Tag: CM Mamata Banerjee

  • Mamata Banerjee: স্বামীজির জন্মদিনেই বাবুঘাটে গঙ্গা আরতির প্রস্তুতি! আর কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ?

    Mamata Banerjee: স্বামীজির জন্মদিনেই বাবুঘাটে গঙ্গা আরতির প্রস্তুতি! আর কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar Mela) ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। বুধবার কলকাতার আউট্রাম ঘাটে সাগর মেলার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া পুণ্যার্থীদের শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন রাজের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বারবার সকলকে নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্ক করেন তিনি। এছাড়াও রাজ্যের একাধিক উন্নয়ন সম্পর্কে কথা বলতে শোনা যায় তাকে। পাশাপাশি এই দিন একটি বড় ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বারাণসীর ধাঁচে কলকাতাতেও গঙ্গা আরতি (Ganga Aarti) হবে, একথা পূর্বেই জানিয়েছিলেন তিনি । সেই কাজের সূচনা স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনেই করতে হবে , আজ এমনটা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তিনি নির্দেশ দেন আগামীকাল অর্থাৎ ১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম দিবসেই বাবুঘাটে (Babughat) গঙ্গা আরতির কাজ শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, শুধুমাত্র বাবুঘাটে গঙ্গা আরতি হবে এমনটাই নয়। দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু করে বেলুড়ের ঘাটেও গঙ্গা আরতি করার দিকে এগোবে রাজ্য সরকার। প্রয়োজনে সুবিধা থাকলে তারাপীঠেও গঙ্গা আরতি হতে পারে। কালীঘাটে একটি ছোট পুষ্করিণী রয়েছে । সেখানেও হতে পারে গঙ্গা আরতি। সুযোগ-সুবিধা দেখে সব দিক খতিয়ে তারপরে কাজ করা হবে এমনটাই জানান তিনি।

    একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই গঙ্গা আরতি সম্পূর্ণ পরিকল্পনা নিয়ে করা হবে। কাজেই যে কেউ চাইলেই গঙ্গা আরতি করতে পারবেন না। তার জন্য যারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তাদেরকেই রাখতে হবে। গঙ্গাসাগরে যেহেতু প্রত্যেক বছর গঙ্গাসাগরের মেলা হয় তাই আগের তুলনায় তার অনেক উন্নতি করা হয়েছে। সেখানে নতুন মন্দির থেকে শুরু করে গেস্ট হাউস, হেলিপ্যাড, লাইটিং, থাকার ব্যবস্থা, বায়ো টয়লেট প্রভৃতি নির্মাণ করা হয়েছে এই কয়েক বছরে।

    দিঘায় গিয়েও এবার জগন্নাথ দর্শন সম্ভব। এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বুধবার বাবুঘাটের গঙ্গা আরতি এবং গঙ্গাসাগরের মেলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দিঘার উন্নয়নের কথা বলেন। তাঁর কথায়, দিঘা (Digha) কয়েক বছর আগে যেমন ছিল এখন আর সেইরকম নেই । রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ৭ কিলোমিটার সেতু তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও নির্মাণ করা হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টার । নির্মাণ করা হয়েছে একটি জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple)। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের মতো অত বড়সড় না হলেও ওই মন্দিরের মাধ্যমে দিঘাতেই জগন্নাথ দর্শন সারতে পারবেন পর্যটকরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Didir Doot: ময়দানে নামছে ‘দিদির দূত’, বুধবার থেকেই শুরু নয়া কর্মসূচি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Didir Doot: জনসাধারণের সুবিধার জন্য রাজ্য সরকার দুয়ারে সরকারের সূচনা করেছিল। আর এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আরও এক নতুন কর্মসূচি নিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে পৌঁছে যেতে চলেছেন দিদির দূতরা (Didir Doot)। ১১ জানুয়ারি অর্থাৎ আজ থেকে শুরু হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশিত কর্মসূচি। প্রত্যেকটি জেলার একেবারে গ্রামাঞ্চলগুলিতে গিয়ে সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন দিদির দূতরা। রাত কাটাবেন দলীয় কর্মীর বাড়িতে। মধ্যাহ্নভোজ এবং নৈশভোজের আয়োজন করা হবে ওই গ্রামেই।

    মূলত রাজ্য সরকারের যে ১৫ টি জনকল্যাণমুখী প্রকল্প রয়েছে সেগুলি থেকে আদৌ সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন কিনা, যদি পেয়ে থাকেন তাহলে কতটা সুবিধা ভোগ করছেন তাঁরা, আর যদি না পান তাহলে কেন পাননি? এই সমস্ত বিষয়ে খতিয়ে দেখবেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা। ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিকে নির্দিষ্ট রুট ম্যাপ দেওয়া হয়েছে। নেতারা কোন এলাকাগুলিতে যাবেন, এলাকায় পৌঁছে তাঁরা কী করবেন এবং পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে সমস্ত কিছু পূর্ব পরিকল্পিত।

    জানা গিয়েছে, সাংসদ, বিধায়ক, জেলা সভাপতি, জেলা পরিষদের সদস্য এবং দলীয় পদাধিকারীরা কোন দিন কোন গ্রামে গিয়ে পৌঁছবেন তার একটি নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ওই দিনের সফরে সর্বপ্রথম নির্দিষ্ট এলাকার কোন ধর্মীয় স্থানে যাবেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা (Trinamool Congress Leaders)। তারপর পরিদর্শন করবেন পঞ্চায়েত অফিস এবং সরকারি হাসপাতাল । পরবর্তীতে স্থানীয় কোন গ্রামবাসী অথবা দল কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তাঁরা। এরপর রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাঁরা জনসাধারণের সব অভাব অভিযোগ শুনবেন ধৈর্য্য ধরে। দিনের দ্বিতীয় ধাপে অবশ্য জনসংযোগ বা সভা করতে হবে নেতাদের।

    রাতেও তাদের জন্য গ্রামেই নৈশভোজের আয়োজন করা হবে। তবে তাতে এলাহি কোন ব্যবস্থা করা যাবে না। দিদির দূত কর্মসূচি নিয়ে দলের তরফ থেকে একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তার মধ্যে স্পষ্ট জানানো হয়েছে বড় গাড়ির কনভয় নিয়ে গ্রামে প্রবেশ নয়। বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং সমস্যার সমাধান করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২ জানুয়ারি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজরুল মঞ্চের একটি সভায় ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ (Didir Suraksha Kavach) কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছিলেন । রাজ্যের ২ কোটি পরিবারের ১০ কোটি মানুষের কাছে কীভাবে পৌঁছে যাওয়া যাবে তার উত্তর হল এই ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচির অন্তর্গত ‘দিদির দূতরা’। মঙ্গলবার ভবানীপুর বিধানসভার ‘দিদি সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচির সূচনা করেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vehicle Tracking System : শহরে ট্র্যাকিং সিস্টেম উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর, যাত্রী নিরাপত্তায় নয়া উদ্যোগ

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Vehicle Tracking System : শহর কলকাতায় যাতে বিভিন্ন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারকারী মানুষ নিজেকে নিরাপদ মনে করতে পারেন তার জন্য বিশেষ উদ্যোগ কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) সহ রাজ্য পরিবহন দফতরের (West Bengal Transport Department)। এই দুই ক্ষেত্রের মিলিত উদ্যোগে সোমবার শহরে ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেমের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গাড়ির মধ্যে থাকা ট্র্যাকিং সিস্টেম এবং প্যানিক বাটন অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।

    অভিনব এই ট্র্যাকিং সিস্টেম উদ্বোধন করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ” চারিদিকেই দুষ্টু লোকেরা রয়েছে। তাদের হাত থেকে মা-বোনেদের রক্ষা করতে ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে “। জানা গিয়েছে এবার থেকে শহরের প্রত্যেকটি কমার্শিয়াল গাড়িতে (Commercial Car) এই লোকেশন ট্র্যাকিং ডিভাইস থাকবে।একই সঙ্গে বাস এবং অন্যান্য পাবলিক ট্রান্সপোর্টে থাকবে প্যানিক বাটান (Panic Button)। এর মাধ্যমে পুলিশ সহজেই ট্র্যাক করতে পারবে যে কোন গাড়ি। কোন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে সেই গাড়ি কতদূর গিয়ে পৌঁছালো এবং কোথাও বেশিক্ষণ একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে কিনা সেটাও জানা যাবে ।

    যেই গাড়ি থেকে প্যানিক বাটন পুশ করা হবে ৩০ মিনিটের মধ্যে সেই গাড়ির কাছে চলে আসবে কলকাতা পুলিশ। এই সুবিধাও মিলছে এবার থেকে। পরিবহন দফতর এবং লালবাজারের কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে ওই গাড়িগুলির ট্র্যাকিং ডিভাইসকে (Location Tracking Device) নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এছাড়াও কোন গাড়ি যদি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অথবা কোন যাত্রী যদি নিজেকে অসুরক্ষিত বলে মনে করে তাহলে সে সাথে সাথে তিনি প্যানিক বাটন করতে পারেন। লালবাজার কন্ট্রোল রুমে এর মাধ্যমে সংকেত পৌঁছে যাবে। এবার মহানগরের রাস্তায় বাস এবং ট্যাক্সি অথবা অ্যাপ ক্যাবের মত পাবলিক ট্রান্সপোর্টে বাড়তি সুরক্ষা পাবেন যাত্রীরা। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে প্রত্যেকটি কমার্শিয়াল গাড়িতে প্যানিক বটন এবং লোকেশন ট্র্যাকিং ডিভাইস লাগানোর কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee : ‘ রাজ্যের GDP বৃদ্ধি পেয়েছে ৪ গুণ’, কলকাতার G-20 সামিটে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee : শহর কলকাতায় সোমবার থেকেই শুরু হল জি-২০ সম্মেলন (G20 Summit)। সপ্তাহের প্রথম দিনের বেলা বারোটা নাগাদ বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে এই সামিটের সূচনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যেহেতু চলতি বছরে জি-২০ সম্মেলন এ প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব ভারতের এবং প্রথম বৈঠক কলকাতায় (Kolkata) অনুষ্ঠিত হয়েছে তাই বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরার সব রকম চেষ্টা করা হবে তা জানানোই হয়েছিল। ঠিক সেই মতোই এই দিনের বৈঠকের উদ্বোধনে রাজ্যের একাধিক উন্নয়নের দিকগুলি তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকের সূচনায় বলেন, “রাজ্যে বেড়েছে কর্মসংস্থান এবং কমেছে দারিদ্রতা। ১২ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে এই রাজ্যে। একই সঙ্গে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলকেই পশ্চিমবঙ্গে স্কলারশিপ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। করোনাকালীন সময়ে এই রাজ্যের জিডিপি (GDP) বেড়েছে চার গুণ। কেন্দ্রের তরফ থেকে পুরস্কৃত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দুয়ারে সরকার”। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্পের প্রশংসাও করেন। তাঁর কথায় ‘ বাংলার MSME সেক্টর সারাদেশের মধ্যে প্রথম’।

    রাজ্যে যেভাবে সেলফ হেল্প গ্রুপ গুলি কাজ করছে এবং তার দ্বারা রাজ্যের মহিলারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছেন। সেই বিষয়টিও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য রাজ্যের তরফ থেকে যথেষ্ট সাহায্য করা হয়েছে । পশ্চিমবঙ্গে খাদ্য, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা সব ক্ষেত্রেই জনসাধারণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রায় বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে, এমনটাই জানান তিনি। সোমবার থেকে কলকাতায় যে জি-২০ সম্মেলন শুরু হয়েছে। সেটি আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হতে চলেছে ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সিস্টেম।

    আজকের বৈঠক বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে হলেও ১০ এবং ১১ তারিখ জি২০ বৈঠকের আসর বসতে চলেছে জে ডাবলিউ ম্যারিয়ট হোটেলে। রবিবার থেকেই দেশ-বিদেশের অতিথিদের আগমন শুরু হয়ে গিয়েছিল কলকাতায় । তাদের জন্য এদিন বৈঠক শেষে গঙ্গা বক্ষে বিশেষ নৈশ ভোজের আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে । এছাড়াও গঙ্গা ভ্রমণের সময় নদীর দু’ধারের ইতিহাস তাদের সামনে তুলে ধরা হবে বলেও জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু করে এপ্রিল এবং জুলাই মাসে আবারও কলকাতা ও শিলিগুড়িতে একাধিক ওয়ার্কিং গ্রুপ এবং মিনিস্ট্রিয়াল বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • G-20 Summit In Kolkata: আজ থেকে তিলোত্তমায় শুরু হচ্ছে G-20, সম্মেলনে সভাপতিত্বের ভার ভারতের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    G-20 Summit In Kolkata: ২০২৩ এর জি-২০ সম্মেলনের প্রথম বৈঠকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই কলকাতায় সাজ সাজ রব শুরু হয়েছিল। প্রস্তুতি চলছিল জোরকদমে। আজ অর্থাৎ সোমবার থেকে কলকাতায় শুরু হতে চলেছে জি-২০ সম্মেলন (G-20 Summit)। আজ থেকে বুধবার অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই বৈঠক চলবে। বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হল ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সিস্টেম (Digital Financial System)। রবি বারই শহরের বুকে পা রেখেছেন দেশ-বিদেশের অতিথিরা। এই সম্মেলনে সভাপতিদের দায়িত্বে থাকছে ভারত। সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

    এই প্রথমবার কলকাতায় (Kolkata) জি-২০ সম্মেলনের আসর বসেছে। আর চলতি বছর প্রথম ভারত জি ২০ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবে। কলকাতার বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তবে ১০ এবং ১১ জানুয়ারি জি ২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে জে ডব্লিউ ম্যারিয়ট হোটেলে। এই তিন দিনের সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় হল, একেবারে প্রান্তিক মানুষদের কীভাবে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা যায়, এর মাধ্যমে কীভাবে তাদের ব্যক্তিগত এবং জাতীয় আয় বাড়ানো সম্ভব।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সম্মেলনে জি-২০ সদস্য দেশগুলি উপস্থিত থাকবে। এছাড়াও উপস্থিত থাকবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য দেশ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক, ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, নাবার্ড এবং আইএমএফ এর মত সংস্থার প্রতিনিধিরাও। এবিপি সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, নবান্নে তরফ থেকে জানানো হয়েছে সোমবার প্রথম দিন বৈঠক শেষে আগত সকল অতিথিদের জন্য নৈশ ভোজের ব্যবস্থা করা হয়েছে গঙ্গাবক্ষে ক্রুজের মধ্যে। তাদের সামনে বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য কোনরকম খামতি রাখা হবে না। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর ৫ ডিসেম্বর দিল্লিতে যে জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সহ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • CM On Vande Bharat: ‘বিহারের মানুষের ক্ষোভ থাকতেই পারে’, বন্দে ভারতে হামলা প্রসঙ্গে সরব মুখ্যমন্ত্রী

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    CM On Vande Bharat: বাংলায় পথ চলা শুরু করেছে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁর উদ্বোধন হয়। আর তার কয়েকদিন পরেই পাথর হামলা চলে বন্দে ভারতের উপরে । একবার নয় একই ঘটনা ঘটে দুবার। বন্দে ভারতের উপর হামলার বিষয়টি নিয়ে রাজ্য রাজনীতি বেশ খানিকটা সরগরম হয়েছিল। তবে পূর্ব রেলের তরফ থেকে একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনা হয়। যেখানে নিশ্চিত করা হয়েছে যে বন্দে ভারতের উপর হামলা চলেছিল বিহারে, পশ্চিমবঙ্গে নয়। এই প্রসঙ্গে এবার গঙ্গাসাগর (Gangasagar) থেকেই প্রতিক্রিয়া জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

    তিনি গতকাল গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার জন্য সেখানে গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন। তাঁর দুদিনের সফরে আজ শেষ দিন। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, “এটা বাংলায় ঘটেনি, এটা বিহারে ঘটেছে। বিহারের মানুষের ক্ষোভ থাকতেই পারে। গণতন্ত্রের ক্ষোভ থাকলে তাঁরা একটি ঘটনা যদি ঘটিয়েও থাকে তাহলে বিহারকে তো অপমান করা যায় না। আমি মনে করি তাদেরও পাওয়ার অধিকার আছে। তাঁরাই বা পাবে না কেন “?

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই বন্দে ভারতের (Vande Bharat) উপরে হামলার বিষয়টিকে নিয়ে বাংলাকে অসম্মান করা হয়েছে। আর যারা ভুয়ো খবরের মাধ্যমে বাংলাকে অসম্মান করার মত কাজ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইন আইনের পথে চলবে। অন্যদিকে পূর্ব রেলওয়ে মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার এবিপি আনন্দকে জানান, ওই ঘটনাটি ঘটে বিহার বর্ডারে। এনজিপি ঢোকার কিছুক্ষণ আগেই বন্দে ভারতের উপরে হামলা চালানো হয়। যে সময় হামলা হয় অর্থাৎ ১২.৫৫ মিনিট, সেই সময় ট্রেনটির বিহারেই থাকার কথা। কাজেই তদন্ত করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না কোনোভাবেই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: বাংলার মসনদে তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী, জন্মদিনে জানুন মমতা ব্যানার্জীর উত্থান কাহিনী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তিনি এখনও অপরাজয়ে। প্রায় ১১ বছর ধরে বাংলার মাটিতে বাংলার মানুষের পছন্দের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে রাজ্যের দায়িত্বভার সামলাচ্ছেন। একজন সাধারণ কংগ্রেস কর্মী হিসেবে রাজনীতির ময়দানে নামা। আর তারপর নিজের হাতে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে রাজ্য সরকার গঠন করা। বলতে যতটা সহজ যাত্রাপথ ততটা কোমল ছিল না। বহু কন্টকময় পথ পেরিয়ে তবে আজ পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী (CM)। তিনি আর কেউ নন, বাংলার অগ্নিকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

    ১৯৫৫ সালের ৫ জানুয়ারি কলকাতার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের এই কন্যা। তাঁর ছোটবেলা থেকে শুরু কৈশোর কোনটাই খুব একটা মসৃণ ছিল না। তবে তারপরেও থেমে থাকতে শেখেননি তিনি নিজের দক্ষতায় নজির গড়েছেন এই বাংলার বুকে। পশ্চিমবঙ্গের রূপকার বিধানচন্দ্র রায় ও জ্যোতি বসুর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন এমন মুখ্যমন্ত্রী যিনি পরপর তিনবার একই পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। ২০১১ সালে বাংলার রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনেন। কারণ সেবারে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০১৬ সাল এবং তারপর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জয়লাভ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজকে তাঁর জন্মদিনে চলুন জানা যাক কীভাবে ধীরে ধীরে রাজনীতির আঙিনায় নিজেকে গড়ে তুলেছেন তিনি।

    জাতীয় কংগ্রেসে রাজনৈতিক জীবন শুরু :

    ১৯৭০ সালে রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদার্পণ কংগ্রেসের (Congress) হাত ধরে। সেই সময় সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি। ১৯৭৫ সালে জয়প্রকাশ নারায়ণের বিরুদ্ধে তাঁর একটি আন্দোলন সংবাদমাধ্যমের নজর কেড়েছিল। এরপর ১৯৭৬ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি রাজ্য মহিলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের পদে দায়িত্ব সামলান। ১৯৮৪ সালে তিনি দেশের কনিষ্ঠতম সাংসদের তকমা পান । সেবারই যাদবপুর কেন্দ্র থেকে দাপুটে নেতার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন তিনি। যদিও তাঁর রাজনীতির প্রারম্ভিক জীবনে কংগ্রেসের হাত ধরে পথচলা শুরু হলেও পরবর্তীতে মত পার্থক্য দেখা দেয়। যার কারণে নয় দশকের একেবারে শেষের দিকে কংগ্রেস ত্যাগ করেন তিনি।

    তৃণমূলের জন্ম :

    ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস দলটি স্থাপন করেছিলেন। ১৯৯৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন NDA জোটে সামিল হন। এই জোট যখন সরকার গঠন করে, তিনি রেলমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হন। ২০০০ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম তাঁর রেল বাজেট পেশ করেছিলেন। সেই বাজেটে তিনি রাজ্যের প্রতি নিজের অনেক প্রতিশ্রুতি পূরণ করেন । রাজ্যের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি সাধনের জন্য তিনি গুরুত্বপূর্ণ দূরপাল্লার ট্রেন চালু করেছিলেন। এছাড়াও ২০০০ থেকে ২০০১ অর্থবর্ষে তিনি মোট ১৯ টি নতুন ট্রেন চালু করেন।

    বামেদের বিরুদ্ধে লড়াই

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সাংসদ হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব পদ সামলেছেন। তবে বাংলার বুকে বাম শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর যে লড়াই শুরু হয়েছিল সেই লড়াই এক মুহুর্তের জন্যও তিনি থামান নি। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের আন্দোলন হোক কিংবা সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম ঘটনা । তিনি বামেদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলার জন্য সব সময় তৈরি ছিলেন। আর তাঁর মনের অদম্য জোর এবং সংগ্রাম করার ইচ্ছাশক্তির কারণে অবশেষে ২০১১ সালে রাজ্যে চলে আসা ৩৪ বছরের বাম শাসনের যুগ শেষ হয় । পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন

    ২০০৯ সালেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়ে ওঠা তৃণমূল কংগ্রেস লোকসভা নির্বাচনে দারুণ ভালো ফলাফল করেছিল। পশ্চিমবঙ্গের ৪২ টি লোকসভা আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১৯ আসনে এককভাবে জয়লাভ করেছিল। আর তৃণমূল কংগ্রেস জোট মোট ২৬ টি আসনে জয়লাভ করে। সেই তুলনায় বামফ্রন্টের লোকসভা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫ টি। ২০১৪ সালে পুনরায় তৃণমূল কংগ্রেস এককভাবে পশ্চিমবঙ্গের বুকে ৩৪ টি লোকসভা আসন হাসিল করে।

    দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ

    সালটা ২০১৬। ২০১১ সালের পর ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ২১১ টি আসনে জয়লাভ করেছিল এককভাবে। সেই বারও তিনি পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় বারের মুখ্যমন্ত্রী রূপে শপথ পাঠ করেন।

    বাংলার তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ২১৩ টি আসনে জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। আর খুব স্বাভাবিকভাবে পুনরায় তৃতীয় বারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিজের হাতেই তুলে নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যের বাইরে তৃণমূলের বিস্তার ঘটানোর বিষয়ে সচেষ্ট। আপাতত নতুন বছর অর্থাৎ ২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। বলে রাখা ভালো , ২০১২ সালের টাইম ম্যাগাজিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে একজন হিসেবে উল্লেখ করে। অন্যদিকে একই বছরে ব্লুমবার্গ মার্কেটস তাকে বিশ্ব অর্থনীতির প্রভাবশালী ৫০ জন ব্যক্তির তালিকায় রেখেছিল বলে জানা যায়। ২০১৮ তে তিনি স্কচ বর্ষসেরা মুখ্যমন্ত্রীর সম্মান লাভ করেছিলেন।

    এখনও পর্যন্ত রাজ্যের মানুষের সুবিধার জন্য তিনি একাধিক জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের শুভ সূচনা করেছেন। দলের তরফ থেকে জনসাধারণের সঙ্গে যত বেশি সম্ভব জনসংযোগ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালেই তিনি ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ নামক আরও একটি কর্মসূচির ঘোষণা করেন। যেখানে রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে প্রত্যেকটি মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাঁর সমস্যার কথা জানার চেষ্টা করবেন দিদি দূতেরা। একজন মহিলা রাজনীতিক হিসেবে রাজ্য রাজনীতি একই রকম ভাবে জাতীয় রাজনীতিতে তিনি যে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তিত্ব, তা স্বীকার করতেই হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Duare Sarkar : দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে ব্যাপক সারা, জমা পড়ল প্রায় ১কোটি আবেদন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Duare Sarkar: রাজ্যজুড়ে পঞ্চম দফায় দুয়ারে সরকার শিবির শেষ হয় বছরের শেষ দিনে। নভেম্বর মাস থেকে শুরু হয়ে এক মাসের শিবির হওয়ার কথা থাকলেও মানুষের চাহিদায় তা বাড়াতে হয় গোটা ডিসেম্বর (December) মাস পর্যন্ত।

    বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী এই পঞ্চম দফায় গোটা রাজ্যে ৮২ হাজার ৩৪৫টি ক্যাম্প চালানো হয়েছিল। তার মধ্যে ৩৪.৫ শতাংশ ২৮,৩৮১ টি মোবাইল ক্যাম্প ছিল। এই মোবাইল ক্যাম্পের মাধ্যমে ১৪ লাখ ৯৫ হাজার রাজ‍্যবাসী নিজেদের সমস্যা নিয়ে এসেছেন। সব মিলিয়ে ৯৭ লাখ রাজ্যবাসীর সমস্যা নথিভুক্ত হয়েছে এই ক্যাম্পগুলির মাধ্যমে।

    আবার অন্যদিকে ‘আনন্দ বাজার’এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে দুয়ারে সরকার শিবির গুলিতে প্রায় এক কোটির বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সব থেকে বেশি আবেদন জমা পরেছে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের জন্য। প্রায় ৩৫ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে।

    ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে দুয়ারী সরকার কর্মসূচি শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন এলাকার আয়োজিত এই কর্মসূচির শিবির গুলিতে সরকারি পরিষেবা এবং প্রকল্পের সুযোগ সুবিধার জন্য সাধারণ মানুষ আবেদন করেছিলেন। দ্বিতীয়বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নবান্নে ফিরতে সাহায্য করেছিল এই কর্মসূচি। এবার ছিল দুয়ারের সরকার শিবিরের পঞ্চম সংস্করণ। এবারে দুয়ারে সরকারে যে নতুন সুবিধা গুলি যুক্ত হয়ে করা হয়েছিল তার মধ্যে ছিল জমির পাট্টা সংক্রান্ত আবেদন। সেখানে এক লাখ কুড়ি হাজার আবেদন জমা পড়ে এই দুই মাসের মধ্যে। পাশাপাশি বিদ্যুতের মাশুলে ছাড় সংক্রান্ত আবেদন এসেছে দু লাখ পঁচিশ হাজার। বিদ্যুতের নতুন সংযোগের জন্য আবেদন এসেছে ১ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি।

    বছরের শেষে দুয়ারে সরকার (Duare sarkar) শিবিরেও ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেল। প্রায় এক কোটি আবেদন জমা পড়ল বিভিন্ন প্রকল্পে। ১ নভেম্বর থেকে ৩০ শে নভেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে দুয়ারে সরকার শিবির ঘোষণা হলেও পরবর্তীকালে বিশাল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের কথা মাথায় রেখে আরো একমাস সময় বাড়ানো হয়। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সম্ভবত পঞ্চায়েত ভোটের আগে এটাই ছিল শেষ দুয়ারে সরকার শিবির। তাতে যে ব্যাপক সাড়া মিলেছে তাতেই খুশি শাসক শিবির।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee : সাগর মেলা প্রাঙ্গণে প্রাণ হারালে ৫ লক্ষ টাকার বিমা, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee : চলতি মাসের ৮ তারিখ থেকেই শুরু হতে চলেছে গঙ্গাসাগর মেলা। এই মেলাকে ঘিরে বিগত দুই বছরে যত পরিমান পুন্যার্থীর আগমন ঘটেছে এই বছর সেই রেকর্ড ভাঙতে পারে এমনটাই আশঙ্কা রাজ্য প্রশাসনের। গঙ্গাসাগরের মেলা (Gangasagar Mela) নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিশেষ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বহুদিন আগে থেকেই সেই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। আজ প্রস্তুতি কতটা এগিয়েছে তা খতিয়ে দেখতে খোদ গঙ্গাসাগরে গিয়ে পৌঁছেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানে গিয়ে তিনি গঙ্গাসাগর হেলিপ্যাডের উদ্বোধন করেন। এছাড়াও উদ্বোধন করা হয় কাকদ্বীপের একটি নতুন সেতুর।

    * ৫ লক্ষ টাকার বিমা ব্যবস্থা

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গঙ্গাসাগরে এসে পৌঁছানোর পর তিনি জানান, চলতি বছরে এক বিশেষ বিমা ব্যবস্থা করেছেন তিনি। পূর্বেই যদিও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে গঙ্গাসাগরে আসা পুণ্যার্থীদের তীর্থকর মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। আর এবার গঙ্গাসাগরে আসা যে কোন পুন্যার্থী থেকে শুরু করে সাধারন মানুষ যদি কোন কারনে দুর্ভাগ্যবশত প্রাণ হারান, সে ক্ষেত্রে তাদের জন্য ৫ লক্ষ টাকার বিমা (Insurance) ব্যবস্থা করানো হয়েছে।

    * গঙ্গাসাগরের তীর্থ দর্শনের সুবিধা

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রায় প্রত্যেক বছরই গঙ্গাসাগরের মেলার আগে তার প্রস্তুতি একবার স্বচক্ষে দর্শন করার জন্য যান। এইবারও তিনি গিয়ে পৌঁছেছেন গঙ্গাসাগর প্রাঙ্গণে। তাঁর দুদিনের গঙ্গাসাগর সফরে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তিনি জানান, এবার মেলায় একটি নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য। যারা গঙ্গাসাগরের মেলায় আসবেন তাঁরা একই সঙ্গে চারটি তীর্থস্থান দর্শন করার সুযোগ পাবেন। দক্ষিণেশ্বরের কালীবাড়ি, তারাপীঠ, কালী মন্দির এবং জহুরা কালীবাড়ি সেখানে তৈরি করা হয়েছে এই গঙ্গাসাগরের মেলার জন্যেই।

    * অন্যান্য ব্যবস্থা

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গঙ্গাসাগরের মেলা উপলক্ষে সেখানে প্রায় দশ হাজারেরও বেশি স্থায়ী শৌচাগার তৈরি করানো হয়েছে। রাস্তাঘাট বাঁধানো হয়েছে নতুন করে। ব্যবস্থা করা হয়েছে পানীয় জলের। সেখানে রয়েছে ফুড কোর্ট থেকে শুরু করে লেজার শো এর ব্যবস্থা। এছাড়াও মেলাতে বিভিন্ন দোকান তো বসবেই। যাতে পুণ্যার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা হয় তার জন্য মুড়িগঙ্গা খনন করে তার গভীরতা আরও বাড়ানো হয়েছে। ৬৫ লক্ষ টাকা খরচ করে একটি আধুনিক গেস্ট হাউস তৈরি করা হয়েছে। মেরামতি করা হয়েছে সমুদ্রতট। যার খরচা বহন করেছে রাজ্য সরকার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: ‘কবিতা বিতান’ এবার ইংরেজিতে! বইমেলায় থাকছে মুখ্যমন্ত্রীর নতুন বইও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চায় যে আগ্রহী সেই তথ্য বাংলার মানুষের কাছে অজানা নয়। নতুন বছরের বইমেলায় (Kolkata Book Fair) এবার তাঁর লেখা বেশ কিছু নতুন বইয়ের সম্ভার বসতে চলেছে। এছাড়াও পুনরায় প্রকাশিত হবে তাঁর ‘কবিতা বিতান’ (Kabita Bitan) বইটি। তবে এবার আর বাংলায় নয়। ২০২৩ সালের বইমেলায় ‘কবিতা বিতান’ এর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করা হবে। মঙ্গলবার বইমেলা সংক্রান্ত বৈঠক করে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড।

    গতকাল দিল্লিতে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড। তাদের তরফ থেকে ‘কবিতা বিতানে’র ইংরেজি অনুবাদ বইমেলায় প্রকাশ করার খবর সামনে আনা হয়। এছাড়াও জানানো হয় চলতি বছরে কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলার থিম কান্ট্রি স্পেন (Country Spain)। দ্য ওয়ালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে গিল্ড কর্তা ত্রিদিব বাবু জানান, ইতিমধ্যেই ‘কবিতা বিতানে’র ইংরেজি অনুবাদ করার কাজ চলছে। আশা করা হচ্ছে এই বছরই সেই বইটি বইমেলায় প্রকাশ করা হবে। এছাড়াও অন্যান্য গিল্ড কর্তাদের কথায়, বইমেলায় মুখ্যমন্ত্রী একাধিক বই প্রকাশিত হতে চলেছে।

    প্রতিবছরই প্রায় বইমেলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন কোন না কোন বই জনসাধারণের হাতের নাগালে আসে। এই বছরেও তার ব্যতিক্রম হবে না এমনটাই আশা রাখছেন গিল্ড কর্তারা। তথ্য অনুসারে, এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর মোট ১১২ টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই বছর নতুন কয়েকটি বই প্রকাশিত হলে সেই সংখ্যা আরও খানিকটা বাড়বে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে নানান ধরনের বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে একাধিক রাজনৈতিক প্রবন্ধের বইও তিনি লিখেছেন এমনটাই জানা যাচ্ছে।

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর নিরলস সাহিত্য চর্চার জন্য সম্প্রতি বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। এবার তাঁর লেখা কাব্যগ্রন্থেরই ইংরেজি সংস্করণ আসতে চলেছে বইমেলাতে। এছাড়াও থাকছে ছোটদের জন্য লেখা তাঁর কিছু বই। এই বছরেও ঠিক আগের মত সল্টলেক প্রাঙ্গনে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার আসর বসবে। তা শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি থেকে এবং চলবে ফেব্রুয়ারি ১৩ তারিখ পর্যন্ত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version