Tag: Firhad Hakim

  • অরূপ–ফিরহাদের ভূমিকা নিয়ে তোপ বৈশাখীর, শোভনকে সরিয়ে দেওয়ার ফলই ভুগছেন তৃণমূল নেত্রী

    অরূপ–ফিরহাদের ভূমিকা নিয়ে তোপ বৈশাখীর, শোভনকে সরিয়ে দেওয়ার ফলই ভুগছেন তৃণমূল নেত্রী

    লিখেছেন শুভ্র চক্রবর্তী

    Baishakhi Banerjee Interview: শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মতো একনিষ্ঠ ও সৎ নেতাদের দূরে সরিয়ে দেওয়ার ফলই আজ ভুগছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—প্রথম কলকাতার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপিকার অভিযোগ, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতাকে ঘিরে থাকা একাংশ নেতা তাঁকে বাস্তব পরিস্থিতি থেকে দূরে রেখেছেন। তাঁর ভাষায়, অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিমের মতো নেতারাই তৃণমূল নেত্রীকে ভুল পথে চালিত করেছেন।

    বৈশাখীর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাঁদের সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করতেন, ক্ষতিটাও হয়েছে তাঁদের হাত ধরেই। তাঁর দাবি, “শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মতো নেতাকে সরিয়ে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের রাজনৈতিক ক্ষতিই করেছেন। যাঁরা তাঁকে সত্যি ভালবাসতেন, তাঁদের কথা না শুনে তিনি চারপাশের সুবিধাভোগীদের কথায় বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।”

    ফিরহাদ হাকিমকে নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বৈশাখী। তাঁর দাবি, ফিরহাদের নেতৃত্বে থাকা একাংশ ব্যক্তি তাঁকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করার চেষ্টা করেছিলেন। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, তৃণমূলের কয়েকজন নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ককে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছেন। তাঁর অভিযোগ, “আমাদের শুধু সম্মানহানি করা হয়নি, ব্যক্তি হিসেবে আমাদের অস্তিত্বটাই মুছে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।”

    তবে শোভনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে কোনও দ্বিধা রাখেননি বৈশাখী। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, “আমার এবং শোভনের সম্পর্ক কেউ ভাঙতে পারবে না। কোনওদিন যদি এই সম্পর্ক নষ্ট হয়, তা হবে শুধু আমাদের নিজেদের সিদ্ধান্তে। বাইরে থেকে কেউ আমাদের আলাদা করতে পারবে না।”

    একসময় তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরে বৈশাখী বিজেপিতে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে বিজেপির সঙ্গেও দূরত্ব তৈরি হয়। বারবার রাজনৈতিক অবস্থান বদলের অভিযোগ প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার সময় তাঁর পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনকে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো, শারীরিক হেনস্থা এবং চোখে লঙ্কার গুঁড়ো ছিটিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনার অভিযোগও করেছেন তিনি। বৈশাখীর কথায়, সেই পরিস্থিতিই তাঁকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করেছিল।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে যে প্রশ্ন উঠছে, তা নিয়েও অন্য অবস্থান নিয়েছেন বৈশাখী। তাঁর বক্তব্য, “একটা সময় অভিষেকের নেতৃত্বেই দল চলেছে। তখন অনেকেই তাঁর কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছেন। এখন ফল খারাপ হওয়ার পরে সব দায় তাঁর উপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।” বৈশাখী জানিয়েছেন, অভিষেকের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত যোগাযোগ খুব সীমিত হলেও কখনও অপমানজনক আচরণের মুখোমুখি হননি।

    তবে তৃণমূলের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের দায় শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের উপরেই চাপিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সত্যিকারের অনুগতদের দূরে সরিয়ে সুবিধাভোগীদের গুরুত্ব দেওয়ার রাজনৈতিক মূল্য এখন দিতে হচ্ছে তৃণমূল নেত্রীকে।

    বৈশাখীর কথায়, “যাঁরা তাঁকে সত্যি ভালবাসতেন, তাঁদেরই তিনি দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। সেই অপমানের ফলই এখন ভোগ করছেন।” তাঁর পর্যবেক্ষণ, তৃণমূল কংগ্রেসের উত্থান যেমন নাটকীয় ছিল, পতনও তেমনই আলোচিত হয়ে থাকবে।

    ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তৃণমূলের উত্থান, পনেরো বছরের শাসন এবং পতনের কারণ নিয়ে গবেষণা করতে চান বলেও জানিয়েছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

    একান্ত সাক্ষাৎকারে তাঁর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, শোভন–বৈশাখী পর্বকে তিনি শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিতর্ক হিসেবে দেখছেন না। তাঁর ব্যাখ্যায় এটি তৃণমূলের অন্দররাজনীতি, নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতারও একটি অধ্যায়।

    #BaishakhiBanerjee #MamataBanerjee #ShovonChatterjee #TrinamoolCongress #WestBengalPolitics #PoliticalNews #KolkataNews #BengalPolitics

  • Firhad Hakim : করোনা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ, চর্চার মাঝেই কোভিড নিয়ে পরামর্শ দিলেন ফিরহাদ হাকিম

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Firhad Hakim: করোনার বাড়বাড়ন্তের কারণে নতুন করে উদ্বেগ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে। গত ২১ মে’র পর এই প্রথমে এক দিনে দেশে এত সংখ্যক মানুষ করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য সতর্ক করা হয়েছে সব রাজ্যকে। সর্বক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে করোনা পরিস্থিতির দিকে। সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার রাজ্য সরকার করোনা সংক্রমণ নিয়ে সতর্কতামূলক একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক ইতিমধ্যেই সব রাজ্যগুলিকে নির্দেশনা পাঠিয়েছে। এবার এই করোনা প্রসঙ্গে মুখ খুলতে দেখা গেল।

    এই সময় পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী এবং কলকাতা মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘কোভিড নিয়ে এখনও অবধি আমাদের এখানে কোনও অসুবিধা নেই। নতুন কোনও ভ্যারিয়েন্ট এলে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ থাকে। করোনা চলে যায়নি। কিন্তু আমাদের মধ্যে করোনা প্রতিরোধ করার পাওয়ারটা চলে এসেছে। আমি যেটা শুনলাম, নতুন ভ্যারিয়েন্ট ততটা ভয়ংকর না। এটাকে নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। আমি কোনও বিশেষজ্ঞ এবং বিজ্ঞানের ছাত্র নয়। তবুও এত বছর ধরে মানুষের কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে এই কথা বলতে পারি। হয়তো মানুষ নিরাপদ থাকতেন আর একটা যদি টিকা দেওয়া হত। তবে আবার বলছি, এটা নিয়ে এখনই উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কোনও কিছু নেই।

    উল্লেখ্য, শুধু ভারত নয়, বিশ্বজুড়েই নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে করোনার নয়া ভেরিয়েন্ট। লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমিতর সংখ্যা। নতুন করে কারও করোনা উপসর্গ দেখা দিলে ঘর থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসকরা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Lopamudra Mitra: ‘গা বাঁচানোর আরেক নাম সহ্য’, ফেসবুকে কেন লিখলেন লোপামুদ্রা মিত্র ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Lopamudra Mitra: গরমে হাঁসফাঁস করছে গোটা বাংলা। এককথায় বলা চলে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত বঙ্গবাসীর। চাতকের মত আকাশ পানে চেয়ে বৃষ্টির অপেক্ষায়। চারদিকে তীব্র গরমে মানুষের অবস্থা কাহিল। কাজ করতে পারছে না মানুষ, বাচ্চাদের পড়াশোনা করতে কষ্ট। গাছপালা নেই, চারদিক ইট পাথরে মোড়া। গরম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে এসি না থাকলে কীভাবে ঘর ঠাণ্ডা রাখা যায় তার নানা উপায় অবলম্বন করছে অনেকেই। কিন্তু কাজের কাজ সেইভাবে কিছুই হচ্ছে না। এই গরমের কারণ গাছ কাটার ফল। এমনই মন্তব্য করে কলকাতা পুরসভা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যাগ করলেন সঙ্গীতশিল্পী লোপামুদ্রা মিত্র।

    গায়িকা ফেসবুকে লেখেন, “সচারচর ট্যাগ করি না। কিন্তু করলাম। গরমটা কি সহ্য হচ্ছে? হবে? আমার পাড়ায় ফুটপাথের ধারে যে বড় গাছগুলো আছে, বড় বা ছোট ঝড় এলে কেউ বাঁচবে না। কারণ, শেকড় মেলার জায়গা নেই, ঘাড়ের কাছে বড় বড় বাড়ি, ডালপালার ব্যালেন্স কমে যাচ্ছে। যে গাছগুলো গত বছর ঝড়ে বা আমফান, ইয়াশে পড়ে গেছে, তাদের জায়গায় আমরা নতুন কোন গাছ বসাইনি, কিছু গাছ বসালেও তার যত্ন নিইনি। লেক, সার্দান অ্যাভনিউ বিরাট অঞ্চল জুড়ে অনেক অনেক গাছ আজ আর নেই।” “দক্ষিণ কলকাতার লেকে কি জঙ্গল বানাতে পারি না আমরা? আমি আমার এলাকাটুকু নিয়েই আপাতত ভাবছি, স্বার্থপরের মতো। কিছু কি করা যেতে পারে? সবাই মিলে? গা বাঁচানোর আরেক নাম সহ্য, আর হচ্ছে কি?” এককথায় বলা চলে সকলের কাছে বিশেষ আর্জি জানালেন সঙ্গীতশিল্পী লোপামুদ্রা মিত্র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Arijit Singh Concert: অ্যাকোয়াটিকাতে কি আদৌও হবে অরিজিতের কনসার্ট? জল্পনা তুঙ্গে

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Arijit Singh Concert: তাঁকে নিয়ে দর্শকদের মধ্যে এক আলাদাই উন্মাদনা রয়েছে। তাঁর কনসার্টে মানুষের উপচে পড়া ভিড় নজরে আসে। কিন্তু এবার তাঁর কনসার্ট বারবার বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছে। প্রথমে ইকো পার্কে (Eco Park) হওয়ার কথা ছিল কনসার্ট। তার পরে জানা যায়, অ্যাকোয়াটিকাতে তা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি অ্যাকোয়াটিকাতে অরিজিৎ সিং-এর (Arijit Singh Concert) কনসার্ট। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ‘পেটিএম ইনসাইডার’-এ দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এমনটাই জানা গিয়েছে। কিন্তু শো যতক্ষণ না সেখানে হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছুই বলা যাচ্ছে না। কারণ এখন গায়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অত্যন্ত চিন্তিত প্রশাসন। কিন্তু হঠাৎ সবকিছু ঠিক হওয়ার পর এরকম প্রশ্ন কেন উঠছে? নিজেদের গ্যাটের টাকা খরচা করে টিকিট কেটেছেন মানুষ। সেখানে হঠাৎ যদি কনসার্ট না হয়, তাহলে একটা খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হবে। শো-এর টিকিট বিক্রি হয়েছে চড়া দামে। শো-এর ডায়মন্ড টিকিটের দাম ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত গিয়েছে।

    এদিকে ‘এই সময়’ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশিষ্ট আয়োজক তোচন ঘোষের কথায়, কনসার্টের সুরক্ষা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন আয়োজকরা। ফের পাল্টাতে পারে কনসার্টের স্থান! বিকল্প হিসেবে রেস কোর্সের কথা ভাবা হচ্ছে। যদিও আয়োজকদের পক্ষ থেকে এরকম কোনও মন্তব্য আসেনি এখনও পর্যন্ত। আপাতত শো বাতিলের কথা ঘোষণা করা হয়নি আনুষ্ঠানিকভাবে।

    কিন্তু অরিজিতের কনসার্ট থেকে কালো মেঘ কিছুতেই কাটছে না। কলকাতা (Kolkata) লেদার কমপ্লেক্স থানার এক কর্তা জানিয়েছেন, শোয়ের জন্য আমাদের কাছে আবেদন এসেছে। নিয়ম অনুযায়ী যা করার করা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কনসার্ট বাতিল নিয়ে কোনও চিঠি আসেনি। অরিজিতের কনসার্টের স্থান পরিবর্তন করা হলে প্রচুর রাজনৈতিক তরজা হয়েছে। যদিও ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, জি-২০ সামিটের কারণে অরিজিতের কনসার্টের সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি উদ্যোক্তাদের জানানো হয়েছে তখন। সেই সময় তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, অনুমতি না নিয়ে কীভাবে কনসার্টের জায়গা ঘোষণা করা হয়? টিকিটই বা বিক্রি কীভাবে শুরু হয়? এর পরই অ্যাকোয়াটিকাকে কনসার্টের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। এখন এই অনুষ্ঠান স্থলকে নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Electric Car: রাজ্যে আসছে পরিবেশ বান্ধব গাড়ি, নয়া পরিকল্পনা নিয়ে কী জানালেন পরিবহন মন্ত্রী ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Electric Car: দূষণমুক্ত পরিবেশ বান্ধব রাজ্য গড়ে তোলার উদ্দেশ্য নিয়ে পথ চলা শুরু করেছে রাজ্য পরিবহন দফতর। ইতিমধ্যেই রাজ্যে প্রায় এক হাজারেরও বেশি ইলেকট্রিক ব্যাটারি (Electric Battery) চালিত গাড়ি আনার পরিকল্পনা চলছে। এছাড়াও যাত্রী পরিষেবায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে সকল বাস গুলি রয়েছে সেই সংক্রান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য উদ্যোগী হবে পরিবহন দফতর। এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী (Snehashis Chakraborty)। রবিবার হলদিয়া (Haldia) মেলায় আসেন তিনি।

    স্নেহাসিশ চক্রবর্তীর কথায়, পশ্চিমবঙ্গে ১১৮০ টি ই-বাস আনার জন্য একটি সংস্থার সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বাস গুলি আসতে থাকলে রাজ্যের যেখানে যেখানে বাসের প্রয়োজনীয়তা আছে সেখানে দেওয়া হবে। হলদিয়াতে যেমন ই-বাস (E-Bus) দেওয়া হবে তেমনি সিটি বাসের সুবিধাও দেওয়া হবে। হলদিয়ার যে সকল শিল্পকর্মীরা রয়েছেন তাদের রাতের দিকে যাতে ফিরতে সুবিধা হয়, সেই সংক্রান্ত বিষয়ে এবার নজর দেবে পরিবহন দফতর। এমনটাই জানালেন মন্ত্রী।

    পাশাপাশি তিনি জানান, গ্রিন বেঞ্চ সহ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে ১৫ বছরের পুরনো গাড়িকে বাতিল করে দিতে হবে। সরকারি যে গাড়িগুলির বয়স ১৫ বছর পেরিয়ে গিয়েছে তাদেরকেও বাদের খাতাতেই রাখতে হচ্ছে। আর এই কাজটি এপ্রিল মাসের মধ্যেই করতে হবে বলে জানান তিনি । এই কারণে বেশ কিছু রুটে সরকারি পুরনো গাড়ি গুলি বাতিল করে দেওয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে সেই সমস্যা একেবারেই সাময়িক। খুব শীঘ্রই পুনরায় প্রত্যেকটি রুটে পরিবহন ব্যবস্থা মসৃণ হবে বলেই আশ্বাস দেন তিনি।

    উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) পৌরসভার ১৫ বছরের পুরনো গাড়ির বদলে ব্যাটারি চালিত গাড়ি আনার কথা জানিয়েছিলেন। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে বিগত শুক্রবার তিনি গাড়ি নির্মাণকারী সংস্থা মহেন্দ্রার একটি ব্যাটারি চালিত গাড়ির টেস্ট ড্রাইভ করেন বলেও জানা যায়। মেয়রের কথা অনুসারে, শহর কলকাতাতেও দূষণের মাত্রা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। কাজেই শহরে যদি ডিজেল-পেট্রোল চালিত গাড়ির বদলে ব্যাটারি চালিত গাড়ি ধাপে ধাপে আনা যায় তাহলে দূষণ অনেকটাই কমবে। তবে এই কাজ সময় সাপেক্ষ বলে জানিয়েছেন তিনিও।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Adi Ganga : বদলে যাবে আদি গঙ্গার চালচিত্র, কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে মেয়র ফিরহাদ

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Adi Ganga : প্রাচীন সময়ের বহু ঐতিহ্য নিজের মধ্যে বহন করে চলেছে তিলোত্তমা । তেমনই কলকাতার কালীঘাট মন্দিরের পেছন দিয়ে বয়ে চলেছে আদি গঙ্গা ( Adi Ganga) । এর মাধ্যমে হু হু করে জলস্রোত বইলেও এখন এর অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। আর সেই কারণেই আদিগঙ্গা বা টালি নালা সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছে কলকাতা পৌরসভা। তাতে আর্থিক সাহায্য করছে রাজ্য সরকার। কলকাতা পৌরসভার তরফ থেকে আদিগঙ্গা সংস্কার নিয়ে বড় আশার আলো দেখানো হয়েছিল। শনিবার আদি গঙ্গা নৌকার মাধ্যমে ঘুরে দেখলেন কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim) ।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিগত চার মাস ধরে কলকাতা পুরসভা এই আদি গঙ্গা সংস্কারের কাজ করছে। এখনও পর্যন্ত চলছে কাজ । তাতে অর্থ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার । আর সেই কাজ কতটা এগিয়েছে তা দেখতেই নৌকায় চড়ে আদিগঙ্গা পরিদর্শনে বেরোলেন কলকাতা পুরসভার ( KMC) মেয়র । তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুরসভার অন্যান্য আধিকারিকরা। এই টালি নালা বা আদি গঙ্গার যতটুকু এলাকা কলকাতা পুরসভার আওতায় পড়ে , সেই কাজ পুরসভা করবে । আর বাদ বাকি কাজগুলির দায়িত্ব নেবে রাজ্যের সেচ দফতর । অর্থাৎ কলকাতা পুরসভা প্রথম দফায় মোট ৪.৭ কিলোমিটার এলাকার কাজ করবে।

    এই আদি গঙ্গাকে নিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন দু ধারে থাকা কলকাতা ও সোনারপুর পুরসভার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা । বর্ষাকালে কালীঘাটের নিচু এলাকাগুলিতে আদি গঙ্গা থেকে জল ঢুকে যায় বলেও জানা গিয়েছে। কাজেই এই সংস্কারের মাধ্যমে সেই সমস্যা থেকে অন্ততপক্ষে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন আদি গঙ্গা পরিদর্শনে এসে রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পৌরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানান, ” ৩৪ বছর ধরে আগের সরকার আদি গঙ্গার এই পরিস্থিতিকে অবহেলা করে গেছে, যার খেসারত এখন দিতে হচ্ছে “।

    একইসঙ্গে ফিরহাদ জানান , কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প ‘নমামি গঙ্গাতে’ও আদি গঙ্গা সংস্কারকে যুক্ত করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে এই প্রকল্প এখনও পর্যন্ত অর্থ সাহায্যে এসে পৌঁছায়নি । তবে সেই অর্থ সাহায্য পৌঁছালে নদীর জলকে পরিষ্কার করা, নাব্যতা বৃদ্ধি করা, জোয়ারের সময় বান নিয়ন্ত্রণ করার মতো একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। বর্ষাকালে আদি গঙ্গার দু ধার দিয়ে কলকাতা পৌরসভা গাছ লাগাবে এমনটাই পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানালেন মেয়র।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Firhad Hakim: বদলে যাবে KMC-এর পুরনো গাড়ি, ব্যাটারিতেই ভরসা রাখছেন মেয়র

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Firhad Hakim: শহর কলকাতাকে দূষণমুক্ত করে তোলার জন্য কলকাতা পুরসভা তরফ থেকে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও তিলোত্তমার দূষণ মাত্রাকে কোন ভাবেই লাগাম দেওয়া যাচ্ছে না। শহরের বুকে প্রতিদিন সকালের আলো ফোটার পর থেকে সারারাত পর্যন্ত চলছে গাড়ি। এরকম পরিস্থিতিতে দূষণ নিয়ে চিন্তার কালো ছায়া দেখা গিয়েছিল কলকাতা পৌরসভার (KMC) কপালে। তবে এবার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) স্বস্তির বার্তা দিলেন। জানালেন শহরকে দূষণমুক্ত করতে ব্যাটারি চালিত গাড়ির সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রেই জোর দেবেন তাঁরা।

    শহরের বিভিন্ন জায়গায় বৈদ্যুতিক বাস চলছে। কিন্তু ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়িগুলি পেট্রোল ডিজেলেই চলে। সেই গুলিও যদি ব্যাটারি (Battery) চালিত করা যায় তাহলে দূষণের মাত্রা অনেকটাই কমবে। একইসঙ্গে কলকাতা পৌরসভার যে সকল গাড়িগুলি ১৫ বছরের পুরনো সেগুলোকে বদলে ব্যাটারি চালিত গাড়ি আনা হবে বলে জানালেন ফিরহাদ। শুক্রবার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে এক ধাপ এগিয়েছেন মেয়র। তিনি গাড়ি নির্মাণ সংস্থা মহেন্দ্রার একটি ব্যাটারি চালিত গাড়ির টেস্ট ড্রাইভ করেন বলেও জানা যায়।

    এরপরই ফিরহাদ হাকিম জানান, কলকাতা পুরসভার যে গাড়িগুলি শহরের বিভিন্ন জায়গায় চলে সেই গাড়িগুলিকেও এবার ধাপে ধাপে ব্যাটারি চালিত গাড়িতে পরিণত করার কাজ শুরু করা হবে। এর মাধ্যমে শহরে দূষণের মাত্রা অনেকাংশে কমিয়ে ফেলতে পারবে কলকাতা পৌরসভা। ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে ব্যাটারি চালিত গাড়ি চলাচল শুরু হয় তো এক ধাক্কায় হবে না। কিন্তু কলকাতা পুরসভার যে সকল গাড়ি গুলি ১৫ বছরের বেশি বয়সী তাদের পরিবর্তন করা হবে ব্যাটারির গাড়ি দিয়ে। অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে আরও এক যুক্তি রয়েছে। কিছুদিন পূর্বেই কেন্দ্রের তরফ থেকে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে যে, ১৫ বছরের পুরনো গাড়িগুলি বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে ১ এপ্রিল থেকে। ওই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে কলকাতা পুরসভা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে চাকরি, গাজলের সভা থেকে আর কী বললেন মমতা ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee: পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘন ঘন ঝটিকা সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নতুন বছরের শুরুর দিক থেকেই তিনি বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন করা শুরু করেন। সোমবার অর্থাৎ গতকাল তিনি বইমেলা উদ্বোধনের পর সোজা গিয়ে পৌঁছান বীরভূমে। আর তারপর মঙ্গলবার সেখান থেকে মালদার গাজলে একটি প্রশাসনিক সভা করেন। এদিন তিনি মালদার (Malda) এই সভা মঞ্চ থেকে একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন এবং বিভিন্ন প্রকল্পের উপভোক্তাদের হাতে সরকারি সাহায্য তুলে দেন।

    বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে চাকরি

    সোমবার রাতে ফরাক্কা থেকে উত্তর দিনাজপুরগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে যায়। সেই দুর্ঘটনার জেরে মৃত্যু হয় শাঁওলি হাঁসদা এবং নিয়তি সরকার নামে দুজনের। তাদেরকে উদ্ধার করে মালদা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পরবর্তীতে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বাস দুর্ঘটনায় নিহত নিয়তির বাড়িতে যান। মালদার সভা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ওই দুই মহিলার পরিবার পিছু একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। আর এককালীন ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে নিহতদের পরিবারকে। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim) নিহতদের বাড়িতে গিয়ে আবেদনপত্র সংগ্রহ করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘রাজ্যের টাকা তুলে নিয়ে যায় কেন্দ্র’

    মালদার সভাতেও কেন্দ্রকে নিশানা করতে ছাড়েননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “রাজ্যের ট্যাক্সের টাকা আমরা তুলি না। কেন্দ্র রাজ্য থেকে টাকা তুলে নিয়ে যায়। তার ৬০-৪০ আমরা পাই। কিন্তু ইদানিং কেন্দ্র সেই টাকা দিচ্ছে না। রাজনীতি করছে অর্থনীতি করছে না। জনকল্যাণমূলক কাজ করছে না। উপরন্তু আমাদের টাকা আমাদের দেওয়া হচ্ছে না। অথচ কেন্দ্রীয় সরকারের টিম পাঠানো হচ্ছে”।

    এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের একাধিক প্রকল্পের কথা আবারও তুলে ধরেন জনসমক্ষে সেই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে জনসাধারণ কতটা লাভ পেয়েছেন সেটাও জানান তিনি। লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী, মেধাশ্রী সহ এরকম একাধিক প্রকল্প জনকল্যাণের জন্য শুরু করা হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকার সেই কাজই করে চলেছে। এমনটাই জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও তৃণমূল আমলে নতুন করে বহু বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলা হয়েছে। কাজেই রাজ্যের উন্নয়নে সর্বতভাবে কাজ করে চলেছে রাজ্য সরকার। মালদার গাজলের সভা মঞ্চ থেকে এমনটাই বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Smart Bin In Kolkata: শহর জুড়ে বসবে স্মার্ট বিন, সমাধান মিলল প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের সমস্যার

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Smart Bin In Kolkata: শহরে প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের সমস্যা ক্রমশ বড় আকার ধারণ করছিল। সেই সমস্যার সমাধান করতে এবার কলকাতা জুড়ে বসানো হল স্মার্ট বিন (Smart Bin)। আর এই স্মার্ট বিনের উদ্বোধন করলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকেম। সেন্সর বসানো এই স্মার্ট বিন ব্যবহার করে প্লাস্টিকের বোতল গুলির পুনর্ব্যবহার সম্ভব , এমনটাই জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার স্মার্ট বিন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের মন্ত্রী শশী পাঁজা।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই স্মার্ট বিন তৈরি করার জন্য প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়েছে। বোতলের আকৃতিতে তৈরি করা হয়েছে বিনগুলিকে। আর সেই বিনগুলির মধ্যে থাকছে সেন্সর (Sensor)। এর মাধ্যমে বোঝা যাবে ওই বিনটি কতটা ভর্তি হয়েছে। ম্যাগপেট পলিমার প্রাইভেট লিমিটেড এই সেন্সর যুক্ত স্মার্ট বিনটি তৈরি করে বলে জানা যায় । এর মাধ্যমে প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করা আরও সহজ হবে এমনটাই মনে করছেন ফিরহাদ। ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভা গোটা শহর জুড়ে প্রায় এক হাজার বিন বসানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

    যেভাবে শহরে দূষণ ছড়াচ্ছে তাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা একটা বড় দায়িত্ব হয়ে উঠেছিল। সেই কাজে প্রথম দিকে খানিকটা ব্যর্থ হওয়ার পরেও এবার কলকাতা প্লাস্টিক বর্জ্যমুক্ত শহর হওয়ার পথে এগোচ্ছে। প্রথম যখন ম্যাগপেট পলিমার প্রাইভেট লিমিটেডের তরফ থেকে এই সেন্সরযুক্ত বিনটির ব্যাখ্যা দেওয়া হয় এবং এটি কীভাবে কাজ করবে সেই সংক্রান্ত ডেমো দেওয়া হয়েছিল তখন স্বাভাবিকভাবেই যথেষ্ট বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছিল আধিকারিকদের মধ্যে। এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। তবে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন তিনি নিজেও। বিন গুলির উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। আগামী দু মাসের মধ্যে শহর কলকাতার আনাচে-কানাচে এই স্মার্ট বিনগুলি দেখতে পাওয়া যাবে। এ বিষয়ে আশাবাদী পুরসভা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Hookah Bar: বন্ধ করা যাবে না কলকাতার কোন হুক্কা বার, পুরসভার সিদ্ধান্তকে বাতিল করল হাইকোর্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Hookah Bar: গত বছরের ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) জানিয়েছিলেন, কলকাতা এবং বিধাননগর এলাকার সমস্ত হুক্কা বার গুলিকে বন্ধ করে দেওয়ার কথা। তিনি রেস্তোরাঁ এবং বার কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। অনুরোধে কাজ না হলে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেবে এমনটাও ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হুক্কা বার কর্তৃপক্ষরা কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata Highcourt) দ্বারস্থ হয়। আর মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা সাফ নির্দেশ দিলেন, কলকাতায় কোন হুক্কা বার বন্ধ করা যাবে না।

    কারণ এই নিয়ে রাজ্যের কোনো রকম আইন বর্তমানে নেই। সেই কারণে কলকাতা ও বিধাননগর এলাকায় হুক্কা বার (Hookah Bar) চলতেই পারে। কেন্দ্রে তরফ থেকেই সেই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। যদি তারপরেও রাজ্য হুক্কা বার বন্ধ করতে চায় তাহলে নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে রাজ্য বা পুরসভাকে। একই সঙ্গে বিচারপতি এদিন পুরসভার এই সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গে বলেন, হুক্কা বারের জন্য যেহেতু আলাদা করে ট্রেড লাইসেন্স নেন কর্তৃপক্ষরা, সে ক্ষেত্রে এটা এইভাবে বন্ধ করে দেওয়া যায় না। কোন ব্যক্তি যদি নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে না ভাবেন অথচ তার মাধ্যমে রাজ্যের রাজস্ব আছে তাহলে এমন জিনিস কেন বন্ধ করা হবে ? এই নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    মেয়র ফিরহাদ হাকিম পূর্বে জানিয়েছিলেন যে, কলকাতার বিভিন্ন হুক্কাবার গুলিতে ক্ষতিকারক রাসায়নিক মেশানো হচ্ছে হুক্কার সঙ্গে। যা তরুন প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং মানুষের স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে। তাই শহরকে হুক্কা বার মুক্ত করার উদ্যোগ নিতে চেয়েছিল পুরসভা। তবে হুক্কা বারের মালিকরা হাইকোর্টে দাবি জানান, তাঁরা ২০০৩ সালের সেন্ট্রাল টোব্যাকো আইন মেনে এই বারগুলি চালাচ্ছেন। ব্যবহার করা হচ্ছে ভেষজ তামাক। কাজেই কলকাতা এবং বিধান নগর পুরসভার অন্তর্গত এলাকার হুক্কা বার গুলি বন্ধ করতে নারাজ ছিলেন কর্তৃপক্ষ।

    অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল পুরসভার এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে না। আর হুক্কা বার বন্ধ করার ক্ষেত্রে পুলিশ কোন আইন ছাড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে না। যদি এইরকম কোন অভিযোগ থাকে যে হুক্কায় রাসায়নিক ক্ষতিকারক দ্রব্য মেশানো হচ্ছে, তাহলে তার অনুসন্ধান করতে পারে পুলিশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version