Tag: Joe Baiden

  • চীনের বুকে কাঁপুনি ধরাচ্ছে কোয়াড! মোদী বাইডেনের জবরদস্ত প্ল্যান, কার দখলে ভারত মহাসাগর ?

    চীনের বুকে কাঁপুনি ধরাচ্ছে কোয়াড! মোদী বাইডেনের জবরদস্ত প্ল্যান, কার দখলে ভারত মহাসাগর ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারত মহাসাগরে ড্রাগন বধের ছক কষছে কোয়াড। ইমপর্টেন্ট এই বাণিজ্য রুট নিয়ে বড় প্ল্যান মোদী বাইডেনের। জুন কাট টু সেপ্টেম্বর। দিল্লীতে মোদী-বাইডেন ফেস টু ফেস, যুদ্ধাস্ত্র থেকে শুরু করে কোয়ান্টাম শক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের আরও কাছে ভারত। জানেন জি ২০ কতটা বেনিফিট পাইয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্রকে? একদম স্ট্রেটকাট কথা। জি-২০ সামিটের আগেই মোদী-বাইডেন সমীকরণ চীনের বুকে কাঁপুনি ধরালো। দক্ষিণ চীন সাগরের পাশাপাশি ভারত মহাসাগরে চীনের দাদাগিরি আর সহ্য করবে না ভারত-আমেরিকা। স্পষ্ট মেসেজ দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। দিল্লি ৭ লোকমার্গ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন। টানটান উত্তেজনা।

    মোদী-বাইডেনের আলোচনায় প্রায়োরিটি পেল কোয়াড। স্বাধীন, মুক্ত ও অবাধ ভারত-মহাসাগরীয় অঞ্চল ধরে রাখতে কোয়াড জোটকেই গুরুত্ব দিচ্ছে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র। টার্গেট খুব পরিষ্কার। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, আমেরিকা, তৈরি করেছে কোয়াড্রিল্যাটারাল সিকিউরিটি ডায়ালগ মানে কোয়াড আগস্টেই মালাবার মহড়ায় নিজেদের শক্তিপ্রদর্শন করেছে এই জোট। কে দিয়েছে চীনকে শায়েস্তা করতে ঠিক কি করতে পারে কোয়াড। জানিয়ে রাখি দক্ষিণ চীন সাগর ও ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে লালফৌজ রীতিমতো‘দাদাগিরি’ চালাচ্ছে। কমিউনিস্ট দেশের এই আগ্রাসানে বিপন্ন হচ্ছে মুক্তবাণিজ্য পথ। মেনে নিতে অসুবিধা হচ্ছে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের। তাছাড়া বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকছেয়তাই চীনকে কড়া বার্তা দিয়ে মহড়ায় সামিল শক্তিধর চার দেশ। তাই ড্রাগন বধে মোদী বাইডেনের বড় হাতিয়ার কোয়াড। ফলে, এই বৈঠক থেকেই ২০২৪ এর কোয়াড সামিট নিয়ে বড় প্ল্যান ভারতের।

    ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা কোয়াডে প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে স্বাগত জানাতে এখন থেকেই মুখিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী। শুধু ভারত নয়, জানেন এই বৈঠক থেকে কিভাবে বেনিফিটেড আমেরিকা? বাইডেন নিজে কনফেস করলেন কী এমনি এমনি? বলেছেন জি-২০ তে যতবার আসি ততবার আমাদের ভালো হয়। না শুধু কোয়াড নয়, তাৎপর্যপূর্ণভাবে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনায় উঠে এসেছে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, স্বাধীনতা, বহুত্ববাদ, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলা। তাঁদের মতে, দেশের সাফল্যের জন্য যা জরুরি এবং ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক পোক্ত করার জন্য যা প্রয়োজনীয় তা করা হবে, তাতে আরও বেশি জোর দেওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তি, মহাকাশ, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি অসামরিক পরমাণু ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে আলোচনায়। ভারত-আমেরিকা পরমাণু সহযোগিতাকে আরও প্রসারিত করা নিয়ে কথা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে। পরবর্তী ধাপে ‘স্মল মডিউলার’ পরমাণু চুল্লি বানাতে সমন্বয়ের কথাও উঠেছে। নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপ বা এনএসজি-তে ভারতের অন্তর্ভুক্তি হোক, এমনটাও চাইছে আমেরিকা।

    উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠক নিয়ে একটা যৌথ বিবৃতি প্রকাশিত করেছে হোয়াইট হাউজ। যাতে উল্লেখ করা হয়েছে মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কিত বিষয়, রাষ্ট্র সংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য বিষয়ক আলোচনা, ৫জি ও ৬জি প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ আরও সুদৃঢ় করতে সেমিকন্ডাক্টর সাপ্লাই চেন নিয়েও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে। মোটকথা ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরো বেশি পক্ষ হতে যাচ্ছে। যা চীনের জন্য মোটেই সুখবর নয়। একই সাথে মহাসাগরের বাণিজ্য রুটে চীনকে সবক শেখাতে আঁটঘাট বাঁধতে কোনরকম উপায় ছাড়ছে না ভারত যুক্তরাষ্ট্র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকিস্তানের বন্ধু আমেরিকার পাল্টি! মোদী বাইডেনের থেকে কোন ব্রহ্মাস্ত্র চাইলেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পাকিস্তানের বন্ধুর থেকে অস্ত্র কিনে পাকিস্তানকেই বধ। মোদীর নতুন চুক্তির কথা জানা আছে আপনার? পাকিস্তান সহ্য করতে পারছে না ভারতে যা হচ্ছে। আমেরিকার কাছ থেকে ভারত যা চাইল পাক মিডিয়ার খবরে পাকিস্তানই ভিত। ভারত আমেরিকার থেকে অস্ত্র কিনে সেই অস্ত্রেই বধ করবে পাকিস্তানকে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কী পাকিস্তানে যাওয়ার কথা ভাবছেন? ভারতে জি২০র সমারোহে চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদের।
    পাকিস্তান মিডিয়ার মুখে কার্যত ভারতের প্রশংসা, কিন্তু মনে রাখতে হবে মোদী-বাইডেন বৈঠক অশনি সংকেত পাকিস্তানের জন্য।

    বাইডেনের সঙ্গে মিটিংয়ের আগে বড় ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। ভারতে ব্যবসা করতে থাকা মার্কিন পণ্যের উপর থেকে অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এক-দুটি নয়, হাফ ডজনের বেশি মার্কিন পণ্যের উপর থেকে অতিরিক্ত শুল্ক (Additional duties) প্রত্যাহার করা হচ্ছে। লাস্ট দু থেকে তিনমাস কেমন সম্পর্ক ছিল পাকিস্তান আমেরিকার? সেই ইকুয়েশনটা এমূহুর্তে বেশ ইমপরটেন্ট।
    কারণ পাকিস্তান যা যা পাপ করেছে এবার তার ফলাফল হাতেনাতে পাবে দেশটা। মোদী-বাইডেনের মিটিংয়ে অনেক আপডেট কিন্তু পাকিস্তানের কান শুনতে চায় একটা ডিল বাতিল হোক।

    পাক মিডিয়া দিল্লিতে জি২০ চাকচিক্য দেখে রীতিমত প্রশংসা করতে বাধ্য হয়েছে অলরেডি। মানে ভাবুন ভারত আজ কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে যে শত্রুর মুখে রীতিমত প্রশংসা হচ্ছে। তবে এরমাঝেই খবর আমেরিকারয় এমকিউ৯বি প্রিডেটর ড্রোন যা কিনতে মারাত্মক ইন্টারেস্টেড ছিল ভারত। তাহলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অস্ত্রে কিনে সেই অস্ত্রেই দিল্লি ঘায়েল করে দেবে পাকিস্তানকে।
    এই একটা শর্তেই পাকিস্তান ভিত ও সন্তস্ত্র। কূটনৈতিক মহলের দাবি আসলে পাকিস্তান কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না। তাদের বন্ধু দেশ আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এতটা সখ্যতা আগেই পারেনি যখন মোদী গেছিলেন ওয়াশিংটন সফরে। এবার দেখার মোদী-বাইডেন মিটিংয়ে পাকিস্তানের জন্য কোন ব্যাড নিউজ আসে।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মোদীর সঙ্গে গোপন মিটিং আমেরিকার! পুতিন মিস করলেন বড় সুযোগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাইডেন জিতে গেলেন পুতিন মিস করলেন বড় চান্স। জি২০তে এসে বাইডেন ফের ছক্কা মারবেন। মোদীর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক কেন অ্যারেঞ্জ করল যুক্তরাষ্ট্র? পুতিন-জিনপিং না আসার বড় ফায়দা। এই তো নরেন্দ্র মোদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে বৈঠক করলেন জো বাইডেনের সঙ্গে। কিন্তু আমেরিকার মন তাতে ভরেনি জি২০ সম্মেলনে এসে মূল সম্মেলন ছাড়াও ফের মোদীর সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    হোয়াইট হাউসের এই খবরে পুতিন কী ভড়কে গেলেন রাশিয়ার কী প্রতিক্রিয়া এবার? এমনিতেই মস্কো জানিয়ে দিয়েছে তাদের ভিউস বা বক্তব্যকে যৌথ বিবৃতিতে গুরুত্ব না দেওয়া হলে বা না রাখা হলে তারা জি২০ সম্মেলন ব্লক করতে পারে। নিঃসন্দেহেই ভারতের জনয এটা উভয় সংকট পরিস্থিতি। একদিকে রাশিয়া চরমতম শত্রু আমেরিকা অন্যদিকে পরমবন্ধু পুতিন। মস্কোকে চটানোর জন্যই কী আমেরিকা নতুন কৌশল নেবে? জানা যাচ্ছে নয়াদিল্লিতে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক পার্শ্ববৈঠক করবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউসের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে তাতে আলোচনা কী হতে পারে? নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটন দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নানা ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হবে বলে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দফতর জানিয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হবেন। বাইডেন ৮ সেপ্টেম্বর দিল্লি পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন তিনি।

    চীন, ইউক্রেন, প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক বোঝাপড়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, কোয়াড, ইন্দো-প্যাসিফিক সহ একাধিক ইস্যুতে
    মোদী সঙ্গে আলোচনা হতে পারে বাইডেনের এমনটাই আশা করা হচ্ছে। কূনৈতিক মহলের দাবি কিছু ক্ষেত্রে হয়ত ভারতের বাণিজ্যিক স্তরে লাভ হবে এমন আলোচনাও হতে পারে। তবে এরইমাঝে উঠে আসছে আরেকটা খবর জানা যাচ্ছে, কয়েক মাস পর হয়ত জানুয়ারিতেই ফের ভারত সফরে আসতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দুই দেশের সম্পর্কের জন্য তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    জল্পনা চলছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হয়ত প্রজাতন্ত্র দিবসের ‘প্রধান অতিথি’ হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। তবে এই খবর এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। রাশিয়ার সামনেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এতটা গুরুত্ব ক্রেমলিনের বসে থাকা পুতিনের কাছে খবর গেলে তিনি মেনে নিতে পারবেন তো?

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • হাসিনা দুর্বল করলে ক্ষতি! দিল্লির সেকেন্ড ওয়ার্নিং যুক্তরাষ্ট্রকে, জামাত ফুঁসছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আমেরিকাকে সেকেন্ড ওয়ার্নিং বাংলাদেশ নিয়ে দিল ভারত। জো বাইডেন-শেখ হাসিনা মুখোমুখি হবেন ভারতের মাটিতে। ভারতের কীভাবে ক্ষতি বাংলাদেশে হাসিনা সরকার দুর্বল হলে? জামাত-বিএনপি জোট কী এখনও তলায় তলায়? যুক্তরাষ্ট্র উড়িয়ে দিতে পারবে না দিল্লির এই বার্তা কারণ ফ্যাক্ট বলছে এটাই সত্যি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি জেনে বুঝেই ঝামেলা তৈরি করছে? ভারত বলছে সাবধান যা করছেন করার আগে দুবার ভাবুন। ৩ সপ্তাহ হাতে সময় তারপর যেন এমন কোনও ঘটনা না ঘটে। বিশেষ করে ভারতের মাটিতে যাতে চটে যায় বাংলাদেশ সরকার দিল্লি এই খেয়ালটা রাখছে দিল্লি চেষ্টাও করবে।

    বাংলাদেশে নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বাড়াবাড়ি না করার সেকেন্ড ওয়ার্নিংটা দিয়েই দিল ভারত দেওয়াটা এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে অতি জরুরী। কিন্তু বাংলাদেশের নির্বাচনে হাসিনার ক্ষমতা খর্ব হলে তাতে ভারতের চিন্তা কেন? ভারতের নির্বাচন নিয়েও কী আওয়ামী লিগ উঠেপড়ে লাগবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন উদ্বেগ এখানে রাজনৈতিক নয় উদ্বেগ কৌশলগত অবস্থান উদ্বেগ কূটনীতির। ভারত কি তাহলে বিশ্বাস করে বিএনপি-জামাত জোট ওপর ওপর ভেঙে গেলেও তলায় তলায় আছে? জামাতকে নিয়ে বড়সড় বার্তা উঠে আসছে ্ভাববেন না বিজেপি সভাপতি নাড্ডার সঙ্গে আওয়ামী লিগের একচোট বৈঠক হল বলেই ভারতের এমন বার্তা। ্সেই বৈঠক না হলেও ভারত এটাই চাইত বলছেন কূটনীতিবিদরা।

    আনন্দবাজার পত্রিকার রিপোর্ট বলছে সাউথ ব্লক মনে করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল জামাতে ইসলামিকে ‘রাজনৈতিক ছাড়’ দেওয়া হলে অদূর ভবিষ্যতে ঢাকা পুরোপুরি মৌলবাদের দখলে চলে যাবে। এখন উদার পরিবেশ যেটুকু রয়েছে তা-ও আর থাকবে না। আর সেটা ভারতের জন্য অবশ্যই হবে অ্যালার্মিং পরিস্থিতি। ভারত জানে আমেরিকা জামাতকে বরাবর রাজনৈতিক ইসলামিক সংগঠন হিসাবেই দেখানোর চেষ্টা করে কিন্তু জামাত যে উগ্র মৌলবাদি সংগঠন তা নিয়ে কোনও সন্দেহ দিল্লির অ্যাটলিস্ট নেই। ঠিক ৩ সপ্তাহ পরই ভারতে মুখোমুখি হবেন জো বাইডেন- শেখ হাসিনা। তখনই একটা হেস্তনেস্ত করতে পারে ভারত।‌ যুক্তরাষ্ট্র যেন সেই পরিস্থিতি তৈরি করতেই উঠেপড়ে লেগেছে। ওয়াশিংটনের মতো ভারতও চায় বাংলাদেশের নির্বাচন সুস্থ ও শান্তিতে হোক
    কিন্তু সেখানে হাসিনার সরকার দুর্বল হলে সমস্যা রয়েছে বলে মনে করে ভারত।

    প্রথমত চীনকে এসুযোগ তুলতে কোনওমতেই দেবে না দিল্লি। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের ফলে সে দেশের যে কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি ভারতেও প্রভাব ফেলে। আমেরিকার আরেকটা বোকামিকে প্রশয় দিয়ে দক্ষিণ এশিয়াকে মৌলবাদের ্ফ্যাক্টরি হতেও দিতে চায় না দিল্লি। এভাবেই তো ভারতের উত্তরপূর্ব সীমান্ত অঞ্চল এখন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কারণ আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়েছিল। সূত্রের মতে, নয়াদিল্লি এ কথাই বাইডেন প্রশাসনকে জানিয়েছে যে জামাতকে আস্কারা দিলে এক দিকে যেমন ভারতের আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস বাড়তে পারে তেমনই চীনের প্রভাব বাংলাদেশের অনেকটাই বেড়ে যাবে। যা ওয়াশিংটনও কোনওভাবেই আদতে চায় না। ভারতের একের পর এক ওয়ার্নিং যুক্তরাষ্ট্র কি শুনবে? না শুনলে অন্য পথও বাঁছা হতে পারে অনুমান করছে কূটনীতিবিদরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • POkতে নাক গলাবে আমেরিকা! মোদীর অ্যাকশন রেডি, দিল্লির ইশারায় পাকিস্তান আতঙ্কে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পিওকে নিয়ে মোদী শুনবেন না আমেরিকার কোনও কথা। পাকিস্তানের লাস্ট চেষ্টা দাহা ফেল মুখ থুবড়ে পড়ল ইসলামাবাদকে একা করে পাল্টি খেলেন বাইডেনও।২০২৪র আগেই হবে বড় খেলা ইসলামাবাদ বুঝে গেছে। ১৫ অগাস্টের আগেই উথালপাতাল পাকিস্তানে। মোদী সঙ্গে বাইডেনের এত আলোচনার পরও কি পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে আমেরিকা আবারও নাক গলালো। আমেরিকাই ইসলামাবাদের শেষ ভরসা পিওকে নিয়ে, কিন্তু গোটা খেলাটাই যেন উল্টে গেল রাতারাতি।

    কূটনৈতিক মহল বলছে মাত্র কটা মাসে পাকিস্তানে কাশ্মীর নিয়ে কম কথা হচ্ছে তার বদলে মেন টপিক পিওকে। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হোক বা বিদেশমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এখন দেশ নিয়ে বক্তব্য রাখলেই বুক ঢিপঢিপ শুরু হয়ে যায় পাকিস্তানের। তবে যে ভুল ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্র করেছে এবার হয়ত সেটা রিপিট হবে না। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বদলে যায় বা প্রেসিডেন্ট বদলে যাবে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী বন্ধুত্বের যে ছাপ ফেলেছেন তা শেষ হবে না এত জলদি। পাকিস্তান সংবাদমাধ্যম প্রশ্ন তুলছে পিওকে নিয়ে আমেরিকা কি কোনও স্টেপ নেবে না।

    ২০২২ সালের রিপোর্ট বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রতিনিধি ডোনাল্ড ব্লম। যা নিয়ে রীতিমত প্রতিবাদ জানিয়েছিল দিল্লি। একবছরে বদলে গেছে সম্পর্কের অনেক ইকুয়েশনই৷ মোদ্দা কথা পিওকে নিয়ে কোনও দেশের কথা কানে তুলবেন না নরেন্দ্র মোদী। তা বিশ্বের শক্তিধর আঙ্কেল স্যামের দেশ আমেরিকাই হোক বা অন্য কেউ। এখানেই রীতিমত মাথাব্যাথা বাড়ছে পাকিস্তানের। রাওয়ালপিন্ডি থিঙ্ক ট্যাঙ্করা বলছেন আর তো বেশিদিন সময় নেই। ২০২৪ সাল এই এল বলে তার আগেই পিওকে নিয়ে ভারত বড় কোনও স্টেপ নিলে ইসলামাবাদ কী প্রতিরক্ষা বা কূটনীতিতে কোনও ধরণের প্রস্তুতি করে রেখেছে আদৌ।

    এমনকি তাদের এটাও দাবি পাকিস্তানে এমন অবস্থাই নেই যে ভারতের সামনাসামনি বলে চোখে চোখ রেখে পাকিস্তান কথা বলতে পারে। অবশ্য দিল্লি যে কথা বলার প্রশ্নেই যাবে না সেটাও ঘুরপথে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তান বুঝে গেছে এবার আমেরিকা যাই করবে ভারতের ইশারাতেই করবে। যার ফলে শাহবাজ শরিফের কথা বার্তার প্রস্তাব নিয়ে রীতিমত ব্যঙ্গ করছেন পাকিস্তানিরাই৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ছুটে আসছেন বাইডেন, ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে দাগ কাটছে ২৩ ! টেনশনে চীন, বড় কূটনৈতিক জয়ের মুখে নয়াদিল্লি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কী এমন করলো ভারত? ছুটে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে ২০২৩ দাগ কেটে যাচ্ছে। প্রথমবার ভারতে পা রাখছেন বাইডেন, চীন কী গভীর ডিপ্রেসনে? ‘জি২০ লিডার্স সামিট’-এর প্ল্যাটফর্মে হবে ধামাকা। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া সম্পর্কে অক্সিজেন যোগানোর চান্স ভারতের হাতে। সাল ২০২৩, ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। কেন? নজরে সেপ্টেম্বর। প্রথম বারের জন্য ভারত সফরে আসতে চলেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যা ঘটতে চলেছে তাতে দুটো দেশই ভীষণ রকম এক্সাইটেড। কী ঘটতে যাচ্ছে?

    আগামী সেপ্টেম্বর মাসে দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ সম্মেলন। এবার এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করছে নয়াদিল্লি। যে জি২০ লিডার্স সামিটে যোগ দিতেই বাইডেন আসছেন ভারত সফরে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এটাই হবে বাইডেনের প্রথম ভারত সফর। জি২০ লিডার্স সামিটে সভাপতিত্বের দায়িত্ব, বিশ্ব দরবারে ভারতের শক্তিশালী নেতৃত্বকে প্রতিষ্ঠা করবে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের ভূয়সী প্রশংসাও করেছে ওয়াশিংটন। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ২০২৩ সাল ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নয়া যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। তারই প্রথম প্রকাশ সেপ্টেম্বরে জি২০ লিডার্স সামিট। যেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি একই মঞ্চ আলো করে থাকতে চলেছেন বাইডেনও। ভারত-আমেরিকা আরও কাছাকাছি আসছে। চীনকে শায়েস্তা করার রাস্তা আরো বেশি চওড়া হচ্ছে। তাই এই পরিস্থিতিতে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    ভারত-আমেরিকা সুসম্পর্কের প্রেক্ষিতে চীনের প্রতিক্রিয়া কী? কোনও আভাস না মিললেও, জি২০ সম্মেলন চলাকালীন বাইডেনের ভারত সফর যে বেইজিংয়ের উদ্বেগ আরও বাড়াবে, তা অনুমান করা যায়। কিন্তু তা তো ভারত যুক্তরাষ্ট্রের সুসম্পর্ককে এফেক্ট করতে পারবেনা। এর আগে আমেরিকার প্রশাসনের তাবড় নেতৃত্ব, যেমন সেক্রেটারি অফ স্টেট টোনি ব্লিঙ্কেন, ট্রেজারি সেক্রেটারি জ্যানেট ইল্লেন এবং কমার্স সেক্রেটারি জিনা রাইমোন্ডোরা ভারত ঘুরে গিয়েছেন। দিল্লির ইন্ডিয়া-ইউএস ফোরামেও হাজির ছিলেন তাঁরা। ফলে দুই দেশের মধ্যে অলরেডি বন্ধুত্ব গভীর হয়েছে। তাছাড়া সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফর সেরে এসেছেন। এই আবহে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লি আসছেন বাইডেন। দুই দেশের প্রশাসনই মনে করছে ভারতের জি ২০ আয়োজন এক্ষেত্রে একটা বড় ফ্যাক্টর।

    তাছাড়া, এই জি-২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যোগ দিতে পারেন বলে ইঙ্গিত মিলেছে। এক্ষেত্রে এটা মনে করিয়ে দিতে হচ্ছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পর মস্কো-হোয়াইট হাউসের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে! যুদ্ধের জন্য সরাসরি পুতিনকেই দায়ী করেছে আমেরিকা। ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর সাথে সাথে রাশিয়ার উপর জারি করেছে একাধিক নিষেধাজ্ঞা। পালটা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মস্কোও। তাই, জি-২০ সম্মেলন উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া মঞ্চ ভাগাভাগি করলে, সেটা অবশ্যই ভারতের কূটনৈতিক জয় হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ড্রোন রপ্তানিতে ব্যারিকেড, ফল ভুগবে যুক্তরাষ্ট্র, বিপদে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ? চীনের টিট ফর ট্যাট নীতিতে পরেশান বাকিরাও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চীনের দৌড় কতদূর? এবার হারে হারে টের পাবে যুক্তরাষ্ট্র। ড্রোন রপ্তানিতে বিধিনিষেধ চীনের। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে যুক্তরাষ্ট্রকে ফাঁদে ফেলাই কি বেইজিং এর মূল টার্গেট? অনেক বড় ভুল হলো না তো? যুক্তরাষ্ট্রকে সবক শেখাতে গিয়ে বিপদে পড়বে না তো রাশিয়াও? কবে থেকে লাগু হবে বিধি নিষেধ? কোন অজুহাত দেখাচ্ছে বেইজিং? চীনের টিট ফর ট্যাট নীতিকে কিভাবে মোকাবেলা করবে পশ্চিমা বিশ্ব? বাইডেনের সামনে বড় পরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্র একাই পারে নাকি চারিদিকে বলাবলি, লেখালেখি হচ্ছে। ভুল করছে মার্কিনিরা, ওয়াশিংটন ও তার মিত্ররা চীনের প্রযুক্তি খাতকে দমিয়ে রাখতে একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করে চলেছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এটা একবারও ভাবছে না, যে চীনও একই ধরনের উদ্যোগ নিতে পারে। আর সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি ঠিক কিরকম হতে পারে।

    চিপ নির্মাণ সরঞ্জামের মতো প্রধান প্রধান প্রযুক্তিতে চীনের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই নিষেধাজ্ঞার জবাবে চীনের দুর্লভ ধাতু রপ্তানিতে বিধিনিষেধের পর, এবার ড্রোন রপ্তানিতে চীনের বিধিনিষেধ। যে বিধিনিষেধের আওতায় রয়েছে কয়েক ধরনের ড্রোনের ইঞ্জিন, লেজার, যোগাযোগ সরঞ্জাম ও ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। দেখে নেবেন, এরপর হাহুতাশ করবে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু কুলকিনারা পাবে না। জানেন কেন এতো বড় পদক্ষেপ করলো চীন? বেইজিং বলছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষার  খাতিরে এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। দায়িত্বশীল দেশ হিসেবে বিশ্বে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে এটা করা জরুরি বলে মনে করছে চীন।

    এটা ভুলে গেলে চলবে না চীন বিশ্বের অন্যতম ড্রোন উৎপাদনকারী দেশ। যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের বিভিন্ন বাজারে ড্রোন রপ্তানি করে থাকে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া ড্রোনের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি চীনা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিজেআইয়ের তৈরি। এসব ড্রোনের যথেষ্ট জনপ্রিয়তাও রয়েছে। শুধুই কি তাই? বিভিন্ন সময় রিপোর্ট সামনে এসেছে, যে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া চীনা ড্রোন ব্যবহার করছে। সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপদে ফেলতে গিয়ে চীনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাশিয়াও বিপাকে পড়বে না তো? যদিও, পশ্চিমা মিডিয়ার এমন অভিযোগকে “ভিত্তিহীন” বলে বারংবার উড়িয়ে দিয়েছে বেইজিং। তবে, চীন যাই বলুক। এই সিদ্ধান্ত ভোক্তা পর্যায়েও প্রভাব ফেলবে। এছাড়া সামরিক উদ্দেশ্যে কোনো বেসামরিক ড্রোন রপ্তানি করা যাবে না।

    ফলে বিপাকে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র সহ একাধিক দেশ। যদিও, চীনাভিত্তিক কোম্পানি ডিজেআই বলছে, তাঁরা কখনোই সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য পণ্য বা সরঞ্জাম তৈরি করিনি। কখনোই কোনো দেশে সামরিক সংঘাত বা যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তাদের পণ্য বাজারজাত বা বিক্রি করা হয়নি। কিন্তু, তারপরেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি জগতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের মধ্যে ড্রোন ও ড্রোন সরঞ্জাম রপ্তানির ওপর চীনের এই বিধিনিষেধ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বড় এফেক্ট ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাছাড়া, চীন যদি তাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষার্থে এই ধরনের বৈধ ও যৌক্তিক উদ্যোগ নিতে থাকে, তাহলে তা কতদিন ওয়াশিংটন উপেক্ষা করতে পারবে, সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। এখন দেখার চীনের পাল্টা দিতে কোন পথে হাঁটে যুক্তরাষ্ট্র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India Pakistan: পাকিস্তানের নাকের ডগায় ছড়ি ঘোরাচ্ছে ভারত, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান। ঝোঁকের বশে শাসাল যুক্তরাষ্ট্রকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Pakistan: ভারত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে নিজেদের বিপদ দেখছে পাকিস্তান। ভারত কি সত্যিই সুপার পাওয়ার? নাহলে কেন নয়াদিল্লির ভয়ে কাঁটা ইসলামাবাদ? পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে আমেরিকাকে দিল থ্রেট। পালিয়ে বাঁচার পথ নেই। কিন্তু, কীসের আশঙ্কায় ভুগছে পাকিস্তান? আপত্তি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কি বলল ইসলামাবাদ? আমেরিকা থেকে ভারত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পেলে পাকিস্তান এর জন্য সেটা কতটা রিস্ক ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে? প্রতিরক্ষা খাতে কতটা জোরালো হচ্ছে ভারত যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক? এই প্রথম নয়, এর আগেও এমন নমুনা দেখিয়েছে ইসলামাবাদ। আমেরিকার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্কে মাইলফলক ভারতের, আর গাত্রদাহ পাকিস্তান এর। ভারত আমেরিকার প্রতিরক্ষা চুক্তি পাক-ভারত সম্পর্ককে যে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না, এরমধ্যেই তেমন ইঙ্গিত মিলেওছে।

    এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিরক্ষা বিষয়ক একাধিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তির পর আরও মজবুত হতে চলেছে ভারত আমেরিকার সম্পর্ক। আর এটাই পাকিস্তানের জন্য মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার এই প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্ক নিয়ে অলরেডি যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে পাকিস্তানের। পাকিস্তানের দাবি আমেরিকা যে ভাবে ভারতকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করছে বা করবে বলে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে তা পাকিস্তান এর জন্য খুবই চিন্তার বিষয়। এই ভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ভারতে পৌঁছলে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে বলে দাবি ইসলামাবাদের। এটা একেবারে স্পষ্ট, পাকিস্তানের প্যালপিটিশন বেড়ে গেছে। আর তাই ঝোঁকের বশে বাইডেন প্রশাসনকে এটা কী বলে ফেললো পাকিস্তান?

    জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ করা হয় আমেরিকার সঙ্গে। পাকিস্তানের দাবি ভারত ইচ্ছে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে যাতে, ইসলামাবাদ ভয় পায়। ভারতের এই সিদ্ধান্ত এশিয়া মহাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিস্থাপকতাকে মারাত্মক ভাবে আঘাত হেনেছে। পাকিস্তান বলছে, আমেরিকা থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পেয়ে ভারত যুদ্ধের জন্য উৎসাহী হয়ে উঠতে পারে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে পাকিস্তানের উপর, ইসলামাবাদের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা, নিরাপত্তা প্রশ্ন চিহ্নের মুখে পড়ে যেতে পারে। অসম্ভব হয়ে যাবে ভারতকে শান্ত রাখা, দাবি পাকিস্তানের। বোঝা যাচ্ছে, ভয় পেয়েছে ইসলামাবাদ। আসলে বুঝতে হবে হিসেবটা।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরে বিভিন্ন ধরণের সামরিক ও প্রযুক্তি-ভিত্তিক সম্পর্ক বাড়ানোর চেষ্টা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিষয়ক দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবারের বৈঠকে। সামরিক পর্যায়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে আমেরিকা রীতিমতো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আর ঠিক এই কারণেই টেনশনে ভুগছে পাকিস্তান। কারণ বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন ভারত যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের প্রতিরক্ষা বিষয়ক সম্পর্কে মোদীর এই সফর মাইলফলক হয়ে থাকবে। আর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তির দিকে ভারতের ঝুঁকে পড়ার অর্থ হল এবার পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি যুঝতে হবে। মানে, পাকিস্তানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। যদিও ভারত শান্তিপ্রিয় দেশ। আঘাতের জবাব দেয় মাত্র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Narendra Modi America Visit: একেই বলে মোদী পাওয়ার! ভরে গেল ভারত, যুক্তরাষ্ট্রে ছক্কা হাঁকালো গুজরাট! ক্যাপচার টেসলাকেও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Narendra Modi America Visit: যুক্তরাষ্ট্র সফরে মোদি ম্যাজিক। প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ কি কি পেল ভারত? ‘উই দ্য পিপল’ শব্দবন্ধে জুড়ে থাকা দুটো দেশ আরও কাছাকাছি এলো কিভাবে? কোন কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হলো এই দুই দেশ? কোন কোন ডিলে লাভের মুখ দেখবে ভারত? ছক্কা হাঁকালো গুজরাট, ভারত পাবে টেসলা। আরো চমক আছে, এই তো সবে শুরু। ২০২৫ এ ভারত যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ছাপ পড়বে চাঁদেও। নয়া দিল্লী দ্ধওয়াশিংটনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক হবে আরো জবরদস্ত, ধৈর্য ধরুন। স্পেশাল ইনভিটেশনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক প্রটোকল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফর সেরেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফেস টু ফেস বৈঠকে, মোদী বাইডেন কী পেলেন কী দিলেন? এটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। জেনে রাখুন দুই দেশের মধ্যে একাধিক চুক্তি, সমঝোতা সই ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর, দুদেশের মধ্যে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা সই হয়েছে, তার মধ্যে বেশিরভাগই সামরিক।

    যেমন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জেনারেল মোটর্স সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড মানে হ্যালের সঙ্গে ভারতীয় বিমানবাহিনীর জন্য জেট ইঞ্জিন তৈরি করবে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র অন্য কোনও দেশকে যা দেয়নি। এই জেট ইঞ্জিন ভারতীয় বিমানবাহিনীকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া, তিনটে মার্কিন সেনা কমান্ডে যোগাযোগকারী অফিসার নিয়োগ করবে ভারত। গোয়েন্দা ইনফরমেশন বিনিময় বাড়ানোর জন্য মূলত এই সিদ্ধান্ত। আর? ভারতকে আমেরিকা যাতে ফাস্ট ট্র্যাকে অস্ত্র দিতে পারে সেইজন্য সিনেট ও হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে বিল এনেছেন কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্য। অর্থাৎ, ভারতকে যে আমেরিকা গুরুত্বের তালিকার একেবারে প্রথম দিকে রেখেছে সেটা বলে বুঝিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে, শুধু সামরিক নয়, অন্য এক চুক্তি অনুযায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের চিপ উৎপাদক কোম্পানি মাইক্রন বেছে নিয়েছে গুজরাট কে। হ্যাঁ, গুজরাটে তৈরি হবে চিপ তৈরির কারখানা, তাতে ২৭৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ করা হবে। তাছাড়া, টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক আগেই জানিয়েছিলেন, যত দ্রুত সম্ভব তিনি ভারতে টেসলা গাড়ি তৈরির কারখানা করবেন না, শেষ নয়।

    ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই রাজি। ভারতে দুটো নতুন কনস্যুলেট খোলার প্রক্রিয়া শুরু হবে। একটি আহমেদাবাদে, আরেকটা বেঙ্গালুরুতে। শুধু, পৃথিবী নয়। ২০২৫ এর মধ্যে দুই দেশের ঘনিষ্ঠতার ছাপ পড়বে চাঁদেও। ২০২৫ সালের মধ্যে চাঁদে ফের মানুষ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতও তাতে সামিল হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে ভারতের একজন মহাকাশচারী পাঠাবে তাঁর দেশ। এছাড়া বাণিজ্যিক সম্পর্ক পোক্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে দুই দেশ। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশই বাণিজ্য বাড়াবে! ২০১৪ সালের তুলনায় ২০২২-এ বাণিজ্যের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে। সেটা আরও বাড়ানো হবে সময়ের সাথে সাথে। মোদ্দা কথা, যুক্তরাষ্ট্রে মোদির সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা, সেমিকন্ডাক্টর, খনিজ সম্পদ সহ বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা সইয়ের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সামরিক ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি আদায় করে নিয়েছেন মোদি। যা নিয়ে ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে নমোর প্রশংসার ঝড়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Narendra Modi Joe Biden: ওয়াইনের গ্লাস হাতে চিয়ার্স বললেন মোদী! কোন বিশেষ পানীয়তে চুমুক?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Narendra Modi Joe Biden: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতে ওয়াইনের গ্লাস, অবাক বিশ্ব। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই ছবির সত্যতা জানেন? মোদী-বাইডেনের কাঁচের গ্লাসে ঠিক কোন পানীয় ছিল? মোদীর খাবারের মাঝেই পটেল ওয়াইন করে নিল স্পেশাল জায়গা। মাত্র ১৭ সেকেন্ড এক বোতল বিয়ার শেষ৷ সম্প্রতি এমন কান্ড ঘটিয়ে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তবে এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে ভাইরাল নমো মার্কিন সফরের ছবি, সেই একগুচ্ছ ছবির মধ্যে এই একটা ছবি নিয়ে চলছে নানা কানাঘুষো। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নমোর হাতে ওয়াইনের গ্লাস। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে চিয়ার্স করলেন মোদী। তবে হুবহু সুরার মতো দেখতে সেই পানীয় হলে
    তাতে নেই এক ফোঁটাও অ্যালকোহল মোদী ও বাইডেন দুজনের গ্লাসেই ছিল অ্যালকোহল বর্জিত পানীয় জিঞ্জার এল।

    কি এই জিঞ্জার এল? যা বিশেষ করে ব্যবস্থা করা হয়েছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্য। জানা গিয়েছে মোদীর খাবারের ব্যাপারে বিশেষ নজর ছিল আমেরিকার ফার্স্ট লেডি। প্রধানমন্ত্রী মোদী নিরামিষাশী। সেই কারণেই হোয়াইট হাউসের শেফদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। মোদীর মতো বাইডেন নিরামিষাশী না হলে তিনিও সুরাপান করেন না। তাই ‘Raising a Toast’ অনুষ্ঠানে মোদী-বাইডেনের গ্লাসে ছিল জিঞ্জার এল। জিঞ্জার এল সফট ডিঙ্ক একধরণের সফট ডিঙ্ক্রএতে সোডা মেশানো থাকে। ফ্লেভার হয় আদার অনেকে জিঞ্জার এল শুধুও পান করেন আবার অনেকে অন্য পানীয়তে মিশিয়ে। জানা গিয়েছে মোদী সুরা টাচও করেন না, এই সিদ্ধান্তে সম্মান জানিয়েই জিঞ্জার এলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে তথ্য বলছে অতিথিদের জন্য ছিল পানীয়ের ব্যবস্থা।

    সেখানেই নজর কেড়েছে ‘পটেল রেড ব্লেন্ড ২০১৯’ ওয়াইন। ভারতীয় এক পদবির সাদৃশ্য থাকার কারণে কৌতুহল বাড়ছে। শুনলে অবাকই হতে হয় এই ওয়াইন সংস্থার মালিক সত্যিই এক জন ভারতীয়। রাজ পটেল গুজরাতের ছেলেটার আজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইন কোম্পানির মালিক। জৈবরসায়ন নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে রাজ রবার্ট মন্ডাভি ওয়াইন কারখানায় কাজে যোগ দেন। রাজের ওয়াইন কারখানা ক্যালিফোর্নিয়ার নাপা ভ্যালিতে এই পানীয় দু’টি বিশেষ প্রকারের আঙুরের নির্যাস থেকে তৈরি হয়। ভারতীয় মুদ্রায় এই ওয়াইনের মূল্য প্রায় সাড়ে ছ’হাজার টাকা। রাজের সেই কারখানারই অন্যতম জনপ্রিয় ওয়াইন ‘পটেল রেড ব্লেন্ড’ মোদীর জন্য আয়োজিত নৈশভোজে পরিবেশন করা হয়েছিল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version