Tag: west bengal

  • Mid Day Meal: ফের চর্চায় মিড ডে মিল প্রকল্প, কেন্দ্রের অনুরোধে রাজ্যে আসছে ক্যাগ

    Mid Day Meal: ফের চর্চায় মিড ডে মিল প্রকল্প, কেন্দ্রের অনুরোধে রাজ্যে আসছে ক্যাগ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mid Day Meal: কেন্দ্র সরকারের পোষণ প্রকল্পের (PM Poshan Scheme) অধীনে প্রত্যেক সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য দিনে একবার খাবার পরিবেশন করার নিয়ম রয়েছে। আর এই বিষয়গুলি দেখভাল করে বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি শিক্ষা দফতর। বাংলায় মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) জন্য বরাদ্দ টাকা সঠিক খাতে খরচ হচ্ছে না, এমনটাই অভিযোগ উঠে এসেছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে দিন কয়েক আগেই কেন্দ্রীয় দল এসে পরিদর্শন করে বিভিন্ন জেলার সরকারি স্কুলগুলি। তাঁরা যদিও বিশেষ কিছু পাননি। তবে এবার ফের রাজ্যে মিড ডে মিলে আর্থিক খরচ ঠিকমতো হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য আসছে ক্যাগ (CAG)।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের অনুরোধে সিএজি বা ক্যাগের বিশেষ টিম এসে উপস্থিত হবে বাংলায়। তাঁরা খতিয়ে দেখবেন কীভাবে সরকারি স্কুলগুলোতে মিড ডে মিল চালু রয়েছে ? তাতে পড়ুয়ারা কতটা লাভবান হচ্ছে ? যে পরিমাণ অর্থ কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে বরাদ্দ করা হচ্ছে সেটা কি সঠিকভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে? তাঁরা রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি স্কুল পরিদর্শন করার পর ফিরে গিয়ে যে রিপোর্ট দেবেন তার উপর ভিত্তি করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্র। প্রায় নয় বছর পরে রাজ্যে চলতি বছরে মিড ডে মিল নিয়ে টিম পাঠিয়েছিল কেন্দ্র (Central)। এবার আসতে চলেছে ক্যাগ টিম।

    মিড ডে মিল প্রকল্পে কোনো রকম আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে কিনা তা বলবে ক্যাগের রিপোর্ট। অন্যদিকে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সিএজি অডিটের বিশেষ টিমের সঙ্গে রাজ্য শিক্ষা দফতরের অফিসার এবং রাজ্য অর্থ দফতরের অফিসাররা বৈঠক করবেন। ক্যাগ টিম রাজ্যের কাছ থেকে যা যা জানতে চাইবেন তাদেরকে স্পষ্টভাবে সেগুলি জানিয়ে দেওয়া হবে। এতে ক্যাগের ক্ষেত্রেও কাজ করা বেশ সুবিধার হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রের দাবি, বিগত ৩ বছরে এই প্রধানমন্ত্রী পোষণ প্রকল্পের অধীনে বাংলার মিড ডে মিল এর জন্য বরাদ্দ টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। তাই কেন্দ্রের তরফ থেকে ক্যাগকে বিশেষভাবে রাজ্যে এসে হিসাব খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather update: বিদায়ের প্রস্তুতি শুরু শীতের, বাড়বে দক্ষিণা বাতাসের আনাগোনা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Weather update: মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল শহরের আকাশ। যদিও বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা পরিষ্কার হচ্ছে।  আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল এবং সন্ধ্যায় শীতের আমেজ এদিন থেকে ক্রমশ গায়েব হবে। উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব কমবে। বাড়বে দক্ষিণা বাতাসের আনাগোনা। পাল্লা দিয়ে বাড়বে দিন(day) ও রাতের তাপমাত্রা। এদিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে হয়েছিল ৩০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটিও স্বাভাবিকের (normal) থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৯৮ শতাংশ।

    আবহাওয়া দফতরের মতে, শীতশবিদায়ের পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। একদিনে এক ধাক্কায় প্রায় চার ডিগ্রি বেড়ে গিয়েছে রাতের তাপমাত্রা । মঙ্গলবার সকাল থেকে ঘন কুয়াশার কারণে শহরের দৃশ্যমানতা নেমে এসেছে ৪০০ মিটারে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী তিন চারদিনে আরও চার ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস রয়েছে। আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই রাজ্যে।

    দক্ষিণবঙ্গের দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, নদিয়াতে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে কিছু জলীয় বাষ্প ঢুকছে দক্ষিণবঙ্গে। ১০ তারিখে একটু তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা থাকছে। আগামী ১১ এবং ১২ ফেব্রুয়ারি তাপমাত্রা অনেকটাই বাড়বে। ফের ১৩ এবং ১৪ তারিখ নাগাদ আবার একটু তাপমাত্রা কমে যাওয়া সম্ভাবনা থাকছে। তবে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকার দার্জিলিং এবং কালিম্পঙের কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আগামী শুক্র ও শনিবার সামান্য কমতে পারে তাপমাত্রা। তবে তাপমাত্রা কমলেও তা স্বাভাবিকের ওপরেই থাকবে। তবে শীত ফেরার আর তেমন সম্ভাবনা নেই রাজ্যে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Amrit Bharat Station : নব রূপে উঠবে সেজে, ‘অমৃতে’র ছোঁয়া বাংলার একগুচ্ছ স্টেশনে

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Amrit Bharat Station : কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে । ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ ( Amrit Bharat Station) প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যে আধুনিকমানের স্টেশন গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় বাংলার একাধিক স্টেশনও নতুন রূপ পাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। যদিও কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন , সব মিলিয়ে বাংলার ৯৩ টি স্টেশনকে একেবারে চোখ ধাঁধানো করে তোলা হবে। কিন্তু বঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে করা একটি ট্যুইটে বলা হয়, ৯৩ নয়, ৯৪ টি স্টেশনের নাম রয়েছে ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের আওতায়।

    কোন কোন স্টেশনের নাম রয়েছে ?

    বঙ্গ বিজেপির ( BJP Bengal) তরফ থেকে একটি লিস্ট ট্যুইট করা হয়। একই সঙ্গে লেখা হয়, ” অমৃত ভারত স্টেশন এই প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গের ৯৪ টি রেল স্টেশনকে নব রূপে সাজানো হবে। পশ্চিমবাংলার সার্বিক উন্নয়নে নরেন্দ্র মোদী সরকার সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”। সেই তালিকায় দেখা গিয়েছে নাম রয়েছে বর্ধমান স্টেশন থেকে শুরু করে দিনহাটা , এমনকি ডানকুনি থেকে সিউড়ি সহ রাজ্যের ( West Bengal) বিভিন্ন প্রান্তের মোট ৯৪ টি স্টেশনের। তালিকা থেকে বাদ যায়নি বাংলার বড় বড় স্টেশন হিসেবে পরিচিত হাওড়া, শিয়ালদা প্রভৃতি।

    কী থাকছে এই প্রকল্পের অধীনে ?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে এই প্রকল্প সম্বন্ধে যা জানা গিয়েছে, তাতে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার এই ৯৪ টি স্টেশনকে সব ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে। যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হবে রেল স্টেশন গুলিকে । একদিকে যেমন স্টেশনগুলো সংস্কার করা হবে তেমনি যাত্রী প্রতীক্ষালয় গুলিকে আধুনিক মানের গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কারণ যাত্রীরা বেশিরভাগ সময়ই এই প্রতীক্ষালয় গুলিতে কাটান। কাজেই সেখানে সমস্ত ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকা বাঞ্ছনীয়। শুধু যে স্টেশনের মান উন্নত হবে তাই নয়, উন্নতি হবে স্টেশনের আশেপাশের এলাকার।

    জানা গিয়েছে, স্টেশনের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে যে রাস্তাগুলি সেই গুলিকে প্রয়োজনের চওড়া করে দেওয়া হবে। ওই রাস্তাগুলিতে যাতে কোনোভাবে অবৈধ দখল না বসে সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হবে । যে সকল জায়গাগুলিতে ইতিমধ্যেই অবৈধ দখলদারদের আনাগোনা হয়েছে , তাদেরকে সরিয়ে দেওয়ার কাজ করা হবে। স্টেশনের কাছাকাছি একটি বাজার গড়ে তোলা হবে। তবে সেই বাজার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব নেওয়া হবে। স্টেশন জুড়ে হকারদের দৌরাত্ম্য কমাতে তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসানো হবে। আর বাংলার এই স্টেশন গুলির প্রতীক্ষালয়ের কাছাকাছি জায়গায় ক্যাফে তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। যাতে যাত্রীরা তাদের বাড়তি সময় সেখানে কাটাতে পারেন।

    পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্টেশনে পার্কিংয়ের অব্যবস্থা একটা বড় সমস্যা। এছাড়াও স্টেশন ও স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় পর্যাপ্ত আলো না থাকার কারণে অনেক জায়গাতেই সমস্যায় পড়তে হয় যাত্রীদের। কাজেই এই দিকগুলিতে নজর দেওয়া হবে। এছাড়াও মহিলা, বয়স্ক এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য কিছু বিশেষ ব্যবস্থা থাকতে পারে বাংলার এই ৯৪ টি স্টেশনে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Amit Shah: বঙ্গে অমিত শাহের ঝটিকা সফর, একদিনে জোড়া সভা স্বররাষ্ট্রমন্ত্রীর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Amit Shah: সামনে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন। তাই ২০২৩ থেকে পুরো দমে কাজ শুরু করেছে বিজেপি। বঙ্গে বিজেপি সংগঠনের হাল ধরতে এবং তাদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বরা বঙ্গ সফরে আসছেন। কিছুদিন আগে এক দফার বঙ্গ সফর সেরে গিয়েছেন বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা (J P Nadda)। আর এবার রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সূত্রের খবর অনুযায়ী, একই দিনে দুই জায়গায় জনসভা এবং বৈঠক করার কথা রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, চলতি মাসেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসবেন বাংলাতে। তারিখ ঠিক করা হয়েছে ১১ ফেব্রুয়ারি। তিনি ঐদিন রাতে কলকাতায় (Kolkata) আসবেন। সেই রাতটি ত্রিলোত্তমাতেই কাটাবেন। এরপর পরের দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি দলীয় নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। দলের কোথায় কোথায় খামতি থেকে যাচ্ছে, কোথাও কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সৃষ্টি হচ্ছে কিনা এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠক শেষে সেদিনের কর্মসূচি পূরণ করার উদ্দেশ্যে বেরোবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সংবাদ প্রতিদিনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তা অনুযায়ী, অমিত শাহ ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথমে সকাল ১১ টা নাগাদ সভা করবেন বীরভূমের (Birbhum) সিউড়িতে। সেখানে সভা শেষ করার পর তিনি আরও এক দফা ওই জেলার বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন । এরপর একই দিনে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে হুগলির (Hooghly) আরামবাগে। সেই সভা শুরু হতে পারে দুপুর দুটো নাগাদ। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ফিরে গেলে দেখা যায় আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রটি বিজেপির হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল সামান্য কিছু ভোটের ব্যবধানে। তাই এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খোদ জনসভা করবেন হুগলির আরামবাগে। আর তারপর সেই দিনই কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি। রওনা দেবেন দিল্লির উদ্দেশ্যে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Driving Licence: মাত্র ২৪ ঘন্টাতেই পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স! আজই উদ্বোধন নয়া পরিষেবার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Driving Licence: ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হতো যে কোন মানুষকে বারবার আরটিও অফিসে আসতে হতো। অনেকে আবার তাড়াতাড়ি কাজ করিয়ে নেবার জন্য মিডিলম্যানের (Middle Man) সাহায্য নিতেন। তাতে দালালরাজ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এই মতো পরিস্থিতিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving Licence) বের করার জন্য আরও সুবিধাজনক পদ্ধতি তৈরি করল রাজ্য পরিবহন দফতর। এবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যাবে, এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী (Snehashis Chakraborty)। মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ গোটা রাজ্য জুড়ে এই নয়া পরিষেবার উদ্বোধন করতে চলেছেন তিনি।

    এবার আরটিও অফিসে (RTO Office) দিনের পর দিন ঘোরার কোনো প্রয়োজন পড়বে না। কারণ বাড়িতে বসে অনলাইন মাধ্যমে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে। আর তারপর একটা নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষা দিলে তারপরের দিনই অনলাইন মাধ্যমেই পেয়ে যাওয়া যাবে লাইসেন্স। এত সহজে ড্রাইভিং লাইসেন্স বের করতে পারলে জনসাধারণের অনেক সুবিধাই হবে, এমনটাই মনে করছেন পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। তবে তার জন্য অবশ্যই সঠিক প্রক্রিয়া মেনে তারপর আবেদন করতে হবে এবং পরীক্ষা দিতে হবে।

    কীভাবে মিলবে ২৪ ঘন্টায় ড্রাইভিং লাইসেন্স ?

    সর্বপ্রথম আবেদনকারীদেরকে অনলাইনে (Online) লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। তারপর সেখান থেকে একটি নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হবে। সেই দিন আবেদনকারীকে আসতে হবে আরটিও অফিসে। তাঁর স্থানীয় আরটিও অফিসের থিউরিটিক্যাল ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা হবে। এরপর ছবি তোলা সহ আরও অন্যান্য যে সকল নিয়মগুলি রয়েছে সেগুলি পালন করা হবে। সবশেষে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আবেদনকারীর মোবাইলে একটি এসএমএস আসবে। আর তারপর তিনি অনলাইন মাধ্যমে নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এবার সেটার প্রিন্ট আউট বের করে রাখলে আর বারবার আরটিও অফিসে ঘোরার প্রয়োজন পড়বে না।

    এর ফলে একদিকে যেমন মানুষের সময় বাঁচবে তেমনি অন্যদিকে বাঁচবে টাকা। কারণ ড্রাইভিং লাইসেন্স বার করার ক্ষেত্রে আর কোনরকম মিডিলম্যানের প্রয়োজন পড়বে না। পরিবহন মন্ত্রীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দু চাকা, চার চাকা এবং সব ধরনের গাড়িতেই লাইসেন্স বের করার জন্য এই একই নিয়ম মানতে হবে আবেদনকারীকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Recycling Plastic: প্লাস্টিক থেকে জ্বলবে আলো, নয়া উদ্যোগ রাজ্যের!

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Recycling Plastic: প্লাস্টিক থেকেই জ্বলবে আলো! ভাবতে একটু বিস্ময়কর হলেও এই কাজে তৎপর বাংলা। প্লাস্টিক যে পরিবেশের জন্য কতটা মারাত্মক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একটা গোটা সভ্যতাকে ধ্বংসের মুখে ফেলে দিতে পারে প্লাস্টিক। প্লাস্টিককে পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। রাজ্য প্লাস্টিকের সমস্যায় বেশ নাকাল। তাই সেই সমস্যা মেটাতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিল কেএমডিএ (KMDA)। প্লাস্টিক দিয়ে যাতে রাস্তার আলো জ্বালানো যায়, সেই বিষয়ে এবার সমীক্ষা হবে।

    ‘এই সময়’ এর সূত্র অনুযায়ী, প্লাস্টিক থেকে আর দূষণ নয়, এবার উৎপাদন হবে বিদ্যুৎ, সেই প্রচেষ্টায় বাংলা। এই উদ্দেশ্যে নয়া উদ্যোগ নিয়েছে কলকাতা উন্নয়ন পর্ষদ। হায়দ্রাবাদের একটি সংস্থাকে দিয়ে এই সমীক্ষা করানো হবে। এই সংস্থা কলকাতা, হাওড়া, বিধাননগর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বালি প্রভৃতি এলাকাগুলিতে কি কি ধরনের প্লাস্টিক ব্যবহার হয়, তার পরিমাণ কত এবং সেই প্লাস্টিক পুনরায় ব্যবহার করে কোন কাজে লাগানো যাবে, সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখবে। তার ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    পুনেতে দেখা গিয়েছে প্লাস্টিকের পুনরায় ব্যবহার করে টি শার্ট তৈরি হচ্ছে, রাস্তায় আলো জ্বলছে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ কম হচ্ছে, বিদ্যুতের বিল কমছে, আবার সরকারের ভাঁড়ারে জমা পড়ছে মোট টাকা। যদিও প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রে কলকাতা পিছিয়ে নেই। এর আগেও প্লাস্টিক থেকে বায়োগ্যাস, সার তৈরির প্রকল্প চালু করা হয়েছে। প্লাস্টিকের প্যাকেট পুনরায় রাস্তা তৈরির কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্লাস্টিক বোতল দিয়ে তৈরি হতে পারে টি-শার্ট। রাজ্যের বহু প্লাস্টিক চলে যায় বিহারের সিমেন্ট কারখানা কিংবা ছত্তিশগড়ে। রাজ্যের সে ভাবে আয় হয় না। তাই বাংলা চাইছে প্লাস্টিককে পুনর্ব্যবহার করে যাতে বিদ্যুতের বিল সাশ্রয় করা যায়। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Medhashree : রাজ্যের শিক্ষার্থীদের জন্য আরও এক নয়া প্রকল্প, ‘মেধাশ্রী’র সুবিধা পাবেন কারা ?

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Medhashree : জনকল্যাণের স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee) একাধিক প্রকল্পের সূচনা করেছেন। তার মধ্যে শিক্ষাবৃত্তি মূলক একাধিক প্রকল্প রয়েছে। সেই প্রকল্পগুলির তালিকায় এবার আরও একটি নতুন প্রকল্প জুড়লেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার আলিপুরদুয়ারের একটি সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন ওবিসি অর্থাৎ রাজ্যের অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর পড়ুয়ারা নতুন প্রকল্পের সুবিধা পেতে চলেছেন। যার নাম দেওয়া হয়েছে মেধাশ্রী ( Medhashree) । যদিও কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে ওবিসি পড়ুয়াদের জন্য বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু তা বন্ধ করার ফলে এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের।

    কারা পাবেন মেধাশ্রী ?

    রাজ্যের ওবিসি ( OBC) ক্যাটাগরীর ভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীরা পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত এই বৃত্তি পাবেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী , প্রতিবছর আনুমানিক ২ লক্ষ ৬৩ হাজার পড়ুয়া এই প্রাক প্রাথমিক বৃত্তি পেতে চলেছেন ।

    কত টাকা বৃত্তি মিলবে ?

    আলিপুরদুয়ারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন যে, মেধাশ্রী প্রকল্পে ওবিসি ক্যাটাগরির পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা প্রত্যেক বছর ৮০০ টাকা করে বৃত্তি পাবেন।

    ওবিসির জন্য কত শতাংশ সংরক্ষণ রয়েছে রাজ্যে ?

    সেদিনের সভামঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বাংলায় ওবিসি ক্যাটাগরীর জন্য সংরক্ষণ রয়েছে ১৭ শতাংশ। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পরে এই সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে জেনারেল কাস্টদের কোটা নিয়ে ওবিসির জন্য সংরক্ষণ করা হয়নি। তাদের জন্য আলাদা প্রজেক্ট ছিল এবং আগাগোড়াই তাঁরা কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে স্কলারশিপ পেত । এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে কেন্দ্র সরকার সেই বৃত্তি দেওয়া বন্ধ করার ফলে দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে রাজ্য।

    রাজ্যের শিক্ষামূলক অন্যান্য প্রকল্প

    ইতিমধ্যেই রাজ্যের কন্যা সন্তানদের শিক্ষা ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ জুগিয়েছে কন্যাশ্রী প্রকল্প। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যে সকল পড়ুয়ারা রয়েছেন তাদের জন্য রাজ্যের তরফ থেকে দেওয়া হয় ঐক্যশ্রী বৃত্তি। এছাড়াও তপশিলি তালিকাভুক্ত পড়ুয়াদের জন্য রয়েছে শিক্ষাশ্রী । এবার পড়ুয়াদের সুবিধার জন্য আরও একটি প্রকল্প যুক্ত হতে চলেছে এই তালিকায় । এছাড়াও রাজ্য সরকারের মস্তিষ্কপ্রসূত আরও একাধিক প্রকল্প রয়েছে যার সুবিধা ভোগ করছেন রাজ্যবাসী।

  • Birbhum: মাত্র ২ টাকার বাজার, পাওয়া যাবে জামা কাপড়! কেনাকাটা করে খুশি গ্রামবাসীরা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Birbhum: বর্তমান বাজারে ২ টাকায় লজেন্স ছাড়া আর কিছু কি হয়? এই ২ টাকাতেই অনেক কিছু হয়। কেনা যায় একরাশ স্বপ্ন। ২ টাকাতেই পাওয়া যায় একঝুড়ি খুশি! ভাবছেন এমনটা আবার হয় নাকি! ক্যারাটে মাস্টার বুদ্ধিশ্বর মন্ডল, তিনি খুলেছেন মাত্র ২ টাকার বাজার। এক্কেবারে হোলসেল । যেখানে মাত্র ২ টাকা দিয়েই কেনা যাবে মন পছন্দের জামা কাপড়।

    বিশাল বড় ফাঁকা মাঠ। সেখানে লম্বা করে বাঁশের উপর ঝোলানো রয়েছে প্রচুর জামা কাপড়। হোলসেল বাজারে মাত্র ২ টাকা দিয়েই নিজের পছন্দের মত জামাকাপড় কেনা যায়। শুধু শিশুরা নয়, বড়দের জন্যও সমস্ত রকম জামা কাপড় রয়েছে। জামা, প্যান্ট, শাড়ি, শিশুদের ফ্রক, এমনকি পুঁচকের জামাও এখানে পাওয়া যায়। এই ২ টাকার বাজার রয়েছে বীরভূমে(Birbhum)। এই বাজারের মূল উদ্যোক্তা ক্যারাটে মাস্টার বুদ্ধিশ্বর মন্ডল, যিনি নিজেও একদিন দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে বড় হয়েছিলেন। তিনি জানেন জামা কাপড়ের কষ্ট ঠিক কতটা।

    দুর্গাপুজোর সময় বুদ্ধিশ্বর মন্ডল ফেসবুকে অ্যাড দিয়ে শিশু এবং মায়েদের জন্য নতুন জামা কাপড়ের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু বছরের বাকি দিনগুলিতে কি হবে? তাই তিনি মাঠের মাঝখানে বসান ২ টাকার পুরনো জামা কাপড়ের বাজার। বোলপুর, সিউড়ি, লাভপুর প্রভৃতি জায়গায় তিনি যেখানে ক্যারাটে শেখান, সেখানে স্টুডেন্টদের গার্জেনদের কাছ থেকে এই পুরনো জামা কাপড় সংগ্রহ করেছেন। তারপর বোলপুরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দরিদ্রদের শনাক্ত করেন। যেখানে সর্বোচ্চ মানুষ গরিব সেখানে তিনি এই ২ টাকার বাজার বসান। মাত্র ২ টাকার বিনিময়ে মন খুলে কেনা কাটা করে শিশু থেকে বয়স্করা।

    প্রশ্ন হল, পুরোনো জামা কাপড়ের জন্য দু টাকা কেন? ইচ্ছা করলে তো ফ্রিতেই দেওয়া যেত? আসলে বুদ্ধিশ্বর মন্ডল মনে করেন, যারা জামা কাপড় নিচ্ছেন তারা যাতে না ভাবেন যে তাদেরকে দান করা হচ্ছে। ২ টাকা দিয়ে তারা জিনিস কিনে এক বুক গর্ব নিয়ে বাড়ি ফিরবেন। তারাও ভাববেন যে তারা কেনাকাটা করে বাড়ি ফিরছেন। এর মধ্যে রয়েছে আলাদা এক খুশির অনুভূতি। বীরভূমের বহু পরিবারের ঠিকমত সংসার চলে না। যেদিন কাজ হয় না, সেদিন সংসারে হাঁড়িও চড়ে না। সেই মানুষদের কাছে নতুন জামা কাপড় অনেকটা বিলাসিতা। এই দরিদ্র মানুষদের যাতে জামা কাপড়ের কষ্ট না হয় সেই দায়িত্ব নিয়েছেন বুদ্ধিশ্বর মন্ডল। খোলা মাঠে খুলেছেন ২ টাকার হোলসেল বাজার। বহু শিশু এই বাজারে জামাকাপড় কিনে সাইকেলে করে কিংবা মাথায় করে পুঁটলি বেঁধে জামা কাপড় নিয়ে যায়। এই পুরনো জামা কাপড়েই রয়েছে তাদের একরাশ খুশি। তাদের হাসি খুশি মুখ দেখেই বোঝা যাবে তারা এই বাজারে কেনাকাটা করতে পেরে ঠিক কতটা আনন্দিত।

    বুদ্ধিশ্বর মন্ডলের ছোটো বেলা কেটেছে দারিদ্রতার মধ্য দিয়ে। ছোটবেলায় তার বাবা-মা অন্যের বাড়ি থেকে পুরনো জামাকাপড় এনে পরতে দিতেন। দিন কেটেছিল ভীষণ অভাবের মধ্য দিয়ে। সেই দিনগুলি তিনি এখনো ভুলতে পারেন না। আজ বাবা-মায়ের আশীর্বাদে তিনি দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু ভোলেননি শৈশবকে। তিনি শৈশবে যে কষ্ট পেয়েছেন সেই কষ্ট যেন অন্য কোন শিশুকে পেতে না হয়, তাই সাহেবডাঙ্গা নীলডাঙ্গা গ্রামে আদিবাসীদের মাঝে বসান পুরনো জামা কাপড়ের বাজার। এখানে যারা জামা কাপড় কেনেন তাদেরকে ফ্রিতে দেন ডিটারজেন্ট, যাতে জামা কাপড় পরিষ্কার রাখতে পারে।

     

     

  • Mamata Banerjee : প্রয়াণ দিবসে জ্যোতি বসুকে শ্রদ্ধার্ঘ্য, সৌজন্য বজায় রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    ।। প্রথম কলকাতা।।

    Mamata Banerjee : রাজনীতির মাঠে দুজনে একেবারেই ভিন্ন মতাদর্শের মানুষ। তাদের দল ভিন্ন , কাজ করার পদ্ধতি ভিন্ন। বাংলার রাজনীতিতে তাঁরা ছিলেন প্রতিপক্ষ। কিন্তু তারপরেও সৌজন্য বজায় রাখতে কোনরকম ত্রুটি রাখা হয়নি। আগেও সৌজন্য ছিল এবং আজও তা রয়েছে । সেটা ফের প্রমাণ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৭ জানুয়ারি প্রয়াত বাংলার প্রাক্তন বামফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুকে ( Jyoti Basu) শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন বাংলার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee)।

    এক সময় যুব কংগ্রেসের নেতৃত্বে জ্যোতি বসুর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে রাজনীতির মাঠে বৃহত্তর আন্দোলন করতে দেখা গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বাংলার মসনদে বসলেন তখন স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রিত্ব থেকে সরে গিয়েছেন জ্যোতি বাবু। তবে তাঁর শেষ বয়সে মুখ্যমন্ত্রী বার কয়েক তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন । বিধানসভায় প্রতিবছরই অন্যান্য বিশিষ্টজনদের মতো জ্যোতিবাবুর জন্মদিনও পালন করা হয়। আর মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর নিজস্ব পেজ থেকে প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন জ্যোতি বাবুকে।

    ১৯১৪ সালে পরাধীন ভারতের ৬ জুলাই জন্মগ্রহণ করেছিলেন জ্যোতি বসু । তিনি টানা ২৩ বছর অর্থাৎ ১৯৭৭ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন । ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ( Former CM) জ্যোতি বসু । এই দিনটিতে যখন তাঁর অনুগামীরা তাকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাচ্ছেন সেই তালিকায় নাম জুড়লেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে বাংলায় সরকার গঠনের মাধ্যমে মাথা উঁচু করে মহাকরণে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। তবে আগাগোড়াই তাকে সৌজন্য বজায় রাখতে দেখা গিয়েছে। বিরোধীদলের বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের অসুস্থতার খবর পেয়েও তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । এমনকি করোনাকালীন পরিস্থিতিতে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের করোনা পজেটিভ হওয়ার খবর শুনে তাঁর খোঁজখবর নিয়েছিলেন।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather Update: আরও নামল পারদ, কনকনে ঠান্ডায় এই পাঁচ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

    ।।প্রথম কলকাতা।।

    Weather update: মাঘ মাসের শুরুতেই কলকাতা সহ বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছুটা নামল তাপমাত্রার পারদ। সকালে কুয়াশায় (Fog) ঢাকছে আকাশ। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় আবার আকাশ মেঘলা থাকছে। অপরদিকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কুয়াশার দাপট থাকবে।

    সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার ন্যূনতম তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও জাকিয়ে ঠান্ডা উধাও। আপাতত তা ফিরবে কিনা তা নিয়ে সন্ধিহান আবহাওয়াবিদরা। ১৯শে জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা পূর্ব মেদিনীপুর পশ্চিম মেদিনীপুরে খুব হালকা বৃষ্টির(Rain) সম্ভাবনা রয়েছে। আপাতত গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না। সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ কলকাতায় থাকতে পারে ২৪ ও১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর আশে পাশে।

    আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দার্জিলিং কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি জেলাগুলির আবহাওয়া শুকনো থাকবে। হিমালয় সংলগ্ন জেলাগুলিতে কুয়াশার দাপট থাকবে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি কমতে পারে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version