Tag: Hair Care

  • Hair Care: এই ৭টি খাবার চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়, টাক থেকে বাঁচতে অবশ্যই জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Care: শীতে (Winter) অত্যাধিক চুল ঝরে পড়ার (Hair Fall) সমস্যায় কম বেশি অনেকেই ভোগেন। দামি দামি শ্যাম্পু কিংবা কন্ডিশনার ব্যবহার করেও এই সমস্যা থেকে সহজে রেহাই মেলে না। অনেকেই আছেন যারা ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুলের যত্ন নেন। ডিম, জবা ফুল, আমলকি, অ্যালোভেরা প্রভৃতি চুলে ব্যবহার করলে চুল মজবুত হয় এবং ভালো থাকে। এছাড়াও খাবারের তালিকায় রাখতে হয় ভিটামিন সি (vitamin c) সমৃদ্ধ বিভিন্ন খাবার। জানেন কি, এমন কিছু খাবার রয়েছে যা চুলের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। সেই খাবার যদি প্রতিদিন খাবারে প্লেটে রাখেন তাহলে অতিরিক্ত চুল পড়া কেউ আটকাতে পারবে না।

    •মদ্যপান
    যাদের মধ্যপানের অভ্যাস হয়েছে তাদের অত্যাধিক পরিমাণে চুল ঝরতে পারে। এই তরল পানীয়তে চুমুক দেওয়া মানে নিজের ত্বক এবং চুলের ক্ষতি করা অতিরিক্ত পান করলে হেয়ার ফলিকল নষ্ট হয়ে যায়। যদি মনে করেন পরিমিত মদ্যপানে তেমন কিছু হবে না, সেই ধারণাও ভুল। সেক্ষেত্রেও চুলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ অ্যালকোহল চুলের স্বাভাবিক প্রোটিন ক্যারোটিনকে খুব দ্রুত নষ্ট করে দিতে পারে। যার ফলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যায়।

    • ভাজাভুজি
    খাবারের তালিকা থেকে একেবারেই ভাজাভুজি জাতীয় খাবারকে বাদ দিয়ে দিন। অতিরিক্ত তেল ঝাল মশলা জাতীয় খাবার এবং ভাজাভুজি খেলে চুল পড়ে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে হাজির হয় হাজারো রোগ। যার মধ্যে অন্যতম হৃদরোগ কিংবা ওজন বাড়ার মতো সমস্যা। অতিরিক্ত ভাজাভুজি খাবার খেলে মাথার ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়। যার ফলে চুলের গোড়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    • চিনি
    প্রতিদিনের সকাল যদি শুরু হয় এক কাপ চিনি দেওয়া চা দিয়ে তাহলে বিপদ। কারণ প্রচুর চিনি কিংবা মিষ্টি জাতীয় খাবার আপনার চুলের বারোটা বাজাতে পারে। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে মাথায় টাকও পড়তে পারে। যদি মিষ্টি খাবার ভালবাসেন, তাহলে সেই ভালোবাসায় কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রাখুন। চুল ভালো রাখতে অতিরিক্ত চিনি জাতীয় খাবার পরিহার করা জরুরি।

    • ময়দা
    বাড়িতে চাউমিন, ম্যাগি, লুচি, পরোটা, পাউরুটি জাতীয় খাবার হামেশাই খাওয়া হচ্ছে। কিন্তু জানেন কি ময়দা জাতীয় খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে নিজের চুলের ক্ষতি আপনি নিজেই ডাকছেন। কারণ এতে রয়েছে গ্লাসসেমিক ইনডেক্স। যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে। যার ফলে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায় এবং অতিরিক্ত চুল ঝরতে থাকে।

    • বাসি খাবার
    বাসি খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করুন। দরকার হলে মেপে মেপে রান্না করুন, যাতে খাবার বাড়তি না হয়। কারণ বাসি খাবার প্রতিদিন নিয়ত খেলে চুল ঝরে পড়ার পরিমাণ বাড়তেই থাকবে। এমনকি শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে।

    • অতিরিক্ত লেবু
    চুলের জন্য ভিটামিন সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। যার সবথেকে ভালো উৎস হলো লেবু। কিন্তু আপনি যখনই অতিরিক্ত পরিমাণে লেবু খাবেন তার ফল হবে হিতে বিপরীত। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পরিমাণে লেবু খেলে প্রভাব পড়ে শরীরে, যার কারণে চুল ঝরে যেতে পারে।

    • কাঁচা ডিম
    চুলের জন্য ডিম ভীষণ উপকারী। কিন্তু কাঁচা ডিম কখনোই খাওয়া যাবে না। কারণ কাঁচা ডিমের সাদা অংশে বায়োটিনের ঘাটতি থাকে। পাশাপাশি সোডা পানীয়কে ত্যাগ করুন। এতে কৃত্রিম মিষ্টি থাকে, যাকে বলা হয় এসপারটেম। গবেষণা দেখা গিয়েছে এটি চুলের ফলিকলসের মারাত্মক ক্ষতি করে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের খারাপ খাদ্যভ্যাস চুলের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আপনি যতই তেল, শ্যাম্পু বদলান না কেন, প্লেটের খারাপ খাবার গুলি না বদলালে মুশকিল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Winter Hair Care: শীতের ছুটিতে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান! এসবের মাঝে চুলের যত্ন নেবেন কীভাবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Winter Hair Care: শীত মানেই একটা উৎসবের আমেজ। ব্যাগ গুছিয়ে কোথাও একটা বেরিয়ে পড়ার পালা। এইবার বড়দিনের ছুটি পড়েছে উইকেন্ডে অর্থাৎ শুক্রবার অর্থাৎ আজ বিকেলে তাড়াতাড়ি অফিস থেকে ফিরে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেই হাতে এক্কেবারে পুরোপুরি দুটো দিন। এর মধ্যে অনেকেই হয়তো ডেস্টিনেশন ঠিক করে রেখেছেন। জোগাড় করে রেখেছে নিজের পছন্দের জামা, জুতো, সাজ-সরঞ্জাম সবকিছুই। এসব ছাড়া আবার ঘুরতে যাওয়া যায় নাকি!

    তবে ঘুরতে গিয়ে নিজের ত্বকের যত্ন নেওয়াটা যতটা জরুরী একইসঙ্গে জরুরী হয়ে পড়ে চুলের যত্ন (Hair Care) নেওয়াটাও। শীতকাল (Winter) বলে টুপির নিচে চুল লুকিয়ে রাখবেন এমনটা হতে পারে না। তাই আপনার ট্রাভেলিং ব্যাগে চুলের যত্নে ব্যবহার করা সব প্রসাধনী ঠিকঠাক গুছিয়ে নিন। আর ঘুরতে গিয়ে কীভাবে চুলের যত্ন নিতে হবে তার কিছু টিপস রইল আজকের প্রতিবেদনে।

    • কোথাও বেড়াতে যাওয়া হচ্ছে মানে একেক দিন একেক রকম পোশাকের সঙ্গে নতুন হেয়ার স্টাইল। তাই বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় চলে শ্যাম্পু (Shampoo) করতে একেবারেই ভুলবেন না। হেয়ার ড্রায়ারের বদলে চুল রোদে বসে শুকিয়ে নিন। এতে আপনার চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
    • বেড়াতে যাওয়ার আগে হেয়ার কালার করার ইচ্ছে জাগতে পারে। তবে ইনস্ট্যান্ট কোন হেয়ার কালার ব্যবহার করবেন না। এতে আপনার চুলের ক্ষতি হতে পারে। তাই কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান থাকলে আগেভাগে সম্পূর্ণ ট্রিটমেন্ট করিয়ে তারপর হেয়ার কালার করান।
    • ন্যাচারাল কালার করাতে চাইলে চুলে শ্যাম্পু করার পর নিয়মিত কফি দিয়ে চুল হতে পারেন। এতে কিছুদিন পর চুলে ব্রাউন রঙ ধরতে শুরু করবে। যা রোদে গেলে বেশ চকচকে ভাব আনে।
    • কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে অবশ্যই চুলে ভালো করে অয়েল ম্যাসাজ করে নিন । আগের দিন রাতে এই কাজটি করে রাখতে পারেন । বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে ভালোভাবে চুল ধুয়ে নিলেই সমস্যা সমাধান ।এতে চুলের গোড়া মজবুত হয়।
    • যেখানেই যান না কেন নিজের সঙ্গে একটি সিরাম অবশ্যই রাখুন। কারণ রাস্তাঘাটে ধুলোবালির জন্য যেকোনো সময় শ্যাম্পু কন্ডিশনার করতে হতে পারে। তারপর হালকা হাতে সিরাম লাগিয়ে নিলে চুল উজ্জ্বল থাকবে এবং দেখতেও বেশ ভালো লাগবে।

    চুলের যত্নের পাশাপাশি ত্বকের যত্নকে ভুললে চলবে না। শীতকাল মানে শুষ্ক আবহাওয়া। ত্বকে টান ধরার মরসুম। শুরু তাই নিজের সাথে ময়েশ্চারাইজার নিতে একেবারেই ভুলবেন না। যেহেতু বডি অয়েল সাথে করে নিয়ে যাওয়া কিছুটা সমস্যা এবং সব সময় বডি অয়েল মাখতেও ভালো লাগে না তাই সে ক্ষেত্রে দারুন বিকল্প হিসেবে কাজ করবে ময়েশ্চারাইজার। একটা কোল্ড ক্রিম অবশ্যই সঙ্গে রাখুন। আর প্রয়োজন হবে লিপবামের ঠান্ডা হাওয়ায় যেকোনো সময় আপনার ঠোঁট ফেটে যেতে পারে । তাই আগে থেকেই লিপবামের ব্যবস্থা করে রাখুন।

  • Hair Care in Winter: শীতে অত্যাধিক চুল ঝরছে? টাক পড়া আটকাবে এই খাবার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Care in Winter: শীত পড়তেই ত্বক আর চুলের রীতিমত দফারফা অবস্থা। একটু যত্ন না নিলেই চুল রুক্ষ শুষ্ক হয়ে উঠছে। চিরুনি দিয়ে আঁচড়াতে গেলে ঝরে পড়ছে একাধিক চুল। কিছুতেই চুল পড়া আটকানো যাচ্ছে না। চুল পড়ার সমস্যা কমবেশি অনেকেরই রয়েছে। সেটি যদি অতিরিক্ত পরিমাণে হয় তাহলে বিষয়টি চিন্তার। চুল ঝরে পড়ার সাথে সাথে যদি যথাসাথ ভাবে নতুন চুল না গজায় তাহলে মাথায় টাক পড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে শীতকালের রুক্ষ শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য চুল ঝরে পড়া বেড়ে যায়। পাশাপাশি দেখা দেয় খুশকি সমস্যা। দামি দামি শ্যাম্পু কিংবা কন্ডিশনার ব্যবহার করেও সেভাবে সুফল মেলে না। আপনি যে কোম্পানি তেল কিংবা শ্যাম্পু ব্যবহার করুন না কেন, বাড়িতে চুলের জন্য একটু যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। বাড়ির হেঁসেলেই থাকে বিশেষ কয়েকটি খাবার, যেগুলিকে বলা হয় চুলের সুপার ফুড। এই খাবারগুলি খেলে ভিতর থেকে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং নতুন চুল গজায়।

    •বেরি

    বেরি (Berry)ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শরীরে ভিটামিন সি-এর অভাবে চুল ঝরে পড়ে। ভিটামিন সি একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের চুলকে ফ্রি র‌্যাডিকেল দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায়, যা চুলকে মজবুত করতে করে এবং আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে।

    •পালং শাক

    শীতে সহজলভ্য সবজির তালিকায় রয়েছে পালং শাক (Spinach)। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পালং শাক অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এটি ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, আয়রন বিটা ক্যারোটিন, ফোলেট ইত্যাদি উপাদানে সমৃদ্ধ। এটি মাথার ত্বক এবং চুল সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া পালং শাকে ভিটামিন বি থাকায় এটি চুলকে নরম ও উজ্জ্বল করে।

    •সূর্যমুখীর বীজ

    আপনার ডায়েটে সূর্যমুখী বীজ অন্তর্ভুক্ত করুন। এতে ভিটামিন ই রয়েছে যা মাথার ত্বক এবং চুল উভয়কেই ময়েশ্চারাইজড এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।

    •ডিম

    ডিম (Egg) ভিটামিন এ, আয়োডিন, ফলিক অ্যাসিড, বায়োটিন, ভিটামিন ই, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি, আয়রন, ফসফরাস, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং প্রোটিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। এই পুষ্টিগুণ স্বাস্থ্যকর চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী। ডিমেও প্রচুর পরিমাণে বায়োটিন থাকে। এটি চুলের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। বায়োটিন বা ভিটামিন বি ৭ স্বাস্থ্যকর চুলের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    •বাদাম

    বাদাম জিঙ্কের একটি বড় উৎস। আখরোট, কাজু, বাদাম ইত্যাদি জিঙ্কের ভালো উৎস। স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য, এগুলি অবশ্যই আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। আয়রন, সালফার এবং বায়োটিনের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় বাদাম চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করে। বাদাম ম্যাগনেসিয়ামের একটি খুব ভাল উৎস, এর সাথে এটি ভিটামিন বি ১২, এ এবং ভিটামিন ই, ফসফরাস, ফাইবার ইত্যাদি সমৃদ্ধ। এটি চুলে পুষ্টি জোগায় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

    •গাজর

    শীতের সহজলভ্য এবং সুস্বাদু একটি সবজি হল গাজর (Carrot)। এটি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং চুল এবং ত্বকের যত্ন নেয়। গাজরের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন আর ভিটামিন এ। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া কমায়।

    •কপি

    শীতে বিভিন্ন ধরনের কপি পাওয়া যায় যেমন বাঁধাকপি (Cabbage), ফুলকপি (Cauliflower), ব্রোকলি (Broccoli) প্রভৃতি। এগুলি ভিটামিন, মিনারেলস এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সবথেকে ভালো উৎস। চুলের গোড়া মজবুত করতে খাবারের তালিকায় এই সবজি গুলি রাখতে পারেন।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Cut: বুঝতে পারছেন না কখন হেয়ারকাট দরকার ? এই লক্ষণ গুলি দেখলেই কাজ সেরে ফেলুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Cut: চুলের যত্নের জন্য মানুষ কী না করেন। পার্লার থেকে শুরু করে দামি দামি সব প্রসাধনী ব্যবহার সবকিছুই চলছে। কিন্তু তারপরও মাঝেমধ্যেই যেন মনে হয় আপনার চুল আপনার মনের কথা বুঝতে পারছে না। ক্রমশ নিষ্প্রাণ, নিস্তেজ, জেল্লাহীন হয়ে যাচ্ছে। এমন চুল মাথায় করে বয়ে বেড়াতেও মন চায় না। কিন্তু আগের তুলনায় চুল খানিকটা লম্বা হয়েছে দেখে কাটতেও ইচ্ছে করছে না। নিজের মনেই প্রশ্ন উঠছে আদৌ কি এখন চুল কেটে (Hair Cut) ফেলার জন্য সঠিক সময় ?

    আপনার চুলে যদি এই পাঁচ ধরনের লক্ষণ দেখা যায় তাহলে নিশ্চিন্তে চুলের অল্প অংশ ছেঁটে নিতে পারেন এতে বরং ভালোই হবে। বজায় থাকবে আপনার চুলের সুস্বাস্থ্য। আরও একটি মজাদার বিষয় হল আমাদের চুল নিজেই জানিয়ে দেয় কখন আমাদের হেয়ারকাট এর প্রয়োজন রয়েছে। শুধু একটু বুঝে নিতে হবে এই যা।

    লক্ষণ গুলি হল-

    • চুল আঁচড়ানো সময় কিংবা শ্যাম্পু (Shampoo) করার সময় গোছা গোছা চুল উঠে হাতে চলে আসছে। সামান্য চুলের মধ্যে হাত চালালেই ঘরের মেঝেতে ঝড়ে পড়ছে চুল। ঘুম থেকে ওঠার পর বালিশে অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে আপনার চুল। ব্যাপারটা খুবই অস্বস্তিকর হতে পারে। সেই সময় অল্প করে ছেঁটে নিন আপনার চুলের ডগা। আসলে চুল দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়ে গেলে এমন ঘটতে থাকে। তাই আগেভাগে সতর্ক হওয়া উচিত।
    • চুলের ডগা যখন ফেটে যায় (Split Ends) তখন অল্প করে চুল ছেঁটে নিলে সমস্যা সেই সময়ের মত মিটে যেতে পারে। অনেক সময় চুলে আর্দ্রতার অভাব দেখা দিলে এইভাবে চুলের ডগা ফেটে যায়। পাশাপাশি আপনার শেষ হেয়ার কাটের সময় যে শেপ ছিল সেই সেটটাও ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। তা দেখতে বেশ খানিকটা খারাপ লাগে। এক্ষেত্রে চুল কেটে নেওয়া যায় ভালো বিকল্প বলে মনে করা হয়।
    • চুল যত লম্বা হয় তত বেশি চুলের প্রতি মায়া বেড়ে যায় মেয়েদের। অনেকেই লম্বা চুল পছন্দ করেন কিন্তু তাদের চুল কিছুটা লম্বা হওয়ার পর নিচ থেকে নষ্ট হয়ে যেতে থাকে । সেই সময় চুল কেটে ফেলতে হয়। নইলে সম্পূর্ণ চুলটাই ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
    • খুব বেশি চুল পড়তে থাকলে চুলের ভলিউম কমে যায়। সেই সময় বেশ খানিকটা চুল কেটে ফেললে ভলিউম ফিরে পাওয়া যায়।
    • যারা প্রতিনিয়ত হেয়ার কালার ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রে অনেক সময় দেখা যায় চুলের নিচের অংশ একেবারেই রুক্ষ শুষ্ক দেখায়। সেই সময় একবার হেয়ার ট্রিটমেন্ট করিয়ে অল্প চুল ছেঁটে ফেলা ভালো । এতে যেমন একটা নতুন লুক পাওয়া যায় ঠিক তেমনই জেল্লা হারিয়ে ফেলা চুল আবার প্রাণ ফিরে পায়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন শুধুমাত্র চুল লম্বা হয়ে গেলেই যে কাটার প্রয়োজন হয় এমনটা কিন্তু নয় । চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে গেলে প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর অল্প একটু করে হলেও চুল কেটে ফেলা দরকার । যদিও প্রত্যেকের চুলের ধরন এক রকম হয় না । তাই সকলের জন্য নিয়মও এক নয় । কিন্তু তাও সামান্য একটু চুল তিন মাস অন্তর কেটে ফেললে ভালোর বদলে খারাপ তেমন কিছু হয় না।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hibiscus hair oil: এক চুটকিতে চুল ওঠা বন্ধ, ব্যবহার করুন জবা ফুলের তেল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hibiscus hair oil: ফুল পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যায়। ফুল সৌন্দর্যের প্রতীক। একটি ঘর সাজানো থেকে শুরু করে কাউকে উপহার দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয় নানান ধরনের ফুল। জবা ফুল এমন একটি ফুল যা সবারই খুব পরিচিত। ফুলের (Flower) গুণাবলী সম্পর্কে জানেন না এমন কেউ নেই। আমাদের দেশে বিভিন্ন রঙের জবা ফুল দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু লাল রংয়ের জবা তাদের মধ্যে অন্যতম। লাল জবায় রয়েছে ঔষধি গুণাবলীর অন্যান্য উপাদান আর সেটা রূপচর্চায় চমৎকার ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন ঔষধি গুনাগুনের পাশাপাশি ত্বকের ক্ষেত্রে একটি উপকারী। আর চুলের (Hair) কথা না বললেই নয়। নানান ভাবে ব্যবহার করলেও কিভাবে জবা ফুলে তেল বানিয়ে সেটা অনেকদিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে আজ আলোচনা করব।

    জবা ফুলে এমন কিছু উপকারী উপাদান আছে যা আপনার চুলের জন্য খুবই ভালো। এটি আপনার চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে। চূলে সহজেই পাক ধরতে দেয় না, চুলের গোড়া মজবুত রাখে চুল পড়াও কম করে।

    চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এই ভিটামিনের যথেষ্ট গুণ আছে। এছাড়াও জবা ফুলে আছে ভিটামিন বি। এই ভিটামিনের ঘাটতিতেও সহজেই চুলে পাক ধরতে পারে। তাই চুলের যত্নেই (Care) ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে জবা ফুল। নতুন চুল কাটাতে সাহায্য করে জবা ফুল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে চুল থাকে নরম এবং জেল্লা হয় দেখার মতো।

    ভিটামিন এ এবং সি মাথার ত্বকের চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। আর এই দুটো ভিটামিন প্রচুর মাত্রায় রয়েছে জবা ফুলে। পরিমাণ মতো জলে কয়েকটি জবা ফুল দিয়ে সেগুলিকে সেদ্ধ করে নিন তারপর সেই জল ঠান্ডা করে চুলে লাগান।যদিও জবা ফুলে তেল লাগালেও একই উপকার পাওয়া যায়।

    জবা ফুলের তেল (Oil) ব্যবহারে একাধিক উপকার আপনি পাবেন। সেই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আপনার চুলের কোন চিকিৎসা চললে কিংবা স্ক্যাল্পে কোনো সমস্যা থাকলে তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকদের পরামর্শ নিন ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Moisturized Hair: নিত্য নতুন হেয়ার স্টাইলের ঝোঁক! শীতে চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখবেন কীভাবে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Moisturized Hair: চুলের যত্ন বলতে শুধুমাত্র সপ্তাহে কয়েকবার শ্যাম্পু, কন্ডিশনার আর তেল ম্যাসাজ নয়। এতে আপনার চুল যথেষ্ট পুষ্টি পাবে না। তার উপরে শীতের মরশুমে এমনিতেই শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য চুল ত্বক সবকিছুই প্রায় রুক্ষ হয়ে যায়। কোনরকম আর্দ্রতা থাকে না ত্বক কিংবা চুলের। আর তার উপরে শীতকালে সমস্যা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় খুশকি। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা বিভিন্নভাবে হেয়ার স্টাইল (Hair Style) করতে পছন্দ করেন। শীতকাল (Winter) বলে তো আর গুটিসুটি মেরে ঘরে বসে থাকা যায় না। সেই সময় চুলে বিভিন্ন স্টাইল করতে গিয়ে দেখা যায় আর্দ্রতাহীন চুল (Dehydrated hair) কেমন যেন নিষ্প্রাণ দেখাচ্ছে।

    প্রচুর পরিমাণে চুল উঠে চলে আসছে হাতে আর গাঢ় রঙের জামা কাপড়ের উপর পড়ে থাকা সাদা খুশকি নিজের অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে। এই সমস্যা যুগ যুগ ধরে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেরই। তবে ছেলেদের চুল ছোট থাকার কারণে বিশেষ কোন হেয়ার স্টাইলের প্রয়োজন হয় না। মেয়েদের ক্ষেত্রে সেটা খুবই প্রয়োজন। শীতকালে বিভিন্নভাবে হেয়ার স্টাইল করার পর আপনার চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন:

    • আপনার রোজকার খাবারের তালিকায় এমন কিছু খাবার যোগ করতে হবে যেগুলি থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করতে পারবে আপনার চুলও। যেমন ধরুন ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোবায়োটিক, ভিটামিন এ , বি, সি এবং ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন রয়েছে সেই সমস্ত খাবার খেতে হবে।
    • যে ধরনের শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনারে অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন বি, ই, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, হাইড্রোলাইজড প্রোটিন রয়েছে শুধুমাত্র সেই গুলি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
    • চুলে ব্যবহার করার বিভিন্ন পণ্য গুলির মধ্যে যদি তীব্র সালফেট কিংবা অ্যালকোহলের গন্ধ পান তাহলে সেগুলি ব্যবহার করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন । এতে আপনার স্ক্যাল্প এবং চুল দুয়েরই ভীষণভাবে ক্ষতি হতে পারে।
    • বিভিন্ন হেয়ার স্টাইল করার সময় বহুবার ব্লো ড্রায়ার, ফ্ল্যাট আয়রন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। চেষ্টা করবেন যতটা কম পরিমাণে এইগুলি ব্যবহার করা যায়। আর ব্যবহার করার সময় অতিরিক্ত তাপমাত্রা কখনই চুলে প্রয়োগ করবেন না। এটি আপনার চুলকে শুষ্ক করে দিতে পারে।
    • চুলে শ্যাম্পু করার আগে অবশ্যই তেল মালিশ করুন। অন্ততপক্ষে সপ্তাহে দুদিন এই কাজটি করুন। যেই তেল আপনার স্যুট করে সেটি হালকা গরম করে নিয়ে তারপর মাথায় মালিশ করুন। চুলের গোড়ায় গোড়ায় আঙুলের উপরিভাগ দিয়ে মালিশ করতে থাকুন। এতে স্ট্রেস দূর হয় এবং চুল উপযুক্ত পুষ্টি পায় । আর শীতকালে চুলের মধ্যে বজায় থাকে আর্দ্র ভাব।
    • চুলের জট ছাড়ানোর জন্য কখনই সরু দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করবেন না । আর জট ছাড়ানোর সময় চুলের একেবারে ডগা থেকে হালকা হাতে জট ছাড়ানো শুরু করুন। ব্যবহার করুন মোটা দাঁতের কাঠের চিরুনি। এটি স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখতে ভীষণভাবে সাহায্য করে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair care: সৌন্দর্য বাড়াতে চুলে রং করছেন নিয়মিত, এই নিয়মগুলি মেনে চলছেন তো?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair care: হেয়ার হাইলাইট এখন ট্রেন্ডিং। আবার হাইলাইট করার পাশাপাশি চুলে সম্পূর্ণ রঙ করার ব্যাপারটিকেও অনেকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কিন্তু চুল রং করার পর এই নিয়মগুলি মেনে চলছেন তো নচেৎ চুলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

    চুলে শুধু রং করলেই হবে না। রং করা চুলের যত্নও নিতে হবে। নাহলে সেই রংও বেশিদিন টিকবে না। আবার চুলের দফারফা হতেও খুব বেশি সময় লাগবে না। তাই জেনে নিন রং করা চুলের যত্ন কীভাবে নেবেন।

    চুলে রং করার পরে অন্তত ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। রং করার পরেই কিন্তু শ্যাম্পু (shampoo) করে চুল ধুয়ে ফেলবেন না। কারণ, রং করার সময়ে চুলে যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, তার ফলে চুলের কিউটিকল খুলে যায়। সহজেই ক্ষতি হতে পারে। তাই অন্তত ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। এরপর শ্যাম্পু করুন। ৭২ ঘণ্টার আগে শ্যাম্পু করবেন না। এতে চুল ভালো থাকবে।

    সব ধরনের শ্যাম্পু রং করা চুলে ব্যবহার করা উচিত নয়। বিশেষ ফর্মুলেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। নাহলে আপনার চুলের ক্ষতি হতেই পারে। প্রতিবার ধোয়ার পরে চুলের রং খুব তাড়াতাড়ি ফেড হয়ে যেতে পারে।

    অনেক কালার প্রোটেক্টেড (Colour protected) শ্যাম্পু কিনতে পাওয়া যায়। সেটি ব্যবহার করুন। এটি আপনার চুলের পিএইচ ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে। আপনার চুলের রংও ঠিক রাখে।

    চুলে রং করার পরে তা রুক্ষ হয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। এতে চুলেরও যেমন ক্ষতি হয় আবার রং করা চুল পড়েও যায়। শীতকালে এমনিতেই চুল রুক্ষ থাকে।তাই সাধারণ সময়ে যদি সপ্তাহে ৩ দিন শ্যাম্পু করেন, চুলে রং করার পরে অন্তত ২ দিন শ্যাম্পু করুন। যত কম শ্যাম্পু করবেন, তত বেশিদিন আপনার চুলে রং থাকবে। এতে চুলও ভালো থাকবে। সহজেই রুক্ষ হয়ে যাবে না।

    শ্যাম্পু করার সময়ে যদি সেই অংশের চুল আলাদা রাখতে পারেন, বেশ ভালো হয়। স্ক্যাল্পে শ্যাম্পু লাগিয়ে স্ক্রাব (Scrub) করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুল ধুয়ে ফেলুন।

    তারপর কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন। রং করার পর চুলএমনিই রুক্ষ হয়ে যায়।তাই শ্যাম্পু করার পর কখনও কন্ডিশনার (Conditioner) লাগাতে ভুলবেন না। এতে আপনার চুলের ওপর একটি সুরক্ষা স্তর তৈরি হয়। চুল সহজেই রুক্ষ হয়ে যায় না। রং করা চুল ভালো থাকে।

    চুল শুকনোর জন্য অনেকে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করেন। অনেকে সময়ে আমরা হেয়ার কার্লার বা স্ট্রেট আয়রনও ব্যবহার করে থাকি। তবে চুলে রং করার পরে এইসব হেয়ার টুলের ব্যবহার কমিয়েই ফেলা উচিত। কারণ অতিরিক্ত গরম আপনার চুলের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। চুলকে আরও রুক্ষ-শুষ্ক করে তুলতে পারে। ফলে চুল ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। হিট প্রোটেকশন সিরাম ব্যবহার করে কখনও কখনও আপনি হেয়ার টুল ব্যবহার করতে পারেন। চুলের যত্ন নিলেই একমাত্র ভালো হেয়ারস্টাইল করা সম্ভব। তাই সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Conditioner: বাজার চলতি কন্ডিশনারে চুলের অবস্থা বেহাল, বাড়িতেই আছে সমস্যার সমাধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Conditioner: চুল হবে সিল্কের মতো মসৃণ। বাজার চলতি কন্ডিশনারে নয়, ঘরোয়া উপকরণেই আপনি আপনার চুলকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে পারেন। শ্যাম্পুর পর শুষ্ক রুক্ষ চুলকে ঝলমলে প্রাণবন্ত করতে অনেকেই কন্ডিশনার ব্যবহার করেন। কিন্তু বাজার চলতি অধিকাংশ কন্ডিশনারে থাকে নানান রকম কেমিক্যাল যা চুলের ক্ষতি করে। দীর্ঘদিন একটানা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে প্রচুর পরিমাণে চুল ঝরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। উপরন্তু বাজার চলতি কন্ডিশনার দামও বেশি হয়। তাই আপনি প্রাকৃতিক ভাবে বাড়িতে বানাতে পারেন কন্ডিশনার, যা আপনার চুলকে গোড়া থেকে মজবুত করবে এবং চুলের পুষ্টি ফিরিয়ে দেবে।

    (১) শ্যাম্পু করার কয়েক ঘন্টা আগে একটি কাপে যতটা পরিমাণ শ্যাম্পু লাগবে তার সঙ্গে অ্যালোভেরা এবং কিছুটা চিনি মিশিয়ে রেখে দিন। মোটামুটি এক চা চামচ চিনি নিলেই হবে। এই উপকরণগুলি একত্রে মিশিয়ে শ্যাম্পু করলে কন্ডিশনারের কোন প্রয়োজনই পড়বে না, উপরন্ত চুল কম ঝরবে।

    (২) একটা ডিম, একটু মধু, ভিনিগার, লেবুর রস আর অলিভ অয়েল একত্রে মিশিয়ে বানিয়ে নিন প্রাকৃতিক কন্ডিশনার। সবগুলি উপকরণ ব্লেন্ডারে ভালো করে মিশিয়ে নিলে আরো ভালো হবে। শ্যাম্পুর পর এই পেস্ট চুলের ডগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে তারপরে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণ চুলকে হাইড্রেটেড রাখবে, চুল পড়া আটকাবে এবং ঝকঝক করবে।

    (৩) নারকেল তেল এবং মধু মিশ্রণকে কন্ডিশনার হিসেবে অনেকেই ব্যবহার করেন। পারলে এই মিশ্রণের সঙ্গে আপনি লেবুর রস, দুই টেবিল চামচ দই আর এক চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিতে পারেন। শ্যাম্পুর পর এই মিশ্রণ চুলে লাগানোর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা জল দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলবেন।

    (৪) দইতে রয়েছে বিশেষ প্রোটিন সামগ্রী এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা মাথার ত্বক পরিষ্কার করে। একটি ডিম ফেটিয়ে তার সঙ্গে ছয় টেবিল চামচ দই মিশিয়ে নেবেন। এই মিশ্রণটি শ্যাম্পুর পর চুলে অন্তত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট লাগিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলবেন। এই উপকরণ গুলি ব্যবহারে আপনার চুলকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Care Tips : শীতকালে খুশকির সমস্যায় ভুগছেন খুব? রইল কিছু ঘরোয়া টিপস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Care Tips : চুলে চিরুনি ছোঁয়ালেই ঝড়ে পড়ছে খুশকি। শীতকালে কালো জ্যাকেট দূরে সরিয়ে রেখেছেন শুধু এই খুশকির জন্য? ঠান্ডা আবহাওয়ায় খুশকির সমস্যা খুব স্বাভাবিক একটি সমস্যা। যেকোনো গাঢ় রঙের পোশাক পরলে মাথা থেকে ঝরে পড়া খুশকি পোশাকের উপরে ফুটে ওঠে। কিন্তু তাই বলে কোন পার্টি কিংবা অনুষ্ঠানে কালো জ্যাকেট বা পছন্দের কালো ড্রেসটি না পড়তে পারা খুব একটা ভালো বিষয় হবে না। এই খুশির সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া কয়েকটি টোটকা ভীষণভাবে কাজ করে। এই প্রতিবেদনে রইল খুশকির সমস্যার সমাধানকারী কিছু ঘরোয়া উপারের হদিশ

    ১) বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন অনেকেই রয়েছেন সারা বছর যারা খুশির সমস্যায় ভোগেন। তবে শীতকালে সেই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। নিয়মিত যদি চুলের গোড়া পরিষ্কার রাখা হয় তবে খুশকির সমস্যা থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি মেলে।

    ২) এছাড়াও খুশকির সমস্যা সমাধানে খুব প্রয়োজন হলে পার্লার কিংবা স্যাঁলোতে গিয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট নেওয়া যেতে পারে।

    ৩) প্যারাবিন মিশ্রিত শ্যাম্পু এই সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়। রাসায়নিক রয়েছে এমন কোন শ্যাম্পুর বদলে অর্গানিক শ্যাম্পু ব্যবহার করলে খুশকি সমস্যা কমবে।

    ৪) শুধুমাত্র মাথায় নয় এই ড্যানড্রাফের সমস্যা অনেকের ক্ষেত্রে চোখের পাতা এবং ভ্রূতেও দেখা যায়। এক্ষেত্রে আদা এবং ভিনিগারের সংমিশ্রণ অত্যন্ত উপকার দেয় । সপ্তাহে কমপক্ষে ৩-৪ দিন যদি দু’ঘণ্টার জন্য এই মিশ্রণ চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখা যেতে পারে তাতে সুফল মেলে।

    ৫) খুশকি দূর করতে লেবুর রস ভীষণ উপকারী। সপ্তাহে দু-তিন দিন আধঘন্টার জন্য স্ক্যাল্পে লেবুর রস দিয়ে রাখুন। আর তারপর অর্গানিক কোনো শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।

    উপরে উল্লেখিত সমস্ত উপায় গুলি ঘরোয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সমস্ত ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করলে খুশকি থেকে রেহাই পাওয়া যায়। তবে তারপরেও যদি খুশকি সমস্যা ক্রমশ বেড়ে চলে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version