Tag: weather update

  • Weather Update: মাইনাসে নামবে তাপমাত্রা? শৈত্যপ্রবাহের চক্রব্যূহে বাংলা! ১০ ঘন্টায় জাঁকিয়ে শীত কোন কোন জেলায়

    Weather Update: মাইনাসে নামবে তাপমাত্রা? শৈত্যপ্রবাহের চক্রব্যূহে বাংলা! ১০ ঘন্টায় জাঁকিয়ে শীত কোন কোন জেলায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: ১০ ঘন্টাতেই হুহু করে পারাপতন? মাইনাসে নামবে তাপমাত্রা? কনকনে শীতের ভয়ানক চক্রব্যূহ, বাংলার কোন কোন জেলায় শৈত্য প্রবাহের দাপট? দিওয়ালির আগেই জাঁকিয়ে শীত? “এল নিনো” র ঝটকা সামলাতে পারবে তো বাংলা? জানুন আবহাওয়ার বড় আপডেট। ৪ ঠা নভেম্বরের পর ১৮০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ঘুরে যাবে আবহাওয়া। আন্দাজ নেই কি ঘটতে যাচ্ছে। হু হু করে নামবে তাপমাত্রা। জকিয়ে শীত পরবে বাংলায়। রবিবারের পরের তিন দিনে তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমার পূর্বাভাস। ৫ থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ঝলমলে আকাশ৷ আর আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে৷ ফলে, মঙ্গলবার থেকে পুরোপুরি শীতের আমেজ ফিল করবে বাংলা।

    রাজ্যে যেহেতু উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আর্দ্র বাতাস প্রবেশ ঢুকছে ফলে রাতের তাপমাত্রা যে অনেকটাই কমবে সেটা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস! পশ্চিমের জেলাগুলোতে তো তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকছে। অতএব আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রার পতন যথেষ্ট চোখে পড়বে। অস্বস্তি কমবে। রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টি চলেছে। শীতের হাল্কা আমেজের পাশাপাশি বৃষ্টির জন্য স্যাঁৎস্যাঁতে ভাব থাকছে৷ তবে পুরোপুরি ভাবে এখনই আসছে না শীত৷ এবছরের কনকনে শীতে বড় ব্যারিকেড যে এল নিনো সেটা কিন্তু আগেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। দিল্লির মৌসম ভবন ২০২৩-কে ‘এল নিনো’ বছর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কী ঘটতে পারে?

    শীত তার চিরাচরিত নির্ধারিত সময়ের থেকে দেরিতে আসতে পারে। পরিচিত জাঁকিয়ে শীত এবছর অধরা থাকতে পারে। বা মাত্র কয়েকদিনের জন্য শীতের আমেজ দিয়ে তড়িঘড়ি বিদায় নিতে পারে। আলাদা করে উষ্ণ নভেম্বর বা ডিসেম্বর নয়। এবার গোটা শীতের মরশুম এল নিনো এফেক্ট এর জেরে তার স্বাভাবিক ছন্দ হারাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ফর্মুলা বদলালে ঘটতে পারে এর উল্টোটা। মানে হিন্দুকুশ পর্বতমালা থেকে ভারতে প্রবেশ করা তীব্র উত্তুরে হাওয়া যদি সময় বিশেষে এল নিনো ফ্যাক্টরের থেকে বেশি প্রভাবশালী বা শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তাহলে সাময়িকভাবে এলনিনো এফেক্ট কাজ করার ক্ষমতা হারাবে। তাই ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে এই বিষয়ে বেশি কিছু বলা কঠিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • দশমীতে ঝেপে বৃষ্টি বাংলায়! নিম্নচাপের কোপ, কোন জেলা ভাসবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    দশমীতে ঝেঁপে বৃষ্টি হবে বাংলায়। অষ্টমী থেকেই কি বিগড়ে যেতে পারে আবহাওয়া? ক্রমশ ধেয়ে আসছে নিম্নচাপ। কোন কোন জেলা নবমী দশমী বৃষ্টি হবে? বৃষ্টির পূর্বাভাসে বুক দুরু দুরু আমজনতার। অষ্টমী পর্যন্ত কি রেহাই পাওয়া যাবে? নাকি অষ্টমীর সন্ধে থেকে হবে দুর্যোগের শুরু? আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর কোন কোন জেলা নিয়ে পূর্বাভাস দিল? অষ্টমী পর্যন্ত রাজ্যে উত্তর-পশ্চিমের শীতল হাওয়ার প্রভাব থাকবে। রবিবার পর্যন্ত পরিষ্কার আকাশ। তাই অষ্টমীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কিন্তু চিন্তা বাড়াচ্ছে নবমী ও দশমী। অষ্টমী পর্যন্ত রাজ্যে উত্তর পশ্চিমের শীতল হাওয়ার প্রভাব থাকবে। নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার অর্থাৎ নবমী থেকে একটু একটু করে আবহাওয়া পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে উপকূলের জেলাগুলির আকাশ মেঘলা হতে পারে। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    কারণ দশমীর দিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে থাকবে মেঘলা আকাশ। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে উপকূলের জেলাগুলিতে হালকা ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে থাকছে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা‌ এবং পূর্ব মেদিনীপুরেও বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের আকাশ মেঘলা হতে শুরু করবে। ২৩ অক্টোবর সোমবার বেলার দিকে ও রাতের দিকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

    আর উত্তরবঙ্গও সেখানেও কি হবে এমনই অবস্থা? এদিকে পুজোর আবহেই বঙ্গপোসাগরে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগর এলাকায় এই ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে বলে মৌসম ভবনের তরফে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শক্তিশালী হয়ে এই ঘূর্নাবর্ত। নিম্নচাপে পরিণত হবে জানিয়েছে মৌসম ভবন। অন্যদিকে আরব সাগরেও তৈরি হয়েছে আরও একটি নিম্নচাপ। দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব মধ্য আরবসাগরে সৃষ্ট এই নিম্নচাপটি আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আরও শক্তি বাড়াবে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণা বাতাসে ভর করে জলীয় বাষ্প ঢুকবে বাংলায়। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকা ছাড়া বাকি অংশে ষষ্ঠীর পর থেকে পুজোর কটাদিন আকাশ পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই তবে আগামী ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ পার্বত্য এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছেধীরে ধীরে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমবে। পুজোর সপ্তাহে গোটা উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলাই মোটের উপর শুষ্ক থাকবে। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে এমনটাই

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: পুজোর আবহাওয়া নিয়ে চিন্তায় বঙ্গবাসী, বড় আপডেট দিল আলিপুর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: দুর্যোগের কালো মেঘ কেটে নীল আকাশে দেখা মিলেছে। শরতের সাদা মেঘের উমা বন্দনায় বৃষ্টি কাঁটা হবে? গত সপ্তাহে একটানা বৃষ্টির পর রবিবার রোদের দেখাপাওয়া গিয়েছে। আকাশ পরিষ্কার ছিল। তবে বিকেলের পর থেকেই কয়েকটি জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। দুর্গাপুজোর আর বাকি মাত্র কিছুদিন। তবে রোদ উঠায় পুজোর বাজার জমে উঠেছে। আপাতত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। এই অবস্থায় আবহাওয়া বঙ্গবাসীর চিন্তা বাড়াচ্ছে। পুজোর পাঁচ দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া? দুর্গাপুজায় ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী নবমী এবং দশমীতে কী বৃষ্টি হবে?এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। কী বলছে হাওয়া অফিস।

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যে বর্ষা বিদায়ের পালা শুরু হয়েছে। কয়েকদিন ধরে প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টির দেখা মিলেছে। আপাতত কয়েকদিন দক্ষিণের কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। কোনও কোনও জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। বর্ষা দেরিতে এসেছে বলে বিদায় নিতেও দেরি করবে আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গের মত উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি কমেছে। জানা গিয়েছে, নিম্নচাপটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির দিকে সরে গিয়েছে। এটি আগামী কয়েক ঘন্টায় শক্তি ক্ষয় করে ক্রমশ নাগাল্যান্ডের দিকে অগ্রসর হবে। এখন সকলেরই একটাই চিন্তা পুজোর সময় আবহাওয়া কেমন থাকবে?

    এনিয়ে আবহাওয়াবিদদের বক্তব্য, এখনই স্পষ্ট বলা সম্ভব নয়। মহালয়ার পর আবহাওয়ার অবস্থা নিয়ে পূর্বাভাস দেওয়া যাবে। তবে পুজোর সময় অল্প বিস্তর বৃষ্টি হতে পারে। এর জন্য পুজোয় ঘোরা বানচাল হবে না। উত্তরের বাকি জেলাগুলিতেও আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে আগামী কয়েকদিন। অন্যদিকে কলকাতায় তাপমাত্রা বাড়বে।আদ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। আসলে আবহাওয়াবিদদের বক্তব্য, পুজোর সময় পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে তা এত আগে থেকে নিখুঁতভাবে বলা সম্ভব নয়।

    মহালয়ার সময় পুরো ছবিটা পরিস্কার হয়ে যাবে। তবে সব মিলিয়ে এটা বলা যেতেই পারে পুজোর সময় পশ্চিমবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কমই থাকছে।যদিও বৃষ্টি হয় অল্প বিস্তর বৃষ্টি হতে পারে। তাতে অবশ্য ঘোরার মজা নষ্ট হবে না। আবহাওয়াবিদরা এছাড়াও জানিয়েছেন পুজোর সময় ঘূর্ণিঝড়ের তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার আগে নিম্নচাপ তৈরি হতে হয়।তা আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।আপাতত নিম্নচাপ তৈরির কোনো ইঙ্গিত নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: সিকিমে ফের দুর্যোগ! শনিবারও বাংলার এই জেলাগুলো রেহাই পাবে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: একের পর এক দেহ ভেসে আসছে তিস্তায়। সিকিমে আবারও দুর্যোগের সতর্কতা জারি। পুজোর আগে কি এরকম তাণ্ডব আবার হতে পারে? প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ! উত্তরবঙ্গের ফাঁড়া কাটেনি এখনো। কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টি? আজকের এই প্রতিবেদনে আবহাওয়ার কোথায় কী পরিস্থিতি জানুন। সিকিমের পরিস্থিতি নিয়ে আরও বাড়ল চিন্তা। আরও একটি হিমবাহে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে সতর্কতা জারি করল সিকিম প্রশাসন। এমন কী তাণ্ডব হতে চলেছে?

    চরম বিপদের মুখে লাচেনের কাছে সাকো চো লেক যেকোনও সময়ে এই হ্রদে ফাটল ধরতে পারে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে লাচেন ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পর্যটকদেরও আপাতত সিকিমে আসতে বারণ করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের উদ্ধার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা চলছে। উত্তর সিকিমের চুংথাম, লাচুং ও লাচেনে উদ্ধারকাজ চলছে পুরোদমে। তবে পুজোটাকে এরাজ্যের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর শোনাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

    প্রবল বৃষ্টির ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যের একাধিক জেলায়। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর ভারী বৃষ্টি থেকে আপাতত মুক্তি। যে নিম্নচাপের প্রভাবে এত বৃষ্টি হয়েছে সেই নিম্নচাপ অবশেষে বাংলাদেশের দিকে সরতে শুরু করেছে বলে জানা যাচ্ছে। আগামীকাল উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদীয়ার কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা সহ আশেপাশের এলাকায় কমবে বৃষ্টি। শনিবার থেকে গোটা রাজ্যেই আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। শনিবার ও রবিবার বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে তবে বৃষ্টির পরিমাণ আস্তে আস্তে কমবে। আগামীকাল উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস। বাকি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে ইবৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শনিবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমার সম্ভাবনা আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার সাথে সাথে ফের বাড়বে তাপমাত্রার পারদ।

    গত কয়েকদিনের মধ্যে বৃষ্টির প্রভাবে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মালদহ, পশ্চিম মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায়। কোথাও কোথাও রাজ্য সড়কের ওপর দিয়ে বইছে জল, নৌকা নিয়ে চলছে যাতায়াত। নিম্নচাপ সরে গেলে ওই সব জায়গার মানুষ স্বস্তি পাবেন অনেকটাই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: নিম্নচাপের ইউ টার্ন, তোলপাড় বাংলা, ভয়ের যথেষ্ট কারণ আছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: ভয়ানক হড়পা বান! কোথায় তলিয়ে যাচ্ছে বাংলা? হঠাৎ নিম্নচাপের ইউ টার্ন, ফাড়া কাটছে না এখনই। হু হু করে জল ঢুকছে, ভয়ংকর বন্যা, রেড অ্যালার্ট জারি কোন কোন জেলায়? মেঘভাঙা বৃষ্টিতে নামবে ধস? উত্তর থেকে দক্ষিণ, প্রবল দুর্যোগে তোলপাড়। বাড়ছে রিস্ক আবহাওয়ার বড় আপডেট। পূজোর মুখে কোন বিপর্যয়ের মুখে পড়ে গেল বাংলা? বন্যায় ভেসে যেতে পারে উত্তরবঙ্গ। দক্ষিণবঙ্গে আরও দুর্যোগের পূর্বাভাস। নিম্নচাপের একটানা বৃষ্টিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে দক্ষিণবঙ্গ। এরমধ্যেই ইউ টার্ন নিল নিম্নচাপ। আর তাতেই বিপদ।

    এই মুহূর্তে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর নিম্নচাপ অবস্থান করছে। দক্ষিণবঙ্গে উপকূলের জেলাগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং নদিয়ায়। শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নদীর জলস্তর আরো বাড়তে পারে। দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি এবং হাওড়ার জেলাকে সতর্ক করে দিয়েছে নবান্ন। জেলাগুলোর নীচু এলাকা অলরেডি জলের তলায়। সেই সমস্ত জায়গা থেকে প্রচুর মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এখনই বৃষ্টি কমার কোনও চান্স নেই দক্ষিণবঙ্গে। উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বাড়ছে প্রতি মূহুর্তে। আকাশ মেঘলাই থাকবে, বৃষ্টি চলবে শনিবার পর্যন্ত।

    স্বাভাবিকভাবে চাষবাসে ক্ষতির আশঙ্কা। প্যালপিটিশন বাড়ছে। নিম্নচাপের এফেক্টে উত্তরবঙ্গের ও হাল বেহাল। উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলাতেই আরো দুর্যোগের পূর্বাভাস। রয়েছে হড়পা বানের পূর্বাভাস। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় ধস নামতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ে ধস নামার প্রবণতা সবথেকে বশি।অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কোচবিহার, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং উত্তর দিনাজপুরে। শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। শনি, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টিপাত চলবে। নদীর জলস্তর বাড়তে পারে উত্তরেও। নিচু এলাকায় জল জমতে পারে। প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। তবে কি পুজোর আগেই বন্যা? জানেন,বর্ষার শেষে এরকম ভারী বৃষ্টি কতটা রিস্কের?

    আবহাওয়াবিদদের দাবি, বর্ষার শেষে যদি ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়, তাহলে সেটা খারাপ ইঙ্গিত। তাঁদের মতে, বার বার অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে এমন হড়পা বান বা বৃষ্টি-বিপর্যয়ের নেপথ্যে রয়েছে নিম্নচাপের টান।বিদায়ের মুহূর্তে বর্ষার ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার পিছনে রয়েছে তাপমাত্রার ওঠা-নামার প্রভাবও। আর প্রকৃতির রোষানলে পড়ে সেই ফলই ভুগতে হয়‌ মানুষকে। আন্দাজ করতে পারছেন কোন বিপদ ঘটতে যাচ্ছে এবার? না, ভয় পাবেন না। প্যানিক করবেন না। সতর্ক থাকুন। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে ঢুকে শক্তি ক্ষয় করবে নিম্নচাপ এখন শুধু সেটাই ভরসা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: হাওড়ার বড় অংশ জলের তলায়, নদী গিলে খাচ্ছে গ্রাম, কলকাতায় বৃষ্টি আর কতদিন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: জলে ভাসছে হাওড়া! বৃষ্টির সাথে ডিভিসির ছাড়া জলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে চলেছে? বাঁধ উপচে উদয়নারায়ণপুরে হু হু করে ঢুকছে জল। গ্রামের পর গ্রাম ভেসে যাচ্ছে আরেকটু বৃষ্টি হলেই এবার কি পার্শ্ববর্তী কলকাতা ডুববে? বৃষ্টি আর কতদিন চলবে! কী বলছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর? ডিভিসি থেকে জল ছাড়ায় বন্যার আশঙ্কা কলকাতার পার্শ্ববর্তী জেলায়। আমতা এবং উদয়নারায়ণপুরের পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। দফায় দফায় বৃষ্টিতে মুণ্ডেশ্বরী, রূপনারায়ণ এবং দামোদরের জলস্তর বাড়ছে।

    কোথাও ভেসে যাচ্ছে বাড়ি কোথাও হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ছে। কিন্তু হাওড়ার পরিস্থিতি চিন্তা বাড়াচ্ছে প্রশাসনের। মুণ্ডেশ্বরী, রূপনারায়ণ এবং দামোদরের জলস্তর বাড়ছে তার মধ্যে মঙ্গলবার সকালেই ডিভিসি থেকে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এর ফলে নদীর ধারে বেশ কিছু নিচু কৃষিজমি জলে ভেসে গিয়েছে। দামোদর নদের জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় উদয়নারায়ণপুরের হরালি, দাসপুর, সীতাপুর, সুলতানপুরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় জল ঢুকছে। উদয়নারায়ণপুরের কুরচি ও টোকাপাড়া এলাকায় দামোদরের বাঁধ উপছে জলমগ্ন প্রায় ৮ টি গ্রাম। উদয়নারায়ণপুর ডিহিভুরসুট রাজ্য সড়কের উপর দিয়ে ব‌ইছে জল হাওড়ার ঠিক পার্শ্ববর্তী কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনার কী পরিস্থিতি?

    মঙ্গলবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের জেরে এই বৃষ্টি যা বৃহস্পতিবার অবধি চলবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে নদীগুলোর জলস্তর এর ফলে কলকাতার নিচু এলাকা গুলো জল জমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার থেকে দফায় দফায় ডিভিসির জল ছাড়ার ফলে নদীতে জলের চাপ বেড়েছে, বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে নদীগুলি। এদিকে ডিভিসি টানা জল ছাড়তে থাকায় চাষের জমি জলের তলায় চলে গিয়েছে। বিপদ বেড়েছে নদীর পাড়ে বসবাসকারীদের। এর মধ্যে আবারও কি ভারী বৃষ্টি হতে পারে? কী বলছে হাওয়া অফিস?

    এই মুহূর্তে ঝড় বৃষ্টির কমার সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গে দক্ষিণের বেশ কিছু জেলা যেমন উত্তর ২৪ পরগনা , দক্ষিণ ২৪ পরগনা , নদিয়া , পূর্ব বর্ধমান , পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বাঁকুড়া ষ, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। পরিস্থিতির দিকে ক্রমাগত নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন। আরো বৃষ্টি হলে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের কপালে বড় ভোগান্তি অপেক্ষা করছে। চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছে নিচু এলাকার মানুষদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: বন্যার কবলে বাংলা! বাণভাসির মুখে কোন ৭ জেলা ? ডিভিসির জলে রিস্ক বাড়ছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: তলিয়ে যাচ্ছে বাংলা? ভয়ংকর বন্যায় ভাসছে কোন কোন জেলা? ৭ জেলায় বন্যা সতর্কতা জারি। দক্ষিণবঙ্গের রিস্ক বাড়ছে। বিপদ বাড়াচ্ছে ডিভিসির জল। জীবন বাঁচাতে এত এত মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ৩ থেকে ৫, বাংলার কপালে কোন ফাড়া? পূজোর মুখে এ কোন সর্বনাশ? উদ্বেগ উৎকণ্ঠার প্রতিটা মুহূর্ত কাটাচ্ছে বাংলার মানুষ। নিম্নচাপের একটানা বৃষ্টিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে দক্ষিণবঙ্গ। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি এবং হাওড়া ৭ জেলায় বন্যা সতর্কতা জারি করল নবান্ন। প্যালপিটিশন বাড়ছে।নিম্নচাপের এফেক্টে ঝাড়খণ্ডে এক টানা ভারী বৃষ্টি। আর তাতেই বানভাসি অবস্থা এরাজ্যের ৭ জেলার।

    এক টানা বৃষ্টিতে জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। দুর্যোগের সঙ্গে ডিভিসির ছাড়া জলে বন্যার আশঙ্কা বাড়ছে। নির্দিষ্ট বহন ক্ষমতা পেরিয়ে গেলেই জল ছাড়া হয়। মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে মোট দেড় লক্ষ কিউসেক জল ছাড়বে ডিভিসি। এখানেই বিপদ। হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়ার একাংশে হলুদ সতর্কতা জারি। দেড় লক্ষ কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হলে ওই চার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করার কথা। নীচু এলাকা থেকে এতো এতো মানুষকে সরানোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। এখন সব থেকে বড় প্রশ্ন নিম্নচাপটার অবস্থান কোথায়? পরিস্থিতি কতটা ঘোরতর?

    আবহাওয়া দফতর বলছে, নিম্নচাপ এখনও ঝাড়খণ্ডেই রয়েছে। তার গতি খুবই ধীর। সহজে ভাঙবে না, দুর্বল হবেৎনা এই ভারী নিম্নচাপ। বরং বাড়বে বৃষ্টি আর গোঁদের উপর বিষফোঁড়া। ইন্ডিয়ান মেটেরোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের পূর্বাভাস ৩ থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত একটানা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ড্যাম উপছে পড়ার আশঙ্কা। চিন্তার ভাঁজ বাংলার কপালে। আরও অন্তত ৩-৪ দিন প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা। বুধবার বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। সেদিন ৯ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কিন্তু, কবে থামবে বৃষ্টি থামবে? না, আপাতত আশার কোনও খবর নেই। তবে কি পুজোর আগেই বন্যা? বর্ষার শেষে এরকম ভারী বৃষ্টি কতটা রিস্কের?

    আবহাওয়াবিদরা মতে, বর্ষার শেষে যদি ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়, তাহলে সেটা খারাপ ইঙ্গিত। কারণ নদীগুলোতে এ সময় জল বেশিই থাকে, তারওপর ভারী বৃষ্টির জল। এদিকে নিম্নচাপ ও দুর্বল হচ্ছে না, সরছেও না। আন্দাজ করতে পারছেন কোন বিপদ ঘটতে যাচ্ছে?না, ভয় পাবেন না। অলরেডি বিপর্যয় মোকাবিলায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। সাবধানে থাকুন, সতর্ক থাকুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: পুজোয় এ কোন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ ? ফুঁসছে সাগর, বর্ষা শেষের ফাঁড়া বাংলায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: ফুঁসছে সাগর! সাইক্লোনিক সার্কুলেশনে আটকে বাংলা। নিম্নচাপের এফেক্ট দেখার মতো। বর্ষা শেষে এ কোন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ? ভেসে যাবে বৃষ্টিতে কোন কোন জেলা? কোথায় কোথায় রেড অ্যালার্ট জারি?বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে জানুন আবহাওয়ার ফ্রেশ আপডেট।খাতায় কলমে বর্ষা শেষ, তারপরেও বঙ্গোপসাগরে শুরু তোলপাড়। চলছে ঝোড়ো হাওয়া, সঙ্গে মাঝারি থেকে ভারী অবিরাম বৃষ্টি। নিম্নচাপের জেরে পুজোর আগে বাংলায় দুর্যোগের থাবা। পুজোয় কেনাকাটার একেবারে মোক্ষম সময় ঘা দিল অকাল বর্ষা। নিম্নচাপ সরবে কবে?

    রবিবারের নতুন বুলেটিনে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিল, দক্ষিণবঙ্গে আগামী বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার দক্ষিণের চার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলছে। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়ায় কমলা সতর্কতা জারি। দক্ষিণের আরও ছ’টি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। সেই তালিকায় কলকাতা ছাড়াও রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া। সোম এবং মঙ্গলে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সবক’টি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে। বুধবার থেকে বৃষ্টি কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সে দিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে শুধু দু’টি জেলায় উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। কলকাতায় মূলত মেঘলা আকাশ রয়েছে-থাকবে। দফায় দফায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির চান্স। আসলে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত থেকে যে নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল, তার এফেক্টই অক্টোবরের শুরুতেও রাজ্যের একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু।

    এই নিম্নচাপের জেরেই বাংলা জুড়ে বৃষ্টি, সাগরে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে সমুদ্রের উপর। যে কারণে মৎস্যজীবীদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে হাওয়া অফিস। রবিবার পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করেছেন আবহাওয়াবিদেরা। উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্রই এক পরিস্থিতি। উত্তরে বৃষ্টি চলতে পারে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। রবিবার পাহাড়ের তিন জেলা দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কালিম্পং ছাড়া দুই দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টি শুরু। বাকি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত ভাবে মাঝারি বৃষ্টি চলছে। সোমবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরের প্রায় সবক’টি জেলাতেই। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে মালদহ, দুই দিনাজপুরে। তবে বুধবার আবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে পাহাড় থেকে সমতলে। ওই দিন আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

    এতো বৃষ্টি, তাহলে দেশে কি এবার স্বাভাবিক বর্ষা হল? এতো বর্ষার ঘাটতি মিটে গেল? ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল এ বছর বর্ষার শেষ দিন। এবার দেশজুড়ে ৯৪.৪ শতাংশ বর্ষা হয়েছে এই ৪ মাসে। সেক্ষেত্রে মনে হতে পারে যে একশো শতাংশ নয়, তাহলে স্বাভাবিক বর্ষাও নয়? কিন্তু আবহাওয়া দফতর বলছে এবার ভারতে বর্ষা স্বাভাবিক হয়েছে। কিভাবে? আবহাওয়া দফতরের হিসাবে ৯৪ শতাংশ থেকে ১০৬ শতাংশ সার্বিক বৃষ্টিপাত মানে স্বাভাবিক বর্ষা। এর কম হলে স্বাভাবিকের চেয়ে কম, বেশি হলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। তবে, এবার দেশে ৯৪ শতাংশ বর্ষা হলেও দেশের সব অংশে কিন্তু সমান বর্ষা হয়নি। উত্তর পশ্চিম ভারতে ১০১ শতাংশ, মধ্য ভারতে ১০০ শতাংশ, দক্ষিণ ভারতীয় উপকূলীয় এলাকায় ৯২ শতাংশ, উত্তরপূর্ব ভারতে ৮২ শতাংশ বর্ষা হয়েছে জুন থেকে সেপ্টেম্বরে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুজোয় কলকাতা ভাসাবে তেজ ঘূর্ণিঝড়! সপ্তমী – দশমীর আবহাওয়ার আপডেট জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    একনাগাড়ে টানা বৃষ্টি চলছে! ভাবতে পারছেন? সপ্তমী -অষ্টমী বা নবমীর রাতে যদি এরকম ঢেলে বৃষ্টি হয়! কোথায় রাস্তায় ধস, কোথায় নদীর জল ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সবৎআবহাওয়া দফতর মোটেও ভালো খবর শোনাচ্ছে না। পুজোর চারটে দিনেও কি তাহলে রেহাই নেই? দুর্গাপুজোয় এবার চরম ভোগাবে ঘূর্ণিঝড়? মা দুর্গার সাথে সাইক্লোন তেজ সত্যিই কি আসছে? দফায় দফায় ভারী বৃষ্টি । পুজোর আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন। এদিকে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস সত্যিই চিন্তা বাড়াচ্ছে।

    আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর নাগাদ উত্তর আন্দামান সাগর এবং লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ দানা বাধতে চলেছে। সেটি তার পর উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে আসবে বঙ্গোপসাগরে এসে নিম্নচাপটি শক্তি বাড়াতে পারে। তা থেকেই কি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে? এদিকে লাগাতার বৃষ্টিতে সিকিমগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস। শ্বেতিঝোরায় রাস্তার একটা অংশ তলিযে গিয়েছে।বন্ধ যান চলাচল। অন্যদিকে ময়ূরাক্ষী নদীতে জল বাড়ায় সাঁইথিয়ায় ফেরিঘাট ভেঙে বিপত্তি। ফুলে ফেঁপে উঠেছে নদী। এরমধ্যে পুজোতে তাণ্ডব দেখাতে আসছে ঘূর্ণিঝড়?

    কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলাতেই দিঘার ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখা তার জেরেই আশ্বিনের শুরুতেও বৃষ্টির দাপট। কিন্তু তা বলে কি দুর্গাপুজো রেহাই পেল না? আগামী ২৯ শে সেপ্টেম্বর যে নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে তা থেকে ঘূর্ণিঝড় আদৌ তৈরি হবে কি না এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। হাওয়া অফিস তার জন্য আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলেও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে তার কী প্রভাব পড়বে, কোন অভিমুখে তা এগোবে এখনও কিছুই স্পষ্ট নয় তবে আন্দামান সাগরের ঘূর্ণাবর্ত থেকে নিম্নচাপ এবং তা থেকে ঘূর্ণিঝড়ের জন্ম হলে পুজোর আগে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। এই নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে তেজ।

    আজও উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। বেশি বৃষ্টি হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার,আলিপুরদুয়ার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি এবং মালদায়। রবিবার পর্যন্ত চলবে ভারী বৃষ্টি। তবে পুজোয় কী পরিস্থিতি থাকবে তা এখনই বলতে পারছে না হাওয়া অফিস।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: এবার বর্ষার অন্যরূপ দেখবে ভারত – বাংলাদেশ, জারি লাল কমলা সতর্কতা! বাড়ছে বন্যার জল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: লাল কমলা সতর্কতা। এবার বর্ষা দেখাবে অন্যরূপ। জলতাণ্ডবে অতিষ্ট হয়ে উঠবে জীবন। ফল ভুগবে ভারত বাংলাদেশ। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ঠিক কোন কোন মাসুল গুনতে হবে দুই দেশকে? ইতিমধ্যেই বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে দুই দেশ। ভয়ঙ্কর হতে চলেছে এবারের বর্ষা। ঠিক কি বলছে আবহাওয়া দপ্তর?

    যদি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কথা বলা হয়, তাহলে কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে কিছুটা শান্তি। কিন্তু বড় ঝুঁকিতে রয়েছে উত্তরবঙ্গ। আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে সবথেকে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বেশ কয়েকটি জেলায় জারি হয়েছে কমলা সতর্ক। আইএমডির সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিন বলছে, একটি ঘূর্ণিঝড় উত্তর-পশ্চিম উত্তর প্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন নিম্ন ও মধ্য স্তরে অবস্থান করছে। ইতিমধ্যেই বর্ষা তার তান্ডব দেখাতে শুরু করে দিয়েছে গুজরাতে। ডুবে গিয়েছে একাধিক এলাকা। জুনাগড়, জামনগর সহ প্রভৃতি এলাকায় অতিভারী বৃষ্টি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী আর স্থানীয় প্রশাসন একসঙ্গে উদ্ধার কাজ করছে। সব থেকে বেশি ভয়াবহ অবস্থা শহর এবং গ্রামাঞ্চলের নিচু এলাকাগুলোতে।

    সব থেকে সমস্যার ব্যাপার হল, পূর্বাভাসের সঙ্গে আবহাওয়ার আচরণের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। ভারতের মহারাষ্ট্র, দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, এবং গুজরাতে অতীতের থেকে এবারে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক বেশি। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে সিকিম এবং আসামে। এছাড়াও হিমাচল প্রদেশ বিহারসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে তীব্র বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

    অপরদিকে সেই ঈদের দিন থেকেই বাংলাদেশে দিনভর বৃষ্টির জ্বালায় নাজেহাল ঢাকাবাসী। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই ভারী টানা বৃষ্টি এখনো এক সপ্তাহ চলবে। দেশটার বেশিরভাগ এলাকাতেই রাজ করছে মৌসুমী বায়ু। যদি বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ে তাহলে কিন্তু আগামী কয়েকটা দিন আরো খারাপ হতে চলেছে। সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনার বহু এলাকার নিম্নাঞ্চল ইতিমধ্যেই প্লাবিত। উত্তরাঞ্চলেও ঠিক একই অবস্থা। সাধারণত জুলাই আর আগস্ট মাস বৃষ্টি বহুল মাস হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এবারের বর্ষার প্রথম থেকেই ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে। একে তো যানজটের সমস্যা রয়েইছে, তার উপর জল জমায় মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। তিস্তা সহ বেশ কয়েকটা নদীতে জলের পরিমাণ প্রায় বিপদ সীমার কাছে। প্লাবিত হয়েছে নদী সংলগ্ন নিম্নাচল, দ্বীপ চর আর চরের কিছু এলাকা। আবহাওয়ার হঠাৎ এমন খামখেয়ালিপনা কেন? কেনই বা বর্ষার শুরুতেই এই তাণ্ডব দেখাতে শুরু করে দিয়েছে? আসলে মৌসুমী বায়ুর অক্ষ বিস্তৃত হয়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত। তাই ভারত এবং বাংলাদেশের উপর মৌসুমী বায়ু এখন বেশ সক্রিয়। তবে অবাক হবেন না। বৃষ্টির এই অপ্রত্যাশিত আচরণ কিন্তু শুধুমাত্র ভারত কিংবা বাংলাদেশে নয়। গোটা দক্ষিণ এশিয়া জুড়েই দেখা দিয়েছে। তাপপ্রবাহের রেশ কাটতেই অতি বর্ষণ আর বন্যার আশঙ্কায় ভুগছে দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশ। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের নদ নদীতে জলে প্রবাহ অনেকটা বেড়েছে। আবার উজান থেকেও নামছে ঢল। যদি এখনই যথাযথ প্রস্তুতি না নেওয়া হয় তাহলে বন্যা হলে বড়সড়ক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।

    পরিস্থিতি খারাপ হলেও বৃষ্টি থেকে আপাতত এখনই রেহাই মিলছে না। বৃষ্টি জারি থাকলে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই। সবে তো বর্ষা শুরু। তাহলে গোটা বর্ষায় কি হতে পারে ভারত বাংলাদেশের? এই মুহূর্তে সপ্তাহখানেক না কাটলে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version