Tag: hamas

  • Israel-Hamas war: গাজার মাটির নিচে টেরোরিস্ট সিটি! প্যালেস্টাইন স্কয়ার মৌচাক, দেইফের আস্তানায় ডুবছে IDF

    Israel-Hamas war: গাজার মাটির নিচে টেরোরিস্ট সিটি! প্যালেস্টাইন স্কয়ার মৌচাক, দেইফের আস্তানায় ডুবছে IDF

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: গাজার মাটির নীচে হামাসের শহর। কালঘাম ছুটিয়ে দিচ্ছে আইডিএফ এর। হামাসের মাস্টারমাইন্ড দেইফ এই গোপন ডেরায় লুকিয়ে থাকে? টেরোরিস্ট সিটিতে কারা থাকে কড়া পাহারায়? প্যালেস্টাইন স্কয়ারই মৌচাক। কিসে ভাঙবে এতো বড় সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক? ভয়ানক গোলকধাঁধায় হারিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। সন্ত্রাসের রাজত্বে নেতানিয়াহুর লড়াই আরও কত কঠিন হবে? গোটা পৃথিবীর আড়ালে গাজার আন্ডারগ্রাউন্ড টেরোরিস্ট সিটি। রহস্যময় একটা মানুষ আড়াল থেকে ইসরাইলকে নরক করে দিচ্ছে।সব প্ল্যান কি টেরোরিস্ট সিটিতে বসেই ছকেছে হামাসের মাস্টারমাইন্ড দেইফ? ইসরাইলের গর্ব করার মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে যে নিমেষে ধসিয়ে দিয়েছে। মাটির নীচের এই শহরই কি দেইফের আস্তানা?

    চাঞ্চল্যকর দাবি ইসরাইলের। প্যালেস্টাইনের গাজা উপত্যকায় বড় ধরনের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্কের খোঁজ। ইসরায়েলের দাবি, একসময় হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতারা ওই সুড়ঙ্গ ব্যবহার করত। যাকে ‘সন্ত্রাসীদের ভূগর্ভস্থ শহর’ বা আন্ডারগ্রাউন্ড টেরোরিস্ট সিটি বলছে আইডইএফ। এতদুর পৌঁছে গেছে ইজরাইলি বাহিনী? গাজার ‘অভিজাত এলাকা’ হিসেবে পরিচিত, আল-রিমালের প্যালেস্টাইন স্কয়ারের চারপাশ নিজেদের কন্ট্রোলে নিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করছে নেতানিয়াহুর প্রতিরক্ষা বাহিনী। ৭ই অক্টোবর ইসরাইলের ভূখন্ডে মাত্র ২০ মিনিটে হামাসের হাজার পাঁচেক রকেট ধেয়ে আসার পর নেতানিয়াহুর ফোর্স গাজা অ্যাটাক করে। তারপর থেকে লড়াই চলছে অবিরত। কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ের পর এলাকাটির কন্ট্রোল নিয়েছে আইডিএফ। ইসরাইল বলছে এখান থেকেই প্যালেস্টাইন মুক্তি আন্দোলনের সংগঠন হামাসের প্রশাসনিক ও সামরিক নেতৃত্ব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত।

    ইসরায়েলের আরও দাবি, হামাসের রাজনৈতিক নেতা ইসমাইল হানিয়া, সামরিক নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার ও হামাস কোমান্ডার মোহাম্মদ দেইফ গাজা নগরীর এই জায়গাতেই থাকত। যে হামাসের কমান্ডার দেইফকে সরিয়ে দিতে ৭ বার চেষ্টা চালিয়েছে ইজরাইল। লাস্ট চেষ্টা ছিল ২০২১ সালে কিন্তু প্রতিবারই ফেইল করেছে। দেইফ সচরাচর প্রকাশ্যে আসে না, কথা বলেনা, একটা চোখে দেখেনা, হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা করতে পারে না। কোথায় থাকে নির্দিষ্টভাবে সেটাও কেউ জানে না। মোহাম্মদ দেইফ মানে পুরো একটা ধোঁয়াশা।

    ধোঁয়াশা কাটাতে না পারলেও ইসরাইলের দাবী তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। প্যালেস্টাইন স্কয়ারের ঠিক নিচে সুড়ঙ্গের এক বিশাল নেটওয়ার্ক রয়েছে, যাকে ‘কৌশলগত সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক’ অভিহিত করে ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয় এর সঙ্গে রানতিসি হাসপাতাল ও শিফা হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকার ভূগর্ভস্থ অবকাঠামোর বিরাট কানেকশন রয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এ-সংশ্লিষ্ট একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি প্রথম কলকাতা। ভিডিওতে গাজা নগরীর কয়েকটি সুড়ঙ্গের প্রবেশমুখ চিহ্নিত করে দেখানো হয়েছে। এসব সুড়ঙ্গের সঙ্গে হাসপাতালের সংযোগ রয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ তারা দেখাতে পারেনি। শুধু তাই নয়।

    সম্প্রতি গাজায় একটি বড় সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়ার কথা জানায় ইসরায়েলি বাহিনী! দেশটির সেনা কর্মকর্তারা জানান, এরেজ সীমান্ত ক্রসিং থেকে কয়েকশ মিটার দূরে সুড়ঙ্গটির প্রবেশ মুখের সন্ধান পাওয়া গেছে। জানানো হয়, ওই সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ৪ কিলোমিটারের বেশি বা প্রায় আড়াই মাইল। সীমান্ত এলাকায় এই পর্যন্ত হামাসের যেসব সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড়। বুঝতে হবে, গাজার হৃৎপিণ্ড এতো এতো সুড়ঙ্গ। মাটির নীচের ইনফ্রাস্ট্রাকচার গাজার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। গাজা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ রয়েছে। সেখানে পণ্য ও মানুষ এর প্রবেশ কিংবা সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য ইসরায়েলের অনুমতি দরকার। এমন পরিস্থিতিতে গাজায় গোপনে পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য এসব সুড়ঙ্গ ব্যবহার করা হয়।

    যদিও ইসরায়েলের দাবি, হামাসের সশস্ত্র কর্মকাণ্ড পরিচালনায় এসব সুড়ঙ্গ ব্যবহার করা হয়। তাই এসব সুড়ঙ্গ ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে ইসরায়েলি বাহিনী। শেষ ভরসা ভূমধ্যসাগরের জল। তাতে ইসরাইল সাকসেসফুল হয় কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel Hamas War: হামাস আত্মসমর্পণ করুক নয় মরুক! হুমকি নেতানিয়াহুর, গাজায় শান্তি আসবে কবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel Hamas War: এখনো হাল ছাড়েনি হামাস। উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে হামাস আর ইসরায়েল যুদ্ধের মাত্রা। যা ভাবিয়ে তুলেছে গোটা বিশ্বকে। এত আলাপ আলোচনার পরেও যুদ্ধ বন্ধ হয়নি। এসবের মাঝে হুঁশিয়ারি দিল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। হামাসকে আত্মসমর্পণ করতে হবে, নয় মরতে হবে। এছাড়া আর কোনো রাস্তা খোলা নেই। প্রশ্নটা এখানেই, গাজায় শান্তি আসবে কবে? গাজার মানুষ কবে স্বস্তিতে থাকতে পারবে?

    গত দুই মাস ধরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারো হামাস নির্মূলের কথা বলেছেন। নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার বলেছেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে যে কোনও মূল্যে হামাসকে নির্মূল করতে তাদের মিশন শেষ করতে হবে। এই বিবৃতির মাধ্যমে নেতানিয়াহু আবারও যুদ্ধ বন্ধের সকল প্রচেষ্টাকে পিছিয়ে দিয়েছেন। দ্বিতীয়বারের মতো, জিম্মি সম্পর্কিত আলোচনা স্থবির বলে মনে হচ্ছে, কারণ ইসরায়েল এবং হামাস উভয়ই যুদ্ধবিরতিতে একমত হয়নি।

    এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা বিজয় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই করছি। যতক্ষণ না আমরা এর সব লক্ষ্য অর্জন না করি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা যুদ্ধ বন্ধ করব না। হামাসের ধ্বংস এবং সকল জিম্মিদের মুক্তিই আমাদের লক্ষ্য”। তিনি আরও বলেন, ‘হামাস খুব সহজ বিকল্পের মুখোমুখি। আত্মসমর্পণ কর নতুবা মারা যাবে। এ ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই”। নেতানিয়াহু আরও জোর দিয়ে বলেন, ‘হামাস নির্মূল করার পর, গাজা যাতে ইসরায়েলকে কখনও হুমকি না দেয় তা নিশ্চিত করতে আমি আমার সমস্ত শক্তি ব্যবহার করব।’ এই সপ্তাহে নেতানিয়াহুর জারি করা কয়েকটি বার্তার মধ্যে এটি একটি।

    নেতানিয়াহুর এই বিবৃতি এমন সময় এসেছে যখন মিশর ও কাতার গাজায় একটি চুক্তির জন্য ইসরাইল ও হামাসের সঙ্গে আলাদা আলোচনা করছে। এই চুক্তি ১২৯ জিম্মি মুক্তি নিশ্চিত করবে। নভেম্বরের শেষের দিকে চুক্তির পর, হামাসের বন্দিদশা থেকে ১০৫ জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়। গত সপ্তাহে আইডিএফ ঘটনাক্রমে তিন পুরুষ জিম্মিকে হত্যা করার পর নেতানিয়াহুর উপর একটি চুক্তি করার জন্য জনসাধারণের চাপ বেড়েছে। হামাসও এর সুযোগ নিচ্ছে। হামাস বলেছে, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি না করা পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে না। যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ না হয় কোনো জিম্মিকে মুক্তিও দেওয়া হবে না। হামাস আরো জানিয়েছে, এই আহ্বানে ফিলিস্তিনি সব দল একত্রিত হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হুথির কালো নজরে বাঁধা লোহিত সাগর, হারাচ্ছে জাহাজ, সাগরের মাঝেই পাঁচিল তুললো কারা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পৃথিবীর চামড়া ফুঁড়ে দানবীয় গর্ত খুঁড়েছে ইয়েমেন? হুথিদের কালো নজরে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়াছে লোহিত সাগর। বিছিয়ে দিয়েছে ভয়ানক লাল কার্ড। ফাঁদে পড়লেই হারিয়ে যাচ্ছে জাহাজ? রেড সিগন্যালে আটকে গেল যুক্তরাষ্ট্র। সাগরের মাঝেই লোহার পাঁচিল তুলছে ওয়াশিংটন। হাত মেলালো কারা? কারেন্টের জালে জোর ঝটকা খাবে হুতি? আকাশ পাতাল এক করে কোন ছকে সামিল হলো হামাস-হুতি? মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের এফেক্টে ফুটছে লোহিত সাগর। হুতি বিদ্রোহীদের ভয়ঙ্কর ট্রিটমেন্ট। ইসরাইলের ব্যাকবোন যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক চাপে। পাল্টা দিতে কারেন্টের ফাঁদ পাতছেন বাইডেন? ব্যস্ত শিপিং রুটগুলোর মধ্যে অন্যতম লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর দিয়ে চলালচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বহুজাতিক বাহিনী গঠনের কথা জানিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

    অলরেডি ৯টি দেশ এই ফোর্সে যোগ দিতে রাজি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। লিস্টে আছে যুক্তরাজ্য, বাহরাইন, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সেশেলস। লোহিত সাগরে হুথিদের বিরুদ্ধে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ যে ভূমিকা পালন করছে ওই সব দেশ তা করবে কি না, সেটা এখনো পরিষ্কার না। প্যালেস্টাইন-ইসরায়েল যুদ্ধের শুরু থেকেই হামাসের সমর্থনে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। আরবের সুন্নি রাষ্ট্রগুলোর মতো শুধু কথায় নয়, সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে হুতি। ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে বিভিন্ন জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে ইসরাইলগামী জাহাজ লক্ষ্য করে, আবার কখনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে মিসাইল অ্যাটাক। প্যালেস্টাইনকে সাপোর্ট করতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে ইয়েমেনের হুতি।

    আর তাই ১৫ই ডিসেম্বর এর পর একাধিক শিপিং কোম্পানি লোহিত সাগরে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। পিছু হঠেছে পশ্চিমা কোম্পানি শিপিং জায়েন্ট মার্স্ক। অলরেডি যাতায়াতের পথও পাল্টে ফেলেছে। পরিবর্তে এখন আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল ঘুরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হুতি বিদ্রোহীদের ভয়ে শিঁটিয়ে যাচ্ছে শিপিং কোম্পানিগুলো। তারা বলছে সুয়েজ খাল ও লোহিত সাগর দিয়ে ঠিক কবে জাহাজ পরিচালনা করা সম্ভব হবে সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে শিপিং কোম্পানিগুলোর।

    ঘুরপথে জাহাজকে যাতায়াত করতে হলে বেড়ে যাবে সময়, বাড়বে খরচও সেক্ষেত্রে এতো ইম্পরট্যান্ট একটা বাণিজ্য রুট থেকে এভাবে কতদিন দূরে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র? তেমন হলে, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে আমেরিকা কি হুতির বিরুদ্ধে স্পেশাল অপারেশন চালাতে পারে বাকি ৯ দেশকে সঙ্গে নিয়ে? লাখ নয়, এগুলোই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: কাঁটার চক্রব্যূহে ইসরাইল, নেতানিয়াহুর ব্লান্ডারে চোখের বিষ ? গাজার মাটির দম আছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: কাঁটার চক্রব্যূহে আটকে গেল ইসরাইল। নেতানিয়াহুর একটা ব্লান্ডার, গোটা বিশ্ব ছিটকে গেল ইহুদী ভূমি থেকে। গাজার বুকে গভীর ক্ষত, চোখের বিষ হচ্ছে আইডিএফ। আমেরিকাও ব্যাক টার্ন নিলে? নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ইসরাইল এর মতো একটা দেশ? নেতানিয়াহুর সাজানো ঘুঁটি ভেস্তে দিল হামাস। গাজার মাটির দম আছে। গাজা যুদ্ধ নেতানিয়াহুর জন্য অস্তিত্বের লড়াই। যাকে বলে প্রেস্টিজ ফাইট। শেষ সম্বল টুকু নিয়ে লড়ছে ইসরাইল। গাজার বুকে অবিরত হামলা দেখে গোটা বিশ্ব ভাবছে মধ্যপ্রাচ্যে ছক্কা হাঁকাচ্ছেন নেতানিয়াহু, কিন্তু ইসরাইলের একের পর এক ভুল নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে কতটা ব্যাকফুটে ইহুদি ভূমি?আমেরিকা ইসরাইল কে পেছন থেকে সাপোর্ট করছে। কিন্তু সেই বাইডেন মধ্যপ্রাচ্যে কতটা সেফ?

    চীনের জন্য রীতিমতো ইগো সংকটে ভুগছে মার্কিন প্রশাসন। ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক শিথিলে বড় ভূমিকা রেখেছে চীন। বেইজিংয়ের মধ্যস্থতায় দীর্ঘদিনের বৈরিতা ভুলে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম পরাশক্তির দুই দেশ। অতএব, মধ্যপ্রাচ্যে হঠাৎ চীনের উত্থানে চিন্তার ভাঁজ বাইডেনের কপালে। যেখানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে ইজরাইলের পরিস্থিতি কি হতে পারে? প্রশ্ন থাকছে। ট্রানজিশন একদিকে প্যালেস্টাইনিদের পিষে মারছে অন্যদিকে আরব দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিকে তোড়জোড় চালাচ্ছে ইসরায়েল। আমেরিকার অনুরোধে নেতানিয়াহুর বলয়ে ঢুকেও পড়েছে সুদান, আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ। সৌদি আরবের সাথেও সম্পর্ক শিথিলের আলাপ-আলোচনা চলছিল। তবে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের মাধ্যমে তা ভেস্তে গেছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

    নতুন করে আর কোনো দেশ ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহও দেখাচ্ছে না। এদিক থেকেও কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে ইসরায়েলের মধ্যপ্রাচ্য শাসনের কূটকৌশল। আর এসব দেখে শুনে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজায় নতুন করে হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে দেশগুলোকে ক্ষেপিয়ে তুলেছে তেলআবিব। শুধু আরব দেশগুলোতেই নয়, ইসরায়েলের পরম মিত্র আমেরিকাও চাইছে না গাজায় এভাবে হামলা চালাক তারা। তাহলে কি যে কোন মুহূর্তে ইসরাইলের পাশ থেকে সরে দাঁড়াতে পারে আমেরিকা? কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ইসরায়েলের উচিত হবে যুদ্ধ বন্ধ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কথা বলছেন, তা মেনে নেওয়া। যদিও দুই রাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবস্থা এখন অনেকটা অবাস্তব। ইসরাইল অন্তত গাজার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে রেডলাইন এঁকে দিয়েছে, সেটা মেনে চলুক।

    নেতানিয়াহু তো সাফ বলে দিয়েছেন গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ করা হবে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনীর কন্ট্রোলে রাখা হবে তবে, ভুলে গেলে চলবে না হামাস কিন্তু একা নয়। “হ” এর ক্ষিপ্রতায় নেতানিয হুর দেশের টিকে থাকাই দায়। বুঝতে হবে, মধ্যপ্রাচ্যের বিরাট ট্র্যাপে পড়ে গেছে ইসরাইল। গাজার হামাস, লেবানন এর হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি, ইরানের ইমাম হুসাইন ব্রিগেড। এই “হ” এর জাল কাটা কিন্তু কঠিন। যুদ্ধে পরিধি কিন্তু দিনকে দিন বাড়ছে। ইহুদি ভূমির উপর কি আরো বড় অ্যাটাকের প্ল্যান রয়েছে? গাজার বুকে কনস্ট্যান্ট হামলা চালিয়ে গেলেও চারদিক থেকে ইসরায়েল এখন আতঙ্কে ভুগছে। থেমে থেমেই হামলা হচ্ছে। ইরানও তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির যুদ্ধাস্ত্র প্রস্তুত রাখার কথা বারবার বলে আসছে। তাই পরিস্থিতি সহজেই খুব একটা স্বাভাবিক হবে এমন আশা রাখছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    মূলত ইসরায়েলের ভয় ইরান আর সৌদি আরবকে নিয়ে। আমেরিকার নৌকায় উঠে যেভাবে মহাসমুদ্র পার হতে চেয়েছিল নেতানিয়াহু প্রশাসন, সেটাও আর হবেনা বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। হামাসের ওপর চাপ বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ফোর্সকে আসলে এটা ছাড়া তাদের হাতে কিছুই নেই। হুবহু এটাই বলেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাহলে কি ইসরাইল ও নিজেদের বিপদ আঁচ করতে পারছে? সত্যিই কি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার? উত্তর লুকিয়ে সময়ের গর্ভে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: বিষ জলে গলবেনা হামাসের সুড়ঙ্গ! সিক্রেট ফাঁস, ভূমধ্যসাগরেই ক্ষয়ে যাবে ইসরাইল ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: ইসরাইলের বিষ জলে গলবে না হামাসের সুড়ঙ্গ। বড় সিক্রেট ফাঁস। গাজা মেট্রো কি দিয়ে সিল করলো প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠী? ভূমধ্যসাগরের নোনাজলেই ক্ষয়ে যাবে আইডিএফ? নেতানিয়াহুর প্ল্যান ডাহা ফেল? হামাসের শকে জোর ঝটকা খাবে আমেরিকা। হামদান ডোজে ভাঙবে ভুল? গাজার মাটিতে এভাবেই কি মিশে যাবে জায়নবাদী সেনারা? মাকড়সার জালের মতো হামাসের সুড়ঙ্গে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গেল আইডিএফ।ডুবিয়ে ছাড়বে ইসরাইলি সেনাদের। ভূমধ্যসাগরের নোনাজলেই বিপদ দেখছেন নেতানিয়াহু। বন্যা বোমাও জমে বরফ?

    উইকপয়েন্ট ঢাকলো হামাস। গাজার মাটির নীচে হামাসের টানেলগুলো বন্যা প্রতিরোধী! কোন টেকনিক ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে ওইসব সুড়ঙ্গ? হামাসের মুখপাত্র ওসামা হামদান কি এমনি এমনি এতো কনফিডেন্ট? সাফ বলছেন, হামাসের টানেলে জল ঢেলে কোনো কূলকিনারা করতে পারবে না ইসরায়েলি বাহিনী। মহাবিপদে ইসরাইলি ফোর্স। গাজার মাটিতে আইডিএফের গ্রাউন্ড রেড সাক্সেসফুল হওয়ার পথে সব থেকে বড় বাধা হামাসের সুড়ঙ্গ, এটা জানে গোটা বিশ্ব। গাজার মাটির নীচে বিস্তৃত টানেল নেটওয়ার্কের কারণেই তাদের যোদ্ধারা হামাসকে কাবু করতে পারছে না। তাই বন্ধু আমেরিকার পরামর্শে ইসরাইলের প্ল্যান ছিল, হামাসের সুড়ঙ্গ ফাটিয়ে সাগরের জল ঢুকিয়ে ভেঙে তছনছ করবে গাজার মাটির নীচের ওইসব আস্তানা। ভরসা ছিল ভূমধ্যসাগরের নোনাজল। যে অস্ত্রের মুখে পড়ে টানেলে লুকিয়ে থাকা হামাস যোদ্ধারা বাইরে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হবে কিন্তু, টার্গেট ছোঁয়ার আগেই গ্রাউন্ড অপারেশনে বড় ধাক্কা খেল ইসরাইল। এবার কি প্ল্যানটা ভেস্তে যাবে?

    হামাসের সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক ধ্বংস করবে কয়েকটা বড়সড় পাম্প। উত্তর গাজার আল-শাতি শরণার্থী শিবির থেকে প্রায় এক মাইল উত্তরে কমপক্ষে পাঁচটা পাম্প বসানোও‌ হয়ে‌ গেছে। আর সেই পাম্পের জলের তোড়েই হামাসের টানেল নেটওয়ার্ক ভাসিয়ে দেওয়ার সূক্ষ্ম ছক জায়নবাদী সেনাদের হাতে। যা কি-না মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে হামাসের সব টানেলকে ভাসিয়ে দিতে পারে। পাম্পের নামেই বুক কাঁপছে প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠীর। প্রতিটি পাম্প দিয়ে ভূমধ্যসাগর থেকে ঘণ্টায় কয়েক হাজার ঘন মিটার জল তোলা যাবে। অলরেডি কাজও শুরু করে দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। আর এতেই রিস্ক বাড়ছে গাজার। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরাইল এর এই রহস্যময় প্ল্যানিং গাজায় জল সরবরাহ সিস্টেমকে ঝুঁকিতে ফেলে দেবে। তেল আবিব এর সাঙ্ঘাতিক প্ল্যান। আপনি ধরতে পারবেন না। কিন্তু, হামাস হাল ছেড়ে দিতে নারাজ। তাই হামদান বলছেন রীতিমতো টানেলগুলো দক্ষ ও শিক্ষিত ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এগুলো প্রতিরোধের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ‌।

    যেগুলো বন্যায় ভাসিয়ে ফেলা থেকে শুরু করে সম্ভাব্য সকল ধরনের আক্রমণের কথা ভেবেই তৈরি করা হয়েছে।জানিয়ে রাখি, ইসরায়েলি বাহিনী এখনও পর্যন্ত ৮০০টি টানেল চিহ্নিত করেছে যদিও তারা বলছে যে, হামাসের টানেল নেটওয়ার্ক এর চেয়েও অনেক বড়। কল্পনার অতীত। যেসব টানেলে ‘সীমিতভাবে’ সমুদ্রের জল দিয়ে প্লাবিত করার ‘পরীক্ষা’ শুরু করার কথা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে। এতে টানেল নেটওয়ার্কে বড় স্কেলে পরিকল্পনামাফিক অপারেশন চালানো যাবে কি-না, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যাবে।

    অতএব, ইসরাইলি সেনারা নিজেদের লক্ষ্যপূরণে অবিচল। হামাসকে নির্মূল করাই এক এবং একমাত্র টার্গেট। গোটা বিশ্ব জানে, গাজা উপত্যকার প্রায় ২৩ লাখ বাসিন্দার মধ্যে ৮০ ভাগই বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তেল আবিব গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর অবিরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, পৌঁছতে দিচ্ছে না খাদ্য, জ্বালানি, জল, বিদ্যুত। তার উপর বন্যা বোমার ছক। গাজার বুকে গ্রাউন্ড রেড আরও কতটা ভয়ঙ্কর হতে যাচ্ছে? বলবে সময়।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas war: পৃথিবী থেকে ছিটকে গেল ইসরাইল! গাজার বুকে জিওনকাঠি ? ১৫৩ বড় রহস্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas war: পৃথিবী থেকে ছিটকে গেল ইহুদী ভূমি! গাজার বুকে অক্সিজেনের পাহাড়, কোন আকর্ষণে গোটা বিশ্ব জমে পাথর হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের মাটির নীচে? ১৫৩ সংখ্যাতেই বড় রহস্য, ১০ এ থাকলো কারা? নেতানিয়াহুর ভুল চালে ভারতের এই দামী সম্পদ হারালো ইসরাইল থেকে। বিপদ কাটাবে কে? জাতিসংঘের হাতে গাজা রক্ষার মূলমন্ত্র। মাটি কামড়ে বাঁচবে গাজা। প্রাণভোমরা কাদের হাতে? ফাঁড়া কাটছে না ইসরাইল এর বাইডেন ও ছুঁড়লেন শেষ অস্ত্র? বললেন, প্যালেস্টাইনের গাজায় ‘নির্বিচার’বোমা হামলা চালানোর কারণে ইসরাইল আন্তর্জাতিক সমর্থন হারাতে শুরু করেছে। নেতানিয়াহু ফল ও পেলেন হাতেনাতে। গাজা বাঁচবে নিজের কায়দায়।

    বিশ্ব দাঁড়ালো গাজার পাশে। দু মাসের যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ গিয়েছে ইতিমধ্যেই। নিত্যদিন হতাহতের সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতি বেড়েই চলেছে। সেই আবহে এবার গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে দাবি আরও জোরাল হল। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় গাজায় মানবিক যুদ্ধবিরতির পক্ষে ভোট দিল ভারত, বাংলাদেশ। গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে মৌরিতানিয়া আর মিশর একটা প্রস্তাব তুলেছিল। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় যে প্রস্তাবটি পাশ হয়ে যায়। ভারত, বাংলাদেশ সহ ১৫৩টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।তালিকায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইরান, ফ্রান্স, জাপান, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান, সৌদি আরব। পাশাপাশি সমস্ত পণবন্দি মানুষজনের নিঃশর্ত মুক্তির প্রস্তাবেও সমর্থন জমা পড়েছে। যেসব দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র, চেক প্রজাতন্ত্র, অস্ট্রিয়া, গুয়াতেমালা, লাইবেরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, পাপুয়া নিউগিনি আর প্যারাগুয়ে।

    ২৩টি দেশ ভোট দেয়নি। আর্জেন্টিনা, বুলগেরিয়া, কেপ ভার্দে, ক্যামেরুন, ইকুয়েটরিয়াল গিনি, জর্জিয়া, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, লিথুয়ানিয়া, মালাবি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নেদারল্যান্ডস, পালাউ, পানামা, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, দক্ষিণ সুদান, টোগো, টোঙ্গা, ইউক্রেন, যুক্তরাজ্য, উরুগুয়ে। যদিও এই দেশগুলোর ভোটদান থেকে বিরত থাকা বিশেষ কোনো এফেক্ট ফেলেনি। কারণ গোটা বিশ্ব চায় বেঁচে থাকুক গাজা। বেঁচে থাকুক গাজার নিরীহ মানুষ। তাই গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাতে সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটা যে পাশ হবে, তা আগেই ধারণা করা হচ্ছিল। তবে, এটাও ঠিক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাশ হওয়া প্রস্তাব মানা বাধ্যতামূলক নয়। তবু এর রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। কারণ এর মাধ্যমে গোটা বিশ্বের মনোভাব বোঝা যায়। কিন্তু, এরপর কোন পথে হাঁটবেন নেতানিয়াহু? বাইডেনের কথা মেনেই বদলাবেন স্ট্যান্ড পয়েন্ট? প্যালেস্টাইন নিয়ে অবিলম্বে অবস্থান পাল্টানো উচিত নেতানিয়াহুর, বলেছেন বাইডেন। তাহলে কি যুক্তরাষ্ট্র ও সরছে ইসরাইল থেকে?

    গত ৭ অক্টোবর গাজা থেকে হামাস ইজরায়েলের উপর হামলা চালানোর পর থেকে এখনও পর্যন্ত নেতানিয়াহু কে সমর্থন করে এসেছেন বাইডেন। মাঝে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বিরতির পক্ষে ঝুঁকলেও, এই প্রথম তাদের মধ্যে দূরত্ব চোখে পড়ছে। যখন কিনা সরাসরি ইজরায়েলের সমালোচনা করলেন বাইডেন গোড়ার দিকে অধিকাংশ দেশই ইজরায়েলের সমর্থনে এগিয়ে এসেছিল। কিন্তু যেভাবে নির্বিচারে গাজায় বোমাবর্ষণ করে চলেছে ইজরায়েল, তাতে সমর্থন হারাচ্ছে তারা। ঠিক এই কারণেই কি পরিস্থিতি বুঝে ইসরাইল থেকে নিজেদের দূরত্ব বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? তেমন হলে নেতানিয়াহুর বিপদ রোখে কে? কিভাবে নিশ্চিহ্ন হবে গাজার বুক থেকে হামাস? কিভাবে নিজেদের টার্গেট ফুল ফিল করবে আইডিএফ? অনেক দূর এগিয়ে গেছে ইসরাইল। এখান থেকে পেছানোর আর কোনো রাস্তা বাকি আছে কি?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas War: সুড়ঙ্গের মধ্যে ঘাপটি মেরে হামাস নেতা, জল ঢোকাচ্ছে ইসরায়েল!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel-Hamas War: ইতিমধ্যেই জাতিসংঘে পাশ হয়ে গিয়েছে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব। এসবের মাঝে আবারো শোনা গেল এক উত্তেজনা মূলক খবর। ইসরায়েল আর হামাসের দ্বন্দ্ব একেবারে যে কবে থামবে, তার ইঙ্গিত এখন পর্যন্ত মেলেনি। তার মাঝেই শোনা যাচ্ছে, সুড়ঙ্গে রয়েছেন হামাস নেতারা। সেখানেই নতুন জাল বিছিয়েছে ইসরায়েলি সেনা। ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে, তারা হামাস গোষ্ঠীর ভূগর্ভস্থ নেটওয়ার্ককে ব্যাপকভাবে দুর্বল করার জন্য, সীমিত ভিত্তিতে কিছু গাজার টানেল সামুদ্রিক জল দিয়ে ভরাট করার সতর্কতামূলক পরীক্ষা শুরু করেছে। যদিও এই পদ্ধতি কাজ করবে কিনা সে বিষয়ে ইসরায়েলি সেনারা নিশ্চিত নয়। গাজার কয়েক কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব সুড়ঙ্গে লুকিয়ে আছে হামাস নেতারা। একই সঙ্গে হামাস কমান্ডার ইয়াহিয়া সিনওয়ারও তাদের মধ্যে লুকিয়ে আছেন, যাকে মোসাদ পুরো শক্তি দিয়ে খুঁজছে। “তবে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছে যে তারা শুধুমাত্র টানেলে পরীক্ষা করছে যেখানে তারা নিশ্চিত যে সেখানে কোন জিম্মি নেই,” এমনটাই বলেছেন এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা।

    এ প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, “সুড়ঙ্গের জলে বিষয়ে দাবি করা হচ্ছে, এই সুড়ঙ্গগুলোর কোনোটিতেই কোনো জিম্মি নেই, কিন্তু আমি সে তথ্য জানি না।” সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বা সরকার কোনো মন্তব্য করেনি। এই মাসের শুরুতে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছিল যে তারা গাজায় কমপক্ষে ৫০০টি টানেল শ্যাফ্ট এবং হামাস নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের আশেপাশে ৮০০ টিরও বেশি ধ্বংস করেছে। সেনাবাহিনী গত সপ্তাহে বলেছিল যে টানেলের বেশ কয়েকটি খাদ বেসামরিক এলাকার ভিতরে অবস্থিত। ২০২১ সালে, হামাস গাজার তলদেশে ৫০০ কিলোমিটার টানেল তৈরি করেছে বলে দাবি করেছে, যদিও এই পরিসংখ্যানটি সঠিক ছিল কিনা তা স্পষ্ট নয়।

    ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ব্যাপক বৈশ্বিক সমর্থন দেখিয়ে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য যুদ্ধবিরতির দাবিতে একটি প্রস্তাবের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অভূতপূর্ব সংখ্যক ভোট দিয়েছে। বৈশ্বিক সংস্থার ১৯৩ সদস্যের মধ্যে, ১৫৩ সদস্য এই প্রস্তাবের সমর্থনে ভোট দিয়েছে এবং ১০টি সদস্য রাষ্ট্র এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। ২৩ জন সদস্য ভোট দান থেকে বিরত ছিল। এই সমর্থন ২৭ অক্টোবরের প্রস্তাবের চেয়েও বেশি ছিল যা “মানবিক যুদ্ধবিরতির” আহ্বান জানিয়েছে। এ সময় প্রস্তাবের সমর্থনে ১২০টি, বিপক্ষে ১৪টি এবং ৪৫টি দেশ অনুপস্থিত ছিল। নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশনের বিপরীতে, সাধারণ পরিষদের রেজুলেশনগুলি আইনত বাধ্যতামূলক নয়, কিন্তু অ্যাসেম্বলি যে বার্তা পাঠায় তা বিশ্ব মতামতকে প্রতিফলিত করে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel-Hamas War: গাজায় ফিরছে ভয়ঙ্কর নাকবা ? কোন ভাইরাসে মাটি হবে মধ্যপ্রাচ্য, ইহুদী ভূমির ভয়ানক জাল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মাটি ফুঁড়ে পৃথিবীর বুকে জেগে উঠছে নরক! হামাস যুদ্ধ বাতাসে কি মিশিয়ে দিচ্ছে? নাকবা কতটা ভয়ঙ্কর? ইসরাইলের ছক মাটি করে দেবে গাজাকে? রাতারাতি বিশ্ব থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য? হামাস যুদ্ধের ভাইরাসই কি চেনা বিশ্বকে বদলে দেবে? তলে তলে মানুষের মতো এগুলো কি গিজগিজ করবে? আদম ইভের যুগ ফিরবে? ‘হ’ এর ভয়ানক জালে জড়িয়ে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য! এ কোন বিপদ ডেকে আনলো ইহুদী ভূমি?গাজার নিচে বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেললেই বিপদ। থরথরিয়ে কাঁপছে গোটা পৃথিবী। ফিরে আসছে নাকবা? সিরিয়া যুদ্ধের স্মৃতি তাজা হচ্ছে। সত্যিই কি এই যুদ্ধে ছারখার হয়ে যাবে মধ্যপ্রাচরের গোটা প্রাণীকূল? গাজা যুদ্ধ শেষে মধ্যপ্রাচ্য দেখতে কেমন হবে? ‘নাকবা’ ফিরলে সব তলিয়ে যাবে! ‘নাকবা’ মানে ‘মহাদুর্যোগ’! ১৯৪৮ সালে ৭ লক্ষের বেশি প্যালেস্টাইনি ঘরছাড়া হয়েছিল। সেই ঘটনায় বাস্তুচ্যুতদের উত্তরসূরিরা এখনো গাজার শরণার্থীশিবিরগুলোতে বাস করে। আর এবার?

    এখন আবার আরেকটি গণবাস্তুচ্যুতির মুখোমুখি। ‘নতুন মধ্যপ্রাচ্য’ গড়তে গিয়ে ইসরায়েল কী প্ল্যানিং করেছে? গাজা থেকে ২৩ লক্ষ মানুষকে সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করাই কি নেতানিয়াহুর টার্গেট? কতটা এগোলো আইডিএফ? গাজার বাড়িঘর ও অবকাঠামো ধ্বংস হওয়ায় ১৮ লক্ষ মানুষ এখন ঘরছাড়া। তাহলে কি মধ্যপ্রাচ্যে বইবে বিপুলসংখ্যক উদ্বাস্তু আর শরণার্থী স্রোত? মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এখন বাস্তুচ্যুত মানুষের নতুন প্রজন্মের জন্ম হচ্ছে।বাস্তুচ্যুত মানুষগুলোকে প্রতিকূল পরিবেশ আর চরম দারিদ্র্যতার মধ্যে বাস করতে হচ্ছে। হামাস ইসরায়েল যুদ্ধ শেষে এই পরিস্থিতি আরও সংকটজনক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ঘরবাড়ি-বসতি থেকে উচ্ছেদের এই কঠিন বাস্তবতা; চরমপন্থা, উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা, রাগের জন্ম দেবে। এই বাস্তবতা অসন্তুষ্ট তরুণদের ইসলামিক স্টেটের মতো চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোতে জয়েন করার প্ররোচনা জোগাবে গাজা যুদ্ধ শেষে যে নতুন মধ্যপ্রাচ্য জন্ম নেবে সেখানে হামাসের মতো জঙ্গি সংগঠনের প্রাসঙ্গিকতা বাড়বে। লেবাননের হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুতিদের ভূমিকা আরও বাড়বে।

    গাজা যুদ্ধ আরও যেসব গোষ্ঠীর জন্য সুযোগ তৈরি করে দেবে, তার মধ্যে সিরিয়ার হায়াত তাহিরির আল-শাম ইন ইদলিব, কুর্দিনিয়ন্ত্রিত সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের মতো সংগঠন রয়েছে। আরো খারাপ কিছু ঘটবে মধ্যপ্রাচ্যে। এই ধরনের সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থানের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর শক্তি ক্ষয় হতে দেখা যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। মধ্যপ্রাচ্যের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর বিভাজন ও ভাঙন দেখতে হবে বসে বসে। আন্তঃসীমান্ত সম্পর্কে পরিবর্তন আসবে, ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব বাড়বে। আঞ্চলিক যুদ্ধের ধরনও পরিবর্তন হতে দেখা যাবে। শহর অঞ্চলে যুদ্ধ বাড়বে। এ ছাড়া প্রক্সি যুদ্ধ, মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ আরো ছড়াবে একই সঙ্গে গাজা যুদ্ধ আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণে মধ্যপ্রাচ্যের কৌশল–নীতিগত গুরুত্বের বিষয়টা নতুন করে আলোচনায় নিয়ে আসবে।সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে চীন ও রাশিয়া তাদের প্রভাব তৈরি করছিল, যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছিল।গাজা যুদ্ধ সেই নীতি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে আনতে পারে।

    তাহলে কি, গাজার বুক থেকে মহাবিপর্যয়ের রেশ কাটবে না কোনোদিন? প্যালেস্টাইন তিলে তিলে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
    হামাস ইসরাইল যুদ্ধে গাজার বুক থেকে মুছে যাচ্ছে নিরীহ নারী শিশু। ১৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে, গাজার বাড়িঘর ও অবকাঠামো ধ্বংস হওয়ায় ১৮ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত এইভাবে যুদ্ধ চলতে থাকলে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু এতে নেতানিয়াহুর ইরাদা কতটা সফল হবে? মনে আছে? ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর দেশবাসীকে ঠিক কোন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন? সেটা বিশ্ব ভুলে যাচ্ছে। তিনি বলেছিলেন, হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েল যে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা ‘মধ্যপ্রাচ্যকেই বদলে দেবে’ তাহলে কি ইসরাইলের অভিশাপে এভাবেই বদলে যাবে মধ্যপ্রাচ্য?নেতানিয়াহু বলেছিলেন, ‘আগামী কয়েক দিনে তাঁরা শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে, তার স্মৃতি তাদের আগামী বহু প্রজন্মকে তাড়া করে ফিরবে।’ এই কথা দিয়ে নেতানিয়াহু আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন? বলবে যুদ্ধ শেষের নতুন মধ্যপ্রাচ্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Israel–Hamas war: হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, ভারতের সিদ্ধান্ত কোন দিকে? কার পাশে দাঁড়াল?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Israel–Hamas war: সময় বয়ে গেলেও জারি রয়েছে ইসরায়েল আর হামাসের দ্বন্দ্ব। যা গোটা বিশ্বের কাছে এখন হট টপিক। নিহত হচ্ছে প্রচুর নিরীহ মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও বিশাল। বারংবার যুদ্ধবিরতির প্রসঙ্গ এলেও, এখনো পর্যন্ত দুই পক্ষ কোন সুষ্ঠু সমাধানে আসেনি। সম্প্রতি এ বিষয়ে জাতিসংঘের একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যেখানে কিছু দেশ সেই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে, কেউ বিপক্ষে আবার কেউবা থেকেছে নিরপেক্ষ অবস্থানে। এমত অবস্থায় ভারত কোন দিকে?

    ‘আজতাক'(হিন্দি) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে যা ইসরাইল-হামাস সংঘর্ষে অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি সমস্ত জিম্মিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছিল। ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মঙ্গলবার একটি জরুরি বিশেষ অধিবেশনে মিশর কর্তৃক উপস্থাপিত খসড়া প্রস্তাবটি গ্রহণ করে। জাতিসংঘের ১৫৩টি সদস্য দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ২৩টি দেশ ভোটদান থেকে বিরত ছিল এবং ১০টি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে।

    আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ফিলিস্তিন এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। দেশ গুলো গাজায় অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া দেশগুলির মধ্যে ছিল আমেরিকা, অস্ট্রিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, গুয়াতেমালা, ইসরায়েল, লাইবেরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, পাপুয়া নিউ গিনি এবং প্যারাগুয়ে। রেজোলিউশনে সমস্ত জিম্মিদের অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত মুক্তির পাশাপাশি মানবিক অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সমস্ত পক্ষকে তাদের বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে গুরত্ব দেওয়া হয়েছে, নাগরিকদের নিরাপত্তায়।

    ভারত অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের সমর্থনে ভোট দিয়েছে। তবে প্রস্তাবে হামাসের নাম ছিল না। ভারত অক্টোবরে সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাবে ভোটদানে অনুপস্থিত ছিল যা ইসরায়েল-হামাস সংঘাতে অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতি এবং গাজা উপত্যকায় বাধাহীন মানবিক প্রবেশাধিকারের আহ্বান জানিয়েছিল। জর্ডান কর্তৃক প্রণীত রেজোলিউশনে গাজা উপত্যকা জুড়ে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অবিলম্বে, অবিচ্ছিন্ন, পর্যাপ্ত এবং নিরবচ্ছিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্য ও পরিষেবা সরবরাহের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে এ পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি প্রাণ হারিয়েছে। গত ৭ অক্টোবর হামাস এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি কিছু গোষ্ঠীগুলির দ্বারা পরিচালিত হামলায় ৩৩ শিশু সহ ১২০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। অপরদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুসারে, গাজায় এ পর্যন্ত অন্তত ১৮,২০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী ও শিশু। আহত হয়েছেন প্রায় ৪৯,৬৪৫ জন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পৃথিবীর ভয়ানক যোদ্ধা, কুকরির তেজেই কাঁপে শত্রু! পুতিনের প্ল্যান বি, নিঃস্ব নেপাল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের ছায়া আছে এদের শরীরে? কুকরির তেজেই এদের যুদ্ধ টেকনিক বুকে কাঁপুনি ধরায়। পুতিনের এই খতরনাক যোদ্ধাদের চক্রব্যূহে আটকে যাচ্ছে ইউক্রেন। কাঁটার বর্মে ঢাকা এই যোদ্ধাদের আসল পরিচয় জানেন? ইউক্রেনের পেছনে এরাও জোঁকের মতো আটকে আছে। হাতে বিষ মাখানো অস্ত্র, কিসের লোভে যুদ্ধের গন্ধ খোঁজে এঁরা? বড় সিক্রেট ফাঁস। মস্কোর জাল কাটা কঠিন, ওয়াগনার হাতছাড়া হতেই পুতিনের প্ল্যান বি রেডি। যে চক্রের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে নেপাল। শুধু ভাড়াটে ওয়াগনার ফোর্স নয়, নেপালের নির্ভীক গোর্খারাই কি পুতিনের তুরুপের তাস? ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অপারেশন চালাতে বেআইনি পথে পুতিন। সোজা নয় বাঁকা পথ ধরেই রাশিয়ার নাগাল পাচ্ছে দুর্ধর্ষ গোর্খারা। নেপালের পর্বতময় প্রদেশে যে গোর্খাদের বাস। পাহাড়ি আবহাওয়া, প্রতিকূল পরিস্থিতি, দুর্গম পথ তাদের হাতের তালুর মতো চেনা।

    এই দুর্গমতা আর প্রতিকূলতাই তাদের দুর্ধর্ষ করে তুলেছে।
    ইউক্রেন আক্রমণের পর সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই বিদেশি যোদ্ধাদেরকেই আহ্বান জানিয়েছেন। তবে শুধু গোর্খা নয়। নেপালের চরম দারিদ্রতা, টালমাটাল পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে বড় রিস্ক নিয়ে দলে দলে নেপালি যুবকরা রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিচ্ছেন। গোর্খারা রিস্ক নিতে ভয় পায়না। নেপালের পার্বত্য এলাকার দুঃসাহসিক যোদ্ধা গোর্খা! যুদ্ধই তাঁদের পেশা। বছরের পর বছর ধরে তাঁরা নিজস্ব প্রাচীন পন্থায় যুদ্ধ করে আসছেন। বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের জন্যও গোর্খাদের ডাক পড়ে। ঐতিহ্য বহন করতে আজও তাঁরা যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের সঙ্গে রাখেন ১৮ ইঞ্চি লম্বা বাঁকা ছুরি বা কুকরি। কুকরি নিয়ে গোর্খাদের মধ্যে নানা প্রাচীন প্রথার চল রয়েছে। তারা আধুনিক পদ্ধতিতে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রও ব্যবহার করে থাকেন। সেই গোর্খারাই টার্গেটের দিকে এগিয়ে দিচ্ছে পুতিনকে। পুতিন সরকারের জবরদস্ত প্ল্যান ফাঁস করল নেপাল পুলিশ। কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলো মস্কোকে।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর হয়ে লড়াই করতে গিয়ে অলরেডি ৬ নেপালি সেনার মৃত্যুর ঘটনায় কাঠমান্ডুর তরফে কূটনৈতিক স্তরে মস্কোর কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মস্কোর কাছে ক্ষতিপূরণ ও চেয়েছে কাঠমান্ডু। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে জোর করে নেপালি নাগরিকদের নিয়োগ নিয়েও কড়া মন্তব্য করেছে নেপাল। সাফ বলা হয়েছে, আগামিদিনে যেন নেপালের কোনও নাগরিককে সেনা বাহিনীতে যোগ না দেওয়ায় রাশিয়া। এই মুহূর্তে যারা রুশ ফৌজে রয়েছেন তাদের যত দ্রুত সম্ভব নেপালে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এবার নেপাল পুলিশের দাবি, মানব পাচারকারী চক্রের ১০ মাথাকে অলরেডি তারা গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে, ওই চক্রের মাধ্যমেই রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনে লড়তে যাওয়া ছ’জন নেপালি ভাড়াটে যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। কিভাবে চলে এই চক্রের কাজ? প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতেরা বেকার নেপালি তরুণদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ দেওয়ার নাম করে তাঁদের ট্যুরিস্ট ভিসায় আমেরিকায় পাঠাতেন। তার পর রুশ চক্রের মাধ্যমে সামান্য প্রশিক্ষণ দিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধে পাঠানো হত।

    চলতি বছরের জুন মাসের বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী অনেকে স্টুডেন্ট ভিসায় নেপাল থেকে রাশিয়ায় যান। যখন রুশ সেনাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয় তখন প্রতিদিনের নতুন আইন নেপালিদের জন্য নিয়ে আসে সুবর্ণ সুযোগ। রুশ সেনাবাহিনীতে বিদেশীদের যোগদান অনেক সহজ হয়ে যায়। নেপালের চরম দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পেতে বড় রিস্ক নিয়ে নেপালিরা লিখিত এবং মেডিকেল পরীক্ষার পর রাশিয়ান সেনাবাহিনী জয়েন করে। প্রশিক্ষণের সময় নেপালিদের ৬০ হাজার নেপালি রুপির সমান বেতন দেওয়া হয়। অনেকের সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেছে, প্রশিক্ষণের পরে কেউ কেউ তিন লাখ নেপালি রুপির বেশি বেতন পান। না, এখানেই শেষ নয়। এক বছরের চুক্তি শেষ হওয়ার পরে, সৈন্যরা রাশিয়ান পাসপোর্ট পাবেন, তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের রাশিয়ায় আনতে পারবেন। এইসব প্রলোভনের ফাঁদেই পা দেন নেপালি তরুণরা। কিন্তু কেন রুশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করাটাই নেপালিদের জন্য এত ভালো সুযোগ বলে মনে হল? বিশেষজ্ঞদের মতে নেপালে ভালো সুযোগের অভাব রয়েছে ফলে দেশটার তরুণরা বিদেশি সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছে।

    এটা তো ঠিক, সেনাবাহিনীতে তাঁরা কয়েক মাসে যে পরিমাণ টাকা উপার্জন করেছে তার সমপরিমাণ আয় অন্য কোনো খাত থেকে করতে গেলে অন্তত কয়েক বছর সময় লেগে যেতো। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে, রিস্ক আছে জীবনের। কিন্তু, তারপরেও রাশিয়ায় পারি দেওয়া নেপালিরা বলছেন জীবনের মায়ায় নেপালে ফিরে গেলে, সেখানে কী তাঁরা চাকরি পাবে? তবে এই বিষয়টা নেপালের নীতির সাথে যায়না। কারণ, ১৯৪৭ সালে নেপালি নাগরিকদের বিদেশি সেনাবাহিনীতে নিয়োগের বিষয়ে ব্রিটেন, নেপাল এবং ভারতের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছিল। চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে নেপালি নাগরিকদের ভারতীয় ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে। কিন্তু, রাশিয়ার সাথেৎএই বিষয়ক কোনো চুক্তি নেই নেপালের কিন্তু ব্রিটেনের হয়ে যুদ্ধ করলেও গোর্খারা সে দেশের নাগরিকত্ব পান না। এমনকি, তাঁদের বেতন কাঠামো, পেনশন সাধারণ ব্রিটিশ সেনার তুলনায় কম। বেতন এবং পেনশনের বিবিধ দাবিতে দীর্ঘ দিন লড়াই চালাচ্ছেন নেপালি গোর্খারা। সেক্ষেত্রে, লাইফ রিস্কের পরেও রাশিয়াকে বেছে নিয়েছে গোর্খারা। আর এখন জীবন দিয়ে তার দাম চোকাতে হচ্ছে নেপালিদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version