Tag: Joe Baiden

  • ভারতের ডিএনএ নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ যুক্তরাষ্ট্র! চীনকে ঠেকাতে অয়েলিং এর স্ট্র্যাটেজি, কোন অস্ত্রে পাকিস্তানকে শায়েস্তা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ভারতকে অয়েলিং বাটারিং করা এইতো সবে শুরু। ভারতের ডিএনএ-তে গণতন্ত্র আছে, প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ যুক্তরাষ্ট্র। জানেন মোদি বাইডের বৈঠকে ঠিক কি কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে? কোন কোন চুক্তিতে আবদ্ধ হলো দুই দেশ? চীনকে ঠুকে ভারতকে কাছে পাওয়ার স্ট্র্যাটেজি। নয়া দিল্লির ব্যালান্সিং পাওয়ার দেখালেন নরেন্দ্র মোদিও। এই না হলে ভারত? এবার আরও শক্তিশালী, বৈচিত্র্যময় মার্কিন-ভারত সম্পর্ক। বাংলাদেশ জায়গা পেল কি? নরেন্দ্র মোদীর যুক্তরাষ্ট্র সফরে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা, সেমিকন্ডাক্টর এবং খনিজ সম্পদ নিয়ে একাধিক চুক্তি ও সমঝোতা হয়েছে।

    বড় কথা বলেছেন বাইডেন। যখন বাংলাদেশের গণতন্ত্র কে বারবার প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলছে যুক্তরাষ্ট্র তখন, ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। “আমেরিকা এবং ভারতের ‘ডিএনএ’র’ মধ্যে গণতন্ত্র রয়েছে” বলেছেন বাইডেন। চীনকে ঠুকে ভারতকে কাছে টানার স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বাইডেনের সাফ কথা ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রর সম্পর্ক যে জায়গায় অবস্থান করছে, চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের বিষয়টা কিন্তু সে রকম নয়। এর মৌলিক কারণ, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারষ্পরিক শ্রদ্ধা হচ্ছে দুই দেশই গণতান্ত্রিক। তাহলে কি কোথাও একটা গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কোন বার্তা দিতে চাইলো। বড় কথা নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রীয় সফর। রাষ্ট্রীয় ডিনারের অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, “দুটো মহান জাতি, দুটো মহান বন্ধু এবং দুটো বড় শক্তি” জবাবে নরেন্দ্র মোদী বাইডেনের প্রশংসা করেছেন বৈকি। বলেছেন, “আপনি মৃদুভাষী, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে আপনি বেশ দৃঢ়”।

    এককথায় দুটো দেশের মধ্যে মিউচুয়াল উন্ডারস্ট্যান্ডিং আরো বেশি দৃঢ় হয়েছে, গভীর হয়েছে। সম্পর্ক আরো পোক্ত ও মজবুত হয়েছে। সবথেকে বড় কথা যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। মোদী তাঁর নয় বছরের শাসনামলে কখনোই এ ধরণের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেননি। যেখানে যৌথ বিবৃতিতে মানবাধিকার, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন-ভিত্তিক নীতির মধ্য দিয়ে আরও শক্তিশালী, বৈচিত্র্যময় মার্কিন-ভারত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষার কথা উঠে এসেছে। জাতিসংঘের রীতিনীতি, আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে বর্তমান যে বিশ্ব ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে সেটাকে সম্মান জানানোর প্রতি জোর দিয়েছে দুই পক্ষই। পাকিস্তানকে কাছে ঘেষতে না দেওয়ার প্ল্যান করে ফেলেছে ভারত। মিয়ানমার ও উত্তর কোরিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে জঙ্গি হামলার ক্ষেত্র হিসেবে যেন ব্যবহার না করা হয় সে বিষয়ে জোর দেয়া হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে।

    আল-কায়েদা, আইসিস, লস্কর-এ-তাইয়েবার মতো জাতিসংঘের তালিকাভুক্ত জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের বিষয়ে জোর দেয়া হয়েছে। এছাড়া আফগানিস্তানকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং স্থিতিশীল করার ব্যাপারে সমর্থন জানিয়েছেন জো বাইডেন ও নরেন্দ্র মোদী। আর যুদ্ধ? যে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে ভারত শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে, সেই যুদ্ধ নিয়ে কি কথা হলো? ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে যুদ্ধের কারণে বিশ্ব যেভাবে আক্রান্ত হচ্ছে তা থেকে উত্তরণের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। অবশ্যই, বিভিন্ন ধরণের সামরিক ও প্রযুক্তি-ভিত্তিক সম্পর্ক বাড়ানোর পাশাপাশি সামরিক জোট কোয়াডকে আরও কার্যকরী করে গড়ে তোলার ব্যাপারে একমত হয়েছে দুই দেশ। প্রতিরক্ষা বিষয়ক দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে এবারের বৈঠকে। সামরিক পর্যায়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা পরমাণু বিদ্যা সংযোজনের পাশাপাশি ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে আমেরিকার সহযোগিতার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

    বলতেই হচ্ছে, মোদীর এই যুক্তরাষ্ট্র সফর অতীতের সব সফরগুলোর চেয়ে ভিন্ন, আলাদা। কেন? কারণ, এটা ভারতীয় অংশীদারদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও গভীর, প্রসারিত ও শক্তিশালী করার সফর। কিন্তু, কেন ভারতকে হাতে রাখতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র? বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ, নিরাপদ, স্থিতিশীল ও অভিঘাত সহনশীল বিশ্ব ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য ভারতের অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় আমেরিকা। বলেই তো দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখ্য উপমুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মার্কিনবাসীদের হৃদয় জিতলেন মোদী, কারনটা কী?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ক্রিকেট-কূটনীতি দিয়ে মার্কিনবাসীদের হৃদয় জিতলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চলতি বছরের শেষের দিকে পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ বসতে চলছে ভারতের মাটিতে। সেই টুর্নামেন্টে আমেরিকা অংশ নেবে, এমনটাই আশাপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলুক বাইডেনের দেশ, এমনটাই চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদী blechen, বেসবলের প্রতি ভালবাসা রয়েছে আমেরিকার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তবুও জনপ্রিয় হচ্ছে ক্রিকেট। আমেরিকার ক্রিকেট দল ভারতের মাটিতে হতে চলা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্যতা পর্বের ম্যাচ খেলছে। আমার শুভেচ্ছা রইল। জো বাইডেনের ডাকা নৈশভোজে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেট দলকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ভারতের বিরুদ্ধে চিনকে উস্কে দিচ্ছে আমেরিকা! ন্যাটো প্রত্যাখ্যানের বদলা নয় তো?

    ।। সুচিত্রা রায় চৌধুরী ।।

    ন্যাটোকে প্রত্যাখ্যান বলে মোদী সফরেই বড় গেম যুক্তরাষ্ট্রের। আমেরিকা কি ভারতের বিরুদ্ধে আরও উস্কে দিচ্ছে বেজিংকে? এমনটা হলে দিল্লিকে ভাবতে হবে। মোদীকে পাশে পেতে চিনকে নিয়ে কেন বড় ঘোষণা বাইডেন? নমো-বাইডেন নৈশভোজে বদলে গেল অনেক অঙ্ক। আমেরিকার তালে তাল মেলাবে ভারত৷ এই ভুল ধারণাটা এখন ছেড়ে দিক ওয়াশিংটন। ্প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একটা ডিনার এই সময়টারই তো অপেক্ষা করছিল বোধহয় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রকে যেভাবে এই কয়েকদিনে ভিলেন বানিয়েছে চিন এবার এল তার মোক্ষম জবাব বা বদলা।

    কিন্তু এখনই কেন? আমেরিকার এই আগ্রাসন কি ভারতকে বিপদে ফেলতে পারে? অনেকেই এই প্রশ্নটা তুলছেন। নমোর এই সফর কূটনৈতিকভাবে মারাত্মক ইমপরটেন্ট৷ অনেক রিস্ক অনেক ইকুয়েশন। চিনকে নিয়ে একেবারে সোজাসাপটা কড়া বিদেশনীতির রয়েছে দিল্লির। কিন্তু মনে রাখতে হবে বেজিংকে উস্কে দেওয়ার মতো কোনও মন্তব্য ভারত করে না। আমেরিকা যেটা করল সেটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না তো? এক্ষেত্রে অনেকেরই মত একেবারেই নয়, উচিত জবাব দেওয়া হয়েছে। আমেরিকার হুমকির পরই ওপাশ থেকে গর্জে উঠল ড্রাগনের দেশ। আইরিশ কবি উইলিয়ম বাটলর ইয়টসের অনুবাদ করা উপনিষদ। মাইসুরুর বিখ্যাত চন্দনকাঠের তৈরি একটি বাক্সে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডির জন্য ছিল সাড়ে ৭ ক্যারাটের সবুজ হিরে। দেশের অর্থ ধ্বংস করছেন মোদী সরকার এমনটা বলে যারা তেড়ে আসবেন তাদের জন্য বলে রাখি এই হিরেটি খনি থেকে মেলেনি পরীক্ষাগারে সৌরশক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম পদ্ধতিতে বানানো হয়েছে। এটি পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তাবাহী। এর মাঝেই এল বিস্ফোরক খবর৷ ভারত হুড়োহুড়ি করে কোনও প্রতিক্রিয়া দেবে না। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিনকে স্বৈরাচারি শাসক বলে পার্সোনাল টার্গেট করেছেন জো বাইডেন। তাহলে কি ধরে নিতে হয় সম্প্রতি ব্লিঙ্কনের বেজিং যাওয়ার পর এমন কিছু আচরণ বা মন্তব্য করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যার প্রতিশোধ আসলে এখন তুললেন বাইডেন।

    শুধু মাত্র এটাই নয় চিনের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও আক্রমণ শানালেন বাইডেন। চিনের সঙ্গে আমেরিকার মুখোমুখি বৈঠক হয়েছে বেজিংয়ের মাটিতে। তাইওয়ানের স্বাধীনতা নিয়ে অদ্ভুত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রকে। কূটনীতিকদের মত ছিল এটা যেন চিনকে তাইওয়ান আক্রমণের চাবিকাঠি তুলে দিল আমেরিকা। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কেন এখন চিনকে নিয়ে এমন আক্রমণ? যখন সেদেশে উপস্থিত চিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের প্রধানমন্ত্রী খুব সুক্ষ্ম কূটনৈতিক গেম খেলছে আমেরিকা। বাইডেন বলেছেন চিন এখনও গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকার এধরণের মন্তব্য করা মানে বিশ্বের সামনে রীতিমত চিনের মুখোশ খুলে দেওয়া হল। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের একাংশ এখানে অন্য গন্ধ পাচ্ছে। তারা বলছেন নমোর ওয়াশিংটন সফর কালে চিনকে আক্রমণ এটা কিন্তু বেজিং অন্য চোখে দেখবে। আর সেখানেই কি ভারতের প্রতি চিনের আগ্রাসন আরও বেড়ে যেতে পারে? আর আমেরিকা কি ঘুরপথে এভাবেই ভারতের সঙ্গে রাশিয়া ঘনিষ্ঠতার বদলা নেবে? নাকি ভারত ন্যাটোকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করল বলে এটা তার বদলা।

    এর আশঙ্কা বা সম্ভাবনা খুব কম হলেও এটা কিন্তু উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ আমেরিকায় যাওয়ার পর ভারতের তরফ থেকে কিন্তু চিনকে কোনও ধরণের বার্তা দেওয়া হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এক্ষেত্রে দিল্লি এতটা ফাস্ট ফরোয়ার্ড প্রতিক্রিয়া দেবেও না। সবটা সমঝে বুঝে ঠান্ডা মাথায় তবেই পা ফেলা হচ্ছে। কিন্তু আমেরিকার হুঁশিয়ারি পেতেই পাল্টা চিনও ভড়কে গেল। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এই মন্তব্য খুবই অযৌক্তিক এবং এটা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয় সরাসরি মন্তব্য করলেন চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং। কূটনীতিবিদরা বলছেন আমেরিকা-চিন দ্বন্দ্বে আগেও কোনওদিনও ঢোকেনি দিল্লি এবারও ঢুকবে না এটা বাজি রেখে বলা যায়। চিনের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত নিয়ে যে উত্তেজনা রয়েছে সেটা কন্ট্রোল করতে ভারত একাই একশ। আগেও জানানো হয়েছিল মনে করে দেখুন ন্যাটো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের জোরাজুরি এমনই উত্তর দিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। তাই নমোর এই সফরে আগে আগে হোতা হ্যায় ক্যা৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India United States: ভারতের কাঁধে বন্দুক রেখেই চীনকে শায়েস্তা করার মতলব যুক্তরাষ্ট্রের!ওয়াশিংটন-দিল্লির বন্ধুত্ব কি স্বার্থের খেলা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India United States: ভারতের কাঁধে ভর করেই স্বার্থ হাসিল করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। মোদীর আসন্ন ওয়াশিংটন সফরে যুক্তরাষ্ট্রের পালে হাওয়া লাগার চান্স কতটা? মোদী-বাইডেন আসন্ন বৈঠক কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? দ্বিপাক্ষিক আলোচোনার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পাবে? কোন কারনে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে সর্বশক্তি নিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? কিভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অপরিহার্য হয়ে উঠলো ভারত? দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় করতে এই সফরকে ভারতের ‘মাইলস্টোন মোমেন্ট’ বলার কারণ কী? সত্যিই কি ওয়াশিংটন-দিল্লির বন্ধুত্ব অভিন্ন আদর্শের নয়? শুধুই কি স্বার্থের খেলা? চীনকে শায়েস্তা করতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তুরুপের তাস “ভারতবর্ষ”।

    ২১ থেকে ২৩শে জুন, আমেরিকায় নরেন্দ্র মোদীর তিন দিনব্যাপী এই সফরের দিকে শুধু ভারত বা আমেরিকার নয়, নজর গোটা আন্তর্জাতিক বিশ্বেরই। কেন? ইক্যুয়েশনটা বুঝতে হবে। আমেরিকার কাছে ভারত আজ অপরিহার্য। আর তারই প্রতিফলন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওয়াশিংটন সফর। বিষয়টাকে কিভাবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা? বুঝিয়ে বলছি, যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক শত্রু চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক মোটেই ভালো নয়। তাই, চীনকে ঠেকাতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের ভারতকে দরকার। চীনকে প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের মূল্য অনেক। কারণ, এশিয়ায় ভারত একটি বৃহৎ শক্তি। ভারতের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ রয়েছে, ভারতের সঙ্গে চীনের একটি বিস্তৃত স্থলসীমান্ত রয়েছে। তাই, ভারতকে যুক্তরাষ্ট্র শুধুই স্বার্থ অর্জনের সহযোগী শক্তি হিসেবে দেখছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টও মন্তব্য করেছে, চীনের বিরুদ্ধে একটি ‘প্রতিরোধ’ গড়ে তোলার জন্য ভারত আজ আমেরিকার কাছে যতটা জরুরি, ততটা আগে কখনোই ছিল না। ফলে, মোদির এই সফর ধারে ও ভারে তাঁর আগেকার সফরগুলোর চেয়ে অনেক বেশি ওজনদার ও গুরুত্বপূর্ণ।

    শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ভারতের কাছেও এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা ফ্যাক্টর। তাই, দিল্লি ও ওয়াশিংটনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই সফরকে ভারত যে একটি ‘মাইলস্টোন মোমেন্ট’ বলে বর্ণনা করছে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কেন গুরুত্বপূর্ণ? আসলে, চীনকে ঠেকাতে তলে তলে জবরদস্ত প্ল্যানিং চালাচ্ছে ভারত। সে ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মোটিভ ও অনেকটাই এক। তাছাড়া, ভারতের কাছে যুক্তরাষ্ট্র এমনিতেও গুরুত্বপূর্ণ; কারণ, যুক্তরাষ্ট্র অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, শিক্ষা ও বিনিয়োগের একটি বিশাল উৎস। মস্কোর সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক ভালো আছে ঠিকই কিন্তু রাশিয়ার অস্ত্রের গুণমানহীনতা ও তা প্রাপ্তির অনিশ্চয়তার মানে হলো, ভারত অস্ত্র কেনার বিষয়ে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি পশ্চিমাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।

    সেক্ষেত্রে, দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এবার যে ৩ টে বিষয় প্রাধান্য পাবে তার মধ্যেও উল্লেখযোগ্য প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা এছাড়াও রয়েছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছেযে সব বিষয়ে সমঝোতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তার মধ্যে একটি ১৮০ কোটি ডলারের ১৮টি প্রিডেটর-বি আর্মড ড্রোন ক্রয় সংক্রান্ত চুক্তি। আমেরিকার তৈরি এই ড্রোনগুলো দুর্গম সীমান্ত বা সামুদ্রিক এলাকায় দূর পাল্লাতেও নিখুঁত লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে এবং নজরদারি চালাতে পারে। পাশাপাশি যৌথভাবে ফাইটার জেট ইঞ্জিন বানানোর জন্য দুই দেশের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হতে পারে। এই চুক্তি সম্পাদিত হলে ম্যাসাচুসেটসের এ্যারোস্পেস ম্যানুফ্যাকচারিং জায়ান্ট জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত হিন্দুস্থান এরোনটিকস লিমিটেডের সঙ্গে মিলে তেজস লাইট এয়ারক্র্যাফটের ইঞ্জিন বানাতে পারবে।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারতের সঙ্গে আমেরিকা এই সব প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে মরিয়া বলেই ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভূমিকা নিয়ে মোদীর সফরে যুক্তরাষ্ট্র নীরব থাকবে। তাছাড়া, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে রাজনৈতিক স্তরে ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার একটা প্রভাব অবশ্যই এই সফরে পড়বে এবং নরেন্দ্র মোদী ও জো বাইডেনের মধ্যে ব্যক্তিগত স্তরেও একটা ‘লিডারশিপ কানেক্ট’ গড়ে উঠবে বলে আশা করা যাচ্ছে। চারিদিকে একটাই কথা বলা বলি হচ্ছে, লেখা লিখি চলছে, এই সফরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই সর্বশক্তিতে চেষ্টা করতে হবে। হ্যাঁ, যুক্তরাষ্ট্র তৈরি। জানেন? আগামী ২২শে জুন মোদী আমেরিকায় এমন একটি বিরল সম্মান পেতে চলেছেন, যা তাঁকে প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব উইনস্টন চার্চিল বা নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে এক কাতারে বসিয়ে দেবে। ওই দিনই দুপুরে মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে দ্বিতীয়বারের মতো ভাষণ দেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী মোদীর। যে গৌরব চার্চিল, ম্যান্ডেলা বা হাল আমলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ছাড়া আর কেউই পাননি। শুধু তাই নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের আমন্ত্রণে মোদীর এই সফরে তাঁকে একাধিকবার হোয়াইট হাউসে আপ্যায়িত করা হবে। আপাতত, এতটুকুই। বাকি চিত্রটা সময়ের সাথে সাথে আরও পরিষ্কার হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • America China: যুক্তরাষ্ট্র কতটা সেফ? চীনের আড়ি পাতার ছক নিয়ে তোলপাড় শুরু

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    America China: সাবধান, চীন কিন্তু আড়ি পাতছে! যুক্তরাষ্ট্রের উপর গোয়েন্দাগিরি চালাচ্ছে ড্রাগনের দেশ। তথ্য সংগ্রহের সুযোগ-সুবিধাকে আরো বেশি ডেভেলপ করছে। আড়ি পাতার জন্য কিউবায় এটা কি তৈরি করছে চীন? চীনকে চীনের ভাষায় জবাব দিতে পারবে কি যুক্তরাষ্ট্র? ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটা প্রতিবেদন ঘিরেই যত তোলপাড়। কি বলছে যুক্তরাষ্ট্র? কি বলছে কিউবা? চীন কিন্তু চুপ করে বসে নেই। চীনা গুপ্তচর বেলুনের পর এবার আড়ি পাতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেধে গেল হলুস্থুল কান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ চীন। এই দুই দেশের মাঝে অঘোষিত শীতল যুদ্ধে জড়িয়ে যাচ্ছে কিউবার নাম। কিভাবে? “কিউবা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নজরদারি করছে চীন, অভিযোগ ওয়াশিংটনের” কিউবাকে ঘিরে চীনের গোয়েন্দাগিরির নতুন চেষ্টা নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছিল।

    কি ছিল এই প্রতিবেদনে?

    ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ফ্লোরিডা থেকে মাত্র ১৬০ কিমি দূরে অবস্থিত দ্বীপ দেশটিতে একটা ইলেকট্রনিক ইভসড্রপিং কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। ইভসড্রপিং মানে আড়ি পাতা। এমনকি বৈদ্যুতিন মাধ্যমে আড়িপাতার জন্য কিউবায় অবকাঠামো নির্মাণে গোপন চুক্তিও নাকি সেরে ফেলেছে চীন, জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এই ধরনের গুপ্তচর স্থাপনা তৈরি হলে দক্ষিণ-পূর্ব যুক্তরাষ্ট্র থেকে বৈদ্যুতিন মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করার সক্ষমতা চীনের হাতে চলে আসবে। ঠিক শুনছেন, মারাত্মক দাবি করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এই প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত নয়। তারা কি বলছে সেটাও কিন্তু যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাইডেন প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা বলছেন ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে যেভাবে বিষয়টিকে তুলে ধরা হয়েছে, তার সঙ্গে তাদের বোঝাপোড়া মিলছে না। তাঁর দাবি, জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই চীন বিশ্বব্যাপী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ওপর জোর দিয়েছে। চীনের আড়িপাতা নতুন কোনো খবর নয়, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১৯ সালে কিউবায় চীন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সরঞ্জামের উন্নয়ন ঘটিয়েছে এবং ওই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ গোয়েন্দা তথ্য আছে।

    অন্যদিকে, কিউবা সরকারও ওই প্রতিবেদনের ব্যাপারে ঘোরতর সন্দেহ প্রকাশ করেছে। কিউবার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই প্রতিবেদনকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। আর চীন? চীন বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত ‘গুজব ও অপবাদ ছড়ানোর পাশাপাশি পরনিন্দার’ চেষ্টা হিসেবে দেখছে। পাল্টা যুক্তরাষ্ট্রকেই ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী হ্যাকার’ হিসেবে দেগে দিয়েছে চীন। অতএব, অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের খেলা শুরু হয়ে গেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় ‘চীনের নজরদারি বেলুন’ শনাক্ত ও ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছিল। তখনও, ওই ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরী হয়েছিলো। সেই উত্তেজনা নিরসনে দু পক্ষই সম্প্রতি উদ্যোগী হয়েছে।

    আগামী ১৮ জুন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের চীন সফরে যাওয়ার পরিকল্পনার রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। ঠিক এই পরিস্থিতিতে চীনের বিরুদ্ধে আড়ি পাতার অভিযোগ তুলল যুক্তরাষ্ট্র। ফলে এবার জল কোন দিকে গড়ায় সেটাই দেখার অপেক্ষা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India Bangladesh: বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের বড় বার্তা! যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কী আলোচনা? মোদীর সফর দেবে স্বস্তি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India Bangladesh: বাংলাদেশ ভাবতেও পারেনি এত বড় সাহায্য করতে চলেছে ভারত বড় খবর! নরেন্দ্র মোদী আমেরিকার সঙ্গে কথা বলবেন বাংলাদেশ নিয়ে। অজিত ডোভালের ডিপার্মেন্টের বড় ভূমিকা, কী হতে চলেছে নির্বাচনের আগে বড় স্বস্তি পেতেও পারে শেখ হাসিনার দেশ। গোটা ইকুয়েশনের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে চিন৷ কীভাবে বুঝুন৷

    এই প্রথম নয় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নাক গলাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৪ কি ঘটেছিল জানেন? বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের ওপর চাপ প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এখানে হতে পারে বড়সড় লস। ভারত ঠিক মধ্যস্থতাকারীর কাজ করবে? নাকি আরও বড় কিছু, শেখ হাসিনার সরকার তৈরি হোক হয়ত চায় না আমেরিকা এমনটা বিবিসির সাক্ষাৎকারে নিজের মুখে বলেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। আমেরিকার নতুন ভিসা নীতি নিয়ে বাংলাদেশ সরগরম। শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য পৃথক ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে বাইডেন প্রশাসন। তবে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ যখন ভারত আর ভারতের সঙ্গে যখন এতটাই ঘনিষ্ঠতা আমেরিকার নির্বাচনের আগে একটা সুযোগ মিস করতে চাইছে না আওয়ামী লিগ সরকার। বাংলাদেশের অস্বস্তি এবার বদলে যেতে পারে স্বস্তিতে। কারণ ভারত জানিয়ে দিল তারা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াবে। কিন্তু এতে ভারতের স্বার্থ কি? বিশেষজ্ঞরা বলছেন খুব সুক্ষ্ম কূটনীতি জড়িয়ে রয়েছে গোটা বিষয়ে কোনও দেশই তার বিদেশনীতি রাতারাতি বদলায় না। কিছু সূক্ষ্ম তারতম্য ঘটায় মাত্র। বাংলাদেশকে চটালে যুক্তরাষ্ট্রের কি কোনও বড় ক্ষতি হতে পারে? ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় মার্কিন প্রভাব ক্ষুন্ন হবে? রিস্ক রয়েছে আরও গভীরে চোখে আঙুল দিয়ে সত্যতা আমেরিকাকে দেখাবে দিল্লিই।

    ২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে আমেরিকা এর আগে বিবৃতি দিয়ে ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশে কোনও রকম হিংসা, মানবাধিকার লঙ্ঘন সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হলে তারা বরদাস্ত করবে না। তবে এবারের নির্বাচনের আগে কঠোর সিদ্ধান্ত সরাসরি কোপ ভিসানীতিতে। জানা যাচ্ছে ১৯ জুন মোদীর সফরই হতে পারে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ। আনন্দবাজারের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে শীর্ষ কূটনৈতিক সূত্রের খবর বাংলাদেশের টানাপোড়েন নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কথা বলার পক্ষপাতী ভারতের সাউথ ব্লক। প্রকাশ্যে যদিওবা এমন কোনও ইঙ্গিত দিল্লি দেয়নি, বরং ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল অন্য কোনও রাষ্ট্রের ভোট নিয়ে শেষ কথা বলবেন একমাত্র সেই দেশের মানুষ তাতে নাক গলানোর প্রশ্ন নেই। কিন্তু এখানেই কি রয়েছে গোপন বোঝাপড়া?

    কূটনৈতিক সূত্রের খবর, এর আগেও ভারত এই ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশেই দাঁড়িয়েছিল৷ এবারও তাই হতে চলেছে। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের দফতর থেকে ঢাকাকে জানানো হয়েছে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসনের গুরুত্বের দিকটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আসন্ন ওয়াশিংটন সফরে তুলে ধরা হবে। গত মাসে জাপানের হিরোশিমায় জি-৭ শীর্ষ বৈঠকেই বাংলাদেশের প্রসঙ্গ তোলার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সময়ের স্বল্পতার কারণে তখন তা সম্ভব হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছে, আমেরিকাকে কার্যত এখন থেকেই সতর্ক করতে চাইছে ভারত৷ নয়াদিল্লি আমেরিকাকে বলতে চায় ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের গুরুত্ব যথেষ্ট সেখানে এখন এমন কিছু করা আমেরিকার বাঞ্ছনীয় নয় যাতে সে দেশে মৌলবাদী, কট্টরপন্থী, সন্ত্রাসবাদীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা যায়। তাতে হিতে বিপরীত পারে৷ নয়াদিল্লি এ কথাও ওয়াশিংটনকে বলতে চায় যে, বাংলাদেশে এমন কিছু করা উচিত হবে না যাতে আওয়ামী লীগ সরকার চিনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। আর এই খবর না আমেরিকার জন্য ভালো হবে আর ভারতের জন্য তো নয়ই। এমনতেই যুক্তরাষ্ট্রের থেকে চিনের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের সম্পর্ক গভীর।

    এক্ষেত্রে একটা পয়েন্ট বিশেষ উল্লেখ করে দিতেই হয়। সম্প্রতি ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে ঘিরে হাসিনা সরকার ১৫ দফা রূপরেখা ঘোষণা করেছে। সেখানে ভারতের অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই ওই অঞ্চলের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উদার, শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং অন্তর্ভূক্তিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথাই বলা হয়েছে। আগেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছিল ভারত এসব বিষয়ের ওপর নজর রাখছে৷ তবে এবার প্রতিবেশী দেশের জন্য অ্যাকশন নিতে পিছুপা হবে না ভারত৷ এবার দেখার এর ফলাফল কতটা ইতিবাচক হয়৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Narendra Modi: নমোর সফরে বড় লাভ যুক্তরাষ্ট্রের! প্রবাসী অঙ্কেই বাজিমাত, ‘মোদীথালি’ নিয়ে গ্র্যান্ড ওয়েলকাম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    নরেন্দ্র মোদীকে আমেরিকায় আমন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের মাস্টারস্ট্রোক কেন জানেন? এত বিশ্বনেতা থাকতে মোদীই কেন? প্রবাসীদের কোন অঙ্ক বাজিমাত করবে? নমোর জন্য প্রস্তুত করা হল মোদীথালি। বাংলাদেশকে চোখে আঙুল দিতে দেখাতেই কি আমেরিকার এত বড় সিদ্ধান্ত নিল? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরকে ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কার্যত বড়সড় প্রস্তুতি। এত জাঁকজমক বর্তমানে কাঁটা হচ্ছে বেশ কিছু দেশের বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও বিগড়ে যাচ্ছে আমেরিকার আর ঢাকাকে দেখাতেই কি নমোর জন্য এত আয়োজন?

    কূটনৈতিক মহলের এক অংশ তুলছে এমনই প্রশ্ন৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন মোদীকে ডেকে আসলে অনেক বড় লাভের ফসল ঘরে তুলবে বাইডেন সরকার। ডোনাল্ড  ট্রাম্প থাকাকালীন হাইউি মোদীর মতো এবারও রীতিমত উচ্ছসিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী ভারতীয়রা। কূটনৈতিক মহল বলছে প্রবাসীদের এই উচ্ছাসে লুকিয়ে রয়েছে আসল চাবিকাঠি। আপনিই বলুন না বিশ্বে এত তাবড় তাবড় জননেতা থাকতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই কেন বেছে নেওয়া হল? জি-৭ সম্মেলনে জাপানে গিয়ে আসলে ধরা পড়েছিল ‘হাগ ডিপ্লম‌্যাসি’ বা ‘আলিঙ্গন কূটনীতি’র ছবি দেখামাত্রই নমোকে জড়িয়ে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এমনকি অটোগ্রাফও চেয়েছিলেন। জিওপলিটিক্সে ঘটা সব ঘটনার নেপথ্যেই থাকে বিশেষ কারণ।

    কূটনীতিবিদরা বলছেন যুক্তরাষ্ট্রে যত দেশের অভিবাসীরা থাকেন তাদের মধ্যে ভারতীয়-আমেরিকানদেরই গড়পড়তা আয় সবচেয়ে বেশি এরা মার্কিন এবং ভারতীয় রাজনৈতিক দলগুলোকে বিরাট অংকের চাঁদা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ভোটার এবং প্রার্থী হিসেবে ভারতীয়-আমেরিকানরা বড় ভূমিকা পালন করছে। ২০১৯ সালে চালানো এক জরিপে দেখা গিয়েছিল, অন্যান্য এশিয়ান-আমেরিকানদের তুলনায় ভারতীয় সম্প্রদায়ই ব্যক্তিগতভাবে ডেমোক্রেটিক প্রার্থীদের সবচেয়ে বেশি চাঁদা দিয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের শাসক দল সবসময়ই চায় তাদেরকে ধরে রাখতে৷ জলন্ত উদাহরণ দেখুন সম্প্রতি রাহুল গান্ধীও গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে তাঁকে দেখার জন্য অতটা উন্মাদনা তৈরি হয়নি প্রবাসীদের মধ্যে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে মারাত্মক জনপ্রিয়। তাই তো এখন থেকে মোদীর কি কি খাবেন না খাবেন তার জন্য মোদীথালিও তৈরি করা হয়ে গিয়েছে।

    অনেক ভেবেচিন্তে মেনু ঠিক করেছেন শেফ কুলকার্নি। এক থালিতে এক টুকরো ভারতকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন তিনি। খিচুরি, কাশ্মীরি দম আলু, ধোকলা, সরসোঁ কা সাগ, ইডলি, রসগোল্লা, দইয়ের ঘোল
    কি নেই সেই থালিতে। আর এর থেকে বোঝা যাচ্ছে এবার প্রবাসী ভারতীয়রা ঠিক কতটা আপ্লুত মোদীর এই সফর ঘিরে। এমনকি ওয়াশিংটন-ভিত্তিক গবেষণা সংস্থা কার্নেগী এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের গবেষক মিলান বৈঞ্চব বলছেন প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে মোদীর আবেদন রীতিমত একজন রক-তারকার মতো। কিন্তু এতে ভারত বা ভারতীয় রাজনৈতিকদের লাভ কি? প্রবাসীরা তো ভারতে ভোটও দেয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন বড় লাভ আছে। ভারতীয়-আমেরিকানরা তাদের ফেলে আসা মাতৃভূমির সঙ্গে একটা গভীর পারিবারিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। গত বছর এই প্রবাসী ভারতীয়রা ১০৮ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছে ভারতে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভারতীয় তরুণরা দেশের সঙ্গে একটা সম্পর্কও রাখতে চায়। সব মিলিয়ে লাভটা দুপক্ষেরই৷ এবার আমেরিকা সফরে গিয়ে কোন কোন ম্যাজিক দেখায় নমোর জনপ্রিয়তা সেটাই দেখার৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • India America: ভারতই আশা ভরসা! চিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন স্ট্র্যাটেজি। ভাববেন, তলে তলে এতো?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    India America: মোদিতেই কি ড্রাগন বধের অস্ত্র খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র? চিনকে কোণঠাসা করতে একমাত্র ভরসা কি ভারত? আমেরিকা সফরে বাইডেনের সঙ্গে কোন কোন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে মোদির? প্রায়োরিটি পাবে কোন টপিক? কি জানালো হোয়াইট হাউস? স্বার্থ হাসিল করতে আমেরিকার শয়নে স্বপনে শুধুই ভারত। মোদি বাইডেন, দুই রাষ্ট্র প্রধানের মুখোমুখি বৈঠকে চীন কি সত্যিই চাপে পড়তে চলেছে?

    আমেরিকা এবং ভারতের মধ্যে বোঝাপড়া আরও জোরদার করতে আলোচনায় বসবেন মোদি বাইডেন। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকাকে অবাধ এবং মুক্ত রাখার উদ্দেশ্যে কি পদক্ষেপ করা যায় সেটাই হবে আলোচনার ফার্স্ট প্রায়োরিটি। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্র নিয়েও হবে কথাবার্তা। এমনকি প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বের টপিক ও উঠে আসবে আলোচনায়। অতএব বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মোদি বাইডেনের এই বৈঠক অবশ্যই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। বিশেষ করে বুঝতে হবে যে কখন এই বৈঠকটা হচ্ছে। যখন কিনা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ভারত ‘নিরপেক্ষ’ ভূমিকা পালন করছে। এমনকি, আমেরিকার আপত্তি সত্ত্বেও ভারত ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে যাচ্ছে।

    কিন্তু, এরপরেও ভারতকে কাছে পেতে মরিয়া আমেরিকা। কেন? অঙ্ক আছে, স্বার্থ আছে উদ্বেগ উস্কে দিয়ে ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিন ক্রমেই আগ্রাসী হয়ে উঠছে। ওই অঞ্চলে চীনের প্রভাব বিস্তার এর কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থ রিস্কে পড়ে যাচ্ছে। তাই, চীনকে রুখতে যুক্তরাষ্ট্রের যত আয়োজন। ভারতই তো সম্বল। ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলকে উন্মুক্ত, সমৃদ্ধশালী ও সুরক্ষিত করতে ভারতকেই প্রয়োজন আমেরিকার। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই চাইবে নিজেদের রাস্তা পরিষ্কার করতে। আর, সেক্ষেত্রে ভারতই যুক্তরাষ্ট্রের আশার আলো। না, আর কি কি নিয়ে আলোচনা হবে, সেই বিষয়ে এখনই জানাতে চাইছে না হোয়াইট হাউস।

    চলতি মাসের ২১ তারিখেই তিন দিনের সফরে আমেরিকা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আমেরিকার সংসদের যৌথ অধিবেশনে বক্তব্য রাখবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। যোগ দেবেন বাইডেন এবং তাঁর পত্নী জিল বাইডেন আয়োজিত নৈশভোজের আসরেও। বাইডেন প্রশাসন সূত্রের খবর, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে আমেরিকার সংসদে দ্বিতীয় বারের জন্য বক্তব্য রাখতে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • USA India Germany: স্বার্থ হাসিল করতে জার্মানি যুক্তরাষ্ট্রের নয়া চাল! ভারত রাশিয়ার বন্ধুত্ব টিকবে তো?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    USA India Germany: অত্যাধুনিক মডেলের সব অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে জোরদার আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরিতে রাজি হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের পাশে দাঁড়াতে দু পা তুলে রাজি জার্মানিও। কোন স্বার্থ হাসিল করতে ভারতকে নিয়ে ছক কষছে যুক্তরাষ্ট্র জার্মানি? ভারত রাশিয়ার মাঝে কি দেওয়াল তোলার প্ল্যান পশ্চিমা বিশ্বের? আদৌ কি যুক্তরাষ্ট্র জার্মানির উদ্দেশ্য সফল হবে? ঘুঁটি সাজাচ্ছে ভারত ও। চলতি বছরের শুরুতে হোয়াইট হাউস জানিয়েছিল, তারা ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরির আবেদন পেয়েছে।

    আর, এবার বাইডেন প্রশাসন জেনারেল ইলেকট্রিকস মানে জিই কে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরির অনুমতি দিল। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের সঙ্গে জিই যৌথভাবে ওই যুদ্ধবিমানের জন্য ইঞ্জিন তৈরি করবে। জিই এফ৪১৪ ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতে। গত প্রায় এক দশক ধরে এই নিয়ে আলোচনা চলছিল। অবশেষে জানা যাচ্ছে, মোদীর আসন্ন ওয়াশিংটন সফরের সময় এই নিয়ে ডিল ফাইনাল হবে। জানিয়ে রাখি, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন এখন ভারত সফর করছেন। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে অস্টিনের বৈঠক হয়েছে। সেখানেই এই বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।

    কোন কোন বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে? দুই প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বৈঠকে। হাইপারসনিক অস্ত্র, আন্ডারওয়াটার ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস সহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এশিয়া-প্যাসিফিকের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ডিটেইলে কথাবার্তা হয়েছে। আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে চীন, পাকিস্তান ইস্যুও। আর এখানেই ভারত নিজের ভালো মন্দ বুঝে মেপে পা ফেলার স্ট্র্যাটেজি টা নিয়েছে। ভারত স্পষ্ট করে জানিয়েে দিয়েছে চীন ও পাকিস্তান কখনও বিশ্বস্ত বন্ধু হতে পারে না। তাই তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যেন কোনো প্রতিরক্ষা সমঝোতা না করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চীন নিয়ে ভারত খুব উদ্বিগ্ন তাই আগেভাগেই নিজেদের স্ট্যান্ড পয়েন্ট পরিষ্কার করে দিয়েছে ভারত। তবে, শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়। জার্মানিও ভারতের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতকে যুদ্ধজাহাজ দেওয়ার কথাও বলেছেন জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    কিন্তু কেন? কোন স্বার্থ হাসিল করতে জার্মানির এই সিদ্ধান্ত? দেখুন, গত বেশ কয়েক দশক ধরে অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে ভারত খুব বেশি করে রাশিয়ার উপর নির্ভরশীল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। ভারতে অস্ত্র বিক্রি করা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো উৎসাহ দেখাচ্ছে। জার্মানি ভারতকে যুদ্ধবিমান, সাবমেরিন দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। অ্যামেরিকা ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরিতে রাজি হয়েছে। আসলে, ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা দেশগুলো চাইছে, রাশিয়ার প্রতি অস্ত্র-নির্ভরতা কম করুক ভারত। হ্যাঁ জার্মানি তো বলেই দিয়েছে, ভারত যদি রাশিয়ার অস্ত্রের উপর নির্ভরশীল থাকে সেটা দীর্ঘমেয়াদে জার্মানির স্বার্থের পক্ষে ভালো হবে না। অতএব এটা একেবারে স্পষ্ট যে রাশিয়া ভারতের বন্ধুত্বের কারনে সিঁদুরে মেঘ দেখছে পশ্চিমা বিশ্ব।আর তার জন্য তলে তলে ছক সাজানো শুরুও করে দিয়েছে। কিন্তু এতে কি সফল হবে জার্মানি যুক্তরাষ্ট্র? ভুলে গেলে কিন্তু চলবে না ভারতের ব্যালেন্সিং পাওয়ার মারাত্মক। বাকিটা সময় বলবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Russia america: পুতিনের মহাবিনাশের টার্গেটে পড়ল আমেরিকা! সুপ্ত আগ্নেয়গিরিতে দাগা হতে পারে মিশাইল, হচ্ছেটা কি?

    ৷৷ প্রথম কলকাতা ৷৷

    Russia america: পুতিনের মহাবিনাশের টার্গেটে এবার আমেরিকা? একটা বিস্ফোরণ আর ১৫ মিনিটে খেল খতম৷ জেলেনস্কি ‘ক্রিমিয়া’ রণনীতির ফল হবে সাংঘাতিক প্ল্যান ‘বি’ নয় রাশিয়া প্ল্যান ‘সি’ রেডি করে ফেলেছে দাবি করা হচ্ছে রাশিয়ান সংবাদমাধ্যমে৷ যুক্তরাষ্ট্রের থিঙ্ক ট্যাঙ্কের বুদ্ধির পরিণাম এবার ইউক্রেনের ওপর নয় আঘাত সরাসরি আমেরিকার মাটিতে আশঙ্কা তেমনই৷ ভারতে জি-২০ বৈঠকে আগেই কি ঘটে যেতে পারে বড় কিছু? কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ বেড়ে যাবে৷ আমেরিকার সুপ্ত আগ্নেগিরিতেই তুলকালাম হতে পারে৷

    পুতিনের তুরূপের তাস আইসিবিএম সারমাত! এই একটা মিশাইল ৬ থেকে দশটা ওয়ারহেড নিয়ে আলাদা আলাদা টার্গেটে হামলা করতে পারে৷ সহজ কথায় রাশিয়ার শত্রুদের যম৷ বাইডেন যেদিন কিয়েভে গেছিলেন সেদিন থেকেই অ্যাকটিভ রাশিয়ার স্ট্যাটেজিক নিউক্লিয়ার ফোর্স৷ কতটা মারাত্মক ইউক্রেনে এসে বাইডেনের উস্কানির পরিণাম? চিন এপ্রিলের শেষেই ১০০ পিস আত্মঘাতী 100 ZT-180 ড্রোন পাঠাবে ক্রেমলিনকে৷ ৩০-৩৫ কিলো ওয়ারহেড বহন করার দম রাখে৷ ইউরাএশিয়ান টাইমসের রিপোর্ট বলছে, জার্মানির ম্যগাজিন ‘ডের স্পিইগাল’ চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে রাশিয়ার সঙ্গে নাকি চিনা কোম্পানির শিয়ান বিঙ্গে ইন্টালিজেন্ট অ্যাভিয়েশন টেকনলজির ডিল ফাইনাল হওয়ার পথে৷ এই ড্রোন নাকি ইরানের শাহিদ-১৩৬ ড্রোনের মতোই৷

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম মার্কা ডট কমের রিপোর্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, পুতিনের লক্ষ্য সরে যাচ্ছে ইউক্রেন থেকে আমেরিকায়৷ আমেরিকা ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্ক যুগ যুগ ধরে সেখানে ফুটছে এক আগ্নেয়গিরি ৷ রিপোর্ট বলছে, রাশিয়া নাকি ভয়ঙ্কর আইসিবিএম সারমাত তাক করতে পারে সেখানেই৷ গোটা বিশ্বের সব মহলে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছে এই খবর৷ পুতিন আগেই পরিস্কার বলে দিয়েছিলেন ২০২২য়েই মোতায়েন করা হবে আরএস ২৮ সারমাত ইন্টারকন্টিনেন্ট ব্যালিস্টিক মিশাইল৷ কূটনৈতিক মহল বলছে, জেলেনস্কি যেমন যেমন ক্রিমিয়াকে যুদ্ধের চক্রবুহ্য বানানোর চেষ্টা লেগে গিয়েছেন তেমন মস্কো প্ল্যান সি ডেভেলপমেন্ট বাড়ছে৷ আইসিবিএম সারমাত ইন্টারকন্টিনেন্ট ব্যালিস্টিক মিশাইল আমেরিকা একে শয়তান বলে ডাকে৷ ১১ থেকে ১৮ হাজার কিলোমিটার দূরত্বে যে কোনও জায়গায় আঘাত হানতে সক্ষম৷

    রাশিয়া যে ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্ককে টার্গেট করতে পারে সে তথ্য ইউক্রেন এনেছে বিশ্বের সামনে৷ ইউক্রেনের মন্ত্রী অ্যানটন জেরাস্চেনকো টুইট করেছেন এক ভিডিও
    সেখানেই নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড আইসিবিএম সারমাতে দাগা ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে৷ ভারত এবং চিন বাধা না দিলে ইউক্রেনকে পরাস্ত করতে পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করতেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন৷ সরাসরি পরমাণু হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে এমনটাই দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন৷ কূটনৈতিক মহল বলছে, হুঁশিয়ারি পাল্টা হুঁশিয়ারির খেলা এক বছর ধরে চললেও রাশিয়া বা পুতিন পরমাণু যুদ্ধের হুমকি কিন্তু এখনও দেননি৷ সেখানে আমেরিকার ন্যাশনাল পার্কের ওপর টার্গেট করা নিয়ে ইউক্রেন যে তথ্য তুলে ধরছে তা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে৷ কিন্তু রাশিয়া এনিয়ে কোনও ধরণের অফিশিয়াল বিবৃতি বা মন্তব্য করেনি৷ তাই কিয়েভের এই দাবির এই মূহুর্তে কতটা যুক্তিযুক্ত? সেখান প্রশ্ন রয়েছে৷ নাকি এটা আমেরিকার পাল্টা উস্কানোর ইউক্রেনের নয়া পন্থা?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version