Mamata Banerjee: পূর্ব বর্ধমান জেলা সফরে আসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছর ঘুরলেই লোকসভার দামামা বেজে যাবে। ২০১৯ লোকসভায় উত্তরে ভালো ফল করেনি তৃণমূল। এবার তাই আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিচ্ছে রাজ্যের শাসকদল। পাখির চোখ চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জানুয়ারি মাসে মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফর করবেন বলে মনে করা হচ্ছিল। অনেকটাই এগিয়ে আসছে তাঁর সেই কর্মসূচি। প্রাথমিকভাবে খবর পাওয়া গিয়েছে আগামী ১৫ ডিসেম্বর তিনি জেলা সফরে আসতে পারেন। শুধুমাত্র প্রশাসনিক বৈঠক হলে তা বর্ধমানের সংস্কৃতি লোকমঞ্চে করার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে তিনি যদি বিভিন্ন পরিষেবা প্রদানের কর্মসূচি রাখেন তবে সেক্ষেত্রে নবাবহাট সংলগ্ন গোদা মাঠের হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো সেই ভাবে কিছু নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি।
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বর্ধমানের জেলাশাসকের অফিস ও পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ ভবনের মাঝে নতুন বিল্ডিং টির উদ্বোধন করতে পারেন। সেজন্য ওই বিল্ডিংয়ের কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,কালনা মহাকুমা-সহ জেলার কয়েকটি বড় রাস্তা সংস্কারের কাজ শিলান্যাস করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তিনি কবে আসবেন, বা তাঁর কী কী কর্মসূচি থাকবে, তা এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি।
Kolkata International Film Festival 2023: ২৯ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ল। আগামী ৫ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত শহরে অনুষ্ঠিত হবে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এবছর ৪৯ টি দেশের মোট ২১৯ টি ছবি দেখানো হবে ২৩ টি ভেন্যুতে। এবার উৎসবের টাইটেল সঙে অরিজিৎ সিং। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের কথায় কণ্ঠ দিয়েছেন অরিজিৎ। ৫ ডিসেম্বর নেতাজি ইন্ডোরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন সলমন খান, অনিল কাপুর, কমল হাসান এমনটাই খবর। শহর জুড়ে উৎসবের আবহ। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। বড়দিনের আগেই এবার তিলোত্তমা ডুব দেবে ছবি উৎসবে। নন্দন চত্বরে সাজোসাজো রব। ৫ই ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব।
মাধ্যমিক পাশ করলেই সরকার দেয় ১০ হাজার টাকা
পড়ুয়াদের জন্য বড় সুযোগ করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।য়প্রথমে ১০ হাজার দিয়ে শুরু! পরে বাড়বে আরও। আপনার সব স্বপ্ন পূরণ হবে। মুখ্যমন্ত্রী কী ঘোষণা করেছিলেন জানেন? আপনার প্রাপ্ত নম্বর দেখেও কি সরকার ১০ হাজার টাকা দেবে? অ্যপ্লাই করার পদ্ধতিও ভীষণ সহজ। নবান্ন স্কলারশিপ নিয়ে জানুন বিস্তারিত।
এক্ষেত্রে আবেদনকারীর মাধ্যমিকে ৬৫% নম্বর লাগবে। যাঁদের এর থেকেও ভালো রেজাল্ট করে এই বৃত্তির টাকা পাননি। তারা সবটা জেনে নিয়ে যোগাযোগ করুন।
শুধু মাধ্যমিক নয় উচ্চমাধ্যমিকে ৬০% এবং স্নাতক এবং
স্নাতোকত্তরের পড়ুয়াদের কমপক্ষে ৫৫% নম্বর থাকতেই হবে। শিক্ষার্থীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে তবেই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।
ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া চালিয়ে নিয়ে যেতে অনেক পরিবারকে রীতিমত হিমসিম খেতে হয়। অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পড়া বাংলার মেধাবী ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া এগিয়ে নিয়ে যেতে এই বৃত্তি দেয় রাজ্য সরকার। সেক্ষেত্রে কতগুলো শর্ত রয়েছে।
আবেদনকারীর পরিবারের বার্ষিক আয় হতে হবে ৬০,০০০ টাকা বা তার কম। যদি কোনও পড়ুয়া অন্যান্য বৃত্তি পেয়ে থাকেন তবে এই স্কলারশিপের জন্য আবেদনা করতে পারবেন না। নবান্ন স্কলারশিপের মাধ্যমে প্রতি বছর সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকা পায় পড়ুয়ারা যদিও, বিভিন্ন কোর্সের সময়সীমা এবং সেগুলির খরচ অনুযায়ী শেষ পরীক্ষায় প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ফলাফলের ভিত্তিতে এই স্কলারশিপে টাকার পরিমাণ বাড়তে পারে। এক্ষেত্রে অফলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন পত্রটি সরকারি ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিন সঠিক ভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় নথি দিয়ে পাঠিয়ে দিতে হবে নবান্নের নির্দিষ্ট ঠিকানায়। এই স্কলারশিপে আবেদনের ক্ষেত্রে যে সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসগুলি লাগবে সেগুলি হল নবান্ন স্কলারশিপের আবেদনপত্র সেল্ফ ডিক্লেরেশন কপি, পরীক্ষার মার্কশিট, কোনো সরকারি গেজেটেড অফিসার থেকে পাওয়া আপনার বাৎসরিক আয়ের সার্টিফিকেট, বর্তমান কোর্সে ভর্তির রশিদ পাসপোর্ট সাইজের ছবি এলাকার বিধায়কের কাছ থেকে প্রাপ্ত শংসাপত্র।
শুধু নবান্ন স্কলারশিপ নয়। এটি উত্তকন্যা স্কলারশিপ নামেও পরিচিত। এই উপায়ে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে রাজ্যের দুস্থ ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি দেওয়া হয়।
টাকার অভাবে যাঁদরে উচ্চশিক্ষা থমকে যায়। তাঁদের জন্যই এই বিশেষ ব্যবস্থা।
দীর্ঘদিন ঘরে বসে? কোনও চাকরি পাচ্ছেন না? বেকার যুবকদের রোজগারের ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। চাকরি না করেও আপনি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন! কীভাবে? রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পের কথা শুনেছেন? আপনার উপার্জনের সব চিন্তা দূর হবে আজই অ্যাপ্লাই করুন। কত চেষ্টা করছেন কিন্তু কোন চাকরি পাচ্ছেন না? এভাবে আর কদিন চলবে? এদিকে বাড়িতে রোজ অশান্তি। সংসারে অভাব। যারা নিজেদের চেষ্টায় নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে চায় তাদের পাশে আছে রাজ্য সরকার।
২০২০ সালে কর্মসাথী প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বেকার যুবকদের ক্ষুদ্র শিল্প বা ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করাই লক্ষ। এই প্রকল্পের সহজ শর্তে ঋণ দেয় রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে আরও কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। যারা চাকরি পাননি তাদের জন্য এটাই বড় সুযোগ কর্মসাথী প্রকল্পে একজন ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। তাতে যুবকরা নিজেদের ইচ্ছা এবং পছন্দ মতন ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। তারা ব্যবসা করলে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের সাহায্য পাবেন।
কিভাবে এপ্লাই করবেন?
এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৫০ বছর এর মধ্যে থাকতে হবে। কমপক্ষে ক্লাস এইট পাস হতে হবে। মনে রাখতে হবে যে এপ্লাই করবে তাকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। এই ঋণ পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে ভোটার কার্ড আধার কার্ড, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, বসবাসের বা ঠিকানার প্রমাণ ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিতে হবে। এই আর্থিক সুবিধা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম ফিল আপ করে আবেদন করতে হয়। প্রতি বছর ১ লাখ যুবককে ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এই ঋণ দেওয়া হবে রাজ্যের সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে। একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে এই ঋণ পাওয়ার জন্য। তারপরে কারা এই সুবিধা পাবেন তা বেছে নেওয়া হবে ।কর্মসংস্থান হয়নি তাদের জন্যই এই সুযোগ দিচ্ছে রাজ্য সরকার।
প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে হোম পেজে গিয়ে স্কিম-এর ওপর ক্লিক করতে হবে। সেখানে গিয়ে Karma Sathi prakalpa scheme খুলতে হব। সেটা খোলার পরে আবেদন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফর্ম আসবে, ওই ফর্মে যে সব তথ্য চাওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। প্রতিটি জিনিস ভালো করে দেখে নিয়ে পূরণ করতে হবে যাতে তথ্যে কোন ভুল না থাকে। তারপরে প্রয়োজনীয় নথিগুলি আপলোড করে সাবমিট করতে হবে।
সরকার যুবকদের আত্মনির্ভর করতে, পাশাপাশি উদ্যোগপতি তৈরি করতে এই প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে বেকারত্বের হার আরও কমানো, পাশাপাশি তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। এমনটা মনে করেন রাজ্যবাসী।রাজ্যের গ্রাম থেকে শহর সব জায়গাতেই রয়েছে এই সুযোগ ।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রকল্পের সাহায্যে বেকার যুবক-যুবতীরা ছোট উৎপাদন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারেন।
Hanuman In Nabanna: নবান্নে হনুমান! আপনমনে ঘুরে বেড়াচ্ছে ১৩ তলার ব্যালকনিতে। ১৪ তলায় মুখ্যমন্ত্রীর দফতর। তারপর কী হল? মুখ্যমন্ত্রীর ঘরেও কি ঢুকে গেল ? নবান্নের তেরো তলায় হনুমান। একতলা দিয়ে ঢুকে সোজা উপরে উঠে যায় সে। কাজের দিন হওয়ায় হনুমানকে ঘিরে জমে যায় ভিড়। অনেকে তুলতে থাকেন ছবি, কেউ খাওয়ান বিস্কুট। এই ভবনে তো মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর। হনুমানের দাপাদাপিতে সে এক হলুস্থুল কান্ড।
১৩ তলার বিভিন্ন জায়গায় কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর হনুমানটি সিঁড়ির কাছে রেলিংয়ে বসে। নিরাপত্তারক্ষীরা সেটিকে তাড়াবার চেষ্টা করলেও সে নির্বিকার বিভিন্ন ফ্লোরে ঘুরে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় হনুমানটিকে। শুধু তাই নয়, কয়েকটি দফতরের ভিতরেও ঢুকে পড়ে সে। অবস্থা এমনই হয়, নবান্নের বিভিন্ন ফ্লোরে দরজা বন্ধ করে দেন সরকারি কর্মচারীরা। যেখানে যেখানে অবশ্য ফ্লোরের দরজা খোলা পেয়েছে সেখানেই ঢুকে পড়েছে সেই হনুমান। ঘর থেকে বের করতে রীতিমতো বেগ পেতে হয়েছে নবান্নের দায়িত্ব থাকা নিরাপত্তারক্ষীদের। ঠিক উপরের তলাতেই বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নের ১৪ তলাতে তাঁর দফতর।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পায়ের চোটের জন্য এখন নবান্নে আসতে পারছেন না। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন, চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। তিনি তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে ঘরবন্দি হয়ে রয়েছেন আপাতত। প্রশাসনিক সমস্ত কাজ সামলাচ্ছেন সেখান থেকেই। ভাগ্যিস মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে ছিলেন না। না হলে যে কী হত!
প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই নবান্নে চলে আসেন বনদফতরের কর্মীরা। প্রথমে চারতলায় এবং তারপর দোতলায় হনুমানকে ধরার চেষ্টা করলেও তাকে বাগে আনতে পারেননি তাঁরা। রেলিং ধরে আয়েশে ঝুলতে থাকে। শেষমেশ অবশ্য হনুমানটি নিজেই গ্রাউন্ড ফ্লোর দিয়ে পাঁচিল টোপকে নবান্নের বাইরে বেরিয়ে যায়। কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে রাখা নবান্ন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস সেখানেই কোনও কিছুর পরোয়া না করে ঢুকে পড়ে এক হনুমান। কোথা থেকে এল আর কোথা দিয়েই বা সে নবান্নে ঢুকল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Mamata in Dubai: কলকাতায় বড় বিনিয়োগের পথে লুলু গ্রুপ। নিউটাউনে বিশ্বমানের শপিংমল তৈরি করবে লুলু। এ রাজ্যে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী দুবাইয়ের এই বহুজাতিক সংস্থা।মাছ মাংস প্রক্রিয়াকরণ সহ নানা খাতে বিনিয়োগ করতে পারে লুলু গ্রুপ। দুবাই থেকে রাজ্যবাসীর জন্য এই সুসংবাদ পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখিয়েছে লুলু?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছেন বিদেশ সফরে স্পেন থেকে মুখ্যমন্ত্রী উড়ে গেছেন দুবাই। এবার দুবাই থেকেই বাংলার জন্য বড় সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা লুলুর সাথে শুক্রবার একান্ত বৈঠক হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বাণিজ্য বৈঠকের আগে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেন লুলু গোষ্ঠীর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আশরফ আলির সাথে। জানা গেছে মুখ্যমন্ত্রী ও আশরাফ আলির বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে। রাজ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনাসহ একাধিক বিষয় নিয়ে নিয়ে দু পক্ষের আলোচনা হয়েছে। এক্স প্ল্যাটফর্মে মুখ্যমন্ত্রী এই বৈঠকের কথা বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় শুক্রবারের বৈঠক বাংলার জন্য অত্যন্ত আশাপ্রদ। বৈঠকে আলোচিত বিষয়ের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী আভাস দিয়েছেন তাঁর এক্স প্ল্যাটফর্মে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, লুলু গোষ্ঠী কলকাতার নিউ টাউনে গড়ে তুলবে বিশ্বমানের শপিংমল। ‘বিশ্ব বাংলা’র আলাদা কাউন্টার খোলা হতে পারে লুলু গোষ্ঠীর বিভিন্ন দেশের শপিংমলগুলিতে। এই কাউন্টারগুলিতে বিক্রি হবে শুধুমাত্র ‘বিশ্ব বাংলা’র পণ্য। পশ্চিমবঙ্গ থেকে লুলু গোষ্ঠী তাদের সমস্ত বিপণির জন্য ফল ও সবজি কিনতে পারবে।এছাড়াও এই সংস্থা বাংলায় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র তৈরি করতে আগ্রহী। ভবিষ্যতে বাংলায় লুলু গোষ্ঠী মৎস্য-মাংস প্রক্রিয়াকরণ, পোলট্রি, ডেয়ারি শিল্পে বিনিয়োগ করতে পারে। এক্স প্ল্যাটফর্মে মুখ্যমন্ত্রী জানান,তিনি ২০২৩ সালের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে লুলু গোষ্ঠীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আবু ধাবিতে রয়েছে সংস্থার প্রধান কেন্দ্র।
কেরলের ত্রিশূলের ভূমিপুত্র লুলু গোষ্ঠীর কর্ণধার ইউসুফ আলি মুসালিয়াম ভেট্টিল আবদুল কাদের। তাঁর কাকা এমকে আবদ্দুলাহ প্রতিষ্ঠা করেন লুলু। লুলু গোষ্ঠীর মোট ২৩৪টি বিপণি রয়েছে। সেগুলি রয়েছে আরব আমিরশাহি, ভারত, সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরিনে। ওমান, মিশর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াতেও রয়েছে লুলুর বিপণি। লখনৌয়ে লুলু গোষ্ঠীর তৈরি শপিংমল বর্তমানে দেশের বৃহত্তম শপিংমল। ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিনিয়োগ রয়েছে তাদের। তবে এই প্রথম বাংলায় বিনিয়োগ করার পথে লুলু গ্রুপ। একটি সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আগামী দু তিন বছরের মধ্যে এ দেশে আরও দশ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছে লুলু গ্রুপ। তাতে পঞ্চাশ হাজার চাকরি তৈরি করতে পারে।
সম্প্রতি হায়দারাবাদে একটি মলও উদ্বোধন করেছে লুলু গ্রুপ। কোচিতেও একটি শপিং মল রয়েছে এই গ্রুপের।নিউটাউনে তারা শপিংমল তৈরি করলে অনেকের কর্মসংস্থান হবে। তাদের বিনিয়োগে মৎস্য-মাংস প্রক্রিয়াকরণ, পোলট্রি, ডেয়ারি শিল্পের অগ্রগতি ঘটতে পারে অনেকটাই।
Mahanayak Samman: মহানায়ক উত্তম কুমারের ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বাংলা চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে মহানায়ক সম্মানে সম্মানিত করা হয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের। উত্তম কুমারের ছবি দিয়ে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। মঞ্চে জুড়ে যে সাদা স্ক্রিন ছিল তাতে ছিল উত্তম কুমার অভিনীত বিভিন্ন ছবির নাম। এছাড়াও দর্শক-আসনে হাজির ছিলেন টলিউড ও রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে বিভিন্ন কলাকুশলীরা। মহানায়ক উত্তম কুমারের প্রয়াণ দিবসের দিন রাজ্য সরকারের তরফে আয়োজিত হয় ‘মহানায়ক’ সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান।
উপস্থিত ছিলেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, অনিবার্ণ ভট্টাচার্য, সোহিনী সরকার, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, কোয়েল মল্লিক, হরনাথ চক্রবর্তী। এদিন চার নায়িকা ও এক নায়ককে ‘মহানায়ক’ সম্মান দেওয়া হয়। ‘মহানায়ক’ সম্মানে সম্মানিত হন কোয়েল মল্লিক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে ‘মহানায়ক’ সম্মান নেন অভিনেত্রী, প্রযোজক শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে ‘মহানায়ক’ সম্মান নেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে ‘মহানায়ক’ সম্মান পান অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহানায়ক সম্মান পেলেন অঙ্কুশ হাজরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের হাতে বাংলার শিল্পীদের হাতে তুলে দিলেন মহানায়ক সম্মান। পুরস্কার পাওয়ার পর অঙ্কুশ একটি পোস্ট করেছেন। পুরষ্কার অনুপ্রেরণা যোগায়। তাই গ্রহণ করলাম।
প্রচুর পরিশ্রম বাকি নিজেকে এই পুরস্কারের যোগ্য করে তোলার জন্য। আপাতত আমার মত একজন সামান্য নায়ক কে সরকারের তরফ থেকে এই মহানায়ক সম্মান টি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। অভিনেতা আরো লেখেন নজরে সামনে সাজিয়ে রেখে দেবো যাতে রোজ চোখে পড়লেই নিজেকে বলি ভাগ্যবান দয়া করে ভগবান বানিয়েছেন যোগ্যতা পরিশ্রম করে নিজে অর্জন করো। অঙ্কুশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রেমিকা ও অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা সেন। লিখেছেন তোমার সফলতার জন্য অভিনন্দন। আমার কর্মজীবন আরো সাফল্য পাক।
এদিন বিশেষ চলচ্চিত্র সম্মান দেওয়া হয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকারকে। এছাড়াও নাটক থেকে বড় পর্দার ব্যোমকেশ ভক্তদের হার্ট থ্রব অনির্বাণ ভট্টাচার্য তারপর ৪ দশক ধরে বাংলা ছবির জগতকে যিনি একের পর এক চলচ্চিত্র উপহার দিয়ে এসেছেন সেই পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তীকেও পুরস্কৃত করা হয়।
Misty Singh: গত ১৮ই মে বিয়ের পর্ব সেরেছেন অভিনেত্রী মিষ্টি সিং ও রেমো দাস। পরিণতি পেয়েছে জুটির ১৪ বছরের প্রেমের কাহিনি। রেমোর সঙ্গে সম্পর্কে থাকলেও সেই কথা ফাস করেননি মিষ্টি, বন্ধুমহলের কাছে এই সুখবর অজানা না থাকলেও ফ্যানেরা কিন্তু মোটেই টের পায়নি। একটু একটু করে নিজেদের প্রেমের গল্পের পরত ষ সরিয়েছেন মিষ্টি। ১৮ই মে বাইপাস সংলগ্ন এক সাত-তারা হোটেলে বসেছিল মিষ্টি-রেমোর বিয়ে ও রিসেপশনের আসর। মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে নয় আইনি বিয়ে সেরেছেন দুজনে, সঙ্গে মালাবদল, সিঁদুরদানের মতো রীতিনীতি পালন করেছেন জুটি। মিষ্টি- রেমোকে বিয়ের দিন আর্শীবাদ দিতে পৌঁছেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিদির ঘনিষ্ঠা হিসাবেই পরিচিত মিষ্টি।
বিয়ে পরবর্তী সেলিব্রেশনে ব্যস্ত ছিলেন মিষ্টি-রেমো। মাঝেই সোমবার মমতার আর্শীবাদ নিতে পৌঁছেছিলেন নবদম্পতি। বিয়ের পর স্বামী রেমো দাসকে নিয়ে কালীঘাটে যান মিষ্টি সিং। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আপ্লুত রেমো দীর্ঘক্ষণ তারা সময় কাটান সেখানে। মুখ্যমন্ত্রীর আতিথিয়তায় মুগ্ধ রেমো। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড করে লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত অমায়িক। যতবার উনার সঙ্গে দেখা করেছি উনি ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। এর জন্য উনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
সেই সাক্ষাৎ-এর ঝলক সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন মিষ্টির বর। মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বউ মিষ্টি এবং তাঁর নিজের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন রেমো। যাতে লাইক- কমেন্টের বন্যা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী তার বাড়ির আম দিয়েছেন নবদম্পতিকে। অফ হোয়াইটের উপর গোলাপি রঙের সুতোর কাজ করা সালোয়ার কামিজে দেখা মিলল নতুন বউ মিষ্টির। সঙ্গে মাথাভর্তি সিঁদুর, হাতে চাওড়া শাঁখা-পলা। ‘আলতা ফড়িং’ অভিনেত্রীর বাঁ হাতে শাশুড়ি মায়ের দেওয়া সোনার নোয়া ঝলমল করল। মিষ্টির বরের দেখা মিলল লাল রঙা প্রিন্টেড শার্ট আর কালো ফর্ম্যাল প্যান্টে। নজর কাড়ল তাঁর কোমরের গুচির বেল্ট।
কী কারণে এই সাক্ষাৎ তা অবশ্য খোলসা করেননি মিয়া-বিবি। এর আগে মিষ্টি ফাঁস করেছিলেন বিয়েতে উপহার হিসাবে তাঁকে কী দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মিষ্টি জানিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে একটি সোনার হার উপহার দিয়েছেন। সেই উপহারের চেয়েও দামি হল ব্যস্ত শেডিউলের মধ্যে থেকে সময়বার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিষ্টির বিয়ের দিন তাঁক আর্শীবাদ দিতে পৌঁছেছিলেন। এর চেয়ে বড় কিছু হয় না বলেই জানান নায়িকা। মিষ্টি জানিয়েছিলেন, ‘উনি তো হুট করে কারুর বিয়েতে যান না, আমার বিয়েতে এলেন এটাই বড় ব্যাপার’। ‘আলতা ফড়িং’-এর পর এখনও নতুন কাজে হাত দেননি মিষ্টি। টেন্ট সিনেমার নয়া ধারাবাহিকে দেখা মিলতে পারে অভিনেত্রীর।
DhanaDhanye Auditorium: দূর থেকে দেখলে মনে হবে এক বিশাল আকৃতির অসাধারণ শঙ্খ। আসলে এটি একটি অডিটোরিয়াম (Auditorium)। রাজ্যের মুকুটে নয়া পালক, সাড়া ফেল দিয়েছে বঙ্গের এই বিশেষ অডিটোরিয়াম। তৈরি করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা। ৬৫০০ মেট্রিক টন ইস্পাতে তৈরি ছয় তলা স্টেডিয়ামের নাম ধনধান্য (Dhana Dhanye)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) শঙ্খের আকৃতিতে তৈরি থ্রি টায়ার এই প্রেক্ষাগৃহের উদ্বোধন করেছেন।
আয়ারল্যান্ড থেকে এসেছে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি বিদেশি আলো। প্রায় ২ হাজার আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম ছাড়াও রয়েছে একটি মিনি অডিটোরিয়াম, যেখানে প্রায় ৫৪০ টি আসন রয়েছে। ১৫টি শয্যা বিশিষ্ট একটি ডরমেটরি রয়েছে। একত্রে পার্কিং করা যাবে প্রায় ২৫০টি গাড়ি। এছাড়ও পাবেন ব্যাঙ্কোয়েট থেকে ফুড পার্ক। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে এক বিশাল শঙ্খ। অডিটোরিয়ামটি তৈরি করা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে। দিনে যেটি দেখতে লাগে তুষার শঙ্খের মতো, রাতে সেটি আলোর মায়ায় মোহময়ী রূপ ধারণ করে। বৃহস্পতিবার আলিপুরে অসাধারণ শঙ্খ আকৃতির ধনধান্য অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ছিল রীতিমত চাঁদের হাট। যেখানে টলি পাড়ার বহু শিল্পী উপস্থিত ছিলেন। নৃত্য পরিবেশন করেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা এবং শুভশ্রী।
এক কথায় বলতে গেলে শহরবাসী কাছে অডিটোরিয়াম একটি চোখ ধাঁধানো উপহার। যা মহানগরের মাথায় যোগ করেছে নয়া মুকুট। আলিপুরের বুকে যেন এক বিশাল তুষার শুভ্র শঙ্খ। নকশা তৈরি হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনা থেকে। যেখানে ফুটে উঠেছে প্রায় ৩৩ হাজার রং। অডিটোরিয়ামটি তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে, কিন্তু করোনার কারণে বহুদিন কাজ বন্ধ ছিল। অবশেষে ২০২৩ এর ১৩ই এপ্রিল বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী অডিটোরিয়ামটির উদ্বোধন করেন। এটি তৈরি হয়েছে পুরোটাই লোহার কাঠামো দিয়ে। ব্যবহার করা হয়েছে ফ্রান্স থেকে আনা জিঙ্কের চাদর। অডিটোরিয়ামটি চওড়ায় ২১০ ফুট এবং লম্বায় প্রায় ৫১০ ফুট।
Mamata Banerjee Dharna: ২০২৩ এর ২৯শে মার্চ কলকাতা (Kolkata) শহরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। ধর্নায় (Dharna) বসার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। একদিকে রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা, অপরদিকে পাল্টা ময়দানে নেমেছে বিজেপি। এক কথায় হাই ভোল্টেজ বুধবার। বুধবার শহর জুড়ে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে।
বহুদিন ধরেই বকেয়া ডিএ এর দাবিতে টানা আন্দোলন চলছে। শহীদ মিনার চত্বরে সরকারি কর্মীদের চলা এই আন্দোলন ৬২ দিনে পা দেবে। এই আন্দোলন থেকে ১০০ মিটার দূরেই হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। অপরদিকে মুখ্যমন্ত্রী ধর্নায় বসবেন রেড রোডের আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশে। মূল মঞ্চের দুদিকে দুটি অস্থায়ী ছাউনি দিয়ে ধর্না মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। ধর্না চলার কথা বুধবার বেলা বারোটা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত। ধর্না চললেও রেড রোড সচল রাখা হবে। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট, তার আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ এনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুদিনের ধর্নায় বসবেন।
শহর জুড়ে আছে একাধিক কর্মসূচি থাকায় যানজটের সম্ভাবনা রয়েছে। পথে নামছে সরকার বিরোধী উভয় পক্ষই। শাসক দলের দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অপরদিকে ধর্নায় বসছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাথে থাকবেন সর্বোপরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও। কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে শর্তসাপেক্ষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গোটা এলাকা মুড়ে দেওয়া হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। এক দিকে ডিএ আন্দোলনকারীরা, অপরদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা। যে মাইকগুলি একে অপরের দিকে ছিল সেগুলি খুলে নেওয়া হচ্ছে। দুপুরের দিকে মৌলালির রামলীলা ময়দান থেকে মিছিল শুরু করবে বামেরা। একদিকে কেন্দ্রের বঞ্চনা অপরদিকে রাজ্যের তরফের দিল্লিতে হিসেব না পাঠানো, এই দুইয়ের অভিযোগ নিয়ে তারা মিছিল শুরু করতে চলেছেন। যা শেষ হবে পার্ক সার্কাসের লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের সামনে।