Tag: Hair Care

  • শীতে চুলে গরম জল দেবেন না ঠাণ্ডা ? এই টিপস মানলে চুল পড়া বন্ধ হবে

    শীতে চুলে গরম জল দেবেন না ঠাণ্ডা ? এই টিপস মানলে চুল পড়া বন্ধ হবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    winter Hair Care: শীত আসলে চুলে জল দেওয়া বন্ধ করে দেন? চুল ধোয়ার জন্য কেমন জল ব্যবহার করা ভালো? ঠান্ডা নাকি গরম! চুল পড়ে পড়ে মাথা বড় টাক শীতে কীভাবে চুলের যত্ন নেবেন? শীতে ঠাণ্ডার হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই গরম জল দিয়ে চুল ধুতে পছন্দ করেন। অনেকে দিনের পর দিন চুলে জল দেন না। খুসকি, মাথার ত্বকে চুলকানির মতো কয়েকটি সমস্যা বেড়ে যায়। চুল পড়ে পড়ে মাথায় কিছুই থাকে না। স্নানের সময় আপনিও শীতকালে এই ভুল করছেন না তো?

    শীতকালে ঠান্ডা লাগার ভয়ে আমরা অনেকেই গরম জলে চুল ধোওয়া শুরু করি কিন্তু জানেন? গরম জল চুলের জন্যও অত্যন্ত ক্ষতিকারক। গরম জল চুলের হাইড্রোজেন বন্ডকে ভেঙে দেয়, ফলে চুল প্রায় ১৮ শতাংশের বেশি ফুলে ওঠে মাথার ত্বক আরও শুকিয়ে যায়, চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে, চুল রুক্ষ-শুষ্ক এবং ফ্রিজী হয়ে যায়। আপনি বুঝতেও পারবেন না চুলের কত বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। তাহলে কী করবেন?ঠান্ডা জলে শীতে স্নান করবেন কীভাবে?

    ঠান্ডা জলে যদি চুল ভেজাতে পারেন তাহলে খুবই ভালো চুল এবং মাথার ত্বকের আর্দ্রতাকে লক করে। ফলে চুল হয় মসৃণ। শীতকালে ঠান্ডা জলে স্নান ও শ্যাম্পু করলে বেশ কিছু সমস্যাও আছে যা চুলকে চ্যাপ্টা করে দেয়। মনে হয় ভলিউম কমে গিয়েছে তাহলে কী করবেন? হতাশ হবেন না ইষদুষ্ণ জলে চুল ভেজান, জল সামান্য গরম করে নিন তার সঙ্গে ঠান্ডা জল মিশিয়ে তাপমাত্রা সাধারণ করুন সেই জলে স্নান করুন এতে যেমন আপনার চুল ভালো থাকবে পাশাপাশি ত্বকও ভালো থাকে। তবে শীতকালে চুলের যত্ন নিতে গেলে কিছু বিষয় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে।

    শীতকালে চুল ধোওয়ার সময় শ্যাম্পু বেশিক্ষণ চুলে রাখা উচিত নয়। বর্ষা ও গরমের সময় চুলে দীর্ঘক্ষণ শ্যাম্পু করা হয় কারণ সেই সময় চুলে প্রচুর সিবাম আসে কিন্তু শীতের মৌসুমে সেভাবে সিবাম আসে না তাই শ্যাম্পু করে দ্রুত চুল ধোওয়া প্রয়োজন। শীতকালে দীর্ঘক্ষণ চুল ধোওয়ার ফলে চুলের গোড়ার প্রাকৃতিক তেল কমে যায়। যার কারণে চুল পাতলা ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। চুলে শ্যাম্পু দিয়ে ধোওয়ার পর চুলে কন্ডিশনার লাগান তবে বেশি কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন না। অতিরিক্ত কন্ডিশনার ব্যবহার করলে চুল পাতলা হয়ে যেতে পারে।

    শীতকালে চুলের যত্ন নেওয়ার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। সেই নিয়ম মেনে চুলের যত্ন নিলে কোনও সমস্যা তৈরি হয় না। কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত যত্ন নিতে পারেন, তবে অনেক সমস্যাই সমাধান হয়। একটু চেষ্টা করলে চুলের শুষ্ক ভাব কটিয়ে জেল্লা ফিরে পেতে পারেন। শুধু স্নানের সময় এই কটা বিষয় খেয়াল রাখুন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Puja Hair Care: পুজোর আগে চুলের গ্লো চান? এই টিপস মানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুজোর আগে চুলের জন্য এই ৪ নিয়ম মানুন চুল পড়া, রুক্ষ শুষ্ক ভাব, ডগা ফেটে যাওয়া সব দূর হবে। এই বিশেষ টোটকায় পুজোর আগে ঘরের কিছু টুকটাক জিনিস দিয়ে নায়িকাদের মতো চুলের গ্ল্যামার বাড়বে আপনারও, কীভাবে? এত কষ্ট করে চুলের যত্ন নেওয়ার পরেও কি হেয়ার ফল কমছে না? তাহলে পুজোর আগে এই ৪ টি নিয়ম মেনে চলুন। চুলকে রক্ষা করতে বিছানায় বা বালিশে মাথা রাখার আগে মাথায় ভাল করে সুতির কাপড় বেঁধে নিতে পারেন। তাতে চুল পড়া ও গোড়া আলগা হয়ে যায় না। চুলে বিনুনি বা বেঁধে কাপড় দিলে সবচেয়ে ভাল হয়।

    বাড়িতে হেয়ার স্পা করতে চাইলে কলা সবচেয়ে ভাল উপকরণ। ভাল করে কলা স্ম্যাশ করে নিন। এর সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন সামান্য মধু। এই মিশ্রণ চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। কলা দিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করে চুলে ব্যবহার করলে চুল মোলায়েম এবং উজ্জ্বল হয় বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ত্বকের তুলনায় চুলের যত্ন নেওয়াটা কঠিন। সারাদিন অফিস বা অন্যান্য কাজে ব্যস্ত থাকায় চুলের যত্ন অনেকসময় নেওয়া হয় না। পুজোর আগে ইনস্ট্যান্ট চুলের গ্লো পেতে এই নিয়মগুলো মানুন। বায়োটিন বা ভিটামিন বি৭ চুলের হাল ফেরাতে খুবই কাজের। চুল নরম রাখতে ও হেয়ার ফল কমাতেও এর বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তাই এই হেয়ার মাস্ক আপনার চুলেও ম্যাজিকের মতো কাজ করবে।

    একটি পাত্রে একটি ডিম ফাটিয়ে নিন তার মধ্যে পরিমাণ মতো টক দই মেশান। এক চামচ আমন্ড অয়েল মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক বানিয়ে নিন। সেটি আপনার চুলে লাগান। ১ ঘণ্টা পরে শ্যাম্পু করুন উপকার মিলবে।

    ঘুমানোর আগে চুল আঁচড়ে সুন্দর করে বেঁধে নিন। এই কাজটি চুলকে সুস্থ ও যে কোনও সমস্যা থেকে রক্ষা করে। চুল আঁচড়ালে চুলের জট খুলে যায় পরিস্কার হয়ে যায় ও মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে তোলে। আপনার পছন্দের যে কোনও তেল লাগাতে পারেন। কয়েক মিনিটের জন্য আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করতে পারেন। তারপর চুল বেঁধে নিয়ে ভাল ঘুম দিন।

    রাতে চুলে তেল দিলে চুলের গোড়া মজবুত হয়। চকচকে এবং নরম চুল পেতে আপনি পরের দিন সকালে আপনার চুল শ্যাম্পু করে নিতে পারেন। আপনি যদি আপনার মাথার ত্বকে তেল দিতে পছন্দ না করেন তবে আপনি একটি সিরাম ব্যবহার করতে পারেন।

    উৎসবের আগে এই এক সপ্তাহ প্রত্যেকেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তচু চুলের জন্য কী করবেন বুঝতেই পারছেন না? এই টিপসগুলোই কাজে লাগবে আপনার। চুলের সব সমস্যা দূর হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মাথায় বড় টাক? এই উপায়ে চুলের যত্ন নিন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চুল পড়ে পড়ে মাথায় বড় টাক? সরু লিকলিকে বিনুনী না ছোট্ট খোপাই ভরসা তাদের বলছি হাতে এখনও সময় আছে বেশি দেরি হয়ে যায়নি। চুল পড়া বন্ধ করবেন কীভাবে? রোজ আপনার রুটিনে কয়েকটা বদল আনলেই চুল পড়া বন্ধ হবে। সুন্দর চুল কে না চায় বলুন তো। কিন্তু চুল থাকলে তো তাকে সুন্দর রাখবেন। আপনার যদি নিয়মিত চুল পড়া শুরু হয় তাহলে এখনই সাবধান হন। রোজ এই টিপসগুলো একটু মাথায় রাখুন।

    ঘাম হলেই মাথার অস্বস্তি, চুলকানি হয়। অনেকেরই তার জন্য রোজ শ্যাম্পু করার কথা ভাবেন। তবে খুব বেশি বার শ্যাম্পু করতে বারণ করছেন বিশেষজ্ঞরা। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার শ্যাম্পু যথেষ্ট। তবে রোজ করা ঠিক নয়।

    মনে রাখবেন স্নান সেরে উঠেই যদি চুল আঁচড়াতে যান তাহলে খেয়াল রাখবেন বড় দাঁড়ওয়ালা মোটা দাঁড়ের চিরুনি তুলের পক্ষে ভালো। জটের সমস্যা থাকলে আঙুল দিয়ে তা ছাড়িয়ে তারপর দিন চিরুনি।

    স্নানের পর মাথা মুছলেই যেন একগাদা চুল উঠে যায়। কখনই গামছা বা তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে মাথা মুছবেন না। ভেজা অবস্থায় চুলের গোড়া নরম এবং আলগা থাকে তার মধ্যে ঘষে ঘষে চুল মুছলে চুলের গোড়া আলগা হয়ে অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ভেজা চুল কখনই ঘষে ঘোষে মুছবেন না।

    শ্যাম্পু করা, কন্ডিশনার ব্যবহার, এগুলো যেমন করতেই হবে, পাশাপাশি আরও কিছু হেয়ার কেয়ার টিপস মেনে চলতে হবে।সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন চুলে তেল মালিশ করা প্রয়োজন। হট অয়েল মাসাজ আপনার স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। একটি পাত্রে পরিমাণ মতো নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েল নিন তা গরম করে নিন। তারপর সেই তেল আঙুলের সাহায্যে স্ক্যাল্পে ভালো করে মালিশ করে নিন। এতে স্ক্যাল্পেও রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। অক্সিজেন সরবরাহ হবে, চুল বাড়বে দেখার মতো।

    স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখাও দরকার একইসঙ্গে চুলের প্রয়োজন পুষ্টি। আর সেই ঘাটতিই পূরণ করে হেয়ার মাস্ক দিয়ে বাড়িতেই প্রোটিন হেয়ার মাস্ক বানিয়ে নিন আপনি। ডিমের সাদা অংশ এবং টক দই দিয়ে এই হেয়ার মাস্ক তৈরি করে চুলে ব্যবহার করুন। ১ ঘণ্টা পরে শ্য়াম্পু করে নিন এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    চুলের ঠিকঠাক যত্ন নিতে পারলে, তবেই তার হাল ফেরানো সম্ভব। হেয়ার কেয়ারের জন্যে সময় বের করতে পারেন না? দিনের পর দিন যখন এমন চলে, শেষে তার খারাপ প্রভাব তো পড়বেই। তাই নিয়মিত চুলের যত্ন নিন। যে ভুলগুলো আপনি করছেন সতর্ক হন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Care Tips: শ্যাম্পুতে মেশান জাস্ট একটা জিনিস, দেখুন কামাল! চুল ঝরবে না, বরং গজাবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Care Tips: চুল নিয়ে আমরা কম বেশি সকলেই চিন্তিত। শ্যাম্পুতে মেশান জাস্ট একটা জিনিস। আর দেখুন কামাল। যা হবে ভাবতেও পারছেন না। দূর হবে চুলের চিন্তা। শ্যাম্পু করার সময় কি মাথা থেকে গোছা গোছা চুল উঠে আসছে। তা নিয়ে পড়েছেন মহা চিন্তায়। চলুন, আপনাকে বলি এমন একটা ট্রিকস যাতে চুল হবে মোলায়েম, মসৃণ, ঝলমলে আর গোড়া থেকে মজবুত। শ্যাম্পুর সাথে মেশাতে হবে শুধুমাত্র একটা জিনিস, যা আপনার বাড়িতেই আছে। শ্যাম্পু করার সময় চুল কেন ওঠে? আপনার করা ভুলেই চুলের বারোটা বাজছে না তো? শ্যাম্পু করার সময় ভুলেও এই কাজগুলো করবেন না।

    অতিরিক্ত চিনি শরীরের জন্য ক্ষতিকারক, এ কথা কে না জানে বলুন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের পরিচর্যার জন্য চিনি দুর্দান্ত উপকারী। শ্যাম্পুতে জাস্ট এক চামচ চিনি মেশালে মাথার ত্বক দ্রুত পরিস্কার হবে। হ্যা একদম ঠিক শুনেছেন শ্যামপুতে মেশাতে হবে চিনি। দূর হবে চুলের চটচটে ভাবও। আলাদা করে চুলের জন্য ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন পড়বে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, চুল যদি ভালো রাখতে চান তাহলে সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার শ্যাম্পু করুন। তবে হ্যাঁ, যে সে শ্যাম্পু করলে হবে না। চুলের ধরন অনুযায়ী বেছে নিতে হবে ভালো মানের শ্যাম্পু। শ্যাম্পুর সঙ্গে মিশিয়ে নিন কয়েক চামচ চিনি। দেখবেন ম্যাজিকের মতো কাজ করবে। প্রাণ ফিরে পাবে মাথার ত্বক। দূর হবে চুলের রুক্ষ ভাব। আপনি যদি বহুদিন ধরে মজবুত ঘন চুল পাওয়ার জন্য নানান ধরনের ট্রিকস ফলো করে থাকেন, তাহলে এই ট্রিকটা একবার ফলো করুন।

    শ্যাম্পুর সঙ্গে চিনি মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুল ঘন এবং মজবুত হয়। দূর হয় খুশকির সমস্যা। তার জন্য শ্যাম্পুর সঙ্গে চিনি মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভালো ভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। চাইলে শ্যাম্পু আর চিনির সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন একটু অ্যালোভেরা জেল। বাজারের নামিদামি প্রোডাক্টের উপর ভরসা একটু কম করুন। তার পরিবর্তে বাড়িতেই বানিয়ে নিয়ে নিন অ্যালোভেরা জেলের শ্যাম্পু। এই শ্যাম্পু ব্যবহার করলে মাথার ত্বকে ইনফেকশন হয় না। উপরন্তু চুলের জেল্লা বাড়ে। চুল নরম থাকে। ঝরে পড়েও কম।

    শ্যাম্পুতে শুধু চিনি মেশালে হবে না। মানতে হবে কয়েকটা নিয়ম। শ্যাম্পুর আগে ভালো করে চুল ভিজিয়ে নিন। ঘন ঘন শ্যাম্পুর ব্র্যান্ড বদলাবেন না। এর ফলে চুলের ক্ষতি হতে পারে। বদলে ফেলুন প্রতিদিন শ্যাম্পু করার অভ্যাস। এই ভুলে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অতিরিক্ত ঝরতে থাকে। শ্যাম্পু করার সঙ্গে সঙ্গে চুল ধোবেন না। অন্তত দুই থেকে তিন মিনিট অপেক্ষা করুন। গরম জলে কখনই শ্যাম্পু করবেন না। চুল ধোবেন ঠান্ডা জল দিয়ে। মনে রাখবেন, শ্যাম্পুর সময় দু একটা চুল পড়া কিন্তু অস্বাভাবিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ টা চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর থেকে বেশি পরিমাণে চুল ঝরলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Loss Home Remedies: চুল পড়ার দিন শেষ, তেলের সঙ্গে মেশান জাস্ট একটা জিনিস! কাজ করবে ম্যাজিকের মতো

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Loss Home Remedies: তেলের সঙ্গে মেশান জাস্ট একটা জিনিস। কাজ করবে ম্যাজিকের মতো। চুল পড়ার দিন শেষ। চুলে নারকেল তেল দিচ্ছেন কিন্তু সুফল পাচ্ছেন না? ভুল আপনারই। জট পড়ে নাকানি-চোবানি অবস্থা। আঁচড়ালেই ঝরে পড়ছে সাধের চুল। চুলের জন্য সঠিক তেল কোনটা? নারকেল, সর্ষে নাকি অন্য কিছু? কীভাবে আঁচড়ালে চুল পড়া কমবে? এই ম্যাজিক টোটকা জেনে রাখুন। পুজোর আগেই পাবেন রেশমের মতো চুল।

    চুলের জন্য কোন তেল সবচেয়ে ভালো, এই প্রশ্নটা অনেকেরই। জৌলুস হারিয়ে রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে চুল। মন খারাপ করবেন না। আপনার হাতেই রয়েছে সমাধান। কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট নয়, বেছে নিন ঘরোয়া টোটকা।

    একটু খেয়াল করে দেখুন, আপনি চুলে যতই স্মুথনিং, কেরাটিন ট্রিটমেন্ট করুন না কেন, তেল কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাবেন অনেক অপশন, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে সেরার সেরা নারকেল তেল। প্রোটিনের ঘাটতি মেটায় নারকেল তেল। প্রোটিনের অভাবেই কিন্তু চুল খুব দুর্বল হয়ে যায়। মাথায় টাক পড়তে থাকে। চেষ্টা করুন নিয়মিত নারকেল তেল দিয়ে চুল মালিশ করার। আরো ভালো হয় যদি নারকেল তেলের সঙ্গে একটু ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিনে সমৃদ্ধ এই তেল চুলের গোড়ায় পৌঁছে দেয় পুষ্টি। চুল হয় মজবুত। এবার আসি সেই ম্যাজিক টোটকার কথা। নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন মেথি। চুলের যত্নে মেথির সঙ্গে কোন তুলনাই চলে না। বাজার চলতি যে কোন তেলকে টক্কর দিতে পারে নারকেল আর মেথির তেল। মেথি গুঁড়ো কিংবা দানা অবস্থাতেই আপনি নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন। তারপর সেটাকে কয়েক ঘন্টা রোদে রাখলেই তৈরি হয়ে যাবে মেথির তেল।

    এছাড়াও আছে আরো কয়েকটা সলিউশন। চুলের আগা ফেটে গেলে ব্যবহার করতে পারেন আমন্ড অয়েল। যদি বাজেট একটু বেশি থাকেন কিনে নিতে পারেন অলিভ অয়েল। এই তেল চুলকে যেমন সুন্দর করে, তেমন নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। কিংবা ফিরে যেতে পারেন সেই দিদিমার আমলে। জানলে অবাক হবেন, সরষের তেল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, মিনারেলে সমৃদ্ধ। চুল পড়া আটকায় এবং চুল দ্রুত বড় করে। সরষের তেলের সঙ্গে একটু লেবুর রস, ধনে গুঁড়ো মিশিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন হেয়ার মাস্ক। ভেজাল সরষের তেল হলে কিন্তু মুশকিল। চুলে সবাই যে সব রকম তেল ব্যবহার করতে পারবে এমন না। তেল ব্যবহার করতে হবে চুলের ধরন অনুযায়ী।

    শুধু তেল মাখলেই হবে না। চুল আঁচড়ানোর ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দরকার। আপনার সামান্য ভুলে প্রতিদিন ঝরে পড়বে শত শত চুল। খেয়াল রাখবেন, মাথায় যেন বেশি টান না লাগে। খুব জট পড়লে প্রথমে হাত দিয়ে চুল ছাড়িয়ে নিন। জট ছাড়ান চুলের শেষ প্রান্ত অর্থাৎ চুলের ডগার দিক থেকে। ব্যবহার করুন বড় দাঁড়ার চিরুনি। শ্যাম্পুর পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। কিন্তু কোন কন্ডিশনার ব্যবহার করছেন সেটা ইম্পরট্যান্ট।

    (এই তথ্যগুলি সাধারণ ধারণার জন্য। কোন চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন)

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মাথার টাকে চুল গজাবে এই বীজগুলো! কীভাবে ব্যবহার করবেন ? জানুন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    চুল পড়ে পড়ে টাক হয়ে গিয়েছে? সামনেই আবার পুজো শুনুন তাহলে চুলের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বীজ ৭ দিন ব্যবহার করে দেখুন একটাও চুল পড়বে না আর। কোন কোন বীজ কীভাবে ব্যবহার করতে হবে জানুন।  কোনও কিছুই করে চুল পড়া থামাতে পারছেন না? এই টিপস টা ৭ দিন ফলো করে দেখুন তাহলে। রোজকার খাবারে এমন সবজি, শস্যদানা রাখুন। তাতেই চুলের সব সমস্যা উধাও হবে।

    তিসির বীজ চুলের গঠন মজবুত করে চুল পড়ার সমস্যা কমায়। এছাড়াও চুলের গ্রোথেও সাহায্য করে। হেয়ার ফলিকলকে ভালো রাখতে সাহায্য করে এই বীজ। তিলের বীজ চুলের জন্য ভীষণই ভালো এখানে থাকা ভিটামিন সি এবং ফ্যাটি অ্যাসিড চুলকে ভালো রাখে। চুল পড়া আটকায় তিলের তেল যদি স্ক্যাল্প ম্যাসেজ করেন তাহলে চুলের রুক্ষ, শুষ্ক ভাব দূর হয়। টাক থেকে চুল গজাতেও সাহায্য করে। রোজ রাতে তিলের তেল স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করতে পারেন বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    দেখুন আর কোন কোন বীজ খেলে আপনি উপকার পাবেন। কোন বীজ কীভাবে ব্যবহার করলে চুল পড়া কমবে ? সূর্যমুখীর বীজে ভরে রয়েছে ভরপুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এটা চুলের জন্য উপকারী আপনি যদি চুল পড়া কমাতে চান তাহলে সূর্যমুখীর বীজ দিয়ে তেল ফুটিয়ে সেটা দিয়ে স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করতে পারেন। এই তেল দিয়ে ম্যাসাজ করার পর অবশ্যই শ্যাম্পু করে নিতে হবে।কুমড়োর বীজে রয়েছে ভরপুর মিনারেল। এখানে জিঙ্ক থেকে শুরু করে ভিটামিন এ, বি, সি, কপারের মতো জরুরি মিনারেল আছে। আপনার চুল যদি ভীষণ পাতলা হয় তাহলে এটিকে ব্যবহার করতে পারেন।

    এই বীজ চুলকে যেমন ঘন করে তেমনই এটা চুলের ঔজ্জ্বল্য ফেরায়। ব্যবহার করতে পারেন কালোজিরে
    যা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর কালোজিরের অ্যান্টিফাঙ্গাল গুণ মাথার ত্বকে কোনও রকম সংক্রমণ হলে তা আটকায় চুলের গোড়া মজবুত হয়। নারকেল তেলের মধ্যে কালোজিরে ফুটিয়ে সেই তেল ঠান্ডা করে মাথার ত্বকে মালিশ করতে পারেন। ভাল জামাকাপড়ের সঙ্গে চুল বাঁধার কায়দাতেও আনতে হবে বদল। কিন্তু চুল থাকলে তবে তো কায়দা হবে। শারীরিক সমস্যা বা মানসিক চাপও চুল পড়ার কারণ। এ ছাড়াও দূষণ, বাতাসে আর্দ্রতার কারণেও বেহাল দশা চুলের। যত দিন যাচ্ছে, ততই কমছে চুলের গোছ। পুজোর আগে চুলের একটু যত্ন না নিলেই নয়। এই টিপসেই চুলের সৌন্দর্য ফিরতে পারে আপনার। বলছেন বিশেষজ্ঞরাও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Skin Care Tips At Home: গাছ পাকা পেঁপে দিয়েই মুখ থেকে পায়ের যত্ন, আজই ট্রাই করুন এই পদ্ধতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Skin Care Tips At Home: একদিকে ঘরের কাজ অন্যদিকে অফিসের টার্গেট সামলানো দুদিক সামলাতে গিয়ে নিজেকে সময় দেওয়া হয় না তো? তবে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল ত্বক পেতে চান? তাহলে সহজেই ভরসা করতে পারেন পাকা পেঁপের ওপর এর জন্য বিশেষ কিছু করতে হবে না পেঁপে ভীষণ সহজলভ্য ফল। এই ফলটি শরীরের জন্য দারুন উপকারি। ফলটি নিয়মিত খেলে গন্ডগোল সহ নানান সমস্যা দূর হয়ে যায়‌। তেমনি ত্বকের যত্ন পেঁপে দারুন কাজ করে।

    • পাকা পেঁপেকে চটকে মেখে নিন। এতে দুই টেবিল চামচ টক দই যোগ করুন। দুটো উপাদানকে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এটা চুলে লাগান এবং আধ ঘণ্টা চুলে লাগিয়ে রেখে দিন। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। পেঁপের এই হেয়ার মাস্ক চুল পড়া কমিয়ে দেবে।
    • পাকা পেঁপেকে চটকে মেখে নিন। এর সঙ্গে একটা পাকা কলাও চটকে মেখে নিন। এবার এই মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে নিন। এরপর চুলে শাওয়ার ক্যাপ লাগিয়ে নিন। ৪৫ মিনিট রাখার পর শ্যাম্পু করে নিন। এই হেয়ার মাস্ক নিস্তেজ চুলে উজ্জ্বলতা এনে দেবে।
    • ট্যান তুলতে ব্যবহার করুন পাকা পেঁপেকে। পাকা পেঁপে ও পাকা কলা একসঙ্গে পেস্ট বানিয়ে নিন। এতে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিন। এবার এটা মুখের পাশাপাশি হাত,পায়েও লাগাতে পারেন। ২০মিনিট পর শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বক ভাল থাকবে।
    • দুধ ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী। ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ এড়াতে পাকা পেঁপের পেস্টের সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিন। এবার এটা সারা মুখে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ফেসপ্যাক শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই ফেসপ্যাক আপনার ত্বকের যৌবন ধরে রাখবে।

    অনেকের বাড়িতে কাজ করতে করতে পায়ের উপর বিস্তর চাপ পড়ে।এরফলে গোড়ালি ফেটে যায়। পেডিকিওর করতে যদি সময় না পান তাহলে ফাটা গোড়ালির জন্য পাকা পেঁপে কাজে লাগাতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hair Care: রাতে চুলে তেল মেখে ঘুমোচ্ছেন? সঠিক নিয়মটা কি জানেন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hair Care: চুলের যত্নে নিয়মিত তেল দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সবার জানা। চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অনেকেরই নিয়মিত মাথায় তেল দেওয়ার অভ্যেস থাকে। কেউ স্নানের ঘন্টাখানেক আগে মাথার তালুতে তেল মালিশ করে শ্যাম্পু করে নেন কেউ আবার আগের দিন রাতে ভালো করে তেল মালিশ করে ঘুমোতে যান। সকলের ক্ষেত্রে কী নিয়মিত চুলে তেল দেওয়ার অভ্যাস ভালো? আবার মাথায় সারারাত তেল রাখা কি সঠিক পদ্ধতি চুলে তেল দিয়েও কোনো উপকার পাচ্ছেন না আজই জেনে নিন চুলে তেল দেওয়ার সঠিক উপায় ঠিক কোনটি।

    চুলে তেল মাখার অনেক উপকারিতা রয়েছে। নিয়মিত তেল মাখলে মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। ফলে হেয়ার ফলিকলে পর্যাপ্ত পরিমাণ অক্সিজেন পৌঁছয়। বৃদ্ধি হয় দেখার মতো। তবে প্রতিদিন চুলে তেল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ঠাকুমা দিদিমারা মাথায় তেল মাখিয়ে তারপর স্নান করে দিতেন। তারা এখনও বলেন মাথা ঠান্ডা রাখতে চুলে তেল লাগানো উচিত। শুধু তাই নয় চুলে তেল লাগালে চুল থাকে নরম ঘন কালো স্বাস্থ্যকর। অনেকেই চুলে তেল দেওয়ার পরে শক্ত হাতে মাথায় মাসাজ করেন। যার ফলে ক্ষতি হয় চুলের। এমনকি হেয়ার ব্রেকেজ হতে পারে। মাথায় তেল দেওয়ার পর হালকা হাতে ৫মিনিট ম্যাসাজ করাই যথেষ্ট।

    আবার অনেকেই আছেন যারা চুলে তেল দেওয়ার পর খুব শক্ত করে চুলে বেনি করেন। এর থেকে হেয়ার ফল যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ চুলে যখন তেল দেওয়া হয় তখন তা বেশি ভঙ্গুর থাকে। একেবারেই চুলে অনেকটা তেল ঢেলে দেওয়া উচিত নয়। একটু একটু করে তেল নিয়ে মাসাজ করা উচিত। বেশি তেল দেওয়া মানেই আপনাকে তা পরিষ্কার করতে বেশি শ্যাম্পু দিতে হবে। যার ফলে আপনার চুলের স্বাভাবিক তেল ধুয়ে যাবে। কীভাবে সঠিক উপায়ে চুলে তেল দেবেন? ক্যাস্টর অয়েল, নারকেল তেলের মতো তেলগুলি সাধারন হালকা ঘন হয়। কিছুটা গরম করলে তেল মাথার ত্বকে খুব সহজে প্রবেশ করে এবং শুষে নেয়। আঙুলের ডগা ব্যবহার করে মাথার ত্বকে লাগান এবং সামান্য মাসাজ করুন। এবার প্রশ্ন হচ্ছে চুলে তেল কখন মাখবেন? সকালে স্নানের আগে তো অনেকেই তেল মাখেন তারপরে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নেন অনেকে আছে যারা ঘুমোতে যাওয়ার আগে তেল মেখে নেন। এতে কি চুলের আদৌ কোনো উপকার হয়? নাকি এটি চুলের জন্য ক্ষতিকারক।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন চুলে ৪০ থেকে ৪৫মিনিটের বেশি চুলে তেল মাখিয়ে রাখতে নেই।তাতে চুলের ক্ষতি হয়। স্নানের আগে তেল মাখা সবচেয়ে ভালো। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে তেল মেখে সারারাত রাখলেই বেশি উপকার পাওয়া যায়‌। এই ধারণা তুমি সঠিক নয়। বরং পুরো রাত চুলে তেল রাখলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। বিশেষত যদি ব্রণর সমস্যা থাকে তাহলে অবশ্যই এড়িয়ে যাবেন। চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল নিন। নারকেল তেল বা আমন্ড অয়েল দিতে পারেন। সামান্য গরম করে নিতে পারেন ‌। এই তেল আঙুলের সাহায্যে ধীরে ধীরে মালিশ করুন। এক ঘন্টা পর শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন মালিশ করতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পুজোর আগে মাথা ভর্তি চুল চান ? এই তেল ম্যাজিকের মতো কাজ করবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    পুজোর আগে মাথা ভর্তি ঘন কালো চুল চান? অষ্টমীতে শাড়ি পরে চুল খুললে সকলেই মুগ্ঘ হয়ে আপনাকে দেখবে কিন্তু লিকলিকে চুল মোটেও ভালো লাগবে না দুর্গাপুজোর আর বাকি এক মাস এর মধ্য়েও ঘন চুল পাওয়া সম্ভব অবাক হলেও সত্যি শুধু এই কটা টিপস মেনে চলুন সামান্য কিছু ঘরোয়া জিনিস ব্যবহার করেও লম্বা ঘন চুল পাওয়া সম্ভব। দেখে নিন কী সেই উপকরণগুলি?

    পুজোর আগে চুলের ঘনত্ব বাড়াতে বেদানা তেল ম্যাজিকের মতো কাজ করবে। বেদানা তেলে থাকা পিউসিনিক অ্যাসিড নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। চুল ভালো রাখার জন্য ভৃঙ্গরাজ তেলের নাম তো শুনেছেন হাতের তালুতে এই তেল নিয়ে স্ক্যাল্পে ভালো করে মাসাজ করু।ন চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে নিন এরপর বাকি তেল মালিশ করে নিন পর দিন শ্যাম্পু করে ফেলুন। এতো তাড়াতাড়ি চুল বাড়বে যে আপনার চোখে পড়বেই এক ঢাল লম্বা চুল চান অনেকেই। চুল বড় করতে অনেকেই এমন আছেন যাঁরা দীর্ঘ দিন চুল ছাঁটেন না। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন চাইলেই তো সব পাওয়া যায় না। তার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়।

    চুল পড়ার সমস্যা দূর করতে মেথি খুব ভাল কাজ করে। মেথিতে থাকা প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড চুলের গোড়া মজবুত করে চুল উজ্জ্বল এবং লম্বা করতে সাহায্য করে আমলকিতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান তা চুল পড়া বন্ধ করতে দারুণ কাজ করে। মাথার ত্বক ভাল রাখতে দ্রুত চুল বাড়াতে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। শরীরের মতো চুলেরও প্রয়োজন পর্যাপ্ত পুষ্টির। রোজ কী খাচ্ছেন তার প্রভাব শুধু শরীরে নয়, চুল ও ত্বকেও পড়ে। পুষ্টির অভাব ঘটলে চুল পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। অত্যধিক হারে চুল পড়লে তা বড় হতেও বেশি সময় নেয়। চুল বড় করতে মাথার ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

    মাথার ত্বক অর্থাৎ স্ক্যাল্পে ময়লা জমে থাকলে চুলের ক্ষতি হয়। লম্বা হতেও সময় নেয়। খেয়াল রাখবেন চুলের গোড়ায় যেন ময়লা না জমে। এর জন্য নিয়মিত শ্যাম্পু করা জরুরি। তা সম্ভব না হলেও এক দিন অন্তর শ্যাম্পু করে নিন। অনেকেই হয়তো বাড়ির বড়দের কাছে শুনে থাকবেন যে, চুল কাটলে বড় হয় তা়ড়াতা়ড়ি। এতে কিন্তু কোনও ভুল নেই। প্রতি মাসে চুল ট্রিম করা অবশ্যই জরুরি। বলছেন বিশেষজ্ঞরাও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Split Ends: চুলের ডগা ফেটে যাচ্ছে? পার্লারে গিয়েও মুক্তি পাচ্ছেন না! ঘরোয়া উপায়ে করুন সমাধান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Split Ends: যত্ন নেওয়ার পরও চুলের ডগা ফেটে যাচ্ছে? বার বার ডগা কেটে ফেলে সমস্যা দূর করতে চাইছেন? এটা কিন্তু সমাধানের উপায় নয়। কিছুদিন পর আবার এই সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। তাই ডগা ফাটার সমস্যাকে গোড়া থেকে নির্মূল করতে হবে। এমন উপায় গ্রহণ করতে হবে, তা ডগা ফাটার সমস্যাকে প্রতিরোধ করবে। হাতের কাছেই রয়েছে সমাধান। কিভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।

    চুলের ডগা ফাটা সমস্যায় কমবেশি সব মেয়েরাই ভোগে।দু’মুখো চুলের সমস্যার পেছনে নানা কারণ দায়ী থাকে।সাধারণত শুষ্কতার অভাবে স্প্লিট এন্ডের সমস্যা দেখা দেয়। এর জন্য পার্লারে গিয়ে গাদা গাদা টাকা খরচ করার কোনও প্রয়োজন নেই। ঘরোয়া কয়েকটি উপায়েই চিরতরে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। চলুন সেই পদ্ধতিগুলি দেখে নেওয়া যাক।

    চুলের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে নারকেল তেলের চেয়ে ভাল বিকল্প কিছু হয় না। নারকেল তেল খুশকি, চুল পড়া, ডগা ফাটা সহ সব ধরনের সমস্যাকে দূর করে দেয়। চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত নারকেল তেল মেখে নিন। হাত দিয়ে হালকা মালিশও করতে পারেন। এবার চুলে একটা শাওয়ার ক্যাপ একঘন্টা জড়িয়ে রাখুন। তারপর শ্যাম্পু করে নেবেন। ড্রায়ার ব্যবহার করে চুল শুকনো করবেন না। এতে চুল রুক্ষ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

    চুলের সমস্যা মধুও দারুণ উপযোগী। সপ্তাহে একবার করে মধুর হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলে চুল পুষ্টি পায়। এতে চুল মজবুত হয় এবং ডগা ফাটার সমস্যাও কমে যায়। এ জন্য চার টেবিল চামচ টক দইয়ের সঙ্গে চার চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এতে এক চামচ নারকেল তেল কিংবা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত মেখে নিন। এটি স্ক্যাল্পেও লাগাতে পারেন, আবার শুধু চুলেও লাগাতে পারেন। হেয়ার মাস্ক মাখার পর চুলে শাওয়ার ক্যাপ জড়িয়ে রাখুন। ঘণ্টা দেড়েক রাখার পর শ্যাম্পু করে নেবেন। এই হেয়ার মাস্ক চুলের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। নিয়মিত এই হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করলে আপনাকে স্প্লিট এন্ড নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

    চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় মেথির ভূমিকা কমবেশি সকলেরই জানা। চুলের ডগা ফাটার সমস্যা রোধ করার ক্ষেত্রেও মেথি দারুণ কার্যকর। ঝলমলে চুল পেতে সঠিক উপায়ে মেথি ব্যবহার করা জরুরি। প্রতিদিনের জন্য মেথির তেল ব্যবহার করুন। মেথি ভিজিয়ে তার পেস্ট বানিয়ে নিন।মেথির পেস্টের সঙ্গে টক দই মিশিয়েও চুলে মাখতে পারেন। আবার মেথিকে গুঁড়ো করে নিয়ে টক দই মিশিয়েও চুলে লাগাতে পারেন। আপনি যে উপায়েই মেথি ব্যবহার করবেন, এটি আপনার ডগা ফাটার সমস্যা দূর করবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version