Tag: Hair Care

  • Hair care: সেলুনে গিয়ে পাকা চুল ঢাকলে হবে না, খেতে হবে এই খাবারগুলি, তাতেই মিলবে সমাধান

    Hair care: সেলুনে গিয়ে পাকা চুল ঢাকলে হবে না, খেতে হবে এই খাবারগুলি, তাতেই মিলবে সমাধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Hair care: আপনি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, আজকাল অনেকেরই কম বয়সে চুল পেকে যাচ্ছে। শুধু মাঝবয়সী নয়, স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও চুল পেকে যাওয়ার প্রবনতা দেখে অবাক হতে হয়। কম বয়সে চুল পেকে গেলে কী করবেন? ভাবছেন তো, চুলে রঙ করা ছাড়া আর উপায় কি! কিন্তু সেই রঙ থাকবে কদিন! দু-দিন পরেই তো রঙ গায়েব হয়ে যাবে। তখন আবার সাদা চুল ফুটে বেরবে। তাই রঙ না করে কিছু ঘরোয়া খাবার খান। তাতেই মিলবে সমাধান।

     

    তখন আর বার বার পার্লারে ছুটতে হবে না। খরচও কমবে, শরীরও ভালো থাকবে। তাছাড়া যতবার চুলে রঙ করবেন ততবারই ক্ষতি। যত রঙ করবেন ততই চুল পড়ার সম্ভাবনা বাড়বে। দেখতে দেখতে চুল পাতলা হয়ে যাবে। টাক পড়াও অস্বাভাবিক নয়। তখন তো আর এক সমস্যা। তাহলে চুলের এই অকালপক্বতা আটকাতে কোন কোন খাবার খাবেন? চলুন তা দেখে নেওয়া যাক এই প্রতিবেদন।

     

    মনে রাখবেন,অকালে অনেকেরই চুল পাকে। একে অস্বাভাবিক বলা যাবে না। কারণ বিভিন্ন কারণে চুলে অকালপক্বতা দেখা দেয়। অনেকের কারণ বংশগত। জিনগত কারণেও অকালপক্বতা দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত স্ট্রেস, অনিয়মের জন্যও চুল পাকে। তবে এই অকালে চুল পাকা বন্ধ করা সম্ভব।বাইরে থেকে চুলে রঙ করে নয়, চিকিৎসা করতে হবে ভেতর থেকে। সেটা আর কিছুই না, শুধু খাদ্যাভ্যাসে কিছু বদল আনতে হবে। তাতে দীর্ঘদিন মাথাভর্তি কালো চুল থাকবে। আসুন জেনে নিই খাবারের প্লেটে কী কী থাকা জরুরি।

     

    চুল ভালো রাখতে শরীরের প্রয়োজন কিছু ভিটামিন ও আরও কিছু নির্দিষ্ট উপাদান। যেমন ফোলিক অ্যাসিড থেকে ভিটামিন বি-৯ পাওয়া যায়। এটা ফোলেটের প্রাকৃতিক সম্ভার। ফোলিক অ্যাসিড ও ফোলেট ধরে রাখে মেলানিন। যা চুল কালো রাখতে খুবই কার্যকরী। তাই বেশি করে খেতে হবে ঘন সবুজ শাকসবজি। পালংশাক, মেথিশাক, মটরশুটি খান। ডায়েটে রাখুন বিনস, ডাল, সূর্যমুখী ও কুমড়ো বীজ, কমলালেবু, আঙুর এবং লেবু।

     

     

    ভিটামিন বি-১২-র জন্য খেতে হবে ডিমের কুসুম, ডেয়ারি প্রডাক্ট এবং মাশরুম। মেলানিনের জন্য নিয়মিত খেতে হবে তিল, কাজুবাদাম, আমন্ড, গোটা দানাশস্য। কারণ এই খাবারে কপার বা তামা থাকে। কপারের জন্য খেতে হবে মাংস,মিষ্টি,পনির, মাছ। মেলানিন ধরে রাখতে দরকার জিঙ্কও। চুলের ফলিকলে ক্ষতি রুখে দেয় এই উপাদান। তা নতুন কোষ জন্মাতেও সাহায্য করে। কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, তরমুজের বীজ, কালো তিল খেতে হবে জিঙ্কের জন্য। এছাড়াও পেস্তা, কালো চানাও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খান শরীরে জিঙ্কের যোগান বজায় রাখতে।   তাহলে দেখলেন তো, চুল ভালো রাখতে কোন কোন খাবারে জোর দিতে হবে। শুধু অকালে চুল পাকা আটকাতেই নয়, এসব খাবার চুল ভালো রাখবে জীবনভর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Baldness: মাথায় টাক নিয়ে চিন্তিত? চুল গজানোর জিনিস আপনার হাতের কাছেই আছে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Baldness: এবার টাকেও গজাবে উজ্জ্বল ঘন চুল। চুল পড়ে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার দিন শেষ। এই ঘরোয়া টোটকাতেই ফিরবে হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য। ব্যবহারের ৭ দিনেই দেখবেন চুল গজিয়েছে মাথার টাকে। এমনকি নেই কোনও সাইড এফেক্ট। খরচও হবে নামমাত্র! তাই তো বলি, বাজার চলতি কসমেটিকস ছাড়ুন আর ভরসা রাখুন এই ঘরোয়া উপকরণেই। কী কী সেই উপকরণ?

     

    এতে কোনও সন্দেহই নেই যে চুল হচ্ছে সৌন্দর্যের প্রতীক। আপনার চুল। আর বর্তমান প্রজন্ম তো চুলের সমস্যাতেই জেরবার। অত্যধিক কাজের প্রেশার, অনিয়মিত খাওয়া দাওয়া, স্ট্রেস এসবের কারণে মাথার চুল উঠে গড়ের মাঠ। মেয়েরা তো বটেই সাথে সাথে পুরুষরাও আজকাল এই সমস্যায় জেরবার। দেখা যাচ্ছে অনেকেরই বড্ড অল্প বয়সেই টাকা পড়ে যাচ্ছে। তাহলে উপায়টা কী? উপায় রয়েছে আপনার হেঁসেলেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কসমেটিকসের নামে কেমিক্যাল না মেখে একবার এই ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করেই দেখুন না। ফল মিলবে হাতে নাতে। কী কী সেই টোটকা? দেখুন ঝটপট।

     

    আপনি কি জানেন ত্বকের পাশাপাশি চুলের সমস্যাও দূর করে নিমপাতা। মাথায় টাকা পড়লে সেখানে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে নিম পাতা। এর জন্য এক লিটার জলে এক মুঠো নিমপাতা দিয়ে সেটি ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর সেটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ভালো করে ছেঁকে নিন। যখনই চুলে শ্যাম্পু করবেন তখনই এই জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলেই দূর হবে খুশকির সমস্যা। চুলের গোড়া শক্ত হবে সেই সাথে নতুন চুলও গজাবে বিস্তর।

     

    আমাদের সকলের হেঁসেলেই পেঁয়াজ তো থাকবেই। পেঁয়াজ খাওয়ার পাশাপাশি মাথাতেও লাগানো যায়। না না গোটা গোটা লাগিয়ে নিতে হবেনা। একটা পেঁয়াজ থেকে রস বার করে নিয়ে সেটা মাথায় লাগাতে পারেন। এতে চুল ঘন হবে এবং চুল পড়াও বন্ধ হবে। পেঁয়াজের রস লাগানোর পর এক ঘন্টার মত অপেক্ষা করে ভালো কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু থেকে তিনদিন করলেই উপকার ফল পাবেন হাতে নাতে।

     

    চুলের জন্য ভীষণ উপকারী হচ্ছে মেথি। প্রথমেই মেথি পরিষ্কার করে নিয়ে তা জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ভিজিয়ে রাখা মেথি ভালো করে বেটে নিন। এরপর সেই বাটা মেথি চুলের গোড়ায় ব্যবহার করুন। চাইলে এতে দই এবং মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন। যতক্ষণ না চুল শুকাচ্ছে ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। এরপর ভালো কোনও শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে মাত্র একবার এই টোটকা ব্যবহার করলেই উপকার পাবেন।

     

    যদি কেউ দীর্ঘদিন মেথি ব্যবহার করছেন কিন্তু ফল পাচ্ছেন না, তারা কালোজিরে ব্যবহার করতে পারেন। মেথির সাথেই কালোজিরে মিশিয়ে নিয়ে দুটোকে প্রথমে ভালো করে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর তা ভালো করে গুঁড়ো করে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। চেষ্টা করবেন এই তেলের মিশ্রণটি কোনও কাঁচের বোতলে স্টোর করতে। একবার তৈরি করে অন্তত দুই থেকে তিন সপ্তাহ এই তেল সংরক্ষণ করা যায়। সপ্তাহে তিনদিন ব্যবহার করুন আর দেখুন ম্যাজিক। আপনার উজ্জ্বল ঘন চুল দেখে হিংসে করবে পড়শিরাও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Split Ends: চুলের ডগা ফাটা নিয়ে নাজেহাল? রইল পার্মানেন্ট সমাধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Split Ends: হাজার চেষ্টা করেও চুলের ডগা ফাটা আটকাতে পারেননি অনেকেই। চুলের ডগা ফেটে একদম রুক্ষ শুষ্ক দেখায়। এই সমস্যায় কমবেশি সব মেয়েরাই ভোগে। দু’মুখো চুলের সমস্যার পিছনে নানা কারণ দায়ী থাকে। সাধারণত আর্দ্রতার অভাবে ডগা ফাটার সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বার বার চুল কেটে ফেলা কোনও সমাধান নয়। তাছাড়া চুল কেটে ফেলার কয়েক মাস পর আবার এই সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাই ডগা ফাটার সমস্যাকে গোড়া থেকে নির্মূল করতে হবে। এমন উপায় গ্রহণ করতে হবে, তা ডগা ফাটার সমস্যাকে প্রতিরোধ করবে। কিভাবে করবেন প্রতিরোধ উপায়গুলি জানুন।

    স্নানের পর তোয়ালে বা গামছা দিয়ে চুল ঝাড়বেন না। চুল থেকে তোয়ালে বা গামছা দিয়ে চেপে চেপে জল মুছে নিতে পারেন। গেঞ্জি কাপড় হলে সব থেকে ভাল। চুলে বেশি সময় ধরে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখাও উচিত নয়। চুল মোছার জন্য মাইক্রোফাইবারজাতীয় তোয়ালেও ব্যবহার করতে পারেন।

    প্রতি দিন হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকোনো চুলের জন্য মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। এতে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয়ে যায় ড্রায়ারের তাপের কারণে। ধীরে ধীরে চুল লাল হয়ে ফেটে যায়। নিতান্তই হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করতে হলে চুলে অবশ্যই হিট প্রোটেক্টর ব্যবহার করুন। কার্লার, স্ট্রেটনার বা ক্রিম্পারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।

    গরম জলে স্নান করলে চুলের আর্দ্রতা হারাতে থাকে। যার জেরে রুক্ষ হয়ে চুল ফেটে যায়। ঠান্ডা লাগলে বরং হালকা গরম জলে স্নান করুন। তবে স্নানের শেষে চুলে ঠান্ডা জল ঢেলে নিয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে আসতে হবে। এতে চুলের ডগা ফাটা রোধ হবে।

    চুলের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে নারকেল তেলের চেয়ে ভাল বিকল্প কিছু হয় না। নারকেল তেল হল এমন একটি উপাদান, যা খুশকি, চুল পড়া, ডগা ফাটা সব ধরনের সমস্যাকে দূর করে দেয়। চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত নারকেল তেল মেখে নিন। হালকা হাতে মালিশও করতে পারেন। এবার চুলে একটা শাওয়ার ক্যাপ জড়িয়ে রাখুন এক ঘণ্টা। তারপর শ্যাম্পু করে নেবেন।

    চুলের সমস্যায় কিন্তু মধুও দারুণ কার্যকরী। সপ্তাহে একবার করে হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলে চুলে পুষ্টি পায়। এতে চুল মজবুত হয় এবং ডগা ফাটার সমস্যাও কমে যায়। চার টেবিল চামচ টক দইয়ের সঙ্গে চার চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এতে এক চামচ নারকেল তেল কিংবা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত মেখে নিন। এটি স্ক্যাল্পে লাগাতেও পারেন, আবার শুধু চুলেও লাগাতে পারেন। হেয়ার মাস্ক লাগানোর পর এক ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন।

    এছাড়াও একটি ডিমের সঙ্গে তিন চামচ আমন্ড অয়েল অথবা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। অলিভ অয়েলে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুলের আগা ফাটা রোধ করতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে এক চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি হেয়ার মাস্কের মতো মাথায় লাগান। এক ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলুন। উপকার হবে।

    এসব কাজ করার সাথে প্রচুর পরিমানে জল পান করতে হবে। সাথে স্বাস্থ্যকর ফল শাকসবজি খেতে হবে। তবে কিন্তু চুলের এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন পার্মানেন্ট ভাবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Care: চুল উঠে পাতলা হচ্ছে? দৈনন্দিন জীবনের এই দিকে গুলি মেনে চলুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Care: শীতের আমেজ যত বাড়ছে চুল উঠে পাতলা হয়ে যাচ্ছে অনেকরই। চুল ওঠা কমাতেই অনেকেই অনেক কিছু করে ফেলছেন। কিন্তু তাতে কি খুব একটা লাভ হচ্ছে ? এই চুল ওঠা কমানোর জন্য আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কিছু কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সহজ কিছু তালিকা রইলো আপনার জন্য, যেগুলো মেইনটেইন করলে চুল ওঠা একদম কমে যাবে, বরং ঘন হবে আপনার চুল।

    চুল পড়া রোধে সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন। সকালে দুধ, ডিম ও কলা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই তিনটি খাবার চুলের জন্য অনেক উপকারি। চুল পড়া রোধে মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখুন, পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খান এবং দুশ্চিন্তামুক্ত থাকুন। চুল পড়া কমাতে শরীর ও মন দুই সুস্থ রাখুন। ডিম, মেথির গুঁড়ো ও টক দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। চুলের গোড়ায় ভালো করে এই মিশ্রণ লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে দুদিন এই প্যাক ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে। স্নানের পর চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়। এ সময় জোরে চাপ দিয়ে চুল মুছবেন না। এতে চুল তাড়াতাড়ি পড়ে যেতে পারে। স্নানের পর ভালোভাবে চুল শুকিয়ে নিন। ভুলেও ভেজা চুল কোনো কিছু দিয়ে বেঁধে রাখবেন না।

    এ ছাড়া চুলে গরম বাতাস বা কোনো ধরনের তাপ দিবেন না। এতে চুল পড়া বেড়ে যাবে। অবশ্যই নিয়ম করে চুলে তেল দিন। নারকেল তেল চুলকে মসৃণ ও স্বাস্থ্যবান করে। সপ্তাহে অন্তত একদিন চুলে তেল দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সরাসরি শুকনো চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। চুল জলে ভিজিয়ে শ্যাম্পু করুন। এতে আপনার চুল মসৃণ দেখাবে।

    কাঠবাদামে রয়েছে বায়োটিন ও ম্যাগনেসিয়াম। কাজেই নিয়মিত কাঠবাদাম খেলে চুল ঘন হয়। আখরোটে রয়েছে ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন বি- সেভেন চা চুল পড়া কমায়, চুলের ফলিকর বা গোড়া মজবুত করে। পাশাপাশি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

    যদি দেখেন অনেক বেশি চুল পড়ে যাচ্ছে। তাহলে চুলের যত্নে হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। ঘৃতকুমারী, আমলকী, শিকাকাই, নিমের গুঁড়ো একই পরিমাণে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে দিন। সপ্তাহে একবার এই প্যাক ব্যবহার করুন। প্যাকটি চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন। এতে চুল পড়া কমে যাবে।

    চুল পড়া বন্ধ করতে পেঁয়াজের তেল ব্যবহার করতে পারেন। আর এই তেল আপনি নিজেই বানিয়ে নিতেন পারবেন। প্রথমে পেঁয়াজের রস নিন। চাইলে পেঁয়াজের পেস্টও নিতে পারেন। একটি প্যানে নারকেল তেল গরম করে পেঁয়াজের রস বা পেস্ট দিয়ে রান্না করুন। কিছুক্ষণ ঠান্ডা হতে রাখুন। এর পরে, এই তেলটি ছেঁকে নিন। পেঁয়াজের তেল প্রস্তুত। এই তেল এয়ার টাইট পাত্রে ৬ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, পেঁয়াজের তেলে তীব্র গন্ধ থাকে। তাই সব সময় রাতে তেলটি লাগান এবং সকালে চুলে শ্যাম্পু করুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শীতে চুল উঠা থেকে খুশকি, সব সমস্যার সমাধান চিনা বাদামের হেয়ার মাস্কে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    হেয়ার মাস্ক মানেই চুল সংক্রান্ত বেশিরভাগ সমস্যা সমাধান বলে মনে করা হয়। আপনি ভাবতে পারেন হেয়ার মাস্ক অনেক ব্যয়বহুল হতে পারে কিন্তু আপনি চাইলে চুলের মাসকের জন্য অনেক ঘরোয়া জিনিস ব্যবহার করতে পারেন। চুল পড়া কমাতে এবং চুলের ঘনত্ব বাড়াতে বেশ কিছু বাদাম আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ করতেই হবে। বাদাম শরীরের জন্য খুব উপকারী। বাদামের মতো পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য খুব কমই আছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে বাদাম খাওয়া শরীরের জন্য ভালো। চুল পড়ে যাচ্ছে কিন্তু সেই গতিতে নতুন চুল না গজালে সত্যিই চিন্তার। সব ক্ষেত্রে দারুন কাজে দিতে পারে বাদাম। চুলের শুষ্কতা বেড়ে যায় শীতে। এই সময় চুলের যত্নে যোগ করুন চিনা বাদাম। চিনা বাদামের হেয়ার মাস্ক তৈরি করে চুলে লাগালে গভীর পুষ্টি জোগায়। এই প্রতিবেদনে জানাবো কিভাবে তৈরি করবেন চিনা বাদামের হেয়ার মাস্ক।

    চিনা বাদাম এক কাপ, ভিটামিন ই ২ক্যাপসুল, পিনাট বাটার ২ থেকে ৩ চামচ, নারকেল তেল ২চামচ। ৩০ মিনিট চিনা বাদামগুলি ভিজিয়ে রাখুন। তারপর খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর গ্রাইন্ডারে রেখে কিছু জল দিয়ে মসৃণ পেস্ট করে নিন। তারপর একটি পাত্রে পেসটটি বের করে নিন এতে ভিটামিন ই, নারকেল তেল, সামান্য পিনাট বাটার যোগ করুন। মনে রাখবেন খুব ভালোভাবে সবকিছু মেশাতে হবে। কিভাবে চুলে এপ্লাই করবেন সেটা কিন্তু জেনে রাখতে হবে।

    নোংরা চুলে কখনোই চিনা বাদামের হেয়ার মাস্ক লাগাবেন না। শ্যাম্পু করার আগে চুল ধুয়ে ফেলুন। এরপর মাস্কটি চুলের গোড়া থেকে একদম শেষ পর্যন্ত লাগান। জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। তারপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। মনে রাখবেন ঘরেতে চুলে প্রোটিন ট্রিটমেন্ট দেওয়ার এটি একটি ভালো লাভজনক উপায় এটি।

    পাশাপাশি মনে রাখবেন কাঠবাদামের দুই ধরনের তেল হয়। একটি মিষ্টি আর একটি তেতো। তেতো কাঠবাদামের তেল চুল পরিচর্যায় কাজে লাগে। কাঠবাদামে তেলে থাকা ভিটামিন ই, ডি, পটাশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম এর উৎস যা চুলকে নরম ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। কাঠবাদামে তেলের সঙ্গে আরো কিছু উপাদান মিলিয়ে ব্যবহার করলে চুল এই শীতে আরও স্বাস্থ্যজ্জ্বল হবে।

    ডিমের কুসুমের সঙ্গে এক টেবিল চামচ কাঠবাদামের তেল ও এক টেবিল চামচ মধু ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণটি চুলের গোড়া থেকে পুরো চুলে লাগিয়ে গরম তোয়ালে দিয়ে পুরো মাথা পেঁচিয়ে এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। সবশেষে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।জেনে রাখবেন মাথায় নতুন চুল গজাতে এবং চুল পড়া কমাতে মিশ্রণটি সপ্তাহে একবার করে এই শীতে ব্যবহার করুন।

    আবার আপনি কয়েক ফোঁটা কাঠবাদামের তেল হাতের তালুতে নিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। দেখবেন চুল আলোক উজ্জ্বল দেখাচ্ছে। সাধারণত কোঁকড়া চুলের জন্য এটি বেশি উপকারী।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শীত আসতেই চুল ফ্রিজি হচ্ছে? এইভাবে যত্ন নিলে ৭ দিনে পাবেন রেশমের মত চুল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    শীতে আদ্রতার অভাবে চুল হয়ে পড়ে শুষ্ক, রুক্ষ এই মরশুমে চুল জেললা হারিয়ে ফেলে বাড়ে ফ্রিজি হেয়ারের সমস্যা। শীতকালে ফ্রিজি হেয়ারের সমস্যা রাতে গেলে কয়েকটি বিষয়ের উপর আপনাকে অবশ্যই নজর রাখতে তবেই পাবেন কিন্তু মসৃন চুল। গরম জলে স্নান করার প্রবণতা বাড়ে শীতে এর ফলে কিন্তু চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা তা কমে যায়। আসলে শীতের শ্যাম্পু করার কথা ভাবলে গায়ে জ্বর আসে। আবার চুল পরিষ্কার না করলেই তো মাথায় জমবে নোংরা। এলোমেলো চুলকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরাতে দারুন কার্যকরী নারকেল তেল। একটি চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টির পাশাপাশি পর্যাপ্ত আর্দ্রতার যোগান দেয়।

    এছাড়াও চুলে নিজস্ব যে তেল রয়েছে তা ধরে রাখে এবং কন্ডিশনার হিসেবে দারুন কাজ করে। একইভাবে অলিভ অয়েলও ব্যবহার করতে পারে। নারকেল তেল হালকা হওয়ায় আপনি চাইলে প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।শীতে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা কমতে শুরু করে যার ফলে প্রভাব পরে স্ক্যাল্পে। ঠিক ত্বক তার প্রাকৃতিক আর্দ্রতা খোয়াতে শুরু করে তেমনি রুক্ষ হয়ে উঠে মাথার চুল। ফলে চুল খুব সহজে ফ্রিজি ও শুষ্ক হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভালো রাখতে এই শীতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ই গ্রহণ করা প্রয়োজন। সঙ্গে পাতে রাখা উচিত কাঠবাদাম আমন্ড ফ্ল্যাক সিড সানফ্লাওয়ার সিড।

    অত্যন্ত গরম জলে চুল ধোবেন না। এতে আপনার চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বেরিয়ে যাবে। তাই ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়বে। পরিবর্তে হালকা গরম জলে স্নান করবেন।

    এছাড়াও শ্যাম্পু করার পরে চুলে কন্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না। চুলে কন্ডিশনার লাগানোর পরে দু মিনিট অপেক্ষা করুন এবং হালকা গরম জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন‌।

    চুলের থ্রিজি ভাব কাটানোর জন্য শ্যাম্পু করার পর চুলে ক্রিম বা সিরাম লাগিয়ে নিন। আপনি চাইলে রাতে শোয়ার সময় এই ক্রিম বা সিরাম লাগিয়ে নিতে পারেন।

    চুলে ঘনঘন ব্লো ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। একান্তই ব্লো ড্রায়ার ব্যবহার করতে হলে কুল মুডে রেখে ব্যবহার করুন।

    চুলের স্ট্রেটনার এর মত কোন হেয়ার টুল ব্যবহার করার আগে অবশ্যই হিট প্রোটেক্টিং সিরাম লাগিয়ে নেবেন। এই শীতে যেকোনো হেয়ার টুল যত কম পরিমাণে ব্যবহার করা যায় ততই ভালো।

    ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও বায়োটিন রয়েছে যা চুলের জন্য খুব ভালো। তাই এগ মাস্ক চুলের জন্য ভীষণ উপকারী‌। একটি পাত্রে ডিম নিয়ে তাতে টক দই লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এরপর সেটা ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে মাথায় লাগিয়ে নিন। ঘন্টা খানেক মাথায় রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন।

    অ্যাপেল সিডার ভিনিগারে প্রাকৃতিক খনিজ পদার্থ ও অ্যাসিড রয়েছে। এগুলি চুলের স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি আপেল সিডার ভিনিগারে পিএইচ লেভেল বেশি থাকায় এটি চুলের সিল্কি ও শাইনিভাব বাড়িয়ে তোলে। শ্যামপুর পর এক কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ও এক কাপ জল মিশিয়ে নিন। শ্যামপুর পরেই মিশ্রণটি চুলে ভালো করে লাগিয়ে নিন। চুলের গোড়া থেকে মাথার ডগা পর্যন্ত ভালো করে মালিশ করে নিন। তারপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন। এইভাবে শীতে ফ্রিজে চুলের যত্ন নিলে আপনার চুল থাকবে একদম সফট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মাথার টাক ঢাকবেন কীভাবে ? এই স্প্রে দিয়েই হবে ম্যাজিক

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সামনেই কত বিয়েবাড়ি অথচ আপনার মাথায় বড় টাক! এতো তাড়াতাড়ি চুল তো গজাবে না কিন্তু টাক ঢেকে বিয়ে বাড়ি যেতে পারেন আপনি। যেখানে যেখানে চুল কম! সেই জায়গাতেই এই টিপস অ্যাপ্লাই করুন মনে হবে ঘন কালো চুল। ৫ মিনিটেই টাক উধাও। এই ট্রিক এখন বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। না জানলে জানুন কীভাবে মাথায় টাক ঢাকবেন।বাজারে একধরণের হেয়ার স্প্রে পাওয়া যায় যেটা টাকের উপর দিলে মনে হবে আসল চুল। ম্যাজিকের মতো আপনার মাথা ভরে যাবে। বাজারের যে কোনও কসমেটিকের দোকানে গেলেই মিলবে এই স্প্রে। অনলাইনেও পাওয়া যায়, তবে অতিরিক্ত ব্যবহার করতে যাবেন না।

    মাথার তালুতে এগুরো জমে জমে চুলের গোড়া আটকে যাবে। টাক ঢাকতে গেলে খুব ছোট করে চুল কাটা চলবে না। তাহলে কিন্তু হাওয়ায় চুল উড়ে গেলেই কেলেঙ্কারি। তাই চুল কম থাকলেও তা লম্বা রাখার চেষ্টা করুন।

    বিয়েবাড়ির আগে ভুলেও চুলে তেল দেবেন না। তাহলে কিন্তু টাক চকচক করবে। সেদিন সকালেই মাথায় হেয়ারকালার করতে চেষ্টা করুন। এতে তালুতে রঙের হালকা প্রলেপ লেগে থাকলে টাক বোঝা যাবে না সহজে।

    মাথার সামনেটা যদি টাক থেকে থাকে তাহলে সিঁথি বদলে হেয়ারস্টাইল করুন। একটা সাইডে চুল ফুলিয়ে খোপা বাঁধতে পারেন। তাতে মুখে একটা চেঞ্জ যেমন আসবে আপনার টাক বোঝাও যাবে না। মাথার মাঝখানে যদি চুল পাতলা হয়ে যায়। তাহলে চিড়ুনি দিয়ে চুল টেনে সামনেটা পাফ করে নিন। এতেও টাক একেবারে ঢাকা পড়়ে যাবে
    রূপ বিশেষজ্ঞরা বলছেন এমনটাই।

    কম বয়সেই অনেকেই টাক হয়ে যাচ্ছেন। কমবয়সিদের মধ্যে টাক পড়ার প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে- জিনগত, চুলের যত্নের অভাব, অপুষ্টি, অত্যাধিক মানসিক চাপ, ঠিক করে ঘুম না হওয়া। তাই এমন স্টাইল বেছে নিন যাতে চুল উপরের দিকে বেশি ঘন দেখতে লাগে। এই ধরনের চুলের কায়দাও নানা রকমের হয়। আপনি নিজে যদি বুঝতে না পারেন, কোনটা করবেন, তা হলে হেয়ার এক্সপার্টদের থেরে পরামর্শ নিন কোন স্টাইলটা আপনার মুখে মানাবে। টাক পড়া শুরু হলে প্রথম থেকেই যদি সতর্ক হন এবং ঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করেন, তাহলে অনেকটাই উপকার পেতে পারেন। কিন্তু তা অবশ্যই সময়সাপেক্ষ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চুলের সেই আগের সৌন্দর্যটা হারিয়ে গেছে? শসার রসেই করবে কামাল!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চুলের সেই আগের সৌন্দর্যটা হারিয়ে গেছে? যত দিন যাচ্ছে চুল পরা যেমন বেড়েই চলেছে তেমনই চুলের সেই ঝলমলে ভাব চলে গিয়ে কেমন রুক্ষ শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে? এমন সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। তবে আর চিন্তা করতে হবে না, শসার রসেই করবে কামাল। হ্যাঁ একদম ঠিকই শুনেছেন শসার রস! চুলের সৌন্দর্য ফেরাতে শসা যে কত উপকারী তা অনেকেই জানেন না। শসাকে কিভাবে কাজে লাগাতে হবে সেই কায়দা টা জানলেই কেল্লা ফোতে!

    শশা শুষ্ক ভাব এবং চুলকানি থেকে দ্রুত মুক্তি দিতে পারে। শশার রস দিয়ে একটি সাধারণ ম্যাসাজ মাথার ত্বকের হাইড্রেশন স্তরকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারে, চুলের ফলিকলগুলিকে শক্তিশালী করতে পারে এবং চুল পড়া কমাতে পারে। শশাতে উপস্থিত প্রচুর সালফার এবং পটাসিয়াম চুল পড়া রোধ করতে পারে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। শশার রস সিলিকন, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, সালফার-সহ অনেক বৈশিষ্ট্য সরবরাহ করে। প্রতিদিন শশার রস দিয়ে চুল ধুলে চুল মজবুত হয়। শশার মধ্যে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন ক্ষতিগ্রস্থ চুল মেরামত করতে সাহায্য করে। শশা খাওয়া আপনার ত্বককে হাইড্রেট করতে পারে এবং চুল পড়া রোধ করতে পারে।

    এর রসে উপস্থিত ভিটামিন এ, সি এবং সিলিকা পাতলা চুল মেরামত ও মজবুত করে । এটি সাধারণত ডিম এবং অ্যালোভেরার সঙ্গে মিশিয়ে একটি কার্যকর হেয়ার প্যাক তৈরি করা হয় । এই মিশ্রণটি সরাসরি মাথার ত্বকে প্রয়োগ করা হয়, যা মাথার ত্বককে সুস্থ করে তোলে ।

    কিভাবে ব্যবহার করবেন?

    প্রতিদিন নিয়ম করে সকালবেলা উঠে শসার রস,অল্প পাতি লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে ম্যাসাজ করুণ। দেখবেন আপনার চুল কত সুন্দর হয়।

    সপ্তাহে অন্তত একদিন টক দইয়ের সঙ্গে শসার রস ভালো করে মিশিয়ে মাথায় লাগাতে পারেন।একদিন ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন রেজাল্ট। যাদের চুল রুক্ষ শুষ্ক হয়ে গেছে তারা কিন্তু এই হেয়ার প্যাক টি একদিন লাগাতেই পারেন।দেখবেন আপনার চুল একেবারে নরম হয়ে গেছে।

    একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করতে শশার রস, ডিম এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি চুলে সমানভাবে লাগান। ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন এবং তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন ।এতেও দারুন ফল পাওয়া যায়।

    শসার রসের সঙ্গে কারিপাতা খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি স্কাল্পে ভালো করে ঘষে ঘষে লাগিয়ে বেশ , কিছুক্ষন রেখে দিতে পারেন।তাহলে দেখবেন আপনার চুল কত সুন্দর হবে।

    শশার রস, ডিম, অলিভ অয়েল নিন এবং এগুলি মিশিয়ে কন্ডিশনার তৈরি করুন। এই কন্ডিশনারটি শুষ্ক চুলে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। কমপক্ষে 30 মিনিটের জন্য এটি রেখে দিন। এর পরে এই মাস্কটি পরিষ্কার করতে চুল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। চুলের বৃদ্ধির জন্য, সপ্তাহে একবার এটি প্রয়োগ করুন। এই ভাবে শশা দিয়ে যদি নিজের চুলের যত্ন নিতে পারেন তাহলে আপনার চুল হবে দেখার মতো। ফিরে পাবেন চুলের সেই আগের সৌন্দর্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • জবা ফুলের এই বিশেষ তেল দিয়েই চুল পড়া বন্ধ হবে! কীভাবে বানাবেন ? দেখুন সহজ পদ্ধতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    মাত্র ২ সপ্তাহে চুল পড়া বন্ধ হবে জবা ফুলের তেলে হ্যাঁ মাত্র ২ সপ্তাহে! বিশ্বাস হচ্ছে না? জবা ফুল দিয়ে চুল ঘন হবে আপনার। বাড়িতেই কীভাবে এই তেল বানাবেন ? সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি জেনে নিন। জবা ফুলের মধ্যে অ্যামিনো অ্যাসি়ড রয়েছে যা, চুলে কেরাটিন প্রোটিনের উৎপাদন বাড়িয়ে তোলে।তাহলে বুঝতেই পারছেন জবা ফুল আপনার চুলের জন্য ঠিক কতটা উপকারী! চুলের প্রাকৃতিক জেল্লা ধরেও রাখে। কিন্তু কোন উপায়ে জবা ফুল ও পাতা ব্যবহার করবেন, জানেন?

    আমন্ড অয়েলের সঙ্গে জবা ফুলের পাপড়ি মিশিয়ে দিন। এই তেল ফোটানোর বদলে শিশিতে ভরে রোদে রাখুন। ১৫ দিন ২-৩ ঘণ্টা রোদে রাখলেই আপনার হেয়ার অয়েল তৈরি বলছেন বিশেষজ্ঞরাও। সকলের বাড়িতেই টবে জবা গাছ থাকে। এই ফুলের পাপড়ি থেকে পাতা যে কত উপকারী তা জানেন না অনেকেই। শুধু একরকম ভাবে নয়। আরও বিভিন্ন উপায়ে জবার তেল বানানো যায়। জবা ফুলগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন, পাতাগুলিও ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে, এবার প্রত্যেকটি উপাদান গ্রাইন্ডারে দিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। জবা ফুল ও পাতা একসঙ্গে বেটে এরপর এবার এই মিশ্রণটি নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন। এই তেল ব্যবহার করলে আপনার চুলের যাবতীয় সমস্যা দূর হয়ে যাবে আপনি পাবেন ঘন কালো চুল।

    কেন অনান্য ফুলের থেকে জবা ফুল এতোটা আলাদা?

    বিশেষজ্বঞরা লছেন এই ফুলটিতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা খুশকির সমস্যা দূর করতে এবং চুল পড়া কমাতে দারুন কাজে দেয়। শুধু তাই নয়, অকালে চুল সাদা হয়ে যাওয়া আটকাতেও এটি সাহায্য করে। জবা ফুলের তেলে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন-সি, এআলফা-হাইড্রোক্সিল অ্যাসিড থাকে যা চুলের স্বাস্থ্য ভালো করে। বাজারে জবা ফুলের তেল কিনতে পাওয়া যায় আপনি তা কিনে এনেও ব্যবহার করতেই পারেন কিন্তু তাতে প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক থাকে সেটা মাথায় রাখবেন। ফলে চুলের দফারফা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এর থেকে জবা ফুলের তেল বাড়িতেই বানিয়ে নেওয়া ভালো তাতে উপকারও বেশি পাবেনখুব অল্প দিনেই ফল পাবেন।

    এই তেল সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার চুলে ব্যবহার করতে হবে। হাতের তালুতে নিয়ে ভালোভাবে মাসাজ করতে হবে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত। মাসাজ করতে হবে স্ক্যাল্পেও, যাতে তেল চুলের গোড়ায় ভালোভাবে পৌঁছতে পারে। তেল লাগানোর পর গরম তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন।ঘরোয়া পদ্ধতিতে প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যে চুলের যত্ন নেওয়া ভালো। তবে সব প্রাকৃতিক উপাদানই যে সবার চুলের জন্য, এমন কিন্তু নয়। তাই চুলের ধরন বুঝে যে কোনও প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা উচিত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চুলের সমস্যা বুঝে নিজেই বানিয়ে ফেলুন প্রাকৃতিক হেয়ার অয়েল! সব সমস্যার সমাধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আপনার চুলের জন্য পারফেক্ট হেয়ার অয়েল আপনি নিজেই বানাতে পারবেন। চুলের ধরন এবং চুলের সমস্যা অনুযায়ী ঘরোয়া উপাদান দিয়ে একদম প্রাকৃতিক উপায়ে নিজের চুলের তেল নিজেই বানিয়ে ফেলুন। চুলের যেমন সবরকম সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন, তেমনই ঝলমলে হবে আপনার চুল। চুল নিয়ে হাজারো সমস্যা আমাদের কাছে নতুন নয়। চুল পড়া, রুক্ষ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, ভেঙে পড়া, খুশকি ইত্যাদি সমস্যাগুলো কমবেশি আমাদের সবাইকেই ভুগিয়ে থাকে। তাই আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে চাই চুলের বাড়তি যত্ন। এক্ষেত্রে চুলের যত্নে তেল বেশ কার্যকরী।

    আপনার কি চুল ঝরে যাওয়া বা গোড়া থেকে উঠে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে? দিন দিন চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে? তাহলে জবা ফুল দিয়ে তেল বানিয়ে নিতে পারেন। দারুন কার্যকর হবে। ১০০ এমএল নারকেল তেলে পাঁচটা জবা ফুলের পাপড়ি বেটে মিশিয়ে নিন। তারপর সেটাকে গরম করতে বসান।তেল ফুটে উঠলে আঁচ থেকে নামিয়ে ছাঁকনিতে ছেঁকে ঠান্ডা করতে দিন। তারপর এয়ার টাইট বোতলে ভরে রাখুন। প্রতিবার এই তেলই মাথায় আর স্ক্যাল্পে ভালো করে মাসাজ করে আধঘণ্টা রাখবেন, তারপর শ্যাম্পু করে নেবেন। সপ্তাহে যদি দুদিন এই কাজটি করতে পারেন তাহলে আপনার চুল পড়া একদম বন্ধ হয়ে যাবে। চুলের গোড়া মজবুত হবে।

    আর আপনার যদি খুশকির সমস্যা থাকে তাহলে লেবুর গুন বিশেষ কার্যকর। কিছুতেই খুশকি কমছে না? তবে কমলালেবু আর পাতিলেবুর খোসা রোদে কড়া করে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। তারপর ১০০ এমএল নারকেল বা অলিভ অয়েল গরম করে তাতে এক টেবিলচামচ লেবুর খোসার গুঁড়ো দিন। তেল ফুটে গেলে নামিয়ে ছাঁকনিতে ছেঁকে ব্যবহার করুন। অবশ্যই তেল ঠান্ডা হতে দেবেন, তারপর ব্যবহার করবেন। খুশকির সমস্যা দূর করতেই এই পদ্ধতি ভিষন কার্যকর।

    পাকা চুল কমাতে কারিপাতার সাহায্য নিতে পারেন।দু’ টেবিলচামচ পরিমাণ কোল্ড প্রেসড নারকেল তেল গরম করুন, তাতে কারিপাতাগুলো দিয়ে দিন। আঁচ কমিয়ে রাখবেন, তাতে কারিপাতাগুলোর ধার বরাবর কালো কালি তৈরি হতে শুরু করবে। পাতা কালো হয়ে গেলে আঁচ থেকে নামিয়ে তেল ঠান্ডা হতে দিন, তারপর ছেঁকে নিন। পাকা চুলের উত্‍পাত কমাতে সপ্তাহে দু’ তিনবার ব্যবহার করা যায় এই তেল।

    এই সমস্ত প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে নিজের হেয়ার অয়েল তৈরি করতে পারলে, আপনাকে আর চুলের জন্য আলাদা করে চিন্তা করতে হবে না। চুল ওঠা যেমন বন্ধ হয়ে যাবে, তেমনি চুলের নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। পাশাপাশি চুলও হবে দেখার মত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version