Tag: war

  • India-China Border: সীমান্তে চোখ রাঙাচ্ছে চীন, ছেড়ে কথা বলবে না ভারত! সাফ জানালেন বিদেশমন্ত্রী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-China Border: ভারত(India) দিনের পর দিন শক্তিশালী হয়ে উঠছে। অর্থনৈতিক থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা খাতে উন্নতির সূচক ঊর্ধ্বগামী। সমস্যার বিষয় চারিদিকে ওঁত পেতে রয়েছে শত্রুরা। চীন (China), পাকিস্তানের (Pakistan) মতো দেশগুলি এতকিছুর পরেও শত্রুতা করতে ভুলছে না। লাদাখ (Ladakh) সীমান্ত পরিস্থিতি ভালো নয় বলে উদ্বিগ্ন ভারতের বিদেশমন্ত্রীর। সীমান্তে মোতায়ন করা হয়েছে আরো বেশি সেনা। গোটা বিশ্বজুড়ে যেন চলছে যুদ্ধের (War) উস্কানি। পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছে দল ভাগাভাগি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এখনো ভারত শক্ত জায়গায় রয়েছে। চীন আর পাকিস্তান নিয়ে বেশ সতর্ক ভারতের প্রতিরক্ষা।

    লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চীন দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে। তাই উদ্বিগ্ন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শুক্রবার সেনাপ্রধান মনোজ পান্ডের কথা অনুযায়ী, চীন নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে শক্তি বৃদ্ধি করলেও যে কোনো ধরনের পরিস্থিতির সামাল দিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। সীমান্তের বেশ কিছু জায়গায় ভারতীয় সেনা আর চীন সেনা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে। শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ মাধ্যমের আলোচনা সভায় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, লাদাখে সীমান্ত পরিস্থিতি একেবারেই ভালো নয়। ইতিমধ্যেই ভারত-চীন সম্পর্কে দেখা দিয়েছেন নয়া মোড়। সেই ২০২০ সাল থেকেই ভারত-চীন সীমান্তের অবস্থা বেশ খারাপ।

    দুই দেশের সেনা গালওয়ান উপত্যকায় বেশ কয়েকবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে। ২০২০ সালের সংঘর্ষে সময় প্রায় ৪০ জন চীনা সেনা এবং ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু ঘটেছিল। তারপর থেকে বারবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে লাদাখ সীমান্ত। যদিও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। শুক্রবার ভারতের সেনাপ্রধান মনোজ পান্ডে জানান, চীন লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর একের পর এক দ্রুত অবকাঠামো তৈরি করেই চলেছে। পাশাপাশি ড্রাগনের দেশ তাদের সেনা সংখ্যাও বেড়াচ্ছে। যদিও এইসব দেখে ভীত নয় ভারত। চীনকে মোকাবিলা করার জন্য ভারতীয় সেনা সমস্ত রকম ভাবে প্রস্তুত। সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার অবস্থা এখন স্থিতিশীল, তবে বিষয়টির দিকে কড়া নজরদারি রেখেছে ভারত। দেশের ভাঁড়ারে যথেষ্ট পরিমাণে অস্ত্র মজুদ রয়েছে। এছাড়াও নতুন প্রযুক্তি এবং অত্যাধুনিক অস্ত্র আমদানি করার প্রচেষ্টা চলছে।

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানের কথায় স্পষ্ট যে, চীন যদি শত্রুতা জিইয়ে রাখতে চায়, সেক্ষেত্রে তার যোগ্য জবাব দেবে ভারতীয় সেনা। ভারত জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থে যা যা প্রয়োজন সবটাই করতে প্রস্তুত। কয়েক বছর ধরে ভারত ও চীনের সম্পর্ক অবনতি ঘটছে। সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্ক একেবারেই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সীমান্তের পরিস্থিতি একেবারেই ভালো নয়। চীন শান্তির মাধ্যমে আলোচনায় না গিয়ে নিজেদের সেনা সংখ্যা বাড়াচ্ছে। দফায় দফায় আলোচনা করেও সমস্যার সমাধান হয়নি। উপরন্তু চীন বারংবার চোখ রাঙিয়ে গিয়েছে। এসব একেবারেই মানবে না ভারত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Nuclear Submarine: আমেরিকার ভাঁড়ারে সব থেকে বেশি পারমাণবিক সাবমেরিন! ভারত চীন কত নম্বরে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Nuclear Submarine: বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের (War) দামামা। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধকে (Ukraine-Russia War) কেন্দ্র করে গোটা বিশ্বের মধ্যে যেন দল ভাগাভাগি শুরু হয়ে গিয়েছে। এই সময় কোন দেশের ভাঁড়ারে ঠিক কত পরিমাণ পরমাণু অস্ত্র রয়েছে তা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যে দেশের কাছে বেশি পরমাণু অস্ত্র সেই দেশ বেশি শক্তিশালী বলে মনে করা হয়। ‘TimesNow নবভারত’ (হিন্দি) এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সব থেকে বেশি পারমাণবিক সাবমেরিন (Nuclear Submarin) রয়েছে আমেরিকার (America) কাছে। ভারত (India) আর চীনের (China) কাছে তাহলে কটি পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে? এই পরমাণু অস্ত্রের তালিকায় যুক্ত আর কোন কোন দেশ?

    ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীন চাইছে নিজের রাজ চালাতে। চীনকে আটকাতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়া। জোট বেঁধেছে এই তিনটি দেশে। এখন যৌথ পারমাণবিক সাবমেরিন বহর তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আগামী দিনে অস্ট্রেলিয়াকে তার প্রথম পারমাণবিক চালিত সাবমেরিন সরবরাহ করতে পারে। পাশাপাশি এই তিনটি দেশ যৌথভাবে নতুন প্রযুক্তিতে সজ্জিত উন্নত সাবমেরিন নির্মাণ করবে। এই পরিকল্পনায় বেশ চটেছে চীন। পাশাপাশি কড়া সমালোচনা করেছে ড্রাগনের দেশ।

    যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার চুক্তি সম্পর্কে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। তাদের তৈরি সাবমেরিন গুলি পারমাণবিক জ্বালানিতে চলবে এবং এখানে পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়ার মেরিনরা যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনে যাবেন পারমাণবিক সাবমেরিন পরিচালনার প্রশিক্ষণ নিতে। যে কোন দেশের ভাঁড়ারে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। বিশ্বের সব দেশের কাছে পারমাণবিক সাবমেরিন নেই। হাতে গোনা কয়েকটি দেশেই রয়েছে। সেই তালিকায় কিন্তু ভারতও রয়েছে। বিশ্বের মোট ছয়টি দেশের কাছে পারমাণবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন রয়েছে। তালিকায় রয়েছে আমেরিকার, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, চীন এবং ভারত।

    পারমাণবিক সাবমেরিন অত্যন্ত ভয়ঙ্কর হয়ে থাকে। এটি ব্যবহারে অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় না। ডিজেলের তুলনায় অত্যন্ত দ্রুত কাজ করে। সাধারণত পারমাণবিক সাবমেরিন গুলি ব্যবহার করা হয় গোয়েন্দা অপারেশনের ক্ষেত্রে। এগুলি রক্ষণাবেক্ষণ যেমন ব্যয়বহুল, তেমনি বেশ কাজের। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অনুযায়ী, আমেরিকার কাছে প্রায় ৬৮ টি পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে, রাশিয়ার কাছে রয়েছে ২৯টি সাবমেরিন। চীনের কাছে রয়েছে ১২টি পারমাণবিক সাবমেরিন। অপরদিকে ব্রিটেনের কাছে ১১ টি, ফ্রান্সের কাছে ৮টি এবং ভারতের কাছে ১টি পারমাণবিক সাবমেরিন রয়েছে। ভারতের এই সাবমেরিনের নাম আইএনএস অরিহন্ত। পারমাণবিক জ্বালানি চালিত সাবমেরিন গুলি দীর্ঘ সময়ের জন্য সমুদ্রের গভীরে থাকতে পারে। এই সাবমেরিন গুলি টানা ৩০ বছর ধরে জলে চলতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia-Ukraine War: ঘুরে দাঁড়াল ইউক্রেন, যুদ্ধে নিহত ৫০০ রুশ সেনা! কবে থামবে এই মৃত্যুলীলা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia-Ukraine War: বাখমুত এখন কিলিং জোন। রাশিয়া (Russia) টার্গেট করছে বাখমুতকে। অপরদিকে ইউক্রেন (Ukraine) সমানভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে রাশিয়াকে রুখে দেওয়ার জন্য। ইউক্রেনের দাবি অনুযায়ী, একদিনে বাখমুত যুদ্ধে (War) নিহত হয়েছে প্রায় ৫০০ রুশ সেনা। রুশ বাহিনী গত কয়েক মাস ধরেই ইউক্রেনের পূর্ব ডনবাস অঞ্চলের বাখমুত দখলের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

    গত এক বছর ধরে চলা ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধে না রাশিয়া জিতেছে, না ইউক্রেন হেরেছে। এই যুদ্ধের জেরে পশ্চিমা দেশগুলির কাছে কোণঠাসা হয়েছে রাশিয়া। অপরদিকে সহযোগিতা পেয়েছে ইউক্রেন। বাখমুতের একজন সাময়িক মুখপাত্র সেরহি চেরেভাতি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাশিয়া ওই স্থানে প্রায় ৪০ টি হামলা চালিয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে প্রায় ২৩টি। এই যুদ্ধ চলাকালীন নিহত হয়েছে প্রায় ২২১ জন শত্রু, আহত হয়েছেন প্রায় ৩১৪ জন। বাখমুতের সঙ্গে কোথাও গিয়ে যেন জড়িয়ে রয়েছে রাশিয়ার প্রেস্টিজ। এক্ষেত্রে মস্কো মনে করছে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একটি ছিদ্র হতে পারে বাখমুত। যদি একবার এই অঞ্চল দখল হয়ে যায় তাহলে যুদ্ধে তারা একধাপ এগিয়ে যাবে। গত এক বছরের যুদ্ধে উভয় দেশের হাজার হাজার সেনা প্রাণ হারিয়েছে, কিন্তু লড়াইয়ের সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইউক্রেনে। এখন দেশটি পাল্টা হামলা করতে শিখে গেছে। তারা এই যুদ্ধে সম্প্রতি ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রায় পাঁচ শতাধিক রুশ সেনা হত্যা করেছে।

    রাশিয়া গত কয়েক মাস ধরে বাখমুত দখলের চেষ্টা চালালেও, সেভাবে সফলতা লাভ করতে পারেনি। উপরন্তু ইউক্রেন এখন পাল্টা আক্রমণ করছে। যার কারণে এই যুদ্ধের শেষ কোথায় তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বাখমুতে যে সংঘর্ষ হচ্ছে, এক্ষেত্রে উভয় দেশেই ভারী ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করেছে, তবে মৃত এবং আহতদের সঠিক তথ্য সেভাবে স্পষ্ট করতে চাইছে না।

    বাখমুতকে নিয়ে এত টানাটানি কেন?

    ইউক্রেন কেন বাখমুত শহরকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণের রাখতে চাইছে তার পিছনে বিশেষ কারণ রয়েছে। শুধুমাত্র বাখমুত শহরকে কেন্দ্র করেই প্রতিদিন বহু সেনা হতাহত হচ্ছে। লড়াই এখন পৌঁছেছে চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই শহরে তিন দিক থেকে হামলা চালাচ্ছে রুশ বাহিনী। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, বাখমুত আঁকড়ে ধরার নেপথ্যে কাজ করছে রাজনৈতিক বিষয়। এখানে কার্যকর কোন কারণ নেই। সেই গত বছর থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী বারংবার চেয়েছে বাখমুত যেন তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। এত প্রাণহানির পর যদি শেষ পর্যন্ত এই শহর থেকে ইউক্রেনের সেনা পিছু হটে তাহলে রাজনৈতিক দিক থেকে দেশটি বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারে। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম, সিএনএন এর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছিলেন, বাখমুত শহর এমন একটি স্থান সেখান থেকে যদি ইউক্রেনীয় সেনারা পিছু হটে যায় তাহলে বেশ কয়েকটি শহর রুশ হামলার মুখে পড়তে পারে। অপরদিকে পশ্চিমা বিশ্লেষকরা মনে করছে, এত প্রাণহানির পর যদি ইউক্রেন পিছু হটে তাহলে মুখ লুকানোর জায়গা পাবে না। পিছু হটার সমস্ত দিক থাকলেও শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে ইউক্রেন এই জায়গাটিকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে। তারা রুশ বাহিনীকে এই জায়গায় আটকে তাদেরকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia-Ukraine War: যুদ্ধের ক্ষত মুছে দিয়েছে দোল, রঙিন হলেন রাশিয়ার রাধা আর ইউক্রেনের কেশব

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia-Ukraine War: কোথায় রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ (Russia-Ukraine War) আর কোথায় দোল খেলা! এই দুই পরিস্থিতির মাঝে বিস্তর দূরত্বের ফারাক। দোলের দিন মায়াপুরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষত ভুলে একে অপরকে আবিরে রাঙালেন রাশিয়ার রাধা আর ইউক্রেনের কেশব। যেখানে যুদ্ধের বিন্দুমাত্র ছায়া নেই, উপরন্তু আছে শান্তি আর সম্প্রীতির বার্তা।

    প্রায় এক বছর হয়ে গেছে, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ এখনো অব্যাহত। এই যুদ্ধে না রাশিয়া জিতেছে, না ইউক্রেন হেরেছে। এখনো পর্যন্ত দুটো দেশ কোন সমাধানমূলক সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। গোটা বিশ্বজুড়ে এই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক তরজা তুঙ্গে। এমনকি পশ্চিমা দেশগুলির মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে দল ভাগাভাগি। যুদ্ধের জেরে পশ্চিমা দেশের কাছে এক ঘরে হয়েছে রাশিয়া। ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নির্ভর করতে হয়েছে এশীয় দেশগুলির উপর। এই যুদ্ধের ক্ষত মনে রাখেনি দুই দেশের আমজনতার অনেকেই, যার প্রমাণ মায়াপুরের এক দৃশ্য।

    দোলযাত্রা উপলক্ষে রঙের খেলায় মেতেছে বঙ্গবাসী। সেখানে যুদ্ধের ক্ষত ভুলে রাশিয়ার রাধা আর ইউক্রেনের কেশব একে অপরকে আবিরের রঙে রাঙালেন। এই অপূর্ব দৃশ্য নদিয়ার মায়াপুরের। প্রতিবছর নদিয়ায় নবদ্বীপের মায়াপুরে ধুমধাম করে দোল উৎসব পালিত করা হয়। এখানে রয়েছেন রাশিয়ার বাসিন্দা রাধা আর ইউক্রেনের কেশব। তারা বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে এক বছর ধরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চললেও সেই যুদ্ধের ক্ষত দোল যাত্রায় বিন্দুমাত্র প্রভাব ফেলেনি। তারা একে অপরের সঙ্গে সংকীর্তনে মেতে উঠেছেন। আনন্দ সহকারে যোগ দিয়েছেন দোল উৎসবে। উপরন্তু রাধা এবং কেশবের মধ্যে দুই দেশের এই যুদ্ধে নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগ রয়েছে। তারা চান এই যুদ্ধ বন্ধ হোক।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Kukri: প্রয়োজন নেই গোলা বারুদের, হেরে যাওয়া যুদ্ধকে জেতাতে পারে খুকরি! কী এই ভয়ানক অস্ত্র?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    kukri: প্রয়োজন নেই গোলা বারুদের, জাস্ট একটা খুকরি (Kukri) হেরে যাওয়া যুদ্ধকে (War) জিতিয়ে দিতে পারে। এই দুর্ধর্ষ মারণাস্ত্রের ভয় পায় গোটা বিশ্ব (World)। এর জোরেই আজ এত শক্তিশালী গোর্খা। কথায় আছে, গোর্খারা মৃত্যুকে ভয় পায় না। কারণ গোর্খাদের হাতে রয়েছে খুকরি। এই ভয়ঙ্কর খুকরি হাতে নিয়ে সিংহের মত এক তরুণ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ৪০ জন ডাকাতের উপর। খুকরি দিয়ে চলেছিল একের পর এক মারণ কোপ, যার জন্য পিছু হটে ছিল দুর্ধর্ষ ডাকাতেরা। এই অস্ত্র সেই ব্রিটিশ আমলের আগে থেকেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে, আজও ভারতীয় গোর্খা সেনারা এই খুকরি ব্যবহার করেন।

    পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী দুর্ধর্ষ সেনে হিসেবে পরিচিত গোর্খারা। বর্তমানে পরমাণু বোমা কিংবা উন্নত মানের রাইফেল গোর্খাদের কাছে কিছু না। ওদের হাতেই শুধুমাত্র দিতে হবে একটা খুকরি। এটা কোন গোলাবারুদের অস্ত্র নয়। জাস্ট ছুরির মত দেখতে একটা সামান্য অস্ত্র। যার মারণ ক্ষমতা ভয়ানক। সেই ১৯৪৮ থেকে ১৯৯৯ ভারতের যতগুলো বিদ্রোহ, আন্দোলন, যুদ্ধ হয়েছে সব কিছুতেই এই খুকরি কোন না কোন ভাবে ভূমিকা রেখেছে। বলা হয় একজন গোর্খা সেনার পরিচয় খুকরি ছাড়া এক্কেবারে অসম্পূর্ণ। বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে এর জনপ্রিয়তা ঝড়ের গতিতে বাড়তে থাকে। একে অনেকে বলেন গোর্খা ব্লেড বা গোর্খা নাইফ। যত সময়ের জল গড়িয়েছে ততই খুকরি বিভিন্ন নাম পেয়েছে। ইংলিশে রয়েছে নানান বানান। পশ্চিমে দেশে একে বলা হয় কুকরি, ভারতে বলা হয় খুকরি, আর নেপালে বলা হয় খুকুরি। বিনা গোলাবারুতে সৈন্যদলকে কাত করে দেওয়া খুকরির কাছে সামান্য ব্যাপার।

    খুকরি বিভিন্ন আকৃতির হয়। এটি হাত দিয়ে বানানোর কারণে একটি খুকরি আরেকটি খুকরি থেকে আলাদা। খুকরির ব্লেডের তিনটি ভাগ রয়েছে। একদম মাথার অংশ দিয়ে অনায়াসে জানোয়ারের চামড়া ছাড়িয়ে ফেলা যায়। মূলত এই অংশ ব্যবহার করা হয় লড়াইয়ের সময় শত্রুকে আঘাত করার জন্য। এর মাঝের অংশ চপড করার জন্য। এর এক ঝটকায় দুশমনের মাথা দেহ থেকে আলাদা হয়ে যাবে। ব্লেডের সবথেকে নিচের অংশ স্লাইস করার কাজে ব্যবহার হয়। হ্যান্ডেল আর ব্লেডের একদম নিচে একটি খাঁচ কাটা অংশ রয়েছে। যেখানে হিন্দু ধর্মের ওম চিহ্ন কিংবা গরুর খুরের মত একটি চিহ্ন দেখতে পাবেন। যার কারণে নেপালে এই অস্ত্রের ধার্মিক মাহাত্ম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অংশটি ডিজাইন করা হয়েছে যাতে দুশমনের রক্তও সেনার হাতে আসতে না পারে। কারণ লড়াইয়ের সময় রক্ত সেনার হাতে লাগলে অস্ত্র স্লিপ খেয়ে হাত থেকে পড়ে যেতে পারে। পশ্চিমী দেশের মানুষের জন্য বানানো খুকরিতে এই অংশ থাকে না। খুকরির হাতল বা বাঁট বানানো হয় হাতির দাঁত, পশুর শিং, লোহা, চামড়া, হাড় প্রভৃতি দিয়ে। খুকরি যে খাপের মধ্যে রাখা হয় তা বিভিন্ন দামের এবং বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। সব থেকে দামি খাপ হয় ইয়াকের শিং দিয়ে।

    আজও ভারতীয় সেনাবাহিনী গোর্খা রেজিমেন্টের সৈন্যদের খুকরি নামক বাঁকানো ধারালো ছুরি দেওয়া হয়। এদের অসাধারণ বীরত্ব গোটা বিশ্বের কাছে বারংবার প্রশংসা কুড়িয়েছে। একবার এক তরুণীর সম্মান বাঁচাতে ৪০ জন ডাকাতের উপর এক গোর্খা জওয়ান ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তার হাতে অস্ত্র বলতে ছিল মাত্র একটা খুকরি। ঘন জঙ্গলে রাতের অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে ছুটে চলছিল একটি এক্সপ্রেস ট্রেন। সেখানেই জানালার ধারে সিটে বসেছিলেন বিষ্ণুর শ্রেষ্ঠা। তার সহযাত্রীরা অনেকেই ছিলেন ঘুমের ঘোরে। ৩৫ বছরের এই গোর্খা সৈনিক পাকাপাকি সংসার জীবনের গণ্ডিতে প্রবেশ করতে ট্রেনে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ জঙ্গল পেরোতেই ট্রেনটি থেমে যায়। মাঝপথে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে যাত্রীদের। ওই কামরায় হুড়মুড়িয়ে ওঠে একদল ডাকাত। তাদের কারোর হাতে তরোয়াল, কারো হাতে ভোজালি। তাদের সাথে পেরে উঠবে না বলে সবাই একে একে তাদের জিনিস দিয়ে দিতে থাকেন। গয়না, ল্যাপটপ, মানিব্যাগ আরো কত কি। তখনো কিন্তু বিষ্ণু টু শব্দ করেননি। বিষ্ণুর পাশের সিটে এক পরিবার ছিল। সেখানে ছিলেন একজন ১৮ বছরের তরুণী, তাদের দিকে ডাকাতদের কুদৃষ্টি পড়তেই চুপচাপ থাকতে পারেননি তিনি। একাই খুকরি নিয়ে ডাকাতদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। বিষ্ণুর হাতে ডাকাত দলের তিনজন প্রাণ হারায়, আর ঘায়েল হয় ৮ জন। সেদিন বিষ্ণু মারাত্মক চোট পেয়েছিলেন, তবে তার সাহসের কাছে পিছু হটে ছিল ডাকাত দল। তার খুকরির জোরে প্রাণ বেঁচে ছিল ট্রেন যাত্রীদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India-China Relationship: ভারত চীনের অন্নদাতা, যুদ্ধ বাঁধলে ভয়ঙ্কর কেলেঙ্কারি! দুই দেশ একে অপরকে সমঝে চলে কেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India-China Relationship: ভারত(India) চীনের(China) অন্নদাতা! যুদ্ধ বাঁধলে খাদ্য সংকটে পড়বে চীন! দুই দেশের মধ্যে এত কিছু ঘটে যাওয়ার পরেও এখনো যুদ্ধ বাঁধেনি, কারণটা কি? দুই দেশ যেন একে অপরকে একটু সমঝে চলে। রপ্তানি আর আমদানির দিক থেকে ভারত চীন একে অপরের উপর নির্ভরশীল। যুদ্ধ বাঁধলে ফ্যাসাদে পড়বে দুই দেশই। ভারত চীনে এমন এক জিনিস পাঠায় যার জন্য চীনের মুখে কুলুপ আঁটা। সীমান্তে বারংবার উত্তেজনার পারদ ছড়ালেও ভারত কখনোই যুদ্ধ(War) চায় না, তবে ভারতের পেছনে লাগলে চীনকে ছেড়ে কথা বলবে না।

    সীমান্তে যতই সংঘর্ষ হোক না কেন চীনের অন্নদাতা ভারত! সমীক্ষা জানলে আপনি একটু চমকে যাবেন। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারত নাকি চীনে বেশি পরিমাণে চাল রপ্তানি করে। গত দু বছরে এই দুই দেশের সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় বারংবার যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিক্ততার পরেও কিন্তু দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক এখনো অটুট। ড্রাগনের দেশের জন্য ভারত এখনো অন্নদাতার ভূমিকা পালন করছে। পরিসংখ্যান বলছে, করোনা মহামারী কালীন চীন শুধুমাত্র ভারত থেকে চাল আমদানি করেছেন প্রায় ১৬.৩৪ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে ভারত গোটা বিশ্বে মোট চাল রপ্তানি করেছিল ২১২.১০ লাখ মেট্রিক টন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র চীনে রপ্তানি করা হয়েছে ৭.৭ শতাংশ। চীনে যে পরিমাণ চাল রপ্তানি করা হয়েছে তার মধ্যে ১৫.৭৬ লাখ মেট্রিক টন শুধুমাত্র ভাঙাচাল।

    যাকে পাতি কথায় খুদ বলা হয়। চীন সবথেকে বেশি পরিমাণে এই ভাঙা চাল কেনে ভারত থেকে। মূলত চীন থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, মায়ানমারের থেকে চাল কিনত। চীনের চাহিদা অনুযায়ী অত পরিমাণে বাড়তি চাল এই দেশগুলির ভাঁড়ারে নেই। তার উপর চালের দরের কাছে চীন পেরে উঠছিল না। উপরন্তু টন প্রতি প্রায় ৩০ ডলার কমে ভারত থেকে চাল কেনার সুযোগ রয়েছে। তাই চীন আপাতত চালের জন্য ভরসা করে ভারতের উপর। গোটা বিশ্বজুড়ে যে চাল ব্যবসা হয় তার ৪০ শতাংশ হয় ভারতে, আর গোটা বিশ্বে যত পরিমাণ ভাঙা চাল রপ্তানি করা হয় তার মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ রপ্তানি করে ভারত একাই। চীন ছাড়াও প্রায় ১৫০ টিরও বেশি দেশে ভারত চাল রপ্তানি করে থাকে।

    চালের পাশাপাশি ভারত চীনে রপ্তানি করে খনিজ জ্বালানি, তেল, পরিশোধিত তামা, তামার মিশ্রণ, তুলোর সুতো যেখানে প্রায় ৮৫ শতাংশ তুলো থাকে, আনকারডেড এবং আনকম্বড তুলো, পেট্রোলিয়াম তেল , বিল্ডিং তৈরির পাথর যেমন গ্রানাইট, বেলে পাথর, ব্যাসল্ট পোরফিরি প্রভৃতি, লোহা আকরিক, রোস্টেড আয়রন পাইরাইট , উদ্ভিজ্জ চর্বি এবং তেল যেমন জোজোবা তেল, কৃত্রিম কোরান্ডাম, অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এবং হাইড্রোক্সাইড , সাইক্লোনিক এবং সাইক্লোটারপেনিকের সাথে সাইক্লিক অ্যালকোহল, উইগের জন্য টেক্সটাইল উপকরণ যেমন মানুষের চুল, উল এবং পশুর লোম, বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য, সামুদ্রিক খাবার প্রভৃতি।

    অপরদিকে ভারতের সঙ্গে চীনের রাজনৈতিকভাবে সেভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্যের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি কিন্তু চীনের। যেখানে ভারতের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে একসময় চীনের জায়গা ছিল। যদিও এখন যুক্তরাষ্ট্র চীনকে হটিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির জায়গা করে নিয়েছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের পরিমাণ হু হু করে বাড়ছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে চীনে ভারতের রপ্তানি বাড়লেও সেই প্রবৃদ্ধিকে অনেক গুন ছাপিয়ে যায় ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য। ভারতে চীনা পণ্যের বয়কটের শোরগোল পড়লেও সম্পূর্ণভাবে বয়কট করা অসম্ভব। কারণ সেক্ষেত্রে মাত্র ৩০ শতাংশ আমদানি পণ্যের বিকল্প রয়েছে। ভারত সরকার এখন আত্মনির্ভরের উপর বেশি জোর দিয়েছে। চীনের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরতা কাটাতে এখন দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে। যদিও ভারত ইতিমধ্যেই চীন থেকে আমদানি করা প্রায় ৩২৭টি পণ্যের বিকল্প খুঁজে বার করেছে। দ্যা কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স ২০২০ সালের চীন থেকে ভারতে আমদানি করা পণ্যের একটি তালিকা তৈরি করে, যেখানে প্রায় তিন হাজারটির মতো পণ্য ছিল।

    সেই তালিকায় রয়েছে রান্নাঘরের জিনিস, লাগেজ, হ্যান্ডব্যাগ, গার্মেন্টস, খেলনা, টেক্সটাইল, গিফট, কসমেটিক্স, ঘড়ি, রত্ন, গয়না, হেলথ প্রোডাক্ট, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র, মোটর গাড়ির যন্ত্রাংশ, ফার্নিশিং ফেব্রিক, শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র, পেনিসিলিন, সোলার প্যানেল, টেলিকম যন্ত্রাংশ, মোবাইল ,ক্যামেরা, প্রভৃতি। আবার এমন কিছু পণ্য রয়েছে যা একমাত্র চীন রপ্তানি করে থাকে। ভারতীয় মোবাইল বাজারের প্রায় ৫০ শতাংশ দখল করে রয়েছে ভিভো, ওপোর মতো কোম্পানি। যদি দুই দেশের যুদ্ধ বাঁধে তাহলে দুই দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে আমদানি রপ্তানির দিকে থেকে দুই দেশ একে অপরের উপর নির্ভরশীল। ভারত থেকে চীনে সম্পূর্ণভাবে ভাঙা চাল রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেলে চীনের কোষাগারে টান পড়তে পারে। কারণ চীনের চাহিদা মেটানো অন্যান্য দেশের পক্ষে যেমন সম্ভব নয় তেমন দামেও পেরে উঠবে না চীন। ভাঙা চাল দিয়ে চীনে পশু খাদ্য, ওয়াইন এবং নুডুলস বানানো হয়। চীনের সবথেকে জনপ্রিয় অন্যতম খাবার হল নুডুলস। যুদ্ধ বাঁধলে চীন যে খাদ্য সংকটে পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অপরদিকে ভারতে চীন থেকে আমদানি করা হয় চিকিৎসার বিভিন্ন উপকরণ, কাঁচামাল এবং ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রাংশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia Ukrain war: যুদ্ধে ডাবল চার্জ আপ করে দিলেন পুতিন! চিনের দূত রাশিয়ায় কেন?

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    Russia Ukrain war: জার্মানি বন্দর ব্যবহার করে ভ্লাদিমির পুতিনকে ঘোল খাওয়ানোর চেষ্টা মন্দ নয় পাকিস্তানের৷ প্রতিদিন নাকি ১০০০ কাছাকাছি রুশ সৈনিক মেরে ফেলছে ইউক্রেন৷ তথ্য এটাও বলছে রাশিয়া মাকড়সার মতো সেনা নামাচ্ছে ময়দানে৷ পরিস্থিতি এমন যে যত জানবেন তত অবাক হবেন আপনি৷ চিনের বড়সড় কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব হঠাৎ রাশিয়া সফরে কেন? এরই মাঝে খবর মিলছে রাশিয়া একটা শর্তের ইউক্রেনের সঙ্গে এক টেবিলে বসতে রাজী হয়ে গেছে৷ পুতিনের ব্যাক অফ দ্য মাইন্ডে কোন প্ল্যান রেডি? সমর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঝ ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ কিন্তু ভালো দিকে টার্ন নিচ্ছে না৷ পাকিস্তান হাতে নাতে ধরা পড়ে গেল ভ্লাদিমীর পুতিনের৷

    ইকোনমিকস টাইমসের রিপোর্ট বলছে, পোল্যান্ডের রুট ব্যবহার করে জার্মান বন্দর দিয়ে অস্ত্র সাপ্লাই করছে পাকিস্তান৷ সোজা পৌঁছে যাচ্ছে ইউক্রেনের মাটিতে৷ তবুও ইউক্রেনকে ভুয়ো খবর ছড়াতে হচ্ছে৷ ব্রিটেন এখানেই তো বড় রোল প্লে করা শুরু করে দিচ্ছে৷ ব্রিটেন – আমেরিকার বড় বড় সংবাদমাধ্যম দেখাচ্ছে, ইউক্রেন দাবি করছে দিনে ৮২৪ জন করে রুশ সেনার মৃত্যু হচ্ছে৷ ইউক্রেন প্রকাশিত তথ্য বলছে, অভিযান শুরুর প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু করে গত জানুয়ারি পর্যন্ত৷ দিনে যে সংখ্যক রুশ সেনা মারা গেছেন তার তুলনায় চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে অনেক বেশি সেনা মারা যাচ্ছেন৷

    যুদ্ধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি তেমনটাই হয় তাহলে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ শহর বাখমুত দখল করার এই খবরটা কি ভুয়ো? কিয়েভে হয়ে গেছে আমেরিকার তোতাপাখি৷ বাখমুত পুরোপুরি রাশিয়ান সেনার হাতের মুঠোয় আসতে পারে যে কোনও মূহুর্তে৷ আর এরই মধ্যে চিনের টপ ডিপ্লোম্যাট ওয়াং ইর হঠাত মস্কো সফর নিয়ে কূটনৈতিক মহলে গাঢ় হচ্ছে জল্পনা৷ যুদ্ধে ফোকাস করা রাশিয়ায় এখন চিনের কাজ ঠিক কী? রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে প্রস্তুত কিন্তু আগে থেকে কোনও শর্ত রাখলে চলবে না স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে ক্রেমলিন৷ কিন্তু তারা জানে মিটিং করার সিদ্ধান্ত এখন আর কিয়েভের হাতে নেই৷ শেষ কথাটা আমেরিকাই বলে৷

    রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ভারশিনিন বলছেন, শান্তি আলোচনার বিষয় কিয়েভ নয় অন্য রাজধানী থেকে নড়ছে কলকাঠি৷ মস্কোর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলস৷ বৈঠক যতই হোক, যুদ্ধে ইতি পড়বে না? যুদ্ধের ময়দানে দলে দলে বাহিনী নামাচ্ছে পুতিন৷ বাসা থেকে যেমন পিঁপড়ে বের হয় সেরকমই গিজগিজ করছে রুশ বাহিনী৷ রাশিয়া পশ্চিমাদের স্নায়ুর লড়াই কবে থামবে? যবে থামবে যেনে রাখুন ইউক্রেনের যুদ্ধও তবে থেমে যাবে৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia-Ukrain War: রুশ সেনা ঘাঁটির উপর হামলা ইউক্রেনের, মৃত বহু

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia-Ukrain War: ওয়াগনার সেনাদের উপর হামলা চালালো ইউক্রেনের সৈন্যরা। বিবিসি সংবাদমাধ্যম সূত্রে লুহান্সকের নির্বাসিত গভর্নর সেরহি হাইডাই জানিয়েছেন, লুহান্সকের কাদিভকায় যে হোটেলে ওই ভাড়াটে সৈন্যরা ছিলেন, সেখানে হামলায় বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হোটেলে ওয়াগনারের সৈন্যরা ছিল কিনা! সে বিষয়ে এখনও জানতে সক্ষম হয়নি সংবাদমাধ্যম। পশ্চিমা বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়াগনার হচ্ছে রাশিয়ার সমর্থনে তৈরি একটি ভাড়াটে সৈন্যদের দল। যাঁরা ক্রেমলিনের স্বার্থে কাজ করে বেড়ায়।

    এবার ইউক্রেনের পালটা হামলায় কুপোকাত রুশ সেনা। গোটা সপ্তাহজুড়ে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে লড়াইয়ের ঘটনা আরও বেড়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউক্রেনের মাটিতেই ঘাঁটি গেড়েছিল রুশের এই বিশেষ বাহিনী। একটি হোটেলে থেকে ইউক্রেনে হামলার কৌশল ঠিক করছিল তাঁরা। আর সেই খবর পাওয়া মাত্র রবিবার সেখানেই হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে স্পষ্টভাবে এখনও কিছু জানা যায়নি। এর আগে ওয়াগনার বাহিনীর সদস্যদের ক্রাইমিয়া, সিরিয়া, লিবিয়া সহ অন্যান্য জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছিল।

    যদিও ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী টিভি সাক্ষাৎকারে হাইডাই জানিয়েছেন, ওয়াগনার বাহিনী সদর দফতরের কাছে একটি হোটেল ছিলেন সকলে। কিন্তু সংখ্যাটা অজানা। তবে আমাদের অনুমান, অনেক সেনাকর্তাই মারা গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা একদমই নেই। এই মর্মে ইউক্রেনের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একাধিক ছবি ছড়িয়ে পড়েছে‌। যেখানে হামলার পরের অবস্থা নজরে এসেছে। একদিকে শীতকালের সুযোগ নিয়ে আক্রমণের মাত্রা বাড়াতে পারে পুতিনের বাহিনী, তা মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে এদিন লুহান্সক অঞ্চলে ইউক্রেনের হামলা আরও বেশি রাগিয়ে দিতে পারে রুশ সেনাদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ-মিয়ানমার! সমস্যা সমাধানে বড় স্টেপ কোরিয়ার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রসীমার সম্পদ কার ? এই নিয়ে বাংলাদেশ, ভারত আর মিয়ানমারের মধ্যে কম বিতর্ক ছিল না। ধিকি ধিকি বাড়তে থাকা বিতর্কের আগুন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিয়েছিল বাংলাদেশ আর মিয়ানমারকে। সমুদ্রে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশের যুদ্ধ জাহাজ। আজ থেকে ঠিক ১০-১২ বছর আগে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার দুটি দেশই ছিল পিছিয়ে পড়া দেশের তালিকায়। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে টানাপোড়েন ছিল স্বাভাবিক ব্যাপার। ২০০৮ সালের ৪ঠা নভেম্বর ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদনের শুরুটা ছিল ” বাংলাদেশ ও বার্মা বিশ্বের দরিদ্রতম দুটি দেশ বিতর্কিত গ্যাসক্ষেত্র নিয়ে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে” । শুধু ব্রিটিশ গণমাধ্যম নয়, সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বের তাবড় তাবড় গণমাধ্যমে এটি ছিল আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের একটি হট টপিক। তখন সমুদ্রসীমার চিত্র ছিল একেবারে আলাদা, মিয়ানমার কিংবা ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই তখন সমুদ্রসীমার সম্পদ নিয়ে তিন দেশের মধ্যেই কাড়াকাড়ি পড়ে যায়।

    আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সেই সময় বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারকে দরিদ্র দেশ হিসেবে দেখা হত। দুই দেশের মধ্যে সামুদ্রিক সম্পদের টানাপোড়েন লেগেই থাকত। এই দ্বন্দ্বের মূলে ছিল বিশেষজ্ঞদের ধারণা। বহু বছর ধরে বিশেষজ্ঞরা মহলে বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সম্পদ বিশেষ করে গ্যাস এবং তেলের ভাণ্ডার নিয়ে আলোচনা চলছিল। স্বাভাবিকভাবেই সমুদ্রসীমা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছিল ভারত এবং কোরিয়ার। কারণ দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে তেল কিংবা গ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

    সেই সময় বাংলাদেশেও সমুদ্রে গ্যাসক্ষেত্র ইজারা দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে নানান টানমাটাল চলছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি তখন বেশ জটিল। বিদেশি কোম্পানিকে সরকারের গ্যাস ক্ষেত্র তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩১ শে অক্টোবর তৈরি হয় মানববন্ধন। তখন কিন্তু গ্যাসক্ষেত্র গুলি নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না। কিন্তু সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়। মিয়ানমার সমুদ্র সীমার যে অংশে গ্যাস অনুসন্ধানের পরিকল্পনা করছিল সেই অংশটি প্রকৃতপক্ষে কোন দেশের, তার নির্দিষ্ট কোন সীমা ছিল না।

    সেই সময় মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল কোরিয়ান কোম্পানি দাইয়ু। গ্যাসের সন্ধানে এই কোম্পানি প্রায় চারটি জাহাজ নিয়ে সমুদ্র বক্ষে নেমে পড়ে। আশ্চর্যের বিষয় হল, তাদের পাহারা দিতে মিয়ানমার নিযুক্ত করেছিল নৌ বাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ। প্রশ্ন এখানেই। গ্যাস আহরণের ক্ষেত্রে কেন মিয়ানমারকে দুটি যুদ্ধ জাহাজ নিয়োগ করতে হয়েছিল? তাহলে কি মিয়ানমার আগেভাগেই আঁচ করেছিল তারা বিতর্কিত জায়গায় গ্যাস অনুসন্ধান চালাচ্ছে, আর এক্ষেত্রে বাংলাদেশ বাধা দিতে পারে! তাদের অনুমানও সত্যি হয়। ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসের ১ তারিখ দিন ছিল শনিবার। বাংলাদেশও মিয়ানমারকে ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নয়। বাংলাদেশের চারটি জাহাজ চলে যায় সেই গ্যাস অনুসন্ধানের জায়গায়। প্রথমে যায় বিএনএস নির্ভয় , বিএনএস আবুবকর এবং বিএনএস মধুমতি। তারপর এদের সঙ্গে যোগ দেয় বিএনএস কপোতাক্ষ নামক আরেকটি ফ্রিগেট জাহাজ। নৌ বাহিনী ১ তারিখের সকালের দিকে বাংলাদেশের সীমানায় ওই চারটি জাহাজ দেখতে পেলে তাদের ফিরে যেতে বলে। তার যার মধ্যে তিনটি জাহাজ বেলা বারোটার দিকে ফিরে গেলেও বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ আবার জাহাজগুলি ওই জায়গায় চলে আসে।

    ঘটনাটি ঘটেছিল সেন্ট মার্টিনস দ্বীপের প্রায় ৫০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে। বিরোধপূর্ণ এই এলাকা মিয়ানমার এবং বাংলাদেশ উভয়ে নিজেদের বলে দাবি করেছিল। সেদিন মুখোমুখি দুই দেশের জাহাজ থাকলেও যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি ঠিকই, কিন্তু সমস্যার সমাধানের পথ সহজ ছিল না। নৌবাহিনী দ্রুত বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানায়। তখন মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদে জানানো হয়েছিল। জানলে আশ্চর্য হবেন, সেই সময় দাঁড়িয়ে দুই দেশের সম্পর্ক একেবারেই খারাপ ছিল না। কারণ এই ঘটনার মাত্র এক মাস আগে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা প্রায় ৫৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন।

    তবে যুদ্ধ বাঁধতে গিয়েও যুদ্ধের মোড় ঘুরে গিয়েছিল বাংলাদেশে থাকা কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের কারণে। তৎকালীন সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবের পুরনো বন্ধু ছিলেন বাংলাদেশের কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত। অপরদিকে মিয়ানমারের যে কোম্পানির সঙ্গে গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ করছিল সেই কোম্পানি ছিল কোরিয়ার অর্থাৎ যদি গোলাগুলি হয় তাহলে মারা পড়বে কোরিয়ার মানুষ। তৎকালীন বাংলাদেশের কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখেন। কোরিয়ান কোম্পানি দাইয়ু অমীমাংসিত সমুদ্র এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধানের পরিকল্পনা বাতিল করে জাহাজ ফিরিয়ে নেয়। প্রায় ৯ দিন মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের জাহাজগুলি মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। সেই সময় সীমান্ত ছিল একদম থমথমে। ২০০৮ সালের সেই সমস্যা সমাধানে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। অবশেষে ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে এই বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটে।

    ইটলাসের রায়ে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের রায়ের ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হয়েছে। বিরোধ মেটার পর বাংলাদেশ উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত টেরিটোরিয়াল এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল সুনির্দিষ্ট করা হয়। হিসাব অনুযায়ী সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তির পর চট্টগ্রাম উপকূল থেকে প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল সমুদ্রের তলদেশের প্রাণিজ এবং অপ্রাণিজ সম্পদের অধিকার পেয়েছে বাংলাদেশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version