Tag: Bangladesh PM Sheikh Hasina

  • International Mother Language Day: ভাষা দিবসে সেজে উঠেছে কলকাতা থেকে ঢাকার রাজপথ, কোথায় কেমন আয়োজন?

    International Mother Language Day: ভাষা দিবসে সেজে উঠেছে কলকাতা থেকে ঢাকার রাজপথ, কোথায় কেমন আয়োজন?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    International Mother Language Day: বাঙালি প্রাণের ভাষা বাংলা ভাষা। নিজেদের মাতৃভাষাকে (Mother Language) নিয়ে আজ গর্ব করার দিন। ভাষার অধিকার ছিনিয়ে নিতে হয়েছিল জোর করে। ঝরেছিল প্রচুর যুবকের তরতাজা রক্ত। খালি হয়েছিল মায়ের কোল। পৃথিবীর যে প্রান্তে বাঙালি থাকুক না কেন একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানাতে ভোলেন না। ভাষা দিবস এক আলাদা আবেগ, তাই তো মনে বারবার বেজে ওঠে “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলতে পারি”। ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (International Mother Language Day) হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারি (21 February) স্বীকৃতি পেয়েছিল। ভাষা দিবস উপলক্ষে কলকাতা (Kolkata) থেকে ঢাকা (Dhaka), সেজে উঠেছে নানা আয়োজনে। ২০২৩ এ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার থিম ‘ বহুভাষিক শিক্ষা- একটি বহুভাষিক বিশ্বের শিক্ষাকে রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তা”।

    বাঙালির কাছে একুশে ফেব্রুয়ারির আলাদা আবেগ রয়েছে। মধ্যরাত থেকে একুশের গান বাজছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। ভাষা শহীদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষ খালি পায়ে হেঁটে চলেছেন। হাতে ফুল, পরনে কালো পোশাক। রাত ১২টা ১ মিনিটে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদে স্পিকার, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনৈতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা সহ অনেকে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে ভিড় বাড়ছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ একুশে ফেব্রুয়ারির উদ্দেশ্যে এখানে জড়ো হয়েছেন। ঢাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি শহীদ মিনারে প্রবেশের আগে রয়েছে চারটি নিরাপত্তা তল্লাশি।

    কলকাতার রাজপথও ভাষা দিবস উপলক্ষে সেজে উঠেছে। তিন দিন ধরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি। একুশে ফেব্রুয়ারি সকাল হতেই কলকাতার রাস্তায় প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা গিয়েছে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সমিতিকে। বীর ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধায় ও স্মরণে প্ল্যাকার্ডে লেখা রয়েছে ” নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান, ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই”। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেছে নিউটাউন উৎসব ও মেলা কমিটি। রাজপথে সবাই একসাথে পা মিলিয়েছেন কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সদস্যদের সঙ্গে। তারপর শহীদদের উদ্দেশ্যে সবাই পুষ্পস্তবক সহ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

    ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ হয়েছিল। ভারত পেয়েছিল দেশভাগের যন্ত্রণা। অপরদিকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে শুরু হয় অন্য সমস্যা। জোর করে বাঙালিদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় উর্দু ভাষা। বাঙালির পক্ষে যা মেনে নেওয়া অসম্ভব ছিল। অবশেষে পরিস্থিতি চূড়ান্ত আন্দোলনের রূপ লাভ করে। ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হন বাঙালি যুবক সালাম, বরকত, রফিক, সফিউর, জব্বারসহ প্রচুর বীর সন্তান। ১৯৫৬ সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • International Mother Language Day: বাংলাদেশে আলপনা আর বর্ণমালার সাজছে শহীদ মিনার! পুরোদমে চলছে শেষ প্রস্তুতি

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    International Mother Language Day: রাত পোহালেই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস(International Mother Language Day)। তার আগের দিন ব্যাপক ব্যস্ততা দেখা গেল বাংলাদেশে (Bangladesh)। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতের পরে ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শুরু হবে। বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলা ভাষা। যে ভাষার অধিকার পেতে হয়েছিল লড়াই করে। রক্ত ঝরে ছিল সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারদের মতো যুবকদের। মহান শহীদ দিবস আর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দুই বাংলায় এখন পুরোদমে শেষ প্রস্তুতি চলছে।

    সুন্দর আলপনা আর ভাষা আন্দোলনের নানান গান, কবিতা, স্লোগানে দেয়াল সাজাচ্ছেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের পড়ুয়ারা। পাশাপাশি পরিষ্কারের কাজ চলছে। রং করা হচ্ছে গাছের গুড়ি। শহীদ মিনারের আশেপাশে থাকা দেয়াল ভরে উঠছে নানান ছবিতে। যেখানে ফুটে উঠেছে বাংলা ভাষা আর বাঙালির কথা। শহীদ মিনার এলাকায় এখানে মহা ব্যস্ততা। কেউ নিপুণ হস্তে সুন্দর করে বর্ণমালা লিখছেন, আবার কেউ শহীদদের ছবি আঁকছেন। সকাল হলেই আমুল বদলে যাবে শহীদ মিনার এলাকার চিত্র।

    ঠিক রাত ১২টা ০১ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। গোটা বিশ্বজুড়ে রাত পোহালে পালন করা হবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই দিন যাতে নিরাপত্তায় কোন ফাঁকফোকর না থাকে তাই ঢাকা সিটি পুলিশ বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক জানিয়েছেন ঢাকাই জঙ্গি হামলার কোন আশঙ্কা নেই। বইমেলার পুরো এলাকার পাশাপাশি পলাশি থেকে দোয়েল এলাকা পর্যন্ত সিসিটিভির নজরে রাখা হবে। শহীদ মিনারের প্রবেশপথে রাখা থাকবে আর্চওয়ে। ভিতরে প্রবেশ করতে হলে চাইলে প্রত্যেককে আর্চওয়ের মধ্যে দিয়ে আসতে হবে। ভিআইপিরা প্রবেশ করবেন দোয়েল চত্বর দিয়ে। গাড়ি রাখার জায়গা করে দেওয়া হয়েছে জিমনেসিয়াম মাঠে। সাধারণ মানুষ প্রবেশ করবেন পলাশির মোড় দিয়ে জগন্নাথ হল থেকে। ঢাকা জুড়ে এখন বাঙালির উৎসাহ তুঙ্গে। মাতৃভাষা দিবসে উপস্থিত থাকবেন দেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি শহীদদের উদ্দেশ্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন বিদেশি কূটনৈতিক এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্যগণ। পুষ্প অর্পণ হয়ে গেলে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

    ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীনতা পেয়েছিল। পাশাপাশি পেয়েছিল দেশভাগের যন্ত্রণা। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান যেখানে বাঙালিদের বাস, তাদের উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল উর্দু ভাষা। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হলেও ভাষা নিয়ে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। বাঙালি বারবার বলে গেছে তারা উর্দু নয়, বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে পেতে চায়। অবশেষে ১৯৫২ সালে প্রতিবাদ আরো জোরালো হয়ে ওঠে। বলা হয়, ভাষা আন্দোলনে ঠিক কত জন বাঙালি যুবক শহীদ হয়েছিলেন এখনো পর্যন্ত তার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা পাওয়া যায় না, তবে বারংবার যে নামগুলি পাওয়া যায় সেই তালিকায় রয়েছে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরের নাম। মাতৃভাষা নিয়ে যে আন্দোলন তৈরি হয়েছিল সেখানেই স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের স্বপ্নের বীজ বপন করা হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Shahabuddin Chuppu: বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি শাহবুদ্দীন চুপ্পু ! আজই নাম ঘোষণা সরকারের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Shahabuddin Chuppu: বাংলাদেশ পেতে চলেছে তার নতুন রাষ্ট্রপতিকে, নাম শাহবুদ্দীন চুপ্পু। রাজনৈতিক মহলে ‘চুপ্পুভাই’ নামে পরিচিত তিনি। আজ, রবিবার বাংলাদেশ সরকার নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছে। তাঁকে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।

    ওপার বাংলার ২২তম রাষ্টপতি হচ্ছেন শাহবুদ্দীন। আজ তাঁর নাম নির্বাচন কমিশনে দাখিল করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। খবর শুনে চুপ্পুর কথা, ‘সবই আল্লাহর ইচ্ছা’। প্রাক্তন এই বিচারপতি একটা সময় ‘দুদক’-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরে শেষেই রয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) সাধারণ নির্বাচন। সেদিক থেকে রাষ্ট্রপতির পদটি একটা আলাদা মাত্রা যোগ করে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সংসদে আওয়ামী লীগের (Awami League) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। আর তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনও দলের প্রার্থী দেওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। তাই আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যিনি যাবেন তিনি এই পদে নির্বাচিত হবেন। ১৯৯১-তে সংসদীয় ব্যবস্থায় ফেরার পর মাত্র একবারই রাষ্ট্রপতি পদে ভোটের প্রয়োজন পড়েছিল।

    প্রাক্তন মুক্তিযোদ্ধা শাহবুদ্দীন এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। শেখ হাসিনার আস্থাভাজনদের মধ্যে নাম রয়েছে তাঁর। গত বছরই তাঁকে লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করেছিলেন ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আইন সম্পর্কিত জ্ঞান রয়েছে এবং অভিজ্ঞতার নিরিখে তিনি শ্রেষ্ঠ। মহম্মদ আবদুল হামিদের (Mohammad Abdul Hamid) মেয়াদ শেষের দিকে আসতেই, তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে কাকে বাছা হবে, তাই নিয়ে চর্চা শুরু হয় বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে। নির্বাচন আগামী ১৯ তারিখ। বিগত এতদিনে কোনও প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেনি আওয়ামী লীগ। রবিবার অর্থাৎ আজ ছিল মনোনয়নের শেষ দিন। অবশেষে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে সরকার।

    বাংলাদেশের ২১তম রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি প্রথম যিনি টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৭১-এ ওপার বাংলা স্বাধীন হওয়ার পর আবদুল হামিদ ছাড়া আরও ১৬ জন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিভিয়েছেন। সম্প্রতি হামিদের লেখা বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘আবদুল হামিদের আত্মজীবনীকে জাতির জন্য এক অমূল্য সম্পদ’ হিসেবে বর্ণনা দিয়েছেন। এবার তাঁর জায়গায় বসতে চলেছেন শাহবুদ্দীন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: ভারত থেকে কমেছে রপ্তানির পরিমাণ, খাদ্য পণ্যের ঘাটতিতে বাংলাদেশ!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: ভারত (India) থেকে বাংলাদেশে (Bangladesh) পণ্য রপ্তানির (Export) পরিমাণ কমেছে প্রায় ২ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি। রপ্তানির ক্ষেত্রে নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞার কারণে এমনটা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্য অর্থাৎ চাল, গম, পিঁয়াজ, ভুট্টা প্রভৃতির চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশে উৎপাদন না হলে তা অন্য দেশ থেকে আমদানি (Import) করে থাকে। সেক্ষেত্রে ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য যায় বাংলাদেশে। কিন্তু ২০২১ এর তুলনায় ২০২২ এ খাদ্য পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ কমেছে প্রায় ২ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি। যার কারণে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের খুচরো বাজারে।

    বৈশ্বিক মন্দা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ভারত সরকার রপ্তানির উপর নানান নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। অপরদিকে বাংলাদেশে যথাযথভাবে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য আমদানি না হওয়ায় বহু জিনিসের দাম বেড়ে যায়। তবে আশা করা হচ্ছে, কোটা চুক্তি বাস্তবায়িত হলে এই সমস্যা হবে না। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে পণ্যের দাম বেশি হওয়ার বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। মূলত আমদানি কমেছে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে পণ্যের দাম। অপরদিকে বাংলাদেশ এখন রয়েছে ডলার সংকটে।

    বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলি দিয়ে ২০২১-২২ অর্থ বছরের তুলনায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় কুড়ি লক্ষ টন আমদানি কমেছে। ২০২২ এর জুলাই থেকে অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে আমদানি কমেছে প্রায় ৩০%। ভারত থেকে বাংলাদেশে শুধুমাত্র রপ্তানি কমেনি, বাংলাদেশ থেকে ভারতে আমদানির পরিমাণও কমেছে। ২০২২ এ বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছে প্রায় চার লক্ষ চার হাজার টন পণ্য, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ হাজার টন কম।

    ভারত থেকে বাংলাদেশে যথাযথ পরিমাণে রপ্তানি না হওয়ায় দেশটি অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে। উপরন্তু দেশটির কাঁচামাল এবং মধ্যবর্তী পণ্য আমদানি কমায় রপ্তানিতেও ভাঁটা পড়েছে। বাংলাদেশ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্য আমদানিতে ভারতের কাছে বার্ষিক কোটার সুবিধা চেয়েছিল। যাতে বছরে নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ পণ্য বাংলাদেশ ভারত থেকে আমদানি করতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা বৈশ্বিক মন্দার কারণে যখন রপ্তানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হবে, তখন কিন্তু বাংলাদেশকে আর অসুবিধায় পড়তে হবে না। কারণ কোটা সুবিধা অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে পণ্য রপ্তানি করা হয়। বর্তমানে ভারত ভুটান এবং মালদ্বীপের সঙ্গে এই কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে।

    গত সেপ্টেম্বরে ভারতের কাছে কোটার সুবিধা চেয়েছিল বাংলাদেশ। তখন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina) ভারত সফরে এসে বাংলাদেশ-ভারত শীর্ষ সম্মেলনে এই সুবিধার কথা তোলেন। যদিও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের এই কোটা সুবিধা এখনো পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। করোনা মহামারী (Corona pandemic) আর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine conflict) ফলে বাংলাদেশ এখন খাদ্য নিরাপত্তা সংকটের আশঙ্কায় রয়েছে। দেশটির খাদ্য পণ্যের বৃহত্তম যোগানদাতা হল ভারত। বাংলাদেশের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারতের থেকে বার্ষিক কোটা নির্ধারণ বেশ জরুরি।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • AK Abdul Momen: ‘মিডিয়া পাত্তা না দিলে বিদেশিরা ঘরে বসে হুক্কা খাবে’, দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    AK Abdul Momen: বিদেশিরা নিজেদেরকে দেশের রাজা মনে করেন মিডিয়ার কারণে। এমনই কিছু দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর এ.কে. আব্দুল মোমেন (AK Abdul Momen)। বুধবার সিলেট সদর ও জকিগঞ্জ উপজেলায় কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন এবং কার্যক্রম জোরদার করা নিয়ে মত বিনিময় করার পর একথা বলেছেন মন্ত্রী। Jagonews24.com সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তিনি বলেছেন, ১৪ বছরে শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) সাহস এবং দেখার ক্ষমতা বাংলাদেশে (Bangladesh) সাফল্য এনেছে। আমরা আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো থেকে অনেক অনেক ভালো জায়গায় রয়েছি।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি বলেছেন, ‘দারিদ্র্যতা এক অত্যন্ত বড় অভিশাপ। আর আমরা তার অর্ধেকটা নামিয়ে ফেলেছি। বাংলাদেশ এখন দরিদ্র দেশ নয়, দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রয়েছে’। ডক্টর মোমেনের বক্তব্য, যেহেতু আমরা প্রতিবেশী দেশ থেকে ভালো আছি। এজন্য অনেকে আকর্ষণবোধ করছেন। অনেকে অনেকভাবে ফায়দা লুঠতে চাইছেন। বিশ্বের যেসব দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আছে, সেখানে উন্নতি হয়। বাংলাদেশেও তাই হয়েছে। কিন্তু যেসব দেশে নেই, সেগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু আমাদের কিছু লোক চায় না দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করুক। কারণ দেশ অশান্ত থাকলে তাঁরা ফায়দা তুলতে পারবে’।

    তাঁর কথায়, ‘অনেকেই চাননা আমাদের দেশ উন্নত হোক। এজন্য তাঁরা বিভিন্ন মিথ্যে তথ্য দিয়ে লোকজনকে উসকে দেন। দেশ অশান্ত হলে তাঁরা কিন্তু শান্তিতে থাকবেন না। বিশ্বের যেসব দেশে যে পক্ষ অশান্তি সৃষ্টি করেছে, তারা কিন্তু শান্তিতে নেই’। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশিদের জ্ঞান খুব সীমিত। সবচেয়ে ভালো জ্ঞান রাখেন বাঙালিরা। বিদেশিরা আমাদের যখন কোনও পরামর্শ দেন, তখন সেটি হাস্যকর লাগে। কারণ বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে অন্যতম একটি দেশ, যে দেশের মানুষ গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য রক্ত দিয়েছেন। দুনিয়ার আর কোথাও এমন নজির নেই। অথচ বিদেশীরা আসে আমাদের বোঝাতে। তাঁদের দেশে নির্বাচন হলে ২৫ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়, আর আমাদের দেশের ৭০-৮০ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়। অথচ তাঁরা বড় বড় কথা বলে। তাঁরা তাঁদের নির্বাচনের সময় প্রার্থী পায় না। আর আমাদের মিডিয়াগুলো বিদেশিদের কথায় হইচই করে। তাঁদের নিউজ কভার করা বন্ধ করুন। তাঁদের পাত্তা দেবেন না। আমাদের মিডিয়া যদি ওঁদের কভার করা বন্ধ করে, তখন ওঁরা ঘরে বসে খালি ‘হুক্কা’ খাবে। মিডিয়ার কারণে বিদেশিরা নিজেদের এদেশের রাজা মনে করে’।

    এদিনের মত বিনিময় সভায় সিলেটে আরও সাতটি নতুন কমিউনিটি ক্লিনিক চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের মোট ২৪টি নতুন কমিউনিটি ক্লিনিক প্রয়োজন। আশা রাখছি, দ্রুত এগুলও পেয়ে যাব। কমিউনিটি ক্লিনিকের কারণে দেশে যে কত উন্নয়ন হচ্ছে, তা আমরা টের পাচ্ছি না। দেশে মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু অনেকটাই কমে গিয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • River Cruise: ১৩ জানুয়ারি চালু হচ্ছে এমভি গঙ্গা বিলাস, ৫০ দিনব্যাপী যাত্রার ভাড়া কত?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    River Cruise: আগামী ১৩ জানুয়ারি ভারতের বারাণসী থেকে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ হয়ে অসমের ডিব্রুগড়ে যাবে এমভি গঙ্গা বিলাস। ৫০ দিনে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার অতিক্রম করবে ক্রুজটি। বিগত দিনে যে যাত্রা ইউরোপের ডানিউব বা রাইন, আমেরিকার মিসিসিপি, মিশরের নীলনদ কিংবা এশিয়ার মেকং বা ইয়াংসেতে সম্ভব হয়েছে, তা এখন গঙ্গা, যমুনা বা পদ্মাতেও করা যাবে। কিন্তু ধনী পর্যটকদের কথা মাথায় রেখেই আপাতত করা হচ্ছে, তাই টিকিটের ভাড়াও বেশ চড়াও হবে।

    বহুদিন ধরেই এই রিভার ক্রুজের প্রস্তুতি চলছিল। বাংলাদেশ (Bangladesh) ও ভারত সরকার (Central Government) একযোগে এই কাজে হাত লাগান। শেষমেশ গেল বছরের শেষে কলকাতায় ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’-এর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) এই ক্রুজের যাত্রা শুরুর তারিখ ঘোষণা করেন। সেদিনই তিনি জানান, ‘বহুদিন ধরে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার নিজেদের মধ্যে ওয়াটারওয়েজ লিঙ্কগুলি চালু করার জন্য কাজ করছে। আগামী ১৩ জানুয়ারি কাশী থেকে এই পথে যাত্রা শুরু করবে অত্যাধুনিক রিভার ক্রুজ। কলকাতা হয়ে এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। তার পর আবার অসমে ঢুকে ডিব্রুগড়ে যাত্রা শেষ করবে’।

    নমো নিজের সংসদীয় কেন্দ্র বারাণসীর গঙ্গার ঘাট থেকে এই যাত্রার ফ্ল্যাগ অফ করবেন বলে, আপাতত স্থির হয়েছে। সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিজিটালি উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। ‘বাংলা ট্রিবিউন’ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে এমনটাই।

    কোন রুটে চলবে ক্রুজ?

    বারাণসী থেকে শুরু করে গঙ্গা হয়ে বক্সার, রামনগর গাজীপুর পেরিয়ে আট দিনের সময় এটি পৌঁছাবে পাটনায়। সেখান থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হবে ক্রুজটি। ২০ দিনের মাথায় কলকাতায় পৌঁছানোর কথা তার। এর পর সুন্দরবনের (Sundarban) মাঝখান দিয়ে গিয়ে ঢুকবে বাংলাদেশে। পশ্চিমবঙ্গের হেমনগর পার করে বাংলাদেশে ঢুকে একে একে মোংলা, বাগেরহাট, কটকা, হাড়বাড়িয়া, মোড়েলগঞ্জ পার করে পৌঁছাবে বরিশালে। তারপর মেঘনাঘাট, সোনারগাঁও, আরিচা, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বাহাদুরাবাদ, চিলমারি হয়ে অসমের ধুবড়িতে প্রবেশ করবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওপার বাংলার মধ্য দিয়ে যে রুটে রিভার ক্রুজটি যাবে সেটি ‘ইন্দো-বাংলা প্রোটোকল রুট’ নামে পরিচিত। ইতিমধ্যে দুই দেশের সম্মতিতে ‘ট্রেড ও ট্রানজিট’ শুরু হয়ে গিয়েছে। এখন তা যুক্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিলাসবহুল রিভার ক্রুজের সঙ্গেও। জানা গিয়েছে, প্রমোদতরীটি ওপার বাংলায় কাটাবে মোট ১৫ দিন।

    এর পরবর্তীতে অসমের ধুবড়ি, গোয়ালপাড়া, গৌহাটি, বিশ্বনাথ পেরিয়ে ব্রহ্মপুত্রের তীরে ডিব্রুগড়ের কাছে বগিবিলে যাত্রা শেষ করবে ক্রুজটি। এই যাত্রায় ৫০টি দর্শনীয় স্থান দেখার সুযোগ পাবেন পর্যটকরা। সুন্দরবনের মত ইউনেস্কো স্বীকৃত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট থেকে শুরু করে আরও নানা জায়গা দেখতে পাবে পর্যটক। কিন্তু কারা চালাবে এই রিভার ক্রুজ? ৫০ দিনের এই দীর্ঘ যাত্রায় কারা পথ দেখাবে পর্যটকদের?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, রিভার ক্রুজ চালানোর জন্য ভারতের সরকারি সংস্থা ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ অথরিটি অব ইন্ডিয়া চুক্তিবদ্ধ হয়েছে অন্তরা লাক্সারি রিভার ক্রুজ ও জেএম বক্সি রিভার ক্রুজ নামে দুটি সংস্থার সঙ্গে। একটি সংস্থা দেখছে অপারেশনাল দিকগুলি এবং অন্যটি পরিচালনা, মার্কেটিং, বিমা সহ অন্যান্য বিষয়ে সামলাচ্ছে। অন্তরা লাক্সারি রিভার ক্রুজের প্রমোদতরী চালানোর অভিজ্ঞতা বেশ কয়েক বছরের। সুন্দরবন, বারাণসী, কলকাতা, মুর্শিদাবাদ সহ আরও নানা জায়গায় তাঁরা ক্রুজ অপারেট করে থাকে। সম্পূর্ণ ভারতে তৈরি এই প্রমোদতরীটিতে থাকছে ১৮টি লাক্সারি স্যুইট। যেখান থেকে নদী তীরের প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। অবশেষে জানা যাক ভাড়া কত হবে এই ক্রুজ যাত্রার?

    আর মাত্র বাকি দিন দশেক। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্তরা লাক্সারি ক্রুজ এখনও নিজেদের ওয়েবসাইটে বা অন্য কোথাও ভাড়া নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি দেয়নি। ‘বাংলা ট্রিবিউন’ সংবাদমাধ্যম সূত্রে ইউরোপ ও আমেরিকার বাছাই করা কিছু ট্রাভেল এজেন্ট ও অপারেটরদের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে ক্রুজের টিকিট। ভারত সরকারের সংস্থা ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ অথরিটি অব ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এই রিভার ক্রুজ চালানো হচ্ছে পিপিপি অর্থাৎ পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে। বারাণসী-বাংলাদেশ-বগিবিল রিভার ক্রুজের ভাড়া যে বেশ চড়াও হবে, তা ধারণা করা যায়। তবে একটানা ৫০ দিন ক্রুজে না কাটিয়ে ৫, ১০ কিংবা ১৫ দিনের জন্য সেখানে সময় কাটাতে পারা যাবে অল্প খরচায়। অন্তরা লাক্সারি ক্রুজের ওয়েবসাইটেই দেখা যাচ্ছে তাদের তিনদিনের একটি ক্রুজের জন্য মাথাপিছু ১৮০ ডলার, চারদিনের বারাণসী ক্রুজের জন্য ১৩৫৫ ডলার, ১২ দিনের কলকাতা-বারাণসী ক্রুজের জন্য ৫৩০০ ডলার ভাড়া ধার্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রোজগার খাওয়া-দাওয়ার সব খরচই রয়েছে। সেদিক থেকে বারাণসী-বাংলাদেশ-বগিবিল রিভার ক্রুজের ভাড়া যে বেশি হবে, তা বলা বাহুল্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh Metro: গভীর রাত থেকে লম্বা লাইন, জনসাধারণের জন্য খুলল বাংলাদেশ মেট্রোর দরজা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh Metro: ২০২২ এর ২৮শে ডিসেম্বর বাংলাদেশের (Bangladesh) মানুষ বর্ষবরণের আগেই পেলেন দারুণ পুরুস্কার। বৃহস্পতিবার (Thursday) থেকে তাদের সামনে খুলে গিয়েছে স্বপ্নের দরজা। তাই ভোর থেকে সকালের ঠান্ডা আর কুয়াশাকে উপেক্ষা করে বহু মানুষ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কেউ বা আবার সেই রাত এগারোটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। প্রথম যাত্রীবাহী যে মেট্রোটি (Metro) বাংলাদেশের উপর দিয়ে ছুটবে সেই মেট্রোতে তারা যাত্রী হবেন। এই প্রত্যাশা নিয়ে অনেকে সেই মাঝ রাত থেকে দিয়া বাড়ির উত্তর ষ্টেশনের কাছে লাইন দিয়েছিলে। শিশুরাও সেই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হতে চায়। পুরুষ, নারী, শিশুসহ টিকিটের লাইন বেশ লম্বা। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা নাগাদ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে নিয়ে যাত্রীবাহী মেট্রো দিয়াবাড়ি থেকে এগিয়ে গিয়েছে আগারগাঁওয়ের দিকে।

    বহু প্রতীক্ষিত স্বপ্নের মেট্রো রেল (Metro Rail) উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina)। বুধবার শেখ হাসিনা এবং তাঁর ছোট বোন রেহানা টিকিট কেটে মেট্রো। রেলে চড়েন। তাঁরা দিয়াবাড়ি স্টেশন থেকে পৌঁছান আগারগাঁও স্টেশনে। পদ্মা সেতুর পর মেট্রো রেল বাংলাদেশের মুকুটে যোগ করেছে নয়া পালক। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভ্রমণ সঙ্গী হিসেবে ছিলেন স্কুল কলেজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, পোশাক কর্মী, রিকশাচালক, সবজি বিক্রেতা সহ বহু মানুষ। সাধারণ যাত্রীরা মেট্রো রেলে চড়তে পারছেন বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে। উত্তরা থেকে আগারগাঁও পথের জন্য ৬টি কোচ বিশিষ্ট ১০টি ট্রেন রয়েছে। আপাতত প্রথম তিন মাস মেট্রো মাঝের কোন স্টেশনে থামবে না। এক একটি মেট্রোতে থাকবেন সর্বোচ্চ ২০০ জন যাত্রী। ঢাকার যানজটের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবে বাংলাদেশবাসী। শুধুমাত্র সপ্তাহের একটি দিন মঙ্গলবার মেট্রো ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

    স্বপ্নের মেট্রো রেলে চড়ার জন্য সকাল থেকে মানুষ মুখিয়ে ছিলেন। সাধারণ যাত্রীদের নিয়ে মেট্রো চালু হয়েছে বৃহস্পতিবার। কেউ বা লাইন দিয়েছেন ভোর থেকে আবার কেউ বা সেই রাত এগারোটা থেকে। বৃহস্পতিবার সকাল হতেই উত্তর স্টেশনে দেখা যায় মেট্রো রেলে ওঠার জন্য উৎসুক জনতার দীর্ঘ লাইন। একদিকে প্রচণ্ড কুয়াশা, অপরদিকে কনকনে ঠান্ডা। প্রাকৃতিক আবহাওয়া বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে আটকে রাখতে পারেনি। দীর্ঘ লাইনে থাকা মানুষদের একটাই আশা, বৃহস্পতিবার যাত্রার প্রথম মেট্রো রেলটিতে তারা উঠবেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mariam Afiza: বাংলাদেশ মেট্রো রেলের প্রথম চালক একজন নারী, দেশে নজির গড়লেন মরিয়ম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mariam Afiza: বাংলাদেশে (Bangladesh) প্রথম মেট্রোর চাকা গড়াল, চালকের আসনে ছিলেন একজন মহিলা। নারী শক্তির জয়জয়কার। পদ্মা সেতুর পর বাংলাদেশের অপর মাইলফলক হল মেট্রো রেল। যার চালকের আসনে নজির গড়েছেন মরিয়ম আফিজা (Mariam Afiza)। তার হাতেই ছিল মেট্রো রেলের (Metro Rail) চাকার রাশ। প্রথম সফরের যাত্রী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina)। বাংলাদেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও এই মরিয়ম আফিজাকে নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন তীব্র যানজটে নাকাল হতে হয় ঢাকা (Dhaka) বাসীকে। এবার সেই ছন্দে সুর যোগ করল মেট্রো রেল। রাজধানী বাসীর কাছে রীতিমত আশীর্বাদ হয়ে বাংলাদেশের গড়াল মেট্রোরেলের চাকা। বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বপ্নযাত্রার প্রথম চালক হলেন লক্ষ্মীপুরের মেয়ে মরিয়ম আফিজা।

    ২০২২ এর ২৮শে ডিসেম্বর বুধবার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনটি আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে আফিজার কাছে। কারণ তিনি যে মেট্রো রেলের চালকের আসনে ছিলেন সেই রেলের প্রথম সফরে যাত্রী হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি একা নন, বাংলাদেশের এই প্রথম বিদ্যুৎ চালিত মেট্রো রেল প্রকল্পে সংযুক্ত রয়েছে ৬ জন নারীচালক।

    মরিয়ম নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি ট্রেন অপারেটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ২০২১ সালের নভেম্বরের ২ তারিখে। এই পদের জন্য মোট ২৫ জনের মধ্যে দুই জন নিয়োগ পেয়েছিলেন। তার মধ্যে একজন হলেন তিনি। মরিয়ম এর আগে কোথাও চালক হিসেবে কাজ করেননি। এই প্রথম ২৮শে নভেম্বর মেট্রোর চালক হয়েছেন। যদিও নিয়োগের পরপর তাকে বেশ কিছুদিন ট্রেনিংয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। এখনো তিনি ট্রেনিংয়ে রয়েছেন। চট্টগ্রামের হালিশহরে বাংলাদেশ রেলওয়ে ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে তিনি দুই মাস এবং ঢাকায় চার মাস প্রশিক্ষণ নেন। এছাড়াও উত্তরার দিয়াবাড়ি মেট্রো রেলের ডিপোতে প্রায়োগিক এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

    ঢাকা মেট্রো রেলের প্রথম চালক হয়ে তার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। বুধবার দুপুর ২ টো ১১ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ প্রায় দুই শতাধিক যাত্রীকে নিয়ে উত্তরার দিয়াবাড়ির উত্তর নর্থ স্টেশন থেকে তিনি মেট্রো রেল চালিয়ে নিয়ে যান আগারগাঁও স্টেশনে। মরিয়াম আগারগাঁও স্টেশনে নেমে জানান, তিনি যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যাত্রা করছেন এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয়। মেট্রো রেল চালুর ফলে ঢাকাবাসী যানজটের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে। মেট্রো রেল চলবে রেডিও টেকনোলজির মাধ্যমে, তাই এটি সম্পূর্ণ পরিবেশ বান্ধব আর নিরাপদ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Momtaz Begum: মেট্রোরেল নিয়ে খুশির হাওয়া ঢাকায়, বিশেষ গান মমতাজের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Momtaz Begum: বৃহস্পতিবার থেকে মেট্রোরেলে উঠতে পারবেন ঢাকার (Dhaka) বাসিন্দারা। যদিও এখনই সব স্টেশনে দাঁড়াবে না মেট্রোরেল। নতুন বছরের মার্চ মাস থেকে সব স্টেশনে থামবে। আপাতত ট্রেন চলবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত। এই মুহূর্তে তাই নিয়ে ঢাকাবাসীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখার মত। খুশির সীমা নেই রাজধানীবাসীর। আর এবার এই গণপরিবহন নিয়ে গান গাইলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম (Momtaz Begum)।

    শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) কারণে বাংলাদেশে আজ উন্নয়নের শেষ নেই। এখন থেকে সেখানে চলবে মেট্রোরেল। আর তা চালু হওয়ার জন্য বিশেষভাবে গান গাইলেন মমতাজ। গানটির রেকর্ডিং শেষ হয়ে গিয়েছে। সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন কিশোর দাশ। মেট্রোরেলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গানটি ইতিমধ্যেই শুনতে পেয়েছেন শ্রোতারা। ‘সময়’ টিভি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এটুআইএর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট মিডিয়ার কারিগরি সহযোগিতায় এটি নির্মাণ হয়েছে।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার উত্তরার দিয়াবাড়ি স্টেশন প্রান্তে মেট্রোরেলের উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে বাজানো হয়েছে ‘অর্থনীতির চাকা ঘুরবে পেছনে ফেলে যানজট’। গানের কথায় বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায়, স্বপ্নের মেট্রোরেলের শুভ যাত্রায়/ শেখ হাসিনা আজ অনন্য উচ্চতায়/ মেট্রোরেল, আমাদের স্বপ্নের মেট্রোরেল/ বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ। উল্লেখ্য, ঢাকা শহরের যানজট এড়াতে ২০১৬ সালে উত্তরায় দেশের প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণযজ্ঞ শুরু হয়েছিল। প্রায় সাড়ে ৬ বছর পর এদিন তার উদ্বোধন করেছেন হাসিনা। এটি সেখানকার মানুষদের জন্য একটা বড় প্রাপ্তি। যে কারণে মমতাজের পক্ষ থেকে এই বিশেষ গান উপহারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Dhaka Metro: ঢাকায় মেট্রো উদ্বোধন, প্রথম সফরে যাত্রী শেখ হাসিনা, চালকের আসনে মরিয়ম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Dhaka Metro: বাংলাদেশে (Bangladesh) মেট্রোর (Metro)উদ্বোধনের পর প্রথম সফরে যাত্রী হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina)। এই প্রথম বাংলাদেশে ২৮শে নভেম্বর মেট্রোরেল (Metro rail) চালু হয়েছে। মেট্রো রেলকে ঘিরে দেশবাসীর উচ্ছ্বাস ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। এই মেট্রো চলবে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত। ভালো লাগার আরেকটি বিষয় হল, বাংলাদেশের মেট্রো রেলের প্রথম ট্রেনটির চালকের আসনে ছিলেন একজন নারী। উদ্বোধনের দিন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় আগারগাঁও থেকে দিয়াবাড়ী পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রায় সাতটি নির্দেশনা দিয়েছিল।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১.৭৩ কিলোমিটার ম্যাচ রেপিড ট্রানজিট লাইন ছয়-এর দিয়াবাড়ী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে মেট্রো রেলের উদ্বোধন করেন। এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ৫০ টাকার একটি স্মারক নোট প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে উত্তরা দিয়াবাড়ি থেকে একটি টিকিট কেনেন, তারপর আগারগাঁও পৌঁছান।

    মেট্রোরেলের প্রথম চালক হিসেবে ছিলেন মরিয়ম আফিজা। মরিয়ম নোয়াখালী বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের স্নাতকোত্তর করে মেট্রোরেলের চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এই যাত্রায় সহযাত্রী হিসেবে ছিলেন প্রায় ২ শতাধিক নাগরিক। তার মধ্যে ছিলেন স্কুল কলেজ আর মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, বীর মুক্তি যোদ্ধা, পোশাক কর্মী, রিকশাচালক, সবজি বিক্রেতা, মসজিদের ইমাম, ব্যবসায়ী সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

    ২০১৬ সালের জুনে শেখ হাসিনা মেট্রো রেল প্রকল্পের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আর্থিক সাহায্য করেছে জাপানি সংস্থার জাইকা। পদ্মা সেতুর পর বাংলাদেশ মেট্রোরেল উদ্বোধনের মাধ্যমে নতুন মাইলফলক স্থাপন করল। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, এর ফলে ঢাকার যানজট আগের থেকে অনেকটা কমবে।

    বাংলাদেশের মেট্রোরেলের বিশেষ বৈশিষ্ট্য

    বাংলাদেশের মেট্রোরেলের প্রতিটি ট্রেনে রয়েছে ছয়টি কোচ। দুই প্রান্তে থাকা দুটি কোচের নাম ট্রেইলর কার। এখানে থাকবেন চালক। স্টেশনে ট্রেন ধামার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রেনের দরজা খুলবে আবার নির্দিষ্ট সময় বন্ধ হয়ে যাবে। এক একটি ট্রেনে বসার সিট রয়েছে ৩০৬টি করে। ট্রেইলর কারে রয়েছে ৪৮টি করে বসার সিট। মাঝখানে চারটি কোচ অর্থাৎ মোটর কারের প্রতিটিতে রয়েছে ৫৪টি সিট। এক একটি কোচ প্রায় সাড়ে ৯ ফুট চওড়া। বহু যাত্রী অনায়াসে দাঁড়িয়েও ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রতি ঘন্টায় বাংলাদেশ মেট্রো রেল প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করবে। বাংলাদেশের মেট্রো রেলের সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারিত হয়েছে ২০ টাকা। উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত যেতে গেলে খরচ পড়বে ১০০ টাকা। আবার উত্তরা থেকে আগারগাঁও স্টেশনের ভাড়ার ৬০ টাকা। ঢাকা মেট্রোরেলে রয়েছে কার্ডের ব্যবস্থা। প্রতিটি স্টেশনে থাকা যন্ত্রে কার্ডে রিচার্জ করা যাবে। কেউ ইচ্ছা করলে সাপ্তাহিক, মাসিক কিংবা পারিবারিক কার্ড কিনতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version