Tag: CM Mamata Banerjee

  • Duare Sarkar: রাজ্যে ১ লক্ষেরও বেশি দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প! লোকসভা নির্বাচনের আগে উদ্যোগী রাজ্য সরকার

    Duare Sarkar: রাজ্যে ১ লক্ষেরও বেশি দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প! লোকসভা নির্বাচনের আগে উদ্যোগী রাজ্য সরকার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Duare Sarkar: রাজ্যে হবে ফের শুরু হতে চলেছে ‘দুয়ারে সরকার’। আগামী ১৫ই ডিসেম্বর থেকে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে দুয়ারে সরকার। দেশের সেরা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প ‘দুয়ারে সরকার’। এর আগেও নাগরিক পরিষেবা উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একাধিক প্রকল্প পথ দেখিয়েছে গোটা দেশকে। কখনো জাতীয় স্তরে কখনো বা আন্তর্জাতিক স্তরে মিলেছে স্বীকৃতি। দুয়ারে সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিকপ্রসূত।

    উল্লেখ্য, আর কয়েক মাস বাদেই লোকসভা নির্বাচন। রাজ্য জুড়ে এবার দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প হবে এক লক্ষেরও বেশি। শুধু তাই নয়, এই ক্যাম্প থেকে আবেদন করা যাবে সমস্ত সরকারি প্রকল্পের জন্যই। অষ্টম দফার দুয়ারে সরকার কর্মসূচি চালু করার প্রাক্কালে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের পদস্থ কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলার জেলাশাসকরা। জানা গেছে, সপ্তম দুয়ারে সরকার শিবিরে ৩৫টি প্রকল্প ছিল। এবার আরও একটি প্রকল্প বাড়ানো হয়েছে।

    জানা গেছে, ৩৬ টি পরিষেবা এবারের কর্মসূচিতে মোট পাওয়া যাবে। কন্যাশ্রী, লক্ষ্মী ভাণ্ডার, বার্ধক্যভাতা, স্বাস্থ্যসাথীর মতো একগুচ্ছ প্রকল্পে সহায়তা পাওয়া যাবে। জাতিগত শংসাপত্র নিয়ে কেন্দ্র সরকারের নিয়ম মেনে হবে। নিশ্চিত করা হবে দুয়ারে সরকারে যোগ্যরা যাতে সংশাপত্র থেকে বঞ্চিত না হন।

    খবর মিলেছে, কাজ করা যাবে সমস্ত জেলায় জেলায় বিডিওদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে। ভ্রাম্যমান শিবিরের সংখ্যা বাড়বে দুর্গম এলাকায়। শুধু তাই নয়, ৪০ জন আইএএস আধিকারিক গোটা বিষয়টি তদারকি করবেন । সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্য, জেলা ও ব্লক স্তরে মোট ৪৭৩টি কন্ট্রোল রুম খোলার। যার জন্য চালু হয়েছে একটি টোল ফ্রি হেল্প লাইন নম্বর। যার নম্বর হল ১৮০০ ৩৪৫ ০১১৭ ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Lakshmir Bhandar Scheme: এক পরিবারের কতজন মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতে পারেন? জানালেন মমতা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Lakshmir Bhandar Scheme: উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে আলিপুরদুয়ারে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মহিলা ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের অধীনে প্রতিমাসে টাকা পেয়ে থাকেন। জেনারেল ক্যাটাগরির মহিলারা প্রতিমাসে ৫০০ ও এসসি, এসটি সম্প্রদায়ের মহিলারা পেয়ে থাকেন হাজার টাকা। তবে এই জনমুখী প্রকল্প নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল, বয়সীমা কত, পরিবারে একের অধিক মহিলারা এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন কিনা? সব প্রশ্নের এদিন উত্তর দিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    মুখ‍্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানিয়ে দেন, ‘‘বন্ধ হবে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। ৬০ বছর বয়স হয়ে গেলে অল্ডেজ পেনশন হিসাবে পেয়ে যাবেন।’’ শুধু তাই নয় এদিন তিনি জানান, লক্ষীর ভাণ্ডারের জন‍্য আবেদন করার জন্য আর দুয়ারে সরকার শিবির হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। রাজ্য প্রশাসন ব্যবস্থা করেছে যাতে সারা বছরই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করা যায়। মহিলাদের মধ্যে কোনও সন্দেহ দানা না বাঁধে সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, একই পরিবারের একাধিক মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী কোনও পরিবারে যদি একজন, পাঁচজন, সাতজন মহিলা থাকেন তাহলে সবাই পাবেন। সকলেই এই প্রকল্পের আওতাতে আসবেন।

    উল্লেখ্য, সূত্রের খবর, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে সুবিধাভোগীর সংখ্যা দ্রুতই ২ কোটির গণ্ডি পেরিয়ে যেতে চলেছে। যা নিঃসন্দেহে একটি মাইলস্টোন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: জলপাইগুড়ির বন্ধ ৬টি চা বাগান অধিগ্রহণ করবে রাজ্য, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: আজ জলপাইগুড়িতে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মঞ্চ থেকেই রাজ্য সরকারের উন্নয়নের সঙ্গে কেন্দ্রের বঞ্চনার তুলনা করে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। জলপাইগুড়িতে বন্ধ চা বাগানের শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, বর্তমানে জলপাইগুড়িতে রায়পুর, রিয়াবাড়ি, ধরনীপুর, সুরেন্দ্রনগর, রেডব্যাঙ্ক চা বাগান বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। তার ফলে সমস্যায় পড়েছেন চা বাগানের বহু শ্রমিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “জলপাইগুড়ির বন্ধ হয়ে যাওয়া ৬টি চা বাগান অধিগ্রহণ করবে রাজ্য সরকার।” শ্রমিকদের মুখে হাসি ফোটাতে এই সিদ্ধান্ত বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী চা বাগানের শ্রমিকদের হাতে জমির পাট্টা তুলে দেন। তিনি জানান মোট ৬ হাজার পাট্টা দেওয়া হচ্ছে। শুধু পাট্টা নয়, সেই জমিতে বাড়ি তৈরি করার জন্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। মমতা বলেন, এলাকার শ্রমিক মানুষ ভালো থাকুন। আমাদের কন্যাশ্রীরা ভালো থাকুন। আপনাদের সঙ্গে দিদি আছেন। চিন্তা করবেন না। দিদি ‘ওয়াদা’ করলে তা পুরণ করে। আমরা বানানো রাজনৈতিক দলগুলির মত নই।

    টেনে আনেন কেন্দ্রের বকেয়া প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, একশো দিনের কাজের ৭ হাজার কোটি টাকা আটকে রেখেছে। এটা আমাদের অধিকার। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে দিল্লি যাব। কেন শ্রমিকরা টাকা পাবে না। কেন আবাস যোজনার টাকা কেন দেওয়া হবে না? আপনাদের বাইরে কোথাও যেতে হবে না। কর্মসংস্থান এখানেই হবে। পাহাড় আপনাদের গৌরব। আগে উত্তরবঙ্গে কিছু ছিল না। আজ উত্তরবঙ্গ বলতে পারে আমার কাছে সব আছে। আমি জলপাইগুড়িকে ভালোবাসি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Gita: লোকসভার নির্বাচনের আগে ডিসেম্বরেই গীতাপাঠের আসর, মোদির মঞ্চে ঠাঁই কি হবে সুকান্ত-শুভেন্দুর?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Gita: আগামী ২৪ ডিসেম্বর কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বসছে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আসর। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। থাকছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সাধুসন্ত জন। ব্রিগেডে সেদিনের মূল অনুষ্ঠান গীতাপাঠ। গীতার ১৮টি অধ্যায়ের মধ্যে থেকে পাঁচটি অধ্যায় পাঠ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগ নিয়ে কিছু বলতে পারেন। মূল আশীর্বাণী দেবেন দ্বারকা মঠের শংকরাচার্য।

    সূত্রের খবর, সেই মঞ্চে জায়গা পাচ্ছেন না বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী! সরকারি কোনো অনুষ্ঠান না হলে মূলত মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যের সভাপতি, মুখ্যমন্ত্রী বা দলের পরিষদীয় নেতার। রাজ্যে কোনো অনুষ্ঠানে রাজ্য সভাপতি বা বিরোধী দলনেতাকেই মূলত দেখা যায়। কিন্তু অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত গীতাপাঠের আসরে সে ছবি হয়ত এবার দেখা যাবে না। কারণ সাধারণ ভক্তজনের মাঝে তাদের দেখা যেতে চলেছে এমনটাই খবর মিলছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমসূত্রে।

    উল্লেখ্য, তবে এটি কোনও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান না হলেও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব, আরএসএস এবং বিভিন্ন রাজ্যের সাধু সন্ন্যাসীরা উপস্থিত থাকবেন। জানা যাচ্ছে, গীতা পাঠের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিভিন্ন মঠ এবং মন্দিরের মিলিত মঞ্চ। এককথায় বলা যায়, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই গীতাপাঠের আসর বেশ জমজমাট হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • SLST Protest: ধর্নামঞ্চ থেকেই শিক্ষামন্ত্রীকে ফোন কুণালের, তবে এবার কি কাটতে চলেছে নিয়োগের জট ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    SLST Protest: ঝড়-জল-গরম থেকে শীত। আরও একবার গড়িয়ে এবার ১০০০ দিন। ধর্মতলার সেই ধর্নামঞ্চে মাথা মুড়িয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা যায় এক মহিলা চাকরিপ্রার্থীকে। প্রতিবাদ জানাতে মাথা কামিয়ে নেড়া হলেন SLST ওই মহিলা চাকরিপ্রার্থী। শুধু তাই নয় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। আবেদন জানান, অবিলম্বে তাঁর মতো চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হোক অবিলম্বে। চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা চাকরি পাচ্ছেন না। অযোগ্যরা চাকরি করছেন। আর কী কী ভাবে প্রতিবাদ করলে আমরা চাকরি পাব! প্রশ্ন তোলেন ধর্নায় প্রতিবাদ জানানো চাকরিপ্রার্থীরা।

    এরপরই এদিন আন্দোলনমঞ্চে হঠাৎই হাজির হলেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। আর তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদককে দেখেই সেখানকার পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠে। ধর্নামঞ্চে গিয়ে কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া দিয়ে জানান, ‘কারও কথায় আসিনি, মাথা কামানোর ছবি দেখে এসেছি। চাকরিপ্রার্থী চুল কেটে ফেলছেন, টেলিভিশনে দেখলাম, এ দৃশ্য দেখতে পারছি না’।

    এদিন ধর্নায় যোগ দিয়ে কুণাল ঘোষ চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। সেই ধর্নার স্থান থেকেই তিনি ফোনে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের কথা বলানোর চেষ্টা করেন। তবে তাতেও নিজের দাবিতে অনড় চাকরিপ্রার্থীরা। এক আন্দোলনকারীর কথায়, “এভাবে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আমরা চাকরির বিষয়ে তেমন নিশ্চিত হতে পারছি না। এখন আমাদের চাকরি দরকার, কথা বলে লাভ নেই।”  জানা গিয়েছে, ১১ তারিখ চাকরিপ্রার্থীদের সাত জন দেখা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। এই প্রস্তাব কুণাল ঘোষের তরফে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীদের তরফে কোনও দিন নির্দিষ্ট করা হয়নি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Kazi Nazrul Islam Airport: পরিবহন দফতরের বড় সিদ্ধান্ত, অন্ডাল বিমানবন্দরে মিলবে দারুণ সুবিধা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Kazi Nazrul Islam Airport: দীর্ঘদিন ধরেই কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরের বিমান বন্দরের সামনে স্টপেজ দেওয়ার ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়েছিল বন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে। অবশেষে স্টপেজ দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাল পরিবহণ দফতর। স্টপেজ না থাকার কারণে বিমান বন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীদের প্রচুর অসুবিধার পড়তে হচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই এই বন্দরের সামনে স্টপেজ দেওয়ার ব্যাপারে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিল পরিবহনা দফতর।

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৩ সালে ১৯ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। বিমানবন্দরটির নামকরণ করা হয়, কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে। কলকাতা বিমানবন্দরের মতো এত জনপ্রিয় না হলেও অন্ডালের এই বিমানবন্দর বহু মানুষের কাজে আসে। অন্ডালের কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরে প্রায় প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা পাড়ি দেন। যাত্রীদের সুবিধার্থে কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দর সংলগ্ন ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে বাস স্টপেজ দেওয়া বাধ্যতামূলক করল রাজ্য সরকার।

    ২০০৬-০৭ সালে বাম আমলে এই বিমানবন্দর প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হলেও।বাস্তবায়িত হয় তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে ২০১৩ সালে। সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি এয়ারপোর্টস ইন্টারন্যাশানাল এর সহযোগিতায় বেঙ্গল এয়াট্রোপোলিশ লিমিটেড এই বিমাননগরীটি নির্মাণ করে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: জিটিএ-কে ৭৫ কোটি টাকা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, দিলেন কর্মসংস্থান নিয়ে বার্তাও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: জল্পনা আগে থেকেই চলছিল যে চা শ্রমিকদের পাশাপাশি জিটিএ-সহ পাহাড়ের উন্নয়নে বেশ কিছু বরাদ্দ ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জল্পনা সত্যি করেই এদিন পাহাড়ে উন্নয়নের জন্য জিটিএ-কে (GTA) আরও ৭৫ কোটি টাকা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি পাহাড়ে লগ্নির জন্য ২৪ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব। মুখ্যমন্ত্রীকে এও বলতে শোনা যায়, কিছু লোক পাঁচ বছর অন্তর একবার করে জেগে ওঠে, পাহাড়কে অশান্ত করার চেষ্টা করে। অশান্তি হলে শিল্পপতিরা বিনিয়োগ করবে কেন? তাই আমি আপনাদের বলে যাচ্ছি, পাহাড়কে শান্ত রাখার দায়িত্ব আপনারা নিন, উন্নয়নের দায়িত্ব আমার। মুখ্যমন্ত্রী জানান, কার্শিয়াঙে আইটি হাব তৈরি করা হবে। জানা গেছে, একাধিক বিভাগে বিভিন্ন শিল্প সংস্থা পাহাড়ে ২৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। শীঘ্রই শিল্পস্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পাশাপাশি জানান পাহাড়ে শিক্ষকদের ৫৯০ টি শূন্যপদে শীঘ্রই নিয়োগ করা হবে।’

    উল্লেখ্য, সাত দিনের কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে পা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বৃহস্পতিবার সকালে চা বাগানে যান মমতা৷ অন্যান্য চা শ্রমিকদের পাশাপাশি পিঠে চা তোলার বাস্কেট নিয়ে চা পাতা তোলেন তিনি৷ পাহাড়ি শিল্পীদের সঙ্গে নাচের তালে পা মেলাতেও দেখা যায় মমতাকে৷ সাত দিনের ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে মমতার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: উত্তরের মকাইবাড়িতে নিজস্ব ছন্দে মুখ্যমন্ত্রী, পাহাড়ি শিল্পীদের সঙ্গে নাচের তালে পা মেলালেন মমতা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: সাত দিনের কর্মসূচিতে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে পা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে চা বাগানে এলেন মমতা৷ অন্যান্য চা শ্রমিকদের পাশাপাশি পিঠে চা তোলার বাস্কেট নিয়ে চা পাতা তোলেন তিনি৷ পাহাড়ি শিল্পীদের সঙ্গে নাচের তালে পা মেলাতেও দেখা যায় মমতাকে৷ শুধু তাই নয় সকলের সাথে সকালে চা খেতে খেতে জমিয়ে আড্ডা মারতেও দেখা যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের সঙ্গে পাহাড়ের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। পাহাড়ে একেবারে অন্য রূপে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়কে। সেই ছবি পুনরায় আরও একবার দেখা গেল। চা খেতে খেতে শ্রমিকদের কাছ থেকে জানতে চান, জমির পাট্টা পেয়েছেন কিনা জিজ্ঞাসা করেন এবং মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, আমাদের পাহাড় ভালো থাকুক, চা বাগান ভাল থাকুক। আপনারা জানেন আমাদের বাড়ির বিয়ে হচ্ছে পাহাড়ের মেয়ের সঙ্গে৷

    আসলে গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক কাজকর্ম, বৈঠক, ত্রাণ বিলি এসবের পাশাপাশিও একটা ব্যক্তিগত-পারিবারিক কাজও রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। পরিবারের এক সদস্যের বিয়ে রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিয়ে। কার্শিয়াংয়ে বসেছে বিয়ের আসর। তবে এর আগেও গত মার্চ মাসে যখন মুখ্যমন্ত্রী পাহাড় সফরে গিয়েছিলেন। তখন বলেছিলেন পাহাড়ের মেয়েকে বৌমা করে নিয়ে যাবেন। আর মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সত্যি হল। পাহাড়ের কন্য়ার সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়বেন আবেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই তিনি কার্শিয়াংয়ে বিয়ের বাড়ীর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

    প্রসঙ্গত, আগামী শুক্রবার মিরিখে ত্রাণ বিলি করবেন মমতা। তারপরের দিন, হাসিমারা হয়ে আলিপুরদুয়ার যাবেন। ১০ তারিখ আলিপুরদুয়ারে বৈঠক সেরে, বানারহাটে পৌঁছবেন ১১ তারিখ। সেখানে বৈঠকের পর ১১ তারিখ রাতেই উত্তরকন্যা ফিরবেন। মুখ্যমন্ত্রীর ১২ তারিখ শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠান রয়েছে। ১২ তারিখই ফিরবেন কলকাতায়।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: উত্তরবঙ্গ সফরে গেলেন মমতা, রয়েছে এক সপ্তাহে ঠাসা কর্মসূচি

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Mamata Banerjee: উত্তরবঙ্গ সফরে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে এক সপ্তাহে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকালে যোগ দেবেন আত্মীয়র বিয়েতে। এরপর শুক্রবার গণবণ্টন কর্মসূচি রয়েছে পাহাড়ে। আলিপুরদুয়ারে থাকবেন শনি ও রবিবার। তারপর সোম-মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ি হয়ে ফিরবেন কলকাতায়। উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে সরকারি পরিষেবা প্রদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ৮ ডিসেম্বর কার্শিয়াংয়ে সরকারি পরিষেবা প্রদান করবেন। ১০ ডিসেম্বর জলপাইগুড়ি জেলার বানারহাটে করবেন পাট্টা বিতরণ। এই সফরে গিয়ে বেশ কয়েক দিন থাকবেন উত্তরবঙ্গে। নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সফরকালে উত্তরবঙ্গে বিজনেস সামিটেরও আয়োজন করা হবে। আসলে রাজারহাটের ধাঁচে উত্তরবঙ্গেও আইটি হাব গড়তে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যেই এই বিজনেস সামিট বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন গত জুন মাসে। জুনের পর ডিসেম্বর। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ফের সাত দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর।

    যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা লড়াই করেই রাজ্যের বকেয়া টাকা আদায় করব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে বলেছেন, “মমতাজিকে বলুন মোদীজির সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন মমতা বলেন, এর আগে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে। এবারেও আমরা দেখা করার প্রয়োজনীয় অনুমতি চেয়েছি।

    উল্লেখ্য, এদিকে ৭ দিনের পাহাড় সফরের জের। গতবছর নবান্নে বৈঠকের পর এবছর পূর্বাঞ্চলীয় জোনাল কাউন্সিলের মিটিংয়ে গরহাজির থাকবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বছর ঘুরলেই লোকসভার দামামা বেজে যাবে। ২০১৯ লোকসভায় উত্তরে ভালো ফল করেনি তৃণমূল। এবার তাই আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিচ্ছে রাজ্যের শাসকদল। পাখির চোখ চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন। এককথায় বলা যায়, উত্তরে ঘাসফুল ফোটাতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণেই এই সফর বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • KIFF 2023: চলচ্চিত্র উৎসবে সলমনের সাথে নাচলেন মুখ্যমন্ত্রী, ডোনা গাঙ্গুলীর কঠিন পরীক্ষা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    KIFF 2023: দিদির কথা রেখেছেন সলমন। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ভাইজানের সাথে নাচে পা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী। সবচেয়ে বড় পরীক্ষা দিলেন ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এক দিকে সলমন, অন্যদিকে সৌরভ! সলমনকে সংবর্ধনা দিলেন টলিউডের সুপারস্টার দেব। হল জুড়ে তখন প্রবল চিৎকার৷ ভাইজানকে দেখার জন্য় উদগ্রীব গোটা হল। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এবারের মধ্যমণি সলমন খান। এদিন প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে ছবি উৎসবের সূচনা করলেন দাবাং খান। পাশে ছিলেন সোনাক্ষী সিনহা।

    ৫ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত শহরে অনুষ্ঠিত হবে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। উদ্বোধনে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে চাঁদের হাট। গোটা টলিউড আজ এক ছাদের তলায়। বিশেষ অতিথির তালিকায়অনিল কাপুর, মহেশ ভাট প্রমুখ। দেব, মিমি, নুসরত, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা সকলকেই দেখা গেল। বলিউড তারকাদের পাশাপাশি এদিন টলিগঞ্জের বর্ষীয়ান তারকা সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়দেরও সম্বর্ধনা জানানো হল মঞ্চে।

    এবছর চলচ্চিত্র উৎসবে ফোকাস কান্ট্রি স্পেন। সেদেশের ৬টি সিনেমার প্রদর্শন করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনায় এই প্রথম কেআইএফএফ-এর জন্য থিম সং গেয়েছেন অরিজিৎ সিং। ২৯ তম কলকাতা চলচিচ্চত্র উৎসবের ৩৯ টি দেশ থেকে ছবির মনোনয়ন পত্র জমা পড়েছে। একটি গানের সঙ্গেই পারফর্ম করলেন ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়।সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ও সুর করা। এই পৃথিবী একটাই দেশ গানটির সঙ্গে নাচ করেন ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় এবং তাঁর ছাত্রছাত্রীরা। গানটি গেয়েছেন পলক মুছল। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সামনে পারফর্ম করলেন। স্ত্রীর অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ হয়ে ওঠে না সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের তবে এবার দাদার সেই সুযোগ।

    সলমন জানান, মাস কয়েক আগেই একটি কনসার্টের জন্য কলকাতায় আসেন তিনি। তখনই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় তাঁর। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে চলচ্চিত্র উৎসবে আসার আমন্ত্রণ জানান। দিদির অনুরোধ রাখতেই ফের এই শহরে আসার প্রতিশ্রুতি দেন সলমন। চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের অন্যতম অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানাতে নিজের আসন ছেড়ে উঠে আসেন সলমন৷ আলাপ করেন৷ বাংলার মঞ্চে কিংবদন্তি অভিনেত্রীর সঙ্গে আলাপ হয় বলি তারকার। তবে শাহরুখের না আসায় মন ভাল নেই কিং-খান ভক্তদের৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version