Tag: Bangladesh PM Sheikh Hasina

  • ক্ষমা চেয়ে বিএনপিকে ভোটে আসতে বললেন হাসিনা, ভয় পাচ্ছেন ?

    ক্ষমা চেয়ে বিএনপিকে ভোটে আসতে বললেন হাসিনা, ভয় পাচ্ছেন ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    আগুন নিয়ে খেলছে বিএনপি। ক্ষমা চাইতে বললেন শেখ হাসিনা। ভোট বানচাল করতে চলছে প্রচুর চক্রান্ত। আগুন সন্ত্রাসে জ্বলছে বাংলাদেশের মানুষ। ক্ষমতা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে না তো আওয়ামীলীগ? বিএনপিকে সাবধান করছে নাকি নিজেরাই ভয় পাচ্ছে? বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলো ভোটে অংশ না নিলে, আওয়ামী লীগ চাপে পড়ে যাবে না তো?

    আর কয়েক মাস পরেই বাংলাদেশের নির্বাচন। ইতিমধ্যেই তফসিল ঘিরে দেখা দিয়েছে চরম বিতর্ক। অনেকটা যেন একতরফা হয়ে গেছে, কারণ বিএনপি সহ বিরোধী বহু রাজনৈতিক দল তফসিল মেনে নেয়নি। উপরন্তু জোর কদমে চালাচ্ছে অবরোধ কর্মসূচি। কিন্তু নাছোড়বান্দা আওয়ামী লীগ। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন করবে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশি পরাশক্তিগুলো বারংবার বলে দিয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচন যেন হয় অংশগ্রহণমূলক। কিন্তু এই অংশগ্রহণমূলক হতে গেলে, সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা চাই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, যেভাবে দেশ জুড়ে অবরোধ থেকে অগ্নি সংযোগের ঘটনা চলছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিএনপি সহ জামায়াতকে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত। নির্বাচনের দরজার সবার জন্য খোলা। সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে এবং জনগণের কাছে গিয়ে ভোট চাইতে হবে।

    শেখ হাসিনার দাবি, আওয়ামী লীগ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করেছে। যার সুফল পাচ্ছে গোটা দেশ। তাদের লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা। শেখ হাসিনা আশা করেন, বাংলাদেশের তরুণদের সহযোগিতায় তিনি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। অপরদিকে যারা খুন করছে, সাধারণ মানুষের হত্যার পরিকল্পনা করছে, বাংলাদেশের জনগণ তাদের কেন নির্বাচন করবে? কেনই বা তাদের উপর আস্থা রাখবে? রীতিমত খোঁচা দিলেন বিরোধীদের। তার মতে, জনগণ ভোট দিয়ে যে দলকে নির্বাচন করবে তারাই গঠন করবে সরকার। আর সেই সিদ্ধান্ত তিনি মাথা পেতে নেবেন।

    শেখ হাসিনার কথায়, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং তাদের পছন্দের সরকার গঠনের জন্য ‘যাকে খুশি তাকে দেব’ স্লোগান দিয়ে সবাই ভোট দিক। বিএনপি ২০১৪ সালের মতোই আবার জ্বালাও পোড়াও শুরু করেছে। যা মানুষ কখনোই মেনে নেবে না। কারণ বাংলাদেশের মানুষ আগুন নিয়ে খেলা পছন্দ করে না। বিএনপি জামায়াতের জোট ভোট বানচাল করতে চেয়েছিল, কিন্তু সেই চেষ্টা ব্যর্থ। নির্বাচন জনগণের অধিকার। যেখানে মানুষ ভোটের মাধ্যমে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচন করবে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, জনপ্রিয়তা ধরে রাখা মুখের কথা নয়। আওয়ামী লীগ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। মানুষের অধিকার নিশ্চিত করেছে। অপরদিকে মানুষের উপর আস্থা রাখতে না পেরে হামলা চালাচ্ছে বিএনপি জামায়াত। পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় কারোর আসার সুযোগ নেই। গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

    দেখুন, নির্বাচনে এলেই শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধী দল, সবার মুখেই শোনা যায় গরমাগরম কথা, প্রতিশ্রুতির ঝুলি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে গেলে বিএনপি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। আর যদি তা না হয়, নির্বাচন হয়ে যাবে একপেশে। তখন প্রশ্ন বাণে জর্জরিত হবে আওয়ামী লীগ। তাই কি পিঠ বাঁচাতে বিএনপিকে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলছেন শেখ হাসিনা? নাকি চাইছেন সুষ্ঠু সমাধান? বিএনপি আদৌ কি ক্ষমা চাইবে? আপনার কি মনে হয়?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • পিকে হালদার ফিরছে ? ভোটের আগে ঝড় তুলতে চলেছেন হাসিনা!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশের নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা তাহলে সত্যি সত্যি পিকে হালদারকে এবার ফিরিয়ে নিচ্ছেন? নির্বাচনের আগে পিকে হালদার বাংলাদেশে ফিরে যাচ্ছে?
    বাংলাদেশ সরকারের সেই মাস্টারস্ট্রোক এবার সত্যি হতে যাচ্ছে? ব্যালট বক্সে ঝড় তোলার জন্য পিকে হালদারই ট্রাম্পকার্ড? এটা সবাই জানে যে পিকে হালদার ঘিরে দু দেশে এতো তোলপাড়, ভারত তাকে এবার সত্যিই তুলে দিচ্ছে বাংলাদেশের হাতে? এই স্ট্রাটেজিতেই কিস্তিমাত করবেন শেখ হাসিনা? জল্পনা অনেক, কিন্তু পিকে হালদার ইস্যুর আসল স্ট্যাটাসটা জানা আছে কী? সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাট। চাট্টিখানি কথা কিন্তু নয়। বাংলাদেশের মাটিতে বিরাট বড় মানিলন্ডারিং এর ঘটনায় পিকে হালদার একটা রত্নের নাম। মহারথী প্রশান্ত কুমার হালদার। যে পিকে হালদারকে বাংলাদেশ ভোলেনি! দ্বিতীয় পিকে হালদার বাংলাদেশে তৈরি ও হয়নি এটা প্রথম কলকাতা বলছে না, বলছে খোদ ওপার বাংলা। সেই পিকে হালদার এখন ভারতের হাতে।

    পিকে হালাদারকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। তবে তাতে লাভের লাভ হয়নি। কিন্তু, নির্বাচনের আগে পিকে হালদার ইস্যু নতুন করে জেগে উঠেছে কারণ অনেকেরই মনে হয়েছিল পিকে হালদার কে বাংলাদেশ ফিরিয়ে, শেখ হাসিনা তাকে আইনের আওতায় ফেলে বড় কোনও নজির তৈরি করবেন। যার এফেক্ট পড়বে নির্বাচনের ব্যালট বক্সে। কিন্তু এই পিকে হালদারকে দেশে ফেরানোর ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত কতটা এগোতে পেরেছে আওয়ামী লীগ সরকার? এটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। অর্থ পাচারের অভিযোগে গত বছরের ১৪ মে ভারতের অশোকনগরে পিকে হালদার গ্রেপ্তার হন। তারপর থেকে তিনি ভারতের জেলেই বন্দী!মামলা চলছে, হাজিরা দিচ্ছেন। অলরেডি চলতি বছরের ৮ ই অক্টোবর অর্থ পাচারের অভিযোগে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত প্রশান্ত হালদারকে ২২ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। যে মানুষটার বিরুদ্ধে কানাডায় ৮০ কোটি টাকা পাচার এবং ৪২৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের বড়সড় অভিযোগ রয়েছে।

    একটা সময় সেই পিকে হালদারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক, পিকের কর্মকাণ্ডের পেছনে কোন রাঘব বোয়ালদের হাত আছে, কাদের পৃষ্ঠপোষকতায় পিকে হালদার এই জায়গায় পৌঁছেছে, সেগুলো নিয়ে বাংলাদেশের অন্দরে রাজনৈতিক মহলে কম কথা হয়নি, কম চাপানউতোর হয়নি। সেই পিকে হালদার বাংলাদেশে ধরা পড়ল না, গ্রেফতার হলো ভারতের মাটিতে। ফলে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে কম কটাক্ষের মুখোমুখি হতে হয়নি। তাই, সুযোগ বুঝে পুরনো ক্ষতয় মলম লাগাতে বা বলা ভালো কিছুটা ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারের নির্বাচনের আগে পিকে হালদারকে যে বাংলাদেশে ফেরাতে চাইবেন সেটাই খুব স্বাভাবিক অংক। একটা বড় সুযোগও ছিল। কিন্তু আপাতত সেই গুড়ে বালি। ভারত থেকে পিকে হালদারকে বাংলাদেশে ফেরানো পুরোটাই ভারতে মামলা শেষ হওয়ার ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়ে দিয়েছে দুদক মানে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন। হিসেবটা বুঝতে হবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে। আর ইন্টারপোলের সহায়তার জন্যও পুলিশ সদর দপ্তরকে বলেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

    বুঝতে হবে পিকে হালদার বাংলাদেশ থেকে পাচার করা অর্থে ভারতেও বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে। তাই ভারতেও আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। ফলে এখানে জটিলতা আছে। তবে তার মানিলন্ডারিং এর টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে এখনই প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত বলে মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। সেটা এখন সম্ভব অতএব, নির্বাচনের আগে পিকে হালদার ইস্যুকে তুরূপের তাস করা শেখ হাসিনার জন্য যে এতো সহজ স্ট্রাটেজি হবে না সেটা একপ্রকার স্পষ্ট। তাই, পিকে হালদার ইস্যু নির্বাচনের ব্যালট বক্সে ঝড় তোলার ক্ষেত্রেও খুব একটা কার্যকরী বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাছাড়া, পিকে হালদারকে দেশে ফেরানোর পর অভিযোগের মুখে থাকা প্রভাবশালীরা ফের দুর্নীতি দমন কমিশনের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে পারেন। আরও অনেকের নাম প্রকাশ পেতে পারে।

    ফলে সেই সব মানুষ অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তাই পিকে হালদার নির্বাচনের আগে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরলে সেটা তাদের জন্যেও যে বিশেষ ভালো ফল বয়ে আনবে না তা নিয়েও কানাঘুষো চলছে। তাই আইন মেনে, পারস্পরিক চুক্তি অনুযায়ী প্রশান্ত কুমার হালদারকে বাংলাদেশে ফিরতে হলে সেটা যে যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ হবে তা নতুন করে বলার দরকার পড়ে না।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশে হচ্ছে টা কি? শেখ হাসিনা এতটা অখুশি কেন? বিএনপি শোধ নেবে!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    কি হচ্ছেটা কি বাংলাদেশে? তাবড় তাবড় রাষ্ট্রগুলোও থামাতে পারছে না দেশটার অন্তর্কলহ। এই বুঝি শুরু হল গৃহযুদ্ধ। ওদিকে তথ্য যাচাই না করেই শেখ হাসিনাকে চিঠি। অসন্তুষ্ট জাতিসংঘের সিদ্ধান্তে। যে মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশে এত সমস্যা, সেই মানবাধিকার ধরে রাখতে পারছে কি দেশটা? অবরোধ কর্মসূচিতে এখনো অনড় বিএনপি। বাংলাদেশ আগাগোড়াই শান্তিপ্রিয় একটা দেশ। বন্ধুত্বের নীতিতে বিশ্বাসী। সেই দেশের মাটিতেই এখন হিংসার আগুন। অন্তর্দ্বন্দ্ব লেগেই রয়েছে। যেন গৃহযুদ্ধের পূর্ব প্রস্তুতি, তবে এমনটা কখনোই কাম্য নয়। নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেভাবে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি চলছে, তার সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।।

    অপর দিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলল বাংলাদেশ। জাতিসংঘ নাকি প্রভাবিত হচ্ছে, এমনটাই দাবি বাংলাদেশ সরকারের। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন ভলকার টার্কির পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে একটা চিঠি লেখা হয়েছিল। সেই চিঠি নাকি লেখা হয়েছে সম্পূর্ণ তথ্য এবং তথ্যের যাচাই ছাড়াই। যা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। উপরন্তু জাতিসংঘকে পাল্টা চিঠিতে বলা হয়েছে, গণমাধ্যমের উপর বিএনপির হামলা নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা উচিত। মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার প্রচার থেকে সুরক্ষায়, জাতিসংঘের প্রক্রিয়ার সঙ্গে ধারাবাহিক ভাবে যুক্ত রয়েছে। তাই বাংলাদেশ সরকার আশা করে, সেই সহযোগিতা বজায় থাকবে।

    জাতিসংঘের কথাকে বাংলাদেশ সরকার খুব একটা পাত্তা না দিলেও, বাংলাদেশে কিন্তু মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। যা নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন জাতিসংঘ। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই যেন বাড়ছে রাজনৈতিক সহিংসতা, বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার, বিক্ষোভ, আন্দোলন, ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া, ভয় দেখানো, বেআইনি ভাবে আটক রাখার অভিযোগ। এসবের মাঝে বিএনপি কিন্তু অবরোধ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত থেকে বিন্দুমাত্র সরেনি। উল্টে পঞ্চম দফার দুদিনের সর্বাত্মক অবরোধ ডেকেছে। স্বাভাবিক ভাবেই, দফায় দফায় এমন অবরোধে নাজেহাল বাংলাদেশের আমজনতা। বহু গাড়ি চালক ভয়ে রাস্তায় বেরোতে পারছেন না।

    যুক্তরাষ্ট্র বারংবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপে আসতে বলছে। না হলে হয়তো সুষ্ঠু কোন সমাধান নেই। কিন্তু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি বলে দিয়েছেন, এখন আর সংলাপের কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের চিঠির পরেও পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন হবে না বলেই মনে হয়। রাজনৈতিক দলগুলো এখনও নিজেদের পরস্পর বিরোধী অবস্থানেই অনড়। বিএনপি’র দাবি, সংলাপে বসতে বাধা নেই। কিন্তু তার জন্য একটা পরিবেশ তৈরি করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। সোজা কোথায়, সরকারের পদত্যাগের দাবি মানা না হলে কোন ধরনের আলোচনায় তারা বসবে না। অপরদিকে আওয়ামী লীগের দাবি, কোন ধরনের শর্তের ভিত্তিতে তারা সংলাপে বসবে না। রাজনৈতিক ডামাডোলের মাঝেই ঘোষণা হয়ে গেছে দেশটার নির্বাচনের তফসিল। যা প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি, জামায়েত ইসলামী।

    বহু বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে গেলে একমাত্র বিকল্প সংলাপ। এই মুহূর্তে সুষ্ঠু আলোচনাই পারে সহিংসতার আবহকে ঠেকাতে। আপনার কি মনে হয়? বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আখেরে ক্ষতিটা কার? অবশ্যই সাধারণ মানুষের। রাজনৈতিক অশান্তির হূল ফুটছে আমজনতার গায়ে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • যুক্তরাষ্ট্র চিঠি পাঠাল, বিএনপি অনড়! আওয়ামী লীগ কিছুতেই এইসব কাজ করবে না

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    নির্বাচনের আগেই আবারো ভিসা নীতির কথা মনে করিয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র। হুঁশিয়ারি নাকি সাবধান করছে বাংলাদেশকে? অন্তর্দ্বন্দ্ব মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র স্পেশাল চিঠি পাঠাল আওয়ামী লীগ বিএনপিকে। কি লেখা আছে চিঠিতে? বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানটা ঠিক কি? কোন দলকে বেশি সাপোর্ট করছে? কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের হয়ে পক্ষপাত করছে না তো? বিষয়টা এবার জলের মতো পরিষ্কার।

    নির্বাচনের আগে কোন ঝামেলা চাইছে না যুক্তরাষ্ট্র। স্পষ্ট করেছে নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান। নির্বাচনকে সামনে রেখে তফসিলের আগে বাংলাদেশের প্রধান তিন রাজনৈতিক দল অর্থাৎ আওয়ামী লীগ বিএনপি এবং জাতীয় পার্টিকে চিঠি দিল যুক্তরাষ্ট্র। চিঠি লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। চিঠিতে মূলত তিনটি বিষয় রয়েছে। প্রথমত, যুক্তরাষ্ট্র চায় অবাধ সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। দ্বিতীয়ত, শর্তহীন ভাবে সংলাপে বসার আহ্বান জানানো হয়েছে। তৃতীয়ত, অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যে ভিসা নীতি গ্রহণ করেছে সেটাই আরেকবার মনে করিয়ে দিল চিঠিতে। মনে করালো নাকি সাবধান করল? বাংলাদেশে এখন চলছে রাজনৈতিক সংকট। আর সেখানে গণতান্ত্রিক নির্বাচন প্রক্রিয়াকে যারা বাধা দেবে তাদের উপরে ভিসা নীতি প্রয়োগ করবে যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম থেকেই বলে এসেছে, বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের কোন পক্ষ নেই। কোন বিশেষ দলকে দেশটা সমর্থন করে না। যুক্তরাষ্ট্র অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনকেই সমর্থন করে। এর আগেও কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সংলাপের আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলই সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি। ওদিকে আবার দেশটার জাতীয় পার্টি অবাধ সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণ নির্বাচনের জন্য একটা রূপরেখা তৈরি করে রেখেছে। যেহেতু অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গে এক টেবিলে বসা হয়নি, তাই প্রকাশ্যে আনেনি।

    যুক্তরাষ্ট্র চিঠি তো পাঠিয়ে দিল, কিন্তু আওয়ামী লীগ আর বিএনপি’র মধ্যে আদৌ কি সংলাপের কোন সম্ভাবনা রয়েছে? বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই যেন রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে তীব্র অস্থিরতা। বিএনপি বাংলাদেশ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে একের পর এক অবরোধ কর্মসূচি করেই চলেছে। ২০১৪-১৫ সালের মতোই জ্বলছে গাড়ি। বাংলাদেশের রাজপথ জুড়ে হচ্ছে অশান্তি। ডোনাল্ড লুর চিঠির পরেও কিন্তু সংলাপের কোন সম্ভাবনাই দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা। উল্টে তফসিল ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করছেন অনেকেই। আওয়ামী লীগ তাদের জায়গা থেকে স্পষ্ট। বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কে কি বলল সেটাকে গুরুত্ব না নিয়ে নির্বাচনের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশটার সংবিধান অনুযায়ী আয়োজন হবে নির্বাচন। বিএনপি কিন্তু এখনো তাদের সিদ্ধান্তে অনড়। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো সংলাপে না আসা মানে যুক্তরাষ্ট্রের চিঠি ব্যর্থ। ধরে নেওয়াই যায়, বর্তমানে দেশটা জুড়ে যে অশান্তি চলছে তার কালো ছায়া এখনই যাওয়ার নয়। আপনার কি মনে হয়? কবে থামবে এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি? তফসিল ঘোষণার ঠিক আগের মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের চিঠি অচলাবস্থার বরফ গলাতে পারবে কি? জানান আপনার মতামত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশের মাটিতে এতো দামী সম্পদ, বগুড়ার স্বর্গরাজ্যে কীসের পাহারা ? সহজে ঢোকা কঠিন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশে এতো দামী সম্পদ গচ্ছিত? হাজার হাজার পাহাড়াদার ঘিরে থাকে কেন? কী আছে বগুড়ায়? না দেখলে নিজের চোখকে বিশ্বাস হবেনা! বিহার হাটখোলার সারি সারি পাকুড় গাছেই লুকিয়ে বড় রহস্য। পাখি মানুষ এক হয়ে যায় যে দেশে। শিকারিদের ছেড়ে কথা বলে না ওপার বাংলা। গোটা গ্রাম জান লড়িয়ে দেয় কাদের জন্য জানেন? পাখির স্বর্গরাজ্যে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়াচ্ছে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। প্রকৃতির এই মূল্যবান সম্পদে ভরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বগুড়া দিনে দিনে বদলে যাচ্ছে। একসময় ওই অঞ্চলের পাকুড়গাছের ডালপালা কেটে উজাড় করত প্রভাবশালীরা। আশ্রয় হারাত পাখিরা। এখন সেসব দৃশ্য পাল্টে গেছে। এখন কেউ পাখি শিকার করতে এলে ছুটে আসে ভলেন্টিয়াররা। প্রতিবাদ জানায় এলাকার মানুষ। প্রশাসনের কাছে খবর চলে যায়। শাস্তি-জরিমানার ঘটনা ঘটে।

    একদিনে বদলায়নি বগুড়া। একটু একটু করে গোড়া থেকে বদলেছে গোটা অঞ্চল। তাই এখন প্রতিবছর চৈত্র-বৈশাখে ঝাঁকে ঝাঁকে শামুকখোল পাখি উড়ে এসে হাটখোলায় ১০০ বছরের পুরনো পাকুড়গাছের ডালে বাসা বাঁধে। ফসলের মাঠ, খাল, বিল থেকে খাবার সংগ্রহ করে। কার্তিক মাসের শেষের দিকে শীতের আগেই আবার অতিথি পাখিরা উড়ে যায়। বৈশাখ থেকে কার্তিক—এই সাত মাস হাজারো শামুকখোল পাখি বিহার হাটখোলা ও আশপাশের এলাকা ঘিরে রাখে। এখানেই মানুষের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় নানান রকম পাখি। বয়স্ক পাকুড় গাছগুলোতে ঝোলে এতো এতো পাখির বাসা। ঝাঁক ঝাঁক শামুকখোল। এখানে গ্রামবাসীদের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক পাখিদের। হবে নাই বা কেন? বিহার হাট ও আশপাশের প্রায় ২০ হাজার মানুষের সঙ্গে অন্য রকম বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে পাখিগুলোর। শিকারিদের ঠেকিয়ে পাখিদের আগলে রাখে স্থানীয় মানুষ।

    না এখানেই শেষ নয়। বিহার গ্রামে পাখি, প্রাণী, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করে সংগঠন। ‘তীর’, পুরো নাম টিম ফর এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ। এতোটাই বদলে গেছে ছবিটা যে এক যুগ আগে ওই সংগঠন বিহার গ্রামকে ‘নিরাপদ পাখির রাজ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এতে বিহার গ্রামবাসীর মধ্যে আরও বেশি সচেতনতা তৈরি হয়েছে। তৈরি হয়েছে অন্য রকম মমতা। এখন সেই বিহার হাটেই আজকাল পাখি দেখতে প্রতিদিন ছুটে আসে মানুষ। এখানে পাখি শিকারিদের রাজত্ব চলেনা। পাখি শিকারির তৎপরতা দেখলেই আটকের জন্য পুলিশকে নির্দেশ ও দেওয়া আছে। বিহার অনেক কারণে চেনা পরিচিত মানুষের কাছে। কিন্তু, এখন সব ছাপিয়ে বিহারের পরিচিতি একটাই ‘পাখির নিরাপদ রাজ্য’। প্রথমে স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা ছিল ৩০। এখন গ্রামের ২০ হাজার মানুষই পাখি রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা ্পালন করছেন। বগুড়া আরও বদলাবে। কারণ, শিকারিদের উৎপাত বন্ধ করতে, পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে তীরের সদস্যরা এখন আরও সক্রিয়। পাখি রক্ষায় সচেতনতামূলক সভা, সমাবেশ, প্রচারপত্র বিলি, ডিজিটাল ব্যানার সহ একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। আর তাতেই, বিহার হাটখোলার সকালগুলো আরও বেশি সুন্দর হয়ে উঠছে, উঠবে। এটাই বগুড়া। এটাই বাংলাদেশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বিএনপি অবরোধ করে ভুল করছে না তো? দায় নেবেন হাসিনা!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশ জুড়ে অবরোধ। বাতাসে সহিংসতার গন্ধ। অবরোধ আর গ্রেফতারের মাঝে হাঁসফাঁস করছে মানুষ। কতদূর গড়াবে বিএনপির এই অবরোধের জল? সবটাই বেকার হয়ে যাবে না তো? কী বলছে অতীত? এভাবে কি আদৌ সুষ্ঠু নির্বাচন হয়? খারাপ ফল ভুগতে চলেছে বাংলাদেশের মানুষ। শেষটা কি হবে জেনে নিন।

    দেখুন, যেভাবে বাংলাদেশ জুড়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি চলছে, তা কিন্তু আর শান্তিপূর্ণ নেই। রূপ পাচ্ছে সহিংসতার। দায় কার? সরকারের না বিরোধীদের? প্রশ্ন করলে পাবেন হাজারো প্রতিক্রিয়া। নির্বাচনের তপসিল ঘোষণার ঠিক আগে গ্রেফতার বিএনপির তাবড় তাবড় নেতারা। কিন্তু জারি রয়েছে অবরোধ। বর্তমান সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে অন্তরবর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। এর আগেও কিন্তু বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসেছিল, আবার তা বাতিলও হয়ে যায়। সে নিয়ে রয়েছে বিস্তর বিতর্ক। সাম্প্রতিক সময়, বাংলাদেশের আমজনতার নিত্য সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে অবরোধ আর হরতাল। সেটা কি কোনো ভালো ফলাফল বয়ে আনতে পারে? বিশেষজ্ঞরা বিষয়টা ভালোভাবে দেখছেন না। আসলে অবরোধ খারাপও নয়, আবার ভালোও নয়। এক্ষেত্রে দেখতে হবে কি উদ্দেশ্যে, কেমন ভাবে, কারা ব্যবহার করছেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, বাংলাদেশের আমজনতা ঠিক কতটা জড়িয়ে। মানুষ কি এসবের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত? বাংলাদেশের অতীতের ইতিহাস বলছে, এভাবে এর আগেও কেউ দাবি আদায় করতে পারেনি। ১৯৮৮ সালে রাজনৈতিক দলগুলো বলেছিল তারা নির্বাচনে যাবে না। তার পরেও কিন্তু নির্বাচন হয়েছিল। ১৯৯৬ তে দাঁড়িয়ে বিএনপি ছাড়া বেশিরভাগ দলই নির্বাচন সমর্থন করেনি। তারপরেও নির্বাচন আটকায়নি। ২০১৪ সালেও নির্বাচন আটকানোর জন্য লাগাতার কত অবরোধ, কিন্তু আটকানো গিয়েছিল কি? তাহলে বুঝতেই পারছেন, হরতাল করলে অবরোধ করলে যে নির্বাচন আটকানো যাবে এমন কোন অতীত অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের ইতিহাসে নেই।

    বিএনপির কাছে অবরোধ কর্মসূচি এক্কেবারে নতুন নয়। প্রায় আট বছরেরও আগে, এই দল একটানা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছিল। এক পর্যায়ে তার সঙ্গে যুক্ত করে হরতালকে। কিন্তু পরিস্থিতি ধীরে ধীরে সহিংস হতে থাকে। একদিকে সরকার, আর একদিকে বিএনপি জামায়াত, দুই পক্ষ একে অপরকে করতে থাকে দোষারোপ। অবশেষে কর্মসূচি স্থগিত করে বিএনপি। তারপর থেকে বিভিন্ন সময় বিএনপি হরতাল করেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসু হয়নি।

    ওদিকে হরতাল অবরোধের প্রভাবে কোপ পড়ছে পর্যটনে। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশটার ব্যবসা বাণিজ্য। সহিংসতার ভয়ে অনেকেই ভ্রমণ করতে অনিচ্ছুক। আসলে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে, মানুষ কি চাইছে। সাধারণ মানুষের লক্ষ্য একটাই। সুষ্ঠু নির্বাচন। যাতে তারা শান্তিপূর্ণভাবে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন। কিন্তু এই মুহূর্তে বাংলাদেশে সেই অনুকূল পরিবেশ টা কি রয়েছে? এরই মাঝেই হয়ত নির্বাচনটাও হয়ে যাবে। একদল জিতবে আর একদল ফুঁসবে ক্ষোভে। শান্তি পাবে কিছু মানুষ, আর কিছু মানুষ ফলাফলে অখুশি হয়ে ভুগবে অশান্তিতে। লাভ কার বলুন তো? আপনার কি মনে হয়, সত্যি কি এই অবরোধ করে কোন লাভ রয়েছে? এভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে তো? জানান আমাদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • ব্যালট বক্স এবার হাসিনার বিরুদ্ধে যাবে? যত কথা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে পারছে না বাংলাদেশ। চরম অনিশ্চয়তা। এত কিছু নিয়ে কি ভাবছেন শেখ হাসিনা? কোন পরিকল্পনায় নির্বাচন করবেন? পিছনে চলছে প্রচুর চক্রান্ত। কিভাবে বাঁচবে দেশটা? বিএনপির নেতাদের গ্রেফতার প্রসঙ্গে বড় কথা বলে ফেললেন শেখ হাসিনা। একদিকে আওয়ামীলীগ, অপরদিকে বিএনপি। দুই রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের মধ্যে ফারাকটা ঠিক কোথায় বলুন তো? নির্বাচনকে সামনে রেখে অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে বাংলাদেশ। পঙ্গু হয়ে যাবে দেশটা! আশঙ্কা শেখ হাসিনার।

    একটু আন্তর্জাতিক খবরের দিকে চোখ রাখলে দেখতে পাবেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি কিন্তু একদম ভালো নয়। কোনো রাজনৈতিক দল এখনো সুষ্ঠু আলোচনায় বসেনি। বেশ উদ্বিগ্ন দেশটার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর কথায়, বাংলাদেশ জুড়ে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। যা থেকে দেশটাকে বাঁচাতে হবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা দিক থেকে চলছে চক্রান্ত। শেখ হাসিনা মনে করছেন, বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তাই তো নির্বিচারে চলছে অগ্নি সন্ত্রাস, মানুষ হত্যা, ভাংচুর। সব মিলিয়ে, বাংলাদেশে স্বাভাবিক স্থিতিশীল পরিস্থিতি নেই। সব রকম ভাবে সবদিক থেকেই চেষ্টা চালাচ্ছে বিরোধীরা। এই সময়টা সবাইকে এক হয়ে না চললে ভীষণ মুশকিল। শেখ হাসিনার এত কথা, এত মনের জোর সব কিছুরই শক্তি দেশবাসী। বিএনপি সম্পর্কে কড়া সমালোচনা করে জানান, বাংলাদেশের মানুষ যখন শান্তিতে থাকে ঠিক তখনই রাস্তায় নেমে অশান্তি সৃষ্টি করে। সেই অশান্তির হাত থেকে বাঁচাতে হবে দেশটাকে। তবেই বাঁচবে দেশের মানুষ।

    সম্প্রতি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, বাংলাদেশ জুড়ে চলছে গ্রেফতার, গাড়ি ভাঙচুর থেকে সহিংসতার ঘটনা। গ্রেফতার হয়েছেন প্রচুর বিএনপি নেতা। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা জানান, তাদেরকে কেন গ্রেফতার করা হবে না? এই নিয়ে বহু বিদেশি রাষ্ট্র কথা বলছে। প্রশ্ন হল, সেই সব দেশে যদি এমন ঘটত? তখন সেই দেশগুলো কি করত? কোথাও গিয়ে ঠুকে কথা বললেন কয়েকটা চোখাচোখা রাষ্ট্রকে। ইঙ্গিত করলেন যুক্তরাষ্ট্রকে। আওয়ামী লীগের লক্ষ্য, জনগণের অধিকারকে সুরক্ষা দেওয়া। সুষ্ঠুভাবে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করা।

    বাংলাদেশের মাটি এখন ভীষণ গরম। বিএনপি সহ বিরোধী দল এক জোটে নেমেছে আন্দোলনে। দাবি একটাই, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ। পাশাপাশি চাই নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার । শেখ হাসিনার দাবি, কেন পদত্যাগ করতে হবে? কারণটা কি? আওয়ামী লীগ বিএনপির ওপর গ্রেনেড হামলা করেনি কিংবা কোন অত্যাচারও করেনি। সরকারের দায়িত্ব মানুষকে রক্ষা করা। আওয়ামী লীগ পরপর তিনবার ক্ষমতায়। বিন্দুমাত্র কমেনি জনপ্রিয়তা। বরং ৭০ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগের উপর ভরসা করে। গত মাসেও একই কথা শোনা গিয়েছিল শেখ হাসিনার গলায়। তখনো বলেছিলেন, অনেক ষড়যন্ত্র চক্রান্ত চলছে। কিন্তু তার ভরসা দেশের মানুষ। নৌকায় ভোট দিয়ে মানুষ যেভাবে স্বাধীনতা পেয়েছে, তেমনি উন্নয়ন হয়েছে দেশজুড়ে।

    যতই যাই হোক। নির্বাচন মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। গোটা বিশ্বজুড়ে নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য, দ্বন্দ্ব কম বেশি দেখা যায়। তার ব্যতিক্রম হয়নি বাংলাদেশও। তবে শেষ কথা বলবে দেশটার জনগণই। নির্বাচন সুষ্ঠু শান্তভাবে হওয়াটাই কাম্য। বাংলাদেশের মানুষ এই মুহূর্তে ঠিক কোন দলের পাশে রয়েছে, সেই উত্তর তো দেবে ব্যালটবক্স। আপনার কি মনে হয়? কোন দল জয়ী হবে? পুনরায় আবার কি ক্ষমতায় আসবে আওয়ামী লীগ? নাকি অন্য কোন রাজনৈতিক দল? বাংলাদেশ সরকার হিসেবে কাকে দেখতে চান? জানান আমাদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মুখ বন্ধ করতে চাইছে হাসিনা সরকার! বাংলাদেশ চাপে আছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে তো?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশকে এবার দিতে হবে বড় পরীক্ষা। ফেল করলেই নাক কাটা যাবে। দেশটাতে চলছে সীমা লঙ্ঘনের কালচার। অতিরিক্ত নাক গলাচ্ছে রাষ্ট্রদূতরা। যা একদম পছন্দ নয় হাসিনা সরকারের। রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। তাই নির্বাচনের আগেই আটঘাট বেঁধে অত্যন্ত সতর্ক আওয়ামীলীগ। তাহলে কি শান্ত মাথায় মুখ বন্ধ করতে চাইছে বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের? বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশই। নির্বাচনের তপসিল ঘোষণার আগেই চরম উত্তেজনা। শেখ হাসিনার গ্রহণযোগ্যতা কতটা?

    যে কোনো মুহূর্তে ঘোষণা হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের তফসিল। মুহূর্তটা ভীষণ ভাইটাল। এখন যদি অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশী রাষ্ট্র দূতরা হস্তক্ষেপ করে, তাহলে জটিলতা বাড়তে পারে বলে মনে করছে বাংলাদেশ সরকার। এমনি থেকেই দেশটার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি একদম ভালো নয়। দেশ জুড়ে চলছে আগুন, ভাঙচুর, গ্রেফতার। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে বিশ্বের বহু দেশ চাইছে সুষ্ঠ সমাধান। কিন্তু আওয়ামী লীগ আর বিএনপিসহ দেশটার অন্যান্য রাজনৈতিক দল এখনো আলোচনায় বসেনি। তাহলে কি এই মুহূর্তে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রদূতদের গুরুত্ব দিতে চাইছেন না। এড়িয়ে যেতে চাইছেন এক্সট্রা ঝামেলা? কিন্তু গন্ডগোল বাঁধলেই তো তারা কথা বলবে। এর আগেও বলেছে। তাহলে কি আগে থেকে রাষ্ট্রদূতদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে? উঠছে হাজারো প্রশ্ন। ২৮ অক্টোবরের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি আর আন্তর্জাতিক রাজনীতি যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। বিদেশি রাষ্ট্র গুলো একের পর এক দিয়েছে বিবৃতি।

    দেশটার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের মতে, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশী কূটনীতিকদের কথা বলা একদম পছন্দ করছে না সরকার। তারপরেও দেওয়া হয়েছে কালচারার স্পেস। কারণ এই সংস্কৃতি বাংলাদেশের বহুদিনের। তবে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশই। বহু দেশই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় গবেষণা করে দেখেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে ৭০% কিংবা তারও বেশি। আবার সেই সব দেশেই ভেঙে পড়েছে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের কাঠামো। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, তাদের নৈতিক কোন ভিত্তি নেই। রাষ্ট্রদূতরা যতই সীমা লঙ্ঘন করুক না কেন, সেটা কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য কঠিন। তাই সবার আচরণ, কথাবার্তা, অভিব্যক্তি থেকে শুরু করে লেখালেখি আরো সহনীয় হওয়া দরকার। এই প্রথম নয় এর আগেও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাফ জানিয়েছিলেন, দায়িত্বের বাইরে কাজ করলে রাষ্ট্রদূতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবারও তিনি সতর্ক করে দিলেন। তফসিল ঘোষণার সময় যাতে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য না করেন। তার কথায়, অনেকদিন ধরেই অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার একটা চর্চা চালু হয়েছে দেশে। আর এই সুযোগটাই নিচ্ছেন অনেকে। বাংলাদেশ সরকার চায়, এই কালচার এবার বন্ধ হোক। মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বিরুদ্ধেও রয়েছে একগুচ্ছ অভিযোগ। যদি এখনো পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি পত্র ওয়াশিংটনে পাঠায়নি বাংলাদেশ সরকার। গত ছয় মাস ধরে নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশে যত জলঘোলা। অতীতে যেসব কথা রাষ্ট্রদূতরা বলেছেন, এখন যদি সেই কথাই তারা রিপিট করেন আরও বেশি এফেক্টেড হতে পারে নির্বাচন।

    দেখুন, যতই সবকিছুকে উড়িয়ে দেওয়া হোক না কেন, বাংলাদেশ কিন্তু চাপে রয়েছে। দেশটার মানবাধিকার রেকর্ড পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে তৎপর জাতিসংঘ। সেখানে বাংলাদেশ পাস করবে নাকি করবে না, তা তো বলবে রেজাল্টই। আপনার কি হয়? বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ঠিক আছে? নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে হবে তো? মন্তব্য করে আমাদের জানাতে পারেন আপনার মতামত।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • মেঘনা দুহাত ভরে দিচ্ছে বাংলাদেশকে, শেখ হাসিনা প্রকৃতির এই দেওয়াকে কাজে লাগাতে পারছেন তো ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    অবিশ্বাস্য ব্যাপার। নদীর বুক ফুঁড়ে জেগে উঠছে নতুন বাংলাদেশ। দেখতে কেমন? স্বপ্ন দেখাচ্ছে হাজারো চর। কারা পাবে এই নতুন ভূখণ্ড? বড় সৌভাগ্য দেশটার। আশীর্বাদ ঢেলে দিচ্ছে প্রকৃতি। একটা দ্বীপই দেখাচ্ছে কামাল। হয়ে উঠবে গেম চেঞ্জার। যুদ্ধ করে নয়, আপনা আপনি আয়তন বাড়ছে বাংলাদেশের।

    বাংলাদেশের নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। এখানে দুহাত ঢেলে দিচ্ছে মেঘনা। দূর থেকে দেখতে পাবেন, জেগে উঠেছে ছোট বড় ত্রিশটিরও বেশি চর। পড়ে রয়েছে হাজার হাজার একর জমি। না এই জমি বাংলাদেশ যুদ্ধ করে পায়নি। কারোর কাছ থেকে ছিনিয়েও নেয়নি। বা বাংলাদেশকে কেউ দানও করেনি। এই জমি বাংলাদেশ পেয়েছে প্রকৃতির আশীর্বাদে। এটা বাংলাদেশের সৌভাগ্য। মেঘনার গর্ভে তলিয়ে যায় পুরনো ভূখণ্ড, অপরদিকে জেগে ওঠে নতুন ভূমি।

    বাংলাদেশে সাগরের তলদেশে প্রতিনিয়ত বেড়ে উঠছে এমন অসংখ্য ডুবো চর। মেঘনা নদী পথে যাওয়ার সময় যেদিকে চোখ যাবে দেখবেন কেবলই দ্বীপ, আর সবুজের সৌন্দর্য। কয়েক দশক পেরোতে না পেরোতেই নতুন স্বপ্ন নিয়ে বসতি গড়ছে মানুষ। বেঁচে থাকার আশ্বাস পাচ্ছে ভূমিহীনরা। গত দশ বছরে ভূমিহীনরা পেয়েছে ঢালচর, কেরিংচর, ঠেঙাচর, মৌলভী চর সহ বহু নতুন ভূখণ্ড।

    হাতিয়ার অবস্থান বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর এলাকার উত্তর দিকে নদীর মোহনায়। চারিদিকে অথৈ জলরাশি আর উত্তল তরঙ্গের মাঝখানে ভেসে রয়েছে ভেলার মতো। ২১০০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের দ্বীপের জনসংখ্যা প্রায় ৬ লক্ষ। মেঘনার বুক চিরে জেগে ওঠা চর গুলো এখন সবুজ গাছগাছালিতে ভরা। একটা সময় হাতিয়াই ছিল নোয়াখালী জেলার একদম শেষ সীমানা। কিন্তু এখন সেই হাতিয়া শেষ কথা বলছে না, বরং হাতিয়া থেকে দাঁড়িয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে যেতে যেতে যে দিকে তাকাবেন সেদিকেই দেখবেন নতুন ভূমি। এক সময় হাতিয়াকে কম ঝড় ঝাপটা সহ্য করতে হয়নি। হরণি, সুখচর, নলচিরা, সাগরদি, নীলাক্ষি প্রভৃতি ইউনিয়ন নিয়ে বাংলাদেশের হাতিয়া উপজেলা। ১৮৯০ সাল নাগাদ খরস্রোতা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গিয়েছে বহু জনপদ। কিন্তু যতটা না হারিয়েছে, তার দ্বিগুণ ফিরিয়ে দিয়েছে মেঘনা। যদিও সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে চর গুলো সেভাবে কাজে লাগানো হয়নি। জোয়ারে প্লাবিত হওয়ার কারণে একাধিকবার ধান চাষ হলেও, সুফল মেলে মাত্র একবার। প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষ বেঁচে গেলেও, ছাড় পায় না নিরীহ পশুগুলো।

    গত ৫০ বছরে হাতিয়া নদীগর্ভে হারিয়েছে প্রায় ৭০বর্গ কিলোমিটার এলাকা। খুইয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। হাতিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সমস্যা, চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসেবার অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। তবুও এই জায়গাটাতে রয়েছে একরাশ সম্ভবনা। শুধু প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিকল্পনা আর ব্যবস্থাপনা। যদি এই চরগুলো কৃষিকাজের আউতায় আনা হয়, ফুলেফেঁপে উঠবে বাংলাদেশের অর্থনীতি। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকারের বেশ কয়েকটি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। চেষ্টা চলছে চরের মানুষগুলোকে যাতে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পায়। চরগুলোতে উৎপন্ন হচ্ছে বিভিন্ন শাক সবজি থেকে শুরু করে ধান বাদাম কৃষিজ পণ্য। হাতিয়ার উপকূলেই রয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম মৎস্যচরণ ক্ষেত্র। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী ২ দশকের মধ্যেই হয়ত চরগুলো একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তৈরি করবে নতুন বাংলাদেশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শেখ হাসিনা ভয় পাচ্ছেন? একরোখা বিএনপি! বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে কি করে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বিদেশি চাপকে পাত্তাই দিচ্ছেন না শেখ হাসিনা। ডোন্ট কেয়ার ভাব। দেশজুড়ে ধরপাকড়, সংঘর্ষ, অ্যারেস্ট। কিন্তু সিদ্ধান্তেই আসছেন না শেখ হাসিনা তথা আওয়ামীলীগ। আলোচনায় না বসলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে না তো? শেখ হাসিনা কেন এমনটা করছেন? ভয় পাচ্ছেন নাকি নতুন কোনো মাস্টার প্ল্যান? বিদেশি চাপে কোণঠাসা বাংলাদেশ। হারিয়ে যাচ্ছে বিএনপি! কোন বড় ক্ষতি হতে চলেছে? গ্রাহ্যই করছে না সরকার।

    শেখ হাসিনা বলে দিয়েছেন, কোন আলাপ আলোচনা নয়। নির্বাচন হবে সুষ্ঠু ভাবে। বলে তো দিলেন, কিন্তু দেশের অশান্ত পরিস্থিতি সামলাবে কে? বারংবার অবরোধের ডাক, আন্দোলন লেগেই রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিদেশি চাপ অগ্রাহ্য করছেন শেখ হাসিনা। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচনের দিকে। আর তো মাত্র কটা মাস। প্রশ্নটা এখানেই। অশান্তির আবহ থাকা সত্ত্বেও কিভাবে চুপ করে রয়েছে আওয়ামীলীগ? ২৮ শে অক্টোবর ঢাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের পর থেকেই বিষয়টা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্বের বহু দেশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে শুরু করে জাতিসংঘ সবাই বাংলাদেশের ইস্যুটা নিয়ে কথা বলেছে। উঠে এসেছে সুষ্ঠুভাবে আলাপ আলোচনার প্রসঙ্গ। কিন্তু রেজাল্ট মেলেনি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে আলাপ আলোচনার তাগাদা দেয়া হলেও সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। বিএনপির দাবি, সরকারের পদত্যাগের পর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানতে হবে, তবেই তারা সংলাপে বসবে। আবার আওয়ামীলীগের একটাই কথা, শর্তহীন ভাবে সংবিধানের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবেই হবে আলোচনা। এসব বাকবিতন্ডার মাঝেও কিন্তু নির্বাচনের প্রস্তুতি থেমে নেই। চলতি মাসের মাঝামাঝি ঘোষণা হয়ে যেতে পারে নির্বাচনের তফসিল।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ সরকার বিদেশি চাপকে উপেক্ষা করতেই এত প্ল্যানিং। আন্তর্জাতিক চাপও কম যাচ্ছে না। দুই দলই বসতে চাইছে না সংলাপে। আন্তর্জাতিক মহল বারংবার গুরুত্ব দিচ্ছে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের উপর। জাতিসংঘ কিন্তু ঢাকায় সহিংসতা, সাংবাদিকদের লাঞ্ছনা, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মতো ঘটনায় বিরোধী দল থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীনদের সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দিয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্বাসযোগ্য শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের । দেখুন, বাংলাদেশের অন্যতম দুটো রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ আর বিএনপি। সমালোচকদের মতে, শেখ হাসিনা অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশলে কূটনৈতিক চাপকে সামলাতে সাজাচ্ছেন অন্য ঘুঁটি। নেতৃত্বশূন্য করে দিতে চাইছেন বিএনপিকে। অপরদিকে বিএনপি প্রথম থেকেই বলে এসেছে শেখ হাসিনার অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না। তাহলে এই নির্বাচন কিভাবে অংশগ্রহণমূলক হবে? প্রশ্ন সমালোচকদের।

    বিদেশী চাপকে পাত্তা না দিলে ভবিষ্যতে সমস্যার মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ। বিশ্বের বহু রাষ্ট্র এই ধরুন রাশিয়া চীন ভারত প্রথম থেকেই বলে এসেছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় কেউ নাক গলাবে না। অপরদিকে নির্বাচন ইস্যুতে বাংলাদেশকে চাপে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র সহ বহু পশ্চিমা দেশ। যদিও বাংলাদেশের নীতি সবার সাথে বন্ধুত্ব। কারোর সাথে শত্রুতা নয়। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে যদি বিদেশী চাপ আসেও, তা সুষ্ঠুভাবেই সমাধান করার চেষ্টা করবে দেশটা। আপাতত বিষয়গুলোকে সেভাবে আমল দিচ্ছেন না শেখ হাসিনা। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কারোর চোখ রাঙানি পরোয়া করেন না। এমন কোন চাপ নেই যেটা শেখ হাসিনাকে দিতে পারে। নির্বাচন হবে সময় মতই।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version