Tag: chief minister

  • Chhatisgarh CM: আদিবাসী ভোটব্যাংক কেন মোদীর শেষ কথা ? গোপনেই বড় ছক্কা, ছত্তিশগড় থেকে শুরু মিশন

    Chhatisgarh CM: আদিবাসী ভোটব্যাংক কেন মোদীর শেষ কথা ? গোপনেই বড় ছক্কা, ছত্তিশগড় থেকে শুরু মিশন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Chhatisgarh CM: বিজেপি গুছিয়ে নিল ২০২৪র বড়সড় এই ভোটব্যাঙ্ক। কেন ছত্তিসগড়ে বিষ্ণু দেও সাইকেই করা হল মুখ্যমন্ত্রী ২০১৮য় যা ঘটেছে আর তার পুনরাবৃত্তি হতে দেবেন না নাড্ডা? কে এই বিষ্ণু দেও সাই? প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংয়ের নামটাই বেশি ছত্তিশগড়ের হাওয়ায় ঘোরা ফেরা করছিল কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টির হাইকমান্ডরা ভরসা রাখলেন নতুন মুখে নিশ্চয় জেনে গেছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী পদে বাছা হয়েছে বিষ্ণু দেও সাইকে? কিন্তু এর নেপথ্যে ঠিক কোনও ধরণের অঙ্ক কষলেন মোদী-শাহরা? হিন্দি বলয়ের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য ছত্তিশগড় সেখানে এখন পাখির চোখ ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। ২০১৯ সালে ছত্তিশগড় থেকে কটা আসন পেয়েছিল বিজেপি? কিন্তু ২০১৮তেই ঘটে গেছিল ব্লান্ডারটা যেটার রিপিট টেলিকাস্ট আর হতে দেওয়া যাবে না এটা বোঝা গেল।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন বিষ্ণু দেও সাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম মন্ত্রিসভায় স্টিল মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ছত্তীসগঢ় পৃথক রাজ্য হওয়ার আগেই রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেন বিষ্ণু দেও সাই ছত্তীসগঢ় যখন মধ্যপ্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল তখন ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রায়গড় লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন। তবে এসব ছাড়িয়েও সবথেকে বড় পয়েন্ট বিষ্ণু দেও সাই ছত্তিশগড়ে তফশিলি জাতির বড় মুখ। আদিবাসী অধ্যুষিত এই রাজ্যে প্রথম বারের জন্য কোনও আদিবাসী মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন এখানেই রয়েছে ২০২৪ জন্য বিজেপির নয়া স্ট্র্যাটেজি।

    নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণেও দেখা গিয়েছে ছত্তীসগঢ়ের তফসিলি জাতি এবং তফসিলি জনজাতিদের সিংহভাগ ভোট এ বার বিজেপির অনুকূলে গিয়েছে। অথচ ২০১৮ সালের বিধানসভা ভোটে এই ভোটই গিয়েছিল কংগ্রেসের ঝুলিতে মনে। করা হচ্ছে, লোকসভা ভোটের আগে আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক অক্ষুণ্ণ রাখতেই বিষ্ণুকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নিল পদ্মশিবির। ২০১৯ সালে ১১ আসনের ছত্তিশগড় লোকসভায় বিজেপি পেয়েছিল ৯টা আসন অন্যদিকে কংগ্রেস ২ টো ২০১৯ যেখানে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় ও রাজস্থান মিলিয়ে তফশিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত ৪৭ টা আসনের মধ্যে ৩১ টাই নিজেদের দখলে নিয়েছিল বিজেপি।

    ২০২৪র জন্যও সেই অঙ্কটাই এখন থেকে কষে রাখলেন তিনমূর্তি। বিজেপি সূত্রের খবর, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ‘সুনজরে’ থাকা বিষ্ণু রাজ্য রাজনীতিতে রমন সিংহের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বিষ্ণুর কেন্দ্রে প্রচারে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে বিজেপি ক্ষমতায় ফিরলে বিষ্ণুকে বড় দায়িত্ব দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিষ্ণুর নাম চূড়ান্ত হতেই তাঁকে এক্স মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছত্তীসগঢ়ের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Chhattisgarh Chief Minister: ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিষ্ণু দেব সাই, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিজেপির বৈঠকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Chhattisgarh Chief Minister: ছত্তিশগড়ের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিষ্ণু দেব সাই। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিজেপি বিধায়ক দলের বৈঠকে। ডেপুটি সিএমও ঘোষণা করা হবে।

    বিষ্ণু দেব সাই একজন কৃষক পরিবার থেকে এসেছেন এবং একজন আদিবাসী মুখ। তাকে রমন সিংয়ের ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়। এমপিও হয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি তিনি দুবার বিজেপির রাজ্য সভাপতিও হয়েছেন। আদিবাসী সমাজে বিষ্ণু দেব সাইয়ের সরল স্বভাবের প্রভাব বেশ প্রগাঢ়। রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও তাঁর যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

    আগেই গুঞ্জন উঠেছিল, বিজেপি যদি ২০০৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনবার মুখ্যমন্ত্রী থাকা রমন সিংকে নির্বাচন না করে, তবে ওবিসি (অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণী) বা উপজাতি সম্প্রদায় থেকে মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেবে এবং ঠিক তাই ঘটেছে। রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে বিষ্ণু দেব সাইয়ের নাম নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অনুমোদন করা হয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিষ্ণু দেব সাই, রেণুকা সিং, যিনি বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন, প্রাক্তন রাজ্য মন্ত্রী রামবিচার নেতাম এবং লতা সেন্দি।

    এই রাজ্যের জনসংখ্যায় উপজাতি সম্প্রদায়ের অংশীদারিত্ব ৩২ শতাংশ এবং বিজেপি এবার তফসিলি উপজাতি (এসটি) এর জন্য সংরক্ষিত ২৯টি আসনের মধ্যে ১৭টি জিতেছে। বিজেপি ২০১৮ সালে আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত মাত্র তিনটি আসন জিতেছিল। এবার তিনি আদিবাসী অধ্যুষিত সুরগুজা বিভাগের ১৪টি আসনের সবকটিতেই জয়ী হয়েছেন। কংগ্রেস ২০১৮ সালে ১৪টি আসন জিতেছিল। বিষ্ণুদেব সাই, রেণুকা সিং, রামবিচার নেতাম এবং গোমতী সাই এই বিভাগের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee: কল্পতরু মমতা, আলিপুরদুয়ারে মাস্টারস্ট্রোক মুখ্যমন্ত্রীর, কি কি ঘোষণা করলেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Mamata Banerjee: উত্তরবঙ্গ সফরে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। লোকসভা ভোটের আগে তিনি যেন কল্পতরু। রবিবার আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠানে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চা শ্রমিকদের জন্য মাসিক দেড় হাজার টাকা দেওয়ার সরকারি প্রতিশ্রুতির ঘোষণা৷ রাজনৈতিক মহলের একাংশ যাঁকে মমতার মাস্টার স্ট্রোক বলে মনে করছে । সঙ্গে বাড়ি তৈরির জন্য আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও দিতে দেখা যায় তাঁকে। রবিবার আলিপুরদুয়ারে সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই চা শ্রমিকদের হাতে জমির পাট্টা তুলে দেন তিনি।

    তিনি এদিন মঞ্চ থেকে বলেন , ৪৩ হাজার বাড়িতে ঘরে ঘরে পানীয় জল পৌঁছে দিয়েছি। ১ লক্ষ ২০ হাজার বাড়িতে জল পৌঁছে যাবে আগামী ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে। কেন্দ্রীয় সরকার শুধু বিজ্ঞাপন দেয়। কিন্তু জমি কে দেয় ? বিদ্যুৎ কে দেয় ? ক্রপ বিমা যেসব কৃষকদের করা আছে। তাঁরাও টাকা পাবেন। তিনি এর সাথে যোগ দিয়ে বলেন, ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে খরিপ চাষের টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে।

    পাশাপাশি এদিন কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে । তিনি বলেন, ‘আমি দিল্লি যাচ্ছি। গরিব মানুষের টাকা দিতে হবে। না হলে গদি ছাড়তে হবে। আমাদের বহু টাকা বাংলার পাওনা রয়েছে। এই টাকা দিতে হবে। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছিলাম। আশা করি তিনি সময় দেবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Revanth Reddy: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রথম দিনেই স্বমহিমায় রেবন্ত রেড্ডি, দিলেন চাকরি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Revanth Reddy: তেলাঙ্গানায় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আজই শপথ নিয়েছেন কংগ্রেসের রেবন্ত রেড্ডি। হায়দরাবাদের এলবি স্টেডিয়ামে একটি জমকালো অনুষ্ঠানে শপথ নিয়েছেন তিনি। শুধু তিনি এক নন, তাঁর সাথে আজ শপথ নিতে দেখা যায় আরও ১১ জন মন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ভাট্টি বিক্রমার্কা। এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী, সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী সহ বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেস সভাপতিরা। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ১ দিন যেতে না যেতেই বিরাট কাজ করে ফেললেন তিনি। অন্যান্য রাজ্যে যেখানে চাকরি নিয়ে এত হাহাকার, সেখানে তেলাঙ্গনাতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার চাকরি দেওয়ার জন্য তোড়জোড় শুরু করলেন তিনি। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই দুটো ফাইলে সই করে দিলেন। নির্বাচনী প্রচারের সময় কংগ্রেসের তরফে রাজ্য দেওয়া ছয় প্রতিশ্রুতি পূরণের ফাইল একটি আর একটি ফাইল বিশেষভাবে সক্ষম মহিলাকে চাকরি দেওয়ার।

    উল্লেখ্য, এবিভিপি-র হাত ধরে রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল রেবন্ত রেড্ডির। পরবর্তী পর্যায়ে তেলুগু দেশম পার্টিতে যোগ দিয়ে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চন্দ্রবাবু নাইডুর দলেই ছিলেন তিনি। তারপর সেই দল ছেড়ে যোগ দেন কংগ্রেসে। ২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনে লড়ে হেরে গেলেও কংগ্রেসের হাত ছাড়েননি তিনি এবং তাঁকে হাত শিবির ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে মালকাজগিরি থেকে প্রার্থী করলে সেখানে তিনি জয়লাভ করেন। ২০২১ সালে এই তেলাঙ্গানা রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করা হয় রেড্ডিকে। আর সেখান থেকে আজ তিনি তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন তিনি।

    উল্লেখ্য, তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে মঙ্গলবারই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কংগ্রেস হাইকমান্ড। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন দলিত নেতা মাল্লু ভাট্টি বিক্রমার্কা। বিদায়ী বিধানসভার তিনি বিরোধী দলনেতার পদেও ছিলেন। শেষমেশ রেবন্ত রেড্ডির হাতেই ওঠে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যাটন। দিন কয়েক আগেই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরিয়েছে। ২০২৪ লোকসভা ভোটের সেমিফাইনালে মুখ পুড়েছে কংগ্রেসের। বাকি চার রাজ্য হতাশ করলেও আশার আলো দেখিয়েছে তেলেঙ্গানা। এখন দেখা যাক ফাইনাল ম্যাচে কিরকম পারফম্যান্স করতে পারে হাত শিবির।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Suvendu Adhikari: নবান্নের ১৪ তলায় বৈঠকে আমন্ত্রণ শুভেন্দু অধিকারীকে, সাড়া কি দেবেন বিরোধী দলনেতা?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    নবান্নের ১৪ তলায় বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে(suvendu Adhikari)। মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের নাম ঠিক করতে বিরোধী দলনেতাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নবান্ন। এর আগে ৪ ডিসেম্বর প্রথমে বৈঠকের দিন ধার্য করা হলেও , পরে সেই দিনক্ষণ পরিবর্তন করে, করা হয় ১৪ ডিসেম্বর। জানা গেছে, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হবে। রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের সদস্য পদের জন্য তিনটি আবেদন জমা পড়েছে। তালিকায় রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত আমলা বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক পার্থসারথি মুখোপাধ্যায় ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা অধীর শর্মা। খবর মিলেছে,বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্যের মুখ্যসচিবের ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়াও পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলানোর ।

    রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নিয়োগ সংক্রান্ত এই বৈঠকে শুভেন্দুকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও সূত্রের খবর, সাসপেনশন ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই বৈঠক তিনি বয়কট করতে চলেছেন! বৈঠকের স্থান পরিবর্তন বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, বৈঠকের জায়গা ঠিক হয়েছিল বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কক্ষে। পরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে নবান্নের তরফে ওই বৈঠকের স্থান এবং সময় পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর মিলেছে, বৈঠকের স্থান বদলালেও শুভেন্দু ওই দিন নবান্নে হাজির হবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিরোধী দলনেতা নিজে জানিয়েছেন, বৈঠকের আগেই তিনি নিজের অবস্থান জানাবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee : বছর ঘুরলেই লোকসভার দামামা, উত্তরে ঘাসফুল ফোটাতে উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Mamata Banerjee : বছর ঘুরলেই লোকসভার দামামা বেজে যাবে। ২০১৯ লোকসভায় উত্তরে ভালো ফল করেনি তৃণমূল। এবার তাই আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিচ্ছে রাজ্যের শাসকদল। পাখির চোখ চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন। এককথায় বলা যায়, উত্তরে ঘাসফুল ফোটাতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণে আগামী ৬ ডিসেম্বর বুধবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সফরে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister)। উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে সরকারি পরিষেবা প্রদান করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । ৮ ডিসেম্বর কার্শিয়াংয়ে সরকারি পরিষেবা প্রদান করবেন। ১০ ডিসেম্বর জলপাইগুড়ি জেলার বানারহাটে করবেন পাট্টা বিতরণ। এই সফরে গিয়ে বেশ কয়েক দিন থাকবেন উত্তরবঙ্গে। নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সফরকালে উত্তরবঙ্গে বিজনেস সামিটেরও আয়োজন করা হবে বলে । আসলে রাজারহাটের ধাঁচে উত্তরবঙ্গেও আইটি হাব গড়তে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই লক্ষ্যেই এই বিজনেস সামিট বলে মনে করা হচ্ছে ।

    প্রসঙ্গত, এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন গত জুন মাসে।জুনের পর ডিসেম্বর। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ফের সাত দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৬ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত হবে মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্বে মাঠে নেমে পড়েছে মোটামুটি সব পক্ষই। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে দলের ভূমিকা তুলে ধরা মমতার কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বুধে সরগরম কলকাতা! কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে ধরনা তৃণমূল বিধায়কদের, সামিল খোদ মমতা

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    আর কয়েক মাস বাদেই লোকসভা নির্বাচন। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে লাগাতার আন্দোলনে সামিল তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভায়ও এবার এসে পড়ল সেই আন্দোলনের আঁচ । এখন চলছে শীতকালীন অধিবেশন। চলতি মাসের ২৮, ২৯ ও ৩০ তারিখে অধিবেশন শেষে বিধানসভা বাইরে দলের বিধায়কদের ধরনায় বসার নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে লোকসভা নির্বাচনের আগে যখন বাংলার মাটিতে শক্তি প্রদর্শনে মরিয়া বঙ্গ বিজেপি, ঠিক তখনই কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে বিধানসভা চত্বরে আম্বেদকর মূর্তির সামনে ধরনায় বসেন তৃণমূল বিধায়করা। যে ধরনা বিক্ষোভে যোগ দেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও। এদিন বিধানসভা চত্বরের ধরনায় কালো পোশাক পরে প্রতিবাদে সামিল হন তৃণমূল বিধায়করা। খোদ মুখ্যমন্ত্রীও নিজের গায়ে চড়িয়েছেন কালো রঙের চাদর।

    অন্যদিকে, বেলা সাড়ে চারটে নাগাদ বিধানসভায় আচমকাই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হাজির হন ৷ কার্যত নজিরবিহীন ভাবে তৃণমূলের ধরনাস্থলের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে বিরোধী দলনেতা স্লোগান দিতে থাকেন ৷ দু’ পক্ষের স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করতে শেষ পর্যন্ত বিধানসভায় পৌঁছায় লালবাজারের বিশাল বাহিনী৷

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Sourav Ganguly: বাংলার নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর সৌরভ! বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চে চমক দিলেন মমতা

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Sourav Ganguly: বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের প্রথম দিনেই ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পূর্বে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান। তবে শাহরুখকে সরিয়ে সৌরভকে নিয়োগ করলেন কি না সে ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত সরকারি ভাবে কিছু জানা যায়নি। এদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নতুন করে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করেন। শুধু ঘোষণা করেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চে সঙ্গে সঙ্গে সৌরভের হাতে, নিজের হাতে লেখা নিয়োগপত্রও তুলে দেন তিনি। সেইসঙ্গে বলেন, “ডোন্ট সে নো, অলওয়েজ সে ইয়েস। উই মাস্ট বি পজিটিভ। উই মাস্ট বি কনস্ট্রাকটিভ।”

    বেশ কয়েক বছর বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান সরকারি ভাবে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর থাকার পর গত মার্চ মাসে অভিনেতা তথা তৃণমূল সাংসদ দেবকে বাংলার পর্যটন দফতরের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ঘোষণা করেছিলেন মমতা৷ তার কয়েক মাসের মধ্যেই এবার সৌরভকে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী৷

    মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “কলকাতায় বড় হয়েছি। আমার মতো একজন মানুষ যে এই শহরেই জন্মেছে। তাঁর কাছে এটা সত্যিই একটা বড় ব্যাপার যখন সে দেখে, রাজ্য শিল্পের জন্য সামিট করছে। আমিও একটা ছোট্ট বিনিয়োগ করছি এই রাজ্যে। দেখেছি কীভাবে এরাজ্য ধীরে ধীরে উন্নতি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে খুব সহজেই পৌঁছনো যায়। উনি (পড়ুন মমতা ) খুবই কেয়ারিং। শিল্প স্থাপন করতে গেলে কোনও সমস্যা হবে না।” যদিও সৌরভকে বাংলার নতুন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ঘোষণাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী গেরুয়া শিবির।

    উল্লেখ্য, বাংলার এই বাণিজ্য সম্মলেন ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছেন। ব্রিটেন, জার্মানি, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, ১৭টি দেশ পার্টনার হিসাবে যোগ দিয়েছে এই সম্মেলনে। রাজ্যে গতবারের বাণিজ্য সম্মেলন থেকে ৩.৪২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছিল। সেই দিকে নজর রেখে এবারে আশা করা হচ্ছে ৪ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ আসবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Duare Sarkar : দুয়ারে সরকারের ষষ্ঠ দফার প্রথম দিনই আবেদন জমা পড়ল সাড়ে পাঁচ লক্ষ !

     

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Duare Sarkar :  আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ‘দুয়ারে কর্মসূচি’র উপর বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গতকাল (শনিবার) থেকে শুরু হচ্ছে ষষ্ঠ দফার ‘দুয়ারে সরকার’ (Duare Sarkar) কর্মসূচি। এই কর্মসূচি চলবে আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত। জানা গেছে, প্রথম দশদিন আবেদন জমা দেওয়া এবং শেষের দশদিনে পরিষেবা প্রদান করা হবে। এবারে চারটি নতুন-সহ মোট ৩৩টি পরিষেবা মিলবে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি থেকে। তার মধ্যে বিধবা-পেনশন, ভবিষ্যৎ ঋণ কার্ড, ওবিসি-পড়ুয়াদের বৃত্তি মেধাশ্রী এবং অতিক্ষুদ্র সেচ ব্যবস্থার প্রকল্প। এই চারটি নতুন পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত করেছে রাজ্য। সূত্রের খবর, জেলা ও ব্লক স্তর মিলিয়ে ৪৪ জন সিনিয়র আইএস অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। থাকছে ৪৭৩টি কন্ট্রোল রুম। পাশাপাশি রাজ্যস্তরে হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। সব ক্যাম্পের বাইরেই থাকছে কমপ্লেন বক্স। উপভোক্তারা পরিষেবা সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ থাকলে সেখানে তা জানাতে পারবেন।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক প্রথম দিন কত আবেদন জমা পড়ল ?

    নবান্ন সূত্রে খবর মিলেছে , গতকাল দুয়ারে সরকারের কর্মসূচির লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য ১ লক্ষ ৩৫ হাজার আবেদনপত্র জমা পড়েছে। রাজ্য জুড়ে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার জন্য ৬০ হাজার আবেদনপত্র জমা পড়েছে । এদিকে খাদ্যসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৩১ হাজার। ২১ হাজার উপভোক্তা বিধবা ভাতার সুবিধা পেতে আবেদন করেছেন। সংবামাধ্যম (হিন্দুস্থান টাইমস বাংলা ) সূত্রের খবর , বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য রাজ্যের ১৫,১৩২টি ক্যাম্পে ৫.৫ লাখ আবেদন জমা পড়েছে । জানা গেছে, এবারে শিবিরে ভাল উৎসাহ দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে মহিলাদের ।

    উল্লেখ্য , রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট। অনুমোদন মিলেছে হাইকোর্টের। যেকোনও মুহূর্তে পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। সেকথা মাথায় রেখেই রাজ্য সরকার দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু করেছে।

     

     

  • Jayalalithaa’s 75th Birth Anniversary: ১ টাকার বেতনের মুখ্যমন্ত্রী, ঝুলিতে ১৪০টি ছবি! জয়ললিতার জন্মদিনে যে কথা ভাবাবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Jayalalithaa’s 75th Birth Anniversary: অভিনয় জগত থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ময়দান, দুটো ক্ষেত্রেই সমানভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন জয়ললিতা (Jayaram Jayalalithaa)। ফিল্ম ক্যারিয়ার শুরু করেন ১৯৬১ সালে কন্নড় ছবি ‘শ্রী শৈল মহাত্মে’। তারপর একের পর এক হিট ছবি দিয়েছেন। ৬ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তামিলনাড়ুর দায়িত্ব সামলেছেন। আজ ২০২৩ এর ২৪শে ফেব্রুয়ারি অভিনেত্রী এবং তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম জয়ললিতার (Jayaram Jayalalithaa) ৭৫তম জন্মবার্ষিকী৷ জয়ললিতা ‘আম্মা’ নামে পরিচিত ছিলেন।

    ২০১৬ সালের ৫ই ডিসেম্বর রাজনৈতিক এবং অভিনয় দুনিয়ায় ছিল এক দুঃখজনক দিন। সেদিন তাঁর মৃত্যু সমগ্র দেশকে হতবাক করেছিল। তিনি ১৪ বছরের মধ্যে বেশ কয়েকবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বেতন হিসেবে নিতেন মাত্র ১ টাকা। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে প্রথম বেতনের চেক প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং বলেছিলেন, আয়ের প্রচুর উৎস এবং তাঁর বেতনের প্রয়োজন নেই। সরকারী কর্মচারী হিসাবে তাঁকে বেতন পেতে হবে বলে জানানো হলে, তিনি তাঁর মাসিক বেতন হিসাবে ১ টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অভিনয় জীবনে জয়ললিতা ৮৫টি তামিল সিনেমা এবং একটি হিন্দি সিনেমা ‘ইজ্জাত’ করেন। তিনি ‘ইজ্জাত’-এ ধর্মেন্দ্রর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন, যেটি তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। জয়ললিতার সম্পর্কে আরেকটি আশ্চর্যজনক তথ্য হল, তিনি তাঁর পালক পুত্র সুধাগরনের জন্য একটি জমকালো বিয়ের আয়োজন করেছিলেন। চেন্নাইয়ের ৫০ একর মাঠে বিয়েতে দেড় লক্ষের এরও বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল৷ ২০২১ এ কঙ্গনা রানাউত ‘থালাইভি’-এর প্রথম চেহারা প্রকাশ করেছিলেন যেখানে তিনি জয়ললিতার চরিত্রে অভিনয় করেছেন৷

    আইনজীবী হওয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু তা ছেড়ে প্রবেশ করেন রূপালি পর্দায়। তারপর হঠাৎ করে অভিনয় জগতে চূড়ান্ত সাফল্য থাকার পরেও প্রবেশ করেন রাজনৈতিক ময়দানে। বর্ণময় জীবনের হাতছানি থাকলেও বারংবার বিপরীত স্রোতে হেঁটেছেন। ১৯৬০ এর দশকের মাঝেমাঝে সময় তিনি শীর্ষস্থানীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। শোনা যায় এই পেশায় নাকি তাঁর খুব একটা ইচ্ছা ছিল না। মূলত পরিবারকে সাহায্য করার জন্য মায়ের অনুরোধে অভিনয় করেন। ১৯৬১ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে অভিনয় করেছেন প্রায় ১৪০টি ছবিতে। পাশাপাশি নৃত্য দক্ষতার জন্য প্রচুর প্রশংসা পেয়েছেন। তাঁকে বলা হত তামিল সিনেমার রানী। ছোটবেলায় কন্নড় ভাষার ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। শুরুটা করেছিলেন শিশু শিল্পী হিসেবে। ১৯৬৮ থেকে পা রাখেন বলিউডে। এক সময় ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে একাধিক পরিষ্কার। সেই তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ু সরকারের কালাইমামনি, মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট, মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রভৃতি। ২০০৪ সালে তাঁকে ওমেন পলিটিশিয়ান অফ দা ডিকেট অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার জন্য লন্ডনের হাউস অফ লর্ডসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version