Tag: United States

  • Iran United States Conflict: যুক্তরাষ্ট্রের গা জোয়ারি, বিশ্বে পজিশন হারিয়েছে ইরান। সংঘাতের পরিণতি কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Iran United States Conflict: মার্কিন ইরান উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ইঁটের বদলে পাটকেল নীতি ইরানের। কখনও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটক করছে, তো কখনও ইরান এর পাল্টা দিচ্ছে। কীসের প্রতিশোধ নিচ্ছে ইরান? কেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতে নিষেধাজ্ঞা একটা বড় ফ্যাক্টর? এই দুই দেশের সংঘাতের পরিণতি ভবিষ্যতে কি হতে পারে? তাহলে কি আরও এক নতুন বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে চলেছে গোটা বিশ্ব?

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাত কিন্তু নতুন নয়। বহু পুরোনো। কিন্তু সেখান থেকে আজ এই বর্তমান পরিস্থিতি, কোথা থেকে জল কতদূর গড়িয়েছে, কিভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হলো? ১৯৫০ এর দশক থেকেই দেশ দুটোর সম্পর্কের টানপোড়েন চলছে। অশান্তির আগুন লাগিয়েছে সেই ‘তেল’। তারপর থেকে একের পর এক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সম্পর্ক তিক্ততর হয়েছে। আর এই সংঘাতে একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হলো “নিষেধাজ্ঞা”।

    একটু মনে করে দেখুন, সম্প্রতি যে তেলের ট্যাঙ্কার আটকের ঘটনা ঘটেছে, সেক্ষেত্রেও কিন্তু বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে ইরানের ওপর যেসব নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে তারই আওতায় একটা তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্যাস তারপরই শুরু। কি ঘটেছে তা হয়তো অনেকেরই জানা। কিন্তু আমরা জানাবো, নিষেধাজ্ঞা, সংকট আর তার পরিণতি। আসলে, ইরানকে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে পর্যুদস্ত করতে গত শতকের আশির দশকের গোড়া থেকে বিভিন্ন সময়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এসছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ১৯৭৯ সালের নভেম্বরে।

    •  ইরান থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়, ১২০০ কোটি ডলারের ইরানি সম্পদ আটক করে।
    • ১৯৮৪ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইরানকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের মদদদাতা বলে দাগিয়ে দিয়ে, দেশটার ওপর আরও কিছু নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে দেয়।
    • ১৯৯২ সালে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাস হয়, উল্লেখ করা হয় এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র সেই সব সামগ্রী ও প্রযুক্তি ইরাক বা ইরানের কাছে হস্তান্তরের বিরোধিতা করবে, যা দিয়ে তারা রাসায়নিক, জীবাণুবাহী, পারমাণবিক বা উন্নত মানের অন্য কোনো অস্ত্র তৈরি করতে পারে।
    • ১৯৯৬ সালে ইরানের পেট্রোলিয়াম শিল্পে বিনিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
    • এর ঠিক কয়েক মাস পর ইরান থেকে সব ধরনের পণ্য আমদানি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে সব ধরনের পণ্য ইরানে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়।
    • পরবর্তী সময়ে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
    • ২০০২ সালে ইরানের একটা বিরোধী দল দেশের পারমাণবিক কর্মসূচির গোপন বিষয়টা ফাঁস করে দেয়, পারমাণবিক স্থাপনায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার বিষয়টি প্রকাশ করে দেওয়া হয়।
    • এরপরই যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে, পারমাণবিক কর্মসূচির আড়ালে তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, মানে পারমাণবিক বোমা তৈরির ধান্দা আছে, যদিও ইরান তা অস্বীকার করে।
    • ২০০৭ সালে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ ও সাহায্য বন্ধ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে।

    পরে, সেই নিষেধাজ্ঞার খাঁড়া আরও চেপে বসতে থাকে। ইউরোপীয় দেশগুলো ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে দিল। একের পর এক নিষেধাজ্ঞার চাপে ইরানি মুদ্রার বাজার মূল্য দুই-তৃতীয়াংশ যায় কমে। তবে, ২০১৩ সালে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটে। ২০১৫ সালে ছয় দেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানি মিলে ইরানকে একটি চুক্তিতে নিয়ে আসে। এই চুক্তির অধীনে ইরান পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত রাখতে রাজি হয়। চুক্তি অনুযায়ী পারমাণবিক বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা ইরানের ওপর থেকে তুলে নেওয়া হয়! কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব থেকেই যায়। আর, তাই ইরান মাত্রাতিরিক্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে এই অজুহাতে ২০১৮ সালের মে মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে সরে আসেন! এরপর থেকেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ফের সাপে নেউলে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

    এককথায়, যুক্তরাষ্ট্রের সূত্র ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান যে পজিশন ডিজার্ভ করে সেখানে কিন্তু নেই। বিশ্বে তেলের মজুতে চতুর্থ বৃহত্তম দেশ ইরান, কাজেই নিষেধাজ্ঞা না থাকলে তারা যে কতটা মজবুত অবস্থানে থাকত, তা সহজেই অনুমান করা যায়। তবে, থেমে নেই ইরান। চুক্তি ভঙ্গ করে নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি ইউরেনিয়াম মজুত করছে ইরান। আর এখানেই ভয় যুক্তরাষ্ট্রের। সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে কিছুতেই অবাধে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে দেবে না। ইরানও যেকোনো মূল্যে এ কর্মসূচিতে অটল থাকবে। এর ভবিষ্যৎ পরিণাম তাহলে কী? বিশেষজ্ঞরা বলছেন?

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই টক্কর বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারে। সশস্ত্র যুদ্ধের সম্ভাবনা রয়েছে। আর পরিস্থিতি দিনে দিনে যেভাবে জটিল হচ্ছে তাতে সম্ভাবনা বাড়ছে বই কমছে না। যেমন, এই যে ঘটনাটা ঘটলো, ওমান উপসাগর থেকে যুক্তরাষ্ট্রগামী একটা তেলবাহী ট্যাংকার আটক করেছে ইরানের নৌবাহিনীর সদস্যরা! ট্যাঙ্কারটা কুয়েত থেকে মার্কিন জ্বালানি কোম্পানি শেভরনের জন্য তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছিল। এরপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে।

    আটক করার নেপথ্যে কারণ ও দর্শিয়েছে ইরান, কি বলেছে? ইরান বলেছে, আটক করার আগে অপরিশোধিত তেল বহনকারী ট্যাঙ্কারটা ইরানের একটি নৌযানকে ধাক্কা দেয়! ফলে, নৌযানের বেশ কয়েকজন ক্রু পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান, আহত হন অন্য ক্রুরা। এর পর ট্যাঙ্কারটা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। রেডিওতে মেসেজ পাঠানো হলেও শোনেনি। এর আট ঘণ্টা পরে ট্যাঙ্কারটা আটক করা হয়।

    যুক্তরাষ্ট্র, ইরানের এই পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছে, বলেছে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। তবে, এটা যে ইরানের ইটের বদলে পাটকেল নীতি সেটা বেশ স্পষ্ট। কারণ, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে ইরানের ওপর যেসব নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। তার আওতায় একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটক করেছে। আর, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের পরেই ইরান পাল্টা দিয়েছে। বলা যায় প্রতিশোধ নিয়েছে ইরান।

    তবে, এই প্রথম নয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের একে অপরের ট্যাংক আটকের ঘটনার এমন নজির আরও আছে। আসলে, ইরান এখন নিজেদের লক্ষ্যে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তাদের তেল রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এতেই যত আপত্তি যুক্তরাষ্ট্রের। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে, বাড়তে থাকা উত্তেজনা বিশ্বকে কোনদিকে নিয়ে যায় সেটাই এখন দেখার বিষয়।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • North Korea: উত্তর কোরিয়ার হুমকির প্রতিক্রিয়া! যৌথ নৌ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মহড়া চালাল দক্ষিণ কোরিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    North Korea: উত্তর কোরিয়ার হুমকির প্রতিক্রিয়া হিসেবে সোমবার যৌথ নৌ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মহড়া চালাল দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (United States) এবং জাপান (Japan)। যেহেতু পিয়ংইয়ং ওয়াশিংটনকে সামরিক মহড়া দিয়ে “পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইল” করার অভিযোগ করেছে। শুক্রবার উত্তর কোরিয়া একটি নতুন কঠিন-জ্বালানি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) পরীক্ষা করেছে।

    গত শুক্রবার তিন দেশ ওয়াশিংটনে কূটনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে তাদের প্রচেষ্টায় নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং সাবমেরিন বিরোধী মহড়া আয়োজনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ত্রিপক্ষীয় মহড়ার কয়েক ঘণ্টা পর, উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রি পিয়ং চোল, তাদের আইসিবিএম পরীক্ষা নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ডাকার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে একটি বিবৃতি জারি করেছেন।

    পৃথকভাবে, দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী সোমবার ১২ দিনের দৌড়ের জন্য মহড়া শুরু করতে চলেছে। রি পিয়ং চোল বলেন, উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র উন্নয়ন ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার একটি আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা। তিনি আরও বলেন, মার্কিন কৌশলগত বোমারু বিমানের সাম্প্রতিক মোতায়েন স্পষ্ট প্রমাণ যে আমাদের বিরুদ্ধে মার্কিন পরমাণু হুমকি এবং ব্ল্যাকমেল এমন একটি স্তরে পৌঁছেছে যা উপেক্ষা করা যায় না।”

    রি বলেন, “যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের বারবার সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে এবং কোরীয় উপদ্বীপের নিরাপত্তা পরিবেশকে বিপন্ন করে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়, তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব যাতে এটি একটি পরিষ্কার নিরাপত্তা সংকট এবং অপ্রতিরোধ্য হুমকি অনুভব করে।”

    জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড সোমবারের বৈঠকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, “আমাকে স্পষ্ট করে বলতে দিন, ডিপিআরকে (DPRK)-এর বারবার বর্ধিত পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রক্ষা করার জন্য আমাদের আইনানুগ প্রচেষ্টা কোনওভাবেই ডিপিআরকে-এর বেআইনি আচরণকে সমর্থন করে না।” উত্তর কোরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া (DPRK) নামে পরিচিত। ২০০৬ সাল থেকে তার ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক কর্মসূচির জন্য জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার অধীনে রয়েছে।

    কয়েক বছরের ঐক্যের পর, ১৫ সদস্যের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এখন পিয়ংইয়ংকে কীভাবে মোকাবিলা করবে তা নিয়ে অচলাবস্থা রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য সদস্যরা চায় যে পরিষদ পিয়ংইয়ংয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোর করুক, তবে ভেটো-পাওয়ার রাশিয়া ও চীন এর বিরোধিতা করছে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • United States: ইসরায়েলের মালিকানাধীন জাহাজে ইরানের হামলার হুমকির মধ্যে গাইডেড-মিসাইল সাবমেরিন মোতায়েন আমেরিকার

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    United States: ইসরায়েল (Israel) ও ইরানের (Iran) উত্তেজনার মধ্যে একটি গাইডেড সাবমেরিন মোতায়েন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার এমনটাই জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। গাইডেড সাবমেরিন মধ্যপ্রাচ্যে ১৫৪টি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। পশ্চিমা সিনিয়র গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার মতে, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস এরোস্পেস ফোর্স পারস্য উপসাগর এবং আরব সাগরে চলাচলকারী ইসরায়েলের মালিকানাধীন বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

    ইরান এবং ইসরায়েল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এবং সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একে অপরের সম্পদ, অবকাঠামো এবং নাগরিকদের উপর দাবিহীন আক্রমণের ‘ছায়া যুদ্ধে’ লিপ্ত হয়েছে। ইসরায়েলের ধ্বংসের জন্য ইরানের আহ্বান, হিজবুল্লাহর মতো ইসরায়েলবিরোধী জঙ্গি গোষ্ঠীর সমর্থন এবং তার পারমাণবিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে তার শীর্ষ শত্রু বলে মনে করে। ইসরায়েল ও পশ্চিমা দেশগুলো বলছে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যে অভিযোগ ইরান অস্বীকার করেছে।

    উপসাগরীয় দেশ বাহরাইনে অবস্থিত পঞ্চম নৌবহরের মুখপাত্র টিমোথি হকিন্স এপি নিউজকে জানিয়েছেন, শুক্রবার পরমাণু চালিত সাবমেরিন জর্জিয়ার ভিত্তিক সুয়েজ খালের মধ্য দিয়ে গেছে। এটি ১৫৪টি টমাহক ল্যান্ড-অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইল বহন করতে সক্ষম এবং আঞ্চলিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করার জন্য মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে মোতায়েন করা হয়েছে।”

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Bangladesh: ডোনাল্ড লু এর সফরে মজবুত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক! বৈঠকে একাধিক বিষয়ে আলোচনা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Bangladesh: বাংলাদেশের (Bangladesh) পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের (United States) দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়া বিষয়ক দপ্তরের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুয়ের (Donald Lu) পর্যবেক্ষণ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন কর্মকর্তারাও বাংলাদেশে তাদের মন্ত্রীর সফরকে বেশ গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার যখন পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের নানান কর্মকাণ্ডে একটু অস্বস্তিতে রয়েছে, ঠিক তখনই ঢাকা শহরে এসেছিলেন মি. লু। তাঁর সফরের অন্যতম আলোচনার বিষয়গুলির তালিকায় ছিল বাণিজ্য, নিরাপত্তা, জ্বালানি, ধর্মীয় স্বাধীনতা, শ্রম, মানবাধিকার প্রভৃতি। এছাড়া এই বৈঠকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (United States) পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন স্টাফ অফিসার উইলিয়াম শিবার এবং রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।

    ডোনাল্ড লু (Donald Lu) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়া বিষয়ক দপ্তরের সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী (Assistant Secretary Bureau Of South And Central Asian Affairs) হিসেবে রয়েছেন। ১৫ই জানুয়ারি রবিবার তিনি বাংলাদেশের সফরের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর এ.কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়াও সেখানে ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহরিয়ার আলাম এবং পররাষ্ট্র সচিব রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। সেখানে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কিত নানান বিষয়ে আলোচনা করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রীর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের গবেষক, শিক্ষক, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাগণ সহ সুশীল সমাজের নানান প্রতিনিধিবৃন্দ। ডোনাল্ড লু ব্যুরো অফ সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়ান অ্যাফেয়ার্সয়ের সহকারী সেক্রেটারি অফ স্টেট হিসেবে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের নিয়োগ পেয়েছিলেন ।

    তাঁর সফরের আগে বাংলাদেশের পরমরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভালো সম্পর্ক থাকা খুবই স্বাভাবিক। গত বুধবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব জানিয়েছিলেন ডোনাল্ড লু আসার পর সব বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হবে। ডোনাল্ড লু বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় পাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের বেশ প্রশংসা করেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। বাংলাদেশ যেভাবে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সাফল্য অর্জন করেছে, সেক্ষেত্রে তিনি প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে এই ধরনের অতিমারিতে দুই দেশ একসাথে কাজ করতে ইচ্ছুক। পাশাপাশি এই বৈঠকে উঠে এসেছে দুই দেশের উন্নয়ন সহায়তা, প্রতিরক্ষা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, নিরাপত্তা, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং শ্রম সংক্রান্ত নানান বিষয়।

    এই বৈঠক নিশ্চিত করেছে যে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক বেশ ভালো। আর এই ধারা তারা অব্যাহত রাখতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এবং পারস্পরিক সহযোগিতার উপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১০ লক্ষেরও বেশি বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের মানবিক সহায়তা এবং তাদের বাসস্থানের বিষয় সমূহ নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা করা হয়। মি. লু জানান, বাংলাদেশের সকল ইতিবাচক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রশাসন সর্বদা সহযোগিতা এবং সমর্থন করবে।

    এই বৈঠকে র‍্যাবের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। র‍্যাব বিচারবহির্ভূত হত্যার সংখ্যা কমানোর ক্ষেত্রে যেভাবে কাজ করছে তার অগ্রগতির কথা স্বীকার করেছেন লু। তিনি জানান, দুই দেশের বন্ধুত্বকে শক্তিশালী করতেই বাংলাদেশে এসেছেন। শ্রমিক অধিকারের বিষয় যে আলোচনা হয়েছে তা নিয়ে গর্ববোধ করেন। শ্রম অধিকারের ক্ষেত্রে একে অপরের সহযোগিতার করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাস রয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই বৈঠক সম্পর্কে জানান, দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। যা আগামী পঞ্চাশ বছরকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে তা নিয়ে অবশ্যই আলোচনা হবে আর গঠনমূলক পরামর্শ এলে তা বাংলাদেশ অবশ্যই গ্রহণ করবে। পাশাপাশি যদি দুর্বলতা থাকে সেই দুর্বলতা দূর করার চেষ্টা করবে বাংলাদেশ।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • New Year Celebrations: আঙুর স্পেনীয়দের সৌভাগ্য বয়ে আনে! বিশ্বজুড়ে নববর্ষ পালনের কী রীতি রয়েছে?

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    New Year Celebrations: নববর্ষের দিনটি প্রত্যেক মানুষের জন্য স্পেশাল। সেটা বাংলা নববর্ষ হোক কিংবা ইংরেজি, মানুষের মধ্যে উন্মাদনা থাকে তুঙ্গে। এবারে নতুন বছর (New Year) শুরু হচ্ছে ছুটির দিন দিয়ে। তাই মানুষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেশি। বিশ্বের নানা জায়গায় এই নতুন বছরকে গ্র্যান্ডভাবে ওয়েলকাম করা হয়। যে দেশে যেমন রীতি, সে দেশে তেমনভাবে স্বাগত জানানো হয় নববর্ষকে। বিভিন্ন জায়গার রয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্য। যেমন-

    যুক্তরাষ্ট্র (United States)-

    প্রত্যেক বছর হাজার হাজার মানুষ নিউ ইয়র্ক সিটির টাইম স্কোয়ারে জড়ো হয় গ্লিটার বল মাটিতে পড়া দেখার জন্য। প্রত্যেক বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর মধ্যরাতে সেখানে এইভাবে নিউ ইয়ার সেলিব্রেট হয়ে থাকে। ‘MONEYCONTROL NEWS’ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এটা সেখানকার প্রথা। যা ১৯০৭ সাল থেকে শুরু হয়েছে।

    গ্রীস (Greece)-

    গ্রীকরা তাঁদের দরজায় পেঁয়াজ ঝুলিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। পেঁয়াজ বৃদ্ধি, পুনর্জন্ম এবং উর্বরতার প্রতীক। তাই আপনি যদি নববর্ষের দিনে গ্রীসে থাকেন, তবে দরজায় বুনো পেঁয়াজ ঝুলতে দেখলে অবাক হবেন না।

    স্পেন (Spain)-

    প্রায় সব উৎসবেই খাদ্য একটা কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। যেমন- গ্রীকরা পেঁয়াজ পছন্দ করে, তেমন স্পানিয়ার্ডরা ১২টি আঙুর খেয়ে নতুন বছর শুরু করে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁদের বিশ্বাস এটি আসন্ন বছরে সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে। এই আচারটি ১৯ শতক থেকে চলে আসছে।

    ডেনমার্ক (Denmark)-

    এখানকার মানুষরা নতুন বছর উদযাপন করে একেবারে অন্যরকমভাবে। ফোবর্সের মতে, ডেনমার্কের লোকেরা মধ্যরাতে আসবাবপত্র থেকে লাফ দিয়ে আক্ষরিক অর্থে একটি নতুন বছরে লাফ দেয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি একটি প্রথা। যাকে তাঁরা তাঁদের ভাষায় “hoppe ind i det nye år” বলে। সেইসঙ্গে আরেকটি ডেনিশ প্রথা হল বাজে আত্মাদের তাড়ানোর জন্য কাটলারি ভাঙা।

    মেক্সিকো (Mexico)-

    মেক্সিকোতে নববর্ষের আগের দিনটি একটি বড় উপলক্ষ এবং রীতিনীতি মেনে পালন করা হয়। স্পেনের মতো মেক্সিকোতেও আঙুর খাওয়ার রীতি রয়েছে। সেইসঙ্গে অন্যান্য আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারকে বাড়িতে তৈরি তামালে উপহার দেওয়া। পাশাপাশি পুরনো জিনিস পরিষ্কার করার জন্য মধ্যরাতে দরজা খুলে রাখা এবং সমৃদ্ধি ও সাফল্যের জন্য লাল অন্তর্বাস পরার রীতি রয়েছে।

    ফিলিপাইন (Philippines)-

    এখানে নববর্ষের দিনে ফিলিপিনোরা বিশ্বাস করে যে, পোলকা ডটের পোশাক পরা উচিত। সেইসঙ্গে ফিলিপাইনের লোকেরা রাতের খাবারের টেবিলে গোল ফল রাখার বিষয়টিও মাথায় রাখে।

    এক কথায় বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ঐতিহ্য রয়েছে নববর্ষের। আর সমস্তটাই বিশ্বাসের থেকে। ঠিক যেমন বলা হয়, বিশ্বাসে মিলায়ে বস্তু। সেরকমই যেভাবে হয়ে আসছে, সেভাবে এক একটি জায়গায় নববর্ষ পালিত হয়ে থাকে।

     

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • US Walmart shooting: যুক্তরাষ্ট্রে আবার বন্দুকধারীর তাণ্ডব, নিহত ১০

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    US Walmart shooting: সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীদের তাণ্ডব ভয়ঙ্কর ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাইডেন সরকার বারংবার অস্ত্র আইন কড়া করার কথা বললেও আদতে কি কোন লাভ হচ্ছে? উপরন্তু রিপাবলিকানরা কোনো কড়া আইন চায় কিনা এই নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এসবের মাঝেই যুক্তরাষ্ট্রের চেসাপিক শহর থেকে এল এক হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা। বাংলাদেশের গণমাধ্যম ‘সময় টিভি’র সূত্র অনুযায়ী, এই শহরের ওয়ালমার্ট স্টোরে ঢুকে গুলি চালিয়েছে বন্দুকধারী। যার কারণে নিহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। অপরদিকে ওই বন্দুকধারীর মৃত্যু হয়েছে পুলিশের গুলিতে।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শপিংমল, দোকান, খোলা জায়গা, এমনকি স্কুলেও বন্দুকধারীদের তাণ্ডব চলছে। বাইডেন সরকার এক্ষেত্রে কিছুতেই যেন রাশ টানতে পারছে না । এবার এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড থেকে রেহাই পেলেন না ওয়ালমার্ট স্টোরে জিনিস কিনতে আসা সাধারণ মানুষ। আপাতত ওই ঘটনার পরেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি চলছে।

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, তারা প্রথমে স্টোরের ভিতরে ঢুকেই দেখেন বেশ অনেকগুলি দেহ পড়ে আছে। যার মধ্যে কেউ মারা গিয়েছেন, আবার কেউ আহত। তারা স্টোরে ঢোকার পর প্রথমেই বন্দুকধারীকে হত্যা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্টোরে একজন মাত্র বন্দুকধারী ছিলেন। চেসাপিক নগর কর্তৃপক্ষ, একটি টুইট বার্তার মাধ্যমে এই ঘটনা নিশ্চিত করেছে। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটের লুইস লুকাস এই বিষয়ে জানান “আমার শহরে আমার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে তা ভাবতেই পারছি না। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা একটা সমাধানে না আসতে পারি, ততক্ষণ আমি লড়ে যাব”। কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোতে বন্দুকধারীর হামলায়, ৫ জন নিহত এবং অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছিলেন।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • Turkey: ফুঁসে উঠছে কুর্দিস্তান আন্দোলন, যেভাবে কুর্দিদের বিপদে ফেলছে আমেরিকা

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    Turkey: ইস্তানবুলের আকাশে বারুদের গন্ধ। মধ্যপ্রাচ্যে মাথাচা়ড়া দিচ্ছে কুর্দিস্তান আন্দোলন। কুর্দিদের কীভাবে দিনের পর দিন নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে আমেরিকা? উত্তর সিরিয়া ও ইরাকে লাগাতার হামলা। এবার কি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের মুখে পড়তে চলেছে তুরস্ক?

    উত্তর ইরাক, সিরিয়াতেও কুর্দি বিদ্রোহীদের মুখ বন্ধ করতে চায় ইস্তানবুল। কুর্দি ঘাঁটিগুলিতে একের পর এক হামলা। স্বাধীন কুর্দিস্তানের দাবিতে বিক্ষোভেোর আগুন জ্বলছে। এই সংঘাতের শুরুটা কোথায়? এই কুর্দিরা আসলে কারা? দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, উত্তর-পূর্ব সিরিয়া, উত্তর ইরাক অঞ্চলে কুর্দিরা ছড়িয়ে রয়েছে ।কুর্দিদের বলা হয় পাহাড়ি তুর্কি।মধ্যপ্রাচ্যের বড় জনগোষ্ঠীটি নিজেদের রাষ্ট্র গঠন করতে চায়।সিরিয়ার কোবান এবং অ্যালেপ্পো অঞ্চলে শাসন ক্ষমতা দখল করেছে কুর্দিরা ।এই বাহিনীর নাম সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্স কিন্তু তুরস্ক এই সরকারকে মানে না।

    ইরাক ও সিরিয়ার রাজনৈতিক টালমাটালালে কুর্দি জাতি কোনোদিনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়নি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে লাগাতার নিজেদের রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানিয়ে এসেছে তারা। কিন্তু তাদের আন্দোলনকে কোন আশঙ্কা থেকে প্রথম থেকেই দমিয়ে রেখেছে তুরস্ক? তুরস্কের মোট জনসংখ্যার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কুর্দি। তুরস্কে এই জাতি যাতে কোনওদিন ও নিজেদের হয়ে আওয়াজ তুলতে না পারে, যাতে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি না তৈরি হয়তাই একসময় কুর্দি ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এমনকি কুর্দিদের যে একটি আলাদা জাতিগত পরিচয় আছে সেটিও অস্বীকার করা হয়। নিজেদের অস্তিত্বের লড়াইয়ে তুরস্কে প্রায় ৪০ হাজার কুর্দি প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু লড়াই থামেনি।

    বিশেষ করে ইরাকে সুন্নি সাদ্দাম হোসেনের শাসনকালে কুর্দিদের ওপর লাগাতার অত্যাচার বাড়তে থাকে । তবু অদম্য সাহস, লড়াকু মানসিকতা নিয়ে কুর্দিরা তাদের কুর্দিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি থেকে সরে আসেনি। ১৯৪৬ সালে ইরাকে মুস্তাফা বাজরানি কুর্দিস্তান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি গঠন করেন।তবে তারা সশস্ত্র বিদ্রোহ শুরু করে ১৯৬১ সাল থেকে। ১৯৮৮ সালে কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন সাদ্দাম হুসেইন। এমনকী কুর্দিদের বিরুদ্ধে হালাবজা অঞ্চলে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়।

    কুর্দিদের বরাবর কীভাবে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে আমেরিকা? এ প্রসঙ্গে কী বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা? স্বার্থ হাসিল করে বিপদে ফেলেছে প্রাক্তন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের ডাকে সাড়া দিয়ে কুর্দিরা সাদ্দামের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিল। সশস্ত্র আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল হাজার হাজার কুর্দি। শেষে স্বীকৃতির দাবিতে গণহত্যার শিকার হতে হয়েছিল নিরীহ মানুষগুলিকে। আশির দশকে তুরস্কে স্বাধীন কুর্দিস্তান গঠনের দাবি নিয়ে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি গঠন হয়। তখন খেকেই যেন পায়ের তলার মাটি কিছুটা শক্ত হল এই জাতির। দলের চেয়ারম্যান আবদুল্লা অকালানের নেতৃত্বে প্রথমবার সাধারণ কুর্দিদের মনে জায়গা করে নেয় পিকেকে। ১২ নভেম্বর জোড়া বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইস্তানবুল। এই বিস্ফোরণের পিছনে কুর্দি বিদ্রোহীদের হাত দেখছে তুরস্ক। বিস্ফোরণের জবাব দিতে এবার পিকেকে-র বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। এমনটাই বলছে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশ তুরস্ক সব মিলিয়ে ২৫টি বিমান হামলা চালিয়েছে উত্তর সিরিয়া এবং ইরাকের একাধিক জায়গায় হামলা চলেছে। সরকারকে তাঁতিয়ে দিয়ে তুরস্কে যুদ্ধের দামামা বাজাতে চায় কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি ? মধ্যপ্রাচ্যে কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে ইরাকসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের পতন কি এগিয়ে আসছে? নাকি নিজেদের কবর নিজেরাই খুড়ছে এই জনগোষ্ঠী? প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

  • United States and North Korea: উত্তর কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা চরমে! এই অস্ত্রের ভয়ে কাঁপছে গোটা বিশ্ব

    ।। প্রথম কলকাতা ।।

    United States and North Korea: বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের দামামা। রাশিয়া-ইউক্রেন লড়ইয়ের মাঝে শুরু উত্তর কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত। একজন ছুঁড়ছে মিসাইল, অপরজন কুখ্যাত বোমা। আড়ালে তীব্র ঘৃণা, যার সূত্রপাত ১৯৫০ সালে। উত্তর কোরিয়া নিজের মতো করে একের পর এক পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘের রক্তচক্ষুর পরোয়া করেনি। দিনের পর দিন তিক্ত হয়েছে দুই রাষ্ট্রের সম্পর্ক। এই সাপে-নেউলের সম্পর্কের জল কোন দিকে এগোবে? কিম কি আদৌ বোমারু বিমানের সাথে পেরে উঠবে?

    কোরিয় যুদ্ধ হয়েছে প্রায় ৭০ বছর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনো দুই দেশের মধ্যে শত্রুতার উত্তেজনা বিন্দুমাত্র কমেনি। সময়ের গভীরতা ৭ দশক কেটে গেলেও যুদ্ধের রেশ রয়ে গিয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, উত্তর কোরিয়ার প্রধান কিমের মাথায় এখন বড়সড় প্ল্যান। একদিকে উত্তর কোরিয়া ছুঁড়ছে ব্যালেস্টিক মিসাইল, অপরদিকে আমেরিকা দেখাচ্ছে B1B ল্যান্সার বোমারু বিমানের কামাল। উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রে টার্গেট হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান। আর জাপানে আঘাত হানা মানে আমেরিকার আতেঁ ঘা দেওয়া। অপরদিকে দেশটি দক্ষিণ কোরিয়ার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছে । কোন হুঁশিয়ারি ছাড়াই কোন প্রতিবেশী দেশে এইভাবে মিসাইল ছোঁড়া উস্কানিমূলক এবং বিপদজনক, যাকে এক কথায় বলা হয় আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন। বিশ্ব রাজনীতির দিক থেকে শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্র চারিদিক থেকে একটু চাপে পড়ে গেলেও, দমে যায়নি। সামনেই রয়েছে আমেরিকার মধ্য মেয়াদী নির্বাচন। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাইছে কিম। তার সামরিক ক্ষমতা প্রদর্শন করে আমেরিকায় আলোচনার টপিক হতে চাইছে। ইচ্ছা করেই প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টি করছে এবং প্রস্তুতি নিচ্ছে আরও বড় কিছুর। যেমনটা করেছিল ২০১০ এবং ২০১৭ সালে। প্রথমে উত্তেজনার পারদ ছড়ানো, তারপর তা ভীতিতে নিয়ে যাওয়া। একদল বিশ্লেষক মনে করছে, উত্তর কোরিয়ার ব্যালেস্টিক প্রযুক্তি এখনো পোক্ত নয়, তাই পরীক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে সে পরীক্ষা চালাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার পর মাথার অংশ গুলি আলাদা হয়ে যাচ্ছে, সঠিকভাবে লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করতে পারছে না। কিন্তু কিমের আগ্রাসী মনোভাবের সঙ্গে এই যুক্তি ধোপে টেকেনি। এটি পারমাণবিক শক্তি সম্পন্ন আমেরিকার প্রতি হুমকির প্রদর্শন । কিমের চোখ রাঙানি কোনদিনই আমেরিকা সহ্য করেনি। আজ নয় সেই ১৯৫০ সালে কোরিয়া যুদ্ধের সময় থেকেই আমেরিকা আর উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক একেবারেই ভালো নয়। যার জেরে শুরু হয়েছে কিমের ব্যালেস্টিক মিসাইল ভার্সেস বাইডেনের বোমারুর লড়াই।

    ঝামেলার সূত্রপাত

    যুক্তরাষ্ট্রে দুই কোরিয়ার লড়াইকে বলা হয় ‘ফরগেটন ওয়ার’ অর্থাৎ যে যুদ্ধের কথা মানুষ ভুলে গেছে। কিন্তু প্রায় ৭০ বছর পেরিয়ে গেলেও দুই কোরিয়ার দ্বন্দ্ব এখনো বহমান। প্রায় সময় দেখা যায় দুই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুঙ্গে। নভেম্বর মাসের শুরুতেই দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে প্রায় দশটি মিসাইল ছুঁড়েছে কিম। যদিও দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার এইরূপ আক্রমণাত্বক মনোভাব এর আগেও দেখেছে। আসলে দুই দেশের দ্বন্দ্বের ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে ১৯১০ থেকে ১৯৪৫ সালের ইতিহাস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যখন জাপানের সাম্রাজ্য ভাঙ্গতে শুরু করে তখন কোরিয়া নিয়ে শুরু হয় লড়াই। অবশেষে ১৯৪৮ সালে দুই কোরিয়ার ভাগ হয়। একদিকে থাকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত দক্ষিণ কোরিয়া, অপরদিকে যায় কমিউনিস্ট সমর্থিত উত্তর কোরিয়া। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। দুই কোরিয়া কেউ কাউকে বৈধ হিসেবে গ্রহণ করতে পারেনি। যার কারণে 1950 সালে একে অপরকে আক্রমণ করে। যাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় স্নায়ুযুদ্ধ। এই যুদ্ধে চীন বড়সড় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় উত্তর কোরিয়ার দিকে। দুই কোরিয়াকে সামনে রেখে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে চীন আর যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৫৩ সালে উত্তর কোরিয়া, চীন আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি যুদ্ধ বিরোধী চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে রাজি হলেও দক্ষিণ কোরিয়া এই চুক্তিতে সায় দেয়নি। এই তিন বছরের লড়াইয়ে উভয় পক্ষের ব্যাপক ক্ষতি হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর পাশাপাশি বহু মানুষের হদিস আজও মেলেনি। এই যুদ্ধের পর এখনো পর্যন্ত প্রায় সাত হাজারের বেশি মার্কিন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন। যার জেরে উত্তর কোরিয়া এবং আমেরিকার মধ্যে চলছে গোপন লড়াই।

    দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান মহড়ার মাঝে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ আগুনে ঘি ঢালার মত উত্তেজনা বাড়িয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া সীমায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করছে উত্তর কোরিয়া। যার মধ্যে চারটি স্বল্প পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার চলতি সপ্তাহে কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ এক প্রকার যুদ্ধের উস্কানি।

    B-1B ল্যানসারের ভয়ে কাঁপে গোটা বিশ্ব

    B-1B ল্যানসারের ভয়ে কাঁপে গোটা বিশ্ব। বলা হয়, এটি যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার বিমান বাহিনীর মেরুদণ্ড। যুক্তরাষ্ট্র এই মডেলের প্রায় ১০০ টি বিমান তৈরি করেছে, যার মধ্যে ৬৬ টি সার্ভিসে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আজ পর্যন্ত এই মারাত্মক বোমারু বিমান কাউকে বিক্রি করেনি। এটি সবথেকে শক্তিশালী যুদ্ধবিমান। B-1B খুব সহজেই এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে উড়ে যেতে পারে। এর ইলেকট্রনিক জ্যামিং ইকুইপমেন্ট, শক্তিশালী ইঞ্জিন , ইনফ্রারেড কাউন্টার মেজার, রাডারের অবস্থান এবং সতর্কতা ব্যবস্থা অন্যান্য দেশের যুদ্ধাস্ত্র থেকে অনেক এগিয়ে । এর উড্ডয়নের দুর্দান্ত গতি জয় করেছে প্রায় ৫০টি বিশ্ব রেকর্ড। এগুলি আকারে প্রায় ১৪৬ ফুট লম্বা এবং প্রস্থে ১৩৭ ফুট। প্রায় ৩৫ হাজার কেজি পেলোড অর্থাৎ অস্ত্র, গোলাবারুদসহ সৈন্য নিয়ে এটি অনায়াসে বহুদূর পর্যন্ত উড়ে যেতে পারে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে। এই বোমারু বিমান পরিচালনা করতে ভিতরে থাকেন দুই জন পাইলটের সঙ্গে চারজন ক্রু মেম্বার। এটা শুধু শত্রুকে ধ্বংস করে না, শত্রুর আক্রমণকে রুখে দিতে রয়েছে বিশেষ ইলেকট্রনিক্স ব্যবস্থা। যদি অন্য কোন দেশে অবস্থিত ঘাঁটিতে এই বিমান মোতায়ন করা থাকে সেক্ষেত্রে কিন্তু ধরে নিতে হবে সেই দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু রাষ্ট্র। এই বিমানটির সবথেকে বড় শক্তি হল, এটি AGM 86 লং ক্রুজ মিসাইলের পাশাপশি AGM 69 বহন করতে সক্ষম। এখানে অস্ত্র রাখার জন্য প্রায় তিনটি স্তরের ব্যবস্থা রয়েছে। যার মধ্যে রাখা যাবে প্রায় ৩৫ হাজার কেজির অস্ত্র। এছাড়াও বাহ্যিক হার্ট পয়েন্টে রাখা যাবে প্রায় ২৬০০০ কেজির অস্ত্র। যদিও বর্তমানে এই বিমান থেকে পরমাণু অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র এক বার কোমর বেঁধে এই বোমারু বিমান নিয়ে যুদ্ধে নামে তাহলে মুশকিলে পড়তে পারে কিম।

    খবরে থাকুন, ফলো করুন আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায়

    সব খবর সবার আগে, আমরা খবরে প্রথম

Exit mobile version