Tag: west bengal

  • Smart Driving License: রাজ্যে চালু হতে চলেছে স্মার্ট কার্ড, অনায়াসে যেকোনো জায়গায় ছুটবে গাড়ি

    Smart Driving License: রাজ্যে চালু হতে চলেছে স্মার্ট কার্ড, অনায়াসে যেকোনো জায়গায় ছুটবে গাড়ি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Smart Driving License: গাড়ি চালক এবং পথ চলতি মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আইন রীতিনীতি সরকারের তরফ থেকে আনা হচ্ছে। চালকের নিরাপত্তার বিষয়টিতে যেমন জোর দেওয়া হয় একই রকম ভাবে গাড়ির মালিকদের বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধার কথাও চিন্তাভাবনা করে দেখছে রাজ্য সরকার। এবার সকলের সুবিধার খাতিরে পশ্চিমবঙ্গে চালু হতে চলেছে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স। এর মাধ্যমে শুধুমাত্র রাজ্যে নয় দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে অনায়াসে কোন কাগজপত্র এবং পুরনো ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই ছুটবে গাড়ি।

    রাজ্য পরিবহন দফতরের তরফ থেকে এই নতুন স্মার্ট কার্ডটি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটিএম কার্ডের মতো ওই স্মার্ট কার্ড সাথে থাকলেই দেশের যে কোন জায়গায় গাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন আপনি। এক্ষেত্রে গাড়ি রেজিস্ট্রেশনের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং অন্যান্য কাগজপত্র রাখার প্রয়োজন হবে না। কারণ ওই কার্ডের মধ্যেই থাকবে একটি মাইক্রোচিপ এবং কিউআর কোড। যার মাধ্যমে চালকের নাম ঠিকানা, ফোন নাম্বার থেকে শুরু করে কোথায় তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে, তাঁর গাড়ির চেসিস নাম্বার কী, তাঁর রক্তের গ্রুপ কী এই সমস্ত বিষয়ক জেনে নেওয়া যাবে সহজেই।

     

    আরও পড়ুন : Hooghly : টোটো চালিয়েই চলবে পড়াশোনা, সংসারের হাল ধরতে প্রস্তুত শ্রীরামপুরের তমা

     

    তবে এই কার্ডে সমস্যাও রয়েছে। যদিও সেই অর্থে এটিকে সমস্যা বলা যায় না। পূর্বে যদি চালক কোন রকম ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে থাকেন তবে ওই কার্ডের মাধ্যমে যে কোন জায়গায় জানা যাবে যে তিনি ট্রাফিক আইন অমান্য করেছিলেন কিনা এবং করলে সেটি কোথায়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শুধুমাত্র ওই স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখালেই ট্রাফিক পুলিশের তরফ থেকে গাড়ি চালককে ছেড়ে দেওয়া হবে। ওই কার্ড সঙ্গে থাকলে দেশের যে কোন জায়গায় গাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য আলাদা করে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। রাজ্য পরিবহন দফতরের তরফ থেকে এই কার্ডটি চালু হলে স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চালকসহ গাড়ির মালিকদের অনেক ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Teacher Recruitment: বিপুল সংখ্যক অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং প্যারা-টিচার নিয়োগ রাজ্যে , আজই শেষ সুযোগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Teacher Recruitment: হাতে মাত্র আর কয়েক ঘণ্টা সময়। এর মধ্যে আবেদন না করলে হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে সুবর্ণ সুযোগ। পশ্চিমবঙ্গে অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার এবং প্যারা টিচার পদের নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ প্রাইমারি এডুকেশন এর তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চাকরির এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রইল প্রতিবেদনে।

    আবেদনের তারিখ

    ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ প্রাইমারি এডুকেশনের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল আগেই। সেখানে জানানো হয়েছিল, ২১ অক্টোবর থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সেই অনুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়ায় শুরু হয়। তবে শেষ তারিখ দেওয়া হয়েছিল ১৪ নভেম্বর ২০২২। পরবর্তীতে যদিও আবেদনের তারিখ কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। ২১ নভেম্বর অর্থাৎ সোমবার পর্যন্ত আগ্রহী চাকরি প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। আরও বিশদ তথ্য মিলবে ১৫৭৩/WBBPE/২০২২ নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে।

    চাকরিপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চাকরি প্রার্থীদের ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ টিচার্স এডুকেশন এর মান্যতা অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রশিক্ষণের যোগ্যতা অবশ্যই থাকতে হবে। এছাড়াও যারা বর্তমানে ডিএলএড এবং ডিএড করছেন তাঁরাও আবেদন করতে পারেন। অন্যদিকে এনসিটিই-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী, টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন একইসঙ্গে বি.এড প্রশিক্ষণ পার্ট ১ পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ (সেশন ২০২০) তাঁরাও এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।

    এসসি, এসটি এবং ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি এর অন্তর্গত চাকরি প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ড অফ প্রাইমারি এডুকেশন এর এই চাকরিতে । প্রাক্তন সৈনিক ও শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী যারা তাদের জন্য নম্বরের ক্ষেত্রে ৫% ছাড় দেওয়া হবে। মোট শূন্যপদ রয়েছে ১১৮০০ টি।

    আবেদনকারীদের বয়সসীমা

    উপরে উল্লেখিত যোগ্যতা রয়েছে এমন প্রার্থীদের বয়স যদি ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হয় তবে তাঁরা অনায়াসে আবেদন করতে পারবেন । তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষিতদের জন্য বয়সের ক্ষেত্রে থাকবে কিছুটা ছাড়।

    কী ভাবে আবেদন করবেন ?

    অফিসিয়াল ওয়েবসাইট WWW.wbbpe.org অথবা wbbprimaryeducation. Org এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীরা।

    আবেদন ফি

    জেনারেল ক্যাটাগরির উপযুক্ত এবং যোগ্য প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ২০০ টাকা। ওবিসি এ কিংবা বি ক্যাটাগরির যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ১৫০ টাকা। এসসি কিংবা এসটি অথবা প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ১০০ টাকা।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather update: সামান্য বাড়ল তাপমাত্রা, কবে থেকে ভোল পাল্টাবে বাংলার আবহাওয়া?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather update: সামান্য বাড়ল তাপমাত্রা। কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা এখন ১৮ ডিগ্রির নিচে। আগামী কয়েকদিন জেলায় জেলায় তাপমাত্রা নিম্নমুখী থাকবে।

    তবে শীত থিতু হতে এখনও দেরি আছে। ১৫ই ডিসেম্বর এর আগে শহরের শীত পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আগামী ৪-৫ দিন শহরে সকালে মেঘলা আকাশ দেখা গেলেও বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা থাকবে না। মূলত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতে।

    সিকিমসহ অপেক্ষাকৃত উচু এলাকায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং এ সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার খুব একটা হের ফের হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে দু, চার ডিগ্রি নিচে রয়েছে। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা এরকমই বজায় থাকবে। আবার অন্যদিকে আরো কিছুদিন পরে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

    এই মুহূর্তের পশ্চিমবঙ্গের জন্য ঘূর্ণাবর্ত বা নিম্নচাপের কোনো পূর্বাভাস নেই আগামী চার থেকে পাঁচ দিন পরিস্কার শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। কলকাতা বা তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দিনের বেলা তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রি থেকে ৩০ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Dengue Guideline: ডেঙ্গির হটস্পট হয়ে উঠেছে রাজ্য! বিশেষ গাইডলাইন প্রকাশ স্বাস্থ্য দফতরের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Dengue Guideline: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিনই ডেঙ্গি আক্রান্ত কোনো না কোনো রোগীর মৃত্যুর খবর সামনে আসছে। এছাড়াও প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতি রাজ্যের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছে স্বাস্থ্য মহল। তাই এবার ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আরও বেশ কিছু বিধি নিয়ম বেঁধে দিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে গাইডলাইন। ১৪ দফার এই গাইডলাইন কতটা কার্যকরী হবে তাই পরবর্তীতে দেখার বিষয়।

    কী কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে গাইডলাইনে ?

    ১. রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যে ফিভার ক্লিনিকগুলি রয়েছে সেগুলিকে পুরো দমে চালু রাখতে হবে। এছাড়াও একটি রেজিস্ট্রার তৈরি করতে হবে যেখানে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের সম্পর্কে তথ্য রাখা এবং তাদের ট্র্যাক করা সম্ভব হবে।

    ২. যেকোনো ব্যক্তির ডেঙ্গি পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট যাতে সেই দিনই পাওয়া যায় এই ব্যবস্থা করতে হবে।

    ৩. ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের জন্য প্রত্যেকটি হাসপাতালে ২৪ ঘন্টার ল্যাব পরিষেবা চালু থাকবে।

    ৪. নিয়ম মেনে প্রতিদিন হাসপাতাল চত্বরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। অপরিচ্ছন্নতাই এডিস মশার আঁতুর ঘর তৈরি করছে । কাজেই নিয়ম করে হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার রাখার বিষয়টিতে বেশি জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।

    ৫. ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের দেখাশোনার জন্য যে সকল নার্সিং স্টাফেরা রয়েছেন তাদের কাজের সমস্ত সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে।

    ৬. ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার জন্য প্লেটলেট এবং অন্যান্য রক্তের পরিষেবা একেবারে ত্রুটিহীন রাখতে হবে।

    ৭. প্রত্যেকটি হাসপাতালকে সজাগ থাকতে হবে যাতে প্রোটোকল মেনে ডেঙ্গি রোগীর চিকিৎসা হয়।

    ৮. ডিকেপিআই নামক একটি পোর্টালের ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে এন্ট্রি করতে হবে।

    ৯. প্রত্যেক সপ্তাহে স্টাফ মিটিং করতে হবে । ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের দেখাশোনার জন্য থাকা প্রত্যেক স্তরের কর্মীদের নিয়ে এই আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে । সেখানে নিয়মিত আপডেট দিতে হবে।

    এরকমই আরও বেশ কয়েকটি নির্দেশিকা হয়েছে রাজ্য দফতরের ওই গাইডলাইনে। বিগত কয়েক মাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজ্যে । কোনোভাবেই ডেঙ্গি সংক্রমণে রাশ টানা যাচ্ছে না। তাই পুনরায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে বিশেষ গাইডলাইন প্রকাশের সিদ্ধান্ত।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Panic Button In Cars: বাণিজ্যিক গাড়িতে লোকেশন ট্র্যাকার, ডিসেম্বরের মধ্যেই প্যানিক বাটন বসানোর নির্দেশ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Panic Button In Cars: রাজ্যে পথ দুর্ঘটনা যাতে নিয়ন্ত্রণে আনা যায় তার জন্য বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পথ দুর্ঘটনা যে নিয়ন্ত্রণে তা বলা যায় না। তাই রাজ্য পরিবহন দফতরের তরফ থেকে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে প্রত্যেকটি বাণিজ্যিক গাড়িতে এবার থেকে লোকেশন ট্র্যাকার ডিভাইস এবং প্যানিক বটন রাখতেই হবে। আগামী মাস থেকেই তা কার্যকর হতে চলেছে।

    গত ১৪ নভেম্বর রাজ্য পরিবহন দফতরের তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যে হারে পথ দুর্ঘটনার পরিমাণ বেড়ে চলেছে তাতে ২০১৮ সালে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে গাড়িগুলিতে প্যানিক বটন এবং লোকেশন ট্র্যাকার থাকবে। অবশেষে তা বাস্তবেও হতে চলেছে। পরিবহন দফতরের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত বেসরকারি বাস, ট্যাক্সি এবং অ্যাপকাব গুলিতে এই লোকেশন ট্র্যাকার ডিভাইস ও প্যানিক বটন থাকতেই হবে।

    শুধুমাত্র বড় গাড়ি নয় বাণিজ্যিক দুই চাকার গাড়ি, ই- রিকশা এবং অটোতেও থাকবে প্যানিক বটন ও লোকেশন ট্র্যাকার। এর ফলে গাড়িগুলি কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়লে দ্রুত সেখানে সাহায্য পাঠানো যাবে। এছাড়াও নারী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই বিষয়গুলিতে আরও বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক গাড়ির যে সকল মালিকরা রয়েছেন তা্রাও এই বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন বলেই জানা গিয়েছে । এছাড়াও পরিবহন দফতরের তরফ থেকে স্পষ্ট সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে, বাণিজ্যিক গাড়িতে লোকেশন ট্র্যাকার এবং প্যানিক বটন না থাকলে আটকে রাখা হবে গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুট পারমিট।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Higher secondary semester: অনুমোদনের অপেক্ষা, আগামী বছর থেকেই চালু হতে পারে উচ্চমাধ্যমিকে সেমিস্টার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Higher secondary semester: সরকারি চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে চালু হতে পারে সেমিস্টার। এক্ষেত্রে সর্বভারতীয় বিভিন্ন বোর্ড এবং জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে এগোতে চায় রাজ্য।

    উচ্চশিক্ষায়সেমিস্টারপদ্ধতি চালু হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগেই। জাতীয় শিক্ষানীতিতে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তর জুড়ে দিয়ে সেমিস্টার পদ্ধতি চালুর সুপারিশ রয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এর নির্যাস নিয়ে রাজ্যের প্রেক্ষিতে নীতি প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল একটি বিশেষ কমিটিকে। সেই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন লেখিকা তথা শিক্ষাবিদ গায়ত্রী চক্রবর্তী। ওই কমিটির জমা দেওয়া খসড়া রিপোর্টে রয়েছে সেমিস্টারের বিষয়টি।

    জাতীয় শিক্ষানীতির কিছু পরিমার্জন ও সংশোধন করেছে রাজ্য সরকারের শিক্ষা দপ্তর নিযুক্ত বিশেষ কমিটি। তা খসড়া আকারে জমা পড়েছে সরকারের কাছে। তাতেই পরীক্ষা পদ্ধতিতে বদল আনার সুপারিশ করা হয়েছে। সূত্রের খবর উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এই বিষয়ে প্রস্তুত রয়েছে। সব ঠিক থাকলে ২০২৩ সালে একাদশ শ্রেণীতে ওঠা পড়ুয়ারা সেমিস্টার পদ্ধতিতেই পরীক্ষা দেবেন। একই কারণে উচ্চমাধ্যমিকে কিছু বিষয়েও এমআরসিটও চালু হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Transgender judge: ইতিহাস গড়ল বাংলা, লোক আদালতে বিচারকের আসনে তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি

    ।।প্রথম কলকাতা।।

     

    Transgender judge: লোক আদালতের বিচারক রূপান্তরকামী সমাজকর্মী। অনেক লড়াই ছিল তাঁর সমাজের সঙ্গে। অনেক উপেক্ষার জবাব দিতে হয়েছিল তাঁকে। তাঁর ভাবনার মননের বিচার করত পরিবার, সমাজ। এবার সেই অত্রি কর আদালতে বিচারকের আসনে।

     

    সুপ্রিম কোর্ট তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি দিয়েছে কিন্তু এখনও অধিকারের লড়াই থামেনি। সেই লড়াই এবং সামাজিক কাজের জন্য অত্রি করকে লোক আদালতের বিচারকের সম্মান দেওয়া হয়।

    দেশের মধ্যে প্রথমবার তৃতীয় লিঙ্গের কোনো প্রতিনিধি বিচারকের পদে বসেন। লোক আদালতে বিচারকের ভূমিকায় নানান সমাজকর্মীদের স্থান দেওয়া হয়। হুগলির ত্রিবেনীর বাসিন্দা অত্রি। বর্তমানে তিনি কুন্তীঘাটের রামনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার পদে কর্মরত। তিনি বরাবর তৃতীয় লিঙ্গের অধিকার নিয়ে লড়াই করে চলেছেন। ছোটদের পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গেও তিনি যুক্ত।

    আদালতের কাজের শেষে অত্রি কর জানান, যারা বিচারক তাঁরাই আজ আমাদের পাশে বসে আমাদের কথা শুনছেন এটা অত্যন্ত সম্মানের। পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁদের নিয়ে সমাজের মনোভাবে এখনও পুরোপুরি খুশি নন তিনি। তবে বিচারকের ভূমিকায় তাঁর কাজে সংশ্লিষ্ট সব মহল।

Exit mobile version