Tag: CM Mamata Banerjee

  • Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছেপূরণ! ১০০০ টাকা কীভাবে কাজে লাগছে?

    Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় ডাক্তারি পড়ার ইচ্ছেপূরণ! ১০০০ টাকা কীভাবে কাজে লাগছে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Lakshmir Bhandar: মায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দিয়েই ডাক্তার হলেন বীরভূমের রাহুল। ভাবছেন এ কীভাবে সম্ভব! হ্যাঁ অভাবের ঘরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১০০০ টাকা অনেক চিন্তা দূর করেছে। মায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকায় মোবাইল রিচার্জ। সেই মোবাইল দিয়েই চলেছে পড়াশোনা। অবশেষে ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেলেন বীরভূমের ছাত্র।

     

    দিনে বাবার চায়ের দোকানের কাজ সেরে বাকি সময়ে পড়াশোনা। এমনকী পড়াশোনার জন্য রাতের পর রাত জাগতে হয়েছে তাঁকে। কোনও প্রাইভেট টিউটর ছিলেন না।
    ডাক্তারি পড়ার সুযোগ তো পেয়েছেন । এই সাফল্যের পিছনে নাকি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অবদান অনেকটা।

     

    এখন পড়াশোনার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ভীষণ প্রয়োজনীয়। একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময়়় গরুর দুধ বিক্রি করে একটি ফোন কিনেছিলেন রাহুল। কিন্তু তাতে প্রতিমাসে ইন্টারনেট ভরবেন সে ক্ষমতা ছিল না। রাহুলের মা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পান। সেই টাকা থেকে ছেলেকে ইন্টারনেট রিচার্জ করে দেন। সেই ফোন দিয়েই ছেলে পড়াশোনা করেছে। উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন রাহুল। যদিও প্রথমে অবশ্য ডাক্তারি নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা ছিল না তাঁর। বরং ইচ্ছা ছিল সরকারি চাকরি করার।

     

    কিন্তু সেই পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনার করার ইচ্ছা হয়। যদিও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার খরচ তাঁর বাবা চালাতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। অবশেষে ডাক্তারি পড়ারই সিদ্ধান্ত নেন। পরিশ্রমের ফলস্বরূপ প্রথমবার ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়েই ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ৬৭৩ পেলেন বীরভূমের নলহাটির বাসিন্দা রাহুল। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে ১২ হাজারের কাছাকাছি রয়েছে তাঁর র‍্যাঙ্ক।

     

    মোবাইলে বিভিন্ন কোচিং-এর ক্লাস শুনতেন। বাড়িতে কম্পিউটার নেই। একটা টিভি ছিল, সেটিও খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে। এখন মোবাইলটাই সম্বল। ‘বাড়িতে একটি দুধেল গাই আছে। ১০ কেজি করে দুধ দেয়। সেই দুধ বিক্রি করেই ছেলের বই কেনা হয়েছে। তবুও ছেলের পড়াশোনা বন্ধ হতে দেওয়া যাবে না।

     

    রাহুলের বাবা কোনোরকমে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছেন। মা মাধ্যমিক পাশ। তাদের ছেলের অক্লান্ত পরিশ্রম সাফল্য এনে দিয়েছে ডাক্তারির প্রবেশিকায়। তবে এত ভালো ফলাফলের পরও চিন্তায় রাহুলের পরিবার। ডাক্তারি পড়ার খরচ কীভাবে আসবে? সেই চিন্তায় উড়েছে রাতের ঘুম। এই ডাক্তারি পড়ার খরচ জোগাবে কে? যদিও লোন নেওয়ার ভাবনাচিন্তা করছে রাহুল। সব বাধাকে টপকে এগিয়ে যাক রাহুল। চান অনুরাগীরাও।

    https://fb.watch/sAYPo2KERz/

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Free Treatment: সরকারি কর্মীদের জন্য খুশির খবর, জানুন চিকিৎসা ব্যবস্থার নয়া আপডেট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Free Treatment: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি মত ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত কর্মীদের স্বাস্থ্যবিমার আওতায় আনার বিল। পাশাপাশি কর্মী নিয়োগ, কর্মী বদলি থেকে কর্মীদের স্বাচ্ছন্দ নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সব থেকে সরকারি কর্মীদের জন্য খুশির খবর হল রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য এক বিশেষ ব্যবস্থার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সেটি হল ক্যাশলেস মোডে হবে চিকিৎসা ব্যবস্থার সুবিধা মিলবে সরকারি কর্মীদের। তবে চিকিৎসার খরচে পরিমান বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মীদের চিকিৎসায় ২ লক্ষ টাকার বেশি খরচ হলে, তা হাসপাতালের নিয়ম মেনেই দিতে হবে তাঁদের। রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চালু থাকছে এই ব্যবস্থা ২০২৭ সাল পর্যন্ত। এসএসকেএম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এর উডবার্ন ওয়ার্ডে এই পরিষেবা দেওয়া হবে। শুধুমাত্র একটি সরকারি হাসপাতালে আপাতত চালু হচ্ছে এই পরিষেবা।

    ২ লক্ষ টাকার বেশি চিকিৎসার খরচ হলে, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে সে ক্ষেত্রে কোন খাতে কত খরচ লাগবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বড় কেবিনে থাকার জন্য প্রতিদিনের খরচ ৪০০০ টাকা। একক ছোট কেবিনের খরচ ২৫০০ টাকা, দ্বিশয্যা যুক্ত বড় কেবিনের খরচ ২০০০ টাকা। দৈনিক খাওয়ার খরচ ৩৩৬ টাকা ও দৈনিক আয়ার খরচ ৭৫০ টাকা।

    প্রসঙ্গত, চিকিৎসা পরিষেবার জন্য মোট অঙ্কের টাকা খরচ করতে হয় রাজ্যের মাল্টি সুপারস্পেশ্যালিটি হাসপাতাল এসএসকেএমের হাইপ্রোফাইল উডবার্ন ওয়ার্ডে। সরকারি কর্মীদের চিকিৎসা করার ইচ্ছে থাকলেও অর্থের কারণে তা অনেকেই করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে এবার থেকে অনেকটাই নিশ্চিন্ত হতে পারল সরকারি কর্মীরা। সরকারি কর্মচারীরা কার্ডিওলজি, কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি, মেডিসিন, নিউ মেডিসিন সহ বিভিন্ন চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে, এই পরিষেবা চালু করা হবে জানুয়ারি প্রথম সপ্তাহ থেকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Christmas Carnival 2023: সুখবর! মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ফের চালু হাওড়া কার্নিভ্যাল, কবে থেকে শুরু ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Christmas Carnival 2023: তৃণমূলের পুর চেয়ারম্যান এবং বিধায়ক তথা মন্ত্রীর মধ্যে মত পার্থক্যের জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল হাওড়ার ক্রিসমাস কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠান। এই ঘটনার পর হতাশ হয়ে পড়েছিলেন এলাকার নাগরিকরা। এবার ঘটনায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান অবিলম্বে এই কার্নিভ্যাল চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই সময় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান ড. সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, কার্নিভ্যাল আবারও চালু করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব। আজ দুপুর ২টো থেকে ফের অনুষ্ঠানে মাততে পারবেন সাধারণ মানুষ।

    ঠিক কী কারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল অনুষ্ঠান ?

    মূলত পার্কিং সমস্যা নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। আর যে ঘটনার জল গড়িয়েছিল কার্নিভ্যাল বন্ধ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত। জানা গিয়েছিল ওই এলাকায় পার্কিং ফি বাবদ সকলের কাছে নেওয়া হচ্ছিল ১০ টাকা করে, যেখানে পার্কার এন্ট্রি ফি মাত্র ৫ টাকা। এই নিয়ে অনেকেই আপত্তি করেন, এত টাকা কেন নেওয়া হচ্ছে এই বিষয়টিকে উল্লেখ করে। বিষয়টি কানে যায় শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক ও মন্ত্রী মনোজ তিওয়ারির। অভিযোগ, এরপরেই তাঁর অনুগামীরা এসে অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিয়ে অশান্তি করতে থাকেন। আর এই ঝামেলার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ক্রিসমাস কার্নিভ্যাল। শুধু তাই নয়, ঘটনায় বেশ কিছুক্ষণ আটকে রাখা হয় হাওড়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তীকেও।

    উল্লেখ্য, হাওড়া ক্রিসমাস কার্নিভ্যালের থিম সং গেয়েছেন অরিজিৎ সিং। তাই স্বাভাবিক ভাবেই, এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এলাকার সাধারণ মানুষের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। ২২ ডিসেম্বর থেকে হাওড়ার ডুমুরজলা ষষ্ঠী নারায়ণ ইকো পার্কে শুরু হয়েছে ক্রিসমাস কার্নিভাল। যা চলবে আগামী ২ জানুয়ারি পর্যন্ত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rajiv Kumar: রাজ্য পুলিশের নতুন ডিজি হলেন রাজীব কুমার, লোকসভার আগে বড় সিদ্ধান্ত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rajiv Kumar: রাজ্য পুলিশের ডিজির নাম চূড়ান্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য পুলিশের ডিজি হচ্ছেন আইপিএস অফিসার রাজীব কুমার। বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর মিলেছিল, রাজ্য প্রশাসনের দুই শীর্ষ পদে বদল আসার কথা। চলতি মাসেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে রাজ্যের বর্তমান মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর। আজই মেয়াদ শেষ হয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যর। বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব ও অতিরিক্তি মুখ্য সচিব বিপি গোপালিকার নাম প্রায় চূড়ান্ত। এমনটা মনে করা হচ্ছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য পুলিশের ডিজির নাম ঘোষণা করলেন। তবে , রাজ্য পুলিশের DG নিয়োগে কেন্দ্রের যে ছাড়পত্র প্রয়োজন হয় সেই প্রক্রিয়া এখনও শুরু করেনি রাজ্য সরকার। ফলে আপাতত ভারপ্রাপ্ত ডিজি পদে বহাল হবেন তিনি।

    বর্তমানে তথ্য ও প্রযুক্তি দফতরের প্রধান সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন রাজীব কুমার। তাঁকেই ডিজি পদে বসাতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর ২০১৩ সালে বিধাননগর কমিশনারেট তৈরি করেন মমতা। সেখানকার প্রথম কমিশনার হিসেবে রাজীবকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, সারদাকাণ্ড প্রকাশ্যে আসার সময় বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন রাজীব কুমার। ২০১৯ সালে তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাসভবনে যান সিবিআই আধিকারিকরা। এই নিয়ে কেন্দ্র রাজ্যের মধ্যে ব্যাপক টানাপোড়েন চলে। এই নিয়ে কলকাতার ধর্মতলায় ধরনায় ববসতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই ধর্নায় দেখা যায় রাজীবকেও। এখন দেখার বিষয় রাজীব কুমারকে রাজ্য পুলিশের ডিজি পদে নিয়োগে দিল্লির ছাড়পত্র মেলে কি না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Poush Mela: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই জায়গা কেউ কলুষিত করুক চাই না, পৌষমেলার উদ্বোধনে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Poush Mela: শান্তিনিকেতনে (Shantinektan) শুরু হল পৌষমেলা (Poush Mela)। মেলা চলবে পাঁচ দিন। এদিন পৌষমেলার উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘পৌষ মেলা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত মানুষ ভালভাবে নেয়নি’। শান্তিনিকেতনে রাজ্য সরকার পরিচালিত পৌষ মেলার ভার্চুয়াল উদ্বোধনে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। কড়া নিরাপত্তার পাশাপাশি দূষণ মুক্ত মেলা করতে বদ্ধ পরিকর জেলা প্রশাসন। এবিপি আনন্দে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এদিন উদ্বোধনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই জায়গা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের, কেউ এটা কলুষিত করুক চাই না।বিশ্বভারতী কোনও স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে চালালে হবে না। সম্মান দিতে হবে আশ্রমিক থেকে পড়ুয়া সকলকেই।” তিনি এর সাথে সংযোজন করে বলেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের পৌষ মেলা বন্ধের সিদ্ধান্ত মানুষ ভাল ভাবে নেয়নি।

    এই মেলার আয়োজন করছে না বিশ্বভারতী এবং শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। এবারের মেলার আয়োজন করা হয়েছে বীরভূম জেলা প্রশাসনের তরফে। ইতিমধ্যেই যাবতীয় আয়োজন করে নেওয়া হয়েছে। মেলায় বসেছে বিভিন্ন দোকানপাতিও। করা হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা। কোনও নির্দিষ্ট সময় নেই মেলা খোলা থাকার। শীতকালের রাত তাই ১০টার মধ্যে দোকানপাঠ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, শীত-বাঙালি এবং আবেগ-এই তিনটি শব্দকে যেন জুড়ে দেয় শান্তিনিকেতন পৌষমেলা।দীর্ঘ টালবাহানার প্রায় ৩ বছর পর সব মতানৈক্য কাটিয়ে আজ থেকে শুরু হল পৌষমেলা। এবারের মেলায় থাকছে প্রায় ১২০০ রও বেশি স্টল। পৌষমেলার রুটম্যাপ শহরের বিভিন্ন জায়গায় লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে , যারা বহু দূর থেকে আসবেন মূলত তাদের সুবিধার্থেই এই ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তার জন্য রাখা হয়েছে ১৬০০ রও বেশি পুলিশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rahul Gandhi called Nitish Kumar: ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে নীতীশকে ফোন রাহুলের, জেডিইউ বৈঠক ডাকতেই ফ্যাসাদে কংগ্রেস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rahul Gandhi called Nitish Kumar: গত মঙ্গলবার ছিল ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক। আর সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসােব খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মল্লিকার্জুন খাড়গের নাম প্রস্তাব করেন। রাহুল গান্ধীর কথা না উল্লেখ করে কেন খাড়গের নাম করলেন মমতা তা নিয়ে তারপর থেকে চর্চা চলতে শুরু করে রাজনৈতিক ময়দানে। আসন সমঝোতা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী মুখ, ইন্ডিয়া জোটের চতুর্থ বৈঠকে একাধিক তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হয় সেইদিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রস্তাবে মত দিয়েছেন প্রায় সকলেই। তবে কি মোদী বিরোধী জোটের মুখ খাড়গেই? সোনিয়া গান্ধী ,রাহুল গান্ধী ‘ইন্ডিয়া’র (INDIA) অন্য হেভিওয়েটদের ছেড়ে হঠাৎ করে কেন মল্লিকার্জুন খাড়গের নাম প্রধানমন্ত্রীর ‘মুখ’ হিসাবে প্রস্তাব করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , দেশজুড়ে এই প্রশ্নে ঝড় উঠতে থাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রস্তাব কে সমর্থন জানিয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। কিন্তু এই প্রস্তাবনায় অখুশি ছিল নীতিশ কুমারের দল জেডিইউ। তার ইঙ্গিতও মিলেছিল। এমনকি জেডিইউ-র বিধায়ক গোপাল মণ্ডল কংগ্রেস সভাপতিকে অবজ্ঞা করে বলেছেন, “কে এই খড়্গে-ভড়্গে? কেউ খড়্গেকে চেনে না। মানুষ নীতীশকে চেনেন। নীতীশই প্রধানমন্ত্রী হবেন।”

    এই ঘটনা বেগতিক বুঝেই ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে নীতিশ কুমারকে ফোন করলেন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সূত্রের খবর, ক্ষোভ মেটাতেই রাহুল নিজে নীতীশকে ফোন করেন। খড়্গের নাম প্রস্তাব নিয়ে রাহুল কংগ্রেসের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। জানান দিয়েছেন, কংগ্রেসের মস্তিষ্ক নেই এর পিছনে। খাড়গের নাম প্রস্তাব করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে থেকেই। কংগ্রেস কাউকে মুখ করে ভোটে যাওয়ার বদলে ‘ম্যায় নহি, হম’-এর নীতিতে বিশ্বাসী। বিরোধী মঞ্চ জিতলে প্রধানমন্ত্রীর নাম পরে ঠিক হবে।

    বৈঠকে মমতা খড়্গের নাম তোলায় নীতীশ স্বচ্ছন্দ বোধ করছিলেন না বলে অনেকের মত। নীতীশ-শিবির যে এখনও ক্ষুব্ধ আজ জেডিইউ বিধায়কের খড়্গেকে নিয়ে মন্তব্যেও স্পষ্ট হয়েছে। তার উপরে নীতীশ আগামী সপ্তাহে দলের সাংগঠনিক বৈঠকের ডেকেছেন। সেটাও চিন্তায় রেখেছে কংগ্রেসকে। তবে শেষমেশ জানা গেছে, আলোচনার পাশাপাশি খুব শীঘ্রই আসন সমঝোতা নিয়ে ‘ইন্ডিয়া’-র প্রচার কমিটির বৈঠক ডাকা হবে। তারই সলতে পাকানোর পর্ব চলছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: সেজে উঠেছে লোকনাথ বাবার জন্মস্থান চাকলা ধাম, আগামী সপ্তাহে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: চাকলার লোকনাথ মন্দিরের বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক ভক্ত সম্মেলন। ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আর এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসার কথা থাকলেও তিনি আসতে পারেননি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে সামনে রেখেই এক গাছ কর্মসূচিকে সামনে রেখে জেলায় আসছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন, ‘আগামী ২৮ ডিসেম্বর একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা প্রস্তুতি সেরে রেখেছি। চাকলা মন্দিরের পাশে হেলিপ্যাডে নামবেন তিনি সেখানে নেমে তিনি সড়ক পথে চাকলা মন্দিরে আসবেন। চাকলা মন্দিরে প্রবেশ করবেন, পুজো দেবেন। তারপর সরকারি সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করবেন।’

    প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের তরফে মন্দিরের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাকলা লোকনাথ মন্দিরকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে ডালা অর্কিড তৈরির জন্য খরচ হয়েছে ২০ কোটি টাকা। তবে এখনও বাকি রয়েছে ১০ কোটি টাকার কাজ। মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে আন্তর্জাতিক ভক্ত সম্মেলন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Job Seekers Agitation: মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, টেনে হিঁচড়ে চাকরিপ্রার্থীদের প্রিজন ভ্যানে তুলল পুলিশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Job Seekers Agitation: ফের রাজ্যে চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে গিয়ে প্রতিবাদ দেখালেন কিছু সরকারি চাকরি প্রার্থীরা। উচ্চ প্রাথমিকের চাকরি প্রার্থীদের একটি প্রতিবাদ সভা ছিল আজ হাজরা মোড়ের কাছে । সেখান থেকেই কিছু চাকরি প্রার্থী হঠাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছে গিয়ে রাস্তায় বসে পড়েন। কয়েকজন মহিলা চাকরি প্রার্থী বাড়ির কাছাকাছি চলে যাওয়ায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পুরো বিষয়টি নিয়ে হতচকিত হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির আশেপাশে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা। পরে কর্তব্যরত পুলিশ তাঁদের আটক করে।

    উল্লেখ্য, সল্টলেকে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চালাচ্ছেন এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, ২০১৬ সালের তাঁদের যে ওয়েটিং লিস্ট প্রকাশিত হয়, তাতে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, মেধাতালিকায় প্রথমদিকের নাম বাদ দিয়ে পিছন দিক থেকে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রকৃত যোগ্যরা এর জেরে বঞ্চিত হচ্ছেন, বক্তব্য তাঁদের।

    তবে এই ঘটনা আজ নতুন নয়। চাকরি প্রার্থীরা কালীঘাটে গিয়ে এর আগেও একাধিকবার বিক্ষোভ দেখান। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে একইভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন কিছু চাকরি প্রার্থীরা গত সেপ্টেম্বর মাসে। তবে আজ বিক্ষোভ দেখলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আটকে দেয়। তাঁদেরকে সেখান থেকে সঙ্গে সঙ্গে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়।

    প্রসঙ্গত, শূন্যপদের বিন্যাস ঘটিয়ে চাকরি প্রার্থীদের নিয়োগের ব্যাপারে এর আগে আবেদন জানিয়েছেন চাকরি প্রার্থীরা। যে কারণে গত ১১ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন এসএলএসটি চাকরি প্রার্থীরা। ফের ২২ ডিসেম্বর বৈঠকে বসবে সেইদিনের পর আলোচনা হয় । সেই কারণে আজ, শুক্রবার বৈঠকে বসতে চলেছেন শিক্ষামন্ত্রী এবং এসএলএসটি চাকরি প্রার্থীরা। আজকের বৈঠক থেকে কি সমাধান বেরোয় সেটাই এখন দেখার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata-Abhishek: মোদী-সাক্ষাতে মমতার সঙ্গে থাকবেন অভিষেকও, কবে দিল্লি যাচ্ছেন সেকেন্ড-ইন-কমান্ড?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata-Abhishek: দিনকয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে সময় চেয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাড়া দেয়। জানা যায়, মমতার সঙ্গে দেখা করতে রাজি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সাক্ষাতের দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ২০ ডিসেম্বর। আবাস যোজনার টাকা, ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকাএবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক যে টাকা আটকে রেখেছে সেটা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    তৃণমূল সূত্রের খবর, সব পরিকল্পনা মাফিক চললে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেই সাক্ষাতে মমতার সঙ্গেই থাকবেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, দু’জনের এক সঙ্গে দিল্লি যাওয়ার কথা। মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতে মমতা-অভিষেকের একসঙ্গে যাওয়া তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণের নিরিখে বিশেষ ‘তাৎপর্যপূর্ণ’। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবে। তাতে থাকবেন অভিষেকও। গান্ধীজয়ন্তীতে রাজঘাটে ধর্না, পরের দিন যন্তরমন্তরে বিক্ষোভের পর কৃষি ভবন অভিযান, পুলিশের ধরপাকড়… সব মিলিয়ে তৃণমূলের আন্দোলন দিল্লি-সহ জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে প্রত্যাশিত অভিঘাত তৈরি করতে পেরেছিল।

    প্রসঙ্গত, এর আগে অভিষেকের নেতৃত্বে বকেয়ার দাবিতে তৃণমূলের সাংসদ নেতারা দিল্লিতে গিয়েছেন। ধরনা এবং প্রতিবাদে মুখর হয়েছে রাজধানী। জানা যাচ্ছে এবার মমতা মোদির সাক্ষাতের মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bhagvat Geeta: লক্ষ কন্ঠে উচ্চারিত হবে ‘যদা যদা হি ধর্মস্য’…নাম উঠবে গিনেস বুকে ? ব্রিগেডে আসছেন ৫ প্রতিনিধি

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Bhagvat Geeta: “যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত। অভ্যুত্থানম অধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্॥ পরিত্রাণায় হি সাধুনাং বিনাশয় চ দুষ্কৃতাম। ধর্মসংস্থাপনার্থায় সম্ভবামি যুগে যুগে॥” আগামী ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেডে লক্ষ কন্ঠে উচ্চারিত হবে এই শ্লোক। সূত্রের খবর, সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’-এর প্রতিনিধিরাও। চিঠি দিয়ে গিনেস বুক-এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের পাঁচ প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন সেইদিন। মূলত কোন বিষয়গুলি দেখা যাবে সেইদিন ? চলুন জেনে নেওয়া যাক..এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল :-
    ১) লক্ষাধিক কন্ঠে এই প্রথমবার গীতাপাঠ করা হচ্ছে
    ২) ২০ হাজারের বেশি শঙ্খ একসঙ্গে বাজানো হবে
    ৩) কাজি নজরুল ইসলামের গান এক লক্ষ কন্ঠে গাওয়া হবে
    ৪) ব্রিগেডে একসঙ্গে দেড় হাজারের বেশি সাধু সন্ত উপস্থিত থাকবেন
    ৫) বাংলার এই গীতাপাঠ বিশ্ব রেকর্ডের তকমাও পেতে পারে

    আগামী ২৪ ডিসেম্বর কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বসছে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আসর। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। থাকছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাধুসন্ত জন। ব্রিগেডে সেদিনের মূল অনুষ্ঠান গীতাপাঠ। গীতার ১৮টি অধ্যায়ের মধ্যে থেকে পাঁচটি অধ্যায় পাঠ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগ নিয়ে কিছু বলতে পারেন। তবে মূল আশীর্বাণী দেবেন দ্বারকা মঠের শংকরাচার্য।

    বাংলায় দিল্লির নেতাদের ডেলি প্যাসেঞ্জারিটা ছিল সময়ের অপেক্ষা। সেটাও কিনা একেবারে নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখে। যেটা শুরু হচ্ছে ব্রিগেড দিয়ে। মোদ্দা কথা লোকসভা নির্বাচনের আগে বড় ধামাকা বাংলার মাটিতে। ব্রিগেডের গীতাপাঠের অনুষ্ঠানের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। কারণ অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদ, সংস্কৃতি সংসদ ও মতিলাল ভারত তীর্থ সেবা মিশন আশ্রমের মতো সংগঠনগুলি একসঙ্গে এই গীতাপাঠের আয়োজন করেছে। লোকসভা নির্বাচনের মুখে ব্রিগেডে ঘটা করে গীতাপাঠ বিজেপিকে মানুষের মন জয়ের ক্ষেত্রে এক্সট্রা মাইলেজ দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version