Tag: Russia President Vladimir Putin

  • Russia china: যুদ্ধে রাশিয়া বড় সাহায্য করছে চিন? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুমকি, কী হতে চলেছে?

    Russia china: যুদ্ধে রাশিয়া বড় সাহায্য করছে চিন? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কড়া হুমকি, কী হতে চলেছে?

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    Russia china: চিন রাশিয়াকে যুদ্ধে বড়সড় সাহায্য করতে চলেছে৷ অস্ত্র, সামরিক শক্তি নাকি অন্য কিছু পুতিনকে কি দেবেন জিনপিং? আমেরিকার হুঙ্কার চিনকে আটকাতে পারবে? বড়সড় হুমকি মুখে পড়ে গেল ইউক্রেন চিন যুদ্ধের ময়দানে কোন হাতিয়ার নিয়ে নামছে? সবথেকে বড় ভয় তো চিনই৷ টানা একটা বছর চুপ থাকার পর এবার কোন রূপ দেখাবে বেজিং? চিনের ডিপ্লোম্যাট তথা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই মস্কোয় গিয়েছিলেন কিছু একটা বড় যে হতে চলেছিল বোঝা যাচ্ছিল তখনই৷ চিন রাশিয়াকে যুদ্ধে মিলিটারি সাহায্য দিতে পারে৷ শুধুই কি তাই হাতিয়ার বানানোর কাঁচামালও দিতে পারে চিন৷ চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইকে সাবধান করে দিল আমেরিকা৷ ইউক্রেন এবার কোথায় যাবে, কিভাবে বাঁচাবে নিজেদের?

    বলতে বাধা নেই আমেরিকা এবার ভয় পাচ্ছে নাকি ড্রাগনের দেশকে৷ মার্কিন যু্ক্তরাষ্ট্র ফাঁস করে দিয়েছে পুতিনের নয়া স্ট্র্যাটেজি৷ ভালো করে বুঝুন রাশিয়া কিন্তু সাহায্য চাইতে যায়নি চিনে৷ চিনের বড়সড় কূটনৈতিক ব্যক্তিত্ব ওয়াং ই সোজা এল মস্কো সফরে৷ আর সেই ওয়াং ইকে এবার বড়সড় হুঁশিয়ারি দিচ্ছে আমেরিকা৷ বিবিসি রিপোর্ট বলছে, আমেরিকার সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যাটন্টি ব্লিঙ্কনের হুঙ্কার৷ রাশিয়াকে অস্ত্র দিলে মারাত্মক ফল ভুগতে হবে চিনকে৷ চিন রাশিয়াকে ইউনিফর্ম ও বডি ওয়ারমার দিতে চলেছে এমনটা আমেরিকার দাবি৷

    অনেকেই বলছেন চিন এসব কথা কানেও তুলবে না৷ আমেরিকা তুলেছিল নাকি রাশিয়ার এত হুঙ্কার সত্ত্বেও৷ ইউক্রেনকে লাগাতার সাহায্য এমনকি সামর্থর বাইরে গিয়ে ট্যাঙ্কার থেকে শুরু করে অস্ত্র কি দেয়নি পশ্চিমারা৷ তবে এবার যদি চিনই পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে গিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে হাত মেলায় বুঝতে পারছেন৷ ২০২৩ এবার ভয়ানক কিছুর স্বাক্ষী হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে৷ কূটনৈতিক মহল বলছে চিন রাশিয়াকে শুধু প্রতিরক্ষায় নয় আর্থিকভাবেও সাহায্য করতে পারে৷ ২০২২ মার্চ মাস যুদ্ধ শুরুর কয়েকদিনের মধ্যে আমেরিকা চিনকে একইভাবে চমকানোর চেষ্টা করেছিল৷ চিন নিজের মর্জির মালিক কারোর হুমকিতে ভয় পায়না এবার পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে সেটাই৷

    আমেরিকা নিজেই এই মূহুর্তে বিশাল একটা হুমকির মধ্যে রয়েছে বলছে কূটনৈতিক মহল৷ একেই চিনের স্পাই বেলুন নিয়ে পাগল হয়ে যাচ্ছে তারা৷ তারপর এবার যদি রাশিয়াকে সব উজার করে দেয় চিন৷ তাহলে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলোর, কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক সবক্ষেত্রেই বড় এফেক্ট পড়বেই পড়বে৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia-Ukraine War: নতুন বছরের শুরুতে ইউক্রেনের হামলা, আহত রুশ সামরিক বাহিনীর অনেকে!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Russia-Ukraine War: বছর গড়িয়ে গেলেও যুদ্ধ থামেনি। তবে নতুন বছরের প্রথম রাতে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন (Ukraine)। এবার প্রত্যাঘাত করেছে জেলেনস্কির দেশ। একের পর এক রকেট গিয়ে পড়েছে রাশিয়ার (Russia) সামরিক ঘাঁটিতে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে, হামলায় মৃত্যু হয়েছে অনেকের। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।

    ‘আনন্দবাজার অনলাইন’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রুশ অধিকৃত ইউক্রেনের ডোনেৎস্ক প্রদেশে হামলা চালিয়েছে কিয়েভ (Kyiv)। অন্ততপক্ষে ২৫টি রকেট ছোড়া হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর দরুন নিহত হয়েছেন রুশ সামরিক বাহিনীর অনেকেই। আহত বহু রুশ সেনা আধিকারিক। এখনও পর্যন্ত রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ইউক্রেনের হামলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

    প্রসঙ্গে রাশিয়ার উচ্চপদস্থ সামরিক কর্তা ডানিল বেজসোনভ জানিয়েছেন, ঘড়ির কাঁটা অনুযায়ী নতুন বছর শুরু হওয়ার ২ মিনিটের মধ্যেই হামলা চালায় ইউক্রেন। সারে সারে রকেট এসে পড়তে থাকে রুশ সামরিক ঘাঁটিতে। যে ভবনে হামলা করা হয়েছে, তা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানী কিয়েভ সহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। গত বুধবার রাতে পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রুশ সেনাবাহিনী। প্রবল তুষারপাতের মাঝেও হামলা জারি রেখেছে পুতিনের সেনা (Vladimir Putin)। যার ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে কিয়েভ সহ বিভিন্ন শহরের বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ ব্যবস্থা।

    প্রায় ৩০০ দিনের কাছাকাছি হয়ে গিয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। থামার কোনও লক্ষণ নজরে আসছে না। এমনকি বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে যুদ্ধ থামানোর জন্য যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তা রাশিয়ার বিদেশ সচিব সের্গেই লাভরভ নাকচ করেছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী কিয়েভের পাশাপাশি ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের শহরগুলিতে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে রাশিয়ান বাহিনী। মাস কয়েক আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, শীতে নতুন করে হামলা চালাতে পারে পুতিনের দেশ। দেশে বিদ্যুতের সরবরাহ কম থাকার জন্য সকলকে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য আশ্রয় শিবির খোলার কথা বলেছিলেন।

    চলতি মাসে ইউক্রেন জানায়, কিয়েভ দখলের লক্ষ্যে নতুন করে প্রস্তুতি শুরু করেছে রুশ ফৌজ। যেখানে বাছাই করা বেশ কিছু গোলন্দাজ, ট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া ব্যাটেলিয়ন রয়েছে। ইউক্রেনের বক্তব্য, আমেরিকা ও ইউরোপের অস্ত্র সরবরাহ আটকাতেই হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে মস্কো। তবে নতুন বছরের শুরুতে রুশ সেনাঘাঁটিতে প্রত্যাগাত করেছে ইউক্রেন। এখনও পর্যন্ত হতাহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। এদিকে প্রথম থেকেই এই যুদ্ধ থামানোর জন্য দুই দেশকে আলোচনায় বসার কথা বলে এসেছে নয়া দিল্লি। এমনকি সম্প্রতি ইউক্রনের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন রাশিয়ার বিদেশ সচিব।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version