Tag: Russia President Vladimir Putin

  • Ceasefire in Ukraine: ইউক্রেনে যুদ্ধ থামাতে পুতিন, গোপনে পাঠালেন মেসেজ! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

    Ceasefire in Ukraine: ইউক্রেনে যুদ্ধ থামাতে পুতিন, গোপনে পাঠালেন মেসেজ! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ceasefire in Ukraine: তাহলে কি অবশেষে সেই দিন চলে এল? যেদিন ইউক্রেন আর রাশিয়ার যুদ্ধ থামবে। ২০২২ গেল, ২০২৩ ও শেষ হতে চলল, কিন্তু যুদ্ধ থামার লক্ষণ নেই। এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন দিলেন বড়সড় বার্তা। হয়ত এবার থামতে পারে এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে গোটা বিশ্ব। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে যুদ্ধরত দুই দেশ। সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তবে তা কতটা কার্যকরী হবে তা এখনো পর্যন্ত শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলা যাচ্ছে না। এই সম্ভাবনার বার্তা এসেছে পুতিনের তরফ থেকে।

    নবভারত টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্প্রতি বলেছেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়ার লক্ষ্য পরিবর্তন হয়নি। রাশিয়া লড়াই চালিয়ে যাবে এবং তাদের যা আছে তা ছেড়ে দেব না। প্রকাশ্যে, পুতিন ইউক্রেনকে আক্রমণ করছেন বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ব্যাক-চ্যানেল কূটনীতির মাধ্যমে তিনি একটি ভিন্ন বার্তা পাঠাচ্ছেন। তিনি ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে প্রস্তুত। পুতিন সেপ্টেম্বর থেকে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়ে আসছেন যে তিনি যুদ্ধবিরতি চান। যার অধীনে বর্তমান সীমান্তের মতো একই লাইনে লড়াই বন্ধ করা হবে। ক্রেমলিন ও আমেরিকার ঘনিষ্ঠ দুই সাবেক রুশ কর্মকর্তা ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে এ দাবি করেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দুই আন্তর্জাতিক কর্মকর্তাই পুতিনের বার্তাবাহকদের কাছ থেকে বার্তা পেয়েছেন। যেখানে যুদ্ধবিরতির ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে যে পুতিন এক বছর আগে বার্তা পাঠিয়েছিলেন, ২০২২ সালের শেষ নাগাদ যুদ্ধবিরতি চুক্তির আহ্বান জানিয়েছিলেন। আবারও পুতিন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চল নিয়ে সন্তুষ্ট এবং যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত। প্রতিবেদনে অধিকৃত এলাকা নিয়ে আলোচনার কোনো উল্লেখ নেই। যুদ্ধবিরতির আলোচনা হলে দখলকৃত এলাকাগুলো ফিরিয়ে দেওয়া হবে কিনা প্রতিবেদনে তারও কোনো ইঙ্গিত নেই। পুতিন তার মন পরিবর্তন করতে পারেন বলেও প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

    এই যুদ্ধে ইউক্রেন ক্রমাগত আমেরিকার সাহায্য পেয়ে আসছে। ইউক্রেনকে সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে এখন আমেরিকাতেও যুদ্ধবিরতির কথা উঠছে। অনেক সংস্থা এবং সাধারণ মানুষ ইউক্রেনে আমেরিকার অব্যাহত অর্থায়নে আপত্তি করছে। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধের পর প্রায় দুই বছর কেটে গিয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে, রাশিয়া প্রতিবেশী ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল। সেই সময় বিশ্বাস করা হয়েছিল যে এই যুদ্ধ বেশিদিন চলবে না এবং খুব শীঘ্রই রাশিয়ান সেনাবাহিনী ইউক্রেনের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করবে। কিন্তু তা হয়নি। বিপরীতে, ইউক্রেন ক্রমাগত যুদ্ধ করেছে এবং ক্রমাগত রাশিয়ার মোকাবেলা করেছে। প্রায় দুই বছর ধরে চলমান যুদ্ধ এখনো শেষ হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মধ্যপ্রাচ্যের মাটিতে লুকোনো পুতিনের ব্রক্ষ্মাস্ত্র, কোন মন্ত্রে ফতুর জো বাইডেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনের নয়া মগজাস্ত্রে বাইডেন কাত? ইরান-সৌদি-আমিরাতেই লুকিয়ে সোনার চাবিকাঠি! অহংকারেই তছনছ বাইডেনের প্ল্যান? কাস্পিয়ান সাগরের অতলে লুকিয়ে পুতিনের ব্রহ্মাস্ত্র। মধ্যপ্রাচ্যে একটা সফর, অথর্ব করে দিল গোটা পৃথিবীকে? কোন অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মোক্ষম ঘুঁটি? পুতিনের একটা ক্লিকেই ১৮০ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে ঘুরে গেল মধ্যপ্রাচ্য। সব হারিয়ে ফতুর? ২৩ কে ভুলবেননা জো বাইডেন।বিশ্বমোড়ল যুক্তরাষ্ট্র একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে? সম্প্রতি মস্কো সফরের সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে পুতিনের দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার বৈঠক এর রেজাল্ট কতটা মারাত্মক হতে পারে ঘুণাক্ষরেও টের পেয়েছিল কি যুক্তরাষ্ট্র?

    না, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকে বসার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ইরান ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট তেহরান এবং মস্কোতে প্রায়ই সফর করেন। তবে এই ক্রুশিয়াল সময়ে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমাদের আধিপত্য যখন ফিকে হয়ে আসছে, সেই সময়ে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের তাৎপর্য অনেক বেশি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শুধু এই বৈঠক তো নয়। পুতিনের সৌদি আমিরাত সফরটাও কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না। তাহলে কি পশ্চিমা বিশ্বকে দূরে ঠেলে দেওয়ার প্ল্যানটা অলরেডি সেরে ফেলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন? যুক্তরাষ্ট্রকে আড়ালে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে কোন ডিল করেছে মস্কো? মধ্যপ্রাচ্যের ফিকে হয়ে আসছে পশ্চিমা আধিপত্য?

    বিশেষজ্ঞরা কিন্তু বলছেন, ইরানই কেবল একমাত্র মধ্যপ্রাচ্যের দেশ নয়, যেটা মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শক্তিশালী দুই মিত্র। এই দেশ দুটোর সঙ্গেও রাশিয়ার ভালো সম্পর্ক। অনেক দেশই ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের নিন্দা জানালেও, তা থেকে দূরে থেকেছে এই দেশ দুটো কিন্তু বাইডেন কোন পথে হাঁটছেন? বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের পরিবর্তে শুধুমাত্র মার্কিন হীনম্মন্যতা এবং অহংকারের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছেন জো বাইডেন সঙ্গে পুতিনের একের পর এক চাল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে মধ্যপ্রাচ্যে বিপর্যস্ত করে দিচ্ছেন বলেই মত বিশ্লেষকদের। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও নড়বড়ে হতে পারে। চান্স আছে। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের মতো মধ্যপ্রাচ্য সম্পর্কিত বিষয়ে সফল সহযোগিতার মাধ্যমে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান-রাশিয়া যেভাবে সম্পর্ক মজবুত করেছে, ঠিক একই কায়দায় গাজা ইস্যুতেও রাশিয়া ও ইরান এক হয়ে গেলে? বিশেষ করে গাজায় ইসরাইলের ব্যাক টু ব্যাক হামলা বন্ধে তেহরান ও মস্কো আরও অ্যাক্টিভ হলে কি হবে যুক্তরাষ্ট্রের?

    শুধু যুদ্ধ নয়, ফোকাস যদি হয় বাণিজ্য? গত কয়েক বছরে ইরান এবং রাশিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্কও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। তাই ইরান সামরিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে এই সহযোগিতা সম্প্রসারিত করতে চাইছে। এরমধ্যে, রাশিয়া ও ইরানের আসন্ন দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোর একটি ইম্পরট্যান্ট বিষয় হবে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি ইরান থেকে রাশিয়ায় যেসব পণ্য রফতানি করার কথা এবং ইরান রাশিয়া থেকে যে পণ্য আমদানি করতে পারে সে বিষয়েও আলোচনা চলছে।তাছাড়া, দুই দেশের মধ্যেই কাস্পিয়ান সাগর রয়েছে। তাই এই কাস্পিয়ান সাগর ব্যবহার করে বাণিজ্য সহজ করা এখন দুই দেশের মেইন টার্গেট।পণ্য পরিবহনের জন্য সড়কপথের পাশাপাশি রেলপথের ব্যবহার বাড়ানো দরকার বলেও মনে করেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

    এছাড়া আরও অনেক রাজনৈতিক বিষয় রয়েছে, যা উভয় পক্ষের স্বার্থের জন্য সহায়ক। পশ্চিমাদের আগ্রাসন ঠেকাতেও ইরান ও রাশিয়ার মতো সমমনা দেশগুলো রাইসি ও পুতিনের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ হতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। মধ্যপ্রাচ্যের যা পরিস্থিতি তাতে যে সমস্ত সমীকরণ গুলো তৈরি হচ্ছে সবকিছুই আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যাচ্ছে। এই প্রত্যেকটা সম্ভাব্য ঘটনার একটার পর একটা যদি বাস্তবায়িত হতে থাকে তাহলে সেটা বাইডেনের জন্য যথেষ্ট চাপের হবে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মধ্যপ্রাচ্যে গুপ্তধন, দামী সার্টিফিকেটই পুতিনের অ্যাসেট, এই মন্ত্রে অথর্ব হয়ে যাবে বিশ্ব ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মধ্যপ্রাচ্যে গুপ্তধনের হদিস? চোখ আটকে পুতিনের। হামাস ইসরাইল যুদ্ধের রিমোট ধরলো মস্কো? সৌদি আমিরাতের মাটিতে হয়ে গেল কোন ডিল? গোটা পৃথিবী থাকলো কি অন্ধকারে? পুতিনের কোন অস্ত্রের মুখে বসে পশ্চিমা বিশ্ব? তেলেই ঝটকা, হামাস ঢেউয়ে তোলপাড় হবে গোটা বিশ্ব? অ্যালার্মিং সিচুয়েশন। পুতিনের এই সফর অথর্ব করে দেবে গোটা পৃথিবীকে? চেইন ব্রেক করলেই বিপদ। চীন ইরানের বাইরে পুতিনের সৌদি-আমিরাত সফর গোটা বিশ্বের সামনে তৈরি করলো গোলকধাঁধা।হামাস ইসরায়েল যুদ্ধ শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, এর বাইরেও ছড়াচ্ছে? পুতিনের একটা সংকেত গোটা পৃথিবীকে কিন্তু টেনশনে ফেলে দিল। কিছু শক্তি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে আরও বাড়াতে চাইছে।

    পশ্চিমা বিশ্বকে টার্গেট করে মধ্যপ্রাচ্যের ঝড় কে আরো বেশি উস্কে দিলেন। একই সঙ্গে খেললেন ডবল গেম। হাতালেন দামী সার্টিফিকেট! সৌদি আমিরাতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, সহিংসতা, নির্যাতন, হামলা বন্ধের পক্ষে সওয়াল করে মোহাম্মদ বিন সালমানের থেকে কুড়োলেন প্রশংসা। শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয় গোটা বিশ্বকে নিয়ে নতুন ছক সৌদি রাশিয়ার। বৈঠকে রাশিয়া ও সৌদি আরবের মধ্যেকার যৌথ সম্পর্কের প্রশংসা করেন মহম্মদ বিন সালমান। বলেন, রাশিয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। দুই দেশের স্বার্থের অনেক মিল রয়েছে, দুই দেশের সুবিধায় এক হয়ে কাজ করতে হবে তাদের। এতে মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বই লাভবান হবে। আর ক্রেমলিন জানিয়েছে, গাজার বর্বরতা, ইউক্রেন যুদ্ধ, সামরিক সহযোগিতা গভীর করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    ইউক্রেনে হামলার পর থেকে দেশের বাইরে খুব কম যান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই ট্রেন্ড ভেঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত, আর তারপর সৌদি আরবে পা রাখলেন পুতিন। আর এই সফর করলেন এমন একটা সময় যখন মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে। যে সফরকে “মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্ট” হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। এই সফর পুতিনকে ঢেলে দিয়েছে।আরব আমিরাত থেকে “প্রিয় বন্ধু”র তকমা পেয়েছেন।পুতিন ও জোর গলায় বলেছেন, আরব বিশ্বে আরব আমিরাত রাশিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। আবুধাবির পর রিয়াদেও সাকসেসফুল পুতিন। সৌদি আমিরাত রাশিয়া, ৩ দেশই মনে করে তাঁদের এই বৈঠক সময়োপযোগী। কিন্তু পুতিনের এই বিরল সফর, এই সুসম্পর্ক সত্যিই কি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দূর করতে অনেক বড় ভূমিকা পালন করবে?

    মনে করিয়ে দিই, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর পুতিনের এটাই প্রথম মধ্যপ্রাচ্য সফর। এর আগে, ২০১৯ সালে এই দুই দেশে সফর করেছিলেন তিনি। সে ক্ষেত্রে ২০২৩ এর শেষে পুতিনির এই সফর আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঠেকছে। গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা দেশগুলো নেতানিয়াহু সরকারকে একতরফাভাবে অন্ধ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বেড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। আর সেই সুযোগে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করছে মস্কো। বিশেষ করে, দীর্ঘদিনের শত্রুতা ভুলে সৌদি আরব ও ইরানের সম্পর্ক জোরদারের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে সুদৃঢ় হচ্ছে রাশিয়ার অবস্থান। চীন যা সহজেই করতে পারেনি পুতিন তা করে দেখাচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে তার বাস্তব প্রতিফলনও দেখা গেছে। ইউক্রেনে রুশ অভিযান শুরুর পর বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে সাড়া দেয়নি আরব দেশগুলো।

    আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কম রাখতে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানালেও কেউই রেসপন্স করেনি। উল্টে রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে তেলের উৎপাদন কমিয়েছে আরব দেশগুলো। আর এতেই মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার জায়গাটা কোথায়? সেটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। হামাস ইসরাইল যুদ্ধের মাঝে নিজের জায়গা পোক্ত করতে, সম্পর্কের সেই সমীকরণেই অক্সিজেন যোগালেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পৃথিবীর ভয়ানক যোদ্ধা, কুকরির তেজেই কাঁপে শত্রু! পুতিনের প্ল্যান বি, নিঃস্ব নেপাল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হামাসের ছায়া আছে এদের শরীরে? কুকরির তেজেই এদের যুদ্ধ টেকনিক বুকে কাঁপুনি ধরায়। পুতিনের এই খতরনাক যোদ্ধাদের চক্রব্যূহে আটকে যাচ্ছে ইউক্রেন। কাঁটার বর্মে ঢাকা এই যোদ্ধাদের আসল পরিচয় জানেন? ইউক্রেনের পেছনে এরাও জোঁকের মতো আটকে আছে। হাতে বিষ মাখানো অস্ত্র, কিসের লোভে যুদ্ধের গন্ধ খোঁজে এঁরা? বড় সিক্রেট ফাঁস। মস্কোর জাল কাটা কঠিন, ওয়াগনার হাতছাড়া হতেই পুতিনের প্ল্যান বি রেডি। যে চক্রের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে নেপাল। শুধু ভাড়াটে ওয়াগনার ফোর্স নয়, নেপালের নির্ভীক গোর্খারাই কি পুতিনের তুরুপের তাস? ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অপারেশন চালাতে বেআইনি পথে পুতিন। সোজা নয় বাঁকা পথ ধরেই রাশিয়ার নাগাল পাচ্ছে দুর্ধর্ষ গোর্খারা। নেপালের পর্বতময় প্রদেশে যে গোর্খাদের বাস। পাহাড়ি আবহাওয়া, প্রতিকূল পরিস্থিতি, দুর্গম পথ তাদের হাতের তালুর মতো চেনা।

    এই দুর্গমতা আর প্রতিকূলতাই তাদের দুর্ধর্ষ করে তুলেছে।
    ইউক্রেন আক্রমণের পর সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই বিদেশি যোদ্ধাদেরকেই আহ্বান জানিয়েছেন। তবে শুধু গোর্খা নয়। নেপালের চরম দারিদ্রতা, টালমাটাল পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে বড় রিস্ক নিয়ে দলে দলে নেপালি যুবকরা রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিচ্ছেন। গোর্খারা রিস্ক নিতে ভয় পায়না। নেপালের পার্বত্য এলাকার দুঃসাহসিক যোদ্ধা গোর্খা! যুদ্ধই তাঁদের পেশা। বছরের পর বছর ধরে তাঁরা নিজস্ব প্রাচীন পন্থায় যুদ্ধ করে আসছেন। বিভিন্ন দেশে যুদ্ধের জন্যও গোর্খাদের ডাক পড়ে। ঐতিহ্য বহন করতে আজও তাঁরা যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের সঙ্গে রাখেন ১৮ ইঞ্চি লম্বা বাঁকা ছুরি বা কুকরি। কুকরি নিয়ে গোর্খাদের মধ্যে নানা প্রাচীন প্রথার চল রয়েছে। তারা আধুনিক পদ্ধতিতে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রও ব্যবহার করে থাকেন। সেই গোর্খারাই টার্গেটের দিকে এগিয়ে দিচ্ছে পুতিনকে। পুতিন সরকারের জবরদস্ত প্ল্যান ফাঁস করল নেপাল পুলিশ। কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হলো মস্কোকে।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর হয়ে লড়াই করতে গিয়ে অলরেডি ৬ নেপালি সেনার মৃত্যুর ঘটনায় কাঠমান্ডুর তরফে কূটনৈতিক স্তরে মস্কোর কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। মস্কোর কাছে ক্ষতিপূরণ ও চেয়েছে কাঠমান্ডু। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে জোর করে নেপালি নাগরিকদের নিয়োগ নিয়েও কড়া মন্তব্য করেছে নেপাল। সাফ বলা হয়েছে, আগামিদিনে যেন নেপালের কোনও নাগরিককে সেনা বাহিনীতে যোগ না দেওয়ায় রাশিয়া। এই মুহূর্তে যারা রুশ ফৌজে রয়েছেন তাদের যত দ্রুত সম্ভব নেপালে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এবার নেপাল পুলিশের দাবি, মানব পাচারকারী চক্রের ১০ মাথাকে অলরেডি তারা গ্রেফতার করেছে। জানা গেছে, ওই চক্রের মাধ্যমেই রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনে লড়তে যাওয়া ছ’জন নেপালি ভাড়াটে যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। কিভাবে চলে এই চক্রের কাজ? প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতেরা বেকার নেপালি তরুণদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ দেওয়ার নাম করে তাঁদের ট্যুরিস্ট ভিসায় আমেরিকায় পাঠাতেন। তার পর রুশ চক্রের মাধ্যমে সামান্য প্রশিক্ষণ দিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধে পাঠানো হত।

    চলতি বছরের জুন মাসের বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী অনেকে স্টুডেন্ট ভিসায় নেপাল থেকে রাশিয়ায় যান। যখন রুশ সেনাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয় তখন প্রতিদিনের নতুন আইন নেপালিদের জন্য নিয়ে আসে সুবর্ণ সুযোগ। রুশ সেনাবাহিনীতে বিদেশীদের যোগদান অনেক সহজ হয়ে যায়। নেপালের চরম দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পেতে বড় রিস্ক নিয়ে নেপালিরা লিখিত এবং মেডিকেল পরীক্ষার পর রাশিয়ান সেনাবাহিনী জয়েন করে। প্রশিক্ষণের সময় নেপালিদের ৬০ হাজার নেপালি রুপির সমান বেতন দেওয়া হয়। অনেকের সঙ্গে চুক্তি হয়ে গেছে, প্রশিক্ষণের পরে কেউ কেউ তিন লাখ নেপালি রুপির বেশি বেতন পান। না, এখানেই শেষ নয়। এক বছরের চুক্তি শেষ হওয়ার পরে, সৈন্যরা রাশিয়ান পাসপোর্ট পাবেন, তারা তাদের পরিবারের সদস্যদের রাশিয়ায় আনতে পারবেন। এইসব প্রলোভনের ফাঁদেই পা দেন নেপালি তরুণরা। কিন্তু কেন রুশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করাটাই নেপালিদের জন্য এত ভালো সুযোগ বলে মনে হল? বিশেষজ্ঞদের মতে নেপালে ভালো সুযোগের অভাব রয়েছে ফলে দেশটার তরুণরা বিদেশি সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছে।

    এটা তো ঠিক, সেনাবাহিনীতে তাঁরা কয়েক মাসে যে পরিমাণ টাকা উপার্জন করেছে তার সমপরিমাণ আয় অন্য কোনো খাত থেকে করতে গেলে অন্তত কয়েক বছর সময় লেগে যেতো। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে, রিস্ক আছে জীবনের। কিন্তু, তারপরেও রাশিয়ায় পারি দেওয়া নেপালিরা বলছেন জীবনের মায়ায় নেপালে ফিরে গেলে, সেখানে কী তাঁরা চাকরি পাবে? তবে এই বিষয়টা নেপালের নীতির সাথে যায়না। কারণ, ১৯৪৭ সালে নেপালি নাগরিকদের বিদেশি সেনাবাহিনীতে নিয়োগের বিষয়ে ব্রিটেন, নেপাল এবং ভারতের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছিল। চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে নেপালি নাগরিকদের ভারতীয় ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হবে। কিন্তু, রাশিয়ার সাথেৎএই বিষয়ক কোনো চুক্তি নেই নেপালের কিন্তু ব্রিটেনের হয়ে যুদ্ধ করলেও গোর্খারা সে দেশের নাগরিকত্ব পান না। এমনকি, তাঁদের বেতন কাঠামো, পেনশন সাধারণ ব্রিটিশ সেনার তুলনায় কম। বেতন এবং পেনশনের বিবিধ দাবিতে দীর্ঘ দিন লড়াই চালাচ্ছেন নেপালি গোর্খারা। সেক্ষেত্রে, লাইফ রিস্কের পরেও রাশিয়াকে বেছে নিয়েছে গোর্খারা। আর এখন জীবন দিয়ে তার দাম চোকাতে হচ্ছে নেপালিদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিনের কালকুঠুরিতে জেলেনেস্কি ? লোহার পাঁচিল তুললো যুক্তরাষ্ট্র, অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনের কালকুঠুরিতে আটকা পড়লেন জেলেনেস্কি? ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে লোহার পাঁচিল তুললো হোয়াইট হাউস। সেফ জোনে ঢুকে গেলেন বাইডেন। কৃষ্ণ সাগরের জলের তোড়ে ভেসে যাবে ইউক্রেন? পুতিনের ছকে হামাস ইসরায়েল যুদ্ধের ছায়া? ১৮০ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে ঘুরে গেল ওয়াশিংটন। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে মোড় ঘোরানো শীত। অর্থভাণ্ডার শূণ্য, নেই অস্ত্র সৈন্য। নরকের দুয়ারে দাঁড়িয়ে ইউক্রেন। কৃষ্ণ সাগরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইউক্রেন। শীতের ছক ভাঙা খেলার টেকনিকে রাশিয়াকে টেক্কা দিতে মরিয়া ভলোদিমির জেলেনেস্কি। আর এই মোক্ষম সময়েই মেরুদণ্ডে ঘা দিল যুক্তরাষ্ট্র। রণক্ষেত্রে মাঝপথে জেলেনস্কির হাত ছাড়লেন বাইডেন। তাহলে কি, রাশিয়ার আক্রমণের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে আর সমর্থন করবেনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র?

    হোয়াইট হাউজের বাজেট ডিরেক্টরের কথাতেই ঘুম ছুটে গেল জেলেনেস্কির। দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। আমেরিকার অস্ত্রবলে রাশিয়াকে কড়া ডোজ দিয়েছে কিয়েভ কিন্তু এবার ভাঁড়ারে টান পড়তে শুরু করেছে ওয়াশিংটনের। অনির্দিষ্ট কালের জন্য ইউক্রেনকে মদত জুগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, জানিয়ে দিল হোয়াইট হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তে কোন অন্ধকারে ডুবতে পারে গোটা ইউক্রেন আন্দাজ করতে পারছেন তো? পুতিনের জয় এবার রুখতে পারলে হয়। কঠিন শীত জেলেনেস্কির দেশে। যুদ্ধে ইউক্রেনকে সাহায্য করার জন্য সময় ও অর্থ দুই-ই ফুরিয়ে আসছে আমেরিকার। কংগ্রেসের পদক্ষেপ ছাড়া চলতি বছরের শেষে ইউক্রেনকে অস্ত্র প্রদান করার মতো অর্থ ফুরিয়ে আসবে। আমেরিকার সামরিক বাহিনীর ভাণ্ডার থেকেও অস্ত্র পাঠানো যাবে না।

    আমাদের টাকা প্রায় শেষ হোয়াইট হাউসের বাজেট ডিরেক্টর শালান্ডা ইয়ং, হাউসের স্পিকার তথা রিপাবলিকান দলের সদস্য মাইক জনসন-সহ কংগ্রেসের অন্যান্য সদস্যদের চিঠি লিখে একথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। গোটা বিশ্ব এটা জানে পুতিনের বিরুদ্ধে জেলে নেস্কির লড়াইয়ের সবথেকে বড় সাপোর্ট যুক্তরাষ্ট্র। পশ্চিমারা এই যুদ্ধে যেমন অগাধ টাকা ঢেলেছে তেমনি পাঠিয়েছে ভুরি ভুরি অস্ত্র। সেই যুক্তরাষ্ট্র মাঝপথে হাত ছাড়লে ইউক্রেনের বিপদ আটকানো কঠিন হবে। তাই, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছে যুক্তরাষ্ট্রও। আর, বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে কিয়েভের আর্থিক অনুদানে কাটছাঁট করলে, সামরিক সাহায্য না করলে যুদ্ধের ময়দানে রাশিয়ার জয়ের সম্ভাবনা বাড়বে কিন্তু রাতারাতি এতটা করুন অবস্থা হলো কি করে? যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটা দেশের।

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, ইউক্রেনকে বেহিসাব সামরিক সহায়তার দিয়ে গেছে আমেরিকা, ফলে দেশটির অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে এই সহায়তা নিয়ে আমেরিকার অন্দরেই চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এমনিতেই মুদ্রাস্ফীতিতে জেরবার বাইডেনের দেশ। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থসাহায্য বন্ধের পক্ষেই সওয়াল করছেন সে দেশের বহু জনপ্রতিনিধি। এর মধ্যে শুরু হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে হামাস ইসরাইল যুদ্ধ। এই যুদ্ধেও ইসরাইলকে পেছন থেকে ফুল সাপোর্ট করছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই গত অক্টোবর মাসে কংগ্রেসের কাছে ১০৬ বিলিয়ন ডলারের তহবিলের অনুরোধ জানায় জো বাইডেন প্রশাসন। সীমান্ত সুরক্ষা, ইউক্রেন ও ইজরায়েলকে সাহায্য করার লক্ষ্যে ওই অর্থ চাওয়া হয়েছিল কিন্তু, তারপরেও সমস্যা মেটেনি। আর যুদ্ধ বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী বছর টেনে নিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা এটা নয়। রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে যুদ্ধে সাহায্য করার সময় এখনই। কংগ্রেসের কাজ করার সময় এসেছে।

    আর, ইউক্রেনও মরিয়া হয়ে আরও বিদেশি সাহায্যের জন্য চাপ দিচ্ছে। কারণ রুশ বাহিনী কিয়েভের বহুমুখী পাল্টা আক্রমণ বন্ধ রেখে পূর্ব দিকে আক্রমণ বাড়িয়েছে। বাড়াচ্ছে সৈন্য সংখ্যা। নামাচ্ছে ট্যাঙ্ক। হাজারো চ্যালেঞ্জ সত্বেও ফ্রন্টলাইনে দাঁড়িয়ে লড়ছে জেলেনেস্কির সেনারা। আর এই ক্রুশিয়াল টাইমেই আমেরিকা শোনালো দুঃসংবাদ। যার ফলে জেলেনেস্কির দেশ যে সামনের দিনগুলোতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে সেটা নতুন করে বলে বোঝানোর দরকার হয় না। পরিস্থিতি কোন দিকে মন নেবে এখন তার পুরোটাই নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ন্যাটোর বোকামিতে জেলেনস্কি জব্দ! মার্কিন অস্ত্রের প্রয়োজনই নেই, রাশিয়ার বড় ফায়দা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ন্যাটোর বোকামিতে ইউক্রেন ফের বড় হামলা। রাশিয়া যে ড্রোন হামলা করেছে তাতে হতবাক পশ্চিমা বিশ্ব। কাড়ি কাড়ি টাকার মার্কিন অস্ত্রসাহায্য বিপদে কাজে আসছে না? জেলেনস্কি প্রায়োরিটি বুঝিয়ে দিলেন আসলে ইউক্রেনের কি দরকার। ইউক্রেনের মাটিতে আচমকা আছড়ে পড়েছে ঝাঁকে ঝাঁকে মৃত্যুদূত। সবমিলিয়ে কমপক্ষে ৭৫টি ড্রোন আছড়ে পড়েছে ইউক্রেনের দুটি অঞ্চলে। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে ইউক্রেন কিন্তু কিয়েভের কি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একেবারেই অকেজো হয়ে গেছে নাকি? সম্প্রতিই মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব অস্টিন লয়েড এসেছিলেন। না কিয়েভে আরও ১০০ মিলিয়নের সামরিক সাহায্য ঘোষণা করে দিয়ে গেছিলেন। আমেরিকা বা ন্যাটো কি এমন অস্ত্র দিচ্ছে ইউক্রেনকে যে রাশিয়া হামলা করলে তা কোনওকাজেই লাগছে না! সত্যিটা জানলে সত্যি অবাক হয়ে যাবেন।

    আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন ইউক্রেন যখন রক্তাক্ত হচ্ছে তার মানে হচ্ছে ন্যাটোর সামরিক পরিকল্পনা ত্রুটিযুক্ত। ইউক্রেনীয় বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সেনা ও অস্ত্রশস্ত্র খোয়া যাওয়ার ঘটনা বলে দেয় ন্যাটোর পরিকল্পনা টেকসই ছিল না। শনিবার ছয় ঘণ্টা ধরে টানা চলে রাশিয়ার হামলা। ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন দিয়ে এ হামলা চালানো হয়। ইউক্রেনের সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন হামলা চালানো ৭৫টি ড্রোনের ৭১টিই ভূপাতিত হয়েছে। আর এর ঠিক পরেই ইউক্রেনের আরও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। জেলেনস্কি এটাও পরিস্কার বলে দেন ইউক্রেনে আকাশ প্রতিরক্ষার ঘাটতি রয়েছে। এটি কোনও গোপন বিষয় নয় আর শীত পড়ার আগে সেই সুযোগটাই বড় লেভেলে তুলছে রাশিয়া ও রাশিয়ার বাদশা পুতিন।

    এছাড়াও গোলাবারুদের ক্ষেত্রে একটা প্রধান সংকট তৈরি হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে কতটা গোলাবারুদ দরকার সেই হিসাব করতে পারেননি ন্যাটোর পরিকল্পকেরা। দৃষ্টান্ত হিসেবে বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ইউক্রেনের কাছে মূলত দূরপাল্লার গোলা সরবরাহ করেছে কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় সেখানেও অভাব। ইউরোপীয়রা এখন বলছেন ইউক্রেনে পাঠানো গোলাবারুদ ফিরিয়ে আনা দরকার। এর কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন তাদের নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য তাদের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদ নেই। এর মানে ইউক্রেনকে সাহায্য করতে গিয়ে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা দুর্বল হচ্ছে। এর ফায়দাও তো রাশিয়া তুলতে পারে। জেলেনস্কির দাবি ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি রুটগুলোর পাশাপাশি রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোকে রক্ষা করার জন্য কিয়েভের আরও আকাশ প্রতিরক্ষা প্রয়োজন কিন্তু কে দেবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা? বড় প্রশ্ন উঠছে সেখানেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিনের মোক্ষম অস্ত্রের ফর্মূলা এল দিল্লির হাতে! মোদী আচমকা তেজস চালালেন কেন ? পাকিস্তান চুপ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত আর রাশিয়া মিলে পাকিস্তানকে খেলা দেখাবে। মোদী কেন তেজস চালালেন হঠাৎ? পুতিনের বড় অফার লুফে নিলেন নরেন্দ্র মোদী। ভারত শুধু হাতিয়ার কিনবেই না, প্ল্যান অনেক বড়। অনেক পর দুনিয়াকে চমকে দিয়ে বড় খবর দিল দিল্লি ও মস্কো। এই খবর যেমন পাকিস্তানের জন্য ব্যাড নিউজ। সেরকমই চীনও অবাক হয়ে যাচ্ছে রাশিয়াকে এই ভূমিকায় দেখে। মোদীকে এইরূপে দেখে পাকিস্তান থরথর করে কাঁপছে। ভারতে তৈরি তেজস বিমানে চড়ে সওয়ার নমো। এই ছবি শত্রুদের বুকে ভয় ধরাচ্ছে। সেই সঙ্গে কোন একটা নয় দু দুটো খতরনাক অস্ত্রের ডিল আর সেটা কোনও ছোটখাটো ডিল নয়, মোদী সরকার এর থেকে তুলতে চলেছে অন্য ফায়দা। বিশ্বে যুদ্ধবিমান তৈরিতে রাশিয়ার দাপটের কথা কে না জানে। এরই মধ্যে তারা বহুবার তাদের শক্তির পরিচয়ও দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-থার্টি ফাইভ মডেলের যুদ্ধবিমানকে টেক্কা দিতে এবার পঞ্চম প্রজন্মের প্রটোটাইপ সুখোই। ২০২১ সালেই এই যুদ্ধবিমানের পরিচয় বিশ্বের সঙ্গে করিয়ে দিয়েছিলেন পুতিন।

    এবার ভারত কিনছে সেই ফাইটার জেটই রাশিয়া থেকে।শুধু ফিফথ জেনারেশনের সুখোই নয় সঙ্গে রয়েছে স্বল্পপাল্লার বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ইগলা এস। Sukhoi Su-57 রাশিয়ার প্রথম স্টিলথ বিমান একজন পাইলট এটি ওড়ান। এই ফাইটার জেটের দৈর্ঘ্য ৬৫.১১ ফুট। ডানার বিস্তার ৪৬.৩ ফুট এবং উচ্চতা ১৫.১ ফুট, সর্বোচ্চ গতি ২১৩৫ কিমি/ঘণ্টা। সুপারসনিক রেঞ্জ ১৫০০ কিমি।রাশিয়া এখনও পর্যন্ত ৩২টি Su-57 যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে। Su-57 ফাইটার জেটে দুটি Saturn L-41F1। আফটারবার্নিং টার্বোফ্যান ইঞ্জিন রয়েছে যা এটিকে ৮৮ থেকে ১৪৭ কিলোনিউটন শক্তি দেয়। তাদের সাহায্যে এটি সর্বোচ্চ ৬৬ হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছতে পারে। এর পরিসীমা ৩৫০০ কিলোমিটার। যদি দুটি আউটবোর্ড ফুয়েল ট্যাঙ্কের ব্যবস্থা করা হয় তবে এটি ৪৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে।

    এটা যেমন চমক তার থেকে বড় চমক হল ভারত শুধু এই দুর্ধর্ষ হাতিয়ার কিনবেই এবার ভারতেও শুরু হতে চলেছে এর প্রোডাকশন। দিল্লি এখন যে দেশ থেকে যে যুদ্ধাস্ত্রই কেনে সেটাকে মেক ইন ইন্ডিয়া ইনিসিয়েটিভের আন্ডারেই নেয় ভারত। এর মানে হাতিয়ারের প্রোডাকশন তো ভারতে হবে। হাতিয়ারের টেকনলজিও থাকবে ভারতেই হাতে। ভারত তার দেশের জলবায়ু ও ভূগোল অনুযায়ী পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট তৈরি করবে। এর মানে ভারত কিনবেও ভারত বেচবেও। রাশিয়ার সঙ্গে হল না মোদী সরকারের এক ঢিলে দু পাখি মারা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিনের কোন ওষুধে পাথড় হবে ইউক্রেন, মাটির তলায় হিটার ? শীতের পাওয়ার বুস্টার জেলেনেস্কির তাকত

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনের গোপন টেকনিক, কোন ওষুধে এবার পাথড় হয়ে যাবে ইউক্রেনের সেনারা? মাটির তলায় কাটবে শীত? দেখুন জেলেনেস্কির গোপন ডেরা। শীত যুদ্ধের জন্য কী খেয়ে বাঁচছেন ইউক্রেনীয় সেনারা? ক্যাম্পের গায়ে কী জড়াচ্ছে ইউক্রেন? এতো এতো ব্যাটারি মজুত হচ্ছে কোন গুহায়? ধক আছে কিয়েভের, দেখুন লাখ লাখ টাকা খরচ করে পুতিনের জন্য কি বানাচ্ছে। বড় খবর ফাঁস, ইউক্রেনের মাটিতে থরে থরে সাজানো হিটার? কোন পাওয়ার বুস্টারের জোরে এতো তাকাত ভলোদিমির জেলেনেস্কির? জাল বিছানোর সুযোগ দেবেনা পুতিনকে। ইউক্রেনের এই ছক ভাঙা খেলার ধাঁচ বোঝা কিন্তু খুব কঠিন। পুতিন কিন্তু স্ট্রেট কিয়েভের মেরুদন্ডে আঘাত করার প্ল্যান সাজাচ্ছেন। আর ইউক্রেন সেনারা শীতের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে।

    পাতলা আবরণের আড়ালে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের এই রহস্যময় শেল্টারের আয়তন ২০ বর্গ মিটার। সেখানের ক্যাম্পগুলোতে বিছানা, রান্নাঘর, ডিজেল চালিত গাড়ির হিটার বসানো হয়েছে। বিদ্যুতের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে গাড়ির ব্যাটারি। আহত সেনাদের চিকিৎসা করে সুস্থ করে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে সামরিক চিকিৎসকরাও। জানিয়ে রাখি, যুদ্ধের প্রথম শীত কিন্তু ইউক্রেনের জন্য ভীষণ কঠিন ছিল। এবার দ্বিতীয় দফার শীতে ঢুকতে যাচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেক্ষেত্রে রাশিয়ার ২২ মাসের আক্রমণে এই লড়াই কতটা তীব্র হবে, কতটা ভয়াবহ হবে সেই প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে। মস্কো তাদের সাঁজোয়া যান উৎপাদন ৭ গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।চলতি বছরের মধ্যে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীকে ২১০০ টির মতো ট্যাংক সরবরাহ করা হবে, এর মধ্যে অলরেডি ১৯০০ টি ট্যাংক হস্তান্তর করা হয়ে গেছে। ইউক্রেনের বুকে যে বড় কোন অপারেশনের প্ল্যান রয়েছে পুতিনের, এটা স্পষ্ট।

    মনে করিয়ে দিই, গত বছরের শীতে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিডের উপরে হামলা চালিয়েছিল রাশিয়া। ফলে প্রবল শীতে বিদ্যুৎ ও হিটিং ব্যবস্থা ছাড়াই থাকতে হয়েছিল কয়েক হাজার ইউক্রেনবাসীকে। এই শীতেও তেমন কিছু ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি সরকারের। তাই, বাইরের তাপমাত্রা হিম শীতল হলেও, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে এমন টেকনিকে যে ভেতরে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলেনেস্কির সেনারা এখন অনেক বেশি অভিজ্ঞ। সেনারা বলছেন, তারা মানিয়ে নেওয়া শিখে গেছেন। জেনে গেছেন কীভাবে উষ্ণ থাকতে হয়। এমনকি রাশিয়ার বিমান ও ড্রোন হামলা থেকে রক্ষা পেতে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকেন তারা কিন্তু তারপরেও রিস্ক থাকছেই। শীতে ঠান্ডা ও ইঁদুরের উপদ্রবের পাশাপাশি গাছের পাতাও ঝরে যায়। ফলে রুশ ড্রোনের ক্যামেরায় ইউক্রেনীয় সেনাদের অবস্থান ধরা পড়ার ঝুঁকি বাড়ে।কাদার কারণে রাস্তাগুলো দিয়ে অস্ত্র আনা-নেওয়া কঠিন হয় ওঠে, আটকে যায় যানবাহন। এই পরিবেশে যুদ্ধক্ষেত্র অনেক বেশি রিস্কি হয়ে ওঠে, সুবিধা পায় প্রতিপক্ষ। এবার সামরিক চিকিৎসকরাও ভেবে পা ফেলেছেন। গত বছরের শীত থেকে অভিজ্ঞতা নিয়েছেন তাঁরাও।

    সামরিক চিকিৎসকরাও শীতের জন্য এবার ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন। সেনাদের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে কর্মীরা দরজার ও জানালা লাগিয়েছেন কাঠ ও বোর্ড দিয়ে। কিছু ঘরে কাঠ পোড়ানোর জন্য আগুনের বন্দোবস্ত এবং গাড়ির হিটার বসানো হয়েছে! চিকিৎসকরাও বলছেন, গত শীতে কাজ করা অনেক কঠিন ছিল তাদের কাছে। সঠিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার মতো সময় ছিল না। ফলে আহত সেনারা অনেক সময় খোলা জায়গায় শুয়ে থাকার পর রক্তক্ষরণ এবং হাইপোথার্মিয়ায় ভুগেছেন। আর এবার? এবারেও তাপমাত্রা শূন্যের নীচে নেমে যাওয়ায় তুষারপাত খুব হতে পারে। তাই ইউক্রেন সেনারা এখন হাত উষ্ণ রাখতে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করছে। শীতের মধ্যে যুদ্ধ করার কৌশল বহু বছর ধরে রপ্ত করা আছে রুশ সেনাদের। তাই তাঁদের সঙ্গে মুখোমুখি যুদ্ধ করা ইউক্রেনের জন্য অবশ্যই চাপের বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    পরিস্থিতি বেগতিক বুঝলে রাশিয়ার তেল গ্যাস পরিকাঠামোর উপরে পাল্টা হামলা চালাতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইউক্রেন। একটা কথা বলতেই হচ্ছে, রাশিয়াকে পাল্টা দিতে ইউক্রেন জোরদার জমজমাট প্ল্যান সাজালেও জেলেনেস্কির সামনের দিনগুলো যে চাপ বাড়াবে সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিন যুদ্ধ থামিয়ে শান্তি চান! মোদীর কাছে স্বীকারোক্তি, মিটে গেল সমস্যা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিন যুদ্ধ থামিয়ে শান্তি আলোচনা করবেন ইউক্রেনের সঙ্গে। মোদীর সামনে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট। যুদ্ধ কি আর টানতে পারছে না রাশিয়া। জি২০ সম্মেলনে পুতিনে মন্তব্যে হতবাক বিশ্ব। পুতিনকে কি চাপে পড়ে এমন কথা বলতে হল? নাকি আসলে এবার সত্যি যুদ্ধ থামাতে চাইছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। জি২০র মঞ্চে মোদী এমন কি বললেন পুতিনকে? যে সোজা যুদ্ধ থামিয়ে শান্তির বার্তা দিতে শুরু করলেন রাশিয়ার বাদশা। ইজরায়েল এবং হামাসের সংঘাত যেন আঞ্চলিক যুদ্ধের চেহারা না নেয় সেটা সুনিশ্চিত করার জন্য একযোগে যা করার করতে হবে। জি২০ বৈঠকে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রনেতাদের উদ্দেশে ঠিক এই বার্তা দেন নমো। তাতেই যেন রাশিয়ার টনক নড়ে গেল।

    ভারতকে বিশেষ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকেই সত্যিটা বলে দিল মস্কো, নাকি এটা শুধুমাত্র পুতিনের বিশ্বের দরবারে সাধু সাজার চেষ্টা? ভ্লাদিমীর পুতিন সকলের সামনে বললেন ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনা করতে তারা রাজি। শুধু তাই নয় এই পুতিনের কথা শুনলে আপনার মনে হবেই না যে ইনি ইউক্রেনে এত ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চাইলে যাচ্ছেন। কারণ পুতিন এদিন বলেন কিয়েভে চলা রাশিয়ার “স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন” আসলেই ট্র্যাজেডি। আসলেই দুঃখজনক ঘটনা রাশিয়া তো কোনওদিনও শান্তি আলোচনা থেকে মুখ ফেরায়নি। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নির্বাহী আদেশ জারি করে রাশিয়ার সঙ্গে সব ধরনের শান্তি আলোচনার উদ্যোগকে নিষিদ্ধ করেছেন ঠিক এমনটাই দাবি ভ্লাদিমীর পুতিনের। জি২০তে পুতিনের এমন দাবি শুনে অনেকেই বলছেন তাহলে কি ভারতের নেতৃত্বে এবার একটু সুর নরম হচ্ছে পুতিনের? যুদ্ধ প্রায় সাড়ে ছশ দিনের কাছকাছি হতে চলছে এবার। জানা গিয়েছে জি২০ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি ১৭ মিনিট ছিলেন পুতিন। সেখানে ভারত ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর ও স্পেনের কথা শোনেন তিনি। পুতিনের সেগমেন্টে আমেরিকা ও চীনের এন্ট্রি ছিল না।

    এবার ফিরে আসি শান্তি চুক্তির কথায়। তাহলে সত্যিই কি পুতিন চাইছেন যুদ্ধ থামাতে। বিশেষজ্ঞদের দাবি পুতিনের মন্তব্যে সেই রেশ পাওয়া গেলেও যুদ্ধের মাঠে একেবারেই শান্তির কোনও নামগন্ধ নেই। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা হয়ে গেছে কিছুদিন আগেই। এদিকে ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অস্টিন লয়েড আকস্মিক সফরে গিয়ে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জেলেনস্কিকে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তার একটি প্যাকেজ দেওয়ার ঘোষণা করে দিয়ে গিয়েছেন। সেখানে মনে হয় রাশিয়া যুদ্ধ থামাবে? পুতিন যে শান্তির কথা বলেছেন তা কিছুটা এরকম যে এ সময় বিশ্বনেতাদের প্রতি এই সংকটের সমাধান খোঁজার আহ্বান জানিয়ে পুতিন বলেন নিরপেক্ষভাবে আমাদের সবাইকে ভাবতে হবে কীভাবে এই ট্র্যাজেডির ইতি টানা যায়। যদিও এর পাল্টা দিতে থামেননি জেলেনস্কি। তার দাবি যদি ইউক্রেন দোনবাস ও ক্রিমিয়ার ওপর অধিকার ছেড়ে দেয় তা হলে হয়তো রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই বিশেষজ্ঞদের দাবি সব মিলিয়ে পুতিন যে বক্তব্য রাখলেন তাতে বাস্তবতার সঙ্গে বিশেষ কোনও মিল নেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুতিনকে মোদী চরম ওয়ার্নিং দেবেন! বাড়াবাড়ি হচ্ছে পাকিস্তানকে নিয়ে, ব্রিকসে এন্ট্রি নাকি ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুতিনকে ওয়ার্নিং দেবেন নরেন্দ্র মোদী! বাড়বাড়ি হচ্ছে এবার। পাকিস্তান ঢুকছে ব্রিকসে ভারত কি আটকাতে পারবে? চীনের বড়সড় লাভ। রাশিয়ার হঠাৎ ভারতবিরোধী এমন স্টেপ নিল কেন? পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকলে ভারতের কোন ক্ষতি হবে? পাকিস্তান ব্রিকসের জন্য অ্যাপ্লাই করে দিয়েছে ভারত কি এই গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাবে তাহলে? আর্জেন্টিনা আচমকা কেন বলে দিল তারা ব্রিকসে ঢুকতে চায় না। ভারতের পরম বন্ধু রাশিয়াই খাল কেটে কুমির ঢোকাতে পারে। মস্কোর পিছনে ইউক্রেনকে এতটা সাহায্য করার পরও কিছুতেই পাকিস্তান প্রীতি কমছে না রাশিয়ার। এবার রাশিয়া চাইলেই পাকিস্তান হয়ে যেতে পারে ব্রিকসের মেম্বার। রিপোর্ট বলছে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে ব্রিকসের মেম্বারশিপ পাওয়ার জন্য পাকিস্তান খাতায় কলমে কাজ সেরে নিয়েছে। এবার ব্রিকসের সদস্যদের অনুমতি দেওয়া পালা। ব্রিকসের সদস্যদের মধ্যে চীন তো দুহাত খুলে আমন্ত্রণ জানিয়েই রেখেছে পাকিস্তানকে। কিন্তু ভারত? ভারতের স্ট্যান্ড কী হবে এক্ষেত্রে? ২০২৪ রাশিয়ার কাজানে এবার ব্রিকসের প্রতিনিধিত্ব করবে মস্কো।

    আর পাকিস্তান এই সুযোগকে কোনওমতেই হারাতে চায় না। চলতি বছরই অগাস্ট মাসে এই একই খবর হয়েছিল যে পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে সেইসঙ্গে ইরান, সৌদির মতো আরও বিভিন্ন দেশ। তখন নয়া দিল্লি পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিল ব্রিকসের সম্প্রসারণে কোনও আপত্তি নেই ভারতের কিন্তু পাকিস্তানকে নিয়েই নীরবই ছিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। তাতেই বোঝা গিয়েছিল ভারত এখনই ইসলামাবাদের এন্ট্রি নিয়ে ভাবতে রাজি নয়। কিন্তু এবার দিল্লি রাশিয়াকে কি ভাবে আটকাবে?
    কারণ বিশেষজ্ঞদের বেশিরভাগি মনে করছেন রাশিয়া ব্রিকসের পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে খুব একটা আপত্তি করবে না। তাহলে মোদী কি ওয়ার্নিং দিতে পারেন পুতিনকে। নাকি ভারত নিজেই ব্রিকস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ভাববে। কূটনৈতিক মহল বলছে না এই কথাটা বলাটা যতটা সহজ ব্রিকস থেকে হুট করে বেরিয়ে যাওয়ার ভারতের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ ভারতের ম্যাসিভ বিনিয়োগ রয়েছে ব্রিকসে। ব্রিকসের বহু উদ্যোগে নয়াদিল্লির বড় ভূমিকা রয়েছে। আর সবথেকে বড় কথা ভারত কি ভিতু নাকি যে কাঙাল পাকিস্তান ব্রিকসে ঢুকলে সেখান থেকে বেরিয়ে যাবে ভারত।

    বরং কূটনৈতিকভাবে নয়াদিল্লি অন্যপথে চাপ তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে বলে রাখি আর্জেন্টিনা ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে না কারণ সেদেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার মিলেই কার্যত প্রো-আমেরিকান বলেই পরিচিত। সম্ভবত সেই প্রভাবেই প্রভাবিত হয়ে আর্জেন্টিনা ব্রিকসে ঢুকতে চাইছে না। এদিকে পাকিস্তান ব্রিকসে অ্যাপ্লাই করার খবরেও ভারতের তরফ থেকে কিন্তু কোনও ধরণের প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। তাই ভারত কি স্টেপ নেবে কি নিতে পারে এ নিয়ে এখনও কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। অনেকেই বলছেন ২০২৪ সাল অনেক বেশি ইন্টারেস্টিং হতে পারে। এই বছরকে মেক অ্যান্ড ব্রেক ইয়ারও বলা হচ্ছে কারণ এবছরে অনেক কিছুই ভাঙতে পারে, অনেক কিছুই গড়তে পারে। এবার দেখার পাকিস্তান ব্রিকসে ঢোকার টিকিট পেলে ভারত ঠিক কি স্টেপ নেয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version