Tag: helth

  • Papaya benefits: খাবারের তালিকায় রাখুন পাকা পেঁপে, অনেক রোগ দূরে থাকবে

    Papaya benefits: খাবারের তালিকায় রাখুন পাকা পেঁপে, অনেক রোগ দূরে থাকবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Papaya benefits: উপকারী ফল পেঁপে। এই ফলের পুষ্টিগুণ যেমন প্রচুর, তেমনি শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ফলটি খুবই কার্যকর। হৃদযন্ত্র ভালো রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) উন্নত করা, হজমের সমস্যা দূর করা সহ অনেকগুলো শারীরিক উপকার করে পেঁপে।

    পাকা পেঁপের সুস্বাদু। এই ফলের ১০০ গ্রামে ৩৯ ক্যালরি থাকে। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, আঁশ, ভিটামিন এ,বি,সি,ডি আছে পেঁপেতে। এছাড়া পটাশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম ও অ্যালবুমিন এনজাইম থাকে পেঁপেতে।

    পেঁপে অনেক রোগ সারাতে কার্যকর। হজমের (Digest) জন্য এই ফল খুবই উপকারি। অনেক ক্ষেত্রে পোকা মাকড়ের কামড়, অল্প পোড়ায় পেঁপের জুস লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

    এই ফল লিভার (liver) ও ব্লাড সুগার স্বাভাবিক রাখে। অন্ত্রের ক্ষতিকর উপাদান দূর করে। পেঁপে খেলে শরীর সতেজ হয় ও জীবনী শক্তি ফিরে পাওয়া যায়। পাকস্থলীর অতিরিক্তি অ্যাসিড দূর করে। তাই যারা গ্যাস্ট্রিক (Gastric) ও বুক জ্বালায় ভুগছেন তাদের জন্য পেঁপে খুব উপকারি।

    বাড়ন্ত শিশুর জন্য পেঁপে একটি আদর্শ খাবার। পেঁপেতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট (Antioxidants) শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কাইমোপ্যাপিন নামের এনজাইম (Enzyme) থাকায় পেঁপে ওসটিওআথ্রাইটিস ও রিউমেটয়েড রোগ সারায়।যেসব মহিলার অনিয়মিত পিরিয়ড হয় তাঁরা পাকা পেঁপে খেলে উপকার পাবেন। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পাকা পেঁপে খুবই কার্যকরী। পেঁপে হজমে সহায়তা করে। পেঁপেতে থাকা আঁশ বাওয়েল মুভমেন্ট স্বাভাবিক রাখে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার যে আশঙ্কা দেখা দেয় তা দূর করতে নিয়মিত পেঁপে খাওয়া জরুরি।এই ফলে থাকা বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। পেঁপেতে থাকা কাইমোপ্যাপিন ও প্যাপিন এনজাইম শরীরের যন্ত্রণা সারাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পেঁপে খেলে ত্বক পরিষ্কার হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Uric Acid: শীতে ভুলেও এই খাবার খাবেন না, গাঁটে গাঁটে ব্যথা বাড়াবে ইউরিক অ্যাসিড

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Uric Acid: শীত পড়তেই ইউরিক অ্যাসিডের (Uric Acid) জ্বালায় জেরবার অনেকেই। গাঁটে গাঁটে ব্যথা যেন অসহ্যকর হয়ে উঠছে। সাধারণত আমাদের শরীর যখন পিউরিন নামক একটি পদার্থকে বিপাক করে তখনই শরীরে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড (Uric Acid)। আর পিউরিন আসে খাবার থেকে, তাই আপনি ঠিক কি খাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করবে কতটা বশে রাখতে পারবেন ইউরিক অ্যাসিডকে। সাধারণত কিডনি শরীরের ইউরিক অ্যাসিড প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বার করে দেয়। কিন্তু যখন অতিরিক্ত পরিমাণে ইউরিক অ্যাসিড জমতে থাকে তখন কিডনি তা পারে না। স্বাভাবিক ভাবেই শরীরের মধ্যে জমতে থাকে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড। যার কারণে শুধুমাত্র গাঁটে গাঁটে ব্যথা নয়, কিডনিতে পাথর পড়া সহ নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    শীতকাল মানে নানান রংবেরঙের সবজির বাহার। তাই এই শীতে বিশেষ করে কয়েকটি সবজি আপনাকে অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। যে খাবার কিংবা সবজিতে পিউরিন রয়েছে সেগুলি এড়িয়ে চলাই ভালো। উৎসবের মরশুমে মিষ্টি একটু এড়িয়ে চলুন। নলেন গুড়ের রসগোল্লা, চা, কফি প্রভৃতির লোভ না সামলানো গেলেও এগুলি খান পরিমিত পরিমাণে। শীতকাল মানে চারিদিকে শুধু পার্টির আমেজ, তবে অ্যালকোহল থাকে দূরে থাকুন। কারণ এতে পিউরিনের পরিমাণ বেশি থাকে। পাশাপাশি রেড মিট খেতে হবে পরিমিত পরিমাণে। সামুদ্রিক মাছ, রেড মিট, মাংসে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন থাকে।

    NHI এর প্রতিবেদন অনুযায়ী মটরশুঁটি, মাশরুম, ফুলকপি, অ্যাসপারাগাস, পালং শাক প্রভৃতি সবজিতে প্রচুর পরিমাণে পিউরিন রয়েছে। সাধারণত চল্লিশ বছর বয়সের পর ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেই আছেন যারা দ্রুত ওজন কমাতে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে প্রোটিন বেশি খান। এখান থেকেও সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে। ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে টমেটো খাওয়া ছেড়ে দিন। রান্নায় অল্প পরিমাণে টমেটো, পেঁয়াজ ব্যবহার করতে পারেন, তবে কাঁচা পেঁয়াজ কিংবা টমেটো একেবারেই খাবেন না। ডাল থেকে তৈরি জিনিস যেমন সয়াবিন রাজমা, কাবুলি ছোলা, মটর এগুলো একটু এড়িয়ে চলুন। কিডনি স্টোনের সমস্যা থাকলে একেবারেই খাবারের লবণের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্যাকেটজাত খাবার একেবারেই খাবেন না। কারণ এতে অধিক পরিমাণে লবণ থাকে। এছাড়াও রং দেওয়া জেলি, সিরাপ, কৌটো বন্দী ফ্রুট জুস, আচার, চানাচুর, নোনা মাছ এগুলি খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • High Cholesterol and Hypertension: উচ্চ রক্তচাপ আর খারাপ কোলেস্টেরল একত্রে বাড়ায় স্ট্রোকের ঝুঁকি, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর গবেষণা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    High Cholesterol and Hypertension: যদি আপনার শরীরে উচ্চমাত্রার খারাপ কোলেস্টেরল (High Bad Cholesterol) আর উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) থাকে তাহলে বিষয়টি চিন্তার। এটি একেবারে হালকা ভাবে নেবেন না। দরকার পড়লে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষণা পত্র অনুযায়ী যে ব্যক্তিদের উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চমাত্রায় খারাপ কোলেস্টেরল থাকে তাদের হার্ট অ্যাটাক(Heart attack)থেকে শুরু করে নানান জটিল রোগের ঝুঁকি বেশি। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের হাইপারটেনশন জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (সিভিডি)এর ক্ষেত্রে হাইপারটেনশন এবং লাইপোপ্রোটিন বা খারাপ কোলেস্টেরল একত্রে কাজ করে।

    যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তাদের উচ্চ রক্তচাপ নেই তাদের তুলনায় লাইপোপ্রোটিন (এ) কোলেস্টেরল ১৮-৩০ শতাংশ বেশি এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি রয়েছে। গবেষণার প্রধান লেখক ঋষি রিখি পরামর্শ দিয়েছেন যে লাইপোপ্রোটিন(এ) উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ এবং লাইপোপ্রোটিন(এ) উভয়ই কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকির কারণ।

    লাইপোপ্রোটিন প্রোটিন এবং চর্বি (লিপিড) দিয়ে তৈরি এই কণাগুলি রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে সারা শরীরের কোষে কোলেস্টেরল বহন করে। লাইপোপ্রোটিন (এ) হল এক ধরনের LDL (লো-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন) বা খারাপ কোলেস্টেরল, যা রক্তনালীগুলির দেয়ালে ফ্যাট জমতে সাহায্য করে। অবশেষে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। পূর্ববর্তী গবেষণাগুলি ইঙ্গিত করেছে যে উচ্চ রক্তচাপ এবং লিপিড ভারসাম্যহীনতা বা ডিসলিপিডেমিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বেশি।

    এই গবেষণায় ৬,৬৭৪ জন প্রাপ্তবয়স্কদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যাদের গড়ে প্রায় ১৪ বছর ধরে অনুসরণ করা হয়েছিল। তাদের লাইপোপ্রোটিন (এ) স্তর এবং রক্তচাপের মাত্রাগুলি ফলো-আপ পরীক্ষা জুড়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে। তালিকাভুক্তির সময় অংশগ্রহণকারীদের কারও কার্ডিওভাসকুলার রোগ ছিল না।

    মোট অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৮০৯ জনের কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঘটনা ঘটেছে। শুধুমাত্র ৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারীদের লিপোপ্রোটিন(এ) মাত্রা ৫০ এমজি/ ডিএল এর চেয়ে বেশি বা সমান এবং কোনো উচ্চ রক্তচাপের কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঘটনা ঘটেনি। তুলনামূলকভাবে ১৮ শতাংশেরও বেশি অংশগ্রহণকারীদের অনুরূপ লাইপোপ্রোটিন(এ) মাত্রা রয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে উচ্চ রক্তচাপ নেই এমন অংশগ্রহণকারীদের তুলনায় উচ্চ রক্তচাপ ছিল এমন অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Salt : বেশি নুন খাওয়ার অভ্যাস? হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Salt : ভাত পাতে খেতে বসেই নুন লেবু অনেকেরই থাকে। প্রতিটি খাবারের আলাদা করে নুন ছিটিয়ে নিতে অনেকেই পছন্দ করেন। বাড়তি নুন খেতে অনেকেই পছন্দ করে থাকেন তবে এর বিভিন্ন ধরনের খারাপ প্রভাব উঠে আসে শরীরে। শুধু খাবার পাতে নয়, চিপস, স‍্যালাড (Salad) সহ বিভিন্ন খাবারে আলাদা করে নুন খাওয়ার প্রবণতা অনেকের থাকে, বিশেষত যারা নোনতা জিনিস খেতে পছন্দ করেন। তবে জানেন কি বেশি নুন খেলে এই বিপজজনক রোগগুলি হতে পারে।

    নুন বা সোডিয়াম ক্লোরাইডে থাকে ৪০ শতাংশ সোডিয়াম ৬০ শতাংশ ক্লোরাইড‌। তবে আমাদের শরীরে ৫০০ মিলিগ্রামের মত সোডিয়ামের (Sodium)প্রয়োজন থাকে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে প্রবেশ করলেই তার বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। চিকিৎসকরা বলছেন বেশি নুন খেলে কিডনি , হার্ট, ব্লাড প্রেসার, ক্যান্সারের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    মাঝে মাঝে কি পেট ভারের সমস্যা ভোগেন? এর কারণ হতে পারে অত্যাধিক নুন খাওয়া। চিকিৎসকরা বলছেন অনেক সময় ব্লটিং সেনসেশন কিডনির সমস্যা ডেকে আনে। কিডনিতে জল (Water) এবং সোডিয়াম এর ভারসাম্য রক্ষা করতে কিডনি সক্রিয় হয়। এর জেরে হাত পা খোলার সমস্যা হয়।

    বেশি নুন খেলে মুখের ভেতরের অংশ শুকিয়ে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে বারবার শ্বাসকষ্ট, প্রস্রাবের কমতির মতো সমস্যা দেখা দিতে থাকে।

    নুন বেশি খেলে দুই থেকে তিন গুণ বেশি থাকে স্টমাক ক্যান্সারের (Cancer) প্রবণতা। আলসারের সমস্যা তৈরি হয়।

    খুব অল্প বয়সে হার্টের সমস্যায় মৃত্যু হওয়ার ঝুঁকি থাকে নুন বেশি খেলে। নুন বেশি খেলে ব্লাড প্রেসার বাড়ে যার ফলে অল্প বয়সে মৃত্যুর ঝুঁকি থেকে যায়।

    হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ক্যালসিয়াম কিন্তু অতিরিক্ত নুন গ্রহণ করলে মূত্রের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম সঠিক থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে হাড়ের ক্যালসিয়াম ক্ষয় হয়।

    বেশি মাত্রায় নুন খেলে ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি কমে যেতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে ব্রেন(Brain) ফাংশন ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং কমবে মনোযোগ। আর এই লক্ষণগুলি দেখা গেলে দৈনন্দিন জীবন যে কতটা দুর্বিসহ হয়ে উঠবে তা নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Ways To Reduce Cancer Risk In Women : ক্যানসার থেকে দূরে থাকবেন মহিলারা, এই ৬টি কাজ অবশ্যই করুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Ways To Reduce Cancer Risk In Women: মারণরোগ ক্যানসার দিনের পর দিন সারা পৃথিবীকে জালের মতো গ্রাস করছে। যে কোন নারী বা পুরুষ ক্যানসারের শিকার হতে পারেন। জিনগত কারণে কিংবা জীবনযাত্রার অনিয়মে ক্যানসার আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। যদি আগে থাকতেই বিশেষভাবে যত্ন নেওয়া যায় তাহলে মহিলারা খুব সহজেই ক্যানসারকে হারাতে পারবেন। ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখতে প্রয়োজন একটু সচেতনতার। আসলে বহু মহিলা আছেন যারা জীবনযাত্রার কিছু ভুল অভ্যাসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। সেই খারাপ অভ্যাসগুলি ত্যাগ করলেই নিজেদেরকে ক্যানসারের হাত থেকে সহজেই রক্ষা করতে পারেন।

    (১) বিশেষজ্ঞদের মতে, কোন মহিলা যদি নিজের ক্রমবর্ধমান ওজন নিয়ন্ত্রণ করেন তাহলে অনেক ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব। বিশেষ করে মেনোপজের পার ক্যানসারের ঝুঁকি এড়াতে ওজনের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতে হবে, প্রয়োজনে প্রতিদিন নিয়ম করে আধ ঘন্টার জন্য হলেও ব্যায়াম করতে হবে।

    (২) ধূমপানকে একেবারেই না বলে দিন। শুধুমাত্র ধূমপানের কারণে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে প্রায় ১৫ ধরনের ক্যানসার। ধূমপান ত্যাগ করলে সহজে ক্যানসারের ঝুঁকি এড়ানো যায়।

    (৩) খাবারের তালিকায় রাখুন প্রচুর পরিমাণে ফল আর শাকসবজি। প্রতিদিনের স্বাস্থ্যকর খাবার আপনাকে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে। এছাড়াও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে অ্যালকোহল থেকে দূরত্ব তৈরি করুন।

    (৪) যতটা সম্ভব চেষ্টা করুন জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ এড়িয়ে যাওয়ার। যদি কোন মহিলা ৩৫ বছর বয়সের পরও অবিরাম জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ সেবন করে থাকেন তাহলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াবে। বিশেষ করে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে ওষুধ খাওয়া উচিত।

    (৫) অনেকেই আছেন যারা মেনোপজের সমস্যার জন্য চিকিৎসা ক্ষেত্রে হরমোন থেরাপি গ্রহণ করে থাকেন। এটি কিন্তু ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া অবশ্যই দরকার।

    (৬) প্রাথমিক পর্যায়ে ওষুধ এবং থেরাপির সাহায্যে ক্যানসারকে পরাজিত করা যায়। তবে তার আগে থাকতে চেকআপ করতে হবে। যদি আপনার পরিবারে বা আত্মীয়দের মধ্যে কেউ ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে চেকআপ করিয়ে নিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Self care : পাতলা চিকন কোমর চান? এই টোটকাগুলি মেনে চলুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Self care : পাতলা চিকন কোমর কে না চায়।কিন্তু বর্তমান জীবনযাত্রার কারণে বেশিরভাগ মানুষই কোমরের চর্বিজনিত সমস্যায় ভুগছেন। কোমরের চর্বির কারণে আপনি আপনার পছন্দের পোশাক পর্যন্ত পরতে পারছেন না। অনেক সময় বসে থাকার সময় জিন্স থেকে অতিরিক্ত চর্বি (Fat) বেরিয়ে আসে এবং এর কারণে আপনাকে অনেক বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। এই বিব্রতকর অবস্থা এড়াতে আপনি যদি সত্যিই কোমর স্লিম করতে চান তা হলে এই নিয়মগুলি মেনে চলুন।

    কোমর স্লিম (Slim) করতে সারা দিনের খাবার টুকরো টুকরো করে খাওয়া শুরু করুন। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন শিম, বাদাম এবং গাজর প্রতিদিন খান। এছাড়াও স্যামন, আখরোট এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খান।এজন্য আপনাকে একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট

    অনুসরণ করতে হবে। ক্যালোরি গ্রহণ সম্পূর্ণভাবে কমাতে হবে। সমস্ত ধরণের গোটা শস্যের পাশাপাশি ফল এবং শাকসবজি কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার খান। মনে রাখবেন, যে ফলগুলিতে চিনি থাকে প্রতিদিন সেগুলি খুব বেশি খাওয়া আপনার কোমর চিকন করার প্রক্রিয়াতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

    স্বাস্থ্যকর এবং সুষম ব্রেকফাস্ট কোমর স্লিম করার জন্য এটি সবচেয়ে ভাল জিনিস। একটি ভাল প্রাতঃরাশ বিপাককে বাড়িয়ে তোলে যা আপনার ক্যালোরি পোড়াতে শুরু করে। প্রাতঃরাশের জন্য প্রচুর পরিমাণে গোটা শস্য এবং রুটি, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার এবং ভিটামিন (Vitamin) সমৃদ্ধ ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। প্রাতঃরাশের আগে এক গ্লাস জল পান করতে ভুলবেন না।
    ডায়েট করতে সারাদিনে অল্প অল্প করে খান। যাতে মাঝখানে খিধে না পায় এবং অতিরিক্ত খাবার না খেতে হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

    ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমায়। ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আপনার পেট ভরা রাখে এবং চিবতে বেশি সময় নেয়। আপনাকে অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত রাখে। উচ্চ ফাইবার খাদ্যে অন্যান্য খাবারের (Food) তুলনায় ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম থাকে।

    কোমর স্লিম করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করুন। সেই সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রক্রিয়াজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং স্টার্চ থাকে যা আপনার কোমর পাতলা করার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং ক্ষতিকারক টক্সিন বাড়ায়।

    আপনি যদি সত্যিই আপনার কোমর স্লিম করতে চান তাহলে আপনার প্রতিদিন একটি কঠোর ব্যায়ামের রুটিন গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কঠোর পরিশ্রম নিষ্ঠার সঙ্গে করলে ভাল ফলাফল পাবেন। কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম ক্যালোরি বার্ন করার জন্য একটি দুর্দান্ত ব্যায়াম এবং এটি যেকোনো ধরনের ওজন কমানোর জন্যও অপরিহার্য।

    প্রচুর ওয়ার্ক আউট (Work Out) করুন। হাঁটুন। আপনার ট্রান্সভার্স অ্যাবডোমিনালগুলি কোমর এবং পেটের চারপাশে কাজ করে এবং ওয়ার্কআউটের সময় তা  কোমরকে পাতলা করতে সহায়তা করে।

    আপনি ডেস্কে বসে থাকুন, গাড়িতে বা দোকানে দাঁড়িয়ে থাকুন যাই করুন না কেন সারাদিন আপনার পেট ভেতরে রাখার চেষ্টা করুন। এটি আপনার পেটের পেশীতে কাজ করার পাশাপাশি আপনাকে পাতলা করে তুলবে।

    ব্যায়ামের জন্য প্রথমে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। এবার মাথার পেছনে হাত রাখুন। তারপর ধীরে ধীরে আপনার শরীরকে হাঁটুর কাছে নিয়ে আসুন। এখন আবার মাটির দিকে ফিরে যান। এভাবে তিনটি সেট করুন এবং প্রতিটি সেট দশ থেকে বারো বার পুনরাবৃত্তি করুন।

    প্রথমে শুয়ে হাঁটু বাঁকিয়ে নিন। এবার আপনার আঙ্গুলগুলি কানের ওপর রাখুন এবং ধীরে ধীরে আপনার শরীর ওপরের দিকে তুলুন। যখন আপনি অনুভব করবেন যে আপনি আপনার দেহকে আর ওপরের দিকে সরাতে পারবেন না তখন আপনার দেহটি ডানদিকে ঘুরিয়ে দিন। তারপর মেঝেতে আরাম করে শুয়ে পড়ুন। এখন বাম দিকেও একই প্রক্রিয়াটি করুন। এই ওয়ার্কআউটে দুই থেকে তিনটি সেট করুন এবং প্রতিটি সেট দশ থেকে পনেরো বার পুনরাবৃত্তি করুন। এছাড়াও সিট আপ সহ অন্যান্য ব্যায়াম বিশেষ কার্যকরী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Milk tea : বারে বারে দুধ চা খাচ্ছেন, শরীরের এই প্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব হচ্ছে না তো?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Milk tea : সকালে উঠেই গরম চায়ে চুমুক ছাড়া দিন শুরুর কথা ভাবাই যায় না। অনেকেই বেড টি পান করেন। তারপর ফের ব্রেকফাস্টের পর চা। কিন্তু কোন চা খাবেন- দুধ চা নাকি লাল চা, নাকি গ্রিন টি?এখন স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য গ্রিন টির দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। বিশেষত যারা লাল চা পান করেন, গ্রিন টিকেও পানীয়ের তালিকায় রাখছেন স্বাচ্ছন্দে। আবার অনেকেই তিন ধরণের চা-ই নিয়মিত পান করেন সময় ও সুযোগ বুঝে।

    চায়ের কথা বলতেই চোখের সামনে নিশ্চয় ভেসে ওঠে গরম এককাপ পারফেক্ট বর্ণ, গন্ধ, স্বাদ ও ঘনত্বের দুধ চায়ের ছবি। প্রথমেই বলি অল্যাকটোজ ইনটলারেন্স কিংবা গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যার থাকলে দুধ চা এড়িয়ে চলুন। সেক্ষেত্রে সঙ্গে থাক লাল চা।

    কিন্তু এই তিন প্রকারের চায়ের মাঝে কোন চা সবচেয়ে উপকারী ও স্বাস্থ্যকর? সেটা সম্পর্কেই আজকের ফিচারে আলোচনা করা হয়েছে।

    দাঁত ও হাড়ের জন্য প্রয়োজন ফ্লোরাইড। তার জন্য লাল চা ও গ্রিন টি অগ্রাধিকার পাবে। এই দুই চা থেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ ফ্লোরাইড পাওয়া যায়। কিন্তু দুধ চা এক্ষেত্রে হতাশ করবে। গ্রিন টি ও লাল চা দাঁত ও হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। লাল চায়ের থেকেও বেশি ফ্লোরাইড পাওয়া যায় গ্রিন টিতে।

    অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির দিক থেকেও এগিয়ে থাকবে গ্রিন টি ও লাল চা। এই দুই ধরণের উপকারী চায়ে পাওয়া যায় ক্যান্সার প্রতিরোধকারী শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। অন্যদিকে দুধ চায়ে মিশ্রিত দুধ অ্যান্টি-অক্সিডেন্টকে শরীরে শোষিত হতে বাধাপ্রদান করে। তবে ফ্লোরাইডের উপস্থিতির মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের উপস্থিতির ক্ষেত্রেও গ্রিন টি সবচেয়ে বেশি ভালো। গ্রিন টি থেকে পাওয়া যায় ক্যাটেচিন নামক ফ্ল্যাভনয়েড। যা ক্যান্সার কোষের জিনের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

    লাল চা গ্রিন টি- উভয় ধরণের চা থেকেই পাওয়া যাবে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যাফেইন। তবে লাল চায়ের তুলনায় গ্রিন টিতে ক্যাফেইন মাত্রা থাকে কিছু কম। যদি আপনি সকাল বেলা ঘুমভাব দূর করে পুরোদমে কাজ শুরু করতে চান তবে লাল চা হবে সবচাইতে ভালো পছন্দ। যদি লাল চা না থাকে তবে গ্রিন টিও পান করতে পারেন। তবে দুধ চায়ের ক্ষেত্রে ক্যাফেইনের মাত্রা হবে একেবারেই কম এবং লাল চা পানে যেমন রিফ্রেশিং ভাব তৈরি হয় দুধ চা থেকে তেমনটা পাওয়া যাবে না।

    হৃদযন্ত্রকে যদি সুস্থ রাখতে চান তবে তিন ধরণের চায়ের মাঝে লাল চা হবে সবচাইতে উৎকৃষ্ট। তবে গ্রিন টিও ব্লাড ভ্যাসেলের চাপকে হ্রাস করতে এবং হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে কাজ করে। অন্যদিকে লাল চা হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন কাপের পর কাপ চা পানের অভ্যাস থাকলে লাল চা বা গ্রিন টি বেছে নিন।দুধ চা পান করুন মাঝেমধ্যে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Biscuits Health Risk: জাঙ্ক ফুডের তালিকায় রয়েছে বিস্কুটও! নিয়মিত খেলে কী ক্ষতিটাই না হবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Biscuits Health Risk: এক কাপ ধোয়া ওঠা গরম চা আর তার সঙ্গে নিজের পছন্দের বিস্কুট। সকালটা অনেকের এই ভাবেই জমে যায়। আবার দেখা যায় অনেকে ডায়েট কন্ট্রোল করেন অথচ বিস্কুট খেতে ছাড়েন না। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তাহলে নিজের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছেন। বিস্কুট অবশ্যই ছেলে মানুষ থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষদের কাছে বেশ প্রিয় খাবার। নানান ফ্লেভার নানান গন্ধ স্বাদের বিস্কুট খেতে সবাই ভালোবাসেন। কিন্তু জেনে রাখা ভালো এই বিস্কুটের যতটা স্বাস্থ্যকরী গুণ রয়েছে তার থেকে খানিকটা বেশি পরিমাণে অপকার করার ক্ষমতা রয়েছে।

    শুনতে অবাক লাগলেও এটা সত্যি প্রচুর পরিমাণে উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার হল বিস্কুট। যা তাড়াতাড়ি শক্তি দেয়। যা অবশ্যই একদিক থেকে ভালো কিন্তু এই বিস্কুটে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেটের উপস্থিতি থাকে। বেশি পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট শরীরের পক্ষে কিন্তু ভালো নয়। এটা আপনার স্থূলতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জাঙ্ক ফুডের তালিকায় আমরা যেকোনো ধরনের সফট ড্রিঙ্কস, মিষ্টি, চকলেট, স্ন্যাক্স, চচিপস, জ্যাম জেলি, ফাস্টফুড এই ধরনের খাবার গুলোকে রাখি। কিন্তু অনেকেই জানেন না বিস্কুটও এই জাঙ্ক ফুডের তালিকাতেই পড়ে।

    এবার প্রশ্ন উঠতেই পারে বিস্কুটে কী এমন উপাদান থাকে যার জন্য এটা জাঙ্ক ফুডের মধ্যে পড়ে ? এতে আন প্রসেসড ফ্যাট ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও থাকে উচ্চ প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেট। আর যাই হোক এইগুলি স্বাস্থ্যের পক্ষে একেবারেই উপযোগী উপকরণ নয় । তাই স্বাভাবিকভাবে বলাই যায় বিস্কুট কিন্তু জাঙ্ক ফুড। তাঁর উপরে আবার এই বিস্কুটে ব্যবহার করা হয় পাম তেল। কারণ পাম তেলের দাম কম। এছাড়াও এই বিস্কুটের মধ্যে ব্যবহার করা হয় অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি যা আপনার শরীরে রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারে।

    এটা সকলেরই জানা যে বেশিরভাগ বিস্কুট তৈরি করা হয় সাদা ময়দা দিয়ে। এই উপাদানটি যে শরীরের পক্ষে খুব একটা ভালো তা কিন্তু বলা যায় না। যে বিস্কুটে পাম তেল ব্যবহার করা হচ্ছে সেই ধরনের বিস্কুট দিনের পর দিন খেতে থাকলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি ক্রমশ বাড়তে থাকবে। অনেকের ধারণা ডাইজেস্টিভ বিস্কুট স্বাস্থ্যের পক্ষে দারুণ। কারন এতে চিনি নেই। এই ধরনের আনপ্রসেসড ফ্যাটও নেই। কিন্তু এমন ভেবে থাকলে ভুল ভাবছেন। অনেক সময় ডাইজেস্টিভ বিস্কুটের মধ্যেও চিনির উপস্থিতি থাকে। তাই দোকান থেকে বিস্কুট কেনার সময় অবশ্যই তার পুষ্টি সংক্রান্ত তথ্যগুলিতে একবার চোখ বুলিয়ে নেবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • BURN MORE CALORIES: শীতকালে ক্যালোরি ঝরবে বাড়িতেই, হাত লাগান সংসারের কাজে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    BURN MORE CALORIES: শীত মানে একটু অলসতা। যারা বাড়িতে থাকেন এই সময় তাদের হাঁটাচলা প্রায় হয় না। শীতকালে ক্যালোরি ঝরানো বেশ কষ্টকর। বাড়তি ওজন নিয়ে কমবেশি অনেকেই চিন্তায় থাকেন। ওজন কিভাবে কমবে তার উপায় খুঁজতে গিয়ে প্রচুর সময় চলে যায়। ওজন বেশি মানেই তার সঙ্গে শরীরে এসে জড়ো হবে হাজারটা রোগ। আবার অনেকে আছে যারা পরিকল্পনা ছাড়াই ওজন কমানোর জন্য শরীর চর্চা শুরু করেন। যার ফলে হিতে বিপরীত হয়। শীতকালে আপনি মাত্র সামান্য কয়েকটি উপায়ে সহজেই ক্যালোরি ঝরাতে পারেন। এর ফলে শরীরে তরতাজা থাকবে, আবার ওজনও কমবে।

    (১) জানেন কি, যদি আপনি রোজ ১০ হাজার পা হাঁটেন তাহলে ক্যালোরি ঝরতে পারে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মতো। এই উপায়ে সহজেই মোটা থেকে রোগা হওয়া যায়, তবে আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে। আসলে এই পদ্ধতি নির্ভর করবে আপনার ওজন, উচ্চতা আর হাঁটার গতির উপর। বাড়িতে ট্রেডমিল না থাকলেও সমস্যা নেই। সকালের দিকে নিয়ম করে হাঁটতে বের হতে পারেন। বাড়ির মধ্যেও আপনি হাঁটাচলা করতে পারেন। যদি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকেন তাহলে সিঁড়ি দিয়েও বেশ কয়েক বার ওঠানামা করতে পারেন।

    (২) কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার খান। আগে যতটা খেতেন তার থেকে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ ক্যালোরি খাবার কম খাওয়ার চেষ্টা করুন। সপ্তাহে সব দিন না হলেও একদিন আপনি এই নিয়মের বাইরে যেতে পারেন। ব্রেকফাস্টে রাখুন কম ক্যালরি সুষম খাবার। রাতে ডিনারের অন্তত দু’ঘণ্টা পর তবেই বিছানায় যাবেন। দুপুরে খাবার পর মিনিট দশেক, একটু হাঁটাচলা করতে পারেন। জাঙ্ক ফুড আর প্যাকেট করা খাবার খাওয়া একদম কমিয়ে ফেলুন।

    (৩) ক্যালোরি পুড়বে ঘরোয়া কাজে। সংসারের বিভিন্ন কাজ করেও প্রচুর ক্যালোরি খরচ করতে পারেন। এই ধরুন রান্না করা, থালা-বাসন ধোয়ার মতো কাজ অনায়াসে করতে পারেন। ক্যালোরি খরচের জন্য আপনাকে প্রতিদিন জিমে যাওয়ার দরকার নেই। উঠ বস হবে এমন কাজও করতে পারেন। ঘর ঝাড়ু দেওয়া, মোছা, বাগানের ঘাস ছাঁটা, গাড়ি ধোয়া, ঘর গোছানো এইসব কাজে আপনি বেশ ভালো মাত্রায় ক্যালোরি ক্ষয় করতে পারেন। বাগানের কাজ করতে পারেন যেমন আগাছা উপড়ে ফেলা, মাটি খোঁড়া, চারা লাগানো, জল দেওয়া এইসব কাজে ক্যালরির যেমন ঝরবে তেমন মনও ভালো থাকবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pancreatitis: পেটে ব্যথাকে অবহেলা নয়, হতে পারে প্যানক্রিয়াটাইটিস! জেনে নিন উপসর্গ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Pancreatitis: কোন কারণ ছাড়াই একটানা পেটে ব্যথা হচ্ছে? এই সমস্যাকে গ্যাস কিংবা অম্বল ভেবে উড়িয়ে দেবেন না। অনেকেই আছেন যারা ঘরের মধ্যে গাদা গাদা অ্যান্টাসিড রেখে দেন। একটু পেটে ব্যথা কিংবা বুকে জ্বালা হলেই মুড়ি মুড়কির মতো ওষুধ খেয়ে ফেলেন। কিন্তু এই অভ্যাস সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে। যদি একটানা পেটে ব্যথা হয় তাহলে অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ জনিত ব্যাথা হতে পারে। যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় প্যানক্রিয়াটাইসিস। এই রোগকে যদি অজান্তে নিজের শরীরে পুষে রাখেন, তাহলে ভয়ঙ্কর বিপদ অপেক্ষা করছে। মানব শরীরের অগ্ন্যাশয় অর্থাৎ প্যানক্রিয়াসে থাকা গ্রন্থিতে সংক্রমণ বাসা বাঁধলেই তখন সমস্যা তৈরি হয়। এই রোগ মূলত দুই ধরনের। একটি অ্যাকিউট এবং অপরটি ক্রনিক। তবে পেটে ব্যাথা হলেই যে প্যানক্রিয়াটাইটিস হবে এমন নয়। এই রোগ থেকে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, তবে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি।

    কেন হয় এই রোগ ?

    •অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহের মূল কারণ হল অতিরিক্ত মদ্যপান।
    •পিত্তনালিতে পাথর পড়লেও এমন হয়।
    •স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ কিংবা অপারেশনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হতে পারে।
    •হঠাৎ করে যদি দেহে লিপিড কিংবা কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় তাহলে এই রোগ হতে পারে।
    •দেহে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বেশি হলেও এমনটা হয়ে থাকে।

    প্যানক্রিয়াটাইটিস মারাত্মক আকারে পৌঁছালে কিডনি লিভার নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। যদি সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা না শুরু হয় তাহলে রোগী মারাও যেতে পারেন। এই রোগের শুরুতেই চিকিৎসা করানো অত্যন্ত জরুরি। প্যানক্রিয়াটাইটিস নিয়ে উদাসীন হলে এক্কেবারে চলবে না। সঠিক চিকিৎসা পেলে রোগী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যেতে পারেন।

    কীভাবে বুঝবেন?

    যদি অ্যাকিউট প্যানক্রিয়াটাইটিস হয় তাহলে হঠাৎ করেই পেটের ওপরের অংশ এবং মাঝখানের তীব্র ব্যাথা হবে। এই ব্যাথা দিনের পর দিন ক্রমশ বাড়তে থাকবে। এমনকি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ, ব্যথানাশক কিংবা ইনজেকশনেও এই ব্যথা কমে না। ধীরে ধীরে এই ব্যথা পেট থেকে পিঠের পিছন দিকে ছড়িয়ে পড়ে, পাশাপাশি বমি হতে পারে। অসহ্য ব্যথার কারণে এই সময় রোগী একটু সামনের দিকে কুঁজো হয়ে বসে থাকেন, যাতে সামান্য আরাম মেলে। তাই ভুলেও প্যানক্রিয়াটাইটিসকে অবহেলা নয়। পেটে ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সেই অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version