Tag: Hair Care

  • Hair care: চুল স্ট্রেট করলে সত‍্যি ক্ষতি হয় ? পার্মানেন্ট স্ট্রেটনিংয়ের পর যত্ন নিন এইভাবে

    Hair care: চুল স্ট্রেট করলে সত‍্যি ক্ষতি হয় ? পার্মানেন্ট স্ট্রেটনিংয়ের পর যত্ন নিন এইভাবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair care: হেয়ার স্ট্রেটনিং বলুন smoothing হাল ফ্যাশনে বেশ ইন সকলেই চান লম্বা স্ট্রেট চুল। স্ট্রেট চুলের সঙ্গে যে কোনো রকম পোশাক মানানসই অনেকেই বলেন চুলের স্ট্রেটনিং বা smoothing করানো ভালো নয় চুল নাকি নষ্ট হয়ে যায়? সত্যি কি তাই? আসলে স্ট্রেটনিং এর জন্য একটা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আবার আয়রন করা হয় কেমিক্যাল এর ফলে চুল তার উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। আবার অনেকেই চুল বড় হলে নতুন চুল আগের মতই কোকরা থাকে, আর পুরনো চুলগুলো সোজা থাকে দেখতে বাজে লাগে তখন আবার নতুন চুলগুলো স্ট্রেট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা যায় চুল স্ট্রেট করালে চুল অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়‌। তারপরেই চুল মাঝখান থেকে ভাঙতে শুরু করে।

    তা বলে কি হেয়ার স্টাইল করবেন না। অবশ্যই করবেন কিন্তু কিছু জিনিস আমাদের সব সময় মাথায় রাখতে হবে। স্ট্রেটনিং কিংবা স্মুদিং করাতে চাইলে স‍্যালোতে গিয়ে এক্সপার্ট কে জিজ্ঞেস করবেন। তারা যদি আপনার চুল পরীক্ষা করে স্ট্রেটনিং এর পরামর্শ না দেন নিজের শখ মেটাতে স্ট্রেটনিং করাবেন না। স্ট্রেটনিং এর পর কারোর কারোর হেয়ার ফলের সমস্যা দেখা দিলেও আবার কেউ কেউ দিব্যি বছরের পর বছর স্ট্রেটনিং করিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কারণটা কী জানেন? তাদের চুলে কী কোনো ম্যাজিক হচ্ছে? না একদমই নয় তারা পার্মানেন্ট স্ট্রেটনিং করার পর নিজের চুলের সঠিক যত্নটা নিচ্ছেন স্ট্রেট করিয়ে চুল ভালো রাখতে অনেক কিছু মানতে হবে আপনাকে। স্ট্রেট করার পর চুলের সঠিক যত্ন না নিলে দেখা দিতে পারে একাধিক সমস্যা। একদিকে যেমন চুল সাদা হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে তেমনি চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায়। সবার আগে পার্মানেন্ট হেয়ার স্ট্রেটনিং এর জন্য হেয়ার এক্সপার্ট সঙ্গে কথা বলুন। সকলের চুলের ধরন আলাদা। তাই কোন প্রোডাক্ট আপনার চুলের জন্য উপযুক্ত তা কতটা ব্যবহার করবেন সব বিষয় বিস্তারিত জেনে নিন।

    এরপর কিছু ছোটখাটো জিনিস মাথায় রাখতে হবে। স্নান করার পর খুব তাড়াতাড়ি চুলে চিরুনি চালাবেন না। কারণ স্নান করার পর ভিজে চুলের গোড়া আরো দুর্বল থাকে।রোদ আপনার চুলের বারোটা বাজাতে পারে। বাইরে বেরোনোর আগে অবশ্যই চুলে সানব্লক লাগান। দূষণের থেকে চুলকে বাঁচানোর জন্য চুল ঢেকে বেরোন।

    চুলের স্টাইলের জন্য আমরা বিভিন্ন রকম হেয়ার টুল ব্যবহার করে থাকি। কেউ ব্লো ড্রাই করি কেউ কারল করি। হেয়ার স্ট্রেটের পর বিরতি দিন। নাহলে আর চুলের দফারফা হাওয়া আটকাতে পারবেন না।

    অনেকের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা আছে যে চুল স্ট্রেটনিং করার পর হয়তো চুলে তেল দিতে নেই। এর থেকে ভুল ভাবনা কিছু হতে পারে না। বরং চুলে তেল লাগানো প্রয়োজন।

    আপনি যার কাছে হেয়ার স্টাইল করিয়েছেন। তার পরামর্শ মেনে চলুন। স্ট্রেটনিং করানোর পর চুলের বিশেষ যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেন তারা। নির্দিষ্ট শ্যামপুর নাম বলে দেন আপনি সেই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। চেষ্টা করবেন সবসময় মাইন্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করতে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পাকা চুলের ধামাকা স্টাইল! পাবলিক ঘুরে তাকাবে আপনার দিকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    অল্প বয়সে পাকছে চুল কালার করার কোনও দরকার নেই। পাকা চুলই বদলে দেবে আপনার হেড টু টো স্টাইল স্টেটমেন্ট। রাস্তায় ক্রাউড ঘুরে তাকাবে আপনার দিকে। বয়সের আগে চুল পাকলেই প্রথম ভুলটা করে ফেলছেন বরং কীভাবে যত্ন নেবেন কাঁচাপাকা চুলে সেটা আজ জানুন। অল্প বয়সে চুল পাকলে লোকে কী বলবে? ভুল যান ওসব কথা। নতুন যুগের নতুন ফ্যাশন আপন করে নিতে পারলেই কেল্লাফতে। মাথায় দেখছেন সাদা চুল ওমনি পার্লারে গিয়ে করে ফেলছেন কালার বারোটা তো সেখানেই বেজে যাচ্ছে আপনার চুলের।

    কাজের চাপ, মানসিক অবসাদ আর পরিচর্যার অভাবে বয়সের আগেই অনেকেরই চুল পেকে যাচ্ছে। তাই পাকা চুলকে বার্ধক্যের লক্ষণ ভাবাটা ভুল। তবে চুল সাদা হতে দেখলেই এক্সট্রা কেয়ার নিন নিজের চুলের। এই তথ্য আপনার কনফিডেন্স কেমন বাড়াবে জানেন? হলিউড বলিউডের নামজাদা তারকারাও এখন চুলের কালার হিসেবে বেছে নিচ্ছেন সাদা বা ধূসর রঙকে। লাল নীল সবুজ বেগুনি রঙের ফ্যাশনের মাঝখানে এখন ঢুকে গেছে ধূসর রংও।

    ভগবানের বরে সেই চুল এমনিই আপনি পেলে তো দারুণ ব্যাপার। এক্ষেত্রে চুলের কাটিং কিন্তু ভীষণ ইম্পরট্যান্ট। ধূসর চুল হলে মাঝেমধ্যেই আপনার চুল কাটবেন তাতে আপনার চুল মসৃণ এবং স্টাইলিশ দেখাবে। এক্ষেত্রে মহিলারা চুলে ববকাট, পিক্সি, লেয়ার কাট দিতে পারেন এটুকু বলতে পারি রাস্তায় মানুষ একবার হলেও ঘুরে তাকাবে আপনার দিকে। এছাড়াও চুলটা একটু সিল্কি এবং অগোছালো রাখলেও মন্দ হবে না। এক্ষেত্রে চুলের লেয়ার রাখবেন কাঁধ পর্যন্ত। তবে সাবধান চুলকে বাঁচাবেন সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে।

    রোদে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ক্যাপ, স্কার্ফ বা ছাতা ব্যবহার করুন। ধূসর রঙের লম্বা চুলের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরের প্রয়োজন। সোডিয়াম লরিয়েল সালফেট যুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। এর ফলে চুল অতিরিক্ত রুক্ষ হয়ে যায়। শীত গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা, পাকা চুল ভালো রাখতে গেলে কিন্তু সিরাম ব্যবহার করতে হবে। যদি হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেটনার ব্যবহার করেন তাহলে তো সিরাম অবশ্যই জরুরি। মনে রাখবেন চুলের রং কখনোই তারুণ্যের পরিচয় হতে পারে না। আপনার মেজাজ আর কনফিডেন্সটাই আসল। একরাশ সাদা চুল নিয়েই ঘুরে বেড়ান স্বচ্ছন্দে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Washing Method: চুলে রোজ জল দেওয়া ভালো না খারাপ? একটা ভুলেই চুলের দফারফা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Washing Method: চুল পড়ার ভয়ে চুলে রোজ জল দেন না? আচ্ছা রোজ জল দেওয়া ভালো না খারাপ? জানেন কি? কী ভাবে ধুলে ভাল থাকবে আপনার চুল? কত দিন অন্তর ধোয়া জরুরি? নাকি রোজই আপনার লম্বা চুল ভেজাবেন। এই প্রশ্নের উত্তর আজ জানুন আমাদের প্রতিবেদনে। মাথায় জল দিলে আপনার কি চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়? এই সমস্যা থাকলে কমেন্ট বক্সে লিখে জানান আমাদের।

    কিন্তু বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন সত্যিই অবাক হবেন বেশি বার চুলে জল দিলে চুলের ক্ষতি হয় না। বরং কতবার শ্যাম্পু করছেন সেই দিকে নজর দিন। চুল বা মাথার ত্বকের ক্ষতি করে। রাসায়নিক দেওয়া নানা শ্যাম্পু সংবাদমাধ্যমে এমনটাই দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। অফিসে বেরোতে হয় বলে, আপনি হয়তো প্রতিদিন চুল ভিজিয়ে স্নান করেন না। এতে আপনার চুলেরই ক্ষতি হচ্ছে। পলিউশন, ধুলো, ঘাম সব কিছু জাঁকিয়ে স্ক্যাল্পে আস্তানা গাড়ে তাই অন্তত জল দিয়ে ধুয়ে এগুলোকে বিদায় করুন। চুল উজ্জ্বল থাকবে মত বিশেষজ্ঞদের।

    অনেকে আবার রোজ চুল না ভিজিয়ে পারেন না।
    কেমন যেন অস্বস্তি হয়? কিন্তু চুল ভেজালেও শ্যাম্পু দেওয়ার ক্ষেত্রে এই কয়েকটা নিয়ম মানুন। প্রথমে মাথা থেকে জল ঢেলে পুরো চুল ভিজিয়ে নিন এ বার হাতের তালুতে খানিকটা। শ্যাম্পু নিয়ে ভাল করে ঘষুন ফেনা হলে মাথার তালুতে হালকা হাতে মেখে নিন। একেবারেই তাড়াহুড়ো করবেন না। এ বার আঙুলের সাহায্যে মাথার তালু মাসাজ করতে থাকুন। এ বার জল ঢেলে ধুয়ে ফেলুন প্রয়োজনে আবার একই ভাবে মাথায় শ্যাম্পু করে নিতে পারেন। কিন্তু খেয়াল রাখবেন যেন কোনও ভাবেই মাথায় শ্যাম্পুর ফেনা লেগে না থাকে।

    তাই যারা এতো দিন চুল পড়ার ভয়ে রোজ চুলে জল দিতে না। তাঁরা এবার ভাবুন। চুল রোজ পরিষ্কার করা উচিত। আপনার ভুল ধারণার জন্য উল্টে আরও চুলের ক্ষতি হচ্ছে না তো?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Leaves For Hair: অল্প বয়সেই মাথার সামনে চুল কমছে? এই ৩ পাতার গুণেই গজাবে নতুন চুল,বন্ধ হবে হেয়ার ফলও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    ঝলমলে চুল কে না চায় প্রত্যেকদিন নিয়ম করে চুল ধোয়া কন্ডিশনার লাগানো তেল দিয়ে মাসাজ করা সবাই তো করছি কিন্তু মাথার সামনের চুল কমে যাচ্ছে কেন? অনেকেই বলে থাকি যত চুল পেছনের দিকে সামনের চুল উঠে যাচ্ছে। সামনের অংশের কম চুলের জন্য হেয়ার স্টাইলিং করতে অসুবিধা হয়। আবার নিজের কনফিডেন্ট লেভেল টাও কমে যায়। চুল পড়া কমাতে বিশেষ কিছু পাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আজ এই প্রতিবেদনে এরকম ৩ পাতার গুণাগুণ এবং ব্যবহার উল্লেখ করা হল। একটি হল জবা পাতা, বাকি দুটি পাতার নামও জেনে নিন।

    ঘন-রেশমের মতো চুল পাওয়ার জন্য পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ করা সত্যিই জরুরি? এর উত্তর হল, ‘না’! বরং, খুব সাধারণ কয়েকটি নিয়ম মেনে এবং উপযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার করলেই চুল ভালো থাকে। যেমন, হাতের কাছেই পাওয়া যায় পরিচিত কয়েকটি পাতা, যেগুলি চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, চুল পড়া কমায় এবং চুলের জেল্লাও বাড়ায়। ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জবা ফুল এবং জবার পাতার নির্যাস চুলের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    জবা ফুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি-এর সন্ধান পাওয়া যায়। জবা পাতায় বিটা ক্যারোটিনের সন্ধান মেলে। চুলের জেল্লা ধরে রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবেও কাজ করে। এক মুঠো জবার পাতা নিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। জবা ফুলের পাপড়িগুলি ছাড়িয়ে নিন। এই দুই উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এর সঙ্গে পরিমাণ মতো টক দই মিশিয়ে তৈরি করুন আপনার হেয়ার মাস্ক। উপকার পাবেন। কারি পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের সন্ধান মেলে, যা নানা ভাবে চুলের উপকারে লাগে। এছাড়াও আছে প্রোটিন ও বিটা ক্যারোটিন।অতিরিক্ত চুল পড়া কমায়। এতে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড হেয়ার ফলিকলকে মজবুত করে।

    মেথি দানা এবং আমলকির সঙ্গে কারি পাতা মিশিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন হেয়ার মাস্ক। একটি পাত্রে আধ কাপ করে কারি পাতা ও মেথি দানা নিন। এর সঙ্গে আমলকির শাঁস মেশান। প্রতিটি উপকরণ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। পরিমাণ মতো জল মেশাতে ভুলবেন না। আপনার হেয়ার মাস্ক তৈরি। এটি আপনার চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করুন। কমপ্লিট বুক অফ আয়ুর্বেদিক হোম রেমেডিস’ বইতে কেশুতি পাতার গুণাগুণের উল্লেখ পাওয়া যায়। কেশুতি পাতা বা ভৃঙ্গরাজ স্ক্যাল্পে ও চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। অতিরিক্ত চুল ওঠা বন্ধ করে।

    কেশুতি পাতা বা ভৃঙ্গরাজের তেল ব্যবহার করতে পারেন আপনি। এছাড়াও কেশুতি পাতা বেটে সেই রস চুলের গোড়ায় ও স্ক্যাল্পে লাগাতে পারেন। জেনে নিন ভৃঙ্গরাজের তেল বানানোর নিয়ম – একটি পাত্রে পরিমাণ মতো নারকেল তেল নিন। হালকা থেকে মাঝারি আঁচে গরম করুন। এর সঙ্গে মেশান কেশুতি পাতা। মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ ফুটানোর পরে তেলের রং বদলাতে শুরু করবে। এরপর আঁচ বন্ধ করে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা হওয়ার পরে ব্যবহার করুন। সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করুন, তাতেই উপকার পাবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Care Tips: রাতে চুল বেঁধে ঘুমাচ্ছেন! সাবধান, টাক পড়ে যাবে, করছেন মস্ত বড় ভুল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Care Tips: রোজ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে নিশ্চয়ই চুল বাঁধছেন? বেঁধে নিচ্ছেন একটা বিনুনি। রাতে চুল বেঁধে ঘুমালে কি ডগা ফাটা কমে? চুল মোলায়েম হয়? সত্যি কি তাই? ভাঙুন ভুল ধারণা। লাভ নয়, ক্ষতি হচ্ছে প্রচুর। চুল বাঁধার সময় করছেন মস্ত বড় ভুল। টাক পড়ে যেতে পারে। এখনই সাবধান হন। জেনে নিন, রাতে শোয়ার আগে চুল বাঁধবেন নাকি বাঁধবেন না।

    প্রতিদিনের ধুলো মাটি ঘাম দূষণ চুলের চরম শত্রু। চুল শুষ্ক প্রানহীন করে দেয়। চুল ভালো রাখতে কি না করেন। কখনো দামি দামি প্রোডাক্ট ব্যবহার করেও উপকার পান না। তাহলে কিভাবে চুলের যত্ন নেবেন? শুনুন তবে। রোজ রাতে নিয়ম করে চুল আঁচড়ান। চুলের জট ছাড়াতে তেলের পরিবর্তে সিরামও ব্যবহার করতে পারেন। আরো ভালো হয় যদি তেল দিয়ে ম্যাসাজ করেন। এতে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন হয় এবং মাথার ত্বক ভালো থাকে। রোজ রাতে তেল মাখলে চুলের গোড়া শক্ত হয়, তবে হ্যাঁ যেদিন রাতে তেল দেবেন তার পরের দিন শ্যাম্পু করে নেবেন।

    ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা করে একটা বিনুনি বেঁধে নিন। খেয়াল রাখবেন, বিনুনি যেন টাইট না হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুল টাইট করে বাঁধলে স্ক্যাল্পে বিশ্রি রকম টান পড়ে। দীর্ঘদিন এমনটা করলে টাকও পড়ে যেতে পারে। তাই রাতে চুল বাঁধুন কিন্তু আলগা করে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই চুল সিল্কের কাপড় দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে নিন কিংবা সিল্কের বালিশের কভারেও শুতে পারেন। এতে চুল ওঠার পরিমাণও কমবে ক্ষতিও অতটা হবে না। নিয়মিত বালিশের কভার পরিষ্কার রাখবেন। রোজ চুলের যত্ন নেওয়ার পরেও যদি চুলের ডগা ফাটে তাহলে ভাববেন একটা মারাত্মক ভুল করে ফেলছেন। কখনোই ভেজা চুল নিয়ে ঘুমাবেন না। এর ফলে চুল মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ডগা ফেটে যায়। ভেজা চুল ভীষণ ভঙ্গুর। তাই চুল ভালোভাবে শুকিয়ে তবেই ঘুমাতে যান।

    স্বাস্থ্যজ্জল আর ঝলমলে চুল পেতে ঘুমানোর আগে চুলের যত্নে কিছুটা সময় রাখুন। এই টিপসগুলো ফলো করে দেখুন চুল ভালো থাকবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Care Tips: মজবুত ও ঘন চুল চাই? ঘরেই এই পদ্ধতিতে বানিয়ে নিন শিকাকাই তেল

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Care Tips: চুল আচড়াতে গেলেই গোছা গোছা চুল হাতে উঠে আসছে। মজবুত ঝলমলে চুল কে না চায়?  প্রায় সব ঋতুতে এই চুলের সঠিকভাবে যত্ন না নিলে চুলের সমস্যা দেখা দেয়। বর্ষাকালে একটু বেশি চুলের যত্ন নিতে হয়। অনেকেই চুলের যত্নে আয়ুর্বেদিক উপায় এর উপর ভরসা রাখেন। চুল পড়ে যাওয়ার জন্য আজকালকার লাইফ স্টাইল দায়ী। চুল উঠে যাচ্ছে, মাথায় টাক পড়ে যাচ্ছে এই ধরনের কথাগুলো আমরা হামেশাই শুনতে পাই লোকজনের মুখে। অল্প বয়সেই আজকাল সকলের চুল পড়ে যাচ্ছে।

    বর্ষাকালে চুল পড়া আটকানো আর হাতে চাঁদ পাওয়া প্রায় সমার্থক। চুল আঁচড়াতে গেলেই যেখানে গোছা গোছা চুল হাতে উঠে আসছে, সেখানে মাথায় জল ঢাললে চুল ওঠার পরিমাণ যে কী আকার ধারণ করতে পারে, তা কল্পনাতীত। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নামীদামি অনেক প্রসাধনী তো ব্যবহার করলেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যার সহজ সমাধান হতে পারে শিকাকাইয়ের তেল। প্রাচীন কাল থেকে চুলের বিভিন্ন প্রসাধনী তৈরিতে শিকাকাই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু শিকাকাই দিয়ে তেল তৈরি করবেন কী ভাবে, তা জানা নেই তো? রইল সেই পদ্ধতি।

    খাঁটি নারকেল তেলের মধ্যে প্রথমে শিকাকাই ফুটিয়ে নিন সারারাত ওই অবস্থায় চাপা দিয়ে রেখে দিতে হবে পরের দিন সকালে থেকে কাচের শিশিতে ভরে রাখুন। শ্যাম্পু করার আধ ঘন্টা আগে পরিমাণ মতো তেল নিয়ে মাথার ত্বক ও চুলে মেখে নিন। মাথার ত্বক শুষ্ক হলে সারা রাত তেল রেখেও দিতে পারেন। তারপর মাইল্ড কোন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার ব্যবহার করুন শিকাকাইয়ের তেল। এই তেল ব্যবহার করার পর দেখবেন চুল পড়া কমেছে এমনকি খুশকি ও কমবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Vitamin E For Hair: পুজোয় ত্বক চুল ঝকঝকে চাইছেন? ভিটামিন ই ব্যবহার করুন এই পদ্ধতিতে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Vitamin E For Hair: রূপচর্চায় আগ্রহী হলে অবশ্যই ভিটামিন-ই ব্যবহার করুন নিয়মিত ভিটামিন ই ব্যবহার করলে দারুন ফল পাওয়া যায়। ভিটামিন ই থেকে তৈরি তেল অ্যান্টি-ইনফ্লেমাটরি গুণে ভরপুর। যা ত্বকের উপরে থাকা বলিরেখা কমাতে, অ্যাকনে বা ব্রণ-র সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে৷ ভিটামিন ই তেল ত্বককে করে তোলে হেলদি। ভালো রাখে চুল ও নখ। কীভাবে ব্যবহার করবেন, দেখে নিন নিয়ম।ভিটামিন ই সৌন্দর্য চর্চার অন্যতম উপদান। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার যেমন খাওয়া ভাল তেমনি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের যত্নের যত্নও ব্যবহার করা হয়। চুলের যত্নে, নখের যত্নে এবং ত্বকের যত্ন এর জুড়ি মেলা ভার। ভিটামিন ই কী কী উপকার করে, জেনে নেওয়া যাক।

    রাতে ব্যবহার করুন ভিটামিন ই, সাদারদিনের ধুলোবালি, দূষণ ও ক্লান্তিতে সবার আগে প্রভাব পরে মুখমণ্ডলের ত্বকের উপরে। নির্জীব, জৌলুসহীন হয়ে পড়ে ত্বক। সেক্ষেত্রে রাতে ত্বকের যত্ন অতিরিক্ত গুরুত্ব পায়। রাতেই ত্বক নতুন করে কোষ উৎপাদন করে। তাই রাতে ভিটামিন ই ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ভিটামিন ই ক্যাপসুলের কয়েক ফোঁটা তেল প্রতি রাতে মুখ পরিষ্কার করে ক্রিমের সঙ্গে ব্যবহার করুন। ক্রিম লাগানোর পরেই সঙ্গে সঙ্গে ঘুমোতে যাবেন না। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর শুতে যান৷ ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এই তেলের জুড়ি মেলা ভার।

    প্রত্যেকদিন চুল ঝড়ে যাওয়া, শুষ্ক হয়ে যাওয়া নিত্যদিনের সমস্যার মধ্যে দাঁড়িয়েছে। যার ফলে চুল হারাচ্ছে তার সৌন্দর্য। এই পরিস্থিতিতে ভালো ফল দিতে পারে ভিটামিন ই ক্যাপসুল। সমপরিমাণ নারকেল তেলের সঙ্গে ভিটামিন ই তেল মাশিয়ে তা মাথার ত্বকে মালিশ করুন। 2-3 ঘন্টা রাখার পরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সারারাত রেখে পরদিনও শ্যাম্পু করতে পারেন। প্রথম দিকে সপ্তাহ দু’বার তেল ব্যবহার করুন না হলে একবার অবশ্যই করুন।

    ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলেন ত্বকের যত্ন আমরা যতটা নিই ততটাই অবহেলা করি হাতের নখের ফলে নখ-ও যে হাতকে সুন্দর দেখাতে সাহায্য করে তা প্রায়শই মনে রাখি না। এক্ষেত্রে ভিটামিন ই নখের যত্নে খুব ভালো কাজ করে। রান্না করতে গিয়ে, কাপড় কাচতে গিয়ে নখ খারাপ হয়ে যায়। ভেঙে যায় বারবার। নখ হলুদও হয়ে যায়। তাই নখের যত্নে প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মালিশ করুন নখে ও তার আশেপাশে। ধীরে ধীরে ফল পাবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Dandruff Home Remedies: খুশকিতে চুল ঝরে যাচ্ছে? ৭ দিন এই টোটকা মানুন, খুশকি থেকে মুক্তি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Dandruff Home Remedies: খুশকিতে চুল ঝরে যাচ্ছে? ৭ দিন এই টোটকা মানুন, খুশকি থেকে মুক্তি এইভাবে খুশকি দূর হবে মাত্র ৭ দিনে। মাথা ভর্তি খুশকি?চুল সব ঝরে যাচ্ছে? এই উপায়ে খুশকি দূর হবে মাত্র ৭ দিনেই নানা শ্যাম্পু লাগিয়ে চুলের বারোটা বাজাচ্ছেন না তো! মাথা চুলকাতে চুলকাতেই গোটা রাতে ঘুম হচ্ছে না? এই ঘরোয়া টোটকা মেনে চললে খুশকি আর ফিরে আসবে না। অনেকেই মোটামুটি সারা বছর খুশকির সমস্যায় ভোগেন। খুশকি না কমলে চুল অকালেই ঝরে গিয়ে মাথা গড়ের মাঠ হয়ে যেতে পারে। আপনারও কী একই অবস্থা? চিন্তা করবেন না। এইভাবে খুশকি দূর করুন।

    খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে টকদই অত্যন্ত কাজের একটি উপাদান। খুশকি দূর করতে মাথার ত্বকে টকদই দিয়ে ভালভাবে মালিশ করুন। এর পর মিনিট দশেক রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে অন্তত দুবার এই ভাবে চুলে টকদই ব্যবহার করে দেখুন উপকার পাবেন।

    নিম ও তুলসী পাতা জলে ফুটিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন পাত্রের জল অর্ধেক হয়ে গেলে তা ছেঁকে ঠাণ্ডা করতে দিন সেই জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।

    আপনি জানেন কি? নারকেল তেল খুশকির প্রকোপ কমাতে পারে। এ ছাড়া চুলে গোড়ার আদ্রতা রেখে স্ক্যাল্প ইনফেকশন এর আশঙ্কাও অনেকটাই কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেলের মালিশ করলে ফল পাবেন হাতেনাতে সংবাদমাধ্যমে এমনটাই দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    স্ক্যাল্প অপরিষ্কার থাকলে খুশকি বাড়ে। এই কথা বলে থাকেন চিকিৎসকদের একাংশ। খুশকি তাড়াতে পেঁয়াজ কতটা উপকারী জানেন? পেঁয়াজের রসে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান আছে পেঁয়াজের পেস্ট থেকে রস ছেঁকে বের করে নিন তা আঙুলের সাহায্যে স্ক্যাল্পে লাগিয়ে রাখুন। আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে ১-২বার এই পেঁয়াজের রস ব্যবহার করতে পারেন এতে খুশকির সমস্যা দূর হবেই।

    আপনার স্ক্ল্যাল্পের জন্য যদি এই টোটকাতেও কাজ না হয়। তাহলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন। প্রত্যেকের স্ক্যাল্পৎআলাদা। তাই চিকিৎসকদের কথা শুনে টোটকা কাজে লাগান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Spa: টাকা তো খরচা করছেন, হেয়ার স্পা কোরোটিনের পার্থক্য জানেন তো?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Spa: আপনার চুলের হেলথ কেমন।জানেন তো? না লোক মুখে শুনেই চুলে স্পা আবার কখনও কেরাটিন করছেন আর টাকা খরচ করছেন চুলের যতনে খরচ তো করতেই হবে। আপনার চুলে কোনটা প্রয়োজন সেটা জানা কিন্তু খুব দরকার। তবেই তো ঝলমলে সুন্দর চুল পাবেন। তাহলে আর দেরি নয় সামনেই পুজো দেখে নিন হেয়ার স্পা এবং কেরোটিনের সুবিধা অসুবিধা।

    হেয়ার কেরাটিন এবং হেয়ার স্পা এর সুবিধা এবং অসুবিধা কি কি? জানতে হলে অবশ্যই পড়ুন প্রতিবেদনটি। হেয়ার কেরাটিন এবং হেয়ার স্পা চুলের চিকিৎসা। প্রায়শই মহিলারা তাদের চুল শক্ত, নরম এবং চকচকে করতে এই চিকিৎসাগুলি অবলম্বন করে। হেয়ার কেরাটিন ট্রিটমেন্টে চুল সোজা এবং সিল্কি হয়। এতে চুলে প্রোটিন দেওয়া হয়। যেখানে হেয়ার স্পাতে চুলে ম্যাসাজ ও স্টিম দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রোটিন নেই, মাসে দুবার হেয়ার স্পা করা যেতে পারেই। আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন আপনার চুলের জন্য কোন চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিৎ?

    বিভিন্ন সংবাদ মাধ‍্যম সূত্রে জানা গিয়েছে চুলের কেরাটিন একটি ব্যয়বহুল চিকিৎসা। মেয়েরা চুলের পুষ্টির জন্য হেয়ার কেরাটিন ট্রিটমেন্ট নেয়। এতে চুল সোজা ও সিল্কি করা হয়। এছাড়াও, চুলে প্রোটিন ব্যবহার করা হয়। হেয়ার কেরাটিনের পুরো নাম কেরাটিন প্রোটিন ট্রিটমেন্ট। এটি চুলের উজ্জ্বলতা এবং মসৃণতা বাড়াতে ব্যবহার করা হয়। এই চুলের চিকিৎসা। ২-৩ মাস স্থায়ী হয়। এটি শুষ্ক, ক্ষতিগ্রস্থ চুলে একটি নতুন জীবন দেয়।

    চুলের কেরাটিনের উপকারিতা:

    চুলে কেরাটিন দিলে চুলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। এই ট্রিটমেন্ট গ্রহণ করলে চুলে প্রোটিন পাওয়া যায়, যার ফলে চুল ঝলমলে থাকে এবং চকচকে থাকে। শুষ্ক চুলে কেরাটিন পাওয়া চুলের মসৃণতা বাড়ায়। কোঁকড়া চুল এই ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে সোজা হয়ে যায়। হেয়ার কেরাটিন ট্রিটমেন্ট নিলে চুল সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, দূষণ থেকে রক্ষা পায়। এতে চুল মসৃণ থাকে এবং জট লাগে না। কেরাটিন ট্রিটমেন্ট চুলকে মজবুত, সুন্দর করে তোলে। চুলের কেরাটিন চিকিৎসার সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও রয়েছে। কেরাটিন চিকিৎসার পরে আপনি সমস্ত ধরণের চুলের পণ্য ব্যবহার করতে পারবেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনাকে শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে শ্যাম্পু, কন্ডিশনার এবং চুলের স্টাইলিং পণ্য ব্যবহার করুন। নাহলে চুলের ভলিউম কমে যেতে পারে।

    এবার আসা যাক হেয়ার স্পা কী?

    হেয়ার স্পা হল চুলের জন্য দেওয়া একটি স্পা। সব বিশেষজ্ঞই চুলের যত্নে হেয়ার স্পা করার পরামর্শ দেন। চুলের যত্ন নিতে হেয়ার স্পা করা খুবই জরুরী। এতে চুলে মালিশ করা হয়। চুলের বাষ্প দেওয়া হয়। হেয়ার স্পা করার সময় হেয়ার সিরাম ব্যবহার করা হয়। চুলকে নিরাপদ রাখতে মাসে ১-২ বার হেয়ার স্পা করা দরকার। হেয়ার স্পা চুলে আনে নতুন উজ্জ্বলতা। এছাড়াও একটি হেয়ার মাস্ক প্রয়োগ করা হয়। হেয়ার স্পা হল ম্যাসাজ, শ্যাম্পু, হেয়ার মাস্ক, বাষ্প এবং অবস্থার একটি প্রক্রিয়া। এটি চুল সংক্রান্ত অনেক সমস্যা দূর করে।

    হেয়ার স্পা সুবিধা:

    হেয়ার স্পা চুলকে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। এটি চুলের গভীর কন্ডিশনিং করতে কাজ করে। হেয়ার স্পা চুল থেকে খুশকি, খুশকির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। এটি ময়লা দূর করতে কাজ করে। খুশকির সমস্যা থাকলে হেয়ার স্পা করতে পারেন। হেয়ার স্পা চুল ঘন রাখতে সাহায্য করে। এটি চুল পড়ার সমস্যা দূর করে।
    হেয়ার স্পা প্রাণহীন চুল নিরাময় করে। এতে চুলে আসে নতুন ঝলমলে। হেয়ার স্পা চুলের সমস্যা দূর করে চুলের বৃদ্ধিতে উপকারী। এটি মাথার ত্বক সুস্থ রাখে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে হেয়ার স্পা করতে গেলে সবসময় সঠিক হেয়ার প্রোডাক্ট বেছে নিন। একজন ভালো বিউটি এক্সপার্টের দ্বারা হেয়ার স্পা করিয়ে নিন। এর জন্য সবসময় ভালো ও গুনমানসম্পন্ন পণ্য ব্যবহার করুন। খারাপ হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে চুলের ক্ষতি হতে পারে। এতে চুলে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Oil: লম্বা চুলে তেল দেওয়া ভালো না খারাপ? চুল সব পড়ে যাওয়ার আগে এই ভুলগুলো করছেন কিনা দেখে নিন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Oil: রোজ নিয়ম করে চুলে তেল মাখছেন? কেউ স্নানের আগে তেল মাখছেন কেউ আবার স্নানের পর ভেজা চুলে তেল লাগান। অজান্তেই চুলের ক্ষতি করছেন না তো? অনেকে আবার আগের দিন রাতে চুলে তেল দিয়ে ঘুমোতে যান পরের দিন শ্যাম্পু করেনসত্যিই লাভ হচ্ছে না কি ক্ষতি?নিয়মিত চুলে তেল দেওয়ার কি অভ্যাস আদৌ ভাল?বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন জানুন।

    কম বেশি সবাই চুলে তেল মালিশ করেন। রোজই একগুচ্ছ চুল উঠে আসছে আপনারও ? এই সংস্যা থাকলে কমেন্ট বক্সে জানান আমাদের। মাথা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে অনেকেরই। তার মধ্যেই তেল লাগিয়ে যাচ্ছেন। নিয়মিত চুলে তেল দেওয়ার কি অভ্যাস আদৌ ভাল? মাথায় খুশকি রয়েছে? তেল মাখলে মৃত কোষ মাথায় বসে যায়। ফলে স্ক্যাল্পে চুলকানিও শুরু হতে পারে। আপনার যদি চুলে খুশকির সমস্যা থাকে তা হলে মাথায় তেল না দেওয়াই ভাল। ছত্রাকের সংক্রমণের কারণে খুশকি হয় মাথায়। তেল দিলে ছত্রাকগুলি আরও পুষ্টি পায় আর তাতেই বাড়ে সমস্যা।

    মুখভর্তি ব্রণ হয় অনেকের। সে ক্ষেত্রেও তেল মাথায় না লাগানোই ভাল। অয়লি স্কিনে ব্রণর সমস্যা বাড়ে। আপনার মাথার ত্বক কি অয়েলি? চিটচিট করে সবসময়? যাঁদের এমন সমস্যা আছে তাঁদের বেশি তেল না মাখাই ভাল। সংবাদমাধ্যমে এমনটাই দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসছে নিশ্চই তাবলে কি আর তেল মাখবেন না? অনেকেই মনে করেন তেল মেখে যতক্ষণ রেখে দেওয়া যায় হয়তো ততই ভালো! কিন্তু এর থেকে ভুল ধারণা হয়তো আর কিছু হয় না।

    সপ্তাহের প্রতিদিন তেল মাখলে হবে না। বরং সপ্তাহের ১-২ দিন আপনি তেল মালিশ করতে পারেন। শ্যাম্পু করার প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট আগে তেল মেখে নিলেই কাজ হবে। তেল বেছে নেওয়ার সময়েও আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। এরকম তেল বেছে নিতে হবে যা আপনার স্ক্যাল্পের সমস্যা কমাতে পারে। স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version