Tag: weather update

  • Weather Update: ৪৮ এ শীতের ব্যাপক মুড সুইং, শিল পড়বে বড়দিনে ?

    Weather Update: ৪৮ এ শীতের ব্যাপক মুড সুইং, শিল পড়বে বড়দিনে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: বড় খবর! ফুটছে সাগর! শিল পড়বে বড়দিনে? ভরা শীতের ঘূর্ণাবর্ত বলয়ে ফেঁসে গেল বাংলা? উঠবে ঝড়? আগামী ৪৮ ঘন্টায় দুর্যোগ বাড়ার চান্স প্রবল? কোন কোন জেলার উপর লো প্রেসারের এফেক্ট? বছর শেষে শীতের মুড সুইংয়েই বড় বিপদ? জানুন আবহাওয়ার বড় আপডেট। আপনার জেলায় ইমারজেন্সি অ্যালার্ট জারি হয়েছে? তাপমাত্রায় বড়সড় পরিবর্তন হয়েছে? ঘূর্ণবর্তের এফেক্ট যাবে কোথায়? ভারী বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণের কোন কোন জেলা? এইভাবে বরফ পড়বে বড়দিনে?

    বর্ষশেষে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে একটা নতুন ঘূর্ণাবর্ত কিন্তু বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বড়দিনেও আপাতত জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বর্ষবরণের উৎসবের শুরুতেও থাকবে উষ্ণতার ছোঁয়া। উবে যাবে শীত। বাড়বে তাপমাত্রার পারদ। শনিবার থেকে আংশিক মেঘলা আকাশ দেখা যাবে। উত্তর পশ্চিম ভারতের ঠাণ্ডা হাওয়া বাধা পাবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দেওয়াল। সপ্তাহান্তেই আবহাওয়ার ম্যাসিভ পরিবর্তন। শনিবারের পর তেমন ঠাণ্ডা অনুভূত হবেনা। মোদ্দা কথা, রাতারাতি চরিত্র বদলাবে শীত। আপাতত আজ পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের স্পেল থাকবে। বাধাহীন উত্তুরে হাওয়ার হাত ধরে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে রাজ্য জুড়ে। পারদ-পতনে কালিম্পঙকে পিছনে ফেলে দিয়েছে পুরুলিয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া।

    পশ্চিমের জেলাগুলিতে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা বেশি থাকে। ঠান্ডায় উত্তরের কোচবিহার, জলপাইগুড়ির সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে দক্ষিণের বর্ধমান, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। শনিবার অবধি হাড় কাঁপানো ঠান্ডা অনুভূত না হলেও তাপমাত্রার পারদ থাকবে বেশ নিম্নমুখী, আর উত্তর?

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আপাতত শীতের আমেজ! নতুন করে উত্তরবঙ্গের কোনও জেলাতেই বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। বড়দিনে পাহাড়ে তুষারপাত হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। এই মুহূর্তে শীত উপভোগ করার জন্য পাহাড়ে রীতিমতো পর্যটকদের ঢল। দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া বদলের পূর্বাভাস আগেই মিলেছিল। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল অন্য বছর ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে যে ঠান্ডা থাকে, এবার তা থেকে তাপমাত্রা বেশি থাকবে। তাহলে কি সেই ছকেই চলা শুরু আবহাওয়ার? ডিসেম্বরেই ইতি টানলো শীত?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update Today: জোরসে কামড় বসিয়েছে শীত, জানুন বঙ্গের আবহাওয়ার আপডেট

    ।। প্রথম কলকাতা।।

     

    Weather Update Today: হু হু করে পারদ নামতে শুরু করেছে। নিম্নচাপের মেঘ সরতে না সরতেই ভোল বদলে গিয়েছে আবহাওয়ার। এবছর উত্তরের জেলাগুলিকে শীতে কড়া টক্কর দিচ্ছে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। আগামী কয়েকদিন আরও জাঁকিয়ে শীত পড়বে রাজ্যের পশ্চিমের জেলা গুলিতেও বলছে হাওয়া অফিস । গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত রাতের তাপমাত্রা পরিবর্তনের কোনও পূর্বাভাস নেই। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫ ডিগ্রির নীচে। কলকাতায় ১৩ ডিগ্রি হলেও জেলায় জেলায় ইতিমধ্যে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় বৃষ্টি হবে না।

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যে তাপমাত্রা আগামী ২০ ডিসেম্বর থেকে আরও কমবে। আগামী ২৪ ঘন্টার জন্য কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় কার্যত পরিষ্কার থাকবে আকাশ। জোরসে কামড় বসিয়েছে শীত। এখনও পর্যন্ত গতকাল এই মরসুমে শীতলতম ছিল কলকাতা । পশ্চিমের জেলাগুলির তাপমাত্রা আরও কমেছে। ডিসেম্বর পড়তেই শীতের কাঁপুনি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, অবাধে উত্তরের হাওয়া প্রবেশের কারণে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলাতে কমতে পারে তাপমাত্রা। তবে বিশেষ কোনও হেরফের হবে না। কুয়াশা থাকতে পারে হালকা থেকে মাঝারি । ১০ ডিগ্রি নিচে পর্যন্ত নামতে পারে পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা । যার ফলে হাড় কাঁপুনি শীত থাকবে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলিতে ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: রেড অ্যালার্টে কোন কোন রাজ্য! বাংলায় বৃষ্টির সঙ্গে বরফ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: জলোচ্ছ্বাস, ভূমিধস? ভাইটাল ৪৮ ঘন্টা, বিগড়ে যাচ্ছে আবহাওয়া। ঘূর্ণাবর্তের চক্রব্যূহে আটকে গেল বাংলা। ১৫ জেলায় তোলপাড়? ঘন কুয়াশা থেকে শিলাবৃষ্টি, রেড অ্যালার্ট জারি হলো আপনার লোকেশনে? কি ঘটতে যাচ্ছে ভারতে? বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে জানুন আইএমডির মেগা আপডেট। সাইক্লোনিক সার্কুলেশন থেকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। শীতের শুরু থেকেই আবহাওয়ার ভোলবদল। হুড়মুড়িয়ে বরফ, ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি আবহাওয়ার তোলপাড়ে জাঁকিয়ে শীতের ইঙ্গিত। বাংলার বুকে কীসের সংকেত? এই মুহূর্তে কোনও সিস্টেম না থাকায় উত্তুরে হাওয়ার অবাধ বিচরণ। কলকাতাতে হু হু করে হঠাৎ ঠান্ডা হাওয়া।

    এক ধাক্কায় তাপমাত্রা নামলো ১৫ তে। কলকাতার পাশাপাশি ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ঠান্ডার স্পেল গোটা বাংলা জুড়ে। জাঁকিয়ে শীত পড়তে যাচ্ছে রাজ্যে, জানিয়ে দিল হাওয়া অফিস। পশ্চিমের জেলায় ১০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে তাপমাত্রা। এমনিতেই শীত পড়ার নিরিখে উত্তরের কালিম্পংকেও হারিয়ে দিয়েছে পশ্চিমের বাঁকুড়া পুরুলিয়া। এরপরেও আগামী কয়েকদিনে ঘটবে বড় পরিবর্তন। পশ্চিমবঙ্গের ১৫টি জেলায় হুড়মুড়িয়ে পারদ পতন। অর্থাৎ শীত আরো বাড়বে।

    সামনের দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোর রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমবে। বাঁকুড়া পুরুলিয়ায় ১১ ঘরে নেমেছে তাপমাত্রা। এই সপ্তাহে আগামী আরও ৫-৭ দিন শীতের এই স্পেল থাকবে। অর্থাৎ পরবর্তী তিনদিনে তাপমাত্রার তেমন হেরফের হবে না। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের কোনও জেলায় ঘন কুয়াশা পড়বে না বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অন্যদিকে, বৃষ্টি হবে উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের পাঁচ জেলায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর পার্বত্য এলাকা ছাড়াও জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা।মঙ্গল এবং বুধবার দার্জিলিং এবং কালিম্পঙের একটি বা দুটি জায়গায় তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    হঠাৎ করেই এতটা শীত? এর নেপথে কি কারণ দেখছেন আবহাওয়াবিদরা? ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এর পর রাজ্যের আবহাওয়ার ধরণ বদলে গেছে। পশ্চিমী বাতাসের কারণে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ পতন অব্যাহত রয়েছে। শুধু বাংলা নয়। দেশেও শীতের কাঁটা। আইএমডি আগামী কয়েকদিনের জন্যে দেশের একাধিক অংশে জারি করল অ্যালার্ট। দেশের রাজধানী দিল্লি এবং তার আশপাশের এলাকায় হঠাৎ করে ঠান্ডা বেড়ে গেছে! রবিবার এই মরশুমের শীতলতম সকাল অনুভব করেছে দিল্লি। দেশের উত্তরদিকের একাধিক রাজ্যে তুষারপাতের অ্যালার্ট জারি। আইএমডি-র ওয়েদার আপডেট অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে।

    আগামী কয়েকদিনে কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরী, করাইকলের আলাদা আলাদা জায়গায় বজ্র-বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হবে। জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ , গিলগিট, বাল্টিস্তান, মুজফরাবাদ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখন্ডে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি কিম্বা বরফ পড়তে পারে। এদিকে এই সময়ে মধ্যপ্রদেশ, হিমালয় পাদদেশ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, অসম, মেঘালয়ের নানা এলাকায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবানা রয়েছে৷ এর মধ্যেই রয়েছে ঘূর্ণাবর্তের খবর। অলরেডি একটি ঘূর্ণাবর্ত পূর্ব বাংলাদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই ঘূর্ণাবর্তের জেরে ১১ ডিসেম্বর মানে সোমবার থেকে একটি দুর্বল পশ্চিমি ঝঞ্ঝা পশ্চিম হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় এফেক্ট ফেলতে শুরু করেছে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather update: উত্তুরে দাপট অব্যাহত, শীতের স্পেল শুরু দুই বঙ্গেই

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: দুই বঙ্গেই উত্তুরে দাপট। শীতের স্পেল আপাতত শুরু হয়ে গিয়েছে। হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে খবর, রাতের তাপমাত্রা আগামী ৪ দিনে ৪ ডিগ্রি কমবে! এবার শীত বঙ্গে ক্রমশ্যই জাঁকিয়ে পড়বে। তাপমাত্রার পারদ হবে নিম্নমুখী। রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা কমেছে উত্তর থেকে দক্ষিণ উত্তুরে হাওয়ার দাপটে। আবহাওয়া পূর্বাভাসেই যা ইঙ্গিত ছিল আজ সকালের আবহাওয়া-সংবাদও সিলমোহর দিল সেই ইঙ্গিতেই। এবার শীত সত্যিই পড়তে চলেছে। শীতের স্পেল এই সপ্তাহ জুড়েই থাকবে।

    কলকাতার তাপমাত্রা আজকের পর ১৪ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছতে পারে। এই সপ্তাহে আগামী আরও ৫ দিন শীতের এই স্পেল চলবে।আগামী ৪৮ ঘণ্টায় পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় ১০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে পারদ। এই মুহূর্তে নতুন করে কোনও ঘূর্ণাবর্ত বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থান করছে না।
    ফলে উত্তুরে হাওয়ার রাজ্যে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৯ শতাংশ।

    জানা যাচ্ছে, আগামী কয়েকদিনে দক্ষিণবঙ্গে শীতের দাপট অব্যাহত থাকবে। ফলে জেলায় জেলায় শীতের পথে কোনও বাধা নেই। দিনের বেলা ঝলমলে রোদ পড়লেও সন্ধ্যা নামার পরেই তাপমাত্রার পারদ নামছে হু হু করে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও , উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update Today: শুরুতেই লম্বা স্পেলের সম্ভাবনা শীতের, কতটা নামল পারদ ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Weather Update Today: কলকাতায় পারদ নামল ১৮ ডিগ্রির নিচে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১২ ডিগ্রির নিচে নেমে যাবে পারদ। সকালে হালকা কুয়াশা থাকলেও পরে পরিষ্কার আকাশ। আজ সকালে কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গে আর বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। ধীরে ধীরে নামবে পারদ। আগামী দুদিনে রাতের তাপমাত্রা বা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী সোমবার ফের পশ্চিমি ঝঞ্ঝা নতুন করে একটি তৈরি হবে। তবে শীতের উপর এখনই তার প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

    এতো গেল দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া, অন্যদিকে আজ থেকে বুধবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলায় (জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) বৃষ্টি হবে না। তবে দার্জিলিঙে প্রতিদিন বৃষ্টি বা তুষারপাত হতে পারে। উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা প্রায় একইরকম থাকবে আগামী তিন-চার দিন। ক্রমশ বাড়বে শীতের দাপট মধ্য ও পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতেও ।

    আজ কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১ ডিগ্রি বেশি স্বাভাবিকের থেকে। গতকাল বিকেলে ২৪.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। এককথায় শীতের আমেজ অনেকটাই বাড়ল। শুরুতেই লম্বা স্পেলের সম্ভাবনা শীতের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: অন্ধকারে ঢাকছে বাংলা! তাপমাত্রা মাইনাসে ? বৃষ্টির সঙ্গে বরফ পড়বে কোথায় জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: বাংলার আকাশ ঢাকছে অন্ধকারে! শৈত্যপ্রবাহের চক্রব্যূহে আটকে কোন কোন জেলা? ডেডলাইন শেষ, জাঁকিয়ে শীতের আগেই পড়বে বরফ? কবে থেকে মাইনাসে নামবে টেম্পারেচার? রাতের তাপমাত্রায় ম্যাসিভ পরিবর্তন, এতো বছরে যা ঘটেনি, সেই অভিজ্ঞতাই দেখাবে এবারের শীত? বৃষ্টির খেল খতম। কিন্তু শৈত্যপ্রবাহের ঝোড়ো ব্যাটিং সামাল দেবে কি করে বাংলা? এটাই এখন লাখ, থুরি, কোটি টাকার প্রশ্ন।জাঁকিয়ে শীত পড়ার আগেই তুষারপাত হবে কোন কোন জেলায়? বাঁকুড়া পুরুলিয়ার ঠান্ডাটা কিন্তু মারাত্মক।রাতের বেলা এই জেলাগুলোতে কি ঘটবে এবার শীতে?

    বৃষ্টির ধাক্কা এখনো ভালো করে সামাল দিতে পারল না। বৃষ্টিতে কার্যত ডুবে গিয়েছে দুই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের ধান ও আলুর জমি। এর মাঝেই হুড়মুড়িয়ে পারদপতন। রোদ ভুলে যান, ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে। শুক্র, শনিবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার প্রকোপ দেখা যাবে। তখন তাপমাত্রার পারদ আরও নামার সম্ভাবনা থাকছে। ঠান্ডা হাওয়ার দাপটে বাড়ির বাইরে বের হওয়াই দায় হবে।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাসটা ভালো করে জেনে নিন। কবে থেকে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা? জানিয়ে দিল দিনক্ষণ?

    যা শোনালো আইএমডি তা খুব একটা সুখকর নয়। পশ্চিমবঙ্গে পারদ পতনের ক্ষেত্রে যা কাঁটা ছিল, সব সরে গিয়েছে। শুক্রবার থেকেই পারদ পতন শুরু রাজ্যে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৩ দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় উত্তর ও দক্ষিণে রাতের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি কমবে। তার পরের দু’দিনে তাপমাত্রার তেমন কোনো হেরফের হবে না।দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে। আগামী দু’দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি বাড়বে। তবে দিনের তাপমাত্রা চড়চড়িয়ে বাড়বে না। আলিপুর আবহাওয়া দফতর বলছে, শীতের শুরুর দিকে যে ঠান্ডার আমেজ থাকে, সেটাই ব্যাক করবে এবার। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার রোদ ওঠার পর থেকেই শীত মালুম হবে।

    আবহবিদদের মতে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা এখনই পড়বেনা। আর উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ছাড়া কোথায় কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিঙে হালকা বৃষ্টির সঙ্গে হালকা তুষারপাতেরও সম্ভাবনাও রয়েছে। মনে রাখবেন চলতি শীতের মরশুমে কার্যত ফিকে হবে ঠান্ডা। আইএমডির পূর্বাভাস বলছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি, ৩ মাসের মধ্যে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা যেমন কম থাকবে, তেমনই ওই তিন মাসে ঠান্ডা খুবই হালকা থাকবে। আইএমডি বলছে, এই শীতের মরশুমে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশির দিকে থাকবে বহু এলাকায়। দেশের বহু প্রান্তে চলতি বছরের ডিসেম্বরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকবে।

    মধ্য ও উত্তর পশ্চিম ভারত বাদে এই পরিস্থিতি তৈরি হবে। মধ্য ও উত্তর পশ্চিম ভারতে শীতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার নীচেই থাকবে বলছে পূর্বাভাস। এর আগে ২০২২ সালেও উষ্ণতর শীতের পূর্বাভাস দিয়েছিল হাওয়া অফিস। সেইবার স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি দেখা গিয়েছিল শীতের তাপমাত্রা। তাহলে কি এবারেও তার রিপিটেশন? এখন থেকেই কিছু বলা যাচ্ছে না। জানুয়ারি মাসের পর সঠিকভাবে প্রেডিক্ট করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Report Today: আজও কি বৃষ্টিতে ভিজবে জেলাগুলি? বঙ্গে জাঁকিয়ে শীত কবে থেকে জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Report Today: ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। আজ ভোরের দিকেও কয়েকটি জেলায় ঝিরঝিরে বৃষ্টি চোখে পড়েছে। তবে বেলা বাড়লে নতুন করে বৃষ্টির সম্ভাবনা আর নেই। বরং দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া আজ থেকেই আমূল বদলে যাবে। আজ বিকেলের পর গোটা দক্ষিণবঙ্গেই উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব বাড়বে। শনিবার থেকে তাপমাত্রা নামতে পারে। আবহাওয়া দফতরের ইঙ্গিত, আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যেতে পারে। মঙ্গলবারের মধ্যে রাতের তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি নামবে। অন্যদিকে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। এবার ডিসেম্বর, জানুয়ারি মাসে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকার সম্ভাবনা।

    ১১ ডিসেম্বরের পর অর্থাৎ নতুন সপ্তাহের শুরুতেই কলকাতার রাতের তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রিতে নেমে আসবে। জেলায় বিশেষত পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় রাতের তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে নামতে পারে৷ শুক্রবার বিকেল থেকেই উত্তর-পশ্চিমের বাতাস ঢুকবে। মেঘ কেটে গেলেই শীতের শুরু বাংলায়। আবহাওয়া অফিস অন্তত তেমনটাই মনে করছে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে আগামী তিন চার দিনে তাপমাত্রা প্রায় একই রকম থাকবে। সিকিমে হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা এর প্রভাব পড়তে পারে দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায়। পার্বত্য এলাকায় রয়েছে কুয়াশার সম্ভাবনা।

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, সাধারণভাবে কলকাতার আকাশ সাধারণভাবে মেঘলা থাকবে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ও ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৮ শতংশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: টিকে আছে মিগজাউম, বাণভাসী বাংলা? দুর্যোগের দাপট বাংলাদেশেও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather Update: রাতভর বৃষ্টিতে বাণভাসী বাংলা? তুমুল দুর্যোগের চক্রব্যূহে ওপার বাংলাও। হাল ফিরবেনা? বড়সড় আপডেট দিল হাওয়া অফিস। হুহু করে পারদ পতন। বৃষ্টির সঙ্গেই বরফ পড়বে কোথায় কোথায়? জাঁকিয়ে শীতের সঙ্গেই ব্যাক টু ব্যাক ঘূর্ণাবর্ত? জলবায়ু পরিবর্তনের এফেক্টে তোলপাড় বাংলা। এখনই বৃষ্টি কমছে না। আচমকাই ১৮০° অ্যাঙ্গেলে টার্ন নিল বাংলার আবহাওয়া। দুর্যোগের থেকে নিস্তার পাচ্ছে না দুই বাংলাই। মিগজাউমের এফেক্টে রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলছে নাগাড়ে। লাগাতার বৃষ্টিতে কোথাও কোথাও জমেছে জল।জেলার নীচু জায়গায় রাস্তা একেবারে জলের তলায়।কলকাতার বুকেও কোথাও কোথাও জল জমেছে, নাজেহাল অবস্থা নিত্যযাত্রীদের।

    আর এর মধ্যেই হাওয়া অফিস দিল বড় আপডেট। শোনালো না স্বস্তির খবর বৃহস্পতিতেই শেষ নয়! নিস্তার নেই, শুক্রবারও চলবে দুর্যোগ। একনাগাড়ে না হলেও, শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির কোনও কোনও অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে। তালিকায় রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া। পূর্বাভাস অনুযায়ী দিন দুয়েক ধরেই ঝিরঝিরে বৃষ্টি হচ্ছিল। বুধবার বিকেল থেকেই দমকা ঝোড়ো হাওয়াও চলছিল। সারা রাত ধরেই অল্প-বিস্তর বৃষ্টিতে ভিজেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বৃষ্টির দাপট বেড়েছে। মনে করা হচ্ছে শক্তি হারালেও এখনও নিম্নচাপ হিসাবে মধ্য ভারতে অবস্থান করছে মিগজাউম।মূলত তার জেরেই এই দুর্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সিকিমে হালকা তুষারপাতের চান্স আছে। জানা যাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়ের অবশিষ্ট অংশ নিম্নচাপ হিসেবে দক্ষিণ ছত্তিশগড় এলাকায় অবস্থান করছে। এই নিম্নচাপ থেকে একটি অক্ষরেখা তামিলনাড়ু পর্যন্ত বিস্তৃত। নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসবে সোমবার ১১ ডিসেম্বর। বর্তমানে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে হরিয়ানার উপরে। এছাড়াও রাজস্থানের উপর রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। জানিয়ে রাখি, মঙ্গলবার দুপুরে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। তার প্রভাব পড়েছে কয়েকশো কিলোমিটার দূরের বাংলাতেও। প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। ৬ ডিসেম্বর থেকে ওপার বাংলাতেও শুরু হয়ে গেছে বৃষ্টি। ঢাকা সহ দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হয়েছে, হচ্ছে। পূর্বাভাস আছে চট্টগ্রাম, সিলেটের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রপাত সহ বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    বৃষ্টির কারণে রাস্তায় যান চলাচল কমেছে। ফলে বিপাকে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এখনই স্বস্তির খবর মিলছে না। শুক্রবারও মানে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি চলতে পারে। সোমবার মানে ১১ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: ফসল তোলার মরশুমে বড় প্রশ্ন…এ বৃষ্টি থামবে কবে? জানুন হাওয়া অফিসের আপডেট

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Weather Update: ফসল তোলার মরশুমে এখন বড় প্রশ্ন..এ বৃষ্টি থামবে কবে? সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার, তারপরেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। বুধবার বিকেল থেকেই কলকাতা এবং পাশাপাশি জেলাগুলিতে শুরু হয়েছিল বৃষ্টি। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দমকা হাওয়াও। রাতভর বৃষ্টির পর আজ সকালেও আকাশের মুখভার। একনাগাড়ে পরে চলেছে বৃষ্টি। এই অসময়ে বৃষ্টির ফলে সমস্যায় পড়েছে বহু কৃষক। কারণ অনেকের আমন ধান এখন মাঠেই পরে রয়েছে, ধান ঘরে তোলার আগেই এই বৃষ্টিতে বেশ ক্ষতির সম্ভাবনা দেখছে চাষীরা। ‘পাকা ধানে মই’ এখন এইরকমই অবস্থা চাষীদের। সাইক্লোন মিগজাউমের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এই বৃষ্টিপাত। আবহাওয়া দপ্তরের ইঙ্গিত, শুক্রবার থেকে আবহাওয়ার বদল হবে। তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা আগামী শনিবার থেকে।

    আবহাওয়ার মতি-গতি বদলাচ্ছে ঘন ঘন। সাইক্লোন মিগজাউমের ফলে শীত সুখ উপভোগ করতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। বলা ভালো, এদিকে গুটি গুটি পায়ে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহও চলে এল। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছিল। এমনকী, রাত এবং ভোরেও শীত শীত ভাব কার্যত গায়েব। এই পরিস্থিতিতে কবে দক্ষিণবঙ্গে শীত পড়বে? এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে মনে। কারণ ডিসেম্বরের শুরু থেকেই কম্বলের মধ্যে লুকিয়ে শীতঘুম দিতে চাইছেন শহরবাসী। আর সেটা চলতি সপ্তাহ থেকেই হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে এমনটাই ইঙ্গিত মিলেছে হাওয়া অফিস থেকে।

    আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে যা ৩ ডিগ্রি বেশি। গতকাল অর্থাৎ বুধবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাইক্লোন মিগজাউমের প্রভাব অনেকটাই কমবে ৭ তারিখের পর এবং উত্তুরে হাওয়া রাজ্যে অবাধে প্রবেশ করতে পারবে। এর ফলেই তাপমাত্রার পারদ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে। আগামী ৮ তারিখের পর দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীত অনুভূত হতে চলেছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Michaung: সাইক্লোন ‘মিগজাউম’ এর দাপটে বাণভাসী তামিলনাড়ু-অন্ধ্র প্রদেশ, কবে থামবে দুর্যোগ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Cyclone Michaung: ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ শক্তিক্ষয় হয়ে এখন দুর্বল। তবে অন্ধ্র প্রদেশ এবং তামিলনাড়ুর উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে ‘মিগজাউম’। অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকা বাপাতলাতে মঙ্গলবার বিকালে এই ঝড় আছড়ে পড়়েছিল। আর তার প্রভাবে কার্যত ঝড়ের তাণ্ডব চলেছে এলাকায়। একাধিক এলাকা এখনও বাণভাসী। জলের তলায় ডুবে ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট। এখনও বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট পরিষেবাহীন বহু অঞ্চল। চলছে উদ্ধারকাজ। এই ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে অন্ধ্রপ্রদেশের একাধিক জমির ফসল সব শুয়ে পড়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছে বহু জমির ফসল। ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে হাওয়া বইতে থাকার কারণে একেবারে ভয়াবহ পরিস্থিতি অন্ধ্রপ্রদেশ ও চেন্নাই তে।

    তামিলনাড়ুকে একপ্রকার বানভাসি করে দিয়ে অবশেষে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে এই ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম৷ প্রায় কয়েক ঘন্টা তান্ডব চালায় এই ঘূর্ণিঝড়। এই মিগজাউম এর দাপট ভয়ঙ্কর হওয়ার কারণে ইতিমধ্যেই, অন্ধ্রপ্রদেশের কোনাসিমা, কাকিনাদা, কৃষ্ণা, বাপাতলা এবং প্রকাশম সহ সাতটি জেলা থেকে ২১১টি ত্রাণ শিবিরে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৯,৪৫৪ জন নাগরিককে৷ ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে উপকূলে। জারি হয়েছে সতর্ককা। আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে আগেই বাতিল হয়েছে একাধিক ট্রেন। অন্যদিকে একাধিক বিমান বাতিল করেছে উড়ান সংস্থাগুলি। বন্ধ রাখা হয়েছে চেন্নাইয়ে বিমানবন্দর।

    উল্লেখ্য, ল্যান্ডফলের সময় বিধ্বংসী রূপ নেয় ঘূর্ণিঝড় মিগজাউম। ৭৭০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অন্ধ্র প্রদেশের একাধিক জেলায় রাস্তা নষ্ট হয়েছে। ভেঙে পড়েছে ৩৫টির বেশি গাছ। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪টি জেলার ৪০ লাখ মানুষ এই মিগজাউমের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, আজ সকালের মধ্যেই সেটি আরও শক্তিক্ষয় করবে। সন্ধ্যার মধ্যে দুর্যোগ প্রায় কেটে যাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version