Tag: helth

  • Cholesterol: সাবধান! পুজোয় জমিয়ে খাওয়া দাওয়ায় বাড়তে পারে কোলেস্টেরল, মেনে চলুন এই টিপস

    Cholesterol: সাবধান! পুজোয় জমিয়ে খাওয়া দাওয়ায় বাড়তে পারে কোলেস্টেরল, মেনে চলুন এই টিপস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cholesterol: পুজো মানেই জমিয়ে ভরপেট খাওয়াদাওয়া। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরার পাশাপাশি ফুচকা থেকে শুরু করে রোল, চাউমিন, কাবাব, চিকেন সবই চলবে। আপনার কোলেস্টেরলের ধাত থাকলে সাবধান। সেক্ষেত্রে পুজোর এই কটা দিন খাবার নিয়ে এদিক-ওদিক করা চলবে না একেবারেই। নচেৎ হু হু করে বাড়তে পারে কোলেস্টেরল।রক্তে লিপিডের মাত্রা বাড়লে হার্ট অ্যাটাক থেকে শুরু করে স্ট্রোক সহ একাধিক জটিল অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়বে। তবে না খেয়ে থাকতে হবে একথা বলছি না। জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করুন। শুধু কিছু নিয়ম মেনে চলুন। তাতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল। এতেই অনায়াসে হেসে-খেলে পুজো কাটিয়ে দিতে পারবেন।

    সকলেরই জীবনের মূল উদ্দেশ্যে হল সুস্থ থাকা। তাই কয়েকটা কাজ ঠিকমতো করতে পারলেই প্রতিবছর এক মুখ হাসি নিয়ে পুজো কাটাতে পারবেন। সুস্থ থাকতে চাইলে আপনাকে যত দ্রুত সম্ভব ভাজা খাবারের প্রতি আসক্তি কমাতে হবে। বাইরের ফাস্টফুড যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। বাইরের বেশিরভাগ ফাস্টফুডে এমন কিছু রাসায়নিক উপস্থিত থাকে যা কোলেস্টেরল লেভেল বাড়াতে পারে। তাই সাবধান হন। বাইরের খাবার খাবেন না। তাই বলে মুখ গোমড়া করে বসে থাকলে চলবে না।বরং পুজোর কটা দিন জম্পেশ করে বাড়িতেই মাছ, মাংস রান্না করুন। তারপর জমিয়ে খান। এতেই কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে। রসনাতৃপ্তিও হবে। তবে বাড়ির রান্নাতেও খুব বেশি তেল ব্যবহার করবেন না। বরং কম তেলে দিয়ে সুস্বাদু পদ রাঁধার চেষ্টা করুন। এই কাজটা করলেই কিন্তু উপকার পাবেন হাতেনাতে।

    পুজোর দিনেও নিয়ম করে ফল খেতে হবে। তাহলেই কোলেস্টেরলকে নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আটকে রাখতে পারবেন।আসলে আমাদের পরিচিত সব ফলে রয়েছে অত্যন্ত উপকারী কিছু ফাইবার। তা কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয়। তাই সুস্থ থাকতে রোজ ফল খান। তবে পেট ভরে খাবার খাওয়ার পরপরই ফল খাবেন না। এতে তেমন উপকার মিলবে না। বরং বড় মিলের অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা বাদে ফল খান। তাহলেই সুস্থ থাকার পথ প্রশস্ত হবে।মনে রাখবেন,ধূমপান ও মদ্যপান সরাসরি হার্টের ক্ষতি করতে পারে। এমনকি কোলেস্টেরল বাড়ানোর কাজেও এদের জুড়ি মেলা ভার। তাই সুস্থ থাকতে আপনাকে ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস ছাড়তে হবে। পুজোয় বন্ধুদের সঙ্গে পার্টি করার অভিলাশাও রাখবেন না।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নিয়মটা মেনে চললেই আপনি অনায়াসে হেসেখেলে পুজো কাটিয়ে ফেলতে পারবেন।আপনার কোলেস্টেরলও থাকবে স্বাভাবিকের গণ্ডির মধ্যেই। পুজোর দিনগুলিতে সারাদিনের মধ্যে মাত্র ৩০ মিনিট বের করে ব্যায়াম করতেই হবে। তবে ব্যায়াম করার ইচ্ছে না থাকলে শুধু হাঁটতে পারেন। তাহলেও কিন্তু লিপিডের পাশাপাশি প্রেশার, সুগার- সবই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। তাই এই নিয়মটা মেনে চলতেই হবে। এতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weight Loss: পুজোয় খান মন ভোরে। তারপর এই টোটকায় আবার ঝরিয়ে ফেলুন ওজন!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weight Loss: পুজোয় মন ভরে খাওয়া দাওয়ার পর ওজন বেড়ে গেলে কি করবেন, সেই নিয়ে চিন্তা করছেন? আর চিন্তা করতে হবে না। পুজোয় খাওয়া দাওয়া করুণ মন ভোরে। তারপর কয়েকটা টোটকায় আবার ঝরিয়ে ফেলুন ওজন! মাত্র কয়েক দিনেই একদম মেদ ঝরে যাবে। এখনই জেনে রাখুন কি কি করবেন। প্রথমেই যা করতে হবে, তা হল সময় মেনে খাবার সঠিক ভাবে খেতে হবে। কয়েকদিন ঘুম থেকে উঠে উষ্ণ গরম জলে পাতি লেবুর রস, এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। এছাড়াও প্রতিদিন রাতে পুদিনা পাতা, একটা আমলকি গোটা সেদ্ধ, এবং পতিলেবুর রস ২ লিটার জলে মিশিয়ে রাখুন। পরদিন সকাল থেকে জল তেষ্টা পেলেই এই জলটা খান। সেই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে নরমাল জলও খান। অনেক উপকার মিলবে

    এর পর আসা যাক ডায়েটে। সকাল ৮ টায় ব্রেকফাস্ট করতেই হবে। এক গ্লাস দুধ, পাঁচটা আমন্ড, একটা রুটি সঙ্গে সবজি। এবং একটা ডিম খান। তবে ডিমের শুধু সাদা অংশ তা খাবেন।ব্রেকফাস্ট সব সময় একটু ভারি করা ভাল। দুপুর ১২টা নাগাদ আপনার পছন্দের যেকোন একটা ফল খান। এর পর লাঞ্চ করুন । ঠিক ২ টোয় লাঞ্চ করবেন । এক কাপ ডাল, একটা রুটি। ১০০ গ্রাম মাছ বা চিকেন অলটারনেট করে খান। এবং হাফ কাপ দই! ভাত কিন্তু দুপুরে একদমই নয়। কয়েকদিনের জন্য দুপুরে ভাত টা বাদই রাখুন।

    এর পর ঠিক ৪টে বাজতেই খেয়ে নিন আরও একটা ফল। জুসও খেতে পারেন ফলের। দইয়ের ঘোল খেতে পারেন। দই ও লেবু মেদ কাটাতে কিন্তু দারুণ কাজ করে । এর পর ৬টা নাগাদ চিনি ছাড়া লিকার চা খান। তাতে একটু আদা ও দাঁড় চিনি মিশিয়ে নিন। গ্রিন টি খেতে পারেন, এই পদ্ধতিতে। সন্ধ্যে বেলা আর কিছু একেবারে নয়। ঘড়ি ধরে ৯টায় ডিনার করতেই হবে। ডিনারে খান ফের একটা রুটি, হাফ কাপ ভাত, এক কাপ সবজি সেদ্ধ। ডিনার হয়ে গেলে আধ ঘণ্টা পর একটু হাঁটুন। বাড়ির ছাদ বা বাগানে মিনিট কুড়ি হাঁটুন। রাতে কিন্তু আর কিছু খাবেন না। জল খেতে পারেন।

    একদিন চেষ্টা করবেন একটু ঝাল খাবার খাওয়ার। তবে, তেলে- ঝোল দিয়ে স্পাইসি খাবার একেবারেই নয়! রান্নায় ঝাল-এর স্বাদ আনবেন দারচিনি, আদা, গোলমরিচ এবং কাঁচালঙ্কা দিয়ে। এই সমস্ত মশলা স্বাস্থ্যকর। এগুলো শরীরের ইনসুলিন সরবরাহ বাড়িয়ে তোলে। রক্তের সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে চর্বি কমে যায় খুব সহজে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এই ধরনের খাবার উপকারি।

    এই ডায়েট চলাকালীন, চিনি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকুন। এছাড়া মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন চকোলেট, আইসক্রিম ও সবরকমের মিষ্টিকেও কয়েকদিনের জন্য বিদায় দিন। মনে রাখতে হবে খাবার কিন্তু ভাল করে চিবিয়ে খেতে হবে।এই নিয়ম মেনে খাওয়া-দাওয়া করলে আপনার শরীরের মেদ মাত্র কয়েকদিনেই ঝরে যাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • সতর্ক হন! সুগার নিয়ন্ত্রণে না রাখার মাসুলে কিন্তু প্রাণহানি হতে পারে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    এখনই সতর্ক হয়ে যান! সুগার নিয়ন্ত্রণে না রাখার মাসুলে কিন্তু প্রাণহানি হতে পারে। দেশ জুড়ে সমীক্ষার মাধ্যমে করা হয়েছে বিশেষ একটি গবেষণা। তার ফল যা এসেছে তা কিন্তু একেবারেই আশানুরূপ নয়। ছোট বড় এখন প্রায় সকলেরই সুগার একটা কমন রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবার আগে প্রয়োজন এই রোগের প্রধান কারণ গুলি জানা এবং সচেতন হওয়া। আজ যে তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরবো তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এদেশে যারা ডায়াবেটিসের শিকার তাদের মধ্যে ৬০% শতাংশ রোগী অনিয়ন্ত্রিত সুগারের সমস্যায় ভোগেন। অনিয়ন্ত্রিত সুগারের রোগীদের মধ্যে ৪০% হার্ট অ্যাটাক এবং ৮২% নিউরোপ্যাথির শিকার। ডায়াবেটিস নিয়ে একটি বহুজাতিক ওষুধ সংস্থা যার নাম ‘স্যানফি ইন্ডিয়া’, গোটা দেশ জুড়ে একটি সমীক্ষার মাধ্যমে গবেষণা চালিয়েছে। সেখানে উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। সম্প্রতি গবেষণা পত্র আকারে আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে এটি পেশ হয়। পরবর্তীতে ‘এন্ডোক্রিনোলজি, ডায়াবেটিস অ্যান্ড মেটাবলিজম’ নামের জার্নালে তা প্রকাশিত হয়েছে। তিন বছর ধরে দেশের ৪৫০টি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চলা স্টাডিতে প্রকাশিত হয়েছে , কলকাতা-সহ পূর্ব ভারতের ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে ৮০% উচ্চ রক্তচাপ এবং ৫০% কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন।

    এই প্রকল্পের মুখ্য গবেষক ছিলেন, পুদুচেরির মহাত্মা গান্ধী মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক অশোক কে দাস। তিনি জানাচ্ছেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মোট ৫,২৭৩ জন টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগীর মধ্যে তিন বছর ধরে ফলো-আপ হেলথ চেক-আপ চালানো হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, কিডনি ও হার্টে প্রভাব পড়েছে ৩.৩% রোগীর এবং নার্ভ ও রেটিনায় প্রভাব ১৮% রোগীর। এঁদের মধ্যে ৭০-৭৮% রোগীরই সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। সমীক্ষার গোড়ার দিকে যেখানে ২৫% রোগী ইনসুলিন নিতেন, তিন বছর পরে সমীক্ষার শেষে দেখা যায়, পরিস্থিতির অবনতিতে ৩৭% রোগী ইনসুলিন নিচ্ছেন।

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তিন বা তার বেশি ওষুধ খেলে বাড়তি লাভ হয় না। সুগার কমাতে গেলে ইনসুলিনই সেরা অস্ত্র। আর শুধু ওষুধে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না। খাদ্যাভ্যাস ও জীবনশৈলীর পরিবর্তনও জরুরি। দেশের কমপক্ষে ১০ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে ভোগেন। এর মূল কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন, অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড আর অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া। নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এই রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। প্রয়োজন শুধু সচেতনতা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Nutrition: রোজ রাতে মাত্র দুটো করে খেজুর খান, এর গুনাগুন জানলে চমকে যাবেন!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Nutrition: এই রেষারেষির যুগে নিজেকে সুস্থ এবং সচল রাখতে খেজুর খাওয়া কতটা উপকারী জানেন! রোজ রাতে মাত্র দুটো করে খেজুর খান। এর গুনাগুন জানলে চমকে যাবেন! খেজুর যেমন একাধিক রোগ দূর করবে, তেমনি শরীর রাখবে সুস্থ সবল সেই সাথে ত্বকের জেলা বাড়াতেও বিশেষভাবে কাজ করবে। ঝটপট দেখে নিন খেজুর আপনার শরীরে ঠিক কোন কোন ম্যাজিক ঘটাতে পারে!গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত খেজুর প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং অদম্য মনোবল তৈরি করে। খনিজ, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম জাতীয় অনেক উপকারী উপাদানগুলির কারণে এই ফলের আশ্চর্য নিরাময় শক্তি রয়েছে। ড্রাই ফ্রুটস হিসেবে খেজুরের পুষ্টিগুণ পুরুষ মহিলা উভইয়ের জন্যই উপকারী। আয়রনে ভরপুর খেজুর, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ একাধিক সমস্যা দূর করতেও কার্যকর।

    খেজুরে রয়েছে ২৭৭ গ্রাম ক্যালোরি, ১.৮১ গ্রাম প্রোটিন, মোট চর্বি ০.১৫ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট রয়েছে ৭৫ মিলিগ্রাম, ফাইবার ৬.৭ গ্রাম, ৩% ভিটামিন এ রয়েছে। এছাড়াও ভিটামিন বি রয়েছে ৬০.২৫ মিলিগ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ ০.৩ মিলিগ্রাম, তামা ০.৩৬ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৫৪ মিলিগ্রাম এবং পটাসিয়াম ৬৯৬ মিলিগ্রাম। এই সব কিছু আপনার শরীরে নানান কাজ করবে। ক্যানসার, ডায়াবেটিস, আলঝাইমার এবং হৃদরোগ সংক্রান্ত রোগ থেকে আপনাকে দূরে রাখবে।

    খেজুর আপনার ত্বককে টানটান, আদ্র এবং উজ্জ্বল করবে। খেজুরে উপস্থিত অ্যান্টি-এজিং বৈশিষ্ট্যগুলি শরীরে মেলানিন সংগ্রহ করতে দেয় না। দীর্ঘ সময়ের জন্য ত্বকে তারুণ্য ভাব বজায় থাকে।

    খেজুরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় সহায়তা করে। এই ফলটি ইনসুলিন সিক্রেটে অগ্ন্যাশয়ের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবারের উপস্থিতি একজন ব্যক্তির রক্তে শর্করার মাত্রা স্থির রাখে।

    খেজুর খেলে ডায়াবেটিস, স্থূলত্ব এবং হৃদরোগ নিরাময় হয়। একই সাথে এটি পেটের ক্যানসার এবং আলসারের মতো অবস্থার ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করে।

    খেজুরে থাকা পটাশিয়াম ও সোডিয়াম দেহে উচ্চ রক্তচাপ কমায় ও বাজে কোলেস্টেরল দূর করে ও শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়।

    তাই চেষ্টা করুন রোজ রাতে ঘুমানোর আগে অন্তত দুটি করে খেজুর খাওয়ার। এই অভ্যেস আপনার শরীরের একাধিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। সুস্থ সবল জীবন উপহার দিতে পারবে দুটি খেজুরেই।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Juices For Weight Loss: জুস খেলেই কমবে ভুড়ি! পুজোর আগে ৫ রসে কামাল হবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Juices For Weight Loss: পুজোর আগে শুধু জুস খেয়ে কমিয়ে ফেলুন ভুড়ি। সত্যিই কী এমনটা সম্ভব নাকি? কোন কোন জুস আপনার শরীরের দরকার জানা আছে? ৫ ফলের রসে হবে শরীরের অতিরিক্ত মেদ উধাও। সবচেয়ে তাড়াতাড়ি মেদ জমে কিন্তু পেটেই। আবার সবচেয়ে দেরিতে ঝরে পেটের মেদই। সারাদিন জিম করে ঘাম ঝড়াচ্ছেন তাও কমছে না ভুড়ি। পুজোর আগে তো বেশ চাপ তাহলে! কটা দিন ব্রেকফাস্টে লুচি, রুটির জায়গায় এই ৫টা জুস খেয়ে দেখুন তো, দেখবেন তরতর করে কেমন স্লিম হচ্ছেন আপনি। আজ কোনও ফলের জুস বলব না আপনাকে খেতে হবে ৫ সবজির জুস।

    গাজরের জুস:

    গাজরের রস পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর যা প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে। এটি একটি কম ক্যালোরি এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত সবজি যা হজমে সাহায্য করার পাশাপাশি ওজন কমাতে সাহায্য করে। NCBI-তে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে ৬ সপ্তাহের জন্য মাত্র ৫০ এমএল কাঁচা গাজরের রস খাওয়ার খেলে ওজন কমে যাবে সহজেই।

    এসব জুস কিন্তু দামী নয় আর খেতেও সুস্বাদু। মেদ ঝরানোর পাশপাশি আপনাকে সুস্থও রাখবে এগুলো।

    বাঁধাকপির জুস:

    রোজ সকালে বাঁধাকপির রস খেলে পেট ফোলা বদহজম-সহ অনেক পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জুস আপনার পাচনতন্ত্র পরিষ্কার করার পাশাপাশি এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে। প্রকৃতপক্ষে, এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরিয়ে রাখে।

    বিটের জুস:

    ওজন কমাতে বিটের রস উপকারী। বিটকে পুষ্টির পাওয়ার হাউস হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই সবজিতে ক্যালোরি কম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ফাইবার সমৃদ্ধ, যা ওজন কমানোর যাত্রাকে সহজ করে তুলতে পারে। MHA-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে খাবারের পর ১ গ্লাস বিটের রস খেলে বাড়তে থাকা মেদ নিয়ন্ত্রণ হবে সহজেই।

    লাউয়ের জুস:

    লাউয়ের রসে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার থাকে। এই সবজিটি যেমন খাবার হজম করে তেমনই শরীরে শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। প্রতিদিনের ডায়েটে এটি অন্তর্ভুক্ত করা আপনার ওজন কমানোর যাত্রাকে সহজ করে তুলতে পারে।

    অবশ্যই এই রিপোর্ট শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য এটি কোনওভাবেই কোনও ওষুধ বা চিকিৎসার বিকল্প হতে পারে না। বিস্তারিত জানার জন্য সর্বদা আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হাত পায়ে ঝি ঝি লাগছে, কঠিন রোগের ইঙ্গিত! অবহেলা করলে ভুল করবেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কাজ করতে করতে হঠাৎ হাত-পায়ে ঝি ঝি লেগে যাচ্ছে। কি বিরক্তির ব্যাপার বলুন তো? আপনিও কি এই সমস্যায় ভোগেন, অথচ বিষয়টা একেবারেই পাত্তা দেন না? অবহেলা করে বড় ভুল করছেন। ঝিঝি ধারা কিন্তু এক্কেবারেই সাধারণ ব্যাপার নয়। জানান দেয় মারাত্মক রোগের কথা। ঝি ঝি কেন ধরে? কেনই বা সচেতন হবেন? অবশ্যই জেনে রাখুন আর সচেতন হন।

    হাত পায়ে ঝি ঝি লাগলে ব্যাপারটা তুচ্ছ ভাবে নেবেন না। ঘন ঘন হতে থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এটাই হতে পারে কোন কঠিন রোগের ইঙ্গিত, যা হয়ত আপনি বুঝতে পারছেন না। ঝিঝি লাগাটা অস্বাভাবিক নয়। বসে থাকতে থাকতে হঠাৎ হাত পা অবশ হয়ে যাওয়া কিংবা শরীরের কোন অঙ্গ নাড়াতে পারা, সাময়িকভাবে এই ঘটনাকে বলে ঝি ঝি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘনঘন এমনটা হলে থাইরয়েড, ডায়াবেটিস কিংবা স্ট্রোকের সম্ভাবনা থাকে।

    স্নায়ুতে যদি কোন কারণে চাপ পড়ে, তখন শরীরের সেই অংশে এই অনুভূতি সেভাবে কাজ করে না। ঝিঝির সমস্যা হতে পারে শরীরের যে কোন অংশে। দীর্ঘক্ষণে এক ভঙ্গিতে বসে থাকলে এমনটা হতেই পারে। আসলে আমাদের হাত-পা সহ শরীরের বিভিন্ন অংশের পেশি গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে স্নায়ু। স্নায়ুর উপর যখন একটু চাপ পড়ে তখনই ঝিঝি ধরে।

    কেন হয় এমনটা?

    কেমো থেরাপির মতো চিকিৎসার ক্ষেত্রে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে চেতনা নাশক কোন ওষুধ ব্যবহারের করলে, সিসা বা রেডিয়েশনের মতো বস্তুর সংস্পর্শে এলে, পুষ্টিকর খাবারের ঘাটতিতে কিংবা কোনো কারণে যদি স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে ঝি ঝি ধরতে পারে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ রোগী কিংবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন। কখনো বা শরীরে কোন অংশে রক্ত প্রবাহ হঠাৎ কমে গেলে মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়। স্নায়ুতে চাপ পড়ার পর শরীরের ওই অংশ থেকে যে তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছানোর কথা তা পৌঁছাতে পারেনা। বাধা প্রাপ্ত হয়। পাশাপাশি স্নায়ুগুলো হৃদপিণ্ড থেকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পায় না।

    কখনো কখনো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলেও এমনটা হতে পারে। যদি দেখেন একটু নড়েচড়ে বসেও বা ওই জায়গাটা ম্যাসেজ করেও কমছে না, তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়াও যারা থাইরয়েড কিংবা ডায়াবেটিসের সমস্যায় ভুগছেন তাদের এমনটা হয়। অতিরিক্ত মদ্যপান করলেও স্নায়ু ঠিকঠাক কাজ করে না। হাত-পা অসার হয়ে যায়। একই সমস্যা দেখা দিতে পারে গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে। ভিটামিন বি এর বড়সড় ঘাটতিতেও হাতে পায়ে ঝি ঝি ধরে। কিছু কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও এমনটা হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সেই ওষুধ বদলে ফেলুন।

    সোজা সাপ্টা কথায় বিষয়টা নিয়ে একটু সাবধানে থাকুন। দিনের পর দিন এমনটা হলে, ভাববেন মস্তিষ্কের সঠিকভাবে রক্ত সরবরাহ হচ্ছে না। তাতে কিন্তু স্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে। যার অন্যতম লক্ষণ হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া। এই সমস্যা হতে পারে মেরুদন্ড কিংবা মস্তিষ্কে কোনো সমস্যা থাকলে। মাঝেমধ্যে সুগার লেভেল চেক করিয়ে নিন। অযথা আতঙ্কিত নয়, সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mustard Oil: রোজ খাচ্ছেন সরষের তেল, শরীরে ঢুকছে মারাত্মক বিষ! কীভাবে বুঝবেন কোনটা ভেজাল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mustard Oil: রোজ খাচ্ছেন সরষের তেল। শরীরে ঢুকছে মারাত্মক বিষ। ভেজাল তেল অকেজো করে দিচ্ছে আপনার হার্ট, কিডনি, মস্তিষ্ক। তেল যে ভেজাল বুঝবেন কীভাবে? ল্যাবে গিয়ে নয়, বাড়িতেই করুন পরীক্ষা। আপনার জন্য রইল কিছু সোজা সাপ্টা টিপস। তেল কেনার সময় ঠকবেন না। কেনার আগেই দেখে নিন তেলটা ভেজাল নাকি খাঁটি।

    বর্তমানে রান্নার ক্ষেত্রে সয়াবিন তেল কিংবা অলিভ অয়েলের চল থাকলেও, ফার্স্ট চয়েস সরষের তেল। স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারি। ক্যানসার প্রতিরোধ করতে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কিংবা ঠান্ডা লাগা থেকে বাঁচাতে সরষের তেল কাজ করে ম্যাজিকের মত। কিন্তু খাঁটি সরষের তেল যতটা না ভালো, তার দ্বিগুণ বিপদ ডেকে আনে ভেজাল তেল। তাই ভেজাল তেল থেকে সাবধান। আপনার সামান্য ভুলেই শরীরে ছড়িয়ে পড়বে মারণ রোগ। যতদিনে বুঝবেন ততদিনে অনেকটা দেরি হয়ে যাবে। তাই বাড়িতে ঠিক কোন মানের সরষের তেল খাচ্ছেন, কতটা খাচ্ছেন সেই বিষয়ে সতর্ক থাকুন। প্রতিদিন ভেজাল তেল খেলে পেট খারাপ, বমি, পেট ফোলা, সারা শরীরে ফুসকুড়ি সহ দৃষ্টি শক্তি কমতে পারে। পাশাপাশি দেখা দেবে হার্টের রোগ, রক্তাল্পতার ঝুঁকি, শ্বাস যন্ত্রের রোগ সহ হাজারো সমস্যা।

    বাজার ভরে গেছে ভেজালে, তাহলে আসল সরষে তেল চিনবেন কীভাবে? কাজটা কঠিন নয়। অনেক অসাধু বিক্রেতাই রয়েছেন যারা ক্ষতিকারক জিনিস মিশিয়ে ভেজাল তেল তৈরি করে। ভেজাল তেলের ক্ষতিকারক পদার্থ সুস্থ শরীরের কাছে বিষের সমান। টেস্ট টিউব দিয়ে আসল-ভেজাল পরীক্ষা করা যায়। কিন্তু অত ঝামেলায় যাবেন কেন? খাঁটি সরষের তেলের আলাদা গন্ধ রয়েছে। যদি দেখেন তেলে তীব্র গন্ধ রয়েছে যা আপনার চোখে জল এনে দিচ্ছে, তাহলে তেলটা আসল। ঝাঁঝালো গন্ধ না থাকলে, বুঝতে হবে সেটা ভেজাল তেল। খাঁটি সরষের তেলের রং কিন্তু খুব গাঢ় এবং ঘন হয়। রং হালকা হলুদ হলে তাতে ভেজাল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কিছুটা তেল একটা ছোট বাটিতে করে দু তিন ঘন্টা ফ্রিজে রেখে দিন। যদি দেখেন তেলের উপর সাদা রঙের কোনো আস্তরণ দেখা দিয়েছে, তাহলে তেলটা ভেজাল। তেল কেনার সময় কয়েক ফোঁটা তেল হাতের তালুতে নিয়ে ভালোভাবে ঘষতে থাকুন। যদি অন্য কোন রকম গন্ধ পান কিংবা হাতের রং বদলে যায় তাহলে বুঝবে তেলটা ১০০% খাঁটি নয়।

    আর একটা কথা ইম্পর্ট্যান্ট। খাঁটি সরষের তেল হলেই অতিরিক্ত পরিমাণে রোজ তেল খেতে পারবেন এমনটাও নয় কিন্তু। সরষের তেল রয়েছে ইউরিক অ্যাসিড। অতিরিক্ত পরিমাণে সরষের তেল খেলে শরীরে উচ্চস্তরে ইউরিক অ্যাসিড জমবে, যা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তাই তো বহু দেশে সরষের তেল ভোজ্য ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ। আমেরিকা ইউরোপ কানাডার বহু মানুষ সরষের তেলের পরিবর্তে রান্নায় ব্যবহার করেন অন্যান্য তেল। তাহলে কি সরষের তেল খাবেন না? ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। খেয়াল রাখবেন তেল যেন খাঁটি হয়। আর পরিমিত পরিমাণে তেল খেলে শরীর ভালো থাকবে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা বাঁচাবে এই ফল, ওষুধ খেতেই হবে না! শরীর থাকবে একদম ফিট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ঘরে ঘরে এখন ফ্যাটি লিভারে সমস্যা। জলের মতো খরচ হচ্ছে টাকা। আপনিও কি ফ্যাটি লিভার নিয়ে চিন্তিত? ওষুধ নয়, ঝঞ্ঝাট ছাড়াই ফ্যাটি লিভার কমাবে এই টক ফল। একেবারে ধন্বন্তরি ওষুধ। কাজ করবে ম্যাজিকের মতো। ফলটা কিন্তু আপনার খুব চেনা। বলছি তেঁতুলের কথা।

    লিভার মানব শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটা অঙ্গ। এটি কাজ করা বন্ধ করে দিলে কী হবে বুঝতেই তো পারছেন। ফলাফলটা কিন্তু মারাত্মক। সারাদিনের কাজের ভারসাম্য থেকে শুরু করে শরীর সতেজ রাখতে লিভারকে চাঙ্গা রাখা খুব দরকার। অনেকেই লিভারের চর্বি তাড়াতে মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়ে ফেলেন, কিন্তু হিতে বিপরীত হচ্ছে না তো? শুধু ওষুধ নয়, এর সমাধান পেতে পারেন প্রাকৃতিক উপাদানে। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। ফ্যাটি লিভার কমাবে তেঁতুল।

    আসলে তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার, যেমন মিউকাস পেকটিন টায়ারস। যা ভীষণ উপকারী। তেঁতুলের উপকার জানলে আশ্চর্য হবেন। এই টক ফল হার্ট সুস্থ রাখে। দূরে রাখে কোলন ক্যানসার। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আপনার ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াবে। শরীর থেকে বের করে দেবে ক্ষতিকারক টক্সিন। লিভারে জমে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড গলাতে সাহায্য করে। হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখে। ধ্বংস করে দেয় খারাপ কোলেস্টেরল। দূর করে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। তেঁতুল কিভাবে খাবেন? শরবত করে খেতে পারেন কিংবা ক্বাথ বানিয়ে অল্প অল্প করে সারাদিন খেতে পারেন। স্বাদ ভালো না লাগলে সামান্য মধু মিশিয়ে নিন।

    অনিয়ন্ত্রিত লাইফ স্টাইলের কারণে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের প্রবণতা অনেকটা বেড়েছে। অ্যালকোহল পান করলেই যে ফ্যাটি লিভার হবে, এমনটাও নয়। পেটের মেদ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লিভারের চারপাশে জমা হয় চর্বি, যা লিভারের কার্যক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। দুর্বল করে দেয় লিভারকে। শুধু তাই নয়, মুঠো মুঠো ওষুধের সাইড এফেক্টেও ফ্যাটি লিভারের সমস্যা হতে পারে। কিভাবে বুঝবেন ফ্যাটি লিভার হয়েছে?

    যদি দেখেন পেটের উপরে কিংবা মাঝের দিকে যন্ত্রণা হচ্ছে, ক্লান্তি, খিদে কমে আসছে, বমি বমি ভাব তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ফ্যাট লিভারের কিন্তু কোন বয়স মানে না। আজকাল অল্প বয়সী মানুষরাও এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে লিভার ভালো রাখতে শুধু তেঁতুল নয়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব দরকার। ধূমপান মদ্যপানের অভ্যাস বন্ধ করতে হবে, প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। শরীর সুস্থ থাকলে মনও সুস্থ থাকবে। প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। আরও বিশদে জানতে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Arthritis Pain: বাতে অসহ্য যন্ত্রণা, চুটকিতেই মিলবে মুক্তি! কী করবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Arthritis Pain: হাতে পায়ে অসহ্য যন্ত্রণা। উঠতে বসতে ব্যথা। চলাফেরায় ভীষণ কষ্ট। বাতের ব্যথা নয় তো? যার হয় সেই বোঝে এই কষ্ট ঠিক কতটা অসহ্যকর। এই ব্যথা অবহেলা করলে সারা জীবন ভুগবেন। বাতের চিকিৎসা কি? কিভাবে এই যন্ত্রণা থেকে একেবারে ছুটকারা পাবেন? আপানার ভুলেই আপনি কষ্ট পাবেন।

    বাতের ব্যথা বলতে বোঝায় অস্থিসন্ধি বা হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা। বাত একটা নির্দিষ্ট রোগ নয়। একাধিক জয়েন্টে অ্যাটাক করতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বিশ্বের ৫ জনের মধ্যে ১জন আর্থ্রাইটিস বা বাতে আক্রান্ত। ভারতে ৬০ বছরের উপরে ১৮ শতাংশ মহিলা এবং ৯.৬ শতাংশ পুরুষ এই রোগের ভুক্তভোগী।

    কী করে বুঝবেন আপনার বাত হয়েছে?

    যদি দেখেন হাত পা কিংবা কোমরের হাড়ের জয়েন্টে প্রচন্ড ব্যথা করছে, ফুলে গেছে, বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারছেন না , হাতের আঙুল কনুই তালু গোড়ালি কিংবা পায়ের ব্যথায় পাতায় ব্যথা অনুভব করছেন তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বাত হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়, জ্বর জ্বর অনুভূত হয়। বাতে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন বয়স্কররা । এই রোগ কিন্তু একেবারেই ছোঁয়াচে নয়, তবে বংশগত কারণে এই রোগ হতে পারে। এছাড়াও অস্থি সন্ধিতে আঘাত, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত ওজন, ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়া এবং অত্যাধিক ধূমপান কিংবা অ্যালকোহলের কারণে বাতের ব্যথা হতে পারে।

    বাতের প্রচুর ধরণ। প্রায় ২০০ ধরনের বাত রয়েছে, তবে ২ ধরনের বাতের সঙ্গে মানুষ বেশি পরিচিত। অস্টিওআর্থ্রাইটিস এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস। এছাড়াও কখনো রক্তের মাধ্যমে জীবাণু সরাসরি হাড়ের জয়েন্টে গিয়ে ইনফেকশন তৈরি করে। তখনো ব্যথা আরো তীব্র হয়। একে বলে সেপটিক আর্থ্রাইটিস।

    অস্টিওথ আর্থ্রাইটিস শরীরে ছড়িয়ে পড়ে ধীরে ধীরে। প্রাথমিক লক্ষণের মধ্যে রয়েছে, একটু বেশি শারীরিক পরিশ্রম করলে বা ব্যায়াম করলে জয়েন্টে ব্যথা হয়। দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর ওঠতে গেলে জড়তা দেখা দেয়। জয়েন্ট থেকে মড়মড় শব্দ আসে। উঁচুতে ওঠার সময় হাঁটুতে ব্যথা অনুভব হয়। চলাফেরা করতে অসুবিধা হয়। হাতের আঙুল ঝিমঝিম করে। এমনকি মেরুদণ্ডেও ব্যথা হয়। বয়স্ক ব্যক্তিদের পাশাপাশি ৪৫ বছর বয়সী পুরুষ মহিলা এই রোগের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

    অপরদিকে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস দীর্ঘমেয়াদী। এটি অটোইমিউন এবং প্রদাহজনিত রোগ। কখনো লক্ষণ থাকে, কখনো থাকে না। এক্ষেত্রে নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছু কিছু টিস্যুর ক্ষতি করে দেয়। অস্থি সন্ধির বাইরেও দেখা দিতে পারে প্রদাহ। জয়েন্টের ব্যথা জড়তা শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। শরীরের উভয় পাশে একসাথে ব্যাথা হতে পারে। এই ধরুন, একটা হাতে ব্যাথা হলে আর একটা হাতেও ব্যাথা হবে।

    বাত কাদের হয়?

    বাত যে কোন বয়সে হতে পারে। পৃথিবীতে দু’রকমের রোগ মানব শরীরে বাসা বাঁধে। এক নিরাময়যোগ্য, দ্বিতীয়ত নিয়ন্ত্রণযোগ্য। বাতের ব্যথা কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণযোগ্য। অর্থাৎ খুব কমক্ষেত্রে এই ব্যথা সম্পূর্ণভাবে নিরাময় করা যায়। তবে বাতকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। সঠিক ওষুধ, ব্যায়াম আর খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে। বাতের ধরণ ভেদে চিকিৎসা পদ্ধতিও আলাদা। তার জন্য একজন ভালো বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন। সমীক্ষা বলছে, ওষুধ নয়, সঠিক নিয়মে খাবার খেলে ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বাতের রোগ নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসাকে পরামর্শ অনুযায়ী, প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। প্রচুর পরিমাণে জল খান। পাতে রাখুন ক্যালসিয়াম আর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার। এড়িয়ে চলুন ধূমপান মদ্যপান । ছোট ছোট ব্যথা ফেলে রাখবেন না। বিশেষ করে মেনোপজের পর ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার বেশি করে খান। নিয়ম মানলে, বাতের ব্যথা আপনাকে ছুঁতেও পারবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Viral Fever: বর্ষার ভাইরাল ফিভার, ৩ দিন জ্বর, বিপদ কতটা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Viral Fever: খুব সাবধান। এই বর্ষায় ঘরে ঘরে একটা মারাত্মক জ্বর হচ্ছে। ৩ দিনেই ঘায়েল? একদম হালকাভাবে নেবেন না। শরীরের টেম্পারেচার কত হলেই আপনার সঙ্গে বড়সড় একটা বিপদ ঘটে যেতে পারে? কখন আপনার থেকে পরিবারের বাকিদের মধ্যে এই জ্বর ছড়িয়ে পড়বে, ধরতে পারবেননা। ব্যাকটেরিয়াল ফিভারের থেকে ভাইরাল ফিভার এর সিম্পটম গুলো কোথায় আলাদা? জানাটা আপনার দরকার। ঘন ঘন প্যারাসিটামল, অ্যান্টিবায়োটিক খেলে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। কী করলে তাড়াতাড়ি সেরে উঠবেন? খাদ্যতালিকায় কয়েকটা জীনিস মাস্ট, বর্ষার জ্বরটায় দুর্দান্ত কাজ করবে। এর মধ্যে কি স্নান করা উচিৎ? ভাইরাল ফিভার কেড়ে নিতে পারে প্রাণ? ভয় নয়, সচেতন হোন।

    ৩ টে দিনে কাবু করে দিচ্ছে বর্ষার এই ভাইরাল ফিভার। ঘরে ঘরে এক জ্বরে ভুগছে ছোট থেকে বড় । লক্ষণগুলো দেখে বুঝে আগে থেকেই সাবধান হোন। শরীরের তাপমাত্রা ১০১ থেকে ১০২ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। যদি ১০৪ ডিগ্রি পার করে যায় তাহলে বিপদ হতে পারে। সেক্ষেত্রে রোগীকে বাড়িতে না ফেলে রেখে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। জ্বর, ভীষণ ক্লান্তির পাশাপাশি মাসল পেন ভাইরাল ফিভারের অন্যতম লক্ষণ। তাছাড়া চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখে জ্বালা, গায়ে র‍্যাশ, মাথা যন্ত্রনা, হাঁচি বা খুশখুশে কাশি, খাবার খেতে তীব্র অনীহাও থাকে ভাইরাল ফিভারে। এই জ্বরটা শরীরকে প্রচণ্ড দুর্বল করে দিচ্ছে। দাঁড়ানোর ক্ষমতা থাকছে না। তাই, জ্বরে ভুক্তভোগীদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাছাড়া জ্বরটা কিন্তু ছোঁয়াচে। বাড়িতে একজনের হলে, অন্যান্য সদস্যদের মধ্যেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে কিন্তু, এই ভাইরাল ফিভার কমাতে কী করবেন?

    জ্বর কমাতে ঠাণ্ডা জলে মাথা ধুলে ভালো লাগবে তবে সেটা সাথে সাথে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে। এছাড়া প্যারাসিটামল বা পেইনকিলার খেলেও, সেটা খালি পেটে নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, ভাইরাল জ্বরকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। বারবার জ্বর আসতে থাকলে ঘরে বসে নিজেই ডাক্তারি করবেন না। মানে, ইচ্ছেমতো ওষুধ না খেয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন মাথায় রাখুন, জ্বর বা কাঁপুনি ৩ দিনেও না সারলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, করতে হবে রক্ত পরীক্ষা কথায় বলে, ওষুধের চেয়ে পথ্য বড়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি পুজোর আগে ঠান্ডা যাতে না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। পথ্য হিসেবে চিকেন স্যুপ, আনারস, কাগজী লেবু সহ অন্যান্য ফল, শাক সবজি, ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার, টক দই, আদা খুব উপকারী। খেতে পারেন ক্বাথ,নিতে পারেন ভাপও যদি এতেও জ্বর কন্ট্রোলে না এলে, ফের ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। জানিয়ে রাখি, এই ধরণের জ্বরে রোগীর বা তার পরিবারের সদস্যদের একটা কমন প্রশ্ন, এই সময় কী রোগীকে স্নান করানো উচিত?

    চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর হোক বা অন্য কোনো রোগ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা খুবই জরুরী। এটা সমস্ত ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে। তাই জ্বর হলে হালকা গরম জলে কাপড় ভিজিয়ে সাবান দিয়ে শরীর পরিষ্কার করতে হবে। এতে শরীর যেমন ফ্রেশ আর হালকা লাগে তেমনি মনও ভালো থাকে ভালো ফিলিং আসে ভেতর থেকে আসে, যা আপনাকে ভালো বোধ করার পাশাপাশি রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। তবে, ৩ দিনই থাকছে এমন নয়। এই জ্বর কাউকে ৫, আবার কাউকে ৭ দিনও ভোগাচ্ছে। সমস্যাটা মূলত আবহাওয়ায়। এই বৃষ্টি তো এই কাঠফাটা রোদ। প্রকৃতির এই অদ্ভুত আচরণের এফেক্ট পড়ে আমাদের শরীরে। আবহাওয়ার কারণে সক্রিয় হয়ে ওঠে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস। দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন মানুষকে অ্যাটাক করে। ফলে ঘরে ঘরে এই সময় দেখা যায় ভাইরাল ফিভার সঙ্গে সর্দি কাশি। তবে সচেতন থাকলে ভয় নেই। বেশি করে জল খান। মুড়ি মুড়কির মতো প্যারাসিটামল খাবেন না। ফ্রিজের ঠান্ডা জল যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। সুস্থ থাকুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version