Tag: west bengal

  • Market Price: আবহাওয়া বদলে মাথায় হাত চাষিদের, দাম বাড়বে সবজির! রইল দরদাম

    Market Price: আবহাওয়া বদলে মাথায় হাত চাষিদের, দাম বাড়বে সবজির! রইল দরদাম

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Market Price: আবহাওয়ার বিশাল পট পরিবর্তন, যার প্রভাব পড়বে কাঁচা সবজির দরে (Vegetable Price)। কৃষকরা (Farmers) ইতিমধ্যেই প্রমাদ গুনছেন। চারিদিকে কুয়াশা। আর কুয়াশা মানেই কপি ক্ষেতের চরম ক্ষতি। বিশেষ করে ফুলকপি (Cauliflower) নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এক সপ্তাহ যদি টানা এইভাবে কুয়াশা ঘেরা আবহাওয়া থাকে তাহলে ক্ষতির মুখে পড়বেন কৃষকরা। এমনি থেকেই তাদেরকে জলের দরে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে। সেভাবে মুনাফা পাচ্ছেন না। তার উপর যদি আবহাওয়া খারাপ থাকে তাহলে লোকসানের বোঝা বাড়তেই থাকবে। কলকাতা (Kolkata) এবং তার আশেপাশের এলাকা গুলিতে মোটামুটি এখন সবজির দাম কেজি প্রতি ৩০ টাকার কাছে ঘোরাঘুরি করছে। গ্রামাঞ্চলের দিকে আপনি ৫০ টাকাতেও বেশ কয়েকটি সবজি পেয়ে যাবেন। তবে খুচরো বাজার আর পাইকারি বাজারের দামের মধ্যে বিস্তার পার্থক্য। অঞ্চল ভেদেও দামের পার্থক্য রয়েছে। টমেটো এখন নেমে এসেছে কিলো প্রতি ১০ টাকা কেজিতে। একটু দাম বেশি সবজির তালিকায় রয়েছে বিন, করলা, বেগুন, গাজর প্রভৃতি। এক নজরে দেখে নিন সবজির দরদাম।

    কুমড়ো – ২০ থেকে ২৫ টাকা
    কাঁচা লঙ্কা – ৬০ থেকে ৭০ টাকা
    বাঁধাকপি- ৫ থেকে ১০ টাকা পিস
    শশা – ৩৫ থেকে ৪০ টাকা
    গাজর- ১৫ থেকে ২৫ টাকা
    বিন কড়াই- ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা
    টমেটো- ১৫ থেকে ২৫ টাকা কেজি
    ধনেপাতা – ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ( বান্ডিল ২ থেকে ৪ টাকা )
    করোলা – ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা
    মুলো- ৩ থেকে ৫ টাকা পিস
    পিয়াঁজকলি – ২৫ থেকে ৩৫ টাকা
    বেগুন- ২৫ থেকে ৩০ টাকা
    ফুলকপি – ১০ থেকে ১৫ টাকা পিস
    বিট – ১৫ থেকে ২৫ টাকা
    সিম – ২৫ থেকে ৩৫ টাকা
    মটরশুঁটি- ৪৫ থেকে ৬০ টাকা
    নতুন আলু- ১২ থেকে ১৩ টাকা
    পুরনো আলু- ১২ থেকে ১৪ টাকা
    চন্দ্রমুখি আলু – ১৭ থেকে ২০ টাকা
    পিঁয়াজ – ৩০ থেকে ৪৫ টাকা
    আদা- ৬০ থেকে ৭০ টাকা
    রসুন – ৮০ থেকে ৯০ টাকা
    ক্যাপসিকাম – ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা
    কচু – ২৫ থেকে ৩০ টাকা
    কাঁচকলা – ৩ থেকে ৫ টাকা পিস
    ওলকপি – ৩ থেকে ৫ টাকা পিস
    ( খুচরো বাজারে দাম প্রতি কেজি অনুসারে )
    ***অঞ্চল ভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • DA Case: সুপ্রিম কোর্টে বেঞ্চ বদল ডিএ মামলার, শুনানি আগামী সোমবার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    DA Case: রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী বর্তমানে ডিএ মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন। এই মতো পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) নতুন বেঞ্চে বদল করা হল ডিএ মামলা (DA Case)। জানা গিয়েছে এবার মামলাটির শুনানি চলবে, বিচারপতির দিনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতির হৃষিকেশ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিন অর্থাৎ ১৬ জানুয়ারি সোমবার এই মামলার শুনানি হবে দুই বিচারপতির বেঞ্চে।

    সুপ্রিম কোর্টের ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালে। কিন্তু ডিসেম্বর মাসের সেই শুনানি পিছিয়ে যায়। কারণ বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এই মামলায় রায় দান করবেন না, এমনটাই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। যার কারণে ডিসেম্বর থেকে মামলাটি পিছিয়ে আসে জানুয়ারিতে। আর এবার জানুয়ারি ১৬ তারিখে অবশেষে নতুন বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে এমনটাই জানানো হয়েছে। যদিও বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের আগে দিয়ে মামলায় বিচারপতি হৃষিকেশ রায়ের সঙ্গে ডিভিশন বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি মাহেশ্বরীই।

    সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলাটি ২০২২ সালের ৫ ডিসেম্বর শুনানির জন্য উঠেছিল। কিন্তু তাকে পিছিয়ে ১৪ ডিসেম্বর করে দেওয়া হয়। ডিএ মামলার শুনানির জন্য নতুন করে বেঞ্চ গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর সেই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতির হৃষিকেশ রায়। তবে দীপঙ্কর দত্ত জানান, তিনি পশ্চিমবঙ্গের ডিএ মামলা নিয়ে কোনো রকম রায় দান করবেন না। এই কারণে শুনানিতে কিছুটা বিলম্ব হয়। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata Highcourt) তরফ থেকে রাজ্যকে গত বছরের মে মাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে সরকারি কর্মচারীদের ৩১ শতাংশ হারে ডিএ দিতে হবে। কিন্তু রাজ্য সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Covid Update: গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত ৫, সংক্রমনের হার নিম্নমুখী রাজ্যে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Covid Update: ২০২৩-এ বিশ্ববাসী পদার্পণ করার আগেই ২০২২ এর শেষে পুনরায় চীনে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট (Corona New Variant)। তার দাপটে চীনে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকে বলে জানা যায়। এই বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে যখন চীনের অতি সংক্রামক করোনা ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭ (BF. 7) আক্রান্ত এক ব্যক্তির হদিশ পাওয়া যায় পশ্চিমবঙ্গে। তবে বর্তমানে রাজ্যের কোভিড গ্রাফ (Covid Graph) অনেকটাই নিম্নমুখী। সংক্রমণ তলানিতে বলাই যায়।

    ওয়েস্ট বেঙ্গল কোভিড-১৯ হেলথ বুলেটিন অনুযায়ী, ২০২৩ এর ১১ তারিখ অর্থাৎ গতকাল নতুনভাবে রাজ্যে (West Bengal) করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র পাঁচজন। সেই দিনই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচজন রোগী। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় কোন ব্যক্তির মৃত্যু হয়নি। গত কালকের পজিটিভিটি রেট ছিল মাত্র ০.১৯% । হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ৪৭ জন রোগী। শুধুমাত্র গতকাল কোভিড টিকাকরণ হয়েছে ৪৭৮ জনের। এই রাজ্যের কোভিড রিকোভারি রেট বর্তমানে ৯৮.৯৮%।

    গত বছরের একেবারে শেষ লগ্নে যেভাবে চীনে (China) লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছিল করোনা সংক্রমণের সংখ্যা, সেই তুলনায় রাজ্যের আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কম। কিন্তু তারপরেও রাজ্য আগাম সর্তকতা অবলম্বন করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি রাজ্যে করোনা নিয়ে বৈঠক হয়। জেলায় জেলায় মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, জেলা শাসক এবং মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। রাজ্য সরকার প্রায় সপ্তাহ দুয়েক আগে ৫ দফা গাইডলাইনও চালু করেছিল।

    গাইডলাইনে নির্দেশ দেওয়া হয় প্রত্যেকটি হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নত করতে হবে। বিশেষ করে যে হাসপাতাল গুলিতে কোভিড ইউনিট তৈরি করা হয়েছে সেগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে বেডের বন্দোবস্ত করতে হবে। যারা শ্বাসকষ্টে ভুগবেন সেই সমস্ত করোনা রোগীদেরকে ভর্তি নেওয়া হবে। বাকিদের জন্য প্রাথমিকভাবে থাকবে হোম আইসোলেশন। প্রতিটি নমুনা জিনোম সিকুয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠাতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে Rapid অ্যান্টিজেন কিট মজুত রাখতে হবে। আরটিপিসিআর টেস্টের বন্দোবস্ত করতে হবে। এছাড়াও টিকাকরণে জোর দিয়েছিল রাজ্য।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Howrah Medical Jobs: রাজ্যে একাধিক শূন্যপদে নার্স নিয়োগ, আবেদন শুরু হচ্ছে আজ থেকে

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Howrah Medical Jobs: হাওড়াবাসীর জন্য সুখবর। জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন এবং এক্সভি ফিন্যান্স কমিশনের আওতায় হাওড়া জেলায় চুক্তিভিত্তিক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে। এই কর্মী নিয়োগ করবে ডিস্ট্রিক্ট লেভেল সিলেকশন কমিটি। হাওড়ায় একাধিক শূন্যপদ তৈরি হয়েছে। এই নিয়োগ হবে হাওড়ার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সমিতিতে। আজ থেকেই শুরু হচ্ছে আবেদন প্রক্রিয়া। আগ্রহী আবেদনকারীরা এই পদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা, বেতন, শূন্য পদের সংখ্যা এবং কোন কোন পদে নিয়োগ করা হবে তা জেনে নিয়ে দ্রুত আবেদন করুন।

    পদ: হাওড়ার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সমিতির স্টাফ নার্স, কমিউনিটি হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ও সাইকিয়াট্রিক নার্স পদে নিয়োগ করা হবে।

    শূন্য পদ: ১৪৩

    বয়স সীমা: ন্যূনতম ২১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৬২ বছর পর্যন্ত। তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এসসি, এসটি এবং ওবিসি শ্রেণিভুক্ত আবেদনকারীকে কিছু ছাড় দেওয়া হবে বয়সের ক্ষেত্রে।

    নিয়োগ পদ্ধতি: আবেদনকারী চাকরিপ্রার্থীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হবে। আর তারপর শর্ট লিস্ট করা প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন, লিখিত পরীক্ষা , কম্পিউটার পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হবে।

    আবেদন পদ্ধতি: হাওড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সমিতির স্টাফ নার্স, কমিউনিটি হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং সাইকিয়াট্রিক নার্স এর পদে নিয়োগের জন্য সম্পূর্ণ অনলাইন মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। কোনোভাবে অফলাইনে আবেদন কিংবা চিঠি করা যাবে না। নিয়োগ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে অবশ্যই ভিজিট করুন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.healthyhowrah.org । সরকারি সংস্থায় কর্মরতরাও এই পদগুলির জন্য আবেদন করতে পারেন। তবে সাক্ষাৎকারের সময় তাদেরকে এনওসি দিতে হবে। উল্লেখিত পদগুলিতে যারা আবেদন করবেন তাদেরকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

    আবেদন শুরু এবং শেষের তারিখ: অনলাইনে আবেদন শুরু হচ্ছে ১১-০১-২০২৩ থেকে এবং এই আবেদনের শেষ তারিখ হল ২৫-০১-২০২৩।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Measles and Rubella Vaccine: কলকাতা থেকে শহর, স্কুলগুলিতে শুরু হল হাম ও রুবেলার টিকাকরণ

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Measles and Rubella Vaccine: প্রতিবছর শীত পড়তে না পড়তেই হাম হতে দেখা যায়। এই সময় এটি আরও বেশি সংক্রমণ বাড়াতে থাকে। বর্তমানে যেহেতু করোনার প্রকোপ রয়েছে তাই কোন রকম রিস্ক নিতে চাইছে না রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন। জানুয়ারির ৯ তারিখ অর্থাৎ সোমবার থেকেই হাম ও রুবেলার (Measles and Rubella) টিকাকরণের ওপর জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। আজ থেকে শহর কলকাতা এবং বিভিন্ন জেলার স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

    জানা গিয়েছে, ৯ জানুয়ারি থেকে এই টিকাকরণ প্রক্রিয়া (Vaccination) শুরু হয়েছে। সেটি চলবে আগামী মাসের ১১ তারিখ পর্যন্ত। সদ্যোজাত থেকে শুরু করে ১৫ বছর বয়সী পড়ুয়ারা এই টিকা নিতে পারবে। যাতে খুব সহজে বাচ্চাদের টিকাকরণ নিশ্চিত করা যায় তার জন্য স্কুল গুলিতে এই টিকাকরণ শুরু হয়েছে। এছাড়াও কোন বাচ্চাই যাতে টিকাকরণ থেকে বাদ না পড়ে যায়, এমনই কড়া নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন। স্কুলগুলিকে (School) হাম ও রুবেলা নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাতে বলা হয়েছে। এছাড়াও হাম এবং রুবেলা টিকাকরণ কেন বাচ্চাদের জন্য জরুরি, এই সংক্রান্ত প্রচার করবেন আশাকর্মী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

    হাম ও রুবেলার অন্যতম উপসর্গগুলি (Symptoms) হল প্রথম পর্যায়ে জ্বর সর্দি কাশি হাঁচি এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা। তারপর ধীরে ধীরে শরীর জুড়ে লালচে র‍্যাশ বেরোতে শুরু করে। এছাড়াও অনেকের ক্ষেত্রে এই র‍্যাশ বড় আকার ধারণ করে। চোখ লাল হয়ে যায়। চোখের পাতা ফুলে যায় এবং চোখ থেকে অনবরত জল পড়তে থাকে। গলা বসে যায়, মুখের ভেতরেও দানা দানা দেখতে পাওয়া যায়। দুই তিন দিন মত এই উপসর্গগুলি থাকে শিশুদের শরীরে। তাই এই বছরের শীতে হাম এবং রুবেলার বাড়াবাড়ির আগেই টিকাকরণ সেরে নিতে চাইছে স্বাস্থ্য ভবন।

    একইসঙ্গে বিশেষজ্ঞদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বাচ্চাদের জন্য হাম ও রুবেলার টিকা একেবারেই নিরাপদ। সম্প্রতি বিহার, গুজরাট, ঝাড়খন্ড, মহারাষ্ট্র, কেরল এই সমস্ত জায়গায় হাম দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক শিশুদের হাম ও রুবেলা টিকাকরণে একটি বাড়তি ডোজ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সাধারণত হাম ও রুবেলা টিকার প্রথম ডোজ শিশুরা নিয়ে থাকে ৯ থেকে ১২ মাস বয়সে। দ্বিতীয়টি নেয় ১৬ থেকে ২৪ মাস বয়সে। এবার আরও একটি ডোজ নিয়ে বিচার বিবেচনার কথা বলা হয়েছে রাজ্যগুলিকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mamata Banerjee : ‘ রাজ্যের GDP বৃদ্ধি পেয়েছে ৪ গুণ’, কলকাতার G-20 সামিটে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mamata Banerjee : শহর কলকাতায় সোমবার থেকেই শুরু হল জি-২০ সম্মেলন (G20 Summit)। সপ্তাহের প্রথম দিনের বেলা বারোটা নাগাদ বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে এই সামিটের সূচনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যেহেতু চলতি বছরে জি-২০ সম্মেলন এ প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব ভারতের এবং প্রথম বৈঠক কলকাতায় (Kolkata) অনুষ্ঠিত হয়েছে তাই বাংলার সংস্কৃতিকে তুলে ধরার সব রকম চেষ্টা করা হবে তা জানানোই হয়েছিল। ঠিক সেই মতোই এই দিনের বৈঠকের উদ্বোধনে রাজ্যের একাধিক উন্নয়নের দিকগুলি তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকের সূচনায় বলেন, “রাজ্যে বেড়েছে কর্মসংস্থান এবং কমেছে দারিদ্রতা। ১২ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে এই রাজ্যে। একই সঙ্গে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলকেই পশ্চিমবঙ্গে স্কলারশিপ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। করোনাকালীন সময়ে এই রাজ্যের জিডিপি (GDP) বেড়েছে চার গুণ। কেন্দ্রের তরফ থেকে পুরস্কৃত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দুয়ারে সরকার”। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্পের প্রশংসাও করেন। তাঁর কথায় ‘ বাংলার MSME সেক্টর সারাদেশের মধ্যে প্রথম’।

    রাজ্যে যেভাবে সেলফ হেল্প গ্রুপ গুলি কাজ করছে এবং তার দ্বারা রাজ্যের মহিলারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছেন। সেই বিষয়টিও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য রাজ্যের তরফ থেকে যথেষ্ট সাহায্য করা হয়েছে । পশ্চিমবঙ্গে খাদ্য, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা সব ক্ষেত্রেই জনসাধারণের সুবিধার কথা মাথায় রেখে প্রায় বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে, এমনটাই জানান তিনি। সোমবার থেকে কলকাতায় যে জি-২০ সম্মেলন শুরু হয়েছে। সেটি আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হতে চলেছে ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সিস্টেম।

    আজকের বৈঠক বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে হলেও ১০ এবং ১১ তারিখ জি২০ বৈঠকের আসর বসতে চলেছে জে ডাবলিউ ম্যারিয়ট হোটেলে। রবিবার থেকেই দেশ-বিদেশের অতিথিদের আগমন শুরু হয়ে গিয়েছিল কলকাতায় । তাদের জন্য এদিন বৈঠক শেষে গঙ্গা বক্ষে বিশেষ নৈশ ভোজের আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে । এছাড়াও গঙ্গা ভ্রমণের সময় নদীর দু’ধারের ইতিহাস তাদের সামনে তুলে ধরা হবে বলেও জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শুরু করে এপ্রিল এবং জুলাই মাসে আবারও কলকাতা ও শিলিগুড়িতে একাধিক ওয়ার্কিং গ্রুপ এবং মিনিস্ট্রিয়াল বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Weather update: সকাল থেকেই উত্তরে হওয়ার দাপট, শীতের আমেজ কতদিন?

    ।।প্রথম কলকাতা।।

    Weather update: সর্বনিম্ন তাপমাত্রা খানিকটা বাড়লেও শীত চলছে বঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ফের পারদ পতন হবে বাংলায়। ফলে চলতি সপ্তাহেই আরও এক ঝোড়ো ইনিংস চলবে বঙ্গে। কলকাতার পাশাপাশি জেলায় জেলায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলেও শীতের আমেজ ভরপুর বজায় রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে শৈত‍্য প্রবাহের পরিস্থিতি। উত্তরবঙ্গে চলছে শীত(Winter)। ঘন কুয়াশায়(Fog) ঢেকে গিয়েছে পার্বত্য জেলাগুলি। উত্তরবঙ্গের মালদা উত্তর দিনাজপুর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় শীতল দিনের পরিস্থিতি।

    সামান্য বাড়ল সোমবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার থেকে ফের একবার পারদ পতন হবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে আগামী ২৪ ঘণ্টা আকাশ মূলত পুরস্কার থাকবে। বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা বাড়লেও বজায় থাকবে শীতের আমেজ। সকাল থেকেই দাপট থাকবে উত্তরে হওয়ার।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • CHO Recruitment : রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে চলছে CHO নিয়োগ, আজই করে ফেলুন আবেদন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    CHO Recruitment : নতুন বছরে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে শূন্য পদ তৈরি হয়েছে। কমিউনিটি হেলথ অফিসার পদে গত ৩ জানুয়ারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেই পদে কমিউনিটি হেলথ অফিসার নিয়োগের কথা জানানো হয়। এখনও পর্যন্ত সেই আবেদন প্রক্রিয়া চলছে। আবেদনে ইচ্ছুক চাকরিপ্রার্থীরা শূন্য পদগুলির জন্য আবেদন জানাতে পারেন। তবে তার আগে অবশ্যই জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা, বয়স, আবেদন পদ্ধতি, বেতন , আবেদন মূল্য সহ আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

    পদ : কমিউনিটি হেলথ অফিসার

    শূন্য পদ : ১১০০ টি

    বেতন : প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। এছাড়াও থাকবে ৫ হাজার টাকা ইনসেন্টিভ

    শিক্ষাগত যোগ্যতা :

    • আবেদনকারী চাকরিপ্রার্থীকে রাজ্য বা কেন্দ্রের যে কোন স্বীকৃতি প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে জিএনএম অথবা বিএসসি নার্সিং অথবা পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিং কোর্স করতে হবে । একই সঙ্গে থাকতে হবে পশ্চিমবঙ্গ নার্সিং কাউন্সিল থেকে নিবন্ধন শংসাপত্র।
    • যারা আবেদন করবেন তাদেরকে বাংলা লিখতে এবং পড়তে জানতে হবে । একইসঙ্গে কম্পিউটারে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা চাই।

    বয়স সীমা : সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়সী আবেদনকারী আবেদন জানাতে পারেন এই চাকরির জন্য। তাদের বয়স হিসাব করা ১ এক জানুয়ারি ২০২৩ অনুযায়ী

    নিয়োগ পদ্ধতি : লিখিত পরীক্ষা এবং ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে উপযুক্ত চাকরিপ্রার্থীদেরকে বাছাই করা হবে।

    আবেদন ফি : যারা এসসি, এসটি কিংবা পি ডব্লিউ ডি শ্রেণিভুক্ত তাদেরকে ৫০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে । আর জেনারেল প্রার্থীদের জন্য ১০০ টাকা আবেদন ফি ।

    আবেদনের শেষ তারিখ : ৯ জানুয়ারি ২০২৩

    আবেদন পদ্ধতি :

    • আগ্রহী আবেদনকারীকে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.wbhealth.gov.in এ যেতে হবে।
    • রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর পাওয়া যাবে একটি লগইন আইডি পাসওয়ার্ড।
    • তা দিয়ে লগইন করার পর নিজের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য দিয়ে আবেদন পত্রটি পূরণ করতে হবে।
    • অনলাইন মাধ্যমে কাস্ট অনুযায়ী আবেদন ফি জমা দিয়ে সাবমিট করে দিতে হবে আবেদন পত্রটি।

    বিস্তারিত জানতে অবশ্যই ভিজিট করুন রাজ্যস্বাস্থ্য দফতরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Mid Day Meal: সরকারি স্কুলের মিড ডে মিলে এবার মুরগির মাংস! বড় ঘোষণা রাজ্যের

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Mid Day Meal: শিশুদের পুষ্টির সঙ্গে যাতে কোনরকম আপোস না করা হয় তার জন্য বহু বছর ধরে স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল (Mid Day Meal) ব্যবস্থার প্রচলন রয়েছে। প্রথমে শুধুমাত্র প্রাথমিক স্কুলগুলিতে এই ব্যবস্থা থাকলেও পরবর্তীতে উচ্চ বিদ্যালয় গুলিতে করা হয়। তবে এবার নতুন বছরে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এবার সরকারি স্কুলে মিড ডে মিল মেনুতে থাকবে মাংস (Chicken)। এছাড়াও সপ্তাহে তিন দিন দেওয়া হবে ডিম (Egg) । বাড়তি পাওয়ানা হিসেবে মরশুমের ফল (Seasonal Fruit)।

    ‘এই সময়’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এর জন্য রাজ্য এখনও পর্যন্ত বরাদ্দ করেছে প্রায় ৩৭১ কোটি টাকা। প্রত্যেক পড়ুয়া পিছু কুড়ি টাকা বরাদ্দ বেড়েছে । ইতিমধ্যেই জেলাশাসককে রাজ্যের তরফ থেকে একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে আগামী এপ্রিল পর্যন্ত এই নতুন মেনু অনুযায়ী সরকারি স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল চলবে। এমনটাই সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে বর্তমানে প্রায় এক কোটি পড়ুয়ার জন্য এই মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    সম্প্রতি সরকারি স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল নিয়ে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছিল। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এটি মনিটরিং দল (Monitoring Team) গঠন করা হয়। এই পরিস্থিতিতে এবার মিড ডে মিল নিয়ে আরও বেশি যত্নবান হয়েছে রাজ্য। বলে রাখা ভালো মিড ডে মিল প্রকল্পে কেন্দ্রের তরফ থেকে ষাট শতাংশ দেওয়া হয়। বাকি ৪০ শতাংশ দেয় রাজ্য সরকার। তবে কিছুদিন আগেও স্কুলগুলিতে নিম্নমানের খাবার মিড ডে মিলে দেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠে এসেছিল পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকদের কাছ থেকে। নতুন বছরে রাজ্য সরকার এবার মিড ডে মিল নিয়ে যে চিন্তা ভাবনা করেছে তার বাস্তব রূপায়ণ হলে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পুষ্টির অভাব অনেকটাই মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Duare Sarkar : দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে ব্যাপক সারা, জমা পড়ল প্রায় ১কোটি আবেদন

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Duare Sarkar: রাজ্যজুড়ে পঞ্চম দফায় দুয়ারে সরকার শিবির শেষ হয় বছরের শেষ দিনে। নভেম্বর মাস থেকে শুরু হয়ে এক মাসের শিবির হওয়ার কথা থাকলেও মানুষের চাহিদায় তা বাড়াতে হয় গোটা ডিসেম্বর (December) মাস পর্যন্ত।

    বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী এই পঞ্চম দফায় গোটা রাজ্যে ৮২ হাজার ৩৪৫টি ক্যাম্প চালানো হয়েছিল। তার মধ্যে ৩৪.৫ শতাংশ ২৮,৩৮১ টি মোবাইল ক্যাম্প ছিল। এই মোবাইল ক্যাম্পের মাধ্যমে ১৪ লাখ ৯৫ হাজার রাজ‍্যবাসী নিজেদের সমস্যা নিয়ে এসেছেন। সব মিলিয়ে ৯৭ লাখ রাজ্যবাসীর সমস্যা নথিভুক্ত হয়েছে এই ক্যাম্পগুলির মাধ্যমে।

    আবার অন্যদিকে ‘আনন্দ বাজার’এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে দুয়ারে সরকার শিবির গুলিতে প্রায় এক কোটির বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সব থেকে বেশি আবেদন জমা পরেছে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের জন্য। প্রায় ৩৫ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে।

    ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে দুয়ারী সরকার কর্মসূচি শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন এলাকার আয়োজিত এই কর্মসূচির শিবির গুলিতে সরকারি পরিষেবা এবং প্রকল্পের সুযোগ সুবিধার জন্য সাধারণ মানুষ আবেদন করেছিলেন। দ্বিতীয়বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নবান্নে ফিরতে সাহায্য করেছিল এই কর্মসূচি। এবার ছিল দুয়ারের সরকার শিবিরের পঞ্চম সংস্করণ। এবারে দুয়ারে সরকারে যে নতুন সুবিধা গুলি যুক্ত হয়ে করা হয়েছিল তার মধ্যে ছিল জমির পাট্টা সংক্রান্ত আবেদন। সেখানে এক লাখ কুড়ি হাজার আবেদন জমা পড়ে এই দুই মাসের মধ্যে। পাশাপাশি বিদ্যুতের মাশুলে ছাড় সংক্রান্ত আবেদন এসেছে দু লাখ পঁচিশ হাজার। বিদ্যুতের নতুন সংযোগের জন্য আবেদন এসেছে ১ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি।

    বছরের শেষে দুয়ারে সরকার (Duare sarkar) শিবিরেও ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেল। প্রায় এক কোটি আবেদন জমা পড়ল বিভিন্ন প্রকল্পে। ১ নভেম্বর থেকে ৩০ শে নভেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে দুয়ারে সরকার শিবির ঘোষণা হলেও পরবর্তীকালে বিশাল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের কথা মাথায় রেখে আরো একমাস সময় বাড়ানো হয়। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সম্ভবত পঞ্চায়েত ভোটের আগে এটাই ছিল শেষ দুয়ারে সরকার শিবির। তাতে যে ব্যাপক সাড়া মিলেছে তাতেই খুশি শাসক শিবির।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version