Tag: helth

  • Helth Tips: ডেঙ্গি থেকে সাবধান হবেন কীভাবে?একটা ভুলেই বড় বিপদ

    Helth Tips: ডেঙ্গি থেকে সাবধান হবেন কীভাবে?একটা ভুলেই বড় বিপদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Helth Tips: বর্ষা পড়তেই কনজাংটিভাইটিসের সাথে মাথাচাড়া দিচ্ছে ডেঙ্গি। কড়া নজর রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের। জ্বর সাথে গায়ে ব্যথা। ডেঙ্গি না সাধারণ জ্বর ? কীভাবে বুঝবেন! সতর্ক থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না? এই উপস্বর্গ রয়েছে আপনার ? দেরি না করে জানুন কূী করবেন। জমা জলেই সবচাইতে বেশি জন্মায় মশার লার্ভা। আপনার শরীর কেমন আছে। আপনার যদি জ্বর আসে টেম্পারেচার নোট করুন। এসময়ে ভাইরালের প্রকোপও বাড়ছে। সাথে আবার চোখ লাল। সাধারণ জ্বর না ডেঙ্গি বুধবেন কীভাবে? সতর্ক থাকতে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন। তাতে আপনার পরিবার সুস্থ থাকবে।

    ফুলের পাত্র থেকে খালি বোতল ফ্রিজের পেছনেও যেন জল না থাকে। সন্ধ্যায় এবং ভোরে জানালা বন্ধ রাখুন অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন। চুপিসারে ডেঙ্গির মশা কামড়ালে গেলে টেরও পাবেন না। সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। রাজ্যের তরফে বেশ কিছু গাইডলাইন মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোগীর প্লেটলেট কাউন্ট ১০,০০০-এর নীচে নেমে গেলে রোগীকে প্লেটলেট দিতে হবে। সব রোগীর প্লেটলেট কাউন্ট ১০ হাজার থেকে ২০ হাজারের মধ্যে থাকবে। তাদের ক্ষেত্রে রক্তপাত না হলে প্লেটলেট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ডেঙ্গি আক্রান্তের কোন
    গ্রুপের প্লেটলেট প্রয়োজন প্রেসক্রিপশনে তা উল্লেখ করতে হবে। ডেঙ্গি আর ভাইরাল জ্বরের সাথে গুলিয়ে ফেলছেন অনেকেই।

    জ্বর থাকে খুব বেশি ১০২ থেকে ১০৩ চলে যায় শরীরে খুব ব্যথা হয়, বিশেষত হাড়ে যন্ত্রণা হয় চোখের পিছনে ব্যথা হয় সাধারণ ভাইরাল ফিভারে নাক দিয়ে জল গড়াতে পারে। গায়, হাত পায়ে সামান্য ব্যথা জ্বরের সাথে কাশি আবার কনজাংটিভাইটিসও দেখা যাচ্ছএ সমস্যা বেশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিজে কিছু ওষুধ কিনে খাবেন না এতে সমস্যা বাড়বে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডেঙ্গি টেস্ট করান। মনে রাখবেন রোগ যত দ্রুত ধরা পড়বে আপনার সুস্থ হয়ে আপনার সুস্থ হয়ে ওঠার চান্স তত বেশি। তাই কোথাও জল জমতে দেওয়া যাবে না। ছাদ থেকে শুরু করে ঘরের আনাচে কানাচে, নর্দমা পরিস্কার রাখুন। আর যদি ডেঙ্গির উপস্বর্গ দেখতে পান তাহলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Health Tips: ঘরে ঘরে জ্বর – সর্দি – কাশি! কীভাবে সাবধান থাকবেন?

    Health Tips: ঘরে ঘরে জ্বর – সর্দি – কাশি! কীভাবে সাবধান থাকবেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Health Tips: ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশি! কনজাংটিভাইটিসে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। বাচ্চারাও রেহাই পাচ্ছে না। সবাই বলছেন ভাইরাল! আসলে সত্যিটা কী? করোনার মতই কোনও মারাত্মক ভাইরাসের আক্রমণ নয় তো? প্রথম কলকাতার কাছে সত্যিটা বললেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. অরিন্দম বিশ্বাস। কীভাবে সাবধানে থাকবেন? কনজাংটিভাইটিসে আক্রান্ত হলে কী করবেন? প্রত্যেক বাড়িতেই কারও না কারও জ্বর লেগেই রয়েছে। সাথে চোখ লাল। অনেকেই বলছেন অ্যাডিনোভাইরাস। কীভাবে সংক্রমণ থেকে নিজেকে বাঁচাবেন? চোখে লাল হলে তা কতটা চিন্তার?

    একটা ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ চলছে কিন্তু তা কতটা মারাত্মক? অ্যাডিনোভাইরাস আসলে কী? কনজাংটিভাইটিস হলে কীভাবে আটকাবেন? লোকমুখে যার পরিচিতি জয় বাংলা নামে। বাড়ছে আতঙ্ক কোনও ভাবেই কি রোখা সম্ভব নয় এই রোগ ? চোখ লালের সাথে জ্বর আসলে কোন ওষুধ খাবেন? ডা. অরিন্দম বিশ্বাসের পরামর্শ জেনে নিন। করোনা ভাইরাসের কথা অনেকেই এখনও ভুলতে পারেননি। চোখের নিমেশে কয়েক হাজার থেকে কোটি কোটি মামুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন। করোনার চোখ রাঙানি কিছুটা কমলেও, একের পর এক ভাইরাসের আক্রমণ যেন পিছু ছাড়ছে না।

    নতুন ভাইরাসের প্রভাবেও দেখা যাচ্ছে এক অফিসে পর পর অনেকেই সংক্রমিত হচ্ছেন। বর্ষায় এই নতুন ভাইরাস কী করোনার মতি ভয়ানক? কী বলছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক? মরশুম বদলের সময়ে এমনিতেই এই ধরনের জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। এই ভাইরাস কেমন চেহারা নেবে, তা আগে থেকে পুরোটা বোঝা যায় না। প্রতি বছরই এর গড়ন বদলাতে থাকে। তাই কেউ আক্রান্ত হলে। তার থেকে সামান্য দূরত্ব বজায় রাখুন। বাচ্চাদের দিকে বিশেষ নজর দিন। তাহলেই রোগ বালাই দূরে থাকবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rock Salt Health Benefits: সাদা লবণ বিষ, ম্যাজিক দেখাবে বিট লবণ! সারবে হাজারো রোগ, খাবেন কতটা?

    Rock Salt Health Benefits: সাদা লবণ বিষ, ম্যাজিক দেখাবে বিট লবণ! সারবে হাজারো রোগ, খাবেন কতটা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rock Salt Health Benefits: অতিরিক্ত সাদা লবণ মানেই বিষ, ঝাঁঝরা করে দেবে শরীর। কিন্তু যদি হয় বিট লবণ বা কালো লবণ? মিলবে প্রচুর সুফল, কমবে ওজন, মন থাকবে ফুরফুরে। সারবে হাজারো রোগ। কাজ করবে ম্যাজিকের মতো। প্রতিদিনের খাবারে এখন একটুখানি বিট লবণ রাখুন। তারপরে দেখুন এর কামাল। বিট লবণ ঠিক কতটা উপকারী? অতিরিক্ত খেলে ফল খারাপ হবে না তো? কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা? একটু জানুন। বিট লবণ এর গুণ জানলে মাথা ঘুরে যাবে। হয়ত এখনই সাদা লবণ ছেড়ে এই লবণের দিকে ঝুঁকবেন। খাবারের স্বাদ বাড়াতে লবণের বিকল্প নেই। কিন্তু সেই লবণই হয়ে উঠতে পারে মারাত্মক বিষ। অতিরিক্ত ব্যবহারে মারণ রোগ বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। উল্টে বিট লবণ বা কালো আপনাকে বাঁচাবে মারাত্মক রোগ থেকে।

    অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি বমি ভাবের মতো নানান সমস্যায় কাজ করবে ম্যাজিকের মতো। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। এটা নামেই লবণ কিন্তু সাদা লবণের মতো ক্ষতিকর নয়। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস কিংবা পেট সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য বিট লবণ বেশ উপকারী। বিট লবণ রক্তের শর্করার পরিমাণ আর ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। খাবার হজম করার ক্ষমতা বাড়ায়। পেশির গঠন শক্ত করে। এতে এমন কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে, যা শরীরকে দূষণমুক্ত করে। অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুন শরীরকে বাঁচায় বিপ্পজনক ব্যাকটেরিয়া থেকে। শরীর সতেজ রাখে। হজমজনিত সমস্যা দূর করে। কোষে পুষ্টি সরবরাহ করে। এই লবণ গলার সংক্রমণ কমাতেও খুব উপকারী।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিট লবণ ভালো কিন্তু কিছু ক্ষতিকারক উপাদান বহন করছে। এতে রয়েছে সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম সালফেট, লোহা, ম্যাগনেসিয়াম, ফেরিক অক্সাইড, সালফেট আর ফ্লুরাইড। কোন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত পরিমাণে বিট লবণ খেলে শরীরে ফ্লুরাইডের বিষক্রিয়া হতে পারে। ফ্লুরাইড কিন্তু দাঁত আর হাড়ের জন্য ভীষণ ভালো, কিন্তু পরিমিত পরিমাণে। অতিরিক্ত হলেই বিষাক্ত হয়ে যাবে। তখন দাঁতের ক্ষতি হবে, চুল পড়ে যাবে, ওজন হ্রাস পাবে, ত্বকে প্রদাহ হবে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখবেন, কোন জিনিসই মাত্রাতিরিক্ত ভালো নয়। বিট লবণ এর ভালো গুণ আছে বলে আপনি অতিরিক্ত পরিমাণে খাবেন তা কিন্তু কখনোই নয়। হিতে বিপরীত হতে পারে। বিট লবণ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসক কিংবা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • রাতে জমিয়ে মাছ খাচ্ছেন? অজান্তেই নিজের ক্ষতি করছেন, বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন জানুন

    রাতে জমিয়ে মাছ খাচ্ছেন? অজান্তেই নিজের ক্ষতি করছেন, বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    রুই পোস্ত বা সর্ষে ইলিশ! কিংবা যদি মেনুতে থাকে কাতলা মাছের কালিয়া বা ভেটকি মাছের পাতুরি! তাহলে খাওয়াটা একেবারেই জমে যাবে, তাই না? অনেকে কাজের চাপে দিনে যা হোক খেয়ে জমিয়ে মাছ ভাত খান রাতে। কিন্তু রাতে মাছ খাওয়াটার সিদ্ধান্তটা সঠিক তো! কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা? মাছে-ভাতে বাঙালি৷ মাছ ছাড়া বাঙালির খাওয়া অসম্পূর্ণ। কিন্তু দুপুরে মাছ ভাতে খাওয়া জমলেও, রাতে মাছ না খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। বড় মাছ আর মাংস প্রোটিনে ভরপুর থাকায় তা হজম হতে বেশ সময় লাগে৷ তার ফলেই যত জটিলতা।আসুন জেনে নিই রাতে কেন মাছ খেতে বারণ করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    আসলে মাছ হাই-প্রোটিনযুক্ত খাবার। তাই হজম হতে সময় লাগে৷ বিশেষ করে যদি সেটা বড় মাছ হয়ে থাকে। তার ওপর মাছ মশলা ছাড়া রান্না করাই যায় না। মশলা বলতে থাকে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, টমেটো। রাতে এর কোনও উপকরণই হজম হতে চায় না। এছাড়াও মাছের মধ্যে থাকা তেলও হজম হতে বেশ খানিকক্ষণ সময় লাগে৷ যে কারণে মাছ খেলে অনেকবার ঢেকুর ওঠে, অস্বস্তি হয়৷ কিছুতেই হজম হতে চায় না। আর হজম না হলে যে শরীরকে বেশ বেগ পেতে হয় একথা কে না জানে! তাই রাতে মাছ খেতে বারণ করেন চিকিৎসকরা।

    দুপুরে আবার মাছ-ভাত খুব ভালো হজম হয়। কারণ হজম হওয়ার জন্য অনেকটা সময় পাওয়া যায়। তাই আর কোনও শারীরিক কষ্ট হয় না৷ সব সময়ই চেষ্টা করুন কম তেল মশলা দিয়ে মাছ রান্না করতে। মাছ রান্নায় মশলা কমিয়ে টক দই ব্যবহার করতে পারেন। অনেকে মাছ না ভেজে সরাসরি মশলায় ফেলে সিদ্ধ করে খান। মাছের এই রেসিপি বিশেষ উপকারী। তাতে শরীরে অতিরিক্ত তেল যাওয়ার প্রবণতা কমে।

    রাতে চেষ্টা করুন মাছ-মাংস বাদ দিয়ে একেবারে নিরামিষ খাবার খেতে৷ অনুষ্ঠানে খেতে হলে খান অল্প পরিমানে। বাড়িতে রাতে মাছ খেতে হলে চারা পোনা খান। পাকা মাছ রাতের মেনুতে না রাখাই ভালো। অনেকে এখন দিনে আমিষ ও রাতে নিরামিষ খাবার খান। এমনকী অনেকে দুধ, পনিরও রাতের খাদ্য তালিকা থেকে বাদ রাখেন৷ সমীক্ষা বলছে,নিরামিষাশীদের গড় আয়ু মাংসাশীদের থেকে দশ বছর বেশি। তবে বাঙালি সর্বভুক। বাঙালির যাবতীয় অসুস্থতা তাদের খাদ্যাভ্যাস ঘিরেই। তাই রাতে চিংড়ি, মাটন থেকে লোলুপ দৃষ্টি সরান। ভালো থাকুন দীর্ঘদিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Intermittent Fasting: উপোস করা শরীরে জন্য ভালো না খারাপ? জানুন

    Intermittent Fasting: উপোস করা শরীরে জন্য ভালো না খারাপ? জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Intermittent Fasting: উপোস করা কী ভাল? শরীরের লাভ হয় না ক্ষতি? অনেকে জল পর্যন্ত খান না। ঠিক করছেন তো? উপোস করার কিছু নিয়ম রয়েছে যা জানেন না অনেকেই অনেকে রোগা হওয়ার জন্য না খেয়ে থাকেন। ভুল নিয়মে উপোসে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি। চলুন আজ উপোস কীভাবে করবেন সেই টিপস জানাবো আপনাদের। উপোস করলে সবসময়ই শরীরের ক্ষতি হয়, এমনটা বলা যায় না। বরং উপোস করলে‌ শরীরের বেশ কিছু উপকার হয়। তবে ঠিক কোন নিয়মে উপোস করছেন তার উপর নির্ভর করে সবটাই।

    উপোসের বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে এর মধ্যে অন্যতম হল ওজন কমানো। উপোস থাকলে শরীর জমা ফ্যাট থেকে পুষ্টি সংগ্ৰহ করেয়ফলে‌ ফ্যাট ভাঙতে শুরু করে।ৎতা বলে ২-৩ দিন টানা উপোস করলে উল্টে বিপদ। অনেকেই এমন রয়েছেন, যাঁরা উপোস করার সময় জল পর্যন্ত খান না। আবার অনেকে শুধু জল খেয়ে থাকেন। এটা কি ঠিক করছেন? নির্জলা উপোসে জলও ছোঁয়া যাবে না। তা শরীরের ভালো নয় উল্টে ক্ষতি করে। কারণ একটা সময়ে শরীরের কোষ জলশূন্য হয়ে পড়ে। তাই কঠিন খাবার না খেয়ে শুধু ফলের রস খেয়ে থাকা উচিত।

    অনেকে উপোস ভাঙার পরে এত বেশি তেল-মশলা দেওয়া খাবার খেয়ে ফেলেন। যেমন ধরুন পুজোর জন্য উপোস করছেন তারপরেই পোলাও, লুচি, তেল ঝাল দেওয়া রান্না খেলেন । বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এরকম করলে শরীর নিয়ে বড় বিপদে পড়তে পারেন। দীর্ঘ উপবাসের পরে যে দিন প্রথম খাবার খাবেন তখন শরীর ভীষণ ভাবে রিঅ্যাক্ট করে। উপোসের আগে পরে সব সময়েই হাল্কা খাবার খাওয়া দরকার। উপোসের আগে বা পরে কী খাওয়া হচ্ছে সেটা খুবই জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে সব সময় হাল্কা আর সহজে হজম হয় এমন খাবার খেতে হবে। উপোস ভাঙতে হবে সব্জি খেয়ে তারপর খাওয়া যেতে পারে প্রোটিনজাতীয় খাবার ফ্যাটজাতীয় খাবার।

    মন চাইলে উপোস করতে পারেন। কিন্তু ভাল মন্দ সবটা জেনে বুঝে এবং শরীর বাঁচিয়ে তা করুন। না জেনে দীর্ঘদিন উপোস করা উচিত নয়। অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে চলুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • খাবার খাওয়ার কতক্ষণ পর ওষুধ খাবেন? সঠিক নিয়ম না মানলে মারাত্মক বিপদ, জেনে রাখুন

    খাবার খাওয়ার কতক্ষণ পর ওষুধ খাবেন? সঠিক নিয়ম না মানলে মারাত্মক বিপদ, জেনে রাখুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ওষুধ কি আপনার নিত্য সঙ্গী? একের পর এক রোগ লেগেই রয়েছে! অসুস্থ হলে ওষুধ তো খেতেই হবে। কিন্তু খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ খেয়ে নিচ্ছেন না তো? কিংবা ওষুধ খেয়েই খাবার খেয়ে নিচ্ছেন। এখানেই হচ্ছে মারাত্মক ভুল। অসুস্থ হলে ওষুধ খাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু সামান্য ভুলেই হতে পারে গন্ডগোল। শুধু ওষুধ খেলেই হবে না, ওষুধ খাওয়ার সঠিক নিয়ম জানতে হবে। খাবার খাওয়ার ঠিক কতক্ষণ আগে কিংবা কতক্ষণ পর ওষুধ খাবেন? ওষুধ খাবার আগে হাত ধুচ্ছেন তো? ওষুধ দাঁড়িয়ে খাচ্ছেন নাকি বসে? বিপদ হওয়ার আগে সঠিক নিয়ম জেনে রাখুন।

    এই বিষয়টা অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন। খাবার খাওয়ার পরে ঠিক কত মিনিট পর ওষুধ খাওয়া যায়? বিশেষজ্ঞদের মতে, ভরা পেটে ওষুধ খাওয়ার অর্থ খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট থেকে এক ঘন্টা পরে। আর খালি পেটে ওষুধ খাওয়া মানে, খাবার খাওয়ার অন্তত দুই ঘন্টা পরে কিংবা খাবার খাওয়ার অন্তত এক ঘন্টা আগে ওষুধ খাওয়া।

    বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ খেলে রক্ত সঞ্চালন হঠাৎ বেড়ে যায়। বৃদ্ধি পায় শরীরের তাপমাত্রা। যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। যদি চিকিৎসক বলেন, খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওষুধ খেতে, তবেই খাবেন। না হলে খাবার খাওয়ার অন্তত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর ওষুধ খাবেন। ওষুধ খাবার আগে হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করে নেবেন। কারণ মানুষের শরীরের বেশিরভাগ রোগ কিন্তু ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস ছত্রাক এসবের দ্বারা হয়। তাই দুটো হাতই পরিস্কার করা দরকার। ভালোভাবে মিলিয়ে দেখে নেবেন, চিকিৎসক প্রেসক্রিপশনে যে ওষুধ লিখেছেন আর দোকান থেকে যে ওষুধ কিনেছেন তার সঙ্গে মিল রয়েছে কিনা। পাশাপাশি ওষুধের এক্সপ্রাইরি ডেট দেখতে ভুলবেন না। ওষুধ কখনই দাঁড়িয়ে কিংবা শুয়ে খাবেন না। ওষুধ সব সময়ের জন্য বসে খাওয়া উচিত, না হলে শ্বাসনালীতে ওষুধ চলে যেতে পারে। ঘটতে পারে মারাত্মক বিপদ। বহু ব্যক্তিকে নানান রোগে আক্রান্ত থাকায় অনেকগুলো ওষুধ খেতে হয়। কিন্তু একসাথে পরপর তিন-চারটে ওষুধ খাওয়া কখনই উচিত নয়। প্রত্যেক ওষুধের মাঝে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময়ের পার্থক্য রাখবেন।

    সবশেষে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ খাবেন না। তিনি যেভাবে যে নিয়মে ওষুধ খেতে বলবেন একমাত্র সেই নিয়মেই ওষুধ খাবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • দাঁতের স্বাস্থ্যের অবহেলা করছেন! তাতে মস্তিষ্কের কতটা ক্ষতি হচ্ছে জানেন?

    দাঁতের স্বাস্থ্যের অবহেলা করছেন! তাতে মস্তিষ্কের কতটা ক্ষতি হচ্ছে জানেন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    দাঁত নিয়ে দুর্ভোগের শেষ নেই অনেকেরই। কিন্তু দাঁতের স্বাস্থ্য নিয়ে শুরু থেকেই সতর্ক কতজন? দাঁত থাকতে দাঁতের কদর বোঝেন না, চারপাশে এমন মানুষ অগুনতি। দাঁতের যন্ত্রণা অসহ্য না হওয়া পর্যন্ত তো অনেকেই ডাক্তারবাবুর দ্বারস্থও হন না। আপনি কি জানেন দাঁতের স্বাস্থ্যের ওপর মস্তিষ্কের ভালোমন্দ নির্ভর করে! জানেন, খারাপ দাঁতের জন্য মস্তিষ্কের অনেক জটিল রোগ হতে পারে? সাম্প্রতিক গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

    মস্তিষ্ককে সজাগ, সক্রিয় ও প্রখর করে রাখতে তার যত্নের প্রয়োজন এটা সকলের জানা। সে জন্য সঠিক খাওয়াদাওয়া বা যোগাভ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু মস্তিষ্ক ভাল রাখতে শরীরের অন্য কোনও অঙ্গকে সুন্দর ও সুস্থ রাখতে হবে, এটা শুনলে অবাক হতেই হয়। সেটাই দাবি করছেন জাপানের তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। মস্তিষ্ক ছোট হওয়া রুখে দিতে পারে মানুষের সুন্দর হাসি। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, দাঁতের ক্ষয়, দাঁত পড়ে যাওয়া বা মাড়ির সমস্যা বা দাঁতের অন্য কোনও সমস্যা মানুষের মস্তিষ্কের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। দাঁতের সমস্যা মস্তিষ্ককে শুকিয়ে দিতে থাকে। এর ফলে মস্তিষ্ক ছোট হতে থাকে। যা একটা সময় অ্যালজাইমারস রোগের জন্ম দেয়। অ্যালজাইমারস ক্রমশ গ্রাস করতে থাকে মস্তিষ্কের ভাল থাকা। মানুষের ভাবার ক্ষমতা কমতে থাকে। ভুলে যাওয়া বাড়তে থাকে।

    নিউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাড়ির রোগ এবং দাঁতের অসুখের প্রভাব পড়তে পারে মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাসে। স্মৃতিশক্তির নিয়ন্ত্রক মস্তিষ্কের এই অঞ্চল। এই অংশটাই মানুষের  চিন্তাভাবনা নিয়ন্ত্রণ করে। ৬৭ বছর বয়সি  ১৭২ জন মানুষের উপর এই গবেষণা চালানো হয়। তাঁদের স্মৃতির কোনও সমস্যা ছিল না। অংশগ্রহণকারীদের দাঁতের পরীক্ষা করা হয়েছিল। গবেষণার শুরুতে স্মৃতি পরীক্ষা করা হয়েছিল। গবেষণার শুরুতে এবং চার বছর পরে আবার হিপোক্যাম্পাসের আয়তন পরিমাপ করার জন্য তাদের মস্তিষ্কের স্ক্যানও করা হয়।

    গবেষকরা দেখেছেন যে দাঁতের সংখ্যা এবং মাড়ির রোগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের বাম হিপোক্যাম্পাসের পরিবর্তন হয়েছে। গবেষকদের দাবি, দাঁতের যত্ন না নিলে মস্তিষ্কের ভাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। তাই মস্তিষ্ক ভাল রাখতে দাঁত ভাল রাখতেই হবে। যদিও গবেষকদের এই দাবি এখনও সর্বস্তরে মান্যতা পায়নি। জাপানের এই গবেষকেরা যদি সঠিক হন তাহলে দাঁতের যত্ন আর শুধু দাঁতের সমস্যায় সীমাবদ্ধ থাকবেনা, মস্তিষ্কের ভাল থাকা বা মন্দ থাকাও নির্ভর করবে দাঁতের ভাল থাকার ওপর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Guillain-Barre syndrome: করোনার পর নতুন আতঙ্ক জিবিএস, লক্ষণ ছাড়াই অ্যাটাক করছে স্নায়ুতে! জারি জরুরি অবস্থা

    Guillain-Barre syndrome: করোনার পর নতুন আতঙ্ক জিবিএস, লক্ষণ ছাড়াই অ্যাটাক করছে স্নায়ুতে! জারি জরুরি অবস্থা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Guillain-Barre syndrome: করোনার পর বিশ্বে নতুন আতঙ্ক। এই রোগের না আছে কোন ওষুধ, না আছে সঠিক লক্ষণ। শরীরে ঠিক কোন মারণ রোগ বাসা বেঁধেছে, সহজে বোঝার উপায় নেই। সরাসরি আক্রমণ করছে মানুষের স্নায়ুতে। ইতিমধ্যেই আতঙ্কে রয়েছে বিশ্বের কয়েকটা দেশ। এই রোগ নির্মূল করার জন্য তিন মাস জরুরি অবস্থা জারি করেছে পেরু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কি এই রোগ? যার কারণে জরুরি অবস্থা জারি করতে হল? এই রোগ ধীরে ধীরে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে না তো?

    নতুন আতঙ্ক জিবিএস বা গিলেন ব্যারে সিনড্রোম। এটা মূলত বিরল নিউরোলজিক্যাল রোগ। যা পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্রের অংশ, মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের বাইরে অবস্থিত স্নায়ুর নানা অংশকে আক্রমণ করে। এর ফলে পক্ষাঘাতের মত অবস্থা হতে পারে। এমনকি রোগী ভালোভাবে শ্বাস পর্যন্ত নিতে পারেন না। যা দ্রুত ছড়াচ্ছে পেরুতে। জুন মাসের শুরুতে পেরুতে প্রায় ১৮২ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। স্বস্তির বিষয়, এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪৭ জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩১ জন। কিন্তু মারা গিয়েছেন ৪ জন। সবথেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে, ৫০ বছরের কাছাকাছি ব্যক্তিরা। পেরু সরকার প্রথম থেকেই পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে কঠিন হাতে রাশ ধরছে। এই রোগ নিয়ে এতটা আতঙ্কের কারণটা কী? যেহেতু এর কোন ওষুধ নেই, সঠিকভাবে লক্ষণও শনাক্ত করা যাচ্ছে না, তাই পুরোপুরি নির্মূল করার জন্য পেরু আগামী তিন মাস স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করেছে।

    করোনা, জিকার ক্ষেত্রে সহজেই বোঝা গিয়েছিল রোগের সংক্রমণের পদ্ধতি, কিন্তু জিবিএস সম্পূর্ণ আলাদা। এর সংক্রমণ ঠিক কোন পদ্ধতিতে হচ্ছে বা একজনের শরীর থেকে অন্যজনের ছড়িয়ে পড়ছে, তা এখনো পর্যন্ত অজানা। এই বিষয়ে গবেষণাও চলছে, তবে নিশ্চিত ভাবে এখনো কিছু জানা যায়নি। জিবিএসের সঙ্গে কিছুটা যোগ রয়েছে জিকা, কোভিড, ইনফ্লুয়েঞ্জার। এইসব ভাইরাসে আক্রান্ত বহু ব্যক্তি জিবিএস এ আক্রান্ত হয়েছেন। এখনো পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী জিবিএস ছড়িয়ে পড়ার সংবাদ পাওয়া যায়নি, তবে রোগটি অজানা বলে বিশেষজ্ঞদের কাছে এতটা ভয়ানক। এখনো জানা যায়নি, এটা ঠিক কিভাবে, কেন এবং কোন ভাইরাসের জন্য দায়ী। এটি সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আর স্নায়ুকে আক্রমণ করে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Black Tea Benefits: রোজ সকালে লিকার চা খাচ্ছেন, বারোটা বাজছে স্বাস্থ্যের! কী কী ক্ষতি হচ্ছে?

    Black Tea Benefits: রোজ সকালে লিকার চা খাচ্ছেন, বারোটা বাজছে স্বাস্থ্যের! কী কী ক্ষতি হচ্ছে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Black Tea Benefits: ঘুম ভাঙলেই সকাল সকাল চাই চা ধোঁয়া ওঠা লিকার চা। চায়ের কাপে চুমু না দিলে যেন পুরো দিনটাই মাটি। ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে চা পান করছেন? সুস্থ থাকতে দুধ চায়ের পরিবর্তে বেছে নিচ্ছেন লিকার চা, কিন্তু আদৌ স্বাস্থ্যকর তো? দুধ চিনি ছাড়া লিকার চা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, এ কথা সবাই জানে। কিন্তু কতটা? প্রতিদিন অতিরিক্ত লিকার চা খেলে ঠিক কোন কোন রোগ হতে পারে? জানলে হতবাক হবে। আপনার প্রিয় পানীয় হতে পারে শরীর খারাপের কারণ।

    লিকার চা পানের অভ্যাস ভালো, প্রচুর উপকারো রয়েছে। কিন্তু ঘন্টায় ঘন্টায় নয়। শরীরে যদি প্রচুর পরিমাণে ক্যাফেইন প্রবেশ করে তাহলে কিন্তু মারাত্মক ক্ষতি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, অল্প পরিমাণে লিকার চা পান করা ঠিক আছে। কিন্তু দিনে চার কাপের গণ্ডি পেরোলে মুশকিল।

    যদি ঘন্টায় ঘন্টায় চা পান করে থাকেন তাহলে মাথা ব্যথা, হার্ট রেটের গন্ডগোল, কার্ডিওভাসকুলার সহ নানান রোগের প্রবণতা দেখা দিতে পারে। সঠিক সময়ে কিংবা সঠিক উপায় চা পান না করলে শরীরে নানান রকমের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। যেমন হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে, খিদে পাবে না, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে। অতিরিক্ত চা শরীর থেকে আয়রন শোষণ করে নেয়। ফলে অ্যানিমিয়া হতে পারে। অতিরিক্ত চা পান একপ্রকার আসক্তি, যার কারণে এক মুহূর্ত চা ছাড়া থাকা যায় না। সেই সময় ক্লান্তি অনুভব করবেন, মাথা ব্যথা হবে। গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত যা পান করা উচিত নয়। খালি পেটে যদি রোজ চা পান করেন তাহলে অ্যাসিডিটি হতে পারে। অত্যাধিক মাত্রায় লিকার চা অস্বাভাবিক ভাবে পটাশিয়ামের মাত্রা কমিয়ে দেয়। দাঁতের উপর হালকা কালো স্পট পড়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায় দাঁতের সৌন্দর্য। চা পাতায় রয়েছে ট্যানিন, খালিপেটে অতিরিক্ত চা পান করলে টিস্যুগুলোর ক্ষতি হয়। যার কারণে পেটে ব্যথা হতে পারে।

    তাই প্রতিদিন অতিরিক্ত লিকার চা এড়িয়ে চলুন। খান পরিমিত পরিমাণে। আরো ভালো হয়, যদি চিনি ছাড়া বা কম চিনি দিয়ে চা খান। মাঝেমধ্যে চায়ের পরিবর্তে বেছে নিতে পারেন কমলালেবুর রস, ডাবের জল কিংবা লেমোনেড। এর ফলে শরীর হাইড্রেটেড থাকবে। আয়রনের মাত্রাও ঠিক থাকবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Smartwatch: রোজ স্মার্টওয়াচ ব্যবহারে ভয়ঙ্কর বিপদ, শরীরে বাসা বাঁধবে এক গুচ্ছ রোগ

    Smartwatch: রোজ স্মার্টওয়াচ ব্যবহারে ভয়ঙ্কর বিপদ, শরীরে বাসা বাঁধবে এক গুচ্ছ রোগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Smartwatch: আপনি কি রোজ স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করছেন? স্মার্ট ওয়াচ বা ঘড়ি আপনার জীবনকে স্মার্ট করে দিয়েছে! ব্লুটুথের মাধ্যমে ফোনের সাথে কানেক্ট করলেই মিলবে একগুচ্ছ সুবিধা। দেখতে ভীষণ স্টাইলিশ। কিন্তু স্মার্ট ঘড়ির চক্করে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো? এই ঘড়ি জীবনকে সহজ করেছে তুলেছে ঠিকই, কিন্তু তলে তলে বাঁধাচ্ছে বিপদ। স্মার্ট ঘড়ি ব্যবহার করা খারাপ না ভালো, এই নিয়ে বহু বিতর্ক রয়েছে। চলছে বিস্তর গবেষণা। আপনি যদি স্মার্ট ঘড়ি ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই প্রতিবেদনটা মন দিয়ে শুনুন। ভালোর পাশাপাশি ঠিক কতটা ক্ষতি করতে পারে একটা স্মার্ট ঘড়ি, একটু জেনে নিন।

    একাধিক সংবাদ মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, স্মার্ট ঘড়ির ব্যবহারে ব্যবহার আপনার ঘুমে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ছিনিয়ে নেয় মনোযোগ। এমন কি স্মৃতিশক্তিও কমে যেতে পারে। যদি ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন স্মার্ট ঘড়ি ব্যবহার করে থাকেন তাহলে একটু সাবধান। আসলে স্মার্ট ঘড়িতে রয়েছে ইএমএফ রেডিয়েশন। যা মাথা ব্যাথা, স্মৃতিশক্তির হ্রাস এবং অনিদ্রার অন্যতম কারণ। এই প্রভাব গুলো অস্থায়ী, কিন্তু দীর্ঘদিন এমনটা চলতে থাকলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। দেখা দিতে পারে তীব্র মাথা ব্যথা। যদিও স্মার্ট ঘড়ি যে ক্যানসারের কারণ, এখনো পর্যন্ত তা গবেষণায় প্রমাণিত হয়নি।

    তাহলে কি করবেন ? স্মার্ট ঘড়ি থেকে কি দূরে থাকবেন? যুগের সাথে তাল মেলাতে গেলে এমন ধরনের বহু প্রযুক্তি আমাদের মেনে নিতে হয়। আসলে গলদটা থেকে যাচ্ছে ব্যবহারে। সবকিছুরই ভালো-মন্দ রয়েছে। আপনি কিভাবে স্মার্ট ঘড়ি ব্যবহার করবেন তার উপর নির্ভর করবে ক্ষতিকারক প্রভাব। যখন বাড়িতে বিশ্রাম নেবেন কিংবা সপ্তাহে ছুটির দিনগুলোতে স্মার্ট ঘড়ি একটু কম ব্যবহার করুন। আপনার স্মার্ট ঘড়িটি আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সঠিক তথ্য দিচ্ছে কিনা সেই বিষয়ে আগে নিশ্চিত হন। স্বাস্থ্যের তথ্য দেখে অযথা চিন্তা করার দরকার নেই। এই যে বারংবার স্মার্ট ঘড়ির ইএমএফ রেডিয়েশনের কথা বলা হচ্ছে, এটা কিন্তু মাথাব্যথা বমি বমি ভাবের কারণ হতে পারে। ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে স্মার্ট ঘড়ি বন্ধ করে রেখে দিন। মাথার কাছে কখনোই স্মার্ট ঘড়ি রাখবেন না। অন্ধকারের মধ্যে স্মার্ট ঘড়ি ব্যবহার করবেন না। এর আলো দৃষ্টি শক্তি খারাপ করে দিতে পারে। খিটখিটে হয়ে যেতে পারে মেজাজ। গবেষণায় দেখা দিয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্মার্ট ঘড়ি ব্যবহার করলে তাদের উদ্বেগ আরো বেড়ে যেতে পারে। তাই সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম