Tag: Women.

  • Saree Cancer: ‘শাড়ি ক্যানসারে’র নাম শুনেছেন?আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই, কেন হয় জানেন!

    Saree Cancer: ‘শাড়ি ক্যানসারে’র নাম শুনেছেন?আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই, কেন হয় জানেন!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Saree Cancer: আপনি কি সবসময় শাড়ি পরে থাকেন? কিংবা বেশিরভাগ সময় পরে থাকেন টাইট জিন্স? তাহলে একটু সাবধান হোন। কারণ দিনে দিনে বাড়ছে শাড়ি ক্যানসার। আপনারা অনেক রকমের ক্যানসারের নাম শুনেছেন। কিন্তু শাড়ি ক্যানসার কথাটা নতুন ঠেকছে, তাই না? তবে আমাদের দেশে এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। কী এই শাড়ি ক্যানসার? কীভাবে শরীরে বাসা বাঁধে এই মারণ রোগ?

    বুঝতেই পারছেন,এই রোগের পেছনে রয়েছে শাড়ি। ভারতেই মহিলারা সবথেকে বেশি শাড়ি পরেন৷ অনেকেই শাড়ি পরে থাকেন সারা দিনই। আর তা থেকেই ক্যানসারের আশঙ্কা বেড়ে যায়৷ ভাবছেন, তাও আবার হয় নাকি। হ্যাঁ। সেটাই হয়। দিল্লির পিএসআরআই হাসপাতালের ক্যানসার সার্জনরা বলছেন, মহিলারা যেভাবে শাড়ি পরেন তাতেই ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়৷ ওই চিকিৎসকদের মতে, মহিলারা কোমরের কাছে শাড়ি গুঁজে রাখেন৷ দীর্ঘক্ষণ এ ভাবে শাড়ি গুঁজে রাখার ফলে ওই জায়গায় ত্বকের সঙ্গে ঘর্ষণ হয়৷ অনেক সময় ছাল উঠে কালো দাগ পড়ে যায়৷ নিজে থেকেই তা ঠিক হয়ে যায়৷ এ ভাবে বার বার ছাল উঠে যাওয়ার ফলেই চামড়ার ক্ষতি হয়। তা থেকেই ক্যানসারের আতঙ্ক বেড়ে যায়৷

    ফলে কোমরের ওই অংশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি৷ গরম এবং আর্দ্রতা বেশি এমন এলাকায় এই ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়৷ বিহার এবং ঝাড়খণ্ডে এই ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীর খোঁজ পাওয়া গিয়েছে৷ মেডিক্যাল পরিভাষায় একে স্কুয়ামস সেল কারিকম বলা হয়৷ ভারতে একশো জন ক্যানসার আক্রান্ত মহিলার মধ্যে একজন আক্রান্ত হন শাড়ি পরে থাকার কারণে৷ তাহলেই বুঝতে পারছেন সংখ্যাটা নেহাত কম নয়। মুম্বইয়ের আর এন কুপার হাসপাতালে এই শাড়ি ক্যানসার নিয়ে গবেষণাও হয়েছে৷ যেহেতু ধুতিও শাড়ির মতো করে পরা হয়, তাই ধুতিকেও এই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল৷ তবে ধুতি থেকে ক্যানসারের আশঙ্কা অনেক কম।

    শাড়ি ক্যানসার নামটি দিয়েছিলেন বম্বে হাসপাতালের চিকিৎসকরা৷ সেখানে ৬৮ বছর বয়সি এক মহিলার এই রোগ ধরা পড়েছিল৷ ওই মহিলা ১৩ বছর বয়স থেকে শাড়ি পরতেন৷ শাড়ির মতো দীর্ঘক্ষণ টাইট জিন্সের প্যান্ট পরে থাকলেও ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে৷ শরীরের কোনও অংশে খুব টাইট হয়ে আটকে থাকে এমন কোনও জিনিসই দীর্ঘক্ষণ পরে থাকা উচিত নয়।

    https://www.facebook.com/100082942485331/posts/409239888517424/?mibextid=NTRm0r7WZyOdZZsz

    আসলে শাড়ি বেশিরভাগ ভারতীয় মহিলাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক। গরম আর আর্দ্র আবহাওয়ায় সারাদিন কোমরে জড়িয়ে থাকে শাড়ি।কোমর প্রায়শই ধুলো এবং ঘামে নোংরা হয়। অনেক ক্ষেত্রে সেই জায়গা সঠিকভাবে পরিষ্কারও করা হয় না। তার ফলে কোমরের ওপর পিগমেন্টেশন হয়। হালকা স্কেলিং এর পরিবর্তন হয়। এটি দীর্ঘস্থায়ী জ্বালা সৃষ্টি করে। ধীরে ধীরে কোমরের ত্বকে ম্যালিগন্যান্সি বিকশিত হয়। একই সমস্যা হতে পারে টাইট জিন্সের প্যান্ট পরলেও। তাই এক ধরণের পোশাক সব সময় নয়। শাড়ি পরুন, আবার থাক চুড়িদারও। আর পরিচ্ছন্ন তো থাকতেই হবে। তাহলে দূরে থাকবে অন্য রোগও।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • চলন্ত ট্রেনে নেশা! প্রতিবাদ করতেই হেনস্থা, এরকম ঘটনা হলে বাঁচবেন কীভাবে ?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    রাত ১ টা বাজে আমার পাশের বার্থে তিনটে লোক বসে নেশা করছে অশ্লীল কথা বলছে, অভব্য আচরণ করছে
    পুরো ট্রেনে একটাও পুলিশ নেই। ট্রেনে এক মহিলার পাশের সিটে বসে নেশা করছে কয়েকজন যুবক যদি কোনও আগ্নেয়াস্ত্র থাকে ভয়ে অনান্য যাত্রীরা চুপ। কী গায়ে কাঁটা লাগছে তো? ট্রেনে একা যাতায়াত করেন তো আপনিও কখনও যদি এরকম বিপদে পড়েন কী করবেন? টিটিই নাও থাকতে পারে! আপনি একা বাঁচবেন কীভাবে?
    ভয় না পেয়ে এক মিনিটের মধ্যে আপনার অভিযোগ সরাসরি রেলবোর্ডের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। চুপিচুপি সিটে বসেই এই কটা স্টেপ ফলো করুন পুলিশ পৌঁছে যাবে আপনার কামরায়। একটি ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানেই দেখা যাচ্ছে গায়েত্রী বিষ্ণোই নামের ওই মহিলাযাত্রী যে কামরায় বসেছিলেন, সেই কামরাতেই ওই তিন পুরুষ যাত্রী নিজেদের বার্থে বসে নেশা করছে।

    এমন ঘটনা অনেকের সাথেই ঘটে। কেউ চুপ করে থাকেন কেউ প্রতিবাদ করতে যান। কোনও যাত্রী চলন্ত ট্রেনে কোনও সমস্যায় পড়লে সেখান থেকেই সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন অনলাইনে। অভিযোগ জানানোর জন্য প্রয়োজন হবে ওই যাত্রীর পিএনআর নম্বর ও ফোন নম্বর। শুধু রেলযাত্রীকে নিজের মোবাইল ফোনে ডাউনলোড করে নিতে হবে Railmadad অ্যাপটি।অনেক সময় রিজার্ভ করা সিটে অন্য ব্যক্তি জবরদখল করে বসে থাকেন। ঝামেলা বা চিতকার করার প্রয়োজন নেই। Railmadad অ্যাপ দিয়েই হবে সব সমস্যার সমাধান।

    কেউ চাইলে অ্যাপ ডাউনলোড না করে সরাসরি ব্রাউজারের মাধ্যমেও এই সাইট ব্যবহার করতে পারবেন।তারপর ট্রেন সংক্রান্ত অভিযোগের জন্য Train Complaint অপশনে ক্লিক করতে হবে। এখানে অভিযোগকারী যাত্রীকে তাঁর নিজের ফোন নম্বর লিখতে হবে এবং ফোনে আসা OTP জমা দিতে হবে। এর পরে তাঁকে লিখে জানাতে হবে কী ঘটেছে। দিতে হবে তৎকালীন ভ্রমণের PNR, এরপর অভিযোগের ধরন নির্বাচন করে নিতে হবে। অভিযোগ সম্পর্কিত কোনও ছবি বা ভিডিও-ও পোস্ট করতে পারেন। অভিযোগের বিষয়ে একটি ছোট বিবরণও লিখতে হবে। তারপর সেটি Submit করে দিতে হবে। এই ভাবে অভিযোগ নথিভুক্ত হয়ে গেলে যাত্রীকে একটি রেফারেন্স নম্বর দেওয়া হবে। সেই নম্বর যেকোনও সময় ট্র্যাক করতে পারবেন। তাঁর এর ভিত্তিতেই স্টেপ নেওয়া হয়।

    শুধু চলন্ত ট্রেন নয়। যাত্রীরা স্টেশনে কোনও বিপদে পড়লেও অভিযোগ জানাতে পারেন এই উপায়ে। এজন্য স্টেশন অপশনে ট্যাপ করতে হবে। প্রতিদিন বহু যাত্রী ভারতীয় রেলের পরিষেবা নেন। ন। বিপদে পড়লে যদি টিটিই না থাকে তবে অনলাইনে অভিযোগ জানাতে পারেন এভাবে। তাও না হলে, রেলের হেল্পলাইন নম্বর১৩৯ সরাসরি ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারেন।

     

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • বাড়ির বউকে পুজো করা হয় কালীরূপে, নারীকে অবহেলা নয়! শক্তিরূপে সম্মান জানানো নিয়ম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    সময় এগোলেও সমাজ পিছিয়ে রয়েছে বহু জায়গায়। পুরুষতন্ত্রের দাপটে এখনও অনেক বাড়ির। বউ অপমানিত হন প্রতিদিন, প্রতিটা মুহুর্তে সেখানে প্রত্যন্ত গ্রামের এই পরিবারের পুরুষরা বড় বউমাকেই পুজো করে কালীরূপে। গলায় লাল জবার মালা মানুষের মধ্যেই ঈশ্বর বিরাজমান নারীর আসন পায়ের তলায় নয়! সব থেকে উপরে সমাজের সাথে লড়াই করতে করতে ঘরের এক কোণে ঠাঁই হয় বহু মহিলার। তাই মহিলাদের কোণঠাসা নয় তারাই যে শক্তির প্রতীক। চোখে আঙুল দিয়ে দিচ্ছে সাঁতরা পরিবার। একদিনের প্রথা নয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলছে এমন নিয়ম। বাড়ির বউ পূজিত হন মা মুন্ডমালিনী রূপে। জ্যান্ত রূপে কীভাবে কালীর পুজো হয়? এই কালীপুজো দেখলে সত্যিই গায়ে কাঁটা দেবে আপনার।

    বাঁকুড়ার ইন্দাসের মির্জাপুর গ্রামের সাঁতরা পরিবারে দেবী সাজে বউদের পুজো করে বাড়ির বাকিরা। সাঁতরা পরিবারের বড় বউমা হীরালালা সাঁতরাকে এই বাড়ির সদস্যরা মা কালী হিসেবে সাজিয়ে তোলেন। ১০০ বছরেরও বেশি আগে থেকে বাড়ির বড় বৌকে মা কালী হিসেবে পুজো করা হচ্ছে। বাড়িতেই রয়েছে স্থায়ী মন্দির। বাড়ির পূজোতে প্রতিমা তৈরী করা চলে না। ঠিক কি কারণে এমন নিয়ম তা ঠিক করে জানেন না পরিবারের বাকি সদস্যরা। গলায় লম্বা জবা, নীলকণ্ঠের মালা, সামনে ত্রিশূল রাখা পুজোর দিনে হীরালালা দেবীই যেন সাক্ষাৎ মা কালী হয়ে যান। শুধু তাই নয় বছরের অনান্য দিনেও এই মন্দিরে আসেন দূর দূরান্ত থেকে অনেকেই।

    ফলহারিনী কালী পূজার দিন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীমা সারদাদেবীকে ষোড়শী জ্ঞানে পূজা করেছিলেন। পরিবারে মহিলাদের স্থান কোথায় তা চিনিয়েছিলেন স্বয়ং শ্রীরামকৃষ্ণদেব। তারপর সাঁতরা পরিবার সত্যই যেন উদাহরণ হয়ে রইল।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Pregnancy After 35: বয়স ৩৫ পেরোলেই কি গর্ভধারণে সমস্যা? কী বলছে বিশেষজ্ঞরা?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

     

    Pregnancy After 35: ৩৫ বছর পেরিয়ে যাওয়া মানে মাতৃত্বের নানান সমস্যা! এমনটাই কি আপনি মনে করেন? যদি এই ধারণা মনে পুষে রাখেন তাহলে আপনি একটু ভুল করছে। বেশি বয়সে(Age) মাতৃত্ব মানে সত্যি দেরি হয়ে যাওয়া নয়। বর্তমানে বহু মহিলাই(Women) কেরিয়ার আর অফিসের(Office) কাজ সামলে একটু বেশি বয়সে মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত একজন মহিলার বেশি ফার্টাইল থাকে। কিন্তু এই সময়ে একটা নতুন প্রাণ পৃথিবীতে এনে তার দায়িত্ব(Responsibility) অনেক মহিলা নিতে চান না। অনেকের আছে কেরিয়ার তৈরি করতে করতে প্রায় ৩০ বছরের গণ্ডি পেরিয়ে যায়। তাই বহু মহিলা বেশি বয়সে মাতৃত্ব নিয়ে একটু চিন্তিত থাকেন।

     

    চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, ৩৫ বছর বয়সকে মা হওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাডভান্স ম্যাটার্নাল এজ বলা হয়। ৩৫ বছর পরেও মা হওয়ার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা তৈরি হবে না। এক্ষেত্রে প্রয়োজন নেই কোনো রকম রিপ্রোডাকশন ট্রিটমেন্টের। অপরদিকে বহু বিশেষজ্ঞ তিরিশের কোটা পেরোনোর পর বেশিদিন অপেক্ষা করতে বারণ করছেন। কারণ ৩০ পেরোনো মানে প্রেগনেন্সিতে জটিলতা দেখতে দেখা দিতে পারে। আসলে একজন মহিলা কখন গর্ভধারণ করবেন তা নির্ভর করে তার শারীরিক এবং মানসিক পরিস্থিতির উপর। তার ওপর সাম্প্রতিক সময়ে বেশিরভাগ মহিলার শরীরে বাসা বেঁধেছে সিস্টের মতো রোগ। জরায়ুতে সিস্ট জমলে গর্ভধারণে নানান সমস্যা দেখা দেয়।

     

    বয়স বাড়ার সাথে সাথে শারীরিক দিক দিয়েও নানান পরিবর্তন দেখা দেবে। সুস্থ স্বাভাবিক এক সন্তানের স্বপ্ন প্রত্যেক বাবা-মায়ের। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রচুর উন্নতি হয়েছে, ৩৫ এর আগেই গর্ভধারণের কথা বলা হয়। কারণ এই সময়ের পর থেকে ডিম্ব স্ফুটনের হার কমতে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, ১২ বছর থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত মা হওয়া সম্ভব। কিন্তু ৩৫ বছরের বেশি হয়ে গেলে তখন হবু মা কিংবা গর্ভস্থ শিশুর শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি থাকে। তাই প্রথমবার মা হওয়ার ক্ষেত্রে আদর্শ বয়েস ধরা হয় ২৫ থেকে ৩১ বছর বয়স পর্যন্ত। যদি ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে মা হওয়ার পরিকল্পনা থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে জরুরি প্রি প্রেগনেন্সি কাউন্সিলিং। এক্ষেত্রে হবু মা এবং সন্তানের সমস্যার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সার্কুলেশন জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গর্ভধারণের আগে হবু মায়ের হার্ট পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো। যাদের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড এবং হাই প্রেসারের সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্কতা নেওয়া

  • International Women’s Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে কি উপহার দেবেন? রইল দুর্দান্ত আইডিয়া

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    International Women’s Day: প্রতিবছর ৮ই মার্চ নারীদের প্রতি সম্মান এবং শ্রদ্ধা জানিয়ে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women’s Day)। এই দিন গুরুত্ব প্রায় মহিলাদের আর্থিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠা। প্রত্যেক নারী তাদের জীবনের বিভিন্ন ধাপে নানান রকম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। কখনো কন্যা, কখনো স্ত্রী, কারোর মা, আবার কখনো বোন হিসেবে। তাই এই বিশেষ দিনে আপনার প্রিয় মানুষদের দিতে পারেন কিছু উপহার (Gift)। যে উপহারের মাধ্যমে আপনি তাদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার বার্তা জ্ঞাপন করতে পারবেন, আবার সেই উপহার আপনার তরফ থেকে পেয়ে তারা অত্যন্ত খুশি হবেন।

    আন্তর্জাতিক নারী দিবস বছরের এমন একটি বিশেষ দিন, যে দিনটি ঘিরে রয়েছে অনেক সংগ্রাম এবং বহু অধিকারের কথা। এই দিনটি মূলত প্রত্যেকটি নারীকে সম্মান এবং ভালোবাসা জানানোর দিন। যদিও বছরের প্রত্যেকটি নারীদের সমান অধিকার রয়েছে। ১৯৭৭ সাল থেকে আজও পর্যন্ত প্রত্যেক বছর নিয়ম করে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই বিশেষ দিনটি মনে করিয়ে দেয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের সংগ্রাম এবং সম্মানের কথা। পাশাপাশি থাকে লিঙ্গ বৈষম্যের প্রতি বার্তা। এই দিনটিকে আপনার বাড়ির মহিলাদের জন্য একটু বিশেষ বানাতে পারেন , খুব সুন্দর উপহারের মাধ্যমে। বাড়িতে মা, বোন কিংবা স্ত্রীকে দিতে পারেন দারুন সারপ্রাইজ। উপহার দেওয়ার জন্য এই দিনটি অত্যন্ত শুভ। যদিও উপহারের থেকে বড় কথা হলো নারীদের প্রতি পূর্ণ মর্যাদা সহকারে সম্মান এবং ভালোবাসা। কারণ প্রত্যেক নারী দামি দামি উপহারের তুলনায় সম্মান আশা করেন।

    (১) আন্তর্জাতিক নারী দিবসের উপহারের তালিকায় রাখতে পারেন একটি বই। বিশেষ করে কোন মহিলার লেখা এমন ধরনের বই যা পড়লে জীবন সংগ্রামে নানান ভাবে অনুপ্রাণিত হওয়া যায়। বই এমন একটা জিনিস, বেশিরভাগ মানুষই পছন্দ করেন । তাই আপনার এই ধরনের গিফটে বাড়ির মহিলা সদস্যরা অবশ্যই খুশি হবেন।

    (২) বর্তমান দিনে সুগন্ধি কমবেশি সবাই পছন্দ করেন । এই বিশেষ দিনটিকে আরো বেশি সুরভিত করে তুলতে উপহারের তালিকায় রাখতে পারেন পরিবারের সদস্যদের মন পছন্দের সুগন্ধি।

    (৩) এই সুন্দর দিনে গিফট হিসেবে প্রিয়জনদের হাতে তুলে দিতে পারেন একটি করে সুন্দর গাছ। গাছ সুন্দর এবং সতেজতার প্রতীক। বহু মানুষ আছেন যাদের গাছ দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়।

    (৪) আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সবথেকে ভালো একটা গিফট হল , এই দিনে আপনি যদি নিজের হাতে রান্না করে বাড়ির মহিলা সদস্যদের খাওয়ান। আমাদের সমাজের গতানুগতিক ধারণা অনুযায়ী বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মহিলারা হেঁসেল সামলান। আবার অনেক মহিলা আছেন যারা দশভূজার মত পরিবার এবং অফিস দক্ষতার সাথে সামলে আসছেন। একদিন রান্নাঘর থেকে ছুটি দিয়ে তাদের মন পছন্দের রান্না করে খাওয়াতে পারেন , দেখবেন সবাই অবাক হয়ে গেছে।

    (৫) সাধারণত বেশিরভাগ মেয়েরা একটু সাজতে ভালোবসেন, যদিও ব্যতিক্রমী রয়েছেন অনেকেই। তাই আপনার পরিবারের সদস্যদের মন পছন্দের কয়েকটি মেকাপের সামগ্রী এই বিশেষ দিনে প্রিয়জনদের চমকে দিলে, ব্যাপারটা মন্দ হবে না। তবে তার আগে একটু লুকিয়ে জেনে নিতে পারেন কে কোন ধরনের বা কোন ব্র্যান্ডের জিনিস ব্যবহার করেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • United Nation Report: বিশ্বের প্রতি ২ মিনিটে মাতৃত্বকালীন জটিলতায় মৃত্যু ১জন মহিলার! প্রকাশ্যে ভয় ধরানো রিপোর্ট

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    United Nation Report: গোটা বিশ্বের শুধুমাত্র মাতৃত্বকালীন জটিলতায় প্রতি ২ মিনিটে একজন মহিলার মৃত্যু (Death) হয়। রাষ্ট্রসংঘের এই রিপোর্ট (Report) প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্ব জুড়ে উদ্বেগ দেখা গিয়েছে। গর্ভকালীন কিংবা প্রসবের সময় জটিলতার বিষয় একেবারেই নতুন নয়। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ নারীর এই সমস্যায় ভোগেন। এবার রাষ্ট্রসংঘ (United Nation) এমন এক রিপোর্ট সামনে এনেছে যা সত্যি ভাববার বিষয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২০ বছরে গর্ভবতী মেয়েদের মৃত্যুর হার কমেছে প্রায় এক তৃতীয়াংশ।

    রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রসব জটিলতার কারণে গত ২০ বছরে মৃত্যুর হার কমেছে প্রায় ৩৪.৩ শতাংশ। ২০০০ সালের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি এক লক্ষ জন গর্ভবতী মহিলার ক্ষেত্রে মৃত্যু হয়েছে ৩৩৯ জনের। ২০২০ সালে সেই পরিসংখ্যান অনেকটা কমে প্রতি এক লক্ষে মৃত্যু হয়েছে ২২৩ জন। তবে বর্তমানেও যে পরিসংখ্যান রয়েছে তা একেবারেই নিশ্চিন্তের নয়। কারণ ২০২০ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনো পর্যন্ত প্রসব জটিলতার কারণে প্রতি ২ মিনিটে একজন করে মহিলার মৃত্যু হচ্ছে। ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এই মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য ভাবে কমলেও, ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত তেমনভাবে কোন পরিবর্তন ঘটেনি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেলারুশে এই ধরনের ক্ষেত্রে রেকর্ড পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। এক্ষেত্রে বেলারুশের অবস্থা মোটামুটি ভালো। এখানে মাতৃত্বকালীন জটিলতায় মৃত্যুর সংখ্যা ৯৫.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অপরদিকে ভেনেজুয়েলার অবস্থা খুবই খারাপ। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু এখানেই হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেছেন, গর্ভাবস্থা একজন মহিলার জন্য একটি উত্তেজনাপূর্ণ, আশাব্যঞ্জক এবং ইতিবাচক অভিজ্ঞতা হওয়া উচিত, তবে এটি এখনও লক্ষ লক্ষ মহিলার জন্য একটি বিপজ্জনক অভিজ্ঞতা হিসেবে রয়ে গিয়েছে। তিনি আরও বলেন, দুই-তৃতীয়াংশ মৃত্যু হয় সন্তান প্রসবের পর। প্রসবের পর ভারী রক্তপাত একটি বড় সমস্যা। জরুরি প্রসবের পর জরায়ু ফেটে যাওয়ার কারণেও মৃত্যু ঘটে। ভারতের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এক বিলিয়ন ২০ কোটি জনসংখ্যার ভারতে প্রতি বছর ১ কোটি ২০ লাখ ইউনিট রক্তের প্রয়োজন, কিন্তু সংগ্রহ করা হয় মাত্র ৯০ লাখ ইউনিট রক্ত। প্রায় ২৫ শতাংশ রক্তের ঘাটতি থেকে যায়। যার কারণে বহু রোগী প্রাণ হারান।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Menstrual leaves: স্পেনে চালু হল মহিলাদের পিরিয়ড লিভ, ভারতেও রয়েছে এই সুবিধা!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Menstrual leaves: গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা স্পেনের। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন দেখালেই মহিলা কর্মীরা পাবেন পিরিয়ড লিভ। গত বৃহস্পতিবার ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে স্পেনের পার্লামেন্টে একটি আইন পাস করানো হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী পিরিয়ড লিভ বা ঋতুকালীন ছুটি পাওয়া যাবে। ১৮৫টি ভোটের মধ্যে ১৫৪ ভোটে জয়ী হয়ে পাস হয়েছে এই ঐতিহাসিক আইন। যদিও শুধু স্পেন নয়, বিশ্বের বহু দেশে এই নিয়ম চালু রয়েছে। ভারতেও নানান বেসরকারি সংস্থা মহিলা কর্মীদের এই ছুটি দিয়ে থাকে।

    কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য মাসিক ছুটি কার্যকর করার জন্য বিশ্বজুড়ে দীর্ঘকাল ধরেই বিতর্ক চলছে। পিরিয়ড লিভ বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের ছুটি যেখানে মহিলাদের মাসিকের সময় তাদের কর্মক্ষেত্র থেকে বেতন বা অবৈতনিক ছুটি নেওয়ার বিকল্প থাকতে পারে। পিরিয়ড মানেই গুরুতর অস্বস্তি ভাব, ব্যথা, মানসিক সমস্যাসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়। এমত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কর্মসংস্থান নারীদের অফিসে কাজ না করে বাড়িতে আরামদায়কভাবে থাকার অধিকার দেয়। তৃতীয় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এই মাসিকের ছুটির বিষয়টি নিয়ে প্রচুর বিতর্ক রয়েছে। অপরদিকেই ইন্দোনেশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তাইওয়ানসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কিছু দেশে মহিলাদের মাসিকের সময় ছুটি দেওয়া হয়।

    ইন্দোনেশিয়া মাসিকের সময় মহিলা কর্মীদের দুই দিনের ছুটির অধিকার দিলেও তা অতিরিক্ত ছুটি নয়। জাপানে এই আইন কার্যকর হয়েছে প্রায় ৭০ বছর আগে। ১৯৪৭ সালের শ্রম স্ট্যান্ডার্ড আইনের ৬৮নং ধারা অনুযায়ী যদি কোন মহিলা মাসিকের সময় বিশেষভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে তিনি ছুটির অনুরোধ করতে পারেন। দক্ষিণ কোরিয়ায় কোন মহিলা কর্মচারী মাসিকের সময় ছুটি না নিলে অতিরিক্ত বেতন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাইওয়ান কর্মসংস্থানে লিঙ্গ সমতা আইনের অধীনে মহিলাদের প্রতি বছর তিন দিনের পিরিয়ড ছুটি দিয়ে থাকে। জাম্বিয়াতে কোন মহিলা কর্মী মাসিক ছুটির নীতির অধীনে প্রতি মাসে একটি করে ছুটি নিতে পারেন, যা ‘মা দিবস’ হিসেবে পরিচিত। যদি কোন সংস্থা এই ছুটি প্রত্যাখ্যান করে তাহলে নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অধিকার রয়েছে। ২০১৬ সালে ইতালিও এই মাসিক ছুটির ধারণা নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছিল। আইন প্রণেতারা সেই বিষয়ে একটি বিলের প্রস্তাব করেন, যেখানে কর্মীদের চিকিৎসা শংসাপত্র বিচার করে সম্পূর্ণ বেতনের তিন দিনের ছুটির অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়। যদিও পরবর্তীকালে আইনটি পাস হয়নি।

    ভারতে পিরিয়ড লিভ

    ভারতের মহিলাদের মাসিকের সময় ছুটি নেওয়ার কোন আইনি অবকাঠামো না থাকলেও বেশ কিছু বেসরকারি কোম্পানি মহিলা কর্মীদের এই সুবিধা প্রদান করে থাকে। ভারতের যে সমস্ত বেসরকারি সংস্থা মহিলাদের মাসিকের সময় ছুটি দিয়ে থাকে সেগুলি হল-

    ১. সুইগি (Swiggy)
    ২. কালচার মেশিন (Culture Machine)
    ৩. মাথ্রুভূমি (Mathrubhumi)
    ৪. ম্যাগজেটর (Magzter)
    ৫. ওয়েট অ্যান্ড ড্রাই (Wet and Dry)
    ৬. ইন্ডাস্ট্রি এআরসি (IndustryARC)
    ৭. জম্যাটো (Zomato)
    ৮. আইবিপণন (IVIPANAN)
    ৯. গোজুপ (Gozoop Online Pvt Ltd)
    ১০. হর্সেস স্টেবেল নিউজ (Horses Stable News)
    ১১. ফ্লাইমাইবিজ (FlyMyBiz)
    ১২. বাইজুস (Byju’s)

    প্রায় ১০০ বছর মানুষের মধ্যে পিরিয়ড নিয়ে সাংঘাতিক ট্যাবু ছিল, তখন কেরালা এমন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যা সত্যি প্রশংসনীয়। সেই ১৯১২ সাল থেকে এরনাকুলামের ত্রিপুনিতুরার সরকারি একটি স্কুলে পিরিয়ডের সময় ছাত্রীদের ছুটি নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এমনকি ছাত্রীরা বার্ষিক পরীক্ষার সময়ও পিরিয়ডের ছুটি নিতে পারে। মাঝে কেটে গিয়েছে প্রায় শত বছরের বেশি। সম্প্রতি ২০২৩ এর শুরুতেই কেরালা সরকারের উচ্চশিক্ষা দফরের অন্তর্গত সমস্ত প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের পিরিয়ডের ছুটি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। পাশাপাশি উচ্চ শিক্ষার সঙ্গে জড়িত ছাত্রীরা মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধাও পাবেন। কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের জন্য পিরিয়ডের ছুটির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে বিশ্বের বহু করেছে। পিরিয়ডের সময় মহিলাদের প্রচন্ড যন্ত্রণা এবং অস্বস্তি ভাব কাজ করে। এমনকি বারংবার মুড সুইং হতে থাকে। এমত পরিস্থিতিতে শান্ত মনে অফিসের চেয়ারে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে কাজ করা সম্ভব নয়। শারীরিক অবস্থা বুঝে এই ছুটির দরকার রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Working Women: সংসার সামলে বাড়িতে বসেই মোটা আয়ের সুযোগ! রইল মহিলাদের জন্য দুর্দান্ত টিপস

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Working Women: একদিকে সংসারের হাজারো দায়িত্ব, অপরদিকে যদি বাড়িতে ছোট বাচ্চা থাকে তাহলে তো কথাই নেই। নারীদের রীতিমত দশভূজার মতো সব কাজ সামলাতে হয়। সেখানে চাকরি করা কিংবা নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন পূরণ করা একটু চাপের। কিন্তু তা বলে স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দেওয়া বড় ভুল। অনেক পরিশ্রমের পর ডিগ্রি অর্জন করেও যখন কোন ব্যক্তি বাড়িতে বেকার হয়ে বসে থাকেন তখন তার মানসিক অবস্থাতে যে কেমন হয় তা তিনিই জানেন। এমন কিছু কাজ রয়েছে যা সংসারের কাজ সামলানোর পাশাপাশি সহজেই করা যায়। সেক্ষেত্রে উপরি পাওনা হিসেবে ইনকামের সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের রমরমা। বিয়ের পর যতই নানান পরিস্থিতি সামনে আসুক না কেন সেগুলি সামলে এই কাজগুলি সহজেই করতে পারেন।

    (১) যদি মাল্টিমিডিয়ার কাজ জানা থাকে তাহলে একটা ল্যাপটপ থাকলেই যথেষ্ট। বাড়িতে বসে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে পারেন। বাড়ির কাজ সামলে নিজের সময় অনুযায়ী সেই কাজ অনায়াসে করা যায়। বহু সংস্থা আছে যারা ফ্রিল্যান্সার হিসাবে প্রচুর কর্মী নিয়োগ করে। যদি গ্রাফিক ডিজাইন, অ্যানিমেশনের কাজ জানা থাকে আরও ভালো। এছাড়াও বর্তমানে কন্টেন রাইটারের জব বেশ জনপ্রিয়। আপনার যদি লেখার দক্ষতা থাকে তাহলে এই পদের জন্য আবেদন করতে পারেন।

    (২) সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) ঘরের কোণে পৌঁছে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। বর্তমানে বহু মহিলা রয়েছেন যারা শুধুমাত্র ভিডিও আপলোড করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। কেউ বা রান্নার ভিডিও আপলোড করছেন, আবার কেউ হাতের সুন্দর কাজ। অনেকে আছেন যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোশাক থেকে গয়না নানান জিনিস বিক্রির ব্যবসা করছেন। এই কাজ বাড়িতে বসেই করা যায়। শুধুমাত্র অর্ডার অনুযায়ী গ্রাহকের বাড়িতে সেই জিনিসটি পৌঁছে দিতে হবে। তার জন্য প্রথম দিকে আলাদা করে কয়েকজন লোক রাখতে হবে।

    (৩) অনলাইনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে ডেলিভারির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। অনেকেই আছেন যাদের রান্নার হাত খুব ভালো এবং রান্না করতে খুব ভালবাসেন। প্রথম প্রথম অল্প পরিমাণে রান্না করলেন কিংবা অর্ডার অনুযায়ী রান্না করলেন। তারপর খাবারের চাহিদা বাড়লে ধীরে ধীরে ব্যবসা বাড়াতে শুরু করবেন। এই কাজে সাহায্য করতে পারে বিভিন্ন ডেলিভারি অ্যাপ।

    (৪) মূলত এই ব্যবসাগুলির ক্ষেত্রে সেভাবে কোন ইনভেস্টমেন্টের প্রয়োজন পড়ে না। যদি জিরো ইনভেস্টমেন্টে (Zero Investment) নিজের ব্যবসা করতে চান তাহলে গৃহ শিক্ষক (Home Tutor) হতে পারেন। করোনা মহামারীর পর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পড়ানোর জনপ্রিয়তা হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি পড়ানোর শখ থাকে কিংবা টিচার্স ট্রেনিং এর উপর কোন ডিগ্রি থাকে তাহলে এই পেশাকে বেছে নিতে পারেন। পাশাপাশি জ্ঞান অর্জন হবে আবার যাতায়াতের জন্য সময়ও অপচয় হবে না।

    (৫) বাড়িতে হোম মেড জুয়েলারির ব্যবসা (Home Made Jewellery Business) শুরু করতে পারেন। প্রথমে আপনাকে বাজার থেকে র মেটেরিয়াল কিনে আনতে হবে। তারপর গ্রাহকদের অর্ডার অনুযায়ী কিংবা নিজের মন পছন্দের গয়না বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন। বর্তমানে অক্সিডাইস, পুঁতি আর সুতোর জুয়েলারির ব্যাপক চাহিদা। একবার যদি আপনার হাতের কাজ গ্রাহকদের পছন্দ হয় তাহলে ব্যাবসার ভাঁড়ার ফুলে ফেঁপে উঠবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Miscarriage: গর্ভধারণের পরও কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত ? মৃত সন্তান প্রসবের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Miscarriage: মহিলারা বর্তমানে স্বাবলম্বী হতে চান। এই বিষয়ে কোন রকম অস্বাভাবিকতা নেই। তাঁরা কর্মব্যস্ত জীবন যাপনে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কিন্তু যে কোন মহিলার কাছেই মা হওয়া একটা বড় বিষয়। আর তাতে যদি বাধা হয়ে দাঁড়ায় কর্মব্যস্ততা (Busy Work Schedule) তাহলে বিষয়টি ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। কোন মহিলা গর্ভধারণ করার পর তাঁর কাছে প্রথম ২৬ সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই সময়ের মধ্যে গর্ভপাতের ঝুঁকি সবথেকে বেশি হয়। আর একটি গবেষণা দাবি করছে, যে সকল মহিলারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত তাদের গর্ভপাতের (Miscarriage) আশঙ্কা থাকে স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি।

    লন্ডনের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের মতে, গর্ভপাতের নেপথ্যে যে শুধুমাত্র একটাই কারণ থাকবে এমনটা নয়। গর্ভপাত হতে পারে বিভিন্ন কারণে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুর ক্রোমোজোমে (Chromosome) অস্বাভাবিকতা গর্ভপাত ঘটায়। দক্ষিণ কোরিয়ার জার্নাল আকুপেশনাল হেলথের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলাদের অতিরিক্ত খাটনির সঙ্গে গর্ভপাতের বিষয়টি বেশ সম্পর্কযুক্ত। ওই জার্নালে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের কাজের ক্ষেত্রে গর্ভপাতের ঝুঁকি বিভিন্ন রকম হয়।

    যেমন কোন মহিলা যদি সমাজসেবী সংগঠন অথবা কোন স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কাজ করে থাকেন তাহলে তাঁর গর্ভের শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই মৃত্যুমুখী হতে পারে। অন্যদিকে যে সকল মহিলারা নিজস্ব ব্যবসা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত তাদেরও প্রেগনেন্সির সময় বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা বাড়তে পারে। তবে যে সকল মহিলারা অফিসে বসেই কাজ করেন, যাদের কাজে অতিরিক্ত হাঁটাচলা অথবা মানসিক চাপ থাকে না তাঁরা গর্ভপাতের ঝুঁকি থেকে বাইরে থাকেন।

    গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, যে সকল মহিলারা এশীয় বংশোদ্ভূত তাদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা অনেকটাই বেশি। আর এই কারণে গর্ভপাত হতে পারে। সেই তুলনায় ইউরোপীয় মহিলাদের কম গর্ভপাত হয় । তবে এই সবকিছুর বাইরেও শারীরিক জটিলতা এবং অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান এবং নিয়মের বাইরে জীবন যাপন করলেন গর্ভে মৃত্যু হতে পারে সন্তানের।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Aquarium Fish Farming: সামান্য বিনিয়োগে হবে মোটা আয়! অ্যাকুরিয়াম মাছ চাষে খুলবে ভাগ্য

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Aquarium Fish Farming: শুধুমাত্র ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি নয়, আপনি অ্যাকুরিয়ামে মাছ চাষ (Aquarium Fish Farming) করে প্রচুর টাকা আয় করতে পারেন। মহিলারা এই মাছ চাষ করে স্বনির্ভর হতে পারেন। বিনিয়োগের পরিমাণ কম, অথচ লাভের পরিমাণ বেশি। খুব একটা সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অ্যাকুরিয়ামে মাছ চাষের (Aquarium Fish Farming) জন্য প্রয়োজন ধৈর্যের। সম্প্রতি বাড়ি বাড়ি অ্যাকুরিয়ামে বাহারি রংবেরঙের মাছ পালন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই সুযোগকে আপনি কাজে লাগাতে পারেন। অনেকে আছেন যারা শখের বসে অ্যাকুরিয়ামে মাছ রেখে দেন। আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই মাছ চাষের মাধ্যমে স্বনির্ভর হবেন, তাহলে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে পারেন।

    মূলত অ্যাকুরিয়াম হল একটি কৃত্রিম জলাধার, যার মধ্যে নানান জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য উপকরণ রেখে একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করা হয়। তার মধ্যে থাকে রংবেরঙের বাহারি মাছ। যা বাইরে থেকে দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। এটি শোভা বর্ধনের পাশাপাশি বাড়ির সদস্যদের মন ভালো রাখে।

    বর্তমানে অ্যাকুরিয়াম শুধুমাত্র একটি কাঁচের ঘর নয়। এটি বহু মানুষের কাছে উপার্জনের উৎস। খাওয়ার জন্য নয়, পালার জন্য এই মাছ চাষ করা হয়। আপনি এই মাছ চাষ করে বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন এক টুকরো জমি। প্রথমে মাটি কেটে একটি বড় চৌবাচ্চা করে নিতে হবে। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির রঙিন মাছের চাষ অনায়াসে করতে পারবেন। বর্তমানে অ্যাকুরিয়ামে রাখা মাছ গুলির মধ্যে সবথেকে চাহিদা রয়েছে মিল্কি কাপ, গোল্ড ফিস, ওরেন্ডা, ডায়মন্ড, অ্যাঞ্জেল, লিচু, রেড কাপ প্রভৃতি। মাছ চাষের আগে প্রথমে খোল, চুন, ইউরিয়া দিয়ে ভালোভাবে জল তৈরি করবেন। তারপর একমাস পরে সেই জলে মাছ চাষ করতে হবে। যদি চৌবাচ্চায় চাষ করেন সেক্ষেত্রে এই ভাবে জল তৈরি করার প্রয়োজন নেই, তবে রং সবুজ হয়ে গেলে জল পাল্টে ফেলবেন।

    মাছের দাম নির্ধারণ হয় প্রজাত, সাইজ এবং রঙ অনুযায়ী। এক একটি গোল্ডফিশ বিক্রি করতে পারবেন প্রায় ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। আবার কাপ জাতীয় মাছ বিক্রি করতে পারবেন ৫ থেকে ৮০ টাকায়। এই মাছ কারা কিনবেন বা কোন বাজারে বিক্রি করবেন সেই বিষয়ে ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে নেবেন। এছাড়াও এখন অনলাইনের রমরমা। আপনি অনলাইনে নিজের ওয়েবসাইট খুলে বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে গ্রাহক খুঁজতে পারেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version