Tag: Russia President Vladimir Putin

  • পুতিনকে পাত্তা না চীনকে কড়া হুমকি দিল্লির! BRI প্রজেক্টে জিনপিংয়ের মুখোশ খুলল ভারত

    পুতিনকে পাত্তা না চীনকে কড়া হুমকি দিল্লির! BRI প্রজেক্টে জিনপিংয়ের মুখোশ খুলল ভারত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনের উপস্থিতিতেই চীনকে তোপ ভারতের BRI সম্মেলনে মোদীকে আমন্ত্রণের সাহস হয়নি কেন বেজিংয়ের? কারোর লাভ হবে না পরিস্কার জানিয়ে দিল দিল্লি। চীনের ওপর ভরসা করতে পারছে না অনেক দেশ। এবারের বেল্ট অ্যান্ড রোড সম্মেলনে একেবারে হাতেনাতে প্রমাণ। ভারত অযৌক্তিক কোনও কথা বলেনি হয়ত সেজন্যই এবারের বেল্ড অ্যান্ড রোজ প্রজেক্টে ভারতকে আমন্ত্রণ করার সাহস দেখাতে পারল না চীন ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বিআরআই সম্মেলনে ৩৭টি দেশ অংশ নিয়েছিল। এবারের সম্মেলনে ২৪টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা অংশ নিয়েছেন বাকীরা কোথায় গেলেন প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আপনারা অনেকেই জানেন চীনের বেল্ড অ্যান্ড রোড প্রজেক্টের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল ভ্লাদিমীর পুতিনকে। তবে সেসব পরোয়া না করে দিল্লির এর মধ্যেই কার্যত কড়া বার্তা দিয়ে দিল চীনকে। বেশ কয়েক বছর আগে শুরু হয়েছিল শি জিনপিংয়ের স্বপ্নের ‘বেল্ট অ্যন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্প। চীন থেকে গিলগিট-বালতিস্তান পাক অধিকৃত কাশ্মীর হয়ে এই অর্থনৈতিক করিডর চলে গিয়েছে পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশে অবস্থিত গাদাওয়ার বন্দর পর্যন্ত। অপরদিকে করিডরের একদিক চলে গিয়েছে মধ্য এশিয়া পর্যন্ত। চীনের এই চালাকি কোনওদিনই মেনে নেয়নি ভারত বারবার তীব্র প্রতিবাদ করা হয়েছে। এমনকি নরেন্দ্র মোদীও এর চরম প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ভারতের মিত্র রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকে পাশে নিয়ে এবারের দশম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরাম’ থেকে দিল্লিকে কড়া বার্তাই দিতে চেয়েছিলেন শি জিনপিং, কিন্তু কার্যত তার উল্টোটাই হয়ে গেল।

    বেজিংকে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দিল দিল্লি। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেনভারতের সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতাকে খর্ব করে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এই আবহে এই প্রকল্প নিয়ে ভারতের অবস্থান প্রথম থেকেই একই থেকেছে। আমরা এখনও সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রেখেছি একইসঙ্গে ভারতের অভিযোগ, শুধু ভারতের সার্বভৌমত্ব খর্ব করাই নয় চীনের এই প্রকল্পের ফলে অ-চীনা কোনও সংস্থাই সেই অর্থে লাভবান হবে না। কূটনৈতিক মহল বলছে এর মানে আরও একবার চীনের মুখোশটা টেনে খুলে দিল দিল্লি। এক্ষেত্রে জেনে রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের শেষ দিন বুধবার পুতিন ও শি এই দুই রাষ্ট্রনেতা দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে চীনের সঙ্গে গভীর সম্পর্কের বিষয়টি উঠে আসে।

    এরপর পুতিন সাংবাদিকদের বলেন চীন-রাশিয়া ‘অভিন্ন হুমকি’ মোকাবিলায় কাজ করবে পুতিনের এবারের বেজিং সফরের দিকে কড়া নজর ছিল দিল্লির তাই পুতিনের এমন ঘোষণার পরই দিল্লি জানিয়ে নিল বিআরআই নিয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে একচুলও সরবে না ভারত। বিগত ৬ বছর ধরে বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামে আমন্ত্রিত হয়ে আসছে ভারত তবে এই প্রথমবার ফোরামে আমন্ত্রণ করা হয়নি ভারতকে। অনেকেই বলছেন আসলে দিনদিন যেভাবে শক্তিশালী হচ্ছে ভারত তাতে এবার এই দুঃসাহস দেখাতে পারেনি চীন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • রাশিয়া বিক্রি করে যুদ্ধের খরচ জোগাচ্ছেন পুতিন? যুদ্ধের জন্য সব করতে পারে যে দেশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    রাশিয়া কি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে? রহস্য ঘনাচ্ছে! যুদ্ধের খরচ জোগাতে পুতিন তলে তলে কী করছেন? ঘুনাক্ষরেও কেউ টের পাচ্ছে না যুদ্ধে এতো এতো টাকা ঢালছে রাশিয়া, অথচ মানুষগুলো খেতে পাচ্ছে কি? যুদ্ধের টাকা আসছেই বা কোথা থেকে? মস্কোতে চলছে বড় খেলা। যুদ্ধের জন্য সব করতে পারে একটা দেশ। তার নাম রাশিয়া। তাই যে টাকা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো সহ অন্যান্য খাতে খরচ করা যেত সেই টাকা যুদ্ধে ঢালছেন পুতিন। আগামী বছর রাশিয়ার মোট খরচের এক-তৃতীয়াংশ মানে ১০৯ বিলিয়ন ডলার প্রতিরক্ষায় খাতে খরচ করা হবে, অলরেডি ঠিক হয়ে গেছে।

    আরও বড় কথা হলো, রাশিয়ার জিডিপির ৬ শতাংশ যুদ্ধের পেছনে ব্যয় করা হচ্ছে। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা একটা যুদ্ধের পেছনে প্রোটিন এত এত টাকা ইনভেস্ট করছেন অথচ, রাশিয়ার পরিস্থিতি কিন্তু ভালো নয়। রাশিয়ার মানুষ চাপের মুখে পড়েছেন। মাখন, মাংস এমনকি রুটির দাম বেড়ে গেছে। এ ছাড়া রাশিয়া বিপুল পরিমাণে পণ্য আমদানি করে। টেলিফোন থেকে শুরু করে ওয়াশিং মেশিন, গাড়ি, ওষুধ, কফি—এমন আরও অনেক কিছু আমদানি করতে হয়, কিন্তু রুবলের দরপতনের কারণে ক্রেতারা সমস্যায় পড়ছেন। পণ্য আমদানি করতে বা নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে ডলার সহ বিদেশি মুদ্রার চাহিদা বাড়ছে। এই কারণে রাশিয়ার মুদ্রা রুবেলের মান ১৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়, অর্থাৎ তাৎপর্যপূর্ণভাবে ডলারের বিপরীতে রুবেলের মান ১০০ ছাড়িয়ে যায়। যেটা রাশিয়াকে আরো বিপদে ফেলে দিয়েছে।

    তাছাড়া, সরকারি ব্যয় ও ঋণ বৃদ্ধির কারণে চাপের মুখে থাকা অর্থনীতি আরও চাপের মুখে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক দ্রুততার সঙ্গে নীতি সুদহার ১৩ শতাংশে উন্নীত করেছে। মূল্যস্ফীতির রাশ টানতেই এই উদ্যোগ। নীতি সুদহার বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা দেশটার মানুষের পক্ষে ঋণ নেওয়া আরও কঠিন হয়ে যাবে, আর তাতে প্রবৃদ্ধির গতি কমে আসবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি জটিল থেকে আরও জটিল হবে। এদিকে আগামী মার্চে রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করে নিয়েছেন, মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি ও দুর্বল রুবল টেনশন বাড়াচ্ছে। খরচের রাশ টানতে সরকারের পক্ষে হয়তো নির্বাচনের আগে সামাজিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করা সম্ভব না-ও হতে পারে।

    মানে, একটা বিষয় পরিষ্কার রাশিয়ার মানুষগুলো চাপের মুখে পড়ে গেছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও রাশিয়ার বাজেটের বড় একটি অংশ যুদ্ধ খাতে চলে যাচ্ছে। বাজেট থেকে অতিরিক্ত ৯.২ শতাংশ জাতীয় নিরাপত্তা খাতে ব্যয় করা হচ্ছে। যুদ্ধে যাঁরা আহত বা নিহত হচ্ছেন, তাঁদের ক্ষতিপূরণে বড় একটি অঙ্ক ব্যয় করতে হচ্ছে। আবার নতুন অধিকৃত অঞ্চলগুলোর পেছনেও প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে রাশিয়াকে মোটকথা যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়া উজাড় করে দিচ্ছে। একটা কথা মনে করিয়ে দিই, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে রাশিয়ার একটি স্লোগান আছে, “সবকিছু যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য”। যুদ্ধের জন্য রাশিয়া সব করতে পারে। সব দিতে পারে। সম্প্রতি রুশ সরকারের ব্যয় পরিকল্পনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে দেশটির অর্থমন্ত্রী কিন্তু সেই স্লোগানেরই রিপিটেশন করেছেন। বুঝতে পারছেন তো তাহলে যুদ্ধ জিততে পুতিন কতদূর যেতে পারেন। কিন্তু, এটাও ঠিক বর্তমানে রাশিয়ার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যতটা খারাপ মনে হচ্ছে আসলে ততটাও কিন্তু নয় বলা যায় মিশ্র প্রকৃতির।

    রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপানোর সময় পশ্চিমা দেশগুলো যেমন ভেবেছিল, রাশিয়ার অর্থনীতি বাস্তবে অতটাও কিন্তু ভেঙে পড়েনি; বরং মস্কো ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে এখনো ভালোভাবে টিকে আছে। পশ্চিমারা রাশিয়ার তেল না কিনলেও তেল কেনার খদ্দেরের অভাব হয়নি দেশটি আর ফলে দেশটির পক্ষে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অর্থায়ন করা সম্ভব হয়েছে-হচ্ছে। দেশটির প্রায় সব শ্রমিকের হাতে এখন কাজ আছে, তাঁদের সাপ্তাহিক মজুরি বেড়েছে। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর দেশটার প্রবৃদ্ধি হতে পারে ২.৫ শতাংশ, অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রকেও প্রবৃদ্ধির হারের দিক থেকে ছাড়িয়ে যাবে রাশিয়া। তবে পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা কিরকম হবে সেটা এখন থেকেই আন্দাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। সময়ের সাথে সাথে পুরো চিত্রটা আরো বেশি পরিষ্কার হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিন-শি’র নতুন প্যাঁচ, যুক্তরাষ্ট্রের আড়ালে কী ঘটছে চীনে? ওঁত পেতে বসে ভারত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বিশ্ব চালাবে কারা? পুতিন-শি মিলে কোন নতুন প্যাঁচ কষছেন? গোপনে বড় ডিল? চীনে কী ঘটে যাচ্ছে পশ্চিমা বিশ্ব টেরও পাচ্ছে না। ১০ বছরের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ এ আটকে ভারতের চোখ। ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধ বড় সুযোগ দিল পুতিনকে। একা হাতে সামাল দিতে পারবেন তো জো বাইডেন? ঝোপ বুঝে কোপ মারতেই চীনে ঢুকে পড়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কী ঘটাতে যাচ্ছে শি-পুতিন জোট? আন্দাজ আছে যুক্তরাষ্ট্রের? ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ এর ১০ বছর পূর্তির ইনভিটেশনে সাড়া দেওয়া শুধুই অজুহাত নয় তো? এই সুযোগেই তলে তলে পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে জোট গড়ার ক্ষেত্রে একাট্টা হতে পারে দুই দেশ মনে করছেন কূটনীতিকরা

    তাই পুরো বিষয়টার দিকে কড়া নজর রাখছে যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকার সাথে সাথে ভারতের চোখও কিন্তু সরছেনা। কারণ, দশ বছর পূর্ণ হয়েছে শি এর ড্রিম প্রজেক্ট ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ এর সেই উপলক্ষে বেজিংয়ে একটা সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে আমন্ত্রিত ১৩০টি দেশ। শি এর ডাকে রাশিয়া থেকে ছুটে গেছেন পুতিন ও তাই, চীনে কী ঘটছে, সেটা ভারতের জন্যেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ ভারত বরাবরই এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে এসেছে। ভারত নিজে মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ করিডোর এর একটা পার্ট হয়েছে। যেটাকে অনেকেই চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোডের বিকল্প হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে। অতএব, ভারতকে চাপে রাখতে বেজিয়ে অনুষ্ঠিত বেল্ট এন্ড রোড সামিটে বড় কিছু ঘটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    মনে করিয়ে দিই, ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ এর একটা অংশ গেছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে। তাই বেজিংয়ের বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিটে কড়া নজর নয়াদিল্লির। তবে পুতিন শি এক হওয়াতে এখানে অনেকগুলো সমীকরণ কাজ করছে। পশ্চিমা বিরোধী জোট তৈরিই নয়, ইউক্রেন ইস্যুতেও শি পুতিন জোট যে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়াবে এটা নিশ্চয়ই নতুন করে বলে দিতে হবে না। বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সমস্যা নিয়ে পুতিন-শি এর মধ্যে আলোচনা হলেও এখন মধ্যপ্রাচ্যের হামাস বনাম ইজরায়লের লড়াইয়ে ব্যস্ত আমেরিকা। ইহুদি দেশটার পাশে দাঁড়িয়ে সামরিক সাহায্য করছে ওয়াশিংটন। আর এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে রাশিয়া। ফলে ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে পুতিনের চীনে যাওয়া তাৎপর্যপূর্ণ! কারণ যুদ্ধের ময়দানে মস্কোর উপর চাপ বাড়াচ্ছে হোয়াইট হাউস। অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে কিয়েভকে সাহায্য করছে যুক্তরাষ্ট্র।

    এই প্রেক্ষিতে আমেরিকা বিরোধী দেশগুলোর সঙ্গে জোটবদ্ধ হতে চেয়ে পুতিন বড় চাল চালতে পারেন বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। তাছাড়া, পুতিনের এই সফরের মধ্য দিয়ে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। দ্বিপাক্ষিক, সামরিক এবং অবশ্যই বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও দুটো দেশ আরো বেশি কাছে আসবে। সবটা কী জানতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র? নাকি গোটা বিশ্বের আড়ালেই ঘটতে যাচ্ছে বড় কিছু?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েলর যুদ্ধে পুতিন-কিমের মারাত্মক কান্ড! ইউক্রেনে বড় হামলা, প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ইজরায়েল যুদ্ধের মাঝে ইউক্রেনে হাঙ্গামা। নজর ঘুরতেই পুতিন কত বড় স্টেপ নিলেন? আমেরিকার নজর এড়িয়ে কিম কী পাঠাচ্ছেন মস্কোকে? অনেক কিছু ঘটতে পারে ইজরায়েল যুদ্ধের মাঝেই। গোটা বিশ্বের হট টপিকই এখন ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধ। একের পর এক আপডেট আসছে আর তাতেই ফোকাস করছে বিশ্ব আর এরই কি পুরো ফায়দা তোলা শুরু করল রাশিয়া? ইউক্রেন থেকে একেবারেই ভালো খবর আসছে পুতিন ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইন নিয়ে মধ্যস্থতার বার্তা দিচ্ছেন কিন্তু নিজের যুদ্ধে নিচ্ছেন বড় অ্যাকশন। তবে আমেরিকা একটু অসতর্ক হতেই সেই নিষিদ্ধ কাজটা করে ফেলল উত্তর কোরিয়া। যেটার আশঙ্কা এতদিন ধরে করা হচ্ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সুযোগে রাশিয়াকে অস্ত্র পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া। প্রায় হাজারের উপর সামরিক অস্ত্র বোঝাই কন্টেনার পিয়ংইয়ং থেকে গিয়েছে মস্কোতে জানালো হোয়াইট হাউস।

    আর সেই অস্ত্র দিয়েই কি এবার ইউক্রেনের ওপর হামলা করে দিল ক্রেমলিন? জানা যাচ্ছে রবিবার গোটা রাত ধরে ইউক্রেনে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ ফৌজ।
    আক্রমণ ও পালটা আক্রমণে এখনও দুদেশের মধ্যে অব্যাহত যুদ্ধের উত্তেজনা। রয়টার্স সূত্রে খবর সোমবার ইউক্রেনের বায়ুসেনার তরফে জানানো হয় রবিবার সারারাত ধরে ৫টি মিসাইল ছোঁড়া হয়েছে যার মধ্যে ইউক্রেনের উত্তর ও পূর্ব অঞ্চলে দুটিকে মাঝআকাশে ধ্বংস করা হয়। এছাড়াও ১২টি কামিকাজে ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। যদিও দক্ষিণ অঞ্চলে ১১টি ড্রোনকে গুলি করে নামানো হয়। এরইমাঝে মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি জানিয়েছেন আমেরিকার বিশ্বাস উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং উন রাশিয়ার অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র তৈরির প্রযুক্তির নাগাল পেতে চাইছেন। তাই মস্কোকে সাহায্য করে উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করাই তাঁর উদ্দেশ্য।

    কিমের থেকে পাওয়া এই অস্ত্রগুলোই রাশিয়া যুদ্ধের ময়দানে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে এবিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, অস্ত্র বোঝাই কন্টেনারগুলো রাশিয়ার জাহাজে তোলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে হামাসের আচমকা ইজরায়েল আক্রমণেয়আমেরিকার সমীকরণ জট পাকিয়ে গিয়েছে। সময় থাকতে এই সংঘাতের আগুন না নেভালে তা গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়বে হু হু করে। ইরান, লেবানন, সৌদি সবাই একের পর এক ঝাঁপাবে এই পরিস্থিতিতে। স্বাভাবিকভাবেই ইউক্রেন থেকে নজর কিছুটা সরে যাবে। কিয়েভের জন্য আমেরিকা ও পশ্চিম থেকে আসা দেদার অস্ত্রের জোগানেও টান পড়বে। এই ডামাডোলে সুবর্ণ সুযোগ দেখছে রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়া। এই সময়ের তারা কতটা ফায়দা তুলতে পারে সেটাই দেখার।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইজরায়েল যুদ্ধে পুতিনের মারাত্মক স্ট্র‍্যাটেজি! হারতে পারে ইউক্রেন, নতুন খেলা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনের চরম হুঁশিয়ারি ইজরায়েলকে। কেন গাজা এত গুরুত্বপূর্ণ পুতিনের জন্য নিজের যুদ্ধ ছেড়ে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধে কেন আগ্রহ রাশিয়ার? একমাত্র পুতিন কি পারবেন ইজরায়েল-প্যালেস্টাইনের মধ্যস্থতা করতে? রাশিয়া কি হামাসকে কোনওভাবে সাহায্য করেছিল এই যুদ্ধে? কার পক্ষে আসলে কথা বলছেন পুতিন? ইজরায়েল প্যালেস্টাইন যুদ্ধ থেকে বড়সড় লাভ হতে পারে রাশিয়ার। এমনকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনের সঙ্গে চলা যুদ্ধে জিতে যেতে পারে মস্কো শুনুন পুতিন আসলে চাইছেন অনেক বড় কিছু। আর পুতিনের সেই ইনটেনশন কি সেটা বোঝা যায় ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের পর থেকে একের পর এক তাঁর মন্তব্য লক্ষ্য করলেই।

    কখনও তিনি বলছেন হামাসের হামলা থেকে বাঁচার জন্য ইজরায়েলের আত্মরক্ষা প্রয়োজন আছে। আবার কখনও তিনি বলছেন গাজায় ইজরায়েল যে হামলা চালিয়েছে সেটা কোনওমতেই গ্রহনযোগ্য নয়। প্রশ্ন উঠছে রাশিয়া আসলে কার পক্ষে? বিশেষজ্ঞদের দাবি এই একটা যুদ্ধ থেকে বড়সড় ফায়দা তোলার কথা ভাবছেন পুতিন প্রথমত আমেরিকাকে কার্যত তুলোধনা করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন যা বলার চেষ্টা করছেন গোটা বিশ্বকে তা হল মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির ব্যর্থতার একটি উদাহরণ এই যুদ্ধ। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের জন্য আমেরিকাই মূলত দায়ী পুতিন বারবার এই এজেন্ডা প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন বিশেষজ্ঞরা এমনটাই বলছেন। কারণ এটা একটা বড় স্ট্র্যাটেজি মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের প্রভাব কমিয়ে রাশিয়ার অবস্থান শক্ত করার।

    দ্বিতীয়ত রাশিয়া চাইছে এই যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারক হয়ে উঠে আসার কারণ। পুতিন একবার ইহুদিদের হয়ে কথা বলছেন আবার একবার বলছেন প্যালেস্টাইনের স্বার্থ দেখা উচিত।  এবার পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানালেন আসল কথা। পেসকভের দাবি রাশিয়া এই সংকটের সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে এবং সেটা করবে। আমরা এই সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি কিন্তু এক্ষেত্রে অনেকেই বলছেন যারা নিজেরাই যুদ্ধ বাঁধিয়ে বসে আছে তারা কিভাবে শান্তির বার্তা দিতে পারে? মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার দীর্ঘ দিনের স্বার্থ রয়েছে সেটা শুরু হয় সোভিয়েত ইউনিয়ন আরবদের সমর্থনে অবস্থান নেওয়ার মধ্য দিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলায় ওই অবস্থান নিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। বছরের পর বছর ধরে রাষ্ট্রীয় মদদে ইহুদিবিদ্বেষ সোভিয়েত আমলের অংশ হয়ে উঠেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙনের পর ইসরায়েলের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটে। এর একটা বড় কারণ ছিল সোভিয়েতভুক্ত দেশগুলো থেকে ১০ লাখের বেশি ইহুদির ইসরায়েলে পাড়ি জমানো।

    এখন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিপ্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালনকারী দেশ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরে ওই অঞ্চলে প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া। তৃতীয়ত এই যুদ্ধ যত বাড়বে তাতে আমেরিকার সক্রিয়তাও বাড়বে সেক্ষেত্রে হতেই পারে ইউক্রেনকে অস্ত্রসাহায্য কমিয়ে দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এটা পুতিনের কাছে জ্যাকপটের থেকে আর বড় কিছু হতে পারবে না। তাই এবার স্বাধীন প্যালেস্টাইন ও আলাদা ইজরায়েল প্রতিষ্ঠা দুটোই চাইছেন ভ্লাদিমীর পুতিন। আর এই যুদ্ধে হামাসকে সরাসরি সাহায্য করেছে কিনা রাশিয়া এটা নিয়ে কিন্তু বহু দ্বিমত রয়েছে। অনেকেই বলছেন রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে হামাসের এবং দেশটা ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র। কিন্তু এক্ষেত্রে অনেক বিশেষজ্ঞরাই মনে করছেন যে এই হামলার সঙ্গে মস্কোর কোন সরাসরি যোগ নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতকে চাপে ফেলতে পুতিনের সঙ্গে চীনের প্ল্যান! ব্রেনওয়াস হবে কার কার? দিল্লির ক’ড়া নজর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড সম্মেলনে কার কার ব্রেনওয়াস হবে? প্রধান অতিথি হয়ে চীনে যাচ্ছেন ভ্লাদিমীর পুতিন। দিল্লির তীক্ষ্ন নজর এবার বেজিং কী ঘটতে পারে বিআরআই সম্মেলন নিয়ে ভারতের বড় সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে। দশ বছর পূর্ণ হচ্ছে চীনের বিতর্কিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ প্রকল্পের কিন্তু এখন রয়েছে বহু বিতর্ক বহু জল্পনা বহু ক্ষতির খতিয়ান সেই কন্ট্রোভার্সি শেষ করতেই কি এবার বেল্ট অ্যান্ড রোড সম্মেলনের আয়োজন করল চীন? ভারত কী অংশগ্রহন করবে এই সম্মেলনে? কেন পুতিনকেই প্রধান অতিথি করা হল? ভারতকে ধাক্কা দেওয়ার বড় চেষ্টা চীনের।

    চীন কি এসব সম্মেলন করে বোকা বানাতে পারবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে যারা বেজিংয়ের ঋণে জ্জজরিত? বেল্ড অ্যান্ড রোড প্রকল্পের সম্মেলনে প্রধান অতিথিই ভ্লাদিমীর পুতিন এই খবর যে ভারতের জন্য খুব একটা সুখকর নয় সেটা বেশ পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে। কারণ ভারত চীনের বিআরআই প্রজেক্টের বিরোধীতা করেছে বারবার। তার বড় কারণ পাকিস্তানে চিনা প্রকল্পের একটি অংশ গিয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে। আর সেই ভারতেরই পরম মিত্র রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট চীনের বিআরআই সম্মেলনের প্রধান অতিথি? এই গোটা ঘটনাবলি ভারতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলছেন তাবড় তাবড় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। জিনপিং এমন কী আলোচনা করবেন এবার পুতিনের সঙ্গে? রাশিয়াকে মাথায় রাখতে হবে ভারতের অবস্থানও নয়ত যুদ্ধের আবহে ভারতও কিন্তু বেঁকে বসতে পারে। মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল এদিকে জানা যাচ্ছে সম্ভবত ভারত এই সম্মেলনে যোগদান করবে না।

    প্রায় ১৫০র বেশি দেশ রয়েছে চীনের বেল্ড অ্যান্ড রোড প্রকল্পের অধীনে। এর মধ্যে ইতালি সরে যেতে চেয়েছে এই বিআরআই থেকে। পাকিস্তানের কাছে সরে দাঁড়ানোর উপায় নেই কিন্তু পাকিস্তানের বিপুল ক্ষতি হয়ে চলেছে‌ বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রজেক্টে মুখে চীন যাই বলুক না কেন বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প আসলে ফাঁদ বলেই মনে করেন অধিকাংশ বিশ্লেষক। পরিকাঠামো উন্নয়নের নামে ঋণের ফাঁদ পেতেছে কমিউনিস্ট দেশটি। তবে এইসুযোগে আরও একটা কাজ করতে পারে চীন হয়ত এখান থেকেই পশ্চিমের দেশগুলোর বিরুদ্ধে জোট গড়ার ক্ষেত্রে একজোট হতে পারে চীন ও রাশিয়া। এক্ষেত্রে আমেরিকা এই বৈঠককে কোন চোখে দেখছে সেটাও ফ্যাক্টর। আগামী সপ্তাহেই চীনের রাজধানীতে হবে এই সম্মেলন পুতিনের সঙ্গে চীনে যাচ্ছেন রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও। বৈঠকে বসবেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে। এবার দেখার পুতিন চীনে যাওয়ার পর জল কতদূর এগোয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • রহস্যে ভরা পুতিনের জাহাজ বহর! ডার্ক শিপ যুক্তরাষ্ট্রের আতঙ্ক, কী করে এরা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বড় ধাঁধা! রহস্যময় জাহাজ বহর পুতিনের, গোপনে মহাসমুদ্রে তেল নিয়ে কোথায় ছুটছে মস্কোর ওই জাহাজগুলো? কোথা থেকে এই বহরে এতো জাহাজ এলো? এদের কাজ কী? “গ্রে শিপ” আর “ডার্ক শিপ”এ ভর করে গোটা বিশ্বে কী ছড়াচ্ছেন পুতিন? যুক্তরাষ্ট্র তো টেরও পাচ্ছেনা, নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে রুশ তেলের নেটওয়ার্ক কতদূর ছড়িয়ে গেছে। জানেন কোনও অন্ধকার দুনিয়ার সাথে কানেকশন বাড়াচ্ছে রাশিয়া? আড়ালে রয়েছে কে? গভীরে তলিয়ে দেখতে হবে। রহস্য ভরপুর, কিন্তু উন্মোচন করা কঠিন। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাই সার। ক্রেতাদের কাছে জ্বালানি তেল পৌঁছে দিচ্ছে রাশিয়া। মহাসমুদ্রজুড়ে রুশ তেলের এই বাণিজ্য চলছে আড়ালে, সঙ্গোপনে। আসলে কারা বহন করছে রুশ তেল?

    বিশেষজ্ঞরাও ভেবে কূল পাচ্ছে না। রাশিয়ার তেল রপ্তানির পথ সুগম করতে, পুতিনের গোপন ট্যাংকার বহরের সাথে যোগ দিয়েছে ৬০০ জাহাজ। কিন্তু এই জাহাজগুলোর মালিকানা সংস্থা কারা? সেটাই বড় ধাঁধা কেনই বা রাশিয়া এই রহস্যময় জাহাজ বহর তৈরি করলো? বিশেষজ্ঞরা বলছেন রাশিয়ার তেল বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাড়তি জাহাজের দরকার ছিল। রাশিয়ার জাতীয় বাণিজ্য বহরে পর্যাপ্ত ট্যাংকার জাহাজ ছিলনা। সেই ঘাটতি পূরণেই এগিয়ে এসেছে নতুন অনেক শিপিং কোম্পানি। রুশ ক্রুড অয়েল বহনকারী জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘গ্রে শিপ’ ও ‘ডার্ক শিপ’। যেসব জাহাজকে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ইউরোপ, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের মালিকরা বিক্রিরা করেছেন সেগুলো ‘গ্রে শিপ’। এসব জাহাজ আগে ট্যাংকার বাণিজ্যে জড়িত ছিল না, তারা নতুন করে যুক্ত হয়েছে! আর, ‘ডার্ক শিপ’ বলা হচ্ছে সেসব জাহাজকে, যেগুলো এর আগে ইরান ও ভেনেজুয়েলা পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে জ্বালানি রপ্তানিতে ব্যবহার করেছে। নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর দীর্ঘদিনের এক্সপিরিয়েন্স আছে এসব জাহাজের ক্রুদের। তারাই এখন রুশ তেল বহন করছে।

    তাহলে কী এই সুযোগে ইউরোপের বিকল্প বাজার ধরতে রাশিয়া গোপন সংস্থাগুলোর সঙ্গে কানেকশন বাড়াচ্ছে তলে তলে? চীন-ভারত-তুরস্ক তো সোজাপথে রুশ তেল কিনছে। তাছাড়াও আড়ালে থেকে পুতিনের সঙ্গে ডিল করছে কোন মহারথী? একটা দুটো নয়, পুতিনের এই রহস্যময় বহরে প্রায় ৬০০ জাহাজ রয়েছে, যা বিশ্বের বৃহৎ ট্যাংকার জাহাজের মোট সংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ। দিন দিন এই সংখ্যাটা আরও বেড়েই চলেছে। জানলে অবাক হবেন এই বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এআইএস ট্রান্সপন্ডার যন্ত্রের মাধ্যমে তাদের লোকেশন জানান দেয়। কিন্তু এই যন্ত্র ডার্ক শিপগুলো প্রায়ই বন্ধ রাখছে। ফলে তাদের চিহ্নিত করা বা এসব জাহাজের গতিবিধির ওপর নজর রাখা সহজ নয়। বোঝাই যাচ্ছে, মস্কো চেষ্টা করছে, পশ্চিমা শিপিং কোম্পানিগুলোর ওপর নির্ভরতা কমাতে। আর তাই নতুন এমন কিছু সংস্থার সাথে ডিল করছে, যাদের পরিচয় অস্পষ্ট, অতীত ও কন্ট্রোভার্সিয়াল।

    জ্বালানি বাণিজ্যের পরামর্শকরা বলছেন যুদ্ধ শুরুর পর- বিশ্বব্যাপী ইরান ও ভেনেজুয়েলার তেল বহনকারী ডার্ক ফ্লিটের পরিসর বাড়বে বলে ধারণা ছিল, সেটাই সত্যি হলো আর, এতেই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পুতিন রীতিমতো উইনার। রুশ তেল ছড়িয়ে পড়ছে গোটা বিশ্বে। রাশিয়ান তেল বাণিজ্য আরো চাঙ্গা হচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বের চাল ধোপে টিকছেনা। রহস্যময় জাহাজ বহরই পুতিনের ট্রাম্পকার্ড।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিন-শি গোপন আঁতাত ? আড়ালে চীন ক্যাপচার মস্কোর’! যুক্তরাষ্ট্র ডাহা ফেইল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনের ভয়ানক স্ট্র্যাটেজি! চীন ক্যাপচার করে নিচ্ছে রাশিয়া। নর্দার্ন সি রুট দিয়ে হুহু করে ছড়াচ্ছে তেল। চীনের সীমান্ত শহরগুলোতে টাকার খেলা। শি-পুতিনের জবরদস্ত প্ল্যান, ফেল করছে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা। তলে তলে কোন ডিল? বিশ্বের আড়ালে বেইজিং মস্কোর আঁতাতটা জানেন কী? পুতিন-শি জোট। ঘুরে যাচ্ছে বাণিজ্য। উড়ছে টাকা। চীনের উপর ডিপেন্ড করে বেঁচে আছে মস্কো। দুই দেশ এখন আরো কাছাকাছি। শুধু তেল গ্যাস নয়, সামুদ্রিক মাছ, শস্যের ক্ষেত্রেও চীনা চাহিদা পূরণ করছে মস্কো।

    আর্কটিক অঞ্চল মিরাকেল ঘটাচ্ছে। নর্দার্ন সি রুট দিয়ে‌ রুশ জাহাজে করে চীনা বন্দরগুলোতে রাশিয়ার তেল পৌঁছে যাচ্ছে। ব্যারেন্টস সাগর থেকে বেরিং প্রণালী পর্যন্ত রাশিয়ার উপকূল ধরে তেল ভর্তি জাহাজ পৌঁছে যায়। যেখানে, ২০২২ এর আগে আর্কটিক হয়ে চীনে কোনও তেল সরবরাহ হয়নি। সেখানে ২০২৩ এ রাশিয়া থেকে চীনের তেল আমদানি গড়ে ২৩% বৃদ্ধি পেয়ে প্রতিদিন ৪ লক্ষ ব্যারেল হয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ পুতিনের ভাগ্য খুলে দিয়েছে। পশ্চিমা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ফলে রাশিয়ার তেলের চাহিদা কমেছে। চীন সেই বিকল্প পথ। রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ইচ্ছুক বলেই মস্কো‌ বেইজিংয়ের জন্য আর্কটিক পথ খুলে দিচ্ছে। উত্তর মেরু বৃত্তের কাছাকাছি হওয়ায় আর্থিক সাগর বছরে অধিকাংশ সময় জমাট বরফে আচ্ছাদিত থাকে। মানে প্রতিবছর গ্রীষ্মের সময় মোটামুটি তিন মাস এই রুট ব্যবহারযোগ্য থাকে। কিন্তু পুতিন বরফের বাধা অতিক্রম করতে জানেন।

    এবার আর্কটিক জুড়ে তেল পরিবহনের জন্য নন-আইস ক্লাস ট্যাঙ্কারগুলো ব্যবহার শুরু করবে রাশিয়া। যে হুলযুক্ত জাহাজ বরফ সরিয়ে তেল নিয়ে অনায়াসে যাতায়াত করতে পারবে। শুধুই কি তাই? চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে চীন ও রাশিয়ার বাণিজ্যিক লেনদেন বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশেরও বেশি। চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ কাস্টমস এর ডেটা বলছে ২০২৩ সালে জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত দুই দেশের বাণিজ্য দাঁড়িয়েছে ৯৩.৮ বিলিয়ন ডলারে। এর মধ্যে শুধু মে মাসেই দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য হয়েছে ২০.৫ বিলিয়ন ডলার। মে মাসেও চীন রাশিয়া থেকে আমদানি করেছে ১১.৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। চীন ও কম যায়না। রাশিয়ায় দিন দিন বাড়ছে চীনের রপ্তানি। জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত মস্কোতে বেইজিং এর রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৪২.৯৬ বিলিয়ন ডলারে। যা ২০২২ সালের একই সময়ে তুলনায় ৭৫.৬ শতাংশ বেশি।

    ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্কে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে সেটাকেই কাজে লাগিয়েছে চীন। মস্কোর সঙ্গে বাণিজ্য বাড়িয়েছে বেইজিং। রুশ ক্রেতাদের চাহিদার জোগান দিতে কাজ করছে একগুচ্ছ চীনা প্রতিষ্ঠান। ব্যস্ততা বাড়ছে চীনের রুশ সীমান্তবর্তী শহরগুলোয়। আগের চেয়ে চীনের মানঝৌলি রুশ সীমান্তসংলগ্ন বন্দরটি এখন রাত দিন ব্যস্ত থাকে। চাপ বেড়েছে এতোটাই যে বন্দরের কাজ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। শহরটিতে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে যন্ত্রপাতি ও কনটেইনার বহনকারী ট্রাক। রাশিয়ায় চীনা নির্মাণসামগ্রীর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চীনা গাড়ি ও যানবাহনের অন্যান্য যন্ত্রাংশের রফতানি সাড়ে চার গুণ বেড়েছে। আগে রাশিয়ার বাজার দখলে করে রেখেছিল জাপান ও ইউরোপের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে মস্কোর দূরত্বের ফলে রাশিয়ায় চীনা গাড়ির চাহিদা বেড়েছে।

    এমনকি মোবাইল ফোন এর চীনা ব্র্যান্ডগুলো রাশিয়ায় তাদের বাণিজ্য সম্প্রসারণ করছে সাধেই কি রুশ প্রধানমন্ত্রী জোর গলায় বলছেন, দুই দেশের বাণিজ্য এমন একটা জায়গায় পৌঁছাচ্ছে যে ২০২৩ এ লেনদেন রেকর্ড ২০ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছবে। ২০২২ সালে যা ছিল ১৫ হাজার ২০ কোটি ডলার। গোটা বিশ্ব বুঝে গেছে চীন রাশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বেশি জোরালো হচ্ছে। ইনভেস্টের গভীরতা বাড়ছে। দুই দেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হচ্ছে। যার রীতিমতো চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বকে। তলে তলে চীন রাশিয়া কোন কোন ডিল ক্রাক করছে ঘুনাক্ষরেও টের পাচ্ছে কি যুক্তরাষ্ট্র? গোটা বিশ্বের আড়ালে অন্য খেলা খেলছে শি পুতিন জোট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মোদীকে নিয়ে বড় ঘোষণা রাশিয়ার! পুতিন চীনকে আর মানছেন না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতকে নিয়ে বড় ঘোষণা ভ্লাদিমীর পুতিনের। চীন-আমেরিকাকে একযোগে হুঁশিয়ারি ক্রেমলিনের। মোদীকে নিয়ে পুতিন-বাইডেন টানাটানি করছেন কেন? রাশিয়ার পাশ থেকে ভারতকে সরানো যাবে না স্পষ্ট বার্তা। আমেরিকাকে জাত চেনাতে শুরু করল মস্কো। চীনের সিদ্ধান্তকে মানতে রাজী নয় রাশিয়া বুঝিয়ে দিলেন পুতিন। সেইসঙ্গে মোদীর স্তুতি ফের রুশ প্রেসিডেন্টের গলায়। যুক্তরাষ্ট্রের কোনও গোপন স্ট্র্যাটেজি কি হাতেনাতে ধরে ফেলল রাশিয়া? যদি কোনওভাবে রাশিয়ার থেকে ভারতকে দূরে করার চেষ্টা করে থাকে পশ্চিমারা তাহলে এর পরিণাম খুব ভালো হবে না। একমাত্র ভারতের জন্যই কী এবার রাশিয়া-চীন সম্পর্কে চিড় ধরতে পারে? পুতিন বললেন ‘মোদী খুব বুদ্ধিমান’

    নিউইয়র্কে বসে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক কতটা মজবুত তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন। এবার যেন ছিল ক্রেমলিনের পালা ভারত ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভূয়সী প্রশংসা পুতিনের মুখে।
    সোচিতে একটি অনুষ্ঠানে পুতিন সোজা নিশানা করেন পশ্চিমাদের। পুতিনের দাবি পশ্চিমি দুনিয়ার একাধিপত্য‌ মেনে নিতে যারা অস্বীকার করে তাদের জোর করে শত্রু বানানোর চেষ্টা চলছে। ফলে ঝুঁকির মুখে পড়েছে ভারতও কিন্তু ভারতের নেতারা দেশের কথা ভেবে কাজ করেন। রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা মোটেও সফল হবে না। এমন দাবির ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ফের রুশ প্রেসিডেন্ট মুখ খুললেন আর ভারত যা বহুদিন ধরে চেয়ে আসছে তার স্বপক্ষে এবার দিল্লির পাশে দাঁড়ালেন পুতিন।
    সেইসঙ্গে প্রমাণিত হয়ে গেল চীনের বিরুদ্ধে যাচ্ছে মস্কো।

    রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন ভারতকে UNSC-এর স্থায়ী সদস্য করা উচিত। একই কথা ভারতের মাটিতে এসে বাইডেনও বলে গেছেন। আর এই রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা কাউন্সিলে ভারতের এর স্থায়ী সদস্য পদ পাওয়ায় বারবার বাধা দিয়েছেন একমাত্র রাশিয়ার মিত্র চীন। এর মানে এবার বেজিংয়ের বিরুদ্ধে গিয়ে ভারতকে সাপোর্ট ? পুতিনের মুখে সরাসরি নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন ভারতের জনসংখ্যা ১৫০ কোটির বেশি, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৭ শতাংশের বেশি এটা খুবই শক্তিশালী একটি দেশ। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দিনে দিনে আরও শক্তিশালী হচ্ছে। এর পাশাপাশি মোদীকে ‘বিচক্ষণ’ রাষ্ট্রনেতা বলেও অভিহিত করেছেন পুতিন।

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকে গোটা বিষয় পর্যবেক্ষণ করে বলছেন রাশিয়ার ভারতের প্রতি এক বন্ধুপ্রীতি রয়েছে। আমেরিকার অনেকটা গা সওয়া হয়ে গিয়েছে তারা জানে ভারত ও রাশিয়ার মাঝে ঢুকতে চাইলে আদতে কোনও লাভের লাভ হবে না, কিন্তু চীন ক্রেমলিনের পদক্ষেপকে কোন চোখে দেখবে? পুতিনের মুখে ভারত ও মোদীর এত প্রশংসা জিনপিং সহ্য করতে পারবেন তো?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ইউক্রেন হারছে আমেরিকা সাহায্য করবে না! পুতিনের নয়া গেম এবার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আমেরিকা হাত তুলে নিল ইউক্রেন বিপর্যয়ের মুখে। যুদ্ধের তাহলে হার? সত্যিটা জানিয়েই দিলেন জেলেনস্কি কৃষ্ণসাগরে বড় কিছু হতে চলেছে ব্রিটেনের রিপোর্ট ফাঁস। যুদ্ধে নয়া মোড় নেবে পুতিনের নয়া কৌশলে। হাত ধরে জেলেনস্কি বাইরে কী যাবেন দেশের রাজনীতিতেই তিনি কাবু। ন্যাটো যা বলছে সেটা কি সত্যি? রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যুদ্ধে পেরে ওঠা সম্ভব নয় ন্যাটো যেন এবার পিছু হটছে? কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার যে প্ল্যান ফাঁস হয়ে গেল সেটা থেকে কি অ্যাটলিস্ট ইউক্রেনকে বাঁচাতে পারবে আমেরিকা?

    যুদ্ধের মাঝখানে দাঁড়িয়ে একগুচ্ছ প্রশ্নের মুখে বিশ্ব। উত্তর কারোর জানা নেই কারণ ইউক্রেনের আত্মবিশ্বাস টলে যাচ্ছে এবার। ইউক্রেন সীমান্ত সংলগ্ন রাশিয়ার ব্রায়ানস্ক অঞ্চলে। আমেরিকার দেওয়া ‘নিষিদ্ধ’ ক্লাস্টার বোমা ইউক্রেন ফেলছে ঠিকই কিন্তু আর কতদিন? সময়সীমা যেন কমে আসছে। আমেরিকা আর কতদিন গোলাবারুদ-অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করবে? জেলেনস্কি নিজেই জানিয়ে দিলেন। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রয়োজনীয় অস্ত্রের অভাবে সম্ভাব্য অগ্রগতি লাভ সম্ভব হচ্ছে না। কেন অভাব? কারণ নতুন অর্থবছরে কিয়েভের জন্য তহবিল বরাদ্দে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে স্পিকার পদচ্যুত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এখনই তহবিল বরাদ্দ করা সম্ভব হচ্ছে না। এরমধ্যে ইউক্রেনের বুকে ভয় ধরানোর মতো খবর কৃষ্ণসাগরে নাকি এবার মাইন বিছোচ্ছে মস্কো। কৃষ্ণ সাগরে কিয়েভের বেসামরিক পণ্যবাহী জাহাজগুলো ধ্বংস করতে সমুদ্র মাইন ব্যবহার করতে পারে রাশিয়া। গোয়েন্দা সূত্রের খবর পেয়ে সতর্ক করেছে ব্রিটেন।

    শুধু সতর্ক করে কি হবে? জেলেনস্কি আটকাতে পারবেন? কী ভাবে আটকাবেন ? এক্ষেত্রে দুটো কথা বলতে হয়। প্রথমত, ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ভ্যালেরি জালুঝনির সঙ্গে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির মতভেদ দিনদিন বাড়ছে। ইউক্রেনের সেনাপ্রধানের ওপর নানা ধরনের হুমকিও আছে। এদিকে তার মধ্যে ন্যাটো দিয়ে দিল আল্টিমেটাম। পুতিনবাহিনীকে রুখতে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র খরচ করতে হচ্ছে ইউক্রেন বাহিনীকে। আর এসবের বেশিরভাগই এসেছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যদেশগুলো থেকে। সম্প্রতি ন্যাটো সদস্যরা জানিয়েছে ইউক্রেনকে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত গোলাবারুদ তাদের হাতে নেই। আমেরিকা সঙ্গে ন্যাটো এবার কি আস্তে আস্তে হাত তুলে নেবে ইউক্রেনের মাথার ওপর থেকে তাহলে ইউক্রেনের হারতে আর যুদ্ধ শেষ হতে বেশিদিন নেই। প্রতিটা দিন রীতিমত উদ্বেগে কাটছে জেলেনস্কির।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version