Tag: west bengal

  • বেকাররা রোজগার করবে এই প্রকল্পের সাহায্যে, কীভাবে অ্যাপ্লাই করবেন ? সব জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    দীর্ঘদিন ঘরে বসে? কোনও চাকরি পাচ্ছেন না? বেকার যুবকদের রোজগারের ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। চাকরি না করেও আপনি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারেন! কীভাবে? রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পের কথা‌ শুনেছেন? আপনার উপার্জনের সব চিন্তা দূর হবে আজই অ্যাপ্লাই করুন। কত চেষ্টা করছেন কিন্তু কোন চাকরি পাচ্ছেন না? এভাবে আর কদিন চলবে? এদিকে বাড়িতে রোজ অশান্তি। সংসারে অভাব। যারা নিজেদের চেষ্টায় নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে চায় তাদের পাশে আছে রাজ্য সরকার।

    ২০২০ সালে কর্মসাথী প্রকল্পের সূচনা করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বেকার যুবকদের ক্ষুদ্র শিল্প বা ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করাই লক্ষ। এই প্রকল্পের সহজ শর্তে ঋণ দেয় রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে আরও কিছু সুবিধা দেওয়া হয়। যারা চাকরি পাননি তাদের জন্য এটাই বড় সুযোগ কর্মসাথী প্রকল্পে একজন ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। তাতে যুবকরা নিজেদের ইচ্ছা এবং পছন্দ মতন ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। তারা ব্যবসা করলে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের সাহায্য পাবেন।

    কিভাবে এপ্লাই করবেন?

    এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৫০ বছর এর মধ্যে থাকতে হবে। কমপক্ষে ক্লাস এইট পাস হতে হবে। মনে রাখতে হবে যে এপ্লাই করবে তাকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। এই ঋণ পাওয়ার জন্য আবেদনকারীকে ভোটার কার্ড আধার কার্ড, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, বসবাসের বা ঠিকানার প্রমাণ ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দিতে হবে। এই আর্থিক সুবিধা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম ফিল আপ করে আবেদন করতে হয়। প্রতি বছর ১ লাখ যুবককে ঋণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এই ঋণ দেওয়া হবে রাজ্যের সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে। একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে এই ঋণ পাওয়ার জন্য। তারপরে কারা এই সুবিধা পাবেন তা বেছে নেওয়া হবে ।কর্মসংস্থান হয়নি তাদের জন্যই এই সুযোগ দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

    প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে হোম পেজে গিয়ে স্কিম-এর ওপর ক্লিক করতে হবে। সেখানে গিয়ে Karma Sathi prakalpa scheme খুলতে হব। সেটা খোলার পরে আবেদন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফর্ম আসবে, ওই ফর্মে যে সব তথ্য চাওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। প্রতিটি জিনিস ভালো করে দেখে নিয়ে পূরণ করতে হবে যাতে তথ্যে কোন ভুল না থাকে। তারপরে প্রয়োজনীয় নথিগুলি আপলোড করে সাবমিট করতে হবে।

    সরকার যুবকদের আত্মনির্ভর করতে, পাশাপাশি উদ্যোগপতি তৈরি করতে এই প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে বেকারত্বের হার আরও কমানো, পাশাপাশি তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। এমনটা মনে করেন রাজ্যবাসী।রাজ্যের গ্রাম থেকে শহর সব জায়গাতেই রয়েছে এই সুযোগ ।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রকল্পের সাহায্যে বেকার যুবক-যুবতীরা ছোট উৎপাদন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • তিস্তার জেরে বাংলা প্লাবনের আশঙ্কা! ৭ জেলা রিস্কের মুখে, সতর্ক হন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    তিস্তার তান্ডব পাহাড়ে থেকে এবার বাংলার সমতল? বাংলায় ৭ জেলা বিপদসীমায়? কলকাতাও কি রিস্কে? শুধু উত্তরবঙ্গের নয় দক্ষিণবঙ্গও ডেঞ্জার জোন জলপাইগুড়ির অবস্থা রীতিমত ভাবাচ্ছে। পুজোর আগেই এই কটা দিনে বদলে যেতে পারে অনেক ছবি! তিস্তায় জারি লাল সতর্কতা প্লাবনের বিপুল আশঙ্কা উত্তর-দক্ষিণ দুই বঙ্গেই। কোন কোন নদীর দুকূল ছাপিয়ে যেতে পারে? লাগাতার বৃষ্টি এবার দুর্যোগে অন্য ছবিই দেখাতে পারে আশঙ্কা করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। সমতলে তিস্তার উপর রয়েছে গজলডোবা বাঁধ সেখানে অতিরিক্ত জল বার করে দিতে খুলে দেওয়া হয়েছে প্রায় প্রতিটি স্লুইস গেটই কিন্তু গেট খোলার ফলে যে অতিরিক্ত জল বেরোচ্ছে তা কি তিস্তা বুকে করে বয়ে নিয়ে যাবে? না কি তা দু’কূল ছাপিয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে জলপাইগুড়িকে। রীতিমত সংশয়ে রয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারাও।

    সেপ্টেম্বরের শেষের দিকেই খবর পাওয়া গেছিল মালদহের গঙ্গা, ফুলহার, মহানন্দা নদীর জলস্তর বাড়ছে বিপদসীমা থেকে নদীগুলি এক থেকে দেড় মিটার নীচে রয়েছে। বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে দক্ষিণয় দিনাজপুরের টাঙন ও পুনর্ভবা নদী। এদিকে আবহাওয়াবিদদের দাবি দক্ষিণবঙ্গের অবস্থাও এবার খুবই খারাপ হতে পারে। কোন কোন জেলায় বেশি প্রভাব? পশ্চিম মেদিনীপুরের বড়িশায় একদিনে ৫২০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ভাল নয় বীরভূমের অবস্থাও এই জেলাগুলোতে নদীর প্লাবনের সম্ভাবনা রয়েছে ফলে শষ্যের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যদি এর মধ্যে DVC বেশি জল ছাড়তে বাধ্য হয় তাহলে পরিস্থিতি আরও সমস্যাদায়ক হতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়ার পরিস্থিতি চিন্তা বাড়াচ্ছে।

    তিস্তা ব্যারেজ থেকে ৮২৫২.৪০ কিউসেক জল ছাড়ার খবর পাওয়া গেছিল, কিন্তু আগামীতে জলস্তর আরও বাড়বে সে ক্ষেত্রে কী হবে, তা ভেবেই কেঁপে উঠছেন জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। তিস্তারয় অসংরক্ষিত এলাকায় জলপাইগুড়ির দোমহনি থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত জলস্তরের উপরে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। নদীর দু’ধারে প্রশাসনের তরফ থেকে মাইকে প্রচার চলছে বলা হচ্ছে দ্রুত নদীর ধার ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে আসতে। হাওয়া অফিসের রিপোর্ট বলছে আগামিকাল থেকে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় কলকাতা ও তার পাশ্ববর্তী অঞ্চলে তো বৃষ্টি হয়েই চলেছে। দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে সেমত রাজ্য প্রশাসনও তৎপর। উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতির ওপর বিশেষ ভাবে নজর রাখতে মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি নিজেও গোটা সিচুয়েশনের ওপর কড়া নজর রেখেছেন। যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছে রাজ্য প্রশাসন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • দারুন উদ্যোগ, রাজ্যে ফুটপাথবাসীদের জন্য আশ্রয়স্থল গড়া হচ্ছে, মিলবে নানান সুবিধা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আর খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হবে না ফুটপাথবাসীদের। তাঁদের জন্য মানবিক উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। তাঁদের জন্য তৈরি করা হবে আশ্রয়স্হল। কি কি সুবিধা থাকবে সেখানে? কিভাবে চিহ্নিত করা হবে তাঁদের? রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন শহরাঞ্চলে প্রচুর গৃহহীন মানুষ রয়েছেন। তাঁদের নির্দিষ্ট কোনও মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই।বৃষ্টিতে ভিজে খোলা আকাশের নিচেই রাত কাটাতে হয় তাঁদের। তার ফলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁরা অনেক সময় পরিশ্রুত পানীয় জল পান না। শৌচালয়ও নেই তাঁদের জন্য। তাঁদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র তৈরির ভাবনা চিন্তা করার উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। এ বছরই সারা রাজ্যে ফুটপাথবাসীদের জন্য আশ্রয়স্থল তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মোট ১০৯ টি আশ্রয় স্থল চালু করা হবে। জাতীয় শহর জীবিকা মিশনের আওতায় এই কাজ হবে। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর এই কাজ করবে।

    কলকাতা শহরাঞ্চলে গৃহহীন প্রচুর মানুষ রয়েছেন। শহরের ফুটপাথ তাঁদের আশ্রয়স্থল। এইরকম ভবঘুরে, গৃহহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই দেওয়ার কথা ভাবনাচিন্তা করছে রাজ্য সরকার। গোটা রাজ্যে এই ধরনের ৫৫ টি আশ্রয়স্থল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও আরও ৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে শহরাঞ্চলে।কলকাতা শহরে মোট ৭০টি এইরকম কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে মোট ৫০ টি শয্যার ব্যবস্থা করা হবে।আগামী দিনে শয্যার সংখ্যা বাড়ানো হবে। পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে তৎপরতা শুরু করেছে।

    বর্তমানে কিছু নাইট শেল্টার রয়েছে কলকাতা শহরে। তবে সেগুলির সর্বসাকুল্যে শয্যা সংখ্যা ৬৫০ কাছাকাছি। কিন্তু শহরে ফুটপাথবাসী বা ভবঘুরেদের তুলনায় এই শয্যা সংখ্যা অনেকটাই কম। জানা গিয়েছে, প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর পরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকবে। রাখা হবে শৌচালয়ের ব্যবস্থা। থাকবে পানীয় জলের ব্যবস্থাও। এক একটি এই ধরনের আশ্রয় কেন্দ্র গড়ে তুলতে দেড় কোটি টাকার কাছাকাছি খরচা হতে পারে। পুরসভাগুলি রাতে অভিযান চালিয়ে ফুটপাথবাসীদের চিহ্নিতকরণের কাজ করবে। তাঁদেরকে এই আশ্রয় কেন্দ্রে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। গোটা রাজ্যে জুড়েই বিভিন্ন জায়গায় বাস ডিপো, রেল স্টেশন বা ফুটপাথ জুড়ে অনেকেই রাত্রিবাস করেন।

    ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী কলকাতায় ভবঘুরে বা আশ্রয়হীনের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩০ হাজার। সেই সংখ্যাটা বর্তমানে অনেকটাই কম বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি কলকাতা শহরে একটি সমীক্ষা করেছে কলকাতা পুলিশ।সেখানে দেখা গিয়েছে, এখন ১০ হাজারের কাছাকাছি ফুটপাথবাসী রয়েছে এই শহরে। আগামী দিনে রাজ্য জুড়ে এই ধরনের আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা যাতে বাড়ানো যায় সে ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা করা হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • একদিকে হু হু করে জল ছাড়ছে ডিভিসি! অন্যদিকে ভারী বর্ষণ! পুজোর আগে বন্যার আশঙ্কা রাজ্যের একাংশ জুড়ে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    একদিকে হু হু করে জল ছাড়ছে ডিভিসি! অন্যদিকে ভারী বর্ষণ ৭ জেলায়! তবে কি পুজোর আগে বানভাসি হতে পারে রাজ্যের একাংশ? জরুরী বৈঠক নবান্নে! কি কি সতর্কতা জারি করা হলো? লাগাতার বৃষ্টি! বাংলার সঙ্গে সঙ্গে ঝাড়খন্ডেও গত কয়েকদিনে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে।আর যার ফলে রীতিমত ফুঁসছে একাধিক নদী।ভারী বৃষ্টিতে দামোদরের জল বাড়ায় মাইথন, পাঞ্চেত, এবং দুর্গাপুর ব্যারেজে বাড়ছে জলের চাপ। সেই জলের চাপ কমাতেই দফায় দফায় ছাড়া হচ্ছে জল।আবার ঝাড়খণ্ডে এবং বঙ্গে ভারী বৃষ্টির জেরে জল বাড়ছে অজয়, দামোদর সহ একাধিক নদীতে। যার জেরে হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, বীরভূম দুই বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে প্লাবনের আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই জল ঢুকেছে চাষের জমিতে।

    সোমবার মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়। মাইথন থেকে ছাড়া হয় ৫৫ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত থেকে ছাড়া হয় ৭৫ হাজার কিউসেক জল। অন্যদিকে,দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ছাড়া হয়েছে মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৭৫ কিউসেক জল। ডিভিসির জল ছাড়া নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকলেন মুখ্যসচিব। রাজ্যের ৭ জেলায় পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের নিয়ে সোমবার ছুটির দিনে জরুরি বৈঠক হলো নবান্নে। ইতিমধ্যেই ডিভিসি সংলগ্ন জেলাগুলিতে সর্তকতা জারি করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

    টানা বৃষ্টিতে দারকেশ্বর নদে ডুবে গেছে বাঁকুড়ার একাধিক সেতু। পারাপার বন্ধ মীনাপুর ও ভাদুল সেতুতে। এছাড়াও চাষের ক্ষতি হচ্ছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়। বাঁকুড়ার সোনামুখী পাত্রসায়ের ব্লকে, দামোদরের তীরবর্তী গ্রামগুলিতে ইতিমধ্যেই সতর্কতামূলক প্রচার শুরু হয়েছে। গ্রামে ঘুরে ঘুরে পঞ্চায়েতগুলির পক্ষ থেকে করা হচ্ছে মাইকিং।

    অবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি কমার কোনও সম্ভাবনা নেই। আগামী বুধবার পর্যন্ত এভাবেই একনাগাড়ে বৃষ্টি হতে পারে বিভিন্ন জেলায়। তাই আগে থেকেই সতর্ক হচ্ছে ডিভিসি। বিভিন্ন ড্যামে জমা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জল। যদি টানা আর কিছুদিন বৃষ্টি হয়, তাহলে বাধ্য হয়ে আরও বেশি জল ছাড়তে হবে ডিভিসিকে। এদিকে দামোদরের জল ছাড়ায় রাজ্যের নিম্ন অববাহিকা অঞ্চল, বিশেষত হাওড়া ও হুগলির মতো জেলাগুলিতে যেন তার কোনও প্রভাব না পড়ে, সেই দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশের ইলিশের দ্বিগুণ দাম কলকাতায়! বাজারে গিয়ে হতাশ ক্রেতারা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হাঁক ডাকে সরগরম বাজার। বেজায় খুশি বিক্রেতা থেকে শুরু করে ক্রেতা। পেটিতে থরে থরে সাজানো রুপোলি ইলিশ। এটা কিন্তু দীঘা, ডায়মন্ড হারবার কিংবা মায়ানমারের ইলিশ না। বাংলাদেশের পদ্মার দুর্দান্ত স্বাদের ইলিশ। যা পুজো উপলক্ষ্যে কলকাতাবাসীর কাছে খুশির উপহার। হাওড়ার পাইকারি ফিস মার্কেট থেকে ইলিশ পৌঁছে যাবে খুচরো মার্কেটে। সেখান থেকে পৌঁছাবে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের হেঁসেলে। গন্ধে ম ম করবে রান্নাঘর। কিন্তু খুশির মাঝেও রয়েছে কিছু প্রশ্ন। বাংলাদেশ থেকে আসা পদ্মার ইলিশ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ কিনতে পারবেন তো?

    সাধারণত বর্ষায় ইলিশের মৌসুমে ওজন এবং সাইজ অনুযায়ী দাম গেছে ১৮০০ টাকা কেজি, কখনো বা ১৫০০ টাকা কেজি। এক কেজি ওজনের নিচের ইলিশের দাম গেছে হাজার টাকার কাছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় ঢুকেছে ৩৯৫০ টন ইলিশ। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১০৯০ টাকায় কেনা ইলিশ কলকাতায় বিকোচ্ছে ভারতীয় মুদ্রায় ২ হাজার রুপিতে। বাংলাদেশের মুদ্রায় ১ হাজার ৯০ টাকা মানে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮২০ রুপি। অথচ ৮২০ টাকা মাছের দাম কলকাতার বা পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৭০০ রুপি থেকে ২০০০ রুপিতে। হিসাবটা দেখুন একবার। আমদানি মূল্যের প্রায় দ্বিগুন দাম। বহু ক্রেতারা এত দামের ইলিশ কিনতে পারবেন কিনা, এটা একটা বড় প্রশ্ন। অপরদিকে বাংলাদেশের বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে আসবে ৩৯৫০ মেট্রিক টন। বাংলাদেশ সরকারের প্রজ্ঞাপন বলেছে, ৭৯ জন রপ্তানিকারক ৩০ অক্টোবরের মধ্যে কলকাতায় ইলিশ রপ্তানি করতে পারবেন। অথচ বাংলাদেশে ১১ ই অক্টোবরের পর অর্থাৎ ১২ই অক্টোবর থেকে ২রা নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ ধরা, বিক্রি কিংবা পরিবহন এক্কেবারে নিষিদ্ধ। যার জেরে ইতিমধ্যেই প্রমাদ গুনছেন ব্যবসায়ীরা।

    একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশ থেকে প্রত্যেক বছর হাজার হাজার টন ইলিশ আসত এপার বাংলায়। কিন্তু বিগত ১১ বছর ইলিশ রপ্তানিতে বাংলাদেশ চাপিয়েছে নিষেধাজ্ঞা। যদিও উৎসব পার্বণে বাংলাদেশ প্রচুর পরিমাণে ইলিশ ভারতে পাঠায়। কিন্তু তা অনিয়মিত। পুজোর আগেই কলকাতা ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের কাছে প্রায় পাঁচ হাজার টন ইলিশ পেতে আবেদন করে। গত বছরও পুজোর সময় প্রায় ২৯০০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন করা হলেও, কলকাতায় এসে পৌঁছায় ১৩০০ মেট্রিক টন ইলিশ। কলকাতার এই সংস্থা বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনেরকে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টা জানায়। বলা হয়, পদ্মার ইলিশ শুধুমাত্র রপ্তানিযোগ্য কোনো সুস্বাদু মাছ নয়। এটা কলকাতার কাছে বহু মূল্যবান উপহার, যা পাঠানো হয় ঢাকা থেকে। তারপরই মেলে সুখবর। বাংলাদেশ থেকে এখন ভারতে ঢুকছে টন টন ইলিশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Load shedding in Bengal: রাজ্য জুড়ে লাগাতার লোডশেডিং নাজেহাল সাধারণ মানুষজন, সমস‍্যা কোথায়?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Load shedding in Bengal: রাজ্যজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছেটা কি, কেউ বুঝে উঠতে পারছেন না। কেন এমন হচ্ছে, মুখে মুখে ঘুরছে এক কথা। পুজোর মুখে দফায় দফায় লোডশেডিং। বিপর্যস্ত বিভিন্ন জেলার বিস্তৃর্ণ অংশের জনজীবন। প্রবল গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা সাধারণ মানুষের। গলদঘর্ম হয়ে বিদ্যুতের জন্য হা পিত্যেশ করছেন সকলে। বিদ্যুতের অভাবে দেখা দিচ্ছে পানীয় জলের সমস্যাও। চলছে না পাখাও একাধিক জায়গায় পাওয়ারকাটের জেরে নাকাল সাধারণ মানুষ।কলকাতা থেকে জেলা গ্রাম থেকে শহর শহরতলী সর্বত্র প্রায় এক অবস্থা। কেন এমন হচ্ছে? কবেই বা এই সমস্যার সমাধান হবে। লাগাতার লোডশেডিং এর জন্য বিপাকে পড়ছেন সব ধরনের মানুষ। এক এক জায়গায় ছয় ঘন্টা সাত ঘন্টা করে বিদ্যুৎ থাকছে না।

    মাস কয়েক আগে প্রখর গরমেও এমন লোডশেডিং ছিল না। তখন বিদ্যুতের নজিরবিহীন চাহিদার জোগান দিয়ে বাহবা পেয়েছিল রাজ্য। কিন্তু গত দু’দিনে গরম ফের বাড়তেই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নাজেহাল গ্রাহকরা। বহু জায়গায় দীর্ঘক্ষণ পরিষেবা ব্যাহত থাকছে। অনেক গ্রামীণ এলাকায় সারা রাত বিদ্যুত ছিল না। হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বর্ধমান-দুর্গাপুর, বীরভুম, শিলিগুড়ি, উত্তর-দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, মালদহ সর্বত্র দু’দিন ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নাজেহাল মানুষ। এই অবস্হা কি চলতেই থাকবে? বিদ্যুৎ দফতরের SMS আসছে গ্রাহকদের মোবাইলে। সেখানে লেখা হয়েছে প্রাক পুজোর আগে মেন্টেনেন্সের কারণে দিনে ও রাতে বন্ধ থাকবে বিদ্যুৎ সরবরাহ। পুজোর সময় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়াই বিদ্যুৎ দফতরের লক্ষ্য। সেই উদ্দেশ্যেই এই কাজ চলছে।

    যদিও শুধু এই কারণকে মানতে চাইছেন না অনেকে।বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যোগানের ঘাটতির জন্য এই পাওয়ার কাট হয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে মেন্টেনেন্সের কাজ। কয়লার জোগানে ঘাটতি ছিল। তার ওপর বণ্টন সংস্থার থেকে প্রাপ্য বকেয়া পুরো না মেলায় রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের উৎপাদনে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আর্থিক সঙ্কটে এক্সচেঞ্জ থেকে বেশি বিদ্যুৎ কিনতে পারেনি বণ্টন সংস্থাও। বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিজস্ব কয়লার জোগানের পাশাপাশি নিগমের ভরসা কোল ইন্ডিয়াও। তবে কয়লা কিনে দ্রুত তাদের দাম মেটাতে হয়।নিগমের থেকে বিদ্যুৎ কিনে সময় মতো টাকা মেটাতে পারেনি বণ্টন সংস্থা। ফলে এক সময়ে ঘাটতি প্রায় ১০০০ মেগাওয়াটের কাছে পৌঁছয়।

    ঘাটতি বা কয়লার জোগানের সমস্যা মানতে নারাজ নিগম। তাদের দাবি, প্রাক্-পুজো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাগরদিঘি ও বক্রেশ্বরের ৫১০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে। রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে এসির সংখ্যা। ঘরে ঘরে বাড়ছে নানান বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম। গরমে একসঙ্গে বিদ্যুতের প্রবল চাহিদা তৈরি হচ্ছে। তা সামাল দিতে অনেক সময় হিমশিম খেতে হচ্ছে বিদ্যুত দফতরকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Railway line to Sikkim: অপেক্ষার দিন শেষ, এবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে ট্রেন যাবে সিকিমে! সুখবর দিল রেল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Railway line to Sikkim: ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য দারুণ খুশির খবর। সড়ক পথের দীর্ঘ ধকল সহ্য করার আর দরকার নেই। এবার রেলপথে সরাসরি পৌঁছে যাওয়া যাবে সিকিমে। আগামী বছরের মধ্যেই সড়ক পথের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সঙ্গে একদম সরাসরি রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে সিকিম। এ জন্য কিভাবে কাজ চালানো হচ্ছে? সেই কাজ এগিয়েছে কতটা? চলুন জেনে নেওয়ার যাক।

    সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০২৪ সালে রেল পরিষেবার একটি বড় উপহার পেতে চলেছে সিকিম। রেলপথে সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন হবে তার। এ জন্য সেবক-রংপোর মধ্যে জোর কদমে টানেল তৈরির কাজ চলছে। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের মধ্যে সেই সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের পথে।পশ্চিমবঙ্গের সেবক এবং সিকিমের রংপোর মধ্যে এই রেলপথটি নির্মিত হচ্ছে। ধীরে ধীরে এটি দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত হবে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে,সামনের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের শুরুতেই উত্তর-পূর্ব ভারতের ছোট রাজ্য সিকিমের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের রেল যোগাযোগের সমস্ত কাজ শেষ করে রেল দফতরকে তা হস্তান্তর করে দেওয়া দেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত সংস্হা।

    প্রকল্পটি ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এতে পাঁচটি স্টেশন রয়েছে। বাংলার তিস্তা বাজারে এর একটি ভূগর্ভস্থ স্টেশনও রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ১৪টি টানেল, ১৭টি রেল সেতু। পুরো প্রকল্পের প্রায় ৩৮ কিলোমিটার টানেলের মাধ্যমে এগিয়ে যাবে। একই সঙ্গে টানেল নির্মাণের প্রায় ৭৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়াও, ছয়টি সুড়ঙ্গ খনন করার কাজও শেষ। আরও অনেকগুলি শেষ হওয়ার কাছাকাছি রয়েছে। অন্যান্য টানেলগুলির চূড়ান্ত কংক্রিট আস্তরণ সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের সিকিম রাজ্যের যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই প্রকল্প সিকিমের সামগ্রিক উন্নয়নে বড় অবদান রাখবে।

    এখন ভ্রমণার্থীদের দীর্ঘ সড়ক পথ ধরে সিকিমে পৌঁছতে হয়। সে পথের সৌন্দর্য অনেকে উপভোগ করলেও বয়স্কদের ক্ষেত্রে সেই জার্নি সহ্য করা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। সরাসরি ট্রেনে সিকিম যুক্ত হলে যাতায়াতের সময় কমবে, সিকিমের নতুন নতুন জায়গায় পর্যটকদের ভিড়ও বাড়বে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Chandrayaan-3’s Moon Landing: বাঁকুড়া থেকে রাইপুর, চন্দ্রযান ৩ এর দায়িত্বে বাঙালি বিজ্ঞানীরা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Chandrayaan-3’s Moon Landing: আবেগে ভাসছে গোটা দেশ। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে অবতরণ করেছে চন্দ্রযান ৩ এর ল্যান্ডার বিক্রম। মহাকাশ বিজ্ঞানে নতুন ইতিহাস গড়েছে ভারত। আর এই সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন বেশ কয়েকজন বঙ্গ সন্তান। কারা তাঁরা? এই অভিযানের কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজে যুক্ত ছিলেন এই বিজ্ঞানীরা? বুধবার সন্ধ্যা ছটা বেজে চার মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে বিক্রম। সেইসঙ্গে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে উঠে এসেছে ভারত। তবে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে এই দেশ। ভারতীয় বিজ্ঞানীদের কাছে তা একটি বিশাল সাফল্য। সেই সাফল্যের ভাগিদার এক ঝাঁক বাঙালি বিজ্ঞানী।

    ইসরোর এই বিজ্ঞানীদের মধ্যেই অন্যতম হলেন বসিরহাটের মানস সরকার। ইসরোর এই কৃতি বিজ্ঞানী নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক বিদ্যালয়ের কৃতি ছাত্র। এখানে থেকে তিনি ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত পদার্থবিদ্যায় স্নাতক স্তরের পড়াশোনা করেছিলেন। তাঁর এই অসামান্য সাফল্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে পোস্ট করেছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক বিদ্যালয়। মানস সরকার ইসরোতে টেলিমেট্রি ট্রাকিং কমান্ড নেটওয়ার্কের একজন পদস্থ অফিসার।

    এছাড়াও এই মিশনে আছেন বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়ের ব্লকের কৃষাণু নন্দী। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর মাটি ছোঁয়ার পরে কাজ শুরু করেছে রোবট গাড়ি। সেই গাড়ির গতিবিধির দায়িত্বে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম ইসরোর ইঞ্জিনিয়ার পাত্রসায়েরের কৃষাণু। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে গোটা বাঁকুড়া জেলা।

    এছাড়াও এই মিশনে অপারেশন ডিরেক্টর হিসেবে আছেন বীরভূম জেলার রাইপুর গ্রামের সৌম্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়।ইসরোর এই সাফল্যে ফেসবুকে পোস্ট করে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাইপুর গ্রামের অনেকেই।

    এই গর্ব-স্বপ্নকে বাস্তব করার জন্য সবথেকে বেশি যাঁদের ওপর ভরসা করেছে ইসরো, তাঁদের আর একজন বাঙালি বিজ্ঞানী অনুজ নন্দী। চন্দ্রযান ৩-র ক্যামেরার ডিজাইন করেছেন উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বাসিন্দা অনুজ। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর হাই স্কুলে পড়াশোনা শেষ করার পর রায়গঞ্জ কলেজে বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক হন তিনি। ইসরোতে গত আট বছর ধরে কাজ করছেন এই বাঙালি বিজ্ঞানী।

    এর আগে চাঁদের এই অংশে কোনও দেশ যান পাঠাতে সক্ষম হয়নি। ভারতের চন্দ্রযান চাঁদের মাটিতে পা রাখতেই আনন্দিত হয়ে পড়েছে গোটা দেশ।কোথাও চলেছে লাড্ডু বিতরণ কোথাও আবার বাজি ফাটিয়ে চলে উচ্ছ্বাস। তাদের কৃতী সন্তানেরা এই অভিযান সফল করতে বিশেষ ভূমিকা নেওয়ায় গর্বে বুক ফুলে উঠছে বাঙালিদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Meri Maati Mera Desh: বাংলার মাটি মহা মূল্যবান, চলে যাচ্ছে দিল্লিতে! স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সম্মানে অনবদ্য উদ্যোগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Meri Maati Mera Desh: ব্রিটিশদের শায়েস্তা করতে এই বাংলা ছিল দুর্জয় ঘাঁটি। বাংলাতেই আছে বহু স্বাধীনতা সংগ্রামীর ভিটে। যার মাটি মহা মূল্যবান। এবার সেই মাটি সংগ্রহ করছেন বীর জওয়ানরা। কিন্তু কেন? এই মাটি নিয়ে হবেটাই বা কি? পশ্চিমবঙ্গে ঠিক কোন কোন বিপ্লবীর বাড়ি থেকে মাটি নেওয়া হচ্ছে? জানেন? তালিকায় রয়েছেন নেতাজিও।

    ১৯৪২ সালে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় যাঁরা আন্দোলন করেছিলেন কিংবা জেল খেটেছিলেন, তাদের সম্মান জানাতে এক অনবদ্য উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ‘আমার মাটি আমার দেশ’ প্রকল্পে দিল্লিতে তৈরি হবে অমৃত বাটিকা নামক বিশেষ বাগান। গোটা দেশ জুড়ে মাটি সংগ্রহ করা হবে, যা চলে যাবে অমৃত বাটিকার বাগানে। তবে এ মাটি কিন্তু যে সে মাটি নয়। নেওয়া হচ্ছে দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া পুলিশ, সেনা সদস্য এবং স্বাধীনতার সংগ্রামীদের ভিটে থেকে। ইতিমধ্যেই জওয়ানরা সেই মাটি সংগ্রহের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ‘মেরি মাটি মেরা দেশ’ অর্থাৎ ‘আমার মাটি আমার দেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে জওয়ানরা পৌঁছেছেন হুগলির বৈঁচি গ্রামে। হুগলিতে রয়েছে স্বাধীনতার সংগ্রামী প্রণব কুমার বন্দোপাধ্যায় এবং রামকৃষ্ণ বসুর ভিটে।

    শোনা যায়, গান্ধীজির নেতৃত্বে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন বাংলার এই দুই বিপ্লবী। সেই সময় ইউনিয়ন বোর্ডের অফিস ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে। হুগলি জেল, প্রেসিডেন্সি জেল এবং আলিপুর জেল, এই তিন জেলে ক্রমান্বয়ে তারা প্রায় ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত বন্দী ছিলেন। শোনা যায়, রামকৃষ্ণ বসু রেলের তার কেটে ব্রিটিশদের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন। তারপর জেল খেটেছেন তিন বছর। ১৯৭২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাম্র পত্র দিয়ে সম্মানও জানান প্রণব বন্দোপাধ্যায়কে। ভারত মাতার এই বীর সন্তানদের ভিটের মাটি সংগ্রহের পর বৈঁচিতে পতাকা উত্তোলন ও প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়।

    ব্রিটিশ শাসনে এই বাংলায় জন্ম নিয়েছিল বঙ্গমাতার বহু সাহসী সন্তান। যারা দেশের স্বাধীনতার জন্য মরণপণ লড়াই করেছিলেন। বাঁকুড়ায় এখনো আছে বিপ্লবী বাড়ি। যেটা ছিল অনুশীলন সমিতির গোপন আস্তানা। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে এখানে আত্মগোপন করেছিল বহু বিপ্লবী। এই বাঁকুড়ার ছেঁদাপাথর গ্রাম হয়ে উঠেছিল গোপন অস্ত্র শিক্ষণ কেন্দ্র। এই বাংলাতেই আছে নেতাজির পৈতৃক ভিটে। নেতাজির সুভাষগ্রামের বাড়ির মাটিও পাড়ি দিয়েছে রাজধানীর উদ্দেশ্যে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Cyclone Mocha: মোকার জেরে কলকাতায় বৃষ্টি কখন? বিশেষ সতর্কতা এই জেলায়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Cyclone Mocha: মারাত্মক প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে তৈরি হল মোকা। খেলা দেখাতে শুরু করেছে সাইক্লোন। ঘণ্টায় ১৭৫ কিমি বেগে বাংলাদেশের কোথায় আছড়ে পড়বে? অল্পের জন্য বেঁচে গেল বাংলা? নাকি বিপদ রয়েছে? বাংলাদেশের সঙ্গে এপার বাংলার এই জেলাতেও আতঙ্ক বাড়ছে। মোকার কারণেই কলকাতা সহ কোন কোন জেলায় বৃষ্টি? বঙ্গোসাগরের বুকে ক্রমেই শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝ়ড় থেকে শক্তি বাড়িয়ে মারাত্মক হয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোকা। তীব্র গরমে মোকা স্বস্তি দেবে নাকি বিপদের কোনও কারণ রয়েছে?

    মধ্য বঙ্গোপসাগরের থেকে ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বেগে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে সরে গিয়ে শুক্রবার রাতের দিকেই মারাত্মক প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মোকা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের বুকে আরও ঝড় তুলবে ঘূর্ণিঝড়টি পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে এগিয়ে গিয়ে হয়ে আরও ঘণীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার দুপুরের দিকে মোকা অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ এবং মায়ানমার উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে। ওই সময় ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৫০-১৬০ কিমি। সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ১৭৫ কিমি এমনটাই পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।

    বাংলাদেশ এবং মায়নমারে ধ্বংসাত্মক রূপে দেখা দেওয়ার পূর্বাভাস থাকলেও মোকার হাত থেকে রেহাই পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। সত্যিই কী তাই? আবহবিদরা কী বলছেন? মোকার প্রভাবে বৃষ্টি হবে বাংলায় শনিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদেরও সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা-সহ রাজ্যের বেশ কিছু উপকূল এলাকায় মোতায়েন রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সোমবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে।

    উপকূলবর্তী জেলা হওয়ায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতে বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন দিঘায় বাড়তি সতর্কতা। দিঘায় নামল এনডিআরএফ -এর টিম
    এই টিম উপকূলবর্তী গ্রামেও ঘুরে মাইকিং চালাবে। দিঘা উপকূলবর্তী এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা নেওয়া হচ্ছে। পর্যটকদের সমুদ্রে নামার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের এই দুদিন সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি।

    ঘূর্ণিঝড় মোকা মধ্য বঙ্গোপসাগরে ফুঁসছে। কী কী প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ? মোকার জেরে আপাতত ৫ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশের প্রশাসন। শনিবার থেকেই এই স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বাংলাদেশে অন্তত ৫৭৬ টি সাইক্লোন-ত্রাণ শিবির গড়ে উঠেছে। সেনা, কোস্ট গার্ড প্রস্তুত রয়েছে। প্রস্তুত আছে স্থানীয় প্রশাসনও। সাগর উপকূল থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিস্তৃর্ণ উপকূলীয় এলাকাজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ধরণের প্রস্তুতি। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন।

    ঘূর্ণিঝড় মোকা তৈরির সময় এ রাজ্য থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নেওয়ায় আবহাওয়ায় বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। জেলায় জেলায় তাপপ্রবাহ, আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি এবং তাপমাত্রার পারদ ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল। স্বস্তির বৃষ্টির জন্য কার্যত চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় ছিল রাজ্যবাসী। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলায় এবার কিছুটা হলেও গরম কমবে বলেই মনে করছেন আবহবিদরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version