Tag: Bangladesh PM Sheikh Hasina

  • Bangladesh: বাংলাদেশে পাল্টি খেলেন ডোনাল্ড লু ! কেন বন্ধু এখন আওয়ামী লীগ ?

    Bangladesh: বাংলাদেশে পাল্টি খেলেন ডোনাল্ড লু ! কেন বন্ধু এখন আওয়ামী লীগ ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Bangladesh: বাংলাদেশকে হাতে রাখতে বিএনপি অস্ত্র ফেল, ডোনাল্ড লু’য়ের নতুন মাস্টারপ্ল্যান। বাংলাদেশকে হাতে রাখতেই হবে। নির্বাচনের আগের কোনো প্ল্যানই কাজে আসেনি। নিষেধাজ্ঞার ভয় কিংবা হুমকি, সব অস্ত্রই ফেল হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের। তাই এবার ঘুরপথে বাংলাদেশকে হাতে রাখতে চাইছে জো বাইডেনের দেশ? সামনের দিকে তাকিয়ে, নতুন করে বাংলাদেশকে বোঝাতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার মাস্টারস্ট্রোক, দুর্নীতিবিরোধী কাজ! বিএনপির সাথে কোনও আলোচনা নয়, এবার বাংলাদেশ সরকারের পাশে ডোনাল্ড লু। কিন্তু হঠাৎ এমন বদল কেন? নির্বাচনের পর বাংলাদেশে এসে বিএনপির সাথে কেন দেখা করেননি লু? সামনে এল সেই আসল সত্যিটা। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিততেই বাংলাদেশ নিয়ে পুরো স্ট্র্যাটেজি বদলে ফেলল যুক্তরাষ্ট্র। আসল উদ্দেশ্যটাই বা কী? বাংলাদেশের পিছু ছাড়েনি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা। বুঝিয়ে দিলেন লু।

     

    তলানিতে যুক্তরাষ্ট্র-বিএনপির সম্পর্ক, মূল টার্গেট বাংলদেশ সরকার

    বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের মত পার্থক্যের দিন শেষ। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে একটা সমঝোতার সম্পর্কে আসতে চাইছে। যাতে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশকে হাতে রাখতে পারে। এই সোজা অঙ্কটা জানে বাংলাদেশও। নির্বাচনের আগে দেশটাতে যা ডামাডোল হয়েছিল, তা দেখেছে গোটা বিশ্ব। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রীতিমত যেন চলছিল দড়ি টানাটানি। বিএনপি আশা করেছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় কোথাও গিয়ে হয়ত নির্বাচনটা বাতিল হলেও হতে পারে। কিন্তু তা হয়নি। আর ঠিক সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগও ছিল। যা নিয়ে দেশটার কূটনৈতিক মহলে ওঠে জোর গুঞ্জন। কিন্তু এখন সেসব যেন পুরোটাই অতীত। নির্বাচনের পরে ডোনাল্ড লু বাংলাদেশ সফরে গিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বৈঠক করেননি। অথচ এক সময় এই লু’য়ের চিঠি নিয়ে রীতিমত কামঘাম ছুটেছিল আওয়ামী লীগের। ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখেছিল বিএনপি। বাংলাদেশকে সবসময় ভয় ভয় থাকতে হত, এই বুঝি যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিষেধাজ্ঞা এল। কিন্তু এখন সেসব অতীত ভুলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতেই ব্যস্ত।

     

    বিষয়টা শুধু এখানেই থেমে নেই, নির্বাচনের আগে বিএনপির সঙ্গে লুয়ের যে যোগাযোগ ছিল তা স্বীকার করেছেন। বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকের সুযোগও পেয়েছিলেন। কিন্তু এখন সরাসরি কথার মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলেন, পুরোটাই ছিল একটা ভূ রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি। নির্বাচনের পর বিরোধী দলের সঙ্গে দেখা না করার প্রসঙ্গে ভয়েস অফ আমেরিকার সাক্ষাৎকারে লু বলেছেন, তিনি গত বছরের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে গোল টেবিল বৈঠকের সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু এখন যেহেতু প্রাক নির্বাচনের সময় নয়, তাই তিনি এবারের সফরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দেখা করেননি। অর্থাৎ তাঁর প্রয়োজন মনে হয়েছিল তাই বিএনপির সঙ্গে বৈঠকের প্রসঙ্গ উঠেছিল, আর এখন প্রয়োজন নেই, তাই বৈঠক করছেন না। পুরোপুরি ভাবে সমঝোতায় আসতে চাইছেন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে। আর অপরদিকে, বিএনপির কাছেও কিন্তু লুয়ের আবেদন অনেকটা কমছে। নির্বাচনের আগে আগ্রহের জায়গা থাকলেও এখন বিএনপির কাছে যেন অনেক দূরের মানুষ তিনি। কারণ জাতীয় নির্বাচনের আগে সংলাপ ইস্যুতে লুয়ের ভূমিকায় অনেকটা হতাশ হয়েছিল বিএনপি। এই রাজনৈতিক দল ভেবেছিল, সংলাপে বসতে আরো জোরালো পদক্ষেপ পদক্ষেপ নেবেন লু। নির্বাচনের আগে তাঁর সফর নিয়ে বিএনপিতে এক ধরনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। সেই আশা ভঙ্গ হয়েছে নির্বাচনের পরেই। বাংলাদেশের উপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকলেও, বিএনপি বিশেষ সুবিধা করে উঠতে পারেনি।

     

    বাংলাদেশের আস্থা ফিরে পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, পিছু ছাড়ছে না নিষেধাজ্ঞার ভয়

    বিগত কয়েক মাস ধরেই কিন্তু বাংলাদেশকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় থাকার চেষ্টা করেছে। তবে এবার দুই দেশের মধ্যে গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশের দুর্নীতি। বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভয়েস অফ আমেরিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লু স্পষ্ট বলেছেন, এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর এখানেই রয়ে গিয়েছে সেই আবারও নিষেধাজ্ঞার প্রশ্নটা। তাহলে কি ভবিষ্যতে বাংলাদেশি নাগরিকদের উপর দুর্নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্র আরোপ করবে? এমত সংশয়ের জায়গায় ডোনাল্ড লু কিন্তু কথাটা একটু ঘুরিয়ে বলেছেন। তাঁর কথায়, যদি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উল্লেখযোগ্য দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য তথ্য থাকে, তখন তারা কিন্তু গোটা বিশ্বেই নিষেধাজ্ঞা কিংবা ভিসা বিধি-নিষেধের আকারে প্রকাশ্যে একটা পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। অর্থাৎ তিনি বুঝিয়ে দিলেন, নিষেধাজ্ঞা নামক জুজুর ভয় থেকে বাংলাদেশ এখনো পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়। সে যতই যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সম্পর্ক গভীর হোক না কেন। যুক্তরাষ্ট্র মনে করলেই বাংলাদেশের নাগরিকদের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপাতে পারে। যদিও ডোনাল্ডো লু আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, তিনি আশা করেন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে মিলে সমস্ত রকম দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একসঙ্গে কাজ করবে।

     

    লু মে মাসের মাঝামাঝি সময় বাংলাদেশ সফরে এসে বৈঠক করেছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্য প্রতিমন্ত্রী সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে। তাহলে কি, ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কাছে আস্থার জায়গাটা ফিরে পাচ্ছে? এটা অবশ্যই বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পরিবর্তনের একটা ইঙ্গিত। লুয়ের কথায়, বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন সব সময় তাদের কাছে একটা বড় অগ্রাধিকার। আর যদি নির্বাচনের প্রসঙ্গে বলা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনকে সমর্থন করে। আর সেই বিষয়টা নিশ্চিত করতেই নির্বাচনকালীন সময়ে তারা বাংলাদেশের সরকার বিরোধী দল থেকে শুরু করে সুশীল সমাজের সঙ্গে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে। দুই দেশের সম্পর্কের হঠাৎ এমন ভোলবদলের মূলে রয়েছে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চল। এটি স্বাধীন, উন্মুক্ত, সমৃদ্ধ নিরাপদ এবং স্থিতিশীল অঞ্চল। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ উভয়ই এই অঞ্চলের ব্যাপারে একটা অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি লালন করে চলেছে। যেখানে গতিশীল এবং দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, এই অঞ্চলে বাণিজ্য প্রসারের জন্য একটা সেতু কিংবা সমৃদ্ধির নগর হিসেবে কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছে বাংলাদেশের অবস্থান। আর তাই এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, গণতন্ত্র মানবাধিকার উন্নয়ন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশী অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী জো বাইডেনের দেশ।

     

    বাংলাদেশ থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে, জো বাইডেনের বড় স্বপ্ন!

    সোজা কথায়, বাংলাদেশকে কোনমতেই যেন হাতছাড়া করতে চাইছে না যুক্তরাষ্ট্র। কারণ ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বিগত কয়েক বছর ধরেই কিন্তু ব্যাপক আলোচনা বিশ্লেষণ চলছে। আর এই অঞ্চলের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ গুরুত্বের বিষয়টি বুঝতে পেরেই তাকে কেন্দ্র করে নিজেদের পররাষ্ট্রনীতিকে ঢেলে সাজিয়েছেন জো বাইডেন। বিশেষ করে ভারত আর চীনের ব্যাপক উত্থানের কারণে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল তথা ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের গুরুত্ব দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। শুধু ভারত কিংবা চীনই নয়, এখানে রয়েছে আসিয়ান দেশগুলো। পাশাপাশি রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশ। সবমিলিয়ে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক বিকাশের পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব কিন্তু কম নয়। একটা সময় যে বিশ্ব অর্থনীতি কিংবা বিশ্ব রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র ছিল ইউরোপ, পরবর্তীকালে ইউরোপের পাশাপাশি ব্যাপকভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য।

     

    কিন্তু বিগত এক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্ব ছাড়িয়ে এমনকি ইউরোপের গুরুত্ব ছড়িয়ে যেন একটু বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে এই ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চল। যার জেরে এই অঞ্চলে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্যের ব্যাপক অর্থনীতি এবং সামরিক উপস্থিতি। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের এমন একটি অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেটা উন্মুক্ত থাকবে সব দেশগুলোর জন্য। সবাই সেখানে তার নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের জন্য যুক্ত থাকবে। কিন্তু সেখানেই তৈরি হয়েছে তুমুল প্রতিযোগিতা। ওঁত পেতেছে চীনও। কারণ বিশ্ব রাজনীতির বিভিন্ন কৌশল থেকে শুরু করে পররাষ্ট্র নীতিতে এখন তুমুল দ্বন্দ্ব। আর এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে এই অঞ্চলে। আর তাই হয়তো যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নিরাপত্তার বিষয়টাকে একটু বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। অর্থাৎ আরো গুরুত্ব দিচ্ছে ইন্দোপ্যাসিফিক অঞ্চল, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং আরো সুন্নির্দিষ্ট করে বললে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh Victory Day: আজ মহান বিজয় দিবস, জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহিদদের শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হাসিনার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh Victory Day: সালটা ১৯৭১। আজকের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে জাতি নিজেদের জন্য বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের নাম সংযোজিত করেছিল, এক বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে। আজ মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দীর্ঘ নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তানি বাহিনী যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। সেই হিসাবে আজ বিজয়ের পূর্তি হল ৫২ বছর।

    বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে অভ্যুদয় ঘটে। বিজয়ের অনুভূতি সব সময়ই আনন্দের হলেও একই সঙ্গে দিনটি বেদনারও, বিশেষ করে যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের জন্য। অগণিত মানুষের আত্মত্যাগের ফসল বাংলাদেশের এই স্বাধীনতা। আজকের এই বিশেষ দিনে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছে বাংলাদেশ।

    আজ সকালে বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর এদিন সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্যউন্মুক্ত করে দেওয়া হয় স্মৃতিসৌধ এলাকা।

    মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৫৩তম বিজয় দিবস উদযাপন করছে জাতি। দিবসটি উপলক্ষে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন গ্রহণ করেছে নানা কর্মসূচি। বাংলাদেশের বিভিন্ন বঙ্গাব্দ মাধ্যম সূত্রে খবর, এই বছরও শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে রাজধানীর মোহাম্মদপুর গজনবী রোডের যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রে (মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ার-১) যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ফলমূল এবং মিষ্টান্ন পাঠিয়েছেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Onion Price: বাংলাদেশের পেঁয়াজের বাজার ভারতের কন্ট্রোলে ? একটা স্টেপ, ঘুরে গেল বাজার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Onion Price: রাতারাতি বাংলাদেশে পেঁয়াজের বাজার ঘুরিয়ে দিল ভারতের একটা স্টেপ। ভারত এক্সপোর্টে ব্যারিকেড দিতেই, বাংলাদেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। আবার কি পেঁয়াজের দামে চোখের জল ঝড়বে বাংলাদেশীদের? ওপার বাংলায় ভারতের পেঁয়াজই কি শেষ ভরসা? নির্বাচনের আগে পেয়াঁজের দামে লাগাম টানাই হাসিনা সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। বৃষ্টিই ঘুরিয়ে দিল অঙ্ক। বন্ধু না দেশ, ব্যালেন্সের স্ট্র্যাটেজি নেবে মোদী সরকার?বাংলাদেশে পেঁয়াজের বাজার গরম। পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে ভারত, আর পোয়াবারো বাংলাদেশের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের। বাংলাদেশে পেঁয়াজে কি সত্যিই হাত দেওয়াই দুষ্কর? আসল ফ্যাক্টটা জানেন?

    যে দেশী পেঁয়াজ সকালে খুচরো পর্যায়ে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির পরে সেই পেঁয়াজ বাংলাদেশে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকার ওপরে এটাই ফ্যাক্ট। ঢাকা সহ ওপার বাংলার বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আমদানি করা পেঁয়াজেরও দাম বেড়েছে। যে পেঁয়াজ সকালে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১৫ টাকায়, ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির খবরে সেটাই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ীদের দাবি, চাহিদার তুলনায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম। পাশাপাশি পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ভারত। এই কারণেই নতুন করে দাম বেড়েছে পেঁয়াজের। কিন্তু কেন হঠাৎ করেই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞাপন জারি করলো ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রক?

    জানা গিয়েছে, অসময়ের বৃষ্টিতে মহারাষ্ট্রে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৪০ টাকা করে বেড়েছে। তাই ভারতের মধ্যে পেঁয়াজ সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে রফতানি করার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের সময়সীমা ৩ মাস বাড়িয়েছে মোদী সরকার। আর, সেই প্রভাবই পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে। যদিও, ওপার বাংলা এখনও আশায় বুক বাঁধছে। মনে করছেন তুন পেঁয়াজ পুরোদমে ওঠা শুরু হলে দাম কমে যাবে। এই দাম বৃদ্ধির বিষয়টি সাময়িক। পেঁয়াজের এই আগুন বাজার কন্ট্রোলে হাসিনা সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ চাইছেন বাংলাদেশীদের একাংশ। তাদের দাবি, ভারতের পেঁয়াজ রফতানি নিষেধাজ্ঞাকে ইস্যু করে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়েছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এই সিন্ডিকেট তড়িঘড়ি না ভাঙলে আবারও ৩০০ টাকা ছাড়াতে পারে দাম। তাহলে কি সেই কথা মাথায় রেখেই বন্ধুদেশের জন্য সুযোগ রেখেছে ভারত?

    নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরও শর্তসাপেক্ষে পেঁয়াজ রপ্তানির একটি সুযোগ রেখেছে ভারত সরকার। ডিরেক্টরেট অব ফরেন ট্রেডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কোনো দেশে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানি করতে ইচ্ছুক সংশ্লিষ্ট দেশও ভারত সরকারের কাছে আবেদন করে অনুমতি নিতে পারবে। ফলে বাংলাদেশের জন্য একটা অপশন কিন্তু থাকছেই। জানিয়ে রাখি, পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আগেই রফতানির মূল্য বাড়িয়েছিল ভারত। পেঁয়াজের রফতানি শুল্কও বাড়ানো হয়। গত ২৯ অক্টোবর প্রতি টন পেঁয়াজের রফতানি মূল্য ৮০০ ডলার করা হয়। পরে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত। আর এবার সেই মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ানো হলো। মনে করিয়ে দিই, গত বছর ভারত কয়েক ঘণ্টার নোটিসে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

    সেটাই তো স্বাভাবিক, কারণ বাংলাদেশের চাহিদার ৪০-৪৫ শতাংশই মেটায় ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ। সেই সময়ে দুই দেশ আলোচনা করে ঠিক করে, যে সব নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বাংলাদেশে যায়, সেগুলো রফতানিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হলেও পড়শি দেশের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। কারণ, এর আগেও বিভিন্ন সময় দেখা গেছে ভারতের সিদ্ধান্তে বড়সড়ো এফেক্ট পড়ে যায় বাংলাদেশের পেঁয়াজ বাজারে। কিছুদিন আগেও বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল ভারত ছাড়াও আরো নয় দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে বাংলাদেশে। তালিকায় রয়েছে চীন, মিশর,তুরস্ক, পাকিস্তান কাতার সহ ৯ দেশ। কিন্তু তারপরেও পেঁয়াজ নিয়ে কালোবাজারি থামছেই না। ফলে বাধ্য হয়ে ভারতের পেঁয়াজই বাংলাদেশের কাছে শেষ ভরসা হয়েই থেকে যাচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: অচেনা বাংলাদেশ! একটা প্যাটার্নেই ভয়, দুঃস্বপ্নের ২৪ ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: এই বাংলাদেশকে চিনতে পারবেন না! একটা প্যাটার্নেই বাড়ছে ভয়। মাটি ফেটে চৌচির হবে? কুঁকড়ে যাবে গাছের পাতা? পৃথিবী তেঁতে উঠছে, এল নিনোর কতটা ভয়াবহ এফেক্ট ওপার বাংলায়? এবার কি খরার মুখোমুখি বাংলাদেশ? ডেঙ্গি থেকে সাবধান। বাস্তুহারা হতে হবে এতো এতো মানুষকে? যা, দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারছেন না! সেটাই ঘটতে যাচ্ছে ওপার বাংলার বুকে? ২৪ এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কি করছে হাসিনা সরকার? বন্যা খরায় জর্জরিত হয়ে যাবে বাংলাদেশ? জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন খরা পরিস্থিতি ফিরছে। চলতি বছর বাংলাদেশ যে তাপমাত্রার কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে, আগামী বছর তা আরও ভয়াবহ হওয়ার হাই চান্স রয়েছে।

    হতে পারে খরা, এমনকি প্রাণীবাহিত রোগ বাড়ার আশঙ্কা থাকছে। মশার উপদ্রব বাড়বে বহুগুণ, এখন থেকেই পদক্ষেপ না করলে পরিস্থিতি মহাবিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যেতে পারে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। শুধু তাই নয়, এল নিনোর প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়বে। তাই বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা সহ বিভিন্ন এলাকায় বাস্তুহারা মানুষের সংখ্যা বাড়বে। জানলে অবাক হবেন ২০৫০ সালে বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা হবে প্রায় দেড় কোটি। প্রায় দু কোটি শিশুর জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানবপাচারের মতো ঘটনা বাড়ার শঙ্কাও বাড়ছে। তাছাড়া, বাংলাদেশের কৃষিতেও এল নিনোর প্রভাব অলরেডি পড়তে শুরু করেছে। বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাট চাষও এফেক্টেড হয়েছে। কম বৃষ্টি ও তীব্র তাপমাত্রার কারণে গাছের পাতা কুঁকড়ে গেছে, ফল পাকার আগেই ঝড়ে পড়েছে।

    কম বৃষ্টিপাত আউশ ফসলেও প্রভাব ফেলেছে। নিয়মিত বৃষ্টিপাতের অভাবে এ বছর কীটপতঙ্গের আক্রমণও বেড়েছে। বাংলাদেশের কৃষি বিশেষজ্ঞরা বুঝতে পারছেন, জলবায়ু সহিষ্ণু ধান উদ্ভাবন করতে না পারলে সমস্যায় পড়তে হবে। বিশেষ করে ঠান্ডা আবহাওয়ায় উৎপাদিত গমের ক্ষেত্রে সমস্যা বাড়বে। বুঝতে হবে, বৈশ্বিক উষ্ণতার পাশাপাশি এল নিনো ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়। এর প্রভাব মারাত্মক। এল নিনো মূলত খরা পরিস্থিতি, শুষ্ক মৌসুম, যখন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কম বৃষ্টি হয় এবং বন্যাও কম হয়, এই সময় তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায়। সাধারণত দুই থেকে সাত বছর পরপর এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়। যা ১৮ মাসের বেশি সময় পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন বর্তমানে এল নিনোর প্রভাবে পেরু, ইকুয়েডর, চিলি সহ উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও উপকূলে ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার বহু জায়গায় বৃষ্টিপাত কমে আসবে, দেখা দেবে শুষ্কতা।

    খরা ও দাবানলের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে বাংলাদেশ ভারত সহ আশপাশের দেশগুলোতে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার ২০২৩ সালে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে। ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন’ বলতে পরিবেশ, সমাজ, জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতিতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবগুলো কমিয়ে আনতে সরকার এবং সাধারণ মানুষ যেসব পদক্ষেপ নিয়ে থাকে তা বোঝায়। এই পরিকল্পনায় বাংলাদেশকে ১১টি ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ু বিপদাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে তা মোকাবিলায় ১১৩টি উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ যেমন মোকাবিলা করা যাবে, পাশাপাশি প্রায় ১.১ মিলিয়ন হেক্টর জমি জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা থেকে রক্ষা পাবে।

    তাছাড়া, প্রতি বছর বিশ্বনেতাদের সাথে বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের হাতে পরিকল্পনা আছে, এবার শুধু সেটা বাস্তবায়নের পালা। নাহলে, এভাবে চলতে থাকলে পৃথিবী বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। শুধু বাংলাদেশ নয়, সবুজায়ন নষ্ট করার ফল ভুগতে হবে গোটা বিশ্বকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Powerful Women’s in World: প্রভাবশালী মহিলাদের তালিকায় ৪ ভারতীয়, রয়েছেন শেখ হাসিনাও

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Powerful Women’s in World: বিশ্বের প্রভাবশালী মহিলাদের তালিকায় ৪ ভারতীয়। ফোর্বসের তালিকায় ৩২ নম্বরে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। ইনি ২০১৯ সালে সর্বপ্রথম ভারতে পূর্ণ সময়ের নারী অর্থমন্ত্রী হন। পাশাপাশি রয়েছেন এইচসিএল কর্পোরেশনের সিইও রোশনি নদর মালহোত্রা, স্টিল অথোরিটি অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন সোমা মণ্ডল ও বায়োকনের প্রতিষ্ঠাতা কিরণ মজুমদার-শ। তালিকায় এনাদের স্থান যথাক্রমে ৬০, ৭০ এবং ৭৬।

    বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় রয়েছেন প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগেও তিনি বহুবার এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। ২০২৩ সালের প্রকাশিত তালিকায় তিনি রয়েছেন ৪৬ তম স্থানে। শেখ হাসিনা সম্পর্কে ফোর্বসের প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে থাকা নারী সরকার প্রধান। বর্তমানে তিনি চতুর্থবারের জন্য রয়েছেন বাংলাদেশের মসনদে। পরপর তিনবার ক্ষমতায় থাকার পর চতুর্থ বারের জন্য জয়ী হয়েছেন। সম্প্রতি পঞ্চম বারের জন্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    এবার নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছা হচ্ছে, তাহলে ফোর্বসের তালিকায় একদম এক নম্বরে কে জায়গা করে নিলেন? সেখানে রয়েছে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান ক্রিস্টিনা লাগার্দ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।

    প্রতিবছর ফোর্সের তরফ থেকে ১০০ জন নারীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। গোটা বিশ্ব থেকে সেই সব নারীরা স্থান পান, যারা রাজনীতির ব্যবসা-বাণিজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। রাজনীতির ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায় জিডিপি জনসংখ্যার বিষয়। কর্পোরেট নেতাদের ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায় আয় এবং কর্মীদের বিবেচনা।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: বাংলাদেশে রিজার্ভে ধ্বস! নির্বাচনের পরেই কিস্তিমাত ? হাসিনা সরকারের কোন টোটকায় কাটবে বিপদ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: বড় সংকটে বাংলাদেশ, রিজার্ভে হুড়মুড়িয়ে ধ্বস নামছে। ডলারের আয় ব্যয় এর মধ্যে ব্যালেন্সের অভাব? হাসিনা সরকারের এতো পদক্ষেপ, কেন তার পরেও রিজার্ভের ঘাটতি মিটছে না ওপার বাংলায়? নির্বাচনের পরেই কি ১৮০ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে ঘুরে যাবে ছবিটা? পরিস্থিতিটা দিনকে দিন কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে? কী বলছেন অর্থনীতিবিদরা? কোন পথে কাটবে বিপদ? কি করলে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে পদ্মা পাড়ের দেশটা? বাংলাদেশে ক্রমেই পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য বলছে প্রায় প্রতি মাসেই রিজার্ভের পরিমাণ আগের মাসের তুলনায় কমছে। বাংলাদেশে রিজার্ভ আসলে কততে এসে দাঁড়িয়েছে?

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২.২২ বিলিয়ন ডলার। সর্বশেষ নভেম্বরে রিজার্ভ ২৫.১৬ বিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। এই এগারো মাসের মধ্যে শুধু জুন মাসেই মোট রিজার্ভের পরিমাণ আগের মাসের তুলনায় কিছুটা বেড়েছিল। বাকি মাসগুলোতে ক্রমান্বয়ে রিজার্ভের পরিমাণ কমেছে। আর সেপ্টেম্বরে রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার কমেছে কিন্তু কেন এটা ঘটছে? অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারে ডলারের অভাব আংশিক পূরণ করার জন্য প্রতি মাসে একশ কোটি ডলার বাংলাদেশ ব্যাংক বিক্রি করছে। এভাবে বিক্রি চলতে থাকলে রিজার্ভ কমতেই থাকবে।তাছাড়াও, ডলারের আয় ও ডলারের ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতাও এটার কারণ। মূলত সমস্যাটা শুরু হয়েছে কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতি এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের এফেক্ট থেকে। বুঝতে হবে কোভিড পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে শুরু করলে সব কিছু কেনার প্রবণতা বাড়ে। তখন রিজার্ভ খরচ হওয়া শুরু হয়।

    এরপর ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে পণ্যের সাপ্লাই-চেইন ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সব পণ্যের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। বেশি দামে পণ্য কেনার কারণে রিজার্ভের উপর চাপ পড়ে। তাছাড়া এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যতম কারণ। যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির কারণে সুদের হার দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর কারণেও বাংলাদেশে রিজার্ভে টান পড়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। সমস্যাটা আরও বাড়বে। বাংলাদেশে আমদানি ব্যয় আর ঋণ শোধের জন্য যে পরিমাণ ডলার ব্যয় হয়, তার তুলনায় যদি যোগান না বাড়ে, তাহলে রিজার্ভের উপর টান থাকবে। এটা ফ্যাক্ট বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ করেছে, কিন্তু এখনো রিজার্ভের ঘাটতি মিটছে না কোনোভাবেই। ডলার সংকট সামাল দেওয়ার দুটো টেকসই উপায়ের কথা বলছেন অর্থনীতিবিদরা।

    ১. ডলারের যোগান বিভিন্ন উৎস থেকে বাড়ানো যা বাংলাদেশ বর্তমানে চেষ্টা করে চলেছে।

    ২. চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্যহীনতাকে সামাল দিতে হবে।

    এক্ষেত্রে অনেকেরই প্রশ্ন, কোনো দেশের জন্য কী পরিমাণ রিজার্ভ থাকা দরকার বা কী পরিমাণ রিজার্ভ থাকলে সেটাকে বিপজ্জনক বলা যাবে না? অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কোনো দেশের তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর রিজার্ভ থাকলে সেটা কোনো বিপদ সংকেত দেয় না। সেক্ষেত্রে, অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে এখনও আশা আছে। বাংলাদেশ অলরেডি অর্থনীতিতে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। আমদানি কমিয়ে আনার মাধ্যমে চলতি হিসাবে ভারসাম্য ফেরানো হয়েছে। নির্বাচনের পরে আরও হবে, চান্স আছে। গত অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের যে ৯ বিলিয়ন ডলার আসেনি, এই অর্থবছরে নির্বাচন সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা শেষ হয়ে গেলে, জানুয়ারির পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসলে তার সিংহভাগ ডলার ফেরত আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    তাছাড়া আমেরিকা ও ইউরোপের মতো বড় বড় অর্থনীতিতে সুদের হার ও মুদ্রাস্ফীতি কমতে শুরু করেছে। সুদের হার কমলে বাংলাদেশের বহির্বাণিজ্যে আর্থিক খাতে যে বড় ঘাটতি আছে সেটা পাল্টে যাবে। এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজার আবার সক্রিয় হবে, বাংলাদেশ এখন যে সুদের হার বাড়িয়েছে সেটি কার্যকর হবে। সেই সময় ডলার প্রবাহও স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। রিজার্ভের এ অবস্থায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ঠিক থাকলেও ব্যালেন্স করা সহজ হবে। সব মিলিয়ে আগামী বছরের জুন নাগাদ সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করবে বলে আশা অর্থনীতিবিদদের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাংলাদেশের এতো দামী সম্পদ উজাড়! প্রতারণার জাল কতদূর ? টাকা ঢালবে খেজুর গুড়

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশে প্রতারণার জাল বিছিয়ে দিচ্ছে মধুবৃক্ষ। কিভাবে গ্রামীণ অর্থনীতির ভিত নাড়িয়ে দিচ্ছে খেজুর গুড়? এক শ্রেণীর মুনাফাখোর কিভাবে চালাচ্ছে লোক ঠকানোর ব্যবসা? আইনকে বুড়ো আঙুল, হু হু করে কাটা হচ্ছে এতো দামী সম্পদ। বড় সংকটে জড়াচ্ছে গাছিরা। কোন পথে পুরোনো ঐতিহ্য ফেরাতে পারে হাসিনা সরকার? বিদেশেও বিশাল মোহ, আদৌ কি বাঁচবে বাংলাদেশের এই অমূল্য রত্ন? খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য এভাবে মাঠে মারা যাচ্ছে? তাও কিনা বাংলাদেশের বুকে?কিভাবে শীতের সম্পদের স্বাদ ফিকে হচ্ছে পদ্মাপাড়ের দেশে? তলে তলে কিভাবে চলছে জালিয়াতি? এই সিজনে খেজুরের গুড় হিসাবে যা পাওয়া যায়, যা কিনে নিয়ে যায় মানুষ তার অধিকাংশই একশ্রেণির মুনাফাখোর গুরের সঙ্গে চিনি, সুগার মিলের চিটাগুড়, নানা ধরনের অস্বাস্থ্যকর ক্যামিকেল মিশিয়ে বিক্রি করে। আর এতেই হারাচ্ছে খেজুর গুড়ের স্বাদ, বাড়ছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি। কমছে খেজুর গুড়ের ক্রেতা।

    না এখানেই শেষ নয়। একেবারে গোড়ায় ঘুণ ধরেছে। বাংলাদেশের বুকে ৭ থেকে ৮ বছর আগেও যে ছবিটা দেখা যেত, এখন সেটা বদলেছে। একশ্রেণির অসাধু ইঁটভাটার ব্যবসায়ীরা জ্বালানি হিসেবে খেজুর গাছ ব্যবহার করার কারণে ক্রমেই কমে যাচ্ছে খেজুর গাছের সংখ্যা। ইটভাটায় খেজুর গাছ পোড়ানো আইনত নিষিদ্ধ তার পরেও ইটভাটার মালিকরা সবকিছু ম্যানেজ করে ধ্বংস করে চলেছে খেঁজুর গাছ। তাছাড়া, মানুষের বাড়ি-ঘর নির্মাণ আর নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ক্রমেই খেজুর গাছের সংখ্যা কমে গেছে। আরও কমে যাচ্ছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রামের কিছু কিছু এলাকায় এখনও পর্যাপ্ত পরিমাণ খেজুর গাছ থাকলেও সঠিকভাবে তা পরিচর্যা না হওয়া। নতুন করে গাছের চারা রোপণ না করা, গাছ কাটায় পদ্ধতিগত ভুলের কারণে প্রতি বছর অসংখ্য খেজুর গাছ মারা যাচ্ছে। ফলে শীত পড়ার শুরুতেই পেশাদার খেজুর গাছিরা চরম সংকট ফেস করছে।

    অথচ কয়েক বছর আগেও শীতকালে গাছিরা খেজুর গাছের রস সংগ্রহে খুবই ব্যস্ত থাকতো। খেজুরের রস ও পাটালি গুড় বিক্রি করে বিপুল অংকের টাকা আয় করতো। বাংলাদেশের চাহিদা মিটিয়ে ইউরোপ সহ বিশ্বের অনেক দেশে খেজুরের গুড় রফতানি হতো। এর জন্য দায়ী উদাসীনতা আর কঠোর নজরদারির অভাব। আর তাই মধুবৃক্ষের বিরাট অংশ এভাবেই উজার হয়ে যাচ্ছে।খেজুর রসের দানা গুড়, ঝোলা গুড়ের মিষ্টি গন্ধ এখন আর বাংলাদেশ এর গ্রামের হাট বাজারে খুব একটা দেখা যায় না। সবাই শীতের ঐতিহ্য মিষ্টি খেজুর রসের স্বাদ আজ ভুলতে বসেছে। তবে চেষ্টা থাকলে উপায় হয়।ঐতিহ্যবাহী এই খেঁজুর রসের উৎপাদন বাড়াতে হলে টিকিয়ে রাখতে হবে খেজুর গাছের অস্তিত্ব। গ্রামীণ ঐতিহ্য ও অর্থনীতিতে খেজুর গুড়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে, সরকারি উদ্যোগে এর বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ করা দরকার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    নাহলে, শুধু খেজুর গাছ নয়, খেজুরের রস সংগ্রহকারী গাছিদের জীবন ও অন্ধকারে তলিয়ে যাবে। এমনিতেই আগের মতো খেজুর গাছ না থাকায় এখন আর সেই রমরমা অবস্থা নেই। ফলে, ইঁটভাটা কিংবা অন্য পেশায় দৈনিক রোজগার বেশি হওয়ায়, খেজুর গাছির সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমছে। গাছিরা বলছেন, খেজুর গাছ রক্ষায় বন বিভাগের কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে খেজুর গাছ আর শীতের মৌসুমে খেজুর গাছের রস আরব্য উপনাস্যের গল্পে পরিণত হতে চলেছে আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনও সময় আছে।যথাযথ পরিবেশ আইন প্রয়োগ করে ইটভাটা সহ যেকোনো বৃক্ষ নিধনকারীদের হাত থেকে খেজুর গাছকে রক্ষা করতে হবে, নাহলে বিপদ বাড়বে।

    অবশ্য সাম্প্রতিককালে কিছু কিছু এলাকায় কৃষি বিভাগ থেকেও কৃষকদের খেজুর গাছ লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বাড়ির আনাচে-কানাচে, রাস্তার পাশের পরিত্যক্ত জায়গায় কৃষকরা পর্যাপ্ত পরিমাণ খেজুর গাছ রোপণ করলে ভবিষ্যতে খেজুরের রস ও গুড়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।প্রয়োজনে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাহায্য নিতে হবে। পরিকল্পিত উপায়ে খেজুর রস উৎপাদন হলে গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। তরুণ উদ্যোক্তাদের যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই ব্যবসায় যুক্ত করতে পারলে খেজুর গুড় দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মূদ্রাও অর্জন করা সম্ভব। তবেই, মৌসুমী খেজুর রস দিয়ে বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে শুরু হবে শীতের আমেজ। পিঠা, পায়েসে লেগে থাকবে গুড় পাটালির গন্ধ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • অতীতের মতো প্ল্যান করছে বিএনপি, তৃণমূল-বিএনপি একসাথে ? আওয়ামীলীগ কি চাপে নাকি বেশ ভালো হলো

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    দফায় দফায় অবরোধ, কিন্তু কাজ হচ্ছে না। তাই ঘুরপথে গেম খেলছে বিএনপি! ভোটের ময়দানে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জোরকদমে লড়বে তৃণমূল-বিএনপি। নিতে শুরু করে দিয়েছে মনোনয়নপত্র। আচ্ছা, এই বিএনপি আর তৃণমূল বিএনপি কি আলাদা দুটো দল? নাকি একটাই? তলে তলে একই প্ল্যানিং চলেছে না তো? অথচ বিএনপি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই ভোট মানছে না। এখনো পর্যন্ত জারি রেখেছে অবরোধ কর্মসূচি। এই বিএনপির প্রচুর নেতা কিন্তু বহুদিন আগেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূল বিএনপিতে। তাহলে কি নির্বাচনে লড়বে সেই বিএনপি আর আওয়ামী লীগ? একটু অন্যরকম ভাবে।

    বাংলাদেশে যদি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কথা বলা হয়, তাহলে একদম প্রথম সারিতে রয়েছে বিএনপির নাম। তৃণমূল বিএনপির সঙ্গে নামের মিল থাকলেও দল দুটো আলাদা। কিন্তু বিএনপি’র সাবেক, বহিষ্কৃত এবং নিষ্ক্রিয় এক ঝাঁক নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিয়েছেন এই তৃণমূল-বিএনপিতে। যার মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত আলোচিত থেকে শুরু করে পরিচিত মুখের মধ্যে রয়েছে শমসের মবিন চৌধুরী, তৈমুর আলম খন্দকারসহ বেশ কয়েকজন নেতা। প্রশ্নটা এখানেই, তাহলে কি ভাঙন ধরেছে বিএনপিতে? যদিও এই প্রসঙ্গে বিএনপি কখনই স্পষ্ট করে মুখ খোলেনি।

    নির্বাচনের তফসিল কঠোর ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে এই দল। অপরদিকে তৃণমূল-বিএনপি ভোটে দাঁড়াতে এক পায়ে খাড়া। আপনাদের মনে হতেই পারে, এই দুটি দলই যখন আলাদা, তাহলে দুটি দলকে জড়িয়ে কেন কথা বলা হচ্ছে? আসলে খটকাটা অন্য জায়গায়। একটা সময় বিএনপি’র বিকল্প হিসেবে এই তৃণমূল বিএনপিকে দাঁড় করানোর জোর তৎপরতা দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে। বিএনপি কিন্তু প্রথম থেকেই বলে এসেছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না হলে তারা সেখানে অংশগ্রহণ করবে না। অথচ নির্বাচনকে হতে হবে অংশগ্রহণমূলক। তাই নতুন করে কৌশল আটে ক্ষমতাসীনেরা। এমনটাই দাবি বহু সমালোচকদের। বিএনপি থেকে বেরিয়ে যাওয়া এক দল পরিচিত মুখকে সামনে রেখে নতুন জোট গঠনের চেষ্টা চলে। যেখানে অনেকে জড়িয়ে ফেলেন তৃণমূল-বিএনপির নাম। এই তো কয়েক মাস আগে, তৃণমূল বিএনপির কাউন্সিল ছিল। যেখানে বিএনপি’র বর্তমানের কোনো পরিচিত মুখকে না দেখা গেলেও, আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে এরকম প্রায় কুড়িটি নিবন্ধহীন রাজনৈতিক দলের নেতারা শুভেচ্ছা জানিয়েছিল তৃণমূল বিএনপিকে। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টানা দু’ঘণ্টা বৈঠক করেছেন তৃণমূল বিএনপি নেতারা। সেখানে কি আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কিন্তু কেউ মুখ খোলেনি। এই দল কখনোই নির্বাচন বয়কট করেনি, বরং সবসময়ের জন্য সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চেয়েছে। কখনোই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন অবরোধ কিংবা হরতালে সোচ্চারও হয়নি। অথচ এই তৃণমূল বিএনপি’র সঙ্গে বিএনপির আদর্শগত কিছুটা হলেও মিল রয়েছে।

    ওদিকে আবার দেশটার জাতীয় পার্টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করতে শুরু করেছে। তবে নির্বাচন নিয়ে কোন ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেয়নি। এখনও সংলাপে আশাবাদী। বিএনপি কিন্তু হাল ছাড়েনি, নতুন করে আবার ষষ্ঠ দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ডেকেছে। ধরে নেওয়া যাই, বিএনপি এখনও তাদের মত পাল্টায়নি। আর যদিও বা মত পাল্টায়, নির্বাচনে ফিরে আসতে কোন অসুবিধা নেই। বিষয়টা বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন।

    তাই বলা যেতেই পারে, বাংলাদেশের ভোটের ময়দান এখন গরম। নির্বাচনে হতে চলেছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। প্রথম থেকে যে আশঙ্কাটা করা হচ্ছিল, হয়ত নির্বাচন একপেশে হয়ে যাবে, এখন ভোটের হাওয়া বলছে, তেমনটা হবে না। আপনার কি মনে হয়, শেষমেষ বিএনপি কি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে? নাকি আরো সহজ করে দেবে আওয়ামী লীগের ভোটে জেতার রাস্তা?

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • শেখ হাসিনার রাজত্বের দিন শেষ ? টলে যেতে পারে আওয়ামীলীগ! এভাবে সবটার ইতি হবে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    বাংলাদেশের সরকার কি পরিবর্তন হতে পারে? আর যদি হয়ও, সেটা কীভাবে? জানিয়ে দিলেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের ইতিহাস কি বলছে? নির্বাচন মানেই কি কারচুপি সহিংসতা? ১৯৯১ থেকে ২০০৮, খালেদা জিয়া কিংবা শেখ হাসিনা, যখনই ক্ষমতায় এসেছেন তখনই কি এমন গন্ডগোল হয়েছে? নাকি সুষ্ঠুভাবে হয়েছে নির্বাচন? জানলে অবাক হবেন।

    এই যে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে এত হইচই, গদিতে আওয়ামী লীগ সরকার থাকবে নাকি গদি হারাবে, এই নিয়ে এখন তুমুল বিতর্ক। এবার শেখ হাসিনাই খোলসা করে দিলেন, কীভাবে বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন হতে পারে। তাঁর কথায়, শুধুমাত্র ভোট আর নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন সম্ভব অর্থাৎ একটু বাঁকিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, এই যে বিএনপি এত হরতাল করছে, অবরোধ করছে, সংবিধানের অধীনে নির্বাচনের যেতে চাইছে না, এসব করে কিন্তু সরকার পরিবর্তন করা যায় না। এসব করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। সরকার পরিবর্তন করতে হলে ভোটে আসতে হবে। আওয়ামী লীগ চায়, জনগণের ভোটাধিকার অব্যাহত থাকুক। ভোটের মাধ্যমেই পরিবর্তন হোক সরকার। আসলে এখানে কিছুটা হলেও শেখ হাসিনা ভীষণ কনফিডেন্স। এর আগেও বলতে শোনা গিয়েছিল, জনগণের উপর তাঁর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আর সেই আস্থার জোরে এতদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। শেখ হাসিনার কথায়, যে সমস্ত রাজনৈতিক দলের জনগণের প্রতি কোন আশ্বাস নেই, বিশ্বাস নেই কিংবা তারা রাজনৈতিক দল হিসেবে সুসংগঠিত নয়, তারাই নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে। এর জন্য চরম ক্ষতি হতে পারে দেশের। যা তিনি বিন্দুমাত্র বরদাস্ত করবেন না। কথা প্রসঙ্গে চলে আসে, ২০১৩ আর ২০১৪ সালের অগ্নি সন্ত্রাসের কথা। শেখ হাসিনার প্রশ্ন, অগ্নি সন্ত্রাসের মাধ্যমে এই যে এত এত জীবন সম্পত্তি নষ্ট করা, ধ্বংস করা এটা কি কোন ধরনের রাজনীতি হতে পারে? শেখ হাসিনা তাঁর কথায় বুঝিয়ে দিচ্ছেন, তিনি নির্বাচনের জন্য একদম প্রস্তুত। ইতিমধ্যেই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

    দেখুন, বাংলাদেশে মানুষের নির্বাচনে বিচিত্র অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত যদি পাঁচটি নির্বাচনের কথা বলা হয়, যে দল পরাজিত হয়েছে সেই দল নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়নি। কি বিএনপি, কি আওয়ামী লীগ। ১৯৯১ সালে হয়েছিল পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জয়ী হয়েছিল বিএনপি। তখন কিন্তু দুই প্রধান রাজনৈতিক দল একে অপরের প্রতি এতটা আক্রমণাত্মক ছিল না। সেই সময় দাঁড়িয়ে, আওয়ামী লীগ নিজেদের উপর বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিল। শেখ হাসিনাও জোর গলায় বলেছিলেন বড় বড় কথা। অপরদিকে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। অবশেষে ক্ষমতায় আসি বিএনপি। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলে কোনো দল সরকার গঠনের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। শেখ হাসিনা প্রশ্ন তুলেছিলেন, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনও ছিল বিতর্কিত। জানলে অবাক হবেন, সেই সময় আওয়ামী লীগের দাবীকে সমর্থন করেছিল জাতীয় পার্টি আর জামায়েত ইসলামী। হরতাল থেকে শুরু করে অবরোধ, বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছিল আওয়ামী লীগ। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। বিএনপি কিন্তু সেই ফলাফল মেনে নেয়নি। পুনরায় নির্বাচনের দাবি করেছিল। ২০০১ সালে এসে পাশা উল্টে যায়। ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করে বিএনপি। আবার ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে আওয়ামীলীগ। তারপর থেকে একটানা ১৫ বছর ক্ষমতায় রয়েছে এই দল। তাই ক্ষমতায় কে থাকবে, আর ক্ষমতায় কে থাকবে না, এই মুহূর্তে বলা ভীষণ মুশকিল। সবটাই নির্ভর করছে বাংলাদেশের জনগণের উপর।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • যে অর্থনীতি নিয়ে শেখ হাসিনার এতো গর্ব, তাতেই তো ধ্বস! বিএনপি ছক্কা হাঁকাচ্ছে এই ভাবে টের পাবে আওয়ামীলীগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, জুজুর ভয়। পাত্তা দিচ্ছে না আওয়ামী লীগ। ওদিকে হাল ছাড়েনি বিএনপিও। কি হবে শেষমেষ? হরতাল অবরোধে অস্থির বাংলাদেশের রাজনীতি। ধ্বস নামবে অর্থনীতিতে। কেউ ঠেকাতে পারবে না। ভয় পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কি হতে চলেছে বাংলাদেশের সঙ্গে? হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে হাঁসফাঁস অবস্থা। আর কতদিন এভাবে সহ্য করবে? বড় লস করে ফেলবে না তো দেশটা?

    বিরোধী দলগুলোর লাগাতার অবরোধ আন্দোলন হরতালকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশ সরকার তফসিল ঘোষণা করেছে। জাতীয় পার্টির নেতাদের আশঙ্কা, একতরফা ভোট হলে নতুন করে আসতে পারে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু প্রশ্ন হল, নিষেধাজ্ঞাকে কি আওয়ামী লীগ আদৌ ভয় পায়? আদৌ গুরুত্ব দেয়? এর আগেও বারংবার এসব নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় জবাব দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে আউয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রীরা।

    দেশটার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, এসব নিষেধাজ্ঞাকে দেগে দিয়েছেন জুজুর ভয় বলে। আওয়ামী লীগের কথায়, তাদের আত্মবিশ্বাস আছে। নির্বাচন হবে তফসিল অনুযায়ী। নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট সময়ে। বরং এই অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে যদি কেউ বাধা দিতে আসে, তাদের শাস্তি হবে। বিদেশীরা কে কি বলল, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। দেশের মানুষ কি চায় সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর বারংবার কথা বলেছে। পৌঁছে গিয়েছে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যন্ত। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, সাম্প্রতিক গাজায় যে এত মানুষ মারা যাচ্ছে সেই বিষয়টি কেন তারা দেখছে না? অথচ তারা তাকিয়ে আছে বাংলাদেশের দিকে। আসলে এখানে জাতিসংঘ ঘুমাচ্ছে। জাতিসংঘের অবস্থান দ্বিমুখী। যা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়।

    বাংলাদেশের এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতির হালহাকিকত হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে আমজনতা। ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে অর্থনৈতিক ইস্যুগুলো। বাংলাদেশের সবজি মাছ বাজারে গেলে শুনতে পাবেন ক্রেতাদের হা-হুতাশ। এমনিতেই বৈশ্বিক মন্দাসহ ডলারের তীব্র সংকটে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটু ভাঙ্গন ধরেছে। তার উপর জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাড়ছে চরম উত্তেজনা। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, যদি অস্থিরতা আরো বাড়ে তাহলে অর্থনীতিতে ধস কেউ আটকাতে পারবে না। অর্থনীতির দুঃসময়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতায় আসতে হবে। সুষ্ঠু পরিকল্পনা করতে হবে, কিভাবে দেশটাকে বাঁচানো যায়। বিষয়টা কিন্তু এখানেই আটকে নেই। এর আগেও বেশ কয়েকবার নির্বাচনে ঝামেলা হয়েছিল। এবারেও যদি ঝামেলা হয়, তাহলে বিদেশী রাষ্ট্র গুলো কেন মানবে বলুন তো? স্বাভাবিক ভাবেই, অর্থনীতির পাশাপাশি কোপ পড়বে বৈদেশিক এবং সামাজিক খাতে। ইতিমধ্যে বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত দেশটার শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। খুব দ্রুত নির্বাচন কেন্দ্রিক সহিংস কর্মসূচি ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। যে কোনো দেশেরই জাতীয় রাজনীতি আর অর্থনীতি একই মেরুর দুই প্রান্ত। একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে। সহিংস কর্মসূচিতে ধাক্কা খাচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে গণপরিবহন।

    করোনা মহামারী, ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম অনেকটা বেশি। সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে আনতেই বাংলাদেশের এমন অবস্থা। নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে মূল্যস্ফীতি। তাই রাজনৈতিক অস্থিরতায় রাশ না টানলেই নয়। না হলে দেশটা বিনিয়োগ বড়সড় ধাক্কা খেতে চলেছে। যার টানে টানে কমবে কর্মসংস্থান। ক্ষতি হবে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিতে। আপনিও কি ঠিক একই ভয় পাচ্ছেন? রাজনৈতিক অস্থিরতায় দেশটা বড় বিপদে পড়বে না তো?

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version