Tag: hamas

  • Pakistan Hamas: পাকিস্তান আটকাবে ইজরায়েল যুদ্ধ! হামাস বড় ফেভার চাইল ইসলামাবাদের থেকে

    Pakistan Hamas: পাকিস্তান আটকাবে ইজরায়েল যুদ্ধ! হামাস বড় ফেভার চাইল ইসলামাবাদের থেকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pakistan Hamas: হামাস পাকিস্তানের কাছে সাহায্য চাইছে গাজাকে বাঁচানোর। নিজেদের মুসলিম বিশ্বের হত্তাকত্তা মনে করা পাকিস্তান হামাসের সাহায্য করবে আদৌ? ইজরায়েলকেই এই যুদ্ধে অস্ত্র পাঠিয়েছিল না পাকিস্তান? চরম দোটানায় পড়ে গেল ইসলামাবাদ দু নৌকায় পা দিয়ে চলা এবার বেরিয়ে যাবে পাকিস্তানের। মুখে স্বাধীন পালেস্তাইনের দাবি আর লুকিয়ে ইজরায়েলকে সাহায্য? হামাসই পাকিস্তানের এনে দাঁড় করালো এমন এক জায়গায় যা নিয়ে ইসলামাবাদের অন্দরে প্রেসার শুরু। এগিয়ে এলেও চাপ পিছিয়ে গেলে ভিতু বলা হবে পাকিস্তানকে। হামাসের দাবি পাকিস্তান এই যুদ্ধে এগিয়ে এলে ইজরায়েল এই যুদ্ধ থামাতে বাধ্য হবে। অনেকেই বলছেন হামাস কি সত্যি মূর্খের স্বর্গে বাস করে নাকি হামাস এই সুযোগে পাকিস্তানের পরীক্ষা নিতে চাইছে।

    ঠিক কী বলা হয়েছে আগে সেটা জেনে নিন। হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়ার দাবি পাকিস্তানের শক্তি সংঘাত থামাতে পারে। এর মানে তিনি মনে করেন ইসলামাবাদ এগিয়ে এলে গাজার ওপর ইজরায়েলের এই হামলা বন্ধ হবে। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তেল আভিভের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন হামাসের শীর্ষ নেতা। এখন প্রশ্ন উঠছে পাকিস্তানের এ নিয়ে কী মতামত? ইজরায়েলের সঙ্গে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই পাকিস্তানের এমন কি ইজরায়েলকে তো দেশ বলেই মানে না ইসলামাবাদ। তবে এখানে মাথায় রাখতে হবে এবারের ইজরায়েলর হামাস যুদ্ধে পাকিস্তান কিন্তু খুব সতর্কভাবে এগিয়েছে। ৭ অক্টোবর ইজরায়েলের ওপর হামাস হামলা করতেই পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিম টু্ইট করে বলেন এই ঘটনা হৃদয়বিদারক তিনি ইজরায়েলের নাগরিকদের নিরাপত্তা কামনা করছেন এবং সেই সঙ্গে টু স্টেট সলিউশন বা দ্বিরাষ্ট্র সমাধান নীতি কথাও উল্লেখ করেন। টু স্টেট সলিউশন বা দ্বিরাষ্ট্র সমাধান নীতির কথা ভারত ও আমেরিকা উভয়ই বলে এসেছে বারবার।

    এর মানে প্যালেস্টাইনদের পক্ষ নেওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তান একবারও বলেনি আমরা হামাসের পাশে রয়েছি এই যুদ্ধে দরকার পড়লে আমরা সাহায্য করব। একইসঙ্গে পাক বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে বলা হয় আমরা মধ্যপ্রাচ্যের সব অবস্থার ওপর নজর রাখছি। এক্ষেত্রে তখনই বিশেষজ্ঞদের দাবি ছিল অ্যান্ট ইজরায়েল পাকিস্তান এবার যেন অনেকটাই ঢিলে ছেড়ে দিল তাদের ইজরায়েলর বিরোধীতা। বরং এটাও শোনা গিয়েছে এই পাকিস্তান নাকি ব্রিটেন ও আমেরিকার অস্ত্র ইজরায়েলের রীতিমত সাপ্লাই করছে। রিপোর্ট বলছে ১৫৫ মিমির শেল ইজরায়েলকে বিক্রি করছে পাকিস্তান তথ্য ছিল বাহারাইন থেকে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে থাকা নুর খান বেসে আসছে সিক্রেট বিমান যা সেখান থেকে ওমান হয়ে সাইপ্রাসে রওনা হয়েছে। সাইপ্রাসে রয়েছে ব্রিটিশ এয়ার ফোর্সের আন্তর্জাতিক আক্রোটিরি বেস। আর এগজ্যাক্টলি সেখান থেকেই ইজরায়েলের কাছে অস্ত্র পৌছচ্ছে। তাহলে মুসলিমদের নিয়ে মুসলিম বিশ্বকে নিয়ে বড় বড় কথা বলা পাকিস্তান এবার হামাসের আবেদনে সাড়া দেবে কি?হামাসের পাকিস্তানকে দরকার পাকিস্তান কি সাহায্য করতে আসবে? কি উত্তর আসবে সেটাই দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hamas Israel war: দক্ষিণ গাজায় হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েল, লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hamas Israel war: হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এখন গাজার দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। এখানকার অনেক এলাকায় হামাসের সঙ্গে চলছে তুমুল লড়াই। ইসরায়েলের এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সাধারণ ও বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি নাগরিকরা। উত্তর গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত হাজার হাজার পরিবার দক্ষিণ গাজায় আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু সর্বশেষ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তারা কোথায় যাবে তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। হামলা থেকে বাঁচতে বিপুল সংখ্যক মানুষ মিশরের সীমান্তবর্তী রাফাহ শহরে আশ্রয় নিয়েছে।

    বুধবার গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী ও হামাস জঙ্গিদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। ইসরায়েলি হামলার কারণে কমছে ফিলিস্তিনিদের আশ্রয়স্থল। দক্ষিণে অবরুদ্ধ উপকূলীয় অঞ্চলে জনগণের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। জাতিসংঘ বলেছে, এই অঞ্চলের ১.৮ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ (জনসংখ্যার ৮০ শতাংশেরও বেশি) ইতিমধ্যেই তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। গাজা শহরের বড় অংশসহ উত্তরের বেশিরভাগ অংশ বিধ্বস্ত। ফিলিস্তিনিরা আশঙ্কা করছে, গাজার বাকি অংশও একই রকম ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। কারণ ইসরায়েল এই অঞ্চলে গভীর শিকড় রয়েছে। যেখানে হামাসকে নির্মূল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ৭ অক্টোবর হামলার কারণে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজায় হামাসের সামরিক উপস্থিতি মেনে নিতে পারছে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

    জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা অফিস বলেছে, গত তিনদিন ধরে মিশরের দক্ষিণ সীমান্তে রাফাহ শহরের কাছাকাছি এলাকায় আটা এবং পানীয় জলের মতো সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু হাসপাতালে কমেছে জ্বালানি ও চিকিৎসা সরবরাহ। হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ২০০ আহত ব্যক্তিকে আনা হচ্ছে। যদি হঠাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়, ভেন্টিলেটরগুলি কাজ করা বন্ধ করে দেবে। ব্যাহত হবে রক্তদানের কাজ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: হামাসের পর্দা ফাঁস করলো আমশাত ইউনিট! টেকনিকেই সেরা, জেরিকো ওয়ালে কোন রহস্য ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: হামাসের ডিজিটাল ডিভাইসই ফাঁস করল সবটা। আমশাত ইউনিটের চোখ এড়ায়নি এতোটুকু। কত বছরের প্ল্যানিংয়ের পর ইহুদী ভূমির উপর ডিরেক্ট অ্যাটাক চালালো হামাস? ইলেকট্রনিক ডেটাই ধরিয়ে দিচ্ছে হামাসের ধুরন্ধর মাথা? কারা আমশাতের কোর মেম্বার?এদের টেকনিকই আলাদা। পৃথিবীর বুকে দাগ কাটতে চেয়েছিল হামাস। ৭ই অক্টোবর ভুলবে না ইসরাইল। “জেরিকো ওয়াল” ছুঁতেই ফাঁস হল মাস্টারপ্ল্যান। কিভাবে ইসরাইলের হাত পৌঁছল এত দূর? ৭ই অক্টোবর, হামাস যে ইহুদি ভূমিকে নরক করে দেওয়ার প্ল্যান কি কয়েক দশকের? একটা ডিজিটাল ডিভাইস ইসরাইলকে কোথায় পৌঁছে দিল, আন্দাজ নেই। আর ইসরাইলের আমশাত ইউনিট এই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছে। হামাসের লড়াইয়ের পরিকল্পনা সাজানো ৪০ পৃষ্ঠার একটা নথি, যার কোড নেম ‘‘জেরিকো ওয়াল’’। সেটাই এখন ইসরাইলের এসেট।

    মনে করে দেখুন হামাসের মুখপাত্র একবার বলেছিলেন, গত কয়েক দশক ধরে প্যালেস্টাইনিরা যা ভোগ করেছে, তার জবাব দিতেই হামাস আল-আকসা ফ্লাড শুরু করেছে। একটু তলিয়ে ভাবলেই এটা স্পষ্ট হয়ে যাবে যে ৭ই অক্টোবর হামাসের এতো বড় অপারেশনের প্ল্যান একদিন দুদিন বা একমাস দুমাসের নয়। বছরের পর বছর, দীর্ঘ পরিকল্পনা আর নিখুঁত প্রস্তুতির পর গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় গাজার জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। হামাস যোদ্ধাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ডিজিটাল ডিভাইস আর নথি বিশ্লেষণ করে এমনই সব তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ট্যাবলেট, জিপিএস ডিভাইস, গোপ্রো ক্যামেরা, মানচিত্র এবং নোটবুক থেকে পাওয়া তথ্যে ‘‘কীভাবে সামরিক ঘাঁটি এবং কিব্বুতের বাসিন্দাদের ওপর হামলা চালাতে হবে’’ সে সম্পর্কে বছরের পর বছর ধরে পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এতদূর পৌঁছলো কি করে ইজরায়েল? কিভাবে পেল কনফিডেন্সিয়াল ডিজিটাল ডিভাইস বা নথি?

    মৃত কিংবা আটকে রাখা হামাস যোদ্ধাদের কাছ থেকে এগুলো আদায় করেছে ইসরাইল। জানতে পেরেছে, মানুষের মনোবল ভেঙে দেওয়ার মতো একটি আকস্মিক ধাক্কা দেওয়াই ছিল হামাসের একমাত্র লক্ষ্য। হামাস যোদ্ধাদের কাছে থেকে উদ্ধার করা অসংখ্য আরবি নথি, লাখ লাখ ইলেকট্রনিক ডেটার পাঠোদ্ধারে ইসরাইল নামিয়ে দিয়েছে আমশাত ইউনিটকে। আমশাত ইসরাইলের একটা সামরিক গোয়েন্দা ইউনিট। যাদের ক্ষমতা মারাত্মক। ইসরায়েল জেনে গেছে, হামাস একই সঙ্গে ‘‘একটি যুদ্ধের পরিকল্পনাও’’ সাজিয়েছিল। হামাসের নিখুঁত পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির মাত্রা সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের বিষয়। তবে হামাসের এইসব কর্মকাণ্ডের কোনটাই চোখ এড়ায়নি আমশাত ইউনিটের। জানিয়ে রাখি ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ওই সময় মিসর ও সিরিয়ার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল ইসরায়েল। সেই সময়ও আমশাত ইউনিট চালু করেছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

    এইসব কখন করা হচ্ছে যখন কিনা ইহুদি ভূমির উপর একটা বড় রকমের অ্যাটাক হয়ে গেছে। অথচ, এক বছরেরও বেশি সময় আগে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা হামাসের ৭ অক্টোবরের মতো হামলার একটা পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে পেরেছিল। এতে হামলার বিশদ বিবরণ ধাপে ধাপে তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনাকে ‘‘কাল্পনিক’’ হিসেবে বিবেচনা করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। আর এখানেই বড় ভুল হয়ে গেছে নেতানিয়াহুর দেশের। তাই সব জানার পরও প্রাণঘাতী হামলা ঠেকাতে আগে থেকে কোনও ব্যবস্থা ইসরায়েল নেয়নি। এই নিয়ে প্রশ্নও তুলতে শুরু করেছে কেউ কেউ। কিন্তু ইসরাইল আপাতত সেসবে কান দিচ্ছে না। বরং কিভাবে হামাসমুক্ত গাজা গড়ে তোলা যায় সেটাকেই মূল টার্গেট করে, চালিয়ে যাচ্ছে নিজেদের গ্রাউন্ড অপারেশন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: গাজার সুড়ঙ্গে হুল ফোটালো ইসরাইল, গুঁড়িয়ে গেল সুড়ঙ্গ ? বাঙ্কার বাস্টারে অকেজো হামাস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: হামাসের সুড়ঙ্গ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবে ইসরাইল, বাইডেনের ব্রহ্মাস্ত্রে কিভাবে পাতালে মিশে যাবে “গাজা মেট্রো”?অকেজো হয়ে যাবে হাত-পা, হামাসের জীবন নরক করে দিতে হুল ফোটালো ইহুদী ভূমি। কতটা ভয়ানক পেন্টাগনের সুপার উইপন বাঙ্কার বাস্টার? যুক্তরাষ্ট্রের কোন স্যুটকেসে লুকোনো থাকে এই বইএলইউ? মাটি ভেদ করে কিভাবে ফিট করবে আইডিএফ? যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসেট পেল ইসরাইল, এবার যুদ্ধ হবে আন্ডারগ্রাউন্ডে মাদার অফ অল বম্ব। যুক্তরাষ্ট্রের বাঙ্কার বাস টার কি কাঁপিয়ে দেবে গোটা পৃথিবীকে? নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে গাজা?হামাসের কাছে এক একটা সেকেন্ড দামী। আইডিএফ পাল্টা হামলার সুযোগটুকু দেবে না। ইজসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়।

    গাজ়ায় মাটির নীচে সুড়ঙ্গের ভেতর হামাসের শক্ত ঘাঁটিগুলোকে গুঁড়িয়ে দিতে এই বোমা ব্যবহার করছে আইডিএফ, দাবি করছে প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠী। শোনা যাচ্ছে, পেন্টাগন ইসরাইল কে ১০০ টা বিএলইউ ১০৯ বাঙ্কার বাস্টার বোমা পাঠিয়ে দিয়েছে তলে তলে। বিএলইউ-এর পুরো কথা বম্ব লাইভ ইউনিট। যে বাঙ্কার বাস্টার বম্ব বিএলইউ-র কয়েকটি ধরন রয়েছে। বিএলইউ-১০৯ এ/বি, বিএলইউ-১০৯/বি, বিএলইউ-৮২বি/সি। ইট, পাথর, সিমেন্ট, লোহার কাঠামো যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তা ভেদ করে একেবারে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এই বোমার। বিএলইউ-১০৯/বি বোমা এক ইঞ্চি পুরু ইস্পাতের পাত দিয়ে মোড়ানো থাকে। বোমার ভিতরে থাকে ২৪০ কেজি ট্রিটোনাল। আমেরিকান এয়ারফোর্স এই ধরনের বোমা ব্যবহার করে। এর আগে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সহ অন্যান্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র এই বোমা ব্যবহার করেছে।

    আমেরিকা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, ব্রিটেনের অস্ত্রভান্ডারেও এই বোমা রয়েছে। যা গাজার গ্রাউন্ড অপারেশনে আইডিএফ এর বিরাট ভরসা। শুধু বিএলইউ বোমাই নয়, ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে এর আগে ফসফরাস বোমা ব্যবহারেরও অভিযোগও উঠেছিল। যে বোমা সামরিক দুনিয়ায় ‘সাদা বিষ’ নামেও পরিচিত। এই ধরনের বোমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল বহু বছর আগেই। কিন্তু হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে তাদের ঘন জনবসতি এলাকায় এই ধরনের বোমা ফেলার গুরুতর অভিযোগ আনে প্যালেস্টাইন। গাঁজা থেকে হামাসকে মুছে দিতে বদ্ধপরিকর নেতানিয়াহু। তাই ফসফরাস বোমা ছাড়াও স্পঞ্জ বোমা ব্যবহারেরও অভিযোগ উঠেছে ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে। গাজ়ার নীচে হামাসের তৈরি সুড়ঙ্গের জালগুলিকে ছিন্নভিন্ন করে দিতে স্পঞ্জ বোমা ব্যবহার করছে আইডিএফ। মোদ্দা কথা, একের পর এক খতরনাক অস্ত্র ব্যবহার করে হামাসকে ঘায়েল করতে কোনো খামতি রাখছে না ইসরাইলি ফোর্স আইডিএফ।

    যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল মার্কিন অস্ত্রের ওপরেই নির্ভর করে রয়েছে। এখানেও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের ছায়া স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইউক্রেনকে সামরিক সাহায্য করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরাইলের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বাঙ্কার বাস্টার ফসফরাস বোমা স্পঞ্জ বোমার পাশাপাশি ইসরাইলে ১৫ হাজার বোমা, ৫৭ হাজার ১৫৫ মিলিমিটার আর্টিলারি শেল সামরিক কার্গো বিমানে করে ইসরায়েলে অলরেডি পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ৫ হাজারেরও বেশি আনগাইডেড এমকে ৮২ বোমা, ৫ হাজার ৪শ’রও বেশি এমকে ৮৪ বোমা, প্রায় হাজারখানেক জিবিইউ ৩৯ ক্ষুদ্র ব্যাসের বোমা এবং ৩ হাজার জেডিএএম পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যা যুদ্ধবিরতির পর আইডিএফের হাত আরও বেশি শক্ত করেছে। আর হামাসের প্যালপিটিশন আরও বারছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel- Hamas War: রাতারাতি ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল গাজা ? ইসরায়েলের ভয়ানক নকশার প্যাঁচ, লুকিয়ে বড় রহস্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel- Hamas War: খন্ড বিখন্ড করে কাটা হলো গাজাকে। ইসরাইলের ভয়ানক নকশার প্যাঁচ, রাতারাতি উবে গেল হামাসের আঁতুড়ঘর? পৃথিবীর অতলে হারিয়ে গেল গাজা? রহস্য ঘনাচ্ছে নেতানিয়াহুর দেশে, কোন মন্ত্রে বাসা বাঁধলো এতোগুলো মিস্টিরিয়াস নম্বর? বড়সড় কন্সপিরেসি? আইডিএফ এর নকশায় লুকিয়ে কোন বিপদ সংকেত? সত্যিই কী বড় রিস্কে পড়ে গেল বিশ্বের ‘সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগার’? যুদ্ধবিরতির পরেই একেবারে ফুল ফর্মে ঝাঁপিয়ে পড়লো ইসরাইল। হামাস নয়, রাতারাতি মুছে গেল প্যালেস্টাইনের গোটা গাজা স্ট্রিপ? আসল রহস্যটা জানেন? প্যালেস্টাইনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা কয়েকশো ভাগে ভাগ হয়ে গেল। আই ডি এফ এর গ্রাউন্ড অপারেশনের এত দম? মাটির তলার সুড়ঙ্গই কি কাল হলো?

    হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের মাঝেই একটা নতুন মানচিত্রের অনলাইন ভার্সনে বিরাট চমক ইসরাইলি ফোর্সের। বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু। প্যালেস্টাইনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাকে কোন মেসেজ দিয়ে দিল আইডিএফ? কেন এতোগুলো নম্বর দিয়ে মার্কিন করা হয়েছে গাজার বিভিন্ন অঞ্চল কে? ডিসেম্বরেই জীবন্ত ফাঁদ, গাজার বুকে হুলস্থূল কাণ্ড। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যকার অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ শেষ। তারপরই এই নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেতানিয়াহু বাহিনী। বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ভবিষ্যতে যুদ্ধ এড়াতে এই মানচিত্র গাজার বাসিন্দাদের সাহায্য করবে। যুদ্ধের পরবর্তী ধাপের জন্য তাদেরকে প্রস্তুতে সহায়তা করতেই ওই মানচিত্র তৈরি করে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে
    সত্যিই কি গাজার জন্য এতোটা ভাবছে ইসরাইল?
    আইডিএফ বলছে, এই মানচিত্রটি শনাক্ত যোগ্য এলাকায় ভাগ করা হয়েছে যাতে “প্রয়োজন হলে বাসিন্দারা নির্দিষ্ট এলাকা থেকে তাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পারে”।

    এদিকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিসের রিস্ক বাড়ছে। তাই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই খান ইউনিসের বাসিন্দাদের আরও দক্ষিণে সরে যেতে হুঁশিয়ারি দিয়ে লিফলেট বিতরণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। লিফলেটের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবিতে দেখা যচ্ছে, খান ইউনিস শহরকে বিপজ্জনক সামরিক এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ জন্য শহরের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের পাশের রাফাহ এলাকায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। রাফাহ মিশরের সীমান্তের কাছে অবস্থিত এখানে একটা কথা জানিয়ে রাখি, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই একই ধরনের লিফলেট গাজার অন্য এলাকাগুলোতেও দেখা গেছে। আইডিএফ দাবি করছে, “গাজা উপত্যকায় বেসামরিক বাসিন্দাদের ক্ষতি এড়াতেই অনেকগুলো উপায়ের মধ্যে এটা একটা”। একদিকে গাজার নিরীহ মানুষের প্রাণ, অন্যদিকে যুদ্ধ। আইডিএফ কি মেপে পা ফেলছে গাজার মাটিতে? কাতারের রাজধানী দোহায় যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার জন্য মধ্যস্থতাকারীরা চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার মাঝেই যুদ্ধ আবার শুরু হলো। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্র কতটা সাপোর্ট করছে ইসরায়েল এর এই রহস্যময় কার্যকলাপক?

    নিজের প্রতিরক্ষার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাকে সমর্থনও করে যাবে, কিন্তু ইসরায়েলকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মেনেই তা করতে হবে সাফ কথা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের। গাজার উত্তরাঞ্চলে যে পরিমাণ মানুষ নিহত হয়েছে নতুন অভিযানে যাতে এতো বেশি পরিমাণ হতাহত না হয় তা ইসরায়েলকে নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের যাওয়ার জন্য নিরাপদ অঞ্চল নির্ধারণ করতে হবে তাদের বলেছেন ব্লিঙ্কেন। এক্ষেত্রে মনে করিয়ে দিই বিভিন্ন সংঘাতের সময় এই ধরনের “নিরাপদ অঞ্চল” নিয়ে অভিজ্ঞতা মোটেই ভালো নয়। অনেকেই বসনিয়া, সাবেক যুগোস্লাভিয়ার যুদ্ধের সময় “নিরাপদ অঞ্চলের” কথা মনে করতে পারবেন যেগুলো আসলে মোটেই নিরাপদ ছিল না। তাহলে কি গাজার সাধারণ মানুষের জন্য আই ডি এফ সেই সেফ জোকে চিহ্নিত করে দিতেই ওই মানচিত্র কে সামনে এনেছে? সেক্ষেত্রে, গাজার বাসিন্দাদের আরো কোন ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে সেটা বলবে সময়।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: ইজরায়েল সেনা যুদ্ধ ছেড়ে পালাচ্ছে! হামাস কিডন্যাপ করে নিল, বড় ট্রাম্প কার্ড

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: হামাস বন্দি বানাল খতরনাক ইজরায়েলী সেনা জওয়ানদের। যুদ্ধক্ষেত্রে ছেড়ে পালাচ্ছে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (Israel Defense Forces) সেনারা। নেতানইয়াহুর চোখে ধুলো দিতে কবে ঘটল এমন ঘটনা? যুদ্ধবিরতির সময় কেন বাড়াচ্ছে বলুনতো বারবার? দয়াবান ভাবছেন নাকি আপনি ইসরাইলকে? অঙ্ক কষা হয়েছে বড়সড় পরিণতি তো দেখাই যাবে। মোসাদের পর এবার আইডিএফ ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স ডাঙা ফেল নাকি? গাজার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ভয়ে পালাচ্ছে ইজরায়েলের সেনারা। নিজেদের গরিমা জাহির করতে ইজরায়েলর তা কোনওদিনই স্বীকার করবে না কিন্তু প্রকাশ্যে চলে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য‌। হামাসের নেতাদের খুঁজতে গিয়ে হামাসের হাতেই বন্দি হলো ইজরাইলের ডিফেন্স ফোর্স। আর আইডিএফ এর (ID) সেনারাই হামাসের তুরূপের তাস। কেন যু্দ্ধবিরতির সময় বারবার করে বাড়ানো হচ্ছে সেটা নিয়ে আপনার স্পষ্ট ধারণা আছ? ইজরায়েল বহু ফিলিস্তিন বন্দিদের মুক্তি দিয়েছে, আরো  হয়তো দেবে। কারণ হামাস শর্ত রেখেছে সেরকম। হামাস এদিকে পণবন্দি ইজারায়েলিদের ছেড়েদিচ্ছে।

    বছর ২০ তোমার ইয়াকভ আহিমাস বছর ১৯ এর কিরিল ব্রোডিসকি ও সাকেদ দাহান ৭ অক্টোবর এই তিন সেনা জওয়ানকেই প্রথমে বন্দি বানায় হামাস। আর বলতে পরেন এরাই ছিল হামাসের সোনার ডিম পারা হাঁস। হামাস জানত এদের তিনজনকে বাজি রেখেই অনেক খেলা ঘোরাতে পারবে তারা কিন্তু সেই মনস্কামনা আদতে পূর্ণ হল কি? জানা গিয়েছে দুই ইজরায়েলি সেনাকে বহিস্কার করা হয়। কারণ গাজার উত্তরাঞ্চলে আল কাসাম ব্রিগেডের কাছ থেকে বাঁচার জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে ছেড়ে পালায় ওই দুই সেনা। তারা মেনে নিচ্ছেন তাদের বিশেষ কোনও সহায়তা করা হয়নি। তাই হামাস যোদ্ধাদের মোকাবিলা করতে গিয়ে ঘাবড়ে যান তারা। তাহলে ইজরায়েলের যোদ্ধারাও ভয় পায় বলছেন! এবার আসি যু্দ্ধবিরতির কথায় এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের একপক্ষের দাবি যুদ্ধবিরতির সময় বাড়াতে কঠোর পরিশ্রম করছে হামাস। প্রথমে চারদিন, পরে দুদিনের যুদ্ধবিরতিতে রয়েছে হামাস, ইসরায়েল। তারপর এখন আবার ২৪ ঘন্টা সময় বেড়েছে যুদ্ধবিরতির।

    এর মধ্যেও গাজায় হত্যাকান্ড ঘটে গেছে। এদিকে মেরে ফেলা হয়েছে পশ্চিম তীরের বহু মানুষকে। হামাস তাই পরিস্কার বলেছে তাদের টার্গেটই হল এই যুদ্ধবিরতির সময় যতটা বেশি বাড়ানো মানে সম্প্রসারণ কিন্তু এরই মাঝে বিপাকে পড়ে গেলেন নেতানইয়াহু কারণ এখানে হামাসের ছোট্ট একটা খেলা। যে তিন ইজরায়েলি সেনা জওয়ানের নাম এই প্রতিবেদন আগেই বলেছি তাদের অলরেডি মৃত্যু হয়েছে বলে খবর আর এটা যে ইজরায়েলের কাছে বড় লস সেটার বলে বোঝানোর দরকার নেই। হামাস জানিয়ে দিল তাদের হাতে অপহৃত সব ইজরায়েলি সেনাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তার জন্য ইজরায়েলের জেলে আটক সব ফিলিস্তিনি বন্দিদের ছেড়ে দিতে হবে। তাহলে আরও কত সেনা এখনও হামাসের হাতে রয়েছে?

    ইতিমধ্যেই ১৪ জনকে ছেড়ে দিতে সম্মত হয়েছে হামাস। এদের মধ্যে ১০ জন ইজরায়েলি ৪ জন থাইল্যাল্ডের নাগরিক। এদের মতে সেনাজওয়ানেরা নেই। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাসেম নইম কেপ টাউনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন ইজরায়েলের সব সেনাকে ছেড়ে দেওয়া হবে যদি সেখানকার জেলে বন্দি সব ফিলিস্তিনিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর এখানেই চরম চাপে বেঞ্জামিন নেতানইয়াহু। কাতার ও মিসর যুদ্ধবিরতি বাড়ানো নিয়ে গাজার হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে এই দুটো দেশই। আসলে হামাস চাইছে এটাই সুযোগ ইসরায়েলি কারাগারে থাকা সমস্ত ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তির হয়ে যাক। সঙ্গে হামাসকে  গ্যারান্টিও দিতে হবে এই ফিলিস্তিনি বন্দিদের আর কখনও গ্রেপ্তার করবেনা ইসরাইল, কিন্তু ইজরায়েলর এত সহজে তা মানবে কিনা সেটাই হল আসলে দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েলের দূর্গাবাহিনী গাজার মাটিতে! IDF-র মহিলা সেনার অপারেশন কেমন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসকে ধ্বংস করতে ইজরায়েলের দুর্ধর্ষ দুর্গাবাহিনী ময়দানে। ইজরায়েলের মহিলা সেনাদের কেন থাকতে হয় পুরুষদের তাঁবুতে? মহিলারা ১৮ বছরে পা দিলেই সেনার অদ্ভুত নিয়ম শুর। মহিলাদের সেনাদের অপ্রতিরোধ্য স্ট্রাগল। এসব তথ্য ফাঁস হওয়াও অপরাধ ইজরায়েলে। হামাসকে গোড়া থেকে ধ্বংস করতে IDF সদাসর্বদা তৎপর, কিন্তু IDF এর মহিলাবাহিনীকে কীভাবে ধরে ধরে হামাস নেতাদের শেষ করছে জানেন? কেন বিশ্বের সব মহিলা জওয়ানদের মধ্যে সবথেকে খতরনাক হন ইজরায়েলের মহিলা সেনারা? তার মধ্যেই গাজারা ময়দানে ইজরায়েলের দুর্গাবাহিনীর ঝলক।

    অনেকেই জানেন ইজরায়েলের আইন অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিককে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে চাকরি করতে হয় কিন্তু সৈনিকদের প্রকাশ্যে মেলামেশা করা বারণ। সামাজিক কোনও অনুষ্ঠানে যেতে হলে তাঁদের বিশেষ অনুমতি নিতে হয়। সেনা জওয়ান বা অফিসাররা যাতে রাজনীতিতে জড়িয়ে না পড়েন তার জন্যেই এই আইন রয়েছে IDF-এ। কিন্তু ইজরায়েলের দুর্গাবাহিনীতে প্যালেস্টানীয় মহিলা কি করছেন? মাত্র ১৮ বছর বয়সেই অধিকাংশ ইজরায়েলিদের সৈনিক জীবন শুরু হয়ে যায় যার মধ্যে রয়েছেন মহিলারাও। আর এই জীবন চলে পরবর্তী ৩২ মাস ধরে। আর এই ট্রেনিংই রাফ অ্যান্ড টাফ তৈরি করে দেয় মহিলাদের।

    মোরিয়া মেন্সর: মোরিয়া ইজরায়েলি সেনাবাহিনী আইডিএফের একজন প্রাক্তন যোদ্ধা। এতদিন অবধি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে থাকছিলেন। তবে হামাসের হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর এক বন্ধুর। নিখোঁজ তাঁর আরও অনেক আত্মীয়-পরিজন সেই খবর পাওয়ার পরেই অপেক্ষা না করে ইজরায়েলে উড়ে এসেছেন মোরিয়া। জানা গেছে হামাসকে নিচিহ্ন করতে এবার তিনি মাঠে।

    এলা ওয়ায়েয়া: সোশ্যাল মিডিয়ায় সমগ্র বিশ্বজুড়ে ক্যাপ্টেন এলা নামে পরিচিত। এই তরুণী এলা আরব-বিশ্বের প্রথম মুসলমান মহিলা। যিনি আইডিএফ-এর একজন মেজর হিসেবে কর্মরত। আইডিএফের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে নিয়মিত গাজার সঙ্গে যুদ্ধের খবরা খবর পোস্ট করছেন এলা। সেই সঙ্গে ইজরায়েলের জনগণের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘একতাই মূলধন।

    ২০০০ সাল থেকেই পুরুষ ও মহিলা সৈনিকদের এক ধরনের প্রশিক্ষণ দেয় IDF। এখানে কোনও ভেদাভেদ করা হয়না নারী-পুরুষে‌ষ। একই ধরনের তাঁবুতে থাকেন তাঁরা। মহিলাদের তাঁবুর সামনে থাকে কাঁটাতারের বেড়া। পুরুষ ও মহিলা এক একটি ব্যাচকে ২০ জনের তাঁবুতে রাখা হয়। পুরুষরা সেখানে ঢোকার আগে হাঁক দিয়ে নিজের উপস্থিতির কথা জানিয়ে দেন।

    প্লেস্টিয়া আলাকাদ:  ইজরায়েল নয় প্লেস্টিয়া আদতে প্যালেস্টাইনের একজন সাংবাদিক। গাজায় ইজরায়েলের প্রতি আক্রমণের পর থেকেই নিজের মোবাইলে ধ্বংসযজ্ঞের ছবি তুলে চলেছেন তিনি। বিশ্বের দরবারে সেই ছবি পৌঁছে দেওয়ারয়কাজ করে চলেছেন নিরন্তর। নির্ভীক এই সাংবাদিকের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল খুললেই চোখে পড়বে যুদ্ধের ভয়াবহতার চিত্র।

    সৈনিক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় কোন মহিলা সন্তানের জন্ম দিলে তাঁদের কিছুটা ছাড় দেওয়া হয় সন্তানের জন্মের পর সেই সৈনিককে পাকাপাকিভাবে বাহিনী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের প্রাণ’ভোমরা কোথায় লুকানো! কারা লড়বে এবার ? খতরনাক নেক্সট জেনারেশন, ঘুরে দাঁড়ানোর ব্লুপ্রিন্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের প্রাণভোমরা ছুঁতে পারেনি ইসরাইল। গাজার সুড়ঙ্গেই লুকোনো হামাসের সুপারপাওয়ার। ইসরাইলি অপারেশনে সবকিছু শেষ, তারপরেও কীসের জোরে ঘুরে দাঁড়াবে প্যালেস্টাইনি জঙ্গি গোষ্ঠী? পুরো একটা যুগ শেষ? কারা লড়বে এরপর হামাসের হয়ে? পৃথিবীর কোথায় লুকোনো হামাস যোদ্ধাদের নেক্সট জেনারেশন? এতো সহজে হার মানেনা। দেখুন হামাসের ঘুরে দাঁড়ানোর ব্লুপ্রিন্ট। হামাসের পাওয়ার জানে গোটা বিশ্ব। কিন্তু, ইসরায়েলের আইডিএফ কি আদৌ হামাস কে ছুঁতে পেরেছে? সত্যিই কী হামাসের সব শেষ হয়ে গেছে? যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? হামাসের প্রাণকেন্দ্রের নাগাল এখনও পায়নি ইসরায়েল। এরপরেও যুদ্ধ বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়লি হামলায় হামাসের যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে। গোটা গাজা তছনছ হয়ে গেছে। হামাসের সুড়ঙ্গ অব্দি পৌঁছে গেছে আইডিএফ।

    হামাসের সামরিক ঘাঁটি, সুড়ঙ্গ, অস্ত্রাগার, অস্ত্র তৈরির কারখানা, ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে বোমা হামলা চালানো হয়েছে। একটা দিনের দিকে তাকালেই ছবিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। একদিনে গাজায় হামাসের তিনশোরও বেশি অবস্থান লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তাহলে ভাবুন জল, স্থল ও আকাশপথে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে ইসরায়লি সেনাবাহিনীর সর্বাত্মক হামলায় হামাসের কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে! হামাসের ক্ষমতা জানে গোটা বিশ্ব আগেও বলেছি, কিন্তু ইসরায়েল? উত্তর গাজায় হামাসের সব সামরিক ঘাঁটি ও সেনা ইউনিট ঘিরে ফেলেছে ইসরায়লি বাহিনী। শেখ ইজলিন, শাতি শরণার্থী শিবির, বেইত হানুম, রিমাল, জেইতুন, জাবালিয়া ও বেইত লাহিয়ার মতো এলাকাগুলো থেকে হামাস যোদ্ধাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উত্তর গাজার অধিকাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে হামাস। অসংখ্য হামাস যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। তাই সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও অসংখ্য যোদ্ধা হারানো হামাস কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সামরিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে হামাসকে নিয়ন্ত্রণ হারানো এলাকা যেমন পুনরুদ্ধার করতে হবে। তেমনই ব্যাপক পরিমাণে যে সামরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তাও পূরণ করতে হবে। আগে হামাসের অবস্থাটা জানুন। বর্তমান স্ট্যাটাসটা জানুন। তথ্য বলছে গত ৭ অক্টোবরের আগে হামাসের যোদ্ধা ছিল আনুমানিক ৩০ হাজার। উত্তর গাজায় হামাসের কমপক্ষে ১০টি ব্যাটালিয়নে যোদ্ধার সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে!। এসব ব্যাটালিয়নে আনুমানিক ১৪০ কোম্পানি যোদ্ধা ছিল। একটি কোম্পানিতে ১০০ জন পর্যন্ত যোদ্ধা থাকে। মোদ্দা কথা, ইসরায়েলের আকস্মিক হামলায় হামাসের কেউ কেউ নিহত হয়েছে, কেউ কেউ আটক।তাই, সবদিক বিবেচনা করে সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন উত্তর গাজায় নতুন করে হামাস যোদ্ধা মোতায়েন ছাড়া হামাসের হাতে বিকল্প নেই। যুদ্ধবিরতি চললেও ইসরায়েলি বাহিনী হামাস যোদ্ধাদের ঘিরে রাখবে।

    এই সময় হামাস তাদের সেনা ইউনিট কিছুটা এদিক–সেদিক করতে পারলেও আগের অবস্থায় ফেরা অসম্ভব। এদিকে ইসরায়েল বলেছে, যুদ্ধবিরতি শেষে গাজায় আবার হামলা চালাবে তারা। ফলে সহজেই ঘুরে দাঁড়ানো, হামাসের জন্য যে কঠিন হবে এবং সময়স্বাপেক্ষ সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েলের দুর্ধর্ষ লেজারের খেলা! যুদ্ধবিরতিতেই গোপন প্রস্তুতি, হামাস পাতালেও লুকোতে পারবে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    যুদ্ধবিরতি মধ্যে গোপনে বড় প্রস্তুতি ইজরায়েলের। হলিউড সিনেমার মতো সোজা আকাশ থেকে লেজারের টার্গেট হামাসকে কিন্তু চাইলেও খুঁজে পাওয়া যাবে না এই হাতিয়ার। এ কোন নয়া অস্ত্র বের করলেন নেতানইয়াহু? ৯৬ ঘন্টা কাটলেই যমের মুখোমুখি হবেন হামাসের নেতারা। বেঞ্জামিন নেতানইয়াহুই কি হবেন পরবর্তী পুতিন? ইজরায়েলর আসল খেলা তো এখনও বাকি বলছেন অনেকেই। হামাসও যুদ্ধবিরতির ঠিক আগে যে হুমকি দিয়েছে সেই মতই প্রস্তুতি নিতে পারবে তো? বিশেষজ্ঞদের দাবি প্যালেস্টানীয় বন্দিদের হু হু করে ছাড়ছে তেল আভিভ। যুদ্ধবিরতির সময় শেষ হলে এর এফেক্ট ভয়ঙ্কর হতেই পারে। আয়রন বিমের কথা তো জেনে গেছেন। এবার ঝুলি থেকে ইজরায়েল বের করতে চলেছে ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’। কোনো গোলাগুলি দরকারই নেই সোজা লেজারে হবে কাম তামাম। হামাস কেন হিজবুল্লারও এবার সাহসে কুলোবে না ইজরায়েলের দিকে মিশাইল তাক করার।

    বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে আকাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য।  হামাসের সঙ্গে ক্রমাগত যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে প্রথম বার এই অত্যাধুনিক লেজ়ার অস্ত্র ব্যবহার করতে চলেছে ইজ়রায়েল। ইজরায়েলর কবে বানালো এই অস্ত্র? নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের মধ্যেই পাঠিয়েছে এই হাতিয়ার? ইজ়রায়েলের আকাশকে সুরক্ষিত রাখতে সে দেশের সেনার হাতে আগে থেকেই ‘অ্যারো-২’, ‘অ্যারো-৩’, ‘ডেভিডস স্লিং’ এবং ‘আয়রন ডোম’-এর মতো নিশ্ছিদ্র পাহারাদার রয়েছে। এর মানে যাকে আমরা বলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই তালিকাতেই নয়া সংযোজন হল ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’ ‘আয়রন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার থেকে আরও বেশি আধুনিক এবং সাশ্রয়ী। আয়রন ডোমের চেয়ে হালকা এবং ছোট হওয়ার কারণে আয়রন বিম সহজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। আর একে লুকিয়ে ফেলাও সহজ। ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’ ইজ়রায়েলের পুরো আকাশকে সুরক্ষিত করার পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ৭ অক্টোবরের হামলার পর আয়রন বিমকে কতটা ব্যবহার করবে ইজরায়েল তা নিয়েও বিস্তর সন্দেহ রয়েছে। আর আয়রন বিমের কিছু ত্রুটিও রয়েছে। এই অস্ত্র ভিজে গেলে তা সঠিক ভাবে কাজ না-ও করতে পারে। এমনকি স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়াতে লেজ়ার রশ্মি লক্ষ্যে পৌঁছনোর আগেই সম্ভাব্য শক্তির ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ হারাবে। আর সেই দুর্বলতাকেই পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে হামাস। এবার হয়ত একইভুল আর করবেন না নেতানইয়াহু। ২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ‘আয়রন বিম লেজ়ার গান’ প্রথম সিঙ্গাপুরের একটি অনুষ্ঠানে জনসমক্ষে আনা হয়। কথা ছিল ২০২৫ সাল নাগাদ এই অস্ত্র ইজ়রায়েলের সেনায় পাকাপাকি ভাবে জায়গা করে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই যে যুদ্ধ বাধবে সেটা কে জানত? তাহলে কি যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তাড়াহুড়ো করে আসরে নামানো হল ‘মহাস্ত্র’কে? ঠেলা হারে হারে বুঝতে হতে পারে হামাসকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের মাথা কোথায় থাকে, পাতাল ফুঁড়ে ঢুকছে মোসাদ র ্যাথ অফ গড ফিরছে ? নেতানিয়াহুর গেম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের মাথা খুঁজতে পাতাল ফুঁড়ে কোথায় ঢুকছে মোসাদ? আড়াল থেকে নেতানিয়াহুর খেলা শুরু, কিভাবে নরক হয়ে যাবে গাজা? “র‌্যাথ অফ গড” এর বিভীষিকা ফিরছে? কতটা ভয়ঙ্কর ওই অপারেশন? হামাসের মাথার এতো দাম? থাকে কোথায়? কেউ জানেনা? ধুরন্ধর ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি মোসাদের জালে কিভাবে জড়াবে গোটা বিশ্ব? গাজা থেকে মুছে যাবে হামাস? এবার ইসরাইলের বিষ মাখানো অস্ত্রের কামাল দেখবে গোটা পৃথিবী মাত্র ৪ দিন। ৯৬ ঘন্টার বিরাট দাম গাজার কাছে।ভয়ঙ্কর খেল দেখাবে মোসাদ। যেখান থেকে হোক, হামাসের মাথাদের নিকেশ করতে মোসাদকে নির্দেশ নেতানিয়াহুর। সত্যিই কি পাঁচ দশক আগের ‘র‌্যাথ অফ গড’ এর স্মৃতি ফিরছে? সেই ভয়ানক কায়দাতেই কী হামাস মুক্ত পৃথিবী দেখবে ইসরায়েল?

    হ্যাঁ, এবার মোসাদ জাল বুনবে বিশ্বজুড়ে। পাতাল থেকে হলেও হামাসের মাথাদের খুঁজে আনবে ইসরায়েলের ধুরন্ধর ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি মোসাদ। খতম করবে হামাসের শীর্ষ নেতাদের। ভুলে গেলে চলবে না, মোসাদকে ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা বলা হলেও তাদের বিরুদ্ধে প্যালেস্টাইনে নির্বিচারে হত্যার অভিযোগ আছে। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি মোসাদ। ইসরাইলের মোসাদের নামে থর থর করে কাঁপে গোটা দুনিয়া। যে মোসাদ ১৯৭২ এর মিউনিখ অলিম্পিক হত্যাকাণ্ডের বদলা নিতে গোপনে ‘অপারেশন র‍্যাথ অফ গড’ শুরু করেছিল। ইসরায়েল ইউরোপ-সহ বিশ্বজুড়ে প্যালেস্টাইনি জঙ্গি সংগঠন ‘ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর’-এর নেতাদের হত্যা করেছিল মোসাদ। ইতিহাসের ‘মিউনিখ ম্যাসাকার’ ভোলা কঠিন। তাহলে কি মোসাদের সেই কায়দা, সেই ট্রিটমেন্টই চলবে এবার হামাসের উপর? কি ঘটতে চলেছে?

    তাহলে শুনুন হামাস প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র সংগঠন হলেও গাজ়ায় যাঁরা থাকেন, তাঁরা ওই সংগঠনের সাধারণ সদস্য। হামাসের বড় মাথা যাঁরা, তাঁরা প্রায় সকলেই গাজ়ার বাইরে থাকে। শোনা যায়, বাইরে থেকেই সংগঠন পরিচালনা করে হামাস নেতৃত্ব। তাঁরা কোথায় আছে, কী ভাবে আছে, খোঁজ পাওয়া যায় না। শোনা যায়, কাতার, লেবাননের বিভিন্ন অংশে হামাসের শীর্ষ নেতারা থাকে। তাঁরা সশরীরে গাজ়ায় থেকে লড়াই করছেনা। এই নেতাদেরই মূলত ‘টার্গেট’ করেছেন নেতানিয়াহু। তাঁদের খুঁজতেই দেশের গোয়েন্দাদের ফিট করে দেওয়ার প্ল্যান বাইডেনের সঙ্গে নেতানিয়াহুর ফোনে কথা হয়ে গেছে।
    সব সেট। লড়াই চলবে, যতক্ষণ না ইসরায়েল তাদের লক্ষ্যে পৌঁছচ্ছে, ততক্ষন লড়াই চলবে স্পষ্ট কথা বলে দিয়েছেন নেতানিয়াহু।

    অতএব, এটা পরিষ্কার শুধু গাজা নয় এবার বিশ্বজুড়ে চলবে ইসরায়েলের অপারেশন। গত দেড় মাস ধরে চলছে হামাস ইজরায়েল যুদ্ধ। কিন্তু এবার চারদিনের জন্য ছেদ পড়তে চলেছে এই সংঘাতে। ইজরায়েলের ক্যাবিনেটে ভোটাভুটির মাধ্যমে ঠিক হয় ৫০ জন পণবন্দিকে মুক্তি দেওয়ার হামাসের প্রস্তাব মেনে চার দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি ইজরায়েলও তাদের হাতে বন্দি ১৫০ প্যালেস্তিনীয়কে মুক্তি দেবে। কিন্তু, এর মধ্যেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর যে রুপ সামনে এলো তা রীতিমতো হামাসের ভিত নাড়িয়ে দিচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version