Tag: North Bengal

  • Mamata Banerjee: উত্তরবঙ্গ সফরে গেলেন মমতা, রয়েছে এক সপ্তাহে ঠাসা কর্মসূচি

    Mamata Banerjee: উত্তরবঙ্গ সফরে গেলেন মমতা, রয়েছে এক সপ্তাহে ঠাসা কর্মসূচি

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Mamata Banerjee: উত্তরবঙ্গ সফরে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে এক সপ্তাহে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকালে যোগ দেবেন আত্মীয়র বিয়েতে। এরপর শুক্রবার গণবণ্টন কর্মসূচি রয়েছে পাহাড়ে। আলিপুরদুয়ারে থাকবেন শনি ও রবিবার। তারপর সোম-মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ি হয়ে ফিরবেন কলকাতায়। উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে সরকারি পরিষেবা প্রদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ৮ ডিসেম্বর কার্শিয়াংয়ে সরকারি পরিষেবা প্রদান করবেন। ১০ ডিসেম্বর জলপাইগুড়ি জেলার বানারহাটে করবেন পাট্টা বিতরণ। এই সফরে গিয়ে বেশ কয়েক দিন থাকবেন উত্তরবঙ্গে। নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সফরকালে উত্তরবঙ্গে বিজনেস সামিটেরও আয়োজন করা হবে। আসলে রাজারহাটের ধাঁচে উত্তরবঙ্গেও আইটি হাব গড়তে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যেই এই বিজনেস সামিট বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন গত জুন মাসে। জুনের পর ডিসেম্বর। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ফের সাত দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর।

    যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা লড়াই করেই রাজ্যের বকেয়া টাকা আদায় করব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে বলেছেন, “মমতাজিকে বলুন মোদীজির সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন মমতা বলেন, এর আগে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে। এবারেও আমরা দেখা করার প্রয়োজনীয় অনুমতি চেয়েছি।

    উল্লেখ্য, এদিকে ৭ দিনের পাহাড় সফরের জের। গতবছর নবান্নে বৈঠকের পর এবছর পূর্বাঞ্চলীয় জোনাল কাউন্সিলের মিটিংয়ে গরহাজির থাকবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বছর ঘুরলেই লোকসভার দামামা বেজে যাবে। ২০১৯ লোকসভায় উত্তরে ভালো ফল করেনি তৃণমূল। এবার তাই আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিচ্ছে রাজ্যের শাসকদল। পাখির চোখ চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন। এককথায় বলা যায়, উত্তরে ঘাসফুল ফোটাতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণেই এই সফর বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee : বছর ঘুরলেই লোকসভার দামামা, উত্তরে ঘাসফুল ফোটাতে উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Mamata Banerjee : বছর ঘুরলেই লোকসভার দামামা বেজে যাবে। ২০১৯ লোকসভায় উত্তরে ভালো ফল করেনি তৃণমূল। এবার তাই আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিচ্ছে রাজ্যের শাসকদল। পাখির চোখ চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন। এককথায় বলা যায়, উত্তরে ঘাসফুল ফোটাতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণে আগামী ৬ ডিসেম্বর বুধবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সফরে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister)। উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে সরকারি পরিষেবা প্রদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । ৮ ডিসেম্বর কার্শিয়াংয়ে সরকারি পরিষেবা প্রদান করবেন। ১০ ডিসেম্বর জলপাইগুড়ি জেলার বানারহাটে করবেন পাট্টা বিতরণ। এই সফরে গিয়ে বেশ কয়েক দিন থাকবেন উত্তরবঙ্গে। নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সফরকালে উত্তরবঙ্গে বিজনেস সামিটেরও আয়োজন করা হবে বলে । আসলে রাজারহাটের ধাঁচে উত্তরবঙ্গেও আইটি হাব গড়তে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যেই এই বিজনেস সামিট বলে মনে করা হচ্ছে ।

    প্রসঙ্গত, এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন গত জুন মাসে।জুনের পর ডিসেম্বর। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ফের সাত দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্বে মাঠে নেমে পড়েছে মোটামুটি সব পক্ষই। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে দলের ভূমিকা তুলে ধরা মমতার কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • উত্তরবঙ্গের দ্বিতীয় বৃহত্তম বোল্লা কালী, নৈহাটির বড়মা থেকে কম জাগ্রত নয়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত- বাংলাদেশ সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরী এই কালী মা। উত্তরবঙ্গের দ্বিতীয় বৃহত্তম বোল্লা কালী। নৈহাটির বড়মা থেকে কম জাগ্রত নয়। একই মায়ের কতই রূপ। এই কালীর কাছে মানত করলে অবশ্যই মানতে হবে বিশেষ নিয়ম। প্রতি বছর ৫-৬ হাজার বলি হয় বাহারি ভোগ নয় সাধারণ এই মিষ্টি খেত ভালোবাসেন বোল্লা কালী। যতই কষ্ট হোক। সামনে থেকে একঝলক মায়ের দর্শনের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন লক্ষ লক্ষ পূর্নাথী। মায়ের মহিমা জানেন?

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ দিনাজপুর বালুরঘাট শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার। দূরে বোল্লা গ্রামে মায়ের মন্দির। উত্তরবঙ্গের দ্বিতীয় বৃহত্তম কালীর পুজোয় আয়োজনে কী কী থাকে? অন্য কোন ভোগ নয়, কোন বিশেষ মিষ্টি মায়ের ভীষণ প্রিয়? মায়ের প্রধানমুর্তির পাশেও ছোট ছোট কালী মূর্তিকে পুজো করা হয় কেন? বোল্লা কালী আপনার মনস্কামনা শুনবেনই। উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম বোল্লা রক্ষাকালী পুজো। জানলে অবাক হবেন এই পুজোয় সব থেকে বেশি চাহিদা থাকে বাতাসার। পুজোর কয়েক দিন কয়েক হাজার কুইন্টাল বাতাসার প্রয়োজন হয়। তাই পুজোর অনেক আগেই বাতাসা তৈরি করতে কারিগররা মালদা থেকে চলে আসেন বোল্লায়। দূর দূরান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা বোল্লা রক্ষাকালীর কাছে আসেন। পুজোয় তারা ভোগ হিসেবে বাতাসা দিয়ে থাকেন।

    রাস পূর্ণিমার পরের শুক্রবার পুজো হয় মা বোল্লার। এই কালী ভীষণ জাগ্রত। দেবীর কাছে মানত করলে আপনাকে মানতেই হবে এই নিয়ম। বোল্লা কালীর কাছে মনস্কামনা জানাতে চান? তবে পুজোর দিন আপনাকেও একটি কালী মূর্তি এনে মায়ের পাশে রাখতে হবে। এই পূজাতে গেলেই দেখতে পাবেন মন্দির প্রাঙ্গণ লাগোয়া আটচালায় মানতের আরও শতাধিক ছোট কালী মূর্তি। মনস্কামনা পূরণ হলেই সোনা রুপোর গয়না মাকে পরিয়ে দেন ভক্তরা। নৈহাটির বড়মার সেই গয়না আপনারা দেখেছেন নিশ্চয়ই। এই বোল্লা কালীকেও সোনা রুপোর অলঙ্কার নিয়ে পুজো দিতে লম্বা লাইন পড়ে।

    কথিত আছে, তৎকালীন জমিদার মুরারীমোহন চৌধুরী কোনও একটি মামলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। ওই সময় বোল্লা কালীর কাছে মানত করেই জমিদার মামলায় জিতে যান। তারপর থেকে বোল্লা গ্রামে ঘন জঙ্গলে ঘেরা এলাকায় ওই জমিদারের সৌজন্যে পুজিত হয়ে আসছেন বোল্লা কালী। তবে বোল্লা নামকরণের পিছনে উঠে এসেছে সেকালের এক বিখ্যাত জমিদার বল্লভ মুখোপাধ্যায়ের নামও। তাঁর নামেই এলাকার নাম বোল্লা হয়েছিল বলেও শোনা যায়। আবার শোনা যায় একসময় এই গ্রামে ডাকাতদের অত্যাচার শুরু হয়েছিল তখন দেবীর কালী ভয়ঙ্করী রূপ ধারণ করেন। মায়ের ভীষণ রূপ দেখা মাত্রই ডাকাতরা পালিয়ে যায়। তখন থেকেই বোল্লা কালী পুজোর শুরু হয়।

    ভক্তদের বিশ্বাস সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ করেন বোল্লা কালী। তাঁর আশীর্বাদে জীবনে সুখ, শান্তি আসে। তিনদিন ধরে মেলা চলে এই পুজোকে ঘিরে। শুধুমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা নয়, পাশের রাজ্য থেকেও বহু মানুষ আসেন এই উৎসবে। বিশালাকার বোল্লা কালীর পুজোয় লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয় প্রতিবছর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Arijit Singh: কলকাতার পর এবার উত্তরবঙ্গে কনসার্ট অরিজিৎ-এর, টিকিটের মূল্য কত?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Arijit Singh: কিছুদিন আগেই কলকাতায় শো করেছেন। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার শোনা যাচ্ছে ফের অনুরাগীদের খুশি করতে রাজ্যে আসছেন শিল্পী। চলতি মাসের ১৮ তারিখ অ্যাকোয়াটিকায় মানুষের উপচে পড়া ভিড় নজরে এসেছে, কারণটা অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)। তাঁর জনপ্রিয়তা যে কতটা,ঋ তা বোঝা গিয়েছিল ওই দিন। জানা যাচ্ছে, এবার উত্তরবঙ্গে পা রাখতে চলেছেন গায়ক। কিন্তু উত্তরবঙ্গের কোথায় আসছেন তিনি? কবে হতে চলেছে কনসার্ট?

    ‘আনন্দবাজার অনলাইন’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অরিজিৎ-এর কনসার্ট। প্রথমে শোনা গিয়েছিল, ১ এপ্রিল হবে শো। কিন্তু পরে তা পিছিয়ে ২ এপ্রিল করা হয়েছে। এই প্রথমবার উত্তরবঙ্গে শো করতে চলেছেন গায়ক। তাই কনসার্ট (Arijit Singh Concert) দেখতে কত টাকা ব্যয় করতে হবে অনুরাগীদের? কলকাতায় (Kolkata) তাঁর কনসার্টে টিকিটের হায়েস্ট প্রাইস ছিল ৮০ হাজার টাকা। শিলিগুড়ির এই কনসার্টে টিকিটের মূল্য কত?

    প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে শোয়ের উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, শিলিগুড়ির এই শোতে দার্জিলিং, সিকিম সব জায়গা থেকেই আসবেন দর্শকরা। কনসার্টকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। এই প্রথম উত্তরবঙ্গে তাঁর শো, তাই সকলের মনে এক আলাদাই উত্তেজনা রয়েছে। স্টেডিয়ামে আসন সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। এখানে টিকিটের দাম শুরু দেড় হাজার থেকে। হায়েস্ট প্রাইস রাখা হয়েছে ৪৯ হাজার। এমনিতে কলকাতায় শো হওয়ার পর অনুরাগীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন অরিজিৎ। সেখানে ব্যবস্থায় কিছু গাফিলতি থাকায়, তা নিয়ে শহরবাসীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী তিনি। শিলিগুড়িতেও সেরকম অভিজ্ঞতা হবে কি না, প্রশ্নের জবাবে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, আশা করা যায় হবে না। যার কারণে ব্যবস্থাপনার দিকে বাড়তি নজর দেওয়া হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • CV Ananda Bose: ফেব্রুয়ারির শুরুতে উত্তরবঙ্গে রাজ্যপাল, ঘুরে দেখবেন নিজের পুরনো কর্মস্থল ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    CV Ananda Bose: ২০২২ সালের শেষের দিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে স্থায়ীভাবে নিযুক্ত করা হয় সিভি আনন্দ বোসকে (CV Ananda Bose)। তাঁর জায়গায় আগে ছিলেন জগদীপ ধনখড়। তবে তিনি উপরাষ্ট্রপতি হওয়ার কারণে বাংলার রাজ্যপালের দায়িত্ব অস্থায়ীভাবে সামলেছিলেন লা গণেশন। পরবর্তীতে সেই আসনে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সিভি আনন্দ বোস। ফেব্রুয়ারির শুরুতেই রাজ্যপাল তিন দিনের জন্য উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সফরে গিয়েছেন। শিলিগুড়ি সহ আরো বেশ কয়েকটি জায়গা তিনি পরিদর্শন করবেন বলেই জানা গিয়েছে।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ এক্সপ্রেস ট্রেনে এনজেপি স্টেশনের (NJP Station) উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন রাজ্যপাল (Governor)। বৃহস্পতিবার সকালে এনজেপি স্টেশনে পৌঁছানোর পর সেখান থেকে সড়ক পথে শিলিগুড়ির স্টেট গেস্ট হাউসে যান তিনি। সেখানেই তাঁর থাকার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এই তিন দিনের সফরে শুধুমাত্র শিলিগুড়ি নয়, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলাতেও যাওয়ার কথা রয়েছে রাজ্যপালের। তিনি ৪ ফেব্রুয়ারি কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ কনভোকেশনে যোগ দেবেন এমনটাই জানা গিয়েছে। এছাড়াও মাঝের দিনগুলিতে একাধিক কর্মসূচি হাতে নিয়ে এসেছেন তিনি।

    তিন দিনের সফরের প্রথম দিনই তিনি ফুলবাড়িতে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পরিদর্শন করবেন, এমনটাই মিলেছে খবর। জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) তাঁর পূর্ব পরিচিত কারণ একসময় জলপাইগুড়িতেই স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (SBI Jalpaiguri) প্রধান শাখার গুরুদায়িত্ব সামলে ছিলেন বর্তমান বাংলার রাজ্যপাল। এসবিআই জলপাইগুড়ির প্রধান শাখার চিফ ম্যানেজার দীপক কুমার সিংয়ের তরফ থেকে জানানো হয়, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ১৯৭৭ সালে খুব অল্প সময়ের জন্যেই জলপাইগুড়ির এসবিআই এর প্রধান শাখায় চিফ ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

    জলপাইগুড়ি সফরে এলে রাজ্যপাল তাঁর পুরনো কর্মস্থল একবার ঘুরে দেখতে পারেন এমনটাই সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে কোন সীলমোহর দেওয়া হয়নি। উল্লেখ্য, বাংলার রাজ্যপালের পদে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রাজ্যপাল চর্চায় থেকেছেন। তিনি প্রথম থেকেই বাংলাকে নিজের দ্বিতীয় বাড়ি হিসেবে চিহ্নিত করেন। আর বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন বারবার। সরস্বতী পুজোয় বাংলা অক্ষর জ্ঞানের জন্য হাতে খড়ি দেওয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণেশ্বরে সপরিবারে পুজো দিতেও দেখা গিয়েছে রাজ্যপালকে। তবে এবার কাজের সূত্রেই তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফর তাঁর টু ডু লিস্টে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Special Train: আজ থেকেই কলকাতা-শিলিগুড়ি রুটে নয়া ট্যুরিস্ট স্পেশাল ট্রেন, জানুন টাইম টেবিল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Special Train: রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ দেখা দিতেই ভ্রমণপ্রেমী মানুষরা পাহাড়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েছিলেন। বর্তমানে রাজ্যে ঠান্ডা তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম থাকলেও পর্যটকদের ভিড় উত্তরবঙ্গে (North Bengal) কোন অংশে কমেনি। আগামীকাল সরস্বতী পুজো এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটি উপলক্ষে অনেকেই উত্তরবঙ্গ যাওয়ার প্ল্যান করে রেখেছেন কিন্তু সমস্যাটা হল ট্রেন বাসে জায়গা নেই তাই পাহাড় তরাই ডুয়ার্সে ঘুরতে যেতেও যতটা সমস্যা হচ্ছে, সেখান থেকে ফিরে আসতেও ঠিক ততটাই সমস্যা হচ্ছে। এরকম পরিস্থিতিতে দারুন সুখবর শোনালো উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল (North East Frontier Railway)।

    আজ থেকে কলকাতা-শিলিগুড়ি (Kolkata – Siliguri) রুটে চালু হচ্ছে একটি নতুন ট্রেন। শীতের মরশুমে শুধুমাত্র পর্যটকদের চাপ সামাল দিতে এই ট্রেনটি চালু করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। এটি কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত যাবে এমনটাই জানানো হয়েছে। ফলে পর্যটকদের সেখানে যেতে এবং ফিরে আসতে কোনরকম সমস্যা হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

    * নতুন ট্রেনের টাইম টেবিল

    কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি এবং নিউ জলপাইগুড়ি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে যে ট্রেনটি যাতায়াত করবে সেটি আজ অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি রাত ১১ঃ৩০ মিনিটে কলকাতা থেকে ছাড়বে। নিউ জলপাইগুড়ি গিয়ে পৌঁছাবে ২৬ তারিখ সকাল ১০:১০ মিনিটে। সেদিনই জলপাইগুড়ি থেকে বেলা বারোটা নাগাদ কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে ট্রেনটি। ওই দিনই রাত ১২:৫০ মিনিটে কলকাতায় এসে পৌঁছাবে। শীতকালীন স্পেশাল কলকাতা নিউ জলপাইগুড়ি রুটের এই ট্রেনের টিকিট বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছিল ২২ জানুয়ারি থেকেই। যাত্রীরা পিআরএস কাউন্টার অথবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বুকিং করতে পারেন।

    * নতুন ট্রেনের যাত্রা পথ

    কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি যাবে যে ট্রেনটি সেটি বেশ কয়েকটি স্টেশনে দাঁড়াবে। আপ এবং ডাউন লাইনে চলাচল করার সময় ওই ট্রেনটি নৈহাটি, ব্যান্ডেল, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, জঙ্গিপুর রোড, মালদা টাউন, বারসই, কিষাণগঞ্জ এবং আলুয়াবাড়ি রোড স্টেশনে দাঁড়াবে। তবে এই ট্রেনটির জন্য যাত্রীদের কিছুটা স্পেশাল চার্জ দিতে হবে। ট্রেনটিতে থাকছে জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস, স্লিপার ক্লাস এবং এসি কোচের সুবিধা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: আলিপুরদুয়ারে মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের খতিয়ান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: বৃহস্পতিবার মেঘালয় সফর থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) তাঁর সফর সঙ্গীদেরকে সঙ্গে নিয়ে এসে উপস্থিত হন আলিপুরদুয়ারে (Alipurduar)। সেখানেই একটি সভার আয়োজন করা হয়। এদিনের সভায় আলিপুরদুয়ারকে নিয়ে একাধিক তথ্য সামনে রাখেন মুখ্যমন্ত্রী । একই সঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধেও ফের প্রাপ্য ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।

    উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের হিসাব

    এদিন সভামঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনেকে বলেন উত্তরবঙ্গ (North Bengal) কিছু পায় না। এগুলো শুধুই কুৎসা আর অপপ্রচার”। উত্তরবঙ্গ রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কী কী পেয়েছে তার পরিসংখ্যান আলিপুরদুয়ারের সভামঞ্চ থেকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, “আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান আপনাদের দিচ্ছি। আলিপুরদুয়ার জেলাতে লক্ষ্মীভান্ডার পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৪ হাজার মহিলা, জলপাইগুড়িতে ৪ লক্ষ ৭৮ হাজার, কোচবিহার জেলায় ৬ লক্ষ ৩৭ হাজার মহিলা লক্ষ্মী ভান্ডার পেয়েছেন। আলিপুরদুয়ার একটি নতুন জেলা । জলপাইগুড়ি ভেঙে আলিপুরদুয়ার করা হয়েছে। আমরাই করেছি। সারা রাজ্যে কৃষকবন্ধু পেয়েছেন ৯১ লক্ষ। কিন্তু আলিপুরদুয়ার জেলায় পেয়েছেন ৮৩ হাজার, ৮৯ হাজার পেয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলায় , ৩ লক্ষ ৭১ হাজার পেয়েছেন কোচবিহারে”। এছাড়াও তিনি সবুজ সাথী , স্বাস্থ্য সাথী, খাদ্য সাথী এই প্রকল্পগুলির সুবিধা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলার কত মানুষ পেয়েছে তার সংখ্যা উল্লেখ করে জানান।

    “আমি ভিক্ষে করার লোক নই”

    বাংলায় বারবার কেন্দ্র থেকে তদন্তকারী আধিকারিকদের দল আসায়, এর আগে উষ্মাপ্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি আলিপুরদুয়ারের সভায় বলেন, “এখান থেকে ইনকাম ট্যাক্স তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আবার তল্লাশিও করা হচ্ছে। শাড়ির দোকানে গেলে একটা জিএসটি দিতে হয়। সেটাও তুলে নিয়ে যাচ্ছে। এমনকি নকুল দানা কিনতে গেলেও কদিন বাদে ট্যাক্স লাগবে। সব টাকা সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট তুলে নিয়ে যাচ্ছে। অথচ আমাদের টাকা আমাদের দিচ্ছে না। আমি দেখতে চাই কদিন এটা চলে। আমি ভিক্ষা চাইব না আমি ভিক্ষা করার লোক নই । ভিক্ষা করলে মানুষের কাছে চাইব। আমার মায়েদের ভাইদের বোনেদের কাছে চাইব কিন্তু ওদের কাছে নয়। নিজেদেরটা বুঝে নেব আমরা । এর পরও যদি কেন্দ্র না দেয় তাহলে আমাদেরটা বুঝে নেব। কী করে বুঝতে হয়। আমরা লড়াই করে দেখিয়ে দেব। মানুষের জন্য লড়াই আমরা করতে পারি। ভিক্ষা চেয়ে নেব না”।

    এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ” আপনারা হয়তো দুঃখ পাবেন। খুশিও হতে পারেন। কেন্দ্র আমাদের সব ফান্ড বন্ধ করে দিয়েছে। ১০০ দিনের কাজের টাকা দেয়নি ।৬ হাজার কোটি টাকা পাই। তা সত্ত্বেও একদিন জব কার্ড হোল্ডারদের কাজ আটকায়নি, ৪০ লক্ষ জব কার্ড হোল্ডারদের কাজ দিয়েছি আমরা”। পাশাপাশি তিনি উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্প উন্নয়নের বিষয়েও এদিন একাধিক তথ্য সামনে আনেন। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্প উন্নয়নে যথেষ্ট সহযোগিতা করা হয়েছে, এমনটাই জানান তিনি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bagdogra Airport: ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে বাগডোগরা বিমানবন্দরকে, মিলবে হেলিকপ্টার সার্ভিসও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bagdogra Airport: রাজ্য সরকারের দেওয়া জমি এবং কেন্দ্র সরকারের টাকায় বাগডোগরা বিমানবন্দরকে নব কলেবরে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। এই বিমানবন্দরটিতে বর্তমানে আধুনিকীকরণের কাজ চলছে। ইঞ্জিনিয়াররা নকশা ইতিমধ্যেই তৈরি করে ফেলেছেন। বিগত প্রায় মাস খানিক ধরে বাগডোগরা বিমানবন্দরকে সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গের এই বিমানবন্দরকে আরও উন্নত করে তোলার জন্য চলতি বছরের মার্চ মাসে রাজ্য সরকার জমি দিয়েছে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে।

    অন্যদিকে বাগডোগরা বিমানবন্দরের এই কাজের জন্য কেন্দ্রের তরফ থেকে ১৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের অবসরপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী জেনারেল ভি কে সিং। প্রথমে যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে বাগডোগরা বিমানবন্দরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১৩০০ কোটি টাকা। কিন্তু তারপর এই টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়। ১৩০০ কোটি টাকা খরচ করা হবে বাগডোগরা বিমানবন্দরের যাত্রী পরিষেবায় প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর উন্নতি এবং সৌন্দর্যায়নের খাতে। বাকি টাকা কাজে লাগানো হবে হেলিকপ্টার সার্ভিস এর জন্য।

    এবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে শুধু বিমান পরিষেবা নয় পূর্ণাঙ্গ হেলিকপ্টার সার্ভিস মিলতে চলেছে। যার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালু রয়েছে। কিছুদিন পূর্বে এই বিমানবন্দর থেকে দার্জিলিং মিরিক এবং কার্শিয়াং হয়ে হেলিকপ্টার সার্ভিসের পরীক্ষা করা হয়। জানা গিয়েছে বিমানবন্দরে একটি আলাদা জায়গা তৈরি করা হবে। যেখানে যাত্রীরা হেলিকপ্টারে চড়তে পারবেন এবং যাতায়াতের পথ আরও উন্নত হবে। যদিও এই হেলিকপ্টার সার্ভিসটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু কেন্দ্রের বিমান পরিবহন প্রতি মন্ত্রকের সঙ্গে রাজ্য সরকারের এই নিয়ে আলোচনা চলছে। যাতে হেলিকপ্টার পরিষেবা আরও বাড়ানো যায়।

    বর্তমানে বাগডোগরা থেকে দিনে প্রায় ৫০ টি বিমান ওঠানামা করেছে। গড়ে এই বিমানবন্দরে যাত্রীর সংখ্যা থাকে প্রায় আট হাজার। তাই যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী যদি সঠিক পরিকাঠামো দিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরকে সাজানো যায় তাহলে বিমানের সংখ্যা এবং যাত্রী সংখ্যা দুই-ই বাড়ানো সম্ভব হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Rail Roko: ১২ ঘণ্টার রেল রোকো কর্মসূচি উত্তরবঙ্গে, আটকে বহু ট্রেন, বিপাকে পর্যটকরা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Rail Roko: পৃথক রাজ্যের দাবি তুলে ময়নাগুড়িতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই রেল রোকো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড ফোরাম। তাদের ১২ ঘণ্টার এই রেল অবরোধ কর্মসূচি সাধারণ যাত্রীদের বেশ খানিকটা অসুবিধার মুখে ফেলেছে। এই আন্দোলনের ফলে ময়নাগুড়িতে আটকে পড়ে কলকাতাগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। এছাড়াও ওই রুটে আরও একাধিক ট্রেন যাতায়াত করে। কাজেই সমস্যা সৃষ্টি হবে সে ক্ষেত্রেও। ঘটনার স্থলে এসে উপস্থিত হয় পুলিশ বাহিনী এবং আরপিএফ। শুধু ময়নাগুড়ি স্টেশন নয় গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে আজ চলছে রেল রোকো আন্দোলন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ছ’টা থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়। তা চলবে সন্ধ্যা ছ’টা পর্যন্ত। কামতাপুর পিপলস পার্টি জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়, কামতাপুর আলাদা রাজ্যের জন্য বহুদিন ধরেই তাঁরা আবেদন জানিয়ে এসেছেন। নবান্ন থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্র দফতর সব জায়গাতেই ঘুরেছেন তাঁরা। তবে এবার তাদের দাবি পূরণ করার জন্য বড়সড় আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন। অন্যদিকে যাত্রীদের একাংশ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন।

    সেই প্রসঙ্গে কামতাপুর স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রেসিডেন্ট অবনীশ রায় জানান, তাঁরা দীর্ঘদিনের বঞ্চনার শিকার। বহু বছর ধরে এই দাবিকে সামনে রেখেছেন তাঁরা। তাই আজকের আন্দোলন যে কোন মতে সফল করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আন্দোলনকারীরা। সে ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন যে যাত্রীদের হতে হবে তা স্বীকার করেছেন তিনি। জানা যায়, সকাল থেকে আন্দোলন বেশ শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল কিন্তু বেলা বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতির জটিলতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ময়নাগুড়ি স্টেশনের সাত সকালে আটকে পড়ে একাধিক ট্রেন। তার মধ্যে প্যাসেঞ্জার ট্রেন সহ রয়েছে এক্সপ্রেস ট্রেনও। অর্থাৎ আজ সারাদিন উত্তরবঙ্গ জুড়ে এই রেল রোকো কর্মসূচির ফলে যাত্রীদের যে দুর্ভোগ পোহাতে হবে তা এক প্রকার নিশ্চিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Jalpaiguri: বাসের সিটের তলায় গাঁজার পাহাড়, মাঝ রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে চলল তল্লাশি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Jalpaiguri: গাঁজা পাচারকারীদের অভিনব পাচারের কায়দা দেখে ফের একবার হতবাক সাধারণ মানুষ। পাবলিক ট্রান্সপোর্টকে ব্যবহার করে অনায়াসে গাঁজা পাচার করার ছক কষা হয়েছিল । কিন্তু পুলিশের হস্তক্ষেপে বানচাল হল সমস্ত পরিকল্পনা । জলপাইগুড়ি জেলার গয়েরকাটা আমাডিপা এলাকায় শুক্রবার রাতে একটি বেসরকারি বাস আটক করে চলে তল্লাশি । আর সেই বাস থেকেই উদ্ধার করা হয় বেশ কয়েকটি ব্যাগ ভর্তি গাঁজা। যার বাজার মূল্য বর্তমানে প্রায় লক্ষাধিক ।আটক করা হয়েছে এক সন্দেহভাজনকে।

    পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, ওই বাসটি আলিপুরদুয়ার থেকে জলপাইগুড়ির দিকেই যাচ্ছিল। পুলিশের কাছে গোপন সূত্র মারফত আগেই খবর এসেছিল যে, ওই বেসরকারি বাসে গাঁজা পাচার করা হচ্ছে। সেই মতো বাসটিকে আমাডিপা এলাকায় দাঁড় করিয়ে তল্লাশি অভিযান চালায় বানারহাট থানার ট্রাফিক পুলিশ। সেখানে বাসের সিটের নিচ থেকে একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয় । সেই ব্যাগের মধ্যেই ছিল গাঁজা। যদিও ব্যাগটি কার তা কেউই স্বীকার করতে নারাজ । উদ্ধার করা হয়েছে মোট ১৮ কেজি গাঁজা।

    এক বাস যাত্রী জানান, প্রথমে একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয় । পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে সেই রকম গাঁজা ভর্তি আরো কয়েকটি ব্যাগ মেলে। বাসে থাকা এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যদিও পুলিশি জেরার মুখে ওই ব্যাগ যে তাঁর এমন কিছুই স্বীকার করেননি তিনি। বরং নিজেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। পুলিশের অনুমান এই গাঁজা গুলি আলিপুরদুয়ারের দিক থেকেই পাচার করা হয়েছিল। গাঁজা উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন জলপাইগুড়ি পুলিশ সুপার । এছাড়াও সেখানে ছিলেন জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্রামীণ। এইভাবে পাবলিক ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে ভিড়ের মধ্যে মিশে গাঁজা পাচার করার নেপথ্যে কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version