Tag: cyclone

  • Cyclone Remal: আজও প্রবল দুর্যোগ বাংলায়, কোথায় কোথায় তুমুল বৃষ্টি?

    Cyclone Remal: আজও প্রবল দুর্যোগ বাংলায়, কোথায় কোথায় তুমুল বৃষ্টি?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

     

    Cyclone Remal: ঘূর্ণিঝড়ের ঝাপ্টা সবচেয়ে বেশি খেয়েছে দমদম। রেমালের দাপটে লন্ডভন্ড সুন্দরবন, কী কী ক্ষতি হয়েছে? দেখলে সত্যিই কান্না পাবে। রেমালের তাণ্ডব এখনই থামবে না। এই জেলায় প্রবল বিপর্যয় নেমে আসতে পারে যখন তখন। সকাল থেকে আপনার এলাকাতেও কি বৃষ্টি চলছে ? তাহলে কমেন্ট বক্সে লিখে জানান আমাদের।

    রেমালের পূর্বাভাস শুনে প্রথম থেকেই তুলনা চলছিল আমপানের সঙ্গে। আমপান যেমন ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, রেমাল কি তাকে টক্কর দেবে, উঠছিল প্রশ্ন। গতিতে আমপানকে রেমাল টক্কর দিতে পারেনি ঠিকই, কিন্তু তার ধীরগতিই বাংলার জন্য কাল হচ্ছে! আমপানের সন্ধ্যায় তাণ্ডব চললেও, পরদিন সকাল থেকে আকাশ কিন্তু মেঘমুক্তই ছিল। এখানেই আমপানের সঙ্গে রেমালের তফাত। রেমাল ধীর গতিতে এগোচ্ছে। দুর্যোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ। কোথায় বেশি ঝড়-বৃষ্টি হবে?

     

    কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় অতিভারী বৃষ্টি হবে। নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার থেকে
    সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান এই জেলাগুলিতে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটারথেকে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় দমকা বাতাস বইতে পারে।

     

    রবিবার রাতে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আছড়ে পড়েছে প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল। সাগর দ্বীপ এবং খেপুপাড়ার মধ্যবর্তী অংশে বাংলাদেশের মোংলার কাছ থেকে ঝড় স্থলভাগে প্রবেশ করেছে। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলেছে ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উপকূলবর্তী এলাকায়। কলকাতা শহরেও বহু অংশে গাছ পড়ে, বিদ্যুতের খুঁটি উপরে বিপত্তি ঘটেছে। কেমন থাকবে মঙ্গলবারের তাপমাত্রা?

     

    মঙ্গলবার থেকে দুর্যোগ কাটতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সোমবারের পর থেকেই বৃষ্টি কমবে। মঙ্গল থেকে আপাতত দক্ষিণের কোনও জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সোমবার সকালে শক্তি হারিয়ে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে রেমাল। বাংলাদেশের উপরে তা অবস্থান করছে। ক্রমে আরও উত্তর-পূর্বে সরে যাচ্ছে সেটি।তবে সোমবারও দক্ষিণবঙ্গের উপকূলেঝোড়ো হাওয়া বইছে, সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে অনবরত।

     

    হাওয়া অফিস সোমবার সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ যে বুলেটিন প্রকাশ করেছে, তাতে বলা হয়েছে, ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দমদমে ঝড়ের গতি ছিল সবচেয়ে বেশি। সেখানে ঘণ্টায় ৯১ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশে ঝড়ের গতি ছিল ১০০-র বেশি। রবিবার ভোর থেকে বাংলাদেশের স্থলভাগে অবস্থান করছে রেমাল। সকাল পর্যন্ত তা ‘প্রবল’ আকারেই ছিল। ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ ক্যানিং থেকে তার দূরত্ব ছিল ৬৫ কিমি পূর্বে। ৮টার পরে শক্তি হারিয়ে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে রেমাল। ঘূর্ণিঝড় ক্রমশ উত্তর উত্তর-পূর্ব দিকে সরছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Remal: দুই বঙ্গে তাণ্ডব ‘রেমাল’-এর ! চিন্তার খবর শোনাল আবহাওয়া দফতর

     

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Cyclone Remal: সমুদ্রে শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড়। শুধু বাংলাদেশ নয়, পশ্চিমবঙ্গের এই জায়গায় আছড়ে পড়বে রেমাল। দুই বাংলাই বড় রিস্কে। ভরা কোটালের সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। আয়লার মতো তাণ্ডব,  ১৪০ কিমি বেগে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। আতঙ্কিত হবেন না। আপনি কি পূর্ব মেদিনীপুর বা সুন্দরবনের বাসিন্দা? কোন কোন জেলায় কোন অ্যালার্ট থাকছে জেনে নিন। ঘূর্ণিঝড় কোনদিকে এগিয়ে যাবে? সমুদ্র উত্তাল। আবহাওয়া নিয়ে চিন্তার খবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

     

    আয়লা, আমফানের যে ক্ষত আছে সুন্দরবনের, সেটা এখনও শুকিয়ে যায়নি। তারইমধ্যে রেমাল আছড়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আপাতত যা অনুমান করা হচ্ছে
    তাতে যেখানে ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল হবে তা পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন থেকে খুব একটা বেশি দূরে নয়। আছড়ে পড়তে পারে বাংলাদেশের খেপুপাড়া সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের সাগর দ্বীপে। স্থলভাগে ঢোকার সময় তা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে। ঘূর্ণিঝড়টি রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সোমবার রাত আড়াইটার মধ্যে আঘাত হানতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেফ নয় কলকাতাও। কলকাতায় ৯০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া এমনই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

     

    অন্যদিকে সুন্দরবন এবং পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকা গুলিতে ১১০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। দুই ২৪ পরগনায় জারি করা হয়েছে ভারী বর্ষণের লাল সতর্কতা। কলকাতা সহ চার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার থেকেই ঝড়-বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

     

    কয়েক বছর আগে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস হাজির হয়েছিল এই সময়। ঠিক সেই সময়েই ফের হাজির আরও এক ঘূর্ণিঝড়। ২৬ মে মধ্যরাতে সাগরে আছড়ে পড়বে রেমাল। সুন্দরবনে মাইকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। নীচু জায়গার লোকেদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

     

    ফের আয়লার স্মৃতি ফিরতে পারে সুন্দরবনে। রবিবারেই ভরাকোটাল হবে। তার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের দাপট দুয়ের ফলায় ভয়ঙ্কর হতে পারে সুন্দরবনের পরিস্থিতি।
    একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ঘুর্ণিঝড় আয়লার সময়। সেবারও ভরা কোটাল এবং ঘূর্ণিঝড়ে জোড়া ফলায় সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। প্রচুর ঘরবাড়ি ভেঙে গিয়েছিল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Remal Update: সাগরে ঘনাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়? এই দিন থেকেই দুর্যোগ শুরু বাংলায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Cyclone Remal Update: রেমাল ঘূর্ণিঝড়ের কাউন্টডাউন শুরু। বঙ্গোপসাগরে ফুঁসছে ঘূর্ণাবর্ত! ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল আশঙ্কা। ঘূর্ণিঝড়ের টার্গেটে কি বাংলা? বঙ্গ জীবনে মে মাসের স্মৃতি মোটেও সুখের নয়! ২০০৯ সালের ২৫ মে সুন্দরবন তছনছ করেছিল আয়লা। ২০ মে আমফান এবার রেমালের ঝাপটা। শুক্র থেকে ভারী বর্ষণ রাজ্যে। এই এই জেলায় জারি হয়ে গেল সতর্কতা। আপনার এলাকা কি বিপদমুক্ত? কোথায় কোথায় অশনি সংকেত? আবহাওয়ার বড় খবর। এখন প্রতিটা মুহুর্ত ভীষণ ভাইটাল। বারেবারে এই মে মাসেই কেন তাণ্ডব চালায় ঘূর্ণিঝড়? ওয়েদারের সব খুঁটিনাটি।

     

    ‘লো প্রেশার বা নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাকে বলা হয় সাইক্লোজেনেসিস। মার্চ এপ্রিল মে, অর্থাৎ গরম কালে সমুদ্রের জলের উপরের যে তাপমাত্রা, তা অনেকটা বেশি থাকে। আর শুধু বেশিই নয়, তা জলের প্রায় ৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত থাকে। আর সেই কারণেই মার্চ, এপ্রিল, মে বা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কখনও কখনও জুন মাসেও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়। আগামী ২২ মে নিম্নচাপ বলয় তৈরি হতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে। পরে সেটি উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

     

    আরও শক্তি বৃদ্ধি করে সেই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার মতো অনুকূল পরিস্থিতিও। সাগরে তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে বেশ কিছু ঢেউয়ের দিকে নজর রাখছে হাওয়া অফিস। এছাড়াও সমুদ্রপৃষ্ঠে যে তাপমাত্রা তা-ও ঘূর্ণিঝড় তৈরির অনুকূলে রয়েছে। এমনটাই বলছেন আবহবিদরা। ইতিমধ্যেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে গাঙ্গেয় বঙ্গে। কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস।

     

    আবহবিদেরা জানিয়েছেন, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝড়বৃষ্টি বেশি হতে পারে।  এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সঙ্গে হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। বৃষ্টি চলবে বুধবার পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার বৃষ্টি কমতে পারে দক্ষিণে। এর পর শুক্রবার থেকে আবারও বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বলয়ের জেরে ভারী বৃষ্টিতে ভিজতে পারে রাজ্য।

     

    ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তা আমফানের মতোই বিধ্বংসী হতে পারে বলে মত আবহাওয়াবিদদের। তবে সেটি কতটা শক্তিশালী হবে বা আদৌ সুপার সাইক্লোনের রূপ নেবে কিনা তা পরবর্তী সময়ে আবহাওয়ার পরিস্থিতি দেখেই বোঝা যাবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। সেক্ষেত্রে কি তাহলে বাংলায় এর প্রভাব পড়বে? তা বোঝা যাবে আর কিছু সময় পরেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

     

  • Weather Update: টিকে আছে মিগজাউম, বাণভাসী বাংলা? দুর্যোগের দাপট বাংলাদেশেও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: রাতভর বৃষ্টিতে বাণভাসী বাংলা? তুমুল দুর্যোগের চক্রব্যূহে ওপার বাংলাও। হাল ফিরবেনা? বড়সড় আপডেট দিল হাওয়া অফিস। হুহু করে পারদ পতন। বৃষ্টির সঙ্গেই বরফ পড়বে কোথায় কোথায়? জাঁকিয়ে শীতের সঙ্গেই ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত? জলবায়ু পরিবর্তনের এফেক্টে তোলপাড় বাংলা। এখনই বৃষ্টি কমছে না। আচমকাই ১৮০° অ্যাঙ্গেলে টার্ন নিল বাংলার আবহাওয়া। দুর্যোগের থেকে নিস্তার পাচ্ছে না দুই বাংলাই। মিগজাউমের এফেক্টে রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলছে নাগাড়ে। লাগাতার বৃষ্টিতে কোথাও কোথাও জমেছে জল।জেলার নীচু জায়গায় রাস্তা একেবারে জলের তলায়।কলকাতার বুকেও কোথাও কোথাও জল জমেছে, নাজেহাল অবস্থা নিত্যযাত্রীদের।

    আর এর মধ্যেই হাওয়া অফিস দিল বড় আপডেট। শোনালো না স্বস্তির খবর বৃহস্পতিতেই শেষ নয়! নিস্তার নেই, শুক্রবারও চলবে দুর্যোগ। একনাগাড়ে না হলেও, শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির কোনও কোনও অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে। তালিকায় রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া। পূর্বাভাস অনুযায়ী দিন দুয়েক ধরেই ঝিরঝিরে বৃষ্টি হচ্ছিল। বুধবার বিকেল থেকেই দমকা ঝোড়ো হাওয়াও চলছিল। সারা রাত ধরেই অল্প-বিস্তর বৃষ্টিতে ভিজেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বৃষ্টির দাপট বেড়েছে। মনে করা হচ্ছে শক্তি হারালেও এখনও নিম্নচাপ হিসাবে মধ্য ভারতে অবস্থান করছে মিগজাউম।মূলত তার জেরেই এই দুর্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সিকিমে হালকা তুষারপাতের চান্স আছে। জানা যাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়ের অবশিষ্ট অংশ নিম্নচাপ হিসেবে দক্ষিণ ছত্তিশগড় এলাকায় অবস্থান করছে। এই নিম্নচাপ থেকে একটি অক্ষরেখা তামিলনাড়ু পর্যন্ত বিস্তৃত। নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসবে সোমবার ১১ ডিসেম্বর। বর্তমানে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে হরিয়ানার উপরে। এছাড়াও রাজস্থানের উপর রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। জানিয়ে রাখি, মঙ্গলবার দুপুরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। তার প্রভাব পড়েছে কয়েকশো কিলোমিটার দূরের বাংলাতেও। প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। ৬ ডিসেম্বর থেকে ওপার বাংলাতেও শুরু হয়ে গেছে বৃষ্টি। ঢাকা সহ দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হয়েছে, হচ্ছে। পূর্বাভাস আছে চট্টগ্রাম, সিলেটের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রপাত সহ বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    বৃষ্টির কারণে রাস্তায় যান চলাচল কমেছে। ফলে বিপাকে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এখনই স্বস্তির খবর মিলছে না। শুক্রবারও মানে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি চলতে পারে। সোমবার মানে ১১ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: ফসল তোলার মরশুমে বড় প্রশ্ন…এ বৃষ্টি থামবে কবে? জানুন হাওয়া অফিসের আপডেট

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Weather Update: ফসল তোলার মরশুমে এখন বড় প্রশ্ন..এ বৃষ্টি থামবে কবে? সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার, তারপরেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বুধবার বিকেল থেকেই কলকাতা এবং পাশাপাশি জেলাগুলিতে শুরু হয়েছিল বৃষ্টি। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দমকা হাওয়াও। রাতভর বৃষ্টির পর আজ সকালেও আকাশের মুখভার। একনাগাড়ে পরে চলেছে বৃষ্টি। এই অসময়ে বৃষ্টির ফলে সমস্যায় পড়েছে বহু কৃষক। কারণ অনেকের আমন ধান এখন মাঠেই পরে রয়েছে, ধান ঘরে তোলার আগেই এই বৃষ্টিতে বেশ ক্ষতির সম্ভাবনা দেখছে চাষীরা। ‘পাকা ধানে মই’ এখন এইরকমই অবস্থা চাষীদের। সাইক্লোন মিগজাউমের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এই বৃষ্টিপাত। আবহাওয়া দপ্তরের ইঙ্গিত, শুক্রবার থেকে আবহাওয়ার বদল হবে। তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা আগামী শনিবার থেকে।

    আবহাওয়ার মতি-গতি বদলাচ্ছে ঘন ঘন। সাইক্লোন মিগজাউমের ফলে শীত সুখ উপভোগ করতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। বলা ভালো, এদিকে গুটি গুটি পায়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহও চলে এল। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছিল। এমনকী, রাত এবং ভোরেও শীত শীত ভাব কার্যত গায়েব। এই পরিস্থিতিতে কবে দক্ষিণবঙ্গে শীত পড়বে? এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে মনে। কারণ ডিসেম্বরের শুরু থেকেই কম্বলের মধ্যে লুকিয়ে শীতঘুম দিতে চাইছেন শহরবাসী। আর সেটা চলতি সপ্তাহ থেকেই হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে হাওয়া অফিস থেকে।

    আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে যা ৩ ডিগ্রি বেশি। গতকাল অর্থাৎ বুধবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাইক্লোন মিগজাউমের প্রভাব অনেকটাই কমবে ৭ তারিখের পর এবং উত্তুরে হাওয়া রাজ্যে অবাধে প্রবেশ করতে পারবে। এর ফলেই তাপমাত্রার পারদ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। আগামী ৮ তারিখের পর দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীত অনুভূত হতে চলেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের আফটার শক, চেন্নাইয়ের ডিটো বাংলায় ? টানা ঝড়-বৃষ্টি, ভাইটাল ৪৮ ঘন্টা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের আফটার শকে তোলপাড় বাংলায়? টানা বৃষ্টির নামেই টেনশন বাড়াচ্ছে চেন্নাই। কোথায় কোথায় সতর্কতা জারি? “উষ্ণ” হচ্ছে শীত, কালো অন্ধকারে ঢাকবে বাংলার আকাশ। ৪৮ ঘন্টায় ১৮ জেলায় তুমুল দুর্যোগ, অতিভারী বৃষ্টি। মিগজাউমের প্রভাব অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় তামিলনাড়ুতেই বেশি পড়েছে। চেন্নাই পুরো তছনছ। মিগজাউমের ভয়ঙ্কর খেলা তামিলনাড়ুতে এতোজনের মৃত্যু। দুশ্চিন্তা বাড়ছে বাংলায়।‌ অলরেডি দক্ষিণবঙ্গে হলুদ সতর্কতা জারি। এদিকে দক্ষিণ ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও জারি হলুদ সর্কতা, দক্ষিণ অন্ধ্রে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশে জারি কমলা সতর্কতা। এই আবহে দক্ষিণবঙ্গে বুধ ও বৃহস্পতিবারে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে। তাহলে কি বাংলাতেও বড় রকমের এফেক্ট?

    পূর্বাভাস অনুযায়ী মঙ্গলবার এর মতোই বুধবার ও বৃষ্টি হচ্ছে। বুধ ও বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বৃষ্টি হবে। অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়লেও প্রবল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের পরোক্ষ প্রভাবে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বৃষ্টি হবে। দুর্যোগের দাপট খুব বেশি না হলেও, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা বাংলায়। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবহাওয়া পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে, বুধবার উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদায় হালকা বৃষ্টি চলছে। বৃহস্পতিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। সেদিন বাকি ছ’টি জেলার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী দু’দিনে পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলায় তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। তারপর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কাটতেই বদলে যাবে আবহাওয়া। এই আবহে পরবর্তী তিন থেকে চারদিনে একধাক্কায় ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস নামতে পারে তাপমাত্রা। ফের শিরশিরানি অনুভূত হবে বাংলার জেলায় জেলায়। না, এখনই জাঁকিয়ে শীত পড়ার কোনো চান্স নেই। তবে ঘূর্ণিঝড়ের এফেক্ট পড়ার আগে যেমন তাপমাত্রা থাকছিল, সেই স্তরে নেমে আসবে বাংলার পারদ, বলছে হাওয়া অফিস। ঝড়-বৃষ্টির কারণে অলরেডি শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।বাংলাতেও সেই আশঙ্কা রয়েছে। পাকা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দানা বাঁধছে। মাটি ভিজলে পিছিয়ে যেতে পারে আলুচাষও। আপাতত ঠান্ডার বালাই নেই, তাতেই আলু চাষেও ক্ষতির আশঙ্কা থাকছে। ভারত এফেক্টেড হলেও, এ যাত্রায় সেফ বাংলাদেশ। মিগজাউমের প্রভাব বাংলাদেশে তেমন পড়বে না। তবে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মাঝারি বৃষ্টির চান্স উপকূলীয় কয়েকটি জেলায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: সাইক্লোন ‘মিগজাউম’ এর দাপটে বাণভাসী তামিলনাড়ু-অন্ধ্র প্রদেশ, কবে থামবে দুর্যোগ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Cyclone Michaung: ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ শক্তিক্ষয় হয়ে এখন দুর্বল। তবে অন্ধ্র প্রদেশ এবং তামিলনাড়ুর উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে ‘মিগজাউম’। অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকা বাপাতলাতে মঙ্গলবার বিকালে এই ঝড় আছড়ে পড়়েছিল। আর তার প্রভাবে কার্যত ঝড়ের তাণ্ডব চলেছে এলাকায়। একাধিক এলাকা এখনও বাণভাসী। জলের তলায় ডুবে ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট। এখনও বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট পরিষেবাহীন বহু অঞ্চল। চলছে উদ্ধারকাজ। এই ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক জমির ফসল সব শুয়ে পড়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে বহু জমির ফসল। ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে হাওয়া বইতে থাকার কারণে একেবারে ভয়াবহ পরিস্থিতি অন্ধ্রপ্রদেশ ও চেন্নাই তে।

    তামিলনাড়ুকে একপ্রকার বানভাসি করে দিয়ে অবশেষে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে এই ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম৷ প্রায় কয়েক ঘন্টা তান্ডব চালায় এই ঘূর্ণিঝড়। এই মিগজাউম এর দাপট ভয়ঙ্কর হওয়ার কারণে ইতিমধ্যেই, অন্ধ্রপ্রদেশের কোনাসিমা, কাকিনাদা, কৃষ্ণা, বাপাতলা এবং প্রকাশম সহ সাতটি জেলা থেকে ২১১টি ত্রাণ শিবিরে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৯,৪৫৪ জন নাগরিককে৷ ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে উপকূলে। জারি হয়েছে সতর্ককা। আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে আগেই বাতিল হয়েছে একাধিক ট্রেন। অন্যদিকে একাধিক বিমান বাতিল করেছে উড়ান সংস্থাগুলি। বন্ধ রাখা হয়েছে চেন্নাইয়ে বিমানবন্দর।

    উল্লেখ্য, ল্যান্ডফলের সময় বিধ্বংসী রূপ নেয় ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। ৭৭০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অন্ধ্র প্রদেশের একাধিক জেলায় রাস্তা নষ্ট হয়েছে। ভেঙে পড়েছে ৩৫টির বেশি গাছ। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪টি জেলার ৪০ লাখ মানুষ এই মিগজাউমের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, আজ সকালের মধ্যেই সেটি আরও শক্তিক্ষয় করবে। সন্ধ্যার মধ্যে দুর্যোগ প্রায় কেটে যাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: ঘূর্ণিঝড়ে ভাসছে চেন্নাই, রাস্তায় ঘুরছে কুমির! বাংলায় আবহাওয়ার অশনি সংকেত ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: রাস্তায় বইছে জলের স্রোত বানভাসি চেন্নাইয়ের পথে পথে ঘুরছে কুমির! খেলনার মতো ভেসে যাচ্ছে গাড়ি। প্রবল বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি। পথ না নদী বুঝতেই পারবেন না চারদিকে হাহাকার। জায়গায় জায়গায় বড় গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট নেই ঘূর্ণিঝড় পুরোপুরি থমকে দিয়েছে জনজীবনকে। এদিকে সকাল থেকে ঝিরঝিরে বৃষ্টি চলছে বাংলায়। চেন্নাইয়ের মতো পরিস্থিতি হতে পারে কলকাতাতেও? ডিসেম্বরেও শীতের দেখা নেই! আবহাওয়া দফতর কী বলছে? চেন্নাইয়ে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড়। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক ভিডিও ভাইরাল। কিন্তু চেন্নাইয়ের ঘূর্ণিঝড়ের সাথে বাংলার শীতের সম্পর্ক কী? অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়লেও প্রবল ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের পরোক্ষ প্রভাবে কী হতে পারে?

    দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃ্ষ্টি চলছে। আগামী দুদিন এই বৃষ্টি চলতে পারে। বুধবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়বে এমনটাই পূর্বাভাস দিচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। এরপর শীত পড়তে পারে বঙ্গে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলায় সমস্যা একটাই শীত আসতে বারবার বাধা পাচ্ছে। মিগজাউম রীতিমত তাণ্ডব চালিয়েছে চেন্নাই-সহ আশপাশের এলাকায়। চেন্নাইয়ের বিমানবন্দরে পুরো জলের স্রোত বয়ে যাচ্ছে। চেন্নাইয়ে এমন অবস্থা হয়েছে যে ২০১৫ সালের ভয়াবহ স্মৃতি ফিরে আসছে। লাগাতার বৃষ্টির জেরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে পুরো শহর। নদীতে পরিণত হয়েছে শহরের বিভিন্ন রাস্তা কোথাও জল দাঁড়িয়ে আছে কোথাও আবার জলের স্রোত বয়ে যাচ্ছে। বিচ্ছিন্ন দ্বীপে বসে থাকার মতো অবস্থা হয়েছে অধিকাংশ মানুষের। শুধু তাই নয়, একটি ভাইরাল ভিডিয়োয় রাস্তায় ্কমির ঘুরে-বেড়াতে দেখা গিয়েছে।

    আগামী দু’দিনে পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলায় তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। এরপর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কাটতেই বদলে যাবে আবহাওয়া। এই আবহে পরবর্তী তিন থেকে চারদিনে একধাক্কায় তিন থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস নামতে পারে তাপমাত্রা। ফের শিরশিরানি অনুভূত হবে বাংলার জেলায় জেলায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমে কী ভয়ানক হাল চেন্নাইয়ের ? আগেই এত তান্ডব, ল্যান্ডফলে লোকেশন বদলে গেল!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: ল্যান্ডফলের আগেই ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের এ কী তাণ্ডব? ভারতের চেন্নাই অবস্থা দেখে আঁতকে উঠবেন। উদ্ধারে শেষে নামতে হল ইন্ডিয়ান আর্মিকে। ল্যান্ডফলের আগে এই অবস্থা হলে পরে কতটা খতরনাক হবে অবস্থা? বদলে গেল ল্যান্ডফলের লোকেশন! চেন্নাই তছনছ হয়ে যাচ্ছে মিগজাউমের এ কী ভয়ঙ্কর খেলা। তামিলনাডুর কুভাম লেক উপচে পড়ে ভেসে গিয়েছে চেন্নাই। তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে তাণ্ডব চালানোর পর দ্রুত গতিতে অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম কিন্তু এতটা প্রবল হবে এর এফেক্ট আগে কী জানা গেছিল? প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে বহু এলাকা জলমগ্ন। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রাস্তাঘাট কার্যত নদীতে পরিণত হয়েছে। বহু যানবাহন জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে। জায়গায় জায়গায় বড় বড় গাছ, দেওয়াল এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। জানা যাচ্ছে অন্তত ৩০০ লোককে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে ইন্ডিয়ান আর্মি।

    বন্যার জল হু হু করে ঢুকে পড়ায় বেশ কয়েকটি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবা সাময়িক ভাবে স্থগিত। জলরুদ্ধ হয়ে পড়েছে চেন্নাইয়ের মেট্রো স্টেশনগুলি। প্রশাসনের তরফে চেন্নাইয়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বেসরকারি অফিসের কর্মীদেরও বাড়ি থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের নেল্লোর এবং মছলিপত্তনমের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়বে মিগজাউম যার প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পুদুচেরির উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়েছে। চেন্নাই বিমানবন্দরের রানওয়ে ভেসে যাওয়ায় মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আসা-যাওয়ার সব বিমান বাতিল করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে বহু ট্রেনও। বন্ধ রাখা হয়েছে বাস চলাচল। ফলে ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

    অন্য দিকে, মিগজাউমের প্রভাবে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই। জেলাগুলি টানা তিন দিন বৃষ্টিতে ভিজতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে দুর্যোগের দাপট বেশি হবে না। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাংলায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Amon Rice farmers worried: ‘পাকা ধানে মই’ দেবে মিগজাউম? কপালে চিন্তার ভাঁজ চাষীদের

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Amon Rice farmers worried: মিগজাউম এর প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আজ সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আর তাতেই মাথায় হাত পড়েছে চাষীদের। ‘মিগজাউম’ নামে চিহ্নিত ওই ঘূর্ণিঝড় ক্রমশ স্থলভাগের দিকে এগোচ্ছে। এখনো ৭০ শতাংশ জমিতে এখন পাকা ধান রয়েছে। বৃষ্টি হলে ক্ষতি হবে। এই পরিস্থিতিতে জেলা জুড়ে তৎপরতা বেড়েছে ধান কাটার। নিম্নচাপের জেরে সমস্যায় পড়েছে চাষীরা। মাঠের ধান ঘরে আনতে বেজায় সমস্যায় পড়েছেন তারা। কখনো শুনছে নিম্নচাপ তো কখনো বঙ্গের কোলে রোদের ঝিকিমিকি খেলা দেখতে পাচ্ছেন সকলে। এই দোটানার মাঝেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বঙ্গবাসীর। আর এই আবহাওয়ার খামখেয়ালীপনায় সমস্যায় পড়েছেন মূলত ধান চাষীরা। নিম্নচাপের জেরেই হাওয়া বদল। কিন্তু আবহাওয়াবিদদের কথায়, আমন ধান নিয়ে চাষিদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। দু’একটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তা আমনের পক্ষে ক্ষতিকর হবে না বলেই অনুমান।

    উল্লেখ্য, আমন ধান তোলার মুহূর্তে গত আজ থেকে জেলাজুড়ে হালকা বৃষ্টি হচ্ছে। বেশ কিছু জেলার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে নিচু জমিতে আমন ধান চাষ হয়। নিচু এলাকায় বৃষ্টির জল জমে যাওয়ায় জলের তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। তবে হাওয়া অফিসের আগাম পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের কোনো জেলাতেই সেইভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। তাই এই ব্যপারে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন চাষীরা। কথায় বলে, পাকা ধানে মই! এখন জেলার কৃষকদের অবস্থা খানিকটা তেমনই। এখন জমিতে পড়ে রয়েছে পাকা ধান। মাথায় ঋণের বোঝা নিয়ে ধান চাষের করেছেন বেশিরভাগ চাষীরা । পাক ধান ঘরে তোলার সময় শেষ মুহূর্তে এসে এভাবে প্রকৃতির রোষানলে পড়তে হবে এমনটা আন্দাজ করতে পারেননি কৃষকরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version