Tag: weather update

  • Cyclone Michaung: মিগজাউমের সফ্ট টার্গেটে বাংলাদেশ? রুপ বদলেই ভয়, কতটা সেফ ভারত

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের সফ্ট টার্গেটে বাংলাদেশ? রুপ বদলেই ভয়, কতটা সেফ ভারত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: মিগজাউমের সফ্ট টার্গেট! ডেঞ্জার জোনে বাংলাদেশ? কোথায় কোন বিপদ সংকেত? ল্যান্ডফলের পরেই কি রুপ বদলাবে মিগজাউম? বাংলাতেও সাঙ্ঘাতিক এফেক্ট। ৯ টা জেলা বিপদের মুখে, রেড অ্যালার্ট জারি। সুপার সাইক্লোন হলেই বিপদ, অন্ধ্রপ্রদেশ নিয়ে বাড়ছে চিন্তা। ল্যান্ডফলের আগেই ঘটবে ম্যাসিভ পরিবর্তন। সিস্টেমেই ফল্ট? দুই বাংলায় কিভাবে দাপট দেখাবে মিগজাউম। বাংলাদেশ মিগজাউম মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে? নেক্সাউন কিন্তু ঘূর্ণিঝড় হামন মিডিলের থেকেও বেশি পাওয়ারফুল হওয়ার আশঙ্কা। পরিস্থিতি বুঝেই কি এই সেনসিটিভ জায়গা গুলোতে বাংলাদেশ বিপদ সংকেত জারি করে দিল? নাকি বাংলার ওপরই আসলে কোপটা পড়ছে?সাগরের বুকে ফুঁসছে, গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় তৈরির প্রসেসে আছে মিগজাউম। বাংলাদেশে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সমস্ত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি যেতে বারণ করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশের এই পোস্ট সত্যি হয়ে গেলে? বাংলাদেশের বিপদ কেটে যাবে! তবে, ঘূর্ণিঝড় “মিগজাউম” এর প্রভাবে বাংলাদেশের খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের জেলাগুলোর উপরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিভাবে সেফ জোনে এলো বাংলাদেশ? নিম্নচাপের জেটস্ট্রিমের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তান সীমান্তের উপরে। আগামী ২ দিন যদি হঠাৎ করা জেটস্ট্রিমের পূর্বমুখী চালার গতি না বেড়ে যায় তাহলে ঘূর্ণিঝড় “মিগজাউম” ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের চেন্নাই কিংবা ভিশাখাপত্তম সমুদ্র বন্দরের উপর দিয়ে স্থলভাগে আঘাত করবে কিন্তু সেক্ষেত্রে রিস্ক কতটা?আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে তাণ্ডব চালাবে সেটি। ৫ তারিখ, ভাইটাল টাইম। অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুরে ল্যান্ডফল হবে মিগজাউমের। সেই সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বচ্চ ৯০-১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

    তাহলে নেক্সজাউমের কোপ ডিরেক্ট ভারতে? বাংলার সিচুয়েশন কি হবে? ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলবর্তী এলাকায় সোমবার থেকেই ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। মঙ্গলবার ল্যান্ডফলের সময় ওড়িশাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ফনীর সময় ওড়িশায় যা ঘটেছিল এবার যাতে আর না ঘটে সেই সম্ভাব্য দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে সাত জেলাকে সতর্ক করেছে ওড়িশা প্রশাসন। বালেশ্বর, ভদ্রক, কেন্দ্রাপাড়া, জগতসিংহপুর, পুরী, খুরদা এবং গঞ্জামকে সতর্ক করা হয়েছে আর এপার বাংলা? আলিপুর সূত্রে খবর, বুধ বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান জেলায়। তাহলে কি হাওয়া অফিসের রিসেন্ট আপডেট অনুযায়ী এযাত্রায় বেঁচে গেল দুই বাংলা? হ্যাঁ, এটা ঠিক মিগজাউমের বিশেষ কোনও এফেক্ট এপার বাংলাতেও পড়বেনা। দক্ষিণের বাকি জেলাগুলোতে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে ওই জেলাগুলোতে বৃষ্টির ফলে শীত শীত ভাব কিছুটা কমতে পারে। তাপমাত্রায় বিরাট কোনও বদল আসবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    উত্তরবঙ্গেও আপাতত নতুন করে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই। তবে, মিগজাউমের এফেক্টে বৃষ্টি হলে কৃষিকাজে বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এখনও চলছে ধান কাটার কাজ। বৃষ্টি হলে তা বাধা পাবে। ধান উঠলেই শুরু হয় যায় আলুচাষ। আলুর বীজতলার জন্য শুকনো মাটির প্রয়োজন হয়। কিন্তু বৃষ্টি হলে মাটি যাবে ভিজে। তখন আলুর বীজ বপনের কাজ পিছিয়ে যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।এছাড়াও এই ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গে জলীয় বাস্প ঢুকবে। যত তা পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসবে ততই বঙ্গে জলীয় বাস্পের ঢোকা বৃদ্ধি পাবে। এর জেরে উত্তুরে হাওয়া ব্যাপক ভাবে বাধাপ্রাপ্ত হবে। ঠান্ডা যে আগামী কয়েক দিনে বাড়বে না তা নিশ্চিত ভাবে। ফলে জাঁকিয়ে শীত এখনই যে পড়ছে না, সেটা স্পষ্ট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclonic Circulation and Weather Update: সাগরের এই সিস্টেমেই বন্যা ? পশ্চিমী ঝঞ্ঝা-ঘূর্ণাবর্তের ফাঁড়া বাংলার বুকে! তুমুল দুর্যোগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclonic Circulation and Weather Update: আষ্টেপৃষ্ঠে সাইক্লোনিক সার্কুলেশনে জড়াচ্ছে বাংলা? নিম্নচাপ, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, মিগজাউম, এক ধাক্কায় কতগুলো ফাঁড়া বাংলার বুকে? তুমুল দুর্যোগ কোথায় কোথায়? সাগরের এই সিস্টেমই ভেঙে দেবে শীত? বদলে বন্যায় ভাসবে কোন কোন রাজ্য? কেন ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত নির্দিষ্ট এই জোনেই? বঙ্গোপসাগরে তোলপাড়। কারণটা জানা আপনার দরকার। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হবে আবহাওয়ার ভয়ঙ্কর খেলা? দুই ঝঞ্ঝায় কাবু শীত?এখানেই ঘটবে আবহাওয়ার ম্যাসিভ চেঞ্জ। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে বাংলায় দুটো পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকছে রবি আর বৃহস্পকিবার।

    দুই ঝঞ্ঝার প্রভাবেই নভেম্বরের শেষ ও ডিসেম্বরের শুরুতে বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যেতে পারে। কি ঘটবে এখন থেকে কিছু প্রেডিক্ট করা যাচ্ছে না। আর বাংলায় নিম্নচাপের এফেক্ট কতটা ভয়ঙ্কর হতে যাচ্ছে? ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগরে ও সংলগ্ন এলাকার ওই ‘সিস্টেম’-র প্রভাবে রবি এবং সোমবার আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ৪০-৪৫ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ৫৫ কিমিতে পৌঁছে যেতে পারে। মঙ্গল এবং বুধবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন আন্দামান সাগরের উপর ঘণ্টায় ৪৫-৫৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬৫ কিমি বেগে পৌঁছে যেতে পারে দমকা হাওয়ার বেগ।

    জানা যাচ্ছে, এরইমধ্যে দক্ষিণ আন্দামান সাগরে ও সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হচ্ছে একটা সিস্টেম। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই ঘূর্ণাবর্ত দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপে পরিণত হবে। যা পরে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে! অর্থাৎ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে। ২৯ নভেম্বর বুধবার থেকে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হতে পারে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ আরও ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। না, বাংলার জন্য খুব একটা বিপদের আশঙ্কা থাকছে না বলেই জানা যাচ্ছে। কিন্তু, এটা ফ্যাক্ট পৃথিবীর ইতিহাসে যতসব ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আঘাত হেনেছে, তার বেশিরভাগই হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। আর এখানেই সমস্যা।বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে রেখেছে যে তটরেখা, সেখানে বাস করে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। যাঁরা এই নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

    আর দিনকে দিন পরিস্থিতি এমন দিকে যাচ্ছে কি শীত কি গ্রীষ্ম কি বর্ষা? ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ ব্যাক টু ব্যাক তৈরি হচ্ছে। আবহবিদরা বলছেন, টেক্সট মেসেজ আরব সাগর বা বঙ্গোপসাগরে যেসব ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, প্রতি দশ বছরে তার মাত্র একটি হয়তো প্রচণ্ড ক্ষমতা বা শক্তির ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়! বঙ্গোপসাগরে আগের তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হচ্ছে। এর প্রধান কারণ সম্ভবত উষ্ণতা। তবে এবারে তৈরি হওয়া সিস্টেম সরাসরি বাংলার দিকে না এলেও তার একটা আংশিক প্রভাব এ রাজ্যে পড়তে পারে। আর, শীতের পথে সবথেকে বড় হয়ে দাঁড়াতে পারে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে পারে। কিন্তু পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকবে জানাচ্ছে মৌসম ভবন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Forecast: আবহাওয়ার খামখেয়ালীপনায় গায়েব শীত! নিম্নচাপের দোটানায় কপালে চিন্তার ভাঁজ ধানচাষিদের, জানুন আপডেট

     

    ।। সৌমিক ভট্টাচার্য্য।।

    Weather Forecast: বছরের শেষ মাসের কাছাকাছি চলে এলেও এখনও শীতের হাড়কাঁপানি কম্পন থেকে কিছুটা ব্যাকফুটে বঙ্গবাসী। রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত পড়ার আগেই ঘূর্ণাবর্ত ও নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে দক্ষিণ থাইল্যান্ড সাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগরে। আর এই নিম্নচাপের জেরে সমস্যায় পড়েছে চাষীরা। মাঠের ধান ঘরে আনতে বেজায় সমস্যায় পড়েছেন তারা। কখনো শুনছে নিম্নচাপ তো কখনো বঙ্গের কোলে রোদের ঝিকিমিকি খেলা দেখতে পাচ্ছেন সকলে। এই দোটানার মাঝেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বঙ্গবাসীর। আর এই আবহাওয়ার খামখেয়ালীপনায় সমস্যায় পড়েছেন মূলত ধান চাষীরা। নিম্নচাপের জেরেই হাওয়া বদল। গত কয়েকদিনে শীতের আমেজ থাকলেও, রাতারাতি গায়েব আমেজ। তবে, নিম্নচাপের মেঘ সরলেই কি জাঁকিয়ে শীত পড়তে চলেছে? এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে।

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর মিলেছে, রাজ্যজুড়ে আপাতত আগামী সোমবার পর্যন্ত শীতের আমেজ বহাল থাকবে। রাজ্যের একাধিক জেলায় মঙ্গলবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যাবে । একটু হলেও বাড়বে তাপমাত্রা। ফিকে হবে শীতের অনুভূতিও। আংশিক মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়াবিদদের অনুমান, পশ্চিমের জেলায় একটু বেশি থাকবে শীতের আমেজ। উল্লেখ্য, আন্দামান সাগর এলাকাতে সম্ভাবনা রয়েছে নিম্নচাপ তৈরির,দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে। অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে রয়েছে এর অভিমুখ। আবহাওয়াবিদদের নজর রয়েছে গতিপথ পরিবর্তন করে বা শক্তি বাড়িয়ে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় কিনা।

    চাষিদের জন্য জানিয়ে রাখা ভালো, মাঠের ধান ঘরে তুলতে এই কদিন সমস্যায় পড়তে হবে না তাদের। হাওয়া অফিসের শেষ আপডেট না আসা পর্যন্ত নিশ্চিত ভাবে বৃষ্টির কথা কিছু বলা যাচ্ছে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Migzaum: ভারত-বাংলাদেশে আছড়ে পড়বে মিগজাউম ? ফুটছে সাগর, ম্যাসিভ পরিবর্তন, কতটা রিস্কে বাংলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Migzaum: দৈত্যের গতিতে আছড়ে পড়বে মিগজাউম? ফুঁসছে সাগর, ভারত বাংলাদেশে সাঙ্ঘাতিক এফেক্ট? সাইক্লোনিক সার্কুলেশন তৈরির সিস্টেম শুরু। বাংলার কোন কোন জেলা রেড অ্যালার্টে? মিগজাউম আসার আগেই আবহাওয়ার ম্যাসিভ পরিবর্তন। সামনের ৭২ ঘন্টায় ট্রেলার? শীতের মাঝে ঝড় বৃষ্টি শুরু কবে? দুই বাংলায় টেনশন বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত। তছনছ হবে কোন কোন দেশ? কোথায় কোথায় মিগজাউম এর ফাঁড়া? মিগজাউম যথেষ্ট পাওয়ারফুল হতে পারে বলে প্রাথমিক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।আশঙ্কা করা হচ্ছে ভারত, বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। ফলে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। এখনও পর্যন্ত মৌসম ভবনের তরফে সরাসরি কিছু জানানো হয়নি।

    আগেও পূর্বাভাস ছিল, মিগজাউম এর বড়সড় এফেক্ট পড়ার চান্স দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণের জেলাগুলোতে ও উত্তরবঙ্গের একাংশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো দমকা হাওয়া। ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিলে এই ‘নিরক্ষীয় ঝঞ্ঝা’ -র নাম হবে ‘মিগজাউম’। ২৭ নভেম্বর মানে সোমবার থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে একটি পাওয়ারফুল সিস্টেম বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করবে। সেই শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্তটা ক্রমশ উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করবে। ২৯ নভেম্বর শক্তি বাড়িয়ে সেই ঘূর্ণাবর্তটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ২ রা ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া ওড়িশা উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে।

    তাই আপাতত, ২৯ নভেম্বর ঘূর্ণাবর্তটা ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নেয় কিনা, সেদিকেই নজর রাখছেন আবহবিদরা। মনে করিয়ে দিই, পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা একেবারে কান ঘেঁষে বেঁচে গেলেও ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’-র দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। সেই রেশ মেলাতে না মেলাতেই এবার ‘মিগজাউম’-র আশঙ্কা। যদিও এখনও পর্যন্ত বড়সড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা একরকম নেই বললেই চলে। সুতরাং এখনই চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে বর্ষা-পরবর্তী সময়ে সার্বিক ভাবে ভারত মহাসাগর ও নির্দিষ্ট ভাবে বঙ্গোপসাগরে যে ভাবে ঘূর্ণিঝড় দানা বাঁধছে, সেই বিষয়টা আবহবিদদের কাছে খুব একটা সুবিধার ঠেকছে না। যেমন শুধু মিগজাউম নয়, তার আগে ফেস করতে হবে আরেক ঘূর্ণাবর্ত‌ নিম্নচাপ।

    ভারতীয় মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে চলেছে। যা রবিবার নিম্নচাপে পরিণত হবে। সেই এফেক্টে রবি এবং সোমবার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। হাতেগোনা কয়েকটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সঙ্গে চলবে ঝোড়ো হাওয়া, এর বেগ পৌঁছে যেতে পারে ৬৫ কিমিতে।তাহলে কী ঝড় বৃষ্টির মাঝেই হুরমুড়িয়ে নামবে তাপমাত্রা? দেখার মতো পারদ পতন ঘটবে? পূর্বাভাস বলছে, বাংলায় শীতের অনুকূল পরিস্থিতি থাকলেও পাকাপাকিভাবে এখনই জাঁকিয়ে শীত নয়, বলছেন আবহবিদরা। ফলে আপাতত পুরো ফোকাস থাকছে মিগজাউম এর উপরেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: ধেয়ে আসছে মিগজাউম! টগবগিয়ে ফুটবে সাগর। ভারত- বাংলাদেশে তুমুল দুর্যোগ ? কতটা রিস্কে দুই বাংলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Michaung: তছনছ করতে ধেয়ে আসছে মিগজাউম! ভারত-বাংলাদেশ কতটা রিস্কে? টগবগিয়ে ফুটবে বঙ্গোপসাগর। বাংলাতেও সাঙ্ঘাতিক এফেক্ট? কোন কোন জেলা চলে যাচ্ছে রেড অ্যালার্টে? মোকার ডিটো? জলবন্দী ১৪০ কোটির ভারত? সামনের ৪৮ ঘন্টায় কী ঘটতে যাচ্ছে? ঝড় বৃষ্টির মাঝেই হুহু করে নামবে তাপমাত্রা?  ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত। মিধিলি ভুলে যান। ভারত কাঁপাবে মিগজাউম?শীতের মাঝেই ছুটে আসছে কোন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ? পূর্বাভাস বলছে, মিগজাউম এর বড়সড় এফেক্ট পড়ার চান্স দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণের জেলাগুলোতে ও উত্তরবঙ্গের একাংশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু জেলায় বইতে পারে ঝোড়ো দমকা হাওয়া। টেনশন বাড়ার যথেষ্ট কারণ আছে। ঘূর্ণিঝড়টি যথেষ্ট শক্তিশালী হতে পারে বলে প্রাথমিক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে মিগজ়াউম। এখন কতটা ভয়ঙ্কর রুপ ওই ঘূর্ণিঝড়ের? এটা কিন্তু আপনার জেনে রাখা দরকার।

    ২৭ নভেম্বর থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে একটি পাওয়ারফুল সিস্টেম বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করবে। সেই শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্তটা ক্রমশ উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে আরও বেশি শক্তি সঞ্চয় করবে। ২৯ নভেম্বর শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণাবর্তটি। এর পর সেটি ক্রমশ উত্তর দিকে এগোতে থাকবে। ২ রা ডিসেম্বর সেটি পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া ওড়িশা উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। আর বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে পূর্বাভাস মিলে গেলে মিগজাউম এর জন্য রাজ্যে শীতকালীন চাষে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। যার জেরে বাড়তে পারে কাঁচা সবজির দাম। ঘূর্ণিঝড় মিধিলির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বাংলা৷ কিন্তু মিগজাউম? তৈরী হলে এটা কিন্তু সাঙ্ঘাতিক শক্তিশালী হবে। শুধু মিগজাউম নয়, তার আগে বাংলার মানুষকে ফেস করতে হবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা।নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে বৃহস্পতিবার। এই মুহূর্তে দুটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরে। সঙ্গে রয়েছে একটি অক্ষরেখা। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তামিলনাডু উপকূল এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং অন্য ঘূর্ণাবর্তটি রয়েছে পুরোপুরি কোমোরিন এলাকায়। শ্রীলংকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় পর্যন্ত একটি পুবালি অক্ষরেখাও রয়েছে।

    সাধারণত বর্ষা বিদায়ের পর থেকেই ধীরে ধীরে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়। বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় দখিনা বাতাসের পরিবর্তে শুষ্ক, ঠান্ডা উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করে। তার জেরেই তাপমাত্রা নামে। তবে বঙ্গোপসাগরে আচমকা কোনও ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ তৈরি হলে উত্তুরে হাওয়া বাধা পায়। তাতে তাপমাত্রার পতনও থমকে যায়। যদিও আপাতত তেমন কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। তাহলে কী এরমধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পড়ার দিনক্ষণ ঠিক? অলরেডি ২০ ডিগ্রির নিচে গেছে পশ্চিমের জেলাগুলোর তাপমাত্রা। সপ্তাহের শেষ দিকে যা ১৫ ডিগ্রিতে পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে।আগামী চার পাঁচ দিনে পশ্চিমবঙ্গের কম-বেশি জেলাগুলোতেই দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমবে। তবে রাজ্যে শীতের অনুকূল পরিস্থিতি থাকলেও পাকাপাকিভাবে এখনই শীত নয়, বলছেন আবহবিদরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: গরমের অস্বস্তি নাকি তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী! কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: আজ কী থাকবে গরমের অস্বস্তি নাকি তাপমাত্রার পারদ নিম্নমুখী! এই প্রশ্নটাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে মনে। আজ জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী। কেমন থাকবে রাজ্যের আবহাওয়ার গতিবিধি, চলুন জেনে নেওয়া যাক। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী চার পাঁচ দিনে পশ্চিমবঙ্গের কম-বেশি জেলাগুলিতে তাপমাত্রা কমবে প্রায় দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। কোনও জেলায় আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গ কোনও জায়গাতেই ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র খুব একটা প্রভাব পড়তে দেখা যায়নি । ইতিমধ্যেই শক্তি হারিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ৷ আপাতত সেটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে মিজোরাম, ত্রিপুরা ও বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। কিন্তু সকাল থেকেই জেলাজুড়ে শিরশিরানি বেশ অনুভব হচ্ছে। এককথায় রাজ্যবাসী শীতের আমেজে গাঁ ভাসাচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয়, বঙ্গোপসাগরে আচমকা কোনও ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপ তৈরি হলে উত্তরে হাওয়া বাধা পায়। তাতে থমকে যায় তাপমাত্রার পতনও । তবে আবহাওয়াবিদরা আপাতত তেমন কোনও সম্ভাবনা দেখছেন না ।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, ডিসেম্বরের শুরু থেকে জোরসে কামড় বসাবে শীত।বেশ কিছুটা কম থাকতে পারে দিনের তুলনায় রাতের তাপমাত্রা । বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা জোড়া ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হবে কিনা এই নিয়ে এখনও কোনও পূর্বাভাস মেলেনি। ঠান্ডা ক্রমশ বাড়তে শুরু করলেও আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলার আবহাওয়াই শুষ্ক থাকবে।

    সোমবার সকাল থেকে মেঘ কেটে গিয়েছে কলকাতার আকাশ থেকে ৷ ঝকঝকে রোদের মধ্যেও রয়েছে ঠাণ্ডার আমেজ ৷ তা হলে কী এবার শীত এসে পড়বে? প্রশ্নটা রইলো আপনাদের কাছে। আপনাদের মতামত জানাতে পারেন আমাদের কমেন্ট বক্সে ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: ভারতে আবহাওয়ার ভয়ঙ্কর খেলা ? বাংলাতেও বৃষ্টি-তুষারপাত একসঙ্গে! কীসের এফেক্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: দেশজুড়ে বরফ পড়বে? ভারতে আবহাওয়ার ভয়ঙ্কর খেলা শুরু? কেন বঙ্গোপসাগর ভয়ানকভাবে ফুঁসছে? ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ঘটবে ম্যাসিভ পরিবর্তন? গভীর নিম্নচাপ, বাংলা জুড়ে তুষারপাতের সঙ্গে বৃষ্টি? জানেন  কেন কাটছে না মিধিলির আফটার শক? পাহাড়ের থেকে বেশি ঠান্ডা সমতলে? এবার শীতেই কী ফেস করতে হবে বন্যা? আইএমডির ওয়েদার অ্যালার্ট না জানলে ভুল করবেন। যাকে বলে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা। আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস শোনার সাথে সাথে নিজেকে কিন্তু মানসিক ভাবে তৈরি করবেন। একদিকে হু হু করে নামবে পারদ, অন্যদিকে বাড়বে বৃষ্টি। দেশের দুটো অংশে দু’রকমের খেল দেখাবে আবহাওয়া। ফের আবহাওয়ার ব্যাপক রদবদলের ইঙ্গিত দিল ভারতের আবহাওয়া দফতর, আইএমডি কিন্তু এতো ঠান্ডার মধ্যে ঝড় বৃষ্টি? বাংলাও কিন্তু আছে এই চক্রব্যূহে।দেশজুড়ে কী ঘটছে জানুন।

    উত্তর ভারত-সহ দেশের অন্যান্য বেশ কিছু জায়গায় মোটের উপর আবহাওয়ার ধরণ বদলেছে। অনেক রাজ্যে, সকালে এবং রাতে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে কিন্তু দিল্লিতে যা ঘটতে যাচ্ছে সেটা মারাত্মক। আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী দিনগুলোতে রাজধানী দিল্লিতে তাপমাত্রার বেশ কিছুটা পতন রেকর্ড করা হতে পারে। দিল্লিতে তরতড়িয়ে নামবে পারদ। আবহবিদদের অনুমান, দিল্লির তাপমাত্রা দেরাদুন এবং সিমলা সহ সমস্ত পার্বত্য শহরের তুলনায় কম হতে পারে। আগামী ২৩ নভেম্বর দিল্লির সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রিতে পৌঁছে যেতে পারে। তাপমাত্রা নামার পাশাপাশি কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে রাজধানীর রাজপথ। যা এতো তাড়াতাড়ি দেখা যায় না। দিল্লির পাশাপাশি এনসিআর, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান-সহ সংলগ্ন রাজ্যেও হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে।
    স্বাভাবিকভাবেই ভোরের দিকে চাদর, টুপি জড়িয়ে ঘর থেকে বেরোচ্ছেন মানুষজন। দিল্লির পাশাপাশি আগামী কয়েকদিনে এনসিআর-সহ মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, হরিয়ানার তাপমাত্রাও নামবে এবং শৈত্যপ্রবাহ শুরু হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তর-পূর্ব রাজ্য অসম, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। এদিকে বাংলাতে কিন্তু মিধিলির এফেক্ট এখনো কাটছে না।

    আইএমডি সর্বশেষ পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’-র কারণে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় জেলা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুর আগামী ২৪ ঘণ্টায় ২০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে কিন্তু আবার একটা সিস্টেম তৈরি হয়ে গেছে। চলতি মরশুমে দ্বিতীয়বারের মতো গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। আগের ঘূর্ণিঝড় হামুনও বাংলাদেশের উপকূলের দিকেই অগ্রসর হয়েছিল। এবারও একইভাবে বাংলাদেশের দিকে এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’। আর তার জেরেই বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে উপকূলীয় জেলাগুলোতে। অন্যদিকে, পাহাড়ে অলরেডি বরফ পড়া শুরু হয়ে গেছে। চলতি বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত শুরু হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাতের সঙ্গে বৃষ্টিও হচ্ছে। যার ফলে সমতলে দ্রুত ঠান্ডা পড়ছে।

    এখনই বাংলায় হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়বেনা। কবে জাঁকিয়ে শীত পড়বে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। এল নিনোর এফেক্টে আদেও প্রচন্ড শীত অনুভূত হবে কিনা বাংলায় সেটাও পরিষ্কার নয়। তবে হুড়মুড়িয়ে পারদ পতন ঘটলে, দিল্লি যে ঠান্ডায় থরহরিকম্প হবে সেটা একদম পরিষ্কার।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: বন্যায় ভাসবে বাংলা ? দুর্যোগের চক্রব্যূহ, ভয়ানক কাণ্ড! শীতের আগেই ম্যাসিভ পরিবর্তন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: দুর্যোগের চক্রব্যূহে ফেঁসে গেল বাংলা? শীতের বদলে বন্যার পূর্বাভাস? মিধিলির আফটার শকে ঘটতে যাচ্ছে কোন ভয়ানক কাণ্ড? ঝড়বৃষ্টির রেড অ্যালার্টে কোন কোন জেলা? আচমকাই আবহাওয়ায় ম্যাসিভ পরিবর্তন। সাগরের হাই টাইড সামাল দেওয়া কঠিন। খেল দেখাবে এল নিনো। শীত জাঁকিয়ে পড়তে পারল না, এরমধ্যেই বন্যার আশঙ্কা? মিধিলির আফটার শক কতটা ভোগাবে বাংলাকে? এই শীতকালে শক্তিশালী এল নিনো ধেয়ে এলে কী হবে? ঝড় বৃষ্টির হাত থেকে রেয়াত নেই বরং পুঙ্খানুপুঙ্খর রিপোর্টটা জেনে নিন। ঘূর্ণিঝড়ে বাংলার আকাশ মেঘলা ছিল, শুরু হয়েছিল বৃষ্টি, সমুদ্র হয়েছিল উত্তাল। কিন্তু ঝড় কেটে যেতেই আকাশ পরিষ্কার। রাতের তাপমাত্রা কমে গেছে খানিক। শীতের আমেজ ফিরেছে।পাকাপাকিভাবে শীত আপাতত আসছে না বলেই জানা যাচ্ছে। আবার সেই মেঘলা আকাশ, সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা সোম মঙ্গলবার। রবিবার পর্যন্ত বাংলায় বৃষ্টির ছিঁটে ফোঁটাও থাকবে না। কিন্তু ভোলবদল হবে নতুন সপ্তাহে।

    নতুন সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গে ফের বৃষ্টি শুরুর পূর্বাআভাস হাওয়া অফিসের। আগামী সোম, মঙ্গল এবং বুধবার অতি সামান্য থেকে হালকা বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে। এছাড়া হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়ায় আবহাওয়া শুষ্কই থাকতে পারে আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকেও তারপর? শীতকাল জুড়ে তৈরি হতে পারে এল নিনো। এর ফলে সাগরে ক্রমেই হাই-টাইড বা জোয়ার তৈরি হতে পারে। সাগর তীরবর্তী এলাকার রাস্তা, ইত্যাদি জলের তলায় তলিয়ে যেতে পারে। ভয়ানক বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে। আর এই পুরোটার জন্য দায়ী এল নিনো। এল নিনোর প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে। এর ফলে তৈরি হয় নানারকম সমস্যা। সাগর ফেরত এই ঝড় জলের পিছনেও এল নিনোই কাজ করছে। ‘এল নিনো’-এর প্রভাবে পরিবেশে মারাত্মক ভাবে পড়তে চলেছে, বলছেন, নাসার বিজ্ঞানীরা৷ আর সেই প্রভাবে পরিবেশ আমূল পাল্টে যেতে পারে৷ ২০৩০ সালের পর থেকেই এই বিপুল পরিবর্তন হতে পারে৷ পৃথিবীর কোথায় কোথায় রিস্ক বাড়ছে? অলরেডি শুরু হয়ে গেছে।

    আমেরিকার বিভিন্ন অংশে, যেগুলি মার্কিন উপকূল ভাগের অংশ, সেখানেই এই বিপুল বিপদ দেখা দিচ্ছে। সার বিজ্ঞানীরা বলেছেন, গত ১০ বছরে পাঁচটি উদাহরণ দেখা গিয়েছে, যে খানে আমেরিকার উপকূলে একাধিক বার বন্যা দেখা দিয়েছে। যে পশ্চিম উপকূলে সাধারণত এমন বন্যা দেখা যায় না, সেখানেই বন্যার প্রভাব চোখে পড়েছে। এটাকে টেন ইয়ারস ফ্লাড ইভেন্ট বলেও চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ ১০ টির মধ্যে একটি ক্ষেত্রে বন্যার সম্ভাবনা থাকে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই সম্ভাবনা প্রবল ভাবেই আছে। যে কারণে আমেরিকার উপকূলে এই বন্যার প্রভাব নজরে পড়ে। সেক্ষেত্রে ভারতে এই এল নিনোর কতটা কি প্রভাব পড়বে তা নিয়ে অবশ্য এখনো কিছু জানা যায়নি। এবছর জাতীয় শীত পড়বে কিনা সে বিষয়েও এখনো নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায়নি। বাংলাতেও তেমন কোনো পূর্বাভাস এখনো নেই।

    আপাতত পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নীচে থাকবে। আগামী সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা নামতে পারে। বাড়বে শীতের আমেজ এখন দেখার জাঁকিয়ে শীত পড়ার ক্ষেত্রেও এল নিনো এবার বড়সড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: ধেয়ে আসছে মিধিলি! সাগরে তোলপাড়, ভাইফোঁটায় তুমুল দুর্যোগ ? কতটা রিস্কে বাংলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: ধেয়ে আসছে মিধিলি, তোলপাড় হবে সাগর। ভাইফোঁটায় তুমুল দুর্যোগের কাঁটা বাংলায়? লাগাতার ঝড় বৃষ্টি কোন কোন জেলায়? আপনিও কি রেড অ্যালার্টে আছেন?‌ টেনশন বাড়াচ্ছে আইএমডি’র ওয়েদার অ্যালার্ট। সামনের ৭২ ঘন্টা কতটা রিস্ক ফ্যাক্টর? বাংলা জুড়ে নিম্নচাপের এফেক্ট। বঙ্গোপসাগরে একটা বড় সিস্টেম তৈরি হতে যাচ্ছে‌। ভাইফোঁটায় তুমুল ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস।কি বলছে রিপোর্ট? ফুঁসবে সাগর, তাই আগেভাগেই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আইএমডি। ভাইফোঁটার আগের দিন থেকেই শুরু আবহাওয়ার ভয়ংকর খেলা? মঙ্গলবার থেকেই আবহাওয়া বদলে যাবে। আংশিক মেঘলা আকাশ, বুধবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যের উপকূলে।

    বৃষ্টির চান্স দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরেও। বৃহস্পতি ও শুক্রবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে ইতঃস্তত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়ায়। উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলোতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা বৃহস্পতি শুক্রবারে। মানে ভাইফোঁটার দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে বাংলার বুকে। উৎসবের মাঝেই দুর্যোগের ভ্রুকুটি। কেন? হঠাৎ কী ঘটলো? সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় মিধিলির আশঙ্কা টেনশন বাড়াচ্ছে। আইএমডি-র ওয়েদার অ্যালার্ট বলছে, উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ১৪ নভেম্বর থেকে নিম্নচাপ ক্ষেত্র তৈরি হবে। তার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেই নিম্নচাপ ক্ষেত্রটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। মধ্য ও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এবং তার সংলগ্ন এলাকায় এই নিম্নচাপক্ষেত্রটি তৈরি হবে।

    ১৪ নভেম্বর থেকে আন্দামান এবং তার সংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ৪৫-৫০ কিমি গতিতে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। সর্বোচ্চ গতিবেগ হতে পারে ৫৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে। ১৬ তারিখ থেকে উত্তর ও উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগরে প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বইবে। এই হাওয়ার প্রভাব পড়বে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন উপকূলবর্তী এলাকাতেও। সেই এফেক্টই পড়বে এই রাজ্যে। তাছাড়া নিম্নচাপটা প্রথমে পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের অভিমুখে এগোবে। তারপর গতি পরিবর্তন করে উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে আসতে পারে। এর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ তৈরি হলেও কোন দিকে যাবে, তা জানতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

    তবে যে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কথা বলা হচ্ছে তার এফেক্ট উত্তরবঙ্গে তেমন পড়বে না, তাই সেখানকার আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে বলেই জানাচ্ছেন আহাওয়াবিদরা। এর সঙ্গে জানার কৌতূহল বাড়ছে জাঁকিয়ে শীত কবে পড়বে? বিগত কয়েকদিন ধরে ভোরের দিকে বা রাতের দিকে হালকা ঠান্ডার অনুভূতি পেতে শুরু করেছিলেন সাধারণ মানুষ। কারও কারও গায়ে হালকা গরম পোশাকও দেখা যাচ্ছে। কিন্তু তারই মাঝে নতুন করে বৃষ্টি পূর্বাভাস থাকায় শীতের ভবিষ্যৎ নিয়ে ও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তাই এখনই শৈত্য প্রবাহে বা জাঁকিয়ে শীত পড়ার মতো ঘটনাও বাংলার বুকে ঘটবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ঘূর্ণাবর্তের চক্রব্যূহে জলবন্দী ভারত, তুমুল দুর্যোগ কয়েক ঘন্টায়, তাপমাত্রা মাইনাসে ? রিস্কে দক্ষিণ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    জলবন্দী ১৪০ কোটির ভারত? সাগরে ফুঁসছে ঘূর্ণাবর্ত। লাগাতার বৃষ্টিতে ভেসে যাবে গোটা দেশ? বড় রিস্কে কেরল! বাংলার কপালেও ফাঁড়া? এক ঝটকায় ঢুকবে শীতল বায়ু? হুহু করে পারদ পতন? হাতে এলো তারিখ-সময়, আইএমডি দিল বড় ওয়েদার আপডেট। একদিকে শীত ঢুকছে। তার মধ্যে তুমুল দুর্যোগ। টালমাটাল আবহাওয়া। কী ঘটছে? ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি দেশের কোন কোন জেলায়? ৮ নভেম্বরের মধ্যে বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে? আইএমডি বলছে, ভারতের একাধিক রাজ্যে বৃষ্টির দাপট চলবে।

    অলরেডি কোথাও কোথাও অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। দেশের কোথায় কোথায় সঙ্গীন পরিস্থিতি? দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে বৃষ্টির দৌরাত্ম দেখা যাবে। তুমুল বৃষ্টিতে ভাসবে কেরল। কেরলের কমলা সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি। সেখানে ৪ টে জেলা রয়েছে ইয়েলো অ্যালার্টে, যেখানে বৃষ্টির দাপট চলবে। ১১৫.৬ থেকে ২০৪.৪ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা ওই জেলাগুলোতে। শুধু কেরল নয়, দক্ষিণ ভারতের আরও পাঁচ রাজ্যে বৃষ্টি হবে। লাক্ষাদ্বীপ, পুদুচেরিতেও তুমুল ঝড়বৃষ্টির আশঙ্কা। কোথাও বেশি, কোথাও কম। টেনশন বাড়ছে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে। শীত ঢোকার মুখে হঠাৎ কেন এত বৃষ্টি? দক্ষিণ তামিলনাড়ুর কাছে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। মনে করা হচ্ছে এই ঘূর্ণাবর্ত পশ্চিম ও ক্রমেই উত্তর পশ্চিম দিকে এগোবে। আগামী তিনদিনে এর গতিপথ স্পষ্ট হবে আরও।

    এখনো শীত পৌঁছয়নি ভারতে। তবে শীতের একটা শিরশিরে ভাব এসেছে। কবে জাঁকিয়ে শীত ঢুকছে বাংলায়? আপডেট টা কি? কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে এখন মনোরম আবহাওয়া। শেষ কয়েকদিন বৃষ্টির আশঙ্কা থাকলেও শহরে তেমন বেশি বৃষ্টি হয়নি। তবে জেলায়-জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েছে। আর এবার আইএমডি-র লেটেস্ট ওয়েদার আপডেট বলছে, বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই বাংলায়। কিন্তু, এক ঝটকাতেই অনেকটা শীতল বায়ু ঢুকবে। পুবালী হাওয়ার পরিবর্তে উত্তর-পশ্চিমের হাওয়া বেশি আসবে। আর তাতেই শীত জোরালো হবে বাংলায়। মোটের উপর গোটা দেশেই এবার নামবে তাপমাত্রা। এক ঝটকায় পারদ নামতে পারে ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি।

    সকাল এবং সন্ধ্যায় শীতের আমেজ থাকবে। আগামী দিন দুয়েকে হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। কুড়ি বা তার নীচে নামতে পারে তাপমাত্রা। তবে জাঁকিয়ে শীত এখনই পড়ছে না। মাফলার, সোয়েটার বা শীতের পোশাক এখনি বের করতে হচ্ছে না। তার জন্য বেশ কিছুটা সময় আরও অপেক্ষা করতে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version