Tag: hamas

  • গাজায় করিডরের কামাল! ৩০ সেকেন্ডেই খেলা ঘোরাবে হামাস ? ইসরাইলের চাপ বাড়াচ্ছে রহস্যময় নম্বর

    গাজায় করিডরের কামাল! ৩০ সেকেন্ডেই খেলা ঘোরাবে হামাস ? ইসরাইলের চাপ বাড়াচ্ছে রহস্যময় নম্বর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ৩০ সেকেন্ডেই খেলা ঘোরাবে হামাস? এই করিডরকে আঁকড়েই বাঁচবে গাজা। গাজার মাটির তলায় ইসরাইলের হিসেব চলবে কী? এক ঝটকায় এত বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল নেতানিয়াহুর দেশ? ভাইটাল ২৪০ মিনিট, হামাস ইসরাইল যুদ্ধের কোন ফর্মুলা লুকিয়ে এই একটা সংখ্যায়? প্যালেস্টাইনি জঙ্গি গোষ্ঠীর হাতে আসছে কোন মোক্ষম অস্ত্র? একটা বিরতি ইসরাইলি ফৌজের উপর ভারী পড়বে না তো? ৩৫ দিনে যা হয়নি, সেটা হয়ে গেল এক লহমায়। মধ্যপ্রাচ্যে কি এমন ঘটলো যে এইভাবে ভাবে বদলে গেল হিসেব-নিকেষ? কেন সুর নরম করল ইসরায়েল? উত্তর গাজায় রোজ ঘণ্টা চারেকের জন‌্য যুদ্ধ বন্ধ রাখতে রাজি হয়েছে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স। বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইডিএফ। কিন্তু কেন? গাজার মাটিতে কি ঘটবে ওই কয়েকটা মিনিটে?

    জানা যাচ্ছে, ওই সময়ের মধ্যে গাজার সাধারণ মানুষ ‘মানবাধিকার করিডর’ দিয়ে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেমন যেতে পারবেন, তেমনই বন্দিদের মুক্তির জন‌্যও ওই সময়টুকু ব‌্যবহার করা যাবে। তবে, ওই ৪ ঘন্টার বিরতি সমগ্র যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য প্রযোজ্য নয়। শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকায় প্রযোজ্য। একটি নির্দিষ্ট সীমান্তে লড়াই বন্ধ করা। এটা যুদ্ধ বিরতি নয়, এটা মানবিক বিরতি। মূলত ত্রাণ পৌঁছানো ও পর্বতীদের বেরিয়ে আসার পথ প্রশস্ত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে নেতানিয়াহুর দেশ। কিন্তু প্রশ্ন হল এই সুযোগে পাল্টা অ্যাটাকের প্ল্যান ছকছে না তো হামাস?

    ইজরাইল কিন্তু হামাসকে ধ্বংস করার চেষ্টায় কোন ত্রুটি রাখছে না রাখবেও না। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এমনকি আমেরিকা থেকেও যেভাবে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটার আবেদন জানানো হচ্ছিল কার্য তো তাতেই সায় দিল ইসরায়েল। কারণ, জাতিসংঘ ও বলেছিল এমন পরিস্থিতিতে, চিরশত্রু দেশগুলিকেও মানবিক বিরতি দেওয়া উচিত। যাতে খাদ্য, ওষুধ বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করা যায়। অনেক সময় একটি দেশের বিশেষ উৎসবেও অন্য দেশ মানবিক বিরাম দিতে রাজি হয়। যেমন আর্মেনিয়া-আজারবাইজান যুদ্ধেও উৎসবে বিরতি ছিল। অথবা কোনো দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সংঘর্ষ হলে তার মধ্যে সেখানে ঈদ পড়ে গেলে কিছু সময়ের জন্য যুদ্ধ বন্ধ করা যায়। সব শুনে বুঝে নেতানিয়াহু হোক সেই পথেই হেঁটেছেন।

    কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন বর্তমান যা পরিস্থিতি ষ তাতে, এটা নিশ্চিত যে ইসরায়েল তাদের দেশের মানুষকে হামাসের কবল থেকে মুক্ত না করা পর্যন্ত থামবে না। হামাস ইসরায়েলের ১৫০ জনেরও বেশি মানুষকে পণবন্দী করে রেখেছে। তাই যুদ্ধ বিরোধী না হোক কিন্তু এই কৌশলগত বিরতির যে পথে ইজরাইলি ফৌজ হাঁটছে তাতে হামাস যে তার শিকড়কে আরও বেশি শক্তিশালী করবে, সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষাই রাখে না। আর এটাই আইডিএফ এর জন্য বড় রিস্ক হয়ে দাঁড়াতে পারে সামনের দিনগুলোতে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পৃথিবীকে লোহার জালে বাঁধছে যুক্তরাষ্ট্র! হামাস ফেইল ? ভয়ানক চক্রব্যূহে চীন রাশিয়া

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসকে ঘায়েল করতে যুক্তরাষ্ট্র একাই একশো? গোটা বিশ্বকে কোন অদৃশ্য মায়াজালে বাঁধছে আমেরিকা? পৃথিবীর মাটিতে কোন ভয়ানক লোহার জাল বিছিয়ে দিচ্ছে বাইডেনের দেশ? ইসরাইলের বড় সাপোর্ট, চীনের স্ট্রিং অফ পার্লস কী ডাহা ফেইল করছে? রাশিয়া আষ্টেপৃষ্ঠে যাচ্ছে আমেরিকার সামরিক জালে? পৃথিবীর বুকে কত বড় ট্র্যাপ বানাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব। গোটা পৃথিবীতে এতো গোপন ডেরা? একটা সুইচেই সবটা অপারেট করে যুক্তরাষ্ট্র? রাশিয়া চীনকে সবক শেখাতে কি করছে বাইডেনের দেশ। খেলাটা একবার দেখুন।যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের যে কোনো দেশকে পেছনে ফেলে দিচ্ছে। পৃথিবীর ইতিহাসে অন্য কোনো দেশ বা সাম্রাজ্য বিশ্বজুড়ে এতো সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেনি, যতটি করেছে করছে যুক্তরাষ্ট্র। সারা বিশ্বে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির বেশিরভাগই তৈরি হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। ওই সময় সবাইকে হটিয়ে বিশ্ব নেতায় পরিণত হয় আমেরিকা। যুদ্ধে জয়ী শক্তি হিসেবে জাপান ও জার্মানিতে শান্তিরক্ষীর দায়িত্ব পালন করে দেশটা।

    সেই সময় দুটো দেশে ১০ এর বেশি মার্কিন ঘাঁটিতৈরি করা হয়। মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বিস্তারের কাজ উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ে ২০১১ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে। পৃথিবীর অন্তত ৮০টি দেশে প্রায় ৭৫০টি আমেরিকার সেনাঘাঁটি রয়েছে। যদিও আসল সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি বলেই ধারণা বিশ্লেষকদের কারণ মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন দেশটির সঠিক সামরিক ইনফো কখনোই প্রকাশ করে না। এটা খুবই কনফিডেন্সিয়াল। এ ছাড়া বিশ্বের ১৫৯টি দেশে মার্কিন সেনা উপস্থিতি রয়েছে। মোতায়েন রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার সেনা। এসব সামরিক ঘাঁটি ও হাজার হাজার সেনা পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ টাকা ইনভেস্ট করে, তা বিশ্বের শীর্ষ ১০ টা দেশের মোট খরচের চেয়েও বেশি। যে জার্মানি আর জাপানের কথা আগেই উল্লেখ করেছি সেখানে যুক্তরাষ্ট্র রীতিমতো তলে তলে সামরিক জাল বিছিয়ে দিয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চসংখ্যক ঘাঁটি রয়েছে অন্যতম প্রধান মিত্র দেশ জাপানে, ১২০টি। এরপরই রয়েছে ইউরোপের দেশ জার্মানি। সেখানে মোট ১১৯টি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। ৭৩টি মার্কিন ঘাঁটির জায়গা দিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মিত্র দক্ষিণ কোরিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার ৭০ বছর পরও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের এখনো অনেক ঘাঁটি রয়েছে। এর মধ্যে ব্রিটেনে ২৫টি, ইতালিতে ৪৪ টি, স্পেনে ৪টি ঘাঁটি।তুরস্কেও বেশ কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে আমেরিকার। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাঁটি রয়েছে কুয়েত ও সৌদি আরবে। দেশ দুটিতে ১০টি করে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। এই মুহূর্তে যে মধ্যপ্রাচ্যে এত বড় যুদ্ধটা চলছে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে। যে যুদ্ধে ইসরাইলকে সাপোর্ট করছে যুক্তরাষ্ট্র।

    সবচেয়ে বড় ঘাঁটিটি রয়েছে কাতারের দোহায়। ওই ঘাঁটিতে সবসময় ১১ হাজার মার্কিন সেনার পাশাপাশি অসংখ্য ড্রোন ও প্রায় ১০০টি যুদ্ধবিমান রাখা থাকে। এ ছাড়া ইরানের দু পাশে মার্কিন বাহিনীর অন্তত ১৯টি ঘাঁটি সহজেই চোখে পড়ে।এসব ঘাঁটির জন্য মার্কিনিদের প্রয়োজন পড়েছে ৮ লাখ ৪৫ হাজার ৪১১টি ভবন, তিন কোটি একর ভূমি। চাট্টিখানি কথা কিন্তু নয়। সে হিসাবে পেন্টাগন হচ্ছে, বিশ্বের অন্যতম প্রধান ভূমি-মালিক। বলার অপেক্ষা রাখে না এসব সামরিক ঘাঁটির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে একচেটিয়া কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করাই আমেরিকার এক এবং একমাত্র বড় লক্ষ্য।আর সেই রাস্তায় পথের কাঁটা চীন এবং রাশিয়া, দুই দেশ। যাদেরকে সবক শেখাতে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ যুক্তরাষ্ট্র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হিজবুল্লাই শক্তি বাড়াচ্ছে ইজরায়েলের! যুদ্ধে নামতে এত ভয়, নাসারুল্লা পিছু হটলেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হিজবুল্লা নিজে ইজরায়েলের হাত আরও শক্ত করে দিল। মুসলিম বিশ্বের ঐক্য কি ভেঙে যাচ্ছে? ইজরায়েলের বিরুদ্ধে কোনও যুদ্ধ নয় এ কেমন ঘোষণা? হিজবুল্লা প্রধান নাসারুল্লা বলেছেন শুনলে চমকে যাবেন। হামাসের আত্মবিশ্বাস ভেঙে চুরমার করে দিল হেজবুল্লা? ইজরায়েল কি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে আসলে মুসলিম বিশ্বের এক হওয়ার চেষ্টা কতটা দুর্বল? হামাস কি ভেবেছিল তাদেরকে শেষ হতে দেখলে হেজবুল্লা তাদের সমর্থনে যুদ্ধে নামবে? যুদ্ধ বিশেষজ্ঞদের দাবি এখানেই আত্মবিশ্বাস কয়েকগুণ বেড়ে গেল ইজরায়েলের। ইরান সমর্থিত হেজবুল্লা তা নিজের হাতেই বাড়িয়ে দিল। তেল আভিভের সঙ্গে লড়াইয়ে জড়ালে হার নিশ্চিত। এমনটা জেনেই কি পিছু হটছে লেবাননের এই দুর্ধর্ষ সংগঠন? নাকি ইরান যুদ্ধ ছেড়ে কূটনীতির পথে হাঁটছে বলে হেজবুল্লাও সেই পন্থাই নিল। প্রায় বন্ধ গাজার বৃহত্তম হাসপাতাল। ইজরায়েলি সেনার লাগাতার আক্রমণে হাসপাতালের চিকিৎসাব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে। কিন্তু এতে সত্যিই কি ষ প্যালেস্টাইনের সমর্থনে যারা রয়েছেন তাদের কিছু করার আছে?

    আমেরিকাকে এই যুদ্ধে নাটের গুরু হিসেবে ইরানের দাগিয়ে দেওয়ার পরই মুখ খুলেছেন হেজবুল্লা প্রধান নাসরাল্লাহ। গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর প্রথম চার সপ্তাহ হিজবুল্লাহপ্রধান সাঈদ হাসান নাসরাল্লাহ কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন। কৌতুহল ছিল শক্তিশালী মিলিশিয়া সংগঠনের নেতা। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ ঘোষণা করবেন কি? কিন্তু শেষমেশ অনেকের উত্তেজনার আগুনে জল ঢাললেন নাসরাল্লাহ। তিনি পরিস্কার বলে দিলেন এটা যুদ্ধের সময় নয় কিন্তু এই যে ২ দিন আগে হেজবুল্লার সেকেন্ড ইন কমান্ড শেখ নাঈম কাসেম বলেছিলেন গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা বন্ধ না হলে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তিনি বিবিসিকে বলেছিলেন এই অঞ্চলে অত্যন্ত গুরুতর ও ভীষণ বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং এর পরিণতি কেউ আটকাতে পারবে না। কিন্তু নাসারুল্লার বক্তব্যে কোথায় গেল সেই হুঙ্কার? বরং বিশ্লেষকেরা বলছেন শনিবার দেওয়া বক্তব্যে একটা বিষয় ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো ঘোষণাই তিনি করেননি এবং সবথেকে বড় কথা গাজার যা পরিস্থিতি সেই নিয়েও কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাও নাসারুল্লা করেননি।

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে একটা কথা পরিস্কার যদি আরবরা যুদ্ধে না জড়ায়, এমনকি ইরানও একা একা পা না বাড়ায় তখন তাদের মদতপুষ্ট ছায়া বাহিনীগুলো ফিলিস্তিনিদের জন্য সত্যিই কতটা লড়বে সেটাই প্রশ্ন। তবে এসব প্রশ্নের উত্তর ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ দুটিই হতে পারে। তাহলে লেবাননের হিজবু্ল্লা এখন করবেটা কি? লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে হিজবুল্লাহর সীমিত মাত্রার সংঘাত ৭ অক্টোবরের পর থেকেই চলছে। যেকোনো সময় ইসরায়েল সেই সংঘাতের মাত্রা বাড়াতে পারে। হিজবুল্লাহ বলছে তারা এর জন্য প্রস্তুতও আছে কিন্তু সংগঠনটি এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে রাজনৈতিকভাবে কত দিন এবং কতটা পিছিয়ে থাকবে তা নির্ভর করবে ইরান ও নাসরাল্লাহর ওপর ইসরায়েলি ড্রোন লেবাননের বহু ভেতরে (৪৫ কিলোমিটর) ঢুকে হামলা করেছে। হিজবুল্লাহ অবশ্যই এর প্রতিশোধ নেবে। সম্ভবত তার কাছে থাকা শক্তিশালী দূরপাল্লার রকেট দিয়ে হামলা চালিয়ে কিন্তু বড় কোনো যুদ্ধ হবে না নাসরাল্লাহ শনিবার নিজেই বিশ্বকে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইরান পালাবার পথ পেল না! আমেরিকা অ্যাটাক করবে ? রাইসির নতুন খেলা প্রকাশ্যে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইজরায়েল বা হামাস যুদ্ধে আসলে নাটের গুরু কে জানেন? আমেরিকা সোজা হামলা করতে পারে তেহেরানে? ফাঁকা আওয়াজ দিয়ে লাভ নেই। ইরান নিজেদের অক্ষমতা ঢাকতে কী বড় স্ট্র্যাটেজি নিল?ইরানের সব ক্ষমতা কি এই সুযোগেই শেষ করে দিতে চলেছে আমেরিকা? নাকি আসল খেলা এখনও বাকি? ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি সিদ্ধান্ত নিতে ফেল হয়ে যাচ্ছেন। ইরান হয়ত বুঝতে পারছে এবার তাদের দিন ঘনিয়ে আসছে। যারা এই অঙ্কটা ঘাটছেন তাদের একাংশের এমনটাই মত। ৯ নভেম্বর সিরিয়ায় ইরানের একটি অস্ত্রভাণ্ডারে হামলা চালিয়েছিল মার্কিন এফ-১৫ বোমারু বিমান।তাহলে ওটাই কি আসলে ছিল আমেরিকার ওয়ার্নিং? যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য চুপ থাকেনি তারা জানিয়েছিল এর কারণ। আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন বলেছিলেন সিরিয়ায় মার্কিন সেনাকে নিশানা করা হচ্ছে। তাই এটা ছিল প্রত্যাঘাত।

    এক বিবৃতি জারি করে অস্টিন বলেছিলেন। তাতে অবশ্য ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের কোনও কথা না থাকলেও অনেকেই কিন্তু একটা অদৃশ্য লিঙ্ক পাচ্ছেন। অসিন বলেছিলেন পূর্ব সিরিয়ায় ইরানের সেনাবাহিনীর ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোরের একটি অস্ত্রভাণ্ডারে বিমান থেকে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন সেনাকর্মীদের বিরুদ্ধে কাডস ফোর্সের হামলার জবাব দেওয়া হয় প্রয়োজনে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এই ঘটনার পরই অনেকে আশঙ্কা করছিল ইরান বোধহয় এর পাল্টা দেবে। আমেরিকার বিরুদ্ধে গিয়ে ইরান কোনও হামলাও চালাতে পারে কিন্তু সত্যিই কি ব্যাপারটা এতটাই সহজ? ইরানের ইব্রাহিম রাইসি বোধহয় এক্ষেত্রে কঠিন পথে না গিয়ে সোজা পন্থাটাই বেছে নিলেন। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী রাইসি বলেছেন ইসরায়েল হামাস যুদ্ধের মূল অপরাধী আমেরিকার সরকার। ইজ়রায়েল তাদের অবৈধ সন্তান হাজার হাজার বঞ্চিত প্যালেস্টিনীয় শিশুর জীবনের বিনিময়ে। ইজ়রায়েলকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা তারাই গাজ়ার নিরুপায় মানুষগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার নামে ইহুদি আগ্রাসনকে উস্কানি দিয়েছে। ইরানি প্রেসিডেন্টের আরও অভিযোগ, যুদ্ধের আসল যন্ত্র আমেরিকার হাতেই আছে তারাই গাজ়ায় যুদ্ধবিরতিতে বাধা দিচ্ছে। আমেরিকার এই আসল রূপ সারা বিশ্বকে চিনে নিতে হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে ইরান এখন খুব ঠান্ডা মাথায় এগোচ্ছে। তারা জানে আমেরিকার বিরুদ্ধে লড়ার ক্ষমতা তাদের নেই। তাই আমেরিকার বিরুদ্ধে ভার্বালি উস্কানির কাজটাই শুরু করলেন রাইসি। এমনিতেই ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের ঘোলা জলে মাছ ধরতে তৎপর হয়েছে ইরান। হামাসকে রীতিমত মদত জোগাচ্ছে তেহরান।দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি সাফ বলেছেন হামাসকে নিয়ে তিনি গর্বিত কিন্তু তারপরও ইরান যে এখনই যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে জড়াবে না সেটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছে। অনেকেই বলছেন দেখা যায় এভাবেই কতদিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকিয়ে রাখতে পারে তেহেরান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের মতোই ফেঁসে গেল চীন ? বেজিংয়ের ছায়ায় ভয়, ভারতকে টেনে নিল তাইওয়ান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের মতোই পালানোর পথ পাবেনা চীন? চীনের মেরুদণ্ড ভেঙে দিল তাইওয়ান? গোপনে ভারতের হাতে কোন ব্রহ্মাস্ত্র তুলে দিল তাইপে? কাতারে কাতারে ভারতীয়, কেন ছুটে যাচ্ছে তাইওয়ানের দিকে? কোন গুপ্তধনের সন্ধান তাইওয়ানের মাটিতে? ইসরাইলের পর তাইওয়ান, ঢেলে দিল ভারতকে। জানেন? কিভাবে শুকিয়ে কাঠ হবে বেজিং? চীনের ছায়া তাইওয়ানেও? বুড়িয়ে যাওয়াকেই ভয়? এক লক্ষের লাইফ সেট, রাতারাতি হাতে চাঁদ পেল ভারত। চীনকে উড়িয়ে দিল ভারত। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ভারত দ্বীপ রাষ্ট্র তাইওয়ানের কতটা কাছাকাছি।তাইপের হাতে এবার মোক্ষম অস্ত্র। নড়ে যাবে ভিত।ভারতকে দিল বড় সুযোগ। সত্যিই কি লটারি পেলো ১ লাখ ভারতীয়? একেই বলে সোনায় সোহাগা।ব্লুমবার্গের রিপোর্ট বলছে, তাইওয়ান বিভিন্ন কারখানা, কৃষি, স্বাস্থ্য পরিষেবা সহ বিভিন্ন সেক্টরে অন্তত এক লক্ষ ভারতীয় কর্মীকে নিয়োগ করতে চাইছে।

    ডিসেম্বরের মধ্যেই কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষর করবে ভারত তাইওয়ান। যে আলোচনা একেবারে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু তাইওয়ান ভারত থেকে এতো কর্মী নেবে কেন? বড় প্রশ্ন। দ্বীপ রাষ্ট্র টার ভেতরে কী চলছে জানুন। বর্তমানে তাইওয়ান জনসংখ্যার সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। জন্ম নিয়ন্ত্রণ নীতির কারণে তাইওয়ানে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমেছে। ফলে অল্পবয়সী কর্মীর সংখ্যা সেখানে কমে যাচ্ছে। বয়স্ক, প্রবীণ প্রজন্মের সংখ্যা বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, ২০২৫ সালের মধ্যে তাইওয়ান একটা ‘অতি-বয়স্ক’ সমাজে পরিণত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই তকমা তখনই দেওয়া হয়, যখন কোনো দেশের মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশেরও বেশি বয়স্ক মানুষ থাকেন।

    আর এখানেই ভয় তাইওয়ানের। কারণ এই একই সমস্যার কারণে চীন কেউ আর্থিক ক্ষতি ফেস করতে হচ্ছে। বার্ধক্যের কারণে চীনা শ্রমশক্তিও একইভাবে এফেক্টেড হচ্ছে। তাই তাইওয়ান এবার ভারতকে বেছে নিতে যাচ্ছে। যা চীনের সঙ্গে তাইওয়ানের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ, বেজিং তাইওয়ানকে তাদের নিজস্ব অঞ্চল বলে দাবি করে। এদিকে তাইওয়ান নিজেদের স্ব-শাসিত দ্বীপ বলে দাবি করে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে তাইওয়ানের যে কোনও আনুষ্ঠানিক চুক্তিতে চীন চাপে পড়বেই।

    জানিয়ে রাখি, তাইওয়ানে বেকারত্বের হার গত ২০০০ সাল থেকে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। সেখানকার অর্থনীতি প্রায় ৭৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। যা সচল রাখতে এখন ভারতীয় কর্মীদের সাহায্য নিতে পারে তাইওয়ান। আর তাইওয়ানের সঙ্গে চুক্তি হলে, ভারতের জন্যেও সেটা বিরাট বড় বেনিফিটেড হবে। ভারতীয় কর্মীরা সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের সমান হারে বেতন এবং বিমার মতো সুরক্ষাও পাবে। একবার ইসরায়েল, একবার তাইওয়ান। ভারতের কর্মী বিভিন্ন দেশে কাজের সুযোগ পাচ্ছে। যা ভারতের জন্য অবশ্যই গোল্ডেন অপারচুনিটি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাস ইসরায়েল যুদ্ধের রিমোট ভারতের মাটিতে, বাংলাদেশের এতো দাম ? টু প্লাস টুতে বড় ফর্মুলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাস-ইসরাইল যুদ্ধের রিমোট ভারতের মাটিতে? বাংলাদেশকে নিয়ে স্ট্রেটকাট কমেন্ট নয়াদিল্লির। জেট ইঞ্জিন-রিপার ড্রোন, কোন যুদ্ধে ঝাঁপাচ্ছে ভারত যুক্তরাষ্ট্র? উঠে এলো ভারত প্রশান্ত মহাসাগর, “টু প্লাস টু” স্ট্রাকচারে লুকিয়ে বড় ফর্মুলা। ব্লিঙ্কেন-অস্টিনের কানে হামাস নিকেশের মন্ত্র? মোদীর ব্যালেন্স স্ট্র্যাটেজি তে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য। গাজায় ডুবে বিশ্ব, বুক ঠুকে বেরিয়ে আসার পথ দেখালেন নরেন্দ্র মোদী। ইজ়রায়েল-হামাস যুদ্ধে কত বড় ভূমিকা ভারতের?ইরানের পর হারে হারে টের পেলো আমেরিকাও। বাংলাদেশকে নিয়েও আপোস নয়। চোখে চোখ রেখে সাফ জবাব ভারতের। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের আবহ। বাংলাদেশেও নির্বাচন আসন্ন। এই ক্রুশিয়াল টাইমে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ‘টু প্লাস টু’ ফর্ম্যাটে ফেস টু ফেস হলেন।

    আর সেখানেই গাজা সংঘাত সমাধানের ‘পথ’ বাতলে দিল নয়া দিল্লি। পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে, তাতে আরব ইহুদি দ্বন্দ্বের সুদূরপ্রসারী এফেক্টে পুড়বে মধ্যপ্রাচ্য। তাই হামাস ইসরায়েল যুদ্ধ মেটাতে দ্বি-রাষ্ট্র তত্ত্বেই জোর দিল নয়াদিল্লি।বিশ্লেষকদের মতে, আরব-ইহুদি সংঘাত ভারতের জন্য অত্যন্ত জটিল সমীকরণ তৈরি করেছে। একদিকে ‘বন্ধু’ ইজরায়েল অন্যদিকে ‘সহযোগী’ ইরান-সহ গোটা মুসলিম বিশ্ব। কাউকেই দূরে ঠেলে দিতে চাইছে না নয়াদিল্লি। তাহলে কী, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ব্যালেন্স পলিসি হামাস ইসরায়েল যুদ্ধেও? ২০১৮ র পর ২+২ ফরম্যাটে পঞ্চমবারের মতো বসলো ভারত যুক্তরাষ্ট্র। আর সেখানেই উঠে এলো বাংলাদেশ ও। বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন আসন্ন, সেখানে ভোট যাতে অবাধ এবং সুষ্ঠু হয় তা নিয়ে ওয়াশিংটন ‘অতিসক্রিয়তা’ দেখাচ্ছে বলে অনেকেই মনে করছেন। আর তার পরিপ্রেক্ষিতে, ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিনয় কাত্রা মিডিয়া ব্রিফিংয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশ আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও অংশীদার।

    ভারত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আমরা সম্মান করি। বাংলাদেশের উন্নয়ন বা নির্বাচনের কথা যখন আসে, তখন এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। বাংলাদেশের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ ঠিক করে। এককথায়, ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কে খুব স্পষ্টভাবে নয়াদিল্লি নিজেদের স্ট্যান্ড পয়েন্ট জানিয়ে দিয়েছে। তবে এর মাঝেও, ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জয়শংকর। শুধু তাই নয়।
    জেট ইঞ্জিন নির্মাণের বিষয়ে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড মানে হ্যাল-এর সঙ্গে আমেরিকার জেনারেল ইলেকট্রিকের একটা চুক্তি হয়েছে এই বৈঠকে। ভারতে জিই৪১৪ ইঞ্জিন তৈরি নিয়েই এই ডিল। এ ছা়ড়া আমেরিকা থেকে ৩১টি এমকিউ-৯বি রিপার ড্রোন আমদানির বিষয়টিও উঠে এসেছে রাজনাথ-অস্টিন বৈঠকে। চীনকে নজরে রেখে ভারত-আমেরিকা আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে ইন্দো প‌্যাসিফিক অঞ্চলের সমস‌্যাও। নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটন বৈঠকে কানাডায় খলিস্তানি তৎপরতার মতো বিষয়েও হয়েছে আলোচনা।

    চলতি পরিস্থিতির ভিত্তিতে এই বৈঠক গোটা অঞ্চলের জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। যে টু প্লাস টু ফর্ম্যাটে একই সঙ্গে গুরুত্ব পেয়েছে নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পদের জোগান এবং শিল্পবাণিজ‌্য।ৎমোদ্দা কথা, ভবিষ‌্যতের দিকে চোখ রেখে কাজ করতে দুই দেশই প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক শান্তি ও সৌহার্দ‌্য এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভারত যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। আজ এই বৈঠক কতটা সাকসেসফুল সেটা তো বলবে সময়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • যুদ্ধে ইরানের মিথ্যে ফাঁস! মোদীকে মুখ ফসকে বলে ফেললেন রাইসি, ইজরায়েলকে এত ভয় কেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইরানের শুধু মুখেই হুমকি অ্যাকশন জিরো কেন ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে কোনওদিনও জড়াবে না তেহেরান? ইরান কি আমেরিকাকে ভয় পায়? নরেন্দ্র মোদীকে মুখ ফসকে সত্যিটা বলে ফেলেছিলেন রাইসি। ইজরায়েলের তান্ডবের মাঝে ইরানের একটা ইশারার অপেক্ষা করছে সবাই কিন্তু ইরান সেই ইশারা কখনই করবে না তাহলে এটা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে আসলে ইজরায়েলকে ভয় পায় ইরান? ৭ অক্টোবর হামাস ইজরায়েলের ওপর অ্যাটাক করার পর থেকে বারবার ইরান হুমকি দিয়েছে এবার কিন্তু তারা হিজবুল্লাকে যুদ্ধে নামাবে তারা ইজরায়েলকে মুহ তোড় জবাব দেবে কিন্তু যুদ্ধের ময়দানে কোথায় হিজবুল্লা কোথায় বা ইরান? তেহেরান তো ভারতের কাছে যুদ্ধ বন্ধ করার কাকুতি মিনতি করছে। প্রশ্ন উঠছে কেন প্যালেস্তানীয়দের ওপর নির্মম অত্যাচারের পরও যুদ্ধে প্রত্যক্ষ ভাবে নামছে না ইরান?

    ইতিহাস স্বাক্ষী রয়েছে ইজরায়েল ও ইরান পরস্পরের ডাই হার্ট এনিমি। ইসরায়েলের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করে ইরান। তারা বিবেচনা করে ইসরায়েল অবৈধভাবে মুসলমানদের ভূমি দখল করে রেখেছে। এদিকে ইসরায়েল তাদের অস্তিত্বের জন্য ইরানকে তাদের হুমকি হিসেবে দেখে। তবে ইরানের প্রতিরক্ষাকে দুর্বল করার জন্য তেহেরানের মোক্ষম ক্ষতি করে দিয়েছিল তেল আভিভ। ইসরায়েল সব সময় বলে এসেছে ইরানের অবশ্যই পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত হবে না। আমেরিকাও ইজরায়েলের কথাই শুনেছে তাই একপ্রকার ইরানের ডিফেন্সে পঙ্গু করে রেখেছিল নেতানইয়াহুর দেশ। ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ইরানের কাছে তা সত্ত্বেও তেহেরান এখনও শুধু হুঁশিয়ারিই দিয়ে যাচ্ছে
    লেবাননে হিজবুল্লাকে। বিশ্বের অনেকটাই শক্তিশলী জঙ্গি সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। হিজবুল্লার হাতে এখন দেড় লাখের মতো রকেট রয়েছে। হিজবুল্লার সেনাসংখ্যা লাখের অধিক কিন্তু তাদের হাতে এক শক্তি থাকা সত্ত্বেও ইরানের ইশারা ছাড়া তারা কোনওভাবেই যুদ্ধে নামবে না।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন শুধু ইরান নয় সৌদি আরব ও তুরস্ককেও খুব বেশি এই যুদ্ধে জড়াতে দেখবেন না আপনারা। যেন তারা কার্যত পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে। সেখানেই কার্যত ক্ষুব্ধ হচ্ছে মুসলিম বিশ্ব। ইরান কেন যুদ্ধে নামবে না তা নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পশ্চিমি মিডিয়া। ব্লুমবার্গের একটি রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে হিজবুল্লা ইরানের কাছে একটা অনেক বড় অ্যাসেট। হিজবুল্লাকে এতটা শক্তিশালী করতে অনেক বছরের পরিশ্রম লেগেছে। ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালে যে পরিমাণ ক্ষতি হবে তা সামাল দিয়ে উঠছে কয়েক দশক লেগে যাবে ইরানের। ইরান চায় আল আকসা মজসিদ ফিলিস্তিনি মুসলিমদের হাতে আসুক কিন্তু ইরান কোনওভাবেই যুদ্ধে জড়াবে না। আর সেটারই আরেকটা উদাহরণ হল ভারতের কাছে তেহেরানের যুদ্ধ থামানোর আর্জি। মোদী ফোন করে রাইসি বলেছিলেন ভারত যাতে সর্বশক্তি লাগিয়ে দেয় যুদ্ধ থামাতে। এখান থেকেই পরিস্কার ইরান অন্য অঙ্কই কষছে যুদ্ধের মাঝে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • সুড়ঙ্গে জমাট বাঁধছে হামাস ? প্যালেস্টাইনের মেরুদণ্ডে আঘাত। ভারতকে টেনে নিল ইসরাইল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সুড়ঙ্গের ভেতর জমাট বাঁধবে হামাস? প্যালেস্টাইনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেবে নেতানিয়াহুর দেশ। তলে তলে ভারতের হাতে কোন ব্রহ্মাস্ত্র তুলে দিল ইসরাইল? কাতারে কাতারে ভারতীয়, কেন ছুটে যাচ্ছে ইসরাইলের দিকে? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ঢেলে দিল ভারতকে। কিভাবে শুকিয়ে যাবে প্যালেস্টাইন? ১ লক্ষের লাইফ সেট। হামাসের ভুলের মূল্য চোকাতে গিয়ে কোথায় তলিয়ে যাবে প্যালেস্টাইন? ৯০ হাজারের কপালে বিরাট ফাঁড়া। ভাতে মারার ফুলপ্রুফ প্ল্যান ইসরাইলের হাতে।প্যালেস্টাইনকে তিলে তিলে শেষ করে দিতে নেতানিয়াহুর হাতে এবার মোক্ষম অস্ত্র। নড়ে যাবে ভিত। ভারতকে দিল বড় সুযোগ। সত্যিই কি লটারি পেলো ১ লাখ ভারতীয়?’ হাতে মারার’ পাশাপাশি প্যালেস্টাইনকে ‘ভাতে মারতে’ অ্যাক্টিভ ইসরাইল।

    অধিকৃত ভূখণ্ডের বিভিন্ন আবাসন প্রকল্প এবং শিল্পক্ষেত্রে ‘ওয়ার্ক ভিসা’ নিয়ে প্যালেস্তিনীয় নাগরিকদের এবার ছাঁটাই করতে চায় প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার। সেই জায়গায় সুযোগ দিতে চায় ভারতীয় শ্রমিকদের। প্যালেস্টাইনের কপালে চরম দুঃখ। অলরেডি ইসরাইল বিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়ে দিয়েছে, সে দেশের নির্মাণশিল্পে কর্মরত ৯০ হাজারের বেশি প্যালেস্টাইনিকে ছাঁটাই করা হবে। পরিবর্তে ভারত থেকে এক লক্ষ শ্রমিককে নেওয়ার ছক হয়ে গেছে। যাতে পুরো সেক্টরটা পরিচালনা করতে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। ভারতের হাতে বড় সুযোগ। এতে ইসরাইলে ভারতীয় নির্মাণ শ্রমিকদের কপাল খুলে যাবে।

    যুদ্ধবিধ্বস্ত ইসরাইলে যদি এই বিপুল পরিমাণ কর্মী নিয়োগ করা হয়, ভারতও যদি সব দিক বিবেচনা করে অনুমোদন দিয়ে দেয়, তাহলে ভারতের প্রান্তিক মানুষদের একটা বড় অংশের কর্মসংস্থান হবে। এ বিষয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে ‘পজিটিভ’ আলোচনা সারা হয়ে গেছে তেল আভিভের। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এতে যে ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে সেটা যেমন নতুন করে বলার কথা নয়। তেমনই প্যালেস্টাইন সহ পশ্চিম এশিয়ার আরব দেশগুলোর ক্ষুব্ধ হওয়ার চান্স রয়েছে, সেটাও মানতে হবে। জানিয়ে রাখি, ওই নির্মাণকার্যে প্রায় ৯০ হাজার প্যালেস্টাইনি ইসরায়েলে কাজ করত। কিন্তু ৭ অক্টোবর হামাস অহামলার পর ইজরায়েলে আর কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না তাদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের বিষদৃষ্টি, ইসরাইলের দফারফা ? উইক পয়েন্ট গাজা। কোন মন্ত্রে পেছাচ্ছেন নেতানিয়াহু

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের শরীরে দানবীয় শক্তি? এক মাসেই কিসসা খতম? গাজার বুকে ইসরাইলের দফারফা? প্যালেস্টাইনি জঙ্গি গোষ্ঠীর হাতে কোন লেভেলের পাওয়ার? কোন মন্ত্রে হার মানছে ইসরাইল? গাজাই উইক পয়েন্ট, কীভাবে মুখ থুবড়ে পড়লো আইডিএফ এর লিমিটেড গ্রাউন্ড রেড? বেফাঁস নেতানিয়াহু, ফের ফিরছে না তো ভয়ানক ৭ অক্টোবর? একটাই আতঙ্ক, সুযোগ হারায় না হামাস। গাজার দোহাইয়ের সামনে মাথা ঝোঁকাতে বাধ্য হলো ইসরাইল? নাকি হামাসের ভয়ে পিছু হটছে নেতানিয়াহুর দেশ ?হামাস ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ। সময়ের সঙ্গে আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের এই লড়াই। বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে কম তো যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়নি।বারংবার তা নস্যাৎ করে দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। কিন্তু যুদ্ধের এক মাসে অন্য পথে হাঁটলো ইহুদি ভূমি। ত্রাণ আর পণবন্দিদের স্বার্থে গাজায় ‘কৌশলগত বিরতি’র সিদ্ধান্ত? আমেরিকার জন্যই মত বদল? প্রায় আড়াইশো পণবন্দী হামাসের কবজায়! তাদের কী হবে?

    না, ঠিক সাধারণ যুদ্ধ-বিরতি নয়। যুদ্ধ থামানোর কোনও প্রশ্নই ওঠে না। ইসরাইল সে কথা ভাবছেও না, সাফ জানালেন নেতানিয়াহু। তবে খুব অল্প সময়ের জন্য ছোট খাটো বিরতিতে সম্মতি জানাতে পারে ইসরায়েল সরকার। এটাকে “কৌশলগত বিরতি” বলা যায়। বিষয়টা বিবেচনাধীন। মূলত ত্রাণ পৌঁছানো ও পণবন্দীদের বেরিয়ে আসার পথ প্রশস্ত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত। এই সুযোগে পাল্টা অ্যাটাকের প্ল্যান ছকছে না তো হামাস? ভাবছে না ইসরাইল। বরং হামাসকে সমূলে বিনষ্ট করার যে প্রতিজ্ঞা নেতানিয়াহু করেছিলেন, তাতেই এখনও বদ্ধপরিকর ইসরায়েল। আমেরিকার ইচ্ছেপূরণ হচ্ছে অবশেষে। কয়েকদিনে যুক্তরাষ্ট্রের উপর তো কম চাপ আসেনি। গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু।প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস ইজ়রায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে হামলা চালায়। বহু ইজ়রায়েলি নাগরিককে পণবন্দি করে নিয়ে যায়। এর পরেই হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন নেতানিয়াহু।

    যুদ্ধে আমেরিকা ইসরায়েলকে সমর্থন করে কিন্তু সেই আমেরিকাও গত কয়েক দিন ধরে মানবিকতার খাতিরে ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। আর এবার নেতানিয়াহুর দেশ সেই আবেদন মেনে সাময়িকভাবে যুদ্ধ বন্ধে রাজি হলে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আরব বিশ্বের ক্ষোভ কিছুটা হলেও কমবে।ইসরাইলের লক্ষ্য স্পষ্ট। প্রথম পর্যায়ে, হামাসকে পরাজিত ও ধ্বংস করার জন্য তাদের অবকাঠামো তছনছ করা। দ্বিতীয় পর্যায়ে ইসরায়েলি সেনারা, হামাস সদস্যদের খুঁজে বের করে নির্মূল করতে ক্রমাগত লড়াই চালিয়ে যাবে। তৃতীয় পর্যায়ে, ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হবে। আর ঠিক এই পথে চলতে গিয়েই, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলা এতোটাই তীব্র রূপ নিয়েছে যে, গত এক মাসে ওই উপত্যকায় যতো হতাহত হয়েছে তা ২১ মাসে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের হতাহতের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। এই পরিস্থিতির শেষ কোথায় কেউ জানে না। এমন পরিস্থিতিতে সীমান্ত পার হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ারও কোন সুযোগ নেই ওই লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষের। মিশরের সীমান্ত ঘেঁষা রাফাহ ক্রসিংও খোলা হচ্ছে শর্ত সাপেক্ষে। খাদ্য, বিশুদ্ধ জল, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে অবরুদ্ধ গাজার লাখ লাখ অসহায় মানুষ অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে। যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের হাতে পঙ্গপালের ঝাঁক? ইসরাইলের লৌহপ্রাচীর তছনছ! এই কৌশল গায়ে কাঁটা দেবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের হাতে খতরনাক পঙ্গপাল। কিভাবে ইহুদী ভূমিকে শুষে খাচ্ছে এই মনুষ্যবিহীন পতঙ্গ? ঝাঁকে ঝাঁকে কি ছুটে যাচ্ছে ওগুলো? ইসরাইলের লৌহ প্রাচীরকে ভেঙে চুরমার করা কি এতটাই সহজ ছিল? হামাসের কৌশলে লুকিয়ে কোন চমক? এবার ইসরাইলি ভূখণ্ডে ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরক, কিভাবে যুদ্ধের হিসেব ঘুরিয়ে দিচ্ছে প্যালেস্টাইনের এই জঙ্গি গোষ্ঠী? না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না! পুরোটা শুনলে জানলে আপনার গায়ে কাঁটা দেবে। হামাসের সুড়ঙ্গে গিজগিজ করছে খতরনাক কতগুলো পতঙ্গ। এগুলো ইসরাইলকে কুরে কুরে খাচ্ছে। এই যন্ত্রের ক্ষমতা সাঙ্ঘাতিক। ইসরাইলের রাডার ফাঁকি দিতে এক্সপার্ট হামাসের এই ক্ষুদ্রাকৃতির ড্রোন। ঝকঝক পঙ্গপাল এর মতো এই ড্রোনগুলোই ইজরাইলের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে। ছোট ও তুলনামূলক সস্তা ড্রোন ব্যবহার করে ইসরাইলের ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে হামাস।

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে সেটা গোটা বিশ্ব জানে। বার হামাসের ড্রোন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অ্যাঙ্গেল কিভাবে ঘুরিয়ে দিচ্ছে সেটা দেখছে গোটা দুনিয়া। ইসরাইলের তৈরি ‘স্কাইলার্ক’ ড্রোনের মতো খুব ক্ষুদ্রাকৃতির আকাশযান ব্যবহার করেছে হামাস। সীমানা টপকেছে প্যারাসুটে মোটর মানে প্যারাগ্লাইডার লাগিয়ে। আর এই কারণেই ইসরাইলের রাডার ওগুলোকে চিহ্নিত করতে পারেনি। হামাসের ড্রোন এতটাই খতরনাক যে মেরকাভা ট্যাঙ্ক ধূলিস্মাৎ করে দিতে পারে। মেরকাভা বিশ্বের অন্যতম অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ও ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ট্যাংকগুলোর একটি। তাহলে আন্দাজ করতে পারছেন হামাসের হাতে কি আছে? হামাসের এই ছোট্ট ড্রোন গুলো বিস্ফোরক ছড়িয়ে দিতে পারে। ভিডিও প্রকাশ করে সেই ছবি দেখিয়েছে হামাস। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা। কিন্তু এটা ফ্যাক্ট মেরকাভা ট্যাংকের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও হামাসের ড্রোনের বিরুদ্ধে কাজ করে না।

    এর আগে ড্রোনের মাধ্যমে বিস্ফোরক ব্যবহারের এই কৌশল ব্যবহার করেছে ইসলামিক স্টেট মানে আইএস। আর এবার এগুলো ব্যবহার করে ইহুদী ভূমিতে খেল দেখাচ্ছে হামাস। রাডারের নজরদারি এড়িয়ে হামলা চালাতে পারে এগুলো। ছুড়তে পারে হ্যান্ড গ্রেনেড ও মর্টার। তাই উপগ্রহ সংযোজক টাওয়ার ধ্বংস করে দিয়ে রীতিমতো যোগাযোগ ছিন্ন করিয়ে দেওয়া ইজরায়েলি সেনার সঙ্গে, এটা এই ড্রোনের বাঁ হাতের খেল। তাই ইসরাইলের আইরন ডোমও ফেইল করেছে। নজরদারির কাজেও এসব ড্রোনের ব্যবহার করা হয়। নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের পাশাপাশি বিশেষভাবে তৈরি গ্রেনেড ও বিস্ফোরকও রাখা যায় এসব ড্রোনে। এ ছাড়া ভারী অস্ত্রেও সাজানো যায় এসব মনুষ্যবিহীন ড্রোন। হামাসের এই রণকৌশল কিন্তু বিরল। তাই বিস্ফোরকবাহী ছোট ড্রোনের কেরামতি নিয়ে অলরেডি আলোচনা করছেন যুদ্ধ বিশারদরা।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আকাশপথে শত্রুদেশের রিস্ক বাড়াচ্ছে এই ড্রোন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রথম এই প্রবণতা শুরু হয়েছে। তারপর ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর দুই বাহিনীই বিমানবাহিনীর বিকল্প হিসাবে এসব ড্রোন ব্যবহার করেছে। এখন গাজাতেও তা দেখা যাচ্ছে। তবে এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার। বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যবহার বিস্ময়কর ভাবে বেড়েছে। পুরো পৃথিবীতে ড্রোনের বাজার দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের। সব দেশি ড্রনের দিকে ঝুঁকছে কারণ আধুনিক যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে মনুষ্যবিহীন এই যান এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান সহ বিভিন্ন যুদ্ধে এখন মানববিহীন ড্রোন ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠছে।

    বর্তমানে ১০০ টারও বেশি দেশ এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে এই মারাত্মক খতরনাক যন্ত্র রয়েছে। অনেক প্রতিরক্ষা সংস্থার কাছে ও সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহারের ছাড়পত্র রয়েছে। আর এখন এই ড্রোনে ভর করেই হামাস ইহুদি ভূমির টিকে থাকা কঠিন করে তুলছে। বাজারের সস্তা ড্রোনেই কুপোকাত হচ্ছে ইজরায়েলের ‘লৌহপ্রাচীর’।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version