Tag: hamas

  • হামাস আতঙ্কে! ডেরায় ঢুকছে খতরনাক সায়রেট মটকল, বড় প্যাকেজ আমেরিকার

    হামাস আতঙ্কে! ডেরায় ঢুকছে খতরনাক সায়রেট মটকল, বড় প্যাকেজ আমেরিকার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের ডেরায় ঢুকবে ইজরায়েলের খতরনাক সাইরেট মটকল। আমেরিকা অস্ত্রের বিশাল বড় প্যাকেজ পাঠাল তেল আভিভে। ইজরায়েলের ‘প্রিমিয়ার স্পেশাল ফোর্স কত দুর্ধর্ষ? বন্দিদের মুক্ত করার নয়া খেল নেতানইয়াহুর। কোন পথে ঢুকে পৌঁছে যাবে টার্গেটে কেউ জানে না। ইজরায়েল সাইরেট মটকল ফোর্স এগিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে কতটা খতরনাক এই ফোর্স আজকের রিপোর্ট জানাব। বাইডেন ইজরায়েল ছাড়তেই বড় ঘোষণা করে দিল। যুদ্ধ বেড়ে হতে পারে আরও ভয়াবহ হতে পারে বলছে কূটনৈতিক মহল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইসরাইলকে বছরে ৩২০ কোটি ডলার সামরিক সহযোগিতা দিচ্ছে এবার এর সঙ্গে যোগ হতে যাচ্ছে বাড়তি হেল্প সূত্রের খবর এই অর্থের পরিমাণ হবে সম্ভবত ১৪০০ কোটি ডলার। কিন্তু নেতানইয়াহু স্থলপথে গাজ়ায় হামলা চালানোর জন্য ইজ়রায়েলের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সেনার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর শাখাকেই কেন প্রথম যুদ্ধের ময়দানে নামালেন? কীভাবে এদের ট্রেনিং হয় জানেন?

    নেপথ্যে সবথেকে বড় কারণ হল হামাস ইজরায়েলের যে দুর্বলতাকে শক্তি বানিয়েছে ইজরায়েল এবার সেখানেই আঘাত করবে। ইজ়রায়েল সেনার এই বিশেষ বাহিনীর নাম ছিল ‘ইউনিট ২৬৯’ এবং ‘ইউনিট ২৬২’। ইজ়রায়েলের ‘প্রিমিয়ার স্পেশাল ফোর্স’ হিসাবে মনে করা হয় ‘সায়রেট মটকল’-কে কারণ এরা অপহৃত নাগরিকদের শত্রুপক্ষের হাত থেকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্য অত্যন্ত দক্ষ।ব্রিটেনের স্পেশাল এয়ার সার্ভিস (SAS)-এর ধাঁচে ইজ়রায়েলের ‘সায়রেট মটকল’ বাহিনীকে গড়ে তোলা হয়েছে সেনার। এই বিশেষ শাখার মূল মন্ত্র হল, ‘হু ডেয়ারস উইন্‌স’। সমর বিশেষজ্ঞরা বলছেন ১৯৫৭ সালে বিশেষ বাহিনী ‘সায়রেট মটকল’কে গড়ে তোলা হয়েছিল গঠন হওয়ার পর থেকে বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জিং ‘অপারেশন’ দক্ষতা এবং সফলতার সঙ্গে চালিয়েছে তাই এই বাহিনীকে বিশ্বের অন্যতম সেরা বাহিনী হিসাবেই মনে করা হয়।

    এই স্পেশাল ফোর্সে নির্বাচন প্রক্রিয়াও অত্যন্ত কঠিন। এই শাখায় নির্বাচিত হওয়ার পর দু’বছর ধরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় সেই প্রশিক্ষণ শেষ হলে তাঁদের বোমা এবং ল্যান্ডমাইন নিষ্ক্রিয় করার কৌশল অস্ত্রচালনা এবং পাহাড়, মরুভূমি এবং জঙ্গলে কী ভাবে টিকে থাকতে হয় সেই কৌশলও শেখানো হয়। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ‘সায়রেট মটকল’ বাহিনীতে মার্শাল আর্ট, নেভিগেশন, সামরিক যানবাহন চালানো, যুদ্ধে আহত সেনাদের জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা এবং সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ শত্রুপক্ষের হাতে ধরা পড়লে কী ভাবে নিজেদের বাঁচাতে হবে সব কৌশল পাই টু পাই শেখানো হয় এবার ইজরায়েলের যে সব মানুষকে বন্দি বানিয়ে রেখেছে হামাস সম্ভবত প্রথমেই তাদেরকে উদ্ধার করতে যাবে সায়রেট মটকল। যাতে তাদের নিয়ে আর ব্ল্যাকমেল না করতে পারে হামাস ৭ অক্টোবর ইজ়রায়েলে ঢুকে হামাস বাহিনী কয়েকশো নাগরিককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। তারপরই সেই নাগরিকদের উদ্ধারের দায়িত্ব পড়ে ‘সায়রেট মটকল’ বাহিনীর উপর। গাজ়া সীমান্তে সুফায় বাঙ্কারে ঢুকে হামাসের ৬০ সদস্যকে খতম করে ২৫০ জন নাগরিককে এরাই নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়েছে এসেছে বলে দাবি করেছে ইজ়রায়েল ডিফেন্স ফোর্স। এবার দেখার বাকীদের কীভাবে উদ্ধার করে এই বাহিনী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েলের দুর্ধর্ষ আয়রন বিম ময়দানে! আলোর ঝলকে রকেট ধ্বংস, হামাস পেরে উঠবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের বিরুদ্ধে মহাঅস্ত্র মাঠে নামাল ইজরায়েল। আলোর ঝলকানিতে চোখের নিমেষে ধ্বংস হবে রকেট। ধৈর্যের পরীক্ষা নিও না ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি নেতানইয়াহুর। হামাসকে টিকে থাকতে হলে অন্য পথ নিতে হবে। এবার ইজরায়েলের একের পর এক অস্ত্র নামানোর পালা? হামাস স্ট্র্যাটেজিতে বাজিমাত করেছে কিন্তু অস্ত্রসম্ভারে পেরে উঠবে তো? হামাস প্রথম থেকে রকেট দিয়ে খেলা শুরু করেছিস এবার সেই রকেট এবং মর্টার হামলা ঠেকাতেই যুদ্ধের ময়দানে ‘মহাঅস্ত্র’-কে কাজে লাগানো শুরু করল ইজ়রায়েল।

    মহাঅস্ত্র বলা হচ্ছে ইজরায়েলের আয়রন বিমকে আয়রন ডোম ভেবে কিন্তু ভুল করবেন না। ইজরায়েলের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী আকাশপথে হামাসের হামলা ঠেকাতে শক্তিশালী ‘লেজ়ার পয়েন্ট ডিফেন্স সিস্টেম’-কে সক্রিয় ভাবে কাজে লাগাবেন নেতানইয়াহুর ফোর্স। আর সেই অস্ত্রের নামই ‘আয়রন বিম’। এই আয়রন বিম কীভাবে কাজ করে? যে এর এক এফেক্টে শত্রুতা হবে বাজিমাত? হিজবুল্লা ও ইরানকে তুলোধনা করলেন নেতানইয়াহু। লেবাবনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লা এবং তাদের মদতদাতা ইরানকে নেতানইয়াহুর হুঁশিয়ারি, ‘‘আমাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেবেন না’’, কিন্তু অনেকেই বলছেন এর মধ্যে আসলে রয়েছে উদ্বেগের সুর। হাসান নাসারুল্লার নেতৃত্বাধীন শিয়া সশস্ত্র বাহিনী হিজবুল্লার হাতে থাকা মাঝারি পাল্লার ‘গাইডেড’ ক্ষেপণাস্ত্রগুলি তেল আভিভের বড় চিন্তার কারণ। সেটাও কি ধ্বংস করতে সক্ষম আয়রন বিম?

    আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা মহলের দাবি আয়রন বিম লেজ়ার অস্ত্রটি স্বল্পপাল্লার। যাতে কাছের কোনও রকেট, ড্রোন বা গোলাকে ধ্বংস করতে পারে কিন্তু হামাসের সঙ্গে এই সংঘাতে আয়রন বিম-এর রেঞ্জ বাড়ানো হয়েছে। ফলে অনেক দূরের রকেটও নিমেষে ধ্বংস করছে এটি একটি ‘ডায়রেক্টেড এনার্জি ওয়েপন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম’। ৭ কিলোমিটার দূরত্বের কোনও লক্ষ্যবস্তুকে নিখুঁত ভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম। ‘আয়রন বিম’ থেকে যখন লেজ়ার রশ্মি বেরিয়ে শত্রুপক্ষের রকেট, ক্ষেপণাস্ত্রকে খতম করে দেয় কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন একে ব্যবহার করা যথেষ্ট খরচসাপেক্ষ। লেজ়ার রশ্মির এক বারের ব্যবহারে খরচ হয় ভারতীয় মুদ্রায় দেড় লক্ষ টাকারও বেশি। এক একটি লেজ়ার ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় ৮ লক্ষ টাকা।

    আগেই এই শক্তিশালী অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছিল ইজ়রায়েল। তার মাঝেই সেটিকে যুদ্ধের ময়দানে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা তবে ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট বলছে হয়ত গোটা দেশে এই লেজ়ার অস্ত্রকে মোতায়েন করা হয়েছে ইজরায়েলের চতুর্সীমানায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে এই ‘আয়রন বিম’।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েল যুদ্ধে পুতিনের মারাত্মক স্ট্র‍্যাটেজি! হারতে পারে ইউক্রেন, নতুন খেলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনের চরম হুঁশিয়ারি ইজরায়েলকে। কেন গাজা এত গুরুত্বপূর্ণ পুতিনের জন্য নিজের যুদ্ধ ছেড়ে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধে কেন আগ্রহ রাশিয়ার? একমাত্র পুতিন কি পারবেন ইজরায়েল-প্যালেস্টাইনের মধ্যস্থতা করতে? রাশিয়া কি হামাসকে কোনওভাবে সাহায্য করেছিল এই যুদ্ধে? কার পক্ষে আসলে কথা বলছেন পুতিন? ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধ থেকে বড়সড় লাভ হতে পারে রাশিয়ার। এমনকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনের সঙ্গে চলা যুদ্ধে জিতে যেতে পারে মস্কো শুনুন পুতিন আসলে চাইছেন অনেক বড় কিছু। আর পুতিনের সেই ইনটেনশন কি সেটা বোঝা যায় ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের পর থেকে একের পর এক তাঁর মন্তব্য লক্ষ্য করলেই।

    কখনও তিনি বলছেন হামাসের হামলা থেকে বাঁচার জন্য ইজরায়েলের আত্মরক্ষা প্রয়োজন আছে। আবার কখনও তিনি বলছেন গাজায় ইজরায়েল যে হামলা চালিয়েছে সেটা কোনওমতেই গ্রহনযোগ্য নয়। প্রশ্ন উঠছে রাশিয়া আসলে কার পক্ষে? বিশেষজ্ঞদের দাবি এই একটা যুদ্ধ থেকে বড়সড় ফায়দা তোলার কথা ভাবছেন পুতিন প্রথমত আমেরিকাকে কার্যত তুলোধনা করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন যা বলার চেষ্টা করছেন গোটা বিশ্বকে তা হল মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির ব্যর্থতার একটি উদাহরণ এই যুদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জন্য আমেরিকাই মূলত দায়ী পুতিন বারবার এই এজেন্ডা প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন বিশেষজ্ঞরা এমনটাই বলছেন। কারণ এটা একটা বড় স্ট্র্যাটেজি মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের প্রভাব কমিয়ে রাশিয়ার অবস্থান শক্ত করার।

    দ্বিতীয়ত রাশিয়া চাইছে এই যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারক হয়ে উঠে আসার কারণ। পুতিন একবার ইহুদিদের হয়ে কথা বলছেন আবার একবার বলছেন প্যালেস্টাইনের স্বার্থ দেখা উচিত।  এবার পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানালেন আসল কথা। পেসকভের দাবি রাশিয়া এই সংকটের সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে এবং সেটা করবে। আমরা এই সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি কিন্তু এক্ষেত্রে অনেকেই বলছেন যারা নিজেরাই যুদ্ধ বাঁধিয়ে বসে আছে তারা কিভাবে শান্তির বার্তা দিতে পারে? মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার দীর্ঘ দিনের স্বার্থ রয়েছে সেটা শুরু হয় সোভিয়েত ইউনিয়ন আরবদের সমর্থনে অবস্থান নেওয়ার মধ্য দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলায় ওই অবস্থান নিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। বছরের পর বছর ধরে রাষ্ট্রীয় মদদে ইহুদিবিদ্বেষ সোভিয়েত আমলের অংশ হয়ে উঠেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙনের পর ইসরায়েলের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটে। এর একটা বড় কারণ ছিল সোভিয়েতভুক্ত দেশগুলো থেকে ১০ লাখের বেশি ইহুদির ইসরায়েলে পাড়ি জমানো।

    এখন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিপ্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালনকারী দেশ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরে ওই অঞ্চলে প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া। তৃতীয়ত এই যুদ্ধ যত বাড়বে তাতে আমেরিকার সক্রিয়তাও বাড়বে সেক্ষেত্রে হতেই পারে ইউক্রেনকে অস্ত্রসাহায্য কমিয়ে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এটা পুতিনের কাছে জ্যাকপটের থেকে আর বড় কিছু হতে পারবে না। তাই এবার স্বাধীন প্যালেস্টাইন ও আলাদা ইজরায়েল প্রতিষ্ঠা দুটোই চাইছেন ভ্লাদিমীর পুতিন। আর এই যুদ্ধে হামাসকে সরাসরি সাহায্য করেছে কিনা রাশিয়া এটা নিয়ে কিন্তু বহু দ্বিমত রয়েছে। অনেকেই বলছেন রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে হামাসের এবং দেশটা ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র। কিন্তু এক্ষেত্রে অনেক বিশেষজ্ঞরাই মনে করছেন যে এই হামলার সঙ্গে মস্কোর কোন সরাসরি যোগ নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হামাসের দুর্ধর্ষ নুকবা বাহিনীর ছকে ইজরায়েলের নাভিশ্বাস, গাজায় সুড়ঙ্গে কী হচ্ছে? চাপে ইহুদি রাষ্ট্র

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের দুর্ধর্ষ নুকবা টিম ইজরায়েলকে মাত দিল। গাজায় আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলে হচ্ছেটা কি? হিজবুল্লাকে নিয়ে কি চাপ বাড়ছে ইজরায়েলের? গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে যুদ্ধ এমনটাই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। যা ইজরায়েলের ভাবনারও বাইরে সেটাই করে দেখিয়েছে হামাস। বিশ্বের অন্যতম সেরা সেনাবাহিনী, ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সের সঙ্গে লড়াই করার জন্য একমাত্র ‘নুকবা’-র উপর ভরসা করেছিল হামাস। কেন জানেন? কারা এই নুকবা কতটা মারাত্মক ট্রেনিং দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এই ফোর্স? প্রতিপক্ষ যখন এতটা শক্তিশালী তখন হামাসকে বদলে ফেলতে হয় পুরো স্ট্র্যাটেজি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র বলছে শীর্ষস্থানীয় হামাস নেতারা নিজের হাতে ‘নুকবা’-র সদস্যদের বেছে নিয়েছিল এই টিম তৈরি করতে যাদেরকে ঢাল বানিয়ে ঢোকানো যাবে ইজরায়েলের মাটিতে। তবে বর্তমানে কূটনৈতিক মহল মনে করছে যেভাবে সিরিয়া ও লেবাননের হিজবুল্লা এ যুদ্ধে অ্যাকটিভ তাতে এই যুদ্ধে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে।

    হামাসের ‘নুকবা’ বাহিনী একদিকে যেমন ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চালাতে সক্ষম। অন্য দিকে সে ভাবেই রকেট এবং স্নাইপার রাইফেল ব্যবহারে সড়গড়। শুধু তাই নয় বর্তমানে এই বাহিনীর ‘কমান্ডোরাই’ হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে বলে ইজরায়েল সূত্রে খবর। আইডিএফ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে গাজার দখল নেওয়ার পর থেকেই সেখানে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু করে হামাস। সেই আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলের পথ হাতের তালুর মতো তাদের চেনা। এখন, ইজরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার সময় সেই সুড়ঙ্গই কাজে লাগাচ্ছে তারা। প্রশ্ন উঠছে হামাস কি গাজা স্ট্রিপকে বাঁচাতে পারবে ইজরায়েলের হাত থেকে? পণবন্দিদের মুক্ত না করা পর্যন্ত গাজায় অবরোধ উঠবে না‌ ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও অনড় ইজরায়েল জানিয়ে দিয়েছে। সে দেশের শক্তিমন্ত্রী ইজরায়েলি কাটজের কথায় ‘গাজায় মানবিক ত্রাণ। ইজরায়েল থেকে যাঁদের অপহরণ করা হয়েছে তাঁরা বাড়ি না ফেরা পর্যন্ত কোনও বিদ্যুতের সুইচ জ্বলবে না কোনও জলের পাইপ চালু হবে না কোনও জ্বালানির গাড়ি ঢুকবে না।’

    ইন্টারন্যাশনাল রেড কমিটি অফ দ্য রেড জানিয়েছে আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গাজার হাসপাতালগুলির জেনারেটরের জ্বালানি শেষ হয়ে যাবে। জখমের সংখ্যা বাড়ছে হুড়মুড়িয়ে কী হবে তাঁদের? কেউ জানে না জানা যাচ্ছে গাজাকে উদ্ধার করতে হামাসের ‘নুকবা’ টিম এখন সুড়ঙ্গগুলিকে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করছে। তবে আইডিএফ লাগাতার বোমাবর্ষণ করে গাজা স্ট্রিপ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা সেই সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক নষ্টের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যা পরিসংখ্যান, তাতে আইডিএফের লাগাতার হামলার জেরে গাজায় প্রায় ৪ লক্ষ ২৩ হাজার বাসিন্দা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। নিহতের সংখ্যা দেড় হাজারেরও বেশি, জখম ৬,৬১২। ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক এবং জেরুজালেমের অবস্থাও ভাল নয়। তবে বিশেষজ্ঞদের দাবি মুখে স্পষ্ট না মানলেও হেজবোল্লার সম্ভাব্য গতিবিধি চিন্তায় রাখছে ইজরায়েলকেও। কারণ তারা এই যুদ্ধে পুরোদস্তুর অংশ নিলে পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ কোন দিকে গড়াবে বলা কঠিন। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, ইরান-সমর্থিত হেজবোল্লা হামাসের থেকে সামরিক ভাবে ঢের বেশি শক্তিশালী। ইজরায়েলের যে কোনও অংশে আক্রমণ হানতে সক্ষম। তখন যু্দ্ধের স্ট্র্যাটেজি বদলাতে হতে পারে ইজরায়েলকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারত স্বাধীন প্যালেস্টাইনের পক্ষে! ইজরায়েল হতবাক, জয়শঙ্করের নিরাপত্তা বাড়ল কেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়াচ্ছে ভারত বড় ঘোষণা বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের। সিকিউরিটি বাড়ানো হল কেন? ইজরায়েলের পক্ষ থেকে কি তাহলে হাত তুলে নিল দিল্লি? ভারতের বিদেশমন্ত্রক থেকে অতি সুক্ষ্ম কূটনৈতিক বার্তা।ভালো করে বুঝতে হবে কোন অবস্থানে রয়েছে ভারত। ভারতের বার্তার পর ইজরায়েলের প্রতিক্রিয়া কি? ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ভারতের অবস্থান বা ইজরায়েলকে সমর্থন করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। কারণ অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলে প্যালেস্টাইনের স্বাধীন রাষ্ট্র তৈরি হওয়ার পক্ষেই ছিল ভারত এমনকি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ীর ভাষণেও শোনা গেছিল সেই কথা।

    তাহলে কি মোদী জমানায় বদলে গেল সমর্থন? ভারত জানিয়ে দিল না তেমন কিছুই হয়নি ভারত এখন স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রের পক্ষেই রয়েছে। এর মানে ভাববেন না দিল্লি হামাসকে সমর্থন করছে। এখানেই রয়েছে একটা বিশেষ পয়েন্ট হামাসের আচমকা ইজরায়েলের ওপর হামলাকে জঙ্গি হামলা বলেই বিবেচনা করেছে ভারত। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন “আমাদের নীতি দীর্ঘস্থায়ী এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ ভারত সর্বদা প্যালেস্টাইনের একটি সার্বভৌম, স্বাধীন এবং কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সরাসরি আলোচনা শুরু করার পক্ষে তারা যাতে নিরাপদ এবং স্বীকৃত সীমান্তের মধ্যে বসবাস করে ইজরায়েলের সঙ্গে শান্তিতে পাশাপাশি থাকে ভারতের এই অবস্থান একই রয়েছে”। একইসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান যে নয়াদিল্লি হামাসের হামলাকে ‘জঙ্গি হামলা’ হিসেবেই দেখছে। কূটনৈতিক মহলের দাবি এর মানে ভারত কোনওভাবেই কোনওধরণের অশান্তি বা হিংসা যে পক্ষে নয় সেটা পরিস্কার হয়ে গেল। খুব ভালো ভাবে ভারত আলোচনার পক্ষে সেটা জানিয়ে দেওয়া হল।

    না হামাসের ইজরায়েলের ওপর হামলাকে সমর্থন করেন মোদী, না গাজার ওপর ইজরায়েলের এই বর্বরোচিত হামলাকে সমর্থন করে ভারত। তবে ভারতের এই বার্তার পর ইজরায়েল এখনও এ নিয়ে মুখ খোলেনি। এদিকে জানা যাচ্ছে প্রাণে বাঁচতে চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালান। গাজার উত্তর দিকের বাসিন্দাদের চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইজরায়েল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর অর্থ স্পষ্ট এরপর গাজায় ‘গ্রাউন্ড ইনভেশন’ বা ভূপথে হামলা করবে ইজরায়েল। তাই তার আগেই এই চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেওয়া হল। এদিকে ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওয়াই ক্যাটাগরি থেকে জেড ক্যাটাগরিতে উন্নীত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্টের ভিত্তিতেই বাড়ানো হয়েছে বিদেশমন্ত্রীর নিরাপত্তা। নতুন ক্যাটেগরি অনুযায়ী, জয়শংকরকে নিরাপত্তা দেবে সিআরপিএফ। ওয়াই ক্যাটেগরিতে বিদেশমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল দিল্লি পুলিশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েলের নেক্সট টার্গেট কি ইরান? সোজা পাল্টি খেলেন খামেনি, ভয় কীসের?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইজরায়েলের হুঙ্কারে ইরান পিছিয়ে গেল? হামাসকে নিয়ে বড় ঘোষণা। তেহেরানের হতবাক ফিলিস্তিনরা আমেরিকা যে কোনও সময় নিতে পারে স্টেপ। ইজরায়েলকে কি ভয় পাচ্ছে তেহেরানকে? ইজরায়েলর সঙ্গে যুদ্ধে জড়া তেরাজী নয় হামাস। ইজরায়েলের সঙ্গে পেরে উঠবে না কোনওদিন হামাস। এমনটাই প্রকাশ্যে বোঝানো হয়েছিল কিন্তু তারপর উল্টো খেলা। মোসাদকে যেভাবে ঘোল খাওয়ানো হয়েছিল তা বিশ্বকে সত্যি অবাক করছে। নেতানইয়াহু তো বলে দিয়েছেন এর বদলা মধ্যপ্রাচ্যকে বদলে রেখে দেবে।

    এরপরই কি ইরান এক পা এক পা করে পিছু হটছে?ইরানের প্রেসিডেন্ট খামেনি ঘোষণা করে দিলেন হামাসের এই হামলার নেপথ্যে কোনওভাবে ইরানের হাত নেই। তেহেরান কি কোনওভাবে আশঙ্কা করছে যে এবার ইরানের ওপরও চড়াও হতে পারে ইজরায়েল? মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে হামাসের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি সস্তা ড্রোনই ইসরাইলের সুরক্ষিত সীমান্ত ব্যবস্থাকে অকেজো বলে প্রমাণিত করেছে। নিউইয়র্ক টাইমস এবিষয়ে কথা বলেছে ইসরাইলের নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে। মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কনের দাবি হামাস ও ইরানের সম্পর্ক বহুদিনের। বহু বছর যাবত হামাস-এর ঘনিষ্ঠ সমর্থক এবং সাহায্যকারী হিসেবে রয়েছে তেহরান
    হামাসকে অর্থ এবং বিপুল পরিমাণে অস্ত্র সহায়তা দেয় তেহেরান। এমনকি হামাসের কাছে রকেটও আসে ইরানের কাছ থেকেই হামাস হামাস হয়ত না যদি না ইরান তাদের সমর্থন করত। এছাড়াও বিবিসিকে হামাসের মুখপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছিল ইজরায়েলর ওপর এই সারপ্রাইজ হামলায় ইরান তাদেরকে সাহায্য করেছিল। এছাড়া ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্য বলছে গত সপ্তাহেই লেবাননের রাজধানী বেইরুটে হামাস ও হিজবুল্লার সিনিয়রদের সঙ্গে ইরান সেনা প্রতিনিধিদের মিটিংও হয়েছিল।

    তাহলে এখন হঠাৎ সহযোগীতার হাত কেন তুলে নিচ্ছে ইরান? তারা কি বুঝতে পারছে একটা প্রমাণও ইজরায়েলের হাতে আসলে তাদের ওপর হামলা করতে কোনওভাবে দেরি করবে না তারা। তাহলে কি পিছন থেকে হামাসকে সাহায্য আর সামনে সাধু সাজার চেষ্টা?প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল। কূটনৈতিক মহলের দাবি ইরান যেহেতু ইসরায়েলের অন্যতম শত্রু দেশ হিসেবে চিহ্নিত সেজন্য ইহুদি রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করার স্বার্থ রয়েছে ইরানের। ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর প্রাক্তন অফিসার হাইম তোমর বিবিসিকে জানিয়েছে ইসরায়েল এবং সৌদি আরবের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি হতে যাচ্ছে এমন খবরে ইরান নড়েচড়ে বসে এটা তারই বদলা। তবে ইরানের এই সাহায্য নিয়ে দ্বিমতও রয়েছে অনেকের। বিশেষজ্ঞদের একাংশের এটাও দাবি ইরান হামাসকে সমর্থন করলেও এই হামলা ৭৫ শতাংশ হামাসের নিজেদের প্রচেষ্টা। যদিও ইরানের বিরুদ্ধে এখনও কোনও প্রমাণ মেলেনি ভবিষ্যতে প্রমাণ হাতে এলে ইজরায়েল কী স্টেপ নেয় সেটাই দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েলের যুদ্ধে আটকে বাঙালি গবেষক, পরিবারের ঘুম নেই! কীভাবে দেশে ফিরবেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সাইরেন বাজলেই ঢুকে পড়তে হচ্ছে শেল্টার রুমে। যুদ্ধ চলাকালীন ইজরায়েলে আটকে বাঙালি গবেষক। পুজোর আগে হুগলির বাড়িতে ফেরার কথা ছিল সৌরভের। তা আর সম্ভব নয়। ছোট মেয়ের কাছে ফিরতে পারছেন না বাবা। সমস্ত বিমান পরিষেবা বন্ধ। অনবরত হামলা চলছে। বাড়ির ছেলে ইজরাইলে আটকে। কতটা আতঙ্কে হুগলিতে সৌরভের পরিবার? পুজোর আগে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। সেসব ভুলে যুদ্ধে প্রাণ বাঁচাতে ইজরায়েলে ঘরবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন বাঙালি গবেষক।

    গত দেড় বছর ধরে অ্যালজাইমার রোগের উপর গবেষণা করছেন হুগলির বাসিন্দা সৌরভ। ইজরাইলের তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন। এতোগুলো দিন ইজরায়েলে রয়েছেন। এরকম কখনও দেখেননি কিন্তু গত কয়েকদিনে ছবিটা পুরোপুরি বদলে গিয়েছে। ১৬ অক্টোবর ভারতে ফেরার বিমানের টিকিট কাটা ছিল সৌরভের কিন্তু যুদ্ধের জন্য এয়ার ইন্ডিয়ার সমস্ত উড়ান আপাতত বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এবার ফিরবেন কী ভাবে সৌরভ? প্রতি মুহুর্তে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সৌরভের স্ত্রী অনিন্দিতা। ছোট মেয়ে বুকে আঁকড়ে স্বামীর ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।

    ইজরাইলের বাণিজ্যনগরী তেল আভিভেই রয়েছেন সৌরভ। সৌরভের সঙ্গে নিয়মিত কথা হচ্ছে পরিবারের। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাইরে বের হতে পারছেন না। সাইরেন বাজলেই শেল্টার হোমে ঢুকে পরতে হচ্ছে। জল খাবার পেতে এখনও সমস্যা হয়নি। তবে দীর্ঘদিন এই অবস্থা চললে কী হবে তা নিয়েই চিন্তা। সৌরভরে স্ত্রী অনিন্দিতা নিজেও ইজরাইলে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কয়েক মাস ছিলেন। তাঁর স্বামী ছাড়া আরও বেশ কয়েকজন বাঙালি এবং ভারতীয় সেখানে রয়েছেন। মাঝেমধ্যে হামাস জঙ্গিরা সেখানে ঢুকে পড়ে হামলা চালাচ্ছে। তাতেই চিন্তা আরও বাড়ছে। দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন সৌরভের শ্বাশুড়ি শুভ্রা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পুজোর আগে তাঁর জামাইয়ের বাড়ি ফেরার কথা ছিল কিন্তু সব ওলটপালট হয়ে গেল।

    ভয়ংকর আকার ধারণ করছে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ। তোলপাড় আন্তর্জাতিক রাজনীতি। ইজরায়েলের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালাচ্ছে হামাস গোষ্ঠী। সকলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অযথা বাইরে না বেরনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু তাতে কী আর পরিবারের মন শান্ত হয়। পুজোর দিনগুলোতে যখন সকলে আনন্দ করছে। সৌরভের বাড়িতে শুধুই দুঃশ্চিন্তা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মোসাদ ফেইলিওর ? ইজরায়েলে ইয়ম কিপুর পার্ট টু! ফিরে এলো সাঙ্ঘাতিক ৬ই অক্টোবর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইজরায়েলে মোসাদের ম্যাসিভ ফেইলিওর? ইয়ম কিপুরের ছায়া ইজরায়েলে। হামাসের ভয়ঙ্কর হামলার ছক, টেরই পেল না বিশ্বের সবচেয়ে ধুরন্ধর ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি? কী ভাবে মোসাদকে ঘোল খাওয়াল প্যালেস্টাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী? জানেন গলদটা কোথায়? অতিরিক্ত গ্যাজেট নির্ভরতাই ইহুদি ভূমির কাল? আমেরিকাও চোখে সর্ষেফুল দেখছে। আমান-সিনবেট’ই বা কী করছিল? ১৯৭৩ এর ডিটো কপি ২০২৩। অক্টোবরের একটা দিনেই বড় ফাড়া ইজরায়েলের। ইজরায়েল যা কল্পনাও করেনি সেটাই সারপ্রাইজ ভিজিটে করে দেখালো হামাস। ব্যর্থতা নাকি কন্সপিরেসি? এক মাস আগে থেকেই কী ইজরায়েলে হামলার ছক সাজাচ্ছিল প্যালেস্টাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস? ৬ই অক্টোবর! কেন বারবার এই একটা দিনেই তছনছ হয় ইহুদি ভূমি? ১৯৭৩ এর ইয়ম কিপুর যুদ্ধ ভুলে গেছিল নেতানিয়াহুর দেশ?

    নাহলে কি এতো বড় ধাক্কাটা খেতে হতো? অথচ, যে মোসাদের নামে গোটা বিশ্ব কাঁপে, তারা কিছুই টের পেলনা। ১৯৭৩ সালের ৬ই অক্টোবর ইহুদিদের সবচেয়ে পবিত্র দিন ইয়ম কিপুর। ইজ়রায়েল আক্রমণ করেছিল কয়েকটি আরব দেশের জোট। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে জিতেছিল ইজ়রায়েল। ২০২৩ এর ৬ই অক্টোবর, ইহুদিদের আর এক পবিত্র দিবস সিমহাত টোরায় প্যালেস্টাইনি জঙ্গি গোষ্ঠী হামাসের নজিরবিহীন হামলার মুখে পড়ল ইজ়রায়েল। কি আছে এই ৬ই অক্টোবরে? ইয়ম কিপুর যুদ্ধের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন অনেক ইজ়রায়েলি। সেইবার ও উৎসবে মেতে ছিল ইহুদীরা, আর এবারও। তাহলে, কী ইয়ম কিপুর যুদ্ধের স্মৃতি উসকে দিতেই হামাস ৬ই অক্টোবরকে বেছে নিল? কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে মোসাদ, শিন বেট, আমানকেও। যদিও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, মোসাদ-কে ঘোল খাওয়াতে রীতিমতো কাঠখড় পুড়িয়েছে প্যালেস্টাইনি জঙ্গি গোষ্ঠী। ব্যবহার করেনি কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মতো গ্যাজেট। এছাড়া গত দু’বছর ধরে ধীরে ধীরে মোবাইল ফোনের ব্যবহারও কমিয়েছে হামাস। এদিকে জঙ্গিদের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইজরায়েলি মোসাদ অনেকটাই গ্যাজেট নির্ভর।

    তাহলে মোসাদের গ্যাজেট নির্ভরতাই কী কাল হলো? আমেরিকাই বা কী করলো? ইজ়রায়েলকে প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল সাহায্য করে আমেরিকা। আমেরিকার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলে ইজ়রায়েল। সেই দেশটাও অন্ধকারে থাকলো? উত্তর একটাই, এমন বড় মাপের কোনও হামলার ছকের কথা জানাই ছিল না আমেরিকান গোয়েন্দা বা সেনা আধিকারিকদের। ইজরায়েলের কাছেও এমন হামলার কোনো তথ্য ছিল না। তবে কি ব্যর্থ হল বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মোসাদ এজেন্সি? বিশেষজ্ঞদের একাংশ অবশ্য মোসাদের মধ্যে অন্তর্ঘাতকে দায়ী করেছেন। আবার আরেকাংশের মতে, হামাস হামলা করলেই যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে, এটা জানত মোসাদ। তাই ইচ্ছে করেই প্যালেস্টাইন জঙ্গিদের ভুল করতে দিয়েছে ইজরায়েলি মোসাদ। এই নিয়ে বিস্তর জলঘোলা চলছে।

    তথ্য বলছে আগে হিউম্যান ইনটেলিজেন্সের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল মোসাদ। হামাস বা হেজবুল্লার মতো জঙ্গি গোষ্ঠীতে মিশে থাকত তাঁদের কয়েকশো এজেন্ট। সেখান থেকে বর্তমানের গ্যাজেট নির্ভর গুপ্তচরবৃত্তি বুমেরাং হলো ইজরায়েলের কাছে। হামাস যে এই প্রথমবার মোসাদের নজর এড়াল, এমনটা নয়। ১৯৯৭-র মাঝামাঝি প্যালেস্তাইনি এই জঙ্গি সংগঠনের কুখ্যাত কমান্ডার খালেদ মেশালকে হত্যার চেষ্টা করেন ইজরায়েলি গুপ্তচররা। কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। যার জেরে তৎকালীন মোসাদ চিফ ড্যানি ইয়াটমকে চাকরি পর্যন্ত খোয়াতে হয়েছিল। তাহলে এবার নেতানিয়াহু সরকার মোসাদের বিরুদ্ধে কী স্টেপ নেবে? যুদ্ধ শেষ হলে মোসাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে? সবটাই বলবে সময়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas: ইজরায়েল গাজা ক্যাপচার করে নিল! জল-খাবার পুরো বন্ধ, নেতানইয়াহুর নয়া ছক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas: গাজা কি পুরোপুরি ক্যাপচার করে নিল ইজরায়েল? ইজরায়েলের লাগাতার এয়ারস্ট্রাইক হামাসের খেল খতম গাজায় কেন খাবার-জল বন্ধ করে দেওয়া হল? নেতানইয়াহু বলছেন হামলা তো সবে শুরু। ইজরায়েল থেকে এবার নজর ঘুরে গিয়েছে গাজা স্ট্রিপের দিকে। কারণ বর্তমানে সেখানকার অবস্থা রীতিমত ভয়ানক। গাজায় ভয়ঙ্কর হানা ইজরায়েলের বায়ুসেনার, লাগাতার চলছে এয়ারস্ট্রাইক। যেন ক্ষেপে গিয়েছে ইজরায়েল। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার প্যালেস্তেনীয় শরণার্থী শিবিরে নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। সোমবার বিকেলে জাবালিয়া এলাকার ওই শরণার্থী শিবিরে ইজরায়েলি বোমাবর্ষণে নারী ও শিশু-সহ বহু প্যালেস্তেনীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    ইজরায়েল জানাচ্ছে এই হামলার পর ১৫০০ হামাস জঙ্গির দেহ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। এমূহুর্তে যে খবর বিশ্ব চিন্তিত সেটা হল বোমা হামলার পর এবার ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। উপত্যকাটিতে খাবার, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হচ্ছে। এতে বোমার আঘাতে বিধ্বস্ত গাজায় ভয়ানক মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে, এমনটাই বলছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। গাজায় প্রায় ২৩ লাখ মানুষ বসবাস করে। যাদের ৮০ শতাংশ সাহায্যের উপর নির্ভর করে বাঁচে। জানা যাচ্ছে ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গাজা উপত্যকার জ্বালানিও শেষ হয়ে যাবে। গাজা স্ট্রিপের ভৌগলিক অবস্থান কি? ইজরায়েল কী পুরোপুরি ক্যাপচার করে নিয়েছে? ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইওয়াভ গ্যালান্ট বলেছেন, “আমি গাজা উপত্যকা সম্পূর্ণ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছি বিদ্যুৎ, খাবার, গ্যাসসহ সবকিছুই সেখানে বন্ধ থাকবে।”

    ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী গাজা উপত্যকার সীমান্তের বড় অংশ ইসরায়েলের সঙ্গে বাকিটা মিশরের সঙ্গে। গাজার আকাশপথ ও সৈকত ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। সেখান দিয়ে কারা যেতে পারবে এবং কী পণ্য ঢুকতে পারবে সে বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে ইসরায়েলের। ফলে ইসরায়েল চাইলেই গাজা ঘিরে অবরোধ জারি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এবার যেটা আশঙ্কা করা হয়েছিল সেটাই করতে চলেছে ইজরায়েল। গাজায় নজিরবিহীন স্থল অভিযানও শুরু করবে ইসরায়েল। আকাশ সমুদ্র দখলে নেওয়ার পর ইসরায়েল বাহিনীর প্রধান মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হ্যাগারির দাবি দুই দিনে তিন লাখ সংরক্ষিত সেনাকে বাহিনীতে যুক্ত করা হয়েছে। এর আগে এত সংখ্যক সংরক্ষিত সেনা একত্র করা হয়নি। ইসরায়েল এবার স্থল হামলা শুরু করবে।

    জানা যাচ্ছে লেবাননে সক্রিয় হেজবুল্লা বাহিনী ইতিমধ্যেই ইজরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ঘোষণা করেছে। তারা হামলা চালালে উত্তর ইজ়রায়েলেও লড়াই শুরু হবে আর এই দুই গোষ্ঠীকেই ব্যাকআপ দিচ্ছে ইরান। সারা রাত ধরে গাজা উপত্যকা জুড়ে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ভোরের আলো ফোটার পরও হামলা অব্যাহত কালো ধোঁয়ায় আকাশ ছেয়ে গেছে গাজার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধের মূলে যুক্তরাষ্ট্র ? লড়াই তীব্র হচ্ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধের মূলে যুক্তরাষ্ট্র? খতরনাক সব অস্ত্র, আস্ত রণতরী-যুদ্ধবিমান। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে সবকিছু ঢেলে দিল‌ কি এমনি এমনি? বড় চ্যালেঞ্জ! এবার কী হামাস বনাম যুক্তরাষ্ট্র? রাশিয়া কোন সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিল বাইডেনকে? রিস্ক বাড়ছে ইরানের। এতো এতো মার্কিনির মৃত্যু, আমেরিকা কী চুপচাপ দেখবে? এবার কোন অ্যাঙ্গেলে ঘুরবে ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধ? ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ছে। ইজরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে হামাসের সশস্ত্র বাহিনী জীবনপণ লড়াই করছে। চোয়াল শক্ত করে লড়ছে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ফোর্স। যুদ্ধে বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। আর এরপরই আমেরিকার সরাসরি টার্গেটে চলে এলো হামাস জঙ্গি গোষ্ঠী।

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। ইজরায়েলকে সাহায্য করতে এবার যুদ্ধবিমান-যুদ্ধ জাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ডিসিশন নিয়ে ফেলেছেন বাইডেন। না এখানেই শেষ নয় ইজরায়েলের উদ্দেশে অলরেডি রওনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন ফোর্স। প্রয়োজনে দেওয়া হবে সমরাস্ত্রও একেই বলে কপাল। রাশিয়া ইউক্রেনের পর, ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধেও আমেরিকা জড়িয়ে যাচ্ছে। রাশিয়া তো বলছে, হামাস-ইসরায়েল সংঘাতে নাটের গুরু যুক্তরাষ্ট্র, কিন্তু সত্যিই কি তাই? ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ছিলেন দিমিত্রি মেদভেদেভ। তিনি আন্তর্জাতিক সংঘাতে আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মেদভেদেভ বলেছেন, বিশ্বজুড়ে সংঘাত উসকে দেওয়ার বিষয়ে আমেরিকার চিন্তা ভাবনাকে থামাতে পারে একমাত্র গৃহযুদ্ধ। অনেক বড় কথা। তাহলে কি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের মতোই ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্র একই ভূমিকা পালন করবে? গোটা বিশ্ব জানে ইউক্রেনকে পেছন থেকে সাপোর্ট করছে বাইডেনের দেশ। তাহলে কি ইজরায়েলও আমেরিকার জোরেই যুদ্ধ এগিয়ে নিয়ে যাবে?

    হামাসের হামলার পর থেকেই ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সহ দেশটির পশ্চিমা মিত্ররা। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাহায্য কয়েক দিনের মধ্যে ইসরায়েল হাতে পাওয়া শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা ইসরায়েলি ফোর্স ও নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অটুট সমর্থনকে হাইলাইট করছে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও, ইজরায়েলের গলায় অন্য সুর। ভারতে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত নাওর গিলোঁ বলছেন ইজরায়েল কখনও কাউকে বলেনি, এসো, আমার জন্য যুদ্ধ করো। এটা একেবারেই আমাদের নিজস্ব লড়াই। আমরা মোটেই চাই না, আমাদের লড়াইটা আমাদের হয়ে অন্য কেউ লড়ে দিক মোদ্দা কথা, ইজরায়েল একাই লড়তে তৈরি। অন্যদিকে, সরাসরি প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়িয়েছে ইরান। ইরান পরিষ্কার করে বলে দিয়েছে, প্যালেস্টাইন ও জেরুজালেমের এই লড়াইয়ে তারা প্যালেস্টাইনের পাশে রয়েছে। জানা যাচ্ছে, ইরানের আর্থিক সাহায্য নিয়েই অলরেডি ইজরায়েলের উপর হামলা চালাচ্ছে হামাস জঙ্গি। মানে একদিকে যুক্তরাষ্ট্র, আরেকদিকে ইরান। এই দু দেশের ইনভলভমেন্টে ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধ এবার কোনদিকে মোড় নিতে যাচ্ছে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version