্ষেত্রে কড়া নজর রাখে, সেটাতেও বাংলাদেশ ভারতকে যে পাশে পাবে সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা। যদিও মিয়ানমার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের নির্বাচনের পরে যুক্তরাষ্ট্রের সুর ঢাকার প্রতি অনেকটাই নরম হয়েছে। কিন্তু, তারপরেও ভারত নজর সরাচ্ছে না চীন বা যুক্তরাষ্ট্রের উপর থেকে।

    কারণ, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত তিনটে সরকারের আমলে যে দেশটার সঙ্গে তাঁরা সবচেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে এগোচ্ছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে যারা সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে পাচ্ছে, সেটা আর কেউ নয়, ভারত। উল্টোদিকে আমাদের দেশ একবার নয় একাধিকবার বলেছে দক্ষিণ এশিয়াতে বাংলাদেশই সব চেয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই তিস্তা চুক্তির জটকে যদি বাপাশে সরিয়ে রেখে দেখি, তাহলে কোন কোন চুক্তির সফল বাস্তবায়ন হয়েছে দুটো দেশের মধ্যে সেই পাল্লা অবশ্যই ভারী হবে। যেমন

    • ১০০ কোটি ডলার ঋণ সহ ১৪ প্রকল্প

    • বন্দী বিনিময়

    • নদীর জল বন্টন

    • ছিটমহল বিনিময়

    • দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি

    • উন্নয়ন সহযোগিতার কাঠামো চুক্তি

    • সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে বিজিবি বিএসএফ চুক্তি

    • দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি

    পণ্য পরিবহন

    • রেল চুক্তি

    • সাব্রুমের মানুষের জন্য ফেনীর জল

    • জ্বালানি

    • কৃষি

    • সামরিক চুক্তি

     

    বিভিন্ন ঋণচুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে কোটি কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা সহ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল রুট-সম্পর্কিত প্রটোকল, ঢাকা-গুয়াহাটি-শিলং এবং কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাস সার্ভিস, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার-সম্পর্কিত সমঝোতা স্মারকের মতো একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দুটো দেশের মধ্যে। আর এরপরের প্রত্যাশা? যুদ্ধের কারণে বিশ্ব যে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে সেখান থেকে উত্তরণের জন্য বিশ্বস্ত প্রতিবেশী হিসাবে বাংলাদেশ এবং ভারতের একে অপরের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    তাছাড়াও বাংলাদেশ ও ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে নিরপেক্ষ নীতি দুই দেশের সৌহার্দপূর্ণ ভবিষ্যতের জন্য অপরিমেয় ভূমিকা রাখতে পারে। যা বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি পারস্পরিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে আরো সুসংহত করবে। একে অপরের পাশে থাকবে। সাথে থাকবে। এবং প্রধানমন্ত্রী হাসিনার নতুন মেয়াদেও সেই ধারা বজায় থাকার সম্ভাবনা থাকবে ষোলো আনা। https://www.facebook.com/100071607861801/posts/408131868250405/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

  • Myanmar Conflict: ভারত পারলেও বাংলাদেশ কেন মায়ানমারকে নিয়ে এত নরম?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Myanmar Conflict: মায়ানমারকে নিয়ে ভারত বড় সিদ্ধান্তটা নিয়ে নিল । বাংলাদেশেরও এমনই কঠোর ডিশিসন নিতে হবে বলছেন সেদেশের কূটনীতিবিদরা। সীমান্তে এমন নিয়ম করে দেওয়া হচ্ছে যা মায়ানমারের জন্য বড় ধাক্কা। দরকার পড়লে ভারত কতটা শক্ত হতে পারে বুঝিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শরণার্থীরা ভারতে না ঢুকতে পারলে বাংলাদেশে ভিড় বাড়াবে?

    বাংলাদেশ চীনের ফাঁদে পাটা বেশ ভালো রকম দিয়েছে। এটাই কি বাংলাদেশের কাছে সুবর্ণ সুযোগ, যখন তারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরানোর বিষয়টা নিয়ে আবারও উঠেপড়ে লাগবে । কারণ ভারত মায়ানমারের থেকে শরণার্থী ঢোকানোর রাস্তাগুলো এবার একে একে ধাপে ধাপে বন্ধ করে দিতে চলেছে।

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মেহমুদের সঙ্গে ভারত আলোচনা করল । ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বিস্তারিত বৈঠক হল। এদিকে মায়ানমারের উত্তেজনা যেন ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে। আর ভারত তারমধ্যেই ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়ে দিলেন, এই পরিস্থিতিতে আপাতত মায়ানমারের সঙ্গে ভারতের অবাধ যাতায়াত বন্ধ। কি এই অবাধ যাতায়াত? সেটা বন্ধ করা মানে কীভাবে মায়ানমারকে ধাক্কা দেওয়া?

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে ভারত মায়ানমারের শরণার্থী নিয়ে মারাত্মকভাবে ভুক্তভোগী। তার সবথেকে বড় উদাহরণ মণিপুরের অশান্তি। তাহলে ভারতের আগেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বললেন, দেশের সীমান্তগুলো সুরক্ষিত রাখতে বদ্ধপরিকর আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মায়ানমার ও ভারতের ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম আপাতত বন্ধ রাখা হবে।

    দেশের সুরক্ষা ও উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলোতে জনবিন্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।

    প্রথম কলকাতার বহু দর্শকের কাছ এই ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম শব্দটা অচেনা হতে পারে, আপনি যাতে প্রতিবেদনের আরও গভীরে ঢুকতে পারেন, তাই এর মানে অবশ্যই আপনাকে জানাব।

    ফ্রি মুভমেন্ট রেজিমেন্ট দীর্ঘদিন ধরেই ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে চালু রয়েছে ফ্রি মুভমেন্ট রেজিমেন্ট। কোনও নথিপত্র ছাড়াই সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশের ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত ভিতরে যেতে পারেন দুই দেশের নাগরিকরা। তবে তার জন্য দুই দেশের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগে । আর অন্য দেশে গিয়ে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত থাকা যায়। তবে মায়ানমারের এই অশান্তির পর আপাতত সেই ছাড়পত্র মিলবে না।

    শুধু তাই নয় এর ঘোষণার আগেই আরও একটা ঘোষণা করা হয় সেটা এখন নয় জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেই। মায়ানমার সীমান্তের ১৬৪৩ কিলোমিটার অংশ ঘিরে ফেলা হবে কাঁটাতার দিয়ে। আর সেখানে কড়া নিরাপত্তাও মোতায়েন করবে সরকার। তাহলে কি এতদিন মায়ানমার ভারত বর্ডার ঘেরা ছিল না?বাংলাদেশও কি এবার ভারতের পর এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমান্ত ঘেরার ঘোষণা করতেই তার বিরোধিতা করতে মাঠে নামে মিজোরামের অতি ক্ষমতাশালী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন । ইয়াং মিজো এসোসিয়েশন এবং ইউনাইটেড নাগা কাউন্সিল তাদের দাবি বাংলাদেশ আর মিয়ানমার তিন দেশেই তাদের আত্মীয় স্বজনরা বসবাস করেন। একই জনজাতি-গোষ্ঠীভুক্ত হওয়ার কারণে নিয়মিতই তারা যাতায়াত করতে পারেন। কিন্তু সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিলে অথবা এফএমআর স্থগিত রাখলে আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগই বন্ধ হয়ে যাবে। তবে কূটনৈতিক পরিস্থিতি বলছে , বর্তমানে মায়ানমার বা মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের যে সিচুয়েশন তাতে এখন আবেগ রক্ষার কোনও সময় নয় দেশের নিরাপত্তাই শেষ কথা। শুধু মায়ানমারের আজ অশান্তি হচ্ছে বলেই নয় মাঝে মাঝেই মিয়ানমারের সেনা সদস্যরা আরাকান আর্মির বিদ্রোহীদের ধাওয়া খেয়ে ভারতে পালিয়ে আসছেন। এছাড়া এই অবাধ খোলা সীমান্ত থাকায় সেখান থেকে মাদক-অস্ত্রশস্ত্র পাচারের দেদার রমরমা চলছে । যার ফায়দা পরোক্ষভাবে চীনও তোলে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীও ২৭৮ জনের একটি দল অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ নিয়ে মিজোরামে প্রবেশ করে বলে আসাম রাইফেলসের সূত্রগুলি জানাচ্ছে, হঠাৎ হঠাৎ বড় বড় বন্দুক আর গোলাবারুদ নিয়ে সামরিক পোশাক পরে তারা ভারতে চলে আসছে। সীমান্ত অঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মানুষ তো ভয় পেয়ে যাচ্ছেন ওই সব অস্ত্রশস্ত্র দেখে।

    এবার বাংলাদেশের কথায় আসি, মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের আড়াইশ’ কিলোমিটারেরও বেশি লম্বা সীমান্ত রয়েছে, আর এই সীমান্তের পুরোটাই উন্মুক্ত। ফলে ওই সীমান্ত দিয়ে প্রায়ই মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশে ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া যায়। যার জন্য বাংলাদেশ রীতিমত ভুগছেও কিন্তু কড়া স্টেপ নিতে পারছে না। সেজন্যই কি মায়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে ভারত সফরে আসা বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। বাংলাদেশ কি এবারই কোনও বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যদি পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যায় বা হাতের বাইরে চলে যায় একেবারে এখানে আরও একটা বড় প্রশ্ন উঠছে, মিয়ানমারের সেনা ও সীমান্তরক্ষীদের কবে, কীভাবে ফেরত পাঠাবে বাংলাদেশ? মানবিক দিক বিবেচনায় আপাতত আশ্রয় দেওয়া হলেও, শিগগিরই তাদেরকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের সরকার। কিন্তু তাদেরকে ফেরত পাঠাতে ঠিক কতদিন লাগতে পারে। সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে এখনো কিছু জানানো হয়নি। আশ্রয় নেওয়া সেনা ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের ফেরত পাঠাতে সরকার ইতিমধ্যেই মিয়ানমারের সাথে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তবে এটাতেও বড় সময় লাগবে এমনটাই মনে করছেন সেদেশের কূটনৈতিক মহল।

    এদিকে জানা যাচ্ছে ৭২ ঘণ্টার লড়াইয়ের পর মায়ানমার সেনা এবং ‘বর্ডার গার্ড পুলিশ’ (বিজিপি) বাহিনীর বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ঘাঁটি তাউং পিও (বাম) দখল করে নিয়েছে। বিদ্রোহী আরাকান আর্মির যোদ্ধারা বাংলাদেশের কক্সবাজার লাগোয়া মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের মংডু শহরের অদূরে কয়েকটি সীমান্ত চৌকিও দখল হয়ে গিয়েছে। ভারত তো কয়েক পা এগিয়ে গেল, মায়ানমার সমস্যা দূর করতে বাংলাদেশ কি স্টেপ নেয় সেটাই এবার দেখার। https://www.facebook.com/100071607861801/posts/407856651611260/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

  • Shaligrama Shila: ভগবান নারায়ণ রূপে পূজিত পাথরের উৎস কোথায়? তুলে আনতে বড় রিস্ক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Shaligrama Shila: শালিগ্রাম শিলাকে নারায়ণ রূপে পুজো করেন হিন্দুরা। কিন্তু এই শালিগ্রাম শিলা আসে কোথা থেকে? ভারতে নয় অন্য দেশের অবদান। কীভাবে তুলে আনা হয় শালিগ্রাম শিলা? শিলা উদ্ধার করতে কি অনেক বড় রিস্ক থাকে? কেন একে নারায়ন বা বিষ্ণু রূপে পুজো করা হয়?

    কালো রঙের তো আরও পাথর হয়। তবে শিলাগ্রাম শিলার যেন অন্যই রূপ। চকচকে কালো রঙের এই পাথর যেন দেখেই গায়ে কাঁটা দেয়। তাদের থাকে চক্রর চিহ্ন। কোন রহস্য জড়িয়ে রয়েছে এই শালিগ্রাম শিলার সঙ্গে? ভগবান মহাদেবের প্রতীক হিসাবে পূজিত হন শিবলিঙ্গ। তেমনই ভগবান বিষ্ণুর প্রতীক হিসেবে শালগ্রাম শিলার পুজো। হিন্দুরা মানেন এতেই নারায়নের বাস, তবে যদি বলি শালগ্রাম শিলা আনতে ভারতকে যেতে হয় অন্যদেশে।

    এই শালিগ্রাম শিলা মোট ৩৩ রকমের হয়। যার মধ্যে ২৪ ধরনের শালিগ্রাম শিলাকেই নারায়ন রূপে পুজো করা হয়। এছাড়াও শাস্ত্রে রয়েছে মাসে দুটি করে একাদশী হয়ে থাকে । সেই হিসেবে ২৪টি একাদশী ২৪ ধরনের শালিগ্রাম শিলার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

    এবার আসি এর উৎপত্তিতে। শালগ্রাম শিলা বা Ammonite fossile নেপালের গণ্ডকী বা কালী নদীর এক বিশেষ প্রকারের জীবাশ্ম পাথর। গণ্ডকী নদীর শিলাই আসল শালগ্রাম শিলা। নদীর পাশে ছড়িয়ে থাকে চকচকে কালো এই শিলা। চিরতুষারাবৃত হিমালয় থেকে বয়ে আসে নেপালের এই গণ্ডকী নদী

    হিমালয়ের শিলাস্তর পরিচিত “স্পিতি” শেল নামে। কালীগণ্ডকী নদীর জলের তীব্র স্রোতে ওই শিলাস্তরকে ধুয়ে মুছে ভেঙে নিয়ে আসছে এই নদীর জল। স্বচ্ছ অথচ কালো এই নদীর জলের স্রোতে ভেসে আসে স্পিতি। শিলাস্তরের খাঁজে লুকিয়ে থাকা হিমালয়ের বহু প্রস্তরীভূত সামুদ্রিক জীবাশ্ম ও শীলা। শিলাভূত জীবাশ্মর মধ্যে একমাত্র “অ্যামোনাইট ফসিলের” গোষ্ঠীর শিলাভূত জীবাশ্মই হল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে পরম পবিত্র শালগ্রাম শিলা বা নারায়ণ শিলা।

    কিন্তু একটা জীবাশ্ম পাথরের সঙ্গে নারায়ন বা বিষ্ণু ভগবানের সম্পর্ক কি? বলা হয়, তুলসি দেবীর অভিশাপে পাথরের রূপ নেন স্বয়ং বিষ্ণু সেই পাথরে থাকে নানা চিহ্ন বা চক্র। এই চক্রচিহ্ন যুক্ত পাথরই আসলে শালগ্রাম শিলা। যেহেতু বিষ্ণুর সঙ্গে এই পাথরের সংযোগ রয়েছে পৌরাণিক উপাখ্যানে। তাই এই পাথরকে আজও নারায়ণ রূপে পুজো করা হয়। আর এই কারণেই শালগ্রামের পুজোয় তুলসী নিবেদন করা হয়। যে কোনো শুভ অনুষ্ঠানই হোক না কেন, নারায়ণ শিলা অবশ্যই লাগে গৃহ প্রবেশ হোক, কি বিয়ে, কি উপনয়ন। শাস্ত্রমতে, কিন্তু এই নারায়ণ শিলায় শক্তিরূপে শবাসনা কোন দেবীর পুজোয় নিষিদ্ধ। স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু এই শিলায় অবস্থান করেন বলে শালগ্রাম শিলায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার দরকার পড়ে না। প্রয়োজন পড়ে না ঈশ্বর কে আবাহন এবং বিসর্জনেরও। অযোধ্যার রামমন্দিরের জন্যও বড় বড় দুটো শালগ্রাম শিলা পাঠানো হয়েছিল নেপাল থেকে।

     

    https://www.facebook.com/100069378195160/posts/701885382134062/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

     

  • India-Russia Friendship: ভারতের জন্য প্রোটোকল ভাঙলেন পুতিন, বড় বন্ধু রাশিয়া! সামনে প্রচুর সম্ভবনা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-Russia Friendship: যত সময়ের জল গড়াচ্ছে, ততই প্রগাঢ় হচ্ছে ভারত আর রাশিয়ার বন্ধুত্ব। তা প্রমাণ করে দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সম্প্রতি এমন একটা কাজ করলেন, যা দেখল গোটা বিশ্ব। ভারতের জন্য ভাঙলেন প্রটোকল। এর আগেও পুতিনের গলায় শোনা গিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর প্রকল্পের প্রশংসা। এবার ভারতের মাটিতে তৈরি হবে রাশিয়ার অস্ত্র ভাণ্ডার।

    ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, যিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘ব্যক্তিগত বার্তা’ সম্পর্কে রাশিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফরে রয়েছেন, রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন তাঁকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, প্রটোকল ভেঙে পুতিন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর খুব কাছে বসে কথা বলেন। এর আগে, রাষ্ট্রপতি পুতিন ফেব্রুয়ারিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সাথেও দেখা করেছিলেন। পুতিনের এই পদক্ষেপকে খুবই বিরল বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে জোরালো বার্তা দিতে পুতিন দূরত্বে বসে ফরাসি প্রেসিডেন্টসহ বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন, যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিল। এ কারণে জয়শঙ্করের সঙ্গে পুতিনের বৈঠককে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    পুতিনের সাথে সাক্ষাতের সময় জয়শঙ্কর তাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছ থেকে একটি ব্যক্তিগত বার্তাও দিয়েছিলেন। পুতিন ২০২৪ সালের শুরুতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে রাশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, যা ভারত গ্রহণ করেছে। পুতিন জয়শঙ্করকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদী রাশিয়ায় এলে আমরা খুব খুশি হব।’ রুশ প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, ”আমাদের বর্তমান বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ থাকবে। এছাড়া দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়েও আলোচনা হবে। অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলতে হয়”। পুতিন আরও স্বীকার করেছেন, ২০২৪ সালের প্রথম ৬ মাস প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্য খুব কঠিন হবে, কারণ ভারতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি যে কোনো রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে আমরা আমাদের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব”।

    ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য প্রসঙ্গে পুতিন বলেন, আমাদের বাণিজ্য টানা দ্বিতীয় বছর বাড়ছে। এ বছর ব্যবসার গতি আরও বেশি। এটা সবাই জানে। তালিকায় রয়েছে জ্বালানি সম্পদ, তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ছাড়িয়েছে ৫০ বিলিয়ন ডলার। পুতিনের আমন্ত্রণে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী মোদীও রাশিয়া সফরের বিষয়ে আশাবাদী। জয়শঙ্কর এর আগে বলেছিলেন, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল রয়েছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ G-20 আয়োজনে ভারতের নিরপেক্ষতার প্রশংসা করেছেন। দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক আমেরিকান বিশেষজ্ঞ মাইকেল কুগেলম্যান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদী একবার বলেছিলেন যে আপনি যদি একজন ভারতীয় শিশুকেও জিজ্ঞাসা করেন যে ভারতের সেরা বন্ধু, তারা সর্বদা বলবে এটি রাশিয়া।’ প্রসঙ্গত কুগেলম্যান বলেছিলেন, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বন্ধুত্ব সময়ের দ্বারা পরীক্ষা করা হয়েছে। এটি বিশ্ব ব্যবস্থার ধাক্কা সহ্য করতেও সক্ষম। ভারত এই সফরের মাধ্যমে একটি বার্তা দিয়েছে, রাশিয়ার সাথে তার বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Japan Moon Mission: ভারতের পর চাঁদের উদ্দেশ্যে জাপান! কে কাকে টেক্কা দেবে? একটা প্রযুক্তিতেই বাজিমাত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Japan Moon Mission: ভারতের পর এবার চাঁদের একদম কাছাকাছি পৌঁছে যাবে জাপান। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে গোটা বিশ্বজুড়ে। ভারত যে সফলতা অর্জন করল, সেই একই সাফল্য কি পাবে জাপানও? জাপানের ঝুলিতেও কি যাবে সেই একই রেকর্ড? ভারত ২০২৩ সালের আগস্টে একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। এ বছর ভারত চতুর্থ দেশ হিসেবে অবতরণ করেছে চাঁদে। এখন জাপানও চাঁদে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই জাপানের স্লিম মিশন ল্যান্ডার পৌঁছে গিয়েছে চাঁদের কক্ষপথে।

    চাঁদে জাপানের অভিযানে একটি বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। জাপানের মহাকাশ সংস্থা JAXA দ্বারা তৈরি মুন ল্যান্ডার ‘মুন স্নাইপার’ ক্রিসমাসের দিনে সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে। এটি একটি মাইলফলক, যা প্রথমবারের মতো চন্দ্র পৃষ্ঠে রোবোটিক এক্সপ্লোরার অবতরণের লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে আসে। এর বর্তমান পথ অনুসারে, এটি প্রায় ৬ ঘন্টা ৪০ মিনিটে চাঁদের একটি আবর্তন সম্পন্ন করছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই ল্যান্ডারটি ধীরে ধীরে কক্ষপথের ভিতরে প্রবেশ করবে। জানুয়ারিতে এই মহাকাশযানটি একটি ঐতিহাসিক প্রচেষ্টার মুখোমুখি হবে। সফল হলে, জাপান হবে পঞ্চম দেশ, যে দেশ স্পর্শ করল চাঁদকে। একবিংশ শতাব্দীতে শুধুমাত্র ভারত ও চীন চাঁদে যেতে পেরেছে।

    জাপানের রোবোটিক এক্সপ্লোরার নির্ভুলতার সাথে একটি অবতরণের লক্ষ্যে একটি নির্দিষ্ট অবতরণের চেষ্টা করবে। চাঁদে অবতরণের পর এটি চাঁদের পাথরের তথ্য সংগ্রহ করবে। এই তথ্য বিজ্ঞানীদের চাঁদের গঠন আরও ভালভাবে বুঝতে সাহায্য করতে পারে। JAXA ২৫ ডিসেম্বর ঘোষণা করেছে যে ল্যান্ডারটিকে একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছে। যা চাঁদের উপরে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার থেকে ৪০০০ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এটি চাঁদের উত্তর-দক্ষিণ মেরুর উপর দিয়ে যাবে। আগামী সাড়ে তিন সপ্তাহ ধরে মহাকাশযানটি ক্রমাগত তার দূরত্ব কমাবে। তারপর এটি পৃষ্ঠ থেকে ১৫কিলোমিটার উপরে থাকবে। মুন স্নাইপার ল্যান্ডারকে SLIMও বলা হয়। এটি ১৯ জানুয়ারী জাপানি সময় ১২ টা ২০ মিনিটে অবতরণের চেষ্টা করবে।

    মুন স্নাইপার কী?

    স্লিম একটি হালকা ওজনের ল্যান্ডার যা ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ল্যান্ডিং জোনে অবতরণ করার চেষ্টা করবে। এটির অবতরণ একটি সুনির্দিষ্ট জায়গায় থাকবে, যার কারণে এটির নামকরণ করা হয়েছে মুন স্নাইপার। যদি এটি চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছায় তবে এটি Xioli নামে একটি গর্তের কাছে সাইটটি সনাক্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ল্যান্ডিং সাইটটি নাসার Apollo 11 ল্যান্ডিং সাইটের কাছে, যেখানে নভোচারীরা ১৬৮৯ সালে প্রথম অবতরণ করেছিলেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ২০২৪ চেহারা বদলে যাচ্ছে ভারতের! ৫ ধামাকা প্রজেক্ট কেন্দ্রের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ২০২৪ এ ভারতের চেহারা আপাদমস্তক বদলে যাবে। বিহারেও হতে পারে বিশ্বকাপ খেলা মোদী সরকারের ৫টা মেগা প্রজেক্ট। দুনিয়া দেখবে হাঁ করে মেট্রো থেকে ব্রিজ, বুলেট ট্রেন থেকে আইটি হাব চমক কোথায় কোথায়? ভারত ১০ বছরে কতটা বদলেছে? যা দেখছেন সেটাই কি সত্যি? ইনফ্রাস্টাকচারকে ভারত কি টেক্কা দিতে পারবে চীন আমেরিকা জাপানকে? সেই দিন বেশি দূরে নেই যখন ভারত এক একটা শহর চকচকে করবে একের পর এক উন্নয়নে ভারতের কোন প্রান্ত থেকে এই প্রতিবেদন দেখছেন আপনি?

    টপ টেন মেগা প্রজেক্টের ৫ নম্বরেই রয়েছে মুম্বাই কোস্টাল রোড। ভারতে তো প্রচুর দেখার মতো সড়ক রয়েছে কিন্তু এদের মধ্যেও অসাধারণ একটি সড়কপথ হল মুম্বই কোস্টাল রোড। সাউথ মুম্বই থেকে নর্থ মুম্বইকে মাত্র ৫০ মিনিটে জুড়বে এই রাস্তা কারণ এটাই এমন একটা রোড যেখানে রি ক্রিয়েশন এরিয়া মানে খেলাধূলো বা শরীর চর্চার জন্য আলাদা জায়গা, সাইক্লিং ট্র্যাক, জগিং ট্র্যাক, অ্যাম্ফিথিয়েটার ও এমনকি থাকবে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডও। একটা রাস্তা আর ফুল প্যাকেজ একে ছত্রপতি মহারাজ সম্ভাজি মহারাজ কোস্টাল রোড নাম দেওয়া। হয়েছে ৪১৫ একরের জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছে এই রাস্তার জন্য ১২ হাজার কোটি খরচ হবে বলে খবর।

    ৪ নম্বরে রয়েছে সেলা টানেল। সেলা টানেল অসমের গুয়াহাটি থেকে অরুনাচল প্রদেশের তাওয়াং পর্যন্ত সমস্ত ধরণের আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলা একটা টানেল। ২০১৯ ফেব্রুয়ারি মাসে এর শিলান্যাস করেছিলেন মোদী।
    একটি একটি ২ ওয়ে হাইওয়ে টাইপ টানেল যা তৈরি হবে NH 13 অন্তর্গত সেলার পাসের থেকে ৪০০ মিটার নীচে তৈরি হবে। এই টানেল টানেল ১ এর দৈঘ্য ৯৯৩ মিটার ও টানেল ২ এর দৈর্ঘ্য ১৫৯১ মিটার। এই টানেলের সমান্তরাল একটি এসকেপ টিউব বানানো হয়েছে সেলা টানেল ভিতরে সিসি ক্যামেরা ছাড়াও ফায়ার ফাইটিং ডিভাইস ভেন্টিলেশ সিস্টেম, মনিটারিং ও এলইডি লাইট ইনস্টল করা হবে।

    ৩ নম্বরে রয়েছে রাজগীর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বিহারে তৈরি হচ্ছে রাজগীর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বিহারের ভোল বদলে যেতে পারে এই স্টেডিয়াম উদ্বোধন হলে পটনা থেকে ১০০ কিমি দূরে নালন্দাতে তৈরি হচ্ছে এই স্টেডিয়াম। ৯০ একর জমিতে প্রায় ৬৩৩ কোটি টাকা খরচ করে সাপুরজি পালনজি গ্রুপ তৈরি করছে‌। এই স্টেডিয়ামে থেকে স্পোর্ট কমপ্লেক্স যেখানে ইনডোর আউটডোর গেম মোটিভেশনাল স্পিচ দেওয়ার জায়গা, ক্যাফেটেরিয়া, সুইমিং পুল সবকিছু থাকবে। শুধু ক্রিকেট নয় বাস্কেটবল ও ফুটবলও খেলা যাবে এখানে একসঙ্গে ৪৫ হাজার দর্শকের ক্যাপাসিটি।

    ২ নম্বরের মেগা প্রজেক্টে থাকছে অযোধ্যা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। উত্তরপ্রদেশ পর্যটন বিভাগের রিপোর্ট বলছে ২০২৩ সালে ২.৩ কোটি স্থানীয় পর্যটক অযোধ্যায় এসেছেন আর একবার রামমন্দির উদ্বোধন হলে তো ছেড়েই দিন তাই অযোধ্যায় একটা বিমানবন্দরের বড্ড দরকার ছিল। মর্যাদা পুরষোত্তম শ্রীরাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামে ডাকা হচ্ছে এই এয়ারপোর্টকে। যা ২০২৪ সালে উদ্বোধন করতে পারেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদী। এর বিশেষত্বই হল এই বিমানবন্দরে নেমে তৎকালীন রামমন্দির দর্শন করা সম্ভব হবে পর্যটকদের পক্ষে। কারণ রামমন্দির থেকে মাত্র ৭ কিমি দূরে রয়েছে এই বিমানবন্দর। ৮২১ একর জমিতে তৈরি হওয়া এয়ারপোর্টয় এখানে ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল দুটো ফেজই থাকবে।

    আজকের প্রতিবেদনে ১ নম্বরে যে প্রজেক্ট রাখা হচ্ছে তা হল দিল্লি মু্ম্বই ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর। ২৪ টা বিনিয়োগের এলাকা, ৮টা স্মার্ট সিটি ১৪৮৩ কিমি লম্বা দিল্লি মু্ম্বই ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর। যা কানেক্ট করবে দিল্লি থেকে হরিয়ানা, রাজস্থান, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, মুম্বইকে। ১০০ বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে এই প্রজেক্ট যা ভারতের জিডিপি গ্রোথ বাড়াবে আর সেইসঙ্গেই কর্মসংস্থানেও বড়সড় বুস্ট হবে। ৪ টে ফেজের এই প্রজেক্ট ২০২৪ থেকে ২০২৫র মধ্যে শেষ করার কথা রয়েছে। এর মানেই বোঝা যায় ২০২৪ অনেক সুখবর নিয়ে ভারতের জন্য।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version