Tag: hamas

  • হামাসের বিষদৃষ্টিতে আমেরিকা! গাজার সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কে পুতিন শি কানেকশন? চেপে ধরছে জর্ডন মিশর

    হামাসের বিষদৃষ্টিতে আমেরিকা! গাজার সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কে পুতিন শি কানেকশন? চেপে ধরছে জর্ডন মিশর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের বিষদৃষ্টিতে জড়িয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। পৃথিবীর অতলে এক ঝটকায় হারিয়ে যাবে গোটা দেশটা? হামাসের সুড়ঙ্গে রাশিয়া -চীনের গোপন কানেকশন? পুতিন – শি দিলেন মোক্ষম চাল। কতদূর জাল বিছিয়েছে প্যালেস্টাইনের এই সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী? ইসরাইলের জন্য হামাসের ভয়ানক চক্রব্যূহে আটকে গেল বাইডেনের দেশ। আমেরিকার মাটিতেই লুকিয়ে হামাস নিকেশের ফর্মুলা? জানেন? যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থেকে কী চাইছে আরব দেশগুলো? ইসরাইলের ৭ই অক্টোবর নেমে আসবে কি আমেরিকার বুকে? জাল বুনছে হামাস।ইসরাইল, আমেরিকা। দুটো দেশেকে তিষ্ঠতে দিচ্ছে না আর এবার যুক্তরাষ্ট্রের চোখে আঙুল দিয়ে, করলো ভয়ঙ্কর প্রেডিকশন। প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের মতোই পরিণতি হবে আমেরিকার। কি ঘটবে? ধসে যাবে গোটা দেশটা?

    আমেরিকার বিরুদ্ধে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক শক্তি একজোট হচ্ছে, একাট্টা হচ্ছে। তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকা-বিরোধী সব শক্তি একজোট হয়ে যুদ্ধে অংশ নিলে, অতীতের পাতায় জায়গা হবে আমেরিকার। একদম স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে হামাস। আরো বিস্ফোরক দাবি করেছে প্যালেস্টাইনের এই জঙ্গি সংগঠন। গাজার মাটির নিচে সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের সাথে কি কানেক্টেড শি পুতিনের দেশ? হ্যাঁ রাশিয়া এবং চীনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে হামাস। কিভাবে? হামাসের দাবি, রাশিয়া প্রতি দিন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে। হামাস নেতাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কাতার, চিন এবং রাশিয়ায় কূটনীতিকদের পাঠিয়েছে চীনও। এতো বড় কথা? তলে তলে যাতায়াত শুরু হয়ে গেছে হামাসের সঙ্গে অন্যান্য দেশের? মস্কোর মতো বেজিংয়েও হামাসের একটি প্রতিনিধি দল যাবেন বলে জানিয়েছেন হামাসের শীর্ষ আধিকারিক।

    তাহলে কি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হামাসের ভবিষ্যৎবাণী সত্যি হয়ে যাবে? মনে করিয়ে দিই, সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামো নিয়ে গড়ে ওঠা সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৯১ সালে ভেঙে যায়। একমেরু বিশ্বে নিজেদের প্রভাব-প্রতিপত্তি আরও বৃদ্ধি করে আমেরিকা। কিন্তু, দিনে দিনে বাইডেনের কাছেও প্যালেস্টাইনের জঙ্গিগোষ্ঠী যেভাবে বিরাট বড় অভিশাপ হয়ে উঠছে তাতে যুক্তরাষ্ট্রের টেনশন বাড়ছে। ওয়াশিংটন এর বুকে কাঁপুনি ধরছে। সবদিক দিয়ে ব্যাপক চাপে পড়ে গেছেন বাইডেন। যুদ্ধ থামাতে আমেরিকার উপর চাপ সৃষ্টি করছে আরব দেশগুলো। আমেরিকার বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়াতেই আছেন। তাঁর কাছে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছে জর্ডন এবং মিশর। তবে আমেরিকার বিদেশ সচিবের গলায় শোনা গিয়েছে ইজ়রায়েলের সুরই। ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‘‘যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার অর্থ গাজ়ায় হামাসের বশ্যতা স্বীকার করে নেওয়া, যা কখনওই করবে না ইজ়রায়েল।’’

    আমেরিকা অবশ্য ইজ়রায়েলকে সাময়িক ভাবে যুদ্ধ থামাতে বলেছিল। গাজ়ায় যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ নাগরিকদের মাঝে ত্রাণ বিলি করতে নেতানিয়াহুর কাছে যুদ্ধবিরতির আবেদন জানিয়েছিলেন ব্লিঙ্কেন। কিন্তু ইজ়রায়েল সেই আবেদন উড়িয়ে দিয়েছে। তাই সে দিক থেকে ভাবতে গেলে আমেরিকার কথা কানে তোলেনি ইসরাইল। এতে আমেরিকার চাপ বাড়ালো বই কমলো না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাস পাথড় হয়ে যাচ্ছে, গাজা ক্যাপচারের ছক যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে, সুড়ঙ্গে সাম্রাজ্য ইসরাইলের ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাস কী পাথড় হয়ে যাবে? গাজা ক্যাপচারের নকশা লুকিয়ে আমেরিকার মাটিতে? জানেন কোন খতরনাক বাহিনী নামানোর ছক কষছেন বাইডেন? ইসরাইলের লিমিটেড গ্রাউন্ড রেডে এতো বড় ফর্মুলা? হামাস নয়? কারা গাজার নিচে সুরঙ্গের ভেতর সাম্রাজ্য তৈরি করবে? কোন জালে জড়িয়ে গাজার ভবিষ্যৎ? সাঙ্ঘাতিক নকশা ফাঁস, দুনিয়াজুড়ে তোলপাড় শুরু। এটাই তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের মক্সদ? হামাসের জীবন নরক করার পর গাজার বুকে রাজত্ব করবে কারা? সবকিছু ঠিকঠাক? যুক্তরাষ্ট্রের মোক্ষম মাস্টারপ্ল্যান। দেখুন তলে তলে কতদূর এগোলো ইসরাইল। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট বলছে গাজায় ইসরায়েলের গ্রাউন্ড রেড সম্প্রসারিত হচ্ছে , তীব্র হচ্ছে। তাই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল দুদেশ প্যালেস্টাইনি ছিটমহলের ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে তা নিয়ে অলরেডি ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিয়েছে।

    হামাসের বিকল্প নিয়ে ভাবনা চিন্তা হচ্ছে। ভাবা যায়? পাশাপাশি গাজায় বিভিন্ন স্তরের শান্তিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরের প্ল্যানিং ও রয়েছে যদিও গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে এই আলোচনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু ব্লুমবার্গ বলছে, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ফ্রান্সের সৈন্যদের সাহায্যে ওই অঞ্চলের দেশগুলোকে গাজার তদারকির অস্থায়ী দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এতে সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আরব দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও থাকবে। এতদূর এগিয়ে গেল পশ্চিমারা? তাহলে কি হামাস-নিকেশের পথ ইসরাইলের হাতের মুঠোয়, মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁরা ১৯৭৯ সালে ইসরায়েল এবং মিসরের স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তির আদলে নতুন শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠন করতে চায়। তাছাড়া, জাতিসংঘকেও গাজার ‘অস্থায়ী দেখভালের’ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। কিন্তু ইসরায়েল এতে বিশেষ আগ্রহী নয়।

    মোদ্দা কথা,গাজার মাটির নীচে সুরঙ্গ নেটওয়ার্ক থেকে হামাসকে উৎখাত করতে ইসরাইল এবং যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো ত্রুটি রাখছে না বা রাখবেনা সেটা একেবারে স্পষ্ট। আর একবার, হামাসকে ইসরায়েল সফলভাবে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে পারলে গাজা উপত্যকার কন্ট্রোল নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে দিতে পারে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। চান্স বাড়ছে আর সব থেকে বড় খবরটা হল গাজার নিরাপত্তার জন্য যে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠনের কথা ভাবছে মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা। সেই বাহিনীর অংশ হিসেবে গাজায় মার্কিন সৈন্যদেরও মোতায়েন করা হতে পারে। ব্লুমবার্গের এই রিপোর্ট ঘিরে চারিদিকে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গেছে।

    ইঙ্গিত পাওয়া গেছিল ব্লিঙ্কেনের কথাতেই। মার্কিন সিনেটের আপ্রোপ্রিয়েশন্স কমিটির শুনানিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, গাজার দায়িত্বে হামাসের আর থাকা চলবে না, কিন্তু ইসরাইলও গাজা পরিচালনার দায়িত্ব নিতে চায় না। এটা তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন। এই দুইয়ের মাঝে ‘বিভিন্ন সম্ভাব্য পয়েন্টগুলো’ তারা খুঁজে দেখছেন। ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হবে কার্যকর ও পুনরুজ্জীবিত প্যালেস্টাইনি কর্তৃপক্ষকে গাজা শাসনের দায়িত্ব দেওয়া। না হলে অন্যান্য অস্থায়ী ব্যবস্থা আছে। যেমন ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশকে যুক্ত করা। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকেও নিয়োগ করা। যারা নিরাপত্তা ও শাসন, উভয় ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। বিরাট প্ল্যানিং করছে যুক্তরাষ্ট্র। হামাসকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়াই ইসরাইলের এক এবং একমাত্র লক্ষ্য। তবে, পুরোটা এতো সহজ হবেনা নেতানিয়াহুর দেশের জন্য। কারণ হামাস গলা খুলে বলছে আল-আকসা ফ্লাড শুধু একবার করা হয়েছে এমন নয়। দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থবারও করা হবে। তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ! ৭ অক্টোবর আবারও হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসকে ফান্ডিং করতেন নেতানইয়াহুই! সিক্রেট ফাঁস ইজরায়েলের, কেন বুমেরাং হল গোপন প্ল্যান ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসকে রীতিমত ফান্ডিং করত ইজরায়েলই! গোপন তথ্য ফাঁস নেতানইয়াহুর সিক্রেট প্ল্যান বুমেরাং হয়ে গেল কীভাবে? হামাসের হাত কার বিরুদ্ধে শক্তিশালী করেছিল ইজরায়েল কত কত টাকা টানেলের মাধ্যমে তেল আভিভ পাঠাতো জানেন? হামাস আজ হামাস হয়েছে ইজরায়েলের মদতে? ফাঙ্কেসটাইনের দৈত্যকে ইজরায়েল তাহলে নিজের হাতেই তৈরি করেছিল? নেতানইয়াহু আমেরিকার চোখকে ফাঁকি দিয়ে গোপনে কোন চাল চেলেছিলেন যা আজ ব্যাকফায়ার করে গেল? নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও সবটাই জানত? আপনার শুনে মনে হচ্ছে না নিজেদের শত্রুকে কেন শক্তিশালী করতে চেয়েছিল তেল আভিভ? এতদিন তো কেউ বিশেষ জানতই না এই তথ্য। তবে গোপন এই কথা ফাঁস করলেন। সৌদি আরবের প্রাক্তন গোয়েন্দা-প্রধান প্রিন্স তুর্কি আল-ফয়জ়ল ২০ অক্টোবর ইজ়রায়েলে-হামাসের এই বিশেষ সমীকরণ গোটা বিশ্বের কাছে ফাঁস করে দেন তিনি। আর তারপর তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ইজ়রায়েলও কিন্তু এর বিরোধিতায় সরকারি ভাবে তেমন কড়া কোনও মন্তব্য করেনি ইজরায়েল বলছে হামাসের সবচেয়ে বড় বন্ধু ইরান ও তুরস্ক সিরিয়াও নাকি তলে তলে সাহায্য করেছে।

    ফাতাহকে শেষ করতেই হামাসকে সাপোর্ট? ফাতাহ কারা? এরা কীভাবে ক্ষতি করতে পারত ইজরায়েলের যে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে চেয়েছিলেন নেতানইয়াহু সেই কাঁটাই ফুটল ইজরায়েলের গলায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্যালেস্তাইনের রাজনৈতিক দল ফাতাহকে দুর্বল করাই আসলে ছিল ইজরায়েলের লক্ষ্য তাই সূত্রের খবর, গাঁটের কড়ি না-হলেও কাতার প্রভৃতি দেশ থেকে আসা বিপুল ফান্ডিং লাগাতার হামাসের ডেরায় পৌঁছে দিয়ে আসছে নেতানিয়াহুর সরকার কিন্তু কেন? গাজা এবং পশ্চিম তীরের প্যালেস্তিনীয় অঞ্চলগুলি হামাস আর ফাতাহর মধ্যে বিভক্ত হয়েছিল নেতানইয়াহুর সরকার ভেবেছিল গাজাকে হাতের মুঠোয় করতে গেলে ফাতাহকে দমিয়ে রাখতে হবে ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক আর গাজ়ার দখল নিয়েই তো আসলে টানাপড়েন। ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে সরাসরি প্যালেস্তাইন সরকারের নিয়ন্ত্রণে। গাজ়াও কিন্তু একটা সময়ে তাই ছিল তবে ভোটে জিতে যা ছিনিয়ে নেয় হামাস। আর এই এক চিলতে ভুখন্ড গাজ়া ছাড়া সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয় প্যালেস্তাইনের পক্ষে। তাই গাজ়াকে হাত করে আদতে প্যালেস্তাইনকেই ঠুঁটো করতে চেয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার।

    ৭ অক্টোবর হামলার পর ইজরায়েল ভারতের কাছে যে হামাসকে জঙ্গি সংগঠন বলে ঘোষণা করার আবেদন করেছে হাস্যকরভাবে সেই ইজরায়েলর সহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, মিশর এবং জাপান হামাসকে একটি আঞ্চলিক সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের দাবি হামাসকে খাইয়ে পড়িয়ে শক্তিশালী করার কারণ নেতানিয়াহুর ওয়ান পয়েন্ট অ্যাজেন্ডা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে যাতে মাথাচাড়া দিতে না পারে। প্যালেস্তাইন এছাড়াও কাতারি অর্থ হামাসের হাতে পৌঁছে দেওয়ার আরও একটা কারণ। নেতানিয়াহু যেনেতেনপ্রকারেণ গাজ়ায় শান্তি কিনতে চেয়েছিলেন সে জন্য গাজ়াবাসীদের যথেচ্ছ ওয়ার্ক পারমিটও দিয়ে এসেছে তাঁর সরকার। তাহলে হামাস কেন হঠাত করে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে চলে গেল?নেতানইয়াহুকে কি বোকা বানিয়ে দিল ইজরায়েলিরাই। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞমহল বলছে ২০১৭ থেকে হঠাৎ খেলা ঘুরতে শুরু করে। হামাস রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেয় প্যালেস্তাইনের কাঁধে কাঁধ মেলাতে তাদের কোনও আপত্তি নেই। বরং ‘ইহুদি-আগ্রাসন’-ই যে তাদের আসল শত্রু।

    কূটনৈতিক মহলের একাংশের দাবি এরপরেই টানেল নেটওয়ার্ক বানিয়ে ইজ়রায়েলকে কার্যত অন্ধকারে রেখেই ঘুরপথে নিজেদের পকেট ভরতে থাকে হামাস। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কেন তা ধরতে পারলেন না? এক্ষেত্রে একাংশের দাবি হামাসকে খতম করার পাশাপাশি’ মূর্খের স্বর্গে’ বাস করা নেতানিয়াহুকেও ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছেন ইজ়রায়েলিদেরই একটা বড় অংশ। হয়ত সেজন্যই অন্ধকারে রাখা হয়েছিল তাঁকে। তাহলে মোসাদ কি জানত এমন কোনও হামলা হতে পারে কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নেতানইয়াহুকে জানাতে চাইনি তারা? বিভিন্ন মহলে উঠছে এধরণের প্রশ্নও এবার দেখার কালে কালে ইজরায়েল-হামাসের আর কত গোপন তথ্য ফাঁস হতে পারে এবার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • সাগরে কীভাবে আগুন ছড়াচ্ছে হামাস? পাওয়ার হাতের মুঠোয়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সাগরে আগুন ঝড়াচ্ছে হামাস। এবার জলে নামিয়ে দিলো এ কোন ভয়ঙ্কর কারেন্ট মাছ? টর্পেডোর কাঁটায় বিঁধবে ইসরাইলের পাওয়ার। জোর শক দেবে “আল আসেফ”? ১ সেকেন্ডেই হাই ভোল্টেজ পাওয়ার? ভারতের ক্ষমতায় কাঁপে শত্রু দেশ। ইন্ডিয়ান নেভির গেম চেঞ্জা রইসরাইলের রিস্ক বাড়ছে। বড় ট্র্যাপে ইহুদী ভূমি। সাগরে বিদ্যুৎ খেলাচ্ছে টর্পেডো। প্রবল শক্তি সঞ্চয় হামাসের। ইলেকট্রিক ইল মাছের মতো এই খতরনাক অস্ত্র কাঁপিয়ে দিতে পারে ইহুদী ভূমিকে। তাহলে কী এই কারেন্ট জালেই ফেঁসে যাবে ইসরাইলি সেনা? কী এই টর্পেডো?

    ভারতের হাতেও আছে এই গেম চেঞ্জার টর্পেডো। তাও আবার দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। শুনলে চমকে যাবেন, ভারতের হাতে আছে এমন সাঙ্ঘাতিক সিস্টেম যেখানে সাধারণ টর্পেডো পৌঁছতে পারবে না, সেখানে কাজ করবে ওই স্মার্ট টর্পেডো সিস্টেম। বর্তমান যুগে, যে কোনও দেশের নৌবাহিনীর অন্যতম নির্ভরযোগ্য অস্ত্র। বিশেষ করে শত্রু সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে টর্পেডো একেবারে দুর্ধর্ষ। সিগার-আকৃতির, অটোনমাস আন্ডারওয়াটার মিসাইল। আধুনিক টর্পেডোতে রয়েছে এমন এক জটিল প্রযুক্তি, যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ভয়ঙ্কর শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। যে কোনও টর্পেডোর একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জ থাকে। লক্ষ্যবস্তুকে ওই সীমার মধ্যে থাকতে হবে। তবেই আঘাত হেনে শত্রুর সাবমেরিন ধ্বংস করতে পারে টর্পেডো। গুঁড়িয়ে দিতে পারে শত্রুদেশের রণতরী ও।বিশ্বের তামাম নৌসেনা বিভিন্ন রকমের টর্পেডো ব্যবহার করে। আর সেই খতরনাক অস্ত্র এবার প্যালেস্টাইন জঙ্গি গোষ্ঠীর হাতে। আল আসেফ নামের ওই টর্পেডো হামাসের অস্ত্রভান্ডারকে আরও বেশি পাওয়ারফুল করলো।

    ব্যাপক চাপে পড়ে গেল ইসরাইল। অলরেডি টর্পেডো তৈরি এবং পরীক্ষা করার ভিডিও প্রকাশ করে দিয়েছে হামাস। ইসরাইলি পেট্রল বোট ও যুদ্ধজাহাজকে ধ্বংস করে দেওয়াই হামাসের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এই আল আসেফের একমাত্র টার্গেট। নতুন মিশনে হামাস। জলপথে ইসরাইলের বুকে কাঁপুনি ধরাচ্ছে টর্পেডো। ভিডিওতে দেখানো হয়েছে মাটির নিচে সুড়ঙ্গের ভেতর কিভাবে টর্পেডো বানিয়েছে হামাস। যা ছোড়া হচ্ছে একটা অস্থায়ী প্ল্যাটফর্ম থেকে। তবে এর গতি, পাল্লা কিংবা এতে কি পরিমাণ বিস্ফোরক রয়েছে সেগুলো কিছুই স্পষ্ট করেনি হামাস। সালভোস রকেটের পর টর্পেডো, কিভাবে সামাল দেবে ইহুদী ভূমি? বিষয়টা ইসরাইলের জন্য চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু ভারতের কাছে জলভাত।

    কারণ বরুণাস্ত্র, তক্ষক, শৈন। ২০১৬ থেকে শুরু। সময়ের সাথে সাথে ইন্ডিয়ান নেভিতে টর্পেডোর একের পর এক আধুনিক ভার্সন এসেছে একে একে। এমনকি ভারতের হাতে আছে স্মার্ট টর্পেডো সিস্টেম। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা এমন সিস্টেম যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র ও টর্পেডো প্রযুক্তির মিশ্রণ ঘটানো হয়েছে। না এখানেই শেষ নয়।ভারতে আরও কয়েকটা নতুন ধরনের টর্পেডো নিয়ে গবেষণা চলছে। যেগুলিকে বলা হচ্ছে গেম চেঞ্জার। অর্থাৎ, যা একবার নেভিতে অন্তর্ভুক্ত হলে, ভারত গোটা বিশ্বের সমীহ আদায় করে নেবে। টর্পেডো-যুদ্ধে ভারত একলাফে অনেকটা এগিয়ে যাবে। এখন দেখার ইসরাইল হামাসের এই নতুন মিশনকে সামাল দিতে কোন পথে হাঁটে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের সুড়ঙ্গ ভেসে যাবে ভূমধ্যসাগরের জলে ? ইহুদী ভূমির লুকনো হাতিয়ার, ছিটকে যাবে গাজা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের সুড়ঙ্গ ফাটিয়ে হুহু করে ঢুকবে সাগরের জল? ইহুদী ভূমির “গ্রাউন্ড অপারেশন” হামাসের জীবনকে কিভাবে নরক করে দেবে “গাজা মেট্রো”র দফারফায় ইজরায়েলের সাঙ্ঘাতিক ছক। তাহলে কী গাজার মাটির তলা দিয়ে বইবে ভূমধ্যসাগর? প্যালেস্টাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী গোড়া থেকে নির্মূল হবে? একটু একটু করে গোটা দুনিয়া থেকে ছিটকে যাচ্ছে গাজা। সাগরের জলেই লুকিয়ে ইজরায়েলের খতরনাক হাতিয়ার, দেখিয়ে দেবে উৎখাত কাকে বলে। ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে প্যালেস্টাইন জঙ্গি গোষ্ঠী। হামাস? হামাসের আস্তানা, সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের হাল বেহাল করতে ইজরায়েলের নতুন প্ল্যান। লিমিটেড গ্রাউন্ড রেড কতটা মারাত্মক হতে পারে দেখবে গোটা দুনিয়া। ভরসা ভূমধ্যসাগর।

    গাজ়া ভূখণ্ডে সুড়ঙ্গের ডেরা থেকে হামাস যোদ্ধাদের উৎখাত করতে ভূমধ্যসাগর থেকে বিপুল পরিমাণ জল ঢুকিয়ে সুড়ঙ্গে আত্মগোপনকারী হামাস বাহিনীকে বাইরে আনার নকশা অলরেডি তৈরি করে ফেলেছে ইসরাইল। জানেন এই জল ভরো অভিযান কতটা চ্যালেঞ্জিং হামাসের জন্য? প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ গাজ়া উপকূলের একাংশ ইজ়রায়েল নেভির দখলে রয়েছে। সেখান থেকেই শুরু হতে পারে এই ‘জল ভরো’ অভিযান। টানা ২০ দিন ধরে বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চললেও এখনও গাজ়ায় পুরোদস্তুর ‘গ্রাউন্ড অপারেশন’ শুরু করেনি ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাহিনী। হ্যাঁ মানে যা দেখছেন শুনছেন, এটা শুধুই ট্রেলার। লেটেস্ট আপডেটটা জানুন, কয়েকটা সুড়ঙ্গের মুখের কাছে পৌঁছে গিয়েছে ইসরাইলের আইডিএফ। তাহলে এবারেই কী শুরু হবে হামাস নিকেশ অপারেশন? হামাস কী সবটা চুপচাপ দেখবে? ইসরাইলকে ঠেকাতে আইডিএফ এর উপর ‘সম্পূর্ণ শক্তি’ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা জানিয়ে দিয়েছে প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। থামতে নারাজ ইসরাইল ও। হামাসকে ঠেকাতে গাজ়া ভূখণ্ডে আরও ফোর্স বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাহিনীও। টার্গেট একটাই, পণবন্দীদের উদ্ধার।

    বার বার তেল আভিভ হামাসের হাতে পণবন্দিদের উদ্ধারের জন্য গ্রাউন্ড রেড অপারেশনের কথা বললেও তাদের সামনে ‘মূর্তিমান আতঙ্ক’ হয়ে দাঁড়াচ্ছে গাজ়ায় হামাসের বানানো সুড়ঙ্গ-নেটওয়ার্ক। একাধিক স্তরে বিন্যস্ত প্রায় ৫০০ কিলোমিটারের এই সুড়ঙ্গপথ ব্যবহার করেই ইসরাইল ফৌজের বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাত চালাচ্ছে হামাস বাহিনী। ভুলে গেলে চলবে না, হামাসের অস্ত্র, বিস্ফোরক, জ্বালানি এবং খাদ্য মজুত রয়েছে ওই সুড়ঙ্গগুলিতেই। এই সুরঙ্গ গুলোকে গাজার সঙ্গে বহির্বিশ্বের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়। অতএব আসল খেলাটা কিন্তু মাটির নীচে। কয়েকটি রিপোর্টে দাবি, ওই সুড়ঙ্গপথগুলোর মুখ কোথাও গাজ়ার বাসিন্দাদের ঘরে, কোথাও কোনও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে, কোথাও সরকারি দফতরে, এমনকি হাসপাতালেও। সেই সুড়ঙ্গ নাকি সীমান্ত পেরিয়ে এক দিকে মিশর এবং অন্য দিকে ইজ়রায়েল পর্যন্ত বিস্তৃত।

    এই কারণেই ইজ়রায়েলি সেনা হামাসের এই সুড়ঙ্গ জালকে ‘গাজ়া মেট্রো’ বলে। যেখানে রয়েছে খাতারনাক ক্ষেপণাস্ত্র, গোলা বারুদ, রকেট ও গড়ে আড়াই মিটার উঁচু এবং এক মিটার চওড়া ওই সুড়ঙ্গগুলো এতটাই পোক্ত যে গত ২০ দিনের ধারাবাহিক আকাশ-হামলাতেও তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে প্যালেস্টাইনের সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি। আর তাই গ্রাউন্ড রেডের ক্ষেত্রে গাজার নীচের বিস্তৃত সুড়ঙ্গ টেনশন বাড়াচ্ছে ইসরাইলের। এই পরিস্থিতিতে তেল আভিভের এক এবং ভরসা ভূমধ্যসাগরের জল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত মেটাবে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন দ্বন্দ্ব! কাতারের চেষ্টা লোক হাসাবে, দিল্লির নতুন পথে পা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত হবে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী। কাতারের সঙ্গে ইজরায়েলের সম্পর্কই তলানিতে তাহলে মধ্যস্থতা করার বৃথা চেষ্টা কেন? হামাসকে কেন জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করল না দিল্লি, মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে দিল্লির মোটিভ কী? রহস্য ঘনাচ্ছে আপনার কি মনে হয় ভারত হতে পারে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী। মধ্যস্থতা তখনই করা যায় যখন দুপক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক সমান থাকে কিন্তু কাতার এই দুঃসাহস দেখালো কীভাবে?
    ইজরায়েলের সঙ্গে তাদের তলানীতে থাকা সম্পর্কের কথা কি ভুলে গেছে কাতার? কাতারের সেই জায়গা কি এবার কেড়ে নেবে দিল্লি? ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধে যারা ভারতের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা দেখছেন তাদের মধ্যে থেকেই প্রশ্ন উঠছে ভারত কি এবার মধ্যস্থতা করতে পারে দুপক্ষের মধ্যে?

    ইজরায়েলের আবেদন সত্ত্বেও ভারত হামাসকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করেনি। অথচ ভারতই দাবি করেছিল ইজরায়েলের ওপর হঠাৎ হামাসের হামলাকে জঙ্গি হামলা হিসেবেই দেখছে দিল্লি। তাহলে কি প্যালেস্টাইনের পক্ষে কোনও রাস্তা খোলা রাখা হচ্ছে আর সেটা জেনেবুঝেই। ভারত ইজরায়েল না প্যালেস্টাইন কাকে সাপোর্ট করছে এই যুদ্ধে সেক্ষেত্রেও কিন্তু দিল্লির বেশ সাবধানী অবস্থান। কিছু দিন আগে রাষ্ট্রপুঞ্জে ইজ়রায়েল-হামাস যুদ্ধ নিয়ে ভোটাভুটি হয়েছিল তা থেকে বিরত ছিল ভারত। গাজ়ায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনা হয়েছিল রাষ্ট্রপুঞ্জে। ভারত সেখানে কোনও ভোট দেয়নি। তাহলে ভারত কি চাইছে যুদ্ধ চলুক? একেবারেই নয়, নোট করবেন ৩৮ টন ত্রাণসামগ্রী নিয়ে গাজাতেও উড়ে গিয়েছে ভারতের বিমান। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন এখান থেকেই একটা প্রশ্ন উঠে আসছে আগেও যেভাবে ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইনের মধ্যে মধ্যস্থতা করে এসেছিল ভারত এবারও কি সেটাই করবে? ২০২০ সালের এই রিপোর্ট দেখুন যেখানে রাষ্ট্রপুঞ্জ মনে করেছিল ভারত একমাত্র এমন দেশ যাদের সম্পর্ক ইজরায়েলর সঙ্গেও বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্যালেস্টাইনের সঙ্গেও ভালো। তাই ভারত এদের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে পারে।

    দেখুন প্যালেস্তাইন ভেঙে ইজ়রায়েলের জন্মলগ্নে ভারত এই দেশভাগকে সমর্থন করেনি। ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইহুদি রাষ্ট্র ইজ়রায়েল গঠিত হয়। পরে ১৯৫০ সালে ভারত ইজ়রায়েলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়। এদিকে কাতার নিয়ে কথা বললে বলতে হয় ইজরায়েলের সঙ্গে কাতার কোনও সম্পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কই নেই। বরং কাতার হামাসের সঙ্গে অনেক বেশি যোগাযোগ রেখে চলে। অবশ্য শুধু হামাস নয় বিশ্বের তাবড় তাবড় জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে কাতার সম্পর্ক রক্ষার নীতি রয়েছে। তবে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে না। সেই কাতার ইজরায়েলকে নিয়ে মধ্যস্থতায় নামলে তেল আভিভ কেন তাদের কথা শুনবে বলতে পারেন? ইজরায়েলের ওপর ৭ অক্টোবর হামলা হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এই হামলার তীব্র নিন্দা করছে ভারত আমরা ইজরায়েলের পাশে আছি। এরপর বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে দেয় ভারত কিন্তু স্বাধীন প্যালেস্টাইন গড়ার পক্ষে আদতে ইজ়রায়েল-প্যালেস্তাইন দ্বন্দ্বে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি স্থাপনের কথাই বারবার বলেছে ভারত। তাই ভারত এবার মধ্যস্থতাকারীর অবস্থান নিতেই পারে এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মাটিতে মিশে গেল মোসাদ- আইডিএফ। কোন জালে আটকা পড়লো ইসরাইল ? চরম ভুলের মাশুল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ধুরন্ধর মোসাদ মাটিতে মিশে গেল। ইসরাইল ফোর্সের উপরেও নেমে এলো বিশাল ফাঁড়া। যুদ্ধের মাঝেই নেতানিয়াহুর সুপার মুভ। হামাসের প্ল্যানে মোসাদের হাত? সত্যিই কি সব জানতো আইডিএফ? কোন অন্ধকারে ডুবে ছিলেন নেতানিয়াহু? এ কোন জালে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়াচ্ছে ইসরায়েল? নিজেদের মধ্যেই আকচা আকচি শুরু। হামাসের তাণ্ডব ইসরায়েল কে কোথায় পৌঁছে দিল? সব জেনেও ঘাপটি মেরে বসেছিল ইসরাইলের সাঙ্ঘাতিক ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি মোসাদ? ব্যর্থতা নাকি কন্সপিরেসি? প্রশ্নটা উঠল ইহুদী ভূমিতেই। তুললেন খোদ ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ইসরাইলের উপর হামাসের হামলা হঠাৎ নয়? জেহাদি নেটওয়ার্কের নাড়ির খবর টেনে বের করতে যারা ওস্তাদ, ইসরাইলের সেই গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ, সেনাবাহিনী আইডিএফ সবাই হামাসের প্ল্যানিং জানতো?

    সেই খবর ঘুনাক্ষরেও টের পাননি নেতানিয়াহু। জানতেন না নাকি জানতে দেওয়া হয়নি? ইসরাইলের উপর হামাস অ্যাটাকের প্ল্যান নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নেতানিয়াহুর। ঠিক কি বলেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও তোলপাড় শুরু? ইসরাইলের সেনা ও গোয়েন্দা বিভাগের কাছে হামাসের পরিকল্পনার খবর থাকলেও সেই বিষয়ে নেতানিয়াহুকে কিছুই জানানো হয়নি। হামাসের আচমকা হামলা নিয়ে তিনি কিছুই জানতেন না বলে সাফ দাবি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর। আন্দাজ করতে পারছেন কত বড় কথা বলে দিয়েছেন নেতানিয়াহু? ইসরাইল কী নিজেদের জালেই নিজেরা জড়িয়ে যাচ্ছে?

    অলরেডি নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য ঘিরে ইসরাইলের অন্দরেই বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। এতো বড় যুদ্ধের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য আসলে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো আচরণ বলেই মনে করছে ইসরাইলের রাজনৈতিক মহল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মন্তব্য নিয়ে নেতানিয়াহু পোস্ট ও দিয়েছিলেন, কিন্তু বিরোধী রাজনীতিকদের তোপের মুখে পড়ে পোস্টটা পরে ডিলিট করে দেন। তবে তাতে বিতর্কের ঝড় থামেনি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে ইসরাইল যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে, এখন দেশের নেতাদের উচিত দায়িত্ব সহকারে কাজ করা! দেশের সেনাকে সঠিক পথে চালনা করা, যেন তারা নির্দিষ্ট কাজটা শেষ করতে পারে আর যাদের কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে নেতানিয়াহু এতো বড় মন্তব্য টা করে বসলেন তাঁরা কী বলছেন? নেতানিয়াহুর মন্তব্য নিয়ে মুখ খুলতে চাননি ইজরায়েল সেনার মুখপাত্র।আপাতত যুদ্ধের দিকেই মন দিতে চাইছেন তাঁরা। কিন্তু ৭ ই অক্টোবর থেকে শুরু করে এতোগুলো দিন কেটে গেল, যুদ্ধ চলছে। থামার কোনও ইঙ্গিত ও নেই। আর ঠিক তারই মাঝে দেশের সেনা, গোয়েন্দাদের বিরুদ্ধে নেতানিয়াহু এতো বড় মন্তব্য করে বসলেন কী এমনি এমনি?

    বিরোধীদের দাবি, রাজনৈতিকভাবে নিজের দিকে সমর্থন পেতেই এই স্ট্র্যাটেজি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর। ইসরাইলের বুকে হামাসের হামলার পরেই প্রশ্ন উঠেছিল, কিভাবে মোসাদকে ঘোল খাওয়াল প্যালেস্টাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস? এত বড় অভিযানের পরিকল্পনার কথা কেন জানতে পারল না ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ? গলদটা কোথায়? অতিরিক্ত গ্যাজেট নির্ভরতাই ইহুদী ভূমির কাল? রিপোর্ট মোতাবেক, এটাও সামনে উঠে আসে যে হামাস আক্রমণের দিনক্ষণ নিয়ে আগেই নাকি ইজরায়েলকে সতর্ক করেছিল মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ। হামলার একদিন আগেই আমেরিকার আধিকারিকদের হাতে একটি রিপোর্ট আসে যেখানে, হামাসের সন্দেহজনক কার্যকলাপ নিয়ে বেশ কিছু তথ্যের উল্লেখ ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ সেই খবর যে ইসরাইল কে জানাবে এটা স্বাভাবিক। প্রশ্ন উঠেছিল তাহলে কী ভয়ংকর কোনও বিপদ যে শিয়রে সেই সম্পর্কে সব জানতো নেতানিয়াহুর সরকার? এই নিয়ে ইসরাইলের ভেতরেই জোর চাপানউতোর শুরু। তার মধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে আরও চাপে নেতানিয়াহু। তাহলে কী চাপে পড়ে নিজেকে বাঁচাতেই কূটকৌশলের পথে হাঁটলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী? এই একটা প্রশ্নই চারদিকে ঢিঢি পড়ে গেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • গাজায় যুদ্ধ ‘দীর্ঘ’ এবং আরও ‘কঠিন’ হবে! হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    গাজায় ইসরায়েলের হামলা দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘দীর্ঘ’ এবং ‘আরও কঠিন’ হবে! হুঁশিয়ারি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী। নেতানিয়াহুর দাবি “আমরা জিতবো, আমরা জয়ী হবো।হামাসকে পরাজিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।” আরো একগুচ্ছ বক্তব্য জানালো ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। যুদ্ধ বিরতি কি দেওয়া হবে না হামাস কে?কবে থামবে এই লড়াই? জিম্মিরা কি মুক্তি পাবে? গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হামলা দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শনিবার এক টেলিভিশন ভাষণে এই যুদ্ধকে দীর্ঘমেয়াদী ও কঠিন যুদ্ধ এবং ইহুদিদের টিকিয়ে রাখতে তিন হাজার বছরের পুরনো যুদ্ধ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আমরা জিতব। হামাসকে পরাজিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

    হামাসকে পরাস্ত করতে ইসরায়েলি অতিরিক্ত স্থলবাহিনী এখন গাজা উপত্যকার সর্বত্র মোতায়েন রয়েছে বলে তিনি জানান। তার এমন ঘোষণার পরপরই শনিবার রাতে দক্ষিণ ইসরায়েল থেকে গাজায় একাধিক হামলার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এদিকে গাজা শহরকে একটি যুদ্ধক্ষেত্র ঘোষণা দিয়ে বাসিন্দাদের দক্ষিণে চলে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ লিফলেট ফেলা হয়েছে। ইন্টারনেট মনিটরিং গ্রুপ নেটব্লকস বলেছে, গাজা উপত্যকায় শুক্রবার থেকে টেলিফোন লাইন ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় সেখানকার বেসামরিক নাগরিকরা বহির্বিশ্ব থেকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। তবে রোববার সকাল থেকে তা আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

    গত ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে এ লড়াইকে ইসরায়েলের দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এদিকে নেতানিয়াহুর ঘোষণার ফলে গাজায় আটক জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করা একটি গৌণ উদ্দেশ্যে পরিণত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত সাতই অক্টোবর ইসরাইল থেকে অপহৃত ২২০ জনেরও বেশি জিম্মির বিনিময়ে হামাস ইসরাইলের কারাগারে থাকা সব ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তির প্রস্তাব দেয়। হামাস এ পর্যন্ত কয়েকজন জিম্মিকে মুক্তি দিলেও এখনও বেশিরভাগ তাদের হাতে বন্দি রয়েছে।জিম্মিদের নিরাপত্তা ও মুক্তি নিশ্চিত করতে ইসরাইল গাজায় সামরিক হামলা থামাতে পারে, যারা এমনটা আশা করেছিলেন নেতানিয়াহুর ঘোষণা অনুযায়ী তারা অনেকটাই হতাশ।

    হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের এই যুদ্ধকে তিন স্তরে ভাগ করার কথা জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট। গত সপ্তাহে, পার্লামেন্ট কমিটিকে তিনি বলেছেন, ‘প্রথম পর্যায়ে অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল, হামাসকে পরাজিত ও ধ্বংস করার জন্য তাদের অবকাঠামো ধ্বংস করা।’ তিনি দ্বিতীয় পর্যায়টিকে ক্রমাগত লড়াই হিসাবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘দ্বিতীয় পর্যায়ে ইসরাইলি সেনারা, হামাস সদস্যদের খুঁজে বের করে তাদের নির্মূল করার লড়াই চালিয়ে যাবে।’ এবং তৃতীয় পর্যায়ে, ‘ইসরাইলের নাগরিকদের জন্য নতুন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হবে,’ সুতরাং এখনই যুদ্ধ থামার কোন আভাস পাওয়া যাচ্ছে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • গাজার ওপর সবথেকে খতরনাক হামলা! ইজরায়েলের ক্রোধে ভাগ ভুখন্ড, ছোঁয়া যাচ্ছে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    গাজায় রাতের অন্ধকারে পূর্ণশক্তি দিয়ে হামলা ইজরায়েলের। বিশ্ব টের পাওয়ার আগেই কত বড় ক্ষতি? গোটা গাজায় এখন ব্ল্যাক আউট দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন। কাতারের মধ্যস্থতার চেষ্টা দাহা ফেল। কেউ টের পাওয়ার আগেই সব শেষ। হামাস এবার আমাদের ক্রোধ দেখবে ঠিক এই হুমকিটা দিয়ে ২৭ অক্টোবর রাতে গাজার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ইজরায়েল। আগে যা পরিস্থিতি ছিল বর্তমান অবস্থা আরও করুণ। গাজার প্রায় ২ মিলিয়নেরও মানুষের বসতির উপর রাতের অন্ধকারে নেমে আসে আঘাত। সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানাচ্ছে শুক্রবার রাতে ব্যাপক বোমা হামলা শুরু করে ইসরাইলি বিমান বাহিনী। এতে গাজায় বন্ধ হয়ে যায় মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিসেবা। রাত থেকেই গাজায় আটকে থাকা আত্মীয় পরিজনদের কোনও খোঁজ পাচ্ছেন না পরিবারগুলি। এমনকী গাজার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে না সংবাদ সংস্থাগুলিও এই পরিস্থিতিতে সকলকে পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছে প্যালেস্টাইন।

    এই অভিযান শুরুর আগে গাজার সাধারণ নাগরিকদের দক্ষিণে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর সেদিক লক্ষ্য করেই একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। আর এনিয়েই আন্তর্জাতিক মহলে উঠেছে বড়সড় প্রশ্ন। বলা হচ্ছে যতদিন ধরে এই আক্রমণ চলছে এখন অবধি এটাই সবথেকে খতরনাক হামলা ইজরায়েলের। এর মানে হামাস যে যুদ্ধবিরতির দাবি করছিল বা কাতারের মধ্যস্থতায় হামাস-ইসরাইলের মধ্যে যে কোনো সময় যুদ্ধবিরতি হতে পারে বলে জানিয়েছিল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সেটা তাহলে দাহা ফেল হয়ে গেল। আন্তর্জাতিক মহল বলছে যুদ্ধবিরতি হলেও হামাস যাতে মাথা তুলে আর না দাঁড়াতে পারে এটা তারই নমুনা। অনুমান করা হচ্ছে যুদ্ধবিরতির আগেই গাজায় ইসরাইলি সৈন্যরা বড় স্থল অভিযান শুরু করতে পারে। হয়ত যুদ্ধবিরতির আগে শেষবারের মতো এটাই তীব্র হামলা বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দাবি গাজার সঙ্গে পুরোপুরি সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এমূহুর্তে কোনওধরণের ত্রাণ সেখানে পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। ইজরায়েলের আর্মির মুখপাত্র রেয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হেগরীর দাবি ভোরের ‘শেষ কয়েক ঘন্টায় তারা গাজায় লাগাতার বোমাবৃষ্টি চালিয়েছে। যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি এবার কোন  পর্যায়ে এগোয় হামাস কি আর মাথা তুলে দাঁড়ানোর অবস্থায় থাকবে না ইজরায়েলকে কি কোনওভাবে রোখা যাবে?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • গাজার মাটির নীচে বিছানো হামাসের জাল, সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কই ইসরাইলের জীবন্ত ফাঁদ! কী হয় সেখানে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    লোহার বর্মে নিজেদের ঢেকে রাখে হামাস? কেন হামাসের গায়ে এতটুকু আঁচও লাগছে না? কোথায় থাকে এরা? গাজার নীচে হামাসের এক অন্য জগৎ। কী চলে এর ভেতর? আপনি আন্দাজ করতে পারছেন না। হামাসকে নির্মূল করা ইসরাইলের জন্য কি এতটাই সোজা হবে? গাজার মাটির নীচে মাকড়সার জালের মতো কি বিছিয়ে রেখেছে হামাস? রিস্ক বাড়ছে, ইজরায়েলের স্থল অভিযান মারাত্মক চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে। আসল যুদ্ধটা হবে মাটির নীচে? হামাসের সুড়ঙ্গ ইসরাইলের জীবন্ত ফাঁদ। মাটির উপরে যে গাজা কে দেখছেন সেটা আসলে কিছুই না। আসল খেলাটা চলে মাটির নীচে। পুরো গাজার নীচে ছড়িয়ে রয়েছে হামাসের সুড়ঙ্গের অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ক।যা ইসরাইলি বাহিনীর জন্য একটা মূর্তিমান আতঙ্ক। তাহলে কী আসল যুদ্ধটা মাটির নীচে? একটা জিনিস ভেবে দেখেছেন? গাজায় যতই ইসরাইল মারণাস্ত্রের হামলা চালাচ্ছে, ততোই সাধারণ মানুষের মৃত্যু মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। কিন্তু হামাসের টিকিটাও ছুঁতে পারছে না ইসরাইল। কেন?

    হামাসের গায়ে আঁচ অব্দি লাগছে না। এখান থেকেই রহস্যের শুরু। বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজার মাটির নীচে অন্য জগৎ আছে হামাসের। শত শত কিলোমিটারের সুড়ঙ্গ। এসব সুড়ঙ্গ দিয়েই সামরিক সরঞ্জাম গাজায় নিয়ে আসে হামাস। মাটির নীচে সুবিশাল সেই সুড়ঙ্গ কতটা বিস্তৃত আন্দাজ করাও কঠিন। এই সুড়ঙ্গগুলোকে গাজার সঙ্গে বহির্বিশ্বের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়। সাধেই কী বিশ্বের সবচেয়ে বড় “উন্মুক্ত কারাগার” হিসেবে পরিচিত প্যালেস্টাইনের গাজা উপত্যকা? ২০০৭ সালে হামাস প্রথম সুড়ঙ্গ নির্মাণ করে গাজা উপত্যকা ও মিশরের মাঝামাঝি অংশে। মূলত, ইসরাইলের অবরোধ এড়িয়ে প্যালেস্টাইনের জন্য পণ্য সরবরাহ করতে সুরঙ্গ নির্মাণ করা হয়। পরে ওই ধারণাকে কাজে লাগিয়ে ২০১৩ সালে ইজরাইলমুখী সুড়ঙ্গ নির্মাণ শুরু করে হামাস। ওই সময় ইজরাইল-গাজা সীমান্তে হামাস তিনটে সুরঙ্গ নির্মাণ করে। এরমধ্যে দুটো সুড়ঙ্গ বিস্ফোরকে ঠাসা। যেগুলো ইজরাইল এবং মিশর ধ্বংস করার চেষ্টা চালালেও পুরোপুরি পেরে ওঠেনি। এখনো এর বেশিরভাগ অংশ অক্ষত। হামাস সহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীরা, তাদের বিভিন্ন খতরনাক ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাবারুদ, রকেট ওই সুড়ঙ্গে লুকিয়ে রাখে। হামাস যোদ্ধাদের গোপন আশ্রয়ের ঠিকানা হিসেবেও ব্যবহৃত হয় এই সুরঙ্গগুলো। এমন কি এই সুরঙ্গের ভেতরে রয়েছে সমরাস্ত্র তৈরির কারখানাও বিশ্লেষকরা বলছেন, হামাস ইরান থেকে সুরঙ্গ পথে গাজায় অস্ত্র নিয়ে আসে। এছাড়া গাজায় অস্ত্র উৎপাদনের জন্য উপকরণও পাঠায় তারা।

    মাটির নিচে এতো এতো বাঙ্কার। ওইসব বাঙ্কার শুধু হামাস সহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীদের জন্য যাতে তারা ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালাতে পারে। বোমাবর্ষণ করতে পারে। তাহলে বুঝতে পারছেন ইসরাইলের স্থল অভিযান কতটা চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে? হামাসের হামলার প্রতিশোধ নিতে গত দু সপ্তাহ ধরে গাজা উপত্যকায় স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। স্থল হামলার অংশ হিসেবে গাজা সীমান্তের কাছে ৩ লাখেরও বেশি সেনা ও কয়েকশ ট্যাংক জড়ো করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, গাজায় স্থল হামলা চালিয়ে ষ হামাসকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে, সেখানে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। কিন্তু পুরো বিষয়টা কি এতটাই সহজ হবে? এই অপারেশন এর ক্ষেত্রে গাজার নীচের বিস্তৃত সুরঙ্গ টেনশন বাড়াচ্ছে। ইজরায়েল ও জানে এগুলো এমন এক একটা সুড়ঙ্গপথ যা লম্বায় প্রায় ৪১ কিলোমিটার আর প্রস্থে ১০ কিলোমিটার। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এই টানেলকে বলে ‘গাজা মেট্রো’। ২০২১ সালেও ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন সংঘাত হয়েছিল। সেই যুদ্ধের পরে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক দাবি করেছিল যে এয়ারস্ট্রাইকে ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি টানেল ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু হামাস তখন বলেছিল যে তাদের টানেল ৫০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এবং এর মাত্র পাঁচ শতাংশ আক্রান্ত হয়েছে।

    হাতে মারতে না পেরে ভাতে মারার কৌশল নিয়েছে ইজরায়েল অর্থনৈতিক ভাবে গাজাকে একেবারে কোণঠাসা করে রেখেছে তারা। চারদিকে প্রাচীর তুলে ষ গাজাকে অবরুদ্ধ করে দিয়েছে। গোটা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। বহির্জগতের সঙ্গে ব্যবসা বাণিজ্য হয়ই না গাজার। তাই সেখানে বেকারত্বের হার প্রায় ৫০ শতাংশ। তাই, নিষেধাজ্ঞার জেরেই ব্যবসা-বাণিজ্যের ওই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে আজ থেকে ১৬ বছর আগে গাজায় মাটির নীচে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ শুরু করেছিল হামাস বাহিনী। প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল ওই সুড়ঙ্গ পথ ধরে পড়শি দেশ মিশর থেকে গোপনে পণ্য আদান প্রদান করা! খাবার ও অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ওই পথ ধরেই নিয়ে আসা হত একসময়। পরে ধীরে ধীরে সুড়ঙ্গগুলো হয়ে ওঠে হামাসের সামরিক ঘাঁটি। একদিকে যেমন পণ্য আদানপ্রদান চলে, অন্যদিকে তেমনই ওই সুড়ঙ্গপথ ব্যবহার করেই ইজরায়েলে হামলা চালানোর উপায় বের করে হামাস যোদ্ধারা বলাই বাহুল্য, ইজরায়েলের উপর হামলায় ওই সুড়ঙ্গপথই হামাসের অন্যতম প্রধান অস্ত্র। হামাসের দাবি, অনেক গোপন সুড়ঙ্গ আছে যার নাগাল পাবে না ইজরায়েলি সেনারা ওই সুড়ঙ্গেই নিজেদের অন্য পৃথিবী তৈরি করেছে এরা। সেখানে বসেই ইজরায়েলকে শেষ করার আরও বড় প্ল্যানিং করছে হামাস।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version